Thursday, March 19, 2020
মেরুদণ্ডের হাড় ভাঙলে কী করবেন by ডা: মিজানুর রহমান কল্লোল

*যতদূর সম্ভব রোগীকে কম নড়াচড়া করাতে হবে। তাকে এমনভাবে তুলতে হবে যেন আহত কশেরুকা বেঁকে, মুচড়ে বা জায়গা থেকে সরে না যায়।
*শোয়ানো অবস্থাতেই পরীক্ষা করতে হবে তার হাতের আঙুল, কব্জি, হাঁটু বা পায়ের পাতা নাড়াতে পারছে কি না। যদি নাড়াতে পারে বুঝতে হবে রোগীর অবস্থা কম ঝুঁকিপূর্ণ, আর মোটেই নাড়াতে না পারলে বুঝতে হবে তার অবস্থা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
*রোগীকে শোয়ানোর সময় এমনভাবে শোয়াতে হবে যে ভঙ্গিতে শুলে রোগী আরামবোধ করে। তবে সাধারণত চিত করে শোয়ালে রোগী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বেশি এবং হাড় নিরাপদে থাকে।
*রোগীকে কোনোভাবেই নড়াচড়া কিংবা বসানো চলবে না। এমনকি উপুড় করাও নিষেধ।
*রোগীকে শোয়ানোর সময় একাধিক ব্যক্তির সাহায্য নিতে হবে যাতে রোগীর নিজ থেকে শারীরিক চাপ প্রয়োগ করতে না হয়।
*রোগীর ঘাড় যাতে বেঁকে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
*রোগীর বুক, কোমর, মাথা এবং ঘাড়ের দুই পাশে বালিশ বা কম্বল রাখুন রাতে সে তার এসব অঙ্গ নাড়াতে পারে।
*রোগী যাতে ঠিকমতো শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে সেদিক খেয়াল রাখুন।
*অতঃপর রোগীকে স্ট্রেচার কিংবা সমান্তরাল কাঠের তক্তায় উঠিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এ সময় তার যাতে ঝাকি না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
*স্ট্রেচার বা কাঠের তক্তা পাওয়া না গেলে চারজন লোক ধরাধরি করে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। একজন রোগীর মাথার নিচে, দ্বিতীয়জন রোগীর কাঁধের হাড়ের নিচে, তৃতীয়জন রোগীর নিতম্বের নিচে ও চতুর্থজন রোগীর হাঁটু ও পায়ের নিচে হাত রেখে রোগীকে সমান্তরাল রাখতে হবে যাতে রোগীর মেরুদণ্ড বেঁকে না যায়।
লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমা বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি:, ২, ইংলিশ রোড, ঢাকা। ফোন: ০১৭২২৯১৬৪৭৯ (সঞ্জয়)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐতিহাসিক তাজহাট জমিদার বাড়ির ভেতর-বাহির by নাকিবুল আহসান নিশাদ
![]() |
| তাজহাট জমিদার বাড়ি |
প্রাচীন রঙ্গপুরের ইতিহাস পুস্তক থেকে জানা যায়, তাজহাট জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রত্ন ব্যবসায়ী মান্নালাল রায়। হীরা, জহরত ও স্বর্ণ ব্যবসার জন্য রঙ্গপুরের মাহিগঞ্জে এসেছিলেন তিনি। প্রথমে বিভিন্ন ধরনের নামিদামি হীরা, মানিক, জহরতখচিত তাজ বা টুপির ব্যবসা ছিল তার। তাজ বিক্রির লক্ষ্যে এখানে হাট বসতো। তাজহাটকে কেন্দ্র করে এই জমিদার বাড়ির নামকরণ হয়। সাদা রঙের বিশাল প্রাসাদটি বেশ বড় জায়গা নিয়ে বিস্তৃত।
প্রাচীন মোগল স্থাপত্যের আদলে বানানো বাড়িটির মধ্যভাগে বিশাল একটি গম্বুজ। দু’পাশে ছড়িয়ে যাওয়া দালানগুলোর একটি মসজিদ আকৃতির। এটি প্রায় ২১০ ফুটের মতো প্রশস্ত ও চার তলার সমান উঁচু। প্রাসাদে মোট ৩১টি সিঁড়ি আছে। প্রতিটিই ইতালীয় ঘরানার মার্বেল পাথরে তৈরি।
সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলেই চোখে পড়ে বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী কক্ষ। এগুলোতে শোভা পাচ্ছে দশম ও একাদশ শতাব্দীর টেরাকোটা শিল্পকর্ম। এখানে রয়েছে সংস্কৃত ও আরবি ভাষায় লেখা বেশকিছু প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলের কোরআন, মহাভারত ও রামায়ণের মূল কপি। পেছনের ঘরে বেশকিছু কালো পাথর দিয়ে সাজানো হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর প্রতিকৃতি। কিন্তু জাদুঘরের ভেতরে ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বাড়িটির চত্বরে রয়েছে বিশাল খালি মাঠ আর সারি সারি গাছ। বাড়ির দু’পাশে দুটি পুকুর। বাড়ির সামনে সুন্দর ফোয়ারার শ্বেতশুভ্র মার্বেল ও তার সবুজাভ নকশা কালের বিবর্তনে কিছুটা মলিন হলেও এখনও এর জৌলুস বোঝা যায়। কথিত আছে, রানির জন্য বিশেষভাবে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
রাজবাড়ির পেছনের অংশে রয়েছে গুপ্ত সিঁড়ি। জনশ্রুতি রয়েছে, এটি কোনও একটি সুড়ঙ্গের সঙ্গে যুক্ত যা সরাসরি ঘাঘট নদীর সঙ্গে যুক্ত। যদিও সিঁড়িটি নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি শাখা বা বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই প্রাসাদ।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে একটি সংরক্ষিত স্থাপনা তথা স্থাপত্য হিসেবে ঘোষণা করে। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে সরিয়ে এই প্রাসাদের দোতলায় নিয়ে আসে। এটি এখন জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জাদুঘরে ঢুকতে লাগে নির্দিষ্ট প্রবেশমূল্য। গাড়ি নিয়ে ঢুকতে চাইলে আলাদা ফি দিতে হয়।
যেভাবে যাবেন
সড়ক পথে ঢাকা থেকে রংপুর রুটে চলাচল করে গ্রিন লাইন, টিআর ট্রাভেলস, আগমনী পরিবহন, এস আর, শ্যামলী, হানিফ, কেয়া ইত্যাদি পরিবহন। ঢাকার কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ছাড়ে এসব বাস।
কোথায় থাকবেন
রংপুরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হোটেল শাহ আমানত, হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার ও হোটেল দি পার্ক (জাহাজ কোম্পানির মোড়), হোটেল তিলোত্তমা (থানা রোড), হোটেল বিজয় ও আরডিআরএস (জেল রোড)।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওষুধ ছাড়া রক্তচাপ কমানোর উপায়

ওজন কমান: মানুষের ওজন যত বাড়ে, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও একই সঙ্গে বাড়তে থাকে। এর কারণে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার পাশাপাশি ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অথচ নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে খুব সহজেই মানুষ নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও এড়িয়ে চলতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম বা পরিশ্রমের কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।
প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের চেষ্টা করুন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়।
স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ: চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। এমন খাবার গ্রহণ করুন, যেন শরীর সব ধরনের পুষ্টি পরিমিতভাবে পায়।
লবণ কম খান: অধিক লবণ খাওয়া হার্টের জন্য ক্ষতিকর। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় লবণের পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করুন। এতে আপনার হার্ট ভালো থাকবে। একই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে তা কমে আসবে।
মদ্যপান কমান: অ্যালকোহল শরীরের জন্য ভালো ও খারাপ উভয়ই। পরিমিত অ্যালকোহল রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিন্তু একই অ্যালকোহল যখন অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা হয়, তা রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অনেক সময় অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরের ওষুধের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
ধূমপান ত্যাগ করুন: প্রতিটি সিগারেট পরবর্তী কয়েক মিনিটের জন্য শরীরের রক্তপ্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। অধিক ধূমপান রক্তচাপকে ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। ধূমপান এড়িয়ে চলুন। এতে হার্ট ও রক্তচাপসহ সার্বিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে।
কফি কম খান: শরীরে কফির প্রভাব নিয়ে বিতর্ক আছে। অনিয়মিত কফি খাওয়ার ফলে রক্তচাপ অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু যারা নিয়মিত কফি খায়, তাদের রক্তচাপে কফি কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়ার জন্য কফি কম খাওয়া ভালো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
করাচি: মৃত ভাস্কর্যের সমাজ by জাহরা নাকভি
![]() |
| মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে একটি ভাস্কর্যের ভাঙ্গা মুন্ডু |
![]() |
| নিজের চারপাশে অদ্ভুত পরিবেশ দেখছেন রানী ভিক্টোরিয়া, ছবি: আরিফ মাহমুদ |
![]() |
| দুর্দশাকবলিত কুমারীরা |
![]() |
| মুণ্ডু হারিয়েও দাঁড়িয়ে আছেন প্রিন্স এলবার্ট |
![]() |
| মার্জিত ভঙ্গীতে দাঁড়িয়ে আছে দুই ক্লাসিক্যাল সুন্দরী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যারা জানে না যুদ্ধ কী: আফগানিস্তানের বিচ্ছিন্ন অংশ
তার পাণ্ডুর মুখে ওই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ১২ হাজার যাযাবর মানুষের কঠিন জীবনযাত্রার ছাপ রয়ে গেছে।
ওখানে বাসকারী লোকজনের কাছে এলাকাটির নাম বাম-ই-দুনিয়া অর্থাৎ ‘পৃথিবীর ছাদ’। পাকিস্তান ও তাকিজিস্তানের সীমান্তবর্তী (চীনও যাওয়া যায় এই করিডোর দিয়ে) পার্বত্যময় ওই এলাকাটি প্রাকৃতিকভাবেই বৈরী এবং অত্যন্ত দুর্গম।
খুব কম লোকই সেখানে যাওয়ার সাহস করে। দুর্গম হওয়ার কারণেই ৪০ বছর ধরে যে যুদ্ধ আফগানিস্তানকে শেষ করে দিচ্ছে, তা সেখানে যেতে পারেনি।
![]() |
| ওয়াখান করিডোরের সুলতার বেগম, ছবি: এএফপি |
কয়েক দশক আগে সোভিয়েত আগ্রাসন ও মার্কিন তহবিলপুষ্ট মুজাহিদদের যুদ্ধের কথা এই এলাকার লোকজন জানে। কিন্তু এরপর তালেবানের উত্থান, তাদের সাথে মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধ বেগমের কাছে কিংবদন্তির মতো শোনায়।
বেগমের বড় ছেলে আসকার শাহের কাছে যখন আইএসের কথা বলা হলো তিনি যেন আকাশ থেকে পড়লেন। বলেন, ‘বিদেশীরা আমাদের দেশে আক্রমণ করছে?’ আমেরিকা ও তার মিত্ররা ২০০১ সাল থেকে তালেবানের যুদ্ধে যুদ্ধ করছে শুনে অবিশ্বাসের চোখে তাকালেন।
এই এলাকাটি সৃষ্টি করা হয়েছিল ১৯ শতকে। জারতন্ত্রী রাশিয়া ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে গ্রেট গেম-এ বাফার জোন হিসেবে এর উদ্ভব। তারপর থেকে স্থানটি তেমনই রয়ে গেছে, সরকার বদল হলেও সেখানে কেউ হাত দেয়নি।
![]() |
| ওয়াখি গোত্রের লোকজন, ছবি: এএফপি |
আফগানিস্তানের তারা পামিরি নামে পরিচিত। তারা মূলত কিরগিজ উপজাতীয়। আগা খানের অনুসারী উদারবাদী ইসমাইলি মুসলিম তারা। সেখানে মুসলিম নারীরা বোরকা কী জানে না।
তারা অপরাধ, সহিংসতা কী, তাও জানে না। ইয়াক আর গবাদি পশু নিয়েই তাদের জীবন কাটে। ওই এলাকায় সামান্য কয়েকজন ব্যবসায়ী যায়। তাদের কাছ থেকেই তারা প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করে।
ওই এলাকায় নেই বিদ্যুৎ, নেই ইন্টারনেট বা মোবাইল ফোন। ওয়াকি-টাকি নিয়ে ওই বিশাল এলাকা অতিক্রম করা যেতে পারে।
ওই এলাকার লোকজন মাঝে মাঝে রেডিওতে রুশ ভাষার খবর শুনতে পায়। তবে সে সুযোগও খুব বেশি নয়। অনেক ব্যবসায়ী নিয়ে আসেন। তবে ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে তা আর কাজ করে না।
![]() |
| ওয়াখি গোত্রের লোকজন, ছবি: এএফপি |
অবশ্য পরিবর্তন আসছে। আফগান সরকার বলছে, তারা বিমান থেকে জরিপ চালাচ্ছে, সেখানে যাওয়ার সহজ কোনো পথ সৃষ্টি করা যায় কিনা তা দেখতে।
চীন ওই এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরিতে কাবুলকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছে বলে আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তা যদি ফলপ্রসূ হয়, তবে ওই এলাকায় আরো ব্যবসা, পর্যটন, চিকিৎসাসেবা বয়ে আনবে।
তবে যুদ্ধ থেকে তারা যে সুরক্ষা পেয়ে আসছিল, তারও অবসান ঘটবে।
![]() |
| পশু পালন ওয়াখিদের প্রধান জীবীকা, ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









