Friday, January 4, 2019
আফগানিস্তানে ভারতীয় লাইব্রেরি; মোদিকে মশকরা করলেন ট্রাম্প

বুধবার মার্কিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এক অনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এ মশকরা করেন। বিদেশের মাটিতে মার্কিন বিনিয়োগ কমিয়ে আনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আফগানিস্তানে ভারতের লাইব্রেরি গড়ে তোলার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একবার দেখা হলে তিনি আমাকে বার বা বলছিলেন যে, তিনি আফগানিস্তানে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করছেন।”
ট্রাম্প বলেন, “আপনারা কী জানেন এটা কী? এটা হচ্ছে এমন কিছু যা আমরা ৫ ঘণ্টায় খরচ করি।” ট্রাম্প আরো বলেন, “মোদির একথায় আমি নিতান্তই তাকে ধন্যবাদ দিতে বাধ্য হলাম। কিন্তু আমি জানি না যে, আফগানিস্তানে কে ওই লাইব্রেরি ব্যবহার করবে।”
২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের পর থেকে দেশটি নিয়ে ভারত বিশেষ আগ্রহ দেখিয়ে আসছে এবং সবসময় আমেরিকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছে। তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ভারত কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তা পরিষ্কার নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে

ফলে রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং ক্রমবর্ধমান পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের চাপ সামলানোর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাত নটিক্যাল মাইল থেকে ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত জলসীমা বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এমনটাই জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান জলসীমা সাত নটিক্যাল মাইল। ২০১১ সালে আলফা, ব্রেভো এবং চার্লি নামে তিনটি অ্যাংকারেজে বিভক্ত করে বন্দরের এই সীমানা বাড়ানো হয়। প্রায় ৪০০ বছর আগে ৫ নটিক্যাল মাইল জলসীমা নিয়ে বন্দরটির যাত্রা শুরু হয়।
কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাহিদা, মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে কেন্দ্র করে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বৃদ্ধির কারনে এই সমুদ্র বন্দরের জলসীমা আবারও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরের জলসীমা সাত নটিক্যাল মাইল থেকে বাড়িয়ে ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত করার একটি প্রস্তাব গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবটি এখন আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পর গেজেট হবে। আর এটি অনুমোদন পেলে বন্দরের জলসীমা চট্টগ্রামের পতেঙ্গা উপকূলের উত্তরে কাট্টলী থেকে সীতাকুন্ড এবং দক্ষিণে আনোয়ারার গহিরা থেকে মহেশখালীর সোনাদিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দৈনিক রাজস্ব আয় অন্ত:ত এক কোটি টাকা বাড়বে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসের জন্য বর্তমানে বছরে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি জাহাজ আসে। এরমধ্যে বন্দরের প্রধান ১৬টি জেটিতে ভিড়তে পারে সীমিত সংখ্যক জাহাজ। অনেক জাহাজকে নোঙর করতে হয় বর্হিনোঙরে।
কারণ নাব্যতা সংকটের কারণে সাড়ে নয় মিটার গভীরতা ও ১৯০ মিটার দীর্ঘ জাহাজই কেবল চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে ঢোকার অনুমতি পায়। এর বড় জাহাজগুলো কুতুবদিয়া কিংবা বর্হিনোঙরে এসে অপেক্ষায় থাকতে হয়। এরচেয়ে বড় জাহাজ কুতুবদিয়ায় আসার পর লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে কিছু পণ্য খালাস করে সেটিকে হালকা করে তারপর বন্দর সীমানায় আসার অনুমতি মেলে।
এ অবস্থায় বন্দর সীমানার বাইরে কুতুবদিয়া হয়ে মহেশখালী পর্যন্ত সাগরে শত শত জাহাজের অবস্থান করলেও তাদের কোন মাশুল দিতে হয় না। কিন্তু পুরো এলাকা বন্দরের সীমানায় এলে বছরে তিনশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের সীমানায় অবস্থানকারী জাহাজগুলোকে প্রতি জিআরটি (গ্রস টন) হিসেবে বন্দর কর্তৃপক্ষকে দশমিক ২৪ ডলার হারে মাশুল পরিশোধ করতে হয়। প্রতিটি জাহাজকে ৮০০ থেকে ১ হাজার জিআরটি পরিমাপ ধরা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. আবু জাফর বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি ঘিরে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রচুর জাহাজ আসা-যাওয়া শুরু হয়েছে। আর এমনিতে পণ্যবাহী জাহাজ আসার পরিমাণ তো বাড়ছেই। সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা বাড়ানোর বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে। এ কারনে বন্দরের জলসীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের সামরিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নয়নে মার্কিন উদ্বেগ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গতকাল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি বৃদ্ধি এবং মহাকাশ গবেষণার উন্নয়নের প্রতিক্রিয়ায় হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন ইরানকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। পম্পেও দাবি করেন ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ প্রস্তাবের লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিই মহাকাশ গবেষণার উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের এই অবস্থান বা প্রতিক্রিয়া নতুন কিছু নয় কিংবা এখানেই শেষ নয়। তারা ইরানের সামরিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নয়নকে সবসময়ই বিশ্বের জন্য হুমকি বলেও মন্তব্য করে এসেছে। গত চল্লিশ বছর ধরে তারা ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে তাদের শত্রুতার প্রকাশ ঘটিয়ে এসেছে। তাদের শত্রুতা মূলতা ইরানের ইসলামি ও বিপ্লবী সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। বিপ্লব বিজয়ের চল্লিশ বছর পূর্তি উদযাপনকে সামনে রেখে তাদের ওই শত্রুতার মাত্রা এখন শীর্ষে পৌঁছেছে। ইরানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ হেন কোনো উপায় নেই যা তারা কাজে লাগায় নি। মজার ব্যাপার হলো ইরানের যত উন্নয়ন ও অগ্রগতি সবই অর্জিত হয়েছে মার্কিন এইসব নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের মধ্যে। সুতরাং বোঝাই যায় ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন সকল নিষেধাজ্ঞাই ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে নিরুপায় হয়ে তারা এখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রকে বিশ্বের জন্য হুমকি বলে মিথ্যাচার করতে শুরু করেছে।
পম্পেও নিরাপত্তা পরিষদের যে প্রস্তাবটির কথা বলেছেন ওই প্রস্তাব অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে ইরানের কোনো বাধা নেই এমনকি মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রেও কোনো সীমাবদ্ধতা ইরানের ওপর আরোপ করা হয় নি। ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবটি ইরানের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি সংক্রান্ত। পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে গেলেও তারা ওই প্রস্তাব নিয়ে কথা বলছে, বিষয়টা খুবই হাস্যকর।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জাওয়াদ জারিফ বলেছেন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা কিংবা মহাকাশে উপগ্রহবাহী রকেট প্রেরণ করা ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের লঙ্ঘন নয়। তাছাড়া আমেরিকা স্বয়ং ওই প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে। সুতরাং এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ আমেরিকার নেই।
বিশ্লেষকের মতে, প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধি করা যে-কোনো দেশের অধিকার। সুতরাং আমেরিকার হুমকি ধমকি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ইরানের উন্নয়ন দমিয়ে রাখতে পারবে না। সম্প্রতি আইআরজিসির পলিটিক্যাল ব্যুরো প্রধান ব্রিগেডিয়ার ইয়াদুল্লাহ জাভানি বলেছেন: ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে ইরান এখন বিশ্বের প্রথম সারির চারটি দেশের অন্তর্ভুক্ত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাঙ্গা নয় শান্তি চাই, মৃত্যু নয় জীবন চাই: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলার ইলামবাজারে এক সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় তিনি ওই মন্তব্য করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘দাঙ্গা মানুষকে ভালো রাখে না। আমরা বলি যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। দাঙ্গা নয়, শান্তি চাই। মৃত্যু নয়, জীবন চাই। আমরা এসব কথা কেন বলি? আমরা বলি তার কারণ আমরা সবুজকে ভালোবাসি। আমরা সবাইকে ভালোবাসি। আমরা ভাইবোনেদের ভালোবাসি। রাখীবন্ধন ভাই-বোন না থাকলে কী করে হবে? ভাই ফোঁটা কী করে হবে? সুতরাং এসব কথা মনে রেখেই কাজ করতে হয়।’
বিজেপিকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ‘বিজেপি তুমি তো কেন্দ্রীয় সরকারে আগেও ছিলে, এখনও আছ। সব কেড়ে নিচ্ছ, দিচ্ছ না তো কিছুই। লোকেরটা লুটে নিচ্ছ! আর লোকে প্রতিবাদ করলে গোরক্ষার নামে মানুষ খুন করছ। পুলিশ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ কেউ বাদ যাচ্ছে না! দেশে বারো হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছে।’
বিজেপিকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ‘আমাদের এখানে মানুষ শান্তিতে আছে। সেজন্য ওঁদের গায়ে বড় জ্বালা! মানুষ শান্তিতে থাকলে রাজনীতি হবে কী করে? ইচ্ছে করে করে মিথ্যে কথা বলে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। আমি মনে করি শুধু ভারত নয়। গোটা পৃথিবীর মধ্যে শান্তির কোনো জায়গা থাকলে তার নাম হল বাংলা। বাংলায় শান্তি বিরাজ করছে।’
‘সব রাজ্যে বেকারত্ব বেড়েছে। কিন্তু বাংলায় তা চল্লিশ শতাংশ কমেছে। আমরা বেকারদের চাকরি-বাকরি যথেষ্ট দিয়ে থাকি এবং দেয়া হচ্ছে’ বলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়া কৌশলে এবারের বিপিএল বাজি by পিয়াস সরকার

বাজিকররা তাদের বাজির ডিল করে থাকেন সাধারণত পেটিসখোরদের মাধ্যমে। পেটিসখোর হচ্ছে দুই ব্যক্তি বা গ্রুপের মধ্যস্থতাকারী। বাজির সাধারণ মূল্য ১ হাজার টাকা। এরপর শক্তিশালী দলের ক্ষেত্রে তার মূল্য হয়ে যায় বেশি।
অর্থাৎ ধরুন ঢাকা ডাইনামাইটসের সঙ্গে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের খেলা। ঢাকা দলটি শক্তিশালী হওয়ায় সকলে চাইবে ঢাকা নিতে। সেক্ষেত্রে ডিল হবে অধিক মূল্যে ধরুন ১৫শ টাকা। ঢাকা জয় পেলে কুমিল্লা নেয়া ব্যক্তিকে দিতে হবে ১ হাজার টাকা। আর কুমিল্লা জয় পেলে ঢাকা বেছে নেয়া ব্যক্তিকে দিতে হবে ১৫শ’ টাকা। এসব ডিলিং হয়ে থাকে ম্যাসেঞ্জারের কলের মাধ্যমে। আর শঙ্কার কারণে তারা ম্যাসেঞ্জারের চ্যাট করেন না। তাই কলের কোনো রেকর্ড না থাকার কারণে প্রায়শই বিপদে পড়েন পেটিসখোররা।
তাই এবার ম্যাসেঞ্জার চ্যাটে ব্যবহার কার হবে ১০ টাকার নোটের নম্বর। যেমন একটি ১০ টাকার নোটের নম্বর ঙ ঠ ৯১৩৭০০০। এক্ষেত্রে ‘ঙ’ ঠিক রেখে ‘ঠ’-এর স্থানে লেখা হবে দলের নাম। ঢাকার ক্ষেত্রে ‘ঢ’। কুমিল্লার ক্ষেত্রে ‘কু’ এরপর ৯১৩ ঠিক রেখে লেখা হবে টাকার অঙ্ক। একজন ঢাকার পক্ষে ১৫শ’ টাকা বাজি ধরলে লিখবেন ঙ ঢ ৯১৩১৫০০। এভাবে যতটি ডিল নেবেন ততটি নোটের কোর্ড নম্বর সেন্ড করবেন পেটিসখোরকে। এরপর টাকা পাঠাবেন পেটিসখোরের বিকাশ নম্বরে। পেটিসখোর টাকা পাওয়ারপর তাকে কোর্ড নম্বর পাঠাবেন ‘ঙ’ এর স্থানে ‘ড‘ লিখে। অর্থাৎ ডিল ফাইনাল। খেলার পর জয়ী ব্যক্তি বা গ্রুপকে বিকাশে টাকা বুঝিয়ে দেবে পেটিসখোর। আর কেটে নেবে তার ভাগের ৭ শতাংশ টাকা।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষার্থী পেটিসখোর। তিনি জানান নয়া কৌশলটি। এছাড়াও তিনি বলেন, অনেকবার হারার পর ৩টি ডিল নেয়া ব্যক্তি বলে ২টি নিয়েছে। তখন কোনো প্রমাণ না থাকার কারণে বিপদে পড়তে হয়। তাই এই প্রদ্ধতি নেয়া। সরাসরি ম্যাসেঞ্জারে লিখলে বিপদের শঙ্কা থেকে যায়। এছাড়া টুর্নামেন্টের সময়ে ফেসবুক আইডিও হ্যাক হয়ে যায়। তাই নিরাপত্তা ও ঝামেলা এড়াতেই এই পন্থা। এবারের বিপিএলে আমরা ৫ বন্ধু আছি পেটিসখোর হিসেবে। আমাদের হাতে আছে প্রায় ১৮ জন বাজিকর এবং ৭টি গ্রুপ। সকলের প্রস্তুতি সম্পন্ন। সকলকে হাতে কলমে নতুন পদ্ধতিটি শিখিয়েছি। আশা করছি প্রতিখেলায় লাখ টাকার ডিল করতে পারবো। আর বিপিএল শেষে একেকজনের আয় হবে ৫০ হাজার টাকার মতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২২৩১ নম্বর প্রস্তাব নিয়ে কথা বলার অধিকার আমেরিকার নেই: ইরান

মার্কিন অভিযোগ সম্পর্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, আমেরিকা আগেই পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে এ প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে এবং প্রস্তাবটি নিয়ে এখন আর মার্কিন কর্মকর্তাদের কথা বলার অধিকার নেই।
বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইরান তিনটি স্পেস লঞ্চ ভেহিক্যাল বা এসএলভি উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি বলেন, এসএলভি হচ্ছে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অভিন্নরূপ এবং এতে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের রকেট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদে ২২৩১ নম্বর লঙ্ঘিত হবে।
পম্পেওর এ বক্তব্যের জবাবে জারিফ তার টুইটার পোস্টে বলেন, ইরানের এসএলভি এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের ওই প্রস্তাব লঙ্ঘন হবে না। সর্বোপরি এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার অবস্থানে নেই আমেরিকা। কারণ তারা আগেই এ প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে এবং পরমাণু সমঝোতার তারা এখন কোনো অংশীদার নয়।
২০১৫ সালে ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পরমাণু সমঝোতা সই হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব পাস হয় এবং তাতে পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়। ইরান সবসময় বলে আসছে, তারা কখনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে নি এবং করবেও না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্র ও ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ কোনোটিই লাভবান হয়নি by ভারত ভূষণ

এই নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিরোধী জোট, বিশেষ করে বিএনপি ও অন্য দলগুলো যারা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তবে তাদের পুনঃনির্বাচনের দাবি নির্বাচন কমিশন মেনে নেবে এমন সম্ভাবনা কম।
বিরোধী দল এই কমিশনকে দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট বলে বর্ণনা করেছে।
শেখ হাসিনার মুকুটে উন্নয়ন নামক পালক আছে। তবে তার নেতৃত্বে যেই রাষ্ট্রযন্ত্র রয়েছে তা কাজ করে মূলত ভয়ভীতি, অসহিষ্ণুতা ও আতঙ্ককে পুঁজি করে। এই রাষ্ট্রযন্ত্র সমালোচকদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করেছে। গণতান্ত্রিক বিতর্ককে সঙ্কুচিত করেছে। আওয়ামী লীগের এই বিরাট কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ বিজয়ের পর গণতান্ত্রিক সুযোগ কেবল আরো সঙ্কুচিতই হতে পারে।
বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ শাসকদলের শত শত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। যারা এখনো বাকি আছেন তারাও হয়তো সামনের দিনগুলোতে কারান্তরীণ হতে পারেন। ফলে বিরোধী দল আরো ধ্বংসের দিকে ধাবিত হতে পারে। রাষ্ট্রের জবরদস্তিমূলক বিভিন্ন সংস্থা নিয়ে যে আতঙ্ক তাতে সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিবাদ আরো কোণঠাসা হয়ে পড়বে।
ক্ষমতাসীনদের স্বল্পমেয়াদি লাভের জন্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দীর্ঘমেয়াদের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হলো। বিদায়ী সংসদ ও আসন্ন সংসদ উভয়টিই এক্ষেত্রে ভালো উদাহরণ। প্রথমটি প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। কারণ বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করেছিল। দ্বিতীয়টিকেও তেমনটি ভাবা হবে, ‘ম্যাচ গড়াপেটা’র অভিযোগের কারণে। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কূটকৌশলের কারণে বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন উভয়েই তাদের মর্যাদা খুইয়েছে। রাষ্ট্রীয় আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী চলছে সংবাদমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পক্ষের কাছ থেকে আক্রমণের শিকার হয়ে বুদ্ধিজীবী ও নির্দলীয় ব্লগাররা এখন জীবন নিয়ে শঙ্কিত।
গণতান্ত্রিক সুরক্ষাকবচের অভাব ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভিন্নমত দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি সেসব দেশগুলোর জন্য বিশেষভাবে বিপজ্জনক যেখানে চরমপন্থিদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার ফলে চরমপন্থি রাজনীতি বিস্তারের জন্য উর্বর ভূমি সৃষ্টি হয়েছে। এরপর মানুষ খুব সহজেই চরমপন্থার দিকে আকৃষ্ট হতে পারে। যেমনটা হয়েছে মিশর ও আলজেরিয়ায়।
বাংলাদেশে যা চলছে তা ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের অনুকূলে না হওয়ার একটি কারণ হলো চরমপন্থার এই হুমকি। আরো অনেক কারণও আছে।
যদিও চীন ও ভারত উভয়েই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাকে স্বাগত জানিয়েছে, তবে তাদের এজেন্ডা কিন্তু একেবারে আলাদা। যুক্তরাষ্ট্রকে ও দ্বিতীয়ত ভারতকে ঠেকাতে বাংলাদেশে কৌশলগত ভিত্তি গড়তে চায় চীন। শাসকদলের প্রখ্যাত কিছু পরিবারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে চীন বাংলাদেশের ঘরোয়া রাজনীতিতে যেভাবে ঢুকছে তা দেশটির কৌশলগত লক্ষ্য এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে। চীনকে বেশকিছু সুযোগও দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ হলো চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিআরআই-এ যেই ছয়টি করিডোর রয়েছে (চারটি স্থল ও দুইটি সামুদ্রিক), সেগুলোর মধ্যে একটি সামুদ্রিক করিডোরের অবিচ্ছেদ্য অংশ বাংলাদেশ। এই করিডোর চীনের কুনবিং থেকে মিয়ানমারের কাউকপ্যু বন্দর ও চট্টগ্রাম হয়ে কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত।
ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ ছাড়াও, এই করিডোরের মাধ্যমে চীন বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে ঢুকে পড়ার সুযোগ পাবে। মিয়ানমারের কাউকপ্যু বন্দরের ৮৫ শতাংশ মালিকানা চীনের। এটি হবে একটি জ্বালানি কেন্দ্র। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৮০ শতাংশ তেল আমদানিতে চীন মালাক্কা প্রণালী ব্যবহার করে। ঝুঁকিপূর্ণ এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চীন কাউকপ্যু বন্দর নির্মাণ করছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল এই বন্দরে সংরক্ষণ করা হবে। পরে সেটি পরিশোধিত হবে সৌদি আরবের অর্থায়নে নির্মিতব্য একটি শোধনাগারে। এছাড়া কাতার থেকে আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য কাতার নির্মান করছে একটি মিথেন শোধনাগার। মিয়ানমারের শোয়ে গ্যাসক্ষেত্র থেকে উঠানো গ্যাস এখান থেকেই চীনগামী পাইপলাইনে ঢুকানো হবে। তবে কক্সবাজারের পাশে নির্মিতব্য সোনাদিয়ার গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে বিআরআই’র সংযোগ আপাতত স্থগিত রয়েছে।
নিজের ভূ-কৌশলগত, ভূ-অর্থনৈতিক ও ভূ-জ্বালানি স্বার্থ এবং পদ্মা সেতু, চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রকল্প, ১৩৫০০ মেগাওয়াটের মহেশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বড় অবকাঠামো প্রকল্পে নিজের বিনিয়োগ রক্ষা করতেই চীন বাংলাদেশে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা চায়। মালয়েশিয়ায় সরকার পরিবর্তনের পর তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ পেয়েছে চীন। সেখানে মাহাথির মোহাম্মদের নতুন সরকার চীনের ১৫০ কোটি ডলারের পূর্ব-পশ্চিম রেলওয়ে প্রকল্প স্থগিত করেছে।
বাংলাদেশে বিআরআই প্রকল্পে যেই ৪০০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন, তা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা চায় না দেশটি। এই নির্বাচনের পরই এই বিনিয়োগের কিছু অর্থ চলে আসার কথা বাংলাদেশে। তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় চীনের স্বার্থ ছিল। এছাড়া বাংলাদেশে স্বল্প মজুরির শ্রমিক প্রাপ্তির সুবিধা থাকায় চীন চায় তার কিছু শিল্প বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করতে। বাংলাদেশ হতে পারে স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে পশ্চিমা দেশে ‘চীনা’ পণ্য ঢুকানোর প্রবেশ পথ।
বাংলাদেশে চীনের ব্যপক কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের তুলনায় ভারতের স্বার্থ খুবই কম। ভারত চায় বাংলাদেশ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহীদেরকে আশ্রয় না দিক। জঙ্গিরা যাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে না পারে। বাংলাদেশকে ব্যবহার করে পাকিস্তান যাতে ভারতে জালনোট ঢুকাতে না পারে। এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ। শেখ হাসিনার সরকার অতীতে এসব ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। সুতরাং, নয়াদিল্লি আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতায় সমর্থন দিয়েছে। বাংলাদেশে চীনের প্রবেশ নিয়ে ভারতের আপত্তি ছিল। তবে সামনের দিনগুলোতে চীনের প্রভাব আরো বাড়বে। তখন ভারতের ‘ভেটো’ আর থাকবে না। চীনের এই প্রভাববিস্তারের ফলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র- উভয়ের ভূমিকাই গৌণ হয়ে পড়বে।
এই মহারণ যখন প্রস্ফুটিত হচ্ছে, তখন দেখার বাকি যে ভারতের স্বার্থ বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে যায় কিনা। আর ভারতের প্রধান যেই উদ্বেগের বিষয় সেটি হলো বাংলাদেশে ইসলামী চরমপন্থার উত্থান ও সীমান্তের ওপারে এর প্রভাব। এই একপক্ষীয় নির্বাচনের কারণে হয়তো এই চরমপন্থা নতুন প্রাণ পেল। দীর্ঘমেয়াদে একটি বিস্ফোরক বাংলাদেশের চেয়ে হয়তো একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করাটা সহজতর হতো।
(ভারত ভূষণ একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। তার নিবন্ধটি ভারতের এশিয়ান এইজ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবশেষে শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ

সব বয়সের মহিলাদের প্রবেশাধিকার দেয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। যদিও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই তা ঘিরে শুরু হয়েছিল অশান্তি। কট্টরপন্থিদের বিক্ষোভের আঁচে পড়ে কেরালা। গত ২৪শে ডিসেম্বর মন্দির খুললে শবরীমালায় যেতে গিয়ে বাধা পান জনাছয়েক মহিলা। এর পরেও অনেকবার মহিলারা শবরীমালা পাহাড়ের শীর্ষে থাকা আলেপ্পার মন্দিরে যাবার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কট্টরপন্থি ভক্তদের প্রবল বাধায় কোনোবারেই কোনো মহিলা উপরে উঠতে পারেন নি। এই নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা দাবি করেছেন, পুলিশের সহায়তায় মহিলাদের মন্দিরে প্রবেশ করতে দেয়া হোক। অবশেষে কয়েকজন মহিলা ভোর রাত থেকে পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দু’জন সকালে মন্দিরে প্রবেশ করে আলেপ্পাকে দর্শন করেছেন। পুলিশের দাবি, সাত সকালেই মন্দিরে ঢুকে আয়েপ্পা স্বামীর মন্দিরে প্রার্থনা করে নির্বিঘ্নে ফিরে এসেছেন তারা। সেই সঙ্গেই অবসান হয়েছে ১০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে বয়সের মহিলাদের মন্দিরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার। যদিও আয়েপ্পা ভক্তদের বক্তব্য, দুই মহিলার দাবি সঠিক নয়।
এদিকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, শবরীমালায় নারী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা একটি ঐতিহ্য। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তিন তালাক বাতিলের পক্ষে থাকলেও শবরীমালা মন্দিরে নারী প্রবেশে হিন্দুত্ববাদীদের বাধাদানের প্রেক্ষিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন। মোদি বলেন, বেশিরভাগ ইসলামিক দেশে তিন তালাক নিষিদ্ধ। এখানে ধর্ম বা বিশ্বাসের কোনো স্থান নেই। এমনকি পাকিস্তানেও তিন তালাক নিষিদ্ধ। এরপরই তিনি বলেন, তিন তালাকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে লিঙ্গ সমতার প্রশ্ন। কিন্তু শবরীমালা মন্দিরে নারী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা একটি ঐতিহ্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে নিজের ভোটটিও পেলেন না এক প্রার্থী -বিবিসি বাংলা

জ্বী, ঠিকই পড়েছেন - এবারের নির্বাচনে একটি ভোটও পাননি মি. রুমী।
কিন্তু তিন লক্ষের বেশি ভোটার যে চট্টগ্রাম-১০ আসনে, সেখানে একজন প্রার্থীর একটি ভোটও না পাওয়া কতটা বিশ্বাসযোগ্য - কিংবা কতটা বিস্ময়কর?
প্রশ্ন উঠেছে, এমনকি তিনি নিজের ভোটটিও বা কেন পেলেন না?
কে এই হাসানমারুফ রুমী?
শুরুতেই জেনে নেয়া যাক এই প্রার্থী সম্পর্কে।
বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে মি. রুমী জানান, তিনি চট্টগ্রাম শহরের দেওয়ানহাট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। শৈশব থেকে তাঁর বেড়ে ওঠা, পড়ালেখা সবই চট্টগ্রামে।
আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্কুলের পাট চুকিয়ে ওমর গণি এমইএস কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন মারুফ হাসান রুমী। এরপর সরকারি সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে বি.এ. পাশ করেন তিনি।
মি. রুমি জানান, তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন নাগরিক ইস্যুতে গত কয়েক বছর ধরে আন্দোলন করেছেন।
"বছর-খানেক আগে চট্টগ্রামের হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির দাবিতে একটি আন্দোলন হয়েছিল, যে আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের সে সময় বলা হয়েছিল 'চট্টগ্রাম করদাতা সুরক্ষা পরিষদ'। প্রায় বছরব্যাপী ঐ আন্দোলনের অংশ ছিলাম আমি," জানিয়েছেন তিনি।
মি. রুমী আরো বলেন, "বছর দুয়েক আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদেও আন্দোলন করেছিলাম, যেটি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুরক্ষার আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল।"
এছাড়া চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন নাগরিক ইস্যুতে হওয়া আন্দোলনের অংশ ছিলেন বলে জানান মি. রুমী।
কাজেই মি. রুমীর ধারণা নির্বাচনী প্রার্থী হিসেবে তাঁর একটি ভোটও না পাওয়ার বিষয়টি অবিশ্বাস্য।
চট্টগ্রামের স্থানীয় হওয়া সত্বেও পাননি একটি ভোটও
নির্বাচনের আগে তাঁর পক্ষে অনেক নেতাকর্মী প্রচারণা চালিয়েছিলেন বলে জানান মারুফ হাসান রুমী।
তিনি বলেন, "আমি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের মানুষের নিত্যদিনের আন্দোলনে-সংগ্রামে পাশে ছিলাম। আমি একটি ভোটও পাবো না, সেটি বিশ্বাসযোগ্য না।"
"ভোট গ্রহণের দিন আমার কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই ভোট দিতে না পারলেও আবার অনেকেই ভোট দিয়েছেন বলে আমাকে নিশ্চিত করেছেন", জানান মি. রুমী।
তিনি জানান, তাঁর কর্মী-সমর্থক এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনেকেই ভোট দেয়ার পর তাদের ভোটার নম্বরও তাঁকে জানিয়েছিলেন।
যদি ধরেও নেয়া যায় কর্মী-সমর্থক বা পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ভুল তথ্যই দিয়েছেন, কিন্তু হাসান মারুফ রুমী তাঁর নিজের ভোটটি কাকে দিলেন?
নিজের ভোটটিও পেলেন না রুমী?
নির্বাচনে একজন প্রার্থী একটি ভোটও না পেলে প্রথমেই যে প্রশ্নটি মাথায় আসে তা হলো, নিজের ভোটটি কেন তিনি নিজের মার্কায় দিলেন না?
মারুফ হাসান রুমীকে ঠিক এই প্রশ্নটি করা হলে বেরিয়ে আসে চমকপ্রদ এক তথ্য।
মি. রুমী বলেন, "আমার বাসা দেওয়ানহাটের যে এলাকায়, সেটি চট্টগ্রাম-৯ ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের সীমানায় পড়েছে।"
"যার কারণে আমি চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী হলেও ভোটার চট্টগ্রাম-৯ আসনের।"
অর্থাৎ নিজের ভোটটি নিজেকে দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও, সেটির কোনো সুযোগ ছিল না মি. রুমীর সামনে। তিনি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন যে ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন, কিন্তু নিজেকে তিনি ভোটটি দিতে পারেননি।
তবে তাঁর কাছে অবশ্য অনেকেই দাবি করেছেন যে তাঁরা চট্টগ্রাম-১০ আসনে গণসংহতি ফোরামের প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন।
কিন্তু তাদের ওই দাবি কতটা সত্য তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই হয়তো এখন স্বাভাবিক, কারণ তিনি যে শূন্য ভোট পেয়েছেন।
অর্থাৎ নির্বাচন নিয়ে নানান অভিযোগ ওঠার পরও মি. রুমী নিজেই নিজেকে ভোট দিতে না পারায় তাঁর শূন্য ভোট পাওয়ার ঘটনাটিকে একেবারেই অবিশ্বাস্য বলে উড়িয়েও দেয়া যাচ্ছে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত চায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

এর মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নির্বাচনে পার্লামেন্টের ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয়ী হয়েছে তার দল।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন হয়েছে অবাধ ও সুষ্ঠু। তবে, বিরোধীরা এ নির্বাচনকে হাস্যকর বলে অভিহিত করেছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্রাড এডামস বলেছেন, নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে বিরোধীদের ওপর সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শন, বিরোধীদের প্রচারণা অনুষ্ঠানে হামলা হয়েছে। স্বাধীন মত প্রকাশকে সীমিত রাখতে আইনের অপব্যবহার করা হয়েছে। নির্বাচনের দিনে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন, ভোটকেন্দ্র ক্ষমতাসীনদের দখলে থাকার অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন ও পক্ষপাতিত্বহীন কমিশন গঠন করা উচিত।
ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়, নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ও সহিংসতার ভয়ে সাংবাদিকরা তাদের রিপোর্ট সেন্সর করেছেন বলে বর্ণনা করেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি) টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সব অপারেটরকে থ্রিজি ও ফোর জি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়। এতে যোগাযোগ ও তথ্য শেয়ার ব্যাহত হয়। নির্বাচনের দিনে সহিংসতায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়- বিরোধী দলগুলো, সাংবাদিক ও ভোটাররা অনিয়মের গুরুতর সব অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা, ভোটারদেরকে ভোটকেন্দ্রে যেতে না দেয়া, ক্ষমতাসীনদের ভোটকেন্দ্র দখলে রাখা ও ভোটারের ভোট দিয়ে দেয়া, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও পুলিশ দলীয় আচরণ করেছে, ভয়াবহ এক ভীতিকর পরিবেশে ভোটারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে লঙ্ঘন অন্যতম। বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বলেছে, ২২১টি সংসদীয় আসনে তাদের কোনো পোলিং এজেন্ট দিতে দেয়া হয় নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নির্বাচনের দিনে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনাকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে, পুলিশ প্রধান জাভেদ পাটোয়ারি পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিরোধী দলকে ভোট দেয়ার অপরাধে নোয়াখালীতে চার সন্তানের এক মাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এ অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৯শে ডিসেম্বর ঢাকায় সাদা পোশাকের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া চার শিক্ষার্থীকে আটক করে। তারপর তারা যেন নিরাপদে ফিরে যেতে পারেন এমন দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাদের পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে তাদেরকে ২রা জানুয়ারি আদালতে হাজির করা হয়েছে।
বিবৃতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরো বলেছে, অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট করার জন্য সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করেছে। ১লা জানুয়ারি সাদা পোশাকের পুলিশ ঢাকা ট্রিবিউন, বাংলা ট্রিবিউন ও প্রবাহ পত্রিকার খুলনাভিত্তিক সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি রিপোর্ট করেছিলেন যে, খুলনা-১ আসনে মোট বৈধ ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে। এ মামলায় আরেক সাংবাদিক রাশিদুল ইসলামের নাম রয়েছে। এ দু’সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ভোটারদের ভীতি প্রদর্শনের প্রমাণ্যচিত্রের ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করেছে সাংবাদিকদের। একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের ওপর হামলার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার সময় দৈনিক মানবজমিনের রিপোর্টার কাফি কামালকে প্রহার করা হয়েছে। তিনি হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলেছেন, ওই ঘটনার ফুটেজ যখন ধারণ করছিলাম তখন তারা সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পায় এবং আমার ওপর হামলা চালায়। আমার সারা শরীরে আঘাত করে। আমার বাম চোখে চারটি সেলাই দেয়া হয়েছে। শরীরের পশ্চাতে রয়েছে অসহনীয় ব্যথা।
ব্রাড এডামস বলেন, আন্তর্জাতিক দাতারা, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশের বন্ধুদের স্মরণ রাখা উচিত যে নির্বাচন হলো ভোটারের অধিকার, যারা ক্ষমতায় তাদের নয়। উচ্চ মাত্রায় বিভক্ত একটি দেশ, যেখানে একটি দল শতকরা ৯৬ ভাগের বেশি আসনে বিজয়ী হয় সেখানে তাৎক্ষণিক প্রশ্ন উঠা উচিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জম্মু-কাশ্মিরে ২০১৮ সালে ৩১১ গেরিলা ও ৮০ নিরাপত্তাকর্মী নিহত
![]() |
| কাশ্মিরে এক বেসামরিক ব্যক্তির মরদেহের পাশে স্বজনের কান্না |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আপনারা এলাকার সব জনগণের এমপি -আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে শেখ হাসিনা

শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভায় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ২০০৮ সাল ও ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা। এছাড়া ১৯৯৬ সালে গঠিত সপ্তম সংসদেও তিনি সংসদ নেতা নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে নতুন কেউ দায়িত্ব নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় উপস্থিত সকলে সমস্বরে না না বলে দাঁড়িয়ে যান। তারা বলেন, আপনি যত দিন আছেন, ততদিন আমাদের অভিভাবক থাকবেন। আপনি দলের থাকবেন,দেশের অভিভাবক থাকবেন। বৈঠক থেকে বেরিয়ে স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংসদ নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন।
এরপর দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু সেই প্রস্তাব সমর্থন করেন। এরপর প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা পুনরায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ায় দলীয় এমপিরা করতালির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানান। এদিকে সংসদীয় দলের বৈঠকে একাদশ সংসদের উপনেতা নির্বাচনের কথা থাকলেও সে বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান জাতীয় সংসদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার। তিনি বলেন, আগামীদিনে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। বর্তমানে সংসদ উপনেতা আছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওই সভায় অন্য কেউ বক্তব্য রাখেননি। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে সংসদ নেতা বেশকিছু নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ক্ষমতাকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে না বানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৈঠকের বিষয়ে প্রথমবার নির্বাচিত এমপি ও সিনিয়র সাংবাদিক শফিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী অর্থকে বড় করে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আপনার শুধু নৌকার এমপি নন, কে নৌকায় ভোট দিয়েছে, কে দেয়নি, সেটা বিবেচ্য নয়। সবার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সভায় শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের জাতির পিতাকে হত্যার পর অনেকেই মনে করেছিল আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। এই নির্বাচন সেটাই প্রমাণ করেছে। আমাদের অনেক দুঃসময় গেছে। লণ্ডনে থেকে আমি প্রথম আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করি। জনগণ আমাদের পাশে আছে। জনগণ পাশে থাকলে কেউ আমাদের রুখতে পারবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে আমাদের যে ঋণ, সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। উন্নয়নের মাধ্যমেই সেই ঋণ পরিশোধ করা হবে। তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আমরা আজকে আছি, আগামীতে থাকবো কি না, কেউ বলতে পারে না। তাই ক্ষমতাকে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করবেন না। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের আগে যেভাবে জনগণের কাছে গিয়েছেন। এখন শপথ নেয়ার পর একইভাবে জনগণের কাছে যাবেন, সম্পর্ক ঠিক রাখবেন। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকলে ভবিষ্যতে হারবেন না।
তাই সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন। জনগণের কাছে থাকার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ যদি সঙ্গে থাকে তবে কেউ আমাদের রুখতে পারবে না। আপনারা জনগণের মাঝে থাকবেন। জনগণের সুখে-দুঃখে আপনারা তাদের পাশে থাকবেন। জনগণের জন্য কাজ করে নিজেদের জনপ্রিয়তা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে সেটা অব্যাহত রাখবো। তিনি বলেন, গত ১০ বছরের আমরা উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেছি। নির্বাচনের ফলাফলে তারই প্রতিফলন ঘটেছে। এই অর্জন ধরে রাখতে হবে। এদেশের মানুষ বিএনপির দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িতকতার বিরুদ্ধে এবারের নির্বাচনে রায় দিয়েছে। আগামীদিনে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন সংসদ নেতা। নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের ভরাডুবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য ও যুদ্ধাপরাধীদের মনোনয়ন দেয়ার সমুচিত জবাব দিয়েছে জনগণ।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। নির্বাচন নয়, যেন তাদের লক্ষ্যই ছিল মনোনয়ন বাণিজ্য করা। এ কারণেই তারা ডুবেছে। ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মনে রাখবেন ষড়যন্ত্র শেষ হয়ে যায়নি। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। তারা প্রত্যেকের নামে মামলা করতে পারে। এসব মামলা মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের যে অর্জন, যে বিজয় সেটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয়। এই বিজয়কে নসাৎ করে স্বাধীনতাবিরোধীরা যাতে আর ফিরতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আগামীদিনে উন্নয়নের গতি আরো বেগবান করা হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছে, সেটা অব্যাহত থাকবে। ২১০০ সালকে সামনে রেখে আমরা উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবার্ষিকী পালিত হবে।
তখন যারা থাকবেন, তারা একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশে স্বাধীনতার শতবার্ষিকী পালন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। এবার নির্বাচনে ২৯৮ আসনের মধ্যে ২৫৭টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জোটগতভাবে তারা পেয়েছে ২৮৮ আসন। অন্যদিকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা সব মিলিয়ে সাতটি আসন পেয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শপথ নেননি ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ীরা নির্বাচন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন
পরে স্মারকলিপি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যান ঐক্যফ্রন্টের সাত নেতা।
সকালে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল আগেই প্রত্যাখ্যান করেছি। ইতিমধ্যে শপথ অনুষ্ঠান হয়ে গেছে। সেখানে আমরা যাইনি। শপথ নেয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ আমরা এই নির্বাচন ও নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের যেসব প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন তারাও শপথ নিচ্ছেন না। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রার্থীরা নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জানিয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিষ্ঠুর ও প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি।
এদিকে বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) হাতে স্মারকলিপি তুলে দেয়। স্মারকলিপিতে ঐক্যফ্রন্ট অভিযোগ করেছে, নির্বাচনের আগের রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সহায়তায় আওয়ামী লীগের কর্মী ও সন্ত্রাসী বাহিনী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। এ অবস্থায় ভোটের ফল বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।
ঐক্যফ্রন্টের এই প্রতিনিধি দলের মধ্যে আরো ছিলেন বিএনপির একাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।
পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের নামে জাতির সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে। দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের জয়ীরা শপথ নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। শপথ নেয়ার প্রশ্ন আসবে কেন? যেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন সেখানে কারচুপি হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সেগুলোতেও ডাকাতি হয়েছে, তবে তারা কুলিয়ে উঠতে পারেনি। ঐক্যফ্রন্টের দাবি মানা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা জানবেন পরে।
এই নির্বাচনে এটাই প্রমাণ হলো যে, ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করেছিলাম, সেটাই সঠিক। দলীয় সরকারের অধীনে কখনই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। অনতিবিলম্বে নির্বাচন বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি জানিয়েছি স্মারকলিপিতে। ইতিমধ্যে নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ হয়েছে, শপথও হয়েছে। এ রকম অবস্থায় সরকারের কাছে না গিয়ে ইসিতে কেন আসল ঐক্যফ্রন্ট- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ইসিই তো নির্বাচন করেছে, তাদের কাছে আমাদের দাবি জানালাম। এরপরে আমরা অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ইসি কি বলেছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, স্মারকলিপি দিতে আসলেও কমিশনের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো কথা হয়নি। তারা শুধু স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তারা কি বলবেন? তাদের তো কোনো কথা নেই।
স্মারকলিপিতে যা বলেছে ঐক্যফ্রন্ট
স্মারকলিপিতে ভোটের তফসিল ঘোষণার পর থেকে শুরু করে এই নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ইসি সকল দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ না করেই সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। প্রথমেই ইসি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের ব্যত্যয় হয়েছে বলে অভিযোগ ঐক্যফ্রন্টের। অভিযোগে আরো বলা হয়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভেটিং ও হয়রানি করা হয়েছে। ভেটিংয়ের মাধ্যমে সরকারদলীয় কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করে রিটার্নিং অফিসারদের কাছে জমা দেয়া হয়েছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা মোতাবেক তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ করা হলেও ইসি নীরব ভূমিকা পালন করেছে।
ঐক্যফ্রন্টের দলীয় প্রার্থী মনোনয়নেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জোটটির। এ অভিযোগের প্রসঙ্গে বলা হয়, দলীয় মনোনয়ন বিতরণে বাধা প্রদান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাই এবং আপিলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ঐক্যফ্রন্ট। এতে বলা হয়, সর্বাধিক সংখ্যক মনোনয়ন ঠুনকো অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আট শতাধিক আপিল নজিরবিহীনভাবে তাড়াহুড়ো করে নিষ্পত্তি করেছে। ইসির এই দ্রুততা ও পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্টের ১৮ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলে তাদের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। অভিযোগে আরো বলা হয়, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকেই শুরু হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মামলা দায়েরের হিড়িক।
গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সরকার বা কমিশন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের ১৬ প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারে এমন নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারারুদ্ধ করা হয়। নির্বাচন পর্যবেক্ষণেও অনিয়ম হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে দাবি করেছে ঐক্যফ্রন্ট। এতে বলা হয়, ইসির বিতর্কিত নির্দেশনায় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাজের ক্ষেত্র সীমিত করে দেয়া হয়। ভিন্ন মতের অভিযোগ তুলে অনেক স্বনামধন্য পর্যবেক্ষক সংস্থাকে পর্যবেক্ষণ হতে দূরে রাখা হয়। পর্যবেক্ষকদের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়। পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসগুলোতে পর্যবেক্ষকদের আগমন নিরুৎসাহিত করে কালবিলম্ব করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থা আনফ্রেল এর ৩২জন সদস্যকে ভিসা দেয়া হয়নি। সরকার দলের নিয়ন্ত্রণাধীন নামসর্বস্ব সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বা দেশীয় সংস্থাকে প্রতারণামূলকভাবে বিদেশি সংস্থা হিসেবে চালানো হয়। অনেক বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থা আগ্রহ প্রকাশ করলেও সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অনাগ্রহের কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী আগমনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। স্মারকলিপিতে প্রচার-প্রচারণায় বাধা, সরকারের সাজানো প্রশাসন ও পুলিশের রদবদল না করাসহ আরো বেশ কিছু অভিযোগের উল্লেখ করা হয়। সরকার ও নির্বাচন কমিশন তাদের পরিকল্পিত জাল-জালিয়াতি আড়াল করতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও গোয়েন্দা নজরদারি আরোপ করে বলে অভিযোগ করা হয়। সরকার প্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী-এমপি ও সরকারি দলের প্রার্থীদের উপর্যুপরি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও ইসি ছিল নির্বিকার।
ঐক্যফ্রন্টের স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২৪শে ডিসেম্বর সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানো হলেও তাদের নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। ফলে ওইদিন থেকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও হামলার পরিমাণ আরো বেড়ে যায় এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এছাড়া স্মারকলিপিতে ২৯ ও ৩০শে ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতাসীন দল ভোট-ডাকাতি ও তাণ্ডব করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এই দুইদিনের অনিয়মের কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ভোটের আগের রাত নয়টার মধ্যে সকল দোকানপাট বন্ধ করে সারা দেশে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি করা হয়। ওই রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সহায়তায় ৩০-৬০ শতাংশ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়। নির্বাচনের দিন সকালে ভোটকেন্দ্র এবং কেন্দ্রের আশেপাশের মোড়ে সরকারি লাঠিয়াল বাহিনী মহড়া দেয় এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়। এবিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদের কাছে সহযোগিতা চাইলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
অনেক ক্ষেত্রেই ভোটারদের ভোট না দিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়। নির্বাচনের আগের দিন সরকারবিরোধী সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দেয়া হয় এবং ভোটকেন্দ্রে গেলে গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। নির্বাচনের আগের দিন ও রাতে পোলিং এজেন্ট এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নানারকম হুমকি-ধমকি, ভয়ভীতি, হয়রানি ও গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদেরকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয়। নির্বাচনের দিন সকালে পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়া হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভোটকেন্দ্রে আসলেও নিয়োগপত্র রেখে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। অনেক পোলিং এজেন্টকে মারধর, হয়রানি ও গ্রেপ্তার করা হয়। ভোটকেন্দ্রে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট না থাকায় বিষয়টি দুইজন নির্বাচন কমিশনার গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছেন।
রাতে ভোট কাটার পর ক্ষমতাসীন দল অবশিষ্ট ব্যালট পেপার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় জাল ভোটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করে। শত বাধা উপেক্ষা করে কিছু ভোটার ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলেও তাদেরকে প্রকাশ্যে নৌকায় সিল দিতে বাধ্য করা হয়। প্রায় সকল ভোটকেন্দ্রেই দুপুরের মধ্যে ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যায়। ব্যালট পেপার না থাকায় ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধ্য করাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। দুপুরের দিকে আসা ভোটারদের ব্যালট দিতে না পারার কারণে বেআইনিভাবে মধ্যাহ্নভোজের বিরতির নামে কালক্ষেপ করা হয় এবং ভোটকেন্দ্রের মূলফটক বন্ধ করে দেয়া হয়। নজিরবিহীনভাবে জুডিশিয়াল ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয় এবং শত অনিয়ম সংঘটনের অভিযোগ পাওয়ার পরও ন্যূনতম পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
অসংখ্য ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট কাস্ট করা হয়। যা ছিল নজিরবিহীন এবং বাস্তবে একেবারেই অসম্ভব। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখানোর জন্য ঢাকাসহ অন্যান্য সকল মেট্রোপলিটন এলাকায় তাদের আশপাশের এলাকা থেকে লোকজন এনে জড়ো করে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার নয়। আওয়ামী লীগের পদধারী বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ভোটের আগের রাতে কোনো কোনো প্রিজাইডিং অফিসার ভোট কাটতে অস্বীকৃতি জানালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং জোর করে ভোট কাটতে বাধ্য করে। আগের রাতেই ভোট কাটার কারণে দেশের অনেক ভোটকেন্দ্রেই বিকাল ৪টার আগেই ভোটগণনা শুরু হয়। যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি।
সারা দেশে প্রকাশ্যে শান্তিপূর্ণভাবে জালভোটের মহোৎসব চললেও দেশের কোথাও একজন জালভোট প্রদানকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বা আইনের আওতায় আনা হয়নি। নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কোনো স্তরেই নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। একজন নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যে তা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। শতভাগ কাস্টিং ভোটকেন্দ্রের আংশিক তালিকা ইসির কাছে হস্তান্তর করে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল। সকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্মারকলিপিতে বলা হয়, দীর্ঘ দশ বছর পর ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণকে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে আবারও বঞ্চিত করার দায় ইসিকেই বহন করতে হবে। এজন্য অনতিবিলম্বে নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি করা হয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।
এর আগে বেলা ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীদের নিয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। চলে প্রায় দুপুর ২টা পর্যন্ত। বৈঠকের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাগত বক্তব্য দেন। প্রক্যেক প্রার্থীর কাছে তাদের নিজ এলাকার ভোটের পরিস্থিতি এবং পরবর্তী করণীয় কি হতে পারে তা বিস্তারিতভাবে বলতে প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধ করেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সবকিছুতেই ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা হলো জাতীয় ঐক্যের সবচেয়ে বড় সফলতা। এই ঐক্য যেকোনো মূল্যে আমরা রক্ষা করবো। নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং শেষ পর্যন্ত থাকার বিষয়ে যৌথ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখানে আমাদের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা কোনো ব্যক্তিবিশেষ এই সিদ্ধান্ত নিইনি। নির্বাচন ও নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিএনপির যদি কারো কোনো ক্ষোভ থাকে আমরা আমাদের দলীয় ফোরামে সেটা শুনব।
চেষ্টা করবো আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সেই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার। তিনিও সবার কথা শুনবেন। আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে অনুমতি চেয়েছি। সাক্ষাৎ পেলে তার অনুমতি নিয়ে বাকি সিদ্ধান্ত নেব। বৈঠকে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, এতদিন শেখ হাসিনাকে জননেত্রী বলতাম, আজ থেকে সেখান থেকে তার নামটা প্রত্যাহার করে নিলাম। আওয়ামী লীগ নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। প্রশাসনকে ব্যবহার করে জনগণের সঙ্গে যুদ্ধ করেছে। প্রশাসন আওয়ামী লীগকে ভোট ছিনতাই করতে সহযোগিতা করেছে। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমাদের এই দুঃসময়ে জাতি হিসেবে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। কিন্তু সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে। এই জন্য আমরা এই নির্বাচনে জয়লাভ করিনি।
বৈঠকে বিএনপির পাশাপাশি জেএসডি, গণফোরাম, খেলাফত মজলিশের প্রার্থীরা থাকলেও জামায়াতে ইসলামের কোনো প্রার্থী উপস্থিত হননি। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুর রহমান, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বৈঠকে ১৭৪ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বিজয়ী পাঁচজন প্রার্থীও ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটের পর আদালতে জামিনপ্রার্থীদের ভিড়

তাদের দাবি এটি গায়েবি মামলা। ওই মাসেই উচ্চ আদালত থেকে সবাই আগাম জামিন নেন। গতকাল মকবুল ইসলামসহ গেণ্ডারিয়া থানা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের ১৫৩ জন নেতাকর্মী নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে যান।
গেণ্ডারিয়া থানা যুবদল সভাপতি উমর নবী বাবু বলেন, আমার নামে ২২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই গায়েবি মামলা। এই মামলাগুলোর সব ক’টিতেই জামিনে আছি আমি। মাসের ১৫ দিন আমাকে আদালতপাড়াতেই কাটাতে হয়। সাইদুর রহমান। পুরান ঢাকার মুদি দোকানি। তিনি এসেছেন জামিন আবেদন করতে। গত ২রা নভেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে সাইদুরসহ ৪৫ জনকে আসামি করে ওয়ারী থানায় একটি মামলা করে। তিনি জানেন না, কী কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পরে তিনি জেনেছেন বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাশকতার একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। এরপর আগাম জামিনের জন্য হাইকোর্টে যান তিনি। সেখান থেকে আগাম জামিন নেন। গতকাল হাজির হয়ে নিম্ন আদালত থেকে জামিন নেন।
কেরানিগঞ্জ থেকে আসা আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা ২৩ জন এসেছি হাজিরা দিতে। আমাদের সবার নামে গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে।
বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম কিসমতসহ আরো কয়েকজন এসেছিলেন জামিন নিতে। তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, গত ১লা অক্টোবর পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপি-জামায়াতের ৩৬ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় নাশকতার অভিযোগ এনে একটি গায়েবি মামলা করে। মামলায় যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে সে ধরনের কোনো ঘটনা সেদিন ঘটেনি বলে দাবি করেন তারা। অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা বলেন, রাজধানীর শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী থানার দায়ের করা পৃথক ৬টি মামলায় গতকাল অন্তত ৫০ জনের জামিন হয়েছে। পল্লবী থানার আছদ্দর মিয়া জানান, আমি বিএনপি কর্মী। নাশকতার মামলায় আমাকে পাঁচ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন আমি ছিলাম আমার এক আত্মীয়ের বাড়িতে। অথচ আমাকে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলার মানুষ মোদির কাছ থেকে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা শিখবে না: পার্থ

প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গে এতটাই অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি চলছে যে, সেখানে সাধারণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিতে হলেও আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। নির্বাচনে বিরোধীদের ওপরে সন্ত্রাস চালানো পশ্চিমবঙ্গের স্বাভাবিক ঘটনা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সঙ্গে এসব মানানসই নয়।’
পাল্টা জবাবে তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘যেখানে গণতান্ত্রিক উপায়ে তাঁরা জিতেছেন বলে দাবি করেছেন সেখানে পুলিশ কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে, মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। গণতন্ত্র বলতে তো উনি একটাই গণতন্ত্র চালু করেছেন, তা হচ্ছে বিজেপি’র গণতন্ত্র। ত্রিপুরার নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে দেখুন, প্রায় ৯৩ শতাংশ আসনে তাঁরা বিরোধীদের দাঁড়াতে দেননি!’
তিনি বলেন, ‘রাফায়েল যুদ্ধবিমান ক্রয় ইস্যুতে বিজেপির দুর্নীতি স্পষ্ট হয়েছে। মোদি সরকারের আর্থিক দুর্নীতি, দুর্বলতা, অস্বচ্ছতা মানুষের সামনে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষ দুর্নীতির গন্ধ পেয়েছেন।’
তাঁর দাবি, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের মহাজোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুখ খোলায় স্পষ্ট হয়েছে যে, তিনি ভয় পেয়েছেন।’
পার্থ বাবু বলেন, বিজেপি রাজ্যের উন্নয়নকে স্তব্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে, কীভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যায়, কীভাবে দাঙ্গা বাঁধানো যায়, গেরুয়া শিবির সেই চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষই মোদিকে জবাব দেবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্তর্জাতিক মহলের কেউ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি: সিইসি

নির্বাচন কেউ প্রত্যাখ্যান করেনি।
বেশ কয়েকটি দেশের অভিনন্দন ও স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সাইবেরিয়ার সেই রাশিয়া থেকে শুরু করে ভলগা নদীর পাড় দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপারে আমেরিকা, ইউরোপ সব জায়গাতেই সর্বত্র আমরা এ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। এসময় নির্বাচনের আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে প্রশ্ন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশ বা কোনো সংস্থা এ নির্বাচনের বিরূপ কোনো মন্তব্য করেছে? নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেছে? এ সময় সমস্বরে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলে উঠেন ‘না, স্যার’। এর কারণ হিসেবে সিইসি বলেন, ‘এটা আপনাদের সার্থকতা।
এটা আমাদের সকলের সাফল্য। নির্বাচন সফল করতে গত মাসের জুলাই মাস থেকে প্রতিটি দিন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন সিইসি। নাইজেরিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচনের উদাহরণ টেনে নূরুল হুদা বলেন, তারা বলে এ বিগ ইলেকশন অব টেন মিলিয়ন পিপল। আর আমাদের ১০৪ মিলিয়ন পিপল। ১০ মিলিয়ন যদি বিগ হয়, তাহলে আমাদেরটা কি? ১০ মিলিয়নে যদি হয় বিগ, তাহলে ১০৪ মিলিয়নে কি হবে? এরকম একটা দেশে, এরকম একটা নির্বাচন আমরা সম্পন্ন করেছি, আপনারা সম্পন্ন করেছেন।’ নানা গুরুত্বের আঙ্গিকে বাংলাদেশের নির্বাচন ভিন্ন, গুরুত্বপূর্ণ ও বিশাল বলে মন্তব্য করেন সিইসি।
কারণ হিসেবে বাংলাদেশে একদিনে প্রায় ১০ কোটি ৪১ লাখ ভোটারের ভোটগ্রহণ ও পুরো নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে হয় বলে উল্লেখ করেন সিইসি। তিনি বলেন, পৃথিবীর বহু উন্নত দেশে এত সংখ্যক ভোটার নেই। এবং সেখানে ২/৩ দিন ধরে ভোটগ্রহণ হয়। এমন কারণে বাংলাদেশের নির্বাচনকে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ বলে আখ্যা দেন সিইসি। তিনি বলেন, সে কারণেই নির্বাচনটা এত গুরুত্বপূর্ণ, সে কারণেই নির্বাচন এত কঠিন। কিন্তু সেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে আমরা সফল ধাপে নিয়ে এসেছি। এখন আমাদের পরিশ্রমের ফল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের হাতে- যারা দেশ পরিচালনা করবেন তাদের হাতে আপনারা তুলে দিয়েছেন। তাদের দায়িত্ব হবে দেশকে কতখানি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেটা।
ইভিএমের প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আমাদের প্রথমবার ভুলভ্রান্তি হয়েছে, হবে। কাজ করতে গেলে ভুলভ্রান্তি হবে। কাজ করতে গেলে সবকিছু সঠিকভাবে আনা যাবে না। তবুও এটা যদি আমরা সার্থকভাবে ব্যবহার করতে পারি বহু দেশ আমাদের থেকে দৃষ্টান্ত নেবে, বিভিন্ন দেশে নিয়ে যাবে দেখানোর জন্য। এরমধ্যেই মিশর থেকে এনআইডি প্রকল্পের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে সে দেশে একটি প্রদর্শনী করতে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, নেপাল সরকার নির্বাচন কমিশনের কাছে একই ধরনের সহযোগিতা চেয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এসব নীরব কাজ দেশের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন সিইসি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমিশন সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে জানিয়ে নূরুল হুদা বলেন, একটা চ্যালেঞ্জও আমরা আনটাচ রাখিনি। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করতে পেরেছি।
সিইসির বক্তব্যের শুরুতে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে দক্ষ সচিব, সুযোগ্য সচিব, ক্ষিপ্র সচিব বলে আখ্যা দেন। তার নেতৃত্বে এত বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হওয়ায় ধন্যবাদ জানান নূরুল হুদা। তিনি বলেন, নির্বাচন একটা হয়ে গেছে, সামনে যে নির্বাচনগুলো আসবে সেগুলোও কিন্তু কম নয়। গুরুত্বের দিক দিয়ে এবং এর পরিধির দিক দিয়ে মোটেই কম নয়। সেসব নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি থাকবে। অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমপিদের শপথ, সরকার গঠনের আমন্ত্রণ প্রেসিডেন্টের: মন্ত্রিসভার শপথ সোমবার

এদিকে আগামী সোমবার নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে।
এমপিদের শপথের আগে প্রথম দফায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী এমপি হিসেবে নিজে শপথগ্রহণ করেন এবং শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এবারের নির্বাচনেও রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় ধাপে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের (২৫৫ জন) শপথ বাক্য পাঠ করান। তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (৩ জন), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) (২ জন), বিকল্পধারা বাংলাদেশ (২ জন), তরীকত ফেডারেশন (১ জন), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) (১ জন) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৩ জন নির্বাচিত এমপি শপথগ্রহণ করেন।
চতুর্থ ধাপে জাতীয় পার্টির ২১ জন এমপি শপথ গ্রহণ করেন। শপথগ্রহণ শেষে সকলে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ শুরু হয়। বেলা ১১টা ৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ কক্ষে প্রবেশ করেন। শেখ হাসিনাসহ একাদশ সংসদের এমপিরা নিজ নিজ নাম উচ্চরণ করে স্পিকারের সঙ্গে সঙ্গে পড়তে থাকেন- সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি যে কর্তব্যভার গ্রহণ করিতে যাইতেছি, তাহা আইন-অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব, আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব এবং সংসদ-সদস্যরূপে আমার কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হইতে দেবো না। এরপর সবাই শপথপত্রে নিজেদের আসনের নাম লিখে সই করেন।
শপথ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে শুভেচ্ছার ফুল তুলে দেন স্পিকার। শপথে এমপিদের প্রথম সারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডানপাশে ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আর বাঁ পাশে ছিলেন সাজেদা চৌধুরী, শেখ সেলিম, ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ নাসিম, আবদুর রাজ্জাক। নাজমুল হাসান পাপনের পাশে ছিলেন নতুন দুই সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শেখ তন্ময়। প্রথম দফাতেই ২৫০ জনের বেশি নবনির্বাচিত এমপি শপথ পাঠ করেন, যাদের মধ্যে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মাহি বি. চৌধুরী ও জাসদের (আম্বিয়া) মাঈনুদ্দিন খান বাদলও ছিলেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর নেতৃত্বে প্রথম দফা শপথের পর দ্বিতীয় দফায় শপথ নেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট, স্বতন্ত্র ও মহাজোটের কয়েকজন এমপি।
ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের হাসানুল হক ইনু, শিরিন আক্তার, জেপি’র আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, তরীকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, বিকল্পধারার আবদুল মান্নান এবং স্বতন্ত্র নিক্সন চৌধুরীও ছিলেন তাদের মধ্যে। এরপর দশম সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে সঙ্গে নিয়ে শপথ নেন জাতীয় পার্টির নবনির্বাচিত ২১ জন এমপি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন না। সংসদের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় নতুন এমপিদের জন্য ছিল চা-চক্রের আয়োজন।
শপথ নিতে সময় চেয়েছেন সৈয়দ আশরাফ
এদিকে এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এ প্রসঙ্গে স্পিকার জানান, উনার চিঠি পেয়েছি। উনি দেশে ফিরে আসার পর শপথ নিতে চান। আর এমনিতেই ৯০ দিন সময় উনি পাবেন। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৬৮ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ এখন থাইল্যান্ডের বামররুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসুস্থতার কারণে গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি। দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।
শপথের পর এমপিদের প্রতিক্রিয়া
একাদশ জাতীয় সংসদ একটি শক্তিশালী সংসদ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, কুষ্টিয়া-৩ থেকে নির্বাচিত এমপি মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, এ সংসদ আরো বেশি কার্যকর ও গঠনমূলক হবে। শপথগ্রহণ শেষে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আমাদের এখানে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে জাতীয় পার্টি রয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি যদি বিরোধী দলে আসে। দশম জাতীয় সংসদে তারা যেভাবে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছে, এবারও সেরকম ভূমিকা রাখবে। এবং কার্যকরী ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।
গত সংসদের মতো এবারও জাতীয় পার্টি সরকারে থাকতে চাইলে সেক্ষেত্রে কী হবে-প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশা করি জাতীয় পার্টি বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এতে তাদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গঠিত সংসদও সফল ও কার্যকরী ছিল। আপনারা খেয়াল করেছেন দশম জাতীয় সংসদে কোনো অশালীন বক্তব্য ছিল না, খিস্তিখেউড় ছিল না। এবারের সংসদও কোনো অশালীন বক্তব্য থাকবে না। এই সংসদও গতিশীল ও কার্যকর হবে। সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনের সময় দুর্বল দিকগুলো আমরাই কিন্তু তুলে ধরেছি। আমরা চেষ্টা করেছি সেগুলোকে সংশোধন করে আরো জনকল্যাণমূলক হয় সেভাবে বলেছিলাম। সুতরাং সংসদে বিরোধী দল থাকলেই শুধু গঠনমূলক আলোচনা হবে তেমনটি নয়। ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিতরা তাদের ভোটারদের প্রতি সম্মান রেখে শপথ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, তাদের ভোটার তো তাদের সংসদে আসার জন্যই ভোট দিয়েছে, সংসদে না আশার জন্য ভোট দেয়নি। আশা করি তারা তাদের ভোটারদের সম্মান রক্ষা করবেন।
তারা সংসদে আসবেন তাদের কথা বলবেন, গঠনমূলক সমালোচনা করে সংসদকে প্রাণবন্ত করবেন। জাসদের একাংশের কার্যকরী সভাপতি মাঈনউদ্দিন খান বাদল বলেন, নির্বাচনের আগের বিএনপি’র যে ‘দ্বিধাবিভক্তি’ ছিল, তা এখনো ‘কাটেনি’। গতবার নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি এবার শপথ না নিয়ে ‘আাবার ভুল করছে’। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হওয়া ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা শপথ নেয়ার পর বলেন, খেলা ও রাজনীতি দু’টোই একসঙ্গে চালিয়ে যাবো। দু’টোতেই ভালো করার চেষ্টা করবো। স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, এলাকাকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে সবাই মিলে কাজ করবো। এলাকার উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করবো।
মেহেরপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি ফরহাদ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, একাদশ সংসদের সদস্য হিসেবে এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করবো। তারা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। সে প্রত্যাশা রাখার চেষ্টা করবো। বিএনপি’র শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর মাহী বি চৌধুরী বলেন, তারা নির্বাচিত হলেও শপথ নিতে আসেননি। জনগণ তাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে। সেটা নেয়ার পরেও যারা সংসদে আসেননি তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। তিনি বলেন, এবার জনগণের ম্যান্ডেটটা অনেক বড়। তাই দায়িত্বটাও অনেক বড়। সেই দায়িত্বটা আমরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করতে চেষ্টা করবো। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, বিশ্বাস করেছেন তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
মন্ত্রিসভার শপথ সোমবার, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পিএস- এপিএস’র তালিকা হচ্ছে:
আগামী ৭ই জানুয়ারি সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে যাচ্ছে। এজন্য রোববার শেষবেলায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সেই অনুযায়ী ফাইল তৈরি করবেন এবং তা বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের সময় তৈরি রাখবেন। শপথের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম মানবজমিনকে বলেন, আগামী সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় নতুন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেবেন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দিন তারিখটি ঠিক করা হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নতুন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেবেন, ইনশাআল্লাহ্। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। গতকাল বিকালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রেসিডেন্ট এই আমন্ত্রণ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ছিলেন। মন্ত্রিসভা গঠনের পাশাপাশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পিএস-এপিএস নিয়োগ নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। এবার স্বচ্ছ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কর্মকর্তা ছাড়া কাউকেই মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিব (পিএস) ও সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ করা হবে না। এজন্য তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ওই তালিকায় প্রশাসন ক্যাডারের বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে। মন্ত্রিসভার শপথের আগেই এমন তালিকা তৈরির খবরে পিএস/এপিএস হতে আগ্রহী প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন মাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ করছেন।
নিজের নাম তালিকাভুক্ত করতে চেষ্টা-তদবির করছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতায় সরকার দেখেছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অভিপ্রায় থাকায় স্বাধীনতা বিরোধীদের পরিবার থেকে পিএস বা এপিএস পদে অনেকেই নিয়োগ পান। এ চিন্তা মাথায় রেখেই তালিকা তৈরির কাজ চলছে। মন্ত্রিসভা গঠন প্রসঙ্গে সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। যে সংসদ সদস্য, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে প্রেসিডেন্টের কাছে প্রতীয়মান হবেন, প্রেসিডেন্ট তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীকে প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এর আগে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হয়েছিল একই বছরের ১২ই জানুয়ারি। তখন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ৪৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
ওই সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ প্রতিমন্ত্রী এবং দু’জন উপমন্ত্রী ছিলেন। পরে কয়েক দফা মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হলে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ায় ৫৩ সদস্যের। সংসদের অধিবেশন বসেছিল ২৯শে জানুয়ারি। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে এবারও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করেই সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এদিকে মন্ত্রিসভার শপথকে ঘিরে এখনও ব্যস্ত সময় পার করছে বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুলের কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথমেই বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রেসিডেন্ট।
এরপর প্রেসিডেন্ট পর্যায়ক্রমে শপথ পড়াবেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। আর নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়ানোর জন্য বঙ্গভবনে আনতে তাদের বাসায় পাঠানো হবে নতুন গাড়ি। বিষয়টি নিয়ে পরিবহন পুল ব্যস্ত রয়েছে। সরকারি পরিবহন পুলে নতুন করে আরও ২০-২৫টি গাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজন হোক আর না হোক পরিবহন পুল এসব গাড়ি ধুয়ে-মুছে প্রস্তুত রাখার কথা ভাবছে। এসব গাড়ির চালকদেরও নির্বাচিত করা হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এভাবে ট্রায়াল চললে আমি আর আসবো না - বেগম খালেদা জিয়া

আর যদি এই জায়গায় ট্রায়াল চলে তাহলে আমি আর আসবো না। সাজা দেয়ার জন্যই এনেছেন। সাজা দেবেন। আমি আর আসতে পারবো না।’
জবাবে ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, আগামী কোর্টে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হবে। তখন খালেদা জিয়া আবারও বিচারককে বলেন, ব্যবস্থা শুধু করার কথা বলা হয় কিন্তু করা হয় না। এর উত্তরে বিচারক বলেন, আমি নতুন এসেছি। আজ আমার প্রথম কোর্ট। আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা করবো।
এদিন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা ও মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। কারাগারের পথে পথে সশস্ত্র পুলিশ সদস্য টহল দেয়।
আগামী ১৩ই জানুয়ারি নাইকো মামলার শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। তার আগে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আলাদা আবেদন জানালে আদালত তা খারিজ করে দেন। এফবিআই সদস্যদের সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নথিভুক্ত করা হয়েছে।
শুনানি শেষে হলে বেলা সোয়া ২টায় খালেদা জিয়াকে আবারও কারাকক্ষে নেয়ার সময় গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে কিছু বলবেন কি না জানতে চাইলে জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, আমার কিছু বলার নেই। এর পরপরই আবারও হুইল চেয়ারে করে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
গত ৮ই নভেম্বর খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে হঠাৎ করে কারাগারের বিশেষ আদালতে আনা হয়েছিল। ১৪ই নভেম্বর আবারো তাকে ওই আদালতে আনা হয়। এর আগে তিনি হাইকোর্টের আদেশের গত ৬ই অক্টোবর থেকে ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের অধীনে বিএসএমএমইউ’র একটি ভিআইপি কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জরুরি আমলের সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে গ্যসচুক্তি করায় রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৮ সালের ৫ই মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিউবার বিপ্লবের ৬০ বছর পূর্তি: ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ রাউল ক্যাস্ত্রোর

কিন্তু মনে হচ্ছে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন পুনরায় সংঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। ৮৭ বছর বয়স্ক এ নেতা আরো বলেন, বিপ্লবের ৬ দশকে কিউবা প্রমাণ করেছে যেকোনো ধরনের হুমকিকে তারা ভয় পায় না। শান্তি ও সম্মানের সঙ্গে আমরা টিকে রয়েছি।
উল্লেখ্য, ১৯৫৯ সালে বড় ভাই ফিদেল ক্যাস্ত্রোর নেতৃত্বে বিপ্লবে অংশ নিয়েছিলেন রাউল ক্যাস্ত্রো। কিউবায় সে সময় ক্ষমতায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রসমর্থিত স্বৈরশাসক বাতিস্তা। বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন তারা। স্বৈরাচার উৎখাত করে দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন কমিউনিস্ট শাসন। সেই বিপ্লবেরই ৬০ বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু বাতিস্তা সরকারকে উৎখাত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মিত্র রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় কিউবার সঙ্গে কয়েক দশকের শীতল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৬২ সাল থেকে দেশটির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীন, ভিয়েতনামের মতো বর্তমানে পৃথিবীর যে কয়টি দেশ নিজেকে কমিউনিস্ট দাবি করে থাকে তার মধ্যে কিউবা অন্যতম।
এর আগে এপ্রিলে রাউল ক্যাস্ত্রো কিউবার প্রেসিডেন্ট পদ ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হিসেবে থাকবেন। মঙ্গলবার যখন তিনি কিউবা বিপ্লবের ৬০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করছেন, একইদিনে লাতিন আমেরিকার আরেক দেশ ব্রাজিলে উগ্র ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোরানো ব্রাজিলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরবরাহ খরায় বেড়েছে সবজির দাম

ব্যবসায়ীরা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পরিবহন সংকট থাকায় রাজধানীতে পর্যাপ্ত সবজি আসেনি। এর প্রভাবে সব ধরনের সবজির দাম সামান্য বেড়েছে।
তবে এটা সাময়িক। এখন স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকা সত্ত্বেও বিক্রেতারা দাম বাড়িয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা, শসা ৪০-৫০ টাকা, নতুন আলু ৪০ টাকা। অথচ দুই দিন আগে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকা, শিম আকার ও মান ভেদে ৩০-৪০ টাকা, নতুন আলু ২৫ টাকা। গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজরের দাম বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে কাঁচামরিচ কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৮০ টাকা। এ ছাড়া বাজারে প্রতি কেজি গাজর ৪০-৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০-৫০ টাকা, করলা ৪০-৬০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪৫-৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর বাজারে প্রতি পিস বাঁধাকপি ও ফুলকপি বিক্রি হয় ৩০-৪০ টাকায়, লাউ ৪০-৬০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০-৫০ টাকা।
সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানি করা পিয়াজের দাম বেড়েছে। আমদানি করা ভারতীয় পিয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পিয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
কাওরান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, নির্বাচনের কারণে সারা দেশে গাড়ি চলেনি। যার কারণে রাজধানীর পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কম। যে কারণে চাহিদার তুলনায় পণ্য কম থাকায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। যার প্রভাব পরেছে খুচরা বাজারে।
বাজার করতে আসা কবির বলেন, নির্বাচনের কারণে বাজারে সবজি কম। যে কারণে বিক্রেতারা বেশি দামে বিক্রি করছে। কিন্তু বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ বেশি। তবুও বিক্রেতারা কেজিতে একাধিক সবজিতে ১০-২০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে, যা কখনোই কাম্য না। এজন্য বাজার মনিটরিং বাড়াতে হবে।
এদিকে বাজারে মাছ ও মাংসের বাজার দর স্থিতিশীল রয়েছে। গত সপ্তাহে কিছুটা বাড়লেও এ সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ ও মাংসের দাম। বাজারে মাঝারি সাইজের প্রতিকেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, বড় সাইজের ৩৫০ টাকা থেকে ৩৮০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ ছোট সাইজের ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা ও বড় সাইজের ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, পাবদা মাছ প্রতিকেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। ইলিশ মাছ ১ কেজি ওজনের বাজার ভেদে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। গরুর মাংস প্রতিকেজি ৪৭০ টাকা থেকে ৪৮০ টাকা। এবং খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় নতুন বছরের জানুয়ারিতে কিছু নিত্যপণ্যের দাম কমেছে আবার কিছু পণ্যের দাম বেড়েছ। টিসিবির হিসেবে গত বছরের এই সময়ের তুলনায় চলতি বছর সরু চালের দাম ৭.৯৪ শতাংশ, মাঝারি মানের চাল ৭.৬৯ শতাংশ, মোটা চাল ১১.১১ শতাংশ, ভোজ্য তেলের দাম ৬.৩৬ শতাংশ, মসুর ডাল ১৬.৬৭ শতাংশ, মুগ ডাল ১৬ শতাংশ, আলু ১৪ শতাংশ, পিয়াজ ৬২.৫০ শতাংশ, চিনি ৪.০৪ শতাংশ কমেছে। তবে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ময়দা, রুই, ইলিশ মাছ ও দেশি মুরগি। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় পণ্যগুলো যথাক্রমে ৩.৮০ শতাংশ, ২৪ শতাংশ, ২১.৪৩ শতাংশ ও ১২.৩৩ শতাংশ বেড়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারে থাকার সিদ্ধান্ত জাপার

অসুস্থজনিত কারণে এইচ এম এরশাদ গতকাল শপথ নিতে পারেন নি। শপথ অনুষ্ঠানে রওশন এরশাদের ডান পাশে ছিলেন কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। বাঁ-দিকে ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও কাজী ফিরোজ রশীদ। এ ছাড়া রানা মোহাম্মদ সোহেল, আহসান আদেলুর রহমান, পনির উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, নাসরিন জাহান রত্না, রুস্তম আলী ফরাজী, ফকরুল ইমাম, মুজিবুল হক চুন্নু, লিয়াকত হোসেন খোকা, সেলিম ওসমান, পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ, মাসউদ উদ্দিন চৌধুরী, নুরুল ইসলাম তালুকদার ও গোলাম কিবরিয়া টিপু শপথ নেন। শপথ অনুষ্ঠানের পরে দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সংসদ কার্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন জাতীয় পার্টির এমপিরা।
ওই বৈঠক শেষে মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, আমরা ২০০৮, ২০১৪ এবং এবারও মহাজোটগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। সুতরাং আমরা মহাজোটের সঙ্গেই আছি। আগামী দিনেও আমরা মহজোটের সঙ্গে থাকবো। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি না থাকায় আমরা সরকার ও বিরোধী দলে ছিলাম। একসঙ্গে সরকারি ও বিরোধী দলে থাকাটা প্রধানমন্ত্রীর নতুন ফরমেট ছিল। দেশের উন্নয়নের জন্য আমরা সেভাবেই ছিলাম। তিনি বলেন, মহাজোটের আসন সংখ্যা হচ্ছে ২৮৮টি। দেশের জনগণ চায় না যে সংসদে বড় ধরনের কোনো বিরোধী দল থাকুক।
জনগণ সরকারের ওপর সন্তুষ্ট। সে কারণেই তারা মহাজোটকে ভোট দিয়েছে। মহাজোটই আগামী ৫ বছর ক্ষমতায় থাকবে। জাতীয় পার্টি কি তাহলে সরকারে থাকছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি মহাজোটে আছে। মহাজোটের মহানেত্রী আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আছেন, তিনি আমাদের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে আলোচনা করে যে সিদ্ধান্ত নেবেন- সেটাই হবে আমাদের সিদ্ধান্ত। তবে সরকারে বা বিরোধী দলে থাকতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের সংসদ সদস্যরা তাদের এলাকা ও দেশের উন্নয়নে মহাজোটের সঙ্গে সরকারেই থাকতে আগ্রহী।
তাহলে সংসদে বিরোধী দলের নেতা কে হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমাদের বিষয় নয়। এটা সংসদের নেতা ঠিক করবেন। সংসদে জাতীয় পার্টির নেতা কে হবেন জানতে চাইলে পার্টির কো- চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, সংসদে আমাদের পার্টির নেতা কে হবেন সেটা দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সে মিটিংটা কবে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা আমরা পরে জানিয়ে দেবো। তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনের সময়ও ছিলাম, সরকারেও থাকবো। সেটাই আমরা চূড়ান্ত করেছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে, জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন।
শপথ নেননি এরশাদ
এদিকে গতকাল জাতীয় পার্টির ২২ সদস্যের মধ্যে ছিলেন না কেবল এইচ এম এরশাদ। অসুস্থ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বিকালে স্পিকারের কক্ষে শপথ নেবেন বলে সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছিল। তবে বিকালেও এরশাদ শপথ নিচ্ছেন না বলে তার ছোট ভাই ও পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের জানান। তিনি বলেন, তিন-চার দিনের মধ্যে তার শপথ নেয়ার কথা রয়েছে। তা না হলে বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যেই শপথ নেবেন পার্টির চেয়ারম্যান। ৮৮ বছর বয়সী এরশাদ নির্বাচনের আগে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর ঘুরে এসেছেন। রংপুরের যে আসন থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে ভোট দিতেও যাননি তিনি। নির্বাচনী প্রচারেও নিজের এলাকায় যাননি এইচ এম এরশাদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদের বিদায়

জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ বাংলাদেশের রাজনীতির এক অসাধারণ চরিত্র। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা আশরাফের বিরুদ্ধে কখনোই কোনো দুর্নীতি বা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ওঠেনি। রাজনীতির ক্রাইসিস মুহূর্তে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন সৈয়দ আশরাফ।
অসুস্থ অবস্থাতেই তাঁকে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়। দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গতকাল সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও আশরাফের পক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। সে আবেদনে সাড়াও মিলে। কিন্তু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার আগেই তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। রাতে তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী সৈয়দা শিলা ইসলাম ২০১৭ সালের ২৩শে অক্টোবর লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর থেকেই অন্তরালে চলে যান সৈয়দ আশরাফ। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এটা হয়তো নিয়তি নির্ধারিতই ছিল। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের রাজনীতিতে আসা কোনো বিস্ময়কর ঘটনা ছিল না। খুব ছোটবেলায় এক আদর্শবাদী পিতাকে দেখে তিনি বড় হয়েছেন। শিখেছেনও হাতে-কলমে। সময় ১৯৫২।
‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’ আন্দোলনে উত্তাল পূর্ব পাকিস্তান। বছরখানেক আগে সরকারি চাকরি ছেড়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম যোগ দিয়েছেন অধ্যাপনা পেশায়। শুরু করেছেন ওকালতিও। সর্বদলীয় অ্যাকশন কমিটির সদস্য হিসেবে ভাষা আন্দোলনে রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। একই বছর তার ঘর আলোকিত হয় এক পুত্র সন্তানের আগমনে। নাম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ছোট বেলাতেই সৈয়দ আশরাফ দেখেছেন রাজনীতিবিদ পিতার ব্যস্ততা। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম তখন পুরোদমে সক্রিয়। এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতিরও। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরিণত হন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাণপুরুষে।
ছোট বেলা থেকেই সৈয়দ আশরাফ দেখেছেন রাজনীতির জন্য কিভাবে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। পিতাকে দেখে তিনি বুঝেছিলেন সততা আর বিশ্বাস কখনও পরাজিত হয় না। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই রাজনীতিতে অভিষেক হয় সৈয়দ আশরাফের। ছাত্রলীগেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। এরআগে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। ইতিহাস সরল পথে চলেনি।
বাংলাদেশ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে তখন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও তার সহযোদ্ধারা। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা বসে ছিল না। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট আঘাত হানে তারা। সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। নির্মম এ হত্যাকা-ের পর আওয়ামী লীগের কিছু নেতা হাত মেলান খুনিদের সঙ্গে। বারবার চাপ দেয়া হয় জাতীয় চার নেতাকে। কিন্তু তারা আপোষ করেননি। পরিণতিতে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয় তাদের। আর কারাগারেই ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। সে সময়কার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েই সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগে সবাই মোশ্তাক হয় নাই। সবাই বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। অনেকেই নিজের জীবন দিয়েও বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বাস রক্ষা করেছিলেন।
১৯৭৫ সালে পিতাকে হারানোর পর বিলাতে চলে যান সৈয়দ আশরাফ। সেখানে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে এসে সক্রিয় হন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। অংশ নেন ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে। সপ্তম সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারে তিনি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে রাজনৈতিক জীবনে সৈয়দ আশরাফ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জরুরি জমানায়। শেখ হাসিনার জন্য তখন বৈরী সময়।
এক পর্যায়ে তিনি গ্রেপ্তারও হন। নেতাদের একটি অংশ রাজনীতি থেকে তাকে মাইনাসে তৎপর। পর্দার অন্তরালে সক্রিয় কুশীলবরা। এ পর্যায়ে জিল্লুর রহমানের সঙ্গে মিলে দলীয় সভানেত্রীর পক্ষে শক্ত অবস্থান নেন আশরাফ। আবদুল জলিল গ্রেপ্তার হলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। লড়াই চালাতে থাকেন সভানেত্রীর পক্ষে। এক পর্যায়ে পিছু হটে কুশীলবরা। মুক্তি পান শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগের ভূমিধস বিজয়েও সক্রিয় ভূমিকা ছিল সৈয়দ আশরাফের। দায়িত্ব পান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর। ২০০৯ সালে কাউন্সিলে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরপর বিডিআর বিদ্রোহের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয় সরকারকে। সৈয়দ আশরাফের তখনকার ভূমিকাও প্রশংসনীয়। এরপর প্রতিটি ক্রাইসিস মুহূর্তেই তিনি রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদ হারালেও সৈয়দ আশরাফ সবসময়ই আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তদবিরবাজদের থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন তিনি। সৈয়দ আশরাফ বাংলাদেশের রাজনীতির এক বিরল চরিত্র। তার ক্লিন ইমেজে কখনও তিনি কালিমা পড়তে দেননি। মন্ত্রিত্ব হারানোর পর নানা গুঞ্জনের মধ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি লাভের জন্য রাজনীতি করি না। আমার পিতা সততার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন, নেতার জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন। এটাই আমার রক্ত।’ এটাই রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফের আসল পরিচয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 04
(22)
- আফগানিস্তানে ভারতীয় লাইব্রেরি; মোদিকে মশকরা করলেন ...
- চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ...
- ইরানের সামরিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নয়নে মার্কিন উদ্বেগ
- দাঙ্গা নয় শান্তি চাই, মৃত্যু নয় জীবন চাই: মমতা বন্...
- নয়া কৌশলে এবারের বিপিএল বাজি by পিয়াস সরকার
- ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব নিয়ে কথা বলার অধিকার আমেরিকার ...
- গণতন্ত্র ও ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ কোনোটিই লাভব...
- অবশেষে শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ
- যে কারণে নিজের ভোটটিও পেলেন না এক প্রার্থী -বিবিসি...
- সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত চায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
- জম্মু-কাশ্মিরে ২০১৮ সালে ৩১১ গেরিলা ও ৮০ নিরাপত্তা...
- আপনারা এলাকার সব জনগণের এমপি -আওয়ামী লীগের সংসদীয় ...
- শপথ নেননি ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ীরা নির্বাচন বাতিল চেয়ে...
- ভোটের পর আদালতে জামিনপ্রার্থীদের ভিড়
- বাংলার মানুষ মোদির কাছ থেকে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা শিখব...
- আন্তর্জাতিক মহলের কেউ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি:...
- এমপিদের শপথ, সরকার গঠনের আমন্ত্রণ প্রেসিডেন্টের: ম...
- এভাবে ট্রায়াল চললে আমি আর আসবো না - বেগম খালেদা জিয়া
- কিউবার বিপ্লবের ৬০ বছর পূর্তি: ট্রাম্প প্রশাসনের প...
- সরবরাহ খরায় বেড়েছে সবজির দাম
- সরকারে থাকার সিদ্ধান্ত জাপার
- এক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদের বিদায়
-
▼
Jan 04
(22)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

