Monday, May 26, 2014
দ্বিদলীয় বৃত্তে বন্দী ভারত, বিকল্প কে? by কুলদীপ নায়ার

বিজেপি-আরএসএস জুটি দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে সফলতা পাওয়ায় হিন্দুত্বের ঘুঁটিটি বের করার তেমন একটা দরকার হবে না, এটা বোঝার মতো বুদ্ধি মোদির ঘটে আছে৷ মধ্যবিত্ত নমনীয় হিন্দুত্বের কর্মসূচি খেয়েছে, তা না হলে এরূপ ভূমিধস বিজয় মোদির বিজেপির কপালে জুটত না৷ সে কারণেই মোদি উন্নয়নের ওপর জোরারোপ করছেন৷ তিনি দেখাতে চান, বিজেপি ভারতের এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে দারিদ্র্যের জোয়াল থেকে মুক্ত করতে পারে৷
যদিও কংগ্রেসের এই ভরাডুবি এবারই নতুন নয়, লোকসভায় দলটি এবার ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৪৪টি পেয়েছে৷ ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর দলটির এরূপ ভরাডুবি হয়েছিল৷ জরুরি অবস্থার রূপকার ইন্দিরা গান্ধী এবং তাঁর ছেলে সঞ্জয় গান্ধীও সেই নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন৷ সঞ্জয়ের ক্ষেত্রে সংবিধান, আইন, কোনো কিছুই প্রযোজ্য ছিল না৷ তার পরও দক্ষিণের রাজ্যগুলো যেমন: কেরালা, কর্ণাটক ও অন্ধ্র প্রদেশ কংগ্রেসেরই ছিল৷ সেবার কংগ্রেসের আসনসংখ্যা ছিল ১৫০৷ এটা ছিল পরাজয়, তবে এবারের মতো তা বিপর্যয়কর ছিল না৷
সেবার জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেস যে বাড়াবাড়ি করেছিল, জনগণ তার জন্য দলটিকে শাস্তি দিয়েছিল৷ জনগণ এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল৷ তারপর জনতা পার্টি ক্ষমতায় এসে লেজে গোবরে করে ফেললে মানুষ আবার কংগ্রেসের ওপর আস্থা রাখে৷
এবার জনগণ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে দলটির অপশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে৷ কংগ্রেস যেন এবার দুর্নীতির ঝাঁপি খুলে বসেছিল, একটার পর একটা শুধু বেরিয়েছে৷ দলটির প্রতি জনগণের এবারের অভক্তি আরও গভীর৷ তারা যে সুশাসন ও দক্ষ সরকার ব্যবস্থাপনা একেবারেই নিশ্চিত করতে পারবে না, সে বিষয়ে জনগণ একদম নিশ্চিত৷
এটা ঠিক, মনমোহন সিং ছিলেন একদম খোলা বইয়ের মতো৷ কিন্তু তাঁর কার্য সম্পাদনের পাতা শূন্য৷ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ক্ষমতার দাপটে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও মার খেয়ে যায়৷ মনমোহন সিং কখনোই কংগ্রেসের সমস্যা ছিলেন না৷ দলটি কীভাবে পরিবারতন্ত্র থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের পায়ে দাঁড়ায়, সেটাই আজ দেখার বিষয়৷
পার্টির সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী সরকার ও দল চালিয়েছেন৷ এখন দুজনেই ব্যর্থ হওয়ায় জনগণ কার দিকে মুখ তুলে তাকাবে? দুজনেই পদত্যাগ করার কথা বলেছেন, কার্যকরী পরিষদ সেটা নাকচ করে দিয়েছে৷ যা-ই হোক, তাঁরাই হচ্ছেন নেতা৷ তাঁরা কাউকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেননি৷ সে কারণে স্বাধীনতার পর থেকে কংগ্রেস পরিবারতন্ত্র থেকে বের হতে পারেনি৷
জওহরলাল নেহরু সম্বন্ধে বলা হতো, তিনি হচ্ছেন বটবৃক্ষের মতো, যে গাছের ছায়ায় অন্য কোনো গাছ জন্মাতে পারে না৷ কংগ্রেস তাঁর ওপর নির্ভরশীল ছিল৷ সে কারণে তাঁর মৃত্যুর পর দলের ভেতর থেকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অন্য কোনো নেতা উঠে আসেননি৷ তাঁর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীকে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুললেও দলের ভেতরে তিনি তখন গ্রহণযোগ্য ছিলেন না৷ নেহরুর পর দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তাঁর উত্তরসূরি হওয়ার কথা৷ তবে মোরারজি দেশাইও সেই চেষ্টা করেছিলেন, কারণ অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থন ছিল তাঁর প্রতি৷ কিন্তু কংগ্রেস সভাপতি কে. কামারাজ তাঁকে খুব গোঁড়া হিসেবে আখ্যা দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীকেই বেছে নিলেন৷
আজ কংগ্রেস একদমই ভিন্ন, কারণ কে. কামারাজ ও মিসেস ইন্দিরা গান্ধী এক ব্যক্তির মধ্যে বিলীন হয়ে গেছেন—সোনিয়া গান্ধী৷ দলকে কিছু ভাবতে হবে না৷ তাঁকে ভেবে দেখতে হবে৷ তিনি কি দল, রাজ্য নেতা ও অন্যদের ওপর
তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে চান? তৃণমূলে কাজ করাকে কি তিনি গুরুত্ব দেবেন, নাকি চাটুকার দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকবেন? দলের বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হবে, এ সিদ্ধান্তের গুরুত্ব আছে৷ এ রকম কিছু একটা চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু জাল ভোটারদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তা নিছক এক অনুশীলনে পরিণত হয়েছে৷
হয়তো দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একাকার করে ফেলা উচিত৷ মিসেস ইন্দিরা গান্ধীও এ কাজ করেছিলেন৷ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দলীয় সভাপতিকে তাঁর পাশে পেয়েছিলেন৷ এটা অনেকাংশে রাষ্ট্রপতি–শাসিত সরকারব্যবস্থার সমান৷ নরেন্দ্র মোদিও এভাবেই সরকার চালাবেন৷ তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় এর আভাস পাওয়া গেছে৷ রাষ্ট্রপতি–শাসিত সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক, এতে কোনো সন্দেহ নেই৷ কিন্তু সেখানে কর্তৃত্বপরায়ণতার সুযোগ থেকে যায়৷ মোদি ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সেরও নেতা হবেন তিনি৷
ইতিহাসে এরূপ নজির ভূরি ভূরি আছে৷ সোভিয়েত ইউনিয়নও এভাবে চলেছে৷ কয়েক দশক পরে মস্কোর হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার কারণে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ে৷ এমনকি রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও একইভাবে দেশ চালাচ্ছেন, ইউক্রেনের প্রতি মস্কোর মনোভাবে এর প্রতিফলন দেখা গেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা থাকলেও সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য আছে, সে কারণে যুক্তরাষ্ট্র একনায়কতন্ত্র পরিহার করতে পেরেছে৷ মার্কিন সংসদে কংগ্রেস যথেষ্ট শক্তিশালী৷
ভারতে কংগ্রেস আবারও ফিরে আসতে পারে, কারণ এ দলই ভারতে এখন একমাত্র বিকল্প৷ জনগণের মনে দুটি দলই আছে—কংগ্রেস ও বিজেপি৷ এক দল ব্যর্থ হলে মানুষ আর কোনো বিকল্প না পেয়ে অপর দলকেই বেছে নেয়৷ ভারতের জনগণ এ দুই দলের মধ্যে আটকা পড়েছে৷
দুর্নীতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন আম আদমি পার্টিতে পরিণত হয়েছে৷ দলটি নিজেদের ভিত্তি বড় করতে পারলে বিকল্প হয়ে উঠতে পারে৷ তারা এই িনর্বাচনে ৩ শতাংশেরও কম ভোট পেয়েছে৷ তবে এরা যে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়৷ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে হলে দলটির আদর্শ ও লক্ষ্য থাকতে হবে৷ দলটি দিল্লিতে যে সুযোগ পেয়েছিল, সেটি তারা নষ্ট করেছে৷ শেষ পর্যন্ত দলটি অনেক দেরিতে নিজেদের ভুল স্বীকার করলেও গায়ের কালিমা দূর করতে অনেক সময় লাগবে৷ দলটিকে মাঠে কাজ করতে হবে৷ শুধু স্লোগানের ওপর নির্ভর করে দলটি চলতে পারবে না৷ দলটির ওপরের দিকে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়েছে, বিশেষত এর নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হাতে৷ এর বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে৷ এর কোনো বিকল্প নেই৷ সেটা হলে মোদির জন্যও ভালো হবে৷
ইংরেজি থেকে অনূদিত
অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
কুলদীপ নায়ার: ভারতীয় সাংবাদিক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি কি তত্ত্বাবধায়ক থেকে সরে গেল? by সোহরাব হাসান
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মহিলা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এম কে আনোয়ার বলেছেন, ‘চ্যালেঞ্জ করছি, প্রধানমন্ত্রী থেকে আমার নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন করুন। আমি দাঁড়াব, পাস করতে পারলে সালাম করে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী মেনে নেব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন টোকিওতে। তিনি এম কে আনোয়ারের এই চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করবেন কি না, সেটি এই মুহূর্তে জানার সুযোগ নেই।
কিন্তু এম কে আনোয়ারের শেখ হাসিনার প্রতি চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে। বিএনপির নেতা এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার মাধ্যমে বোঝাতে চাইছেন যে, নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে পরাজিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার প্রয়োজন হবে না। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখেই তিনি (এম কে আনোয়ার) তাঁর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত আছেন।
সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যেভাবে খুনোখুনি করেছেন তাতে জয়ের ব্যাপারে বিএনপির নেতার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগা অস্বাভাবিক নয়।
এম কে আনোয়ার কেবল বিএনপির অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতাই নন, দুই মেয়াদেই বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। রাজনীতিতে আসার আগে আমলাতন্ত্রের শীর্ষ পদে ছিলেন। অতএব তাঁর এই চ্যালেঞ্জকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।
এম কে আনোয়ারের এই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো বিএনপির নেতারা আওয়ামী লীগ সরকার তথা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখেও নির্বাচনী লড়াইয়ে যেতে প্রস্তুত আছেন। তাহলে আমাদের প্রশ্ন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে তাঁরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিলেন না কেন? চ্যালেঞ্জটি নিলে নির্বাচনের ফল তাঁদের পক্ষেও যেতে পারত। শেখ হাসিনা এখন দলীয় সরকারের প্রধান। আর ৫ জানুয়ারি ছিলেন সর্বদলীয় সরকারের প্রধান; যেখানে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, এখন এম কে আনোয়ার তাঁর নির্বাচনী এলাকায় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নির্বাচনী লড়াইয়ে যাওয়ার যেই চ্যালেঞ্জটি ছুড়ে দিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি সেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন না কেন? তাঁর বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, তাঁরা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে রাজি আছেন। আর সেটি এম কে আনোয়ারের আসনের জন্য সত্য হলে বাকি ২৯৯ আসনের জন্য নয় কেন?
গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের পক্ষে বিএনপির প্রধান যুক্তি ছিল, আওয়ামী লীগ সরকার আরও নির্দিষ্ট করে বললে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে তাঁরা নির্বাচন করবেন না। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বহু জনসভায় ও সংবাদ সম্মেলনে এ কথাটিই বলেছেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট নির্বাচন বর্জন করায় ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ওয়াক ওভার পেয়েছে। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলেও ঠেকাতে পারেনি। যেমন আওয়ামী লীগ ঠেকাতে পারেনি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। দুটোই ছিল সংবিধান রক্ষার নির্বাচন।
এম কে আনোয়ার সাহেবরা যদি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখেই এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি থাকেন, তাহলে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করলেন কেন? কেনইবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এত হরতাল-অবরোধ, ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়ানোর ঘটনা ঘটালেন? দ্বিতীয় প্রশ্ন, এম কে আনোয়ারের এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপি কি তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে? অর্থাত্ তাদের আগের অবস্থান ছিল কোনো অবস্থায়ই শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন নয়। আর এখন প্রধানমন্ত্রী পদে রেখেই শেখ হাসিনাকে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে চাইছেন।
আমরা মনে করি, এম কে আনোয়ারের এই বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার অবসানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ৫ জানুয়ারির আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো যেখানে আলোচনাটি রেখে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে নতুন করে শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে যে সংসদ গঠিত হয়েছে, তা পাঁচ বছর টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে জেদ করবে না। আর বিএনপিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় থাকবে না।
দশম সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নেতারা বলে আসছিলেন যে, এটি সংবিধান রক্ষার নির্বাচন। এ ছাড়া তাঁদের বিকল্প কিছু ছিল না। ভবিষ্যতে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আরেকটি নির্বাচন হতে পারে। তাঁরা নিশ্চয়ই পাঁচ বছর পরের নির্বাচনের কথা তখন বোঝাননি।
একটি অংশগ্রহণমূলক ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকেই ছাড় দিতে হবে। এম কে আনোয়ারের বক্তব্যে বিএনপির ছাড় দেওয়ার পূর্বাভাস পেলাম। এখন আওয়ামী লীগ ছাড় দিতে রাজি হলেই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের এ বক্তব্যকে অনেকে ইউটোপিয়ান ভাবতে পারেন, কিন্তু রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অস্থিরতা কাটাতে এর বিকল্প আছে বলে মনে করি না। ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের ঘটনা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার আগেই সরকারের উচিত হবে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার সূত্রপাত করা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপাল পারলে আমরা পারব না কেন? by কামাল আহমেদ

আকস্মিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যুর কোনো ব্যাখ্যা নেই। কাতার সরকারের নিজস্ব পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে বলা হয়, ২০১২ ও ২০১৩—এই দুই বছরে কাতারে দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি দেশের মোট ৯৬৪ জন অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৮ জন আত্মহত্যা করেছেন। ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কাজ করার সময় পড়ে গিয়ে। শুধু ২০১২ সালেই ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে আকস্মিকভাবে এবং কথিত হৃদ্রোগ৷ শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বাড়তি কাজের চাপই এসব আকস্মিক হদ্রোগের কারণ। কাতারে নির্মাণশ্রমিকদের মধ্যে জাতিগতভাবে নেপালি ও ভারতীয়রা সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় কাজ করছেন বলে তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত পরিসংখ্যান পাওয়া গেলেও বাংলাদেশিদের সংখ্যাগত তথ্য সেখানে প্রকাশ করা হয়নি।
২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বাগতিক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর কাতারকে নতুন করে গড়ে তোলার যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, সেটাই দেশটিতে বিপুল সংখ্যায় অভিবাসী শ্রমিকের কাজের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু, এমনিতেই কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার পটভূমিতে দেশটির প্রস্তুতির দিকে নজর পড়েছে বিশ্বের অনেকেরই। তারই অংশ হিসেবে গার্ডিয়ান পত্রিকার অনুসন্ধানে প্রথম বেরিয়ে আসে এই অস্বাভাবিক হারে মৃত্যুর পরিসংখ্যান। পত্রিকাটি এসব অভিবাসী শ্রমিকদের ‘বিশ্বকাপের দাস’ অভিহিত করে হুঁশিয়ারি দেয় যে ফিফা যদি পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ২০২২ বিশ্বকাপের জন্য মৃত্যুর সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো শুধু কাতার নয়, এমনকি ফিফার সমালোচনায়ও সরব হয়ে ওঠে। তারই পরিণতি কাতার সরকারের এই তদন্ত।
সুপারিশগুলোর মধ্যে যেসব প্রথা বা পদ্ধতি বিলোপ বা সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই পুরো উপসাগরীয় বা আরব দেশগুলোয় চালু আছে। যেমন, কাফালা বা স্পনসরশিপ-ব্যবস্থা। যে নিয়োগকর্তার কাজ নিয়ে একজন শ্রমিক সে দেশে যাচ্ছেন, সেই নিয়োগকর্তার কাছে চুক্তির বন্ধনে আটকে থাকার এই ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে অবসানের মাধ্যমে অভিবাসীর চলাচলের স্বাধীনতা এবং শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে। অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে রিক্রুটিং এজেন্সির ফি আদায় বন্ধেরও সুপারিশ রয়েছে এতে। অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, কোনো নিয়োগকর্তা ন্যূনতম মজুরি না দিলে তাঁর স্পনসর হওয়ার অধিকার বাতিল, কাজের সময়ে স্বাস্থ্যগত ও নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলার দায়িত্ব এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায় ঠিকাদার ও উপঠিকাদার উভয়ের ওপর যৌথভাবে আরোপ, আবাসনব্যবস্থার তদারকি, ইউনিয়ন করার অধিকার প্রদান এবং অভিযোগকারীর বিচার প্রার্থনার জন্য কোনো ধরনের ফি প্রদান থেকে অব্যাহতির কথাও রয়েছে এই সুপারিশমালায়।
এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘ছয় বছরে ১৪ হাজার প্রবাসীর লাশ এসেছে: এমন মৃত্যু মানা যায় না’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৩ সালে মারা যাওয়া যে দুই হাজার ৪৯৬ জনের লাশ দেশে ফিরেছে, তার মধ্যে মাত্র ১৫৯ জনের মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক। যার অর্থ হচ্ছে, ৯৪ শতাংশের মৃত্যুর কারণ স্ট্রোক, হৃদ্রোগ ও দুর্ঘটনা। ২০১২ সালেও মারা যাওয়া দুই হাজার ৩৭৭ জনের মধ্যে ৯৪ শতাংশের মৃত্যুর কারণ অস্বাভাবিক। প্রবাসে যাঁরা কাজ করতে যান, তাঁদের অধিকাংশই বয়সে তরুণ। অথচ, এসব অকালমৃত্যুর বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সংসদে বলেন, ‘প্রবাসে শ্রমিকদের মৃত্যুর হার জাতীয় মৃত্যুর হারের চেয়ে কম।’ (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪, প্রথম আলো)। বাংলাদেশের জাতীয় মৃত্যুর হারের সঙ্গে প্রবাসীদের মৃত্যুর হারের তুলনা দেওয়ার সময় মন্ত্রীর মাথায় আসেনি যে বাংলাদেশের গড় আয়ু এখন বেড়ে ৬৫-তে উঠেছে, আর প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যু ঘটছে তার অর্ধেক বয়সে। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরের বিবরণী পড়ে মনে হয় তাঁর বিবেচনায় প্রবাসীদের সেবা ও সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল সমস্যা বিদেশের দূতাবাসগুলোয় জনবলের সংকট। কিন্তু, জনবল বাড়ালেই যে সমস্যার সমাধান হবে না, তার আলামত মন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গিতেই স্পষ্ট। প্রবাসে প্রতিটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ ময়নাতদন্ত দাবি করা কি এতটাই দুঃসাধ্য? নেপাল যেটা পারে, আমরা সেটা কেন পারব না? মধ্যপ্রাচ্য ও দূরপ্রাচ্যে শ্রমিক সরবরাহের প্রধান উৎস যেসব দেশ, তার একটা বড় অংশই দক্ষিণ এশিয়ার জোট সার্কভুক্ত—ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। সুতরাং, এই দেশগুলোর সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ অভিবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় যতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, একক কোনো উদ্যোগে তার ভগ্নাংশ পরিমাণও অর্জন সম্ভব নয়।
৭ মে একই ধরনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ‘ইনটু দি আননোন’ প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা অ্যান্টি-স্লেভারি ইন্টারন্যাশনাল। তাদের এই রিপোর্টটি নেপালি অভিবাসী শ্রমিকদের বিষয়ে, তবে নারী শ্রমিকদের বিষয়ে যাঁরা গৃহকর্মী বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করছেন। যে দেশটির কাজের পরিবেশ নিয়ে এই প্রতিবেদন, সেটি হচ্ছে লেবানন। সেখানে প্রায় ১২ হাজার নেপালি নারী শ্রমিক কাজ করছেন, যাঁদের অনেককেই দাসত্বের জীবন যাপন করতে হচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এখানেও দাসত্বের শৃঙ্খলের কারণ ওই কাফালা। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ থেকেও হাজার হাজার নারী শ্রমিক লেবাননের ‘অজানা জীবনে’ পাড়ি জমিয়েছেন। মাঝেমধ্যে সংবাদপত্রে তাঁদের দুর্ভোগের খবরও প্রকাশিত হয়। তাতে সর্বসম্প্রতি পরিহাসের যে বিষয়টি যুক্ত হয়েছে, তা হলো বৈরুতে বাংলাদেশের এক কূটনীতিকের নিযুক্তি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে সে রকমই এক অভিযোগ আলোচিত হচ্ছে। অভিবাসী বাংলাদেশিদের একটি সংগঠনের অভিযোগ, লেবাননে বাংলাদেশিদের স্বার্থ দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে যে কূটনীতিককে, গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগেই তাঁকে সুইডেন থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল।
আগামী বছরের বাজেট দেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে অঙ্ক কষতে গিয়ে আমাদের মন্ত্রী ও আমলারা হিসাব পেয়েছেন যে মাথাপ্রতি জাতীয় আয় বেড়ে এখন এক হাজার ১৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চারদিকে দলীয় নেতা-কর্মীদের খুনখারাবি, অপহরণ-বাণিজ্য, দখলদারি, চাঁদাবাজি, তদবিরবাজির দুঃসংবাদের মধ্যে অন্তত এই একটি খবর প্রধানমন্ত্রীকে উৎফুল্ল করেছে বলে সংবাদপত্রের খবর। এ-জাতীয় আয় বৃদ্ধির সুফল সংখ্যাগরিষ্ঠের ঘরে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও যে সত্যকে এড়ানো যাবে না, তা হলো এতে প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান। বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক আয়ের উৎস হচ্ছে এই প্রবাসীদের শ্রম, যাঁরা পেছনে রেখে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য বাড়তি পরিশ্রম করে আলিঙ্গন করছেন অকালমৃত্যু। জাতীয় আয় বৃদ্ধির সাফল্য উদ্যাপনের সময় ভবিষ্যতের এমন অকালমৃত্যু ঠেকানোর কথা কি আমরা একটুও ভাবব না?
কামাল আহমেদ: প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইনের শাসন না থাকলে যা হয়
![]() |
| এই গাড়িতেই একরামুল হককে পুড়িয়ে মারে সন্ত্রাসীরা |
নারায়ণগঞ্জে সাতজনকে অপহরণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে সাংসদ শামীম ওসমান ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন জড়িত থাকতে পারেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন র্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক তারেক সাঈদ মোহাম্মাদ। তবে এই হত্যাকাণ্ডে তাঁর নিজের বা র্যাব-১১-এর কারও জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে জুবায়ের হোসেইন লিখেছেন: সরকারের সদিচ্ছা থাকলেই এসব খুনের রহস্য উদ্ঘাটন হবে, না হয় সাগর-রুনির, ত্বকী, মিল্কি, ইলিয়াস আলীর মতো এঁদের স্বজনেরাও প্রকৃত বিচার পাবেন না। ফুয়াদ: আওয়ামী লীগের সময়: নারায়ণগঞ্জের সাত খুনে মন্ত্রীর জামাই গ্রেপ্তার। পাঁচ দিনের রিমান্ডে। বিএনপির সময়: বাঁশখালীর ১১ খুন: কেউ গ্রেপ্তার নয়। বিএনপির পতনের পর মন্ত্রীর ভাইয়ের পাকিস্তান পলায়ন। অদ্যাবধি পলাতক। পার্থক্যটা এখানেই। মুন্না: কেউ বাঁচতে পারবে না। এরা এভাবে একে অপরের জারিজুরি ফাঁস করে দেবে।
শামীমের সহায়তায় পালান নূর হোসেন?
নারায়ণগঞ্জের সাতজনকে খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে বিদেশে পালাতে সাহায্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংসদ শামীম ওসমান। এর কঠোর সমালোচনা করে পাঠক আসিফ উল হক লিখেছেন: শামীম ওসমান দাবি করেছেন, ‘আমি জানি, ঘটনা অন্য কেউ ঘটাইয়া এক ঢিলে দুই পাখি মারতেছে।’ তাহলে শামীম ওসমানকে রিমান্ডে নিলেই তো সব বের হয়ে আসবে। বিল্পব: আমরা বুঝতে পারছি না, শামীম ওসমানের মতো লোক আওয়ামী লীগের কী উপকারে আসছেন? বরং তাঁর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শুধু নারায়ণগঞ্জে নয়, সমগ্র বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে! এ ডব্লিউ হক: এই সবকিছুর জন্য দায়ী আওয়ামী লীগের একতরফা অগণতান্ত্রিক নির্বাচন ও স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সারা দেশে খুন, গুম, হত্যা হাজার গুণ বেড়েছে আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনের পরপরই। সবাই জানে শেখ হাসিনার আশীর্বাদপুষ্ট শামীম ওসমানের পৃষ্ঠপোষকতায় নূর হোসেনরা গোটা নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সামনে চাঁদাবাজি, খুন, গুম হত্যা করছেন।
শেখ হাসিনা-কামাল হোসেন বিতর্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর কার্যালয় এবং ড. কামাল হোসেনের মধ্যে যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে,তা নিয়েই এই কলাম। এ ব্যাপারে পাঠক শামসুল আমিন লিখেছেন: ড. কামাল স্যার, হাসিনার এই একনায়কতন্ত্রে ভালো এবং ভদ্র মানুষের মূল্য নেই...। মো. নূর ইসলাম: ড. কামাল হোসেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন ভাঙা কুলাসম। যখন কাজে লেগেছিলেন, তখন খুব ভালো ছিলেন। আর আজ দেশে প্রচলিত অপশাসনের বিপক্ষে যে-ই কথা বলবেন, তাঁরই সমালোচনা হচ্ছে। কামাল সাহেবকে সমালোচনা দিয়ে শুরু করা হলো। দেখা যাক শেষটায় গিয়ে কোথায় ঠেকে। শাহিদুল ইসলাম: গায়ের জোরে বা চাপার জোরে কিছুদিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় কিন্তু কখনোই মানুষের মন জয় করা যায় না। সোহাগ: যারা শেখ মুজিব ও তাজউদ্দীনের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করেছিল, সেই সুবিধাভোগী দল আজও আছে। হয়তো তারাই নতুন ইতিহাস রচনার চেষ্টা করছে। কারণ, সবকিছুই হয় ম্যাডামকে খুশি করার জন্য৷ আর এ কথা সবাই জানে, সুসময়ে বা ক্ষমতায় থাকাকালে অনেকেই তার অতীতটা ইচ্ছে করেই স্মরণ না করার চেষ্টা করে। তার ওপর তেলবাজরা তো আছেই...।
ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যানকে গুলি করে ও পুড়িয়ে হত্যা
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হককে গাড়ির ভেতরে গুলি করে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। একরামুল হক ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এ ব্যাপারে পাঠক কিরণ আহমেদ লিখেছেন: কিচ্ছু করার নাই। সরকার ঘুমাইতেছে। মন চাইলে এ দেশে থাকেন, নইলে পটেন।আব্দুল্লাহ আল-মামুন: কী কারণে এবং কারা এসব ঘটাচ্ছে, তা খঁুজে বের করতে হবে। রাসেল: কী ভয়াবহ! এ দেশটা কি এখনো বসবাসের উপযোগী আছে? সময় হয়েছে ভাবার। আইনের শাসন না থাকলে যা হয় আর কি! কঠোর আইন প্রণয়ন করে হলেও এগুলো বন্ধে সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি এবং শাস্তি যেন জনসমক্ষে কার্যকর করা হয়। মনিরুল রিয়াদ: নারায়ণগঞ্জের পর ফেনী। এটাও সম্ভবত অন্তর্কোন্দলের ফল। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সমর্থনের সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে না থাকলে যা হয়। এরশাদের শাসনামলে যা হয়েছিল। তানভীর সিদ্দিকী: এবার কি জনগণ আবার গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করবে? দেশের সরকার পতন কি জনগণ করবে? এম এইচ কবির পল্লব: অসভ্যতার শেষ পর্যায়ে! আর কতটা পথ পেরোলে বলা যাবে আমরা অসভ্য! রাসেল: দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো গ্যারান্টি নেই। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি। এভাবে চলতে পারে না।
জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি বন্ধ
মুক্তিযুদ্ধকালে অপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মামলা করা এবং তার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের অন্তর্দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে৷ এ কারণে জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর প্রায় দুই মাস পার হতে চললেও দলটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা যায়নি। এ ব্যাপারে পাঠক নিশিতার মন্তব্য: ভেবেছিলাম অন্তত জামায়াতের কবল থেকে আমরা বাঁচব। আমরা আম জনতা। আমাদের আশা করতে নেই। ওনাদের ব্যক্তি স্বার্থ হলো আসল। সেগুলো পূরণ হলেই হলো। মো. এস আলম: মনে হয় না যে সরকার এই মামলার পরিণতি দেখতে চায়। যদি তা-ই হয়, তবে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে দেওয়া হোক, আমরা বিচার করব সেই একাত্তরের কায়দায়। সুমন: যেভাবে দলে দলে জামায়াতিরা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে, তাতে কি বিচার চলে? শাহরিয়ার কবির: গণজাগরণ মঞ্চকে ধাক্কা দেওয়ার পরই বোঝা গিয়েছিল কোথাকার পানি কোন দিকে গড়াচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিরাজ মহানবী (সা.)-এর শ্রেষ্ঠ মুজিজা
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিহ্যাবের পকেট কমিটি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একরামকে হত্যা- ঢাকা থেকে খুনের নির্দেশনা টেলিকনফারেন্সে by তোহুর আহমদ
গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল কিলিং শুরুর আগে একটি মোটরসাইকেলে করে নিজেই দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তিনি ফেনী পৌরসভায় নিজ অফিসে মিশন সফল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকেন। এ সময় তিনি তার অন্যতম সহযোগী বেলাল মেম্বারের সঙ্গে দফায় দফায় ফোনে কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল আলম মিস্টার, মামুন ও জাহিদ চৌধুরী ঘটনাস্থলের পাশেই অবস্থান নিয়ে জুনিয়র কিলারদের রাস্তায় অবস্থান নিশ্চিত করেন এবং উৎসাহ জোগান।
আদেল ও মিস্টারের উত্থান যেভাবে : সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ দেন আশির দশকে। এরপর ১৯৮৫ সালে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হন। ছাত্রলীগের নেতা থাকা অবস্থায় তার খ্যাতি জোটে ‘কূটবুদ্ধি’র জোগানদাতা হিসেবে। এক পর্যায়ে তাকে ছাত্রলীগের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে তিনি জয়নাল হাজারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। ফেনীর বিভিন্ন খুন ও গুমের পরিকল্পনাকারী হিসেবে ধরা হয় তাকে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলে অবস্থান পাকাপোক্ত করে না দেয়ায় জয়নাল হাজারীর ওপর ক্ষুব্ধ হন আদেল। ২০০১ সালে জয়নাল হাজারী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেলও আত্মগোপনে চলে যান। ২০০২ সালে জয়নাল হাজারীর কুখ্যাত ক্লাস কমিটির ক্যাপ্টেন আজাহারুল হক আরজু, শাহজাহান সাজু, শাখাওয়াত হোসেন, করিম উল্লাহ বিকমের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আদেলও কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার হন। দীর্ঘদিন জেলে থাকার সময় জয়নাল হাজারী তাদের কোনো খোঁজ না নেয়ায় নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীকে নিয়ে আলাদা গ্র“প তৈরি করেন তিনি। এই গ্র“পটি চট্টগ্রাম থেকে জামায়াত- শিবিরের অস্ত্রধারী শীর্ষ ক্যাডারদের ভাড়ায় এনে জয়নাল হাজারীর ক্যাডারদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে। ফেনীর তৎকালীন ডিসি আবদুল কুদ্দুস খান ও ওসি আমিনুল ইসলামের সহযোগিতায় জয়নাল হাজারীর ক্যাডারদের গণহারে গ্রেফতার করে জেলে ঢোকানো হয়। অনেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। এক পর্যায়ে আতংক ছড়াতে জয়নাল হাজারীর বাড়ি শৈলকুটিরে তিন দফা হামলা চালায় আদেলের গ্র“প। এর ফলে জয়নাল হাজারী শিবিরের আতংকে ছড়িয়ে পড়ে। এই আতংককে পুঁজি করে একরাম-নিজাম-আদেল সিন্ডিকেট ফেনীতে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। ২০০৯ সালে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর একরাম-নিজাম-আদেল সিন্ডিকেট জেলাজুড়ে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ ও ট্রাক-বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে। চাঁদাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সিন্ডিকেটের মধ্যে ফাটল ধরলে উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম সিন্ডিকেট থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে একরাম ও আদেল-নিজামের সিন্ডিকেটের মধ্যে শুরু হয় ঠাণ্ডা লড়াই। ২০১০ সালে নিজাম উদ্দিন হাজারী নতুন করে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ নেন। মাত্র অল্প কিছুদিনের মধ্যেই জয়নাল হাজারীশূন্য ফেনী আওয়ামী লীগে অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন নিজাম উদ্দিন হাজারী। ২০১২ সালে তিনি নিজেকে ফেনী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে প্রচার করেন। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল ফেনী শহরে অস্ত্র ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে জেলার ডন হিসেবে পরিচিতি পান এবং বিশাল এক ক্যাডার বাহিনী তৈরি করেন। তার ক্যাডারদের মধ্যে অন্যতম হল- ফেনী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কৌহিনুর আলম, আবদুল্লাহ হিল মাহমুদ শিবলু, শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুল আলম ওরফে দাদা ভাই, জিয়াউল আলম মিস্টার, মামুন, আনোয়ার, জানে আলম, নরুল আফছার আপন, কুখ্যাত সন্ত্রাসী রুটি সোহেল ও শহিদান। আদেলের নেতৃত্বে ফেনীর বিভিন্ন টার্মিনাল থেকে চাঁদা আদায় ও টেন্ডারবাজির কমিশন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে আছেন স্বপন মিয়াজী, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ফেনী শাখার কর্মকর্তা সেন্টু, শুসেন চন্দ শীল, বাহার উদ্দিন বাহার, সোনাগাজীর ভুট্টুসহ আরও অনেকে। এমপি নিজাম উদ্দীন হাজারীর অস্ত্র ও মাদকভাণ্ডার নিয়ন্ত্রক জিয়াউল আলম মিস্টার। ২০০৮ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর নিজাম-একরাম-আদেল সিন্ডিকেটে যোগ দেন জিয়াউল আলম ওরফে মিস্টার। চাঞ্চল্যকর উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে হত্যার আগে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও কিলিং মিশনের নেতৃত্ব দেন জিয়াউল আলম মিস্টার। এ কাজে তার সঙ্গী হিসেবে রাখেন মামুন, জনি, রুটি সোহেল, আনোয়ার ও সোনাগাজীর ভুট্টোকে। মাদক ব্যবসার অভিযোগও আছে মিস্টারের বিরুদ্ধে। ফেনীর ৮টি স্থানে মাদকের পাইকারি বাজার গড়ে তুলেছেন তিনি। মাদক ব্যবসার সূত্রে কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি নিজেকে কোটিপতির কাতারে নিয়ে গেছেন।
ওসির রুমে ঘুমালেন শিবলু : শনিবার রাতে গ্রেফতার হওয়ার পর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল্লাহ হেল মাহমুদ শিবলুকে নিয়ে নানা ধরনের নাটক করেছে পুলিশ। প্রথমে তাকে হাতকড়া না পরিয়ে ওসির কক্ষে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার কারণে শিবলুর রাতের খাবারের জন্য সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আলমগীর ব্যস্ত হয়ে ছোটাছুটি করেন। রাত ১২টায় ওসির কক্ষে নতুন ফ্যান লাগানো হয়। এরপর সকাল ৮টায় শহরের ‘ফাইভ স্টার’ নামের হোটেল থেকে নাস্তা আসে। শিবলুর বাড়ি থেকে ফলমূল ও উন্নত খাবার নিয়ে যায় পুলিশ। কিন্তু এসবই হয় গোপনে। সাংবাদিকের থানায় যাওয়া ছিল নিষিদ্ধ।
আদেলের বক্তব্য : একরাম হত্যার সঙ্গে জড়িত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল রোববার যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার সময় তিনি ফেনীতে ছিলেন না। তাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। তিনি বলেন, একরাম হত্যায় জামায়াত-শিবিরের লোক জড়িত। জামায়াত-শিবিরের লোকজনই এখন উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকেসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘটনার সঙ্গে জড়াতে চাইছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীকে জড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে জয়নাল হাজারী পানি ঘোলা করছেন। জয়নাল হাজারী এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান নায়ক দাবি করে তিনি বলেন, হাজারী অনেক লোককে হত্যা করেছে। তার কারণে আওয়ামী লীগ বিতর্কিত হয়েছে। এমনকি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীও বিতর্কিত হয়েছেন। নিজাম হাজারীর নেতৃত্বে ফেনীতে যখন সুন্দর একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখন জয়নাল হাজারী পরিস্থিতি জটিল করে তুলছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ▼ 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
