Friday, July 6, 2018
উবার, পাঠাওসহ রাইড সেবা: যা জানা জরুরি

অ্যাপ ভিত্তিক হওয়ায় একদিকে যেমন দর কষাকষির ঝক্কি নেই।
তেমনি বিভিন্ন অফারের আওতায় তুলনামূলক কম খরচে গন্তব্যে পৌঁছানো যায় বলে তরুণ সমাজে নির্ভরতার জায়গায় পরিণত হয়েছে এই অ্যাপগুলো।
আর সে কারণেই প্রতিষ্ঠানগুলোর আওতাধীন মোটরসাইকেলের সংখ্যাও বাড়ছে সমান তালে।
তবে সম্প্রতি কয়েকটি দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে এই মোটর বাইক ব্যবহারের নিরাপত্তা প্রসঙ্গটি।
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সানজানা নওরিন প্রায়ই মোটর বাইক রাইডে অফিসে আসেন। বাইকের ফিটনেস সেইসঙ্গে হেলমেট না দেয়াসহ তাদের সেবা নিয়ে অসন্তুষ্টির কথাও জানান তিনি। মিসেস নওরিন বলেন,
"কিছু কিছু বাইকের অবস্থা খুবই খারাপ থাকে। আবার রাইডার নিজেরা হেলমেট পরলেও আমাদের জন্য কোন হেলমেট রাখে না। কেউ যদি রাখেও সেটার এমনই অবস্থা থাকে যে ওটা আর পরার মতো না। হেলমেট না থাকার কারণে ক্যান্টনমেন্ট রুটও ব্যবহার করতে পারিনা আমি।"
গতকাল এক রাইড অ্যাপ ব্যবহারকারী এয়ারপোর্ট রোডে কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
সম্প্রতি মোটর রাইড ব্যবহার করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন সংগীত শিল্পী নাদেদজা সুলতানা আর্নিক।
এসময় তিনি চালকদের দক্ষতাসহ তাদের বেপরোয়া গতি এবং চালকদের অসচেতনতাকে দায়ী করেন।
মিজ আর্নিক বলেন, "অনেকে কোন রকম বাইক চালাতে পারলেই রাস্তায় নেমে যান। অনেক বেপরোয়াভাবে চালান। আস্তে যেতে বললেও লাভ হয়না। আমি অ্যাক্সিডেন্টের পর রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানে লিখিত অভিযোগ করেছি। পরে তারা কোন ব্যবস্থা নিয়েছে কিনা জানিনা।"
রাইড ব্যবহারের এই বিরূপ অভিজ্ঞতার ব্যাপারে কোথায় জানাতে হবে, কিভাবে জানাতে হবে এমন বিষয়ে বেশিরভাগেরই কোন ধারণা নেই।
এসব অ্যাপ ঘেঁটে যাত্রীদের অভিযোগ বা প্রয়োজনীয় সাহায্যের জন্য কোন হটলাইন নম্বর পাওয়া যায়নি। এজন্য যাত্রীরা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের সমস্যা বুঝিয়ে বলার সুযোগ পাচ্ছেননা।
এ ব্যাপারে পাঠাওয়ের জনসংযোগ কমকর্তা নাফিউল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সার্ভিসটির ওয়েবসাইটে তাদের হেল্প লাইন নাম্বার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় চালক নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা কি নীতিমালা মেনে চলছে এমন প্রশ্ন রাখা হলে মিস্টার ইসলাম জানান, "চালকদের বৈধ লাইসেন্স, মোটর সাইকেলের ফিটনেস এবং এটি চালানো দক্ষতা পরীক্ষার ভিত্তিতে আমরা নিয়োগ দিয়ে থাকি। প্রত্যেককেই হেলমেট ব্যবহার করতে এবং যাত্রীকে হেলমেট সরবরাহ করতে বলা হয়। এছাড়া আমাদের বিশেষ টিম জিপিএস ট্র্যাকিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে রাইডারদের নজরে রাখে।"
তবে সরেজমিনে অনেক নীতিমালার কোন প্রয়োগ দেখা যায়না। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের রেটিংয়ের ভিত্তিতে রাইডারদের পারফর্মেন্স যাচাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।
"কোন রাইডারের রেটিং বারবার খারাপ আসলে, কেউ পর পর তিন মাস যাত্রীকে হেলমেট না দিলে, আবার রাইডার যে মোটর সাইকেল দেখিয়ে নিবন্ধন করেছে সেটার পরিবর্তে অন্য কোন মোটর বাইক ব্যবহার করলে তাদের নিবন্ধন বাতিল করে দেয়া হয়।"
তবে লাইসেন্স যাচাই বাছাই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এই রাইডগুলোকে একটি নীতিমালার আওতায় আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, "কেউ ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে লাইসেন্স ব্যবহার করে সেটা এইসব অ্যাপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়। কেননা এখানে অনেক পেশাদারি চালক আছেন। তাদের সেই বিশেষায়িত লাইসেন্সের প্রয়োজন। এছাড়াও চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেগুলো খতিয়ে দেখাও প্রয়োজন এবং এই দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে। সরকার সংশ্লিষ্টদেরও উচিত বিষয়গুলো তদারকি করা।"
তবে এক্ষেত্রে অ্যাপ ব্যবহারকারীদের সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
মি. হোসেন বলেন, "সবার আগে দেখে নিতে হবে অ্যাপে যে লাইসেন্স নম্বর দেখানো সেটা বাইকের সঙ্গে মিলছে কিনা। চালককে বাইরে থেকে দেখে বা কথা বলে বুঝতে হবে তিনি মোটর বাইক চালানোর অবস্থায় আছেন কিনা। বাইকের ফিটনেস ভালো না হলে এবং হেলমেট ছাড়া বাইকে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ।"
প্রয়োজনে চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা করারও পরামর্শ দেন তিনি।
সম্প্রতি চালক ও যাত্রীদের বিনামূল্যে বীমা সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে উবার।
তাদের বীমা নীতি অনুযায়ী, রাইড ব্যবহারের সময় যদি কোন দুর্ঘটনায় উবার ব্যবহারকারী বা চালক মৃত্যুবরণ করেন, স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করেন অথবা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তাহলে তাদের এই ফ্রি বীমার সুবিধা দেয়া হবে।
এই সুবিধার আওতায় দুর্ঘটনায় উবার ব্যবহারকারীর মৃত্যু হলে ২ লাখ টাকা, স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে গেলে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।
তবে এই বীমা সেবার ব্যাপারে পাঠাও-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা প্রথম ১,০০০ চালককে বীমার আওতায় এনেছে। এছাড়া যাত্রী ও বাকি চালকদের এর আওতায় আনার কাজ চলছে।
এদিকে ব্যক্তিগত মোটরযান ভাড়ায় চালানোর বিষয়টিকে একটি বিধিমালার আওতায় আনতে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
এই নীতিমালাকে গ্রাহকরা ইতিবাচকভাবে দেখলেও এতে যেন সেবার সহজলভ্যতা এবং ভাড়ায় কোন প্রভাব না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সুত্র- বিবিসি বাংলা
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আমার কাছে জাহান্নাম

ওই সিএনজিটা ঘিরে ধরেছে মিনিমাম ২০০ মোটরসাইকেল। শহীদ মিনার থেকে কিছুটা দূরে ধরার পরে আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার ফোন-ব্যাগ নিয়ে গিয়েছে। আমাকে ধাক্কাচ্ছে। এরপর যে নোংরা কথাগুলো বলেছে সেগুলো আমি বলতে পারব না।’ কথাগুলো বলছিলেন সোমবার শহীদ মিনারে ছাত্রলীগের হাতে লাঞ্ছনার শিকার তেজগাঁও কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী মরিয়ম মান্নান ফারাহ। ওইদিন কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুুরুল হক নুরসহ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মারধরের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ছাত্রলীগের রোষানলের স্বীকার হন তিনি।
এ সময় তিনি ছাত্রলীগ নেতাদের হাতে নিজের লাঞ্ছনার বর্ণনা দিতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠেন। সেদিনের ভয়ংকর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কখনো কখনো নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। বললেন- ‘সিএনজির প্রত্যেকটা মুহূর্ত আমার কাছে মনে হয়েছে জাহান্নাম’। গতকাল রোকেয়া হলের সামনে সাংবাদিকদের সেদিনের ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে এসব কথা বলেন মরিয়ম। ক্ষোভে দুঃখে কারো সহনুভূতি চাননি, চেয়েছেন নিজের সঙ্গে যা ঘটেছে তার বিনিময়ে কোটা সংস্কার। রোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে মরিয়ম বলেন, ‘যাদের তুলে নেয়া হয়েছে তাদের জন্য আন্দোলনে যোগ দিতে আমি এসেছিলাম। আসার কিছুক্ষণ পর, যে ভাইটাকে মেরেছে, ফারুক ভাই (যুগ্ম আহ্বায়ক); তাকে আমি কখনো দেখি নাই। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনো পরিচয় ছিল না। আমি এসেছিলাম মানুষ হিসেবে। কিছু মানুষকে কুকুরের মতো মেরেছে! আমি কেন? যেকোনো মানুষই যদি দেখে একটা মানুষকে রাস্তায় ফেলে কুকুরের মতো মারতেছে, তাকে সেফ করবে। আমিও তাই করেছিলাম। ভিড়ের মধ্যে তাকে বাঁচাতে গিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘এরপর আমার সাথে কী ঘটেছিল তা আপনারা সবাই দেখেছেন। এরপরও যদি আপনাদের বিবেকবোধ না জাগে তবে কী বলব যে, আমাকে কোথায় কোথায় ধরছে? আপনাদের শুনতে ইচ্ছে করতেছে? আমাকে কীভাবে কী করছে? সবাই আমাকে ফোন দিচ্ছে, তোমাকে কী করছে! এখন আমি লাইভে যাব? লাইভে যেয়ে বলব, আমাকে কী করছে? কেমন করে ধরছে? আমি কান্না করবো আর সবাই আমাকে সিম্প্যাথি (সহানুভূতি) দেখাবে?’
তিনি বলেন, ‘সিম্প্যাথি দেখানোর মেয়ে আমি না। আমি কোটা সংস্কার আন্দোলনে, একটি যৌক্তিক আন্দোলনে আসছি। একজন মানুষ হিসেবে আমার কিছু অধিকার আছে। এখানে আসার অধিকার আমার আছে। বেঁচে থাকার অধিকার আছে। আমাকে পুলিশ ধরে নাই। আমার যদি অন্যায় হয় আমাকে কোর্টে চালান করে দিক। আমি সেখানে কথা বলব। বাইরের ছেলেপেলে আমাকে কেন ধরলো?’ মরিয়ম বলেন, ‘আমাকে ছেলে-পেলে যখন ধরলো ধরার পরে আমাকে থানায় নিয়ে গেল। থানায় নেয়ার আগে সিএনজির ভিতরেও ঢুকছে (ছাত্রলীগ)। তারপরে কী করছে, এগুলোও বলবো? কীভাবে কীভাবে আমাকে টাচ করছে? এরপরে আমাকে নিয়ে গেল শাহবাগ থানায়। কিন্তু সিএনজির প্রত্যেকটা মুহূর্ত আমার কাছে মনে হয়েছে জাহান্নাম। ওরা যখন বলছে থানায় নিয়ে চল মা...টাকে, তখন মনে হয়েছে থানা আমার জন্য সেফ। কিন্তু থানায় যেয়ে মনে হলো থানা আমার জন্য সেকেন্ড জাহান্নাম। সঙ্গে সঙ্গে আমার ব্যাগ খুলল। বলল, ‘ও তো ইয়াবা খায়’।
তিনি বলেন, ‘তারা ছুরি বের করল, লাইটার বের করল, আরো কী কী বের করল। বের করে বলল, আমি ইয়াবা খাই। আমাকে জোর করতেছে বলতে যে, আমি ইয়াবা খাই। আমি নেশা করি। আমি বললাম, আমার ব্যাগটা তারা নিয়ে গিয়েছিল। আমার ব্যাগে কিচ্ছু ছিল না, ছিল ওয়াটার পট আর দুটো মেক-আপ। আর কিছুই ছিল না। কিন্তু তারা ফোর্স করতে লাগল। এটা বলে, ওটা বলে, দুজন সাংবাদিকও এলো। আমি তাদেরকে বললাম কী, আমার বাসায় একটু কল দিতে। আমি তখনো জানি না আমার ছবিটা ভাইরাল হয়েছে। এর মধ্যে আমাকে মানসিকভাবে টর্চার তো করেই যাচ্ছে, স্বীকার করানোর জন্য যে, আমি নেশা করি আর ওই জিনিসগুলো আমার। এই আচরণ আমার দেশের পুলিশ করেছে। এটা আমার দেশ না। আমার দেশ হলে আমার থানায় বসে, যেখানে আইন থাকে সেখানে বসে আমি এত বেশি হ্যারেজ হতাম না। আমি ‘মানুষের দেশে’ থাকি। এটা যদি আমার দেশ হতো তাহলে তো আমি সেফ থাকতাম। আমি যখন বারবার কান্না করে বলতেছি আমার বাসায় একটা ফোন দিতে দেন, আমি বাসায় যাব। দিচ্ছে না, বলে কী, নেতা হবা? নেতা হতে হলে জেল খাটতে হয়। আমি তখনো জানি না, তাদের ফোনে আমার ছবি দেখতেছে! আর বলতেছে, ...।’ মরিয়ম বলেন, ‘অনেকক্ষণ ধরে একটা মেয়ে কনস্টেবল আমার পাশে বসা। সে আমাকে বারবার ওই ছবিটা দেখানোর চেষ্টা করতেছে।
আজকে আমি তাদেরকে (আন্দোলনকারীদের) বাঁচাতে গিয়েছি বলে আমার এই অপরাধগুলো হইছে? তারা আমাকে স্বীকার করাচ্ছে, কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক গোপন খবর আমি জানি। তাদেরকে তা দিতে হবে! না হলে ফারুককে কেউ বাঁচাতে গেল না, আমি কেন গেলাম? একটা কুকুরকে এভাবে মারলেও তো মানুষ যায়, সেখানে একটা মানুষকে মারছে, আমি যাব না?’ লাঞ্ছিত ছাত্রী বলেন, ‘বাসায় আমি একটা কল দিতে পারি নাই। পরে আমি এটা জেনেছি, সবাই ছবিটা দেখার পরে হসপিটালগুলোতে আমাকে খুঁজেছে। কারণ কেউ জানত না আমি এখানে এসেছি। এরপরে অনেক রাতে একজন এসে বলল, বাসার কারো নাম্বার দেন। আমি বাসার ঠিকানাসহ কয়েকজনের নাম্বার দিলাম। তখন রাত ৯টা বাজে।
আমি ভাবলাম আমি ছাড়া পেয়ে যাব। আমি নিশ্চিন্ত। এরপর এসে বলল, এখান থেকে যাওয়ার পর বাসায় যেয়ে তো ঘুমাবেন, এদিকে আর আসবেন না। আর যাওয়ার আগে আপনাকে একটা স্বীকারোক্তি দিতে হবে। তাও চুপ করে আছি কোনো কথা বলছি না। আমি বলাম কী, আমার মাকে একটা কল দেন, সে এসে আমাকে নিয়ে যাক। সে বলল, কারো জানা লাগবে না। ১৭ কোটি লোক এখন আপনাকে চেনে। বলে চলে গেল।’ ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘আমাকে আর ছাড়ছে না, রাত ১১টা বাজে, ১২টা বাজে। রাত ১টার দিকে আমার বাসা থেকে লোক এলো। পরের দিন দুপুরে আমাকে ছেড়েছে। আমার বাসা থেকে যে এসেছে তার কাছে আমাকে দিল না। রাতে আমাকে রাখলো একটা নোংরা রুমে, যেখানে চোর-কয়েদিরা থাকে।’ তিনি বলেন, ‘আমাকে সবাই জিজ্ঞেস করছে আমি কী চাই? বলছে আমাকে সম্মান দিবে! আমাকে লাঞ্ছিত করা হইছে, আমাকে সম্মান দিবে! আমি যে কারণে আসছিলাম, আন্দোলনে আসছিলাম না? যদি আমাকে সম্মান দিতে হয়, প্রজ্ঞাপন যেন আমাকে এনে দেয়। আমার গা থেকে যেন বেশ্যা ট্যাগটা তুলে দেয়। এই ট্যাগ তুলে দিয়ে আমি সাধারণ ছাত্রী, এটা যেন বলে দেয়।’
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেউ হাসপাতালে কেউ কারাগারে অনিশ্চয়তায় সবাই by মরিয়ম চম্পা

একপর্যায়ে জীবনেরই আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। ভেবে ছিলাম আর হয়তো বাঁচবো না।’ কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভের সময় গত সোমবার তরিকুলকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে রাস্তায় ঘিরে ধরে পেটায় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন মিলে যখন লাঠি নিয়ে তরিকুলকে পেটাচ্ছিল তখন ছাত্রলীগের কর্মী আবদুল্লাহ আল মামুন লোহার হাতুড়ি দিয়ে তার পিঠে ও পায়ে আঘাত করে।
কাঠের উপর যেভাবে পেরেক ঠোকা হয়, সেভাবে তরিকুলের শরীরে আঘাত করা হচ্ছিল হাতুড়ি দিয়ে। তরিকুল এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক। শুধু তরিকুলই নন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূর। তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে অনেকটা গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পাননি দাবি করে নূর জানিয়েছেন, তিনি এখন যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন সেখান থেকেও বের করে দেয়া হয়েছিল। তারা তার চিকিৎসা করতে অপারগতা প্রকাশ করে। হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে জানাজানি হওয়ার পর তারা আবার আমার চিকিৎসা দিচ্ছে। কোটা আন্দোলনের দুই যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ও রাশেদ খান গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে। রাশেদ খানকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এছাড়া সামনের সারির অন্য নেতারা আছেন গ্রেপ্তার ও হামলার আতঙ্কে। কোট সংস্কার আন্দোলনের নেতারা বলছেন, আন্দোলনে জড়িত সামনের সারির নেতারা কেউ হাসপাতালে, আবার কেউ কারাগারে। বাইরে যারা আছেন তারা আছেন আতঙ্কে। এমন অবস্থায় সবাই একটা অনিশ্চিয়তা নিয়ে সময় পার করছেন।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা মানববন্ধন করার সময় আন্দোলনের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক হোসেনকে মারধরের একপর্যায়ে শাহ্বাগ থানায় নিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে বা মামলা মাথায় নিয়ে কারাগারে যাওয়া নেতাদের দায়িত্ব নিতে চাইছে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রেপ্তার ছাত্রদের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রেপ্তার আছে নাকি? যা হবে আইনি কাঠামোর মধ্যেই হবে। আইনি প্রক্রিয়ায় ১৮ বছর বয়স হলে ব্যক্তিকে তার নিজের দায়দায়িত্ব নিতে হয়। সবার জন্যই এই আইন প্রযোজ্য।’ তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কাঁধে ভর দিয়ে যেন কোনো অশুভ শক্তি তাদের স্বার্থ উদ্ধার করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিনষ্ট করার কোনো অপপ্রয়াস সহ্য করা হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম গোলাম রব্বানীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও ছাত্রদের গ্রেপ্তার, তাদের ওপর হামলার বিষয়গুলো এড়িয়ে চলেন। প্রক্টর গোলাম রব্বানী ছাত্রদের এ আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাকসুদ কামাল বলেন, শিক্ষক সমিতির কাজ শিক্ষকদের স্বার্থ দেখা। তা ছাড়া তাঁরা শিক্ষা কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়টা দেখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানে।
পুলিশ বুধবার পর্যন্ত ১০ জনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাশেদ খান, ফারুক হোসেন, তরিকুল, জসিমউদ্দিন, মশিউর, আমানুল্লাহ, মাজহারুল, জাকারিয়া, রমজান ওরফে সুমন ও রবিন। তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এরমধ্যে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, আন্দোলনে যুক্ত হলে হলছাড়া করা হবে, এমন হুমকি দিয়ে ছাত্রদের চুপ করে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক ছাত্র একরামুল হককে হল থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আইন অনুষদের ছাত্ররা বলছিলেন, তারা ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পরিবারের এই পেজ থেকে ক্লাস বর্জনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। আইন অনুষদের ঠিক উল্টো পাশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্রদের ওপর হামলার প্রতিবাদে তারা এই কর্মসূচি নিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তারা ক্লাসে ফিরে যাওয়ার জন্য হুমকি পাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের নেতারা একরামুল হককে বের করে দেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্য আফ্রিকায় বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসা by কাজী সোহাগ

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিন্ন পেশার লোক হলেও তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল

তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি অস্ত্র ও ১৬ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
গতকাল দুপুরে রাজধানীর কাওরানবাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. রাকিবুজ্জামান জানান, গত ১৩ই মে গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার উনিশে টাওয়ারের নিচে রবি ও বিকাশের এজেন্টের ১৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এরপর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা এলাকা থেকে এই সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, গত ১৩ই মে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার উনিশে টাওয়ারের নিচে একদল ছিনতাইকারীরা রবি ও বিকাশের এজেন্ট মো. আসাদুর রহমান আসাদ ও ইকবাল হোসেনের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় একই প্রতিষ্ঠানের সুমন মল্লিক নামের একজন কর্মী আহত হন। গ্রেটওয়াল হাউজিং সোসাইটির নিজ প্রতিষ্ঠান জমাদ্দার এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষক পদে মো. আসাদুর রহমান আসাদ ও সহকারী হিসাব রক্ষক পদে ইকবাল হোসেন এবং স্টোর ম্যানেজার পদে সুমন মল্লিক নিয়োজিত। জমাদ্দার এন্টারপ্রাইজ একটি রবি ও বিকাশ এজেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
তিনি আরো জানান, র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছিনতাইকারী চক্রটির প্রধান সাগর ও তার অন্যান্য সহযোগী গত ১৩ই মে গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার উনিশে টাওয়ারের নিচে রবি ও বিকাশের দুই জন এজেন্টকে গুলি করে ১৫ লাখ টাকা ছিনতাই কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সাগর জানায় যে, তারা বিগত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই করার জন্য প্রস্তুতি নিলেও বিভিন্ন কারণে সফল হতে পারেনি। র্যাব সূত্রে জানা গেছে, রুবেল (৩৫) পেশায় একজন দর্জি। রাজধানীর নিউমার্কেটের গাউছিয়া মার্কেটে দর্জির কাজ করে। ২০১৭ সালে আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে নিহত ছিনতাই চক্রের সদস্য আনোয়ারের মাধ্যমে রুবেল এ চক্রে যোগ দেয়। সাগর ও রুবেল পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি ক্রয় করে ছিনতাই কাজে ব্যবহার করে বলে স্বীকার করে। এক্ষেত্রে অস্ত্র সরবরাহকারী ছিনতাই করা অর্থের দ্বিগুণ টাকা নেয়। এছাড়াও, সাগর পেশায় একজন মুহুরি। সে ২০০০ সাল হতে এই পেশায় নিয়োজিত আছে। ২০১৭ সালে আনোয়ার আশুলিয়ায় পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে সাগর ছিনতাই চক্রটির নেতৃত্ব দেয়।
তিনি আরো জানান, বাবুল পেশায় একজন সেলসম্যান। সে নিউমার্কেটের চাঁদনী চক মার্কেটে একটি দোকানে কাজ করে। কাজের সূত্র ধরে একই মার্কেটে কর্মরত রুবেলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। বাবুলের বিরুদ্ধে আশুলিয়া ও সাভারে একাধিক ছিনতাই ও ডাকাতির মামলা থাকায় হাইকোর্টের মুহুরি সাগরের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। সাগর ও রুবেলের মাধ্যমেই সে ছিনতাই চক্রে যোগ দেয়। রাকিবুজ্জামান আরো জানান, আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন গাড়িচালক। সে ২০০৫ সালে ঢাকায় আসে। সে বিমানবন্দর এলাকায় ভাড়ায় ট্যাক্সিক্যাব চালায়। মাদক ব্যবসার দায়ে একবার জেলে যায় এবং সেখানে তার সাগরের সঙ্গে পরিচয় হয়। দুই মাস পর জেল থেকে বের হয়ে আনোয়ার ও সাগরের সঙ্গে ওই ছিনতাইচক্রে যোগ দেয় এবং নিয়মিত ছিনতাই কাজে অংশ নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, স্বপন মাহমুদ পেশায় একজন জমির দালাল। ১৯৮৮ সালে আসামি স্বপন ঢাকায় আসে এবং একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকুরি নেয়। পরবর্তীতে সে সৌদি আরব যায় এবং প্রতারণার শিকার হয়ে চার মাস পর দেশে ফিরে আসে। সে ২০১৬ সালে সাগর, বাবু ও রুবেলের সঙ্গে ডাকাতি ও ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার হয়। অন্যদিকে ইউসুফ আলী পেশায় একজন পোশাককর্মী। ২০০৮ সালে সে ঢাকায় আসে এবং সাভারে একটি সোয়েটার গার্মেন্টসে দীর্ঘদিন শ্রমিকের কাজ করে। কাজের সূত্র ধরে ২০১৭ সালে আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে নিহত আনোয়ারের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং তার মাধ্যমে বেশি উপার্জনের লোভে এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তিনি আরো জানান, এদের পেশা ভিন্ন হলেও তারা ঢাকার বিভিন্নস্থানে ছিনতাই করতো। এদের অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। র্যাব-১ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগস্টে আসছে বিমানের ড্রিমলাইনার, যাচ্ছে না দূরের গন্তব্যে by চৌধুরী আকবর হোসেন

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিঙ্গাপুর এবং ঢাকা-মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট চালু হবে। ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর যেতে সময় লাগে ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট আর মালায়শিয়া যেতে সময় লাগে ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। যদিও দূরপাল্লার যাত্রার জন্য বিশেষভাবে তৈরি ড্রিমলাইন বিমান।
কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এ বিমানটি ওজনে হালকা। দীর্ঘ ভ্রমণেও যাত্রীরা যেন ক্লান্তি অনুভব না করেন সে জন্য এর ভেতরে এয়ার কম্প্রেসার সিস্টেম অন্যান্য বিমানের তুলনায় উন্নত। অন্যান্য বিমানের তুলনায় এর জ্বালানিও লাগবে ২০ শতাংশ কম।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান রোম, আমেরিকা, লন্ডন ও কানাডা রুটে পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা ছিল। এছাড়া, পরে অন্য বিমানগুলো বহরে যুক্ত হলে কলম্বো, হংকং ও গুয়াংজু রুটে পরিচালনা হবে। তবে এসব রুটের কোনোটিতেই ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পায়নি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে এ জন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে দায়ী করছেন বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) থেকে ‘ক্যাটাগরি রেটিং ১’ অর্জনে সক্ষম হয়নি। এ কারণে বাংলাদেশি কোনও এয়ারলাইন্স দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না। যদিও সিভিল এভিয়েশন অথরিটি রেটিং অর্জনে আশাবাদী। বাংলাদেশে সেফটি ওভারসাইট কার্যক্রম নিরীক্ষা করতে একটি টেকনিক্যাল রিভিউ সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)। এফএএ-এর চূড়ান্ত মূল্যায়ন শেষ হবে আরও দুটি কারিগরি সমীক্ষার পর। এই সমীক্ষা সফলতা অর্জন করলে সিভিল এভিয়েশন এফএএ-এর ‘ক্যাটাগরি রেটিং ১’ অর্জনে সক্ষম হবে। এর ফলে বাংলাদেশে থেকে সরাসরি নিউ ইয়র্কে ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানায়, বহরে যুক্ত হতে যাওয়া চারটি ড্রিমলাইনার বিমানের নাম পছন্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানগুলোর নাম রাখা হয়েছে ‘আকাশবীণা’, ‘হংসবলাকা’, ‘গাঙচিল’ ও ‘রাজহংস’। ২০ আগস্ট আসতে যাওয়া ড্রিমলাইনারে গায়ে নাম লেখা হয়েছে ‘আকাশবীণা’। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে নেওয়া হয়েছে রেজিস্ট্রেশন (এস২-এজেএস)। বিমানটিতে আসন সংখ্যা ২৭১টি; এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি এবং ইকোনমিক ক্লাস ২৪৭টি ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা রয়েছে নিউ ইয়র্কে ফ্লাইট পরিচালনা করার। কিন্তু সিভিল এভিয়েশনের ক্যাটাগরি -১-এ না আসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি মিলছে না। এছাড়া, অন্যান্য দেশগুলোতে ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা আছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কূটনৈতিক সহায়তা প্রয়োজন। অন্যদিকে লন্ডন রুটে ড্রিমলাইনার ব্যবহার করা যেতো, কিন্তু বর্তমানে এ রুটে বোয়িং ৭৭৭ বিমান ব্যবহার হচ্ছে। বোয়িং ৭৭৭ বিমানে ৪১৯ জন যাত্রী পরিবহন করা যায়, কিন্তু ড্রিমলাইনারে আসন ২৭১টি। আসন সংখ্যা কম থাকায় বর্তমানে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে এ রুটে নতুন ফ্লাইট দিলেই ড্রিমলাইনার ব্যবহার করা যাবে।’
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র আরও জানায়, আন্তর্জাতিক ১৫টি রুটের মধ্যে ইউরোপে শুধু লন্ডন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। বাকিগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রুটে সীমাবদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের দোহা, কুয়েত, রিয়াদ, জেদ্দা, আবুধাবি, দাম্মাম, দুবাই ও মাস্কাটে এবং এশিয়ায় ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, কলকাতা, ইয়াঙ্গুন ও কাঠমান্ডুতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানায়, ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট (আইএফই) সেবা দেবে প্যানাসনিক এভিওনিকস করপোরেশন (Panasonic Avionics Corporation)। বিমানে উড্ডয়নের সময় যাত্রীরা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। বিমানে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক যাত্রী ১৫ মিনিটের জন্য ১০ মেগাবাইট ইন্টারনেট বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। এরপর কোনও যাত্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে চার্জ দিতে হবে। ১০০ মেগাবাইটের জন্য ৮ ডলার, ৩০০ মেগাবাইটের ১৬ ডলার, ৬০০ মেগাবাইটের জন্য ৩২ ডলার হারে চার্জ দিতে হবে যাত্রীদের। এছাড়া যাত্রীদের মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা থাকলে আকাশে উড্ডয়নের সময় ফোন কল করতে পারবেন।
এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বলেন, ‘দুটি দেশের সিভিল এভিয়েশনের অনুমতি না পেলে ফ্লাইট চালু করা সম্ভব নয়। আমাদের আধুনিক বিমান থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে নতুন রুটে ফ্লাইট চালু করতে দেরি হচ্ছে। ম্যানচেস্টার, রোম, সিডনি, মন্ট্রিয়ল, দিল্লি, হংকং ও টোকিওতে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পাওয়া গেলে এসব রুটে ফ্লাইট চালু করা হবে।’
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
"তারা বলে রাস্তায় বের হতে পারবি না, পরিবারকে গুম করে দিবে"

অনেকে গ্রেপ্তার ও হামলার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে তিনি জানান।"আমরা কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথায় আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রায় তিন মাসেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।
আমরা চাই দ্রুত সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দিক।"শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানব-বন্ধন ও পতাকা মিছিলের কর্মসূচী ছিল। সেটিও পণ্ড করে দেয়া হয়েছে হামলা চালিয়ে। লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, "এখন আমাদের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। আপনারা দেখছেন মিডিয়ার সবার সামনে আমাদেরকে মারছে। তাহলে ভাবেন মিডিয়া যখন না থাকে অগোচরে তাহলে কী করে। আমাদেরকে তারা বলে তোরা রাস্তায় বের হতে পারবি না। আমাদের পরিবারকে গুম করে দিবে।" লুনার অভিযোগ সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকেই এসব হুমকি আসছে এবং হামলার ঘটনা ঘটছে।"যেখানে পাচ্ছে তারা খুঁজে খুঁজে মারছে। আমাদের হলে থাকতে দিচ্ছে না। আমাদের ছবি মার্কিং করছে। প্রশাসনের ভয়ে নুরুলকে মধ্য রাতে হাসপাতাল থেকে বের করে দিয়েছে। ফারুককে ছাত্রলীগের ছেলেরা পিটিয়ে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে গেছে," বলেন তিনি।শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বিষয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসানের দাবি, আন্দোলনকারীদের মধ্যে গ্রুপিং হয়েছে। তাদের সঙ্গে এখন সাধারণ ছাত্ররা নেই। "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব যেমন প্রশাসনের তেমনি সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও রয়েছে।
আপনারা যদি মনে করেন আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা, তার আগে তো আমাদের পরিচয় আছে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী।" শহীদ মিনারে হামলায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন হল শাখার নেতাদের জড়িত থাকার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "কোটা আন্দোলনের নামে বিভিন্ন রকম উসকানিমূলক এবং গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। এরকম পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে জামাত শিবিরের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারাই আসবে ছাত্রলীগ তাদের প্রতিহত করবে।" কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ধৈর্য নিয়ে একদিকে যেমন বিতর্ক হচ্ছে, তেমনি কোটা বাতিল ঘোষণার পর এ নিয়ে নীতিনির্ধারকদের বক্তব্য ও কার্যক্রমে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে বলেও সমালোচনা হচ্ছে। সবমিলিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন, সরকারের অবস্থান এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, মামলা পুরো পরিস্থিতিকে জটিল করেছে বলেই অনেকে মনে করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বিবিসিকে বলেন, যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তার মতে আন্দোলনের একটা ভিন্ন রূপ দাঁড়িয়ে গেছে নানা কারণেই, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটা ঘোষণা দিয়েছেন সেটা সময় নিয়ে একটু দেখা যে কী হচ্ছে এটা একটা বিষয়। আবার এমন নয় যে চাপ দেয়া যাবে না, অবশ্যই আন্দোলনকারীরা চাপ দিতেই পারেন। যে কোনো দাবি দাওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের ওপরে চাপ প্রয়োগ করাটাই আন্দোলনের ধর্ম। কিন্তু সেই আন্দোলনে কোনোরকম আক্রমণ করা, অন্য ছাত্র সংগঠনের আক্রমণ করা সেটাও একটা গর্হিত কাজ।"কোটা সংস্কার বা এই নামে যেকোনো আন্দোলন প্রতিহত করতে সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাগরিক সমাজও আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন মনে করেন, ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব ছিল। তিনি বলেন, "যথেষ্ট কালক্ষেপণ হয়েছে। এটা নিয়ে কালক্ষেপণ করার কিছু ছিল না। এই কমিটি তৈরি আসলে অনেক আগেই করা যেত। এই ব্যবস্থাগুলি আরো আগে নেয়া যেত। এই যে অপ্রীতিকর শুধু নয় একটা ভয়ংকর অবস্থা তৈরি হলো, যে বিশ্বাস মানুষের মন থেকে নষ্ট হলো, যে চিত্রগুলি অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপিত হলো, সেগুলি আসলে বন্ধ করা যেত। আমি মনে করি যারা ক্ষমতায় আছেন তাদের অধিকতর দায়িত্ব ছিল।"এখন সরকার কোটা সংস্কারের বিষয়ে কমিটি করলেও আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, মামলা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাপা ক্ষোভ এবং উত্তেজনা কাজ করছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কেন এই নির্মমতা by শুভ্র দেব

বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বছরে অন্তত দেড় শতাধিক পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ২০১৭ সালে সারা দেশে দেড় শতাধিক পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় দুই শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রেলওয়ের ১৪জন কর্মচারী-কর্মকর্তা রয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ২০টি জেলায় পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে ৫টি ও পশ্চিমাঞ্চলে ১৫টি জেলা রয়েছে। আর গুরুত্বপূর্ণ স্পট হিসাবে ৬৫টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলে ৩৬টি ও পশ্চিমাঞ্চলে ২৯টি। রেলওয়ের হিসাবে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে পাথর ছুড়ে ট্রেনের জানালা-দরজার কাচ ভাঙার ঘটনা ঘটেছে দুই হাজারের বেশি।
চলতি বছরের ৩০শে এপ্রিল খুলনা-বেনাপোল রুটের বেনাপোল কমিউটার ট্রেনে দায়িত্ব পালন করছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিদর্শক বায়োজিদ শিকদার। বেনাপোল থেকে খুলনা যাওয়ার পথে দৌলতপুর স্টেশন এলাকায় দুর্বৃত্তরা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। এতে আহত হন বায়োজিদ শিকদার। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর কিছুদিন পর তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪১দিন পর ১২ই জুন বায়োজিদ মারা যান। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে চার জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। ২০১৭ সালের পহেলা অক্টোবর রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ি ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও অজ্ঞাত আরেক যুুবক। ওই দিন দুবৃত্তদের ছোড়া পাথরে ট্রেনের গ্লাস ভেঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর চোখের নিচে জখম হয় আর অজ্ঞাত যুবকের মাথায় লেগে রক্তাক্ত হয়। ২০১৬ সালের ২৭শে মার্চ ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়া সুবর্ণ এক্সপ্রেসে দুর্বৃত্তরা পাথর ছুড়ে মারে। রাত ৭টার দিকে ট্রেনটি যখন ফেনি স্টেশন অতিক্রম করে যায় তখনই এই ঘটনা ঘটে। হঠাৎ করে বিকট শব্দে ট্রেনের গ্লাস ভেঙ্গে সরওয়ার জামান শাওন (২৭) নামের এক যাত্রীর ঘাড়ে আঘাত লাগে। এতে করে রক্তাক্ত হয় শাওন। ওই সময় ট্রেনে ফাস্ট এইডের ব্যবস্থা ছিল না। তাই রক্ত পড়া বন্ধ হয়নি। শাওন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা ইউনিয়নের কশুয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ সৈয়দের ছেলে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগরে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে গুরুতর আহত হন ট্রেনের গার্ড আবদুল কাইয়ুম। মালবাহী খালি ট্রেন ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁওয়ে যাচ্ছিল। ওই ট্রেনে গার্ডের দায়িত্ব পালন করছিলেন কাইয়ুম। ট্রেনটি রাত পৌনে ১১টার দিকে শমসেরনগর স্টেশন ও মনু স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে। একটি পাথরের টুকরা কাইয়ুমের কপালে লাগলে তিনি গুরুতর জখম হন। ২০১৩ সালের ১০ই আগস্ট চলন্ত ট্রেনে পাথরের আঘাতে প্রকৌশলী প্রীতি দাশ প্রাণ হারান। তিনি তার স্বামীর সঙ্গে চট্টগ্রামের বাসায় ফিরছিলেন। ওইদিন চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা তুর্ণা নিশীথা ট্রেনের জানালার পাশে বসেছিলেন প্রীতি। সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি ভাটিয়ারীর ভাঙা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর পর বাইরে থেকে জানালা বরাবর উপর্যুপরি পাথর ছোড়া হয়। এর একটি পাথর এসে প্রীতির মাথায় লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন তিনি। ঘটনার পর সীতাকুন্ড রেলস্টেশনে তাদের নামিয়ে দেয়া হয়। প্রথমে প্রীতিকে সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চলতি বছরের ২রা এপ্রিল কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে পাথরের আঘাত লেগে আহত হন বোয়ালখালী পৌরসভা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী। পাথরের আঘাতে তার চোখের উপরের অংশ ফেটে গিয়েছিল। পরের দিন সকালে ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছালে তার চিকিৎসা করানো হয়। ওই দিন জহিরুল ইসলাম ট্রেনের ভেতরে জানালার পাশে বসায় বাহির থেকে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরে তার চোখে সরাসরি আঘাত লাগে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে দুই হাজার ৯০০ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। এর মধ্যে ২০ জেলার ওপর দিয়ে চলার সময় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার ঘটনা বেশি ঘটছে। পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি ও পশ্চিমাঞ্চলে ১৫টি জেলায়। পাথর ছোড়ার বেশি ঘটনা ঘটছে গাজীপুরের টঙ্গী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে গঙ্গাসাগর, কুমিল্লার ময়নামতি ও চট্টগ্রামের পাহাড়তলি থেকে সীতাকুন্ড অংশে। এ ছাড়া, নরসিংদী, পুবাইল, গফরগাঁও, গৌরিপুর, মোহনগঞ্জ, সরিষাবাড়ি, দেওয়ানগঞ্জ, তেজগাঁও, কাওরানবাজার, ফতুল্লা, লালমনিরহাট, পীরগঞ্জ, গাইবান্ধা, বুনারপাতা, সোনাতলা, আজিমনগর, খুলনা, পার্বতীপুর, জামতৈল কোট চাঁদপুর, নোয়াপাড়া, দৌলতপুর, রংপুর, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, ষোলশহর, ফৌজদারহাট, সীতাকুন্ড, চৌমুহনী, কুমিল্লার শশীদল, ইমামবাড়ি, কসবা, পাঘাচং, ভাতশালা, শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কাউনিয়া, বামনডাঙ্গা এলাকায়।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে মানুষকে হত্যা ও আহত করার বিষয়টি আমানবিক। বছরের পর বছর থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। কারণ প্রতিটা রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশে অপরাধীরা ওঁৎ পেতে থাকে। স্টেশন থেকেই নানা অপরাধের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া নিরাপদ সড়ক ভেবে রেলপথকে অনেক অপরাধী নির্বিঘ্নে ব্যবহার করছে। এদের মধ্যে রেলওয়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জড়িত রয়েছেন। ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য নিরাপদে ট্রেন ভ্রমণে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। ঢিল ছোড়া দুষ্কৃতকারীদের এমন দৌরাত্ম্যের পরও রেলওয়ের পক্ষ থেকে এই অপরাধ বন্ধে জোরালো কোনো উদ্যোগ নেই। একের পর এক দুর্বৃত্তদের ছোড়া ঢিলের আঘাতে ট্রেনের যাত্রী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আহত হওয়ার পরও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মামলা পর্যন্ত হয় না। কিছু ক্ষেত্রে রেলওয়ে পুলিশ সাধারণ ডায়েরি করেই দায়িত্ব শেষ করে। বিশেষজ্ঞরা এই অপরাধ বন্ধে জরিমানাসহ অন্যান্য শাস্তি বাড়িয়ে বিদ্যমান আইন সংশোধনের সুপারিশ করেছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি মো. শামসুদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, বেশ কিছু কারণে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। অনেক সময় ভবঘুরে ও রেললাইনের আশপাশে মাদকাসক্তরা ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারে। স্টপেজ ছাড়া গাড়ি থামানোর জন্যও দুর্বৃত্তরা এই কাজ করে থাকে। এর বাইরে সরকারি মালামাল নষ্ট করার মনমানসিকতা ও মাদক বা চোরাচালান পণ্য কিছু চিহ্নিত স্থানে নামাতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও এ ধরনের কোনো প্রমাণ হাতেনাতে এখনও পাওয়া যায়নি। ডিআইজি বলেন, আমাদের কিছু চিহ্নিত স্পট রয়েছে। এসব স্পটের আশপাশের মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা তৈরি করা হয়। মসজিদ, স্কুলসহ অন্যান্য শিক্ষণীয় স্থানে এসব বিষয়ে বুঝানো হয়। আবার অনেক সময় যখন অপরাধীকে হাতেনাতে ধরা যায় তখন মামলা জিডি করা হয়। আর ছোট শিশু হলে তাদের অভিভাবকের মুচলেকা নেয়া হয়। মামলার আসামিদের জেল-জরিমানা করা হয়।
রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন মানবজমিনকে বলেন, পাথর নিক্ষেপ একটি বড় ধরনের অপরাধ। এর কারণে মানুষ মারাও যাচ্ছে। তাই এই অপরাধ বন্ধে আমরা কাজ করছি। ঘটনাপ্রবণ এলাকায় মানুষকে সচেতন করে তোলা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া আছে। তিনি বলেন, পাথর নিক্ষেপের কারণে যে শুধু যাত্রীরা আহত-নিহত হচ্ছেন এমন না। সরকারি মালামালের ক্ষয়ক্ষতিসহ কর্মচারীরাও আহত নিহত হচ্ছেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে নতুন উদ্যোগ by শফিকুল ইসলাম
![]() |
| রাজধানীর ফুটপাতে বসে আছেন এক নারী ভিক্ষুক |
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রথমেই দেশের প্রতিটি এলাকায় যারা ভিক্ষাবৃত্তি করছে তাদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর জন্য দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজ নিজ এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরি করবেন। এরপর তালিকা যাচাইবাছাই শেষে তাদের পুর্নবাসনের আওতায় আনা হবে। তাদের ঋণ দেওয়া হবে। এই ঋণ নিয়ে তারা কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসা করবেন, কেউ পশু পালন করবেন, কেউ শাকসবজি চাষ করবেন বা কেউ গরু ছাগল পালন করবেন।
সরকারের তালিকাভুক্ত ভিক্ষুকদের এই পেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের বহুল প্রচারিত এবং প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের ১০ প্রকল্পের মধ্যে শীর্ষে থাকা ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পকে আরও প্রসারিত করা হবে। এমন তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৬০ লাখ পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে দেশব্যাপী ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্প চলছে। সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বাড়ানোর উদ্যোগ বাস্তবায়নে এ বছর এমনিতেই এসব খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। তাই সুবিধাভোগীর সংখ্যাও বাড়বে। এ ছাড়াও স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠেছে। তাই এমন একটি মর্যাদাসম্পন্ন দেশের নাগরিকদের কারো কারো ভিক্ষাবৃত্তি করার বিষয়টি অপমানজনক। তাই যেকোনও মূল্যে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে চায় সরকার।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকাভিত্তিক তালিকা পাওয়া গেলে সেই তালিকা অনুযায়ী ভিক্ষুকদের ১০ থকে ১২ জনের গ্রুপে ভাগ করা হবে। তাদের নিয়ে গঠিত হবে পৃথক সমিতি। সেই সমিতি ধরে ধরেই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে তাদের।
জানতে চাইলে ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পের পরিচালক আকবর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের দারিদ্রতা নিরসনে এ উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও রাখবে। তাই এ প্রকল্পটিকে ঘিরে সরকারের নানামুখী উদ্যোগ রয়েছে। তাই এ প্রকল্পের সম্প্রসারণ হতে পারে।’
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দেশে এখন আর কেউ অভাবের তাড়নায় ভিক্ষা করে না। দেশে এখন আর সেই অভাব নেই। এরপরও কিছু লোক ভিক্ষাবৃত্তি করছে। তারা মৌসুম ধরে ধরে দল বেঁধে ঢাকায় আসছে এবং ভিক্ষাবৃত্তি করছে। তাদের ঠেকাতে না পারলে সরকারের দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দেশ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি দূর করা খুবই জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক একটি মানুষও ঘরহীন বা আশ্রয়হীন থাকবে না বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের নতুন উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগের ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ প্রকল্পটির আওতা বাড়ানো। প্রকল্পটি সম্প্রসারিত হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থাকবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জনা গেছে, এরই মধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করা গেছে। এই প্রকল্পের আওতায় দারিদ্রের আধিক্য অনুসারে বিশেষ করে দেশের নদীভাঙন এলাকা, পাহাড়ি এলাকা ও দেশের উত্তরাঞ্চলের ভিক্ষুকদের এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ‘একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প’ হাতে নেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি সরকার প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে প্রকল্পটি ফের চালু করা হয়। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলায় ৪৮৫টি উপজেলায় ৪ হাজার ৫০৩টি ইউনিয়নের ৪০ হাজার ৫২৭টি ওয়ার্ডে প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে।
২৫ লাখ দরিদ্র পরিবার এ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ প্রকল্পের আওতায় ঋণ দিয়ে ২০১৮ সালের মে পর্যন্ত ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার পরিবারকে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্পটি ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সেক্স হলো ওষুধের মতো’

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
July
(220)
-
▼
Jul 06
(10)
- উবার, পাঠাওসহ রাইড সেবা: যা জানা জরুরি
- প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আমার কাছে জাহান্নাম
- কেউ হাসপাতালে কেউ কারাগারে অনিশ্চয়তায় সবাই by মরিয়...
- মধ্য আফ্রিকায় বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসা by কাজী সোহাগ
- ভিন্ন পেশার লোক হলেও তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল
- আগস্টে আসছে বিমানের ড্রিমলাইনার, যাচ্ছে না দূরের গ...
- "তারা বলে রাস্তায় বের হতে পারবি না, পরিবারকে গুম ...
- ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কেন এই নির্মমতা by শুভ্র দেব
- দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে নতুন উদ্যোগ by শফিকুল ইসলাম
- ‘সেক্স হলো ওষুধের মতো’
-
▼
Jul 06
(10)
-
▼
July
(220)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
