Tuesday, December 29, 2009
জনগণের নিরাপত্তা -নৈতিকতার কোনো জায়গা নেই, শুধুই রাজনীতি by কুলদীপ নায়ার
আমি ভেবেছিলাম, গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী দিগম্বর কামাত এ জন্য নায়েককে তিরস্কার করবেন; কিন্তু তেমন কিছুই হয়নি। উল্টো মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, পুরুষের সঙ্গে রাতের বেলা বাইরে যাওয়া এক নারী ধর্ষণ-জাতীয় বিষয়ে বলছিলেন। তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে ভারত ও বহির্বিশ্বে কী ধরনের অভিব্যক্তি তৈরি হচ্ছিল, তার কোনো তোয়াক্কা করেননি তিনি। নায়েকের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে—এ প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়ার সরকার আগে আমার কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে লিখুক, তারপর দেখা যাবে।’ তবু বারবার রাজ্যের পুলিশ ধর্ষণের শিকার নারীকে ঘুষ সেধেছে। শেষবার যে ঘুষ সাধা হয়, তার পরিমাণ ১৫ লাখ রুপি।
কেন্দ্রীয় সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণাও নিন্দা জানিয়ে কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেছেন, ‘বিদেশিদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।’ জানি না, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ কথার সঙ্গে পর্যটনমন্ত্রী একমত হবেন কি না। কিন্তু এ রাজ্যের এক মন্ত্রী গোয়াকে ‘দুনিয়ার ধর্ষণ রাজধানী’ বললে কেমন করে গোয়া আশা করে, বিদেশিরা, এমনকি ভারতীয়রা এখানে ঘুরতে আসবে।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুম্বাইয়ে মস্কোর কনসুল জেনারেল আলেকসান্দর মানতিিস্ক একটি চিঠিতে তাঁর দেশের পক্ষ থেকে তাঁর উদ্বেগের কথা জানান। একটি হিসাব থেকে জানা যায়, প্রতিবছর গোয়াতে ঘুরতে আসা চার লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটকের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার রাশিয়া থেকে আসে। বেইলানচো সাদ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা চালান সাবিনা মার্টিন্স। থলের বেড়াল বেরিয়ে এসেছে তাঁর কথায়, ‘আজকের পর্যটন বিজ্ঞাপনে আর এ রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা রাজ্যবাসীর অতিথিপরায়ণতার কথা বলা হয় না। প্রচারণায় “মদ, নারী ও গান” দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যা স্থানীয় সংস্কৃতি থেকে আলাদা।’
প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছি কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর নীরবতায়। অভিযুক্ত জন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে গোয়ার কংগ্রেস সরকারের ওপর কী ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ঘটবে, তিনি হয়তো সে হিসাব কষতে ব্যস্ত। এ রাজ্যে জন ফার্নান্দেজ রাজনৈতিকভাবে বেশ প্রভাবশালী। এ রাজ্যে কংগ্রেসের শাসন দোদুল্যমান, কয়েকজন সদস্য বিদ্রোহ করলে সরকারের পতন ঘটতে পারে বা বিরোধী দল ক্ষমতায় চলে আসতে পারে, এ কথা সত্য। কিন্তু এটিই কি চূড়ান্ত বিবেচ্য? নৈতিকতার কোনো জায়গা নেই, শুধুই রাজনীতি!
একটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পর পর তিন দিন জানতে চেয়েছে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কয়েকজন সাংসদও সরকারকে এ প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু সরকার এখনো নীরব। প্রশ্ন হলো, ধর্ষণের একটি ঘটনা ঘটার পর সে বিষয়টি অনুসরণ করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো দায় আছে কি না। অভিযুক্ত পার পেয়ে যেতে পারে বা তার বিরুদ্ধে কোনো কিছু প্রমাণ নাও হতে পারে। কিন্তু কেমন করে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ চুপ করে বসে থাকে? রাজনৈতিক চাপের কারণে ধর্ষক পার পেয়ে যেতে পারে, এ বিষয়টি এখন স্পষ্ট।
এ আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ পাওয়া যাবে হরিয়ানার এক ঘটনায়। ১৯ বছর পর সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) বিশেষ আদালত রাজ্য পুলিশের সাবেক মহাপরিচালক এস পি এস রাঠোরকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার রুপি জরিমানা করেন। ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশের মহাপরিচালকের মাত্র ছয় মাসের সাজা হওয়া বিচারের নামে প্রহসন। লঘুদণ্ড দেওয়ার জন্য আদালতকে দায়ী করা ঠিক হবে না; কারণ, সিবিআই পুলিশের এক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে প্রকৃত অপরাধের অভিযোগ দাখিল করতে চায়নি। যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটার নয় বছর পর এফআইআর করা হয়, কিন্তু সেটাকেও বদলে দেওয়া হয় একটি স্মারকে। কী পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, তা সহজেই অনুমেয়। তখন আইজি থাকা অবস্থায় রাঠোর রাজ্য সরকারের কাছে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন যে এই অপরাধ করার পরও তাঁকে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাসার বাইরে গুন্ডাদের লেলিয়ে দেওয়া হয় মেয়েটি বাইরে বেরোলে তাকে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করার জন্য। রাঠোর যে কতটা ক্ষমতাবান ছিলেন, এ থেকেই বোঝা যায়। মেয়েটির বাড়িতে পাথর ছুড়ে মারা হতো। তিন বছর এভাবে চলার পর মেয়েটি কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে। তার বাবা চণ্ডীগড়ের কাছের পাচখোলার বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে কলকাতায় চলে যান। মেয়েটির দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ১১টি মিথ্যা মামলা করা হয়। বছরের পর বছর এসব মামলা চলার পর অবশেষে তাঁরা খালাস পান। মেয়েটির মা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘রাঠোরের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে স্মারক দায়ের করার পর আমাদের হুমকি দেওয়া হয়।’ কিন্তু লঘু কারাদণ্ডেও রাঠোরকে জামিন দেওয়া হয়। হরিয়ানার পুলিশব্যবস্থা ও তদন্তকাজে অংশ নেওয়া সিবিআইতে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার প্রধান বিচারপতি মুকুল মুগডাল এ মামলা পুনঃ তদন্তে একটি বিশেষ দল নিযুক্ত করতে পারেন। গুজরাটের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এমনটি করেছিলেন; শেষে প্রমাণিত হয়, আগের বিচার ঠিক ছিল না।
ভারতের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পুলিশ সংস্কার ও বিচারব্যবস্থা সংস্কার করার সময় হয়েছে। পুলিশের সাবেক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের এক মামলা কেমন করে ১৯ বছর ধরে চলতে পারে? যেসব মন্ত্রী, আমলা আর পুলিশ কর্মকর্তা একে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের সবার বিচার হওয়া উচিত। দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসীন কাউকে বিচারের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়ার পরীক্ষার ক্ষেত্র হোক এটি। বিস্তারিত বিবরণ জানার পর দেশবাসী প্রচণ্ড ঘৃণা বোধ করছে। নীরবতা বা নিষ্ক্রিয়তাকে মনে হবে, চাপ ও ক্ষমতার কাছে নতি-স্বীকার।
ভারতের জন্য অসম্মানজনক আরও একটি ঘটনা ঘটিয়েছে আমেরিকার আইসক্রিম কোম্পানি হাগেন-ডেইজ। দিল্লিতে এটির শাখা উদ্বোধন করার সময় বাইরে একটি বোর্ডে লেখা হয়, শুধু বিদেশি পাসপোর্টধারীরা এখান থেকে আইসক্রিম কিনতে পারবে। যার অর্থ হলো, ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ। কোনো সার্বভৌম দেশের জন্য এটি প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হওয়ার মতো ঘটনা। কোম্পানিটি সেই বোর্ড সরিয়ে নিয়েছে, কিন্তু এর জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেনি। শুধু বলেছে, এই বিজ্ঞাপনটি তারা যেভাবে ভেবেছিল, সেভাবে কাজ করেনি। একটি সহজ প্রশ্নের উত্তর এ কোম্পানির দেওয়া উচিত, এটি কি নিজ দেশ আমেরিকায় এমন কোনো বোর্ড টাঙিয়ে দিতে সাহস দেখাত? উন্নত বিশ্ব নিজেদের উদ্ধত ও উদ্ভট ধারণাগুলো পরীক্ষার ক্রীড়াক্ষেত্র মনে করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে। কিন্তু এভাবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো অবমাননাপ্রবণ হয়ে উঠেছে।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
কুলদীপ নায়ার: ভারতীয় সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কারবালার চেতনা -পবিত্র আশুরা by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
পবিত্র আশুরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যময় একটি দিবস। পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামে সব সময় সত্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সত্য প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচরেরা ৬১ হিজরিতে এদিন ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনীর হাতে কারবালায় নির্মমভাবে শহীদ হন। ইসলামের সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য তাঁর এ আত্মত্যাগ ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের মহিমা মুসলিম উম্মাহর জন্য এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। জুলুম-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার এবং অসত্য ও অন্যায় প্রতিরোধে আশুরার মহান শিক্ষা জাতীয় জীবনে প্রতিফলন ঘটানো দরকার।
নবী-দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) ছিলেন সত্যের প্রতীক। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাতিলের রক্তচক্ষু তাঁকে এতটুকু বিচ্যুত করতে পারেনি। ক্ষমতালোভী ইয়াজিদকে সমর্থন না করায় পরিস্থিতি অনিবার্য সংঘর্ষের দিকে এগোতে থাকে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নবী করিম (সা.)-এর ইন্তেকালের পর খুলাফায়ে রাশেদিনের শাসনামল পর্যন্ত ইসলামি আদর্শ তথা পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রাষ্ট্র পরিচালিত হতো; কিন্তু ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.)-এর ইন্তেকালের পর মুয়াবিয়ার পুত্র ইয়াজিদ নিজেকে মুসলিম সাম্রাজ্যের খলিফা দাবি করে দামেস্ককে রাজধানী ঘোষণা করেন। কিন্তু মদিনার লোকেরা তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইমাম হোসাইন (রা.)-কে খিলাফতের আসন গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান। ইমাম হোসাইন (রা.) নিজেকে খলিফা দাবি না করলেও ইয়াজিদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। দুর্ভাগ্যবশত খুলাফায়ে রাশেদিনের প্রতিষ্ঠিত ন্যায়নীতি লঙ্ঘন ও পদদলিত করে ইয়াজিদ অন্যায় ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মুসলিম জাহানের শাসক হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং খিলাফতের পরিবর্তে প্রথম রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। এ পদে থেকে ইয়াজিদ ইসলামি আদর্শবিরোধী তত্পরতা শুরু করে এবং খলিফা হিসেবে স্বীকৃতিদানের জন্য সাম্রাজ্যে ভীতিসঞ্চার করে সন্ত্রাসী তত্পরতা চালায়। রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং বায়তুল মাল দখলকারী ইয়াজিদ অন্যায়ের কাছে মাথানত করে।
ইয়াজিদের সঙ্গে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর বিরোধ ছিল আদর্শিক, ইয়াজিদ ন্যায়নিষ্ঠ শাসক ছিল না। তার ছিল প্রচণ্ড ক্ষমতালোভ এবং শাসক হিসেবে ছিল হীন চরিত্রের স্বৈরতন্ত্রী। মুসলিম সমাজের যোগ্য প্রতিনিধিরা খলিফা বা আমিরুল মুমিনীন পদে তাকে মনোনয়নও দেয়নি, বরং ইয়াজিদ জবরদস্তিমূলকভাবে খলিফার পদ দখল করে বসেছিল। এ অবস্থায় ইমাম হোসাইন (রা.) ইয়াজিদকে খলিফা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। এরই পরিণতিতে একপর্যায়ে মদিনা থেকে কুফা যাওয়ার পথে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা নামক স্থানে ইয়াজিদের তাঁবেদার বাহিনীর হাতে তিনি সপরিবারে জীবন বিলিয়ে দেন। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কোলে যিনি লালিত-পালিত হয়েছেন, যাঁর দেহে আখেরি নবীর রক্ত প্রবাহিত, তিনি কীভাবে তাঁরই আদর্শবিরোধী পন্থায় অধিষ্ঠিত শাসকের হাতে বায়আত বা আনুগত্য গ্রহণ করতে পারেন? এ ঘটনা মানবজাতির ইতিহাসে এক মর্মন্তুদ শোকাবহ ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে। এখন পর্যন্ত সারা দুনিয়ার মুসলিম সমাজ, এমনকি জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে নিপীড়িত মানুষ এ শোকাবহ ঘটনাকে স্মরণ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রেরণা লাভ করেন। কারবালার ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবারের সুমহান আত্মত্যাগের কাহিনী নয়, এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়সংগত প্রতিবাদের এক অনন্য সাধারণ বীরত্বগাথা। অপরদিকে এ ঘটনার ভেতর দিয়ে ক্ষমতালোভী মানুষের নৈতিক অধঃপতন, ক্ষমতার মোহ ও অর্থলিপ্সার হীন চরিত্র ফুটে উঠেছে।
কারবালায় ইমাম হোসাইন (রা.)-সহ নবী বংশের আত্মত্যাগ ইসলামের কালজয়ী আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য; তাই আশুরার ঘটনাবহুল ঐতিহ্য শৌর্য-বীর্য ও ত্যাগের অপূর্ব মহিমায় সমুজ্জ্বল। কারবালা প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) সেদিন যে জান কোরবানির অনন্য নজির স্থাপন করেন, তা যুগে যুগে শান্তিকামী মানুষকে এক দুর্দমনীয় অনুপ্রেরণাসহ মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর উত্সাহ দিয়ে আসছে। কারবালা ট্র্যাজেডির বদৌলতেই ইসলাম স্বমহিমায় পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। সেদিন ইমাম হোসাইন (রা.) যদি দুরাত্মা ইয়াজিদের সঙ্গে আপস করতেন, তাহলে রাজ সিংহাসন তাঁর বশীভূত হতো। কিন্তু নিজের স্বার্থ ও ক্ষমতালিন্সা তাঁকে গ্রাস করেনি। লোভ-মোহের ঊর্ধ্বে উঠে ইমাম হোসাইন (রা.) বুকের তাজা রক্ত প্রবাহিত করে ইসলামের চিরশাশ্বত নীতি ও আদর্শকে সমুন্নত করলেন। কারবালার রক্তাক্ত সিঁড়ি বেয়েই ইসলামের পুনরুজ্জীবন ঘটে। তাই যথার্থই বলা হয়, ‘ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায়/হর কারবালা কী বাদ’—ইসলাম জীবিত হয় প্রতি কারবালার পর।
হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সপরিবারে শাহাদাতবরণের ঘটনা ১০ মহররম আশুরাকে দিয়েছে বিশেষ মাত্রা ও ত্যাগের মহিমা। এদিন শুধু শোক আর বেদনা নয়, বরং কারবালা আমাদের অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে, আত্মত্যাগে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। ইমাম হোসাইন (রা.) অসত্য ও অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। ফোরাত নদীর তীরে ইয়াজিদের অন্যায় দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে তিনি এক অসম যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনবাজি রেখে সপরিবারে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি, ইসলামের ইতিহাস তাঁদের অমর করেছে। কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মৃতিতে ভাস্বর পবিত্র আশুরায় শাশ্বত বাণী তাই আমাদেরকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার প্রেরণা জোগায়।
বস্তুত, কারবালার ঘটনা কোনো আহাজারি কিংবা মাতমের বিষয় নয়, এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই। ইমাম হোসাইন (রা.) আজ অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে গণ্য। বিশ্বজুড়েই আজ সত্য-অসত্যের ও ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছে। অসত্য ও অন্যায়ই যেন প্রবলভাবে বিরাজমান। যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নবী-দৌহিত্র কারবালায় আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেই চেতনার অভাবের কারণে আজ অসত্য ও অন্যায়ের প্রবল প্রতাপ। আশুরার শিক্ষা আমাদের অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সাহস জোগায়, আত্মত্যাগের আহ্বান জানায়। কারবালার সেই চেতনাকে ধারণ করতে না পারলে, শুধু শোক আর মাতম করে কোনো লাভ নেই। যাবতীয় অন্যায়, অবিচার, অসত্য ও স্বেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং কোনো দেশ-জাতি-রাষ্ট্র বা সমাজে এ ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হলে সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিরোধ করাই কারবালার অতুলনীয় শিক্ষা। আসুন না, আমরা কারবালার মহান চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সব অন্যায়-অবিচার, জুলুম-নির্যাতন, নিপীড়ন ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি। এ জন্য আশুরার শোকাবহ এদিনে অসত্য, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে আদর্শের লড়াইয়ের দৃপ্তকণ্ঠে বজ্রকঠিন শপথ গ্রহণ করা একান্ত বাঞ্ছনীয়।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতি -গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শত্রু ফায়দাতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্র by বদিউল আলম মজুমদার
ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরাও এ দেশের নাগরিক, তাঁদেরও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে সমস্যার সৃষ্টি হয় তাঁদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করলে। অর্থাত্ তাঁদের সরকারি চাকরি, আবাসিক এলাকায় প্লট কিংবা বিভিন্ন নির্মাণকাজের টেন্ডার দিতে গিয়ে যদি তাঁদের থেকে যোগ্য কাউকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে এটা হবে ফায়দা প্রদান। এ ধরনের বঞ্চনা চরম অন্যায় ও অবিচারের শামিল, যা নৈতিকতার দিক থেকে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। একই সঙ্গে অন্যায়ভাবে ফায়দা দেওয়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্যও সহায়ক নয়। গণতন্ত্র নৈতিকতা ও আইনের শাসনের ওপর ভর করা একটি ব্যবস্থা। তাই গণতন্ত্র আর ফায়দাতন্ত্র কোনোভাবেই সহাবস্থান করতে পারে না।
এ ছাড়া দলবাজি ও ফায়দাবাজির মাধ্যমে সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় হয়। যেমন, দলীয় ব্যক্তিদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে নির্মাণকাজের ঠিকাদারি কোনো অযোগ্য-অদক্ষ লুটপাটের হোতাকে দিলে, বড়জোর অতি-নিম্নমানের কাজ হবে। অনেক ক্ষেত্রে কোনো কাজই হবে না, কিন্তু টাকা গচ্চা যাবে। সরকারি ক্রয়-ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সম্প্রতি যে শিথিলতা আনা হয়েছে, তাতে সম্পদের এমন অপচয় হওয়াই স্বাভাবিক। দুর্বল অর্থনীতি ও সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে এ ধরনের অপচয় আমাদের সংগতির বাইরে এবং এগুলো আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকেও ব্যাহত করছে।
পরিবারতন্ত্রও ক্রমাগতভাবে আমাদের ওপর জেঁকে বসছে। পরিবারতন্ত্রের নগ্নতম উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে বিএনপির সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দলের প্রধান এবং তাঁর ছেলে তারেক রহমানকে দলের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে নির্ধারণ করা শুধু দৃষ্টিকটুই ছিল না, এর মাধ্যমে দল পুরোপুরি পারিবারিক সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটিও আমাদের বিকাশমান গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় হুমকি। প্রসঙ্গত, বেগম জিয়াকে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইন’কেও চরমভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। আইনানুযায়ী, দলের সব স্তরের কমিটি নির্বাচিত হওয়ার কথা। আইনি বিধানের প্রতি এমন অবজ্ঞাও কোনোভাবেই আইনের শাসনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
গণতন্ত্রের সংজ্ঞার দিকে তাকালেই বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। গণতন্ত্র হলো এমনই একটি ব্যবস্থা, যেখানে জনগণের সম্মতির শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—অর্জিত হয়েছে তাদের কতগুলো অধিকার। বহুলাংশে নিশ্চিত হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে সমতা ও তাদের জন্য সম-সুযোগ। এটি ‘লিবারেল’ বা উদারনৈতিক গণতন্ত্রের সংজ্ঞা।
উদারনৈতিক গণতন্ত্রের তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য জনগণের ‘ফ্রি উইল’ বা স্বাধীন মতামত অর্থাত্ সম্মতি আবশ্যক। নির্বাচন—অর্থাত্ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে যা অর্জিত হয়, তা-ই গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেওয়া হয়—অর্থাত্ জনগণই সব ক্ষমতার উত্স—রাজা-মহারাজা বা কুলীনেরা নন। প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহরে লটারির মাধ্যমে সরাসরি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও, বর্তমান বিশ্বে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের চর্চা হয়। নির্বাচিত পার্লামেন্ট ও নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের মাধ্যমে যা রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বিস্তার লাভ করে।
দ্বিতীয়ত, সত্যিকারের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণ কতগুলো স্বাধীনতা বা অধিকার ভোগ করে। যেমন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, স্বাধীনভাবে চলাফেরার স্বাধীনতা, যার যার ধর্মচর্চার স্বাধীনতা ইত্যাদি। এসব অধিকার সাধারণত লিখিত সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের সংবিধানেও মৌলিক অধিকার হিসেবে এগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এগুলো মেনে চলা সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক। কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা হলে, তা বলবত্ করার জন্য সে নাগরিক আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। ভোট দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগও আজ রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত।
নাগরিকের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি অর্জনের জন্য ঐতিহাসিকভাবে অনেক বিপ্লব-সংগ্রামের প্রয়োজন হয়েছে। দিতে হয়েছে বহু প্রাণ। লিঙ্গ ও সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্কদের অবাধ নির্বাচনের সুযোগ অর্জনের জন্য প্রতিটি মানবসমাজের বহু শতাব্দী লেগেছে। যেমন, ১৮৩০ সালে মাত্র ২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্রিটিশ এবং অনেক গণতান্ত্রিক ইউরোপের অধিবাসীদের ভোটাধিকার ছিল। ১৮৬৭ সালে এই হার এসে দাঁড়িয়েছে ৭ এবং ১৮৮০ সালে প্রায় ৪০ শতাংশে। এ অগ্রগতির জন্য তাদের অবশ্য কম মূল্য দিতে হয়নি। বিংশ শতাব্দীর আগে পাশ্চাত্যের নারীরা ভোটাধিকারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে এখন প্রতিটি দেশেই—যেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরই ভোট দেওয়ার অধিকার অন্তত আইনগতভাবে স্বীকৃত হয়েছে।
তৃতীয়ত, উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থায় মানুষে মানুষে সমতা, ন্যায়পরায়ণতা ও সম-সুযোগের অধিকার নিশ্চিত থাকে। অন্যান্য অধিকার থেকে এ অধিকারের ভিন্নতা রয়েছে, যদিও এটিকে সাধারণত মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। ভিন্নতা ও গুরুত্বের কারণে এটি আংশিক অর্জন করতেও ঐতিহাসিকভাবে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। এর জন্য লেগেছে বহু শতাব্দী ধরে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ও বহু আত্মত্যাগ। ইউরোপের ‘এইজ অব এনলাইটেনমেন্ট’ বা আলোর যুগ ও তার পরবর্তী সময় পর্যন্ত এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। এর মাধ্যমেই ভোটাধিকার ও অন্য অনেক ক্ষেত্রে সাদা-কালো, নারী-পুরুষ প্রমুখের মধ্যে বৈষম্য বহুলাংশে দূর করা গেছে।
উল্লেখ্য, নারী-পুরুষের সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে পশ্চিমা দেশগুলো কিছুটা এগিয়ে গেলেও সারা পৃথিবীতেই নারীরা এখনো অধস্তন অবস্থায় রয়েছে এবং তারা ব্যাপক বঞ্চনার শিকার। জাতিগত ও বর্ণবৈষম্যের সমস্যা থেকেও মানবজাতি এখনো পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি। অর্থনৈতিক বৈষম্য সারা পৃথিবীতেই দিন দিন প্রকট হচ্ছে। তবুও পাশ্চাত্যের দেশগুলোয়—যেখানে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে, সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই সমতা অর্জনের সুযোগ বহুলাংশে সৃষ্টি হয়েছে।
এসব মৌলিক বৈশিষ্ট্য—সম্মতি, স্বাধীনতা ও সমতা পূরণ না হলে সত্যিকারার্থে গণতন্ত্র কায়েম হয় না। অর্থাত্ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটারদের সম্মতি অর্জন করা গেলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। অর্থাত্ নির্বাচনই গণতন্ত্র নয়। এমনকি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। বস্তুত নির্বাচনের পরই গণতান্ত্রিক শাসনের সূচনা হয়। দুই নির্বাচনের মাঝখানে কী হয় না হয়, তার ওপরই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত এবং এর কার্যকরতা অর্জিত হলো কি না, তা নির্ভর করে। তাই শুধু নির্বাচনকেই গণতন্ত্র বলার অবকাশ নেই, যদিও এ দুটির মধ্যে অনেকেই অহরহ তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। তাই নির্বাচনকে গণতন্ত্র বলা আংশিক সত্য বলার শামিল। অন্যভাবে বলতে গেলে, ক্ষমতাসীন সরকার গণতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা না করলে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা না করলে গণতন্ত্র কায়েম হয় না।
নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিকের ভোটাধিকার আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নারী-পুরুষের সমতা অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা এগিয়ে গেলেও, সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রে সম-সুযোগ থেকে আমাদের অধিকাংশ নাগরিক বঞ্চিত। আমাদের দেশে সমাজের ওপরের তলার একদল ব্যক্তি ভিআইপি নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত, যাঁরা সব ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত, যদিও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নাগরিকদের মধ্যে এ ধরনের বিভাজন করার কোনো অবকাশ নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় দলবাজির কারণে এ বঞ্চনা দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। যারা ক্ষমতাসীন দলের অনুগত নয়, তারা প্রতিনিয়ত নাগরিক হিসেবে তাদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, যা গণতন্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি অসংগতিপূর্ণ। অর্থাত্ দলবাজি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় অন্তরায়।
পরিবারতন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার পথে আরও বড় অন্তরায়। সত্যিকারার্থেই গণতন্ত্র কায়েম করতে হলে এবং গণতন্ত্রের সুফল সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হলে, সবচেয়ে সত্, যোগ্য ও নিবেদিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ থাকতে হবে। তাদের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার পথ উন্মুক্ত থাকতে হবে। কিন্তু দলে পরিবারতন্ত্র সে পথ রুদ্ধ করে দেয়—এ ব্যবস্থায় দলীয় পদ একান্ত অনুগতদের মধ্যে ফায়দা হিসেবে বিতরণ করা হয়। পক্ষান্তরে, দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা সে সুযোগ অবারিত করে। তাই পরিবারতন্ত্র গণতন্ত্রের সমতার বৈশিষ্ট্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ফলে পরিবারতন্ত্র সৃষ্টি করে রাষ্ট্রে কোনোভাবেই গণতন্ত্র কায়েম করা যায় না।
এ ছাড়া পরিবারতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অযোগ্য ও অদক্ষ ব্যক্তিদের দলীয় নেতৃত্বে আসার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। পরিবারের বাইরের ব্যক্তিদের মধ্যে করুণার ভিত্তিতে ফায়দা হিসেবে দলীয় পদ বিতরণ করা হয় বলে, সর্বাধিক অনুগত ব্যক্তিরা এবং বাগাড়ম্বর ও মোসাহেবিপনায় পটুরাই সাধারণত ক্ষমতার—বলতে গেলে, অনেকটা উচ্ছিষ্টাংশ পায়। ফলে জনগণ যোগ্য নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। বস্তুত এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপরই মানুষের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়।
প্রসঙ্গত, এ কারণেই প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের মতো মনীষীরা খ্রিষ্টপূর্ব চার-পাঁচ শতাব্দীর এথেন্সের সরাসরি গণতান্ত্রিক শাসনের সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের মতে, তখনকার গ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অদক্ষ, অযোগ্য ও বাগাড়ম্বরে পটু ব্যক্তিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ফলে সমাজের অবক্ষয় ঘটে এবং চারদিকে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। দুর্ভাগ্যবশত ২৫০০ থেকে ২৬০০ বছর পরে প্লেটো-অ্যারিস্টটলের ধারণাই আমাদের দেশে সত্যে পরিণত হচ্ছে। এ-ই আমাদের নিয়তি!
প্রসঙ্গত, নাগরিক হিসেবে আমরা নিশ্চিত নই, বিএনপি কী করার চেষ্টা করছে? ইতিহাসে ছয় ধরনের সরকার দেখা যায়: রাজতন্ত্র (monarchy), অভিজাত (aristocracy), কতিপয়তন্ত্র (oligarchy), ধর্মতন্ত্র (theocracy), একনায়কতন্ত্র (dictatorship) ও গণতন্ত্র (democracy)। রাজতন্ত্রে রাজার ছেলে কিংবা রাজার মেয়ে যোগ্যতানির্বিশেষে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতো। অর্থ ও বংশানুক্রমিতায় সৃষ্ট কুলীনেরা অভিজাততন্ত্রের ধারক ছিল। ক্ষমতা অতি সীমিতসংখ্যক ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে ওলিগার্সি বা কতিপয়তন্ত্র সৃষ্টি হতো। ধর্মের দোহাই দিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করলে ধর্মতন্ত্র কায়েম হতো। এক ব্যক্তি শাসনক্ষমতা দখল করলে তাকে একনায়কতন্ত্র বলা হতো। বিএনপি কোনটি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে—রাজতন্ত্র, অভিজাত, কতিপয়তন্ত্র? না অন্য কিছু? গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েই বা তিনি কী করার চেষ্টা করছেন? আশা করি, বেগম জিয়া ও তাঁর আস্থাভাজনেরা ভাবনা-চিন্তা করেই এবং তাঁদের সিদ্ধান্তের পরিণতির কথা বিবেচনা করেই অগ্রসর হচ্ছেন। আমাদের আশঙ্কা, তাঁদের অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি ভয়াবহ পরিণাম শুধু বিএনপিই নয়, পুরো জাতিকেই বহন করতে হবে।
পরিশেষে, এটি সুস্পষ্ট যে তেলে-জলে যেমন মেশে না, পরিবারতন্ত্র ও গণতন্ত্রও একত্রে যায় না। আমাদের আশঙ্কা, সরকারি ও প্রধান বিরোধী দলের দলবাজি, ফায়দাবাজি ও পরিবারতন্ত্রের চর্চা—আশা করি, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগও পরিবারতন্ত্রের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে না, যদিও আশাবাদী হওয়া দুরূহ—আত্মঘাতী এবং পুরো জাতিকেই ভবিষ্যতে এর চরম মূল্য দিতে হবে। ভাবতেও কষ্ট লাগে, আমাদের নেত্রীদ্বয়ের আশপাশের এত শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান ব্যক্তি এসব গর্হিত কাজে সায় দিয়ে যাচ্ছেন! আমাদের নাগরিক সমাজও কি চুপ করে বসে থাকবে? যদি আমরা সবাই দর্শকের ভূমিকা নিই, তাহলে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দুর্যোগ এড়ানো সম্ভবপর হবে কী করে?
ড. বদিউল আলম মজুমদার, সম্পাদক, ‘সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক’।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশের ‘বেআইনি হাত’-পোশাকি নয়, দক্ষ ও সত্ পুলিশ প্রয়োজন -
নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নির্যাতিত ব্যক্তিরা চুরি-ডাকাতির বিরুদ্ধে রাতে গ্রাম পাহারায় নিয়োজিত ছিলেন। থানায় ধরে নিয়ে পুলিশ তাঁদের নির্যাতন করে। এ ছাড়া ঘুষ চাওয়ারও অভিযোগ করেন নির্যাতিত ব্যক্তিরা। আড়াইহাজার থানার এসআই রফিক প্রথম আলোর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, ‘আমি নিজে নির্যাতন করিনি...অন্য পুলিশ সদস্যরা তাঁদের কিছুটা শাসন করেছেন।’ এই ভুল ও নির্যাতনের জন্য এখন দোষী পুলিশ সদস্যদের ‘শাসন’ করা প্রয়োজন। নতুবা এ রকম অপকর্ম চলতেই থাকবে।
পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যেরই পেশাগত সততা ও দক্ষতা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু পুলিশের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ সদস্যরা নানা সময় অপরাধীদের সহযোগিতা করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা যে জনগণের জানমালের রক্ষকের বদলে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, সেটাও সুবিদিত। তাঁদের একটা দিক উজ্জ্বল, আরেকটা দিক অন্ধকার। ইংরেজ ঔপন্যাসিক রবার্ট লুই স্টিভেনসনের জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড উপন্যাসে একই ব্যক্তির দিনে ও রাতে বিপরীত চরিত্রের দ্বন্দ্বের কথা রয়েছে। জেকিল দিনের বেলায় সজ্জন হিসেবে এবং রাতের বেলায় ঘৃণ্য অপরাধীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। আমাদের পুলিশ বাহিনীর ভেতরও আইনের রক্ষক ও আইন ভঙ্গকারী—এই দুই ভূমিকার দ্বন্দ্ব দেখতে পাওয়া যায়। এর অবসান ঘটাতে ভালো কাজের পুরস্কার ও মন্দ কাজের শাস্তিই একমাত্র পথ। এখন দেখা যাক, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপরিউক্ত দুটি ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের কীভাবে ‘শাসন’ করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কারবালার ত্যাগের শিক্ষা আমাদের পাথেয় হোক -পবিত্র আশুরা
ইসলামের ইতিহাসে কারবালার এই শোকাবহ ঘটনার আগেও এই দিনে নানা তাত্পর্যময় ঘটনা ঘটেছে। বর্বর ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পরিবার-পরিজন ও সঙ্গী-সাথিসহ হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদত বরণের এ মর্মান্তিক ঘটনা ছাড়া এই দিনে যুগে যুগে অনেক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে বলে হাদিস শরিফে উল্লেখ রয়েছে। আদি মানব হজরত আদম (আ.) এই দিনে পৃথিবীতে আগমন করেন এবং এদিনই তাঁর তওবা কবুল হয়। এই ১০ মহররম তারিখে হজরত নূহ (আ.)-এর নৌকা মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পায়। এর বাইরেও এ মহিমাময় দিনে আরও অনেক তাত্পর্যপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে ইসলামের ইতিহাসে। হাদিস শরিফে আছে, মহররম মাসের ১০ তারিখ, অর্থাত্ শোকাবহ এই আশুরার দিনেই কিয়ামত ঘটবে।
ইসলামের ইতিহাসে ১০ মহররম তারিখটির নানা গুরুত্ব ও তাত্পর্য থাকলেও কারবালায় ঘটে যাওয়া সর্বশেষ মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণেই বর্তমান দুনিয়ার মুসলমানেরা দিনটি পালন করে থাকেন। মুসলমানেরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই দিনে রোজা পালন করেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে ইয়াজিদ অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেন এবং এ জন্য ষড়যন্ত্র ও শক্তি ব্যবহারের পথ বেছে নেন। চক্রান্তের অংশ হিসেবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আরেক দৌহিত্র হজরত ইমাম হাসান (রা.)-কে বিষ পান করিয়ে হত্যা করা হয়। একই চক্রান্ত ও নিষ্ঠুরতার ধারাবাহিকতায় ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পরিবার-পরিজন ও ৭২ জন সঙ্গীসহ শাহাদত বরণ করেন হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)। তাঁদের হত্যার ক্ষেত্রে যে নিষ্ঠুর-নির্মম পথ বেছে নেওয়া হয়েছে, ইতিহাসে এ ধরনের উদাহরণ বিরল। অসহায় নারী ও শিশুদের পানি পর্যন্ত পান করতে দেয়নি ইয়াজিদ বাহিনী। বিষাক্ত তীরের আঘাতে নিজ কোলে থাকা শিশুপুত্রের মৃত্যুর পর আহত অবস্থায় অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহীদ হন হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)।
আশুরার এই ঐতিহাসিক ঘটনার মূল চেতনা হচ্ছে ক্ষমতার লোভ, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য চক্রান্ত ও নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই। বর্তমান দুনিয়ায় আশুরার এই শিক্ষা খুবই প্রাসঙ্গিক। ক্ষমতার লোভ, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার ষড়যন্ত্র ও নিষ্ঠুরতা আজও দুনিয়ায় টিকে রয়েছে। অন্যায় ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান ও ত্যাগের যে শিক্ষা কারবালার ঘটনা মানবজাতিকে দিয়েছে, তা আজকের দুনিয়ার অন্যায় ও অবিচার দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চেরি ফুল ফোটার আগাম বার্তা আর নয়!
আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা ইউসোতশি সাকাই জানান, প্রতি বছর মার্চের শুরুতে চেরি ফুল ফোটার বিষয়ে আগাম বার্তা দেওয়া হয়। তবে আগামী বছর থেকে সেটা আর দেওয়া হবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন মানবাধিকার কর্মীর উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ
সহকর্মীরা জানান, গ্রেপ্তারকৃত কোরীয় বংশোদ্ভূত ওই মার্কিন নাগরিকের নাম রবার্ট পার্ক। তিনি উত্তর কোরিয়া ও চীন সীমান্তের তুমেন নদী পার হয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক সহকর্মী জানান, ‘বরফ আচ্ছাদিত নদীটি পার হওয়ার সময় পার্ক (২৯) চিত্কার করে বলছিলেন, ‘আমি মার্কিন নাগরিক। এখানে এসেছি ঈশ্বরের ভালোবাসা প্রচার করতে।’ ওই সহকর্মী আরও বলেন, ‘নদীর ওই পারে পৌঁছার পর আর আমরা পার্কের কোনো সাড়া-শব্দ পাইনি। আমরা আশঙ্কা করছি উত্তর কোরিয়ার সীমান্তরক্ষীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে।’
রবার্ট পার্ক ‘ফ্রিডম অ্যান্ড লাইফ ফর অল নর্থ কোরিয়ান: ২০০৯’ নামের একটি গ্রুপের নেতা। গ্রুপটির দাবি, তারা উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকারের উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করছে। মার্কিন দূতাবাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পার্কের গ্রেপ্তার হওয়ার খবর তাদের জানা নেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টাইমসের চোখে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব নেদা আগা
টাইমস গতকাল শনিবার এক খবরে জানিয়েছে, তেহরানে বিক্ষোভকালে রক্তক্ষরণে নেদা আগা সুলতানের মৃত্যুর দৃশ্য সারা বিশ্বে প্রদর্শিত হওয়ার পর তিনি স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক বিশ্বপ্রতীক হয়ে ওঠেন।
তাঁর ছবি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের আলোকচিত্রসহ প্রথম পাতার খবরে পত্রিকাটি আরও বলেছে, নেদা বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। কারণ, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শাসকগোষ্ঠী যেভাবে চুরি করেছে তাতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।
নেদা বলেছিলেন, তিনি দেশে একটি ব্যতিক্রম ঘটাতে চান। তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না যে তিনি কী প্রভাব রাখতে যাচ্ছেন। রাজপথের ওপর রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যুর ঘটনা মোবাইলে ধারণ করা হয়। পরে ওই দৃশ্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
টাইমস-এর খবরে আরও বলা হয়, নেদা নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানি শাসকগোষ্ঠীর বৈধতার সর্বশেষ সুতাটিও ছিন্ন হয়।
ওই ঘটনায় ইরানি কট্টরপন্থীরা ক্ষুব্ধ হয়েছিল। তারা বলেছিল যে নেদার প্রাণহানি শাসকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে একটি ‘সাজানো’ ঘটনা। তারা আরও দাবি করেছে যে ঘটনাটি সম্পর্কে বানোয়াট খবর দেওয়া হয়েছে এবং বিদেশি গণমাধ্যমে বাড়াবাড়ি রকমের অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজস্থানে সেতু ভেঙে ৪৫ জন নিহত
স্থানীয় জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা রাজীব দাসোত জানান, সেতু ভেঙে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ৪৫ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা গেছে। ডুবুরিরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছেন।
কোটা শহরের বাইরে চম্বল নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। এ সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাণ-প্রতিষ্ঠান হুন্দাই ও ভারতীয় নির্মাণ-প্রতিষ্ঠান গ্যামন যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোপের ওপর হামলাকারী ক্ষমা প্রত্যাশা করতে পারেন: ভ্যাটিকান
সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে পোপের ওপর আকস্মিক ওই হামলার পরও তিনি অক্ষত ছিলেন।
ভ্যাটিকান বলছে, ওই নারী গত বছরও একই কায়দায় হামলার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে বাধা দেয়।
লা রিপাবলিকা পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সুইস-ইতালীয় নাগরিক মায়েলো ডাক্তারকে বলেছেন, তিনি ঠিক আঘাত করতে চাননি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি হামলায় ছয় ফিলিস্তিনি নিহত
প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তারা জানান, পশ্চিম তীরে নিহত ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না এবং তারা ইসরায়েলি বাহিনীর প্রতি গুলিও ছোড়েনি। অভিযানে একজন নারী আহত হয়েছে। তবে এ ঘটনা স্বীকার বা প্রত্যাখ্যান করতে রাজি হয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নাবলুসে সকালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ডজন খানেক জিপ তিনটি বাড়ি ঘিরে ফেলে। গত বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি এক বন্দুকধারীর গুলিতে একজন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর মৃত্যুর পর এ অভিযান চালাল ইসরায়েলি বাহিনী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ বছরটি ছিল বড়ই কঠিন -বড়দিনের বার্তায় রানি এলিজাবেথ
বার্তার শুরুতে রানি বলেন, ‘প্রতিটি বছর আলাদাভাবে কাটে। কিছু বছর আমাদের জন্য খুবই স্বস্তিদায়ক, কিছু আমরা ভুলে যেতে পারলেই যেন বাঁচি। ঠিক তেমনি, যারা অর্থনৈতিক মন্দায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ২০০৯ সাল তাদের অনেকের জন্যই কঠিন বছর ছিল।’ ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর প্রতীকী প্রধান হলেন রানি এলিজাবেথ। তিনি জানান, আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সেনাদের হতাহতের বিষয়টি তাঁকে কষ্ট দিয়েছে।
রানি বলেন, ‘মিত্রদের সঙ্গে একত্র হয়ে আমাদের ছেলেরা যে কাজ করছে, তার জন্য আমরা গর্বিত।’
এ বছর আফগানিস্তানের সর্বোচ্চসংখ্যক ব্রিটিশ সেনা নিহত হয়েছে। এ সংখ্যা ১০৬। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ব্রিটিশ সেনা মোতায়েন আছে। এর মধ্যে ১০ হাজারই আফগানিস্তানে। রানির এ বার্তাটি আগেই বাকিংহাম প্যালেসে ধারণ করা হয়েছিল। ৫৭তম এই বার্তায় রানি কমনওয়েলথের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এর সব সদস্যরাষ্ট্রের উদ্দেশে কথা বলেন। রানি কমনওয়েলথকে ‘ভবিষ্যতের মুখচ্ছবি’ বলেও বক্তব্য করেন। ব্রিটেনে ক্রিসমাসের ঐতিহ্যগত অংশ হিসেবে রানির এ ভাষণ রেডিও, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়েছে।
রাজপরিবারের বড়দিন উদ্যাপন
ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্যরা ঐতিহ্যগতভাবে তাঁদের শীতকালীন অবকাশ কাটান পূর্ব ইংল্যান্ডের নরফোকের স্যানড্রিংহ্যামে। আর ঐতিহ্যরক্ষার খাতিরে বড়দিনটিও তাঁরা সেখানেই উদ্যাপন করেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বড়দিন উদ্যাপনের জন্য গত শুক্রবার স্থানীয় সেন্ট মেরি ম্যাগডালেন গির্জায় প্রার্থনায় অংশ নেন রাজপরিবারের সদস্যরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আটক মার্কিন সেনার ভিডিও প্রকাশ করায় যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা
গত শুক্রবার প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে দেখানো ওই সেনা নিজেকে বোয়ে রবার্ট বার্গডাল হিসেবে পরিচয় দেন। ভিডিওচিত্রে আফগান যুদ্ধ ও মুসলিমদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন তিনি।
তালেবান ২৩ বছর বয়সী ওই সেনার মুক্তির বিনিময়ে আটক জঙ্গিদের মুক্তি দাবি করেছে। ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর ছেলের মুক্তির আবেদন জানিয়েছেন বার্গডালের বাবা-মা।
৩০ জুন আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাকতিকা প্রদেশ থেকে ওই সেনাকে অপহরণ করা হয়। মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, এটা তালেবান বিদ্রোহীদের সহিংস ও কপটতাপূর্ণ কৌশল। বড়দিনে ওই ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে বোয়ের উদ্বিগ্ন পরিবার, বন্ধুদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান করা হয়েছে।
আত্মঘাতী হামলা: কান্দাহারে গতকাল এক আত্মঘাতী হামলায় আটজন নিহত হয়েছে। একটি হোটেল ও স্থানীয় সরকার কার্যালয়ের কাছে ওই আত্মঘাতী হামলাকারীকে পুলিশ থামানোর চেষ্টা করলে হামলাকারী বিস্ফোরণ ঘটায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেলেঙ্গানা ইস্যুতে অনির্দিষ্টকালের বনেধর হুমকি দিল জেএসি
সম্প্রতি নবগঠিত তেলেঙ্গানা জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির (জেএসি) বৈঠকে চন্দ্রশেখর রাও ওই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। জেএসির আহ্বায়ক সি কোনদারাম দ্য হিন্দু পত্রিকাকে বলেন, দু-এক দিনের মধ্যেই বনেধর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় টিআরএস সভাপতি চন্দ্রশেখর রাও মুখ্যমন্ত্রী কে রোসাইয়ার পদত্যাগ দাবি করেন। তিনি বলেন, তেলেঙ্গানার মন্ত্রীদের পদত্যাগের পর পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন তিনি।
তেলেগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সভাপতি এন চন্দ্রবাবু নাইডু তেলেঙ্গানা রাজ্য গড়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছেন বলেও অভিযোগ করেন চন্দ্রশেখর রাও। ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জ্যেষ্ঠ বিধায়ক নাগাম জনার্ধন রেড্ডির ওপর হামলার জন্য টিআরএসকে দায়ী করে তিনি নিজের দলের সমর্থকদের বিভ্রান্ত করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন চন্দ্রশেখর রাও।
এদিকে গত শুক্রবার দ্য হিন্দু পত্রিকায় ওয়ে আউট ইন অন্ধ্র প্রদেশ শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়র বক্তব্য সম্পর্কে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় বিভাগের সঙ্গে কথা বলার জন্য জেএসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস এমপি মধুযক্ষী। তিনি বলেন, পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্যের জন্য আন্দোলন উন্নয়ন কিংবা পিছিয়ে পড়া ইস্যুতে নয়। এটা হচ্ছে আত্মসম্মানের জন্য। মধু আরও বলেন, ‘আমাদের এলাকা পিছিয়ে-পড়া হতে পারে, কিন্তু চিন্তায় আমরা পিছিয়ে নই।’ এ বিষয়ে সম্পাদকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কাল সোমবারের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের একটি গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন চন্দ্রশেখর রাও।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমদানি ও রপ্তানির বিষয়ে প্রথম আলো জবসের প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণ কর্মশালাটিতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলো জবসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. রিয়াদ হোসেন। এতে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আজহার আলী মিঞা।
এ কর্মশালায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিভিন্ন প্রদান পদ্ধতি, ঋণপত্রের প্রকারভেদ, ঋণপত্র ও ঋণপত্রবিহীন আমদানি-রপ্তানি, ইউসিপিডিসি প্রভৃতি বিষয়ের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিটি ব্যাংক এনএর আইএসও সনদ লাভ
সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কান্ট্রি অফিসার মামুন রশীদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই সনদ কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সিটির সেবা দেওয়ার একটি নিদর্শন। এটি সিটির সেবা সম্পর্কে বড় গ্রাহকদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।’
খাজা মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে আইএসও সনদ পাওয়া একটি বিরল ঘটনা এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেবার একটি মানদণ্ড স্থাপিত হলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আখের সংকট ও লোকসানের আশঙ্কা নিয়ে ঠাকুরগাঁও চিনিকলে মাড়াই শুরু by মজিবর রহমান খান
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, আলু চাষের জন্য জমি তৈরি করতে এবং বেশি দাম পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে অনেক কৃষক এ চিনিকলে মাড়াই শুরুর আগেই আখ বিক্রি করে ফেলেছেন। কারণ চিনিকলটিতে এবার এক মাস দেরিতে ২৫ ডিসেম্বর থেকে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই শুরু হবে—আগেভাগে এ খবর শুনে কৃষকেরা স্থানীয় গুড় তৈরির কারখানাগুলোর কাছে বেশি দামে আখ বিক্রি করে দেন। যে কারণে ঠাকুরগাঁও চিনিকলে এবার যেমন আখের মারাত্মক সংকট পড়বে, তেমনি বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কৃষকেরা জানান, ঠাকুরগাঁও চিনিকলের কাছে যেখানে প্রতি মণ আখ বিক্রি করে পাওয়া যায় ৬৬ টাকা, সেখানে গুড় তৈরির কারখানাগুলো দেয় ৯০ থেকে ১০০ টাকা।
ঠাকুরগাঁও চিনিকলে গত শুক্রবার নতুন মৌসুমের আখ মাড়াই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প সংস্থার চেয়ারম্যান রণজিত্ কুমার বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমদ, পুলিশ সুপার বি এম হারুন অর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মকবুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক কোরাইশী এবং চিনিকলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এবার এই চিনিকলে ৪৭ হাজার টন আখ মাড়াই করে তিন হাজার ৩৩৭ টন চিনি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, এবার ৬৬ টাকা মণ দরে আখ কেনা হলেও আগামী বছর থেকে ৮০ টাকা দরে কেনা হবে।
সদর উপজেলার নারগুনের সফিউল ইসলাম ও আবদুল মালেক এবং মোহাম্মদপুর গ্রামের পয়গাম আলী জানান, ঠাকুরগাঁও চিনিকলে দেরিতে আখ মাড়াই শুরু হবে জেনে তাঁরা জমির আখ কেটে ফেলেছেন।
এ ছাড়া সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মো. বাদল, মণ্ডলপাড়ার মনতাজ আলী, মনসুর আলী ও বেসারউদ্দিন জানান, তাঁরা চিনিকলের কাছে আখ বিক্রি করার চেয়ে নিজেরাই এখন গুড়ের কারখানা করে বেশি লাভ করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, গত বছর এই চিনিকলে আখ মাড়াই করে লোকসান হয়েছিল প্রায় ১৯ কোটি টাকা। এবার দেরিতে মাড়াই শুরু করায় আখের সংকটে পড়ে আরও বেশি পরিমাণে লোকসান দেবে।
কৃষকেরা জানান, সার ও বীজের দাম এবং শ্রমিকদের মজুরি মিলিয়ে এখন আর আগের মতো লাভ না হওয়ায় তাঁরা আখ চাষ কমিয়ে দিয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রীয় আখচাষি সমিতির সাবেক সভাপতি ইউনুস আলী বলেন, চিনিকলের লোকসান কমাতে হলে চিনিকল এলাকায় আখের চাষ বাড়াতে ও সার কিনতে আখচাষিদের ভর্তুকি দিতে হবে। এ ছাড়া চিনিকলের জমি আলুর জন্য লিজ না দিয়ে আখ চাষের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে।
ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, চিনিকল এলাকায় আগামী মৌসুমে ১২ হাজার একর জমিতে আখ চাষ এবং এক লাখ ৩৫ হাজার টন আখ মাড়াই করে নয় হাজার ৫৮৫ টন চিনি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ঠাকুরগাঁও চিনিকল ১৯৫৮ সালে স্থাপিত হয়। এর অনেক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যে কারণে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে প্রতিবছর চিনিকলটির উত্পাদন ব্যাহত হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু হবে
সিলেটের খাদিমনগর ও গোটাটিকর বিসিক এলাকা পরিদর্শনকালে গতকাল শনিবার তিনি কথাগুলো বলেন। এ উপলক্ষে খাদিমনগর বিসিকে এক সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিসিকের আঞ্চলিক পরিচালক আবদুল বাছিত। সভায় বক্তব্য দেন সাংসদ মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেটের জেলা প্রশাসক সাজ্জাদুল হাসান, খাদিমনগর বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম রব্বানী চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী আবদুল মুকিত, বিসিকের ডিজিএম শফিউর রহমান, উপব্যবস্থাপক এ কে এম আবদুল হাই, জিয়াউল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
দিলীপ বড়ুয়া বলেন, দেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। শিল্পের জন্য সম্ভাবনাময় সিলেটের উন্নয়নকে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, শিল্পক্ষেত্রে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোনালী জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি, পিছিয়ে পড়েছে রূপালী
বিগত বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের আমলে রূপালী ব্যাংক বিক্রির প্রচেষ্টায় ব্যাংকটির সব ধরনের কার্যক্রমের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে না পারায় এ দফায় রূপালী ব্যাংকের পরিস্থিতি খারাপ হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রস্তুত প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্য তিন ব্যাংক মোটামুটি ভালো পর্যায়ে এলেও রূপালী ব্যাংক প্রান্তিক পর্যায়েই পড়ে থাকার তথ্য মিলেছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের মে মাসে তত্কালীন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এক সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত অনুসারে রাষ্ট্র খাতের এসব ব্যাংককে সমস্যাকবলিত ব্যাংকের পর্যায়ে এনে বাংলাদেশ ব্যাংক তখন থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। এর পর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি তিন মাস অন্তর ব্যাংকগুলোর অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা ও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছিল। দীর্ষ সাড়ে ছয় বছরে প্রথম তিনটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা মোটামুটি ভালো মানে পৌঁছেছে। এর মধ্যে অবশ্য বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে ২০০৭ সালের মে-জুন মাসে সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংককে কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয় এবং একটি বাছাই কমিটির মাধ্যমে উচ্চ বেতনে চুক্তিভিত্তিক একজন শীর্ষ নির্বাহী নিয়োগ করা হয়। যদিও এখনো অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাতেই ব্যাংকগুলো পরিচালিত হচ্ছে। নিয়োগ, পদোন্নতি, মহাব্যবস্থাপকদের (জিএম) প্যানেল তৈরি সবক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ই আগের মতো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই ব্যাংকগুলোকে পরিচালনা করছে। বিধি অনুসারে কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদই এসব কাজে ক্ষমতাবান হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, রূপালী ব্যাংক অনেক আগে থেকে কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং এটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় রূপালী বাদে অন্য ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। সর্বশেষ ক্যামেল রেটিংয়ে তিনটি ব্যাংকের সংযুক্ত মান হয়েছে ৩ বা মোটামুটি ভালো। কিন্তু সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ত্রৈমাসিক হিসাবে রূপালী ব্যাংকের সংযুক্ত মান হয়েছে ৪ বা প্রান্তিক।
বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত ‘ক্যামেল রেটিং’-এ মূলধন-পর্যাপ্ততা (সি), সম্পদের গুণগতমান (এ), ব্যবস্থাপনা (এম), উপার্জন ক্ষমতা (ই), তারল্য (এল) এবং বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতা (এস) পরিস্থিতি বিবেচনা করে।
সোনালী ব্যাংক: জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর ’০৯ প্রান্তিকে সোনালী ব্যাংকের মূলধন-পর্যাপ্ততা, ব্যবস্থাপনা, উপার্জন ক্ষমতা ও তারল্যে ব্যাংকটির অবস্থা মোটামুটি ভালো উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতায় সন্তোষজনক ও সম্পদের মানে অসন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে ব্যাংকটি।
সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ৩১ দশমিক ৬২ শতাংশ, পরিমাণে যা প্রায় ছয় হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা। এই খারাপ মানের সম্পদ ছাড়া ব্যাংকটির আর বাকি আর্থিক মানদণ্ডগুলো যেমন—কোনো ঝুঁকিনির্ভর সম্পদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মূলধন রয়েছে, পুঞ্জীভূত ক্ষতি নেই, ঋণের নিরাপত্তা সঞ্চিতিতে (প্রভিশন) ঘাটতি নেই, আমানত পরিস্থিতি ভালো এবং উপার্জন ক্ষমতাও ভালো। ব্যাংকটির ঋণ সর্বাধিক পরিমাণে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, তবে পোশাকশিল্প খাতে তা সন্তোষজনক মাত্রার মধ্যেই আছে অর্থাত্ ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সন্তোষজনক মাত্রা হলো ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।
জনতা ব্যাংক: জনতা ব্যাংকের পরিস্থিতি চার ব্যাংকের মধ্যেই ভালো। মূলধন-পর্যাপ্ততা ও উপার্জন ক্ষমতার দিক থেকে ব্যাংকটির অবস্থান সন্তোষজনক। ব্যবস্থাপনা ও বাজার ঝুঁকির বিবেচনায় ব্যাংকটির পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো। তারল্য পরিস্থিতি শক্তিশালী। তবে সম্পদের গুণগতমানে ব্যাংকটি এখনো প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে।
জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা পরিমাণে এক হাজার ৪১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। প্রয়োজনীয় মূলধন ব্যাংকটিতে রয়েছে, পুঞ্জীভূত ক্ষতি নেই, ঋণের নিরাপত্তা সঞ্চিতিতে (প্রভিশন) ঘাটতি নেই, আমানত পরিস্থিতি ভালো এবং উপার্জন ক্ষমতাও ভালো। ব্যাংকটির ঋণ সর্বাধিক পরিমাণে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, তবে পোশাকশিল্প খাতে তা সন্তোষজনক মাত্রার মধ্যেই আছে অর্থাত্ ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
অগ্রণী ব্যাংক: জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর ’০৯ প্রান্তিকে অগ্রণী ব্যাংকের মূলধন-পর্যাপ্ততা, ব্যবস্থাপনা ও উপার্জন ক্ষমতা মোটামুটি ভালো উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতা ও তারল্যে ব্যাংকটির পরিস্থিতি শক্তিশালী। আর সম্পদের মানে অসন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে ব্যাংকটি।
অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ, পরিমাণে যা দুই হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা। এই খারাপ মানের সম্পদ ছাড়া ব্যাংকটির আর বাকি আর্থিক মানদণ্ডগুলো যেমন—কোনো ঝুঁকিনির্ভর সম্পদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মূলধন রয়েছে, পুঞ্জীভূত ক্ষতি নেই, ঋণের নিরাপত্তা সঞ্চিতিতে (প্রভিশন) ঘাটতি নেই, আমানত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উপার্জন ক্ষমতাও ভালো। ব্যাংকটির ঋণ সর্বাধিক পরিমাণে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, পোশাকশিল্প খাতে তবে তা সন্তোষজনক মাত্রার মধ্যেই আছে অর্থাত্ ১২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
রূপালী ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে মূলধন-পর্যাপ্ততা ও সম্পদের গুণগতমানে রূপালী ব্যাংকের পরিস্থিতি অসন্তোষজনক। ব্যবস্থাপনা ও উপার্জন ক্ষমতায় প্রান্তিক। তারল্য পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো এবং বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতায় সন্তোষজনক।
রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, পরিমাণে যা এক হাজার ১৩৯ কোটি টাকা। ঝুঁকিনির্ভর সম্পদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মূলধন ৫৩১ কোটি টাকার বিপরীতে ব্যাংকটি সংরক্ষণ করতে পেরেছে ৪৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। পুঞ্জীভূত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে ঋণের নিরাপত্তা সঞ্চিতিতে (প্রভিশন) ঘাটতি নেই, আমানত পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু মুনাফা ও পুঞ্জীভূত ক্ষতি সমন্বয় করার পর উপার্জন ক্ষমতা শূন্যতে রয়েছে। ব্যাংকটির ঋণ সর্বাধিক পরিমাণে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, পোশাকশিল্প খাতে যা ঝুঁকিপূর্ণ, ৩০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সন্তোষজনক মাত্রা হলো ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চতুর্থ রাউন্ডেও জিতেছেন নিয়াজ-জিয়ারা
আগের রাউন্ডে ড্র করা বাংলাদেশের মহিলা দল এ রাউন্ডে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি। হেরেছে ০-৪ পয়েন্টে। চার ম্যাচে মহিলা দলের ম্যাচ পয়েন্ট ২।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ ম্যাচে ধোনির অন্যরকম চ্যালেঞ্জ
সেটা আবার কী? নেতৃত্ব পাওয়ার পর ধোনির অধীনে মোট ৮টি সিরিজ খেলেছে ভারত। এর সাতটিতেই জিতেছে তারা। কিন্তু এসব সিরিজে কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছাড়া বাকি সব সিরিজেই শেষ ম্যাচে হেরেছে ভারত। কিন্তু এটা যে দলের জন্য একটা ‘গেরো’ হয়ে যায়নি—‘মরা ম্যাচে’ এটাই আজ প্রমাণ করতে হবে স্বাগতিক ভারতকে।
জেতার জন্য তাড়নার কমতি নেই শ্রীলঙ্কারও। ৮২৫ রান রোমাঞ্চের ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়া সিরিজ এক ম্যাচ বাকি থাকতে হারলেও খারাপ খেলেনি লঙ্কানরা। চার ম্যাচ শেষে সিরিজের শীর্ষ তিন রান-সংগ্রাহকই তাদের। ৮৩.২৫ গড়ে সর্বোচ্চ ৩৩৩ রান তিলকরত্নে দিলশানের। ৭৩.৭৫ গড়ে উপুল থারাঙ্গার রান ২৯৫। আর সাঙ্গাকারা নিজে ৫৪.২৫ গড়ে করেছেন ২১৭। শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক এরই মধ্যে বলে দিয়েছেন, ভারতের মাটিতে তাঁর দেখা সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ এটাই। আক্ষরিক অর্থেও সিরিজটিকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতার’ (৩-২) রূপ দিতে যে কোটলায় আজ জেতা লাগে সাঙ্গাকারাদের। আর জয় দিয়ে শেষটা কে না করতে চায়!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাসেলকে ৩ পয়েন্ট এনে দিলেন আব্বাস
এই জয়ে ৫ ম্যাচে রাসেলের পয়েন্ট হলো ১৩। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ওপরে আছে আবাহনী-মোহামেডান। কাগজে-কলমে যেমন তৃতীয় শক্তি, মাঠের লড়াইয়েও এখনো পর্যন্ত তৃতীয় শক্তির মতোই এগোচ্ছে রাসেল। ওদিকে রহমতগঞ্জের অবস্থা বেশ খারাপ। প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর তৃতীয় ম্যাচে এক পয়েন্ট পেয়েছে, কাল আবার পরাজয়ের বৃত্তে বাঁধা পড়ল দলটি।
শেখ রাসেল এদিন যেন নতুন করে লিগ অভিযান শুরু করেছে। আগের ম্যাচের পর কোচ কামাল বাবুকে ছাড়তে হয়েছে চাকরি। বড় লিটন নামে পরিচিত নতুন কোচ মাহমুদুল হকের অধীনে কালই প্রথম খেলল শেখ রাসেল। ২০০৩ সালে জাতীয় দলের সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন কিছুদিন, এরপর ইংল্যান্ডে বছর চারেক কাটিয়ে দেশে ফেরা বি-লাইসেন্সধারী এই কোচ সর্বোচ্চ ক্লাব কোচিংয়ে এলেন এই প্রথম।
ম্যাচের পর বললেন, ‘দায়িত্ব নিলেও সবকিছু বুঝে উঠতে আরও একটা ম্যাচ দেখতে হবে। তবে কাজ শুরু করে দিয়েছি এবং আজকের দলটা আমার তত্ত্বাবধানেই মাঠে নেমেছে।’
ওদিকে বিষণ্ন ছিলেন রহমতগঞ্জ কোচ মীর মোহাম্মদ ফারুক। আগের ম্যাচে ভালো খেলেও চট্টগ্রাম মোহামেডানের সঙ্গে ড্র, কাল গোলের সুযোগ পেয়েও গোল না পাওয়া—ভাগ্যকে খানিক দোষ দিতে পারেন রহমতগঞ্জ কোচ। রহমতগঞ্জ গোল শোধ করার সুযোগ পেয়েছিল গোল খাওয়ার দুই মিনিট পরই। কিন্তু ডিফেন্ডার আনিসুলের দারুণ শটটি ক্রসপিচে প্রতিহত। যে কবার বল পোস্টে ছিল, রাসেল গোলরক্ষক মামুন খানের পরীক্ষা তা নিতে পারেনি।
জয়-পরাজয় এক পাশে রাখলে ম্যাচটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। রাসেল গোল পাওয়ার আগ পর্যন্ত সমানতালেই লড়ছিল রহমতগঞ্জ। ১৮ মিনিটে রাসেলের সামির ওমারির শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন মাইকেল দুম্বা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। ঘানাইয়ান ডিফেন্ডার আব্বাসের কাছেই হেরে গেল রহমতগঞ্জ।
আজকের খেলা
ব্রাদার্স-ফরাশগঞ্জ (বিকেল ৩-৪৫ মি., বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডি., কমলাপুর), চট্ট. মোহামেডান-বিয়ানীবাজার (বেলা ৩-৩০ মি., এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম), ফেনী সকার ক্লাব-শুকতারা (বেলা ৩-৩০ মি., ভাষাশহীদ সালাম স্টেডিয়াম, ফেনী)
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তৃতীয় নির্বাচক জাহিদ রাজ্জাক?
নির্বাচক কমিটির নতুন সদস্য হিসেবে এসেছিল বেশ কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারের নাম। তাঁদের মধ্যে আছেন দুই সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও খালেদ মাসুদ এবং জাতীয় দলের সাবেক দুই ক্রিকেটার জাহাঙ্গীর আলম ও শাহরিয়ার হোসেন। বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস জানিয়েছেন সব নাম নিয়ে আলোচনার পর জাহিদ রাজ্জাককে নির্বাচক হিসেবে উপযুক্ত মনে হয়েছে তাঁদের, ‘ম্যাচ রেফারির কাজ করায় ক্রিকেটারদের সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে তার। তা ছাড়া বাকিদের মধ্যে হাবিবুল ও মাসুদ এখনো খেলছে। খেলা ছাড়ার পর তাদের সামনেও সুযোগ আসবে। আর বাকি দুজনের অনেক দিন থেকেই ক্রিকেটের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ নেই।’
বোর্ড নতুন নির্বাচক নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলেও এখনো নতুন চুক্তিতে সই করার অপেক্ষায় আছেন অন্য দুই নির্বাচক রফিকুল আলম ও আকরাম খান। নির্বাচক কমিটি থেকে নাঈমুরের সরে দাঁড়ানোর অন্যতম কারণও ছিল চুক্তি নিয়ে বোর্ডের সময়ক্ষেপণ। তবে কাল জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘বোর্ডের মুলতবি সভায় তিন নির্বাচকের চুক্তিই চূড়ান্ত করে ফেলা হবে। এ নিয়ে আর কোনো সমস্যা নেই। তা ছাড়া চুক্তি নিয়ে একমাত্র নাঈমুরেরই আপত্তি ছিল। অন্য দুজনের (রফিকুল ও আকরাম) এ নিয়ে কোনো আপত্তি তোলেনি।’
গত ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিসিবির সভায় সেদিনই শেষ হয়নি। মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বোর্ড সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল সিঙ্গাপুর থেকে ফিরলে।
ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির সভায় ‘এ’ দলের জন্য বিদেশি কোচ আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সহকারী কোচ নিয়োগ করা হবে দেশেরই কাউকে। জাতীয় দলের সাবেক ফিল্ডিং কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকেও ‘এ’ দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চিন্তাভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির প্রধান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে আশুরার মিছিলে বোমা হামলায় নিহত ৪
তেলসমৃদ্ধ কিরকুকের তাজা খারমাতু শহরের পুলিশ প্রধান লে. কর্নেল হোসেন আল বায়েতি জানান, আশুরার মিছিলে গতকাল রোববার স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে চারজন নিহত ও ১৯ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর।
এর আগের দিন শনিবার বাগদাদে আশুরার মিছিলে বোমা হামলা তিন ব্যক্তি নিহত হন। আশুরার মিছিলে গত মঙ্গলবার থেকে পৃথক হামলায় এ পর্যন্ত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৬০ জন।
আশুরার মিছিলে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছিল ২০০৪ সালে। তখন বাগদাদ ও কারবালায় পৃথক হামলায় প্রায় ১৭০ ব্যক্তি নিহত হন।
প্রাদেশিক ডেপুটি গভর্নর নাসায়েফ জসিম জানিয়েছেন, গতকাল আশুরা উপলক্ষে কারবালায় অন্তত ৩০ লাখ শিয়া সদস্য সমবেত হন। এঁদের মধ্যে এক লাখেরও বেশি বিদেশি রয়েছেন।
কারবালার পুলিশপ্রধান জেনারেল আলি জসিম মোহাম্মদ বলেন, পবিত্র আশুরার অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় ২৫ হাজার পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1422)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
December
(699)
-
▼
Dec 29
(24)
- জনগণের নিরাপত্তা -নৈতিকতার কোনো জায়গা নেই, শুধুই র...
- সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কারবালার চেতনা -পবিত্র আশু...
- রাজনীতি -গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শত্রু ফায়দাতন্ত্র ও ...
- পুলিশের ‘বেআইনি হাত’-পোশাকি নয়, দক্ষ ও সত্ পুলিশ প...
- কারবালার ত্যাগের শিক্ষা আমাদের পাথেয় হোক -পবিত্র আ...
- চেরি ফুল ফোটার আগাম বার্তা আর নয়!
- মার্কিন মানবাধিকার কর্মীর উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ
- টাইমসের চোখে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব নেদা আগা
- রাজস্থানে সেতু ভেঙে ৪৫ জন নিহত
- পোপের ওপর হামলাকারী ক্ষমা প্রত্যাশা করতে পারেন: ভ্...
- ইসরায়েলি হামলায় ছয় ফিলিস্তিনি নিহত
- এ বছরটি ছিল বড়ই কঠিন -বড়দিনের বার্তায় রানি এলিজাবেথ
- আটক মার্কিন সেনার ভিডিও প্রকাশ করায় যুক্তরাষ্ট্রের...
- তেলেঙ্গানা ইস্যুতে অনির্দিষ্টকালের বনেধর হুমকি দিল...
- আমদানি ও রপ্তানির বিষয়ে প্রথম আলো জবসের প্রশিক্ষণ
- সিটি ব্যাংক এনএর আইএসও সনদ লাভ
- আখের সংকট ও লোকসানের আশঙ্কা নিয়ে ঠাকুরগাঁও চিনিকলে...
- সিলেটে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ দ্রুত শু...
- সোনালী জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নত...
- চতুর্থ রাউন্ডেও জিতেছেন নিয়াজ-জিয়ারা
- শেষ ম্যাচে ধোনির অন্যরকম চ্যালেঞ্জ
- রাসেলকে ৩ পয়েন্ট এনে দিলেন আব্বাস
- তৃতীয় নির্বাচক জাহিদ রাজ্জাক?
- ইরাকে আশুরার মিছিলে বোমা হামলায় নিহত ৪
-
▼
Dec 29
(24)
-
▼
December
(699)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...