Wednesday, March 13, 2019
মাসুদ আজহারের পক্ষ নেবে চীন!

এনডিটিভি ও নিউজ-১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মাসুদ আজহারের বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা চলছে। তাঁকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা জানা যাবে কাল বৃহস্পতিবার। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করতে জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলেছিল ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তবে চীন তাতে ভেটো দেয়।
এদিকে নিরাপত্তা পরিষদে চলমান আলোচনায় মাসুদ আজহারের বিষয়ে তাদের কী ভূমিকা হবে তার আভাস দিয়েছে চীন। গতকাল মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কেন বলেন, আগের মতো এবারও চীন দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবে। চীন সব মত ও গোষ্ঠীকে মূল্যায়ন করতে চায়। সবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করতে চায়।
সম্প্রতি সময়ে চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কং শুয়ানইউ পাকিস্তান সফর করেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ৪০ জনের বেশি সদস্য নিহত হন। শুরু থেকেই ভারত এই হামলার জন্য জইশ-ই- মুহাম্মদকে দায়ী করে আসছে। পাশাপাশি অতীতের অনেক হামলার জন্যও ভারত এই সংগঠনটিকে দায়ী করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপির ভুল কি? by মুবাশ্বের হাসান ও এরিল্ড এঙ্গেলসেন রাড

শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে প্রায় সবটাতেই বিজয়ী হয়েছে। এটাই এযাবতকালের মধ্যে তাদের সেরা ফল। অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধীদলীয় জোট মাত্র ৭টি আসন নিশ্চিত করতে পেরেছে।
গত বছরের নির্বাচনে বিএনপির হতাশাজনক ফলে বাংলাদেশের অনেক পর্যবেক্ষকের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে, দলটি গঠিত হয়েছে ১৯৭৮ সালে। তারপর থেকে চারটি জাতীয় নির্বাচন ও দুটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে তারা। ২০০৬ সাল থেকে তারা ক্ষমতায় নেই।
এর আগে ক্ষমতায় থাকা এই দলটি কি দেশের বড় কোনো রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজের অবস্থান আর ফিরে পাবে কখনো?
বর্তমানে বাংলাদেশে বিএনপির পুনরুত্থান দৃশ্যত সম্ভব মনে হচ্ছে না তিনটি কারণে।
জনসমর্থন হারাচ্ছে
প্রথমত, বিএনপি আর পপুলার বা জনপ্রিয় সমর্থন পাচ্ছে না।
দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে জেলে। তার ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১০ বছরের বেশি লন্ডনে নির্বাসনে বসবাস করছেন। শেখ হাসিনাকে ২০০৪ সালে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে। ওই হামলায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। দলটির অনেক নেতাও সুপরিচিত বহু সমর্থক এখন হয়তো জেলে, নির্বাসনে আর না হয় পালিয়ে আছেন। বাকিরা নিজেকে কম প্রকাশের চেষ্টা করছেন। দলটি সুনিশ্চিতভাবে এর নেতারা কোনো অন্যায় করেননি বলে দাবি জানিয়ে আসছে। বলা হচ্ছে, সব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।
তা সত্ত্বেও, এসব অভিযোগের কারণে এ দলটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সমর্থককে হারিয়েছে।
উপরন্তু, মিত্র জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে ২০১৩ সালে হরতাল অবরোধ ও রাজপথে বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী আইন সংশোধনের দাবি জানায়। এরপর ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে হয়নি বলে অভিযোগ তুলে তারা ওই নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা বর্জন করলেও শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচন নিয়ে সামনে এগিয়ে যায় এবং খুব সহজেই তারা জিতে দ্বিতীয় দফা ক্ষমতায় যায়। জবাবে বিএনপি অস্থিরতা অব্যাহত রাখে। বাসে আগুন দেয়। বোমা ছোড়ে। জনজীবনে বড় ধরনের বিঘœ ঘটায়। এসব কারণে জনগণ প্রধান বিরোধী এই দলের দিক থেকে দূরে সরে যেতে থাকে।
২০১৮ সালে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণে সম্মত হয়। কিন্তু তারা পপুলার সমর্থন অর্জনে ব্যর্থ হয়। দলটির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী হয়তো আত্মগোপনে ছিলেন অথবা জেলে ছিলেন। এ জন্য নির্বাচনী প্রচারের সময় এবং ভোটের দিনে তারা ছিলেন একরকম অদৃশ্য। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিলেও বিএনপির প্রতি জনসহানুভূতি আসতে দেখা যায়নি।
এটা বলার দরকার পড়ে না, নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ী হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না অথবা তারা বড় কোনো অর্জন করতে পারতো না, যদি ভোট পুরোপুরি অবাধ ও সুুষ্ঠুও হতো। বিএনপি ও এর নেতারা যে অবিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন তার প্রতি জনগণের যে অনাগ্রহ তা থেকে একটি জিনিস পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে। তা হলো, বিএনপি যদি কোনো অর্জন পায় তাহলে তা হবে ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের কারণে, বিএনপির প্রতি জনগণের সমর্থনের কারণে নয়।
প্রাসঙ্গিকতায় ব্যর্থতা
দ্বিতীয়ত, গত কয়েক বছর ধরে জনগণকে একীভূত করে মাঠে নামাতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি।
২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার শাহবাগ ব্যাপক জনপ্রিয় এক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বাংলাদেশ যে ধর্মনিরপেক্ষ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা মেনে চলার দাবিতে এই বিক্ষোভ হয়। এর দু-এক মাস পরে ডজনখানেক অথবা এমন সংখ্যক ইসলামপন্থি সংগঠনের জোট হেফাজতে ইসলাম দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে। এই পরস্পর সংঘাতমূলক দুটি আন্দোলনের পক্ষেই হাজার হাজার বাংলাদেশি রাজপথে নামেন। এতে রাষ্ট্রের অত্যন্ত মৌলিক মূল্যবোধ ও নীতি নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।
এ নিয়ে যখন জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক তখন তার মধ্যে নিজের স্থান খুঁজে পেতে ব্যর্থ হলো বিএনপি। শাহবাগের যুব আন্দোলন এই ধারা ধরে রাখে। যেহেতু এরই মধ্যে নিজেরা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে তাই বিএনপির সমর্থনকে অবজ্ঞা করা শুরু করে হেফাজত। এই জোটে যুক্ত হয়েছেন সারা বাংলাদেশের ২৫ হাজারেরও বেশি ধর্মীয় স্কুলের সংগঠনগুলো।
২০১৫ সাল থেকে আরো তিনটি উল্লেখযোগ্য যুব আন্দোলন হয়েছে। তার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর কোনো ভ্যাট নয়। বেসরকরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর সরকারের ট্যাক্স বসানোর প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ হয়। আরেকটি আন্দোলন হলো, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা সংস্কার আন্দোলন। শেষেরটি হলো নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন। এসব বিক্ষোভের কোনোটিতে কোনো রকম ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয় নি বিএনপি। এমন কি এ নিয়ে যে বিতর্ক তাতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয় নি তারা।
সুস্পষ্ট এজেন্ডার ঘাতটি
তৃতীয়ত, বিএনপিতে রয়েছে সুস্পষ্ট এজেন্ডার ঘাতটি।
বাংলাদেশের জনগণের দৃষ্টিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু তারা ক্ষমতায় এলে প্রকৃতপক্ষে কি করবে অথবা কি পরিবর্তন আনবে সে বিষযে কোনো ব্যাখ্যা নেই।
একটি দেশের সুস্থতার জন্য নিয়মিতভাবে ক্ষমতাসীন এলিটদের পরিবর্তন প্রয়োজন। কিন্তু যখন বিকল্প হিসেবে প্রধান পক্ষ আকর্ষণীয় প্রস্তাবনা আনতে ব্যর্থ হয়, তখন পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তন হয়ে ওঠে জনগণের কাছে অধিক কম আকর্ষণের বিষয়।
উপরন্তু, দৃশ্যত বিএনপি কোনো সুনির্দিষ্ট আদর্শ অনুসরণ করে না। এর ফলে এ দলটি কম আকর্ষণীয় বিরোধী শক্তি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ও গ্রুপ খুব বেশি ক্লায়েন্টনির্ভর, তখন তাদের একটি মোদ্দাগত আদর্শ আছে। এমনকি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আছে জাতীয়তাবাদী আদর্শ, বিশেষ করে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে তাদের ভূমিকা থেকে কিছুটা নমনীয় বা শিথিল হয়েছে তারা।
অন্যদিকে বিএনপি একটি লিগেসি গড়ে তুলতে পারেনি, যা সুসংগত ও আকর্ষণীয় আদর্শে পরিণত হতে পারে। শুরু থেকেই এতে ছিল বিভিন্ন রকম উপাদানের এক হচপচ অবস্থা। এতে স্থান হয়েছে আওয়ামী লীগের জাতীয়তাবাদে অসন্তুষ্ট বাম ঘারানার মানুষ, ইসলামপন্থিদের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পক্ষের ডানপন্থিরা, সুযোগ সন্ধানীরা, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান আমলে সরকারের যেসব ব্যক্তি একপেশে হয়ে পড়েছিলেন তাদের।
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান দুটি প্রচারণার বিষয় ছিল জেলবন্দি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার। দৃশ্যত, খালেদা জিয়ার বন্দিত্ব নিয়ে বাংলাদেশের খুব কম সংখ্যক মানুষই খুব বেশি কেয়ার করেন না। জনসাধারণের মধ্যে দৃশ্যত যে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে তা হলো তিনি একজন রাজনীতিক এবং সব রাজনীতিকই দুর্নীতি করেন।
অনেকে বিশ্বাস করেন, নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার আনার কারণে নির্বাচনে বিএনপির জেতার সুযোগ নিঃশেষিত হয়ে গেছে। অবশ্যই বেশির ভাগ ভোটারেরই কাম্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তারা নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারকে কেন্দ্র করে ২০১৩-২০১৪ সালে যে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করে, তাতে বড় মাত্রায় দুর্ভোগ ও বিঘœ ঘটে। এতে অনেক বাংলাদেশি বিশ্বাস করেন যে, দেশের সমস্যাবহুল নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক করার মতো সক্ষমতা নেই বিএনপির।
একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বিাচন বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে পারে।
যখন বিএনপি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মধ্যে কাউকে বেছে নিতে হয় তখন বেশির ভাগ বাংলাদেশি নিজেকে প্রশ্ন করেন, আওয়ামী লীগ এরই মধ্যে যা করছে না, এমন কি করতে পারবে বিএনপি?
তাহলে এখন কি? আওয়ামী লীগ সফলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রচলিত যে দ্বিদলীয় প্রথা আছে তা অস্থিতিশীল করে তুলেছে। উপরন্তু দেশটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানব উন্নয়নসহ বেশ কিছু সূচকে খুবই ভালো করছে। তাহলে কি জনগণের সমর্থন ফিরে পাওয়া ও সর্বশক্তিশালী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার কোনো সুযোগই নেই বিরোধীদের?
অগত্যা না।
বাংলাদেশ এখনো একটি অসম শিল্পয়ানের দেশ। তা বৃদ্ধি পাচ্ছে সমানভাবে। রয়েছে উচ্চ মাত্রায় বেকারত্ব ও আংশিক কর্মসংস্থান। দেশের ভিতর বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের হুমকি রয়েছে। আছে শরণার্থীবিষয়ক সংকট। আছে সীমান্ত সমস্যা। আছে পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত বহু ইস্যু। বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ রয়েছে, শক্তিশালী একটি বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও রাষ্ট্রের ভিতরকার সমর্থন আওয়ামী লীগের জন্য বাস্তব, যা শর্ত সাপেক্ষে তাদের সফলতার পারফরমেন্সের জন্য। অর্থনীতির উত্থানপতন অথবা রাজনৈতিক বড় কোনো ভুলের কারণেই শেখ হাসিনার দল সহজে জনপ্রিয়তা হারাতে পারে এবং তাদের ক্ষমতা ফসকে যেতে পারে।
উপরন্তু ক্ষমতাসীন দলের প্রতি জনসমর্থন সমানভাবেই প্রতীয়মান। এতে বেশির ভাগ ভোটার আওয়ামী লীগকে পছন্দ করেন। এটা এ জন্য নয় যে এই দলটি তাদের সব ধর্মবিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে অথবা তাদের সব বেদনার সমাধান দেয়। তারা এ দলটিকে এ জন্য পছন্দ করেন যে, ক্ষমতাসীন দলটি মন্দের ভালো এ জন্য।
১৬ কোটি মানুষের বিপুল জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশ।
এখানে আছেন বামধারার মানুষ। আছেন রক্ষণশীল। শহরবাসী। আর কয়েক কোটি মানুষ বসবাস করেন গ্রামে। এখানে আছেন জাতীয়তাবাদী, সমাজতান্ত্রিক, ইসলাপন্থি ও সংখ্যালঘুরা। পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে এখানকার মানুষরা উদ্বিগ্ন। আছেন নারী অধিকারকর্মী। এই সময়ে দেশের রাজনীতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিনিধিত্ব নেই এসব গ্রুপের। এর ফলে তাদের অনেকেই ভোট দেন আওয়ামী লীগকে।
এই রকম অভিযোজন দীর্ঘ সময় এক ছাতার নিচে রাখা যাবে না, যেহেতু রাষ্ট্রীয় উৎস সীমিত। রাজনৈতিক শ্রেণির মধ্যে সাধারণ একটি অসন্তোষ আছে, আছে রাষ্ট্রীয় বৈধতায় ঘাতটি, ব্যাপক দুর্নীতি, ব্রেইন ড্রেইন, দুর্বল অবকাঠামো। আর আছে নিজের ভারে থাকা একটি রাজধানী শহর।
ক্ষমতাসীন দলের ভুলত্রুটি নিয়ে বিরোধী আন্দোলনের প্রচুর সুযোগ আছে। তারা জনগণের গভীরে প্রোথিত উৎপীড়নের বাস্তবসম্মত সামাধান প্রস্তাব করতে পারে। তারা বাংলাদেশের নির্বাচনী মানচিত্রে নিজেদেরকে একটি প্রভাবশালী স্থানে নিয়ে আসতে পারে। এমন কি ক্ষমতাসীনরা কঠোরভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করা সত্ত্বেও তাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে বিরোধীরা। সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে বিরোধী পক্ষ কল্পনা ও রাজনৈতিক দক্ষতার সঙ্গে যুবকদের অপ্রত্যাশিত, তবে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর গণ-আন্দোলনে বাংলাদেশের সহজেই মাঠে নামাতে পারে এবং পরিবর্তন আনতে পারে।
কিন্তু বিএনপি সম্ভবত সেই বিরোধী শক্তি হতে পারবে না।
গত নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল সফল হতে পারেনি শুধু এ জন্যই নয় যে, সরকার তাদের ওপর নিষ্পেষণ চালিয়েছে, কণ্ঠ রুদ্ধ করেছে। তারা ব্যর্থ হয়েছে এ জন্য যে, তারা তাদের পুরনো ও অপরিকল্পিত নেতৃত্বের জন্য, একটি উৎসাহমূলক এজেন্ডা দিতে সক্ষম না হওয়া এবং দেশকে নতুন পথে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখাতে না পারার জন্য তারা হেরেছে।
বাংলাদেশে এখনও পরিবর্তনের একটি সুযোগ আছে। কিন্তু তা বিএনপি পারবে বলে মনে হয় না।
(মুবাশ্বের হাসান ইউনিভার্সিটি অব অসলোতে ডিপার্টমেন্ট অব কালচার স্টাডিজ অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজের পোস্ট ডক্করাল ফেলো। এবং এরিল্ড এঙ্গেলসেন রাড নরওয়ের ইউনিভার্সিটি অব অসলোর সাউথ এশিয়া স্টাডিজের একজন প্রফেসর। অনলাইন আল জাজিরায় প্রকাশিত তাদের লেখা ‘হোয়াট ওয়েন্ট রং উইথ দ্য বিএনপি, বাংলাদেশজ মেইন অপোজিশন পার্টি?’ শীর্ষক লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পড়া নিয়ে শিশুদের চেয়ে মা-বাবাদের প্রতিযোগিতা বেশি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি সম্পৃক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
অল্প বয়সে লেখাপড়ার কঠোর শৃঙ্খলে আবদ্ধ করাকে ‘এক ধরনের মানসিক অত্যাচার’ বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,‘শিশুরা প্রথমে স্কুলে যাবে এবং হাসি খেলার মধ্য দিয়েই লেখাপড়া করবে। তারা তো আগে থেকেই পড়ে আসবে না, পড়ালেখা শিখতেই তো সে স্কুলে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিশুদের পাঠদান সম্পর্কে নিজস্ব অভিব্যক্তি সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে গিয়ে বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক দেশেই সাত বছরের আগে শিশুদের স্কুলে পাঠায় না। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক ছোটবেলা থেকেই বাচ্চারা স্কুলে যায়। কিন্তু তারা যেন হাসতে খেলতে, মজা করতে করতে পড়াশোনাটাকে নিজের মতো করে করতে পারে, সেই ব্যবস্থাটাই করা উচিত।’
প্রধানমন্ত্রীর কথা, ‘সেখানে অনবরত “পড়, পড়, পড়” বলাটা বা ধমক দেওয়াটা বা আরও বেশি চাপ দিলে শিক্ষার ওপর তাদের আগ্রহটা কমে যাবে, একটা ভীতির সৃষ্টি হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষার প্রতি সেই ভীতিটা যেন সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আমি আমাদের শিক্ষক এবং অভিভাবকদের অনুরোধ করব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক সময় আমরা দেখি প্রতিযোগিতাটা শিশুদের মধ্যে না হলেও বাবা-মায়ের মধ্যে একটু বেশি হয়ে যায়। এটাকেও আমি একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলে মনে করি।’
তিনি বলেন, সব শিক্ষার্থীর সমান মেধা থাকবে না এবং সবাই সবকিছু একরকম করায়াত্ত করতে পারবে না। তবে, যার যেটি যেভাবে সহজাতভাবে আসবে, তাকে সেটি গ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া, যেন শিক্ষাটাকে সে আপন করে নিয়ে শিখতে পারে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন স্বাগত বক্তৃতা করেন।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ বিতরণ করেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শিত হয়।
প্রাথমিক শিক্ষাটা যেন আরও উন্নত এবং মানসম্মত হয়, তার প্রতি দৃষ্টি রাখছে তাঁর সরকার—উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সকল শিশুর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৮-২০২৩ মেয়াদের জন্য ৩৮ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকার চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।’
শিক্ষার ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয়ে সরকারের কোনো কার্পণ্য নেই উল্লেখ করে তিনি তাঁর সরকারের শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের কল্যাণমূলক কার্যক্রমও আলোচনায় তুলে আনেন।
শেখ হাসিনা বলেন,‘শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু, ঝরে পড়া রোধকল্পে বিভিন্ন স্থানে বিনা মূল্যে স্কুলের পোশাকসহ সব শিক্ষা উপকরণ প্রদান, শিক্ষা ভাতা ও ক্ষেত্র বিশেষে পরীক্ষার ফি প্রদান করাসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য তাদের নিজেদের ভাষায় শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ এবং অন্ধদের জন্য ব্রেইল বই এবং শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জন্যও বই প্রদান ও হিয়ারিং এইড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার এ জন্য প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছে।
এ সময় প্রতিটি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় তাঁর সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এভাবেই শিক্ষাকে আমরা সর্বজনীন ও বহুমুখী করে দিচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এর ফলে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রতিভা বের হয়ে আসছে, যারা বিদেশ থেকে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় স্কাউটিং এবং কাবিং যেন প্রত্যেক বিদ্যালয়ে চালু হয়, সে বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, ‘স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়, তারা শৃঙ্খলা শেখে, নানা ধরনের উদ্ভাবনী কাজ করতে পারবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।’
ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম আমরা করে দিয়েছি এবং এটা সব জায়গায় পর্যায়ক্রমিকভাবে করে দেব এবং মাধ্যমিকের ন্যায় প্রাথমিক পর্যায় থেকেও কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে দেব।’ প্রতি দুই কিমির মধ্যে যেন একটা বিদ্যালয় থাকে, সেদিকে লক্ষ রেখেই তাঁর সরকার সমগ্র দেশে প্রায় ১৫ হাজার নতুন বিদ্যালয় করে দিয়েছে এবং উন্নতকরণ করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিয়েছে, যাতে তাঁরা ভালোভাবে শিক্ষা দিতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে এ জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বেশি চাপ প্রয়োগ না করারও পরামর্শ দেন।
প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ছাপানো প্রশ্নপত্র প্রদানের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন,‘শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবে শিখতে, তারা তো আগে থেকেই পড়ে আসবে না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেসব এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে সেখানে স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়েছে এমন শিশুদের সেসব স্কুলে ভর্তি করে নিতে হবে। ’
স্কুলে ভর্তি হওয়াকে শিশুদের অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিশুরা যেন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে সেই ব্যবস্থাটা নিতে হবে।’
তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বিনা মূল্যে বই বিতরণে তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় শিক্ষাটাকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন।
তিনি এ সময় ঝরে পড়া রোধকল্পে তাঁর সরকারের বৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদান, ১ কোটি ৪০ লাখ মাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পৌঁছে দেওয়াসহ সারা দেশে সরকারি- বেসরকারি এবং স্থানীয় উদ্যোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি স্কুল দরকার হলে টিফিন তৈরি করে দেবে, না হলে বাচ্চার মায়েরা তাদের সন্তানের জন্য টিফিন তৈরি করে দেবে। এটা প্রত্যেক মা এবং অভিভাবককেই উদ্যোগ নিতে হবে। ’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি চালুর ফলে আমরা দেখেছি অনেক জায়গাতেই এখন ঝরে পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।’
তিনি এ সময় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিজম-আক্রান্ত বা প্রতিবন্ধী) শিশুদের শিক্ষার বেলায়ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, সহপাঠী এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান, যাতে করে তারা মূল স্রোতে যুক্ত হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
সরকারের পিইসি এবং জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের যৌক্তিকতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা শিক্ষাজীবনের শুরুতেই একটি সনদ পাওয়ায় তাদের যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, তেমনি পরীক্ষাভীতিও দূর হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘এগুলো এ জন্য করা হয়েছে যেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষাটাকে কোনো ভীতির বিষয় মনে না করে।’
শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী আজকের শিশুদের ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা নিয়ে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের মানুষ গড়ার কারিগর আখ্যায়িত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার মানুষ হিসেবে যেন আজকের কোমলমতি শিশুরা গড়ে উঠতে পারে, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্যও তাঁদের প্রতি আহ্বান জানান।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাহুল-মমতাদের ট্যাগ করে মোদির টুইট

ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১১ এপ্রিল। এরপর আরও ছয় ধাপে এপ্রিল ও মে মাসজুড়ে হবে এবারের নির্বাচন। মোট সাত ধাপে নির্বাচন হওয়ার পর আগামী ২৩ মে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনে বিজেপি নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এনডিটিভি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, আজ এক টুইটে বলিউড তারকা রণবীর সিং ও ভিকি কৌশলকে ট্যাগ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘অনেক তরুণ আপনাদের পছন্দ করেন। এখন তাঁদের বলার সময় এসেছে যে আপনা টাইম আ গায়া হ্যায় (আপনার সময় চলে এসেছে) এবং মহাফুর্তিতে কাছের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় হাজির।’ ওই টুইটে ওই দুই নায়কের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘গুল্লি বয়’ ও ‘উরি’র জনপ্রিয় বাক্যগুলো ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ নির্বাচন নিয়ে একের পর এক ধারাবাহিক টুইটের মধ্যে নরেন্দ্র মোদি তাঁর প্রথম টুইটে ট্যাগ করেন প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাদের। এর মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শারদ পাওয়ার, বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী যাদব এবং তামিলনাড়ুর দ্রাবিড় মুনেত্রা কাঝাগাম (ডিএমকে) দলের এম কে স্ট্যালিনকে।
ওই নেতাদের ট্যাগ করে মোদি ‘আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে উৎসাহিত করার’ আবেদন জানান নেতাদের প্রতি। ভোটারদের বেশি বেশি অংশগ্রহণ ভারতের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য ভালো হবে বলে তিনি লেখেন।
পরের টুইটে তিনি ট্যাগ করেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাট্টনায়েক, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগন মোহন রেড্ডিকে। এতে তিনি লেখেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক ভারতীয়কে ভোটকেন্দ্রে আনতে কাজ করুন।’
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার, বিহারের মন্ত্রী ও লোক জনশক্তি পার্টির সভাপতি রাম বিলাস পাসোয়ান এবং সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের পাওয়ান চাম্বলিংকে উদ্দেশ করে মোদি লেখেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে ভোটের উন্নয়নে আপনার সমর্থন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ চাই। আসুন সর্বোচ্চ ভোটের পরিবেশ তৈরিতে উদ্যমী হই।’
কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী লতা মঙ্গেশকর ও সুরকার এ আর রহমানকে টুইট করে মোদি লিখেন, ‘জনগণের কণ্ঠ শোনার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ভোট।’
মোদি আলাদা টুইট করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি ও হরিয়ানার কুস্তিগির ফোগত বোনদের।
সাবেক ক্রিকেটারদেরও ট্যাগ করেন তিনি।
অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং বীরেন্দর শেবাগকে ট্যাগ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আসুন, আরেকবার জনগণকে উৎসাহ দেওয়ার সময় এসেছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক ভোটের সময় এসেছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শপথ নিয়ো না, প্রয়োজনে... ২৮০ বছর ডাকসু বন্ধ থাকুক’ -ছাত্রলীগকে সিদ্দিকী নাজমুল আলম

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘হতে পারে শোভনকে তুমি কম পছন্দ করো কিন্তু শোভন কিন্তু ছাত্রলীগের চেয়ার এবং তোমাদের মিছিলের সাথী। ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ডাকসুতে নির্বাচিতদের বলবো জামাত শিবির কে সাথে নিয়ে ছাত্রসংসদের শপথ নিয়োনা ।প্রয়োজন হলে ২৮ বছর না আরও ২৮০ বছর ডাকসু বন্ধ থাকুক । প্রানের ক্যাম্পাসের নেতৃত্ব ঐ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর হাতে থাকবে এটা হতে পারেনা । বঙ্গবন্ধুর রক্ত এবং আদর্শের সাথে বেঈমানী করোনা।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়া ডাকসু নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার ভোটে শোভনকে পরাজিত করে ভিপি নির্বাচিত হন নুর, যিনি কোটা আন্দোলনের প্লাটফর্ম সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন। এছাড়া এই প্যানেল থেকে নির্বাচিত হন সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। বাকি ২৩টি পদেই ছাত্রলীগ নির্বাচিত হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছামূলক স্থানান্তরের আশ্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাগত

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত এই রাষ্ট্রদূত গত ৮-১০ই জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা সফর করেন। এছাড়া তিনি সরকারি কর্মকর্তা এবং কক্সবাজার অঞ্চলে কর্মরত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও এনজিওগুলোর কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের ২০১৯ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে গত ৩রা মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি ৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলার দেয়ার কথা ঘোষণা করার পর ৮ই মার্চ কক্সবাজার যান রাষ্ট্রদূত মিলার। ওই বাড়তি অর্থের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় গঠিত নিয়মিত তহবিলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মোট অবদান ১০ কোটি ৫৫ লাখ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেয়া করের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হওয়া নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সফরে যান মিলার। কক্সবাজারে অবস্থানরত ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক সহায়তা ও আশ্রয় যোগানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও এনজিওগুলো যে অসাধারণ কাজ করছে তা প্রত্যক্ষ করাও ছিল রাষ্ট্রদূতের সফরের উদ্দেশ্য।
কক্সবাজার সফরে রাষ্ট্রদূত মিলার আমেরিকান রেডক্রস, আইএফআরসি, আইওএম, ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর, ডব্লিউএফপিসহ বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম দেখেন।
তিনি আসন্ন ঝড় ও বর্ষা মৌসুমের পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে সংস্থাগুলো যেসব প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে তা নিয়ে কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আরও কী করতে পারে রাষ্ট্রদূত তা–ও জানতে চান।
যুক্তরাষ্ট্র বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র (মাল্টি পারপাস সাইক্লোন শেল্টারস বা এমপিসিএস) তৈরি এবং দুর্যোগের সময়কার সাহায্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। ইউএসএআইডি এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ২০০৮ সাল থেকে কক্সবাজারে নয়টি এমপিসিএস তৈরি ও ৬০টির মানোন্নয়ন করেছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউএসএআইডি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় আরও ১০০ টির মতো এমপিসিএস মেরামতের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো শরণার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা উভয়ের কাজে লাগে। এছাড়া সারাবছর ধরেই এলাকাবাসী তাদের বিভিন্ন কাজে এগুলো ব্যবহার করে।
রাষ্ট্রদূত মিলার বেশ কয়েকটি শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও সেখানে সেবাদানকারী এনজিওগুলোর লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি শরণার্থী শিবিরগুলোর সাধারণ সংস্কার আর রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং আসন্ন ঝড় ও বর্ষা মৌসুম মোকাবেলার প্রস্তুতি দেখেন। রাষ্ট্রদূত মধ্য এপ্রিল নাগাদ ভাসানচরে এক লাখের মতো রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানতে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। ভাসানচরে যাওয়ার ব্যাপারটি সবকিছু জানাশোনার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক হবে এ আশ্বাসকে তিনি স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূতকে আরও জানানো হয়, ভাসানচরে যাওয়া লোকেরা কক্সবাজারের বিভিন্নস্থানে থাকা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য চর থেকে বের হতেও পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট মোকাবেলায় গৃহীত মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের বৃহত্তম দাতা। দেশটি ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। এ অর্থের মধ্যে ৪৫ কোটি ডলারের মতো দেয়া হয়েছে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয় দেয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয়াংকা গান্ধী প্রথম টুইটে যা লিখেছেন...

এদিন বৈঠকের আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর সবরমতি আশ্রমে যোগ দেন প্রিয়াংকা। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ।
পরে তিনি তার অফিসিয়াল টুইটারে ওই আশ্রমে শ্রদ্ধা নিবেদন নিয়ে লিখেছেন। প্রথম টুইটে তিনি লিখেছেন, সবরমতির সাধারণ মর্যাদা হলো সত্য এখনও বেঁচে আছে। এর পরেই দ্বিতীয় টুইট করেন তিনি। তাতে তিনি মহাত্মা গান্ধী ব্যবহৃত চাকার ছবি যুক্ত করেন এবং তার আপ্ত বাক্য ব্যবহার করেন। প্রিয়াংকা এতে লিখেছেন, আমি সহিংসতার বিরোধী। কারণ, যখনই ভাল কিছু করতে যাওয়া হয়, এসব ভাল হয় অস্থায়ী। কিন্তু অশুভ স্থায়ী হয়ে যায়।
রাজনীতিতে অভিষেকের পর এদিন প্রথম জনসভায় দেয়া বক্তব্যে প্রিয়াংকা আহ্বান জানান জনসাধারণের প্রতি। তিনি বলেন, তাদেরকে যেসব ইস্যু ভাবায় সেদিকে জনগণের দৃষ্টি দেয়া উচিত। এ সময় তিনি এসব ইস্যতে জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ফুটবল বিশ্ব তোমার, তোমাকে ভালোবাসি’

ভালোবাসার মানুষটি যখন চোখের সামনে দারুণ কিছু করে ফেলেন, তখন প্রিয়জনের আবেগাপ্লুত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তুরিনের অ্যালিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে কাল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক আবেগাপ্লুত করেছে বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজকে। গ্যালারিতে বসে কেঁদেছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে সে দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে তখন বাকি আর মাত্র কয়েক মিনিট। দুই লেগ মিলিয়ে জুভেন্টাস-অ্যাটলেটিকো ম্যাচে তখন ২-২ সমতা। কে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে? এমন সময়ই পেনাল্টির বাঁশি জুভেন্টাসের পক্ষে। স্টেডিয়ামে তখন পিন-পতন নিস্তব্ধতা। এর মধ্যেই পেনাল্টি থেকে গোল করলেন পর্তুগিজ তারকা। হ্যাটট্রিক তো বটেই। এর মধ্য দিয়েই জুভেন্টাস নিশ্চিত করে নেয় শেষ চার। গ্যালারির দর্শকদের তুমুল উল্লাসের মধ্যেই টেলিভিশন ক্যামেরা ধরল জর্জিনার মুখের ওপর। তিনি কাঁদছেন। প্রিয়জন তাঁকে কাঁদিয়েছেন। কিন্তু এমন কান্না তো কাঁদতে চায় সবাই-ই।
হ্যাটট্রিক তো অনেক আগেই সহজ বানিয়ে ফেলেছেন রোনালদো। কিন্তু কালকের হ্যাটট্রিকের মাহাত্ম্য অনেক বেশি। প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগের পরের পর্বে যাওয়া মোটামুটি অনিশ্চিত করে ফেলেছিল জুভেন্টাস। ফিরতি লেগে অতিমানবীয় কিছুরই দরকার ছিল তাদের। সেই অতিমানবীয় ব্যাপারটিই করে দেখালেন রোনালদো।
এমন দুর্দান্ত পারফরমেন্সের পর পর রোনালদোর ছোট বেলার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জর্জিনা, ‘৩-০ গোলের জয়টি আদায় করে নেওয়া। আজকের রাতের তিন গোল তোমার প্রাপ্য। তুমি যখন যে ক্লাবে খেল, ত্যাগের বিনিময়ে তুমি সাফল্য চাও। সা তুমি তোমার সতীর্থ, কোচ ও সমর্থকদের জন্য নায়কের মতো। ঈশ্বর জানেন, ঈশ্বর বিশ্বাস করেন ফুটবল বিশ্ব তোমার। আমরা তোমাকে ভালোবাসি’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় এক দলের নির্বাচন বয়কটে ভোটার আসেনি: সিইসি

সিলেটের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এসব কথা বলেন সিইসি। আজ বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৭৮টি উপজেলায় গত রোববার ভোট নেওয়া হয়। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়, ওই দিন ৪৩ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে। উপজেলা নির্বাচন এবার বর্জন করেছে বিএনপি।
প্রথম ধাপে ভোটার উপস্থিতি অতীতের তুলনায় কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকদের সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, বড় দল নির্বাচনে বয়কট করায় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়নি। এটাও একটা কারণ হতে পারে।
প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে মন্তব্য করে কে এম নূরুল হুদা বলেন, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনও সুষ্ঠু করে তুলতে এবং ভোটারদের নিরপেক্ষভাবে ভোট প্রদানে সহযোগিতা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্টরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যার কারণে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ইভিএম ব্যবহার করা হবে জানিয়ে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘সিলেটে আমরা ইভিএম ব্যবহার করতে পারিনি। উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ১০টি উপজেলায় ইভিএমের ব্যবহার করা হবে। ভবিষ্যতে সংসদ উপনির্বাচনের প্রয়োজন হলে সেগুলোতেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে।’
রাতে সিল মারা রোধ করতে ইভিএম ব্যবহারের বক্তব্য প্রসঙ্গে ইসি বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, আগুন লাগানো ও জোরপূর্বক সিল দেওয়ার ঘটনা এক দিনের ও একটি ঘটনা না। এটা বহু পুরোনো। আগে ব্যালট বাক্স ছিল টিনের। পরে আমার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স চালু করেছি। অন্যদিকে, ইভিএম চালু হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।’
আজকের মতবিনিময় সভায় সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যবসায়ীদের কাছে পতিতা সরবরাহের অভিযোগ শিল্পীর বিরুদ্ধে

সেউঙ্গরির বয়স ২৮ বছর। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে লিখেছেন, বিতর্ক এত বড় আকার ধারণ করার কারণে আমি অবসর নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে পতিতা সরবরাহ দেয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, সেউঙ্গরির আসল নাম লি সেউঙ্গ-হিউন। ফেব্রুযারিতে যেসব অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ছিল তা তিনি বাতিল করে দিয়েছেন। আর মার্চেও ছিল তার সলো ট্যুর। তাও বাতিল করে দিয়েছেন। ব্যান্ড ছেড়ে বা শোবিজ ছেড়ে যাওয়ার জন্য তিনি ভক্তদের উদ্দেশে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তাদের প্রতি। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, উত্থাপিত সব অভিযোগের তদন্তে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে অংশ নেবেন।
কি অভিযোগ সেউঙ্গরির বিরুদ্ধে
স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেক্স ব্রাইব বা যৌনতা বিষয়ক অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের সঙ্গে জড়িত তিনি। তার কোম্পানির নাম ইউরি হোল্ডিং। এ কোম্পানিটি তার বিনোদন ও রেস্তোরাঁ ব্যবসার দেখাশোনা করে। সেখানে বিদেশী যেসব বিনিয়োগকারীরা যান তাদেরকে বিনোদনের জন্য তিনি পতিতা সরবরাহ করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে নাইটক্লাবগুলোতে এমন অপকর্ম হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়াতে পতিতাবৃত্তি অবৈধ।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে একটি গ্রুপ ম্যাসেজিং চ্যাটের মাধ্যমে খদ্দেরদের জন্য পতিতা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন সেউঙ্গরি। এ জন্য তিনি ব্যবহার করেন ‘কাকাও টক’ অ্যাপ। এতে দেখা যায়, তিনি একজন স্টাফকে পতিতা সংগ্রহের বিষয়ে আয়োজন করতে বলেন।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে বার্নিং সান ক্লাবে মাদক ও যৌন হয়রানির অভিযোগে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই ক্লাবের জনসংযোগ বিষয়ক পরিচালক ছিলেন সেউঙ্গরি।
দক্ষিণ কোরিয়া বিষয়টিকে কোন চোখে দেখছে
বিলাসবহুল জীবনধারা সেউঙ্গরির। এ জন্য এক সময় তাকে ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি অব কোরিয়া’ বলে আখ্যায়িত করা হতো। তার রয়েছে অসীম ভক্ত। কিন্তু যৌন কেলেঙ্কারিতে তার নাম উঠে আসায় ভক্তরা মনে করছেন এটা তাদের কাছে এক বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ।
ব্যান্ডেরা সুনামে অপূরণীয় ক্ষতি করার অভিযোগে গত সপ্তাহে তাকে গ্রুপ থেকে সরে যাওয়ার একটি আবেদন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ইন্সটাগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে সেউঙ্গরি বলেছেন, গত দেড় মাস ধরে জনগণের কাছ থেকে আমি প্রচন্ড সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছি। দেশের সব রকম তদন্তকারী সংস্থা আমার বিষয়ে তদন্ত করছে। আমাকে বলা হচ্ছে জাতীয় বিশ্বাসঘাতক। তাই আমি এমন অবস্থানে থেকে নিজের ভালোর জন্য অন্যের ক্ষতি করতে পারি না।
তার এমন বক্তব্যের জবাবে সাবেক একজন ভক্ত পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, গত ১০টি বছর নিজে আপনার একজন ভক্ত হওয়ার কারণে আমি বিব্রতবোধ করছি।
আবার অনেকে সেউঙ্গরিকে সমর্থন করছেন। তাদের একজন বলেছেন, আমরা আপনাকে কোথাও যেতে দেবো না। অর্থাৎ তিনি ব্যান্ড ছেড়ে যান এটা মানতে পারছেন না তারা।
এ অবস্থায় সেউঙ্গরির ট্যালেন্ট বিষয়ক এজেন্সি ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট ইনকরপোরেশনের শেয়ারের পতন ঘটেছে সোমবার। এদিন শতকরা ১৫.৬ ভাগ পড়ে যায় এ কোম্পানির শেয়ারের দাম। তার অবসর নেয়ার ঘোষণার একদিন পরেই এ ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালের নভেম্বরের পর থেকে এটাই ওই কোম্পানির সর্বনিম্ন দরপতন।
এমন ঘটনায় শোবিজ ছাড়ার ঘটনা সেউঙ্গরির বেলায়ই ঘটেছে এমন না। ২০১১ সালে ব্রান্ডের প্রধান জি-ড্রাগনের বিরুদ্ধে মারিজোয়ানা পান করার অভিযোগে তদন্ত হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় এই মাদকটি বেআইনি। পরে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই মুক্তি দেয়া হয়। ২০১৭ সালে মারিজুয়ানা সেবনের অভিযোগে আরেকজন র্যাপার টি.ও.পি’কে ১০ মাসের জেল দেয়া হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ালে ভয়াবহ যৌন দৃশ্য: বিস্মিত বৃটিশ দর্শকরা

এমন দৃশ্যকে ‘হরিফিক সিন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বৃটিশ ট্যাবলয়েড একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ।
এতে বলা হয়েছে, ‘মাদার ফাদার সন’ সিরিয়ালটি হলো একটি রাজনৈতিক ও মনোবিজ্ঞান সম্পর্কিত থ্রিলার। এতে একটি পরিবারের তিন সদস্যকে দেখানো হয়। তারা হলেন ম্যাক্স, ক্যাথরিন ও তাদের ৩০ বছর বয়সী ছেলে ক্যাডেন। এই ক্যাডেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিলি হাউল।
‘মাদার ফাদার সন’-এ এমন দৃশ্য আছে এটা আগে থেকে নোটিশ বা সতর্ক করা হয় নি। তাই যখনই টেলিভিশনের পর্দায় এই দৃশ্য ভেসে ওঠে তখন এর দর্শকরা প্রার্থনা করতে থাকেন যাতে বিদ্যুত চলে যায়। তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে এ দৃশ্য দেখতে। এতে বিব্রত হয়ে পড়েন অনেক পিতামাতা। কারণ, তারা তাদের সন্তানদের নিয়ে দেখছিলেন তা।
দর্শকরা বলেছেন, ‘মাদার ফাদার সন’-এর এই পর্বে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা শক্তিশালী। এতে আছে যৌন প্রকৃতির দৃশ্য। তার মধ্যেই ফুটে ওঠে বিলি হাউলের ওই দৃশ্য। তাতে তিনি ভাড়া করা পতিতার সঙ্গে যে সংলাপ বলেন, মনে হয় তুমি যৌনতা, তোমার শরীর অথবা আমার সম্পর্কে কিছুই জানো না। এ কথা বলেই তিনি পুরো নগ্ন হয়ে পড়েন।
একজন দর্শক বলেছেন, কি দেখছি। ‘মাদার ফাদার সন’ দেখছি আমার মার সঙ্গে। এরই মধ্যে এতে দেখানো হচ্ছে অত্যন্ত রগরগে যৌন দৃশ্য। প্রার্থনা করছি বিদ্যুত চলে যায় যেন।
আরেকজন দর্শক বলেছেন, জীবনে আমি খুব কমই বেদনাবোধ করেছি। কিন্তু মা-বাবার সঙ্গে বসে দেখছিলাম ‘মাদার ফাদার সন’। এতে এমন ভয়াবহ যৌন দৃশ্য থাকবে সে বিষয়ে বিবিসি থেকে সতর্কতা দেয়া হয় নি। ফলে এমন দৃশ্য আমার জীবনে শীর্ষ বেদনাবোধ হিসেবে থেকে যাবে।
আরেকজন দর্শক বেদনা প্রকাশ করেন এভাবে- নিজের প্রতি নোট। আর কখনো বড়দের সঙ্গে নিয়ে ‘মাদার ফাদার সন’ দেখবো না।
উল্লেখ্য, ‘মাদার ফাদার সন’-এর প্রথম পর্ব প্রচারিত হয় এ বছর ৬ই মার্চ স্থানীয় সময় রাত ৯টায় বিবিসি টু’তে। তার পর থেকে প্রতি বুধবার একই সময়ে তা প্রচারিত হচ্ছে। গত গ্রীষ্মে এ সিরিয়ালটি ধারণ করা হয়েছে লন্ডন ও স্পেনের বিভিন্ন স্থানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে ঘণ্টায় কিডনি বিকল হয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু

বক্তারা কিডনি রোগের ব্যাপক প্রকোপ, এ রোগের মারাত্মক পরিণতি, অতিরিক্ত চিকিৎসার খরচ এবং সিংহভাগ কিডনি বিকল রোগীর অর্থাভাবে প্রায় বিনা চিকিৎসায় করুণ মৃত্যুর চিত্র তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ধনি-গরিব কিংবা সুবিধা বঞ্চিত শ্রেণি নির্বিশেষে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার সর্বস্তরের কিডনি রোগীদের চিকিৎসা প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণের অঙ্গীকার এবং বাস্তবায়নের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিতে হবে। ক্যাম্পসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং বিআরবি হসপিটালসের কিডনি বিভাগের চিফ কনসালটেন্ট, অধ্যাপক ডা. এমএ সামাদ এ গোলটেবিল বৈঠক সঞ্চালন করেন এবং তিনি কিডনি রোগের প্রতিরোধ, প্রতিকার এবং কিডনি রোগ চিকিৎসায় সবার জন্য সমান সুযোগ- এ বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে কিডনি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশিদ বলেন, উন্নত দেশে মোট কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের ২০ থেকে ২৫ ভাগ নিকটাত্মীয়দের মধ্য থেকে হয়।
দুর্ঘটনায় বা অকালে এবং রোগ-শোকে মৃৃত্যুবরণকারীদের কিডনিগুলো সংগ্রহ করে কিডনি বিকল রোগীদের সংযোজন করে দিতে পারলে কিডনি চিকিৎসায় অনেক অগ্রগতি হবে।
এখন বছরে ২০০ থেকে ২৫০ রোগীর ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয়। অথচ মৃতব্যক্তিদের কিডনি সংগ্রহ করে তা জীবিত রোগীদের সংযোজন করলে ১৫০০ থেকে ২০০০ রোগীর ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম বলেন, ক্যাম্পস কিডনি রোগ প্রতিরোধে নিরলস কাজ করে দেশে ও বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করেছে। বিশ্বে ৮৫০ মিলিয়ন লোক কিডনি রোগী। এর লাইন আপে বাংলাদেশ কিডনি রোগীর প্রাদুর্ভাবে ১১১তম পর্যায়ে রয়েছে। কিডনি সমস্যা আজ দেশে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব রাখছে। এর পেছনে অ্যাকসেস টু ট্রিটমেন্ট বড় কারণ।
ডা. এমএ সামাদ তার মূল প্রবন্ধে বলেন, পৃথিবীব্যাপী কিডনি রোগের প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত ব্যাপক। বাংলাদেশে ২ কোটিরও অধিক লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। কিডনি বিকলের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিধায় এদেশের শতকরা ১০ জন রোগী এ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারে না। অর্থাভাবে চিকিৎসাহীন থেকে অকালে প্রাণ হারান সিংহভাগ রোগী। পক্ষান্তরে, একটু সচেতন হলে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগের উপস্থিতি ও এর কারণ শনাক্ত করে তার চিকিৎসা করা। তিনি সুস্থ জীবনধারা চর্চার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। নিয়মিত ব্যায়াম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান না করা, পরিমিত সুসম খাবার, কাঁচা লবণ পরিহার করার তাগিদ দেন।
তিনি রোগের প্রধান কারণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলস্টেরলের ওষুধ গরিব রোগীদের জন্য বিনামূল্যে প্রদানের দাবি জানান সরকারের কাছে। কিডনি বিকলের চিকিৎসা যেহেতু অনেক ব্যয়বহুল তাই এর চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য গরিবদের ভর্তুকিসহ সবাইকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর আবেদন জানান। জাতীয় ক্রিকেট টিমের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, আমাদের নেত্বস্থানীয় লোক, শিক্ষক, ইমাম শ্রেণির প্রতিনিধিরা সচেতনতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ঘাড় ধরে’ ভোট গ্রহণ

• প্রকাশ্যে ব্যালট বাক্সে ভরতে হয় ভোটারকে।
• ভোট দিতে পারার জন্য নেচে-গেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে হয়।
পঞ্চাশের দশকে কোরিয়া ভেঙে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এরপর থেকে কিম পরিবার উত্তর কোরিয়া শাসন করে আসছে। উত্তর কোরিয়ার সব নাগরিককে কিম পরিবারের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করতে হয়।
উত্তর কোরিয়ায় তিনটি রাজনৈতিক দল রয়েছে। একটি কিম জং-উনের নেতৃত্বাধীন ওয়ার্কার্স পার্টি। পার্লামেন্টে এই দলটিই সংখ্যাগরিষ্ঠ। বাকি কয়েকটি আসন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও কনডোইস্ট চঙ্গু পার্টির ‘দখলে’ থাকে। দল তিনটি হলেও এসব দলের কাজের ধরন একই। তার ওপর এই ‘পুতুল পার্লামেন্টের’ কোনো ক্ষমতাই নেই।
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বসবাসকারী উত্তর কোরিয়াবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ফিয়োদর টারটিটস্কি বলেন, ‘ভোট দিতে গেলে আপনাকে একটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে, যেখানে একটাই নাম থাকবে। পূরণ করার বা সিল দেওয়ার মতো কিছু থাকে না সেখানে। আপনি কেবল ব্যালট পেপারটি নেবেন, আর ব্যালট বাক্সে ভরে আসবেন।’
মিন ইয়ং লি নামে আরেক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘প্রতিটা ভোটকেন্দ্রের বাইরেই থাকে ‘চিয়ার গ্রুপ’, যাঁরা উৎসব উদ্যাপন করেন। ভোটারদেরও ভোট দিয়ে তাঁদের সঙ্গে যোগ দিতে হয়, ‘বিজ্ঞ নেতৃত্বকে’ ভোট দিতে পারার জন্য উল্লাস প্রকাশ করতে হয়।
জনসংখ্যা গণনা এবং কতজন নাগরিক দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তা জানতে ও তাঁদের চিহ্নিত করতে এই নির্বাচন উত্তর কোরিয়ার সরকারের জন্য এক মোক্ষম ‘অস্ত্র’।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজয়ী নুরুর নাম শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্রলীগঃ ভিসিকে ভিপির চ্যালেঞ্জ

বক্তব্যের শুরুতে নুর বলেন, আপনার জানেন ২৮ বছর পর ডাকসুতে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের দিকে তাকিয়ে ছিলো সারাদেশ। যখন জাতীয় নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিরূপ ধারনা তৈরী হয়েছে, সেই জায়গা থেকে দেশের মানুষ ডাকসু নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ছিল। কিন্তু দলকানা প্রশাসন নীলনকশা অনুযায়ী যতরকম কারচুপি করা যায়, তার সবই করেছে।
নবনির্বাচিত ভিপি বলেন, এতো কারচুপির পরও আমাকে আর আখতারকে তারা আটকাতে পারেনি।
তবে অন্যদের আটকাতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি ছাত্রী হলগুলোর উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শামসুন্নাহার হল, কুয়েত-মৈত্রী হলের মতোই সব ফলাফল হতো। এসময় তিনি ভিসিকে উদ্দেশ্য করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
নির্বাচনের দিনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সব অনিয়ম এবং কারচুপি তুলে ধরায় রোকেয়া হলের সামনে ছাত্রলীগের লেডি সন্ত্রাসীদের হাতে আমাকে আহত হতে হয়েছে। আজও এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রলীগের সেই হাতুড়ি এবং হেলমেট বাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
নুর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। এখানে কোন অনিয়ম ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। তাদের স্ফুলিঙ্গে সব ছারখার হয়ে যাবে। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ছাত্রীদের যৌন হয়রানী ও নিপীড়নকারীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করতে হবে।
প্রহসনের মাধ্যমে আপনাকে জেতানো হয়েছে ছাত্রলীগের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে নুর বলেন, ছাত্রলীগ একটা গুজবলীগ। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের অবস্থা হতো শামসুন্নাহার হলের মতো।
ভিপি পদ গ্রহণ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটা কোন নির্বাচন হয়নি। এতো কারচুপির পরও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। প্রয়োজনে এ পদে থেকেই অনিয়মের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
পরে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতে অনির্দষ্টকালের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট ডেকেছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত এই ভিপি।












About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বালাকোটে বিমান হামলার আগে ২৬৩ জঙ্গি উপস্থিত ছিল -ভারতীয় মিডিয়ার দাবি

এর মধ্যে ছিল প্রশিক্ষক ও নতুন সংগ্রহ করা সদস্য। হামলা চালানোর আগে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্স অর্গানাইজেশন (এনটিআরও) ওইসব সদস্যের ব্যবহৃত মোবাইলের সিগন্যাল সনাক্ত করে।
তবে বিমান বাহিনী হামলা চালানোর পর ওই সিগন্যাল আর পাওয়া যায় নি। এ খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এতে বলা হয়েছে, ভারতীয় বিমানবাহিনী যখন বালাকোটে হামলা চালায় তখন সেখানে উপস্থিত ছিল জৈশ ই মোহাম্মদের ১৮ জন সিনিয়র কমান্ডার। নতুনদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা। বিমান বাহিনীর ওই হামলাকে জৈশ ই মোহাম্মদের বিশাল এক আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেসব যোদ্ধা যুদ্ধ করেছিলেন তাদেরকে নিখোঁজ দেখা যাচ্ছে।
এর মধ্যে রয়েছেন মুফতি উমর, মাওলানা জাভেদ, মাওলানা আসলাম, মাওলানা আজমল, মাওলানা জুবাইর, মাওলানা আবদুল গফুর কাশ্মিরী, মাওলানা কুদরাতুল্লাহ, মাওলানা কাসিম ও মাওলানা জুনাইদ। তারা সবাই ছিলেন মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ। আফগানিস্তানে যুদ্ধের পর জৈশ ই মোহাম্মদের প্রধান তাদেরকে নিয়ে এসেছিলেন বালাকোটে। ভারতের মিডিয়ায় বলা হয়েছে, ওই ক্যাম্পে যেসব মানুষকে রিক্রুট করা হয়েছিল তার মধ্যে ৮৩ জন দাওরা ই আজমের। ৯১ জন ছিলেন দাওরা ই খাসের। এছাড়া ২৫ জন জঙ্গিকে ফেদাইন হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের সঙ্গে কুক, প্রহরী সহ এক ডজনের বেশি স্টাফ উপস্থিত ছিল সেখানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1422)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
March
(458)
-
▼
Mar 13
(15)
- মাসুদ আজহারের পক্ষ নেবে চীন!
- বিএনপির ভুল কি? by মুবাশ্বের হাসান ও এরিল্ড এঙ্গেল...
- পড়া নিয়ে শিশুদের চেয়ে মা-বাবাদের প্রতিযোগিতা বেশি:...
- রাহুল-মমতাদের ট্যাগ করে মোদির টুইট
- ‘শপথ নিয়ো না, প্রয়োজনে... ২৮০ বছর ডাকসু বন্ধ থাকুক...
- রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছামূলক স্থানান্তরের আশ্বাসকে যুক...
- প্রিয়াংকা গান্ধী প্রথম টুইটে যা লিখেছেন...
- ‘ফুটবল বিশ্ব তোমার, তোমাকে ভালোবাসি’
- বড় এক দলের নির্বাচন বয়কটে ভোটার আসেনি: সিইসি
- ব্যবসায়ীদের কাছে পতিতা সরবরাহের অভিযোগ শিল্পীর বির...
- সিরিয়ালে ভয়াবহ যৌন দৃশ্য: বিস্মিত বৃটিশ দর্শকরা
- দেশে ঘণ্টায় কিডনি বিকল হয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু
- ‘ঘাড় ধরে’ ভোট গ্রহণ
- বিজয়ী নুরুর নাম শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছাত্রলীগঃ ভি...
- বালাকোটে বিমান হামলার আগে ২৬৩ জঙ্গি উপস্থিত ছিল -ভ...
-
▼
Mar 13
(15)
-
▼
March
(458)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...