Sunday, May 22, 2016
এবার ‘দিল্লি দখল’ মিশন মমতার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগ্নেয়াস্ত্রসহ হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা একজন গুলিবিদ্ধ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঊষার টানা তৃতীয় জয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধারাবাহিক নাটকের সঙ্গেই বাঁধনের ঘর-সংসার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শবে বরাতের আমল by শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
শবে বরাতের নফল নামাজ ও ইবাদত
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসবে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে ও দিনে রোজা পালন করবে। (ইবনে মাজাহ)। ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নামাজ। সুতরাং নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নফল নামাজ। প্রতিটি নফল ইবাদতের জন্য তাজা অজু বা নতুন অজু করা মোস্তাহাব। রাতের নিয়মিত নফল ইবাদতের মধ্যে রয়েছে; বাদ মাগরিব ছয় থেকে বিশ রাকাত আউওয়াবিন নামাজ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি মাগরিবের নামাজের পর ছয় রাকাত নামাজ আদায় করবে; এসবের মাঝে কোনো মন্দ কথা না বলে, তার এই নামাজ ১২ বছরের ইবাদতের সমতুল্য গণ্য হবে। হজরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাকাত নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। (তিরমিজি, মিশকাত, ফয়জুল কালাম, হাদিস: ৪৪৯-৪৫০)। রাতের শ্রেষ্ঠতম ইবাদত হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। (আল কোরআনুল করিম, পারা: ১৫, সুরা-১৭ ইসরা-বনি ইসরাইল, আয়াত: ৭৯)। এ ছাড়া সালাতুস তাসবিহ এবং অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যায়। রজব শাবান মাসের রাতের নফল নামাজ তারাবিহ নামাজ বা কিয়ামুল লাইলের প্রস্তুতি।
মধ্য শাবানের নফল রোজা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত কর ও দিনে রোজা পালন কর। (সুনানে ইবনে মাজাহ)। এ ছাড়া প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামে বিজের নফল রোজা তো রয়েছেই, যা আদি পিতা হজরত আদম (আ.) পালন করেছিলেন এবং আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদও (সা.) পালন করতেন, যা মূলত সুন্নত। সুতরাং তিনটি রোজা রাখলেও শবে বরাতের রোজা এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তা ছাড়া, মাসের প্রথম তারিখ, মধ্য তারিখ ও শেষ তারিখ নফল রোজা গুরুত্বপূর্ণ; শবে কদরের রোজা এর আওতায়ও পড়ে। সওমে দাউদি বা হজরত দাউদ (আ.)-এর পদ্ধতিতে এক দিন পর এক দিন রোজা পালন করলেও সর্বোপরি প্রতিটি বিজোড় তারিখ রোজা হয়; এবং শবে কদরের রোজার শামিল হয়ে যায়। সর্বোপরি রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসের পর রজব ও শাবান মাসে বেশি নফল ইবাদত তথা নফল নামাজ ও নফল রোজা পালন করতেন; শাবান মাসে কখনো ১০টি নফল রোজা, কখনো ২০টি নফল রোজা, কখনো আরও বেশি রাখতেন। রজব ও শাবান মাসের নফল রোজা রমজান মাসের রোজার প্রস্তুতি।
একটি রোজার মাসআলা
হাদিস শরিফে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনা শরিফে হিজরতের পরে দেখতে পেলেন মদিনার ইহুদিরাও আশুরার একটি রোজা পালন করেন। তখন তিনি সাহাবিদের বললেন, আগামী বছর থেকে আমরা আশুরার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখব, ইনশা আল্লাহ! যাতে তাদের সঙ্গে মিল না হয়। তাই আশুরার রোজা অর্থাৎ মহররম মাসের দশম তারিখের রোজার সঙ্গে তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখা মোস্তাহাব। শবে বরাতসহ বছরের অন্য নফল রোজাগুলো একটি রাখতে বাধা নেই; বরং এক দিন পর এক দিন রোজা রাখা হজরত দাউদ (আ.)-এর সুন্নত বা তরিকা; যা নফল রোজার ক্ষেত্রে উত্তম বলে বিবেচিত এবং সওমে দাউদি নামে পরিচিত। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজাও আলাদা আলাদা বা একত্রেও রাখা যায়।
শবে বরাত ও হালুয়া-রুটি
শবে বরাতের সঙ্গে হালুয়া-রুটির একটি সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়। হালুয়া আরবি শব্দ। অর্থ হলো মিষ্টি বা মিষ্টান্ন। রাসুলুল্লাহ (সা.) মিষ্টি পছন্দ করতেন এ কথা সুবিদিত; তিনি গোশতও পছন্দ করতেন তাও অবিদিত নয়। যা-ই হোক শবে বরাত হলো ইবাদতের রাত। দান-খয়রাত করা ও মানুষকে খাওয়ানো এক প্রকার ইবাদত। তবে এই দিন ও রাতকে হালুয়া-রুটিতে পরিণত করে ইবাদত থেকে গাফেল হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তেমনি হালুয়া-রুটির ওপর ফতোয়া প্রদান করাও উচিত নয়।
যাদের গুনাহ ক্ষমা হবে না
হাদিস শরিফে আছে, শবে বরাতে আল্লাহ তাআলা সবাইকে মাফ করবেন, তবে শিরককারী (অংশীবাদী) ও আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীকে ক্ষমা করবেন না। অন্য বর্ণনায় এসেছে, শবে বরাতে আল্লাহ তাআলা সবাইকে মাফ করবেন। তবে শিরককারী (অংশীবাদী) ও হিংসাকারীকে ক্ষমা করবেন না। অহংকার পরিত্যাগ করুন; অহংকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। (বায়হাকি, শুআবুল ইমান)।
গুনাহ মাফ পাওয়ার সহজ পথ
বান্দার হক বা সৃষ্টির পাওনা পরিশোধ করে দিন; আত্মীয়স্বজনের হক আদায় করুন; মহান প্রভু আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। পিতা-মাতার হক আদায় করুন; আল্লাহ আপনার প্রতি করুণা করবেন। সৃষ্টির প্রতি দয়াশীল হোন; আল্লাহ আপনার প্রতি দয়ালু হবেন। আপনি সবাইকে ক্ষমা করে দিন; নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। খাঁটি তওবা করুন; তওবাকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন। বেশি বেশি ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করুন; আল্লাহ ইস্তিগফারকারীকে পছন্দ করেন। (বুখারি ও মুসলিম)।
মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: যুগ্ম মহাসচিব: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি; সহকারী অধ্যাপক: আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম।
usmangonee9@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এত বিভক্তি ভালো নয় : কে এ এস মুরশিদ by সোহরাব হাসান ও ফখরুল ইসলাম
![]() |
| কে এ এস মুরশিদ |
প্রথম আলো : আগামী ২ জুন সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের যে বাজেট পেশ হতে যাচ্ছে, তা থেকে আপনি কী প্রত্যাশা করেন?
কে এ এস মুরশিদ : এক বছরের বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশা করা যায় না। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই একে দেখতে হবে। আগামী পাঁচ বছরে আমরা অর্থনীতিকে কোথায় নিয়ে যেতে চাই, প্রতিটি বাজেটে তার প্রতিফলন থাকতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো আমাদের রাজস্ব আয়ের হার নিচের দিকে। এমনকি নেপালের তুলনায়ও কম। রাজস্ব কম হলে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাও সীমিত থাকবে। সে ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ বাজেট থেকে খুব উপকৃত হবে, এমনটি আশা করা যায় না।
প্রথম আলো : নিম্নতম রাজস্ব আয়ের কারণ কি সরকারের নীতিগত দুর্বলতা, না মানুষের মধ্যে কর ফাঁকির প্রবণতা?
কে এ এস মুরশিদ : প্রশ্ন হলো কর বাড়ানোর পদ্ধতিটি কী হবে। দেশে শিল্পকারখানা বেড়েছে, সেখান থেকে রাজস্বও আসছে। কিন্তু এখনো আমাদের অনানুষ্ঠানিক খাত অনেক বড়। সে জন্যই পরোক্ষ কর চাপাতে হয়। বাজেট প্রণয়নে আমাদের কাঠামোগত দুর্বলতা আছে; প্রথমত, যথেষ্ট তথ্য নেই, আবার যেটুকু তথ্য আছে তার ওপর ভিত্তি করে করও খুব বেশি বাড়ানো হচ্ছে না। যেখানে সুশাসনের ঘাটতি ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা থাকে, সেখানে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা দুরূহ হয়ে পড়ে। আবারও এও সত্য যে গত ছয়-সাত বছরে রাজস্ব অনেক বেড়েছে।
প্রথম আলো : সম্প্রতি বিআইডিএস সেমিনারে আপনি অর্থনীতির যে পাঁচটি চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন, তা থেকে উত্তরণের উপায় কী?
কে এ এস মুরশিদ : প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারত্বের হার অত্যন্ত বেশি। আছে সুশাসনের ঘাটতি ও অবকাঠামোগত সমস্যা। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিশাপ ও নব্য সন্ত্রাসবাদের বিস্তার। গতানুগতিকভাবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যাবে না; করতে হবে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়েই। যেমন শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে সন্ত্রাসবাদ দমন করা যাবে না। কেউ পারেনি। সমতাভিত্তিক দেশ হিসেবে আমাদের যে শক্তি ছিল, তার সুফলটা আমরা নিতে পারিনি। এখন বিভেদই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রথম আলো : এই সমস্যা তো রাজনৈতিক?
কে এ এস মুরশিদ : শতভাগ রাজনৈতিক। আমাদের অর্থনীতি কিন্তু মোটামুটি ভালো অবস্থানে। ১৫-২০ বছর আগেও কেউ ভাবতে পারেননি বাংলাদেশ এই অবস্থায় এসে পৌঁছাবে। এই অসাধ্যসাধন তো দেশের মানুষই করেছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে আমাদের চাওয়াটা কী? আপনারা অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিতে সহায়তা না করুন, অন্তত বাধাগ্রস্ত করবেন না।
প্রথম আলো : সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ইনক্লুসিভ বা সম্পৃক্তকরণ কি জরুরি নয়?
কে এ এস মুরশিদ : এত বিভক্তি ভালো নয়। যে ঐক্য নিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, দেশ গঠনে কেন তা কাজে লাগাতে পারব না? আমাদের সমস্যাগুলো আমাদেরই সমাধান করতে হবে। বাইরে থেকে কেউ সেটি করে দেবে না।
প্রথম আলো : এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেবেন?
কে এ এস মুরশিদ : রাজনৈতিক বিষয়ে আমার কিছু বলা ঠিক হবে না। তবে অর্থনৈতিক দৃষ্টিতে বলব, আমাদের অনেক সম্ভাবনা আছে। বিশ্ববাজার আমাদের অনুকূলে। নিত্যপণ্যের দাম কমে আসছে। বিনিয়োগ না হওয়ায় ব্যাংকে প্রচুর অর্থ পড়ে আছে। কিন্তু আমার মনে হয় পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। রাজনীতিতেও একধরনের স্থিতিশীলতা এসেছে; যদিও তার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে। অর্থনৈতিক সূচকগুলো এখন ভালো অবস্থায়। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না হওয়ার কারণ দেখি না। আমার মনে হয় এর সুফল পেতে দু-এক বছর লাগবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে অর্থনীতি নিজস্ব গতিতেই এগোবে। তারপরও ওই পাঁচটি চ্যালেঞ্জ কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।
প্রথম আলো : বিনিয়োগ না হওয়ার কারণেই কি বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে?
কে এ এস মুরশিদ : তারও কারণ অনিশ্চয়তা। এ ক্ষেত্রে সরকারের কাজ হলো এখানে যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ আছে, সেটি প্রমাণ করা। বিনিয়োগের সুরক্ষাও দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা সব ধরনের সুবিধা ও শতভাগ মুনাফার নিশ্চয়তা চান। কিন্তু পুঁজিবাদী-ব্যবস্থায় তো ঝুঁকি নিতে হবে।
প্রথম আলো : অবকাঠামোগত সমস্যার সুরাহা কতটা হয়েছে? জ্বালানি, বিদ্যুৎ ইত্যাদি।
কে এ এস মুরশিদ : এসব সমস্যা সত্ত্বেও শিল্পায়ন হয়েছে। বড় বিনিয়োগকারীরা সরকারের দিকে তাকিয়ে নেই। তাঁরা নিজস্ব বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট তৈরি করছেন। জ্বালানি সমস্যাও অনেকটা কাটিয়ে ওঠা গেছে। গ্যাস নেই। এলএনজি আনার ব্যবস্থা হচ্ছে। সমস্যা হয় ছোট বিনিয়োগকারীদের।
প্রথম আলো : আমাদের মুক্তবাজার কতটা মুক্ত? অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়?
কে এ এস মুরশিদ : এটি হয়তো আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু দেশে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে হওয়ার কথা নয়। বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা বাড়াতে অনেক সময় আমদানি বন্ধের কথাও বলেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের এসব বাধা কাটিয়ে উঠতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
প্রথম আলো : কৃষিতে আমাদের ব্যাপক সাফল্য রয়েছে। কিন্তু ইদানীং উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয় পণ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এটি কি সংকট বাড়াবে না?
কে এ এস মুরশিদ : আমরা বোধ হয় অতি বেশি চাল উৎপাদন করছি। এতটা প্রয়োজন আছে কি না ভাবা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, মুক্তবাজারে পণ্যের দাম বাড়ানো কঠিন; ওএমএস ইত্যাদির মাধ্যমে কমানো হয়তো যায়। কৃষিপণ্যের দাম অনেক বছর ধরেই কমছে। নতুন প্রযুক্তি, হাইব্রিডও আসছে। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তার ব্যবহার।
প্রথম আলো : বাজেটে কারা লাভবান হয়?
কে এ এস মুরশিদ : বাজেট নিয়ে দুটি কথা আছে। একটি হলো প্রক্রিয়া। আমার মতে, বাজেট অতিমাত্রায় স্বার্থান্বেষী মহল দ্বারা প্রভাবিত। অর্থমন্ত্রী সবার কথা শুনে বাজেট তৈরি করার চেষ্টা করেন। তারপরও নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন তেমন হয় না। বাজেটে স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবই বেশি থেকে যায়।
প্রথম আলো : পূর্ববর্তী সরকারের বাজেটের সঙ্গে বর্তমান সরকারের বাজেট প্রক্রিয়ায় কোনো ফারাক আছে কি?
কে এ এস মুরশিদ : আমার মনে হয় একই ধারায় চলছে। আরও দুশ্চিন্তার কারণ হলো একই গোষ্ঠী ক্ষমতার সঙ্গে আছে, আবার ক্ষমতার বাইরেও আছে। তারাই দেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এ অবস্থায় বৃহত্তর জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত হওয়া কঠিন। সে ক্ষেত্রে বাজেট-প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ গবেষণাভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত (ইনপুট) থাকা উচিত। বর্তমানে যাঁরা দায়িত্বে আছেন, তাঁরাও এ কাজটি করতে পারেন।
প্রথম আলো : বিআইডিএস তো কাজটি করতে পারে।
কে এ এস মুরশিদ : করতে পারে। তবে কেবল বিআইডিএস নয়। আরও অনেক প্রতিষ্ঠান মিলে এই কাজটি করতে পারে, যাতে সরকার অর্থনীতির একটি সার্বিক চিত্র পেতে পারে।
প্রথম আলো : বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফও তো গবেষণা করে থাকে?
কে এ এস মুরশিদ : হ্যাঁ, করে থাকে। এদের বিক্ষিপ্ত তথ্য-উপাত্ত নিয়েই একটি বিশ্লেষণ দাঁড় করানো হয়। কিন্তু বাজেটে অগ্রাধিকার নির্ধারণের জন্য পদ্ধতিগত বিশ্লেষণ দরকার। যাঁরা দেশের কর্ণধার, তাঁরাই সেটি ঠিক করেন।
প্রথম আলো : আমরা দেখছি কোনো বছরের বাজেটে কৃষি, কোনো বছর শিক্ষা, কোনো বছর অবকাঠামো বা জ্বালানি-বিদ্যুৎ অগ্রাধিকার পায়? কিসের ভিত্তিতে এসব করা হয়?
কে এ এস মুরশিদ : মনে হচ্ছে এসব অস্থায়ী বা অ্যাডহক ভিত্তিতে হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি যথার্থ নয়। গতবার এত বরাদ্দ ছিল, এবার এই পরিমাণ বাড়ানো হোক। কিন্তু এই পদ্ধতিতে আমি সন্তুষ্ট নই। বাজেটের আকার সমস্যা নয়। আমাদের বাজেটে ঘাটতি খুব কম। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমার যদি বড় বাজেট করার বা বাস্তবায়নের সক্ষমতা না থাকে তাহলে কেন আমি সেটা করব? বাজেটের আকার কত হলো, তার চেয়ে জরুরি হলো কত বড় বাজেট আমি সামাল দিতে পারব, বাস্তবায়ন করতে পারব।
প্রথম আলো : এ ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায়?
কে এ এস মুরশিদ : আমাদের পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে কিছু সমস্যা আছে। প্রথমত, সিদ্ধান্তটি সময়মতো নিতে পারছি কি না। দ্বিতীয়ত, বরাদ্দটি সময়মতো ছাড় করাতে পারছি কি না? অনেক সময় ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতনরা কীভাবে নেবেন। ফলে আমলাতন্ত্র দায় নিতে চায় না।
প্রথম আলো : চ্যালেঞ্জ হিসেবে শিক্ষিত বেকারের কথা বলেছিলেন। এর কারণ কি আমাদের শিক্ষা চাহিদা মেটাতে অক্ষম?
কে এ এস মুরশিদ : আমাদের অর্থনীতির গতিশীল খাতগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন। এসব খাতে প্রচুর দক্ষ জনবল প্রয়োজন। কিন্তু আমরা সেটি সরবরাহ দিতে পারছি না। যে কারণে বছরে পাঁচ কোটি ডলার চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প খাতেও দক্ষ জনবলের অভাবে আছে। প্রশ্ন হলো সেটি তৈরি করবে কে? বেসরকারি খাত মনে করে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়। এখানে প্রয়োজন একটি শিল্প খাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্তি তৈরি করা। সেখানে কার কী প্রয়োজন এবং কে কী দিতে পারবে, সেটি চিহ্নিত করা হবে। সেদিন আমাদের সেমিনারে একজন শিল্পপতি বললেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানে ৫০০ জন হিসাবরক্ষণ বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন। দেশে পান না বলে বিদেশ থেকে আনতে হচ্ছে। এ রকম অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানই রয়েছে। আগে চাকরির সংস্থান ছিল না। এখানে চাকরির সংস্থান থাকলেও আমরা তার জোগান দিতে পারছি না। অথচ দেশে অনেক শিক্ষিত বেকার রয়েছেন। এটি যেমন পরিবারের, তেমনি দেশের বিশাল অপচয়।
প্রথম আলো : ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা সম্পর্কে কী বলবেন?
কে এ এস মুরশিদ : একধরনের আস্থার সংকট আছে। কিন্তু আমার ধারণা এটি কেটে যাবে। আর ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতা শুধু রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে নয়, বেসরকারি ব্যাংকগুলোতেও অনিয়ম রয়েছে।
প্রথম আলো : এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদারকির কাজটি কি ঠিকমতো করতে পারছে?
কে এ এস মুরশিদ : তারা চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের ক্ষমতাও সীমিত। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ তেমন নেই। আমার মনে হয় ইচ্ছে করেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটিই হয়তো আমাদের অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অঙ্গ। অর্থনীতির প্রাথমিক স্তরে সব দেশেই এটি কমবেশি হয়ে থাকে।
প্রথম আলো : তার মানে আমরা এখনো প্রাথমিক স্তরে রয়ে গেছি?
কে এ এস মুরশিদ : আমরা প্রাথমিক স্তর অতিক্রম করে গিয়েছি। কিন্তু এখেনা অনেক কিছু করার আছে।
প্রথম আলো : প্রতিবছর বাজেটের আগে প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক হয়। সরকার একটা বলে, দাতারা আরেকটা বলে।
কে এ এস মুরশিদ : বিতর্ক হওয়া তো ভালো। বিতর্ক হলে সব পক্ষ সতর্ক থাকে। আমাকে প্রশ্ন করতেই হবে। এবং সরকারকে তা শুনতেও হবে।
প্রথম আলো : সরকার সব সময় প্রশ্ন শুনতে চায় কি?
কে এ এস মুরশিদ : সব সময় চায় না। কিন্তু শোনে। বিআইডিএসের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সব সময় আমরা সত্য কথাটি বলার চেষ্টা করেছি। কোনো সময় সরকার খুশি হয়েছে, কোনো সময় হয়নি। কিন্তু এই বলে আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেনি। এ নিয়ে বিপত্তি ঘটেনি। অর্থনৈতিক আলোচনায় এই সহনশীলতাটা আছে।
প্রথম আলো : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
কে এ এস মুরশিদ : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদীকূলে ডাকাত, সাধু ও কয়েকজন চরুয়া মানুষ
![]() |
| চরের গায়ে নোঙর করা ভাসমান হাসপাতাল |
‘আমরা ডাকাতি করি না, কিন্তু ডাকাতের নৌকা চিনি। ওই ঘাটেই তো ছিল কয়েকটা।’ কথাটা শুনে একটু ভয়ই হলো। এই নৌকাও যে তাদের না, তা কী করে বুঝব? বগুড়া শহরের পূর্বে সারিয়াকান্দি। একসময় খুব ভাঙত। হয়তো নদীভাঙা মানুষদেরই কেউ কেউ ডাকাতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছিল। যমুনার ডাকাতেরা বেশ জবরদস্ত। গত বছর সাপধরী ইউনিয়নে ডাকাতির সময় তিনজনকে গুলি করে। তার আগের বছর চরবাটিয়ার সাতটি বাড়ি থেকে ২৮টি গরু ও টাকাপয়সা নিয়ে যায়। আহত হয় সাতজন। প্রায় ১০ বছর আগে এক শীতের সন্ধ্যায় এই ঘাট থেকে এ রকমই এক নৌকায় উঠে বসেছিলাম। দুই মাঝির নৌকা। একজনের নাম শিকারু আরেকজন নাহারুল। যমুনার চরে পাখি শিকারে দক্ষ বলে তার নাম হয়েছে শিকারু। গলুইয়ে বসে তারা তামাক বানাচ্ছিল। সেদিনও জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘এই নদীতে ডাকাতি হয়?’
‘কারা করে?’
‘হামরাই করি, হামাকের ভাইরা করে।’
আঁতকে ওঠার মতো কথা! শিকারু তবু অভয় দেয়, ‘হামাকের নৌকাত উঠলে আর ভয় নাই।’ এই মে মাসের দুপুরে খাঁ খাঁ রোদ কালিতলা ঘাটে। অন্তত পঞ্চাশটা বড় বড় নৌকা ভিড়ে আছে। এর মধ্যে কোনটা ডাকাতের আর কোনটা সাধারণ, বোঝার উপায় নেই। কিন্তু নদীর মাঝখানে যখন চলে এসেছি, তখন আর ভয় করে কী লাভ? আমরা তখন ডাকাত উপদ্রুত সেই চরবাটিয়াকে পাশ কাটিয়ে আরও সামনে যাচ্ছি।
চরে ঠেকা লাল জাহাজ
যমুনার মাঝ বরাবর প্রায় বিশ মিনিট যাওয়ার পর নতুন জাগা এক চর পেলাম। পুরো চরে ঘাস আর কিছু চরুয়া পাখি ছাড়া কিছু নেই। মাঝি পূর্ব দিকে নদীর ওপারে দূরের কালো রেখার দিকে আঙুল দিয়ে বললেন, ‘ওইটা মাদারগঞ্জ, জামালপুর জেলা।’ আঠারো শতকে এ অঞ্চলে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ হয়। সে সময় এক দুর্গম চরে শাহ্ মাদার নামে একজন ধর্ম প্রচারক আস্তানা গাড়েন। তাঁর শিষ্যদেরই বলে মাদারি ফকির। মাদারি ফকিরেরা বিদ্রোহের নেতা মজনু শাহর সাথি ছিলেন। এখনো বগুড়ার উত্তর এলাকায় ফকির-সন্ন্যাসীদের কোনো কোনো উত্তরাধিকারির দেখা মেলে। বাঁয়ে বড় এক চরের তীর ঘেঁষে লাল জাহাজ দেখে কৌতূহল হলো। মাঝিকে বললাম, চলেন দেখি। এর নাম চর গজারিয়া। আমাদের নৌকাটা ভিড়ল জাহাজটার গা ঘেঁষে। দুটি ছইঅলা ইঞ্জিননৌকা, বড় সাদা বোট, আর একটা হাউস বোট লম্বা জাহাজটার পাশে ভাসছে। এটা আসলে এক ভাসমান হাসপাতাল। জাহাজের মুখোমুখি চরের পাড়ে মুদি দোকান। সেখানেই পরিচয় তারা মিয়ার সঙ্গে। তারা মিয়ার বাড়ি টাঙ্গাইল। সাত মাস ধরে তাঁরা এই চরে ভিড়ে আছেন। পাড়ের ওপর অনেকগুলো টিনের ঘর। দুপুর পর্যন্ত সেসবে অনেক রোগী ছিলেন। হাসপাতালটা নদীতে ভাসমান হলেও দূরদূরান্ত থেকে রোগীরা আসেন। ইউনিলিভার কোম্পানি লাইফবয় নামে এ রকম কয়েকটি ভাসমান হাসপাতাল চালায়। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে, সিরাজগঞ্জে, কুড়িগ্রামের রৌমারীর চরে আর গাইবান্ধায় একটা করে এ রকম জাহাজ ভাসছে। পরিচয় হলো এক নারী চিকিৎসাকর্মীর সঙ্গেও। বললেন, ‘থাকতে থাকতে অভ্যাস হয়ে গেছে। ভালো লাগে না, কিন্তু চাকরি তো।’ দুপুরের খাবার সেরে ডাক্তার সাহেবরা গেছেন শহরে। তাঁদের সঙ্গে আর কথা হলো না। কথায় কথায় আবার উঠল ডাকাতের প্রসঙ্গ। তারা মিয়া বলছিলেন, ‘আমাদের এখানে কখনো কিছু হয় নাই। আমরা জনসেবা করি, তাই হয়তো কিছু বলে নাই।’ তাঁর কথা শেষ হতে না-হতেই কথা বললেন শাড়ি পরা এক নারী: ‘হামাকেরে আছেইবা কী, নিবিই বা কী?’ নাম তাঁর আইনুন নাহার। চরেই বাড়ি। ছেলে ঢাকায় কাজ করে, মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে সারিয়াকান্দিতে। একাই থাকেন আর দোকান চালান। বললেন, ‘যত দিন জাহাজ আছে তত দিন দোকান, তারপর আর নাই।’
নেপাল সাধুর রহস্যময় জগৎ
কালিতলা ঘাটে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা। সারিয়াকান্দি বাজারের মধ্যে প্রাচীন এক দোতলা ভবন দেখে থামা হলো। তার তলায় চায়ের দোকান। অনেকের মধ্যে একটা মানুষ খুব আলাদা। লম্বা দাড়ি-গোঁফ, গায়ে মলিন ফিরোজা রঙের চাদর। হাতে কাঁসার ঘটি। দোকানের লোকেরাই তাঁর গল্পটা জানাল। নাম নেপাল সাধু। যমুনার জেলে ছিলেন কোনো কালে। একদা দেড়-দুই মণ ওজনের বাগাড় মাছ ধরতেন। আলতাব নামের এক ধান ব্যবসায়ীর মুখেই শোনা যাক বাকি গল্প: নদীত গ্যাছেন মাছ ধরবার। একদিন ওনাক নাকি নদী টান্যা নিছল। তো, নাই নাই নাই। তিন দিন পর উনি পানি থ্যাকা উট্যা আলেন। সাথে কাঁসার বাসনকোসন। কিন্তু কুনটি ছিল কী যে দেখছিল, সেটা আর কয় না। তারপর থাক্যা তাঁই আর নদীত যান না, কথাও কন না।’ তাঁকে বিরক্ত করার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু কৌতূহলের কাছে হার মানলাম: ‘আর মাছ ধরতে যান না ক্যান?’
বৃদ্ধ মানুষটি মাটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন। মুখ না তুলেই বললেন, ‘তা কব্যা পারমু না, হামাক মানা করছিল।’
: কে মানা করেছিল?
জবাব নেই। পাশ থেকে আলতাবই বললেন, ‘এতগুলান বছর গেল, কেউ ওনার মুখ থেকে এ্যার জবাব লিবার পারেনি ভাই।’ নেপাল সাধুর একটা থান আছে নদীর ধারে। সারা দিন তিনি আশপাশের গ্রামগুলোতে হেঁটে বেড়ান। যানবাহনে চড়েন না। ভক্তরা টাকাপয়সা কিছু দেয়। অনেক আগে তাঁর ৩২ বিঘা জমি দুই মুসলমান বর্গাচাষিকে দান করেছিলেন। তাঁর ছেলেরা এখনো মাছ ধরে। কখনো নদীর গভীরে তাদের জাল আটকে গেলে নেপাল সাধু প্রতিজ্ঞা ভাঙেন। আবার নদীতে নামেন। এক ডুবে একেবারে তলা থেকে জাল ছাড়িয়ে আনেন। এই বৃদ্ধ বয়সেও তাঁর মতো দম নাকি এলাকার কারোরই নেই। বসে আছি, বসেই আছি। একসময় সাধুর কি মনে হলো। অস্পষ্ট গলায় কী যেন বলছিলেন। কাছে ঘেঁষে শুনলাম: হামার পিঠত খামচা দিয়া লিয়া গেল পানির তলাত।
কে নিয়ে গেল?
উত্তরের বদলে পেলাম তাঁর ঘোলা চোখের জোরালো চাহনি। ওই চোখের ভাষা বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। আমরা ফিরে আসছি অশান্ত শহরের দিকে। নেপাল সাধুও হয়তো এতক্ষণ বাড়ির পথে হাঁটা দিয়েছেন। সেখানে গাছতলায় বাঁধানো চত্বরে আগে গানের আসর বসত। বখাটেরা এসে নেশা করে বলে বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন একাই বসে থাকেন সন্ধ্যা হলে। কথা বলতে ব্যাকুল এই দুনিয়া। অথচ কত রহস্য বুকে নিয়ে নীরব এই মানুষটা! ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের উত্তরাধিকারি নেপাল সাধু হয়তো কাউকে কথা দিয়েছেন, কিন্তু কাকে?
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক ও লেখক।
bagharu@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেলফির ভালো-মন্দ
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহরুখের ডিনারে টিম কুক
![]() |
| টিম কুক ও শাহরুখ খান |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিদ্ধান্তটাকে ভুল বললেন সালাউদ্দিন
![]() |
| বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করলেন জাতীয় ফুটবল দলের চুক্তিভিত্তিক কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ। কাল বাফুফে ভবনে l প্রথম আলো |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এফএ কাপের পরই ইউনাইটেডে মরিনহো
![]() |
| আজই ইউনাইটেডের দায়িত্ব পেতে পারেন মরিনহো। ফাইল ছবি। |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মায়েরই দেখা হয় না মুস্তাফিজের খেলা!
![]() |
| টিভিতে ছেলের খেলা প্রায়ই দেখতে পারেন না, তা না হলেও মুস্তাফিজের সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ফোনে কথা হয় মায়ের l ছবি: বিসিসিআই ও প্রথম আলো |
মুস্তাফিজের মা মাহমুদা খাতুনের জন্য শুধু ছেলের বোলিং দেখা নয়। বাড়ির ছয় সন্তানের সবচেয়ে ছোট, সবচেয়ে আদরের ছেলেটি অনেক দিন ধরে চোখের সামনে নেই। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এর পরপরই শুরু হয়েছে আইপিএল। মাঝখানে বিশ্বকাপ থেকে তিন দিনের জন্য এসে চোখের পলকে ছেলে আবার কোলছাড়া হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে কখনোই মুস্তাফিজ এত দিন বাইরে থাকেননি। মা ছেলের বোলিং যতটা না দেখেন, তার চেয়ে তাঁর চোখ বেশি জুড়ায় ছেলের মুখ দেখতে পেলে। ছেলেটা কি শুকিয়ে গেল! ঠিকমতো খায় তো? মুস্তাফিজের প্রতিটি বলের অলস সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। মাকে কতটা গর্বিত করে ভাবুন! কিন্তু সেই মায়েরই বেশির ভাগ সময় দেখা হয় না ছেলের খেলা। বিদ্যুতের লুকোচুরি মুস্তাফিজের মাকেই কষ্ট দেয় সবচেয়ে বেশি। পরিবারের বাকি সদস্যদের কথা তো থাকলই। এমনিতে বাড়িতে আগে টিভির প্রবেশাধিকার ছিল না। কিন্তু ছেলের খেলা দেখার জন্য সেখানে ছাড় দিয়েছেন বাবা আবুল কাশেম গাজী। মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে তাঁকে দেখা গেল অস্থির পায়চারি করতে। পরশু আইপিএলে ছিল গুরুত্বপূর্ণ খেলা। হায়দরাবাদ মুখোমুখি হয়েছিল দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের। মুস্তাফিজের বাড়িতে পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খেলা দেখেন। আশপাশের প্রতিবেশীরাও হাজির হন। কদিন আগে বাজারে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আয়োজনও করতে হয়েছিল তেঁতুলিয়াবাসীর জন্য। মুস্তাফিজ এখন সারা বাংলাদেশের, তবে তেঁতুলিয়া গ্রামের দাবিই তো বেশি, নাকি! সাতক্ষীরায় অবশ্য কদিন ধরে বেশ বৃষ্টি হচ্ছে। খোলা মাঠের বড় পর্দার আয়োজনও বাদ পড়েছে কদিন আগে। তবু এলাকার মানুষ যে যাঁর মতো করে খেলা দেখেন। কিন্তু বারবার বাদ সাধে বিদ্যুৎ। মুস্তাফিজকে মোটরসাইকেলে করে ক্রিকেট-দুনিয়ায় নিয়ে যাওয়ার সেই বিখ্যাত গল্পের জন্ম দেওয়া পরিবারের সেজো ছেলে মোখলেছুর রহমান বললেন, ‘সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার কারেন্ট যাওয়া যেন স্বাভাবিক ঘটনা। একবার কারেন্ট গেলে কমপক্ষে এক ঘণ্টা থাকে না। সারা দিনে কারেন্ট না গেলেই বরং আমরা বেশি দুশ্চিন্তা করি, তাহলে মনে হয় রাতে থাকবে না।’ মুস্তাফিজের পুরো ৪ ওভার বোলিং দেখার সৌভাগ্য একবারও হয়নি এই বাড়ির। টস জিতে হায়দরাবাদ বোলিং নিলে শেষের তিনটি ওভার দেখার সুযোগ মেলে কখনো কখনো। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের লোকদের জানানো হয়েছিল বিষয়টি। সেখানকার এক কর্মকর্তা মুস্তাফিজের বাবাকে জানিয়েছিলেন ‘বিষয়টি দেখবেন’। এরপর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। মুস্তাফিজের বাড়িতে পরশু সারা দিন কাটিয়ে একটা জিনিস স্পষ্ট বোঝা গেল, এ নিয়ে দেনদরবার করার মতো লোক তাঁরা নন। কাউকে কিছু বলতে গিয়ে পাছে তাঁদের অসুবিধা হয়—এটাই যেন বেশি দুশ্চিন্তা এই পরিবারের!
কিন্তু মুস্তাফিজের বোলিং দেখতে এই পরিবারের ব্যাকুলতা, মায়ের ব্যাকুলতারও তো শেষ নেই! প্রতিদিন মুস্তাফিজ ভারত থেকে ফোনে খোঁজ নেন। ম্যাচের আগে দোয়া নেন মা-বাবার। মায়ের সঙ্গেই প্রায় আধঘণ্টা-চল্লিশ মিনিট কথা বলেন। সেখানেও সমস্যা। কোনো মোবাইল ফোনেরই নেটওয়ার্ক তেঁতুলিয়ার এই বাড়িতে ভালো নয়। থ্রিজি নেটওয়ার্ক পাওয়া তো আরও দুষ্কর। ভিডিও কলে কথা বলতে গেলে থ্রিজির বিকল্পও নেই। ছাদে গিয়ে অপেক্ষা করতে হয় নেটওয়ার্কের জন্য। সাধারণ নেটওয়ার্কও অনেক সময় মেলে না। মুস্তাফিজের মায়ের আকুতি; এই পরিবারের, এখানকার গ্রামবাসীর আবেদন—বিদ্যুৎ আর নেটওয়ার্ক সমস্যা দুটির যেন সমাধান হয়। সেই আবেদন সবার কাছে পৌঁছে দিতেই যখন চলছিল এই লেখা, টস হয়ে গিয়েছিল। ব্যাটিং নিয়েছিল হায়দরাবাদ। ভাগ্য ভালো, বেশ কবার লো ভোল্টেজ ভয় পাইয়ে দিলেও বিদ্যুৎ শেষ পর্যন্ত ছিল। কিন্তু এমন সৌভাগ্য পরেও থাকবে তো! মুস্তাফিজকে যতবার টিভিতে দেখায়, তাঁর মায়ের মুখে যেন আনন্দের ঝিলিক বয়ে যায়!
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌহার্দ্যের ক্রিকেটে নাঈমুরের ৮৮
![]() |
| ব্যাটিং ভুলে যাননি নাইমুর রহমান-বিসিবি |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছয় মেরে দল জেতালেন ধোনি
![]() |
| ধোনি ঝড়ে হারল পাঞ্জাব। ছবি: বিসিসিআই |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বর্ণ পাম তুমি কার? by ইকবাল হোসাইন চৌধুরী
![]() |
| কান চলচ্চিত্র উৎসবে গতকাল নিজের ছবি ফরুশান্দ- এর ফটোকলে ইরানের নন্দিত নির্মাতা আসগর ফারহাদি (মাঝে)। বাঁয়ে ছবিটির প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পী শাহাব হোসেইনি ও ডানে অভিনেত্রী তারানেহ আলিদুস্তি |
‘টোনি আর্ডম্যান যদি না জেতে খুব ফালতু একটা ব্যাপার হবে। বুঝেছ?’ চশমার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে কথাটা বললেন মাতিস মাসজেন। মারেন আডে পরিচালিত এই ছবির ভক্ত হয়ে গেছেন মাতিস। স্লোভেনিয়ার একটি অনলাইন পত্রিকার জন্য লিখে থাকেন এই সিনেমা গবেষক। মাতিসের কথা একদম ফেলে দেওয়া যায় না। কারণ, বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি এই জার্মান ছবি এরই মধ্যে একাধিক প্রদর্শনীতে পেয়েছে ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’। স্পেনের তরুণ নির্মাতা আন্তোনিও দনেয়ার এবার অংশ নিচ্ছেন উৎসবের প্রডিউসারস নেওটয়ার্কে। তাঁর জোর দাবি, উৎসবের সেরা ছবি হুলিয়েতা। পেদ্রো আলমোদোভারের ওপরে নির্মাতা হয় না। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্রাজিলের একজন টেলিভিশন সাংবাদিক। তিনি ফোড়ন কাটলেন, অ্যাকোয়ারিয়াস একটা ছবির মতো ছবি। জর্জ মিলারের নেতৃত্বে গড়া বিচারক দলের উচিত ব্রাজিলের দিকে তাকানো। আগের দিন সালে দিবুসি হলের সামনে কথা হচ্ছিল সাংবাদিক লাতিসিয়া পিননের সঙ্গে। জাতে ফরাসি হলেও আমেরিকান ছবির ভক্ত লাতিসিয়া। তাঁর পছন্দ জেফ নিকলসের লাভিং। ১৯৬৭ সালের যুক্তরাষ্ট্রের এক কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এই ছবির গল্প। ‘ছবিটা বেশি ভালো লেগেছে; কারণ, এটি সত্যি কাহিনি অবলম্বনে তৈরি। ছবির শেষে আমার চোখে পানি এসে গেছে।’ বলছিলেন লাতিসিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক নামি নির্মাতা জিম জারমুশের প্যাটারসন-এর পক্ষেও বাজি ধরার লোকের অভাব নেই। রোমানিয়ার দুটো ছবি এবার প্রতিযোগিতা বিভাগে। দুটোর যেকোনোটা স্বর্ণ পাম জিতে নিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ক্রিস্তি পুইউর সিয়েরানেভাদা এবং ক্রিস্তিয়ান মুংগিউর গ্র্যাজুয়েশন। দুটো ছবিই পেয়েছে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা। ক্রিস্তিয়ান মুংগিউ এর আগেও স্বর্ণ পাম জিতেছিলেন ২০০৭ সালে। ফোর মান্থস, থ্রি উইকস অ্যান্ড টু ডেজ ছবির এই নির্মাতার এবারের ছবি এলিজা নামের এক তরুণীকে ঘিরে। ইংল্যান্ডে বৃত্তি নিয়ে পড়তে যাবে এলিজা। শুধু ফাইনাল পরীক্ষা বাকি। পরীক্ষার ঠিক আগের দিনই হামলার শিকার হয় সে। নিকোলাস উইন্ডিং রেফনের (ডেনমার্ক) দ্য নিয়ন ডেমো আছে অনেকের পছন্দের তালিকায়। হরর থ্রিলার ধাঁচের এই ছবি এরই মধ্যে সাড়া ফেলেছে কানে। কিন্তু শেষমেশ কার ভাগ্যে যাবে স্বর্ণ পাম? সেটা কানের এখনকার আবহাওয়ার মতোই অনিশ্চিত। বিচারকদের প্রধান অস্ট্রেলিয়ার নির্মাতা জর্জ মিলার বা তাঁর সঙ্গীরা কী ভাবছেন?
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলদস্যু চরিত্রে ইরেশ
![]() |
| অসম্পূর্ণ নাটকের দৃশ্যে ভাবনা ও ইরেশ যাকের |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইটেম গানে দীপিকা
![]() |
| দীপিকা পাড়ুকোন |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গানে মনোযোগী হচ্ছেন ঈশিতা
![]() |
| ঈশিতা |
ঈশিতার কথা, ‘অভিনয় করার মতো পর্যাপ্ত সময় এই মুহূর্তে আমার মোটেও নেই। সব কাজ শেষ করার পর বাসায় থাকি। যে সময়টুকু পাই, তাতে গানের চর্চটা ভালোভাবে করতে পারি। সেটাই করে যাচ্ছি।’ অভিনয়শিল্পী ঈশিতার কাছ থেকে শিগগিরই আবারও গান শোনা যাবে তাহলে? ‘তেমনটা আমিও ভাবছি। আমি আগেও গান গাইতাম। পাঁচটি অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছে। গানের চর্চা কিন্তু আমি আগেও করতাম। এখন এদিকটায় বেশি জোর দিচ্ছি। বছর শেষে নতুন গান উপহার দিতে পারব হয়তো। তবে যদি দেখি যে বছর শেষেও আমি মানসিকভাবে তৈরি নই, তাহলে আরেকটু সময় নেব।’ ঈশিতার সর্বশেষ গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ১৩ বছর আগে। ওই অ্যালবামের সুর ও সংগীত পরিচালনা করেন প্রণব ঘোষ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হৃতিকের আঁকিবুঁকি!
![]() |
| দুই ছেলের সঙ্গে হৃতিক রোশন |
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে: হিনা
গতকাল শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যের বিষয়টি স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে পারলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও উন্নতি হবে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে উন্নতি করতে হবে।’
পারমাণবিক শক্তিধর দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের বিষয়টি রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর এ পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তিনটি যুদ্ধ হয়েছে। আসন্ন বাণিজ্য আলোচনায় সমঝোতা হলে এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে দেশ দুটির পারস্পরিক আস্থা বাড়বে, যা কাশ্মীরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনার পরিবেশের ক্ষেত্রে দারুণ উন্নতি হয়েছে। আমি মনে করি, আমরা সামনের দিকে এগোতে হতে পারব।’
গত শুক্রবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারত সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে ইসলামাবাদ নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছু হটছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা এই খবর নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য স্বাভাবিক করার বিষয়টি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। এ নিয়ে পিছু হটার প্রশ্নই ওঠে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
May
(175)
-
▼
May 22
(20)
- এবার ‘দিল্লি দখল’ মিশন মমতার
- আগ্নেয়াস্ত্রসহ হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা একজন গ...
- ঊষার টানা তৃতীয় জয়
- ধারাবাহিক নাটকের সঙ্গেই বাঁধনের ঘর-সংসার
- শবে বরাতের আমল by শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
- এত বিভক্তি ভালো নয় : কে এ এস মুরশিদ by সোহরাব হা...
- নদীকূলে ডাকাত, সাধু ও কয়েকজন চরুয়া মানুষ
- সেলফির ভালো-মন্দ
- শাহরুখের ডিনারে টিম কুক
- সিদ্ধান্তটাকে ভুল বললেন সালাউদ্দিন
- এফএ কাপের পরই ইউনাইটেডে মরিনহো
- মায়েরই দেখা হয় না মুস্তাফিজের খেলা!
- সৌহার্দ্যের ক্রিকেটে নাঈমুরের ৮৮
- ছয় মেরে দল জেতালেন ধোনি
- স্বর্ণ পাম তুমি কার? by ইকবাল হোসাইন চৌধুরী
- জলদস্যু চরিত্রে ইরেশ
- আইটেম গানে দীপিকা
- গানে মনোযোগী হচ্ছেন ঈশিতা
- হৃতিকের আঁকিবুঁকি!
- পাকিস্তান বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে:...
-
▼
May 22
(20)
-
▼
May
(175)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















