Wednesday, August 7, 2019
সিয়ামের তিনটি ইচ্ছা পূরণ করেছেন জাহিদ হাসান

বিজ্ঞাপনের শুরুতে দেখা যায়, মরুর বুকে এক অজানা রহস্য উন্মোচনে জন্যে তৃষ্ণার্ত হয়ে ছুটতে থাকে অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। তখন সিয়াম মাটি খুঁড়ে একটি প্রাচীন আলাদিনের প্রদীপের সন্ধান পায়। সিয়াম প্রদীপটি হাতে নিতেই বের হয়ে আসেন দৈত্য রূপি জিনি জাহিদ হাসান এবং জানতে চান সিয়ামের তিনটি ইচ্ছা। তৃষ্ণার্ত অবস্থায় সিয়াম ইতস্তত হয়ে দাঁড়াতে বলে জিনিকে এবং চতুর জিনি এটিকেই প্রথম ইচ্ছা হিসেবে ধরে নেয়। বিপাকে পড়ে সিয়াম। তাহলে দ্বিতীয় ইচ্ছাটা কি বলবেন! আবার যদি জিনি কোন চতুরামি করে বসে! সিয়াম দ্বিতীয় ইচ্ছা সর্ম্পকে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তখনই সিয়ামের আরেকটি স্বত্তা বের হয়ে আসে। আর সেই সাহায্য করে সিয়ামকে। দ্বিতীয় ইচ্ছা হিসেবে স্প্রাইট চাইতে পরামর্শ দিলেন। একটু ভড়কে গেলো জিনি। আর স্প্রাইট পানের সঙ্গে সঙ্গে সিয়ামের মধ্যে উপস্থিত বুদ্ধি জাগ্রত হয়। এবার কিন্তু আর বোকামি নয়, বরং শেষ ইচ্ছা হিসেবে সে নতুন আরো তিনটি ইচ্ছা চায়। সিয়ামের এই উপস্থিত বুদ্ধিতে বোকা বোনে যায় দৈত্য জিনি।
এই বিষয়ে কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড এর কান্ট্রি হেড অজয় বাতিজা বলেন, কোকা-কোলা কোম্পানির জনপ্রিয় ব্র্যান্ড স্প্রাইটের বিজ্ঞাপন প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তৈরি করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম যেন অসহনীয় আর তখন তৃষ্ণা নিবারনে সাহায্য করে স্প্রাইট। এই ধারনাটিকেই বাস্তবে রুপায়ন করলেন জাহিদ হাসান ও সিয়াম আহমেদ।
স্প্রাইটের বিজ্ঞাপনটির বিষয়ে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্রে এ্যাডভার্টাইজিং বাংলাদেশ লিমিটেড বক্তব্য: স্প্রাইটের মতো একটি অসাধারন ব্র্যান্ড্রের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ কিন্তু প্রতিনিয়ত আসে না। এই বিজ্ঞাপনের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকল পর্যায়ই ছিল দারুণ অভিজ্ঞতাপূর্ণ। সকলেই বিজ্ঞাপনটি নির্মানে তাদের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়েছে। পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী, মূল চরিত্র সিয়াম এবং জিনি চরিত্রে জাহিদ হাসানকে বিশেষ ধন্যবাদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মশক নিবারণী দপ্তর মশাদের দখলে: পরিচালক বিদেশে, কর্মীদের কাজ নেই by অমিতোষ পাল

'নিস্কর্মা' এই মশক নিবারণী দপ্তরের অবস্থান রাজধানীর অরফানেজ রোড সংলগ্ন ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ঠিক বিপরীতে। গত সোমবার সরেজমিনে দপ্তরটিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটক বন্ধ। কিছু সময় ধরে ডাকাডাকির পর একজন নিরাপত্তাকর্মী এসে ফটক খোলেন। ভেতরে ঢুকেই চোখে পড়ে মশার ওষুধের শত শত খালি ড্রাম। বলা যায়, পুরো প্রাঙ্গণই খালি ড্রামে পূর্ণ। কারও কোনো কাজ নেই বলে অফিসে তাদের উপস্থিতিও কম।
নিরাপত্তাকর্মী নাম-পরিচয় না দিয়ে জানালেন, এখানে ২৮১ জন কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে সুপারভাইজার ৩৪ জন। বাকিরা একেবারেই নিম্ন শ্রেণির কর্মচারী। সিটি করপোরেশন ডাকলে তারা মশা মারায় সহযোগিতা করেন। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা আ ন ম ফয়জুল হক; একজন উপসচিব। কিন্তু মন্ত্রণালয়েই বেশিরভাগ সময় কাটান তিনি। খুব প্রয়োজন হলে এক-আধঘণ্টার জন্য দপ্তরে এসে ফের চলে যান। গত ২৬ জুলাই থেকে তিনি বিদেশে আছেন। কবে ফিরবেন, তা কেউ বলতে পারলেন না। অবশ্য নাম প্রকাশ না করে একজন জানালেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পুষ্টি সেবা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ সফরে গেছেন এই উপসচিব।
কয়েকজন কর্মী জানান, পরিচালক না থাকলে স্টোরকিপার গিয়াস উদ্দিনই সব নির্দেশনা দেন। কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) একটি মিটিং থাকায় তিনি সেখানে গেছেন। তার ফোন নম্বরও দিতে পারলেন না কেউ। অফিসের কেউই পরিচয় দিয়ে কথা বলতে আগ্রহ দেখালেন না।
কয়েকজন জানান, এক সময় ঢাকায় খুব ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ছিল। এ জন্য ১৯৪৮ সালে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। সে সময় ম্যালেরিয়া মোকাবেলায় পুরো ভূমিকাই রাখত এই দপ্তর। অনেকেই কাজ করতেন। মশা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৭২ সালে দপ্তরটির ৩৩৮ জনবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয় সরকার। ১৯৮১-৮২ সালে এ বিভাগকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়। পরে ঢাকা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। এভাবে সংস্থাটি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলতে শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, তাদের কাজ মশা নিধন করা। অথচ তাদের কোনো ক্ষমতাই নেই। পুরো দপ্তর এখন স্রেফ মশার ওষুধ রাখার গোডাউনে পরিণত হয়েছে। সিটি করপোরেশন কী পরিমাণ ওষুধ রাখল, কতটা নিয়ে গেল, তার হিসাব রাখা ও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী মশা মারার ওষুধ বিভিন্ন জোনে বিতরণ করাই এখন তাদের কাজ।
কয়েকজন কর্মচারী জানান, তাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বেতন দেওয়া হয়। এতে তারা সন্তুষ্ট নন। কারণ মাঝেমধ্যেই তাদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হয়। সিটি করপোরেশন তাদের কার্যক্রম মনিটর করলেও জোরালো কোনো নজর নেই। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও এ দপ্তরের ব্যাপারে উদাসীন। অনেকটা অভিভাবকহীনই বলা যায় এ দপ্তরকে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়ে সারি সারি খালি ড্রাম (ব্যারেল)। উঁচুতে টিলার মতো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কোনোটা মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে, কোনোটা ফেটে গেছে। কোনোটির ভেতরে-বাইরে পানিও জমে আছে। সব মিলিয়ে ড্রামগুলোয় মশার বংশবিস্তারের বেশ অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কর্মচারীরা বললেন, অনেক খালি ড্রাম জমার পর সিটি করপোরেশন নিলাম ডেকে ব্যারেলগুলো বিক্রি করে দেয়। গত চার বছর ধরে নিলাম না হওয়ায় ড্রামগুলো খোলা জায়গায় পড়ে আছে। সেখানে গজিয়ে উঠেছে লতাগুল্ম, ঘাস, গাছপালা, ঝোপঝাড়।
কর্মচারীরা জানান, ভেতরে একটা স্টোর রুম আছে। সেখানে কিছু ড্রামে মশার ওষুধ রাখা আছে। সিটি করপোরেশন চাইলে সেখান থেকে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। পুরনো ড্রামগুলো তাদের কয়েকবার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তাতে সাড়া মেলেনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমুদ্রপথে মিয়ানমার থেকে গরুর স্রোত

ট্রলারে করে নাফ নদ দিয়ে এসব গরু-মহিষ নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রতি ট্রলারে ১০০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত গরু আসছে। শাহপরীর দ্বীপ থেকে পশুগুলো নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার বেপারীরা। দেখতে দেশীয় গরুর মতো হওয়ায় কোরবানির পশুর হাটে এসব গরু-মহিষের চাহিদাও বেশি থাকবে বলে মনে করছেন তারা।
তবে এর বিপরীতে প্রচুর রাজস্বও আদায় হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা। আমদানির পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বেপারিরা এসব গরু-মহিষ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি দামে।
শুল্ক স্টেশন তথ্যমতে, বৈরী আবহাওয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের ঘাটতির কারণে বেশ কিছু দিন পশু আমদানি বন্ধ ছিল। তবে কোরবানি ঘিরে সমুদ্রপথে স্রোতের মতো গরু ও মহিষ আসছে।
গত দুদিনেই মিয়ানমার থেকে এসেছে দুই হাজার ২১২ গরু ও ৬১৬টি মহিষ। আর ১০ হাজার ৯৫টি গরু-মহিষ এসেছে পুরো জুলাই মাসে। অথচ গত বছরের এই সময়ে মিয়ানমার থেকে মাত্র ৫ হাজার গরু-মহিষ এসেছিল। অর্থাৎ এবার আমদানি হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এ ছাড়া চলতি বছরের সাত মাসে এসব পশু থেকে রাজস্ব এসেছে দুই কোটি ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
এখানকার গবাদিপশু স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লাসহ সারাদেশে সরবরাহ হয়ে থাকে উল্লেখ করে পশু আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে সারাবছরই মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি হয়ে থাকে। তবে ঈদুল আজহার সময় বাড়তি চাহিদা থাকায় অধিক পরিমাণে গরু-মহিষ আমদানি করা হচ্ছে।
আমদানিকারক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, গতকালও দুটি ট্রলারে প্রায় আড়াইশ গরু-মহিষ এসেছে। দেশের চাহিদা পূরণে এসব কোরবানির পশু আমদানি করছি। তা ছাড়া ঈদ আসতে কয়েক দিন বাকি।
এবিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এবিএম এস দোহা বলেন, শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে গরু-মহিষ আসছে। বেপারী-ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এখান থেকে পশু সরবরাহের ক্ষেত্রে পথে যেন কোনো চাঁদাবাজি না হয় তাও নজরে রাখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে ৩৭০ ও ৩৫(ক) ধারা বাতিলে সমস্যা কোথায়?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ মিত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার পার্লামেন্টে বলেছেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের একটি ডিক্রিতে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট। এর ফলে গত ৭ দশক ধরে যে স্বায়ত্ব শাসন কাশ্মীর ভোগ করে আসছে, তার অবসান ঘটলো। এই পদক্ষেপের ফলে প্রায় ৭০ লাখ জনসংখ্যার এই রাজ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হিন্দু জাতীয়তাবাদী শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকার পার্লামেন্টে আরেকটি বিল প্রস্তাব করেছে, যেখানে জম্মু ও কাশ্মীরকে দুইটি ‘ইউনিয়ন টেরিটোরি’তে বিভক্ত করা হয়েছে। এর ফলে অঙ্গরাজ্য হিসেবে কাশ্মীরের মর্যাদা আর থাকছে না। এটি এখন সরাসরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু-কাশ্মীর ইউনিয়ন টেরিটোরিতে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মু অঞ্চলও থাকবে।
তবে এটির একটি আইনসভা থাকবে। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ লাদাখ, যেখানে বেশ বড় একটি শিয়া জনসংখ্যা রয়েছে, সেটি হবে আরেক ইউনয়ন টেরিটোরি। এতে অবশ্য কোনো আইনসভা থাকবে না।
কিন্তু এই ৩৭০ ধারা কী?
১৯৪৭ সালে যখন উপমহাদেশে বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটে, তখন তৎকালীন রাজাশাসিত অঞ্চল বা প্রিন্সলি স্টেটগুলোকে ভারত বা পাকিস্তানে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কাশ্মীরও এমনই একটি প্রিন্সলি স্টেট ছিল। কিন্তু তৎকালীন রাজা ভারতে যোগ দিলেও, যোগ দেওয়ার শর্ত হিসেবে এই অঞ্চলের জন্য কিছু স্বায়ত্ব শাসন দাবি করেন। তারই ফলশ্রুতিতে ভারতের সংবিধানে ৩৭০ ধারা যোগ করা হয়। অর্থাৎ, ৩৭০ ধারার শর্তেই কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভূক্ত হয়।
১৯৪৯ সালে কার্যকর হওয়া এই ধারা মোতাবেক, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতীয় সংবিধানের আওতার বাইরে থাকবে। এর ফলে অর্থ, প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও যোগাযোগ ব্যতীত অন্য সকল বিষয়ে জম্মু ও কাশ্মীর আইনসভা এই রাজ্যের জন্য আইন প্রণয়ন করতে পারে। এই ধারাবলে এই অঞ্চলের জন্য পৃথক একটি সংবিধান, পৃথক পতাকা প্রতিষ্ঠিত হয়। এমনকি এখানকার জমি-জমা ক্রয়ের অধিকার নেই অন্য অঞ্চলের ভারতীয়দের। অর্থাৎ, নাগরিকত্ব ও জমি-জমা ক্রয়ের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতেও এই অঞ্চলের মানুষ দেশের অন্য অঞ্চল থেকে ভিন্ন আইনের আওতাধীন ছিল।
৩৫ক ধারা কী?
১৯৫৪ সালে প্রেসিডেন্টের আদেশে ৩৫ক ধারা যুক্ত হয়। এতে ৩৭০ ধারা অব্যাহত রাখার কথা বলা আছে। এই ধারা অনুযায়ী, কাশ্মীরের স্থানীয় আইনসভা এই অঞ্চলের স্থায়ী অধিবাসী কারা হবেন, তার সংজ্ঞা প্রদানের অধিকার পায়। এতে বলা হয়, বহিরাগতরা এই অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসবাস, জমি ক্রয়, স্থানীয় সরকারের চাকরি বা শিক্ষাবৃত্তি পেতে পারবেন না। এমনকি এই অঞ্চলের কোনো নারী বাসিন্দা রাজ্যের বাইরের কাউকে বিয়ে করলে তিনিও সম্পত্তি ক্রয়ের অধিকার হারাবেন। পরবর্তীতে ওই নারীর সন্তানরাও সেই অধিকার বঞ্চিত ছিলেন।
৩৫(ক) অপরিবর্তিত থাকলেও, ৩৭০ ধারা এই কয়েক দশকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। ৩৫(ক) ধারার সমালোচকরা বলেন, এতে পার্লামেন্টের অনুমোদন নেই। পাশাপাশি, এটি নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক।
কেন ৩৭০ ও ৩৫(ক) ধারা বিলুপ্ত হচ্ছে?
শাসক দল অনেকদিন ধরেই ৩৫(ক) ধারাকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে আসছে। গত মাসে একজন জ্যেষ্ঠ বিজেপি নেতা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ওই অঞ্চলে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে মে মাসে ভূমিধস বিজয় পায় বিজেপি। সেই নির্বাচনের প্রচারাভিযান ছিল মারাত্মক রকম বিভেদমূলক। এতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানায় শাসক দল। প্রচারাভিযানেই ৩৭০ ও ৩৫(ক) ধারা বাতিলের অঙ্গীকার ছিল বিজেপির।
এর ফলে কী হবে?
কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের ফলে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ এখানে সম্পত্তি ক্রয়ের অধিকার পাবে। স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে। কাশ্মীরীদের আশঙ্কা, এর ফলে এই অঞ্চলের জনতাত্ত্বিক চিত্র একেবারেই পালটে যাবে। মুসলিমরা সংখ্যাগুরু থেকে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে।
এরপর কী ঘটবে?
সংবিধানের ৩৭০ ধারায় অবশ্য বলা আছে, প্রেসিডেন্টের আদেশেই এটি রদ করা যাবে। তবে এই আদেশ অবশ্যই আগে রাজ্যের কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলিতে উপস্থাপন করতে হবে। কিন্তু ১৯৫৭ সালে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি রদ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা তাই আইনের এই অংশ নিয়ে একেকজন একেক মত দিচ্ছেন। কেউ বলছেন, কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বিলুপ্ত হলেও এ ধরণের আদেশ অবশ্যই রাজ্য আইনপ্রণেতাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে। তবে অন্যরা বলছেন, প্রেসিডেন্টের আদেশই যথেষ্ট। অর্থাৎ শিগগিরই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই শুরু হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তবাজার অর্থনীতি ও শ্রমজীবী নারী by মনিকা দাশ

অভাবের কারণে আমাদের দেশের প্রথাগত পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনও দরিদ্র মানুষের কাছে শিথিল হয়ে যায়। দরিদ্র মানুষের কাছে তার পরিবেশ, পারিপার্শ্বিকতা, সামাজিক অবস্থান সব কিছুই বৈরী। তাকে প্রতিদিন শত প্রতিবন্ধকতা ও বাধাবিপত্তির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়। এই প্রতিকূলতা ও অনিশ্চয়তা অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যে কোনো বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দায় কিংবা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে শিক্ষা-দীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাভোগীরা ঠিকই নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে তারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আরও বেশি সুযোগ গ্রহণ করে কিন্তু দরিদ্র মানুষ অর্থনৈতিক প্রতিকূলতায় আরও বেশি নাজুক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর একটি অন্যতম ও অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবী। আবার এদের মধ্যে সবচেয়ে করুণ অবস্থায় রয়েছে নারী শ্রমজীবীরা। সাধারণভাবে এরা পুরুষের তুলনায় মজুরি কম পায়। আবার বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী হওয়ার কারণে সাংসারিক কাজের দায়ভার এককভাবে তার ওপরই বর্তায়। এদের কাজের সুযোগও থাকে অনেক কম। ফলে অর্থনৈতিক মন্দার সময় তাদের কাজের সুযোগ আরও সংকুচিত হয় এমনকি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়টি আরো মূর্তমান হয়ে উঠেছে তথাকথিত বিশ্বায়ন বা মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে। এর ফলে বাংলাদেশের মতো ঋণগ্রস্ত দেশের অর্থনীতি বিশেষ করে শিল্প খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। শিল্প-বাণিজ্য, কল-কারখানা, ব্যবসা, সেবা ইত্যাদি খাতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়া এবং প্রতিযোগিতা ও উন্নতসেবার নামে এসব জনগুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর বাণিজ্যিকীকরণ দরিদ্র জনসাধারণের জীবন ও জীবিকার মূল ভিত্তিকে নষ্ট করে দিয়ে করপোরেট বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় পুঁজির কাছে আত্মসমর্পণের ফলে জনদুর্ভোগ ও দারিদ্র্যায়ন প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
আবার সরকারি পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অপ্রতুলতা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের দীর্ঘস্থায়ী ও পরিকল্পিত কর্মসূচির অভাব দারিদ্র্যায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রম্নততর করতে ভূমিকা রাখছে। এ দেশে অন্তত বলা যায়, এ দারিদ্র্যায়ন ঠেকাতে বিভিন্ন এনজিও দেশের আনাচে-কানাচে পর্যন্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ দিয়ে এনজিওর অর্থবিত্ত বাড়লেও দরিদ্রের হার কমছে না। মনে রাখা প্রয়োজন, এনজিওর ঘূর্ণায়মান তহবিলের মালিকানায় দরিদ্র মানুষের কোনো অংশীদারিত্ব নেই। মজার ব্যাপার হলো দরিদ্র মানুষের সঞ্চয়ের টাকা দিয়েও এনজিওরা দরিদ্র মানুষকে ঋণ দিয়ে 'সেবা' করছে। দরিদ্র মানুষের নানাবিধ কারণে টাকার প্রয়োজন- যা তাদের কাছে নেই। আর এই 'প্রয়োজন' মেটানোর মহান উদ্দেশ্য নিয়ে তারা দরিদ্র মানুষের উন্নতির জন্য 'পাশে' দাঁড়িয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠার আগে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে মানুষের শ্রমের বিনিয়োগ ঘটেছিল উৎপাদন ও জীবন অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে। ক্রমেই শিল্পকেন্দ্রিক অর্থনীতির গতিবৃদ্ধি উন্নয়নশীল দেশের শ্রম কাঠামো ও সামাজিক স্তরবিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে- যা প্রচলিত শ্রমবিভাজনের ধারাকে বদলে দিয়ে তৈরি করে নতুন মেরুকরণ; নগর হয়ে ওঠে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আশ্রয়।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ১৯৯৩ সালে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে : অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে উৎপাদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে এমনভাবে চলে যেখানে সাংগঠনিক কাঠামোর বাহুল্য নেই বললেই চলে, আর সেই সঙ্গে শ্রম ও পুঁজির দ্বৈরথ খুঁজে পাওয়া ভার এবং শ্রমিকের নিয়োগ বহুলাংশে কোনো চুক্তির মাধ্যমে বা আনুষ্ঠানিকভাবে হয় না। বরং ব্যক্তিগত বা পরিবার কিংবা সামাজিক সম্পর্ক বলয়ের ভিত্তিতে এ ধরনের শ্রম ও শ্রমিকের অবস্থান।
পারিবারিক উদ্যোগের মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের যে স্থাবর সম্পত্তি তা উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত, কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়, এখানে যে কোনো ধরনের বিনিয়োগ কিংবা লেনদেন সবই উদ্যোক্তার নামে হয়ে থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কিংবা উদ্যোক্তার আয়-ব্যয়ের পৃথকীকরণ দুরূহ ব্যাপার। সুতরাং (জাতিসংঘের জাতীয় আয় নিরুপণের প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত) কয়েকটি বৈশিষ্ট্য দ্বারা আমরা সোজা ভাষায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত বলতে যা বুঝি, খানাভিত্তিক বা কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই খানা দ্বারা পরিচালিত এক বা একাধিক উদ্যোগ; এগুলো স্বনিয়োজিত উদ্যোগ হিসেবে এককভাবে কিংবা যৌথভাবে একই পরিবারের সদস্য কিংবা একাধিক পরিবারের সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়; এ উদ্যোগে নিয়োগ সবসময় খন্ডকালীন হয়ে থাকে এবং এর শ্রমিক দেশের শ্রম আইনের এবং বিদ্যমান ক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষা আইনের বাইরে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষ।
নারীর অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ খাতের নারী শ্রমিকদের জন্য জেন্ডারবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। স্বনিয়োজিত নারীদের জন্য তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত করা ও কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন- যাতে তারা মুক্তবাজার অর্থনীতির এই যুগে ব্যবসা করে টিকে থাকতে পারে। শহরের অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারী শ্রমিকের জন্য বিশেষ করে হকারদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বল্পমূল্যে স্থায়ী জায়গা নির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। যাতে তারা অবাধে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। স্বনিয়োজিত নারীদের জন্য স্বল্পকালীন কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন যাতে তারা পুঁজি সংগ্রহের ঝুঁকি ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারে। তাদের সমবায়ভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণে উৎসাহ দেয়া যেতে পারে- যাতে তারা সম্মিলিতভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
শ্রমিকদের রেজিস্ট্রেশন ও আইডি কার্ডের আওতায় আনা প্রয়োজন যাতে তারা রাষ্ট্রের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসতে পারে। তা ছাড়া, নারী শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যও প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন।
অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের নূ্যনতম মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা এবং নগরকেন্দ্রিক শ্রমিকদের স্বল্প আয়ের বাসস্থান, পানি, বিদু্যৎ, গ্যাসসহ সব ধরনের নগর সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক সংগঠিত হয়ে নিজস্ব সংগঠন তৈরি এবং সরকারি ও বেসকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেটওয়ার্ক তৈরি করা প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারিভাবে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয় যেমন- স্বাস্থ্যগত ও পেনশন বিমা, দরিদ্রের ব্যাংক চালু করা যেতে পারে। ট্রেড ইউনিয়ন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের জন্য সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা থাকতে হবে এবং এ খাতের উন্নয়নের জন্য জাতীয় বাজেটে প্রতি বছর বরাদ্দ করা উচিত।
>>লেখক: প্রাবন্ধিক ও গবেষক
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রান্নাকে শিল্পের পর্যায়ে নিতে নারীর চাই একাগ্রতা ও সাহসিকতা by তাহমিনা সানি
![]() |
| তাহমিনা সানি |
'আসলে রান্না তো বটেই- ভালো রান্না সম্পর্কে জানার একটা দারুণ সুযোগ হয়েছে আমার মায়ের কাছ থেকে। ছোট বেলায় মাকে দেখতাম একেবারে ভিনদেশি রান্না করতে। আব্বা পিএইচডি করার সুবাদে বিদেশ থেকে মাকে রান্নার একটা বই এনে দিয়েছিলেন। আর মহা উৎসাহে আমরা ভাইবোনরা মিলে মায়ের সঙ্গে রান্না রান্না খেলতাম। তখন মা ডাক রোস্ট, বিফ রোস্ট, স্মোকড ইলিশ, কাচ্চি বিরিয়ানি এসব করতেন। এভাবেই তার কাছ থেকে রান্না শেখা। পরে শ্বশুরবাড়িতে এলে আমি রান্নার প্রশংসা পেতে থাকি। ফলে আমার রান্নার উৎসাহ আরো বেড়ে যায়। একপর্যায়ে আমি ভাবলাম, ভালো রান্না তো করতে পারছি, কিন্তু কম খরচে স্বাস্থ্যকর রান্না কী করে সবার কাছে পৌঁছে দেয়া যায়। সেই সূত্রে টিভি চ্যানেলে রান্না শেখানোর একটা সুযোগ আমার হয়েছিল। সেখানেও যখন প্রশংসা পাচ্ছিলাম তখন মনে হলো কেন আমি পুষ্টিকর রান্নার ব্যাপারটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিচ্ছি না? কেননা, আজকের যে প্রজন্ম, তারা যদি পুষ্টি ও মেধায় না বেড়ে ওঠে তাহলে কী করে দেশের উন্নয়ন হবে। আর এ জন্য একজন মাকেই অগ্রণি ভূমিকা পালন করতে হয়। জানতে হয় কীভাবে ভিটামিন ও মিনারেলসের অপচয় না করে পরিবারের সবার জন্য খাদ্যেপুষ্টির সুষম সমন্বয় রক্ষা করা যায়।
একে একে অনেক নারী আমার কাছে রান্না শেখার জন্য আবদার করতে থাকে। তাই পরবর্তী সময়ে চিন্তা করলাম রান্না দিয়ে কিন্তু অনেকে আত্মনিভরশীল হতেই পারেন। বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে যেখানে ইন্টারনেট সেবা এত প্রতুল সেখানে আগ্রহী নারীদের সুযোগ দেয়াই যায়। তাই গভর্নমেন্ট রেজিস্ট্রেশন নিয়ে আমি জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে কুকিং অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত করি। আমাদের মূলমন্ত্র ছিল- রান্না শিখুন, ঘরে বসেই আত্মনির্ভরশীল হোন। রান্না কোর্স শেষে ছোট্ট একটা ক্যাশ অ্যামাউন্ট দেয়া- যাতে করে তারা উদ্যোক্তার খাতায় সহজে নাম লেখাতে পারে। এরপর আমরা তাদের মনিটরিং করি যে, সত্যি তারা পারছে কিনা। প্রয়োজনে আরও সাহায্য তারা পায়। এভাবে বাংলাদেশের প্রচুর গরিব মেয়েদের রান্না শিখিয়েছি। তারা যখন আনন্দের সঙ্গে জানায় যে তারা এখন নিজেরাই আত্মনির্ভরশীল, নিজেরাই এখন রান্না করে অর্থোপার্জন করছে- তখন সত্যি আনন্দে মনটা ভরে ওঠে।
রান্না একটা শিল্প। এই শিল্পের সঙ্গে যদি আত্মনির্ভরশীলতা জায়গাটা তৈরি হয় তাহলে বাংলাদেশের অনেক মেয়েরা শত বাধা বিপত্তি পার করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। তবে একজন নারী যখন উদ্যোক্তা তখন অবধারিতভাবেই আরও প্রতিযোগী তৈরি হয়েই যায়। তবে এ ক্ষেত্রে নিজ প্রোডাক্টেও স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মানের দিকে লক্ষ্য রেখে খাদ্য তৈরি করলে অবশ্যই সে উদ্যোক্তা ভালো সাড়াই পাবেন। তা ছাড়া এখন যে ভেজালের যুগ, এখানে ভালো খাবার পাওয়ার সুযোগ কোথায়? পুষ্টির কথা তো বাদই। তবে হ্যা। সততার সঙ্গে যদি কোনো নারী তার রান্নার প্রতি মনোযোগী হয়, আর রান্নাকে দারুণ একটা শিল্পের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় রাখে তবে তিনি সফল হবেনই। সঙ্গে থাকতে হবে একাগ্রতা ও সাহসিকতা। নারীরা এগিয়ে যাবেই।'
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৬৭ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন
![]() |
| সাগর-রুনি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাকে কথা রাখতে দেয়নি 'ডেঙ্গু'
![]() |
| মায়ের ছবি হাতে দিয়া। কোলে ছোট বোন দিঘী |
মৃতের স্বজনরা জানান, গত সপ্তাহে শ্বশুরবাড়ি পুঠিয়া গ্রামে জ্বরে আক্রান্ত হন জয়া সাহা। এটিকে তারা স্বাভাবিক জ্বর মনে করলেও শনিবার (৩ আগস্ট) সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর নেয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিন বিকেলেই ঢাকার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৪ আগস্ট) ভোরে মারা যান তিনি।
মৃতের স্বামী চঞ্চল সাহা বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আমার স্ত্রী মারা গেছে। এখন মেয়ে দুটি কীভাবে থাকবে? তাদের কীভাবে মানুষ করব?
সরেজমিনে দেখা যায়, ছোটবোন দিঘীকে কোলে নিয়ে ঘরের দুয়ারে বসে আছে দিয়া। মুখে বিষাদের ছায়া।
সে বলে, 'মা বলেছিল, আমি ফরিদপুর যাচ্ছি চিকিৎসা নিতি। কয়দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসবো। তুমি তোমার বুনুর দিকে খেয়াল রেখো। আমি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবো। আমার জন্য চিন্তা করো না।'
কান্নাজড়িত কণ্ঠে দিয়া বলে, 'মা বাড়ি ফিরে এলো ঠিকই, কিন্তু আমাকে আর মনি বলে ডাকলো না। ডেঙ্গু তাকে কথা রাখতে দিল না।'
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, 'গ্রামবাসীকে ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতন করার কাজ করছি। আমরা উপজেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধন অভিযান চালাচ্ছি। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সবসময় কাজ করছেন।'
মাগুরার সিভিল সার্জন প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, মাগুরা থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক গৃহবধূর মৃতু্য হয়েছে। তবে, ওই রোগী এখানকার কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে চিকিৎসা নেননি।
তিনি বলেন, মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ও মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে এ পর্যন্ত ৩৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হাসপাতলে ২৪ জন ও মহম্মদপুর হাসপাতলে ৮ জন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এডিস মশা সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য by ফারজানা ইসলাম
আমার অনুরোধ থাকবে আপনার কোরবানির পশুটিকে কোনমতেই যেনো মশা কামড়াতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখুন। মশার কয়েল বা প্রয়োজনে মশারী টাঙানোর ব্যাবস্থা করুন। কোরবানির পর কোথাও যেনো রক্ত জমে না থাকে। যদি রক্ত অপসারণ না করা যায় সেক্ষেত্রে সেই রক্তের উপর এক/দুই মুঠো লবণ ছিটিয়ে দিন।
>>>লেখক: সহকারী অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং (সাবেক) জাতীয় পরামর্শদাতা (কীটতত্ত্ববিদ), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বস্তির ঘরে ঘরে ডেঙ্গুজ্বর by শামীম আহমেদ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানকে ব্যঙ্গ করে নগ্ন হলেন পুনম পান্ডে, ভাইরাল
পাকিস্তানের নির্মিত একটি বিজ্ঞাপনকে ব্যঙ্গ করে নিজের অন্তর্বাস খোলার দৃশ্য ধারণ করেন পুনম। যা ইনস্টাগ্রামের নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করার পর দ্রুত ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিজ্ঞাপনের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর সমালোচনার মধ্যে পড়েছেন পুনমও।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে সাবান মাখলে দূরে থাকবে মশা by মুসবা তিন্নি

এ চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হতে পারে সাবান। তবে সব সাবান নয়। নির্দিষ্ট এক ধরনের সাবান মাখলেই আপনার ধারে-কাছেও ঘেঁষবে না মশা। ওই সাবানটি হলো নিম সাবান।
ডেঙ্গুজ্বরের ভাইরাস বহনকারী মশা যেন কামড়াতে না পারে সে জন্য নিম সাবানের কথা বলেছেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখক ও গবেষক রবিশঙ্কর মৈত্রী। ১৯ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মশা তাড়ানোর জন্য নিম সাবানের কথা বলেছেন তিনি।
এক্ষেত্রে বাড়িতে নিমপাতা বেটে পেস্ট তৈরি করে গায়ে মাখতে পারেন। এছাড়া নিমের সাবান বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। শুধু এডিস মশা না। যে কোন মশা-মাছিই আপনার শরীরে বসবে না যদি নিম সাবান দিয়ে গোসল করেন ও নিম পাতার পেস্ট গায়ে মাখেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার শরীরে নিমের গন্ধ থাকবে ততক্ষণই মশা শরীরের কাছেও ঘেঁষবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাওয়া গেলো ১৪ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের হাড় by মাজহারুল ইসলাম

ডেইলি মেইলের ওই প্রতিবেদনে থেকে জানা যায়, খননক্ষেত্র-সংলগ্ন কনিয়াক শহরটিতে ১৪ কোটি বছর আগে জলাভূমি ছিলো। ওই তৃণভোজী ডাইনোসররা এসব এলাকায় বসবাস করত। ডাইনোসরের অস্থির সন্ধান পাওয়া আঁজেক শ্যারন্ট নামের এ খননক্ষেত্রটি সারা ইউরোপের মধ্যেই বিশিষ্ট। ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এ এলাকা থেকে ৪৫ প্রজাতির ডাইনোসরের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার অস্থি উৎখনন করেছেন প্রত্নজীবাশ্মবিদরা। নতুন পাওয়া ঊরুর এ হাড় প্রসঙ্গে অঙ্গুলেম জাদুঘরের অধ্যক্ষ জ্যঁ ফ্রাসোয়া তোর্নোপিশ উচ্ছ্বাসের বলেন, এটি বিশাল। খুবই ব্যতিক্রমীভাবে এটি মাটির নিচে সংরক্ষিত অবস্থায় ছিলো।
প্যারিসের প্রাকৃতিক ইতিহাসবিষয়ক জাতীয় জাদুঘরের স্বেচ্ছাসেবীরা ঊরুর এ হাড়টির পাশাপাশি মাটির ওই একই স্তরে অতিকায় একটি জঙ্ঘাস্থিও (পেলভিক বোন) সন্ধান পান। প্রত্নজীবাশ্মবিদরা আঁজেক শ্যারন্টে এ যাবত খুঁজে পাওয়া বিভিন্ন হাড়ের অংশ জোড়া লাগিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সরপড ডাইনোসরের কংকাল তৈরির চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে কঙ্কালের প্রায় ৫০ শতাংশ অবয়ব দাঁড় করানো সম্ভব হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফ্রিকার বাইরে প্রথম আধুনিক মানুষের সন্ধান

গ্রিসে পাওয়া একটি মাথার খুলিকে ২ লাখ ১০ হাজার বছরের পুরনো বলছেন তারা; এটি এমন এক সময় যখন সমগ্র ইউরোপ নিয়ান্ডারথাল (সেকেলে মানুষের আরেকটি প্রজাতি) মানবদের দখলে ছিল।
এ আবিষ্কার আফ্রিকা থেকে আধুনিক মানুষের প্রথম দিককার অভিবাসনেরও নজির; আজকের জীবিত মানুষের ডিএনএ-তে যাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার গবেষকদের নতুন এ আবিষ্কারের খবর ছেপেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
১৯৭০-র দশকে গবেষকরা গ্রিসের আপিদিমা গুহায় দুটো গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম খুজে পান ।
এর একটি অত্যন্ত বিকৃত ছিল, অন্যটি অসম্পূর্ণ। কম্পিউটার টোমোগ্রাফি স্ক্যানিং ও ইউরেনিয়াম-সিরিজ ডেটিংয়ের মাধ্যমে গবেষকরা এ জীবাশ্ম দুটোর রহস্য উদঘাটন করেন।
তুলনামূলক পূর্ণাঙ্গ খুলিটি জীবাশ্মটি একজন নিয়ান্ডারথাল মানবের বলে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু অন্যটি আধুনিক মানুষের মাথার খুলি পরীক্ষা করলে যে ধরনের নমুনা পাওয়া যায়, তেমন পেছনদিকে গোলাকৃতির পরিষ্কার বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। তাই এটিকে আধুনিক হোমো স্যাপিয়েন্সের সবচেয়ে পুরনো নমুনা বলে মনে করছেন তারা।
ইউরোপ ও এশিয়ায় আধুনিক মানুষের বিস্তৃতি কালে এই পূর্বপুরুষরা তাদের সঙ্গে লড়াইরত নিয়ান্ডারথাল ও ডেনিসোভান প্রজাতিকে ইউরোপ ও এশিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করেছিলো।
মানুষের উৎপত্তি আফ্রিকা মহাদেশে বলে ধারণা করা হয়। ৬০ হাজার বছর আগে বর্তমান মানুষের পূর্বপুরুষরা আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধিকৃত কাশ্মির নিয়ে ভারতের অবৈধ পদক্ষেপ মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব কিছু করা হবে: পাকিস্তান by নভেদ সিদ্দিকী

পাকিস্তান পররাষ্ট্র দফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ভারতীয় তৎপরতার নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং বলা হয় যে ভারত অধিকৃত কাশ্মির একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত ভূখণ্ড।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারত সরকারের কোন এক তরফা সিদ্ধান্ত বিতর্কিত মর্যাদা বদলাতে পারে না। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। অধিকৃত কাশ্মির ও পাকিস্তানের জনগণের কাছে কখনো এই সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য হবে না।
কাশ্মিরের ব্যাপারে পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনরুল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বিরোধের অংশ হিসেবে পাকিস্তান এই অবৈধ পদক্ষেপ প্রতিরোধে সম্ভাব্য সব কিছু করবে।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব
অধিকৃত কাশ্মিরের ব্যাপারে ভারত সরকারের উদ্যোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাকিস্তান ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ ব্যাপারে একটি প্রতিবাদলিপি হস্তান্তর করেছে।
পররাষ্ট্র দফতরের আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্র সচিব সোহাইল মাহমুদ এসব অবৈধ কাজ দ্ব্যার্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কারণ এগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বেশ কিছু প্রস্তাবের লঙ্ঘন। কাশ্মিরের উপর অবৈধ দখলদারিত্ব আরো পাকাপোক্ত করতে ভারত এই কাজ করে বলে পাকিস্তান উল্লেখ করে।
বিপজ্জনক খেলা চলছে
এদিকে টিভিতে বক্তব্যকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি বলেন যে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যদি মনে করতো যে তার রাজনীতি কার্যকর হবে তাহলে তারা গভর্নরের শাসন জারি বা প্রেসিডেন্টের নির্দেশের মাধ্যমে রাজনীতি করতে হতো না।
তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখ অঞ্চলকে ইউনিয়ন টেরিটরি বানিয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে তাদের কোন আশা নেই। এর আগে যেসব কাশ্মিরি তাদেরকে সমর্থন করতো তাদেরকে জেলে পাঠিয়েছে বা গৃহবন্দী করে রেখেছে।
কোরেশি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভারত আজ আবারো কাশ্মির ইস্যুকে আন্তর্জাতিকিকরণ করেছে। এতে সমস্যা সমাধান হবে না বরং আরো জটিল হবে। তারা কখনো এই সমস্যা চাপা দিতে পারবে না। তারা কি বিপজ্জনক খেলা খেলছে তা সময়েই বুঝা যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপাল: অন্য প্রদেশগুলোর সাথে কাঠমাণ্ডুর আইনী লড়াই তীব্র হতে যাচ্ছে by তিকার প্রধান

নতুন সংবিধান গ্রহণের দুই বছর পর ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর দেশে ফেডারেল সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হওয়া উচিত ছিল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সেখানে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের কথা। কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় সরকার এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু আইন প্রণয়নে ব্যর্থ হয়েছে এবং ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে, যেটা পুরো ফেডারেল ধারণারই পরিপন্থী।
গত বৃহস্পতিবার প্রদেশ-২ এর শিল্প, পর্যটন, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় শীর্ষ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার সাগরনাথ ফরেস্ট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট এবং টিম্বার কর্পোরেশান অব নেপালকে একীভূত করার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়ে ওই মামলা করা হয়। ওই আবেদনে প্রাদেশিক সরকার বলেছে যে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাদেশিক সরকারের আইনগত কর্তৃত্ব লঙ্ঘন করেছে।
প্রদেশ ২ এর প্রধান অ্যাটর্নি দিপেন্দ্র ঝা বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আইনি লড়াইয়ের এটা সূচনা মাত্র।
ঝা বলেন, “এই মামলার মধ্য দিয়ে তারা বুঝতে পারবেন যে, আদালতের ধারাটা কেমন হবে। আরও বেশ কিছু ইস্যুতে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারকে চ্যালেঞ্জ করবো”।
শুক্রবার প্রাদেশিক সরকারের পক্ষে তিনি আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে গড়িমসি করায় প্রাদেশিক সরকারের কাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে”।
ইদানিংকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো প্রদেশগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা। কেন্দ্রীয় সরকার প্রধান জেলা কর্মকর্তাদের আধিকারিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়ার যে পরিকল্পনা নিয়েছে, সেটা প্রাদেশিক সরকারগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। আপত্তি সত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার প্রধান জেলা কর্মকর্তাদের শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যেটা নিশ্চিতভঅবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে আইনি লড়াই বাড়াবে।
প্রদেশ ৩ এর অভ্যন্তরীণ ও আইন মন্ত্রী শালিকরাম জামারকাট্টেল বলেন, “প্রদেশ ২ সরকার যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অবশ্যম্ভাবী”।
মাওবাদী দলের সাবেক ট্রেড ইউনিয়ন নেতা জামারকাট্টেল বলেন, বেশ কিছু ইস্যু রয়েছে – প্রাদেশিক পুলিশ, বন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি প্রশাসক, যেখানে প্রাদেশিক সরকারের সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনি লড়াই হতে পারে।
যদিও এই প্রথমবারের মতো একটা প্রাদেশিক সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলো। তবে দুই বছর আগে মিউনিসিপ্যাল অ্যাসোসিয়েশান অব নেপালের চেয়ারম্যান অশোক ব্যাঞ্জু চারটি ভিন্ন ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে তিন ধাপের প্রশাসনের মধ্যে ক্ষমতা চুড়ান্ত করার বিষয়টিও ছিল। মামলাটি একটি সাংবিধানিক বেঞ্চে আটকে আছে।
ব্যাঞ্জু কার্ভ এলাকার ঢুলিখেল মিউনিসিপ্যালিটির মেয়রও বটে। তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকারের অধিকার বিষয়ক ১৩টি বিল বর্তমানে ফেডারেল পার্লামেন্টে রয়েছে। আমরা এখন সংশ্লিষ্ট এমপি, মন্ত্রী ও তাদের সচিবদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় না নিয়ে যদি এই বিলগুলো গ্রহণ করা হয়, তাহলে আমরা সবাই আইনি সমাধান খুঁজতে বাধ্য হবো”।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বখাটে থেকে রক্ষা পেতে ইউএনওকে স্কুলছাত্রীর চিঠি
আশুগঞ্জ নির্বাহী অফিসারের দফতরে চিঠি নিয়ে যান স্কুলছাত্রী মোমিনা আক্তার নিজেই।
চিঠিতে আশুগঞ্জ উপজেলার বইগর গ্রামের মোমিনা আক্তার লেখেন, আমি জেলার সরাইল উপজেলার বেড়তলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। আমার শ্রেণী রোল নম্বর দুই। চার বছর আগে আমার বাবা গ্রামের দুস্কৃতিকারীদের হাতে খুন হন। সেই থেকে আমার পরিবার চরম অসহায়ত্বের মাঝে দিনযাপন করে আসছে।
চিঠিতে মোমিনা অভিযোগ করেন, অভিভাবকহীন পরিবারের মেয়ে হওয়ার সুযোগ নিয়ে বইগর গ্রামের শেখ সাদি ভূইঁয়ার বখাটে ছেলে উছমান ভূঁইয়া প্রায়ই তাকে উত্যক্ত করে।
এতে বখাটের অভিভাবকদের কাছে বিচার দিলে ওই বখাটে মোমিনাকে জোরপূর্বক বিয়ের ঘোষণা দেয়।
এদিকে বিয়ের খবর পেয়ে মোমিনা বাড়ি থেকে পালিয়ে জেলার সরাইল উপজেলার কাটানিশার গ্রামে বড় বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
জানা গেছে, শনিবার (৩ আগস্ট) বখাটে উছমান ভূঁইয়া সেখানে গিয়ে মোমিনাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ঘটনার বিবৃতি দিয়ে স্কুলছাত্রী মোমিনা আক্তার জানায়, আমার বিয়ের বয়স হয়নি। আমি পড়ালেখা করতে চাই। আমার বড় তানজিনা আক্তার নামে এক বোন অবিবাহিত অবস্থায় আছেন। তিনি তিন্নি আনোয়ারা মহিলা কলেজের প্রথমবর্ষের ছাত্রী। আমি এই বখাটের সঙ্গে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে সকলের সহযোগিতা চাই।
এ বিষয়ে মোমিনার বড় ভাই সালমান আমিন জানান, ওসমান ভূইয়ার অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট। আমরা এই ঘটনার ন্যায় বিচার চাচ্ছি।
এই ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজিমুল হায়দার বলেন, স্কুলছাত্রী মোমিনা আক্তারের চিঠি পেয়েছি। ওই ছেলেসহ ও তার অভিভাবদের আমি ডেকে পাঠিয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
![]() |
| অভিযুক্ত বখাটে ও ইউএনওকে দেয়া মোমিনা আক্তারের চিঠি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তার মধ্যেও সেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে: ভেতর থেকে বিবিসির সাংবাদিক
![]() |
| কাশ্মীরে গত কয়েক দশক ধরেই বিদ্রোহী তৎপরতা ও ভারতবিরোধী বিক্ষোভ চলছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রূপপুর নিয়ে ‘লিমিটের মধ্যে’ লিখতে সাংবাদিকদের অনুরোধ মন্ত্রীর
মঙ্গলবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে একথা বলেন মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।
রাশিয়ার সহযোগিতায় পাবনার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে ১ লাখ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে, যেখানে দুটি ইউনিটে ১২০০ মেগাওয়াট করে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে কর্মরত দেশি-বিদেশিদের আবাসনের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নাধীন ‘রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্প’র নির্মাণাধীন ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় অনিয়মের খবর সম্প্রতি প্রকাশ পায় গণমাধ্যমে।
সেই খবর প্রকাশের পর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের চিত্র বেরিয়ে আসে এবং তদন্ত প্রতিবেদনে ৩৪ জন প্রকৌশলীকে দায়ী করা হয়।
বিজ্ঞানমন্ত্রী মনে করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড ব্যয়ের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিয়ে দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দেশের স্বার্থে যায়নি, বিশ্বের অন্যান্য দেশের গণমাধ্যম এমনটা করে না।
“এ প্রকল্পটি অন্য পাঁচটা প্রজেক্টের মতো না। আজকে নানা কথাবার্তা চলছে। আমি অনুরোধ করব, এমন কিছু করবেন না যেটা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়।”
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রোসাটমের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সঙ্গে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশনের চুক্তি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত সর্বাধুনিক তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ব্যবহৃত তেজষ্ক্রিয় জ্বালানি সরিয়ে নিতেও রাশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ইয়াফেস ওসমান বলেন, “পুরো প্রকল্পটি আমরা করছি মানুষের স্বার্থে। সামান্যতম ক্ষতি হলেও প্রকল্প রাখব না। আমরা এটাকে আরও নিরাপদ করব।”
পারমাণবিক জ্বালানি কিনতে চুক্তি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও রুশ ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা চুক্তির আওতায় রুশ ফেডারেশনের নির্ধারিত ঠিকাদার টিভেল জয়েন্ট স্টক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিপত্রে সই করেন পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান নিউক্লিয়ার ফুয়েল সাপ্লাই কোম্পানির কমার্শিয়াল ডিরেক্টর ফেদর শকোলভ।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির আওতায় নিউক্লিয়ার ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি স্থির করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহের সময় বিশ্ব বাজারে বিদ্যমান দর অনুযায়ী এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সরবরাহকৃত নিউক্লিয়ার ফুয়েলের মূল্য নির্ধারিত হবে।
চুক্তির ‘মেথোডলজি অফ কন্ট্রাক্ট প্রাইস ক্যালকুলেশন’ অনুযায়ী এবং সময়ান্তরে চুক্তির মূল্য পুনঃনির্ধারণ পদ্ধতি উভয় পক্ষ কর্তৃক হালনাগাদ করা হবে।
নিউক্লিয়ার ফুয়েল কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করে আলোচ্য ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির নিউক্লিয়ার ফুয়েলের ক্রয় মূল্য নির্ধারণে ইউরেনিয়ামের দাম, অদলবদল সেবা, সমৃদ্ধ সেবা, ফুয়েল ফেব্রিকেশন – এ চারটি ধাপ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এই চারটি ধাপের কার্যক্রম পৃথকভাবে নির্ধারিত হবে এবং চারটি ধাপের সমষ্টি ফুয়েলের মূল্য হিসেবে প্রযোজ্য হবে। চারটি মূল্য একত্রিত করে ফুয়েলের মূল্য নির্ধারিত হবে, যা প্রতি ১০ বছর অন্তত পুনঃমূল্যায়ন ও পুনঃনির্ধারণ করা যাবে।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর একক উৎস হিসেবে টিভেল জয়েন্ট স্টক কোম্পানি রূপপুর প্রকল্পে সরাসরি নিউক্লিয়ার ফুয়েল সরবরাহ করবে।
কেন একই দেশ থেকে জ্বালানি নিতে হবে- তার ব্যাখ্যায় ইয়াফেস ওসমান বলেন, “প্রকল্পের সব যন্ত্রপাতি তাদের তৈরি করা (রাশান ফেডারেশনের)। তাদের কাছ নেওয়াই তো বুদ্ধিমানের কাজ। পৃথিবীতে কিছু ফর্মুলা আছে। ফর্মুলার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। নতুন কোনো বিষয় এখানে হচ্ছে না। ক্ষতি হওয়ার কোনো স্কোপ নাই।”
![]() |
| রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আবাসিক ভবনের আসবাবপত্র কেনায় ‘দুর্নীতি’র খবর প্রকাশের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের লেখালেখির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুষমার সম্পদের মালিক কে হচ্ছেন?

সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দসহ দলীয় এবং বিরোধী দলীয় নেতারা।
সামাজিক মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষ তাকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুষমা স্বরাজের উদ্দেশ্যে এক টুইট বার্তায় বলেন, ভারতীয় রাজনীতিতে একটি গৌরবময় অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। ভারত একজন অসাধারণ নেতাকে হারাল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন বহু মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন তিনি। অনেক পাকিস্তানি নাগরিক তার সহযোগিতায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পেরেছেন। ২০১৮ সালের শেষ এফিডেবিট অনুযায়ী, সুষমা স্বরাজ ও তার স্বামীর কাছে প্রায় ৩২ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি রয়েছে।
তাদের দু'জনের প্রায় ১৯ কোটি টাকার সেভিংস রয়েছে। এর মধ্যে ১৭ কোটির এফডিআর রয়েছে। এছাড়া তাদের সেভিংস অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। সুষমা স্বরাজের স্বামীর কাছে একটি মার্সিডিজ গাড়ি রয়েছে যার দাম প্রায় ৩৬ লাখ টাকা।
২০১৮ সালে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য সুষমা তার ইনকাম এফিডেবিট দিয়েছিলেন। ওই এফিডেবিট অনুযায়ী, তার কাছে ২৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকার গহনা ছিল। তবে তার নিজের কোন গাড়ি ছিল না।
তাদের হরিয়ানার কাছে প্রায় ৯৮ লাখ টাকার কৃষিজমি আছে। এছাড়া দিল্লিতে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার দাম প্রায় ২ কোটি টাকা। মুম্বাই ও দিল্লিতে তার স্বামীর নামে ফ্ল্যাট রয়েছে। মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাটের দাম ৬ কোটি ও দিল্লির ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ২ কোটি টাকা। সুষমা স্বরাজের পর তার সব সম্পদের মালিক হতে চলেছেন তার স্বামী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মশা নিধন সারাবছরঃ উত্তর সিটির ১০ বছরের বিশেষ পরিকল্পনা by মশিউর রহমান খান

পরিকল্পনায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়াসহ সব প্রকার মশার হাত থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় ও কোনক্রমেই যেন মশাবাহিত রোগদ্বারা নাগরিকদের আক্রান্ত হতে না হয় তার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কর্মী থেকে শুরু করে মনিটরিংয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত সব পর্যায়ের জনবল কাঠামোই পরিবর্তন করা হবে বলে জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মোঃ আতিকুল ইসলাম।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, মশক নিধন কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে ও কিভাবে ডেঙ্গু মশাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে কলকাতা পৌর সংস্থা তা সরজমিনে দেখতে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে অতি দ্রুতই একটি কমিটিকে কলকাতা পাঠানো হবে। কমিটিতে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, মশখ নিধন সংক্রান্ত কমিটির সদস্যরা, বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের রাখা হবে। এই কমিটি সরজমিনে পরিদর্শন শেষে তারা তাদের লিখিত মতামত প্রদান করবেন মেয়রের কাছে। মেয়র তাদের মতামত ও রাজধানী থেকে মশা নিধনে ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে কিভাবে শতভাগ বাস্তবায়ন করা যায় তা বিশেষভাবে বিবেচনা করবে। মশার সঙ্গে যেহেতু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিশেষ সংযোগ রয়েছে তাই ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ একই সঙ্গে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, বর্তমানে ডিএনসিসিতে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতি ওয়ার্ডে গড়ে মাত্র ৫ জন কর্মী কাজ করে। এসব কর্মী রাস্তায় হেঁটে হেঁটে সকালে ও সন্ধ্যায় বিভিন্ন এলাকায় মশার ওষুধ ছিঁটানোর কাজ করে। তবে কোন কোন এলাকায় মশক নিধনের কর্মীরা বছরেও একবার যান না বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে যা বহু পুরনো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মশক নিধন কর্মীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী এখন থেকে হেঁটে হেঁটে মশার ওষুধ ছিঁটানোর পরিবর্তে প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেলে করে মশার ওষুধ ছিঁটাবেন। এতে করে অতি অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ স্থানে মশার ওষুধ ছিঁটানো সম্ভব হবে। একইসঙ্গে প্রতিটি মশক নিধন কর্মীর সঙ্গে একটি করে ট্র্যাকার লাগানো হবে। ফলে মশক নিধনের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে কি না তা ইন্টারনেটের মাধ্যমেই মনিটরিং করা হবে। ফলে কোন এলাকায় না গিয়ে কোন মশক নিধন কর্মী বসে থাকতে পারবেন না। এছাড়া নতুন পরিকল্পনায় মশক নিধনের বর্তমান ওষুধ পরিবর্তন করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইসিসিডিআরবি বা জাতীয় উদরাময় কেন্দ্রের মতো গ্রহণযোগ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মশার ওষুধ পরীক্ষার মাধ্যমে দেয়া সনদ প্রাপ্তি সাপেক্ষেই এসব ওষুধ মশা মারতে ব্যবহার করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্ষাকাল বা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয় সারাবছরই মশক নিধন কর্মীদের নিয়মিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সমাজের সুশীলদের নিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। উক্ত কমিটিতে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের পদধারী নেতা, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার প্রধানরা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সরকারী উর্ধতন আমলা ও সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে রাখা হবে। কমিটিতে সাত সদস্যের একটি বোর্ড থাকবে। এর মধ্যে অন্তত ৪ সদস্য মশক নিধন কর্মী এলাকায় সঠিকভাবে সময়মতো কাজ করেছে তা নিশ্চিত করার পর স্বাক্ষর প্রদান করলেই উক্ত মশক নিধন কর্মীর বেতন প্রদান করবে সিটি কর্পোরেশন।
এর বাইরে সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট কর্মীরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না বা কোন ওয়ার্ডের কোন স্থানে মশার উৎপত্তিস্থল রয়েছে বা ঠিকমতো মশা নিধন হচ্ছে কি না তাও সরজমিনে প্রতিদিনই পরিদর্শন করবে। একইসঙ্গে উক্ত কাজে দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রতিদিন সন্ধ্যার মধ্যেই তাদের বিস্তারিত রিপোর্ট সিটি কর্পোরেশনের কাছে জমা দেবেন। উক্ত রিপোর্ট দেখেই স্বাস্থ্য শাখা বিস্তারিত বিষয় বিবেচনায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। একইসঙ্গে মশক নিধনে বা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতে গিয়ে দায়িত্ব পালনে কোন প্রকার অবহেলা করলে বা কোন বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে মেয়রের কাছে পরামর্শ গ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য শাখা। এর বাইরে কেন্দ্রীয়ভাবে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি তাদের ওয়ার্ডে বিভিন্ন সময় নতুন কোন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হলে বিভিন্ন সুপারিশ করবে। যা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব কেন্দ্রীয় কমিটির।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য চলমান জনবল সঙ্কট পুরোপুরি দূর করা হবে। বর্তমানে ওয়ার্ড প্রতি পাঁচজন মশক নিধন কর্মীর পরিবর্তে দ্বিগুণ তিনগুণ বা কোন কোন ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের আয়তন ও চাহিদা বুঝে পাঁচগুণ পর্যন্ত জনবল বাড়ানো হবে। এ জন্য সিটি কর্পোরেশনের অর্গানোগ্রাম বদলাতে সরকারের সঙ্গে জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু করবে বলে জানা গেছে। এছাড়া মশক নিধন কর্মী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, আবাসস্থল নির্মাণ, বেতন ভাতাসহ আনুষঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ। ১০ বছর মেয়াদী এ পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তায় সিটি কর্পোরেশন কিভাবে অতি দ্রুতই তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে তার জন্য মেয়র সরকারের সব স্তরে এর অতি প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে আলোচনা সভা করবে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, নগরকে শতভাগ পরিচ্ছন্ন রাখতে ময়লার ট্রাককে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। একইসাথে প্রতিটি ট্রাকে একটি করে ট্র্যাকার লাগানো হবে। নগর ভবন থেকে পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম সকাল-বিকেল ও রাতে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এমনকি মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতিটি ওয়ার্ড অফিস ও তাদের সুপারভাইজারদের শতভাগ ডিজিটাল হাজিরার আওতায় আনারও পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যেখানেই ময়লা আবর্জনা সেখানেই সঙ্গে সঙ্গেই কিভাবে পরিষ্কার করা যায় তার জন্য বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি জনবল প্রয়োজন হবে।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী অতি দ্রুততার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে ম্যাকানিক্যাল পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়া হবে। ক্রমান্বয়ে এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সঠিকভাবে কম সময়ে ও কম খরচে বাস্তবায়ন করতে হাতের শলার ঝাড়ুর পরিবর্তে মেশিনের ঝাড়ু আনা হবে। এসব মেশিনে শলা লাগানো থাকবে বলে কম সময়েই রাস্তা পরিষ্কার করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে মেশিন দিয়ে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ করলে জনবল কম লাগার পাশপাশি অর্থিকভাবেও সাশ্রয় হবে। এছাড়া উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চলমান ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা রোড সুইপারের সংখ্যা অতি দ্রুততার সঙ্গে কিভাবে বাড়ানো যায় তার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর বাইরে ড্রেন পরিষ্কারের জন্য উন্নতমানের যন্ত্র সংযোজন করা হবে। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে আবর্জনা সংগ্রহ করতে ও নির্দিষ্ট স্থানে তা জমা করতে উন্নতমানের ভ্যাহিকেল আনা হবে। এসব ভ্যাহিকেল দিয়ে কোন প্রকার দুর্গন্ধ ছড়াবে না। একইসঙ্গে ময়লাকে সম্পদে রূপান্তর করতে নেয়া হবে নানা বিশেষ উদ্যোগ। ডিএনসিসির মতে, কোন বর্জ্যইে আর যেন পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি না হয় তাই এসব বর্জ্য উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে কাজে লাগিয়ে সম্পদে পরিণত করা হবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনের মাধ্যমে চলা কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় পরিবেশবিদ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন দেশের এ বিষয়ে অভিজ্ঞদের সবসময়ই পরামর্শ নেয়া হবে। সময়োপযোগী করতে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও পরিদর্শনের জন্য দেশ-বিদেশে পাঠানো হবে। তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সফলভাবে প্রয়োগের মাধ্যমেই রাজধানী ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শঙ্কামুক্ত স্বাস্থ্যকর ঢাকা গড়তে কাজ করবে ডিএনসিসি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়াসহ সব প্রকার মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে ও শহরের প্রতিটি অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১০ বছর মেয়াদী এক বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। এ বিশেষ পরিকল্পনা স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে ওয়ার্ড লেভেল, ব্যুরো লেভেল বা জোন এবং সিটি কর্পোরেশনের কেন্দ্রীয় লেভেল এই তিন স্তর থেকে মনিটরিং করা হবে। ২৪ ঘণ্টাই এর কার্যক্রম চলমান থাকবে। ঢাকা উত্তর সিটি মশকমুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বর্তমানের তুলনায় জনবল বৃদ্ধি করা হবে। দৈনন্দিন কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনার জন্য ক্রমান্বয়ে আমরা বর্তমানের ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে মেকানিক্যাল পদ্ধতিতে পরিচালিত করব। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আনা হবে উন্নতমানের পরিবেশবান্ধব যন্ত্রপাতি। আশা করি বর্তমান চলমান অনেক কিছুই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা কম সময়ে পাল্টে দিতে সক্ষম হব।
মেয়র বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে আমরা স্থানীয়দের অন্তর্ভুক্ত করে কাজ করব। স্থানীয়দের পরামর্শ গ্রহণ ও আমাদের কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তার দায়িত্ব দেয়া হবে। তাদের দেয়া রিপোর্টরে মাধ্যমেই কেবল তাদের বেতন দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। হেঁটে হেঁটে মশা মারার পরিবর্তে কম সময়ে অধিক স্থানে ওষুধ ছিঁটাতে মোটরসাইকেলে ওষুধ ছিটানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতার তবে অতি দ্রুতই কিভাবে পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নের সুফল মেলে তার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে ডিএনসিসি। ভিডিও কনফারেন্সে কলকাতা পৌর সংস্থার পরামর্শ ও মতামত অনুযায়ী কলকাতার মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ১০ বছরে তা অনেকটা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আমাদের মশক নিধনের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বিশাল সম্পর্ক রয়েছে তাই আমরা মশক নিধনের পাশপাশি নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার ও মনিটরিংয়ের জন্য প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে সুপারভাইজার নিয়োগ করব। যিনি প্রতিদিনই অফিসে এসে তার রিপোর্ট প্রদান করবেন। কেন্দ্রীয়ভাবে তা সংরক্ষণের পর দৈনন্দিনই সে অনুযায়ী স্বাস্থ্য শাখা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া রোড সুইপার, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নগরকে ঝকঝকে তকতকে রাখতে প্রয়োজনে বর্তমান সিটি কর্পোরেমনের অগ্রানোগ্রামও পরিবর্তন করা হবে। মূলথ আমরা চাই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন যার মাধ্যমে চলমান ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া বা টাইফয়েডসহ কোন প্রকার মশাবাহিত রোগের প্রার্দুভাব না ঘটে। সারাবছরই মশক নিয়ে কার্যক্রম চলমান রাখতে চাই। সবার সহযোগিতা ও সচেতনা সৃষ্টির মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটিকে গড়তে চাই পরিবেশবান্ধব স্বাস্থ্যকর সুন্দর পরিচ্ছন্ন নগরী। এজন্য তিনি সবার আগে সকলের আগ্রহ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ওষুধ ভাল, মশা মরে না’ by শাহেদ মতিউর রহমান

এদিকে ঢাকাসহ সারাদেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারের ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মশার ওষুধের কার্যকারিতা নেই বলেও বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। ‘ডিএসসিসি’র ওষুধে মশা মরে না’ এমন অভিযোগের সাথে খোদ মেয়র সাঈদ খোকনও মত প্রকাশ করেছিলেন। সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সরাসরি বলেছেন, নতুন এবং কাজ হয় এমন কার্যকর ওষুধ আমদানি করা হচ্ছে।
কিন্তু মঙ্গলবার দেখা গেল ভারত থেকে যে ওষুধের নমুনা নিয়ে এসে পরিক্ষা করা হলো, সেই ওষুধের চেয়ে সিটি করপোরেশন বর্তমানে যে ওষুধ ব্যবহার করছে তার কার্যকারিতা কম নয়। বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের নাম হচ্ছে পারমেথ্রিন, টেটরামেথ্রিন ও পেলেথ্রিন। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, তাহলে কেন এতদিন কার্যকর ওষুধ ব্যবহার করার পরেও ডেঙ্গুর এই বিস্তার ঘটলো?
মঙ্গলবার বিকেলে নগরভবনের ব্যাংক ফ্লোরে ভারত থেকে আনা নমুনা স্বরূপ দুটি কোম্পানির ওষুধের কার্যকারিতা পরিক্ষা করা হয়। ওষুধ দুটি হচ্ছে ডেলটামেথ্রিন ১দশমিক ২৫% ইউএলভি এবং মেলাথ্রিন ৫% আরএসইউ । এ দুটি ওষুধের নমুনা পরিক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞদের কাছে কার্যকর মনে হলে এই ওষুধই আমদানি করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।
কিন্তু মঙ্গলবার তিনটি বাক্সভর্তি মশার শরীরে নতুন এই ওষুধ স্প্রে করার ২০ মিনিট পর ফলাফলে দেখা গেল ভারত থেকে নমুনা ওষুধ ডেলটামেথ্রিন ১ দশমিক ২৫ ইউএলভি এর স্প্রেতে মশা অজ্ঞান হয়েছে তিনটি বাক্সে যথাক্রমে ৮৪%, ৯২% এবং ৮২%। অন্যদিকে মেলাথ্রিন ৫% আরএসইউ স্প্রেতে তিনটি বাক্সে মশা অজ্ঞান হয়েছে যথাক্রমে ৯২%, ১০০%, ১০০%।
আর বর্তমানে যে ওষুধ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ব্যবহার হচ্ছে অর্থাৎ পারমেথ্রিন, টেটরামেথ্রিন ও পেলেথ্রিনের স্পেতে মশা অজ্ঞান হয়েছে তিন বাক্সে যথাক্রমে ৯০%, ১০০% এবং ৮৪%। অর্থাৎ কোনো ওষুধের কার্যকারিতা ৮০ ভাগের বেশি হলেই সেই ওষুধকে বিশেষজ্ঞরা এ’ ক্যাটাগরির ওষুধ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তাই বর্তমানে যে ওষুধ সিটি করপোরেশন ব্যবহার করছে সেই ওষুধ গুণেমানে খারাপ নয়।
ভারত থেকে আনা নমুনা ওষধের পরিক্ষা করার পর ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, আমরা যে ওষুধ এখন ব্যবহার করছি সেই ওষুধও অকার্যকর নয়। এটা আজ পরিক্ষাতেই প্রমাণ হয়েছে। তবে আমরা আরো ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে চাই। অজ্ঞান হওয়া মশাদের মধ্যে ২৪ ঘন্টা পর কতটি মশা মারা গেছে তার ভিত্তিতেই পরিক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যাবে। ভারত থেকে নতুন ওষুধ আমদানি করা হবে নাকি বিদ্যমান ওষুধ দিয়েই রাজধানীর মশা নিধন অব্যাহত থাকবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেটিও পরিস্কার করেননি এই কর্মকর্তা। আর নতুন ওষুধ আমদানি করলেও সেটি কতদিনে বাংলাদেশে আসবে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, এটাও সময় সাপেক্ষ। এই মুহুর্তে দিনক্ষণ বলা যাচ্ছে না। সাংবাদিকদের আরো কিছু প্রশ্ন থাকলেও সেগুলোর কোনো উত্তর না দিয়েই সভাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচ্ছিন্ন কাশ্মীরে কী ঘটছে? by জাহিদুর রহমান

গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজ্যের একাধিক শীর্ষ নেতাকে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছিলেন, বিশেষ মর্যাদা বাতিলের ঘোষণার পরপরই সেখানে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হবে। তবে বর্তমানে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যটির অভ্যন্তরীণ অবস্থা কী সে বিষয়ে জানার কোনো উপায় নেই।
যেভাবে বিশেষ মর্যাদা হারালো কাশ্মীর: সোমবার পার্লামেন্টের এক অধিবেশনে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এক ঘোষণায় জানান, কাশ্মীরকে দেয়া বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়া হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারার অধীনে কাশ্মীরকে বেশ খানিকটা স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রণীত আইন না মেনে নিজস্ব সংবিধান মেনে চলার অধিকার ছিল কাশ্মীরের। তবে বিজেপি সরকারের সুপারিশে এক নির্দেশনামার মাধ্যমে সংবিধানের ওই ধারা বাতিল করে দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রাম নাথ কোভিন্দ। এতে বিরোধীরা প্রতিবাদ জানালেও তা অগ্রাহ্য করেছে মোদি সরকার। ৩৭০ ধারা বাতিল করায় ধারাটির অন্তর্গত ৩৫-এ ধারাও বাতিল হয়ে গেছে। এই ধারা অনুসারে, বিশেষ সুবিধা পেতেন কাশ্মীরিরা। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া, বাইরের কেউ সেখানে চাকরির আবেদন করতে পারতেন না, জমিজমা কিনতে পারতেন না। স্থায়ী বাসিন্দা কারা হবেন তা ঠিক করার অধিকার ছিল কেবল রাজ্যসভার। কিন্তু এখন থেকে যেকোনো ভারতীয়ই সেখানে জমি কিনে বাস করতে পারবেন।
ঘোষণার পর সেখানে বিক্ষোভ হতে পারে এমন আশঙ্কায় আগ থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল ভারত সরকার। ‘জঙ্গি হামলা হতে পারে’- এমনটা দাবি করে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে ৩৮ হাজারের বেশি সামরিক সেনা, বাতিল করে দেয়া হয়েছে অমরনাথ যাত্রা, পর্যটকদের চলে যেতে বলা হয়েছে রাজ্য ছেড়ে। কিন্তু বর্তমানে সেখানে কী হচ্ছে সে বিষয়ে নেই কোনো খবর।
ঘোষণার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন: ৩৭০ ধারা অনুসারে, কাশ্মীর সরকারের অনুমোদন ছাড়া ধারাটি বাতিলের অধিকার ছিল না ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের। কিন্তু গত এক বছর ধরে সেখানে কার্যত কোনো রাজ্য সরকার নেই। গত বছরের জুনে রাজ্যটির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে সেখানে রাজ্যপালের শাসন চালু করে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থাৎ, বিজেপি সরকারের জন্য কেবল তাদের নিয়োগকৃত রাজ্যপালের অনুমতি নেয়াই যথেষ্ট ছিল। বিজেপি সরকারের দাবি, এটা তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। তবে তাদের দাবি নিয়ে বিভক্ত আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত। একজন আইন বিশেষজ্ঞ শুভাষ কেশ্যপ বলেছেন, সরকারের সিদ্ধান্ত সংবিধান মেনেই নেয়া হয়েছে। এতে ভুল নেই। কিন্তু অপর এক বিশেষজ্ঞ এজি নুরানি বলেন, এটা একটি অবৈধ সিদ্ধান্ত, জালিয়াতি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব। ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই সিদ্ধান্তটি নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হবে।
নতুন ফিলিস্তিন হতে যাচ্ছে কাশ্মীর: অনেক সমালোচকের দাবি, কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা কেড়ে নিয়ে এশিয়ায় নতুন ফিলিস্তিনের সৃষ্টি করতে যাচ্ছে ভারত। ইসরাইল যেভাবে ফিলিস্তিনে জোরপূর্বকভাবে বসতি স্থাপন করছে, সেভাবে ভারতীয়রাও এখন থেকে কাশ্মীরে জোরপূর্বকভাবে বসতি স্থাপন করবে। সংবিধানের ৩৫-এ ধারা বিলুপ্ত করে এই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। এই ধারা অনুসারে, বাইরের কেউ কাশ্মীরে জমিজমা কিনতে পারতো না। বিজেপি সরকারের দাবি, এই ধারার কারণে রাজ্যটি পিছিয়ে পড়ছে। সেখানে উন্নয়ন হচ্ছে না। বিনিয়োগ করতে পারছে না বাইরের কেউ। তাই রাজ্যের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের চর্চা করতেই ধারাটি বাতিল করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, শাসক দল অনেকদিন ধরেই ৩৫ (এ) ধারাকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে আসছে। গত মাসে একজন জ্যেষ্ঠ বিজেপি নেতা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ওই অঞ্চলে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার।
বহু আগ থেকেই ৩৭০ ও ৩৫ (এ) ধারা বাতিলের অঙ্গীকার ছিল বিজেপির। কাশ্মীরিদের আশঙ্কা, এর ফলে এই অঞ্চলের জনতাত্ত্বিক চিত্র একেবারেই পাল্টে যাবে। মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থেকে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে। সরকার জানিয়েছে, রাজ্যটিকে মোট তিনভাবে ভাগ করা হবে, হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মু, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর ও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ লাদাখ। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর হবে একটি অঞ্চল ও লাদাখ হবে আলাদা একটি অঞ্চল।
বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, সেনাদের নজরে বন্দি কাশ্মীর: বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর টানা দ্বিতীয় দিনও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে কাশ্মীর। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রোববার থেকে বন্ধ রয়েছে টেলিফোন নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সেবা, রাস্তায় টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল সেনারা। আগ থেকেই ব্যাপক বিক্ষোভের আশঙ্কা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সমপর্কে জানা যায়নি কোনো তথ্য। এর মধ্যে দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সহ স্থানীয় নেতাদের গৃহবন্দি ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিবিসি’র শ্রীনগর প্রতিবেদক আমির পীরজাদা তার দিল্লির সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানান, কেউ জানে না কী হচ্ছে সেখানে। সামনে কী হবে তাও জানে না কেউ। এদিকে, ভারতের অন্যান্য অংশে বাসকারী কাশ্মীরিরা জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। এমন কী সেখানকার পুলিশ স্টেশনে ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না কোনো তথ্য। কখন যোগাযোগ ফিরবে সে বিষয়েও কোনো ঘোষণা দেয়নি সরকার। বিবিসি’র সংবাদদাতা আরো জানান, আগ থেকে কিছু না জানিয়ে সেনা মোতায়েন, স্কুল-কলেজ বন্ধ করায় আতঙ্কিত ছিল স্থানীয়রা। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে কয়েক মাসের খাবার মজুত করে রাখেন অনেকে। এদিকে, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হলেও, পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য স্যাটেলাইট ফোন বরাদ্দ করা হয়।
বিভক্ত বিরোধী দল: সোমবার অমিত শাহ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে পার্লামেন্টে বিরোধী দলের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। কিছুক্ষণের জন্য মুলতবি রাখা হয় অধিবেশন। তবে সোমবার রাজ্যসভায় কাশ্মীর রাজ্য পুনর্গঠন বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। রাজ্যসভায় বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১২৫ জন। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৬১ জন। ভোটাভুটিতে দেখা গেছে, বিলের পক্ষে এনডিএ’র দলগুলো বিলের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে আম আদমি পার্টি, বিজু জনতা দল, বহুজন সমাজ পার্টির মতো বিজেপি বিরোধী দলগুলো। এ ছাড়াও সমর্থন জানিয়ে ভোট দিয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি ও এআইডিএমকে। অন্যদিকে বিপক্ষে ভোট দিয়েছে কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, সিপিআই, সিপিআইএম, মুসলিম লীগ, কেরালা কংগ্রেস ও এমডিএমকে। কাশ্মীরের দুই পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যকে সংবিধান ছেঁড়া এবং বিশৃঙ্খল আচরণের জন্য কক্ষ থেকে বের করে দেয়ায় তারা ভোট দিতে পারেন নি। ভোটাভুটির এই অবস্থা ছাড়াও এদিন ৩৭০ ধারার প্রশ্ন কংগ্রেসের মধ্যকার দ্বন্দ্বও প্রকাশ্যে এসেছে। জনার্ধন দ্বিবেদীর মতো প্রবীণ নেতা থেকে শুরু করে দীপেন্দ্র হুডার মতো কংগ্রেসের নবীন নেতারা সোস্যাল মিডিয়ায় ৩৭০ ধারা বাতিলের সমর্থন করেছেন। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ভুবনেশ্বর কলিতা রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ৩৭০ ধারা নিয়ে দলের অবস্থান মানতে না পারায়।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার ঘোষণা চমকে দিয়েছে পুরো বিশ্বকেই। কাশ্মীরের অপর এক অংশের দাবিদার পাকিস্তান থেকেই এসেছে সবচেয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া। দেশটির বিরোধী নেতারা যৌথ অধিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও মঙ্গলবার অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই তীব্র হট্টগোল শুরু হলে তা মুলতবি করা হয়। তবে পাকিস্তান পিপলস পার্টি, পিএমএল-এন সহ প্রায় সকল প্রধান বিরোধী দলই জানিয়েছে, কাশ্মীর ইস্যুতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে ইচ্ছুক। দেশটির সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, কাশ্মীর ইস্যুতে যেকোনো মাত্রায় যেতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী। ঘোষণার পরপরই ইসলামাবাদে নিয়োজিত ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে পাকিস্তান।
এদিকে, মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, এই ঘোষণায় কাশ্মীরে সহিংসতা বাড়তে পারে। সর্ব ভারতীয় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান আকর পাটেল বলেন, গত কয়েক দিন ধরে কাশ্মীর হাজার হাজার সেনা মোতায়েন, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা বন্ধ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যক্ষ করছে। সর্বশেষ, এই ঘোষণা জম্মু কাশ্মীরের মানুষদের খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্থনিও গুতেরাঁর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমরা ওই অঞ্চলের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন। সব পক্ষের প্রতি সংযম সাধনের আহ্বান জানাই। জাতিসংঘ মহাসচিব কাশ্মীর সংকটে কোনো ভূমিকা রাখবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এ নিয়ে মহাসচিব হিসেবে তিনি মত দিয়েছেন এবং এখনো তার অবস্থান সেই একই।
আমরা ওই অঞ্চলের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন। সব পক্ষের প্রতি সংযম সাধনের আহ্বান জানাই। জাতিসংঘ মহাসচিব কাশ্মীর সংকটে কোনো ভূমিকা রাখবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এ নিয়ে মহাসচিব হিসেবে তিনি মত দিয়েছেন এবং এখনো তার অবস্থান সেই একই।
পুরো জম্মু ও কাশ্মীর হলো একীভূত ভারতের অখণ্ড অংশ: এদিকে, কেবল নিজেদের অংশটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট নয় বিজেপি সরকার। কাশ্মীরের বাকি অংশও নিজেদের দাবি করে সেগুলো একীভূত করার অঙ্গীকার করেছেন দলটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার তিনি পার্লামেন্টে বলেন, কাশ্মীর হলো ভারতের অখণ্ড অংশ। আমি নিরেটভাবে পরিষ্কার করতে চাই যে, প্রতিবার যখনই আমি জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে কথা বলেছি, তার মধ্যে ছিল পাকিস্তান দখলীকৃত কাশ্মীর (গিলগিট-বাল্টিস্তানসহ) এবং অক্ষয় চীন। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। পুরো জম্মু ও কাশ্মীর হলো একীভূত ভারতের অখণ্ড অংশ। এ সময় কংগ্রেস সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে হট্টগোল করতে থাকেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয়দের কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রার ভিসা দেবে না চীন

চীনের মূল আপত্তি কাশ্মির থেকে লাদাখকে আলাদা করা নিয়ে। ইতোমধ্যেই লাদাখকে ভারতের কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে দেশটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত কি আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে?
'পুরো প্রক্রিয়াটি সংবিধান মেনে হয়েছে'
![]() |
| অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপ হওয়া সাংবিধানিকভাবে কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪ হাসপাতাল বদলের পর শাকিলের মৃত্যু by শুভ্র দেব

নয় বছর বয়সী শাকিল।
মিরপুরের একটি স্কুলের শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে মিরপুর-১ নম্বরের বাসায় থাকতো। ২ ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার ছোট শাকিল। বাবা কামাল গাড়ি চালক ও মা নার্গিস আক্তার গৃহিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগি উপজেলায়। সাত দিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল শাকিল। পরীক্ষায় ধরা পড়ে তার ডেঙ্গু হয়েছে। ধীরে ধীরে তার রক্তের প্লাটিলেট কমতে থাকে। এরপর তার বাবা-মা এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নিয়ে ঘুরতে থাকেন। কোথাও ঠিকমত চিকিৎসা মেলেনি। হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছোটাছুটি করতে করতেই চিকিৎসার সময় পার হয়েছে। অবশেষে সোমবার রাত পৌনে চারটার দিকে শাকিল ডেঙ্গুর কাছে পরাস্থ হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে।
শাকিলের বাবা কামাল বলেন, ৩০শে জুলাই হঠাৎ করে জ্বর আসে শাকিলের। জ্বরের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে তাকে ভর্তি করা হয় শাহআলী মাজার রোডের সেলিনা জেনারেল হাসপাতালে। ডেঙ্গুর পরীক্ষা করলে পজিটিভ আসে। প্লাটিলেট কমতে থাকে। অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিলো। সেলিনা হাসপাতালে চারদিন রাখার পর অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। বরং তার লিভারে সমস্যা দেখা দেয়। পরে তারা সেখান থেকে ছেড়ে দিয়ে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করতে বলে। আমরা তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। সেখানে অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একদিনের মত রেখে সেখান থেকেও তাকে ছাড়পত্র দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। শাকিলের মা নার্গিস বেগম বলেন, ঢাকা মেডিকেলে যখন তাকে নিয়ে আসি তখন তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। যন্ত্রণায় সে না পারছিলো বসতে না পারছিলো ঘুমাতে। প্রতিনিয়ত ছটফট করছিলো। ভেবেছিলাম এই হাসপাতালে ভর্তি করলে ভাল চিকিৎসা পাবে কিন্তু সেটা হয়নি। ওই দিন বিকালে জরুরি বিভাগ থেকে শাকিলকে পাঠানো হয় দ্বিতীয় তলার শিশু ওয়ার্ডে। সেখানে যাওয়ার পর আমাদের বলা হয় এত বড় শিশু ভর্তি করা যাবে না। পরে বলা হয় শাকিলের অবস্থা খারাপ তাই তার আইসিইউ লাগবে। কিন্তু আইসিইউতে কোন সিট খালি নাই। অন্য ওয়ার্ডে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা করাতে হবে। আর চিকিৎসা করাতে হলে পরিবারের সবাইকে সম্মতিপত্র দেয়া লাগবে। রোগীর কিছু হলে সকল দায়-দায়িত্ব পরিবারকে নিতে হবে। মৃত্যর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলো ছেলেটা। এসব হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসার চেয়ে নিয়ম কানুন মানতে মানতে ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যায়। আমরা গরীব অসহায়, লেখাপড়া না জানা মানুষ। আমাদের সঙ্গে কেউ ভালভাবে কথাও বলে না। কি বলে সেটাও বুঝি না। চিকিৎসা না পেয়ে ছেলের অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। যন্ত্রনায় চিৎকার করছিলো। কেউ তাকে আটকাতে পারছিলাম না। পরে বাধ্য হয়ে সেখান থেকে তাকে মোহাম্মদপুরের কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।
শাকিলের বাবা মো: কামাল অভিযোগ করে বলেন, সোমবার রাত ১১টার দিকে কেয়ার হাসপাতালের একজন চিকিৎসক আমাকে ডেকে বলেন আপনার ছেলে খুব অসুস্থ সে আপনার সঙ্গে কথা বলতে চায়। পরে আমি শাকিলের কাছে যাই। সে আমাকে দেখেই বলে আব্বা আমাকে বাড়ি নিয়ে যাও। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমার হাত-পা বেধে রেখেছে। আর শুধু ইঞ্জেকশন দিচ্ছে। আমি তখনই বলছিলাম একটু পর পর ইঞ্জেকশন দিয়ে আমার ছেলেটারে মেরে ফেলবে। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। রাত সাড়ে তিনটায় একটি ইঞ্জেকশন দেয়ার পরপরই শাকিল নিস্তেজ হয়ে যায়। পরে আর তার জ্ঞান ফিরে নাই। অভিযোগ করে কামাল আরও বলেন, সেলিনা জেনারেল হাসপাতাল থেকে শুরু করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল ও কেয়ার হাসপাতাল চারটি হাসপাতাল বদল করে শাকিলরে কোন চিকিৎসা দিতে পারি নাই। কোন লাভ হয় নাই এসব হাসপাতালে নিয়ে। বরং আমাদের অনেক টাকা নষ্ট হয়েছে। সেলিনা হাসপাতালে চারদিনে আমাদের কাছ থেকে অনেক টাকা নিছে। কিন্তু কোন চিকিৎসাই মিলেনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 07
(55)
- সিয়ামের তিনটি ইচ্ছা পূরণ করেছেন জাহিদ হাসান
- মশক নিবারণী দপ্তর মশাদের দখলে: পরিচালক বিদেশে, কর্...
- সমুদ্রপথে মিয়ানমার থেকে গরুর স্রোত
- কাশ্মীরে ৩৭০ ও ৩৫(ক) ধারা বাতিলে সমস্যা কোথায়?
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ও শ্রমজীবী নারী by মনিকা দাশ
- রান্নাকে শিল্পের পর্যায়ে নিতে নারীর চাই একাগ্রতা ও...
- ৬৭ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন
- মাকে কথা রাখতে দেয়নি 'ডেঙ্গু'
- এডিস মশা সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য by ফারজানা...
- বস্তির ঘরে ঘরে ডেঙ্গুজ্বর by শামীম আহমেদ
- পাকিস্তানকে ব্যঙ্গ করে নগ্ন হলেন পুনম পান্ডে, ভাইরাল
- যে সাবান মাখলে দূরে থাকবে মশা by মুসবা তিন্নি
- পাওয়া গেলো ১৪ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের হাড় by মাজহা...
- আফ্রিকার বাইরে প্রথম আধুনিক মানুষের সন্ধান
- অধিকৃত কাশ্মির নিয়ে ভারতের অবৈধ পদক্ষেপ মোকাবেলায় ...
- নেপাল: অন্য প্রদেশগুলোর সাথে কাঠমাণ্ডুর আইনী লড়াই ...
- বখাটে থেকে রক্ষা পেতে ইউএনওকে স্কুলছাত্রীর চিঠি
- কাশ্মীরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, তার মধ্যেও সেখানে বিক্...
- রূপপুর নিয়ে ‘লিমিটের মধ্যে’ লিখতে সাংবাদিকদের অনুর...
- সুষমার সম্পদের মালিক কে হচ্ছেন?
- মশা নিধন সারাবছরঃ উত্তর সিটির ১০ বছরের বিশেষ পরিকল...
- ‘ওষুধ ভাল, মশা মরে না’ by শাহেদ মতিউর রহমান
- বিচ্ছিন্ন কাশ্মীরে কী ঘটছে? by জাহিদুর রহমান
- ভারতীয়দের কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রার ভিসা দেবে না চীন
- কাশ্মীর: অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদ...
- ৪ হাসপাতাল বদলের পর শাকিলের মৃত্যু by শুভ্র দেব
- ডেঙ্গুতে লড়াই করছেন চিকিৎসকরা by মোরশেদ মুকুল
- কোরবানির পশুর সংকট হবে না: লোকসানের শঙ্কায় খামারির...
- স্মৃতির চালচিত্র by ইব্রাহিম ফাত্তাহ
- একদিনে ৯ জনের মৃত্যু: কেন বাড়ছে প্রাণহানি? by ফরিদ...
- বাড়ির মধ্যেই বন্দি আমি: ফারুক আব্দুল্লাহ
- মালয়েশিয়ায় অপহরণ, দেশে মুক্তিপণের টাকা নিতো ওরা by...
- কাশ্মীর: ভারত শাসিত অংশ থেকে কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে...
- মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা
- ভারতীয় বিমান বাহিনীর অগ্রবর্তী ঘাঁটিগুলোতে অস্বাভা...
- মশা কি আর মন্ত্রীর কথা শোনে?
- প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্তের রেকর্ড: এমপিরা নীরব by...
- ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল ডেঙ্গু সচেতন শিশুটির by ইকবাল ...
- ছাগলের নাম টাইগার by আবদুস সালাম
- অ্যালেক্সেই নাভালনি: বারবার গ্রেফতার হওয়ার পর এখন...
- আফগানিস্তানে শান্তির পথ কোথায়? by কামরান ইউসুফ
- বিদেশ পাঠানোর নামে ভয়ঙ্কর প্রতারণা by রুদ্র মিজান
- তারল্য সংকট ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা
- পাখির ডাকে ঘুম ভাঙ্গে পাখিবাড়ির বাসিন্দাদের
- মেজরের স্ত্রী ও ছয় শহীদ সন্তানের মা এখন ভিক্ষুক
- চীনে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে মুসলিম শিশুদের
- আফগান শান্তিপ্রক্রিয়া by আসাদ হোসাইন
- বাবার খ্যাতি, ছেলের বিড়ম্বনা by মুরশিদুজ্জামান হিমু
- যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট বন্দিশালা: ভয়াবহ চিত্...
- ডেঙ্গুতে মৃত্যু সংখ্যা বাড়ছেই, আরো ৭ জনের মৃত্যু
- সংশোধনীতে পঙ্গু ভারতের তথ্যাধিকার আইন by পি কে বাল...
- অপরিকল্পিত নগরায়ন থেকে ডেঙ্গুর উৎপত্তি -আন্তর্জাতি...
- চীনকে দূরে রাখতে প্রতিবেশীদের দিকে নজর মোদির by বা...
- বারকি শ্রমিক ইব্রাহিম যেভাবে ইয়াবা ডিলার
- 'বিচার যদি না-ই দেবে, তাহলে মেরেই ফেলুক না' by শুভ...
-
▼
Aug 07
(55)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






