Saturday, July 26, 2014
ব্রিকস ব্যাংক কি বিশ্বব্যাংকের প্রভাব কমাতে পারবে? by ধীরাজ কুমার নাথ

পদ্মা সেতু ও বিশ্বব্যাংক ফাইল কার্টুন
ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ১০ হাজার কোটি ডলার, তবে প্রাথমিক মূলধন হবে ৫ হাজার কোটি ডলার। গণচীন দিবে ৪ হাজার ১শ’ কোটি এবং ব্রাজিল, ভারত ও রাশিয়া দিবে প্রত্যেকে ১ হাজার ৮শ’ কোটি ডলার করে। দক্ষিণ আফ্রিকা দিবে ৫শ’ কোটি ডলার। তবে পরিচালনা এবং ঋণদান বিষয়ক অনেক নিয়মাবলী পর্যায়ক্রমে আলোচিত হবে এবং সেভাবে সিদ্ধান্ত হবে।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদির অভিমত হচ্ছে, শুরু থেকেই ‘একটি স্থিতিশীল, শন্তিপূর্ণ এবং ভারসাম্য অবস্থা বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এবং সবার অভিমত গ্রহণ করে ব্রিকস ব্যাংক তার কাজ পরিচালনা করবে।’ ব্যাংকের সূচনালগ্নে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফের বক্তব্য হচ্ছে- ‘ব্রিকস ব্যাংক এবং সঞ্চিত আমানতের চুক্তিতে আমরা যে স্বাক্ষর করেছি, তা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রশাসনের নতুন নকশা প্রদানে মূল্যবান অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা চাই ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার। আইএমএফকে দ্রুত ভোটাধিকার কোটা পরিবর্তন করতে হবে। উদীয়মান দেশগুলোর গুরুত্ব মূল্যায়ন করতে হবে।’
একটি গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা করা এবং সবার অভিমত গ্রহণ করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা ছাড়াও বিশ্বপরিমণ্ডলে নতুন অর্থনৈতিক প্রশাসনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে শতাব্দী ধরে আর্থিক বিশ্বে আধিপত্যবাদের অবসানের লক্ষ্যে ব্রিকস ব্যাংকের শুভযাত্রার মাধ্যমে উদীয়মান দেশসমূহ বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের অঙ্গনে একটি অর্থবহ চ্যালেঞ্চ ছুঁড়ে দিল বলে অনেকেই মনে করেন।
ব্রিকস ব্যাংকভুক্ত ৫টি দেশের মোট জনসংখ্যা হচ্ছে বিশ্বের প্রায় ৪২ শতাংশ। বিশ্বের মোট পুঁজি বিনিয়োগে ১১ শতাংশ এবং বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের ২০ শতাংশ এই পাঁচটি দেশ থেকেই আসে। তাই বিশিষ্ট অর্থনৈতিক প্রজ্ঞাবান দার্শনিকদের ধারণা হচ্ছে, ব্রিকস ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশাল এবং ব্যাপক। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের মুন্সিয়ানা ও আধিপত্যবাদের সূর্য এবার অস্তমিত হবে। মাথানত করে প্রতিযোগিতার পরিমণ্ডলে তাদের টিকে থাকার লড়াই শুরু করতে হবে।
তবে কথা আছে। অর্থনীতির গতি প্রবাহ চলে নিজস্ব ধারায়। প্রশ্ন হচ্ছে, কী হারে এ ব্যাংক ঋণ দিবে। বিশ্বব্যাংক এখন তৃতীয় বিশ্বে বিশেষত বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ দেয়, যার সুদের হার হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ০.৭৫% অর্থাৎ ১% শতাংশেরও কম হারে। এ ছাড়াও বড় ধরনের সুবিধা হচ্ছে প্রায় ৪০ বছর পর এ ঋণ পরিশোধের তালিকায় আসে। বিশাল এক সুযোগ উন্মুক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক। এ কারণেই বাংলাদেশের জনগণ পদ্মাসেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকে ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিনা সুদে জাইকার অর্থ গ্রহণে উৎসাহ পদর্শন করেছে। ব্রিকস ব্যাংক অবশ্য ঘোষণা করেনি কোন দেশ কোন ধরনের ক্ষেত্রে ঋণ সুবিধার আওতায় আসবে এবং অবকাঠামো নির্মাণে কেমন শর্তাবলী আরোপিত হবে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ যদি ব্রিকস ব্যাংকের সদস্য হয়, তবে বিনিয়োগের হার কী হবে এবং ভোটাধিকার থাকবে কিনা, সবই ভবিষ্যৎ বলে দিবে। বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনায় বিকল্প নির্বাহী পরিচালকের ভূমিকা পালন করে এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের গভর্নিং বডির সদস্য।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, ২০০১ সালে গোল্ডম্যান স্যাকস গ্র“পের অর্থনীতিবিদ জিম ওনিল ৪টি দেশ নিয়ে ব্রিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ধারণার সূত্রপাত করেন। পরবর্তীকালে দক্ষিণ আফ্রিকা এতে সংযুক্ত হতে প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করায় এশীয়, আফ্রিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার উদীয়মান দেশ হিসেবে ‘ব্রিকস ব্যাংকে’র ধারণা চূড়ান্ত করা হয়। লক্ষ্য করা যায়, ২০০৭ সালে এসব দেশের গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০.৭ শতাংশ যা বিশেষভাবে প্রনিধানযোগ্য। তবে বর্তমানে তা হ্রাস পেয়েছে সত্য; কিন্তু ব্যবসায়িক সাফল্য এবং রফতানির গতি-প্রকৃতিকে অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে দেখে পশ্চিমা দেশসমূহ আতংকিত। তার উপর এমন একটি বিশাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠা দেখে বিশ্বব্যাংকের পরিকল্পনাবিদ এবং অর্থনীতিবিদগণ নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন ।
আমরা তৃতীয় বিশ্বের আমজনতা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার এবং এসব ব্যাপারে আমাদের প্রতিবাদী কণ্ঠ তীব্র এবং কঠোর। আমরা পরিশ্রম করে আমাদের অগ্রগতি অর্জন করব, কারও অঙ্গুলির নির্দেশনা মানতে রাজী নই।
মূলত একটি ব্যাপক প্রতিযেগিতার সূত্রপাত করেছে ব্রিকস ব্যাংক। বিশ্ববাসী অবশ্যই অথনৈতিক সম্প্রসারণবাদের অবসান দেখতে পারে এবার। উদীয়মান অর্থনীতির দেশসমূহ বিশ্ব অর্থনৈতিক অঙ্গনে অবশ্যই প্রভাব বিস্তার করবে। তাই গোল্ডম্যান গ্র“পের জোহানসবার্গ শাখার প্রধান কলিন কোলম্যান মনে করেন, ‘কূটনৈতিকভাবে এবং আর্থিকভাবে আমরা এখন বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উদীয়মান বাজারের অংশীদার।’
তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এ জাতীয় অর্থনৈতিক উদ্যোগকে কিভাবে প্রভাবিত করে তা বুঝে ওঠা কঠিন। রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে। ইউক্রেন প্রশ্নে ভারত বা গণচীন বা ব্রাজিল নীরব থাকলেও সবার ভাবনা এক নয়। মালয়েশিয়ার বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে ১৭ জুলাই বিকাল ৫টায় এবং ২৯৫ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, সে দেশের পূর্বাঞ্চলীয় বিচ্ছিনতাবাদীরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বিমানটি ভূপাতিত করেছে। এভাবে রাজনৈতিক অঙ্গন ভিন্নরূপ নিতে চলেছে। ব্রাজিলের নির্বাচন সামনে। তাই প্রশ্ন থেকে যায়, এসব রাজনৈতিক ব্যতিক্রমধর্মী কর্মকাণ্ড ব্রিকস ব্যাংকের মহান উদ্যোগকে প্রভাবিত করে তার অভীষ্ট পূরণে সহায়তা করবে কি-না।
সবকিছুর মাঝে নতুন ব্যাংকের যাত্রা শুভ হোক, বিশ্ব পরিমণ্ডলে, অর্থনৈতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা তীব্র হোক। অর্থনৈতিক আধিপত্যবাদের অবসান হোক, এই আমাদের প্রত্যাশা।
ধীরাজ কুমার নাথ : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা,সাবেক সচিব, কলাম লেখক
dknath888@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী ঘটবে ঈদের পর? by আহমেদ সুমন
ঈদের পর আন্দোলনের ভাবনা আমাদের শংকায় ফেলে দিলেও ঈদপূর্ব রোজার মাসে এক সম্প্রীতির পরিবেশ বিরাজমান। ইফতারকে কেন্দ্র করে এ সম্প্রীতি গড়ে ওঠে। রোজার মাসে ইফতারের রাজনীতি বাংলাদেশের দীর্ঘকালের সংস্কৃতি। ছোট-বড় রাজনৈতিক দলগুলো এ মাসে ইফতারের আয়োজন করে। সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতারা থেকে শুরু করে ভিন্ন মত বা প্রতিপক্ষ দলের রাজনৈতিক নেতাদেরও ইফতার পার্টিতে দাওয়াত দেয়া হয়। বছরজুড়ে বৈরী সম্পর্ক ভুলে গিয়ে একে অপরের দাওয়াত কবুল করেন এবং সময়-সুযোগ পেলে ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণও করেন। রাজনীতির এ সংস্কৃতি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক। তবে সাম্প্রতিককালে এখানেও খানিকটা নেতিবাচক দিক যুক্ত হয়েছে। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির নেতারা পরস্পরকে ইফতারের দাওয়াত দেন বটে তবে তাতে কেউ অংশগ্রহণ করেন না। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে সেনাকুঞ্জে এ দুই দলের সভানেত্রী ও চেয়ারপারসন আগে যেতেন এবং পাশাপাশি বসে সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠান উপভোগ করতেন। তারও এখন মাঝে মধ্যে ব্যত্যয় ঘটছে। এ দুই দলের বৈরিতা এখন এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তারা সশস্ত্র বাহিনীর দিবসের অনুষ্ঠানেও যান না। এ কারণে পরস্পরের মধ্যে মুখ দেখাদেখির সুযোগও ঘটে না। এবারের রোজায়ও সরকারি দল আওয়ামী লীগ এবং সংসদের বাইরের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি একে অপরকে ইফতারের দাওয়াত দিয়েছিল। কিন্তু কেউ কারও দাওয়াতে অংশগ্রহণ করে ন্যূনতম সৌজন্যবোধের স্বাক্ষর রাখেনি। রাজনীতির এ কদর্য রূপ আমরা বিগত দুই দশক ধরে লক্ষ করছি। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এরশাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর রূপরেখা অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেও নির্বাচনে বিজিত আওয়ামী লীগ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সরকারকে একদিনের জন্য হলেও শান্তিতে থাকতে দেবে না বলে জানায়। বাস্তবে হয়েছেও তাই। এখন বিএনপি রমজান মাসজুড়ে বিভিন্ন সভা, সমিতি ও ইফতার পার্টিতে ঈদের পর সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। ঈদের পর আন্দোলনের এ হুমকি-ধামকিতে চিন্তায় না পড়ে উপায় কী?
বিএনপি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবিতে সরকারকে আলোচনা শুরুর করার দাবি জানিয়ে আসছে। সরকার এ দাবি বিবেচনায় না এনে সরকারের মেয়াদ ৫ বছর শেষ করার কথা ভাবছে। এ লক্ষ্যে ঈদের পরে বিএনপির আন্দোলনের হুমকি-ধমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না। সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা বিএনপিকে কাগুজে বাঘ বলে মনে করে। আগের দফাগুলোয় বিএনপি আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও ছাড়া কার্যত কিছু করতে পারেনি। বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে নামেনি। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বিএনপির ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি পুরোপরি ফ্লপ হয়েছে। আলোচিত বালুর ট্রাক দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাও করে তাকে পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে যেতে পুলিশ বাধা দিলে দলীয় নেতাকর্মীরা কেউ এসে পুলিশি বাধা ভাঙার চেষ্টা করেনি। দলের এ নাজুক অবস্থা অনুধাবন করে বিএনপি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের ক্ষেত্রে অনেকটা নমনীয় হয়ে সর্বশেষ হাসিনা বাদে অন্য কাউকে সর্বদলীয় সরকারের প্রধান করার আন্দোলনে এসে পৌঁছেছিল। বিএনপি ঈদের পর যদি নবউদ্যমে আবার আন্দোলন শুরু করে, সেক্ষেত্রে সরকারি দলও বসে থাকবে না বলে জানাচ্ছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা শোডাউন করবে এবং রাজপথ দখলে রাখবে। এমন এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে মানুষ নির্ভাবনায় থাকতে পারে না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিও একটি বড় রাজনৈতিক দল। সংসদ নির্বাচনে এ দুই দলের প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি থাকে। বিএনপি ৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিহতের ডাক দিয়ে বর্জন করেছিল। প্রতিহত করতে না পারলেও বর্জনে অটল ছিল। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি যে সরকার গঠন করত না, তা কে বলতে পারে? নির্বাচনপূর্ব ৫টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছিল। সুতরাং বিএনপির অংশগ্রহণবিহীন সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে এক প্রশ্নসাপেক্ষ ব্যাপার। বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেসব রাষ্ট্র নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল, তারা মনোভাব যে খুব একটা বদলেছে তা মনে হয় না। আওয়ামী লীগ মার্কিন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনাকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনে করত। কারণ তার অভিমত বিএনপির পক্ষে যেত। তিনি বাংলাদেশ থেকে চলে যাচ্ছেন। মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট ঢাকায় ড্যান মজিনার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। তিনিও নির্বাচনের বিষয়ে অভিন্ন মত পোষণ করেছেন। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে তিনিও প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। মার্কিন নয়া রাষ্ট্রদূত সব দলের অংশগ্রহণে নতুন করে নির্বাচনের লক্ষ্যে সংলাপ শুরুর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। চীনও নির্বাচন প্রশ্নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল। তবে সম্প্রতি শেখ হাসিনা চীন সফর করে এ বিষয়টি ঘষামাঝা করেছেন।
ঈদের পর রাজনীতিতে বিএনপির আন্দোলনের যে হুমকি, তার বাস্তবে প্রতিফলন যাই ঘটুক না কেন, জনসাধারণের মনে স্বস্তি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশের স্বার্থে সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংলাপ হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি সফল সংলাপের মাধ্যমে আরেকটি নির্বাচন হওয়াই বাঞ্ছনীয়। এতে কোনো পক্ষেরই পরাজয়ের কোনো গ্লানি ধাকবে না। দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে বিবেচনার রাখা উচিত। এ বিবেচনাবোধ জাগ্রত হওয়ার মধ্যে দেশের মঙ্গল, অন্যথায় ঈদের পর তো বটেই, নিয়মিত বিরতিতে আগামীতে জনসাধারণকে দুঃখ-দুর্ভোগ পোহাতে হবে। বিএনপি নিয়মিত বিরতিতে দম নিয়ে মাঝে মধ্যেই আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করবে। এর অবসান হওয়া জরুরি।
আহমেদ সুমন : গবেষক ও বিশ্লেষক
asumanarticle@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জায়নবাদ, আত্মপরিচয় ও ইতিহাস পাঠ by ফরহাদ মজহার

জায়নবাদী বা জায়নিস্টের সঙ্গে হজরত মূসার (আ.) ধর্মানুসারী ইহুদির কোনো সম্পর্ক নাই- এটা বোঝা কঠিন কিছু নয়। অতএব জন্মসূত্রে কেউ ইহুদি হলেই তিনি জায়নবাদী হবেন এমন কোনো কথা নাই। বরং জায়নবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের তিনি ঘোরতর বিরোধী হতে পারেন। নরম্যান ফিঙ্কেলস্টাইন, নোয়াম চমস্কিসহ জন্মসূত্রে বিস্তর ইহুদি রয়েছেন যারা ফিলিস্তিন মুক্তি সংগ্রাম শুধু নয়, দুনিয়ার সব মজলুমের পরীক্ষিত মিত্র। এমনকি গোঁড়া ইহুদিও অনেকে আছেন যারা ঘোরতরভাবে জায়নবাদবিরোধী। ফলে জায়নবাদ বা জায়নবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের বিরোধিতা করতে গিয়ে আমরা ইহুদিবিরোধী হয়ে গেলাম কিনা খামাখা সেই ভদ্রলোকি দুশ্চিন্তায় পড়ার কোনো কারণ নেই। সেটা সামাল দিতে গিয়ে বিশ্বাস ও মতাদর্শের দিক থেকে যারা ইহুদি মতাবলম্বী, তারা কিভাবে তাদের মতকে একালে হাজির করছেন, তা বিচারের বাইরে রেখে দেয়া সমীচীন নয়। শুধু ইহুদি ধর্মতত্ত্বের ক্ষেত্রে নয়, যে কোনো ধর্মতত্ত্ব বা মতাদর্শ সম্পর্কেই এটি সত্য।
ইহুদি বিদ্বেষ বা ঘৃণাকে অ্যান্টি-সেমিটিজম বলে গণ্য করা হয়। কেউ যদি নিজের ইহুদি পরিচয় নির্মাণ করতে গিয়ে মনে করে, সেমিটিক ভাষা ও সংস্কৃতিতে তাদেরই একমাত্র অধিকার, আরবের অন্য কোনো জাতি বা ভাষাগোষ্ঠী নয়, তাহলে সেটা নতুন জটিলতা তৈরি করে। একইভাবে আরবি ভাষা শুধু মুসলমানদের ভাষা এই দাবিও সমস্যার। কারণ ইহুদিরাই নৃতাত্ত্বিক ভাষাগতভাবে সেমিটিক জাতি নয়।
মুশকিল হচ্ছে, ইহুদি পরিচয় শুধু ধর্মীয় পরিচয় নয়, এর সঙ্গে জাতিগত পরিচয় বা বংশলতিকার দাবি নিহিত রয়েছে। আরব দেশে বংশ, গোত্র ও জাতির তর্ক ও রক্তাক্ত বিরোধের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ, তিক্ত ও সহিংস। গোড়ায় কে রানীর আর কে বাঁদির গর্ভ থেকে জন্ম, সেই তর্কের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী যুক্ত। কারা হজরত ইব্রাহিমের (আ.) প্রথম স্ত্রী সারার বংশলতিকা বহন করছে আর কে সারার বাঁদি হাজেরার- এই তর্ক বাদ দিলে একেশ্বরবাদী ধর্মতত্ত্বের মধ্যে বিরোধের গোড়ার জায়গা আমরা ধরতে পারব না। অভিজাতদের বিরুদ্ধে বাঁদির বংশের দীর্ঘ লড়াইকে আমরা কোনো আধুনিক মানবতাবাদী বয়ান দিয়ে মুছে ফেলতে পারব না। এটা ইতিহাস। ধর্মতত্ত্ব নয়। এর সমাধানের হদিস সেই ইতিহাস জানা ও বোঝার ওপর নির্ভরশীল। ইতিহাসের এই অমীমাংসিত বিষয়টি এখনও অমীমাংসিতই রয়েছে। মীমাংসা হয়নি। কারণ জাত, পাত, উচ্চশ্রেণী ও অভিজাততন্ত্রের পক্ষপাতী রানীর বাচ্চাদের বিরুদ্ধে মজলুম বাঁদির বাচ্চাদের লড়াই একালেও পুরামাত্রায় বহাল আছে। শুধু ধর্মতত্ত্ব দিয়ে সেটা বোঝা যাবে না। আরব দেশে একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর মধ্যে সবার শেষে যার আবির্ভাব ঘটেছে, কেন সেটা সব ধরনের অভিজাততন্ত্র, গোত্রবাদ, রক্ত-বর্ণসহ সব ধরনের জাতিবাদ, গোষ্ঠীবাদ ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে জিহাদ হিসেবে উদিত হয়েছে তার মর্ম ঘূণাক্ষরেও আমরা ধরতে পারব না যদি এই ইতিহাসের মধ্যে আমরা প্রবেশ না করি। ইতিহাসের সেই মর্ম ভুলে গিয়ে মুসলমানরা যেভাবে মজলুমের লড়াইকে এখন নিছকই ইহুদি-নাসারার বিরুদ্ধে জিহাদে পর্যবসিত করেছে, সেই করুণ ও সাম্প্রদায়িক অধঃপতনের কিছুই আমরা ধরতে পারব না। এর অর্থ, জাহেলিয়া বা অন্ধকার যুগে ফিরে গিয়ে খোদ ইসলামকেই বিপন্ন করে তোলা।
ইতিহাস-বিচ্ছিন্ন তত্ত্ব ও ধর্মীয় আত্মপরিচয় নতুন জটিলতা তৈরি করে। অথচ এই ইসলামই নিঃসংকোচে ও নিঃশর্তভাবে অন্যসব ধর্মের নবী-রসুল তো বটেই, এমনকি বিভিন্ন জাতির পথপ্রদর্শকদের মেনে নিতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করে না। কারণ প্রত্যেককেই আল্লাহর তরফেই মানুষকে সুপথে আনার জন্য পাঠানো হয়েছে। হজরত ঈসা (আ.) আর হজরত মুসা (আ.) উভয়েই আল্লাহর নবী। একজন কলিমুল্লাহ, অন্যজন রুহুল্লাহ। এঁদের নবী ও রসূল না মানলে মুসলমান হওয়া যায় না। ইসলাম সাক্ষী- একইভাবে নিপীড়িত, মজলুম ও বাঁদির বাচ্চা বলে ইতিহাসে যাদের সব সময় বর্জ্য হিসেবে সমাজের তলানি বা প্রান্তসীমায় নিক্ষেপ করা হয়, তাদের পক্ষে জিহাদ ছাড়া নিজেকে মোমিন দাবি করার কোনো হক কারও নাই।
এই উপমহাদেশেও আমরা দেখি, জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েই ইসলাম এসেছে, নিছক ধর্ম বা ধর্মতত্ত্ব আকারে আসেনি। এসেছে অজাতের কিংবা শূদ্রের মুক্তির বাণী হিসেবে। সেই ইতিহাস আমরা ভুলে গিয়েছি বলে এ উপমহাদেশ থেকে জাতপাতের বর্বর অত্যাচার উৎখাত করা যায়নি। মুসলমানরা তাদের ধর্মের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ভুলে গিয়ে একে নিছকই ধর্মতত্ত্বে পরিণত করেছে। ব্রাহ্মণ্যবাদ নতুন শক্তি হিসেবে উপমহাদেশে পুনর্গঠিত হতে পেরেছে। এখন পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের এই কালে তাদের নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদকে মোকাবেলা করতে হবে। ইতিহাস বেমালুম ভুলে গিয়ে এক হাতে কোরআন আর এক হাতে তলোয়ার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লে মোকাবেলা অসম্ভব- কামিয়াব তো দূরের কথা। সেটা আগাম বলে রাখা যায়।
তাহলে জন্মসূত্রে কেউ ইহুদি, খ্রিস্টান বা মুসলমান দাবি করলেও সেটা বিস্তর জটিলতা তৈরি করে। সবাই থাকুক নিজ নিজ ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আর আমরা ধর্মীয় সম্প্রীতির সানাই বাজাই, ব্যাপারটা এত সরল বা সহজ নয়। আত্মপরিচয় নির্মাণের ক্ষেত্রে নিজের ইতিহাস সে কিভাবে পড়েছে, জেনেছে ও আমলে নিয়েছে- তার হদিস নেয়ার প্রশ্ন থেকে যায়। এটা সেকুলারিজম বনাম রিলিজিয়নের তর্ক নয়; তর্ক নয় ধর্ম কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতার। অনৈতিহাসিক জায়গা থেকে ধর্মকে নিছকই ধর্মতত্ত্ব হিসেবে মেনে নেয়ার অর্থ ইতিহাসের অভিমুখ অস্পষ্ট করে দেয়া। কী অর্থে নিজের পরিচয় প্রদান, ইতিহাসের কী পাঠ নিয়ে ধর্মের দাবি- তার হদিস নেয়া দরকার হয়ে পড়ে।
ইসলামে জন্মসূত্রে মুসলমান হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শুধু কলেমা পড়লেই চলে না, যিনি ইসলাম গ্রহণ করতে চান তাকে সাক্ষ্য দিতে হয়। অর্থাৎ তিনি কী গ্রহণ করলেন, কী বর্জন করলেন, তা তিনি ঠিক উপলব্ধি করেছেন সেই সাক্ষ্য। আখেরি নবীকে রসূল বলে মেনে নিলেই চলছে না, তাঁর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের যে বিশেষ মুহূর্ত হাজির হয়েছিল তার অর্থ উপলব্ধি করতে পারি কি-না সেই পরীক্ষা দেয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে- সাক্ষী দেয়ার অর্থ সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকা, তার ঐতিহাসিক অর্থ কবুল করা।
দুই
ইতিহাসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছাড়া শুধু ধর্মীয় আত্মপরিচয়ের মুশকিল আছে। তেমনি ধর্ম বা ধর্মতত্ত্বকে ঐতিহাসিকভাবে পাঠ না করার চেয়ে আহাম্মকি আর কিছুই হতে পারে না। এই মুশকিলগুলো মেনেও বলা যায়, ইহুদি আর জায়নবাদী এক কথা নয়। ঠিক যেমন কেউ মুসলমান, হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মের পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করলেই তিনি সাম্প্রদায়িক হন না। তার পরিচয়ের ঐতিহাসিক পাঠ তার কাছে কেমন সেটা তার সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চায় ধরা পড়ে।
জায়নবাদীরা মনে করে, ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে একটি সার্বভৌম ইহুদি রাষ্ট্র কায়েম করা একটি ভালো চিন্তা। এই রাষ্ট্র আইন করে ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের চর্চার মাধ্যমে ইহুদিদের জন্যই একটি হোমল্যান্ড কায়েম করবে। পিতৃভূমি বা মাতৃভূমি- সেটা যাই হোক। এটাই ইউরোপে ইহুদিরা যে বিদ্বেষ, ঘৃণা ও নির্যাতন সহ্য করেছে তা মোচনের একমাত্র উপায়। একটি দেশের অধিবাসীদের বাড়িঘর থেকে উৎখাত করে তাদের ভূখণ্ড দখল করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সহায়তায় সেখানে জায়নবাদী রাষ্ট্র কায়েম করা, এটাই ইউরোপের ও ইহুদিদের সমস্যার সমাধান। সেই দেশে ইহুদিরা স্থানীয় অন্য ধর্মবিশ্বাসী অধিবাসীদের কাছ থেকে আলাদা থাকবে। এই চিন্তার ভিত্তিতেই আরবদের দেশ ফিলিস্তিনকে ইহুদিদের ভূমি ও রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে- জায়নবাদের এটাই যুক্তি। এ যুক্তির পক্ষে ন্যায্যতা কী? আল্লাহর সঙ্গে ইহুদিদের চুক্তি হয়েছে, সেটা বাইবেলে ও ইহুদি ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে। জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন ভূখণ্ড ইহুদিদের, এটা এখন আমাদের সবাইকে মানতে হবে।
অথচ জায়নবাদী নেতাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন সেকুলার, ধর্মনিরপেক্ষ ও নাস্তিক। জায়নবাদের সঙ্গে এ দিক থেকে ধর্মবিশ্বাসী ইহুদির বড়সড় পার্থক্য আছে। এই সেকুলার বা নাস্তিক ইহুদিরা দাবি করে, ইহুদিরা একটি নির্যাতিত জাতি। অতএব, তাদের এই সংগ্রাম নির্যাতিত জাতির মুক্তি সংগ্রাম। কিন্তু এ যুক্তিও ধোপে টেকে না। কারণ জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ বা জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম ঐতিহাসিকভাবে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে একটি ভূখণ্ডের নির্যাতিত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মুক্তি সংগ্রাম। পরাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
সেই যুদ্ধ দূরে থাকুক, জায়নবাদ তার ঠিক উল্টোটা করে। তারা সাম্রাজ্যবাদের সহযোগিতায় একটি ভূখণ্ডের স্থানীয় অধিবাসীদের উৎখাত, হত্যা কিংবা বসতবাটি থেকে উচ্ছেদ করে তাদের দেশ দখল করে নেয়। সেখানে বসতি স্থাপন করে। বিতাড়িত স্থানীয় অধিবাসীদের স্থান হয় শরণার্থী শিবিরে। যে কারণে ইউরোপে ইহুদিদের নির্যাতনের বিরোধিতা আর নির্যাতনের সমাধান হিসেবে জায়নবাদ ও ইসরাইল রাষ্ট্র কায়েম এক কথা নয়। জায়নবাদ একটি সেটলার কলোনিয়াল রাষ্ট্রের মতাদর্শ। জায়নবাদীদের প্রথম সারির সংগঠন তাদের মেমোরেন্ডামে লিখছে :
জুয়িশ ন্যাশনাল ফান্ড (Jewish National Fund) গঠিত হয় ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জমি দখল করার দরকারে। তারা তাদের প্রথম দিককার মেমোরেন্ডামে তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলছে : 'to purchase, take on lease or in exchange, or otherwise acquire any lands, forests, rights of possession and other rights...for the purpose of settling Jews on such lands. জমি হোক, বনভূমি হোক ইহুদিদের জন্য তা কেনা হবে, লিজ বা অন্য যে কোনোভাবে জমির অধিকার কায়েম করা হবে। সেটা বিনিময় হতে পারে কিংবা অন্য কোনোভাবে, অর্থাৎ বল প্রয়োগের মাধ্যমে। ইসরাইল আসলে এ কারণেই একটি সেটলার কলোনিয়াল রাষ্ট্র। স্থানীয় অধিবাসীদের বিতাড়িত করে সেখানে বাইরে থেকে লোক এনে বসতি গেড়ে বসা।
জায়নবাদ ও সেটলার কলোনিয়াল রাষ্ট্রের মতাদর্শ যখন দানা বাঁধছে, তখন ইংল্যান্ড ও আমেরিকা নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধকালীন ঐক্য গঠন করতে গিয়ে চুক্তি করেছিল, কেউ আর অন্য দেশ দখল বা উপনিবেশ স্থাপন করবে না। সে প্রতিশ্র“তি রুজভেল্ট ও চার্চিল স্বাক্ষরিত আটলান্টিক চার্টার নামে পরিচিত। উপনিবেশ স্থাপনের যুগ অস্ত গেলেও সাম্রাজ্যবাদ নতুনভাবে সেটলার কলোনিয়াল রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করে। ইসরাইলকে যে কারণে সাম্রাজ্যবাদ থেকে আলাদা করে বিচার করা যাবে না।
জায়নবাদ ও ইহুদি সমার্থক নয় এটা পরিষ্কার। জায়নবাদ বিরোধিতার অর্থ ইহুদি বিরোধিতা নয়। কিন্তু ইহুদি, মুসলমান, হিন্দু, জৈন কিংবা খ্রিস্টান- কেউই ইতিহাসের বাইরে নয়। এমনকি আল্লাহর কী কুদরত, নাস্তিক বা ধর্ম-বিরোধিরাও নয়!! প্রগতিশীল কী প্রতিক্রিয়াশীল, প্রত্যেকেই ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতেই নিজেদের স্বরূপ প্রদর্শন করে।
গাজায় জায়নবাদী রাষ্ট্র যখন মানুষ হত্যার উৎসবে মেতে উঠেছে, সেই রক্তের শামিয়ানার নিচে আমরা মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে কে কিভাবে ইতিহাস পাঠ করি, তার দ্বারাই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
এটা নিশ্চিত বলা যায়। অবশ্যই।
২৫ জুলাই ২০১৪, শ্যামলী, ঢাকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে

যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলছে, ইতোপূর্বে গাজা থেকে যাদের সড়ে যেতে বলা হয়েছে তাদের ফিরে আসা উচিত হবেনা। আর আঘাত করা হলেই পাল্টা আঘাত করা হবে।
মানবিক দিক বিবেচনায় জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি এক সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কারো প্রস্তাবেই সাড়া দেননি নেতানিয়াহু। ইসলায়েলের প্রতিরক্ষা দফতরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইয়ালুন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু ১২ ঘন্টার যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হয়েছেন। নেতানিয়াহু ১২ ঘন্টার যুদ্ধ বিরতির বিষয়টি শনিবার জন কেরিকে অবহিত করেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে হামাস। আর ইসরায়েলের বিমান বাহিনী আক্রমন অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। তাদের দাবি, শুক্রবার তারা একজন ইসলামী জঙ্গীকে হত্যা করেছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন বলেছেন, আর সময় নেই। ৪৭ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ এবার চিরতরে বন্ধ করার সময় এসেছে। তিনি বলেন, আলোচনায় বসার জন্য একটি পথ খুঁজে বের করতেই হবে। আগে আরও দুইবার গাজা নিয়ে সংঘর্ষ চলার সময় যেভাবে শান্তি আলোচনা চলেছে এবারে আর সেরকম হলে চলবে না। চলমান এই যুদ্ধই আমাদের বলে দিচ্ছে যে, ৪৭ বছর ধরে চলা যুদ্ধ এবারে একেবারেই সমাপ্ত করে অবরুদ্ধ গাযাকে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে মুক্তি দেবার সময় এসেছে। তিনি বলেন, চলমান লড়াইয়ে এটা স্পষ্ট যে এর কোন সামরিক সমাধান নেই। তবে গাযায় যা চলছে তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
ওদিকে গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের প্রতিবাদে পশ্চিম তীরে যে বিক্ষোভ হয়েছে সে সময় ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মিদের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। বেইত ফাজর নামের এলাকায় এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পার্শ্ববর্তী বেথেলহোমে নিরাপত্তা রক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ও পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করা হলে জবাবে রাবার বুলেট ছোড়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা রক্ষীরা। রামাল্লা, নাবলুস এবং হেবরণের কাছে গ্রামেও বিক্ষোভ হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ বন্ধের ধুয়া তুলে গত ৮ জুলাই ‘অপারেশন প্রটেক্টিভ এজ’ নামে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী (আইডিএফ)। এই অভিযান প্রথম দিকে আকাশ ও নৌপথ থেকে বোমা নিক্ষেপের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও গত ১৭ জুলাই স্থল অভিযান শুরু হয়। সহস্রাধিক প্রাণহানি ছাড়াও অভিযানের কারণে উদ্বাস্তু হয়েছে এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হামাসের সামরিক শাখা ‘আল কাসসাম’ বিগ্রেড -একটি পিস্তল থেকে সুসজ্জিত সেনাবাহিনী
১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি এই বিগ্রেড তাদের প্রথম অপারেশনের ঘোষণা দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। এ ঘোষণায় বলা হয়, কফরদরম স্থাপনায় দরন সশান নামের একজন ইহুদি পণ্ডিতকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘোষণার মাধ্যমে আল-কাসসাম বিগ্রেডকে হামাস তাদের সামরিক শাখা হিসেবে ঘোষণা করে।
শুরুতে সীমিতসংখ্যক সৈন্য নিয়ে শুরু করা এ বিগ্রেড এখন গাজার একটা বড় অংশজুড়ে আছে। কিন্তু পশ্চিমতীরে তাদের উপস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

নিজেদের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত এক বুলেটিন অনুসারে কেবল গাজাতেই তাদের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। এটি একটি সত্যিকারের সেনাদল যেটিতে সৈন্যদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে কোম্পানি, ব্যাটালিয়ন এবং বিগ্রেড।
বুলেটিন এ ঘোষণা দেয়া হয়, নর্দার্ন গাজা বিগ্রেড, গাজা বিগ্রেড, সেন্ট্রাল গাজা বিগ্রেড এবং সাউর্দার্ন গাজা বিগ্রেড নামে আল-কাসসামের চারটি বিগ্রেড আছে। এ সামরিক শাখা প্রথমে একটি পিস্তল নিয়ে শুরু হয়, এরপর অস্ত্রাগারে যোগ হয় একটি রাইফেল এবং এরপরে নিজেদের তৈরি মেশিনগান। ধীরে ধীরে ‘হোয়াজ’ এর মতো বিস্ফোরক যন্ত্র, আÍঘাতী হামলার জন্য বেল্ট এবং দূর থেকে হামলার জন্য বিস্ফোরক যন্ত্র যোগ হয়।
আল-কাসসাম বিগ্রেড ২০০১ সালের ২৬ অক্টোবর স্থানীয়ভাবে তৈরি রকেট দিয়ে ইসরাইলের ‘স্টেরট’ স্থাপনায় হামলা চালায়। এই রকেটের নাম ছিল ‘কাসসাম-১’। এটিকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিন ‘একটি পুরোনো রকেট যেটি মধ্যপ্রাচ্যকে বদলে দিতে পারে’ শিরোনাম প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
দ্রুতই ‘কাসসাম-২’ উদ্ভাবিত হয় যেটি ২০০২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে ব্যবহার করা হয়। এই দলটি ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রমে সক্ষম রকেট তৈরি করেছে। এর মধ্যে ২০১২ সালের গাজার সঙ্গে যুদ্ধে ‘কাসসাম’ এম-৭৫ ব্যবহার করে। এ মাসের যুদ্ধে তারা ইসরাইলের হাইফা শহরকে লক্ষ্য করে আর-১৬৯ রকেট ব্যবহার করেছে। একই বছরের ১৪ জুলাই ইসরাইলের ভেতরের বিশেষ অপারেশনে অংশ নিতে সক্ষম এরকম তিনটি ড্রোন নির্মাণের ঘোষণা দেয় হামাস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সেনাবাহিনীর মতো আল-কাসসাম ব্রিগেডের ইঞ্জিনিয়ারিং, এরিয়াল, আর্টিলারি এবং আÍঘাতী স্কোয়াড রয়েছে। চলমান যুদ্ধে তাদের নৌ সেনাদের একটি দল ইসরাইলের আস্কেলন শহরে অবস্থিত সুরক্ষিত জাকিম সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করে প্রথম অপারেশনের ঘোষণা দিয়েছে। ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের মোকাবেলার জন্য আল-কাসসাম বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধন করেছে।
মিলিটারি শাখা ‘আল-বাত্তার’, ‘আল-ইয়াসিন’ নামের কামান বিধ্বংসী গোলা তৈরি করেছে যেটি ইসরাইলের প্রবাদতুল্য মারকাভা কামান ধ্বংস করতে সক্ষম।
এছাড়াও তারা ইতিমধ্যে ইসরাইলের কিছু সেনাকে আটক করতে সক্ষম হয় যার মধ্যে একজন ছিল গিলাত শালিত। ২০০৫ সালে কর্তব্য পালনরত অবস্থায় তারা তাকে আটক করে। ২০১১ সালে ১০৫০ জন বন্দি ফিলিস্তিনির মুক্তির বিনিময়ে তাকে মুক্তি দেয়। এই ব্রিগেড ২০০৮ এবং ২০১২ সালে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের হামলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসরাইলের প্রভূত ক্ষতি সাধন করেছে। কাসসাম ব্রিগেডের বর্তমান প্রধানের নাম মোহাম্মদ-আল-দেইফ। ইসরাইল তাকে হত্যা পরিকল্পনার তালিকার শীর্ষে রেখেছে এবং একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। মিডলইস্ট মনিটর
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেসি ছুটি কাটাচ্ছেন ইতালিতে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নির্বাচন নাকচ করলেতো ক্যামেরন দাওয়াত দিতেন না’ -প্রধানমন্ত্রী
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়েতো আলোচনা হবেই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন, অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন আলোচনায় আসতেই পারে। তবে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন।
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, উনিতো বলেননি ইলেকশন নাকচ, বা আপনি প্রধানমন্ত্রী না। হলেতো আমাকে দাওয়াতই দিতেন না। যারা ঘরের বদনাম বাইরে করতে চায় তারা আসলে কি চায় সেটিই বড় কথা।
প্রধানমনন্ত্রী বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর দেশে শান্তি ফিরে এসেছে। একটি শ্রেণীর এটি ভাল লাগে না। দেশে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল আছে। বিদ্যুতের সমস্যা নেই। মানুষ স্বস্থিতে আছে। মানুষ খুশি। কিন্তু খুশি নন গোটা কয়েক মানুষ। তারা চেয়েছিলেন থাইল্যান্ডের মতো পরিস্থিতি হোক। অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসুক। এলে হয়তো তাদের গাড়িতে পতাকা উড়বে।
এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সঙ্গে সংলাপ সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে বলেন, কাদের সঙ্গে সংলাপ করবো। সংলাপের জন্য আমি আগেই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। জবাবে তারা আমাকে অপমানিত করলো। আমি কার সঙ্গে সংলাপ করবো। যারা আমার পিতার হত্যাকারী। যারা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। তারপরও আমি চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তাদের ভুলের খেসারত দেশবাসি কেন দেবে? যে ভাবে হোক নির্বাচন হয়েছে। জনগন মেনে নিয়েছে। ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে। তাহলে এখন আবার সংলাপ কেন। যদি দেশ চালাতে ব্যার্থ হতাম তাহলে কথা ছিল। তারা ট্রেন মিস করেছে। এখন নতুন ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
তারেক রহমান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়েছিল। তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে, সেগুলো চলবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। বিচারপতিদের ইমপিচমেন্টের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করা হয়েছে। এখন সংসদীয় গণতন্ত্রের সঙ্গে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল চলতে পারে না। তাই ৭২-এর সংবিধানে আমরা ফিরে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাইনা, মরার আগে মরিনা।
বিরোধী দলের আন্দোলন হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্বলের তর্জন গর্জন বেশি থাকে। তাই আমাকে বারবার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। উল্টো আমাকেই দোষারোপ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছি। আমাদের আমলে ৩২ টি টেলিভিশন, ২২ টি রেডিও অনুমোদন দিয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করার দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। যেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করে শাস্তি দেয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যুক্তরাজ্য সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি মনেকরি বাংলাদশের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের দু’দেশের সুসম্পর্ক এক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে। সুখী সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
গার্ল সামিটে অংশগ্রহণ ও তিন দিনের যুক্তরাজ্য সফর শেষে গত বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক ও সাবেক সংসদ সদস্য বেবী মওদুদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা হলেও বাড়ির পথে নির্বিঘ্ন যাত্রা

>>ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা হলেও হাসিমুখেই তা মেনে নিয়েছেন ট্রেনের বগিতে জায়গা না পাওয়া এই যাত্রীরা। নিষেধ অমান্য করে ছাদে উঠেছেন তাঁরা। দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকলেও নিরাপদেই বাড়ি ফিরবেন—এমন আশা নিয়েই গতকাল রাজধানী ছেড়েছেন তাঁরা। ছবিটি টঙ্গী রেলস্টেশন থেকে তোলা: প্রথম আলো
মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে উত্তরবঙ্গে চলা শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের কর্মী নুরুল ইসলাম বলেন, শবে কদরের রাতের পরের দিন ভিড় বেশি থাকে। এ ছাড়া পোশাক কারখানার কর্মীরাও শনিবার (আজ) থেকে যাত্রা শুরু করবেন। সে হিসেবে শনিবার মানুষের চাপ বেড়ে যাবে।
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা, পুলিশ ও পরিবহনের মালিকদের সঙ্গে আলাপ করে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন হওয়ার কয়েকটি কারণের কথা জানা গেছে। এগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও পুলিশের বিশেষ দল টার্মিনালগুলোতে সক্রিয় ছিল। তৎপর ছিল হাইওয়ে পুলিশও। আর ছিল ঈদের আগে ও পরে পাঁচ দিন ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রভাব। সড়ক-মহাসড়কের খানাখন্দ মেরামতের কাজ গতকালও চলছিল।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে কল্যাণপুর থেকে বগুড়া যাওয়ার জন্য এসআর পরিবহনের একটি বাসে ওঠার সময় কথা হয় যাত্রী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পথে টুকটাক যানজট বাদ দিলে নির্বিঘ্নেই বগুড়ায় পৌঁছান সাড়ে চারটার দিকে।
কমলাপুর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট পথের যেসব ট্রেন ছেড়ে গেছে সেগুলোতে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও তা উপচে পড়া ছিল না। তবে সকালে উত্তরবঙ্গের তিস্তা এক্সপ্রেসে যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। রাতে উত্তরবঙ্গের দ্রুতযান ও লালমনি এক্সপ্রেসেও যাত্রীদের দাঁড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। এ দুটি ট্রেনে বিমানবন্দর থেকে অনেক যাত্রী ছাদেও চড়ে বসে।
রেলের মহাপরিচালক তাফাজ্জল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত ১০টা পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশন থেকে ৫৪টি ট্রেন ছেড়ে যায়। এর মধ্যে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও নোয়াখালীমুখী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি এক ঘণ্টা ২০ মিনিট করে দেরিতে যায়। বাকি সবগুলোই সময়মতো ছেড়েছে।
রাত-দিন মিলিয়ে কমলাপুর থেকে ৬৬টি ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথা। এসব ট্রেনের আসনসংখ্যা আছে প্রায় ৬০ হাজার। ঈদে দাঁড়িয়েও প্রচুর যাত্রী ভ্রমণ করে।
রেলের মহাপরিচালক বলেন, শুক্রবার যাত্রীর চাপ তুলনামূলক কম ছিল। পোশাক কারখানার শ্রমিকদের চাপ বেড়ে যাবে ঈদের আগের দুই দিন। আজ শনিবার থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ও খুলনাসহ কয়েকটি পথে বিশেষ ট্রেন চলানো হবে বলে জানান তিনি।
টিকিট না কাটার বিড়ম্বনা: ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন সেলিম, ওবায়দুল্লাহ, রাকিবসহ একই এলাকার আটজন। যাবেন নওগাঁর সাপাহার। কিন্তু আগে থেকে টিকিট কাটা নেই বলে পড়েন বিড়ম্বনায়।
এই আট রাজমিস্ত্রির সঙ্গে কল্যাণপুরে এই প্রতিবেদকের কথা হয় গতকাল বেলা তিনটার দিকে, হানিফ পরিবহনের কাউন্টারের সামনে। সবার বয়স ১৮ থেকে ৩০-এর মধ্যে। হাতে ব্যাগ, আছে রাজমিস্ত্রির কাজের কিছু যন্ত্রপাতিও। সেলিম বলেন, পুরো কল্যাণপুর ঘুরে তিন-চারটার বেশি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সবাই একসঙ্গে যাবেন বলে ঠিক করেছেন।
এরই মধ্যে রাকিব বলে ওঠেন, ‘চল, সবাই কমলাপুর স্টেশনে যাই। ট্রেনে বাড়ি যাব।’ কিন্তু এতে অন্যরা সায় দেননি। কারণ, ট্রেনের টিকিট পাওয়া আরও কঠিন। এর মধ্যে রাকিব প্রস্তাব করেন মহাখালী বাস টার্মিনালে যাবেন। সেখান থেকে একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
এই প্রতিবেদক বিকেল পাঁচটার দিকে মহাখালী টার্মিনালে গেলে সেখানেও এই আট যুবকের সঙ্গে দেখা হয়। টিকিট জোগাড় হয়েছে কি না, জানতে চাইলে শুকনো মুখে সেলিম বলেন, ‘না, তবে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করব।’
কিছুক্ষণ আলাপ করার পর সেলিম জানান, রাজমিস্ত্রির কাজ করলেও তাঁদের আটজনই কিছুটা পড়ালেখা জানা। পরিবারও একেবারে অসচ্ছল নয়। তাই গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে যাওয়ার মতো মানসিকতা নেই। অপেক্ষা করে হলেও একটু ভালো আসন নিয়ে যেতে চান। কাজের চাপের কারণে আগে এসে টিকিট কাটতে পারেননি।
আগে থেকে টিকিট না কাটা এমন অনেককেই গাবতলী, কল্যাণপুর ও মহাখালীর বিভিন্ন বাস কোম্পানির কাউন্টারে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে। আবার যানজটের আশঙ্কা নিয়ে অনেকে আগেভাগে বাসা থেকে বের হয়ে স্টেশনে এসে বিড়ম্বনায় পড়েন, বসে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
বিকেল চারটার দিকে গাবতলী টার্মিনালের উল্টো দিকে হানিফ পরিবহনের নিজস্ব টার্মিনালে বসে পত্রিকা পড়ছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম। যাবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে বেলা একটায় রওনা দিয়ে গাবতলী পৌঁছে যান সাড়ে তিনটায়। কিন্তু তাঁর বাস ছাড়ার কথা সন্ধ্যা সাতটায়। তাই পত্রিকা পড়ে সময় কাটাচ্ছেন। মুহিত বলেন, অন্যবার যানজটের কারণে সময়মতো টার্মিনালে পৌঁছাতে পারেননি। এ জন্যই আগেভাগে রওনা দিয়েছিলেন। মাহিদুল অভিযোগ করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাওয়ার জন্য তাঁকে ৮৫০ টাকা ভাড়া গুনতে হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পথে ভাড়া ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা।
মাছ ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী আকন্দ ও পোশাক কারখানার কর্মী রাজিয়া বেগম গাবতলী টার্মিনালে বসা দুপুর থেকে। তাঁরা জানান, দুই ছেলেকে বরগুনার বাসে তুলে দিতে এসেছেন। অগ্রিম টিকিট ছিল না। টার্মিনালে এসে সোনার তরী পরিবহনের রাত সাড়ে আটটার বাসে টিকিট পেয়েছেন। প্রতিটির দাম ৬০০ টাকা। অন্য সময় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় যাওয়া যেত। ইয়াকুব আলী ও রাজিয়া বলেন, তাঁরা সাভারের ফুলবাড়িয়ায় থাকেন। ছেলেদের বাসে তুলে দিয়েই বাসায় ফিরবেন।
কল্যাণপুরের শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার থেকে বিকেল সোয়া তিনটায় দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বাসে রংপুরের গাড়িতে চড়েন ফরিদুল হক। তিনি বলেন, অনেক শঙ্কা ছিল যানজটের। কিন্তু কাউন্টারে এসে জানতে পারেন সময়মতোই বাস ছেড়ে যাবে। রাত ১০টার দিকে মুঠোফোনে ফরিদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ততক্ষণে বাড়িতে পৌঁছে গেছেন। যাত্রাটি আনন্দেরই ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফেরিতে জট: প্রথম আলোর মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ও ভোরে ছেড়ে যাওয়া দক্ষিণবঙ্গের বাসের অনেকগুলোই মাওয়া ফেরিঘাটে আটকা পড়ে।

>>প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। গতকাল সকাল থেকে ঘরমুখী মানুষের স্রোত দেখা গেছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে। লঞ্চে করে মানুষের রাজধানী ছেড়ে যাওয়ার এই দৃশ্য পোস্তগোলা ব্রিজের ওপর থেকে তোলা l ছবি: সাজিদ হোসেন
মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে লঞ্চেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। অনেক লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিতে দেখা যায়। এ পথের লঞ্চগুলোর ধারণক্ষমতা ৮৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৯৮ হলেও ২০০-৩০০ পর্যন্ত যাত্রী বহন করে। সিবোটে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘাটে পিরোজপুরের সোলেমান দেওয়ান বলেন, সরাসরি যাওয়ার বাসের টিকিট না পেয়ে ভেঙে ভেঙে মাওয়ায় এসেছেন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের মাওয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক সিরাজুল হক বলেন, সোমবার আরও ভিড় বাড়তে পারে। এটা সামাল দেওয়ার জন্য তাঁদের প্রস্তুতি আছে।
লঞ্চযাত্রীদের ভিড়: দক্ষিণের জেলাগুলোর মানুষ রাতের লঞ্চে ওঠার জন্য গতকাল সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জড়ো হতে শুরু করে। সেখানে পটুয়াখালীর আমিন হোসেন বলেন, সকাল ১০টায় এসে ডেকের টিকিট পেয়েছেন। তবে বসার ভালো জায়গা হয়নি। ব্যাংক কর্মকর্তা জালাল মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করেন টার্মিনাল এলাকায় হকারদের উৎপাতের বিষয়ে। তিনি বলেন, অন্তত ঈদ মৌসুমে টার্মিনাল থেকে হকার উচ্ছেদ করার দরকার ছিল। নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক সাইফুল হক খান বলেন, যাত্রীদের হয়রানি ও লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী এবং মালামাল বহন রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত সদরঘাট টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালাচ্ছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেঁদেই দিলেন সানিয়া মির্জা

সানিয়ার এই মন্তব্য ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপির এক সাংসদের মন্তব্যের পরপরই। নবগঠিত তেলেঙ্গানা রাজ্যের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই সেই সাংসদ অভিযোগ করেন, ‘এই সানিয়া পাকিস্তানের গৃহবধূ। তাঁর তেলেঙ্গানার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই। এই রাজ্য গঠনের আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর কোনো আত্মিক সম্পর্ক নেই।’
এনডিটিভি অবশ্য বিজেপির নেতার এই মন্তব্যকে অভিহিত করেছে রাজনৈতিক ‘ফাউল প্লে’ হিসেবে। সানিয়াকে ভারতের ‘জাতীয় আইকন’ হিসেবে অভিহিত করে এনডিটিভি বলেছে, এর মাধ্যমে সানিয়াকে অপমান করা হয়েছে।
সাক্ষাত্কারের একপর্যায়ে সানিয়া কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, ‘সাংসদের এই মন্তব্য আমাকে নিদারুণ আহত করেছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতে জন্ম নিয়ে, ভারতে সারাটা জীবন কাটিয়েও আমাকে প্রমাণ করতে হচ্ছে আমি আদৌ ভারতীয় কি না।’
পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেই মূলত ভারতীয়দের একাংশের কাছে সমালোচিত এই নারী টেনিস তারকা। রাজনৈতিক ‘চিরশত্রু’ পাকিস্তানের ‘বধূ’ হওয়ার ব্যাপারটি ভারতীয় কট্টরপন্থীরা কখনোই মেনে নিতে পারেনি, সে কারণে প্রায়ই সানিয়াকে উগ্র সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। এ ব্যাপারে এনডিটিভির কাছে তিনি প্রকাশ করেছেন চরম বিরক্তি ও হতাশা, ‘ছোটবেলা থেকেই
পারিবারিকভাবে আমি জাতি-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ভাবতে শিখেছি। অন্য জাতি বা ধর্মের কারও সঙ্গে কথা বলা বা মেশার সময় এসব কখনোই আমার মাথায় থাকে না। শোয়েবের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার সময়ও এসব নিয়ে আমি ভাবিনি। এসব নিয়ে কথা ওঠাটা খুবই দুঃখজনক।’
সানিয়া শ্লেষের সঙ্গে বলেন, ‘পৃথিবীতে এমন একটি দেশ হয়তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কাউকে প্রতিনিয়ত তাঁর জাতীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।’
বিজেপি সাংসদের ওই মন্তব্য অবশ্য ভারতজুড়ে যথেষ্ট সমালোচনা ও নিন্দার জন্ম দিয়েছে। সুশীল মহলের অনেকেই সানিয়াকে তেলেঙ্গানার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করা নিয়ে করা ওই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে একে ‘নিচু মানসিকতা’ ও ‘পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এনডিটিভির সঙ্গে সাক্ষাত্কারে সানিয়া ধন্যবাদ দিয়েছেন সবাইকে তাঁর পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য। তিনি বলেন, ‘এই দেশের ৮০ শতাংশ মানুষই উদার। তারা এসব নিয়ে একেবারেই ভাবে না। তাদের ভালোবাসা শেষ পর্যন্ত আমাকে মুগ্ধই করেছে। কিন্তু বিজেপির সাংসদের এই মন্তব্য সত্যিই আমাকে খুব আহত করেছে।’
সবশেষে সানিয়া জানিয়েছেন, ‘এই ভারতে রয়েছে আমার ও আমার পরিবারের শিকড়। আমি আমৃত্যু একজন ভারতীয় হিসেবে নিজেকে পরিচিত করতে অসম্ভব গর্ববোধ করব।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই মন্ত্রী কবে হবে by কাজল ঘোষ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদী ও পানি আগ্রাসন by ড. মাহফুজ পারভেজ
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পর বাংলাদেশের ৫৪টি নদী ভারতের সঙ্গে অভিন্ন রূপে চিহ্নিত হয়। ভারত ষাটের দশকে গঙ্গা নদীতে ফারাক্কার ওপর যে ব্যারেজ নির্মাণ শুরু করে, তা কিন্তু পাকিস্তান আমলে চালু করতে পারেনি; চালু করেছে বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৫ সালে। ভারত তখন একটি সংযোগ খালের মাধ্যমে ৪০,০০০ কিউসেক পানি হুগলি নদীতে প্রত্যাহার করতে শুরু করে। এর ফলে হঠাৎ করে বাংলাদেশ অংশে গঙ্গার পানি প্রবাহ কমে যায় এবং গঙ্গার পানি ভাগাভাগি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উত্তেজনা ও সমস্যা সৃষ্টি হয়। ১৯৭৭ সালে ভারত ও বাংলাশে প্রথমবারের মতো গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করে। ওই চুক্তিতে যে কোন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে ন্যূনতম ৩৪,৫০০ কিউসেক পানি দেওয়ার গ্যারান্টি ছিল। পাঁচ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির সময় উত্তীর্ণ হলে ভারত ইচ্ছামাফিক পানি আটকাতে থাকে। এর ফলে একসময় গঙ্গার পানিপ্রবাহ বাংলাদেশ অংশে ১০,০০০ কিউসেকে নেমে আসে। পরে ১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি হয়। এ চুক্তিতে ন্যূনতম ২৭,৬৩৩ কিউসেক পানি দেয়ার কথা থাকলেও এ ব্যাপারে কোন গ্যারান্টি নেই।
এদিকে, বাংলাদেশের ভেতরে ভারত থেকে আসা গঙ্গা, তিস্তাসহ ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদীর নায্য প্রবাহ অব্যাহত রাখার বিষয়টি বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ, ফসল ও অর্থনীতি এবং জীব ও জনজীবনের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করেছে চীন। সেই সঙ্গে ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রকৃতি বহুবিধভাবে বিপর্যয় ও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নদী প্রসঙ্গে এ অঞ্চলের উজানের দেশগুলোর কর্মকাণ্ড ভাটির দেশ বাংলাদেশের জন্য বিরাট বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিবাদ নতুন নয়। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ করেছিলেন। রংপুরে তিস্তা নদী অভিমুখেও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক লংমার্চ হয়েছে। টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সব জায়গার সঙ্গে সঙ্গে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে। বিভিন্ন নদীর মরণদশা দেখে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। শুধু গঙ্গা, তিস্তা বা টিপাইমুখ নয়, আগে-পরের আরও অনেক পানি আগ্রাসী ঘটনা এই ক্ষোভের বিস্তার ঘটাচ্ছে। সম্প্রতি ফেসবুকে এক তরুণের সংক্ষুব্ধ ভাষ্য এভাবেই প্রকাশিত হয়েছে: ‘ভারত উজানে স্থায়ীভাবে গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা বাঁধ, তিস্তায় গজলডোবা বাঁধ, মনু নদীতে নলকাথা বাঁধ, যশোরের কোদলা নদীর ওপর বাঁধ, খোয়াই নদীর ওপর চাকমাঘাট বাঁধ, বাংলাবন্ধে মহানন্দা নদীর ওপর বাঁধ, গোমতি নদীর ওপর মহারানী বাঁধ এবং মুহুরি নদীর ওপর কলস বাঁধ নির্মাণ করে শুষ্ক মওসুমে বাংলাদেশকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে বছরের পর বছর। এছাড়াও আরও কমপক্ষে ১৫টি সীমান্ত নদীর ওপর অস্থায়ী ভিত্তিতে কাঁচা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্ষায় অস্থায়ী বাঁধ কেটে দেয়া হয়। ভারতের এরকম পানি আগ্রাসী নীতির কবলে পড়ে শুষ্ক মওসুমে বাংলাদেশের প্রায় সব নদ-নদী পানিশূন্য হয়ে পড়ে। আর বর্ষায় বাংলাদেশকে ভাসানো হয় বন্যার পানি দিয়ে। এছাড়াও সীমান্ত নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভারত পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে বাংলাদেশ অংশে ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি করছে। ভারতের এমন নীতির কবলে পড়ে প্রতি বছর বাংলাদেশের শ’ শ’ কোটি টাকার সম্পদ, ফসল নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে।’
এমনই আগ্রাসী পরিস্থিতিতে ভারত বা ভারতের তৎপরতা সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের মনোভাব কেমন হতে পারে- তা আঁচ করা কঠিন নয়। অতএব, রামপাল প্রকল্প, সীমান্ত হত্যা, ট্রানজিট নিয়ে গোপন চুক্তি, টিপাইমুখ বাঁধ, তিস্তাসহ যথাযথভাবে নদী চুক্তি নিয়ে টালবাহানা, অসম বাণিজ্য ইত্যাদির বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের মানুষের সামনে কার্যকরী প্রতিবাদ ছাড়া অন্য কোন পথ ও পন্থা খোলা নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুভ লক্ষণ নয় by সাহস রতন
ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলনের শেষ ধাপ হচ্ছে অসহযোগ কিংবা চলতি ভাষায় হরতাল। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্মই হয়েছে ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলন, হরতাল এবং সর্বশেষ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এরপর সব বড় বড় রাজনৈতিক আন্দোলনে আমরা সহস্রবার হরতালের মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু এত হরতালের মধ্যে, তৎকালীন পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এবং স্বৈরশাসক এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার সময়, মনে হয় এই দুই বারই সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল সমর্থন করেছিল। এছাড়া আর কোন হরতালেই সাধারণ মানুষের তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না, থাকেও না। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে হরতাল বা অবরোধ সমর্থন করেন এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। এর প্রধান কারণ, একমাত্র হরতালই হচ্ছে সেই কর্মসূচি যেখানে পক্ষ-বিপক্ষ নির্বিশেষে, আম কিংবা জাম, সব পাবলিকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি থাকে চরমে। বেশ ক’মাস আগে একটি টিভি চ্যানেলে ঢাকার বাইরে দেশের বড় বড় শীতের সবজি পাইকারি বাজারগুলোর সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হচ্ছিল। হরতালের আগে আর হরতালের দিন বাজারটির তুলনামূলক চিত্র দেখে বিবেকবান মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সবজি ব্যবসায়ীরা তাদের হতাশার কথা বলেছেন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এটি কোন খণ্ডিত চিত্র নয়। সমগ্র বাংলাদেশেরই এই অবস্থা। হরতালে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ে। শাসক দল হরতালকে বর্ণনা করে ‘ভয়তাল’ হিসেবে। সত্যিই তো, সাধারণ মানুষ হরতাল অপছন্দ করলেও পিকেটারদের তৎপরতার ভয়ে গাড়ি নিয়ে বের হয় না। যদিও ক্ষমতাসীন দল নানাভাবে হরতালের বিপক্ষে জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করে, সরকারি গাড়িগুলো রাস্তায় চলে, তবুও হরতালের ক্ষতি তাতে মোটেও কমে না। গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে এই সহিংসতা আর কতকাল দেখতে হবে আমাদের? অথচ হরতাল আহ্বানকারী দলের নেতারা হরতাল ডেকে দিয়ে তাদের নিজের কারখানা খোলা রাখেন। আবার অনেক নেতা হরতালে গাড়ি চালিয়ে গিয়ে পিকেটিংয়ে যোগ দেন। বিগত বছরগুলোয় আমরা দেখেছি, রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান কলহ আর হাজারো রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও আমাদের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের কাছাকাছি। আমাদের ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার কৌশল রপ্ত করে ফেলেছেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে একমাত্র হরতাল বা অবরোধই আমাদেরকে স্তব্ধ রাখতে পারে। আর কিছু নয়। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, হরতালের মতো ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করার জন্য তেমন কিছুই করতে হয় না। শুধু মিডিয়াকর্মীদের ডেকে এনে অফিসে বসে একটা ঘোষণা দিলেই হলো। জনবিচ্ছিন্ন সব রাজনৈতিক দল এটা করছে গত চার দশক ধরে। আমাদের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াও এর দায় এড়াতে পারে না। চিহ্নিত কিছু লোক সারাদিন ঘুমিয়ে সন্ধ্যায় এসে বলে দিলো আগামীকাল হরতাল। আর অমনি খবর বিক্রেতারা এই খবরটা গুরুত্ব দিয়ে প্রচার শুরু করে, কেন? তাই সময় এসেছে হরতাল নিয়ে বিকল্প কিছু করার। সময়োপযোগী বিধি বিধানের। তবে গণতন্ত্র আর ব্যক্তি স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে একমত হবেন না, এটা নিশ্চিত। ঈদের পর কঠোর রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও আমাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলার আগে, বেশ কিছুদিন থেকে রাস্তায় ব্যানার, বিলবোর্ডে একটা একটা স্লোগান নজর কাড়ছে- আওয়ামী লীগ পারে, আওয়ামী লীগই পারবে। এ স্লোগান যে স্রেফ স্লোগান নয় তা এ ক্ষেত্রে দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংকিং খাতের অস্থিতিশীলতা বিপজ্জনক by আলী ইদ্রিস

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় অস্ত্রবিরতির তোড়জোড়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তবু তাঁদের আশা মেয়ে বেঁচে আছে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি পিস্তল থেকে সুসজ্জিত সেনাবাহিনী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরাইলের বিচার হবে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের মেয়ে এখনও বেঁচে আছে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি
![]() |
| ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
কামাল আহমেদ: প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন৷
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুমাতুল বিদা ও লাইলাতুল কদর
মাহে রমজানের সব শুক্রবারই অত্যন্ত পবিত্র ও বরকতময় দিবস। তন্মধ্যে বিদায়ী শুক্রবার জুমাতুল বিদা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। এ দিন রমজান মাস শেষ হয়ে যাওয়ার সতর্কতামূলক দিবস। জুমাতুল বিদা রোজাদারদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে মাহে রমজানের সমাপনান্তে এ বছর এর চেয়ে ভালো দিবস আর পাওয়া যাবে না। সুতরাং এ পুণ্যময় দিনটির যথাযথ সদ্ব্যবহার করা অবশ্যকর্তব্য। মাহে রমজানের শুরু থেকে যেসব ইবাদত ব্যস্ততাবশত ফেলে রাখা হয়েছে, যে গুনাহখাতা মাফের জন্য কান্নাকাটি করে ক্ষমা প্রার্থনা করতে ভুল হয়েছে, জুমাতুল বিদার দিনে দোয়া কবুল হওয়ার সময়ে তা-ই করা উচিত। যে মহিমাময় রজনীকে অনন্য মর্যাদা দিয়ে রাত্রিকালীন ইবাদত-বন্দেগিতে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও অধিক সওয়াব অর্জিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, উম্মতে মুহাম্মদির পরম সৌভাগ্য যে কালপরিক্রমার ধারাবাহিকতায় মাহে রমজানের জুমাতুল বিদায় সেই মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর পুনরায় কল্যাণ, শান্তি ও মুক্তির সওগাত নিয়ে মুসলমানদের জীবনে ফিরে এসেছে। ‘লাইলাতুল কদর’ আরবি শব্দ। এর অর্থ অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা পবিত্র রজনী। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুন’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা। এ ছাড়া, এর অন্য অর্থ হলো ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 26
(31)
- ব্রিকস ব্যাংক কি বিশ্বব্যাংকের প্রভাব কমাতে পারবে?...
- কী ঘটবে ঈদের পর? by আহমেদ সুমন
- জায়নবাদ, আত্মপরিচয় ও ইতিহাস পাঠ by ফরহাদ মজহার
- গাজায় মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে
- হামাসের সামরিক শাখা ‘আল কাসসাম’ বিগ্রেড -একটি পিস্...
- মেসি ছুটি কাটাচ্ছেন ইতালিতে
- ‘নির্বাচন নাকচ করলেতো ক্যামেরন দাওয়াত দিতেন না’ -প...
- ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা হলেও বাড়ির পথে নির্বিঘ্ন যাত্রা
- কেঁদেই দিলেন সানিয়া মির্জা
- সেই মন্ত্রী কবে হবে by কাজল ঘোষ
- নদী ও পানি আগ্রাসন by ড. মাহফুজ পারভেজ
- শুভ লক্ষণ নয় by সাহস রতন
- ব্যাংকিং খাতের অস্থিতিশীলতা বিপজ্জনক by আলী ইদ্রিস
- গাজায় অস্ত্রবিরতির তোড়জোড়
- তবু তাঁদের আশা মেয়ে বেঁচে আছে
- একটি পিস্তল থেকে সুসজ্জিত সেনাবাহিনী
- আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরাইলের বিচার হবে
- আমাদের মেয়ে এখনও বেঁচে আছে
- প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি
- জুমাতুল বিদা ও লাইলাতুল কদর
- A Palestinian gunman kisses his rifle as he celebr...
- ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন- মুন, ক্যামেরন, মাহমুদ আলী ক...
- গাজায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে
- গাজা জ্বলছে, অথচ বিশ্ব নির্বিকার by হাসান ফেরদৌস
- উন্নয়নের সূচকে এগিয়ে, রাজনীতির সূচকে পিছিয়ে by সো...
- বেতন-বোনাস পরিশোধ করুন -বিজিএমইএর তৎপর থাকা জরুরি
- মোদি-মাহাত্ম্য রক্ষায় দিল্লি দখল বড় বালাই by সৌ...
- নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে কি? by তুহিন ওয়াদুদ
- বোঝে না সে বোঝে না by আনিসুল হক
- বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন পুতিন by নিনা খ্রুশ্চভা
- প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি by ...
-
▼
Jul 26
(31)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






