Thursday, July 16, 2015
সরকারি চিকিৎসকদের কাজ- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের নীতিমালা কই?
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) করা গবেষণা থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, মোট চিকিৎসকের ৬২ শতাংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কাজ করে। আর এতে জড়িত আছেন ৮০ শতাংশ সরকারি চিকিৎসকও। দুটি তথ্যের সমীকরণ যে সত্যটি তুলে ধরে, তা হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক চিকিৎসা খাতই সর্বাধিক সংখ্যক চিকিৎসকের আয়ের উৎস। এটি চিকিৎসা খাতের আশঙ্কাজনক বাণিজ্যিকীকরণের বাস্তবতাই তুলে ধরে। যদি সরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের বিস্তার আরও ঘটত, তাহলে এই চিকিৎসকেরা সরকারি চিকিৎসাব্যবস্থার অংশ হতেন এবং রোগীরাও সরকারি ব্যবস্থাপনায় অধিকতর কম খরচে চিকিৎসা পেতে পারতেন।
প্রথমত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্থের বিনিময়ে সময় ও দক্ষতা ব্যয় করার পর, সরকারি হাসপাতালের জন্য কতটুকু সময় ও সামর্থ্য অবশিষ্ট থাকে ওই চিকিৎসকদের? মূলত সরকারি চিকিৎসকদের ওপরই নির্ভরশীল বেসরকারি চিকিৎসা-বাণিজ্য।
সরকারি চাকরি করে বাণিজ্যিক চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে সেবা দেওয়ার ফলে নিশ্চিতভাবেই এসব চিকিৎসক যে জনগণের করের পয়সায় বেতন নিচ্ছেন, তঁাদের প্রতি যথাযথ মনোযোগ দিতে পারছেন না।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় বিধিবিধান কার্যকর করা জরুরি। আইসিডিডিআরবি যে সমীক্ষা করেছে, এ ধরনের সমীক্ষা সরকারি প্রতিষ্ঠান কেন করে না? কেননা নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নের আগে তো বাস্তবতার পূর্ণ চিত্রটা জানা চাই। যেমন এই গবেষণায় বিভিন্ন বিভাগে চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যার বৈষম্য দেখা যায়। এই বৈষম্য দূর করতে হলে যথাযথ জরিপ ও গবেষণা প্রয়োজন।
চিকিৎসাসেবার বাণিজ্যিকীকরণের রাশ টানা এবং চিকিৎসক ঘাটতি পূরণের দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দশ শর্তে বন্দি দুদকের দুর্নীতির অনুসন্ধান by তাসকিনা ইয়াসমিন
এদিকে, গত এপ্রিল মাসে দুদকে আসা অভিযোগের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ অনুসন্ধানের জন্য নিয়েছে সংস্থাটি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এতে করে জনগণের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি কাটাতে দুদক ডাটা তৈরি করে তাদের কাছে আসা অভিযোগ কেন গ্রহণ করা হলো না তা জনগণের কাছে প্রকাশ করতে পারে।
দুদক সূত্র জানায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর আলোকে দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়। বর্তমানে দুদক দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭-এর আলোকে দুদকের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
দুদকের কাজের সুবিধার জন্য দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত বেছে নিয়েছে। শর্তগুলো হচ্ছে অর্থ ও মুদ্রা পাচার, ভূমি, ভূমি রাজস্ব ও ইজারা, ঘুষ (অর্থ, সম্পদ ও সেবা), অবৈধ উপায়ে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ অর্জন, নির্মাণ কাজ ও যোগাযোগ খাতে দুর্নীতি, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ও বেসরকারি সংস্থাগুলোতে দুর্নীতি, শুল্ক ও কর, রাজস্ব, ব্যবসায়ী/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো, সরকারি ক্রয়-বিক্রয়, লাইসেন্স ইস্যু করা, অঙ্গীকারের শপথ ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুদক আইন ২০০৪-এর তফসিলে উল্লিখিত অপরাধগুলোসহ অন্যান্য। দুদক শুধু এই ১০টি শর্তের অধীনে থাকা অনুসন্ধানগুলোই করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে, দুদকে আসা অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দশটি দিক বিবেচনায় নেয় দুদকের যাচাই-বাছাই শাখা। সেগুলো হচ্ছে অভিযোগটি দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ কি-না, কাকে সম্বোধন করে অভিযোগটি পাঠানো হয়েছে, অভিযোগকারীর পরিচয়, নাম-ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর যথার্থ কি-না, প্রাপ্ত অভিযোগটি সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ কি-না, পক্ষ-বিপক্ষ কর্তৃক (শত্রুতাবশত) অযথা হয়রানির উদ্দেশ্যেই অভিযোগটি দেয়া হয়েছে কি-না, অভিযুক্ত ব্যক্তির দফতর, তার দাফতরিক পদ মর্যাদা, বর্ণিত অপরাধ করার ক্ষমতা ও সুযোগ আছে কি-না ইত্যাদি, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময়-কাল, অভিযোগের দরখাস্তে বর্ণিত অপরাধের ব্যক্তি ও অর্থ-সঙ্গতির পরিমাণ, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সম্বলিত জেলা কার্যালয় কর্তৃক অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত করা হতে পারে, প্রাপ্ত অভিযোগটি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ ও দুর্নীতি দমন বিধিমালা-২০০৭ মোতাবেক কার্য সম্পাদন শেষে কোর্টে অপরাধ প্রমাণ করা যাবে কি-না, প্রমাণে কি পরিমাণ অর্থ, শ্রম, মেধা, সময় এবং উপকরণ প্রয়োজন হবে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে দুদকের যাচাই-বাছাই কমিটি অনুসন্ধানের জন্য অভিযোগ গ্রহণ করে।
দুদকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালে দুদকে অনুসন্ধানের জন্য অভিযোগ জমা হয় ১২ হাজার ৫শ’টি। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই কমিটির বাছাইয়ে বাতিল হয় ১০ হাজার ৫৭৪টি। আর অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয় ১৬৮৯টি, ২৩৭টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, ২০১৪ সালে কমিশন আগের বছরের শেষ না হওয়া অনুসন্ধানসহ মোট ৭ হাজার ৭৭৫টি অনুসন্ধান শুরু করে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৭৭৫টি নিষ্পত্তি করেছে। যার মধ্যে ৩৩৩টি মামলা দায়ের করেছে। অন্যদিকে, গত এপ্রিল মাসে দুদকের প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা ৬১৭টি। যাচাই-বাছাই করে কমিশন অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করেছে ৪৯টি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে পাঠিয়েছে ১২টি। কমিশনের তফসিলভুক্ত না হওয়ায় বা সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত না থাকায় ৫৫৬টি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত দুর্নীতি সংক্রান্ত বিবেচ্য প্রতিবেদন সংখ্যা ৭টি এবং যাচাই-বাছাই করে অনুসন্ধানের জন্য নেয়া প্রতিবেদনের সংখ্যা ১টি। জানুয়ারি-এপ্রিল মাসে প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৮টি। কমিশন মামলা নিয়েছে ২৩২টি, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরিত ৬৯টি, তফসিলভুক্ত না হওয়ায় বাতিল ২৪৯৭টি, বিভিন্ন পত্রিকা থেকে নেয়া অভিযোগের সংখ্যা ৪১টি এবং যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত অভিযোগের সংখ্যা ১২টি।
দুদক সূত্র জানায়, দেশের মানুষের দুদকের কাছে প্রত্যাশা অনেক। কিন্তু দুদকের জনবল কম হওয়ায় সংস্থাটির পক্ষে তাদের সে প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে দুদকের কাজের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছ হলে তা দুদকের জন্য ভালো এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, দুদকে যে অভিযোগগুলো আসে তার বেশির ভাগই বাদ পড়ে। তবে এটা সত্যি দুদকের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। যে অভিযোগগুলো সরাসরি দুর্নীতি সম্পর্কিত, সেগুলো হয়ত দুদকের তফসিল বহির্ভূত হতে পারে। দুদকের শিডিউল অনুযায়ী অভিযোগটি পড়ছে কিনা সেটা দুদক যাচাই-বাছাই করে থাকে। দুদকের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে যথার্থতা, স্বচ্ছতা, বিশেষ কোন অভিযোগকে ছাড় দেয়ার প্রবণতা না থাকলে সেটাকে সুনির্দিষ্টভাবে বাছাই সঠিক হচ্ছে না বলা কঠিন। যদি এমন হয় দুদকে যে ৯৫ শতাংশ অভিযোগ বাছাই থেকে বাদ পড়ছে সেগুলো দুদকের সিডিউলের আওতাভুক্ত না হওয়ায় বাদ পড়েছে সেক্ষেত্রে দুদক ডাটাবেজ তৈরি করে তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এবং সেগুলো কেন নেয়া সম্ভব হয়নি তার কোথায় কোথায় ঘাটতি ছিল তা প্রকাশ করে দুদক জনগণকে জানাতে পারে। এটা করা সম্ভব। আর এটা হলে কিসের ভিত্তিতে কেন দুদকের যাচাই-বাছাইয়ে এটি বাদ পড়ল তা জানা যাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্ভোগ নতুন কিছু নয় by এম আবদুল হাফিজ
কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে ও অভিজ্ঞতার আলোকে ওসব শুধু কথার কথা। বলতে হয় তাই বলা। কর্তা ব্যক্তিরা যারা এসব প্রতিশ্রুতির বিস্তার করেন তারাও জানেন যে তাদের ওইসব প্রতিশ্রুতি কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। তবু সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে সম্ভবত তারা ওইসব কথা বলে থাকেন। মন্ত্রী, এমপি বা দলীয় হেভিওয়েট যারা প্রতিশ্রুতি দেয়ার ক্ষমতা রাখেন তাদের অনেকেই জনদুর্ভোগের স্বরূপটাই জানেন না। সাধারণ মানুষকে উৎসবে-পার্বণে কতটা দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের সে অভিজ্ঞতাও নেই। এদের অনেকেই পুরো রামাদানেই ইফতার পার্টি নামক বিশেষ ভোজে আপ্যায়িত হয়ে থাকে না। সেই নির্ভেজাল ভোজের মাজেজা তাদের জানা থাকার কথা নয়।
তবে রামাদান বাজার বা সেখানে বিক্রীত পণ্যের মান ও মূল্য যে একেবারে মনিটরিং করা হয় না তা বলা যাবে না। আমাদের দেশে অন্তত দায়সারা লোক দেখানো একটা মনিটরিং প্রতিটি এমন উৎসবের মৌসুমে করা হয়ে থাকে। আখেরে তার ফলাফল শূন্য। তা নাহলে রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী ব্রাজিল থেকে আমদানি করা পচা পোকাধরা গম যা অন্য কোনো দেশে হয়তো পশু খাদ্য হিসেবেও বিকাবে না তাকেও রীতিমতো মানব খাদ্য হিসেবে চালিয়ে দেয়ার সাহস হয় সংশ্লিষ্ট আমলাদের। এ দেশেই শুধু তা সম্ভব।
আমরা অত্যন্ত সচেতন জাতি হলেও কিছুটা হার মেনে বা কষ্ট স্বীকার করেও সব কিছুতে কুরুক্ষেত্র বাধাতে চাই না। ঘুষ-ঘাস দিয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে কোনো ছ্যাকড়া বাসে আধমরা পরিবার নিয়ে ঈদের নামাজ রাস্তায়ই সেরে জীর্ণশীর্ণ বাস্তুভিটায় পৌঁছতে পারলেই আমাদের মুখের হাসি চওড়া হয়ে আসে। ভুলে যাই দীর্ঘ যাত্রাপথের ঝক্কি-ঝামেলার কথা। মনে করি যে বৌ-বাচ্চা নিয়ে নির্ঝামেলায় ঈদ করতে যাওয়া একটি বিশেষ শ্রেণীর একচেটিয়া। আমাদের এই-ই তো যথেষ্ট যে আমরা সমুদ্র জয় করেছি, স্থল সীমান্তের একটি সুরাহা করে ছিটমহল অদলবদল করার পদক্ষেপ নিয়েছি। উপরন্তু ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর হয়েছি।
আমরা সামান্যই উপলব্ধি করি যত যা-ই করি না কেন দেশবাসীর মধ্যকার পারস্পরিক বৈষম্য দুস্তর পারাবার সম। আমাদের এই বৈষম্য ঘোচাতে না পারলে ঈদই হোক বা পূজাপার্বণ এক শ্রেণী চিরকালই দুর্ভোগ নতুন কিছু নয়ভেজালই খাবে। বোকার মতো অধিক মূল্যে খাদ্য সামগ্রী কিনবে, উৎসবে-পার্বণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ করবে। আমরা দেশ স্বাধীন করার মধ্য দিয়েই এই বৈষম্য ঘোচাতে চেয়েছিলাম। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের এজেন্ডায় এক পর্যায়ে সমাজতন্ত্র যুক্ত হয়েছিল এবং স্বাধীন বাংলার চার মূলনীতির অন্যতম সমাজতন্ত্র ছিল অতঃপর কোথায় যেন কি হয়ে গেল। সমাজতান্ত্রিক জীবনের ধ্যান-ধারণাকে ওলটপালট করে দিয়ে কিছু মানুষ কল্পনাতীতভাবে ধনবান হতে থাকল। এরা মূলত ভণ্ড ব্যবসায়ী যারা সরকারি আনুকূল্যে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলল। তাদের সঙ্গে একই সরকারি আনুকূল্যে ঠিকাদারী, ইজারাদারী, সাপ্লায়ার্সের কাজ বাগিয়ে রাতারাতিই আনুকূল্য প্রাপ্তরা হাজার টাকার মালিক।
সমাজের তলানিতে যাদের স্থান সেই সুবিধা ও সুযোগ বঞ্চিতরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই থেকে গেল। আমরা যত মধ্যম আয়ের দেশ হই না কেন, মাথাপিছু আয় যতই বৃদ্ধি পাক এবং উন্নয়নের মহাসড়কে সামনে এগোই অর্থনৈতিক ও তার ফলে সামাজিক বিভাজনটা থেকেই যাচ্ছে; বিভাজনের কোন পাশে আপনার অবস্থান তার ওপর নির্ভর করবে যে আপনার ঈদ উদযাপনটা কেমন হবে।
স্বাভাবিক নিয়মেই সব কিছুতেই অগ্রাধিকার থাকবে ক্ষমতাবান ও ধনবানদের জন্য। তাদের প্রয়োজন আকণ্ঠ মিটবার পর যে ছিটেফোঁটা অবশিষ্ট থাকে সেটাই বণ্টন হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশবাসীর জন্য। আমাদের পরম সৌভাগ্য যে তবু কর্তৃপক্ষ আমাদের কথা চিন্তা করেই কিছু সুবচন ছড়ান, আশার আলো জ্বালান। কিন্তু বাস্তবে ওটাই হবে যা অতীতেও হয়েছে।
অবাক হয়ে ভাবি এত অগ্রগতি সত্ত্বেও দেশে এহেন অব্যবস্থা থাকবে কেন, পর্যাপ্ত রেলবগি বা নিরাপদ জলযানেরই অপ্রতুলতা থাকবে কেন। বছরের পর বছর ধরে বিনিয়োগ নেই কেন, দেশেই কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান হয় না কেন? জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তারা মানব পাচারকারীদের প্ররোচনার শিকার হয় কেন?
প্রতিশ্রুতি, প্রলোভন বা প্ররোচনা কি তাহলে একটি ট্রাডিশন যা সমানে চলছে এবং তারই একটি অংশ ঈদ পার্বণে অন্তহীন জনদুর্ভোগ যা শুরু হয় একটি সাবলীল উৎসব উদযাপন প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দিয়ে। আর মাত্র দিন দশেক বাকি। এই দিনগুলোও কেটে যাবে। তারপর কে মনে রাখবে কোন অপ্রাপ্তির কথা? দুর্ভোগের দুঃসহ স্মৃতি অন্তরে পুষে রাখা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে অনাগত ভবিষ্যতের জন্যও এই ট্রাডিশন বহাল থাকবে।
লেখক: সাবেক মহাপরিচালক বিআইআইএসএস ও কলামিস্ট। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক সেনাপ্রধান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনার আগাম ভাবনা by মুস্তাফা নূরউল ইসলাম
ঈদ কিংবা ঈদের পরবর্তী দিনগুলোর দিকে লক্ষ্য করে দেখা গেছে এই ঢাকা অর্থাৎ আমাদের রাজধানী বেশ কয়েকদিন ফাঁকা থাকে। রাস্তায় কোনো ভিড় দেখা যায় না, চিরচেনা অসহনীয় যানজটও তখন থাকে না। এতে প্রতীয়মান হয় বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়ে চলে যান যারা নানারকম জীবিকায় যুক্ত এই ঢাকায়। এর মধ্যে নিম্ন কিংবা নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য যারা মফস্বলে কাজ না পেয়ে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে ঢাকামুখী হয়েছেন। এবার ঈদযাত্রা এরই মধ্যে শুরু হয়ে যাবে। ট্রেন-বাস-লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে কিংবা হবে এরই মধ্যে। এই টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে নানারকম হয়রানির মুখোমুখি হতে হয় মানুষকে। সুযোগসন্ধানী একটি চক্র এ সময়ে অধিকতর তৎপর হয়ে ওঠে, টিকিট ওদের মুঠোবন্দি থাকে। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নানারকম অপকৌশলও চোখে পড়ে প্রকটভাবেই। বাড়তি ভাড়ার থাবা তো আছেই এর সঙ্গে শোনা যায় অতি পরিচিত শব্দগুলো ‘টিকিক নাই’। তার পরও টিকিট পাওয়া যায় এবং তা অত্যন্ত চড়ামূল্যে সংগ্রহ করতে হয় অপরাধী চক্রের কাছ থেকে। এদের দমনের কিংবা অপতৎপরতা বন্ধের কথা প্রশাসনের তরফে বরাবরই শোনা যায়। খুব দৃঢ়তার সঙ্গে বলা হয় এদের দমনে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় এরা তার পরও তৎপরই থাকে তাদের অপতৎপরতা চালাতে। এটি নতুন কোনো দৃশ্য নয়। এবারো ইতোমধ্যে দায়িত্বশীল নানা মহল থেকে বলা হয়েছে মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবরকম ব্যবস্থাই নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু পত্রিকান্তরে প্রকাশ এখনই টিকিট সংকট দেখা দিয়েছে বাসের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ শুরু হয়ে গেছে বিড়ম্বনা। তার পরও আমরা আশা করব দায়িত্বশীলদের প্রতিশ্রুতি উচ্চারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও বিড়ম্বনামুক্ত করা হবে।
ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনার আগাম ভাবনাঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য সড়ক ও নৌপথ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর পশ্চাৎকারণ সচেতন মানুষ মাত্রই জানা আছে। চলাচলের অনুপযোগী নৌযান ও সড়কযান তখন বেশি মাত্রায় নামে এবং নিজেদের লাভালাভের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে তারা জননিরাপত্তার বিষয়টিকে তুচ্ছ মনে করে সবরকম অপক্রিয়াই চালিয়ে থাকে। এর ফলে সৃষ্টি হয় মর্মন্তুদ অধ্যায়ের এবং এমন কয়েকটি ঘটনা অতীতে ঘটেছে যেগুলোর প্রতিকার চিত্র উজ্জ্বল নয়। এক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতার অভাবও কম দায়ী নয়। রেলপথ অনেকটাই এক্ষেত্রে নিরাপদ হলেও আমাদের রেলওয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনাগত নানারকম ত্রুটি এক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক চিহ্নের মতো দাঁড়িয়ে আছে। এবার রেল বহরে ঈদ উপলক্ষে প্রায় ১৭০টি কোচ (বগি) ও ২৫টি ইঞ্জিন যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও পত্রিকান্তরে প্রকাশ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এগুলো রেল বহরে যুক্ত করা সম্ভব হবে কিনা এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। রেলের সেবার মানও প্রশ্নবিদ্ধ। শিডিউল বিপর্যয় এবং কোনা কোনো ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিও বড় উদ্বেগের কারণ। মানুষ নানা কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এখন রেলবিমুখ অনেকটাই। তারা ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াতের অন্য মাধ্যম বেছে নিতে বাধ্য হয়। সারা বিশ্বে রেলের যখন ক্রম প্রসার ঘটছে, সেবাচিত্র উজ্জ্বল হচ্ছে তখন আমাদের এখানে পরিলক্ষিত হচ্ছে এর প্রায় বিপরীত চিত্র। রেলপথ অনেকটা সংকুচিত হয়ে গেছে আবার সাম্প্রতিক সময়ে রেল দুর্ঘটনার কয়েকটি ঘটনাও প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছে, আমাদের রেলওয়ে এভাবে ধুঁকে ধুঁকেই কি চলবে? পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করেও কাক্সিক্ষত মাত্রায় রেলকে নিয়ে যাওয়া যায়নি। রেল একটি লোকসানি খাতে পরিণত হয়েছে দায়িত্বশীল অনেকের অদূরদর্শিতা-অস্বচ্ছতা-স্বেচ্ছাচারিতা-অনিয়ম ইত্যাদির কারণে। রেল হৃত শ্রী ফিরে পাক এটি আমরা বরাবরই প্রত্যাশা করি।
নানারকম শঙ্কা আছে এর পরও আমরা আশা করি ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নকল্পে সরকার ও প্রশাসন যথাযথ সব ব্যবস্থাই নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। কথার বৃত্তে বন্দি থাকলে চলবে না উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করাটাই হলো সবচেয়ে জরুরি। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ মানুষ যাতে কোনো অপশক্তির দ্বারা হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করার দায় যাদের তারা দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে নিষ্ঠ হলেই মঙ্গল। সবসময়ই শান্তি-স্বস্তি-নিরাপত্তার প্রত্যাশা মানুষ করে। মানুষের শান্তি-স্বস্তি-নিরাপত্তা হরণে যে অশুভ মহল সদা তৎপর তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তযোগ্য প্রতিকারের মধ্য দিয়েই সমস্যার সমাধান সম্ভব। ঈদে ঘরমুখো মানুষদের জন্য সরকার ও প্রশাসনের দায়-দায়িত্ব যেমন সীমাহীন তেমনি জনসচেতনতার বিষয়টিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এক্ষেত্রে মানুষকে নিজেদের দায়িত্বেই তা করতে হবে। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সবরকম পদক্ষেপ নিয়েছেন কিন্তু তার পরও অপশক্তি সক্রিয় রয়েছে এ বিষয়টি মনে রেখেই তাদের কাজ করে যেতে হবে। মানুষ যাদের কাছে নিরাপত্তা ও প্রতিকার আশা করে তাদের জবাবদিহিতা এবং দায়বদ্ধতার পাঠ অবশ্যই পোক্ত করতে হবে। তাদের তরফে কোনোরকম অজুহাত দাঁড় করানোর অবকাশই নেই। ঈদে সবার বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন হোক এ কামনা সর্বক্ষণের।
লেখক : শিক্ষাবিদ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট মামলায় ২২শে জুলাই চার্জ গঠন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তৃতীয় ছেলেটিও গেল ইসরায়েলি গুলিতে
![]() |
| ফিলিস্তিনি কিশোর মোহাম্মদের দাফন হয় গত ৩ জুলাই। ছবি: এএফপি |
হতভাগ্য সামি কাসবার ভাষ্য, ‘প্রতিদিন এখানে কেউ না কেউ শহীদ হচ্ছে। এটা শুধু আমাদের পরিবারে নয়, ফিলিস্তিনির সব পরিবারেই ঘটছে।’
সামি বলেন, ‘কেউ আহত হচ্ছে, কেউ নিহত হচ্ছে, কেউ গ্রেপ্তার হচ্ছে। এখানে এটাই ঘটছে। এটাই দখলদারিত্ব।’
তৃতীয় ছেলের মৃত্যুর ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সামি বলেন, ‘চিকিৎসক আমাকে ডেকে বললেন, “তোমার ছেলে নিহত হয়েছে।”
দুই ভাইকে হারানোর সময় মোহাম্মদ ছিল একেবারেই শিশু। দ্বিতীয় ইন্তেফাদার শুরুর এক বছর পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হয় ইয়াসির। এর এক বছর পর রামাল্লায় ইসরায়েলি সেনার গুলিতে প্রাণ হারায় সামির।
তৃতীয় ছেলের নিহত হওয়ার বিষয়ে বাবা সামি কাসবার প্রশ্ন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, মোহাম্মদ যদি সন্ত্রাসীও হয়, তারা কেন তাকে গ্রেপ্তার করল না বা তার পায়ে গুলি করল না? তারা কেন তাকে হত্যা করল?
![]() |
| দেয়ালে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত দুই ভাই সামির ও ইয়াসিরের ছবি। ছবি: এএফপি |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্র ও আইনের শাসনছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অসম্ভব নিউইয়র্কে সেমিনারে বক্তাদের অভিমত
পোর্টালটির সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারীর সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড নেশন্স করসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ইউএনসিএ’র সভাপতি জিয়াম পাওলো পিওলিও, যুক্তরাষ্ট্র স্টেট ডিপার্টমেন্ট ফরেন প্রেস সেন্টারের পরিচালক প্রিন্স ড্যাল। সাংবাদিক ইমরান আনসারীর মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন নিউইয়র্ক টাইমসের সিনিয়র সাংবাদিক মিস ডুল সিলিমব্যাক, সিনিয়র সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নিউইয়র্কভিত্তিক টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সিনিয়র সাংবাদিক মনির হায়দার।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট ফরেন প্রেস সেন্টারের পরিচালক প্রিন্স ড্যাল সেমিনারে ওবামা প্রশাসনের অনুসৃত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক নীতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশ ইস্যুতেও স্টেট ডিপার্টমেন্ট সচেতন। প্রতিবছর একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট-এর ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে স্থান পেয়েছে।
ইউএনসিএ’র সভাপতি জিয়াম পাওলো পিওলি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কাঙ্খিত হলেও তা অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন। পৃথিবীর দেশে দেশে এই স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে। জাতিসংঘে নিজের দীর্ঘ ৪০ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের মতো অনেক দেশেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা দুর্ভাগ্যজনক।
নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বিভাগের সাবেক প্রধান মিস ডুল সিলিমব্যাক বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যে প্রতিকূলতার মধ্যে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছে, তা সত্যি প্রসংশাযোগ্য। তিনি বলেন, সাধারনভাবেই সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা; বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে এই চ্যালেঞ্জ আরও ব্যাপক। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে ডুলসি বলেন, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বিহীন সমাজ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। আমি আশা করছি বাংলাদেশ এই অন্ধকার কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। সিনিয়র সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের বলেন, সরকারের দমন-নীতি অতীতের সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মিডিয়া সরকারের আক্রমনের শিকার। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই কারান্তরীন হতে হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের প্রক্রিয়াকে পাকাপোক্ত করতে নিত্য-নতুন আইন ও বিধি-বিধান তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনও রাষ্ট্রে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন না থাকলে সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটা অসম্ভব ব্যাপার।
টাইম টিভির সিইও আবু তাহের বলেন, এটা সত্যি যে বাংলাদেশে অনেক মিডিয়া এখন সংবাদ প্রকাশও প্রচার করছে। কিন্তু দেখতে হবে এসব মিডিয়ার নীতি-নির্ধারক কারা? অতীতেও এমনটি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার এসেই বিরোধীমতের বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে সম্পাদককে তার অফিস থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালানো এবং বছরের পর বছর তাকে আটকিয়ে রাখা, অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করা। এছাড়া চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভিসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া সবগুলো প্রতিষ্ঠানই হচ্ছে বিরোধী মতের মালিকানার গণমাধ্যম। এসব অব্যাহত থাকলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।
পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকতা এখন রাজনীতিকরণ হয়ে গেছে। যা আজ থেকে ১৫/২০ বছর আগে ছিলনা। এটা সত্যিই দুঃখজনক। দেশের এই দূরবস্থার জন্য নিজেদের বিভাজনকেই দায়ী করেন তিনি। বিচার বিভাগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে যথাযথ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
সিনিয়র সাংবাদিক মনির হায়দার বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিপন্ন হওয়াকে অন্যসব অগণতান্ত্রিক দেশের মিডিয়ার দুরবস্থার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবেনা। কারণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকারের ইস্যুতেই লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়ে এই রাষ্ট্র তৈরি করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই রাষ্ট্রটিতে এখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা দুরের কথা, সরকারের অন্ধ সমর্থক না হলে বেঁচে থাকার অধিকারই থাকছেনা।
অন্যদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সাপ্তাহিক প্রবাসের প্রধান সম্পাদক ওলিয় উল আলম, ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক জয়নাল আবেদিন প্রমুখ। তারা বলেন, আইসিটি অ্যাক্ট নামের বিশেষ আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপর সরকারের নিপীড়ন ও নিয়ন্ত্রণ অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার সহযোগিতা ছাড়া পরমাণু সমঝোতা সম্ভব ছিল না: ওবামা
আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, ইরানকে সন্দেহকারী যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মতো হিলারিও মনে করেন, হিলারি ক্লিনটন বলেন, ‘ইরানের জন্য এটা জোরালো আর পরিষ্কার বার্তা যে, তাদেরকে কখনো একটি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেব না।’
এই সমঝোতার সমালোচনা করে হিলারি বলেন, এই চুক্তি ইরানকে বরং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথকে মসৃণ করে দেবে। ওই অস্ত্র বাগাতে তাদের একটু দেরি হবে—এই যা।
হিলারি বলেন, প্রেসিডেন্ট হলে নাছোড় ইরানকে বাগে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের সব অস্ত্র প্রয়োগ করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই ফার্স্টলেডি বলেন, চুক্তির পরিকল্পনা তিনি এখনো খতিয়ে দেখছেন। তিনি অবশ্য এই চুক্তির বিষয়টিকে সমর্থন করেন বলে জানান। কারণ এটি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখবে। গতকাল মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনার পর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্ব শক্তির পারমাণবিক সমঝোতা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে খুশির জোয়ার এনেছে সমঝোতা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর পরিবারে আমেজহীন ঈদ by আক্তার আহমদ শাহেদ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় আমজাদ খান
প্রাণ সেন্টার থেকে জানায়, গতকাল সকাল সোয়া ১০টায় রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে আমজাদ খান চৌধুরীর মরদেহ আনা হয়। সেখানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা। এতে প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রাণ-আরএফএল সেন্টার থেকে আমজাদ খান চৌধুরীর মরদেহ বিজয় সরণিস্থ বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর মাঠের উদ্দেশে নেয়া হয়। দুপুর সোয়া ২টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন। জানাজা শেষে মরদেহ বনানী সামরিক গোরস্থানে আনা হয়।
এর আগে সকাল ৮টায় নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে নেয়া হয়।
গত ৮ই জুলাই বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় ডিউক মেডিক্যাল হাসপাতালে ৭৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আমজাদ খান চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিক ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। ১৪ই জুলাই বিকাল পৌনে ৬টায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।
ঘোড়াশালে আমজাদ খান চৌধুরীর প্রথম জানাযা
পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি জানায়, বাংলাদেশ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের পথিকৎ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মেজর জেনারেল (অব.) আমজাদ খান চৌধুরীর প্রথম জানাযার নামাজ গতকাল সকাল ৮টায় পলাশের ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ কামরুল আশরাফ খান পোটন, পলাশ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন, পৌর মেয়র মো. শরীফুল হক শরীফ, মরহুম আমজাদ খান চৌধুরীর দুই ছেলে আজাহার খান চৌধুরী ও আহসান খান চৌধুরী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১০ হাজার লোক অংশ নেয়। আমজাদ খান চৌধুরী দীর্ঘদিন থেকে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। ৮ই জুলাই বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭-১৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় ডিউক মেডিক্যাল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ২ মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাযার আগে সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটন, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন, পৌর মেয়র মো. শরীফুল হক শরীফ ও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ মরহুমের প্রতি ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত সিল করে দেয়ার নির্দেশ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লা-জবাব by তালহা বিন নজরুল
তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকার যখন নামেন তখন কেউ ভাবেনি এত সহজেই তারা দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেবেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আগের ওপেনিং জুটির রেকর্ড ছিল ৫০এর নিচে (৪৫)। এবার তা তিন গুণের বেশি হলো। তবে আর ১৬টি রান হলে তারা ছুঁতে পারতেন মেহরাব-শাহরিয়ারের রেকর্ড যা ১৬ বছর ধরে অক্ষত রয়েছে। সৌম্যের মারের সামনে সংযমী হয়ে খেলতে থাকেন মারমুখী স্বভাবের তামিম। সৌম্য যেখানে ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন সেখানে তামিম ৫০ করেন ৭০ বলে। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম খেলায় ৬০ রান করার পর তামিমের চার ইনিংস ছিল ১৩, ৫,০,৫। এবার ঘরে মাঠে অপরাজিত থাকলেন ৬১ রানে। খেলেন ৭৭ বল, হাঁকান ৭টি চার। তার আগে শতরানের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে আউট হয়ে যান সৌম্য সরকার। ৯০ রান করে ইমরান তাহিরের বলে হাশিম আমলার হাতে ধরা পড়েন তিনি। তবে আগের খেলায় ৮৮ রান করা সৌম্যের ম্যাচসেরা হওয়া আটকে যায়নি। সিরিজসেরাও হয়েছেন তিনি। ৭৫ বলে ৯০ রান করার পথে ১৩টি চারের পাশাপাশি ছক্কাও হাঁকান একটি। তামিম-সৌম্যের ১৫৪ রানের জুটি যে কোন উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেরা আর সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অষ্টম সেরা জুটি। ১৭৮ নিয়ে সবার ওপরে আছে তামিম-মুশফিক জুটি। এ বছরই পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে তারা ওই জুটি গড়েন।
তামিম এই ফিফটি দিয়ে দেশর হয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭টি (৬টি সেঞ্চুরি) ফিফটিপ্লাস ইনিংসের মালিক হলেন। সাকিবের রয়েছে ৩৬টি। আর গতকালের ইনিংস দিয়ে সৌম্য এখন ওয়ানডেতে বাংরাদেশের সবচেয়ে বেশি গড়ের অধিকারী। তার গড় এখন ৪৯.৪২। ১৬ ম্যাচে সংগ্রহ ৬৯২ , সর্বোচ্চ ১২৭, ফিফটি চার।
এর আগে প্রোটিয়াদের স্পিন ভেলকি ও পেস ধামাকায় আটকে রাখে টাইগাররা। ফলে প্রবল লড়াইয়ের পুঁজিই পায়নি তারা। দলীয় ৫০ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে প্রোটিয়া শিবিরে স্বস্তি ফেরে বৃষ্টিতে। ইনিংসের ২৩তম ওভারে বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। এসময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ৭৮/৪। দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষায় রেখে খেলা ফের মাঠে গড়ায় তিন ঘন্টা পর। তবে কমে যায় ম্যাচের পরিসর। সীমিত করা হয় ৪০ ওভারে। তবে টাইগার বোলাররা দম ফেলতে দেয়নি প্রোটিয়াদের। ৪০ ওভারে ১৬৮/৯ নিয়ে থামে সফরকারীদের ইনিংস। দলীয় মাত্র ৮ রানে উইকেট খোয়ান প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক। হন্তারক মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের ১৯ বছরের এ পেসারের কোনাকুনি ফুলার ডেলিভারি স্টাম্প উপড়ে নেয় ডি ককের। এতে ২০১৫ সালে ওয়ানডেতে ডি ককের রানের গড় ১৭.৫। আগের দুই বছর তার রানের গড় ছিল ৪০ ছাড়িয়ে। দলীয় ১৯ রানে ফাফ ডু প্লেসির উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। সিরিজে তৃতীয় ম্যাচে এসে উইকেটের দেখা পেলেন বাংলাদেশের এ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিবের বলে ব্যক্তিগত ১১ রানে জীবন পান আমলা। তবে ১৫ রানে তিনি কাটা পড়েন সাকিব আল হাসানের স্পিনেই। এতে ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০০ উইকেট পূর্ণ হয় সাকিবের। ৪৫ বছরের ওয়ানডে ইতিহাসে ব্যাটে বলে ৪০০০ রান ও ২০০ উইকেটের ‘ডবল’ কৃতিত্ব দেখানো মাত্র সপ্তম ক্রিকেটার তিনি। বোলিং পরিবর্তনে এদিনও ম্যাজিক দেখান বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান রাইলি রুসোকে সাজঘরে পাঠান নিজের প্রথম ওভারেই। বৃষ্টি শেষে খেলায় ফিরে ব্যাট হাতে ইনিংস গোছাতে মনোযোগী হন ডেভিড মিলার ও জেপি ডুমিনি। কিন্তু প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের ওপর বাংলাদেশী পেস-স্পিনের সাঁড়াশি আক্রমণ অব্যাহত থাকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত। ব্যাট হাতে বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন ডেভিড মিলার। তবে ‘কিলার মিলার‘ খ্যাত এ প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাশরাফির ডেলিভারিতে পয়েন্টে দারুণ ক্যাচ নেন সাব্বির রহমান। এতে গর্বের রেকর্ডে ওঠেন মাশরাফি মুর্তজাও। ১৫৭ ম্যাচে এটি মাশরাফির ২০০তম উইকেট। সাকিব আল হাসানের বলে ইনিংসের শুরুতে হাশিম আমলার ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছিলেন সাব্বির রহমান। তবে পরে দারুণ নৈপুণ্যে সাকিবকে তার প্রাপ্য ফেরত দেন সাব্বির। সাকিবের বলে তিনি বাউন্ডারি দড়ির কাছে দারুণ ক্যাচ লুফে নিয়ে সাজঘরে ফেরত পাঠান প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ফারহান বেহারদিনকে। কাগিসো রাবাদাকে বোল্ড আউট করেন মুস্তাফিজ। আর শেষ ওভারে জোড়া আঘাত হানেন পেস তারকা রুবেল হোসেন। নিজের বিশেষ দিনে ব্যাট হাতে ১ রানে অপরাজিত থাকে প্রোটিয়া পেস তারকা মরনে মরকেল। এটি ছিল ক্যারিয়ারে মরনে মরকেলের ১০০তম ওয়ানডে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মামলা তদন্তে ডিবি এসআই প্রত্যাহার by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
গতকাল বিকালে এ মামলার অন্যতম আসামি দুলালকে কুমারগাঁও শেখপাড়া থেকে জনতা আটক করে পুলিশের কাছে দেয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে এজাহারভুক্ত আসামি চৌকিদার ময়নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ময়নাকে তার মা ছায়ারুননেসা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে তুলে দেন। ময়নাকে আটকের সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের হাত থেকে ময়নাকে ছিনিয়ে নিতে চায়। সিলেট মেট্রোপলিটান পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ মানবজমিনকে জানান, এলাকাবাসী লাঠিসোটা নিয়ে ঘেরাও করে ফেলে, কেউবা জুতা ছুড়ে মারে। অনেক জুতা আমার শরীরেও পড়েছে। তিনি বলেন, উপায় না পেয়ে ময়নাকে জনরোষ থেকে বাঁচাতে জালালাবাদ থানায় নেয়া নিরাপদ মনে না হওয়ায় কোতোয়ালি থানায় নিয়ে আসি।
শিশু রাজন হত্যার ঘটনায় গতকাল বিকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয় আটজন। এদের মধ্যে মুহিত আলম, ময়না, দুলাল এবং সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের হাতে আটক কামরুল ইসলাম সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এ ছাড়া ফিরোজ আলী ও আজমত আলী ঘটনার দুই প্রত্যক্ষদর্শী। আটক আছে মুহিতের তালতো ভাই ইসমাইল হোসেন আবলুস ও রিমান্ডে থাকা প্রধান আসামি মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগম। লিপি বেগমকে সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় জালালাবাদ থানা পুলিশ গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার গোবিন্দগঞ্জের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আটক করে। কামরুলের সৌদি গমন এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে ইসমাইল হোসেন আবলুস ও মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন মানবজমিনকে জানিয়েছেন। এদিকে সোমবার থেকে মুহিত আলম ও মঙ্গলবার থেকে ইসমাইল হোসেন আবলুসকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে জালালাবাদ থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা দিয়েছেন ফিরোজ আলী ও আজমত আলী। গতকাল চৌকিদার ময়নাকে জালালাবাদ থানা পুলিশ আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার বিকাল থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্তে গঠিত ৩ সদস্যের কমিটি কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এলাকাবাসীর বক্তব্য শুনেছেন।
নিহত রাজনের বাবা আজিজুর রহমান মঙ্গলবার অভিযোগ করেন, ৮ই জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় এসআই আমিনুলের মোবাইল ফোনে রাজনের লাশের ছবি দেখেন। এরপর হাসপাতাল মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করে থানায় যান মামলা করতে। কিন্তু রাজনের বাবা থানায় পৌঁছার আগেই এসআই আমিনুল দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি কামরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে মুহিত আলম ও চৌকিদার ময়নাকে আসামি করে মামলা রুজু করে ফেলেন। রাজনের বাবা তার সন্তান রাজন হত্যায় সংশ্লিষ্ট সব আসামির নাম উল্লেখ করে মামলা করতে চাইলে এসআই আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে রাজনের বাবাকে গলাধাক্কা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেন। রাজনের বাবা অভিযোগ করে আরও বলেন, মামলার পরও পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কোন উদ্যোগ নেয়নি। চার দিন পর পত্রিকায় খবর বের হলে পুলিশ তৎপর হয়।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ মানবজমিনকে জানান, মঙ্গলবার বিকাল থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্তে গঠিত ৩ সদস্যের কমিটি কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এলাকাবাসীর বক্তব্য শুনেছেন। জালালাবাদ থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন- কথা বলেছেন নিহত রাজনের বাবা আজিজুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, রাজনের হত্যা মামলা তদন্ত তদারকিতে গঠিত কমিটিও কাজ শুরু করেছে। মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন, পুলিশ দিন-রাত এ মামলার পেছনে কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তদন্ত তদারকিতে গঠিত কমিটির সদস্যরা ময়নাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। রাজন হত্যার মোটিভ ‘শুধু চুরি’ না অন্য কিছু- এমন প্রশ্নের জবাবে সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি আমদেরও তাড়া করছে। বলাৎকারের একটি বিষয় সামনে এসেছিল, এ নিয়ে ময়নাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মানবজমিনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলার অভিযোগকারী জালালাবাদ থানার এসআই আমিনুল ইসলাম প্রধান আসামি করেন মুহিত আলমকে। যে পেশায় একজন মাইক্রোবাসের চালক এবং রাজনের লাশ তার গাড়িতে করে নদীতে ফেলে দেয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল। অপরজন চৌকিদার ময়না চোর সন্দেহে যে রাজনকে আটকে রেখেছিল। মাইক্রোবাসে রাজনের মৃতদেহ তুলে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুপুর ১২টায় মুহিত-কামরুলকে ধরে এলাকাবাসী এসআই আমিনুলের কাছে হস্তান্তর করে। গাড়ির চালক মুহিত আলম রাজনকে চিনতো। ভাল করে চিনত তার বাবাকেও। এমনকি মুহিত আলম থানায় এসআই আমিনুলকে ঘটনা খুলে বলার পরও এসআই আমিনুল থানা থেকে কামরুলকে ছেড়ে দেন এবং বেওয়ারিশ হিসেবে রাজনের লাশ ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠিয়ে দেন। এ ছাড়া ১০ই জুলাই মুহিতের বড় ভাই ছাত্রলীগ নেতা আলী আহমদকে থানায় এনে কথাবার্তা বলে ছেড়ে দেয় জালালাবাদ থানা পুলিশ। অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুলের সঙ্গে বৈঠক করে কামরুল ও মুহিত। জালালাবাদ থানা চত্বরে রাখা রাজনের লাশ বহনকারী মাইক্রোবাসের পেছনের খালি জায়গায় এ বৈঠকটি হয়। ওই বৈঠকেই চুক্তি হয় ১২ লাখ টাকার। ৬ লাখ টাকা হাতে পেয়ে জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুল মামলার প্রধান আসামি কামরুলকে সৌদি আরব পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। বাকি ৬ লাখ টাকা হাতে পেলে জনতার হাতে আটকের পর গ্রেপ্তার হওয়া কামরুলের বড় ভাই মুহিত আলমকেও ছেড়ে দেবে বলে কথা দেয় পুলিশ। এ সময় রাজনকে নির্যাতনের ভিডিও দেখেন পুলিশের এ দুই কর্মকর্তা। পুলিশ তখনই জানতে পারে এ ভিডিওটি কামরুলের মোবাইল ফোনে ধারণ করে সাইফুল নামে কামরুলের এক বন্ধু। ১০ই জুলাই বিজি ৪০৪-যোগে সিলেট বিমানবন্দর ছাড়ে কামরুল। নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিতের দায়িত্ব পালন করেন ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মুহিত-কামরুল পরিবারের অন্ধকার অধ্যায়ের কিছু অংশ। মুহিত-কামরুলের অন্ধকার জীবনের শুরু নগরীর লালবাজার থেকে। এখানে থেকেই তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়ায়। তাদের বাবা শেখপাড়া গ্রামের আবদুল মালিক ৭-৮ বছর আগেও নগরীর লালবাজারের তৃষ্ণা হোটেল রমজান মাসে দিনের বেলা পরিচালনার জন্য ভাড়া নিতেন। মুহিত-কামরুল পরিবারের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী দুবার আবদুল মালিকের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
রাজন হত্যাই এখন গোটা নগরবাসীর আলোচনার প্রধান বিষয়। শুধু সিলেট নয় গোটা দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আলোচনায় স্থান পেয়েছে রাজন হত্যা। ১৩৪টি দেশের টেলিভিশনে রাজনের ওপর নির্মম নির্যাতনের ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। আলোচনার টেবিলে বলাবলি হচ্ছে, রাজন হত্যার ঘটনা ঠিকই পুলিশ চাপা দিয়ে দিতো-রাজনের বাবার সাধ্য ছিল না মুহিত-কামরুল পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে লড়ার। কিন্তু মোবাইল ফোনে নির্যাতনের দৃশ্য ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড করে নিজেরা ধরা পড়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে রাজনের মা আমার বুকের ধনকে ফিরিয়ে দিন
রাজনের বাড়িতে প্রতিমন্ত্রী চুমকি: প্রতিদিনই দলে দলে লোকজন যাচ্ছেন ঘাতকদের নির্মম নির্যাতনে খুন হওয়া সামিউল আলম রাজনদের বাদেআলী গ্রামের বাড়ি। এই গ্রামটি সুরমা নদীর তীর ঘেষে অবস্থিত। এই গ্রামে গতকাল ছুটে গেলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি বিমানের ফ্লাইটে সিলেটে আসেন। এরপর সার্কিট হাউসে খানিক বিশ্রাম নিয়ে ছুটে যান রাজনের গ্রামের বাড়ি। তার আগেই সেখানে পৌঁছেন সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদসহ নেতাকর্মীরা। বাড়িতে গিয়ে দেখা গেলো এমপি কেয়া বসে আছেন রাজনের মায়ের পাশে। মা লুবনা বেগম আহাজারি করছেন রাজনের জন্য। বলছেন ছেলেটা এত ভদ্র ছিল যে মৃত্যুর সময়ও ঘাতকদের ‘আপনে’ বলে সম্বোধন করেছে। মাটির কুটিরে ছোট দুটি রুমে রাজনদের সংসার। এক রুমে মা লুবনা ও অপর রুমে বসে আছেন পিতা আজিজুর রহমান। চলতে ফিরতে পারেন না। বিছানায় শুয়ে কাটছে তাদের দিন। বেলা দুই টার দিকে রাজনদের বাড়ি গিয়ে পৌঁছলেন প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। সঙ্গে সিলেটের পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান, সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী। গাড়ি থেকে নেমে মন্ত্রী সোজা চলে যান রাজনের মায়ের ঘরে। এ সময় রাজনের মা লুবনা বেগম প্রতিমন্ত্রীকে জাপটে ধরে কান্না শুরু করেন। বলেন, ‘আমার বুকের ধন কই। আমি আর কিছুই চাই না। টাকা, পয়সা, ধন, ধৌলত সব নিয়ে যান। আমার বুকের ধনকে ফিরিয়ে দিন।’ এ সময় তার আর্তনাদে কেঁদে উঠেন সবাই। প্রতিমন্ত্রী চুমকি মুখ মুছেন। পিঠে হাত দিয়ে সান্ত্বনা দেন লুবনা বেগমকে। এ সময় মন্ত্রী রাজনের মাকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় বসেন। সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, সান্ত্বনা দেয়ার কোন ভাষা নেই। আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেখতে এসেছি। আল্লাহ আপনাকে সান্ত্বনা দেবেন। কষ্ট একটাই-আমরা রাজনকে বাঁচাতে পারলাম না। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে দেখে কান্না ভেঙে পড়েন রাজনের পিতা আজিজুর রহমান। কাঁদো কাঁদো গলায় বললেন, আমার বাচ্চাকে যে ধুঁকে ধুঁকে মারছে আপনারার দেশবাসী। সেটি আমি ভুলতে পারছি না। বলেনই কান্না শুরু করলেন তিনি। সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী এ সময় বললেন, ‘আমি ২৮ মিনিটের পুরো ফুটেজটি দেখতে পারিনি। আমাকেও অনেকেই বলেছেন তারাও ফুটেজটি দেখতে পারিনি।’ প্রতিমন্ত্রী চুমকি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজন খুনের ঘটনায় শোকাহত। তিনি আমাকে পাঠিয়েছেন। এরপর ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বাড়ির উঠানে স্থাপিত মঞ্চে ভাষন দেন প্রতিমন্ত্রী চুমকি। তিনি বলেন, রাজন হত্যার বিচার শেষ করতে প্রয়োজনে বিশেষ ট্র্যাইবুনাল গঠন করা হবে। তিনি বলেন, সরকার আন্তরিক রয়েছে। যখন যেখানে যা করা প্রয়োজন তখন সেখানেই তা করবে। কোনভাবেই বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখা হবে না। তিনি বলেন, আর এই ঘটনায় প্রশাসনের কারও কর্তব্যে অবহেলা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আরও নেয়া হবে বলে জানান তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চেক প্রদান: প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সফরকালে রাজনের মা লুবনার হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানের এক লাখ টাকার চেক প্রদান করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজন খুনের বিচারে খুবই আন্তরিক। আমরা পাশে আছি। যখন যা দরকার আমরা দেখবো। এ সময় তিনি বলেন, রাজনের ভাই সাজনের জন্য প্রতি মাসে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। সিলেটের জেলা প্রশাসক সেটি করবেন বলে জানান তিনি।
রাজনের পিতার প্রশ্ন: প্রতিমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে রাজনের পিতা আজিজুর রহমান বলেন, আমি থানায় এজাহার নিয়ে গেলে পুলিশ আমাকে ধমকায়। বলে, মামলা হয়ে গেছে। ছেলে মারা গেছে আমার। আর পুলিশ করলো মামলা। তার কারণ কী। তিনি বলেন, দালালদের নিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করা কেন হলো? সে বিষয়ে তিনি জানতে চান। কাঁদো কাঁদো গলায় বলেন, ‘ম্যাডাম রাজনের কী বাচার অধিকার ছিল না।’ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক: বিকাল মহিলা ও শিশু শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সিলেটের জেলা প্রশাসনে সম্মেলন কক্ষে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি রাজনের খুনিদের গ্রেপ্তার, মামলার তদন্ত, বিচারে যাতে কোন গাফিলতি না হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এসময় প্রতিমন্ত্রী পুলিশ প্রশাসনের উপর কিছুটা ক্ষোভ ঝাড়েন। বৈঠকের সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন ছাড়া আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান–বিশ্বশক্তি ঐতিহাসিক সমঝোতা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গতকাল মঙ্গলবার বলেন, এ চুক্তির মধ্য দিয়ে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সব পথ বন্ধ করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্ব আগের চেয়ে আরও নিরাপদ ও অধিকতর সুরক্ষিত হলো।
ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক ভাষণে বলেন, ‘চুক্তিটি বিশ্বের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে “নতুন অধ্যায়ের” সূচনা করেছে। এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে তাঁরা পারস্পরিক অবিশ্বাস ধাপে ধাপে কমাতে পারবেন। এটা একটা পারস্পরিক চুক্তি, দুই পক্ষকেই এটি মানতে হবে। ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করবে না।’
ইরান যাতে পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোমা বানাতে না পারে, এর জন্য প্রায় এক দশক ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। তবে ইরান বরাবর দাবি করে এসেছে তার পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।
বিভিন্ন মহলের বিরোধিতা চুক্তিটি বিলম্বিত হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে রিপাবলিকান দলীয় সদস্যরা এই চুক্তির বিপক্ষে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। সৌদি আরবও বিরোধিতা করেছিল এই ধারণা থেকে যে এতে তার আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের প্রভাব বাড়বে।
চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বয়ে আনতে সহায়তা করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মগেরিনি বলেছেন, চুক্তিটি সারা বিশ্বের জন্য এক নতুন আশার ইঙ্গিত। ইরান-বিশ্বশক্তির সমঝোতার ফলে বিশ্ববাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান ইউকিয়া আমানো বলেন, চুক্তিতে ইরান যেসব অঙ্গীকার করেছে সেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা যাচাই করে দেখতে পারবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে এটিকে ‘বড় বিজয়’ আখ্যা দিয়েছেন। তবে ইরানকে শত্রু বিবেচনা করা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ চুক্তি একটি ঐতিহাসিক ভুল বলে মন্তব্য করেছেন।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া এবং জার্মানির প্রতিনিধিরা ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার জন্য ২০০৬ সাল থেকে দেশটির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন।
ইরানের সংবাদমাধ্যম বলেছে, চুক্তি বাস্তবায়ন হলে দেশটির তেল ও গ্যাস-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক লেনদেন, উড়োজাহাজ ও জাহাজ চলাচলের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। ফলে দেশটি বিপুল অঙ্কের বাণিজ্য ও সম্পদ আবার সচল হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, চুক্তি অনুযায়ী ইরানকে পরমাণুকেন্দ্রের দুই-তৃতীয়াংশ সেন্ট্রিফিউজ অপসারণ করে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের তত্ত্বাবধানে মজুত করতে হবে। দেশটিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পের ৯৮ শতাংশই বাদ দিতে হবে। পাশাপাশি আইএইএকে যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে প্রবেশাধিকার দিতে হবে। চুক্তির যেকোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে বিভিন্ন অবরোধ দ্রুত পুনর্বহাল করা হবে বলে সতর্ক করে দেন ওবামা।
পরমাণু চুক্তিতে কী আছে
চুক্তির মূল দলিল ১০০ পৃষ্ঠার। সঙ্গে পাঁচ পাতার সংযুক্তি আছে। আলোচনা একেবারে শেষ হলে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দলকে ইরানের সামরিক ক্ষেত্রগুলো পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণের অনুরোধ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে ইরান
ইরান শর্ত অমান্য করলে ৬৫ দিনের মধ্যে তাদের ওপর আবার অবরোধ
অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপারে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাগুলো যথাক্রমে আরও পাঁচ ও আট বছর বহাল থাকবে
ইরানের শত শত কোটি ডলার দামের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা হবে
চুক্তির প্রথম ১০ বছরে ইরান উন্নত সেন্ট্রিফিউজের জন্য গবেষণা করতে পারবে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আতরের তোলা ৪০,০০০ by উৎপল রায়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 16
(41)
- সরকারি চিকিৎসকদের কাজ- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের ...
- দশ শর্তে বন্দি দুদকের দুর্নীতির অনুসন্ধান by তাসকি...
- দুর্ভোগ নতুন কিছু নয় by এম আবদুল হাফিজ
- ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনার আগাম ভাবনা by মুস্তাফা নূ...
- সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট মামলায় ২২শ...
- তৃতীয় ছেলেটিও গেল ইসরায়েলি গুলিতে
- গণতন্ত্র ও আইনের শাসনছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অসম...
- রাশিয়ার সহযোগিতা ছাড়া পরমাণু সমঝোতা সম্ভব ছিল না: ...
- ইরানে খুশির জোয়ার এনেছে সমঝোতা
- নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর পরিবারে আমেজহীন ঈদ by আক্তার আহ...
- সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় আমজাদ খান
- বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত সিল করে দেয়ার নির্দেশ ভার...
- লা-জবাব by তালহা বিন নজরুল
- মামলা তদন্তে ডিবি এসআই প্রত্যাহার by চৌধুরী মুমতাজ...
- মন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে রাজনের মা আমার বুকের ধনকে ফিরি...
- ইরান–বিশ্বশক্তি ঐতিহাসিক সমঝোতা
- আতরের তোলা ৪০,০০০ by উৎপল রায়
- ভারতে ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি ও চাতক পাখির ব্রডব্যান্ড...
- সংসদ ভবনের খেজুরবাগান কি ‘উন্মুক্ত টয়লেট’? by রাফ...
- ইরানের সঙ্গে ছয় দেশের ‘সমঝোতা’
- বিজিবির জিম্মায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দুই সদস্য
- যে জলাবদ্ধতার শেষ নেই by রাফাত জামিল
- বৃষ্টিতে রাজধানী
- রেল-বাস স্টেশন লোকারণ্য
- প্লুটোর পাশ দিয়ে উড়ে গেল নিউ হরাইজনস
- প্রস্তুত লাউয়াছড়া হাকালুকি, হামহাম by ইমাদ উদ দীন
- গাবতলী-বাবুবাজার সড়ক: সমস্যা সোয়ারীঘাটের যানজট b...
- রেললাইনের দুই পাশ জুড়ে অবৈধ বাজার by অরূপ দত্ত
- গোলাপবাগ মাঠজুড়ে নির্মাণসামগ্রী: মাঠটি উন্মুক্ত ক...
- চাকা ফেটে ট্রাক বিকল, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট
- ঈদযাত্রা এখনো নির্বিঘ্নঃ বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে...
- সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিশু নিহত
- বাম্পার বিক্রি শেখেরচর-বাবুরহাটে
- ‘দুর্জয় ভৈরবে’ চরম দুর্ভোগ: কাউন্টার ও পার্কিংয়ের...
- জমজমাট পাঁচবিবির ঈদবাজার
- কুড়িগ্রামে নদী, পাখি, ফ্লোর টাচ
- আতঙ্কে দিন কাটছে ‘শেভরন’ কর্মীদের, থানায় জিডি, স্ব...
- প্রস্তুত শোলাকিয়া by আশরাফুল ইসলাম
- শিশু পরিবারের দুই শিক্ষার্থীকে পিটুনি, কম্পাউন্ডার...
- সামিউলের বাড়িতে চুমকি, অর্থ সহায়তা
- সাকিবের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’, সাকিবের ‘ডাবল’
-
▼
Jul 16
(41)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...















