Tuesday, February 13, 2018
ক্লান্ত হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ by জাস্টিন রাওলাত

দেশে সবচেয়ে শীর্ষে থাকা দু’নারীর মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলছে লড়াই। বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়া হলো তার সর্বশেষ সুবিধা নেয়া। বাংলাদেশিরা তাদের ‘ব্যাটেলিং বেগম’ নামে অভিহিত করেন। ‘বেগম’ শব্দটি মুসলিম নারীদের উচ্চ পদ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
কিন্তু তাদের মধ্যে যে সংঘাত তা নারীসুলভ কিছু নয়।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ঘোর বিরোধী বিএনপির খালেদা জিয়ার মধ্যে ভয়াবহ শত্রুতা দেশকে সহিংসতার সর্পিল পথে টেনে নিয়ে গেছে। বাসে বোমা মারা, গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিরক্তিকরভাবে নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে ঘটনা সব সময় এমন ছিল না। তারা (হাসিনা-খালেদা) ১৯৮০ দশকে সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল (অব.) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে উৎখাত করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রকৃতপক্ষেই একসঙ্গে কাজ করেছেন। দু’নারীই রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকারী। তিক্ত এক যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে পাকিস্তানের কাছ থেকে। ওই স্বাধীনতা যুদ্ধে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী তারা।
এরপরে ট্র্যাজেডি তাদের দু’জনকেই রাজনীতিতে নিয়ে এসেছে। শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের জাতির জনক, স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দেখা হয়। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাকে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালে। অন্যদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ডার, স্বাধীনতার অন্য এক নায়ক জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। জিয়াউর রহমান ১৯৭০ দশকের শেষের দিকে গঠন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তিনি প্রেসিডেন্ট হন ১৯৭৭ সালে। তাকেও হত্যা করা হয় ১৯৮১ সালে।
কিন্তু এই দুই নারী এরশাদকে পরাজিত করতে নিজেদের শক্তি এক করে লড়াই করলেও তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে লেগে পড়েন। ১৯৯০ দশকের শুরু থেকে তাদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ক্ষমতার পালাবদল হয়। এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ একেবারে শীর্ষে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে তারা ভীষণ সাহস দেখিয়েছেন। আর নিষ্ঠুরভাবে ক্ষমতা সুরক্ষিত করেছেন। শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, এমনকি নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ভোট নেয়া শুরুর আগেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এটা এ জন্য নয়, তার নেতাকর্মীরা ব্যালট বাক্স ভরাট করেছে। তিনি এমনভাবে জিতেছেন কারণ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। এর ফলে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে ১৫৩টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আর এর ফলে দলটি সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
বাংলাদেশি রাজনীতির একজন পর্যবেক্ষককে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যখন প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থীরা সরে গেলেন তখন অন্য প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি?
আমার প্রশ্ন শুনে তিনি বড় করে একটি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। বললেন, অবশ্যই তারা করেছিল। তারা শুধু মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিল। অথবা তাদের দিয়ে সেটা করানো হয়েছিল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন প্রভাবিত হওয়া ক্যারেক্টার অনেক।
গত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শেখ হাসিনা তার বিরোধী পক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীদের পিছু নেন। তিনি তাদের জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেন।
এর ওপর আগামী ডিসেম্বরে নতুন আরেকটি নির্বাচন। তার আগে এ সপ্তাহে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের জন্য জেল দেয়া হয়েছে। এতে খালেদা জিয়াকে ওই নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার চেষ্টা হতে পারে। আর তা হলে শেখ হাসিনা চতুর্থ দফায় বড় বিজয় পাবেন। এর কারণ, বাংলাদেশের আইনের অধীনে কোনো ব্যক্তিকে যদি দুই বছরের বেশি সাজা দেয়া হয় তাহলে তিনি রাজনৈতিক কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন খালেদা জিয়া। ফলে আদালত যদি রায়ে স্থগিতাদেশ দেন, এবং তা যতদিন বহাল থাকবে, সে সময়ে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। শাস্তি হওয়ার আগের দিন তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বলেছেন, ‘বিরোধী দলবিহীন ফাঁকা মাঠে কাউকে গোল দিতে দেয়া হবে না’। কিন্তু তিনি জানেন তার বিরুদ্ধে মামলার পাহাড় আছে। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহিতা পর্যন্ত প্রতিটি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৩০টি ফৌজদারি অভিযোগ মুলতবি আছে।
খালেদা জিয়ার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, খালেদা জিয়াকে ও তার দলের ক্ষতি করার উদ্দেশে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি নেতারা বলছেন, রায় দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির কয়েকশ’ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে খেয়ালখুশিমতো গ্রেপ্তার ও আটক বন্ধ করতে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ঠেকানোর মাধ্যমে সরকার মতপ্রকাশের অধিকার ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার লঙ্ঘন করছে বলেও দাবি করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। রায়কে কেন্দ্র করে রাস্তায় নেমে আসা খালেদা জিয়ার কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে এবং লাঠিচার্জ করেছে। এক্ষেত্রে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়াবিষয়ক পরিচালক ব্রাড এডামস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার দাবি করে তারা উদার ও গণতান্ত্রিক। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে এভাবে দমন করার মাধ্যমে তাদের সেই দাবি অন্তঃসারশূন্য হয়ে গেছে। তবে প্রকৃত সত্য হলো, দুই বেগম ও তাদের মধ্যকার সীমাহীন লড়াইয়ে ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন অনেক বাংলাদেশি।
আপনি যদি বাংলাদেশের রাস্তায় কোনো ক্যাফেতে রাজনীতি নিয়ে কথা বলা শুরু করেন তাহলে আপনি সব সময়ই একই রকম কণ্ঠ শুনতে পাবেন। একই রকম মত পাবেন। বাংলাদেশিরা মনে করছেন এই ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে তারা শেষ হয়ে যাচ্ছেন। এই ব্যক্তিগত শত্রুতাই এখন রাজনীতিতে বড় ঘটনা। এতেও বাংলাদেশের রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রে আছেন এই দু’নারী। তারা থামবেন না, যদিও তাদের বয়স এখন ৭০ উত্তীর্ণ। কিন্তু কেউই সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত নন।
বৃহস্পতিবার তিনি আদালত ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্রন্দনরত আত্মীয়-স্বজন ও নেতাকর্মীদের বলেছেন- আমি ফিরে আসবো। কান্না করো না।
(জাস্টিন রাউলাত, বিবিসির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক করেসপন্ডেন্ট। অনলাইন বিবিসিতে প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ এটি)

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন মেয়র মান্নান by এম এ হায়দার সরকার

লেখাপড়ার খরচ মেটাতে কৃষক পিতার কাছ থেকে টাকা নিতেন, পাশাপাশি নিজেও ছাত্রাবস্থায় টিউশনিও করেছেন। এভাবেই ময়মনসিংহের শিক্ষাজীবন শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত রসায়নে এমএসসিতে ভর্তি হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া শেষ করে টঙ্গী কলেজে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু। তখন থেকেই শিক্ষকতার পাশাপাশি রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন। টঙ্গী কলেজ ছেড়ে পরে তিনি গাজীপুর কাজী আজিম উদ্দিন কলেজে যোগদান করেন।
রাজনীতি: এম এ মান্নান জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলে (জাগদল) যোগ দেন ১৯৭৮ সালে। যা পরে বিএনপিতে পরিণত হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলের সদস্য থেকে শুরু করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এবং বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মান্নানের রাজনৈতিক উত্থান শুরু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে। অবশ্য এর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে দলীয়ভাবে সালনা গ্রাম সরকার প্রধানের দায়িত্ব পান তিনি। পরে জাতীয় গ্রাম সরকারের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিবেরও দায়িত্বে ছিলেন। অধ্যাপক মান্নান প্রথম ’৮৪ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কাউলতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে আরও দু’বার তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন করে বিজয়ী হন। এরপর আরও দু’বার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন করে বিজয়ী হন।
তিনি ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর ও টঙ্গী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেশের সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে এম এ মান্নান বিএনপি সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় তাকে। কিছুদিন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
অধ্যাপক এম এ মান্নান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাগদল থেকে রাজনীতি শুরু করেন তিনি। চল্লিশ বছর রাজনীতি করে এখন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। ১৯৮০ সালের দিকে গ্রাম সরকারের প্রধান হন। ১৯৮৪ সাল থেকে স্থানীয় কাউলতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য হয়ে প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে প্রতিষ্ঠাতা মেয়র গাজীপুর সিটি করর্পোরেশন।
রাজনীতিতে আসার পর নানা প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে রাজনীতি করতে হয়েছে তাকে। দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। অন্য দলের প্রতিপক্ষ তো আছেই। বিভিন্ন কারণে জেলার রাজনীতিতে মান্নানের অবস্থা যখন বেহাল, তার অনুসারীদের অনেকে দলের মধ্যে কোণঠাসা অবস্থায় ছিল। এমন সময়ে সুবাতাস বইতে শুরু করল। তার কিছু দিন পরেই এলো গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। সংসদ নির্বাচনের ভাবনা, আর দলেরও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সব কোন্দল, ভেদাভেদ ভুলে বিএনপি সবাই একাট্টা হয়ে মেয়র নির্বাচিত করে আনেন তাকে।
উন্নয়ন: প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালে তিনি গাজীপুর মহিলা কলেজ, কোনাবাড়ি কলেজ, পুবাইল আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ ও উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বছর নগরের উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। মহাপরিকল্পনায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল কিছুদিন পরই ব্যাপক ষড়যন্ত্র শুরু করে। এতে তার উন্নয়ন পরিকল্পনায় চরমভাবে বিঘ্ন ঘটে। একপর্যায়ে ষড়যন্ত্র করে ৩০টি মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে তাকে প্রায় তিন বছর কারাবাস ও জনবিচ্ছিন্ন করে রাখে। তার বিরুদ্ধে ৩০টি মামলা করা হলেও সব মামলায় তিনি জামিন লাভ করেন।
গত মেয়র নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে অধ্যাপক এম এ মান্নানের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে দেখে তার প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে ‘এনবিআর-এ করখেলাপের অভিযোগ আনে। একপর্যায়ে তার অ্যাকাউন্ট জব্দ করে। সেটি পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তারপরও তাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। প্রতিপক্ষ যতই ষড়যন্ত্র করছিল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জনগণের আস্থা মান্নানের প্রতি ততই বাড়ছিল।
একাধিকবার বরখাস্ত: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানকে তিন বার বরখাস্ত করা হয়। ২০১৫ সালের ১৯শে আগস্ট প্রথম দফায় বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। পরে ১৮ই এপ্রিল তাকে দ্বিতীয় দফায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে ২৮ মাস পর মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১১ কার্য দিবসের মাথায় তৃতীয় দফায় আবারো বরখাস্ত হন।
উল্লেখ্য: ২০১৩ সালের ৬ই জুলাই নবগঠিত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন এম এ মান্নান। সেই নির্বাচনে বেশির ভাগ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। নবগঠিত এই প্রথম পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর। এই পরিষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৫ই সেপ্টম্বর। সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ১৮০ দিন বা ৬ মাসের মধ্যে পরবর্তী সিটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এই হিসেবে আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। একের পর এক মামলা, জেল ও দফায় দফায় বরখাস্তের কারণে পূর্ণ মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালন করতে পারেনি মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এম. এ মান্নান বলেন, নবগঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে এলাকার জনগণ আমাকে অনেক আশা করে মেয়র নির্বাচিত করেছিলেন। নানামুখী ষড়যন্ত্র করে আমাকে সিটিবাসীর সেবা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এতে আমি তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। একের পর এক মামলা মোকদ্দমা দিয়ে এবং হাজতে রেখে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ ও তার সহযোগীরা কৌশলে জনগণের টাকা তছরুপ করেছে। আমাকে হাজতে পাঠানোর আগে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ফান্ডে প্রায় ৫০ কোটি টাকা রেখে গিয়েছিলাম। দীর্ঘদিন হাজতবাস ও মেয়রের দায়িত্ব থেকে বাইরে থাকার পর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়ার পর খোঁজ নিয়ে দেখি সিটি করপোরেশনের সকল ফান্ড খালি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালদ্বীপে কেন সেনা পাঠায়নি ভারত? by সঞ্জয় পুলিপাকা
![]() |
| মালদ্বীপে পার্লামেন্ট দখলে নিয়েছে সেনাবাহিনী |
সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ সহ বিরোধী দলীয় নেতারা এই পরিস্থিতিতে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ মালদ্বীপের রাজনীতির ভঙ্গুর পরিস্থিতির কথাই ফের মনে করিয়ে দেয়। মালদ্বীপে সংকট যত ঘনীভূত হয়েছে, ভারত সরকার ঘরে তত সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকরা বলছেন, মালদ্বীপের দুর্বল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ত্বরিত গতিতে সেনা পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত।
তবে শক্তি প্রয়োগে ভারত সরকারের বিলম্বের কারণ কিন্তু সহজেই অনুমেয়।
১৯৮৮ সালে ভারত যখন মালদ্বীপে ‘অপারেশন ক্যাকটাস’ পরিচালনা করে, তখন ঝুঁকি ছিল সীমিত, যার পরিণতিও ছিল অনুমানযোগ্য। তখন আবদুল্লাহ লুথুফির নেতৃত্বে ও একটি ভাড়াটে বাহিনীর সহায়তায় অল্প কিছুসংখ্যক নাগরিক তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ুমের সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছিল। ভারত সরকার তখন ভাড়াটে বাহিনীর হুমকিতে থাকা বৈধ একটি সরকারের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সাড়া দেয়। আর তখন মালদ্বীপে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর ভূমিকা ছিল অনুপস্থিত কিংবা খুবই সীমিত। কিন্তু আজ ভারতের সামনে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথমত, এখন মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের নেতৃত্বাধীন সরকার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদের নেতৃত্বে বিরোধী দলের লড়াই প্রত্যক্ষ করছে। মালদ্বীপ এখন এক অভ্যন্তরীণ পরস্পরধ্বংসী সংঘাতে পড়েছে। ফলে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের কর্মকাণ্ড যতই খারাপ হোক না কেন, তাকে অন্তত আবদুল্লাহ লুথুফির ভাড়াটে সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে একপাল্লায় মাপা কঠিন। যদি মালদ্বীপে ফের সৈন্য পাঠাতো ভারত, তাহলে তা হতো অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সামিল। এই ধরনের হস্তক্ষেপ শুধু সংক্ষিপ্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয় নয়। হস্তক্ষেপ করে যদি কৌশলগতভাবে ব্যাপক লাভবান হওয়া যায়, তবেই এই হস্তক্ষেপের ঝুঁকি নেওয়া যেতে পারে।
১৯৮৮ সালের তুলনায়, আঞ্চলিক রাজনীতিও এখন গুণগতভাবে একেবারে আলাদা। মালদ্বীপে এখন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়রা অনেক বেশি সক্রিয়, যাদের প্রত্যেকের মতলব আলাদা। মালদ্বীপের রাজনীতির বহু খেলোয়াড়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে চলে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও চীন। তারা এক্ষেত্রে নিজ নিজ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে। এ কারণেই এই সংকটের সময় নিজেদের পক্ষে সমর্থন বাড়াতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দূত এই তিন দেশ সফর করেছেন। ভারতে অনেকেই মালদ্বীপে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন। এমনকি কেউ কেউ এমন মতও দিয়েছেন যে, ভারত মহাসাগরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ভারতের সশস্ত্র হস্তক্ষেপ হয়তো চীনা উপস্থিতি কমানোর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতো।
সাম্প্রতিক সময়ে মালদ্বীপে বহু অবকাঠামোগত প্রকল্প পরিচালনা করে চলছে চীন। তার মানে, মালদ্বীপে এখন বহু চীনা নাগরিক কর্মরত। রাজনৈতিক উত্তাল অবস্থা বিবেচনায় নিলে বলা যায় যে, ভারতীয় বাহিনী মালদ্বীপে অবতরণের পর তেমন প্রতিরোধের মুখেই পড়তো না। এমনকি প্রতিরোধ এলেও, ভারতীয় বাহিনী খুব দ্রুতই তা মোকাবিলা করতে পারতো। কিন্তু তা সত্ত্বেও, এটি ভুলে যাওয়া চলবে না যে, এই অভিযান পরিচালিত হতো বহু চীনা নাগরিকের চোখের সামনে। ১৯৮৮ সালে পরিস্থিতি তা ছিল না। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দূত বলেছেন, মালদ্বীপে চীনের নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে পারবে সরকার।
এই কথা নিয়ে আরও চিন্তা ভাবনার দরকার আছে। ভারতের হস্তক্ষেপে চীনা কোনো নাগরিকের ক্ষতি হলে, অনভিপ্রেত ফল দেখা দিতে পারে। ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে হয়তো কোনো চীনা নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেন না। কিন্তু, এমনও হতে পারে যে, ভারতের ওপর দায় চাপাতে, মালদ্বীপের অন্য কোনো গোষ্ঠী হয়তো চীনা স্বার্থে আঘাত হানতে পারে।
মালদ্বীপে চীনের কোনো নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে, জাতীয়তাবাদী অনুভূতি থেকে তাড়িত হয়েও চীন সরকার আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় হস্তক্ষেপের কড়া নিন্দা জানাবে। পাশাপাশি, এরপর চীন হয়তো দোকলাম সহ ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিজের উপস্থিতি বৃদ্ধি করবে।
মালদ্বীপের পরিস্থিতি থেকে এই ইঙ্গিত মিলে যে, ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ভারতের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি করেছে। এখন থেকে ভারতকে সবসময়ই নিজ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে চীনের উপস্থিতির কথা বিবেচনায় রাখতে হবে।
ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোও এ থেকে শিক্ষা নিতে পারে। যেসব দেশ রাজনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাদের উচিত নিজেদের ঘরোয়া রাজনীতির প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতা নিজেরাই পূরণ করে ফেলা। তা না করে, ভারতের প্রভাবে ভারসাম্য আনতে চীনকে ডেকে আনলে যন্ত্রণাদায়ক পরিণতি বরণ করতে হতে পারে। চীনের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে অনেক রাজনৈতিক খেলোয়াড় হয়তো অগণতান্ত্রিক শাসনের রূপরেখা এগিয়ে নিতে সাহস পান। মালদ্বীপের বর্তমান পরিস্থিতি সেই সাক্ষ্যই দেয়। প্রকৃতপক্ষে, বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা মোহাম্মদ নাশিদ প্রেসিডেন্ট থাকাকালে চীনকে তার দেশে দূতাবাস খুলতে দেন ও তৎপরতা বৃদ্ধির সুযোগ দেন। আজ মোহাম্মদ নাশিদ হয়তো আরও দীর্ঘমেয়াদি কারাভোগ বা নিজ সহকর্মীদের প্রাণের ওপর আঘাত আসতে পারে বলে উদ্বিগ্ন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কাছ থেকে সহায়তাও চেয়েছেন। ভারতের শ্লথ তৎপরতা দেখে নাশিদ ও তার সমর্থকরা হয়তো হতাশ। কিন্তু নাশিদ ও তার দলই চীনের উপস্থিতি বাড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য আংশিকভাবে দায়ী।
মালদ্বীপ সংকট থেকে নতুন চারপক্ষীয় রূপরেখার একটি পরীক্ষা হয়ে যাবে। মালদ্বীপের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। তবে যেকোনো নিষেধাজ্ঞা সফল করতে হলে, তা হতে হয় সর্বাত্মক ও সর্বজনীন। এখানেই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ একজোট হয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে পারে। নিষেধাজ্ঞায় বৈশ্বিক আর্থিক লেনদেনের ওপর কড়াকড়ি আরোপের প্রয়োজন হয়। তাই বৃটেন, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রস্থল অবস্থিত, সেটিও নিষেধাজ্ঞায় শামিল হয়ে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে পারে। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে এই দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগেই কার্যকর ফল বয়ে আনতে পারে। অপরদিকে, পার্শ্ববর্তী সমুদ্রে অবস্থানরত ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের যেকোনো ত্বরিত পদক্ষেপের বিপরীত শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারবে।
মালদ্বীপ নিয়ে ভারতের অবস্থানই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মালদ্বীপের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অপরাপর বৈশ্বিক শক্তির উচিত এই বিষয়টি স্বীকার করে নেয়া যে, মালদ্বীপের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। কিন্তু বৃহৎ শক্তিসমূহ যদি মালদ্বীপকে দূরবর্তী ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বহীন দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে, তাহলে ভারতকে একাই এগোতে হবে। ১৯৮৮ সালে কিছু না হলেও, এবার সশস্ত্র কোনো হস্তক্ষেপের দরুন এলোমেলো ফলাফল আসতে পারে। কিন্তু এলোমেলো ফলের আশঙ্কা কি প্রতিবেশী রাষ্ট্রে নিজ স্বার্থ সুরক্ষিত করা থেকে ভারতকে বিরত রাখবে? এই উত্তর আমরা শিগগিরই পাবো।
(সঞ্জয় পুলিপাকা নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর রিসার্চ অন (ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক রিলেশন্স (আইসিআরআইইআর)-এর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক। তার এই নিবন্ধ ভারতের ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত হয়েছে।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তায় আগ্রহ হারাচ্ছে দাতারা

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে খাদ্য সরবরাহ করায় শীর্ষ স্থানীয় ভূমিকা রাখছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। তারা জানিয়েছে গত ছয় মাসে রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৮ কোটি ডলার সমমূল্যের খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। এ সংস্থার হিসাব মতে, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সরবরাহের জন্য প্রতি মাসে প্রয়োজন দুই থেকে আড়াই কোটি ডলার। একই সঙ্গে ডেভিড বিসলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ হারাচ্ছে দাতারা। জাতিসংঘ ব্যবস্থার অধীনে দাতাদেরকে এক্ষেত্রে সক্রিয় রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউ ইয়র্কে নগ্ন নারী-পুরুষের মেলা

ফলে যা হবার তাই। পেইন্টের ভেতর দিয়ে স্পষ্ট হয়ে রইল স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো। আর তা দেখে ভিড় জমালেন আশপাশের মানুষ। মুহুর্মুহু ক্যামেরায় ফ্লাশ জ্বলল। বন্দি হয়ে গেলেন তারা ইতিহাসের পাতায়। দুর্দান্ত সাহসী একদল মডেল এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন নিউ ইয়র্কে। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘পোলার বিয়ার পেইন্ট’। তাদের এ উদ্যোগের আয়োজক হলো হিউম্যান কানেকশন আর্টস নামের একটি গ্রুপ। এ দলে অংশ নিলেন প্রায় ২৫ জন মডেল। নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে তখন প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। তার মধ্যে হচ্ছিল বৃষ্টি। তবে সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তারা নেমে পড়লেন রাস্তায়। খুলে ফেললেন শরীরের পোশাক নামের ‘আবর্জনা’কে। একজন আরেকজনের শরীর পেইন্টে রাঙিয়ে তুলতে লাগলেন। এক নগ্ন নারী আরেক নগ্ন পুরুষের শরীরের বিভিন্ন অংশে পেইন্ট করে দিতে থাকেন। উল্টো ঘটনাও ঘটে। এরপর তারা দলবেঁধে পোজ দিলেন ছবি তোলার জন্য। এ সময় সবার মুখে হাসি ঝরে পড়ছিল। কেউ বা অন্যজনকে জড়িয়ে ধরে নাচছিলেন। ছুটছিলেন এখান থেকে ওখানে। তাদের চলাফেরা দেখে মনে হচ্ছিল আর বুঝি থামবেন না তারা। নিউ ইয়র্কে এবার প্রথমবারের মতো হিমাঙ্কের কাছে তাপমাত্রায় এভাবে নগ্ন হয়ে পথে নামলেন মডেলরা।
তবে আয়োজকরা এমন ইভেন্ট বছরে অনেকবার আয়োজন করে থাকে। গ্রীষ্মের সময় এরকম অনুষ্ঠানে অংশ নেন কয়েক শত মডেল। সুনির্দিষ্ট আর্টিস্টিক প্রডাকশনের জন্য পূর্ণ শরীর নগ্ন করে প্রদর্শন স্থানীয়ভাবে অনুমোদিত। তবে এতে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের সবার বয়স হতে হয় ১৮ বছরের ওপরে। স্বেচ্ছায় অংশ নিতে হয়। এর বিনিময়ে স্টুডিও ভাড়া, শরীরে পেইন্ট লাগাতে ও নিরাপত্তার জন্য প্রতিজন অংশগ্রহণকারীর শোধ করতে হয় ৩০ ডলার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প জমানায় মার্কিন অর্থনীতি

সঞ্জয় দে : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমড়ো ফুলের বড়া

উপকরণ
১০টি কুমড়ো ফুল, ৪ চামচ চালের গুঁড়া, ৪ চামচ বেসন, ১ টা ডিম, ১ টা মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুচি, ১ চামচ ধনেপাতা কুচি, ২-৩টি কাঁচা মরিচ কুচি, ১ চামচ হলুদ গুঁড়া, ১ চামচ লবণ, তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি
একটি পাত্রে চালের গুঁড়া, বেসন ও ডিম দিয়ে ভালোভাবে ফেটে নিন। এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ, হলুদ গুঁড়া, ধনেপাতা ও লবণ দিন। সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে আধাঘণ্টা রাখুন। এবার প্যানে তেল গরম করুন। তেল গরম হয়ে গেলে মিশ্রণের মধ্যে কুমড়ো ফুল ডুবিয়ে তা একে একে তেলে ছাড়তে থাকুন। হালকা বাদামি না হওয়া পর্যন্ত এপিঠ ওপিঠ করে ফুলগুলো ভাজতে থাকুন। গরম গরম ভাতের সঙ্গে মচমচে বড়া পরিবেশন করুন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাসী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারের ব্যবহার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিজড়া চাঁদাবাজের অসহনীয় দৌরাত্ম্য

হিজড়ারা নারীর বেশে কেন?
সারা দেশের অধিকাংশ হিজড়াকেই দেখা যায় নারীর পোশাকে থাকতে। পুরুষের পোশাকে হিজড়াদের খুব কমই চোখে পড়ে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন্স অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানিয়া হক যুগান্তরকে বলেন, এখনও সমাজে নারীর অবস্থান দুর্বল। এ জন্য নারীর বেশে পুরুষ এবং নারী উভয়ের কাজ থেকে সহানুভূতি পেতেই হয়ত তারা এ বেশ বেছে নেন। এ জেন্ডার বিশেষজ্ঞ বলেন, হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিলেও এখনও তাদের সামাজিক অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আসেনি। কারণ যারা আইন তৈরি করেন কেবল তারাই জানেন, যাদের জন্য আইন তাদের ওপর এর কোনো দৃশ্যমান প্রয়োগ এখনও হয়নি। হিজড়াদের অবস্থান পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে তাদের পরিবার থেকে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এটা মানতে হবে যে তারাও মানুষ। পরিবারে হিজড়াদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়লে হিজড়া সমস্যা কমে যাবে।
অস্ত্র ঠেকিয়ে আর হাততালি দিয়ে চাঁদাবাজি এক নয়
মিরপুরের প্রভাবশালী হিজড়াদের মধ্যে অন্যতম রাখি হিজড়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, হিজড়ারা চাঁদাবাজি করে না। কারণ অস্ত্র ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি আর জীবনের জন্য হাততালি দিয়ে চাঁদাবাজি এক নয়। আমাদের পরিবার নাই, চাকরি নাই, শিক্ষা নাই। আমরা বাঁচব কি খেয়ে? আমাদের সন্তান নাই। ভবিষ্যতে অসুস্থ্য হলে দেখার মানুষ নাই।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজধানীর ভয়ঙ্কর কয়েকটি স্পট

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হজযাত্রীর বিমান ভাড়া বৃদ্ধি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্নফাঁস রোধের উদ্যোগ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীন ভারত নিয়ে ডিএসই-বিএসইসি মুখোমুখি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে অস্ত্রবিরতি চুক্তি সই করতে যাচ্ছে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খামটি খুলতেই তিনি জ্ঞান হারান

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঋণ কিনে বিশেষ সুবিধা, অতঃপর খেলাপি by সানাউল্লাহ সাকিব

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগামী সপ্তাহ থেকে ফোর–জি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিনে বিদেশি ভাষা, মিটে কি আশা! by আবদুশ শাকুর ওয়াহেদ

‘কেন?’
‘সিনেমা দেখতে যাব।’
‘মানেটা কী? ক্লাস করবে না, সিনেমা দেখতে যাবে?’
‘জি আপা।’
আপা কিছুক্ষণ সময় নিলেন। মনে হয় এমন আবদারে এতটাই ভড়কে গিয়েছিলেন যে কী বলবেন কিছু খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তারপর বললেন, ‘কী ছবি, আমাকে আগে বলতে, তাহলে আমিও যেতে পারতাম!’ ফার্মেসি কি প্রাণরসায়ন বিভাগের নবীনবরণ। সেলিম চৌধুরী গাইবেন গান। সেলিম ভাই আমাদের হলের ছাত্র। এটা তো মিস করা যায় না।
‘স্যার, আজকে ক্লাসটা ছুটি দেন।’
‘কেন?’
‘স্যার, জানেন আমাদের হলের বড় ভাই, সেলিম চৌধুরী, ওই যে স্যার, হুমায়ূন আহমেদ যাঁকে ব্রেক দিয়েছেন, উনি গান করবেন কার্জন হলে।’
‘তো কী?’
‘এটা কি মিস করা যায় স্যার? আপনিও যেতে পারেন স্যার। ভদ্র ছেলে, আপনি বললে হয়তো আমাদের নবীনবরণেও নিয়ে আসা যাবে, স্যার।’
‘আচ্ছা তোমরা যাও, আমার যেতে হবে না।’
নবীনবরণ, অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বনভোজন, বিতর্ক—এসব কখন আসবে, সে আশায় বসে থাকতাম আমরা। এর মধ্যে নবীনবরণ ছিল সবার বেশ প্রিয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটা হতো এ সময়েই—বাইরের ও ভেতরের শিল্পীরা মিলে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা একেকটা নতুন মুখে বিস্তৃত স্বপ্নের ছবিগুলো মনে করিয়ে দিত আমাদের সেই দিনগুলোকে। সে যাক। পুরোনো সে দিনের কথা বলতে গেলে নির্ঘাত খেই হারিয়ে ফেলব। শুরুর কথায় ফিরে যাই। ওদের নবীনবরণের অ্যালবামের ছবিগুলো দেখতে দেখতে একটা ছবিতে এসে আমার চক্ষুস্থির। আমি অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করলাম, নবীনদের বরণ করার জন্য যে মঞ্চ সাজানো হয়েছে, তার পেছনের ব্যানারটিতে পুরো বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে
FRESHER’s RECEPTION
DEPARTMENT OF …. . , …. . UNIVERSITY
CHIEF GUEST: …. , Vice-chancellor, …. . University,
এবং আরও অনেক বিশেষ অতিথি এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতির নাম ইংরেজি অক্ষরে লেখা। আমার বিস্ময়ের কারণ অনেকের বোধকরি বোধগম্য না-ও হতে পারে। কারণ ব্যক্তিগত আলোচনায় যা বুঝলাম, তাতে এটাই নাকি আজকাল রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বলছিলাম ব্যানারটিতে ইংরেজি শব্দের আধিক্যের(!) কথা। একটা বাংলা বর্ণ চোখে পড়েনি পুরো ব্যানারটিতে। আমরা বাংলাকে এত ভালোবাসি যে যত্ন করে আলমারিতে তুলে রেখে দিয়েছি। পাছে অতিব্যবহারে বিনষ্ট হয়! ফেব্রুয়ারি মাস এলেই আমরা ওটাকে নামাব, তকতকে ঝকঝকে করে মুছব, বিভিন্ন রঙের বাহারি আলপনা এঁকে শহীদ মিনারে নিয়ে যাব। সালাম-বরকতেরা আমাদের সাজানো-গোছানো বাহারি বর্ণমালার সারি দেখে তাঁদের আত্মত্যাগ যে বৃথা যায়নি, সে নিয়ে আত্মতুষ্টি অনুভব করবেন আর আমরা গর্বভরে ফেসবুকে আমাদের বাণী দেব: ‘Happy International Mother Language Day!’ বিনে বিদেশি ভাষা, মিটে কি আশা! এটাকে মন্ত্র বানিয়েই কি আমাদের অগ্রযাত্রা তাহলে? বিদেশে থাকি প্রায় বিশ বছর। অধ্যাপনার কারণে ইংরেজি ভাষায় শিক্ষাদান করছি দিনের পর দিন। কিন্তু প্রতিদিনই মনে হয় কিসের যেন তৃষ্ণা, কোথায় যেন ফাঁকা থেকে যাচ্ছে পাঠদানে। প্রতিদিনই ভাবি আর দিনের শেষে সিদ্ধান্তে আসি, নিজের ভাষায় শিক্ষাদানের যে আনন্দ, তা অন্য কিছুতে সম্ভব নয়। তাই তো! রামনিধি গুপ্ত তো বলেইছিলেন:
‘নানান দেশের নানান ভাষা।
বিনে স্বদেশী ভাষা,
পুরে কি আশা?’
না, আশা পুরে না। নবীনবরণের কথা দিয়ে শুরু, তাই দিয়েই শেষ করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে প্রথম বর্ষে আমাদের সঙ্গে ভর্তি হয়েছিল ইরান থেকে উড়ে আসা আলিয়া। বেচারার ত্রাহি অবস্থা—ও ইংরেজি একটু-আধটু জানে, বাংলার তো ধারেকাছেই নেই। নবীনবরণ অনুষ্ঠান মঞ্চের ব্যানারটির সব লেখাই তখন বাংলায়। অনুষ্ঠান শেষে আমরা বন্ধুরা মিলে গল্প করছিলাম, ওর জন্য হলেও আমাদের ছোট করে ইংরেজিতে কিছু লেখা উচিত ছিল। বুঝতে পারছি দিনকাল পাল্টেছে। আমাদের এখন নিজেদের জন্যই বাংলা ছেড়ে ইংরেজিতে লিখতে হচ্ছে। একটু-আধটু বাংলা রাখলে কি খুব বেশি দোষের কিছু হয়ে যাবে?
অনুরোধটা কি একটু বেশি সেকেলে ঠেকছে?
আবদুশ শাকুর ওয়াহেদ যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গের প্রাণ-পরিসংখ্যানের অধ্যাপক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসমা জাহাঙ্গীরের বিদায়ে কমে গেলাম আমরা by গওহর নঈম ওয়ারা

গওহর নঈম ওয়ারা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকর্মী এবং শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিচের দোষ দিয়ে লাভ নেই by পবিত্র কুন্ডু

পবিত্র কুন্ডু: প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনের প্রবেশ by আনু মুহাম্মদ

আনু মুহাম্মদ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ
anu@juniv.edu
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বামীর মদতে ফেসবুকে বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে রোজগার পতিতাবৃত্তি!

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ. কোরিয়াকে অত্যন্ত আন্তরিক হিসেবে অভিহিত উ. কোরীয় নেতার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিটকয়েন তৈরির হিড়িকে বিদ্যুৎ সঙ্কট

বিটকয়েন মাইনিং
বিটকয়েন মাইনিং বলতে বোঝায় বিশ্বজুড়ে যে বিটকয়েন নেটওয়ার্ক আছে তার সঙ্গে কম্পিউটারকে যুক্ত করা এবং এই ক্রিপ্টো কারেন্সির যে লেন-দেন হচ্ছে সেগুলো যাচাই করা। যেসব কম্পিউটার এই যাচাইয়ের কাজটি করে, তারা সামান্য পরিমাণে 'বিটকয়েন পুরস্কার' পায় এর প্রতিদানে। কিন্তু কেউ যদি এই কাজটি বিশাল আকারে করতে পারে, সেটি বেশ লাভজনক। কিন্তু আইসল্যান্ডে এখন এই ব্যবসার বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডাটা সেন্টারগুলোর জন্য বিদ্যুৎ খরচ। অনুমান করা হচ্ছে, এবছর আইসল্যান্ডে বিটকয়েন মাইনিং অপারেশনের পেছনে প্রায় ৮ শ' ৪০ গিগাওয়াট ঘন্টা বিদ্যুৎ খরচ হবে। এর বিপরীতে আইসল্যান্ডের সব বাড়ি মিলে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে সাতশো গিগাওয়াট ঘন্টা। বিটকয়েন নিয়ে এই পাগলামি যে শীঘ্রি থামবে, তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। জ্বালানি কোম্পানি এইচএস ওরকার মুখপাত্র জানান, আইসল্যান্ডে ডাটা সেন্টার স্থাপন করতে আগ্রহী এরকম লোকজনের কাছ থেকে তারা প্রচুর কল পাচ্ছেন। তিনি বলেন, যে পরিমাণ ডাটা সেন্টার স্থাপনের কথা চলছে, তার সবগুলোতে হয়তো বিদ্যুৎ দেয়াই সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, যদি সব ডাটা সেন্টার সত্যি সত্যি চালু হয়, আইসল্যান্ডে তাদের দেয়ার মতো বিদ্যুৎ আর অবশিষ্ট থাকবে না। আইসল্যান্ডের ক্রিপটো কারেন্সি মাইনিং ব্যবসা এবছর দারুণ চাঙ্গা হয়ে উঠে 'মুনলাইট প্রজেক্ট' নামে একটি বিশাল ডাটা সেন্টার স্থাপন প্রকল্পকে ঘিরে। এ বছরের শেষ নাগাদ এটি চালু হবে। তবে এই শিল্প আইসল্যান্ডের কী কাজে আসবে, তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্দিন শুরু হয়েছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 13
(50)
- ক্লান্ত হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ by জাস্টিন রাওলাত
- একজন মেয়র মান্নান by এম এ হায়দার সরকার
- মালদ্বীপে কেন সেনা পাঠায়নি ভারত? by সঞ্জয় পুলিপাকা
- রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তায় আগ্রহ হারাচ্ছে দাতারা
- নিউ ইয়র্কে নগ্ন নারী-পুরুষের মেলা
- ট্রাম্প জমানায় মার্কিন অর্থনীতি
- কুমড়ো ফুলের বড়া
- সন্ত্রাসী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারের ব্যবহার
- হিজড়া চাঁদাবাজের অসহনীয় দৌরাত্ম্য
- রাজধানীর ভয়ঙ্কর কয়েকটি স্পট
- হজযাত্রীর বিমান ভাড়া বৃদ্ধি
- প্রশ্নফাঁস রোধের উদ্যোগ
- চীন ভারত নিয়ে ডিএসই-বিএসইসি মুখোমুখি
- মিয়ানমারে অস্ত্রবিরতি চুক্তি সই করতে যাচ্ছে দুই সশ...
- খামটি খুলতেই তিনি জ্ঞান হারান
- ঋণ কিনে বিশেষ সুবিধা, অতঃপর খেলাপি by সানাউল্লাহ স...
- আগামী সপ্তাহ থেকে ফোর–জি
- বিনে বিদেশি ভাষা, মিটে কি আশা! by আবদুশ শাকুর ওয়াহেদ
- আসমা জাহাঙ্গীরের বিদায়ে কমে গেলাম আমরা by গওহর নঈম...
- পিচের দোষ দিয়ে লাভ নেই by পবিত্র কুন্ডু
- বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনের প্রবেশ by আনু মুহাম্মদ
- স্বামীর মদতে ফেসবুকে বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে রোজগার ...
- দ. কোরিয়াকে অত্যন্ত আন্তরিক হিসেবে অভিহিত উ. কোরীয়...
- বিটকয়েন তৈরির হিড়িকে বিদ্যুৎ সঙ্কট
- দুর্দিন শুরু হয়েছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠা...
- সূর্য শীতল হবে ২০৫০ সালে!
- বিপদ ভয়ঙ্কর : ঢাকার মানুষের শ্রবণশক্তি কমে যাবে!
- খালেদা জিয়ার প্রতি কেন এমন আচরণ? by সৈয়দ আবদাল আহমদ
- প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ কেন প্রশাসন? by শামী...
- নিপীড়নের দুরভিসন্ধি! by মো: তোফাজ্জল বিন আমীন
- এসএসসি কেন্দ্রের ২শ’ মিটারের মধ্যে মোবাইলসহ পেলে গ...
- উ. কোরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা, চীন অচল
- নির্বাচনে কারসাজি না হলে ক্ষমতায় রাজাপাকসে
- পোড়া গ্রামে রোহিঙ্গাদের পোড়া জীবন দেখলেন ব্রিটিশ প...
- যৌন কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে অক্সফামের উপপ্রধান নির্বা...
- আজ নিলাম: ফোরজিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করবে এনবিআর
- বিতর্কিত চেতনা মঞ্চে বিএসএফপ্রধান, পদত্যাগ চায় তৃণমূল
- লেবাননে ধর্ম অবমাননার শাস্তি সূরা মুখস্থ
- পরমাণু হামলা ঠেকাতে সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক...
- জুতায় থুতু ফেলে চাটতে বাধ্য করার অপমানে আত্মহত্যা
- জম্মুতে রক্তপাত বন্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপ অপরি...
- পৃথিবীর নিঃসঙ্গতম বন্দি! by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- এই দো-আঁশলা সংস্কৃতির মানে কী? by একেএম শাহনাওয়াজ
- নির্বাচন নিয়েই যত গণ্ডগোল -টকশো থেকে
- এসেছে ফাগুন - আজ বসন্ত
- স্মার্ট পোশাকের বাজার বাড়ছে
- পুঁজিবাজারকে বেছে নিন
- দ্রুত বিচার আইন
- বেহাল বিজেএমসি
- যশোরের ফুলে রঙিন আরেক ফাল্গুন
-
▼
Feb 13
(50)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







