Sunday, April 20, 2025
৩০ হাজার তরুণকে নিয়োগ দিল ফিলিস্তিন যোদ্ধারা
রোববার (২০ এপ্রিল) সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত যোদ্ধাদের গোপন সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যদিও তাদের সামরিক দক্ষতা শহুরে যুদ্ধ, রকেট হামলা ও বিস্ফোরক স্থাপন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ- এমনটাই দাবি করেছে আল আরাবিয়া। যোদ্ধাদের কবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই তারা দলে যুক্ত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। শুরু থেকেই গাজা দখলের জন্য ব্যাপক হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনারা। এখন পর্যন্ত গাজার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হলেও তারা সীমান্তবর্তী কিছু অঞ্চল দখলে নিতে সক্ষম হয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার প্রায় অর্ধেক এলাকা দখল করে সেখানকার ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ‘বাফার জোন’ তৈরি করেছে। এসব এলাকায় ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে তারা। পাশাপাশি হামলার নামে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চালানো গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞে গাজা পরিণত হয়েছে এক মানবিক বিপর্যয়ের কেন্দ্রে।
![]() |
| নিয়োগপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের গোপন সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাতা গোষ্ঠীগুলোর সতর্কবার্তা: ‘দিনে একবেলারও কম’ খেয়ে বেঁচে আছে গাজার শিশুরা
গত বৃহস্পতিবার দাতা গোষ্ঠীগুলোর এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ১৮ মাসের সামরিক অভিযান ও গত মাসে আরোপ করা পূর্ণ অবরোধের কারণে গাজার মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা ‘সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার উপক্রম’ হয়েছে।
বিবৃতির তথ্যমতে, ৪৩টি আন্তর্জাতিক ও ফিলিস্তিনি সহায়তা গোষ্ঠীর প্রায় ৯৫ শতাংশ এরই মধ্যে গাজায় তাদের পরিষেবা স্থগিত বা বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যাপকভাবে ও নির্বিচার বোমা হামলার ফলে (গাজায়) চলাফেরা করা খুব বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
দাতা গোষ্ঠী অক্সফামের নীতিবিষয়ক প্রধান বুশরা খালিদী বলেন, ‘শিশুরা দিনে একবেলারও কম খাবার খাচ্ছে ও পরবর্তী বেলার খাবার খুঁজে পেতে লড়াই করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবাই শুধু টিনজাত খাবার খাচ্ছে...গাজায় অপুষ্টি এবং কোনো কোনো জায়গায় নিশ্চিতভাবে দুর্ভিক্ষের ঘটনা ঘটছে।’
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের গাজার জরুরি সমন্বয়কারী আমান্দে বাজেরোল বলেন, ‘এটিকে মানবিক ব্যর্থতা বলা যায় না। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণেই এটি ঘটছে। এটি (ফিলিস্তিনি) জনগণের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর ইচ্ছাকৃত আঘাত, যা (ইসরায়েলি সেনারা) দায়মুক্তির সঙ্গে কার্যকর করছে।’
গাজা সিটি থেকে আল–জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ গত শুক্রবার বলেন, শিশুদের ফর্মুলা (প্রস্তুতকৃত খাবার) ফুরিয়ে যাচ্ছে। এতে করে শিশু ও নবজাতকেরা অপুষ্টিতে পড়তে যাচ্ছে।
হানি মাহমুদ বলেন, ‘আমরা অনেক গুরুতর অপুষ্টির ঘটনা দেখেছি। পরিবারগুলো নিজেদের সবচেয়ে মৌলিক চাহিদাও পূরণ করতে পারছে না। এমনকি খুবই ঝুঁকিতে থাকা শিশু এবং নবজাতকদের প্রয়োজনও তারা পূরণ করতে পারছে না। বাজার ও ফার্মেসি থেকে শিশুদের ফর্মুলা মোটামুটি উধাও হয়ে গেছে।’
গাজার দির আল-বালাহ এলাকার আল-আকসা হাসপাতালের বাইরে কিছু ফিলিস্তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, অপুষ্টির কারণে তাঁদের সন্তানেরা মারা যাচ্ছে।
ছেলে হারানো ফাদি আহমেদ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁর ছেলের ফুসফুসে ব্যাপক সংক্রমণ শনাক্ত করেন। তার রক্তে অক্সিজেনের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছিল। এই বাবা আরও বলেন, ‘দুর্বলতা ও তীব্র অপুষ্টির কারণে ছেলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। হাসপাতালে এক সপ্তাহ থাকার পর সে মারা যায়।’
ইন্তিসার হামদান নামের এক নারী বলেন, ‘আমার নাতির মা-বাবা তিন দিন ধরে কোনো দুধ খুঁজে পাননি। ফলে আমার নাতিকে মারা যেতে হলো।’
আল–জাজিরার তারেক আবু আজম বলেন, ‘শিশুরা শুধু অপুষ্টিতেই ভুগছে না; বরং গুরুতর চিকিৎসা জটিলতা ও রোগেও ভুগছে; যা সহজে নিরাময় করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।’
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, উপত্যকাটিতে অন্তত ৬০ হাজার শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সহায়তাকারী গোষ্ঠীগুলো বলেছে, গাজা মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে ভয়ংকর স্থানে পরিণত হয়েছে। ফলে শিশুদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা সরবরাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর তথা ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ৪০০ জনের বেশি সাহায্যকারী কর্মী ও ১ হাজার ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। অথচ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে যুদ্ধকবলিত অঞ্চলেও মানবিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
গাজার ১২টি প্রধান দাতা গোষ্ঠীর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ১৫ জন ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য ও উদ্ধারকর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েল। তাঁদের একটি গণকবরে সমাহিত করা হয়েছিল। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আইন লঙ্ঘনের এমন অনেক ঘটনা ও হামলার খবর অজানাই রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠনগুলোর প্রতি দাতা গোষ্ঠীগুলো নিজেদের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। নিরাপদে ‘গাজাজুড়ে যাতে অবাধে সহায়তা পৌঁছানো যায়’ তারা সে আহ্বানও জানিয়ে আসছে। গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ সরবরাহে যেন আর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা না হয়, সেই আহ্বানও জানিয়েছে তারা।
![]() |
| খাবার সংগ্রহ করছে গাজার শিশুরা। দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে, ৩ মার্চ ২০২৫ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জায়নবাদ যেভাবে ইসরায়েলকে দুই ভাগ করে ফেলছে by আবেদ আবু শাহদেহ
বেনি গ্যান্টজের এই প্রচারণা এমন এক সময়ে এল, যখন প্রলম্বিত গাজা যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলে সামাজিক অস্তিরতা বেড়েই চলেছে।
যদিও সংসদীয় বিরোধী দল নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছে। যুদ্ধে ‘সম্পূর্ণ বিজয়ের’ দাবি যে বিভ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়, সেটা তাঁরা স্বীকার করছেন না। এরপরও ইসরায়েল যদি ইরানে আক্রমণ চালিয়ে বসে, তাহলে পুরো অঞ্চলই বিশৃঙ্খলার মধ্যে ডুবে যাবে। একই সঙ্গে সিরিয়ায় সামরিক অভিযান ইসরায়েলের কৌশলগত বিভ্রমকে আরও গভীর করেছে। ইসরায়েলকে আরেকটি কানাগলির মধ্যে আটকে দিচ্ছে।
এই আগ্রাসী পদক্ষেপ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকে সামনে আনছে। দৃশ্যমান বাস্তবতার আড়ালে ইসরায়েলি সমাজে গভীর দ্বন্দ্ব চলছে। আর সেটা হচ্ছে, ‘তেল আবিবকেন্দ্রিক রাষ্ট্র’ এবং ‘তথাকথিত জুডিয়া ও সামারিয়াকেন্দ্রিক রাষ্ট্র’–এর (অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েল এ নামে ডাকে) মধ্যকার পরিচয়গত সংঘাত।
ইসরায়েলি সমাজের ভেতরকার এই বিভাজন ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। সম্প্রতি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নজিরবিহীনভাবে সরকারের শ্রেণিবদ্ধ তথ্য তিনি একজন মন্ত্রী ও সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করেছিলেন।
এর চেয়ে গুরুতর ঘটনা হচ্ছে, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এ সপ্তাহে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান। এর কারণ হলো, সেই সভায় শিন বেতের প্রধান রোনেন বারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
একই সঙ্গে আবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিরাপত্তা–সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস এবং পুলিশের মধ্য কাহানিস্ট (ইসরায়েলের একজন রাব্বির প্রচারিত রাজনৈতিক মতাদর্শ) কর্মকাণ্ডের অনুপ্রবেশের ব্যাপারে অনুসন্ধান করছে শিন বেত।
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে বিভাজন স্পস্ট। পুলিশ এখন একজন ডানপন্থী ত্রাতাবাদী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি পশ্চিম তীরে সেটলারদের সহিংসতায় লাগাম টানতে রাজি নন।
এর বিপরীতে শিন বেত রাষ্ট্রযন্ত্র ও নেতানিয়াহুর বিরোধী পক্ষের সঙ্গে যুক্ত। আর এই বিভাজন সংবাদমাধ্যমেও জগতেও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
চূড়ান্ত বিচারে আজ জায়নবাদ পরস্পরবিরোধী নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দুটি রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এখন সেটা রাষ্ট্রের মধ্যেই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিচ্ছে।
ডানপন্থীদের মধ্যেই নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন মিত্র, যেমন মোসে ইয়ালন, ডান মেরিডার ও ডান হ্যালুটজ (তাঁরা সবাই তাঁদের কট্টর দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত) সবাই নিজেদের অবস্থান পাল্টাছেন। নিষ্ক্রিয় বিরোধী সংসদ সদস্যদের মতো নন তাঁরা। তাঁরা বলছেন যে হুমকি কেবল যুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, নেতানিয়াহু সমাজকে বড় যে রূপান্তরের মুখে ঠেলে দিয়েছেন, সেটাও একটা বড় হুমকি।
মোসে ইয়ালন সেনাপ্রধান থাকাকালে অধিকৃত পশ্চিম তীরে মারাত্মক অভিযান চালিয়েছিলেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার তিনি তাঁর অনুসারীদের হতাশ করেছেন। সাক্ষাৎকারে ইয়ালন বলেছেন, তিনি আশা করেন যে ইসরায়েল গাজায় ‘শিশু হত্যা করার জন্য সেনাবাহিনী যেন না পাঠায়’। তিনি স্বীকার করেন যে উত্তর গাজায় ইসরায়েল জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়েছে।
সাবেক বিচারপতি মেরিডর রাজনীতিতে বর্ণবাদের উত্থান নিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে বর্ণবাদী রাজনৈতিক মঞ্চের কারণে একবার রাব্বি মেইর কাহানের দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি পশ্চিম তীরে সেটলার কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে জনমিতিক যে বাস্তবতা, তার কারণে গাজা ও পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করা অসম্ভব।
ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর সাবেক কমান্ডার হ্যালুটজও প্রকাশ্যে গাজা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন। তিনি সতর্ক করেন যে এই যুদ্ধ কেবল ঘৃণাকেই গভীর করবে এবং শত্রুকে শক্তিশালী করবে।
হারেৎজে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে হ্যালুটজ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে ভয়ে তাঁর সন্তান ও নাতি–নাতনিদের সবাই ইসরায়েল ছেড়ে চলে যেতে পারেন। তিনি বলেন যে নেতানিয়াহুর সামাজিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্প তেল আবিবের দখলদারত্ব ও উদার জীবনের মধ্যে যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য, সেটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে।
এই বক্তব্যগুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে ইসরায়েলি সমাজের বামপন্থীরা তো বটেই, জায়নবাদী ডানপন্থীরাও যুদ্ধ অব্যাহত করতে চাইছে না। এই অংশ এখন সাংস্কৃতিকভাবে আধিপত্য করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ডানপন্থীরা যখন প্রকৃত বিকল্প প্রস্তাব করতে পারছে না, তখন মেসায়নিক ডানপন্থীরা দীর্ঘস্থায়ী মতাদর্শিক লড়াইয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছে, যেটা একসময় ইসরায়েলের পরিচয়কে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে।
গাজা যুদ্ধে ইসরায়েল যদি কোনো কিছুতে সফলতা পায় সেটা হলো, গণহত্যামূলক সহিংসতা চালানোর পরও তাদের সমাজের মধ্যে একটা ‘স্বাভাবিকতা’ বজায় রাখা।
ফিলিস্তিন ও লেবাননে তারা হাজার হাজার মানুষকে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি জনজীবনে কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি।
হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগ, দেশে দেশে প্রতিবাদ ও অর্থনৈতিক বর্জনের পরও ইসরায়েলি সমাজ নির্লিপ্ত।
‘আমরা কিছু জানি না’, এই দাবি আর বেশি দিন টিকে থাকবে না। হাজার হাজার সেনা যুদ্ধে তাঁদের ভূমিকার ভিডিও চিত্র ধারণ করেছেন এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। সেটা তারা জানেন। সবাই সেটা জানছেন। ভয়টা আসে অজ্ঞনতা থেকে নয়, ভয়টা আসে নির্লিপ্ততা থেকে। একটি সমাজের সত্যিকারের বিপদ নিহিত থাকে প্রতিদিনকার স্বচ্ছন্দ্য বজায় রেখে গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা এবং শিশু হত্যার ন্যায্যতা উৎপাদন এবং প্রশ্ন না করার মধ্যে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিশৃঙ্খলা ইসরায়েলি নাগরিক জীবনকে প্রভাবিত করছে। সাংস্কৃতিক উত্তেজনা বাড়ছে। জাতীয় পরিচয়কে নতুনভাবে বিন্যস্ত করছে।
নেতানিয়াহুর প্রাক্তন মিত্রদের সবাই যে উদ্বেগটি জানিয়েছেন সেটা হলো, তেল আবিবের মধ্যবিত্ত শ্রেণি ইসরায়েল ছেড়ে চলে যেতে পারেন। সেটা ঘটলে ইসরায়েলের অর্থনীতিতে যেমন বিপর্যয় নেমে আসবে আবার বাইরের দেশে লিবারেল ভাবমূর্তিও নষ্ট্ হবে।
* আবেদ আবু শাহদেহ জাফার একজন রাজনৈতিক কর্মী
- মিডলইস্ট আই থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ। ছবি : এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলি হামলায় আরও ৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত
শনিবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ খবর দিয়েছে গালফ টাইমস। এতে বলা হয়, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল মাওয়াসিতে শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে কামানের গোলা বর্ষণ করেছে ইসরাইল। এতে এক নারী নিহত এবং চার শিশু গুরুতর আহত হয়েছেন।
এছাড়া মধ্য গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান চালিয়েছে তেল আবিব। এতে ওই অঞ্চলগুলোতে ১০ জনের মতো ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পূর্ব গাজার কাছে অবস্থিত আল তুফাহ এবং আল মাগাজি শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে ব্যাপক গোলা বর্ষণ করেছে ইসরাইল। এছাড়া রাফাতেও ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। ভারী সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে শহরের উপকূলরেখা বরাবর হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে ইসরাইল। এতে এ পর্যন্ত ৫১ হাজার ১৫৭ নিহত এবং এক লাখ ১৬ হাজার ৭২৪ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এখনও বহু ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে যাদের কোনো খোঁজ নেই। তারা বেঁচে আছেন কিনা সেটাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
এতে বলা হয়, শনিবার ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানে মুখরিত হয়েছিল দেশটির প্রতিটি অঙ্গরাজ্য। প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক নীতির বিরোধিতা করে রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। এই বিক্ষোভের নাম দেয়া হয়েছে ‘৫০৫০১’। অর্থাৎ ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ৫০টি বিক্ষোভের আন্দোলন এক (অভিন্ন)। বিক্ষোভের এই কর্মসূচিকে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর ২৫০তম বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে আয়োজন করা হয়।
হোয়াইট হাউস ও টেসলার কার্যালয়ের সামনে মিছিল করেছেন বিক্ষোভকারীরা। দেশের কেন্দ্রীয় শহরগুলোতে অংশ নেয়া বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মার্চে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত কিলমার আব্রেগো গার্সিয়াকে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৫ই মার্চ কিলমারকে এল সালভাদরে নিবার্সিত করে ট্রাম্প প্রশাসন।
বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতা ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এপ্রিলের শুরুতে ট্রাম্পবিরোধী ‘হ্যান্ডস অফ’ বিক্ষোভে বিপুল পরিমাণ মানুষ অংশ নেয়। জনমত জরিপের তথ্য বলছে, দিন দিন অজনপ্রিয় হয়ে উঠছেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান এই নেতার বেশ কিছু পদক্ষেপের ফলে শুরু থেকে তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বহু আমেরিকান।
সম্প্রতি ট্রাম্পের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) এর পদক্ষেপের ফলে কয়েক হাজার কর্মী তাদের চাকরি হারিয়েছেন। এছাড়া এল সালভেদরের নাগরিক আব্রেগো গার্সিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত আনতে অনীহা প্রকাশ করায় বিক্ষোভ সমাবেশগুলো থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো জয়েছে।
বিক্ষোভগুলো সাধারণত শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও বিক্ষোভে অংশ নেয়া ডেমোক্রেট দলের এক প্রতিনিধি সুহাস সুব্রহ্মণ্যম তার এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্পের চিহ্নধারী এক ব্যক্তি রাগান্বিত ভঙ্গিতে মিছিলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। অনেক বিক্ষোভকারী ‘নো কিংস’ লেখা পোস্টার হাতে রেখেছিলেন। এটি ইংরেজ রাজতন্ত্রবিরোধী আমেরিকান বিপ্লবের প্রতীকী চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
দিন দিন ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে বলে জনমত জরিপের তথ্যে উঠে এসেছে। গ্যালাপের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশে, যেখানে গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার শুরুতে এই হার ছিল ৪৭ শতাংশ। একই সময়ে ১৯৫২ থেকে ২০২০ পর্যন্ত যেকোনও প্রেসিডেন্টের গড় প্রথম কোয়ার্টার জনপ্রিয়তা ছিল ৬০ শতাংশ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরুদ্ধ গাজায় একবেলার খাবার থেকেও বঞ্চিত শিশুরা
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে গাজায় কাজ করা ১২টি প্রধান আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থার নেতারা জানান, গাজার মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। খবর আল-জাজিরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুরা দিনে একবেলারও কম খাবার পাচ্ছে। কেবল টিনজাত খাবার খেয়ে বেঁচে আছে তারা। অপুষ্টি ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে- বলছেন অক্সফামের নীতিনির্ধারণী প্রধান বুশরা খালিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজায় চলমান ভয়াবহ ও নির্বিচার বোমাবর্ষণের কারণে সহায়তা পৌঁছানোও হয়ে উঠেছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে সেখানে কাজ করা ৪৩টি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থার মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশই কার্যক্রম স্থগিত অথবা সীমিত করে ফেলেছে।
ডক্টর্স উইদআউট বর্ডারস-এর গাজা অঞ্চলের জরুরি সমন্বয়কারী আমান্ডে বাজরোল বলেন, আমরা মানুষকে কষ্ট পেয়ে মারা যেতে দেখছি- যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অথচ আমাদের হাতে নেই পর্যাপ্ত ওষুধ, খাদ্য কিংবা চিকিৎসাসামগ্রী।
তিনি আরও বলেন,এটা শুধুই মানবিক বিপর্যয় নয়, এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত ও পরিকল্পিত অবরোধ, যা একটি জাতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ জানান, গাজা শহরে শিশুখাদ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যের তীব্র ঘাটতির কারণে বহু শিশু ও নবজাতক অপুষ্টিতে ভুগছে। অনেকে চিকিৎসা বা খাদ্যের অভাবে মারা যাচ্ছে।
আল-আকসা হাসপাতালের সামনে সন্তান হারানো ফাদি আহমেদ জানান, আমার ছেলের ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল, শরীরে ছিল মারাত্মক অপুষ্টি। সপ্তাহখানেক হাসপাতালে থাকার পর সে মারা যায়।
এক দাদি ইনতিসার হামদান জানান, আমার নাতি তিন দিন ধরে এক ফোঁটা দুধ পায়নি। শেষে ক্ষুধায় মারা গেল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমানে উপত্যকায় ৬০ হাজারেরও বেশি শিশু চরম অপুষ্টিতে ভুগছে। এছাড়া, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এ পর্যন্ত ৪০০ জনেরও বেশি সহায়তা কর্মী এবং ১,৩০০ জনের বেশি চিকিৎসাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।
![]() |
| ইসরায়েলের রাজনৈতিক নির্ধারিত ও পরিকল্পিত অবরোধে গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিন জাতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইহুদি প্রবেশ বাড়ছেই, আল-আকসা নিয়ে বড় কিছু ঘটতে চলেছে?
এর মাধ্যমে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৮০ জন ইহুদিকে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা পূর্বের নীতির তুলনায় বড় রকমের পরিবর্তন। এর আগে ইসরায়েল একসঙ্গে ৩০ জনের বেশি ইহুদিকে প্রবেশ করতে দিত না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ শুধু স্থিতাবস্থা ভাঙাই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি এক পরিকল্পনার আভাসও দিতে পারে।
ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পাহারায় ইহুদি পুণ্যার্থীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করানো হয়। ইহুদিরা এ স্থানকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে চেনে। ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্র স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই মসজিদ ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে, যদিও আন্তর্জাতিকভাবে এটি একটি দখলকৃত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত।
আল-আকসা মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা ইসলামিক ওয়াক্ফ জানায়, শুধু বুধবারই ১,২০০ ইসরায়েলি ইহুদি মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন। ‘পাসওভার’ উপলক্ষে গত সপ্তাহ থেকেই এই প্রবেশের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। ওয়াক্ফের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে ৪ হাজারেরও বেশি ইহুদি ধর্মীয় রীতিনীতি লঙ্ঘন করে এই পবিত্র স্থানে প্রবেশ করেছেন।
ইসরায়েলি পুলিশের ভাষ্য, তারা পূর্বনির্ধারিত নিয়ম মেনেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে টেম্পল মাউন্টে দর্শনার্থীদের প্রবেশে সহায়তা করেছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মুসলিমদের প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, আর ইহুদি পুণ্যার্থীরা উল্লাস করছে জেরুজালেমের ওল্ড সিটির লায়ন্স গেট এলাকায়।
ইসলামিক ওয়াক্ফের আন্তর্জাতিকবিষয়ক পরিচালক আউনি বাজবাজ এই ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন ও ভীতিকর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, ২০০৩ সালে যেখানে দিনে সর্বোচ্চ ২৫৮ জন ইহুদি প্রবেশ করতেন, এখন সেখানে এক দিনে হাজারো ইহুদি প্রবেশ করছে। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি।
উগ্র ইহুদি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরেই আল-আকসা চত্বরে মন্দির নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে। এমনকি কেউ কেউ বলছে, মন্দির নির্মাণ করতে গেলে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস করতে হবে। টেম্পল মাউন্ট নামক একটি উগ্রপন্থী ইহুদি সংগঠন জানিয়েছে, পাসওভারের প্রথম তিন দিনে প্রায় তিন হাজার পুণ্যার্থী মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে।
ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বহুবার প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ইহুদি পূণ্যার্থীদের মসজিদ চত্বরে প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হোক। তিনি নিজেও একাধিকবার আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন।
অন্যদিকে ইসলামী নেতারা সতর্ক করছেন, পরিস্থিতি যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে আল-আকসার ভাগাভাগি একসময় বাস্তবে রূপ নিতে পারে—যেমনটা হয়েছে হেবরনের ইব্রাহিমি মসজিদের ক্ষেত্রে, যেখানে একাংশ মসজিদ ও অন্য অংশ সিনাগগে পরিণত হয়েছে।
আউনি বাজবাজ বলেন, এখন যা ঘটছে, তা কেবল ধর্মীয় উদ্দেশ্য নয়, বরং উসকানিমূলক। এটি এক ধরনের বর্ণবাদ, যা বাস্তবতা হয়ে উঠছে। গাজার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ নিছক ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন নয়—বরং এটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বড় কৌশলের অংশ হতে পারে।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই
![]() |
| ২০০৩ সালে যেখানে দিনে সর্বোচ্চ ২৫৮ জন ইহুদি প্রবেশ করতেন, এখন সেখানে এক দিনে হাজারো ইহুদি প্রবেশ করছে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরও ৬৪ হত্যা, নিহত কিশোরের মৃতদেহ পরিবারকে দেয়নি ইসরাইল
পশ্চিম তীরে অতর্কিতে ফিলিস্তিনি এক কিশোরকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। কিন্তু তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে ফেরত দেয়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলিবিদ্ধ হয় ১৬ বছর বয়সী ওই ফিলিস্তিনি বালক। এ বছরের শুরু থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত ২২তম ফিলিস্তিনি শিশু সে। ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-প্যালেস্টাইন (ডিসিআইপি) জানিয়েছে, নাবলুসের দক্ষিণে ওসারিন শহরের কাছে ইসরাইলি আক্রমণে জিহাদ আদহাম রেবি আদেলি নামের ওই কিশোর আরও দুই তরুণ ফিলিস্তিনির সাথে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করতে অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যায়। কিন্তু এর ক্রুদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বাধা দেয় ইসরাইলি বাহিনী।
ডিসিআইপির আয়েদ আবু একতাইশ এক বিবৃতিতে বলেন- এখন মৃত্যুর পরেও জিহাদ বিশ্রাম নিতে পারছে না। কারণ ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে মৃতদেহ দাফনের সুযোগ দিচ্ছে না। তার মৃতদেহ এখন আরও ৪১ টি ফিলিস্তিনি শিশুর দেহাবশেষের সাথে মিলিত হয়েছে, যারা ২০১৬ সাল থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে এবং তাদের মৃতদেহ ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিয়ে গেছে। তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দেয়নি।
ডিসিআইপি জানিয়েছে, নিহত ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার ইসরাইলের নীতি কেবল আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনই নয়, এটিকে শোকাহত পরিবারগুলির উপর পরিচালিত সম্মিলিত শাস্তির একটি নিষ্ঠুর উপায় হিসেবে দেখা হয়। ওদিকে ইসরাইলি মানবাধিকার গোষ্ঠী ইয়েশ দিন সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ এবং এল-বিরেহ গভর্নরেটে অবস্থিত ফিলিস্তিনি গ্রামের তুরমুস আয়া’র কাছে একটি অবৈধ খামার ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য বসতি স্থাপনকারীদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে।
অধিকৃত অঞ্চলে কাজ করা এই অধিকার গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, শিলোহ উপত্যকা অঞ্চল জুড়ে অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ফাঁড়িগুলিতে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে ক্যারাভান এবং পূর্বনির্মিত বাড়িঘর রয়েছে। আবারও, সেনাবাহিনী অবৈধ খামার ফাঁড়ি স্থাপনে বসতি স্থাপনকারীদের সাথে সহযোগিতা করছে, যারা রাষ্ট্রের সুরক্ষায় ফিলিস্তিনিদের তাদের জমি থেকে বিতাড়িত করার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করে- ইয়েশ দীন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে একথা বলেছেন।
ওদিকে, ফিলিস্তিনি তথ্য কেন্দ্রের খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনের দক্ষিণে ফাওয়ার ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, ক্যাম্পে হামলার সময় প্রায় ৩০ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আদালত অবমাননার ঝুঁকির মুখে ট্রাম্প প্রশাসন
১৫ মার্চ শেষের দিকে বোয়েসবার্গ একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তাতে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ১৭৯৮ সালের ‘এলিয়েন শত্রু’ আইন প্রয়োগ করে নির্বাসন কার্যকর করতে পারে না।
উল্লেখ্য, বোয়েসবার্গ হলেন কলম্বিয়া ডিস্ট্রিক্ট আদালতের প্রধান বিচারক। যুদ্ধকালীন বিদেশী শত্রু আইন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের আটক বা নির্বাসিত করার সুযোগ দেয়। প্রেসিডেন্ট কেবল নাগরিকত্বের অবস্থার ভিত্তিতে শুনানি ছাড়াই এসব নির্বাসন কার্যকর করতে পারেন। তবে বিচারক বোয়েসবার্গ নির্বাসনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সময় এল সালভাদরগামী ফ্লাইটগুলিকে ফিরে আসার নির্দেশও দিয়েছিলেন। এই নিষেধাজ্ঞা জারির কয়েক ঘন্টা পর ১৬ মার্চ সকালে এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়েব বুকেলে একটি এক্স পোস্টে দাবি করেন- তার দেশ ভেনেজুয়েলার গ্যাং ট্রেন ডি আরাগুয়ার ২৩৮ জন সদস্য এবং সালভাদোরিয়ান গ্যাং এমএস-১৩ এর ২৩ জন সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে কাছ থেকে পেয়েছে। বোয়েসবার্গের রায় সম্পর্কে একটি সংবাদের স্ক্রিনশটও পুনরায় পোস্ট করেন বুকেলে। এর ক্যাপশনে লিখেছেন- উফ! অনেক দেরি হয়ে গেছে। অভিযুক্ত গ্যাং সদস্যদের এল সালভাদরের একটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কারাগারে রাখা হয়েছে। এটি সন্ত্রাসবাদের বন্দীদশা কেন্দ্র (সেন্ট্রো ডি কনফিনামিয়েন্তো দেল টেরোরিজমো) বা সিইসিওটি নামে পরিচিত। ১৮ মার্চ তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে বোয়েসবার্গকে ‘র্যাডিক্যাল বাম পাগল’ বলে অভিহিত করেন ট্রাম্প এবং তাকে অভিশংসনের আহ্বান জানান। তবে অভিশংসনের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এই আহ্বান প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন- বিচারিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে মতবিরোধের জন্য অভিশংসন উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া নয়।
ওদিকে রায়ে বোয়েসবার্গ আরও দাবি করেন যে, সরকার যেন নির্বাসিতদের বহনকারী বিমানের উড্ডয়নের সময় প্রকাশ করে, যাতে নিশ্চিত করা যায় তার আদেশ অনুসরণ করে বিমানটি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে পারত কিনা। কিন্তু ২৪শে মার্চ মার্কিন আইন মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে যে, ট্রাম্প প্রশাসন এই তথ্য দেয়ার নির্দেশ এড়াতে ‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার অধিকার’ ব্যবহার করছে। ৩ এপ্রিল বোয়েসবার্গ এক শুনানিতে তার আদেশ অবমাননার অভিযোগ তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বিচার বিভাগকে ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার আদেশ লঙ্ঘন করেছে কিনা তা জানতে চাপ দেন। বিচার বিভাগ তা অস্বীকার করে বলে- নিষেধাজ্ঞার আদেশ দাখিল করার সময় বিমানগুলি ততক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে গেছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ৭ এপ্রিল ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিবাসীদের বহিষ্কারের অনুমতি দেয়। কিন্তু রায় দেয় যে- তাদের বহিষ্কারের আগে অবশ্যই আদালতের শুনানি নিতে হবে।
বুধবার ৪৬ পৃষ্ঠার এক রায়ে বোয়েসবার্গ লিখেছেন- ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ ‘আদালতের পক্ষে যথেষ্ট ছিল যে সরকার আদালত অবমাননা করেছে। এ অভিযোগে সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করার সম্ভাব্য আছে। তিনি লিখেছেন, তার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ সত্ত্বেও ওইসব ব্যক্তিদের নির্বাসনের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার আগেই দ্রুত এল সালভাদরে পাঠিয়ে দেয়। বোয়েসবার্গ লিখেছেন, সংবিধান ইচ্ছাকৃতভাবে বিচারিক আদেশ অমান্য করা সহ্য করে না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার অর্ধেক এলাকা ইসরায়েলের দখলে: ‘সোমালিয়ার মতো পরিস্থিতি হতে পারে’
১৮ মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় চরম নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে সেই নৃশংসতা আরও বাড়িয়েছে তারা। গত বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, গাজার ৩০ শতাংশ এলাকা বাফার জোন বা সংঘাতের প্রভাব এড়াতে বিশেষ অঞ্চলে পরিণত করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। সেখান থেকে বাসিন্দাদের বিতাড়িত করা হয়েছে।
গাজার আয়তন ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলছেন, এই আয়তনের ৩০ শতাংশের বেশি এলাকা এখন ইসরায়েলের দখলে। ফ্রান্সভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক রিসার্চের গবেষক অ্যাগনেস লেভালয়িসের ভাষ্যমতে, গাজাকে বসবাসের ‘অযোগ্য’ করে তোলাটাই ইসরায়েলের কৌশল।
তবে সামরিক তথ্যের ভিত্তিতে এএফপির হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে ১৮৫ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা রয়েছে। এটি উপত্যকাটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৫০ শতাংশ। গাজার বড় অংশে নিরাপত্তা অঞ্চলে সৃষ্টির পাশাপাশি তিনটি করিডর গড়ে তুলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেগুলো হলো ফিলাডেলফি, মোরাগ ও নেতজারিম করিডর। এগুলো গাজাকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করেছে।
‘সোমালিয়ার মতো পরিস্থিতি হতে পারে’
জাতিসংঘের ভাষ্যমতে, ইসরায়েলের হামলায় গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার প্রায় সবাই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বর্তমানে উপত্যকাটির বাসিন্দাদের বিতাড়িত করে এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যেখানে মৌলিক অধিকারগুলো ভোগ করার সামান্য সুযোগ রয়েছে বা একেবারেই নেই। সেখানে এখন শুধুই ধ্বংসস্তূপ। আর ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
ইসরায়েলের তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিলিস্তিনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল মিলশতেইন বলেন, ‘সরকারের কৌশল কী, তা আমি জানি না। হয়তো পুরো গাজা নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে এর শেষ হবে। এর অর্থ সেখানে একটি বেসামরিক প্রশাসন বা সামরিক সরকারকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। এমন পরিস্থিতির জন্য যে মূল্য দিতে হবে, তা ইসরায়েলিরা জানেন কি না, আমি নিশ্চিত নই।’
গবেষক অ্যাগনেস লেভালয়িস মনে করেন, ইসরায়েল হয়তো গাজার আরও বেশি অংশ দখলে নিতে পারবে না। তারা বাকি অংশগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিতে পারে এবং খুব সামান্য ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে পারে। এতে করে সোমালিয়ার মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। বিষয়টি এমন যে নৈরাজ্য দেখা দেবে এবং এই ধ্বংসস্তূপ থেকে শাসন করার মতো কোনো কর্তৃপক্ষ উঠে আসতে পারবে না।
ফেব্রুয়ারিতে গাজার বাসিন্দাদের বিতাড়িত করে সেখানে ‘অবকাশযাপন কেন্দ্র’ গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও এ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। এ ছাড়া ইসরায়েলের অনেকে গাজায় আগের মতো বসতি গড়ে তোলার পক্ষে কথা বলছেন। ২০০৫ সালে গাজা থেকে ইসরায়েলি বসতি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
মাইকেল মিলশতেইন বলেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গেলে গাজার বাসিন্দাদের উপত্যকাটি ছেড়ে যেতে হবে। এটি একটি উদ্ভট চিন্তাভাবনা। এই পরিকল্পনা যে কাল্পনিক একটি বিষয়, তা বেশির ভাগ ইসরায়েলিও জানেন। এমনকি ট্রাম্পও মনে হয় ওই পরিকল্পনা নিয়ে এখন আগ্রহী নন।
এক দিনে ২৪ জনকে হত্যা
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। মাঝে ১৯ জানুয়ারি থেকে মাস দুয়েকের জন্য যুদ্ধবিরতি চলেছিল। পরে ১৮ মার্চ থেকে আবারও সেখানে নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গাজায় সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গতকাল শুক্রবারও উপত্যকাটিতে হামলা চালিয়ে অন্তত ২৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে।
সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণে খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলের হামলার পর ফিলিস্তিনি একটি পরিবারের বাড়ি ও আশপাশের ঘরবাড়ি থেকে অন্তত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এ ছাড়া গাজার উত্তর থেকে দক্ষিণ—সর্বত্র ইসরায়েলের হামলায় আরও ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ হিসাবে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভাঙার পর গাজায় অন্তত ১ হাজার ৬৯১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৮ মাসে নিহত হয়েছেন ৫১ হাজার ৬৫ ফিলিস্তিনি। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৫০৫ জন। হতাহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
| দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আজ শনিবার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবুতে ইসরায়েলের হামলা। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুর জন্য প্লাস্টিকের ফ্লাস্ক কতটা নিরাপদ, একটা ফ্লাস্ক কত দিন ব্যবহার করা যাবে by রাফিয়া আলম
তবে শিশুকে যে প্লাস্টিকের ফ্লাস্কটি দিচ্ছেন, তা আদৌ শিশুর স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি করছে কি না বা ফ্লাস্কটি কত দিন পর বদলে ফেলতে হবে, তা অনেক অভিভাবকেরই অজানা। কোন কোন পরিবর্তন দেখলে বোঝা যায়, ফ্লাস্কটি ফেলে দেওয়ার সময় হয়েছে, তা জেনে রাখা প্রয়োজন। কীভাবে ব্যবহার করলে ফ্লাস্কটি লম্বা সময়ের জন্য নিরাপদে ব্যবহারোপযোগী থাকবে, এ ব্যাপারেও জেনে নিন। প্লাস্টিকের ফ্লাস্কে শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির নানান দিক সম্পর্কে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. তাসনুভা খান।
কত দিন পর্যন্ত একটি ফ্লাস্ক ব্যবহার করা যাবে
শিশুর জন্য ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত একটি ফ্লাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এই সময়ের আগেই যদি ফ্লাস্কের ভেতরের দিকের রং বা স্বচ্ছতা নষ্ট হয়ে যায়, ফ্লাস্কটি ক্ষয়ে যায় কিংবা চিড়ে যায়, তাহলে তা তখনই বাতিল করে দিন। গঠনগত দিক থেকে প্লাস্টিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক নিঃসরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
যেভাবে নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে
শিশুর পানির ফ্লাস্কটি প্লাস্টিকের হলে বাইরে যাওয়ার সময় পানি ভরে নিয়ে ফ্লাস্কের মুখ ভালোভাবে আটকে দিন। এরপর সেটি তার ব্যাগের ভেতরের অংশে দিয়ে দিতে পারেন। কিংবা পুরু কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে নিয়ে ব্যাগের বাইরের দিকের পকেটে বা শিশুর হাতে দিতে পারেন। তাহলে যাতায়াতের পথে ফ্লাস্কটি গরম হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে। না হলে গরমে বা রোদের তাপে প্লাস্টিকের পাত্র থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নিঃসৃত হয়ে পানিতে মিশে যেতে পারে।
* প্রতিদিন ব্যবহারের পরপরই ফ্লাস্কে রয়ে যাওয়া পানি ফেলে দিতে হবে।
* পানি ফেলে দেওয়ার পর ভালোভাবে প্লাস্টিকের ফ্লাস্কটি পরিষ্কার করুন। নইলে ফ্লাস্ক থেকেই জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। অনেক ফ্লাস্ক আছে, যেসবের মুখ সরু আবার কোনো ফ্লাক্সের ভেতরে খাঁজ থাকে। এসব পরিষ্কার করতে হয় খুব যত্নের সঙ্গে, যাতে ফ্লাস্কের ভেতরটাসহ সব অংশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফ্লাস্কের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন।
* ধোয়ার পর ফ্লাস্ক ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।
কেনার সময়
ভালো মানের প্লাস্টিকপণ্য কিনুন। পানীয় রাখার জন্য এমন পাত্র বেছে নিন, যাতে বিসফেনল এ (বিপিএ, একটি রাসায়নিক যৌগ যা প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) নেই। এ ছাড়া প্লাস্টিকপণ্যের গায়ে একটি সংখ্যা থাকে। একে বলা হয় রেজিন আইডেনটিফাই কোড। পণ্যের গায়ে এক থেকে সাত পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা দেখতে পেতে পারেন আপনি। পানীয় রাখার জন্য তিন, ছয় ও সাত লেখা পণ্য নেবেন না। কারণ, প্লাস্টিকের যে ধরন দিয়ে এই পণ্যগুলো তৈরি করা হয়, সেসব পুনর্ব্যবহারের জন্য তুলনামূলক বেশি অনিরাপদ। অন্য কোনো সংখ্যা লেখা থাকলে তা নিন।
ফেলে দেওয়ার সময়
যত প্লাস্টিকপণ্য আপনি ফেলে দেবেন, ততই পরিবেশের ক্ষতি হবে। আবার একটা নির্দিষ্ট সময় পর প্লাস্টিকপণ্য বাতিল না করেও তো উপায় নেই। তাই প্লাস্টিকপণ্যের বিকল্প খোঁজাই সবচেয়ে ভালো। বিকল্প না পেলে প্লাস্টিকপণ্য ব্যবহার শেষে তা অন্য কাজে লাগাতে পারেন। যেমন ব্যবহৃত একটি ফ্লাস্ক দিয়ে সুন্দর কলমদানি বা ছোট গাছের টব তৈরি করতে পারেন।
![]() |
| প্রতিদিন ব্যবহারের পরপরই ফ্লাস্কের পানি ফেলে দিতে হবে। ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাইনোসর বিলুপ্ত না হলে কী ঘটতে পারত পৃথিবীতে by জাহিদ হোসাইন খান
বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ডাইনোসর প্রায় ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবীর স্থলভাগে রাজত্ব করেছে। এই দীর্ঘ সময়কালে মাংসাশী দুই পায়ের ডাইনোসর থেরোপড, আকারে বড় গ্রিবাযুক্ত তৃণভোজী সরোপড, পাখির মতো অর্নিথিশিয়ানের মতো বিভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর পৃথিবীতে ছিল।
থেরোপড ডাইনোসরদের একটি শাখা থেকেই আজকের পাখির উদ্ভব হয়েছে। যদি বিলুপ্তি না ঘটত, তাহলে ছোট আকারের পালকযুক্ত থেরোপডরা আরও বুদ্ধিমান ও সামাজিক প্রাণীতে বিবর্তিত হতে পারত। তারা হয়তো গাছের ডালে বাসা বাঁধত, দলবদ্ধভাবে শিকার করত ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি করত। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, এরা হয়তো আজকের দিনের বুদ্ধিমান স্তন্যপায়ী প্রাণীর মতো জটিল সামাজিক কাঠামো ও আচরণ প্রদর্শন করত। অন্যদিকে বড় আকারের থেরোপডদের মধ্যে টাইরানোসরাস রেক্সের বংশধররা আরও শক্তিশালী শিকারিতে পরিণত হতো।
অন্যদিকে বিশালকার সরোপডদের ক্ষেত্রেও বিবর্তনের প্রভাব দেখা যেত। তৃণভোজী প্রাণী হিসেবে তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকত। বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্ভিদের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস মানিয়ে নিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছুটে বেড়াত এই ডাইনোসর। কিছু সরোপড হয়তো আরও ছোট ও দ্রুতগামী প্রজাতিতে বিবর্তিত হয়ে খোলা তৃণভূমিতে দলবদ্ধভাবে বাস করত।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ডাইনোসরদের বিলুপ্তি না ঘটলে আজকের পৃথিবীতে তাদের বুদ্ধিমান প্রজাতিও দেখা মিলত। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মস্তিষ্কের বিকাশের মতো কিছু ডাইনোসরের মস্তিষ্কের আকারও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেত।
সূত্র: বিবিসি, দ্য কনভারসেশন
![]() |
| ডাইনোসর |
https://www.bbc.com/future/article/20170918-what-if-the-dinosaurs-hadnt-died-out
https://theconversation.com/what-if-the-dinosaurs-hadnt-gone-extinct-why-our-world-might-look-very-different-191599
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
April
(427)
-
▼
Apr 20
(12)
- ৩০ হাজার তরুণকে নিয়োগ দিল ফিলিস্তিন যোদ্ধারা
- দাতা গোষ্ঠীগুলোর সতর্কবার্তা: ‘দিনে একবেলারও কম’ খ...
- জায়নবাদ যেভাবে ইসরায়েলকে দুই ভাগ করে ফেলছে by আবেদ...
- ইসরাইলি হামলায় আরও ৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত
- ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
- অবরুদ্ধ গাজায় একবেলার খাবার থেকেও বঞ্চিত শিশুরা
- ইহুদি প্রবেশ বাড়ছেই, আল-আকসা নিয়ে বড় কিছু ঘটতে চলেছে?
- আরও ৬৪ হত্যা, নিহত কিশোরের মৃতদেহ পরিবারকে দেয়নি ই...
- আদালত অবমাননার ঝুঁকির মুখে ট্রাম্প প্রশাসন
- গাজার অর্ধেক এলাকা ইসরায়েলের দখলে: ‘সোমালিয়ার মতো ...
- শিশুর জন্য প্লাস্টিকের ফ্লাস্ক কতটা নিরাপদ, একটা ফ...
- ডাইনোসর বিলুপ্ত না হলে কী ঘটতে পারত পৃথিবীতে by জা...
-
▼
Apr 20
(12)
-
▼
April
(427)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






