Tuesday, September 17, 2019
সিলেটের নিপার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ প্রবাসী নাজমুলের by ওয়েছ খছরু

সিলেট সিটি করপোশেনের ১৮নং ওয়ার্ডের মীরাবাজার, আগপাড়া, মৌসুমী-১০৮ নম্বর বাসিন্দা মৃত আব্দুস শহীদের ছেলে নাজমুল। এজাহারে নাজমুল উল্লেখ করেছেন- সিলেট নগরীর ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই রোড আম্বরখানার রায় হোসাইন আবাসিক এলাকার সহিদা ভিলা ৫৫ নম্বর বাসার বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে নাজরিন আক্তার নিপা। তিনি সিলেটের উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। ওই মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ৭০৩ নং রোমে থেকে লেখাপড়া করছেন। নিপার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০১৭ সালে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয় নাজমুলের। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে নিপার বান্ধবী নগরীর লোহারপাড়া হাওয়ারুন মঞ্জিল ই-৩৯ এর বাসিন্দা মনসুর চৌধুরীর মেয়ে ও উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ছাত্রী ফাহমিদা ইয়াসমিন চৌধুরী অয়ন ও নিপার বোন নাসরিন আক্তার নিলা, তার মা আলিয়া বেগম ও মামা সালাউদ্দিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এক পর্যায়ে নিপার মায়ের কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় ধর্মের ছেলে বানায় এবং নিজ ছেলের মতো আচরণ করতে থাকেন। আর নিপার বড় বোন ছোট ভাইয়ের মতো আচরণ করেন। ফলে তাদের মাঝে পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে করে নিপার প্রতি আস্থা-বিশ্বাস ও আন্তরিকতার মাত্রা বেড়ে যায় নাজমুলের। আর তাদের দুই পরিবারের সদস্যদের মাঝেও গড়ে উঠে গভীর সম্পর্ক। ফলে নিপা নাজমুলের কাছে তার পারিবারিক অসচ্ছলতা ও আর্থিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন এবং বলেন- টাকার অভাবে তার ছোট বোনকে মেডিকেলে ভর্তি করতে পারছে না। এজন্য বড় বোনেরও বিয়ে দেয়া যাচ্ছে না। এজাহারে নাজমুল জানান- মানবিক দিক বিবেচনা করে নিপার পরিবারকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর থেকে পোল্যান্ড হতে নিপার কাছে টাকা পাঠানো শুরু করেন। ওই প্রবাসীর পাঠানো টাকা দিয়ে নিপা মেডিকেলে পড়াশোনা করতে থাকে ও তার ছোট বোন মেডিকেলে ভর্তি হয়। আর বড় বোনের বিয়েরও খরচ দেন নাজমুল। এসব টাকা ব্যাংক মারফত নিপা, তার বোন, মামা ও মায়ের কাছে প্রেরণ করা হয়।
সব মিলিয়ে তিনি ৫ লাখ টাকা প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে নাজমুলের কাছে নিপা জানায়, তার ছোট বোন নাছিমুন নিতাকে ডেন্টাল মেডিকেলে ভর্তি করানোর জন্য ৩ লাখ টাকা বিশেষ প্রয়োজন। তাই ওই প্রবাসী তার বন্ধু সাহেদ আহমদের মাধ্যমে নিপার হাতে নগদ ৩ লাখ টাকা পাঠান। তা ছাড়া নিপার মা আলেয়া বেগম এর কাছে বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা প্রেরণ করেন। আর পোল্যান্ড প্রবাসী নাজমুলের মা ও ভাইদের কাছ থেকেও নিপার পরিবার বিভিন্ন সময় আরো লক্ষাধিক টাকা নেয়। এদিকে- গত ২৬শে জুলাই নাজমুল দেশে আসেন। তিনি নিপার বাসায় দেখা করতে গেলে তার সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে। এমনকি তাকে অচেনার ভান করে পরিবারের লোকজন। বিষয়টি নাজমুলকে অবাক করে তুলে। এতে নাজমুল বুঝতে পারেন নিপা, নিলা, নিপার মা ও মামা এবং বান্ধবী অয়ন মিলে টাকা আত্মসাতের জন্য তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য নিপার মামাকে বলা হলে, তিনি পাওনা টাকা অতিসত্বর পরিশোধের জন্য বলেন। পরে তিনি তা সমাধান করেননি। নাজমুল জানান- গত ৫ই আগস্ট নিপা-অয়ন ফোন করে নাজমুলকে বলে তারা তার সঙ্গে কথা বলতে চায়।
তাদের কথামতো নাজমুল গাড়ি নিয়ে সেখানে গেলে তারা গাড়িতে উঠে বলে জিন্দাবাজারের সিটি সেন্টারে স্পাইসি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার জন্য। তাদের কথামতো তিনি সেখানে গিয়ে গাড়ি পার্কিং করার সময় নিপা ও অয়ন ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার দেয় এবং পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক তাদের রাখা কয়েক ব্যক্তি তাকে ঘিরে ফেলে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় মার্কেটের সিকিউরিটিরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে উদ্ধার করেন। আর নিপা-অয়ন ওই সময় পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মেডিকেল শিক্ষার্থী নিপা ও তার বোন এবং মায়ের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেনি। তবে নিপার মামা মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন- তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তবে নাজমুল দেশে আসার পর নিপার বিষয়ে আলাপ করার জন্য মীরাবাজারের হোটেল সুপ্রিমে যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে নাজমুল আসেননি বলে জানান তিনি। নাজমুলের পক্ষের আইনজীবী মো. মুহিবুর রহমান জানান, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে। তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চুম্বনের দৃশ্যে আপত্তি!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোমের রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া অর্থ ফেরত দিয়ে আলোচিত বাংলাদেশি তরুণ
![]() |
| কুড়িয়ে পাওয়া ওয়ালেট মালিকের কাছে ফেরত দিতে পেরে খুশি মুসান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজাদ কাশ্মীর দখল করে নেবে ভারত!

বিষয়টি সম্ভবত আগেভাগেই ঠাহর করতে পেরেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ৫ই আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করার পর তিনি সোচ্চার হয়েছেন। তিনি হয়তো বুঝতে পেরেছেন ভারতের কৌশল অন্যখানে। তারা আজাদ কাশ্মীরের দিকে শ্যেন দৃষ্টি ফেলেছে। তাই পাকিস্তান সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অস্থিরতা। তারা জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বারস্থ হচ্ছে এবং তাদেরকে হুঁশিয়ার করছে এই বলে যে, ভারত ও পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্রধর। একবার যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তা শুধু উপমহাদেশের মধ্যেই সীমিত থাকবে না। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো বিশ্ব।
সর্বশেষ রোববার আজাদ কাশ্মীরকে পাকিস্তানের কাছ থেকে কেড়ে নেয়ার ইঙ্গিত দেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। তিনি বলেন, আজাদ কাশ্মীরকে হারানোর জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত পাকিস্তানের। তিনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। বলেন, তিনি যেন সন্ত্রাসে সমর্থন দেয়া বন্ধ করেন। বিজয় রূপানি আরো বলেন, ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এখন পাকিস্তান দখলীকৃত কাশ্মীরও আমাদের। পাকিস্তান দখলীকৃত কাশ্মীর হারানোর জন্য পাকিস্তানকে প্রস্তুত থাকা উচিত। একীভূত ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে আমরা পাকিস্তান দখলীকৃত কাশ্মীরের দিকে অগ্রসর হতে প্রস্তুত। সন্ত্রাসে সমর্থন দেয়া বন্ধ করতে হবে পাকিস্তানকে। এমন সমর্থন দেয়া হলে ভারত তা সহ্য করবে না। ভারত একতা মঞ্চের এক র্যালিতে তিনি এসব কথা বলেন।
এ ছাড়া পাকিস্তানকে প্রায় একই রকম হুমকি দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসে সমর্থন দেয়া বন্ধ না করলে পাকিস্তান ভেঙে কয়েক টুকরো হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ইসলামাবাদের সঙ্গে এখন নয়া দিল্লি একটি ইস্যুতেই আলোচনা করবে। তাহলো পাকিস্তান দখলীকৃত কাশ্মীর। অন্যদিকে যুদ্ধ এড়াতে আজাদ-কাশ্মীরকে ভারতের হাতে তুলে দিতে হবে বলে ইমরান খানকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আথাওয়েলে। শুক্রবার তিনি বলেছেন, যদি ভারতের সঙ্গে একটি যুদ্ধ এড়াতে চায় প্রতিবেশী দেশটি তাহলে তাদের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের উচিত হবে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরকে (আজাদ কাশ্মীর) ভারতের হাতে তুলে দেয়া। পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের ‘বিশেষ কৌশল’ রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সেনাপ্রধান ভিকে সিং জানানোর একদিন পরেই এমন মন্তব্য করলেন রামদাস আথাওয়েলে। সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াতের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিষয়ে ‘অ্যাকশন’ নিতে সব সময়ই প্রস্তুত সেনাবাহিনী। তারা শুধু কেন্দ্রীয় নির্দেশের অপেক্ষায় আছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সাবেক সেনাপ্রধান ভিকে সিং ওই মন্তব্য করেন। তিনি শুধু বলেন, একটি ‘স্ট্রাটেজি’ বা কৌশল আছে। কিন্তু কি সেই কৌশল তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা যাবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার প্রক্টর-ছাত্রলীগ নেতার ফোনালাপ ফাঁস: কোটি টাকা ঈদ সালামি

পদত্যাগ করার আগে রাব্বানী অন্তরের মোবাইলে ফোন দিয়েই টাকা লেনদেনের খবর নিয়েছিলেন। ওই বিষয়ে জানতেই প্রক্টর ফিরোজ-উল-আলম তাকে ফোন করেন। এই ফোনালাপেও টাকা লেনদেনের তথ্য ওঠে আসে। কথোপকথনের সময় অন্তর দৃঢ়তার সঙ্গে প্রক্টরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ ব্যাচ পর্যন্ত এই টাকা ভাগ পেয়েছে। ওদিকে গতকাল জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন জানিয়েছেন, ভিসির কাছ থেকে ঈদের সালামি হিসেবে ১ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। এ টাকা নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়েছে।
প্রক্টর ফিরোজ-উল-আলম ও হামজা রহমান অন্তরের কথোপকথন-
অন্তর: স্যার আসসালামু আলাইকুম
প্রক্টর: অন্তর, তুমি তোমার ফোন থেকে এমন একটা অডিও বানাইলা কেন?
অন্তর: স্যার আমি তো কিছু জানি না।
প্রক্টর: তোমার ফোন থেকেই তো কথা হয়েছে।
অন্তর: কথা তো হয়েছে দুই পক্ষ থেকে স্যার, আমার ফোন থেকে কিছু হয় নাই স্যার, এইটা শিউর থাকেন।
প্রক্টর: তুমিই তো কথা বললা, তোমার ফোন থেকেই তো কথা বলাই দিলা।
অন্তর: আমার ফোন থেকে কথা হইছে, কিন্তু ওই পাশে তো রাব্বানী ভাই ছিল। এখন রেকর্ডটা কি ওই পাশ থেকে হইছে, না কি গোয়েন্দা সংস্থা করছে সেটা তো আমি জানি না।
প্রক্টর: কবে তোমার সঙ্গে এই কথা হইছে?
অন্তর: স্যার, পরশু দিন রাতে যখন রাব্বানী ভাইদের কমিটি ভেঙে যাচ্ছিল। তখন আমারে হঠাৎ করে ফোন দিছে রাব্বানী ভাই। তখন আমার সঙ্গেই ছিল। তখন আমি বললাম, ভাই আমি তো বেশি কিছু জানি না, আপনি সাদ্দাম ভাই-এর সঙ্গে কথা বলেন। পরে সাদ্দাম ভাইয়ের সঙ্গে কথা বললো। কথা বলে, আমার ফোন তো লক দেয়া আছে, আমার ফোনে তো কিছু করার সুযোগ নাই। ফোন কাটার সঙ্গে সঙ্গেই ফোনটা আমার হাতেই চলে আসে।
প্রক্টর: কিন্তু তোমার ফোন থেকেই তো কথোপকথনটা হলো রাব্বানীর সঙ্গে।
অন্তর: স্যার, আমার ফোন থেকে কথোপকথন কিন্তু ওই পাশে তো রাব্বানী ভাই ছিল।
প্রক্টর: রাব্বানীর যদি এমন রেকর্ড থাকে তাহলে এতদিন করে নাই কেন? এতদিন তোমার সঙ্গে কথা বলে আজকে সেটা পাবলিসড করতেছে কেন? ওই দিন করতো, কালকে করতো। নিজের হাতে ক্ষমতা নাই বলে বিশ্ববিদ্যালয়টাকে নষ্ট করতে চায় কেন?
অন্তর: স্যার, আমি তো স্যার বেশি কিছু বলি নাই, স্যার আপনি হয়তো শুনছেন। আমি ধরাই দিছি ফোনটা।
প্রক্টর: হ্যাঁ তুমি ধরাই দিছো ফোনটা। কিন্তু আল্টিমেটলিতো ফোনটা তো তোমার।
অন্তর: স্যার, আমার ফোনে ফোন দিতে পারে না স্যার? সে আমার নেতা না?
প্রক্টর: না, ফোন দিতেই পারে। কিন্তু এই যে গল্পগুলো এই গল্পগুলো আগে বলেনি কেন? যদি এই গল্পগুলো থাকে?
অন্তর: স্যার, এই গল্পগুলো তো এখন টক অব দ্যা টাউন। এটা তো অস্বীকার করারও কিছু নাই স্যার। জাহাঙ্গীরনগরের এইটা তো একটা চলমান ইস্যু। আমি কি এইটা অস্বীকার করবো। রাব্বানী ভাই যখন আমারে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাস করছে আমি কি অস্বীকার করবো? সে আমার নেতা না?
প্রক্টর: তুমি কি অস্বীকার করবা, তোমাকে কি অস্বীকার করতে বলছি? তোমাকে তো আমি কিছু অস্বীকার করতেই বলি নাই। তুমি স্বীকার করবা বা অস্বীকার করবা সেটা তো তোমার ব্যাপার।
অন্তর: স্যার, আপনি তো ভালো করেই জানেন স্যার। আমি হয়তো বাহিরে এক রকম বলবো কিন্তু আমার ঘরে যখন কেউ জিজ্ঞাস করবে তখন তো আমি আর মিথ্যা বলবো না।
প্রক্টর: আমি তোমাকে তো সত্য-মিথ্যা বলতে বলছি না।
অন্তর: আমার ফোন থেকে কিছু হয় নাই স্যার এইটা শিউর থাকেন।
প্রক্টর: কিন্তু এই যে সাদ্দাম যে কথাগুলো বলছে, এই কথাগুলো কতটুকু ট্রু?
অন্তর: স্যার ট্রু’র বিষয়টা তো স্যার জাস্টিফিকেশনের দায়িত্ব আমার না। রাব্বানী ভাই যদি সাদ্দাম ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতো সেটাও ফাঁস হইতো। কিন্তু আমার ফোন থেকে কথা বলে ফাঁস হলে তো এটা কিছু হয়ে আসে না। এই জিনিসটা তো স্যার সবাই জানে আপনিও জানেন স্যার।
প্রক্টর: না, আমি বলি তোমাকে, ফোনটা যেহেতু তোমার। দায়টা কিন্তু তোমাকেই নিতে হবে।
অন্তর: স্যার ফোন আলাপ ফাঁস হয় না? নির্বাচনের আগে দেখেন নাই আওয়ামী লীগ নেতাদের...
প্রক্টর: হ্যাঁ হয়। কিন্তু যেহেতু তোমার ফোনে করছে তুমি কি দায়টা এড়াতে পারো?
অন্তর: স্যার আমার কোনো দায় নাই স্যার, কারণ আমি করি নাই স্যার।
প্রক্টর: তুমি করো নাই ঠিক আছে, কিন্তু ধরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে এত বড় ষড়যন্ত্র... ওর অস্তিত্বে টান পড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এরকম করবে সে?
অন্তর: বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ষড়যন্ত্র বিষয়টা এরকম না স্যার। ছাত্রলীগ নিয়েও তো স্যার ষড়যন্ত্র চলতেছে স্যার, গত চার পাঁচ দিন ধরে। এখন স্যার...
প্রক্টর: এইটা তো জাহাঙ্গীরনগরের ইস্যুর সঙ্গে না, তাদের বিরুদ্ধে তো পুরা গ্লোবাল ইস্যু আছে।
অন্তর: স্যার, আমি জাহাঙ্গীরনগরে না পড়লেও ছাত্রলীগ করতাম স্যার। আমার কাছে স্যার ছাত্রলীগ আগে।
প্রক্টর: সেটা তোমাকে আমি বলি নাই। ছাত্রলীগ আগে ভালো কথা। কিন্তু এখন জাহাঙ্গীরনগরে যেহেতু পড়ো জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্রলীগ করো।
অন্তর: জাহাঙ্গীরনগর ছাত্রলীগ তো আর জাহাঙ্গীরনগরের সঙ্গে তৈরি হয় নাই। এইটা সেন্ট্রাল ছাত্রলীগ-এর একটা ইউনিট।
প্রক্টর: তুমি কিন্তু উল্টা দিকে কথা বলতেছো অন্তর।
অন্তর: না স্যার, আমি লজিক্যাল কথা বলতেছি স্যার, আমি আমার বাইরের লোক জিজ্ঞাস করলে আমি একটা কথা বলবো কিন্তু ঘরের লোক জিজ্ঞাস করলে আমি কি স্যার উল্টাপাল্টা কথা বলবো? আমি কি বলবো যে, ভাই হ্যাঁ এ রকম কিছু ঘটে নাই।
প্রক্টর: আমি তোমারে বলি, তুমি জাহাঙ্গীনগরে যদি না পড়তা, জাহাঙ্গীনগরের ছাত্রলীগ হিসাবে কিন্তু ইস্টাবলিস হতে না। জাহাঙ্গীরনগর ছাত্রলীগ হিসেবেই তোমার পরিচয়।
অন্তর: স্যার, ক্যাম্পাসের ৪৪ থেকে ৪৫ ব্যাচ পর্যন্ত টাকা পাইছে স্যার, আমি এটা গোপন রাখার কে স্যার?
প্রক্টর: আচ্ছা তোমাদের কে টাকা দিলো আর কে টাকা দেয় নাই সেটা দেখার দায়িত্ব কি আমার?
অন্তর: স্যার আমাকেও তো টাকা সাধছে, আমি তো নেই নাই স্যার।
প্রক্টর: না তোমাকে কে সাধছে, না সাধছে সেটা তো আমি জানি না। কে দিয়েছে সেটা দেখার দায়িত্ব আমার নাকি?
অন্তর: স্যার, আপনি যদি চান আমি আপনাকে প্রমাণ দেখাতে পারবো স্যার। ৪৪ থেকে ৪৫ ব্যাচও টাকা পাইছে স্যার।
প্রক্টর: আরে বাবা, এইটা নিয়ে কেন তুমি পড়ে আছো? টাকা কে দিছে, আমি তো সেটা জিজ্ঞাস করছি না।
এদিকে এই ফোনালাপ ফাঁস করায় অন্তরকে প্রক্টর হুমকি দিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করেছে। অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘অন্তরের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো। আমি আসলে ফোনালাপ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ফোন দিয়েছি। সে অভিযোগ করছে আমি হুমকি দিয়েছি। আসলে এখানে হুমকিস্বরূপ একটা শব্দও নেই। অন্তর আসলে হতাশা থেকে তাড়াহুড়ো করে এই অভিযোগ করেছে।
জাবি ভিসির কোটি টাকা ‘ঈদ সালামি’
সদ্য অব্যাহতি দেয়া ছাত্রলীগ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও জাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের মধ্যে ফাঁস হওয়া ফোনালাপে আলোচিত ১ কোটি টাকা জাবি ভিসি ছাত্রলীগকে ঈদ সালামি হিসেবে দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন করেছেন সাদ্দাম হোসাইন। গতকাল সোমবার এই ফোনালাপ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি এই মন্তব্য করেন। জানা যায়, গতকাল সোমবার দুপুরে হঠাৎ করে দেড় শতাধিক ছাত্রলীগ কর্মী সমেত ঘণ্টাখানেক শোডাউন দেন সাদ্দাম হোসাইন। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে এটা শোডাউন না। সামনে ভর্তি পরীক্ষা তো তাই ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করলাম। সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে কিনা।’ এসময় তিনি বলেন, ভিসির বাসায় মিটিংয়ে আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা হয় আমাদের ঈদ সেলামি বাবদ টাকা দেবে। সেখানে আমাদের ১ কোটি টাকা ঈদ সালামি হিসেবে দেওয়ার কথা হয়। পরদিন তারা জুয়েল (শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি) চঞ্চলের (শাখা ছাত্রলীগ সম্পাদক) কাছে টাকাটা পৌঁছে দিয়েছে। আমরা (সাদ্দাম গ্রুপ) চঞ্চলের কাছ থেকে আমদের ভাগের টাকা নিছি। ভিসি ম্যাম কোথা থেকে এই টাকাটা দিছে আমরা জানি না। আমরা টাকাটা নিয়ে আমরা সালামি বাবদ পুলাপাইনকে (ছাত্রলীগ নেতাকর্মী) টাকাটা দিছি।
প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, টেন্ডার শিডিউল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছিল ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে তখন আমরা (সাদ্দামের গ্রুপ) মাঠে নেমে সবার টেন্ডার ড্রপ করা নিশ্চিত করি। আমরা কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। যদি টাকা পয়সা বা দুর্নীতির ব্যাপারে জানতে চান তবে শিডিউল বিক্রি থেকে ওপেন হওয়া পর্যন্ত ভিসির ছেলের (প্রতীক হোসেন) ফোন রেকর্ড যদি বের করতে পারেন তাহলে মোটামুটি সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। বিশেষ করে ৯ই আগস্টের আমাদের সঙ্গে মিটিংয়ের আগে ও পরে আমাদের সঙ্গে ভিসির ম্যামের ছেলের যে কথা হয়ছে তা বের করতে পারলে তবে আর কোনো সন্দেহ থাকবে না।’ শিডিউল ছিনতাইয়ের যে কথা বলছেন তার কি আপনারা তদন্ত বা বিচার চান কিনা- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, অবশ্যই। আমরা যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিপক্ষে। আমরা শিডিউল ছিনতাইয়ের যে ঘটনা ঘটেছে তার বিচার চাই।’
শোডাইনে শাখা সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মোল্লা, সহসভাপতি নিয়ামুল হোসেন তাজ, সহসভাপতি মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হাসান ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল, মওলানা ভাসানী হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ও সালাম বরকত হলের দেড় শতাধিক নেতাকর্মীদের দেখা যায়। এই চার হল নিয়ন্ত্রণ করছে দাবি করে সাদ্দাম হোসাইন বলেন, ‘এছাড়াও মীর মশাররফ হোসেন হল ও আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা আমাদের সঙ্গে আছে। শাখা ছাত্রলীগের সম্পাদক ক্যাম্পাসে নেই। এখানে সাংগঠনিক নিয়ম মানা হয়না। যেসব প্রেস রিলিজ যাচ্ছে শাখা ছাত্রলীগের নাম করে তা সভাপতি একা দেয়, এটা একটা অংশের প্রেস রিলিজ। কখনো জাহাঙ্গীরনগর ছাত্রলীগের কিছু না। আমি আমার গ্রুপের রাজনীতি সবাইকে নিয়ে করব।
উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ফোনালাপ ওরা ওরা করছে, বানিয়ে করছে। আমার জানামতে আমার ছেলেও ওদের সঙ্গে আলাপ করেনি। এখানে শিক্ষকদের ইন্ধন থাকতে পারে। তবে কারা সেটা আমি বলব না।
এদিকে ফাঁসকৃত ফোনালাপ জাবি ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী ‘ষড়যন্ত্র’ দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে ভিসিপন্থি শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ। অন্যদিকে এই ফোনালাপকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি করে সকলকে মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সমর্থন ও অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক দুর্নীতির স্বরূপ উন্মোচন ও এর বিচার দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৯৩ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

পিএসএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আর রানি বলেছেন, ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী এমন হাজার হাজার শ্রমিক রয়েছেন মালয়েশিয়ায়। তাদের মৃত্যুতে যে কারণ দেখানো হচ্ছে তা একেবারেই বেমানান। কারণ, অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে নিয়োগের আগে তাদেরকে মেডিকেল পরীক্ষায় ‘ফিট’ বা যোগ্য বলে সনদ দেয়া হয়েছে। ফলে, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকে তাদের মারা যাওয়ার কারণ হতে পারে বাসস্থানের অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতির কারণে। প্রতিটি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পূর্ণাঙ্গভাবে খুঁজে বের করতে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষা করা যেতে পারে। পোস্ট মর্টেম করা যেতে পারে। মৃত্যুর আগের উপসর্গ সম্পর্কে তথ্য নেয়া যেতে পারে মৃত শ্রমিকের সহকর্মীদের কাছ থেকে। এরপরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, এমন মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণের জন্য আমাদের উচিত ডাটাবেজ তৈরি করা, যাতে সহজে সব তথ্য এক স্থানে পাওয়া যায়। এসব সমস্যার মূলে পৌঁছার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে বিস্তৃত করা উচিত।
বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশে বিপুল পরিমাণ টাকার ঋণ করে মালয়েশিয়া যান বলে উল্লেখ করেছেন আর রানি। তিনি বলেন, এটা সবাই জানেন যে, অনেক ঋণ করে মালয়েশিয়া যান বাংলাদেশিরা। এতে তারা মালয়েশিয়ায় আধুনিককালের দাসত্বে পরিণত হচ্ছেন। এই অবস্থা মোকাবিলা করতে শ্রমিক আমদানিতে সংশ্লিষ্ট সব ফি নিয়োগকারীকে দেয়ার প্রস্তাব করেছে অভিবাসীদের ইস্যু নিয়ে কাজ করা রাইট টু রিড্রেস কোয়ালিশনের মতো গ্রুপগুলো। তাই শ্রমিক নিয়োগ, অবৈধ শ্রমিক, শ্রমিকদের আবাসন ও তাদের স্বাস্থ্যগত ইস্যুসহ সব বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতি গ্রহণের জন্য মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আর রানি। কিন্তু অভিবাসী শ্রমিকদের সমস্যার বিষয়ে যথাযথভাবে দৃষ্টি দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে, অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। আর রানি বলেন, অনেক হয়েছে। এবার এই ট্র্যাজেডি থামান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে জোরপূর্বক গুম, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, গণগ্রেপ্তার: মার্কিন প্রশাসনে চিঠি

একটি চিঠিতে চারজন সিনেটর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে কাশ্মীর সঙ্কট সহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এমন আহ্বানে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক এই দুটি দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রয়োজন হতে পারে। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে চিঠি লিখেছেন কংগ্রেসওম্যান জয়াপাল এবং কংগ্রেসম্যান জেমস পি ম্যাগভার্ন। এতে তারা জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট তদন্তের জন্য অবিলম্বে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও নিরপেক্ষ মানবাধিকার বিষয়ক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়ার দাবি জানান।
এ সপ্তাহে কাশ্মীর পরিস্থিতি, বিশেষ করে সেখানকার মানবাধিকার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন আইনপ্রণেতা। কেউ কেউ সতর্ক করেন যে, এই বিরোধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আর তা থেকে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। এখানে উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে যখন গ্রীষ্মকালীন অবকাশ চলছে, তখনই কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে ভারত। সেখানে অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি করে। কেড়ে নেয়া হয় জনগণের মৌলিক অধিকার। এমন অবস্থায় বেশ কিছু আইণপ্রণেতা নিন্দা জানিয়েছেন। কিছু আইন প্রণেতা উত্তেজনা প্রশমিত করতে নিজের প্রভাবকে ব্যবহার করতে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি।
নিন্দার এই ঝড় ক্রমশ বাড়তে থাকে এই সপ্তাহে, যখন শরতকালীন অধিবেশনের জন্য ওয়াশিংটনে ফিরতে শুরু করেছেন আইন প্রণেতারা। এ মাসের শেষের দিকে কাশ্মীর ইস্যুতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক কংগ্রেশনাল প্যানেলে। অন্যদিকে কয়েক জডন আইন প্রণেতা বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। অন্যসব প্যানেলেও একই রকম শুনানি হতে পারে। তবে যখন নতুন অধিবেশন শুরু হবে তখন পররাষ্ট্র বিষয়ক প্যানেলে সাধারণ বিতর্ক হতে পারে কাশ্মীর ইস্যুতে। এখন পর্যন্ত দেয়া বিবৃতিগুলোতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরা হয়েছে। তা হলো- ১. কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানাতে হবে। ২. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ এড়াতে হবে এবং ৩. উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রকে অধিক সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট দলের আইন প্রণেতারা আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। তা হলো, পরিস্থিতির যাতে সুযোগ নিতে না পারে জঙ্গিরা তা নিশ্চিত করতে হবে পাকিস্তানকে। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে কংগ্রেসনাল একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতের কর্মকান্ডে কাশ্মীরের প্রতি ক্যাপিটল হিলে যথেষ্ট সহানুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এই সহানুভূতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যদি এর ভিতর যুক্ত হয়ে পড়ে জঙ্গিরা। ওদিকে, বিরোধ মীমাংসায় যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোনো দেশের মধ্যস্থতার বিরোধী ভারত। কিন্তু মনে হচ্ছে ওয়াশিংটন অনেকটাই বুঝতে পেরেছে যে, কাশ্মীরের মতো বিরোধ বাইরের সহায়তা ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়।
এরই মধ্যে চারজন সিনেটর চিঠিতে লিখেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে। প্রত্যাহার করতে হবে অচলাবস্থা ও কারফিউ। মুক্তি দিতে হবে কাশ্মীরের বন্দিদের। অন্যদিকে সিনেটর বব ক্যাসি বলেছেন, কয়েক দশকের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা পরিবর্তন করে ভারত ভয়াবহ এক অবস্থান নিয়েছে। এ নীতির কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে ভারতের কর্মকান্ডকে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তৈয়বা। তিনি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে লাখ লাখ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এতে ভারত ও কাশ্মীরের গণতন্ত্রের ভয়াবহ ক্ষতি করা হয়েছে। তাই অন্যায়ভাবে আটক, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ভয়ে ভীত হওয়া উচিত নয় সেখানকার মানুষের। কাশ্মীরে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, গণতান্ত্রিক আদর্শকে সমুন্নত রাখতে, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও কাশ্মীরের উত্তেজনা প্রশমনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পারস্য উপসাগরে আবার উত্তেজনা, যুদ্ধের আশঙ্কা

সৌদি আরবে হামলার দায় হুতিরা স্বীকার করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তিনি বলেছেন, এ হামলার জন্য সরাসরি দায়ী ইরান। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইট করেছেন। তিনি তাতে বলেছেন, কে এই অপরাধী আমরা তা জানি। এটা বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে। শুধু যাচাই করার ওপর নির্ভর করে আমরা ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’। এ হামলার পিছনে কে বা কারা শুধু তাদের বিষয়ে আমরা সৌদি আরবের কাছ থেকে জানার অপেক্ষায় আছি। এর ওপরই নির্ভর করবে আমরা কোন প্রক্রিয়া অবলম্বন করবো। রোববার হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পরে এমন টুইট করেন ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে হামলার জন্য সরাসরি আঙ্গুল তোলেন ইরানের দিকে। এমন হামলার জবাবে সামরিক অভিযান সহ সব রকম অপশন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। এ কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা। তবে তিনি বলেছেন, এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নি আসলে কি হবে তাদের জবাব।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন বক্তব্যকে সর্বোচ্চ মিথ্যা বলে দাবি করেছে ইরান। পাশাপাশি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর প্রতি হুমকি দিয়েছে তারা। ফলে এ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যে আলোচনা হওয়ার আশা জেগে উঠেছিল, তা মিইয়ে গেছে। ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওইসব বক্তব্য হলো অন্ধ ও মিথ্যায় ভরা। তিনি আরো বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির নীতি গ্রহণ করেছে। তাতে ব্যর্থ হয়ে তারা সর্বোচ্চ মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। ওদিকে সৌদি আরবে দুটি তেলক্ষেত্রে হামলার দায় আবারও স্বীকার করেছেন হুতি নেতা মুহাম্মাদ আল বুখাইতি। তিনি বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছেন, সৌদি আরবের বিমান বাহিনী যাতে টার্গেটে হামলা করার ক্ষেত্রে ঝুঁকিতে পড়ে সে জন্য তারা ওই হামলা চালিয়েছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলেন নি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইয়েমেন থেকে হামলা হওয়ার কোনো প্রমাণই নেই। ওই ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট চার বছরের ওপরে যুদ্ধ করছে হুতিদের বিরুদ্ধে। একে সৌদি আরব ও প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের মধ্যে একটি প্রক্সি যুদ্ধ হিসেবে দেখা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি থেকে এক কাপড়ে ফিরলেন ১৭৫ জন by রোকনুজ্জামান পিয়াস

সেলিম রেজা রোববার রাতে দেশে ফেরেন। রাত ১১টা ৭ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৮০৪ ফ্লাইটে করে তার সঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান আরও ১৭৪ বাংলাদেশি। সেলিমের মতো তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরেছেন তারাও।
এসব কর্মীরা ফিরেছেন এক কাপড়ে। তাদের কেউ ফিরেছেন খালি পায়ে, কারও মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, চেহারায় ক্লান্তির ছাপ, কেউবা ফিরেছেন কর্মস্থলের পোশাকেই। তাদের সকলের হাত ছিলো খালি। একবারে শুণ্য, নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন তারা। বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার সম্বলটুকুও ছিলো না তাদের। রাতেই ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম বিমান বন্দরে খাবার সরবরাহসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জরুরি সেবা দিয়েছে।
সেলিম জানান, তিনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন সেটি ছিলো একটি নির্মাণ কোম্পানি। ৫ হাজার কর্মী কাজ করতো। ছাঁটাই করতে করতে বর্তমান কর্মীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০০ জনে। কিন্তু এই ২০০ জনও ঠিকমতো বেতন পাচ্ছেন না। আকামা থাকার পরও অনেককে কোন কারণ ছাড়াই ধরে নিয়ে যাচ্ছে সেদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আবার অনেকে বেতন না পেয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন অন্যত্র। দীর্ঘদিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে সেলিম জানান, সৌদি আরবজুড়ে বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। ছাড় পাচ্ছেন না বৈধ কাগজপত্র থাকা কর্মীরাও। অধিকাংশ কর্মীই বেতন পাচ্ছেন না মাসের পর মাস।
ফেরত আরেকজন টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার মনির হোসেন। বছর দুয়েক আগে ৫ লাখ টাকা খরচ করে তিনি দেশটিতে হাউজ ড্রাইভারের কাজ নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মালিকের অধীনে কোন কাজই ছিলো না। তাই মালিকের অনুমতি নিয়েও মোটা অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে অন্যত্র কাজ নেন তিনি। কিন্তু আকামা মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন আকামা করে দেয়নি মালিক। এদিকে, পূর্বে যেখানে কাজ করতেন সেখানে বেতন না পাওয়ায় আরেক জায়গায় কাজ খুঁজতে বের হন। আর তখনই পুলিশ তাকে পাকড়াও করে। এরপর ১৪দিন ডিপার্টটেশন সেন্টারে থাকার পর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
ফিরে আসা এই ১৭৫ জনের একজন চাঁদপুরের বাবুল হোসেন। তার অভিযোগ, সৌদিতে ৬ মাসের বৈধ আকামা থাকা সত্ত্বেও কর্মস্থল থেকে ধরে তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তার কোন কথা শোনেনি সে দেশের প্রশাসন। প্রত্যেকের অভিযোগ প্রায় একই।
ফেরত কর্মীরা জানান, প্রতিদিন শত শত কর্মীকে সেদেশের প্রশাসন গ্রেপ্তার করছে। রিয়াদ ডিপার্টেশন ক্যাম্পে এখনও হাজার খানেক বাংলাদেশি কর্মী বন্দি রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের আলিম, নরসিংদীর মো. জোবাইর, লক্ষ্মীপুরের ফরিদ, মুন্সিগঞ্জের শরিফ হোসেন, মেহেরপুরের সেলিম রেজাসহ অনেকের অভিযোগ তাদের বৈধ আকামা থাকা সত্ত্বেও তাদের জোরপূর্বক ধরে জেলখানা পাঠিয়ে দিচ্ছে। এরপর কিছুদিন সেখানে রেখে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।
কয়েকজন কর্মীর অভিযোগ, তাদের কফিল (মালিক) আকামা নতুন করে নবায়ন করেনি বা আকামা বাতিল করে দিয়েছে। ফলে তাদের আর সেদেশে থাকতে দেয়া হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সৌদিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের কোন সহযোগিতা করেনি বলেও অভিযোগ করেন ফিরে আসা এসব কর্মীরা। তারা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে।
দেশটির সংবাদ মাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রম এবং আবাসন আইন অমান্য করায় সৌদি সরকার অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৮ লাখ বিদেশিকে আটক করেছে। ২০১৭ সাল থেকে দেশটির সরকার এই আটক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আটক ৩৭ লাখ ৯০ হাজার ১৭৩ জনের মধ্যে ২৯ লাখ ৫০০ জন আবাসন আইন অমান্য, ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৬০২ জন শ্রম আইন অমান্য এবং ২ লাখ ৪৭ হাজার ২২০ জনকে সীমান্ত আইন অমান্য করায় আটক করা হয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুন থেকে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৫২১ জন বিদেশি আটক হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে ৯ লাখ ৪০ হাজার ১০০ বিদেশিকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
অবৈধ একজনও সৌদিতে থাকতে পারবে না: এদিকে, রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে আমাদের কূটনৈতিক রিপোর্টার জানান, সৌদি আরবে অবৈধ বাংলাদেশীদের দেশে ফেরানো নিয়ে এক অরাজক পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। দেশটিতে কত অবৈধ রয়েছে তা খোদ সৌদি সরকারও জানে না। তবে তাদের ধরতে সৌদি পুলিশ প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছে ২০১২ সাল থেকে। লাখে লাখে অবৈধরা ধরা পড়ছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশীও আছেন। তাদের নাগরিকত্ব যাচাই এবং ট্রাভেল পাস ইস্যুর জন্য চাপ বাড়ছে দূতাবাসের ওপর। অনেক আগে সৌদি পাড়ি জমানো কিছু রোহিঙ্গাও আসছেন ট্রাভেল পাসের জন্য। ফলে, নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত না হয়ে কাউকেই ট্রাভেল পাস ইস্যু করা যাচ্ছে না।
ঢাকা থেকে নাগরিকত্বের রিপোর্ট পেতে সময় লাগছে। এক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবে এখনও বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে রোহিঙ্গাদের যাওয়া অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে তারা বিশেষ সুবিধা পায়। ফলে, ওই মোহ তাদের সৌদির প্রতি আগ্রহী করে তুলছে। অসাধু পাচারকারীরা সূযোগটি নিচ্ছে। তারা মোটা অংকের বিনিময়ে সৌদি আরবে রোহিঙ্গাদের বাংলাদশী পাসপোর্ট দিয়ে পাচার করছে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, গত ৬ মাসে লাখো বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী সৌদি আরব গেছেন। এর মধ্যে ’শ খানেক রোহিঙ্গা থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে অবৈধ হয়ে পড়া একজন রোহিঙ্গাকেও বাংলাদেশে ফেরার ট্রাভেল পার্স ইস্যু করেনি রিয়াদস্থ দূতাবাস। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, একজন অবৈধও সৌদি থাকতে পারবেন না। তবে আশার দিক হচ্ছে বাংলাদেশি যারা অবৈধ হওয়ার কারণে দেশে ফিরছেন তারা নতুন করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে দেশটিতে ফের যেতে পারবেন। আগে ২ বছরের মধ্যে রি-এন্ট্রির সুযোগ ছিল না। এখন সেই বাধা কেটেছে। দু’বছর নয়, পরদিনই তারা চাইলে বৈধভাবে সৌদি যেতে পারবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টাকা জমানোর এখনই সময়

• সাড়ে পাঁচ বছরেই দ্বিগুণ টাকা ফেরত দিচ্ছে কয়েকটি ব্যাংক।
• ব্যাংকের অবস্থা জেনেই টাকা জমার সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।
ভবিষ্যতের জন্য কে না চায় টাকা জমাতে। সেই জমানো টাকা একসময় হয়ে উঠবে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই জমানো টাকায় যদি বেশি সুদ মেলে, পাঁচ থেকে ছয় বছরে যদি টাকা দ্বিগুণ হয়, তাহলে তো কথায় নেই। হ্যাঁ পাঠক, আপনি যদি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতে চান, তাহলে এখনই ভালো সময়। কারণ, ব্যাংকগুলোতে টাকা জমা রাখলে এখন যে পরিমাণ সুদ মিলছে, ভবিষ্যতে তা মিলবে না।
তবে গ্রাহক হিসেবে আপনাকে একটু খোঁজখবর নিতে হবে যে ব্যাংকে টাকা জমা রাখবেন, তার আর্থিক অবস্থার। এরপরই টাকা জমা করতে হবে। তা না হলে শুধু বেশি সুদ পাওয়ার আশায় টাকা জমা রেখে বিপদও হতে পারে।
ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাংক খাতে ২০১২-১৩ সালের দিকে যেমন তারল্যসংকট চলছিল, পাঁচ বছর পর আবার সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ জন্য সব ব্যাংকই এখন আমানতের ওপর সুদহার বাড়িয়ে দিয়েছে। বেশির ভাগ ব্যাংক এখন আমানতে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ দিচ্ছে। অনেকের আমানতের সুদহার ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
গ্রাহকেরা কী দেখে ব্যাংক যাচাই করবেন, এ নিয়ে জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হালিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, টাকা জমা রাখার ক্ষেত্রে গ্রাহকের দেখা উচিত ব্যাংকের রেটিং কেমন, খেলাপি ঋণ কত। আর ব্যাংকটি কারা পরিচালনা করছেন, ব্যবস্থাপনায় কারা আছেন, তা-ও দেখা উচিত। বিশেষ করে ব্যাংকটির ভাবমূর্তি কেমন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিবেচনা করেই গ্রাহকের ব্যাংক বাছাই করা উচিত, সুদহার দেখে নয়।
ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহারে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সময় শেষে তা প্রদান করে না। গ্রাহকদের এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহকেরা যদি স্থায়ী আমানত রাখে, তাহলে ব্যাংকের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ যদি কোনো ব্যাংক ছয় বছরে দ্বিগুণ টাকা দিতে চায়, তাহলে সেই ব্যাংককে সেই টাকা দিতেই হবে। তবে প্রতি মাসে টাকা জমা করলে তাতে সুদহারের পরিবর্তন হতে পারে।
কর্মকর্তারা বলছেন, বেশির ভাগ ব্যাংক চলতি বছরে সুদহার বাড়িয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোই বেশি সুদে টাকা জমা নিচ্ছে। এর মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের নাম বদলে হওয়া পদ্মা ব্যাংক সাড়ে পাঁচ বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমানত নিচ্ছে। অর্থাৎ কেউ ১০ লাখ টাকা জমা করলে ৫ বছর ৬ মাস পর ব্যাংক ওই গ্রাহককে ২০ লাখ টাকা ফেরত দেবে। যদিও এর আগে ব্যাংকটিতে টাকা জমা রেখে বিপদে পড়েছিল গ্রাহকেরা। তবে এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন ব্যাংকের মধ্যে মধুমতি ব্যাংক ৫ বছর ১০ মাসে দ্বিগুণ ও ৯ বছরে তিন গুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমানত নিচ্ছে, যাতে সুদহার পড়ছে যথাক্রমে ১২ দশমিক ৭৫ ও ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ৬ বছর ৬ মাসে টাকা দ্বিগুণ করার আশ্বাসে আমানত নিচ্ছে, যাতে সুদহার পড়ছে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ। ইউনিয়ন ব্যাংক ৬ বছর ৫ মাসে টাকা দ্বিগুণ করার আশ্বাসে আমানত নিচ্ছে। সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক সাত বছরে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাসে আমানত সংগ্রহ করছে।
আর পুরোনো ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সিম ব্যাংক ৬ বছরে দ্বিগুণ ও ১১ বছরে তিন গুণ টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আমানত সংগ্রহ করছে। টাকা দ্বিগুণ করতে আইএফআইসি, ন্যাশনাল ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক সময় নিচ্ছে ৭ বছর ৬ মাস। আর টাকা দ্বিগুণ করতে ঢাকা ব্যাংক ৮ বছর, ইউসিবিএল ৮ বছর ৫ মাস, ব্র্যাক ব্যাংক ৮ বছর ১১ মাস, সিটি ব্যাংক ৯ বছর সময় নিচ্ছে। আবার পুরোনো কয়েকটি ব্যাংক টাকা দ্বিগুণ করার আমানত পণ্য বন্ধও করে দিয়েছে।
জানতে চাইলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা রাশিদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘টাকা জমা রাখলে একটা সময় পর তা বেড়ে দ্বিগুণ-তিন গুণ হবে, এমন সেবাই আমরা চাই। তবে কোথায় রাখলে টাকা নিরাপদে থাকবে এবং সময়মতো ফেরত পাব, সেটা জানা বেশ কঠিন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিনেট থেকে শোভনের পদত্যাগ, কী করবেন গোলাম রাব্বানী

এদিকে শোভন-রাব্বানীকে সরিয়ে শুদ্ধি অভিযান শুরু হলেও তাদের বলয় ভাঙবে কিনা এমন প্রশ্ন আসছে সামনে। যে ‘ভাইলীগ’ ছাত্রলীগকে শেষ করছে তা থেকে বের হয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্নের ছাত্রলীগ গঠনে কতটুকু সাফল্য পাবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাধারণ সম্পাদক- এমনটাই আলোচনা হচ্ছে সর্বত্র। দীর্ঘদিন যাবৎ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে ভাই রাজনীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংগঠনটির শীর্ষ পদে যারা আসেন তাদের অঞ্চলের রাজনীতি চাঙা হয়। আশাহত হয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান অন্য অঞ্চলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বলছেন- ‘মূলত কাছের ভাই ব্রাদার শীর্ষ পদে আসতে না পারলে রাজনীতি করে লাভ নেই। কারণ ছাত্রলীগে এখন পরিশ্রমের কোনো মূল্যায়ন নেই। স্বজনপ্রীতিই বেশি কাজ দেয়।’
গতকাল ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘সারা দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের যেকোনো অভিযোগ কিংবা দাবি থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমাদের কাছে আসতে কোনো লবিং কিংবা মধ্যস্থতা লাগবে না।’ দায়িত্ব পেয়ে একই কথা বলেছিলেন গোলাম রাব্বানীও। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনিও পূর্বসূরিদের মতো ভাই রাজনীতির পথেই হেঁটেছেন। সাধারণত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদগুলোকে সংগঠনটির শীর্ষ পদ বলে ধরা হয়। এ চারটি পদে যারা আসেন তাদের ঘিরেই এ সংগঠনের রাজনীতি হয়ে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতেও এ চার নেতারা অনুসারীরা অ্যাক্টিভ থাকেন। মধুর ক্যান্টিন কিংবা বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা পৃথক পৃথকভাবে এ চার নেতার নির্দেশনা মেনে চলেন। গত জুলাই-এ কমিটি গঠনের পর দেখা গেছে কোনো কোনো কর্মসূচিতে এ চারজনের একজন অনুপস্থিত থাকলে তার অনুসারীরাও সংগঠনের ওই কর্মসূচিতে যান না। তাই ভাই রাজনীতি ভাঙা না গেলে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, আদর্শিক রাজনীতির চর্চা না করে ভাই রাজনীতি চলতে থাকলে সংগঠন দুর্বল হয়ে যাবে।
বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু ভারপ্রাপ্তদের:
ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে নতুন দায়িত্ব পাওয়া ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুরে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান জয় বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথে চলব, তার হাতকে শক্তিশালী করব।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পথে থেকে ছাত্রলীগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করব। সংগঠনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা করব। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, সারা দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের যেকোনো অভিযোগ কিংবা দাবি থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমাদের কাছে আসতে কোনো লবিং কিংবা মধ্যস্থতা লাগবে না। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন নেতৃত্ব্ব কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন রাব্বানী:
ডাকসু ভেঙে দিয়ে পুনঃনির্বাচনের দাবি প্রগতিশীলদের:
দুর্নীতির দায়ে নিজ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের পদ খোয়ানো গোলাম রাব্বানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন তুলেন জোটের নেতারা। এ সময় ছাত্রজোট অবিলম্বে ডাকসু অবৈধ ঘোষণা করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানায়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল। এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের একাংশের সভাপতি ইমরান হাবিব রুম্মন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার, ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে নোবেল বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে নিজ সংগঠন থেকে অব্যাহতি পাওয়া কোনো ব্যক্তি ডাকসুর কোনো পদে আর থাকতে পারেন না। তাই বর্তমান বাস্তবুায় দাঁড়িয়ে ডাকসুর অতীত-ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য অবিলম্বে এই ডাকসু অবৈধ ঘোষণা করে পুনঃনির্বাচনের দাবি আমরা জানাচ্ছি। প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সংবাদ সম্মেলন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তিনি ৬ লাইন এমআরটি’র পাশাপাশি ১, ২, ৩, ৪, ৫ লাইন এমআরটি’র অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। দেশে এই প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)’র সহযোগিতায় রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ডিএমটিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই মেগা প্রকল্পের দ্রুত ও যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কিছু নির্দেশনা দেন। সভায় জানানো হয়, আগস্ট নাগাদ ৬ লাইন প্রকল্পটির (উত্তরা-আগারগাঁও-মতিঝিল) ৩০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সভায় আরো জানানো হয়, এখন পর্যন্ত ৬ লাইনের এমআরটি’র উত্তরা আগারগাঁও অংশের প্রায় ৪৬ শতাংশ কাজ এবং আগারগাঁও-মতিঝিলের ২৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
সাবেক নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, পিএমও সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সেলের সিইও ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামন মিয়া এবং জাইকার প্রতিনিধিগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-৬ উত্তরা থার্ড ফেস থেকে শুরু হয়ে পল্লবীর মধ্য দিয়ে রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ এবং ফার্মগেট, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, দোয়েল চত্বর, তোপখানা রোড ও বাংলাদেশ ব্যাংক বিস্তৃত। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এমআরটি-৬ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে জাইকা ১৬ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা দিচ্ছে। প্রকল্পের বাকি টাকা বাংলাদেশে সরকার যোগান দেবে। দ্রুতগামী মেট্রোরেলটি উত্তরা থেকে মিরপুর ও ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত যাতায়াত করবে। এতে ঘন্টায় ৬০ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করতে পারবে। প্রতি চার মিনিট পর পর এক এক করে প্রতিটি স্টেশনে ট্রেন থামবে। এই প্রকল্পের ১৬টি স্টেশন হলো-উত্তর উত্তরা, মধ্য ও দক্ষিণ,পল্লবী,মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, তালতলা, আগারগাও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, সোনারগাঁও, জাতীয় যাদুঘর, দোয়েল চত্বর, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও বাংলাদেশ ব্যাংক।
এক্সিলেন্স এওয়ার্ড দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী:
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স এওয়ার্ডস-২০১৯’ গ্রহণ করেই তা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক অনুষ্ঠানে ড. কালাম স্মৃতি আন্তর্জাতিক এডভাইজরি কমিটির পক্ষ থেকে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান উপদেষ্টা টি পি শ্রীনিবাসন ও সংস্থাটির চেয়ারপারসন দীনা দাস শেখ হাসিনার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার গ্রহণের সময় দেশের জনগণের প্রতি কর্তব্য পালনে তার দায়বদ্ধতার প্রতি প্রশংসার নিদর্শন হিসেবে এই পুরস্কার গ্রহণ করছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, জনগণের প্রতি এই কর্তব্য পালনই আমার জীবনের মূলমন্ত্র,যেমনটি ছিল আমার পিতা,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। আমি এই পুরস্কার দেশের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, রাজনীতিবিদ,কবি, সাহিত্যিক,শিল্পি,বুদ্ধিজীবীসহ ভারত ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,বিদেশী কূটনীতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য তার অসামান্য অবদান, জনকল্যাণ বিশেষত নারী ও শিশুদের কল্যাণে বিশেষ অবদান রাখা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার জন্য শেখ হাসিনাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি এবং বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তামিল নাড়ুর সন্তান এপিজে আব্দুল কালামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তামিল নাড়ুু সরকার এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকেন্দ্রীকরণে বাধা দিচ্ছেন এমপিরা: -ইকোনমিস্টের রিপোর্ট

প্রতিবেদনটি হলো-শিল্প অঞ্চল, আবাসিক উন্নয়ন, ক্লিনিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে তার। তিনি মংলার মেয়র। শহর সমপ্রসারণে মেয়রকে কিছুটা উচ্চাভিলাষী বলেই মনে হচ্ছে। মংলায় মাত্র ৪০,০০০ মানুষ রয়েছে; তার অফিস একটি ভেঙে পড়া ভবনে, সেটি বন আচ্ছাদিত। তবে আগামী পাঁচ বছরে মেয়র জুলফিকার আলী জোর দিয়েই বলছিলেন, মংলা একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে, যেখানে দ্রুত শিল্পায়নের ফলে হাজার হাজার অভিবাসীর থাকার ব্যবস্থা হবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমবর্ধমান হওয়ার কারণে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে, আর সেটাও শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে। (ইতিমধ্যে, সমুদ্র আশেপাশের নিম্ন বদ্বীপ অঞ্চল খেয়ে চলেছে।) ‘পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমি প্রস্তুত থাকতে চাই,’ তিনি বলেছেন।
১৯৭৪ সালে মাত্র ৯% বাংলাদেশি নগর বা শহরে বাস করতেন। আজ দেশের ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে ৩৭% লোক শহুরে। আগামী কয়েক দশকে দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ শহরে বাস করবে। রাজধানী ঢাকা বেশিরভাগ গ্রামীণ অভিবাসীদের আকৃষ্ট করে। ১৯৮০ সালের ৩০ লাখ আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখে।
এটি ‘ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণোন্মুখ।’, মন্তব্য করেছেন সলিমুল হক। অভিবাসীদের সহায়তা করার জন্য মংলাসহ ৮টি জায়গায় শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর চেষ্টা করার কাজে নিয়োজিত একটি থিংক ট্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত তিনি।
ঢাকায় শ্রমিকের চাপ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছে। গত এক দশক ধরে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি সাড়ে ছয় ভাগ। দেশের মোট জিডিপির ৩৫ ভাগই ঢাকার অবদান। ক্রমবর্ধিষ্ণু গার্মেন্ট শিল্প থেকেই আসছে ১১ ভাগ জিডিপি। গার্মেন্টে বিপুলসংখ্যক অভ্যন্তরীণ অভিবাসীকে ধারণ করছে।
তবে প্রবৃদ্ধি এসেছে একটি চড়া দামে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট দ্বারা সংকলিত একটি সূচি অনুসারে, ট্র্যাফিক জ্যাম ও দূষণের জন্য কুখ্যাত ঢাকা
বিশ্বের তৃতীয়-স্বল্পতম বাসযোগ্য শহর। আর একটি থিংক ট্যাংক হলো সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজ (সিইউএস)। তাদের মতো অনুসারে প্রায় ৬০% বাসিন্দা অস্থায়ী কাঠামোয় বাস করেন। এই বস্তিবাসিন্দাদের অনেকেরই পরিষ্কার জল এবং স্যানিটেশন ব্যবহারের অভাব রয়েছে। এবং তারা উচ্ছেদের ঝুঁকির মধ্যে থাকেন।
এই পরিস্থিতিতে রোগগুলো বিশেষত জলবাহিত রোগগুলোর বিস্তার ঘটে। বেসরকারি সংস্থা আরবান পুওরের আবদুস শাহীন বলেছেন, ঘন ঘন অসুস্থতা, যা বস্তিবাসীদের কাজ থেকে বিরত রাখে এবং তা কার্যত তাদের দারিদ্র্যের ফাঁদে আটকে রাখে।
‘এটি অবশ্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যান্য ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করে,’ তিনি যোগ করেন।
পরিবেশগত ব্যয়ও রয়েছে। প্রতিদিন ১১ লাখ ঘনমিটার আবর্জনা নদীগুলোতে পাম্প করা হয়। শহরটি নিকটবর্তী জলাভূমিতে প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে এবং বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।
এই সমস্যাগুলো অত্যধিক কেন্দ্রীকরণ এবং উপেক্ষিত নগর পরিকল্পনার সংমিশ্রণ থেকে উদ্ভূত হয়েছে বলে বিশ্বাস করেন আরবান স্টাডিজের নজরুল ইসলাম। গার্মেন্ট শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটলেও সরকার তার করণীয় সম্পর্কে অসচেতন থেকেছে। গার্মেন্ট কর্মীদের স্বল্প খরচে আবাসন বা পরিষেবা দেয়ার কোনো চেষ্টাই করা হয়নি, তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বললেন।
প্রায় ৩০ বছর পরে, সরকার আর সমস্যাটিকে উপেক্ষা করছে না। ডিসেম্বরে টানা তৃতীয় ৫ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পল্লী থেকে অভিবাসন রোধ করার চেষ্টা করছে। গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে তারা বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেটের অ্যাক্সেসসহ নগর অঞ্চলের মতো সমান সুযোগ সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করছে।
বিকেন্দ্রীকরণও এজেন্ডায় রয়েছে। সরকার নতুন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তৈরি করছে। এবং তাদের উন্নয়নের জন্য আরও অর্থ প্রদান করছে। ঢাকার বাইরে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে, আগামী দশকে ১০০টি শিল্প অঞ্চল তৈরি করা হবে। এ বছরের শুরুর দিকে ১১টি উদ্বোধন করা হয়েছিল। মোংলা তার অন্যতম।
এদিকে ঢাকায় একটি মেট্রো সিস্টেম নির্মাণাধীন। রাজউক, শহরের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ নগরটির উত্তর এবং পূর্ব অংশে সুশৃঙ্খল সমপ্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক শহরের লাগোয়া চারটি দরিদ্র পাড়া-মহল্লায় পাবলিক স্পেস উন্নয়ন এবং পৌর পরিষেবাগুলো উন্নত করতে ১০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
তবে ঢাকা বা নতুন শিল্প অঞ্চলগুলোর আশেপাশে ব্যাপকভাবে সস্তা আবাসনের পরিকল্পনা তাদের নেই, রাজউকের পরিকল্পনাকারী মাহফুজা আক্তার মন্তব্য করেছেন। (মোংলার মেয়র এমন কিছু সস্তা আবাসন গড়তে চান। তবে তিনি এখনও সরকার অনুমোদন পাননি।)
তবে সংসদ সদস্য, যারা তাদের কর্তৃত্ব হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা করছেন, তারা বিকেন্দ্রীকরণ প্রতিরোধ করছেন। তবে যাই হোক, ইসলাম আশাবাদী। ঢাকা এতটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে, তিনি যুক্তি দেন, এখন এ থেকে বাঁচতে ভালো পরিকল্পনা গ্রহণ করা ছাড়া সরকারের আর কোনো উপায় নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নবজাতক সারাকে ফেলে লাপাত্তা মা-বাবা by মরিয়ম চম্পা

ঢাকা মেডিকেলের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জন্ম নেয় নবজাতকটি। ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেয়া ছন্দার মা ফরিদা বেগম মানবজমিনকে বলেন, শিশুটিকে ম্যাট-০৪ এবং বেড নং-২৪ এ ফেলে রেখে যায় তার বাবা-মা। ঘটনার দিন দুপুরে নবজাতক মা নাহারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় বাবা রাসেলের। রাসেল তার স্ত্রীকে বলেন, তোমাকে বিয়ে করেছি মাত্র ছয় মাস। অথচ বাচ্চার বয়স ১০ মাস। এটা তো আমার বাচ্চা না। তাহলে এই বাচ্চার দায়িত্ব আমি কেনো নিবো? বায়োলজিকালি আমি এই বাচ্চার বাবা না। এটা কার বাচ্চা? শিশুটির মা বলেন, তুমি তো আগের স্বামীর কাছ থেকে আমাকে নিয়ে এসেছো। এখন খারাপ ব্যবহার করছো কেনো? এছাড়া বাচ্চাকে স্তন পান করানো নিয়ে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত আনসার ইসলাম নূরের সঙ্গেও স্বামী রাসেলের কথা কাটাকাটি হয়। আনসারকে রাসেল বলে, তুই আমার স্ত্রীর দিকে কুনজরে তাকিয়েছিস কেনো। এরপর আনসার সদস্যকে দুই থেকে তিনটি ধাক্কা দেয়। বকাঝকা করে। পরে রাসেল তার মুঠোফোনে শিশুটির ছবি তোলেন। পরবর্তীতে সে ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে যায়।
এসময় নবজাতকের মা নাহার বেগম তার মাকে ফোন দিয়ে বলেন, গাড়ি নিয়ে তারাতারি এসো, আমাকে নিয়ে যাও। এসময় তার মা একটি মাইক্রোবাস নিয়ে এসে তাকে নিয়ে যায়। আমি শিশুটির মায়ের হাত ধরে অনেক অনুরোধ করে বলেছিলাম, শিশুটিকে ফেলে যাবেন না। পরিকল্পনা করে স্বামী-স্ত্রী আনসার সদস্যদের ওপর দোষ দিয়ে দুজনেই পালিয়ে যায়। তাদের কথাবার্তা শুনে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটির জন্মদাতা হচ্ছে অন্য কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শী অপর এক নারী বলেন, শিশুটির জন্য আমার খুব কষ্ট লেগেছে। ওর জন্য আমি কেঁদেছি। মূলত জন্মপরিচয় সংকটের কারণে শিশুটিকে বাবা-মা দুজনেই পূর্বপরিকল্পনা করে ফেলে গেছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাচ্চাকে হাসপাতাল থেকে নিবে না। এতো সুন্দর ফুটফুটে একটি শিশুকে কোনো মা ফেলে যেতে পারে। বেশভূষা দেখে মনে হয়েছে মেয়েটির মা ভালো পরিবারের ।
এ বিষয়ে ঘটনার দিন দায়িত্বরত আনসার সদস্য বলেন, নবজাতক ওয়ার্ডে পুরুষ প্রবেশ নিষেধ। শিশুটির বাবা এসে জোর করে ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে চাইলে আমি বাধা দেই। পরবর্তীতে সে ওয়ার্ডে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরে হঠাৎ করে এসে সে আমাকে বকাঝকা শুরু করে। এবং বলে, ‘তুই আমার স্ত্রীর দিকে খারাপ নজরে তাকিয়েছিস কেনো’। সে আমাকে একাধিক ধাক্কা দেয়। শিশুটির মা’ও তখন এখানে চলে আসে। পরবর্তীতে তারা দুজনেই একসঙ্গে বেরিয়ে যায়। এসময় শিশুর মা’কে ডেকে বলি বাচ্চা নিয়ে যেতে। সে বলেন, বাচ্চা লাগবে না আমার। আমি নিজেই আশ্চর্য হয়ে গেছি। এমন বাবা-মা আমি জীবনেও দেখিনি। এটা ওদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করা ছিল যে, আমার সঙ্গে ঝগড়া করে শিশুকে ফেলে পালিয়ে যাবে।
ঢাকা মেডিকেলের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, পুরো হাসপাতাল সিসি ক্যামেরার অধীনে থাকলেও কে নবজাতকটির বাবা-মা, সেটা চিহিৃত করা বেশ কঠিন। তাছাড়া সিজারের আগে তারা অসম্পূর্ণ ঠিকানা দিয়েছে। ফলে তাদেরকে সরাসরি চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। তাদের মুঠোফোন নাম্বার থাকলে হয়তো ট্র্যাকিং করা যেত। এখন তো কেউ শিশুটির অভিভাবকত্য দাবি করলেও হবে না। যে ই তাদের বাবা-মা হন না কেনো কিংবা অভিভাবকত্য দাবি করবেন, তাদেরকে ডিএনএ পরীক্ষা এবং পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আসতে হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ইচ্ছা করে ফেলে রেখে গেছে। হয়তো শিশুটির জন্ম পরিচয় সংক্রান্ত কোনো সমস্যা রয়েছে। কিংবা সামাজিক সমস্যা হতে পারে। আমরা ইতোমধ্যে সমাজসেবা অধিদফতরের সঙ্গে শিশুটিকে হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছি। দুই একদিনের মধ্যে এসে তারা ওকে নিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে শিশুটিকে অভিভাবকত্ব নিতে একটি পরিবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু আইনি কিছু জটিলতার কারণে আমরা তাকে দিতে পারিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুলাই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৮২৭২ কোটি টাকা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলছে। এসব বড় প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি করে জোগান দিতে হচ্ছে। এতে আমদানি ব্যয় যেভাবে বেড়েছে সেই হারে রপ্তানি আয় হয়নি। যার কারণে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের করা হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে ইপিজেডসহ রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৩৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে ৪৮০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে জুলাই শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৯৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে) প্রায় ৮ হাজার ২৭২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ঘাটতির এ অংক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময় ছিল ১১৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরে একই সময়ের তুলনায় এবার ঘাটতি কিছুটা কমেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, বাণিজ্য ঘাটতি থাকলেও বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত রয়েছে। যা গত বছরের ঋণাত্মক ছিল। জুলাইয়ে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ঋণাত্মক ছিল ১৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো, নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই হিসাবে উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভালো।
এদিকে, আলোচিত সময়ে সেবাখাতে বেতন-ভাতা বাবদ বিদেশিদের পরিশোধ করা হয়েছে ৮৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর বাংলাদেশ এ খাতে আয় করেছে ৬৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। এ হিসাবে সেবায় বাণিজ্যে দেশে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল (ঘাটতি) ১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
জুলাইয়ে প্রবাসীদের আয় রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্সে ২১.২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, আলোচ্য সময়ে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে ৩৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, এর মধ্যে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ২১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। যা গত অর্থবছরের চেয়ে এফডিআই বেড়েছে ৬.৯৮ শতাংশ ও নিট বেড়েছে ৭ শতাংশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দৃশ্যত কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করায় আমাকে ভিসা দেয়া হয়নি: -দ্য হিন্দুকে শহিদুল আলম

সুহাসিনী হায়দারের লেখা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত তার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পর শহিদুল আলম বলেছেন, এই উপমহাদেশে বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান একটি নিয়মিত (রুটিন) বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় সরকারের সমালোচনা করার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১৮ সালে। শহিদুল আলম বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে মানবাধিকার নিয়ে করা তার মন্তব্যের জন্য ভারতে সমস্যায় পড়তে পারতেন বলে মনে করেন তিনি।
শহিদুল আলম বলেন, এটা সবারই জানা বিষয় যে, কেউ যদি সাংবাদিক হিসেবে ভিসার জন্য আবেদন করেন তাকে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশে কঠোরতার মুখোমুখি হতে হয়। যেসব দেশ নিজেদেরকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করে তাদেরকে মিডিয়ার প্রতি এতটা শত্রুভাবাপন্ন হওয়া অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত। আমাদের সবারই উচিত আমাদের সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখা। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অবাধ ও শৃঙ্খলমুক্ত মিডিয়া হলো সর্বোত্তম সুযোগ। এক লিখিত বক্তব্যে দ্য হিন্দুকে এসব জানিয়েছেন তিনি।
দ্য হিন্দু লিখেছে, বৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত ‘সেরেনডিপিটি’ নামের একটি আর্ট উৎসবে যোগ দেয়ার কথা ছিল শহিদুল আলমের। কিন্তু ভিসা না পাওয়ার কারণে তিনি স্কাইপ মাধ্যমে যোগ দিয়েছেন ওই অনুষ্ঠানে। এ সময় তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক কারণে তার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে কিনা তা বলার উপায় নেই তার। এ সময় তিনি অন্য সহকর্মীদের বিষয় তুলে ধরেন, যারা ভিসার আবেদন করেছিলেন এবং তারা ‘মাল্টিপল-এন্ট্রি’ ভিসা পেয়েছেন কম সময়ের মধ্যে। অন্যদিকে এ বছরের শুরুর দিকে সাংবাদিকতা বিষয়ক একটি পুরস্কার জেতেন তিনি মুম্বইয়ে। এজন্য তাকে ভারত ভিসা দিয়েছিল। তাকে ওই সময় ফ্লাইটের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ‘শর্ট-এন্ট্রি’ ভিসা দেয়া হয়েছিল অনেক জটিলতার মধ্যে।
কিন্তু এবার তার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, আমি প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট সহ আবেদন করেছিলাম। তবে তিনি বুঝতে পেরেছেন, যখন থেকেই তিনি কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মন্তব্য করেছেন তখন থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। এসব মন্তব্যে তাকে ভারতবিরোধী বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে গত ২৭শে আগস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন শহিদুল আলম। এই আবেদন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াকরণ করার কথা। ৫ই সেপ্টেম্বর তিনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যান। এ সময় জানানো হয়, তার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানতে চায় দ্য হিন্দু।
জবাবে মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, কী কারণে ভিসা দেয়া হয়নি প্রতিটি ভিসা আবেদনের বিপরীতে এর কারণ বলা সম্ভব নয়। শহিদুল আলমের আবেদনের বিষয়ে ওয়াকিবহাল এমন একজন কর্মকর্তা বলেন, কোনো দেশই এসব বিষয়ে জানায় না। তিনি আরো বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্যে ভিসা আবেদন যাচাই করা হয়।
ওদিকে ‘সেরেনডিপিটি’ উৎসবের আয়োজকরা বলছেন, শহিদুল আলমকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, নেপাল সহ অন্য দেশগুলোর আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দিয়েছেন। আয়োজকদের একজন বলেছেন, আমরা যাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম তারা সবাই এসেছেন। শুধু শহিদুল আলমের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, এ বছরের শেষের দিকে আর একটি অনুষ্ঠান আছে। তাতে যোগ দিতে পারবেন শহিদুল আলম। এ বিষয়ে মন্ত্রব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বৃটিশ হাইকমিশন। তারা বলেছে, ওই অনুষ্ঠানের একটি ‘ভেন্যু পার্টনার’ ছিল বৃটিশ কাউন্সিল। ওই আয়োজক শহিদুল আলম প্রসঙ্গে বলেছেন, যখন তিনি কারাবন্দি ছিলেন তখন সারা বিশ্বের মানুষ, ভারতের বহু মানুষ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাকে ভারতে আসার সুযোগ দেয়া হয়নি এবং বক্তব্য রাখতে দেয়া হয় নি- বিষয়টি খুব বাজে হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য, সরাসরি সম্প্রচারের কারণে কমপক্ষে ১০০ দিন জেল খাটেন ড. শহিদুল আলম। এরপর গত বছর বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের পারসন অব দ্য ইয়ার হিসেবে মনোনীত হন তিনি। অনেক সাহসী কাজ করেছেন তিনি। সাবেক স্বৈরাচার জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৮০’র দশকে রিপোর্ট কাভার করেছেন। পরে তিনি শিল্পীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার শিল্প পদক লাভ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে দমন অভিযান গ্রেপ্তার ৪০০০

সরকারি এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভারত সরকার। ৬ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৮০০ বেশি মানুষকে। তার মধ্যে অবশ্য ২ হাজার ৬০০ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আতককৃতদের মধ্যে সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ দুই শতাধিক রাজনীতিবিদ ও শতাধিক স্থানীয় নেতাও রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে রয়টার্স। কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সাড়া দেয়নি জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ বিভাগও।
রয়টার্স জানায়, ঠিক কী অপরাধে এভাবে কাশ্মীরিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো সপষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু এক ভারতীয় কর্মকর্তা বার্তা সংস্থাটিকে জানিয়েছে, কয়েকজনকে জন নিরাপত্তা আইনের অধীনে আটকে রাখা হচ্ছে। এই আইনের অধীনে জম্মু ও কাশ্মীরের যেকোনো মানুষকে অভিযোগ ছাড়াই দু’বছর আটকে রাখতে পারে পুলিশ। আটক করা বেশিরভাগ মানুষকেই ‘পাথর নিক্ষেপকারী ও অন্যান্য দুর্বৃত্ত’ হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫ জনকে গত রোববার আগ্রার একটি কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ একাধিক মানবাধিকার সংস্থা ভারত সরকারের এ ধরনের দমন অভিযানের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে। অ্যামনেস্টি বলেছে, এসব অভিযান কাশ্মীরের ইতিহাসে ‘নজিরবিহীন’। এমনভাবে গণআটকের কারণে অঞ্চলজুড়ে ভীতি ও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। অ্যামনেস্টির ভারত কার্যালয়ের প্রধান আকার পাটেল বলেন, এই যোগাযোগ অবরোধ, নিরাপত্তাজনিত দমন অভিযান ও রাজনৈতিক নেতাদের আটক করার ঘটনা অঞ্চলের পরিস্থিতি আরো খারাপ করেছে।
ভারতের ভাষ্য, অঞ্চলটিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও সহিংসতা প্রতিরোধ করতে এই আটক অভিযান জরুরি। সরকার জানিয়েছে, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার সেখানে হতাহতের সংখ্যা খুবই কম। ২০১৬ সালে এক জঙ্গি নেতা হত্যার পর অঞ্চলটিতে সংঘর্ষে কয়েক ডজন মানুষ মারা যায়। আর এবার মাত্র একজন মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেন, জীবনের অধিকারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার।
সরকারি প্রতিবেদনটি বলা হয়, কাশ্মীর উপত্যকায় মোট ১৩টি পুলিশ নিয়ন্ত্রিত জেলা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল একাকা হচ্ছে শ্রীনগর ও এর আশেপাশের এলাকা। সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার সেখান থেকেই করা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে ওই অঞ্চল থেকে। সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভও ওই অঞ্চল ঘিরেই হয়েছে। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে প্রায়ই অস্থিরতা দেখা দেয়। গ্রেপ্তার হওয়া রাজনীতিবিদদের মধ্যে ৮০ জনের বেশি পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য। দলটি আগে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল। এছাড়া, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ৭০ সদস্য ও কংগ্রেসের এক ডজনের বেশি সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে অনানুষ্ঠানিক গৃহবন্দির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
ভারতীয় এক কর্মকর্তা জানান, খুব সম্ভবত এখনো ১ হাজার ২০০ বেশি মানুষকে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের রাজনীতিবিদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা রয়েছেন। এছাড়া প্রতিদিনই আরো কয়েক ডজন মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্ষপূর্তি বিশেষ: ইতিহাস যখন চলমান বাস্তব by নোজোমি হায়াসে

উইকিলিকস-এর জন্মের মধ্য দিয়ে প্রথম বৈশ্বিক ফোর্থ এস্টেটের উত্থান। আমরা দাঁড়িয়েছি এক নব্য ইতিহাসের বাঁকপর্বে। এমন এক সৃজনশীল শক্তি হিসেবে সংস্থাটির আবির্ভাব, অতীতের ঐতিহাসিক ক্ষতচিহ্নগুলোকে যা মুছে দিতে সক্ষম। লড়তে সক্ষম মানুষের চিরস্থায়ী দুর্ভোগ-দুর্দশার কারণ হিসেবে জারি থাকা নিষ্ঠুর ক্ষমতাতন্ত্রের বিরুদ্ধে। বাস্তবতা হলো, উইকিলিকস ইতিহাস ব্যাপারটাকেই আদতে বদলে দিয়েছে।
ডিজিটাল যুগের উদ্ভাবন উইকিলিকস আবির্ভূত হয়েছে অবাধ তথ্য প্রবাহের প্রেরণা হয়ে। সংস্থাটি ইন্টারনেটকে এমন এক স্থানে পরিণত করেছে, যেখানে ইতিহাস নির্মিত হয়। ইতিহাস এখন আর অতীতের কোনও বিষয় নয়। জনসম্পৃক্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত মানুষের হাতেই এখন ইতিহাস নির্মিত হচ্ছে, বর্তমানে সাহসী ভূমিকা গ্রহণের মধ্য দিয়ে তা (ইতিহাস) রূপান্তরিত হচ্ছে ভবিষ্যতে।
প্রয়াত ইতিহাসবিদ হাওয়ার্ড জিন বলেন: ‘দুঃসময়ে আশাবাদী হওয়া নিছক নির্বোধ রোমান্টিকতা নয়। বরং এই সত্য উপলব্ধি করা যে, মানব-ইতিহাস কেবল নিষ্ঠুরতার নয়; সহানুভূতি-আত্মদান-সাহস-মমতারও বটে। জটিলতর এই ইতিহাসের মধ্যে যে উপাদানগুলোকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নির্বাচন করবো, সেগুলোই আমাদের জীবনের নির্ধারক হবে।
সবকিছুতে কেবল নেতিবাচকতা খুঁজলে আমাদের সক্রিয় হওয়ার সক্ষমতা নষ্ট হবে। আমরা যদি [সহানুভূতি-আত্মদান-সাহস-মমতার] ঐতিহাসিক সময় ও স্থানগুলোকে স্মরণ করি, তখন আমরা এমন বহু ঘটনা দেখতে সক্ষম হবো, যেখানে মানুষ চমৎকার সব কীর্তি গড়েছে। এতে অন্ততপক্ষে পরিবর্তনোন্মুখ বিষয়গুলোকে ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
আমরা যদি সামান্য পরিমাণেও সক্রিয় হই, তবে আমাদের কোনও একটা কল্পবাদী আদর্শ সমাজের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। ভবিষ্যৎ হলো বর্তমানের অবিরত যাত্রাপথের পরম্পরা; আর আমাদের চারপাশে খারাপ যা কিছু আছে তাকে উপেক্ষা করতে পারাটাই অনেক বড় ব্যাপার। মানবজাতির যাপনক্রিয়া যেমন হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি, সেভাবে যাপন করতে পারাটাই এক অবিশ্বাস্য রকমের জয়।
ইতিহাসের অতীতকে মানুষের প্রত্যক্ষ দৃশ্যমান বর্তমানের মধ্যে স্থাপন করেছে উইকিলিকস। সম্মিলিত জনসাধারণের ক্ষমতার সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে উইকিলিকস-এর যে ন্যায়যুদ্ধ, তার মধ্যে আমি মানবতার অতীত ও ভবিষ্যৎ দাবির জন্য সংগ্রাম দেখেছি। সরকার ও ক্ষমতাশালী করপোরেশনগুলোর বাধা ও নিপীড়নের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে এর সাহস, সৃজনশীলতা ও বিবেকবোধকে দেখেছি আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। উইকিলিকস-এ সাধারণ মানুষের অধিকার সংরক্ষিত হওয়ায় সংঘাত আর দুর্নীতির প্রাবল্য সত্ত্বেও আমি এমন মুহূর্তের আবির্ভাব হতে দেখেছি, যেখানে শান্তির বিজয়কেতন ওড়ে, ন্যায়বিচারের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে দিন। প্রতারণাই যেখানে বাস্তবতা, সেখানে সমর্পণ আর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। যেখানে একসময় ঘৃণা বিরাজিত ছিল, সেখানে দেখেছি প্রত্যেক মানুষের হৃদয়জাত ভালোবাসা। মানুষে মানুষে সহজাত দায়িত্ববোধ আর অঙ্গীকারের কথা মনে রেখে তাদের সংগ্রাম করতে দেখেছি।
আর্কাইভের মধ্য দিয়ে উইকিলিকস মানুষের প্রাত্যহিকতাকে ইতিহাসের সম্মুখ সারিতে নিয়ে এসেছে। বৈশ্বিক এই ফোর্থ এস্টেটকে ঘিরে জনসাধারণের ক্ষমতার নতুন একটি নেটওয়ার্ক-এর উত্থান ঘটছে। এটি এমন এক ক্ষমতা, যার মধ্য দিয়ে মুক্তমত ও সমতার প্রশ্ন সব মানুষের অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়। ইতিহাস এখন আর আমাদের স্মৃতিতে জমাট বাঁধা কিংবা বিস্মৃত কোনও অতীত নয়। আবার গুটিকয়েকের ইশারায় এখন আর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ নেই। ইতিহাস এখন উন্মোচিত হচ্ছে প্রতিদিনের চলমান বাস্তবতা হিসেবে, যে উন্মোচন-প্রক্রিয়ায় আমরা প্রত্যেকেই এক-একজন রচয়িতা কিংবা পরিবর্তক অথবা সংস্কারক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃক্ষ তোমার নাম কী 'ফলকে' পরিচয়: বন গবেষণা ইনস্টিটিউট

এ প্রসঙ্গে বিএফআরআইয়ের পরিচালক ড. খুরশীদ আকতার বলেন, 'সাধারণত যারা উদ্ভিদ ও বন নিয়ে কাজ করেন তারা ছাড়া সাধারণ মানুষ সব গাছের নাম জানেন না। তাই বিএফআরআইয়ের ক্যাম্পাসে বিলুপ্ত ও বিপন্ন প্রজাতিসহ চার শতাধিক গাছে নামফলক দিয়ে পরিচিতি করানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব গাছেরও নামকরণ হবে।'
জানা যায়, ৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় বিএফআরআইয়ের গাছের নামফলক উন্মোচনের কাজ। চলতি মাসে শেষ হবে এসব গাছের নামফলক দেওয়ার কাজ। ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের তত্ত্বাবধানে গবেষণা সহকারী গ্রেড-১ (উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাসতত্ত্ববিদ) ছৈয়দুল আলম ৪১০টি বৃক্ষের হালনাগাদ নামকরণ দিয়ে নামফলক তৈরি করেন। প্রতি গাছের নামফলকে চারটি বিষয়ের মধ্যে স্থানীয় নাম, ইংরেজি নাম, বৈজ্ঞানিক নাম ও পরিবারের নাম দেওয়া হয়েছে। বিএফআরআইয়ের মূল ফটক থেকে শুরু করে অফিস ভবন, আবাসিক এলাকা, পূর্ব পাহাড়, পশ্চিম পাহাড় ও অতিথিশালা এলাকার ছোট, মাঝারি ও বড় গাছে এসব 'নামফলক' দেওয়া হয়েছে।
নামফলক দেওয়া বৃক্ষের মধ্যে স্থানীয় নামগুলো হলো তেলশুর, তেলিগর্জন, ঢাকিজাম, ইউক্যালিপটাস, মেহগনি, শাল, চম্পা, লোহাকাঠ, দেবদারু, শ্রীলংকান ছাতিম, জ্যাকেরান্ডা, ক্ষণা, বার্মা শিমুল, ধূপ, গুটগুইট্টা, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, হলুদ কৃষ্ণচূড়া, ঝাউ, নাগেশ্বর, কাউগোলা, বহেরা, কাঠবাদাম, বৈলাম, কাইনজল ভাদী, পলাশ, অর্মোসিয়া, চালমুগড়া, সিধাজারুল, লম্বু, তুন, খয়ের, রাজকড়ই, রেইনট্রি, বটগাছ, বটল ব্রাশ, সিলকি ওক, কন্যারি, বাজনা, রক্তন, মহুয়া, বকুল, সুন্দরী, বান্দরহোলা, জংগলী বাদাম, অয়েল পাম, চায়না পাম, বটল পাম, অরোকেরিয়া, পাইন, বাঁশপাতা ইত্যাদি।
২০১৫ সালে বিএফআরআই ক্যাম্পাসের এক বৃক্ষ চিহ্নিতকরণ জরিপে দেখা যায়, উদ্ভিদের ১১২ পরিবারের মধ্যে ৩৯১ জেনাসের অধীনে ৬০৫ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। বন্যপ্রাণীদের আবাস ও খাদ্য উৎপাদনকারী অনেক গাছপালা আছে এখানে। ক্যাম্পাস এলাকায় যেমন অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৃক্ষ রয়েছে, তেমনি ঔষধি গুণাগুণসম্পন্ন বৃক্ষও রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের গভীর অরণ্যে পাওয়া যায় এমন অনেক গাছপালাও রয়েছে ক্যাম্পাসে। তাছাড়া ৮ প্রজাতির বেত, ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষিত আছে এখানে। ৭ প্রজাতির বিদেশি বৃক্ষ এই ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে বর্ধিত করেছে আরও। এখানে সাইকাস নামে একটি নগ্নবীজী বৃক্ষ রয়েছে, যেটি সীতাকুণ্ড পাহাড় ছাড়া বাংলাদেশের আর কোথাও পাওয়া যায় না।
চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় ১৯৫৫ সালে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ২৮ হেক্টর জায়গার মধ্যে ৮০ শতাংশ জুড়ে রয়েছে বৃক্ষ আচ্ছাদিত পাহাড়, উপত্যকা ও সমতল ভূমি। এই ক্যাম্পাসের বেশিরভাগ উদ্ভিদ চিরসবুজ প্রকৃতির। ক্যাম্পাস এলাকাটির সব উদ্ভিদের স্বভাব দেখতে অনেকটা প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের মতো।
বন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় ঊর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা অসীম কুমার পাল বলেন, 'প্রতিদিন বিএফআরআই ক্যাম্পাসে অনেক দর্শনার্থী আসেন। আবার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী ও গবেষকরাও আসেন। তারা এখানকার সব গাছের নাম জানেন না। তাই ক্যাম্পাসের রাস্তার পাশে ও যেখানে সবার যাতায়াত আছে, ওই সব জায়গার গাছগুলোতে নামফলক দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে আমরা যে সব গাছের নামফলক তৈরি করেছি, তার কাজ শেষ হবে।'
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান কোয়ান্টাম ফিজিক্সে চমকপ্রদ অগ্রগতি অর্জন করছে : সালেহি

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানের এ শাখায় ইরানের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। বিজ্ঞানের এ শাখায় ইরানি তরুণদের আকর্ষণ করার লক্ষ্যে ইরানে নতুন নতুন গবেষণা কেন্দ্র এবং গবেষণাগার তৈরি করা হচ্ছে।
কেবলমাত্র কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে ইরানের প্রথম বিশাল গবেষণাগার আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি জানান, এ গবেষণাগার তৈরির কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দিনরাত নিরলস ভাবে খেটে চলেছেন।
কোয়ান্টাম প্রযুক্তির বিকাশের লক্ষ্যে ইরান নিজস্ব পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। ইরানের সংসদ মজলিশে শুরাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো এটার অনুমোদন দেয়ার পরই তা বাস্তবায়নের তৎপরতা শুরু হবে।
বিশ্বের দ্রুত-বিকাশশীল কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চায় ইরান উল্লেখ করে তিনি জানান, যোগাযোগ, চিত্রগ্রহণ এবং নতুন ধরণের কম্পিউটার এবং স্পর্শক বা সেন্সর তৈরির মতো বিজ্ঞানের নানা শাখায় কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের প্রয়োগের জন্য কয়েকটি বিশেষজ্ঞ দলও গঠন করেছে এইওআই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার কি পারবেন বার্নি স্যান্ডার্স? by ফজলুল কবির
এই দৌড়ঝাঁপ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে। এরই মধ্যে দলটির বিশজনের বেশি নেতা আগামী নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। এ তালিকায় অবধারিতভাবেই রয়েছেন গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবাইকে চমকে দেওয়া গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী বার্নি স্যান্ডার্স। ভারমন্টের এ সিনেটর আগেরবার হিলারি ক্লিনটনের কাছে প্রাথমিক নির্বাচনে হারলেও তরুণদের সমর্থন আদায় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। নতুন পন্থায় নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহেও সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন এ প্রচলিত প্রতিষ্ঠানবিরোধী নেতা। শেষ পর্যন্ত পারেননি। এবার আবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এবার তিনি পারবেন কি না।
প্রাথমিকভাবে মনে হতে পারে যে বার্নি স্যান্ডার্সের সামনে এবার চ্যালেঞ্জ কম থাকবে। কিন্তু আদতে উল্টো। বরং, এবারই তাঁর সামনে চ্যালেঞ্জ বেশি। কারণ, এবার তাঁর সামনে শুধু ডেমোক্র্যাট পার্টির মূলধারার নেতৃত্বই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছে না, রয়েছেন স্যান্ডার্সপন্থী হিসেবে উত্থান ঘটা তাঁরই শিষ্যরা। এ দুই ক্ষেত্রে দুজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হতে হবে তাঁকে। এঁদের একজন ডেমোক্র্যাট ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে পরিচিত জো বাইডেন, অন্যজন তাঁর অনুসারী এলিজাবেথ ওয়ারেন। এর বাইরে রয়েছেন আরও অনেকে। ফলে এ ক্ষেত্রে সমীকরণ একটু উল্টেপাল্টে গেলেই পা হড়কানোর শঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
বিবিসি জানাচ্ছে, চলতি মাসেই স্যান্ডার্সের প্রচারশিবির ক্যালিফোর্নিয়া ভ্রমণ করেছে, যা গত প্রাথমিক নির্বাচনে তাঁর শেষ যুদ্ধক্ষেত্র ছিল। এবারের এই প্রচার তাই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দেখা গেল, ক্যালিফোর্নিয়ায় কিছুই বদলায়নি। এ প্রচারশিবিরে রয়েছেন ২০১৬ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতাপুষ্ট ব্যক্তিরা। প্রচারসভায় তরুণদের উপস্থিতি ছিল অনেক। বেশ আশাব্যঞ্জক। কিন্তু সংকট হচ্ছে স্যান্ডার্স এবার নতুন কোনো কথা বলতে পারেননি। তিনি তাঁর ৩৫ মিনিটের বক্তব্যে গোষ্ঠীবাদ, অভিজাত, বহুজাতিক করপোরেশন, ওয়াল স্ট্রিট, বৈষম্য, অতি ধনী ইত্যাদির বিরুদ্ধে পরিচিত ধ্বনিটিই তুলেছেন। সঙ্গে ছিল সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিনা বেতনে শিক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জাতীয়ভাবে ন্যূনতম মজুরি অন্তত ১৫ ডলার নির্ধারণের মতো বিষয়গুলো। বলার অপেক্ষা রাখে না, এবারও তরুণেরা তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। কারণ, তাঁরা পরিবর্তন চান।
কথা হচ্ছে, এবার তাঁর সামনে হিলারি ক্লিনটন না থাকলেও রয়েছেন জো বাইডেন। এবার জো বাইডেনই ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রচলিত পথটির প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রভাবশালী নেতারাও তাঁর পেছনেই থাকবেন। সঙ্গে অবধারিতভাবেই থাকবে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগও। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও ব্যাপক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের মূলধারার সঙ্গে রয়েছেন। তরুণদের মধ্যেও তাঁর একটি অবস্থান রয়েছে। সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের হলেও এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা বলছেন, তাঁরা হয় বার্নি, নয়তো বাইডেনকে সমর্থন জানাবেন। শুনতে যেমনই লাগুক, এটাই বাস্তবতা।
আসন্ন নির্বাচনে পরিবেশ ইস্যুটি একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এর কারণও অবশ্য জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘গুজব’ আখ্যা দেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পই। প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই তরুণদের একটি বড় অংশ এর বিরোধিতায় মাঠে নেমেছিল। আর বেশ কয়েকটি বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার পর বর্তমানে এই ইস্যুই সবার সামনে রয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোয় ফ্রাইডে মার্চ কিন্তু এখনো সক্রিয়। এই সবকিছুর মধ্যে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীকে এ ক্ষেত্রে বড় প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পূর্ব অবস্থানের কারণেই বার্নি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও তাঁর সামনে সমমনা এলিজাবেথ ওয়ারেন বাধা হয়ে উঠতে পারেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় স্যান্ডার্স তাঁর পরিচিত ঢঙেই বলেছেন, ‘সবাই মিলে আমরা একটি রাজনৈতিক বিপ্লব শুরু করেছিলাম, যার শক্তি ও ধারণাগুলো শুধু ডেমোক্রেটিক পার্টিতেই পরিবর্তন আনেনি, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও পরিবর্তন এনেছে। এখন আমরা এই বিপ্লবকে আরও এগিয়ে নেব।’
স্বাভাবিকভাবেই স্যান্ডার্স আশাবাদী। কিন্তু রাজনীতির ময়দান হলিউডি ফিল্মের পরিণতির চেয়েও ক্লাইম্যাক্সে ভরা থাকে। এক সিনেমার চিত্রনাট্য মেনে একই ধরনের আরেকটি সিনেমা কখনো আগায় না। অর্থাৎ একসময় যা বিরাট আলোড়ন তুলেছে, তা যে সব সময় আলোড়ন তুলবে এমন কোনো স্বতঃসিদ্ধ রীতি রাজনীতিতে নেই। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে নতুন কিছু অবশ্যই হাজির করতে হবে স্যান্ডার্সকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের শাসনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বাসযোগ্য প্রস্তাব হাজির করতে হবে তাঁকে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন কর্মপন্থা দিতে হবে। কিছু কিছু হাজিরও করছেন তিনি। এর মধ্যে ফৌজদারি বিচার পদ্ধতির সংস্কারের প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্য। তিনি ‘কারা-শিল্প কমপ্লেক্স’ নামক একটি ধারণাকে সামনে এনেছেন। কিন্তু এটুকু যথেষ্ট নয়। অনেক বেশি হোমওয়ার্কের প্রয়োজন রয়েছে।
স্যান্ডার্স নিশ্চিতভাবেই ২০১৬ সালের সাফল্যসূত্রটিকে এগিয়ে নিতে এবং ভুলগুলোকে কমিয়ে আনতে চাইছেন। এ কারণে তহবিল সংগ্রহে এবার আগেভাগেই নেমেছেন। একই সঙ্গে প্রচারশিবিরে অভিজ্ঞ ও তারকা ভাবমূর্তির অধিকারীদের যুক্ত করতে চাইছেন। তিনি চাইছেন একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর প্রচারটিকে পৌঁছে দিতে। এখানটাতেই ঘাটতি ছিল গত নির্বাচনে। এই ঘাটতিগুলো পূরণে স্যান্ডার্স এরই মধ্যে অনেকটা এগিয়েছেন। ২০১৬ সালের নির্বাচন তাঁকে জাতীয়ভাবে পরিচিত করে তুলেছে। ফলে তাঁর ওপর লগ্নিকারীর সংখ্যা এবার এমনিতেই বেশি হবে।
বিবিসি জানাচ্ছে, এরই মধ্যে স্যান্ডার্সের পক্ষে স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ফলে তৃণমূল থেকে গণচাঁদা তুলে আনাটা তাঁর জন্য এবার অনেক বেশি সহজ হবে। এ বছরের প্রথম তিন মাসেই তাঁর সংগৃহীত তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ডলার।
এ পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে আশাবাদী করে। তবে মনে রাখা জরুরি, জো বাইডেন আছেন। বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান বাইডেনের পেছনেই দাঁড়াবে। একজন অস্বস্তিকর বার্নি স্যান্ডার্স তাদের কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। নির্বাচনের ক্ষণ যত এগিয়ে আসবে, এই তহবিল সংগ্রহে স্যান্ডার্স তত প্রতিযোগিতার মুখে পড়বেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এলিজাবেথ ওয়ারেনের মতো অনেকেই রয়েছেন।
এবারের নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন প্রশাসন কয়েকটি ফ্রন্টে যে যুদ্ধ আবহ তৈরি করেছে, তা–ও একটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে স্যান্ডার্সের জন্য। কারণ, স্যান্ডার্স একজন যুদ্ধবিরোধী হিসেবে পরিচিত। ফলে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়লে, তাঁর যুদ্ধবিরোধী অবস্থানকে অন্যভাবে চিত্রিত করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের অবস্থান দেশপ্রেম নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিরোধিতার কারণে তাঁকে নিয়ে এ ধরনের প্রশ্ন আগেও তোলা হয়েছিল। এটা পরিষ্কার যে এমন একটি সুবিধা পেতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ধরনের উত্তেজনা তৈরি করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, স্যান্ডার্স এটি মোকাবিলা করতে পারবেন কি না।
এমন বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বার্নি স্যান্ডার্সকে। একজন গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজের যে পরিচয় তুলে ধরেন সরাসরি, তার একটি জাতীয় রূপ দিতে হবে তাঁকে। একই সঙ্গে এমন পরিচয় দেওয়া এলিজাবেথ ওয়ারেনের মতো প্রার্থীদের সঙ্গে যেন তাঁর ভোট ভাগ হয়ে না যায়, সে বিষয়টিও দেখতে হবে। সঙ্গে বাইডেনের মতো প্রার্থী ও প্রতিপক্ষ শিবির রিপাবলিকানদের প্রচারের তির সামলানোর বিষয়টি তো রয়েছেই। সব মিলিয়ে ২০১৬ সালে ঝলক দেখানো স্যান্ডার্সকে এবার শুরু থেকেই শুরু করতে হবে, বরং আরও বেশি আটঘাট বেঁধে। শেষ পর্যন্ত তিনি পারবেন কি পারবেন না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেজ বা এলিজাবেথ ওয়ারেনের মতো শক্ত শিষ্য রেখে যেতে পারবেন—এটা একরকম নিশ্চিত।
![]() |
| গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী বার্নি স্যান্ডার্স। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বরগুনা হত্যাকাণ্ড: বন্ড০০৭ এর মতো কিশোর গ্যাং গড়ে উঠছে কিভাবে by রাকিব হাসনাত
![]() |
| বরগুনায় রিফাত শরীফ নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার পর আলোচনায় এসেছে বন্ড০০৭ নামের একটি গ্রুপ। |
![]() |
| কিশোর কিশোরীদের নিয়ে অনেক উদ্বেগ থাকে তাদের অভিভাবকদের। |
![]() |
| অনেকেই সোশাল মিডিয়ার কারণে সন্তানদের বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 17
(29)
- সিলেটের নিপার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ প্রবাসী নাজমুলের ...
- চুম্বনের দৃশ্যে আপত্তি!
- রোমের রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া অর্থ ফেরত দিয়ে আলো...
- আজাদ কাশ্মীর দখল করে নেবে ভারত!
- এবার প্রক্টর-ছাত্রলীগ নেতার ফোনালাপ ফাঁস: কোটি টাক...
- ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৯৩ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
- কাশ্মীরে জোরপূর্বক গুম, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, গণগ্র...
- পারস্য উপসাগরে আবার উত্তেজনা, যুদ্ধের আশঙ্কা
- সৌদি থেকে এক কাপড়ে ফিরলেন ১৭৫ জন by রোকনুজ্জামান প...
- টাকা জমানোর এখনই সময়
- সিনেট থেকে শোভনের পদত্যাগ, কী করবেন গোলাম রাব্বানী
- মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ প...
- বিকেন্দ্রীকরণে বাধা দিচ্ছেন এমপিরা: -ইকোনমিস্টের র...
- নবজাতক সারাকে ফেলে লাপাত্তা মা-বাবা by মরিয়ম চম্পা
- জুলাই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৮২৭২ কোটি টাকা
- দৃশ্যত কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করায় আমাকে ভিসা দেয়া হ...
- অবরুদ্ধ কাশ্মীরে দমন অভিযান গ্রেপ্তার ৪০০০
- বর্ষপূর্তি বিশেষ: ইতিহাস যখন চলমান বাস্তব by নোজোম...
- বৃক্ষ তোমার নাম কী 'ফলকে' পরিচয়: বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইরান কোয়ান্টাম ফিজিক্সে চমকপ্রদ অগ্রগতি অর্জন করছে...
- এবার কি পারবেন বার্নি স্যান্ডার্স? by ফজলুল কবির
- বরগুনা হত্যাকাণ্ড: বন্ড০০৭ এর মতো কিশোর গ্যাং গড়ে...
- অনেক নেপালী স্কুলে চীনা ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক
- ইরাকি শিবিরে অধিকারহীন শিশু by মুজাহিদুল ইসলাম
- আল-কায়েদার সঙ্গে পুরোনো জেএমবির নতুন যোগাযোগ by ...
- ভলিউম বই বাঁধানোর টাকাও মেরে খেয়েছেন তারা by জাবেদ...
- মহাকাশে বেড়াতে যাবেন? দরকার ‘সামান্য’ কিছু টাকা
- পশ্চিমাদের বর্জ্য নিয়ে এশিয়ার দেশগুলোতে ক্ষোভ কেন?
- পাটে লাভ নেই, সবজি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা
-
▼
Sep 17
(29)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




