Wednesday, June 25, 2014
গ্যালারি- বিশ্বকাপের বিশ্বসুন্দরী







About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামরিক স্বচ্ছতা এবং এশীয় নিরাপত্তা by শিনজো আবে
বৈশ্বিক অর্থনীতির কেন্দ্র হতে গেলে এশিয়ায় সামরিক বিস্তার রোধ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় সমৃদ্ধি ঘটলে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় বাড়ানো উচিত। অস্ত্র ক্রয়ে সে টাকা ব্যয় করে লাভ নেই, কারণ তা শেষ পর্যন্ত জনগণের জীবনে কাল হয়ে আসবে। তার পরও আইনের শাসন বজায় রাখাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। যেমন, আসিয়ানের সদস্যদেশগুলো নিরাপত্তা এবং নৌ ও আকাশপথে বাধাহীন যাতায়াত নিশ্চিতকরণে যে প্রচেষ্টা নিয়েছে, জাপান সেটাতে তার যথাসাধ্য সহায়তা করবে। কিন্তু জাপান আসলে ঠিক কোন ক্ষেত্রে প্রকৃত সহায়তা দেবে ও কীভাবে তা দেবে, সে বিষয়ে আমাকে স্পষ্টভাবে বলতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়াকে তিনটি টহল নৌযান সাহায্য হিসেবে দিয়েছি। আর ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডকে অনুরূপ ১০টি নৌযান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পাশাপাশি, ভিয়েতনামকে এরূপ নৌযান দেওয়া যায় কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
জাপান সহযোগিতা করলে তার সঙ্গে বিশেষজ্ঞ দল ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে, এটাও কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নয়। আমরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করি, সেটা নিয়ে আমরা গর্ব করতেই পারি। আমরা উচ্চমানের নৈতিকতা ও দক্ষতার সংস্কৃতি লালন করি, এর মাধ্যমে আমরা জাপানের জনগণ ও সাহায্যগ্রহীতা দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখি।
শুধু ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতে আমরা ২৫০ জন কোস্টগার্ড সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এদিকে ২০১২ সালে আসিয়ানের পাঁচটি প্রধান দেশের নৌ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীর জন্য জাপানের তিনজন কোস্টগার্ড সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়। তাঁরা সবাই একত্রে খেয়েছেন, ঘুমিয়েছেন ও একই ছাদের নিচে থেকেছেন।
সম্প্রতি জাপান প্রতিরক্ষাসামগ্রী ও প্রযুক্তি বিভিন্ন দেশে হস্তান্তরের লক্ষ্যে একটি নতুন কাঠামো তৈরি করেছে। কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির মাধ্যমে আমরা এখন উদ্ধার, পরিবহন, নজরদারি, মাইনবিধ্বংসী যন্ত্রপাতি প্রভৃতি অন্য দেশগুলোকে দেওয়ার প্রস্তাব করতে পারি। আসিয়ানের সদস্যদেশগুলোকে সমুদ্র রক্ষায় সহায়তা করতে জাপান নানা রকম সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নয়নে আনুষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান, জাপান সেলফ ডিফেন্স ফোর্সেস–এর (জেএসডিএফ) মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি।
কোনো দেশই একা একা শান্তি নিশ্চিত করতে পারে না। সে কারণে আমাদের ওপর একটি দায়িত্ব বর্তায়: যৌথ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আইনি কাঠামো পুনর্গঠন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষায় অংশগ্রহণ। আমাদের প্রশাসন ইতিমধ্যে এ সংস্কার শুরু করেছে। এই সংস্কার নিয়ে বাড়াবাড়ি করার কিছু নেই। জেএসডিএফ এ মুহূর্তে দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের আওতায় শান্তি রক্ষায় কাজ করছে। একই সঙ্গে সেখানে কম্বোডিয়া, মঙ্গোলিয়া, বাংলাদেশ, নেপাল, কোরিয়া ও চীনের সৈন্য এবং জাতিসংঘের কর্মী ও বিভিন্ন দেশের এনজিও কর্মীরা কাজ করছে। দক্ষিণ সুদানের জাতি গঠন–প্রক্রিয়ায় এরা সবাই আমাদের অংশীদার।
কিন্তু একবার ভাবুন যে সেখানে যেসব বেসামরিক কর্মীরা কাজ করছেন, তাঁরা যদি হঠাৎ করে কোনো সশস্ত্র আক্রমণের মুখে পড়েন, তাহলে কী হবে। এখন পর্যন্ত জাপানি সরকার যে অবস্থানে আছে তাতে জেএসডিএফের পক্ষে বেসামরিক লোকদের উদ্ধার করা সম্ভব নয়। কথা হচ্ছে, এ প্রেক্ষাপটে আমাদের যে অবস্থান তা কি যথাযথ?
আমাদের সরকার এ উভয়সংকটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। শাসক জোটের সঙ্গে এ নিয়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। কারণ হচ্ছে, জাপান আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর এতটা নির্ভরশীল যে আমরা আসলে বিশ্বশান্তির জন্য আরও সক্রিয়ভাবে লড়তে চাই।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জাপানিরা একই পথে হেঁটেছে। এ পথ স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের। আমাদের আরও কয়েক প্রজন্ম এ পথেই হাঁটতে হবে। কিন্তু আমরা এখন জাপানি অর্থনীতিতে নতুন করে প্রাণ সঞ্চারের চেষ্টা করছি, ফলে আমাদের এমন জাপানি মানুষ দরকার, যাঁরা বিশ্বপরিসরে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, অবশ্যই আমাদের দেশের আকার ও অর্থনৈতিক সম্পদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে।
নতুন ধাঁচের জাপানি মানুষেরা তাঁদের পূর্বসূরিদের সদ্গুণ বর্জন করবেন না। তাঁরা দারিদ্র্যকে ঘৃণা করবেন, বৈশ্বিক মূল্যবোধ আত্মস্থ করবেন আর আনন্দের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করবেন। যদি কোনো পরিবর্তন ঘটে থাকে, সেটা হচ্ছে জাপানের নারীরা আগের চেয়ে আরও বেশি সংখ্যায় জীবনে ও কর্মে এগিয়ে আসছেন। যেমন যে তিনজন বিচারক ও সরকারি আইনজীবী কম্বোডিয়ার দেওয়ানি বিধি প্রণয়নে সহায়তা করেছেন, তাঁরা সবাই তরুণী নারী।
এই নতুন জাপানিরা অবশ্যই এশীয় শান্তির লক্ষ্যে কাজ করবেন। ২০১১ সালের আগস্ট মাসে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট তৃতীয় বেনিগনো অ্যাকুইনো এবং মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মুরাদ ইব্রাহিম জাপানের নরিতায় বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। তিন মাস আগে দুই পক্ষই একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তির জন্য মতৈক্যে পৌঁছেছে। দুই বছর পর বাঙ্গসামারো স্থানীয় সরকার যখন ক্ষমতা গ্রহণ করবে, জাপানি সহায়তা দল সেখানেও উপস্থিত থাকবে।
এ অঞ্চলে জীবিকা অর্জনে যে দক্ষতা দরকার, নারীদের তা অর্জনে সহায়তা করতে জাপান ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। জাপান মিনদানাওয়ে নারীদের জন্য একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। সেখানে এখন আর গুলি ও চিৎকার শোনা যায় না, তার বদলে সেখানে এখন সেলাই মেশিনের ঘড়ঘড় শব্দ শোনা যায়।
এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও বৃহত্তর সমৃদ্ধি অর্জনে জাপান তার করণীয় যা আছে সবই করবে, এসব তারই ইঙ্গিত। আসিয়ান যুক্তরাষ্ট্রসহ আমাদের সব আঞ্চলিক সহযোগীদের সঙ্গে করে আমরা এই প্রত্যয়কে কাজে পরিণত করব। এ অঞ্চলে আমরা শিলাদৃঢ় স্থিতিশীলতা সৃষ্টি করব।
ইংরেজি থেকে অনূদিত; স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট

শিনজো আবে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ? by আলী ইমাম মজুমদার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে একক সফরে তিনি প্রথমেই বেছে নিয়েছেন বাংলাদেশকে। এর আগে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ভুটান সফর করেছেন। সুষমা স্বরাজের এই সফর সফল ও ফলপ্রসূ হোক, এটা উভয় দেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ চায়। ভারতীয় পত্রপত্রিকার সংবাদদৃষ্টে জানা যায়, এই সফরে সুষমা স্বরাজ ১৯৭৪-এর স্থলসীমান্ত চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন আর তিস্তা চুক্তি সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা অপসারণে ইতিমধ্যে গৃহীত তাঁদের সরকারের পদক্ষেপ বাংলাদেশকে জানাবেন। পাশাপাশি তিনি আসামসহ সাতটি ভারতীয় পার্বত্য রাজ্যের মধ্যে সড়ক, রেল ও নৌপথে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে চলাচলের অধিকতর সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানাতে পারেন। আমাদের বর্তমান অব্যবহৃত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ওই রাজ্যগুলোতে রপ্তানির একটি চুক্তিও এ সময়ে স্বাক্ষরিত হতে পারে। তা ছাড়া ভারতীয় ঋণ, বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধবিষয়ক আলোচনাও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই আলোচিত হবে। এসব বিষয় মীমাংসা কোনো জাদুর মন্ত্রে রাতারাতি হবে না, এটা সবাই বোঝেন। তবে বেশ কিছু সমস্যা আছে, যা সমাধানে শুধু আবশ্যক পক্ষ দুটির সদিচ্ছা। ভারতের নতুন সরকারের এই মন্ত্রীর সফরকালে সেই সদিচ্ছার মনোভাব উভয় পক্ষের থাকুক, এ প্রত্যাশা সবার।
আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রাম, এমনকি তার অব্যবহিত-পরবর্তী সময়ে ভারত উদার সহায়তা করেছে। বাংলাদেশও সেই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তন অনেক কিছুই উল্টে দেয়। সহযোগিতার ক্ষেত্রে পিছু চলার নীতি নেয় উভয় পক্ষ। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সমস্যাদিতে ভারত থাকে অনুদার। ক্ষেত্রবিশেষে নিস্পৃহ। তেমনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদীর গোষ্ঠীসমূহ এ দেশের ভূমিসহ বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে থাকে। তারা লাভ করে তখনকার সরকারগুলোর সক্রিয় কিংবা নিষ্ক্রিয় সহযোগিতা। এর মাঝে ১৯৯৬-এ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়। স্বাক্ষরিত হয় গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। পাশাপাশি হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য চুক্তি। ভারত থেকে ফিরে আসে বাস্তুত্যাগীরা। পরিস্থিতি আবারও পাল্টে যায় ২০০১ সাল থেকে। পুনরায় ২০০৯-এর সূচনায় মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে ভারতীয় জিঙ্গগোষ্ঠীগুলোর এ দেশে কার্যক্রম সম্ভাব্য সব উপায়ে নির্মূল করার ব্যবস্থা নেয়। সীমিত আকারে ভারতকে দেওয়া হয় ট্রানজিট-সুবিধা। বৃহত্তর পরিসরে তা করার নীতিগত সিদ্ধান্তও উভয় পক্ষের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, অন্য অনেক অমীমাংসিত বিষয়ের মধ্যে অন্তত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হবে। বাস্তবায়িত হবে ছিটমহল বিনিময়সংক্রান্ত ১৯৭৪ সালের চুক্তিটি। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। এতে এ দেশের মানুষ স্বভাবতই ব্যথিত। তবে তারা আশাবাদী, এই জট খুলে যাবে।
ভারতে ৩০ বছর পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় এসেছেন। সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রশ্নে তাঁর কিছু প্রশ্নবিদ্ধ অতীত রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে নির্বাচনী জনসভাগুলোতে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’-সম্পর্কিত তাঁর বক্তব্যও আমাদের দ্বিধান্বিত করেছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সতর্ক পদক্ষেপ নিচ্ছেন মোদি। বলা আবশ্যক, গুজরাটকে অব্যাহতভাবে দৃশ্যমান উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করতে তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাস্তব মানুষ শুধু অতীতমুখী থাকতে পারেন না। এমনকি যে যুক্তরাষ্ট্র নরেন্দ্র মোদিকে ভিসা দিতে অপারগতা জানিয়েছিল, তারা আজ তাঁকে সাদরে বরণ করতে চাইছে। আমাদেরও নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় তৎপর হওয়া দরকার। সুষমা স্বরাজ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ভারতের এই ইতিবাচক মনোভাবকে ধরে রাখার জন্য আমাদের সচেতন থাকা প্রয়োজন। ইদানীং বাংলাদেশ বিষয়ে মনোযোগী হতে ভারতেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতীয় সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান হারে অবদান রেখে চলছে।
অতিসম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত ভারতের লোকসভা সদস্য ও বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক বরুণ গান্ধীর একটি নিবন্ধের অনুবাদ প্রথম আলো ছেপেছে। এই নিবন্ধে তিনি ভারতের ত্রিপুরায় সীমিত ট্রানজিট-সুবিধা দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন। এ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। দেশ দুটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণে না থাকা ‘অপ্রবেশ্য’ ছিটমহল বিনিময় আর ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করে পানি বণ্টন চুক্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিবিড় অর্থনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। বরুণ গান্ধী বিজেপির উদীয়মান নেতা। তাঁর মা-ও বর্তমান সরকারের একজন কেবিনেট মন্ত্রী। এ ধরনের বাস্তবতাবোধ ভারতে অনেক নেতারই রয়েছে। রয়েছে নরেন্দ্র মোদি আর সুষমা স্বরাজেরও। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মোদি তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি ইঙ্গিত রেখেছেন।
ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতীয় সংবিধানে একটি সংশোধনীর আবশ্যকতা রয়েছে। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অগ্রাধিকার থাকলে বিলটি পাস না হওয়ার কথা নয়। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে মূল বাধা এসেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নরেন্দ্র মোদি তিস্তায় পানিপ্রবাহ বাড়াতে সিকিম সরকারের সহযোগিতা পেতে সচেষ্ট রয়েছেন। পাশাপাশি বৃহৎ একটি আর্থিক প্যাকেজ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেও সমঝোতায় আনতে প্রয়াস চলছে। কঠোর বাস্তববাদী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণই স্বাভাবিক।
তেমনি ট্রানজিট-সুবিধাদির বিষয়ে ভারতের প্রস্তাবগুলো বাংলাদেশ সরকারের বাস্তবতার নিরিখে দেখা দরকার। অবকাঠামো-সুবিধাদি প্রয়োজনীয় মাত্রায় উন্নীত করে উভয় রাষ্ট্রের প্রয়োজন মেটানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর ব্যবহারের ওপর ধার্য করা যায় ন্যায়সংগত ও পরস্পরসম্মত মাশুল। তবে বিবেচনায় রাখা দরকার, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও ছিটমহল বিনিময় সমস্যাগুলো উভয় রাষ্ট্রের মাঝে কণ্টকসম হয়ে আছে। এগুলো আগে উপড়ানো গেলে সহযোগিতার দ্বার খুলে যেতে পারে। তিনবিঘা করিডরের মতো ছোটখাটো সুবিধা দিলে যদি ভারতীয় কোনো অঞ্চল উপকৃত হয়, তা দ্রুত দেওয়া উচিত। জানা যায়, এমন একটি করিডর তেঁতুলিয়া অঞ্চলে চাইছে ভারত।
সুষমা স্বরাজ বরাবরই একজন বাস্তবধর্মী ব্যক্তিরূপে পরিচিত। জন্ম তাঁর হরিয়ানা রাজ্যের আমবালায়। তাঁর বাবাও সক্রিয় আরএসএস কর্মী ছিলেন। সুষমা স্বরাজ আইনে ডিগ্রি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কাজও করেছেন। তবে সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে থাকায় সে পেশা ধরে রাখতে পারেননি। সময়ে সময়ে অনেক মুকুট পরেছেন। সাতবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। ছিলেন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আর গেল পঞ্চদশ লোকসভার বিরোধী দলের নেতা। বিভিন্ন সময়ে চারটি রাজ্য থেকে দশবার নির্বাচন করেছেন। এবার নির্বাচিত হয়েছেন মধ্যপ্রদেশ থেকে। অতি গুরুত্বপূর্ণ এই ভারতীয় রাজনীতিকের আসন্ন বাংলাদেশ সফর বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে আগ্রহের বিষয়।
বরুণ গান্ধী তাঁর আলোচিত নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন, গত এক দশকে এই অঞ্চলে ভারতের প্রভাব কমেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, নরেন্দ্র মোদি পররাষ্ট্রনীতিকে বাস্তবমুখী করবেন। তাঁর নিবন্ধে কৌটিল্যের বিদেশনীতির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। সে নীতি অনুসারে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে যেসব ব্যবস্থা নিতে হয়, তা হচ্ছে বন্ধুত্ব, উপহার, বিভাজন আর শাস্তি। তাঁর মতে, এই নীতি এখনো প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের কাছে শুধু বন্ধুত্ব আর উপহারই দাবি করতে পারে। সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফরকালেও আমরা নতুন রূপে এর সূচনা দেখতে চাই।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ? by আলী ইমাম মজুমদার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে একক সফরে তিনি প্রথমেই বেছে নিয়েছেন বাংলাদেশকে। এর আগে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ভুটান সফর করেছেন। সুষমা স্বরাজের এই সফর সফল ও ফলপ্রসূ হোক, এটা উভয় দেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ চায়। ভারতীয় পত্রপত্রিকার সংবাদদৃষ্টে জানা যায়, এই সফরে সুষমা স্বরাজ ১৯৭৪-এর স্থলসীমান্ত চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন আর তিস্তা চুক্তি সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা অপসারণে ইতিমধ্যে গৃহীত তাঁদের সরকারের পদক্ষেপ বাংলাদেশকে জানাবেন। পাশাপাশি তিনি আসামসহ সাতটি ভারতীয় পার্বত্য রাজ্যের মধ্যে সড়ক, রেল ও নৌপথে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে চলাচলের অধিকতর সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানাতে পারেন। আমাদের বর্তমান অব্যবহৃত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ওই রাজ্যগুলোতে রপ্তানির একটি চুক্তিও এ সময়ে স্বাক্ষরিত হতে পারে। তা ছাড়া ভারতীয় ঋণ, বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধবিষয়ক আলোচনাও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই আলোচিত হবে। এসব বিষয় মীমাংসা কোনো জাদুর মন্ত্রে রাতারাতি হবে না, এটা সবাই বোঝেন। তবে বেশ কিছু সমস্যা আছে, যা সমাধানে শুধু আবশ্যক পক্ষ দুটির সদিচ্ছা। ভারতের নতুন সরকারের এই মন্ত্রীর সফরকালে সেই সদিচ্ছার মনোভাব উভয় পক্ষের থাকুক, এ প্রত্যাশা সবার।
আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রাম, এমনকি তার অব্যবহিত-পরবর্তী সময়ে ভারত উদার সহায়তা করেছে। বাংলাদেশও সেই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তন অনেক কিছুই উল্টে দেয়। সহযোগিতার ক্ষেত্রে পিছু চলার নীতি নেয় উভয় পক্ষ। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সমস্যাদিতে ভারত থাকে অনুদার। ক্ষেত্রবিশেষে নিস্পৃহ। তেমনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদীর গোষ্ঠীসমূহ এ দেশের ভূমিসহ বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে থাকে। তারা লাভ করে তখনকার সরকারগুলোর সক্রিয় কিংবা নিষ্ক্রিয় সহযোগিতা। এর মাঝে ১৯৯৬-এ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়। স্বাক্ষরিত হয় গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। পাশাপাশি হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য চুক্তি। ভারত থেকে ফিরে আসে বাস্তুত্যাগীরা। পরিস্থিতি আবারও পাল্টে যায় ২০০১ সাল থেকে। পুনরায় ২০০৯-এর সূচনায় মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে ভারতীয় জিঙ্গগোষ্ঠীগুলোর এ দেশে কার্যক্রম সম্ভাব্য সব উপায়ে নির্মূল করার ব্যবস্থা নেয়। সীমিত আকারে ভারতকে দেওয়া হয় ট্রানজিট-সুবিধা। বৃহত্তর পরিসরে তা করার নীতিগত সিদ্ধান্তও উভয় পক্ষের রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, অন্য অনেক অমীমাংসিত বিষয়ের মধ্যে অন্তত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হবে। বাস্তবায়িত হবে ছিটমহল বিনিময়সংক্রান্ত ১৯৭৪ সালের চুক্তিটি। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। এতে এ দেশের মানুষ স্বভাবতই ব্যথিত। তবে তারা আশাবাদী, এই জট খুলে যাবে।
ভারতে ৩০ বছর পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় এসেছেন। সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রশ্নে তাঁর কিছু প্রশ্নবিদ্ধ অতীত রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে নির্বাচনী জনসভাগুলোতে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’-সম্পর্কিত তাঁর বক্তব্যও আমাদের দ্বিধান্বিত করেছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সতর্ক পদক্ষেপ নিচ্ছেন মোদি। বলা আবশ্যক, গুজরাটকে অব্যাহতভাবে দৃশ্যমান উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করতে তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাস্তব মানুষ শুধু অতীতমুখী থাকতে পারেন না। এমনকি যে যুক্তরাষ্ট্র নরেন্দ্র মোদিকে ভিসা দিতে অপারগতা জানিয়েছিল, তারা আজ তাঁকে সাদরে বরণ করতে চাইছে। আমাদেরও নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় তৎপর হওয়া দরকার। সুষমা স্বরাজ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ভারতের এই ইতিবাচক মনোভাবকে ধরে রাখার জন্য আমাদের সচেতন থাকা প্রয়োজন। ইদানীং বাংলাদেশ বিষয়ে মনোযোগী হতে ভারতেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতীয় সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান হারে অবদান রেখে চলছে।
অতিসম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত ভারতের লোকসভা সদস্য ও বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক বরুণ গান্ধীর একটি নিবন্ধের অনুবাদ প্রথম আলো ছেপেছে। এই নিবন্ধে তিনি ভারতের ত্রিপুরায় সীমিত ট্রানজিট-সুবিধা দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন। এ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। দেশ দুটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণে না থাকা ‘অপ্রবেশ্য’ ছিটমহল বিনিময় আর ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করে পানি বণ্টন চুক্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিবিড় অর্থনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। বরুণ গান্ধী বিজেপির উদীয়মান নেতা। তাঁর মা-ও বর্তমান সরকারের একজন কেবিনেট মন্ত্রী। এ ধরনের বাস্তবতাবোধ ভারতে অনেক নেতারই রয়েছে। রয়েছে নরেন্দ্র মোদি আর সুষমা স্বরাজেরও। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মোদি তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি ইঙ্গিত রেখেছেন।
ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতীয় সংবিধানে একটি সংশোধনীর আবশ্যকতা রয়েছে। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অগ্রাধিকার থাকলে বিলটি পাস না হওয়ার কথা নয়। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে মূল বাধা এসেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নরেন্দ্র মোদি তিস্তায় পানিপ্রবাহ বাড়াতে সিকিম সরকারের সহযোগিতা পেতে সচেষ্ট রয়েছেন। পাশাপাশি বৃহৎ একটি আর্থিক প্যাকেজ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেও সমঝোতায় আনতে প্রয়াস চলছে। কঠোর বাস্তববাদী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণই স্বাভাবিক।
তেমনি ট্রানজিট-সুবিধাদির বিষয়ে ভারতের প্রস্তাবগুলো বাংলাদেশ সরকারের বাস্তবতার নিরিখে দেখা দরকার। অবকাঠামো-সুবিধাদি প্রয়োজনীয় মাত্রায় উন্নীত করে উভয় রাষ্ট্রের প্রয়োজন মেটানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর ব্যবহারের ওপর ধার্য করা যায় ন্যায়সংগত ও পরস্পরসম্মত মাশুল। তবে বিবেচনায় রাখা দরকার, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও ছিটমহল বিনিময় সমস্যাগুলো উভয় রাষ্ট্রের মাঝে কণ্টকসম হয়ে আছে। এগুলো আগে উপড়ানো গেলে সহযোগিতার দ্বার খুলে যেতে পারে। তিনবিঘা করিডরের মতো ছোটখাটো সুবিধা দিলে যদি ভারতীয় কোনো অঞ্চল উপকৃত হয়, তা দ্রুত দেওয়া উচিত। জানা যায়, এমন একটি করিডর তেঁতুলিয়া অঞ্চলে চাইছে ভারত।
সুষমা স্বরাজ বরাবরই একজন বাস্তবধর্মী ব্যক্তিরূপে পরিচিত। জন্ম তাঁর হরিয়ানা রাজ্যের আমবালায়। তাঁর বাবাও সক্রিয় আরএসএস কর্মী ছিলেন। সুষমা স্বরাজ আইনে ডিগ্রি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কাজও করেছেন। তবে সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে থাকায় সে পেশা ধরে রাখতে পারেননি। সময়ে সময়ে অনেক মুকুট পরেছেন। সাতবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। ছিলেন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আর গেল পঞ্চদশ লোকসভার বিরোধী দলের নেতা। বিভিন্ন সময়ে চারটি রাজ্য থেকে দশবার নির্বাচন করেছেন। এবার নির্বাচিত হয়েছেন মধ্যপ্রদেশ থেকে। অতি গুরুত্বপূর্ণ এই ভারতীয় রাজনীতিকের আসন্ন বাংলাদেশ সফর বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে আগ্রহের বিষয়।
বরুণ গান্ধী তাঁর আলোচিত নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন, গত এক দশকে এই অঞ্চলে ভারতের প্রভাব কমেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, নরেন্দ্র মোদি পররাষ্ট্রনীতিকে বাস্তবমুখী করবেন। তাঁর নিবন্ধে কৌটিল্যের বিদেশনীতির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। সে নীতি অনুসারে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে যেসব ব্যবস্থা নিতে হয়, তা হচ্ছে বন্ধুত্ব, উপহার, বিভাজন আর শাস্তি। তাঁর মতে, এই নীতি এখনো প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের কাছে শুধু বন্ধুত্ব আর উপহারই দাবি করতে পারে। সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফরকালেও আমরা নতুন রূপে এর সূচনা দেখতে চাই।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩ লাখ কোটি টাকা পাচার by মামুন আব্দুল্লাহ

উন্নয়নশীল ৮টি দেশ থেকে টাকা পাচারবিষয়ক জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ১৯৭০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে টাকা পাচার হওয়ার কারণে দেশগুলোর আর্থিক অবস্থা, জনজীবনে এর প্রভাব, বাজেট ঘটতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পণ্যের আমদানি রফতানি, রেমিটেন্স ও হুণ্ডির মাধ্যমে এসব টাকা পাচার করা হয়েছে। আটটি দেশের মধ্যে টাকা পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্রথম স্থান দখল করেছে আইভরি কোস্ট, পঞ্চম স্থানে নেপাল।
এদিকে গত বছরের শেষ দিকে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে বাংলাদেশ থেকে ২৮০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ২২ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। ২০১০ সালে পাচার করা হয়েছিল ২১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ১৭ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। ওই এক বছরে দেশ থেকে টাকা পাচার বেড়েছে ২৮ শতাংশ।
এদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এক জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদেশ থেকে যে পরিমাণ রেমিটেন্স আসে তার প্রায় ৪০ শতাংশই হুণ্ডির মাধ্যমে। ফলে ওই পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দেশ থেকে বর্তমানে মূলধন যন্ত্রপাতি আমদানির নামে ব্যাপকভাবে টাকা পাচার হয়েছে। গত বছর দেশে বিনিয়োগ হয়নি। শিল্প উৎপাদন বাড়েনি, তারপরও শিল্পের যন্ত্রপাতি বেড়েছে। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। টাকা পাচার রোধ করা না গেলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বরং সমাজে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হবে যা দেশকে বড় ধরনের সংকটের দিকে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আগে থেকেই বলে আসছি মুদ্রা পাচার হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করা উচিত। এটা সরকার না করলে আর দেশে পুঁজি রাখা যাবে না।
ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ পাচারের ফলে সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ফলে দেশের বাজেটে বৈদেশিক ঘাটতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই ঘাটতি মেটাতে সরকারকে বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই প্রবণতার ফলে তুলনামূলকভাব সরকার দরিদ্র হয়ে যায়। সরকারের চেয়ে ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা সমাজে বড় ধরনের ভারসাম্যহীতার সৃষ্টি করে। অর্থ পাচারের ফলে দারিদ্র্য বিমোচন বা জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে সরকারের অবদান কমে যায়। জনগণ দরিদ্রতায় ভোগে। দেশী বিনিয়োগ কমে যায়। কর্মসংস্থানেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। পাচার হওয়ার কারণে দেশী বিনিয়োগ কমে যায়। একই সঙ্গে বিদেশী বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। যা দেশের সুশাসন ব্যবস্থাকে বড় ধরনের হুমকির মুখে ফেলে দেয়। ভেঙে পড়ে শাসনতান্ত্রিক কাঠামো। এর প্রভাবে একদিকে সমাজে যেমন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়। তেমনি অর্থনীতি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্পদ পাচারের ফলে দেশের অর্থনীতি হয়ে যাচ্ছে রক্তশূন্য।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, টাকা পাচারের ফলে সৎভাবে জীবনযাপন যারা করতে চান তারা বেশি করে চাপের মুখে পড়েন। কেননা তারা সম্পদ গোপন করতে চান না। ফলে তাদেরকে বেশি করে কর দিতে হয়। আর যারা টাকা পাচার করেন বা সম্পদ গোপন করে কালো টাকার সৃষ্টি করেন তাদেরকে কর কম দিতে হয়। ফলে সমাজে সুষম কর কাঠামোও গড়ে ওঠে না। এছাড়া পাচার করা অর্থ সাম্প্রতিককালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার নজিরও পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অর্থ পাচারের নেপথ্যে রয়েছে মূলত দুর্নীতি, অনিয়ম ও আইন প্রয়োগে শিথিলতা। ক্ষমতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা এসব খাতে প্রভাব খাটিয়ে টাকা পাচার করেন।
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান যুগান্তরকে বলেন, টাকা পাচার হচ্ছে দুর্নীতির মাধ্যমে, এই টাকা অর্জনও হচ্ছে দুর্নীতির মাধ্যমেই। তাই সবার আগে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি বন্ধ না হলে টাকা পাচার বন্ধ হবে না। দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিকভাবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার লাগবে। যেটা বর্তমানে বাংলাদেশে নেই।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য মতে, এসব দেশের ক্ষমতাবান রাজনৈতিক বিত্তবানরা তাদের ক্ষমতাকে আরও পোক্ত করতে অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করে থাকেন। এদের কারণে সরকারকে জনগণের ওপর কর বাড়াতে হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের অন্যতম পথ হচ্ছে, আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য কম বা বেশি দেখানো। এর ফলে দেশ থেকে পাচারের হার হচ্ছে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ। বাকি ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ পাচার করা হয় হুণ্ডির মাধ্যমে। বিভিন্ন দেশের এজেন্টের মাধ্যমে এই হুণ্ডি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
আর্থিকভাবে অনগ্রসর ও স্বল্প আয়ের (এলডিসি) ৮ দেশের অবৈধ আর্থিক প্রবাহ নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। বিগত ৪ দশকের (১৯৭০-২০১০) তথ্য এখানে দেয়া হয়েছে। দেশগুলো হল- বাংলাদেশ, বলিভিয়া, আইভরি কোস্ট, গিনি, নেপাল, সিয়েরালিয়ন, তানজানিয়া ও জিম্বাবুয়ে।
প্রতিবেদনের প্রথমেই বলা হয়েছে, বিগত দশকগুলোতে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনীতিতে অবিশ্বাস্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল এসব দেশের গড় জিডিপির হার ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ। পরের দশকে যা ডাবল ডিজিটে দাঁড়িয়েছে। ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এসব দেশে গড় জিডিপির হার ছিল ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। যা বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরও অনুন্নত এসব রাষ্ট্র সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের পথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে অবৈধ আর্থিক প্রবাহ ও মুদ্রা পাচার টেকসই উন্নয়নকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করছে। মুদ্রা পাচার নিয়ন্ত্রন করা গেলে দেশগুলোর দ্রুত উন্নয়ন হতো। দেশগুলোতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণেই মূলত মুদ্রা পাচার হচ্ছে।
ইউএনডিপির তথ্য মতে, সিয়েরালিয়নের ক্ষেত্রে তা দাঁড়িয়েছে জিডিপির অনুপাতে ৫২৩ দশমিক ৬ শতাংশে। বলা যায়, মুদ্রা পাচার সিয়েরালিয়ন জনসংখ্যার ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই দেশের মোট জনসংখ্যার হিসাবে মাথাপিছু মুদ্রা পাচারের পরিমাণ ২ হাজার ৮৩৮ ডলার। ২০১০ সালের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ১ হাজার ১৬১ ডলার। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের ৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা রয়েছে বলে তথ্য বেরিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খদ্দেরের অপেক্ষায় বিশ্বকাপের যৌনকর্মীরা- ব্রাজিল বিশ্বকাপে সাড়ে ৪ ডলারে যৌনবাণিজ্য

ফোর্টালেজার অনেক যৌনকর্মীই রাতে সাড়ে ৪ ডলারের বিনিময়ে খদ্দেরদের আনন্দ বিলিয়ে থাকেন। কিন্তু ছিয়ারার দাম ২২ ডলার! তবে তার মতে মূল্যটা খুব বেশি নয়, বিশ্বকাপের টিকিট থেকেও সস্তা! বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহের আয় নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। তার ভাষায়, আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমি বিদেশীদের পছন্দ করি। কে জানে? আমি হয়তো তাদের কাউকে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি জমাবো। তবে বিশ্বকাপে যৌনপর্যটন নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তারা ২৪ ঘণ্টা প্রচারণা চালাতে প্রায় ৭০০ ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু ফোর্টালেজার ‘যৌনবাণিজ্য’ এখন ব্যাপক হয়ে উঠেছে। নাইটক্লাবের মালিকরা বেশ মুনাফা কামাচ্ছে। তাদের অনেকেই বললেন, ফোর্টালেজার মতো শহরেও এই অবস্থা রীতিমতো নজিরবিহীন। অথচ অনেকদিন ধরেই আন্তর্জাতিক যৌনপর্যটকদের প্রিয় শহর ফোর্টালেজা। তবে পুলিশের উপস্থিতি বেড়েছে। প্রায় ৩০০০ পুলিশ মাঠে নেমেছে। তবে এই নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট যৌনকর্মীরা। ইয়ারা নামের বেলেমের এক যৌনকর্মী জানালেন, নিরাপত্তা বৃদ্ধির ব্যাপারটি ভাল। কারণ এতে আমরা কাজ করতে নিরাপদ বোধ করি। ইরাসিমা সৈকত দেড় ঘণ্টার পথ। এখানেই শহরের সবচেয়ে দামি প্রমোদবালাদের পাওয়া যায়।


About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ?
![]() |
| সুষমা স্বরাজ |
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলাবদ্ধতা থেকে চট্টগ্রামকে মুক্ত করুন
![]() |
| চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা দূর করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য প্রধানত সিটি মেয়রই দায়ী |
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী৷
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩ লাখ কোটি টাকা পাচার by মামুন আব্দুল্লাহ

উন্নয়নশীল ৮টি দেশ থেকে টাকা পাচারবিষয়ক জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ১৯৭০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে টাকা পাচার হওয়ার কারণে দেশগুলোর আর্থিক অবস্থা, জনজীবনে এর প্রভাব, বাজেট ঘটতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পণ্যের আমদানি রফতানি, রেমিটেন্স ও হুণ্ডির মাধ্যমে এসব টাকা পাচার করা হয়েছে। আটটি দেশের মধ্যে টাকা পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্রথম স্থান দখল করেছে আইভরি কোস্ট, পঞ্চম স্থানে নেপাল।
এদিকে গত বছরের শেষ দিকে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে বাংলাদেশ থেকে ২৮০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ২২ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। ২০১০ সালে পাচার করা হয়েছিল ২১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ১৭ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। ওই এক বছরে দেশ থেকে টাকা পাচার বেড়েছে ২৮ শতাংশ।
এদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এক জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদেশ থেকে যে পরিমাণ রেমিটেন্স আসে তার প্রায় ৪০ শতাংশই হুণ্ডির মাধ্যমে। ফলে ওই পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দেশ থেকে বর্তমানে মূলধন যন্ত্রপাতি আমদানির নামে ব্যাপকভাবে টাকা পাচার হয়েছে। গত বছর দেশে বিনিয়োগ হয়নি। শিল্প উৎপাদন বাড়েনি, তারপরও শিল্পের যন্ত্রপাতি বেড়েছে। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। টাকা পাচার রোধ করা না গেলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বরং সমাজে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হবে যা দেশকে বড় ধরনের সংকটের দিকে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আগে থেকেই বলে আসছি মুদ্রা পাচার হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করা উচিত। এটা সরকার না করলে আর দেশে পুঁজি রাখা যাবে না।
ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ পাচারের ফলে সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ফলে দেশের বাজেটে বৈদেশিক ঘাটতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই ঘাটতি মেটাতে সরকারকে বৈদেশিক ঋণ বা অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই প্রবণতার ফলে তুলনামূলকভাব সরকার দরিদ্র হয়ে যায়। সরকারের চেয়ে ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা সমাজে বড় ধরনের ভারসাম্যহীতার সৃষ্টি করে। অর্থ পাচারের ফলে দারিদ্র্য বিমোচন বা জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে সরকারের অবদান কমে যায়। জনগণ দরিদ্রতায় ভোগে। দেশী বিনিয়োগ কমে যায়। কর্মসংস্থানেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। পাচার হওয়ার কারণে দেশী বিনিয়োগ কমে যায়। একই সঙ্গে বিদেশী বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। যা দেশের সুশাসন ব্যবস্থাকে বড় ধরনের হুমকির মুখে ফেলে দেয়। ভেঙে পড়ে শাসনতান্ত্রিক কাঠামো। এর প্রভাবে একদিকে সমাজে যেমন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়। তেমনি অর্থনীতি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্পদ পাচারের ফলে দেশের অর্থনীতি হয়ে যাচ্ছে রক্তশূন্য।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, টাকা পাচারের ফলে সৎভাবে জীবনযাপন যারা করতে চান তারা বেশি করে চাপের মুখে পড়েন। কেননা তারা সম্পদ গোপন করতে চান না। ফলে তাদেরকে বেশি করে কর দিতে হয়। আর যারা টাকা পাচার করেন বা সম্পদ গোপন করে কালো টাকার সৃষ্টি করেন তাদেরকে কর কম দিতে হয়। ফলে সমাজে সুষম কর কাঠামোও গড়ে ওঠে না। এছাড়া পাচার করা অর্থ সাম্প্রতিককালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার নজিরও পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অর্থ পাচারের নেপথ্যে রয়েছে মূলত দুর্নীতি, অনিয়ম ও আইন প্রয়োগে শিথিলতা। ক্ষমতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা এসব খাতে প্রভাব খাটিয়ে টাকা পাচার করেন।
এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান যুগান্তরকে বলেন, টাকা পাচার হচ্ছে দুর্নীতির মাধ্যমে, এই টাকা অর্জনও হচ্ছে দুর্নীতির মাধ্যমেই। তাই সবার আগে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি বন্ধ না হলে টাকা পাচার বন্ধ হবে না। দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিকভাবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার লাগবে। যেটা বর্তমানে বাংলাদেশে নেই।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য মতে, এসব দেশের ক্ষমতাবান রাজনৈতিক বিত্তবানরা তাদের ক্ষমতাকে আরও পোক্ত করতে অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করে থাকেন। এদের কারণে সরকারকে জনগণের ওপর কর বাড়াতে হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের অন্যতম পথ হচ্ছে, আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য কম বা বেশি দেখানো। এর ফলে দেশ থেকে পাচারের হার হচ্ছে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ। বাকি ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ পাচার করা হয় হুণ্ডির মাধ্যমে। বিভিন্ন দেশের এজেন্টের মাধ্যমে এই হুণ্ডি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
আর্থিকভাবে অনগ্রসর ও স্বল্প আয়ের (এলডিসি) ৮ দেশের অবৈধ আর্থিক প্রবাহ নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। বিগত ৪ দশকের (১৯৭০-২০১০) তথ্য এখানে দেয়া হয়েছে। দেশগুলো হল- বাংলাদেশ, বলিভিয়া, আইভরি কোস্ট, গিনি, নেপাল, সিয়েরালিয়ন, তানজানিয়া ও জিম্বাবুয়ে।
প্রতিবেদনের প্রথমেই বলা হয়েছে, বিগত দশকগুলোতে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনীতিতে অবিশ্বাস্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল এসব দেশের গড় জিডিপির হার ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ। পরের দশকে যা ডাবল ডিজিটে দাঁড়িয়েছে। ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এসব দেশে গড় জিডিপির হার ছিল ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। যা বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরও অনুন্নত এসব রাষ্ট্র সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের পথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে অবৈধ আর্থিক প্রবাহ ও মুদ্রা পাচার টেকসই উন্নয়নকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করছে। মুদ্রা পাচার নিয়ন্ত্রন করা গেলে দেশগুলোর দ্রুত উন্নয়ন হতো। দেশগুলোতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণেই মূলত মুদ্রা পাচার হচ্ছে।
ইউএনডিপির তথ্য মতে, সিয়েরালিয়নের ক্ষেত্রে তা দাঁড়িয়েছে জিডিপির অনুপাতে ৫২৩ দশমিক ৬ শতাংশে। বলা যায়, মুদ্রা পাচার সিয়েরালিয়ন জনসংখ্যার ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই দেশের মোট জনসংখ্যার হিসাবে মাথাপিছু মুদ্রা পাচারের পরিমাণ ২ হাজার ৮৩৮ ডলার। ২০১০ সালের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ১ হাজার ১৬১ ডলার। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের ৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা রয়েছে বলে তথ্য বেরিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চ্যালেঞ্জের মুখে ববি

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রীতির যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং...

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আর্জেন্টিনার আফ্রিকা পরীক্ষা মাঠে মেসি পরিবার by পিন্টু আনোয়ার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারি ক্যাম্পে হামলা- সমঝোতার প্রস্তাব মোল্লার by রুদ্র মিজান

তবে গত কয়েকদিন অনুসন্ধান চালিয়ে জানা যায় নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে মোল্লার পক্ষে বৈঠক করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিহারি নেতারা। নিজ নেতাদের এই তৎপরতায় আতঙ্কিত বিহারিরা। অথচ এই নেতারাই কিছু দিন আগে এমপি ইলিয়াস মোল্লার ফাঁসি চেয়ে মিছিল করেছেন। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে স্ট্যান্ডার্ড পাকিস্তানিজ জেনারেল রিপার্টিশন কমিটি (এসপিজিআরসি)-এর মুরাপাড়া ক্যাম্পে একটি বৈঠক করেছেন ওই সংগঠনের নেতারা। বৈঠকে আগুনে পুড়ে নিহত ৯ জনের পরিবারের ইয়াসিন আলী ও গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আজাদের ভাই ভুলুকে খবর দিয়ে নেয়া হয়। সেখানে এসপিজিআরসি’র নেতারা এমপি ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে সমঝোতার প্রস্তাব দেন। নিহতদের স্বজনদের তারা জানান, এমপি ইলিয়াস মোল্লা প্রভাবশালী লোক। তার সঙ্গে ঝামেলা করে লাভ হবে না। বরং ক্ষতি হবে। তার সঙ্গে তোমরা পারবে না। তাই যা হওয়ার হয়েছে এখন তার সঙ্গে সমঝোতা করাই ভাল।
বৈঠকের বিষয়ে নিহত আজাদের ভাই মুহাম্মদ ভুলু জানান, এসপিজিআরসি’র মোস্তাক তাকে লোক মাধ্যমে বৈঠকে ডেকে নিয়েছেন। তাকে এমপি’র সঙ্গে সমঝোতার জন্য চাপ দিয়েছেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে নেতাদের বাকবিত-া হয়েছে। তিনি রাজি হননি। বিহারি নেতাদের এই উদ্যোগের কারণ সম্পর্কে ভুলু বলেন, এসপিজিআরসি’র এসব নেতা এমপি’র কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন। একই ভাবে বৈঠকের বিষয়ে ইয়াসিন আলী বলেন, নেতারা বলেছেন এমপি’র বিরুদ্ধে কোন ঝামেলা করো না। তার সঙ্গে মিলে যাও। সমঝোতার প্রস্তাব দিলেও ইয়াসিন তাদের কিছুই বলেননি বলে জানান। ইয়াসিন বলেন, আমি ভয়ে আছি। আমি কার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেবো। আমার পরিবারের সবাইকে পুড়িয়ে মেরেছে। পরে আমাকেও মারার চেষ্টা করবে।
বৈঠকে এসপিজিআরসি’র মিরপুর-১১ নম্বর শাখার সভাপতি আবদুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক মাল্লু, বাদল, সাব্বির, ইদু বাবু, ক্যান্টনমেন্ট ক্যাম্পের সভাপতি মুহাম্মদ পাছু, খুরশিদ, রাশেদ, মোস্তাক উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের আগে এসপিজিআরসি’র কুর্মিটোলা ক্যাম্প অফিসেও বৈঠকে করেন এই সংগঠনের নেতারা। কিন্তু সেখানকার স্থানীয় কিছু বিহারি নেতারা এমপি’র সঙ্গে সমঝোতার বিষয় জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে বৈঠকের স্থান পরিবর্তন করা হয়। পরে মুরাপাড়া ক্যাম্পের অফিসে ওই বৈঠক হয়।
সূত্র জানায়, সমঝোতার জন্য ইতিমধ্যে অর্থও ছড়িয়েছেন এমপি ইলিয়াস মোল্লা। আয়ত্তে নিয়েছেন বিহারিদের সংগঠন এসপিজিআরসি’র নেতাদের। সূত্রমতে, এমপি ইলিয়াস মোল্লা ওই চক্রকে বলেছেন, যত টাকা লাগে দেবো। আমাকে এই অভিযোগ থেকে রক্ষা করো। সমঝোতার জন্য এসপিজিআরসি’র সাবেক নেতা ইরানি বস্তির ইদু বাবু ও সাব্বিরকে কাজে লাগান ইলিয়াস মোল্লা ও তার ঘনিষ্ঠরা। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ইদু মোল্লার সঙ্গে এমপি ইলিয়াস মোল্লার ভাই মনু মোল্লার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ইদু বাবুর ইরানি ক্যাম্পের বাসায় নিয়মিত আসা-যাওয়া করেন মনু মোল্লা। সাব্বির ও ইদু বাবুর মাধ্যমেই সমঝোতার ছক তৈরি করেন ইলিয়াস মোল্লা। বিহারি নেতাদের এই চক্রকে সোমবার রাতে এবং তার আগের দিন অর্থও দেয়া হয়।
সমঝোতা ও অর্থ দেয়ার অভিযোগ মোটেও সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১৬ আসনের এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা। তবে শিগগিরই বিহারিরা তার কাছে ক্ষমা চাইবে জানিয়ে তিনি বলেন, কারা কোথায় সমঝোতা বৈঠক করেছে আমি জানি না। এজন্য আমি কাউকে টাকাও দেইনি। এসব অপপ্রচার। বরং বিহারিরা যারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তারা এ নিয়ে একটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে। এ রকম খবর তিনি পেয়েছেন বলে জানান।
কুর্মিটোলা ক্যাম্পের বাসিন্দা মুহাম্মদ শাহীদ জানান, ১০ জনকে খুনের দায়ে যারা ইলিয়াস মোল্লার ফাঁসি চেয়ে মিছিল করেছে তারাই এখন তার ভক্ত হয়ে গেছে। ক্যাম্পের বাসিন্দা রাজু সহ কিছু লোক ইলিয়াস মোল্লাকে ক্যাম্পে এনে মঞ্চ তৈরি করে সভা করতে চাইছেন। সমঝোতার মূল হোতাদের অন্যতম এসপিজিআরসি’র আবদুল জলিলের কাছে সমঝোতা বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন। মানবজমিন-র কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণের কথা জানালে তিনি তা স্বীকার করে বলেন, এলাকাবাসীর স্বার্থেই আমরা সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছি। এমপি ইলিয়াস মোল্লার কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই তথ্য সত্য না। পরে এই প্রতিবেদককে তিনি তার অফিসে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, অফিসে আসেন আপনাকে বিস্তারিত বলবো। জানা গেছে, বিহারিদের রয়েছে দু’টি বড় সংগঠন। এর মধ্যে এসপিজিআরসি একটি। এছাড়াও রয়েছে উর্দু স্পিকিং পিপলস ইউথ রিহ্যাবিলিটেশন মুভমেন্ট। গত ১৪ই জুন সকালে রাজধানীর মিরপুরের কুর্মিটোলা ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ক্যাম্পবাসী অভিযোগ করেন পার্শ্ববর্তী বাউনিয়াবাদ এলাকার যুবলীগ নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায়। তাদের দেয়া আগুনে পুড়ে মারা যায় ইয়াসিনের পরিবারের শিশু, নারীসহ ৯ জন। এসময় আগুন নেভাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আজাদ। ক্যাম্পবাসীর অভিযোগ, ঘটনার আগে ১০ই জুন নতুন ক্যাম্পের ট্রান্সফরমার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ চেয়েছিলেন ইলিয়াস মোল্লা। তিনি নিজে সংযোগ নিতে এসে লাঞ্ছিত হন। এ ঘটনার জের ধরেই কুর্মিটোলা ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি বিহারিদের। ঘটনার পর থেকে এসপিজিআরসি ও উর্দু স্পিকিং পিপলস ইউথ রিহ্যাবিলিটেশন মুভমেন্ট দোষীদের বিচার চেয়ে মিছিল-সমাবেশ করে। তারা ওই আসনের এমপি ইলিয়াস মোল্লা ও তার ক্যাডার যুবলীগের পল্লবী থানার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানার ফাঁসি দাবি করেন। এসপিজিআরসি’র এ রকম দাবি সংবলিত ব্যানার এখনও কুর্মিটোলা ক্যাম্পে টাঙানো রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারায়ণগঞ্জ-৫ উপনির্বাচন- শামীম ওসমানের অডিও নিয়ে তোলপাড়

অডিওতে শামীম ওসমান যা বলছেন:
শামীম ওসমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয় পার্টিরটা জাতীয় পার্টি বুঝবে। বিএনপির লগে যদি কিছু লাইন করতে পারলে বিএনপিরটা বুঝব। আওয়ামী লীগেরটা আওয়ামী লীগ বুঝবে। আরেকটা দামি কথা বলিথ আপনি অ-নে-ক বড় নেতা, উনি অ-নে-ক ছোট নেতা। বড় নেতার সেন্টার বড় নেতায় বুঝায়া দেবেন, ছোট নেতারটা ছোট নেতায়। আপনের দৌড়াদৌড়ি কইরা অন্যেরটা বুঝানোর দরকার নাই।
শামীম ওসমানের এ বক্তব্যের পর নেতাকর্মীরা সমস্বরে ‘ঠিক’ বলে হাততালি দেন।
তার পর শামীম ওসমান আবার বলেন, বন্দরের মানুষের দরকার নাই মদনগঞ্জে, আর মদনগঞ্জের মানুষের কলাগাইচ্ছা যাওনের। কলাগাইচ্ছার মানুষ কলাগাইচ্ছারটাই করেন। হিজ হিজ, হুজ হুজ। যার যারটা সে সে করেন। নিজেরটা কইরা দিয়া যদি আপনে মনে করেন, আমার আরও ২/১টা সেন্টার হাতে আছে, এইটা কইরা দিয়া আমি আরও ১০ জায়গায় যাইতে পারমু, যান। কিন্তু এইটা কইরেন না, ওইটা করতে গিয়া আমারটা গেল গা। আমি আপনাগো হুকুম দিতাছি না, অনুরোধ করতাছি।
এর পর শামীম ওসমান বলেন, এখন কথা হলো সেন্টার কমিটি। নির্বাচন কি বিনা পয়সায় করবেনথ নাহ। দুই টাকা খরচ হলে চার টাকা খরচ করেন। সমস্যা নাই। যা লাগে আমি বুঝুম। যা করতে অয় আমি করমু। ফকিরের মতো ইলেকশন করার দরকার নাই। বড়লোকের মতোই করেন। ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্বাচন করার জন্য সেন্টার ওয়াইজ যা কিছু করার দরকার, সব করমু। কোথাও কোনো চাঁদাবাজি করবেন না। কারও থেইক্কা কোনো টাকা নেবেন না। আমার ভাইয়ের নির্দেশ, সে কারও থেইক্কা একটা টাকা নিতে দিব না এবং সে নিজেই চাঁদা দেওয়া মানুষ। আল্লায় তাকে তৌফিক দিছে দেওয়ার। এমনকি আমাকেও দিতে দিচ্ছে না সে।
তিনি বলেন, কেউ খবরাখবর নিতে বা গোয়েন্দাগিরি করতে আসছেন? ভাই আমার লগে গোয়েন্দাগিরি কইরেন না। কারণ, প্রত্যেকটা সেন্টারে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন কর্ণার থেকে তিনজন করে ছেলে পাঠাইছি। একজন করে আগামীকাল থেকে নিজাম পরিচয় করিয়ে দেবে। আর দুই জন থাকব। নির্বাচনের দিন আমার যে নির্বাচনী এলাকা আছে, সেখান থেকে ২০-২৫ হাজার লোক আসব আপনাদের সঙ্গে আপনাগো এলাকায় নির্বাচন করতে। যদি কন ২৫ হাজারে অইব না, তাইলে ৫০ হাজারে পাঠামু। ৫০ হাজারে না অইলে এক লাখ পাঠামু, চিন্তা কইরেন না। আমার ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ এবং সোনারগাঁ থেইক্কা এক লাখ লোক নিয়া আসা শামীম ওসমানের জন্য বড় কোনো ব্যাপার না।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী হয়েছেন ওসমান পরিবারের এক ভাই সেলিম ওসমান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব, সাবেক এমপি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের পদত্যাগী আহ্বায়ক এস এম আকরাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রানাপ্লাজা ধস- দ্বিতীয় লড়াইয়ে কিশোরী আন্না by শর্মী চক্রবর্তী

মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালের শিশু ক্যান্সার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাশেদ জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, আন্নাকে এখানে পাঠানোর পর তার রিপোর্টগুলো আমরা দেখেছি। রিপোর্টে রেবডোমায়োসারকোমা নামের একটি ভাইরাস ধরা পড়েছে। তবে আমরা বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য এখানে আবার পরীক্ষা করবো। এই পরীক্ষার ২১ দিন পর তার চিকিৎসা শুরু করা হবে। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষায় যদি এই ভাইরাসই ধরা পড়ে তাহলে আন্নার পা কেটে ফেলা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। কারণ এটি হাড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তার পা কাটা না হলে এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজামীর রায়- আসলে দড়ি পড়েছে চালাকের গলায়

আদালত থেকে আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি জানান, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হয়নি। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কারাকর্তৃপক্ষ তাকে ট্রাইব্যুনাল হাজির না করার পর গতকাল মামলাটি নতুন করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। নিজামীর অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণার আইনি প্রশ্নে শুনানি শেষে সংক্ষিপ্ত ঘোষণায় ট্রাইব্যুনাল ১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন, আমরা কারা-কর্তৃপক্ষের চিঠি পেয়েছি। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্যও শুনেছি। এই পরিস্থিতিতে তার অনুপস্থিতিতে রায় দেয়া আমরা যুক্তিসঙ্গত মনে করছি না। এ কারণে আজ আমরা রায় দিচ্ছি না। দ্রুত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন চাইছি। মামলাটি সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ) রাখা হচ্ছে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য ছিলেন- বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বিচারপতি আনোয়ারুল হক। এ নিয়ে মামলাটি তৃতীয়বারের মতো রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হলো। এর আগে গত ১৩ই নভেম্বর এবং ২৪শে মার্চ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার জানানো হয় বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। এ রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। কিন্তু সকাল ১০টার দিকে অসুস্থতার কারণে নিজামীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা যাচ্ছে না জানিয়ে কারা কর্তৃপক্ষের দেয়া চিঠি ট্রাইব্যুনালে এসে পৌঁছায়। বেলা ১১টার দিকে আসামির অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা প্রশ্নে ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার। অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে ট্রাইব্যুনাল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে। অন্যদিকে, মতিউর রহমান নিজামীর পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিজামী এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে একদিনও অনুপস্থিত থাকেননি। সুতরাং তার অনুপস্থিতিতে রায় হওয়ার কোন সুযোগ নেই। সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানায় ট্রাইব্যুনাল। ওদিকে, নিজামীকে চিকিৎসকের পরামর্শে কারাগারে মেডিকেল সুবিধায় পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী। তিনি জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নিজামী। তিনি মারাত্মক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। এ অবস্থায় রাতেই নিজামীকে জেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব চিকিৎসক ডেকে পরীক্ষা করানো হয় ও চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হলে সকাল ৮টায় তাকে আরও একবার চিকিৎসক দেখেন এবং পূর্ণ বিশ্রামে রাখার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শেই মতিউর রহমান নিজামীকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়নি বলে জানান ফরমান আলী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুট, ধর্ষণ এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো ১৬টি অভিযোগে ২০১২ সালের ২৮শে মে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতার বিচার শুরু হয়। ২০১৩ সালের ১৩ই নভেম্বর বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। তবে ৩১শে ডিসেম্বর বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর অবসরে চলে যাওয়ায় তখন আর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়নি। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম চেয়ারম্যান হওয়ার পর এ মামলার যুক্তি-তর্ক নতুন করে শোনা হয়। দ্বিতীয় দফা যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৪শে মার্চ মামলাটি নতুন করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় চট্টগ্রামের একটি আদালত এর আগে সাবেক শিল্পমন্ত্রী নিজামীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের রায় ঘোষণা করেছিল। ২০১৩ সালের ২১শে জানুয়ারি মাওলানা আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম যুদ্ধাপরাধ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তার অনুপস্থিতিতে ঘোষিত ওই রায়ে তাকে মৃত্যুদ- দেয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদ- এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। দলটির নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলাটি আপিল বিভাগে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের রায়ে দ-িত হয়েছেন জামায়াতের সাবেক নেতা গোলাম আযম, বর্তমান নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও দলটির সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীমের। পলাতক অবস্থায় মৃত্যুদ-ের রায় হয়েছে আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মইনুদ্দিনের বিরুদ্ধে।
রায় না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া
মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা না করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, নিজামীর মামলার রায় ঘোষণার বিষয়টি পিছিয়ে দেয়া খুবই দুঃখজনক। উনি (নিজামী) যদি গাজীপুর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আসতে পারেন তাহলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আসতে পারবেন না কেন? রায় পেছানোর প্রতিক্রিয়ায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, নিজামী যদি সত্যিই এত অসুস্থ হয়ে থাকেন তাহলে কিছু বলার নেই। বিচার কার্যক্রমে সরকারের আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতার বিষয়টি সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই অসুস্থতার যথাযথ প্রমাণ সংশিষ্ট কোন গ্রহণযোগ্য চিকিৎসকের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা উচিত। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াত নেতা নিজামীর মামলার রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আমরা আন্দোলন করে আসছি। আজ (মঙ্গলবার) রায় ঘোষণা হবে শুনে এখানে (ট্রাইব্যুনাল এলাকা) এসেছি। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রায় পিছিয়ে যাওয়া অনাকাঙিক্ষত ও দুঃখজনক।
‘নিজামীর রায় না হওয়া সরকারি ষড়যন্ত্রেরই অংশ’: গণজাগরণ মঞ্চ
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর রায় হঠাৎ স্থগিত হওয়াকে সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার। রায়ের দিন নিজামীকে অসুস্থ বানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে নিজামীর বিচারকার্য শুরু হয়েছে। চার বছর হয়ে গেলেও রায় ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি গত ৬ মাসে যুদ্ধাপরাধ মামলার কোন আসামির রায় দেয়া হয়নি। এগুলো বিচারের দীর্ঘসূত্রতাকে প্রমাণ করে। ইমরান আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে সরকারের আন্তরিকতার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মুখপাত্র বলেন, সাধারণত রায়ের আগের দিন জামায়াত-শিবির কর্মসূচি দেয়। এবার তাদের নীরবতার কারণে আমরা আশঙ্কা করছিলাম যে আজ রায় হবে না। শেষ পর্যন্ত আমাদের আশঙ্কা সত্যি হয়েছে। গতকাল সকালে রায় স্থগিত হওয়ার ঘোষণা এলে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এসব কথা বলেন ডা. ইমরান এইচ সরকার। এদিকে নিজামীর রায়কে ঘিরে গতকাল সকাল থেকে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ। এর আগেই বিভিন্ন কারণে গণজাগরণ মঞ্চের মধ্যে ভাঙন ধরে। তিনটি অংশে বিভক্ত হয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। গতকাল রায়কে কেন্দ্র করে মঞ্চের তিন অংশের নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদাভাবে শাহবাগে অবস্থান করেন। সকাল ১০ থেকে প্রজন্ম চত্বরে অবস্থান নেন মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বাধীন অংশ। তারা জাতীয় জাদুঘরের পূর্ব পাশে তাদের নেতাকর্মী নিয়ে স্লোগানে মুখর থাকেন। বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ও নবগঠিত শাহবাগ মুভমেন্টের মুখপাত্র বাপ্পাদিত্য বসুর নেতৃত্বে পশ্চিম পাশে একটি অংশ এবং সরকার সমর্থক হিসেবে পরিচিত কামাল পাশা চৌধুরীর অংশ উত্তর পাশে অবস্থান নেয়। সকাল থেকেই রায় না হওয়া নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় রায় না হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে প্রথমে মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ঘুরে আবার শাহবাগে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এরপর একে একে বাপ্পাদিত্য বসু নেতৃত্বাধীন ‘শাহবাগ মুভমেন্ট’ ও মঞ্চের কামাল পাশা চৌধুরীর অংশও বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। এ সময় বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, নিজামীকে নিয়ে সরকারি মহল থেকে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কিন্তু রায়ের ক্ষেত্রে কোন প্রকার আপস চলবে না। গণজাগরণ মঞ্চ সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে নিজামীসহ সব যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করে তারপর ঘরে ফিরে যাবে। কামাল পাশা চৌধুরী বলেন, নিজামী অসুস্থতার কথা বলে ভান করছে আর সে সুযোগ নিয়ে রায়কে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। কোন আসামি অসুস্থ থাকলে তার রায় দেয়া যাবে না, এটা কোন ধরনের আইন তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা চাই ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষ থেকে অবিলম্বে নিজামীসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর করবে। অন্যদিকে সন্ধ্যা ৬টায় শাহবাগ মুভমেন্ট পুনরায় রায় না হওয়ার প্রতিবাদে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে শাহবাগে নিজামীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন তারা। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় শাহবাগ থেকে মশাল মিছিল বের করেন ডা. ইমরান এইচ সরকার সমর্থকরা। মিছিলটি শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার শাহবাগে ফিরে যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বিপ্লব’ ঘটাতে আবার পাকিস্তানে কাদরি
![]() |
| তাহির-উল-কাদরি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একই ছাদের নিচে তিন ধর্মের উপাসনালয়!
![]() |
| প্রস্তাবিত উপাসনালয়ের রেপ্লিকা l বিবিসি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাদ্দামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারককে হত্যা করেছে জঙ্গিরা?
![]() |
| বিচারক রউফ আবদুল রহমান |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
June
(460)
-
▼
Jun 25
(20)
- গ্যালারি- বিশ্বকাপের বিশ্বসুন্দরী
- সামরিক স্বচ্ছতা এবং এশীয় নিরাপত্তা by শিনজো আবে
- কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ? by আলী ইমাম মজু...
- কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ? by আলী ইমাম মজু...
- ৩ লাখ কোটি টাকা পাচার by মামুন আব্দুল্লাহ
- খদ্দেরের অপেক্ষায় বিশ্বকাপের যৌনকর্মীরা- ব্রাজিল ব...
- কী বার্তা নিয়ে আসবেন সুষমা স্বরাজ?
- জলাবদ্ধতা থেকে চট্টগ্রামকে মুক্ত করুন
- ৩ লাখ কোটি টাকা পাচার by মামুন আব্দুল্লাহ
- চ্যালেঞ্জের মুখে ববি
- প্রীতির যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং...
- আর্জেন্টিনার আফ্রিকা পরীক্ষা মাঠে মেসি পরিবার by প...
- বিহারি ক্যাম্পে হামলা- সমঝোতার প্রস্তাব মোল্লার by...
- নারায়ণগঞ্জ-৫ উপনির্বাচন- শামীম ওসমানের অডিও নিয়ে ত...
- রানাপ্লাজা ধস- দ্বিতীয় লড়াইয়ে কিশোরী আন্না by শর্ম...
- নিজামীর রায়- আসলে দড়ি পড়েছে চালাকের গলায়
- ‘বিপ্লব’ ঘটাতে আবার পাকিস্তানে কাদরি
- একই ছাদের নিচে তিন ধর্মের উপাসনালয়!
- সাদ্দামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারককে হত্যা করেছে জঙ...
- মতৈক্যের সরকার গঠনে চাপ
-
▼
Jun 25
(20)
-
▼
June
(460)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




