Sunday, July 19, 2015
তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ফুলেল শ্রদ্ধায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ
![]() |
| বাবার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিষাদ ও নিনিত। ছবি: মাসুদ রানা, গাজীপুর |
বেলা তিনটার দিকে হুমায়ূন আহমেদের ভাই অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ছোট ভাই কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব, তিন বোন সুফিয়া হায়দার, মমতাজ শহীদ ও রোকসানা আহমেদসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেন।
সকালে মেহের আফরোজ শাওন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি হুমায়ূনকে কেবল মৃত্যু বা জন্মবার্ষিকীর দিনেই স্মরণ করি না, সারা বছরই তাঁকে স্মরণ করি। কোনো কর্মসূচি দিয়ে তাঁকে স্মরণ করি না। তবে হুমায়ূন আহমেদ জীবিত থাকাকালে তাঁর প্রিয় মানুষটি তাঁর বাবার মৃত্যুর দিনটি পারিবারিকভাবে যেভাবে পালন করতেন, আমিও আমার প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর দিনটি সেভাবেই পালন করার চেষ্টা করি। তিনি (হুমায়ূন আহমেদ) তাঁর বাবার মৃত্যুর দিনে পারিবারিকভাবে মিলাদ, কোরআন তিলাওয়াত ও কবর জিয়ারত করতেন। আমরাও তা করে থাকি।’
শাওন আরও বলেন, ‘এবার মৃত্যুবার্ষিকীর দিনটি ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ১৩ জুলাই রোজার মধ্যে স্থানীয় এতিমখানার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিলাদ মাহফিল, কোরআন তিলাওয়াত ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে আমরাও অংশ নিয়েছিলাম।’
স্বামীর ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনের ইচ্ছার বিষয়ে সাংবাদিকদের শাওন বলেন, ‘হুমায়ূনের এ স্বপ্নটা আমরাও পোষণ করি, লালন করি। কিন্তু বড় আকারে ওই হাসপাতাল স্থাপনের জন্য যেভাবে প্রিপারেশনটা দরকার, সেই প্রিপারেশনটা আমার একার নেই। এ জন্য অনেক মানুষকে একত্রিত করা দরকার।’
![]() |
| হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ছবি: মাসুদ রানা, গাজীপুর |
মানিকগঞ্জের মুন্নু মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবু নাসের বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নুহাশ পল্লীতে আসেন। তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন স্যারের রাশির সঙ্গে আমার স্ত্রীর রাশির মিল রয়েছে। হুমায়ূন স্যারের প্রতি আমাদের আলাদা একটা টান রয়েছে। তিনি বৃষ্টিকে খুব ভালোবাসতেন। তাই তাঁর ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরাও বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁর কবরের পাশে এসেছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১৯ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। নেত্রকোনার কেন্দুয়া গ্রামে তিনি ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনারা তাঁকে হত্যার জন্য গুলি ছুড়লেও অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে যান। ২০১১ সালে তাঁর ক্যানসার ধরা পড়লে পরের বছরের মাঝামাঝি সময় তাঁর অন্ত্রে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে অস্ত্রোপচারের স্থানে ইনফেকশন হলে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়।
‘গৌরীপুর জংশনে’ হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি: ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনে হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবিতে আজ মানববন্ধন করেছে ‘কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন। এক ঘণ্টার কর্মসূচি শেষে গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর একই দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনের কর্মকর্তা আবদুল কাদির স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।
মোহনগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল: হুমায়ূন আহমেদের তৃতীয় প্রয়াণ দিবসে আজ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোহনগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারে বাদ আসর এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আ খ ম শফিকুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন তালুকদার, লেখক হুমায়ূন আহমেদের মামা পৌর মেয়র মাহবুবুন্নবী শেখসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'অসাধারণ' স্বচ্ছল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক by আহমেদ জায়িফ
পাথালিয়ায় নাজমুলের এক প্রতিবেশী জানান, নাজমুলের বাবার পক্ষে আর্থিক অবস্থায় নাটকীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব ছিল না। এটা হয়েছে নাজমুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর।
নতুন বাড়ি তৈরি সম্পর্কে নাজমুল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ১৯৯২ সালে ওই বাড়িটির নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন তার বাবা। ২০১০ সালে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সম্প্রতি বাড়িটিতে রং করা হয়েছে তাই নতুন লাগছে। কিন্তু ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক নেতা বলেন, নাজমুলের বাড়িতে গিয়ে নতুন ভবন দেখে এসেছেন তিনি।
বিলাসবহুল ফ্ল্যাট
রাজধানীর পরীবাগের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। প্রতিমাসে ভাড়া ৫০ হাজার টাকা। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার কামাল পাশা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এটি একটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট। দুই মাস যাবত নাজমুল এখানে বসবাস করছেন। তবে নাজমুল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আওয়ামী লীগের এক নেতা ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছেন। তিনিই অর্ধেক ভাড়া দেন।
সূত্র জানায় রাজধানীর ওল্ড ডিওএইচএস-এ একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন নাজমুল। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার জয়নাল আবেদীন বলেন, 'গত এক বছর ধরে ১৪শ স্কয়ার ফুটের ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকছেন নাজমুল। এই ফ্ল্যাটের ভাড়া ৩৫ থেকে ৪০ হাজার।' তবে নাজমুল বলেন, 'ওই ফ্ল্যাটের মালিক দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইশতিয়াক দিদার। উনি আমার চাচাত ভাই। এই বাড়িতে বসবাস করতে আমাকে কোনও টাকা দিতে হয় না।'
তিনি বলেন, 'আমি এমপি মন্ত্রী নই। অবৈধ টাকা আয় করি না। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগ আমার কিছু খরচ বহন করে। মাঝে মাঝে সংগঠনের সাবেক নেতারা সহায়তা করেন। তবে আমি প্রধানত আর্থিক সহযোগিতা পাই আমার পরিবার থেকেই।'
বিবার্তা২৪ ডট কম
বিবার্তা২৪ডটকম নামে একটি নিউজ পোর্টালের প্রকাশক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পোর্টালটির এক সাংবাদিক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ২০১২ সালে আগস্ট মাসে পোর্টালটির উদ্বোধন হয়। ২০১৩ সালের দিকে পোর্টালের পার্টনার হন নাজমুল। পরে প্রকাশকও হন তিনি।
তবে নাজমুল দাবি করেন, পোর্টালের সম্পাদকই তাকে প্রকাশক বানিয়েছে। কারণ সম্পাদকের ধারণা তাকে প্রকাশক বানালে বিজ্ঞাপন বেশি পাওয়া যাবে। নাজমুল বলেন, 'তার অনুরোধের ভিত্তিতে আমি গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমি তাদের বিজ্ঞাপন পেতে সহায়তা করি। তবে পোর্টালটিতে আমার কোনও বিনিয়োগ নেই।' ছাত্রলীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান প্রকাশক হতে প্রায় ৩০/৪০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন নাজমুল।
ডিলারশিপ
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরপরই সিম্ফনি মোবাইল ফোনের ডিলারশিপ পান নাজমুল। জামালপুর শহরের মেডিক্যাল রোডের বিউটি প্লাজায় দোকানটি অবস্থিত। নাজমুলের ভাই আদনান সিদ্দিকী দাবি করেন এই ডিলারশিপ তার। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, 'আমার ভাই ছাত্রলীগের নেতা হওয়ার দু মাস আগে আমি এই ব্যবসা শুরু করি। ডিলারশিপ পেতে নাজমুল ভাই আমাকে কোনও সহায়তা করেননি। আমি আমার কোনও ব্যবসায় তার সহায়তা নেই না।'
এ বিষয়ে নাজমুল বলেন, 'ডিলারশিপের জন্য আবেদন করার সময় পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী মির্জা আজম ও আমার নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেছিল আমার ভাই। এরপর সে ডিলারশিপ পায়। তবে আমি রাজনৈতিকভাবে কোনও প্রভাব খাটাইনি। যে কোনও ব্যক্তি কোম্পানির শর্ত পূরণ করে ডিলারশিপ পেতে পারে। এ জন্য রাজনৈতিক প্রভাবের কোনও দরকার নেই।'
তবে সিম্ফনির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ে নাজমুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরই ওই ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া নাজমুল তার চাচাকে একটি মোটরবাইক কোম্পানির ডিলারশিপ নিয়ে দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে তার চাচা আশরুফল আলম বলেন, 'তিন মাস আগে আমি কোম্পানির ডিলারশিপ পাই। এ জন্য আমি নাজমুলের কাছ থেকে কোনও সহায়তা নেইনি।'
সরকারি প্লট
জানা গেছে ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম উভয়েই পূর্বাচল নিউ টাউন প্রজেক্টের পাঁচ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন। নাজমুল বলেন, 'অনেকদিন আগেই আমরা আবেদন করে রেখেছিলাম। সব ধরনের নিয়ম মেনেই প্লট বরাদ্দ পেয়েছি।' পূর্বাচলের প্রকল্প পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি সংরক্ষিত কোটায় তারা প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন।
আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স
দুটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স আছে নাজমুলের। 'রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' হিসেবে ওই দুটি অস্ত্র লাইসেন্স করেছেন তিনি। এর মধ্যে একটি শটগান, আরেকটি পিস্তল। নাজমুল বলেন সব ধরনের শর্ত পূরণ করেই আমি এ লাইসেন্স করিয়েছি।'
শহরে বাড়ি
স্থানীয়রা জানান গত বছর জামালপুরের মাদ্রাসা রোডে আরেকটি বাড়ি কিনেছেন নাজমুল। টিক্কাপট্টি সেন্ট্রাল পোস্ট অফিসের পেছনেই ওই বাড়ি। তবে বাড়িটির নিবন্ধন রয়েছে তার চাচার নামে। এ বিষয়ে নাজমুল বলেন, 'ওই বাড়ির মালিক আমি নই। চাচা যখন বাড়িটি কিনেন তখন আমি তাকে কিছু টাকা ধার দিয়েছিলাম।'
তিনি বলেন, 'আমি এমপি মন্ত্রী নই। অবৈধ টাকা আয় করি না। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগ আমার কিছু খরচ বহন করে। মাঝে মাঝে সংগঠনের সাবেক নেতারা সহায়তা করেন। তবে আমি প্রধানত আর্থিক সহযোগিতা পাই আমার পরিবার থেকেই।'
নতুন গাড়ি
বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরই টয়োটা এলিয়ন গাড়ি ব্যবহার করছেন নাজমুল। ওই গাড়িটি লেকচার পাবলিকেশন নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধন করা। সূত্র জানিয়েছে লেকচার পাবলিকেশন্সের কাছ থেকে নাজমুল ওই গাড়িটি নেন এই শর্তে যে তিনি নিশ্চিত করবেন ছাত্রলীগের কেউ তাদের ব্যবসার পথে বাধা হবে না। লেকচার পাবলিকেশনের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, 'গাড়িটির বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আপনারা কোম্পানীর চীফ অপারেটিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলুন।' তবে তিনি বলেন, 'যতদূর আমি জানি গাড়িটি নাজমুলের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।'
নাজমুল এই প্রতিবেদককে ফোন করে বলেন, 'আমি শুনেছি আপনি আমার গাড়ির মালিককে ফোন করেছিলেন। আপনি যদি আমাকে কল দিতেন আমি আমার সকল সম্পত্তি সম্পর্কে আপনাকে বলতাম। আমার সম্পর্কে জানতে অন্য মানুষকে ফোন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।' তিনি জানান লেকচার পাবলিকেশনের চেয়ারম্যানের ছেলে মেহেদি হাসান তার বন্ধু। নাজমুল বলেন, আমরা একটি সমাজে বসবাস করি। এমন কিছু লিখবেন না যাতে আমার সম্মানহানি হয়।
ফেসবুকে নাজমুলের প্রতিক্রিয়া
"আমাকে জড়িয়ে 'ঢাকা ট্রিবিউন' সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে
ঢাকা ট্রিবিউনের অনলাইন ভার্সনের প্রধান শিরোণামে আমার চোখ আটকে গেলো। শিরোণাম পড়ার আগেই ব্যঙ্গ কার্টুনে আমার চোখ পড়লো। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে বাধ্য হলাম। একি! আমাকেই আমি দেখছি ওই ব্যঙ্গ কার্টুনে। আমার হাতে অস্ত্র, বসে আছি একটা গাড়িতে। পিছনে বিল্ডিং, মার্কেট, হুন্ডা, প্লট, রাস্তা; সবখানে লেখা bcl প্রপার্টিজ, bcl হোন্ডা, bcl ডিলারস আরও অনেক কিছু।
কার্টুন হিসেবে যে ছবিটি দেওয়া হয়েছে তা দেখে আমি স্তম্ভিত দুটি কারণে। প্রথমত, ছবিটিতে আমাকে যতোটা অবমূল্যায়ন করা হয়েছে তার চেয়ে বেশী অবমূল্যায়ন করা হয়েছে ছাত্রলীগকে। দ্বিতীয়ত, এ কার্টুনের ভেতরে আমি অন্যরকম এক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। বিষয়টা একটু বিষদভাবে বলছি -
এদেশের তথাকথিত একদল বুদ্ধিজীবী চায় এদেশে ছাত্ররাজনীতি না থাকুক। ওয়ান ইলেভেনের সময়ও এ ধরণের প্রবনতা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা ট্রিবিউন এর এ নিউজ দেখে আমার মনে হয়েছে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার এজেন্ডা নিয়ে নিউজটি ছাপানো হয়েছে। আর একথা সকলেই জানে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হলে এর সুফল কে বা কারা ভোগ করবে বা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি কি হবে।
আমি স্পষ্টভাবে বলছি - ছাত্রলীগ আমার একার সংগঠন না, ছাত্রলীগ লাখো লাখো ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণের সংগঠন। আমি ক্ষমতার লোভে ছাত্রলীগ করি না, ছাত্রলীগ করি হৃদয়ের টানে। ছাত্রলীগ তো আমার ও আমাদের প্রাণের স্পন্দন।
এবার আসি অস্ত্র প্রসঙ্গে। আমি ছাত্রলীগ করি স্কুল জীবন থেকে। স্কুল থেকেই আমি ছাত্রলীগ করতে গিয়ে কোন আপোষ করিনি। যেখানেই জামাত- শিবিরের অপ-কার্যক্রম দেখেছি; সেখানেই সাধ্যমতো প্রতিরোধ করেছি। আর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের সেই উত্তাল দিনগুলিতে আমার ভূমিকা কি ছিলো তা নিশ্চয়ই কারো ভুলে যাওয়ার কথা না। আমার এসকল ভূমিকার কারণে জামায়াত শিবিরের চরম শত্রু আমি। আমাকে নানাভাবে হুমকি দিয়েছে তারা। তাই, বেঁচে থাকার জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছি। প্রশ্ন হলো- এ নিয়ে যদি নিউজ হয় তাহলে কি ভেবে নেবো আমার প্রিয় গুটিকয়েক সাংবাদিক বন্ধু মনে মনে আমার মৃত্যু কামনা করে!
আমার থাকার বাসা নিয়ে বলা হয়েছে। ভাড়া দিয়ে বাসায় থাকলে সেটা কিভাবে নিউজ হয়? ভাড়া না দিয়ে কোন বাসা দখল করে থাকলে সেটা নিউজ হতে পারতো। আমার গ্রামের বাড়িটি নিয়েও নিউজ হয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে বলি - বাড়িটির কাজ শুরু করে আমার বাবা ১৯৯২ সালে। কি এক বিচিত্র কারণে বাড়িটি তিনি দীর্ঘসময় ধরে করেন। বাড়িটির কাজ শেষ হয় ২০১০ সালে। এরপর, বাড়িতে রঙ করা হয়। আমি অবাক হয়ে ভাবি, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে কি এমন পাপ করেছি যে আমার বাবার তৈরী করা বাড়ি নিয়েও আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে! কি আশ্চর্য মানুষের মন!
আমার ছোটভাইয়ের জামালপুর এর ছোট একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়েও বাজে কথা বলা হয়েছে। আমার ছোটভাই জামালপুর এ সিম্ফনি ফোনের ডিলার। সারাদেশে এ কোম্পানি জেলা -উপজেলা পর্যায়ে ডিলারশীপ দিয়ে থাকে। আমার ভাই ঐ কোম্পানির সকল শর্ত পূরণ করে এ ডিলারশীপ পেয়েছে। এখানে আমার কোন ভুমিকা নাই, থাকার প্রশ্নও আসেনা। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের মূল শর্ত পূরণকারীদেরকে এ ধরণের ডিলারশীপ দিয়ে থাকেন।
কথা বাড়াতে ইচ্ছে করছে না। মনটা সকাল থেকেই বিষন্ন। এ পৃথিবীতে বিষন্নতা বাড়ানোর মতো অনেক কিছুই আছে অথচ বিষন্নতাবিরোধী কোন ক্যাপসুল নাই। সময়ই মানুষের বড় শত্রু, সময়ই মানুষের বড় বন্ধু। সবকিছু সময়ের উপর ছেড়ে দিলাম।
পরিশেষে একটি কথাই বলবো;
প্রভু ওদের সুমতি দাও”
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরাজগঞ্জের সড়কে ঝরছে কেন প্রাণ? by ইমরান আহম্মেদ ও এনামুল হক
বিগত দুই মাসের মধ্যে আজ সিরাজগঞ্জে সবচেয়ে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের মূলিবাড়ি এলাকায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ১৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার আহত প্রায় ৫০ যাত্রীর মধ্যে আটজনের অবস্থা গুরুতর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বাড়তে পারে।
বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের তথ্য, বঙ্গবন্ধু সেতুটি দিয়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার লোকজন যাতায়াত করে। সেতুর টোল প্লাজার হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১২ হাজার গাড়ি সেতুটি ব্যবহার করে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, অদক্ষ চালক দিয়ে বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো হচ্ছে। অনেক অনভিজ্ঞ চালক দুই লেনের দ্বিমুখী মহাসড়কটিতে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালান। এ ছাড়া বেঁধে দেওয়া গতিসীমাকে অমান্য করে বেশি গতিতে গাড়ি চালায়। এ কারণে মহাসড়কের এ অংশে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে ছয় চালককে জরিমানা করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কমাতে দ্রুত মহাসড়কটি চার লেন করে বিভাজন করা দরকার। এতে মুখোমুখি সংঘর্ষ অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের ভাষ্য, সিরাজগঞ্জে সড়কগুলোর অবস্থা ভালো নয়। এরপর এখানে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কটিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। এর বড় কারণ এ সড়কটি দুইলেন ও দুই দিকের গাড়ি মুখোমুখি চলাচল করে।
আজকের মুলিবাড়তে দুই বাসের সংঘর্ষে আবুল কালামের দুই আত্মীয় মারা গেছে। তিনি করেন, এ সড়কটিকে গাড়ি চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এই গতিসীমা কোথাও ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, কোথাও ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। সড়কটিতে ওভারটেক বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো চালকই এসব নিয়মের তোয়াক্কা করেন না। হরহামেশাই তাঁরা ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে গাড়ি চালান, ওভারটেক করেন। উভয়মুখে দুই লেনের সড়কগুলোতে কারণে মুখোমুখি সংঘর্ষ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
গত দুই মাসের মধ্যে গত ২৩ মে জেলায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানির দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকেলে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কামারখন্দ উপজেলার সীমান্ত বাজার এলাকায় দুটি বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকের চালক, সহকারীসহ ১০ জন নিহত হন। দুর্ঘটনায় ৩০ জন আহত হন।
জেলায় ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন, মূলত তিনটি কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল-বনপাড়া সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে। প্রথমত, কম ঘুমিয়ে, বিশ্রাম না নিয়ে বিরতিহীনভাবে চালকদের গাড়ি চালানো। দ্বিতীয়ত, গাড়ির অতিরিক্ত গতিবেগের পাশাপাশি দ্বিমুখী সড়কে ঘন ঘন লেন পরিবর্তন করা। অর্থাৎ, ডান থেকে বামে বা বাম থেকে ডানে যাতায়াত। তৃতীয়ত, গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এ সড়কটিতে মাত্র দুই লেন থাকা। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এ মহাসড়কটির দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬
![]() |
| সিরাজগঞ্জে বাস দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালছে। ছবি: এনামুল হক খোকন |
![]() |
| দুর্ঘটনার পর সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে উদ্ধারকাজের প্রস্তুতি। ছবি: এনামুল হক খোকন |
![]() |
| সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের মূলিবাড়ি এলাকায় আজ দুর্ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাস। দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। ছবি: এনামুল হক খোকন |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্লুটোর সমতল ভূমির সঙ্গে পৃথিবীর মিল
![]() |
| নিউ হরাইজনসের পাঠানো ছবিতে প্লুটোর ভূপৃষ্ঠ |
ছবিতে প্লুটোর যে সমতলভূমি দেখা গেছে সেটা প্লুটোর উত্তর বরফ পর্বত অঞ্চলের। হৃদয়াকৃতির এই অঞ্চলটির নাম টমবাউ। ১৯৩০ সালে ক্লাইড টমবাউ প্লুটো আবিষ্কার করেন। তাঁর নামানুসারে এই অঞ্চলটির নামকরণ করা হয়।
নাসার গবেষক জেফ মুর বলেন, ‘এ অঞ্চলটির সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়। বিশাল, গর্তহীন ও অনেক নবীন সমতলভূমির আবিষ্কার আগের সব প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। চমকপ্রদ হিমায়িত এই সমতলভূমিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘স্পুটনিক প্ল্যানাম’ বলা হচ্ছে।
নাসা জানিয়েছে, অগোছালোভাবে বিভক্ত খণ্ড খণ্ড ভূপৃষ্ঠ রয়েছে প্লুটোতে। একেকটি খণ্ডাংশ সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এর চারপাশে ছোট ছোট খাত রয়েছে। এসব খাতের কিছু গাঢ় উপাদানে পূর্ণ আর কিছু পাহাড় থেকে ধসে পড়া কাদায় ভর্তি।
প্লুটোর ভূপৃষ্ঠে ছোট খাটো খানা-খন্দ রয়েছে যা সাবলিমেশন নামের একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়ার কঠিন পদার্থ সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
প্লুটোর নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ পরিবেশ অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঁচুতে প্লুটোর আবহাওয়া মণ্ডল টের পাওয়া যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপ-আঞ্চলিক জোট ও বাণিজ্য করিডর by আসজাদুল কিবরিয়া
মোটাদাগে একই অঞ্চলের কয়েকটি ছোট দেশ তাদের প্রতিবেশী বড় একটি দেশের এক বা একাধিক প্রদেশকে নিয়ে গঠিত জোটকে উপ-আঞ্চলিক জোট বলা যায়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে সামনে আনা হয় বৃহত্তর মেকং উপ-অঞ্চল। কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং চীনের ইউনান ও গুয়াংজি প্রদেশদ্বয়কে নিয়ে এই গঠিত। গুয়াংজি বাদে অন্যগুলো সবই মেকং নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। ১৯৯২ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বৃহত্তর মেকং উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করে।
দক্ষিণ এশিয়ায়ও এ ধরনের একটি উপ-আঞ্চলিক জোট গঠনের জন্য এডিবির চেষ্টা বেশ পুরোনো। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাউথ এশিয়ান সাব-রিজিয়নাল কো-অপারেশন (সাসেক) নামে একটি জোট গঠনের ঘোষণা দেয়, যার সদস্য হয় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। কিন্তু এটি আসলে উপ-আঞ্চলিক জোট হতে পারেনি, বরং ‘পাকিস্তান বাদে সার্ক’ এমন একটি জোটের ধারণাই জোরালো হয়েছে। তা ছাড়া এখানে দুটি দেশ হলো দ্বীপরাষ্ট্র, যাদের সঙ্গে স্থল ও রেলপথে যোগাযোগের সুযোগ নেই। সর্বোপরি বিশাল রাষ্ট্র ভারতের নির্দিষ্ট কোনো প্রদেশ নয়, বরং পুরো দেশটিই এর সদস্য বিবেচিত হয়েছে। ফলে এই উদ্যোগে তেমন অগ্রগতি হয়নি।
অবশ্য বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব সাত রাজ্য ও পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একটি উপ-আঞ্চলিক জোট গঠনের প্রয়াস অনেক পুরোনো। এর উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্নভাবে পশ্চাৎপদ তিনটি দেশ ও ভারতীয় প্রদেশগুলোর পরস্পরের মধ্যে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা। বিবিআইএনের মোটরযান চুক্তি সেই সম্পৃক্ততার পথে একটি বড় ধাপ বলে বিবেচিত হতে পারে। এই চুক্তির আওতায় চার দেশের যানবাহন একে অন্যের দেশে যাতায়াত করতে পারবে। অবশ্যই তা অবাধে নয়, নিয়ন্ত্রিতভাবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিতভাবে বা সীমিত পরিসরেই তা হওয়া উচিত। এরপর প্রয়োজন ও পরিস্থিতি অনুসারে এই নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা যাবে। চার দেশের মধ্যে যান চলাচলের সুযোগ পর্যায়ক্রমে মানুষ ও পণ্য পরিবহন সহজ করবে এবং দেশগুলোর পরম্পরের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াবে।
সন্দেহ নেই ভারত সরকারের সক্রিয় উদ্যোগেই বিবিআইএন গতি পেয়েছে। ২০১৩ সালে ভারতের কংগ্রেস সরকার এই উপ-আঞ্চলিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হওয়ায় এবং পরের বছরগুলোয় সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক উন্নত হওয়ায় ভারতের জন্য এই উদ্যোগ কার্যকর করা সহজ হয়। বরাবরই ভারত তার যেকোনো উদ্যোগে নেপাল ও ভুটানকে অনেক সহজেই সঙ্গে পেয়েছে। কিন্তু সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকায় বাংলাদেশকে পাশে পাওয়া সহজ হয়নি। আবার বাংলাদেশও বিভিন্ন কারণে বিশেষত ভারতের অতিমাত্রায় নিজ স্বার্থকেন্দ্রিক আচরণ ও ছাড় দিতে অনীহ মনোভাবের জন্য উপ-আঞ্চলিক উদ্যোগে উৎসাহ পায়নি। তার বদলে সার্কের আঞ্চলিক জোটকেই তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক মনে করেছে। অন্যদিকে ভারত বেশির ভাগ সময়ই সার্কের বিষয়ে উদাসীন ও সন্দিহান থেকেছে। প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে চিরশত্রুতার কালো ছায়া সার্কের সম্ভাবনা ও অগ্রগতিকে ব্যাহত করেছে।
তবে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতের বৈদেশিক নীতি একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের প্রতি অধিক বন্ধুবৎসল হয়ে ওঠে। সার্কের তথা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বাড়াতেও আগ্রহ প্রকাশ পায়। তবে গত বছর নভেম্বরে কাঠমান্ডুতে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশীয় মোটরযান, রেল ও বিদ্যুৎ সংযোগ-বিষয়ক তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরে পাকিস্তান বাগড়া দিলে তা প্রকারান্তরে ভারতের জন্য আশীর্বাদ হয় ওঠে। ভারত দ্রুত বিবিআইএন নিয়ে অগ্রসর হয়। অথচ সার্কের আওতায় চুক্তিগুলো হলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানও অভিন্ন সড়ক ও রেল যোগাযোগের আওতায় আসতে পারত।
বিবিআইএন জোটের মাধ্যমে নেপাল ও ভুটান এখন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে সহজে। ভারতের কলকাতা বন্দর ব্যবহারও আগের চেয়ে সহজ হবে। বাংলাদেশ অবশ্য বরাবরই নেপাল ও ভুটানকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দিতে চেয়েছে। কিন্তু ভারত তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়নি বলে সেটি সম্ভব হয়নি। অথচ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতি-বিধি অনুসারে ভূ-আবদ্ধ কোনো দেশকে (নেপাল বা ভুটান) দ্বিতীয় দেশ (ভারত) তৃতীয় দেশে (বাংলাদেশে) যাওয়ার জন্য ট্রানজিট সুবিধা দিতে বাধ্য। ভারত কখনোই তা অনুসরণ করেনি, যদিও গত কয়েক বছরে অনেক কিছুতে দেশটি নমনীয় হয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে।
মজার বিষয় হলো ২০১১ সালেই বাংলাদেশ ভারত, নেপাল ও ভুটানকে ট্রানজিট প্রদানের জন্য নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সে সময় বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানকে প্রধান করে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ট্রানজিট-বিষয়ক একটি মূল দল গঠন করা হয়। এই দল একটি সর্বাত্মক প্রতিবেদন তৈরি করে, যেখানে ট্রানজিট-ট্রানশিপমেন্টের বিভিন্ন কৌশলগত, কারিগরি ও ভূরাজনৈতিক দিক বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ রাখা হয়। সে বিবেচনায় বাংলাদেশই আসলে বিবিআইএনের পথিকৃৎ। কিন্তু সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নীতিনির্ধারক ভারতকে একতরফাভাবে ও অবাধে ট্রানজিট সুবিধা দিতে সচেষ্ট থাকায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনটি হিমাগারে চলে যায়।
বিবিআইনের আন্ত-আঞ্চলিক বাণিজ্য বা দেশগুলোর পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য ২০১৪ সালে ২ হাজার ৪৩০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা এক দশক আগে ছিল মাত্র ৫৭৮ কোটি ডলার। সার্ক বাণিজ্যের ৪৯ শতাংশই বিবিআইএনে সম্পন্ন হয়। ২০১৩ সার্ক আন্ত-আঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার। একই সময়ে বিবিআইএনের এ বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ১৯৩ কোটি ডলার। মোটরযান চুক্তি বিবিআইএনের বিদ্যমান বাণিজ্য করিডরগুলোর উন্নয়ন ও সংস্করণের একটি সুযোগও তৈরি করেছে। আর এসব বাণিজ্য পথ বা করিডরগুলো উন্নত না হলে পারস্পরিক বাণিজ্য বাড়বে না, কমবে না ব্যবসার ব্যয়।
বিবিআইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় বাণিজ্য করিডর হলো কাঠমান্ডু-কাকরভিটা/ পানিটাঙ্কি-ফুলবাড়ী/বাংলাবান্ধা-হাটিকুমরুল-ঢাকা। ১ হাজার ৪৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ একই ত্রিদেশীয় সড়কপথে নেপালের অংশ ৬০০ কিলোমিটার, ভারতের ৫৪ কিলোমিটার আর বাংলাদেশের ৪৯৮ কিলোমিটার। এটি প্রধানত বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পন্ন হয়। ভারতও কখনো কখনো এটি ব্যবহার করে। যদি ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সড়কপথকে বিবেচনায় নেওয়া হয় তাহলে এর মোট দূরত্ব দাঁড়াবে ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার। আর যদি বাংলাবান্ধা থেকে মংলা পর্যন্ত চলে আসে তাহলে মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১ হাজার ৩২৯ কিলোমিটার। সার্ক রিজিয়নাল মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট স্টাডি (এসআরএমটিএস) এই পথটিকে ‘সার্ক হাইওয়ে করিডর-৪’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
কিন্তু অবকাঠামোজনিত ঘাটতি এই বাণিজ্য করিডরে তো বটেই, অন্য করিডরগুলোয় বাণিজ্য সম্পন্নকরণকে কঠিন করে রেখেছে। ভারতের জয়পুরভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাটস ইন্টারন্যাশনাল চলতি বছর তাদের প্রকাশিত এক সমীক্ষায় এ বিষয়গুলো তুলে ধরেছে। তাতে এই বাণিজ্য করিডর সম্পর্কে বলা হয়েছে, নেপালের দিকে কাকরভিটা শুল্ক স্টেশনে শুধু রাসায়নিক পরীক্ষাগার ছাড়া আর প্রায় সবই ভালোভাবে আছে। বাংলাদেশের দিকে বাংলাবান্ধায় সড়কের অবস্থা ভালো থাকলেও পণ্যবাহী ট্রাক রাখার জায়গার অভাব আছে, প্রয়োজনীয় পণ্যগুদাম নেই। ভারতের দিকে নেপালসংলগ্ন স্যানিটারি অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। নেই পণ্যগুদাম ও ভালো পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। এখানকার শুল্ক স্টেশনে স্থায়ী কোনো কর্মকর্তা নেই। পানিটাঙ্কি ও কাকরভিটা সংযোগ স্থাপনকারী সেতুটা সংকীর্ণ।
এই একটি উদাহরণ থেকেই বোঝা যায় যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কতটা অপ্রতুলতা আছে এই সিবিআই জোটের দেশগুলোয়। অবকাঠামোর উন্নয়ন ছাড়া প্রত্যাশিত উপ-আঞ্চলিক বা আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা যেমন হবে না, তেমনি হবে না কাঙ্ক্ষিত বাণিজ্য। তাই বাণিজ্য করিডরগুলোর উন্নয়ন, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে বিনিয়োগ করতে হবে চার দেশকেই। তবে প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে ভারতেরই উচিত বেশি বিনিয়োগ করা। আর উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডরগুলোর কয়েকটি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যাতায়াত ও যোগাযোগ সহজতর ও সাশ্রয়ী করবে। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক পরিবহন করিডরে যান চলাচল শুরু করেছে। পরিবহন করিডরকে বাণিজ্য করিডর ও তারপর অর্থনৈতিক করিডরে রূপান্তর ঘটানোর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে বড় বিনিয়োগে ভারতের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।
আসজাদুল কিবরিয়া: সাংবাদিক।
asjadulk@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের ছুটিতে সাগরসৈকতে পর্যটকের ঢল by আব্দুল কুদ্দুস
![]() |
| কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসল করছেন পর্যটকেরা |
এই সৈকত শহরে হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস আছে প্রায় ৪০০টি। এখানে দৈনিক ৭৭ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ভ্রমণে আসা লাখো পর্যটককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার।
হোটেল মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে গতকাল প্রায় দেড় হাজার অতিথি অবস্থান করেন। আজ রোববার অতিথির সংখ্যা বেড়ে ৪৫ হাজারে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ঈদের তৃতীয় দিন হবে ৭০ হাজারের বেশি অতিথি। অধিকাংশ হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসের কক্ষগুলো আগাম ভাড়া নেওয়া হয়েছে।
হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদারের ভাষ্য, পর্যটকের নানার বাড়ি হচ্ছে কক্সবাজার। ঈদের দিন থেকে পর্যটকেরা নানার বাড়িতে আসা শুরু করছেন। এরপর টানা সাত দিন সৈকতে সমাগম ঘটবে লাখো পর্যটকের। পর্যটক টানতে হোটেল-মোটেলে আলোকসজ্জাসহ নানা বিনোদনের আয়োজনও রাখা হয়েছে।
সমুদ্রসৈকত ভ্রমণের পাশাপাশি পর্যটকেরা দল বেঁধে ছুটছেন টেকনাফ, মাথিন কূপ, সেন্ট মার্টিন, প্যাঁচার দ্বীপ মারমেইড ইকো বিচ রিসোর্ট, হিমছড়ি, বৌদ্ধপল্লি, সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে। কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা না থাকায় অনেকে বিপদে পড়ছেন। হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকে। জোয়ার ভাটার হিসাব না করে সমুদ্রে গোসলে নেমে বিপদে পড়েন কেউ কেউ। প্রিয়জনের দুরবস্থায় তখন আনন্দের ভ্রমণ তেতো হয়ে যায়। এ জন্য দরকার সতর্কতা।
সৈকত রানির রূপ
পাহাড়ের পাদদেশে সৈকত রানির নরম বালুচরে সকাল-বিকেল খালি পায়ে হাঁটাচলা, দৌড়ে রাজকাঁকড়া ধরার আপ্রাণ চেষ্টা, গভীর সাগর দিয়ে মাছ ধরে জেলেদের ফিরে আসার দৃশ্য, সাগরের লোনা জলে শরীর ভিজিয়ে নেওয়ার মুহূর্ত মনকে সতেজ ও উৎফুল্ল করে তোলে। মনে হবে, ভ্রমণটা সার্থক হচ্ছে।
সৈকতের বালুচর লাগোয়া বিশাল ঝাউবাগান। ঝাউবীথির মাঝে দাঁড়িয়ে কয়েকটি ছবি তুলে নিন। মধুর স্মৃতি হয়ে থাকবে এই ছবি। হাতে সময় থাকলে অরণ্য ঘেরা পাহাড়, রাখাইনদের মন্দির, ক্যাং, জাদি, বার্মিজ ও ঝিনুক মার্কেট ঘুরে আসতে পারেন।
পাহাড়ি ঝরনার হিমছড়ি
এক পাশে উঁচু পাহাড়, অন্য পাশে উত্তাল সাগর। মাঝ দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে চলে গেছে দীর্ঘ ৮৪ কিলোমিটারের ‘কক্সবাজার-টেকনাফ’ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। এই সড়ক ধরে ১৫ কিলোমিটার গেলে পাহাড়ি ঝরনার হিমছড়ি। হিমছড়ির পাহাড় চূড়ায় ওঠার জন্য রয়েছে কয়েক শ ফুট উঁচু পাকা সিঁড়ি। পাহাড় চূড়ায় উঠে নিচের গ্রাম ও সমুদ্র দেখতে দারুণ লাগে। মনে হবে সাগরের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন।
মারমেইড ইকো রিসোর্ট, পাথুরে সৈকত
হিমছড়ি থেকে আরও ১০ কিলোমিটার গেলে প্যাঁচার দ্বীপে পরিবেশবান্ধব পর্যটন পল্লি ‘মারমেইড ইকো বিচ রিসোর্ট’। যেখানে ৯০ শতাংশ অতিথি বিদেশি। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কচ্ছপ ভাস্কর্যটি এখানেই তৈরি। সন্ধ্যার পর এই পল্লির আলোকসজ্জা মানুষের নজর কাড়ে। এখান থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে ইনানী সৈকত। পাথরস্তূপ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বলে এটি পাথুরে সৈকত। এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য বন বিভাগের একটি বাংলোসহ আধুনিক মানের কটেজ রিসোর্ট আছে।
নাফ নদী-মাথিন কূপ
টেকনাফ থানার ভেতর মনোরম পরিবেশে সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্টাচার্য্য ও মগ জমিদার-কন্যা মাথিনের ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন ‘মাথিন কূপ’।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান খন্দকারের ভাষ্যমতে, প্রতিবছর প্রায় ছয় লাখ পর্যটক এই কূপটি পরিদর্শন করেন। এই কূপ নিয়ে অনেক বই, নাটক, ছায়াছবি, গল্প, কবিতা হয়েছে। পর্যটকদের কাছে টেকনাফ মানে ‘মাথিন কূপ’।
হাতে সময় থাকলে দেখতে পারেন, দেড় কিলোমিটার দূরে টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, নাফ নদীর তীরের নেটং (দেবতার পাহাড়) পাহাড়, ঐতিহাসিক ব্রিটিশ বাঙ্কার, জালিয়ারদিয়া, এলিফ্যান্ট পয়েন্ট, মিয়ানমার সীমান্ত, বৌদ্ধমন্দির, পানের বরজ ইত্যাদি।
প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন
টেকনাফ থেকে ৩৪ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে ভাসমান প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন। দ্বীপের চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে প্রবাল, শৈবাল আর শামুক-ঝিনুক। দেখা যায়, সারি সারি নারকেলগাছ আর সাগর উপকূলে মাছ শিকারে ব্যস্ত হাজারো গাঙচিল। সেন্ট মার্টিনে থাকার জন্য ৩৩টি আবাসিক হোটেল ও ২০টির মতো রেস্তোরাঁ আছে। ঈদের পরদিন থেকে পর্যটকদের পারাপারে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে চালু হয়েছে একটি জাহাজ। এখন সমুদ্র উত্তাল। তাই দেশীয় ট্রলারে সেন্ট মার্টিন না যাওয়াই নিরাপদ।
বৌদ্ধমন্দির-রাখাইনপল্লি
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে সারি সারি রাবার বাগান জানান দেবে—এটি রামু। রামুতে দেখতে পাবেন ১০০ ফুট লম্বা সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, আধুনিক মানের বৌদ্ধবিহার, রাখাইন মন্দির, রামকোট বনাশ্রম তীর্থধাম, জগৎজ্যোতি শিশু সদন, জাদি ও সম্রাট শাজ সুজা সড়ক।
কক্সবাজার শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মহেশখালী দ্বীপ। এখানকার মৈনাক পাহাড় চূড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রাচীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘আদিনাথ মন্দির’। পাহাড়ের নিচে রাখাইনপল্লি। বিচিত্র তাদের জীবনযাপন। রাখাইন তাঁত ও কুটিরশিল্প, মন্দির, প্যাগোডা ভালো লাগবে। কক্সবাজার শহর থেকে স্পিডবোট ও লঞ্চে মহেশখালী যেতে হয়। সাগর উত্তাল থাকলে ঝুঁকি না নেওয়াই উত্তম।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক
শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। পার্কে হেঁটে বা গাড়িতে করে গেলে দেখা যায় বাঘ, ভালুক, সিংহ, হাতি, কুমিরসহ নানা পশুপাখি। হাতির পিঠে চড়ে পার্ক পরিদর্শনের সুযোগ তো আছেই। আছে ২৫ মিনিটের বন্য প্রাণী ও গাছপালা দেখার ‘প্রকৃতিবীক্ষণ কেন্দ্র’।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃষ্টি থেকে মুক্তি মিলছে না সহজে!
ঈদের দিন সকাল থেকে আজ রোববার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ৯০ মিলিমিটার। এর পর মাত্রা যেন আরও বাড়ছে। সকাল ছয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২৩ মিলিমিটার।
সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ৬০ মিলিমিটার। এ ছাড়া কুতুবদিয়া ও সীতাকুণ্ডে ৫২, টেকনাফে ৩৯ আর কক্সবাজারে ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দেশের মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি। তবে উত্তরে রংপুর, সৈয়দপুর ও বগুড়ায় এর পরিমাণ কিছুটা কম। বিরামহীন এই বৃষ্টিকে অস্বাভাবিক বলতে নারাজ আবহাওয়াবিদরা।
অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকলে বৃষ্টির ধরন এমনই হয়। এর সঙ্গে আছে নিম্নচাপ। এর কেন্দ্র এখন আবার রাজধানী ঢাকা। এ কারণে ঢাকাতেও বেশি বৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি জানান, ২১ জুলাইয়ের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টি কমে আসবে। ঢাকায় ২৩ জুলাইয়ের পর কমলেও পরে মাত্রা আরও বাড়তে পারে। তাই বৃষ্টি থেকে নগরবাসীর মুক্তি মিলবে না সহজে।
![]() |
| ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ সকাল থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ। ছবিটি পুরান ঢাকার মালিটোলা এলাকা থেকে তোলা। ছবি: ফোকাস বাংলা |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কত আনন্দ করলি রে, রাতে ক্যান চলে গেলি’ by সুজন ঘোষ
মর্গের সামনে বসে ছিলেন শোকে মুহ্যমান মা পারভীন আক্তার। কখনো কাঁদছিলেন, কখনো বিলাপ করছিলেন। এক সময় বলে উঠলেন, ‘সবাইকে পছন্দ মতো কাপড় কিনে দিয়েছি। ওগুলো পরে সকালে তোরা কত আনন্দ করলি রে! রাতে ক্যান আমারে ছেড়ে চলে গেলি। আমারে ক্যান নিয়ে যাস নাই রে, সোনা মানিক।’
![]() |
| চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গের ভেতরে তিন শিশুর লাশ। বাইরে বসে আহাজারি করছেন মা। গতকাল রাতে পাহাড়ধসে তিন শিশুকে হারিয়েছেন মা। ছবিটি আজ সকাল সাতটায় তোলা। ছবি: সৌরভ দাশ |
মর্গ থেকে আজ সকাল সাতটার দিকে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া শুভ আহমেদ (১২), সালমা আক্তার (৫) ও দেড় বছরের শিশু বিবি মরিয়মের লাশ বের করে মা-বাবাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কাঁদতে কাঁদতে মা বলে ওঠেন, ‘ও সোনা মানিক, তোমরা কই? ও আল্লাহ! আমার সোনা মানিকদের কে নিয়ে গেল রে? আমারে কেন নিল না।’
বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপপরিদর্শক আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, মোহাম্মদ শাহজাহান স্ত্রী তিন সন্তান নিয়ে আমিন কলোনির ট্যাঙ্কির পাহাড়ে পাদদেশে নির্মিত টিনের তৈরি ঘরে ভাড়া থাকতেন। শনিবার গভীর রাতে প্রবল বর্ষণের সময় ঘরে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। চাপা পড়ে তাঁর তিন শিশু সন্তান ঘটনাস্থলে মারা যায়।
![]() |
| নিহত তিন শিশুর বাবা মোহাম্মদ শাহজাহান। ছবি: সৌরভ দাশ |
শাহজাহানের পাশের ঘরে ভাড়া থাকেন মো. নাছির ও আয়েশা বেগম। আয়েশা বেগম বললেন, শাহজাহান স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ১ জুলাই এই বাসায় ওঠেন। মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। এই শোক কী করে সহ্য করবেন তাঁরা?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনন্য এক জাদুকর by মোশাররফ রুমী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপহারের তালিকায় রাখুন ঈদসংখ্যা by সোহরাব হাসান
![]() |
| প্রথম আলো ও কিশোর আলোর ঈদসংখ্যা |
ঈদে যে যাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী প্রিয়জনকে উপহার দেন। যাঁরা প্রচুর ধনসম্পদের মালিক, তাঁরা নিশ্চয়ই দামি সামগ্রী উপহার দেন। শুনেছি, কেউ কেউ ঈদ উপলক্ষে প্রিয়জনকে গাড়ি-বাড়িও উপহার দিয়ে থাকেন। আবার কেউ দেন বিদেশ ভ্রমণের টিকিট। আর যাঁরা গরিব, নিম্ন বা নিম্ন মধ্যবিত্ত সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ, তাঁরা নিজ নিজ সামর্থ্যের মধ্যে প্রিয়জনকে উপহার সামগ্রী দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনন্ত বছরের এই দিনটিতে প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে সচেষ্ট থাকেন।
আমাদের দেশে ঈদ, পুজো বা অন্যান্য উৎসবে পণ্যের দাম বাড়ে। ব্যবসায়ীরা মূল্যহ্রাস কিংবা লোভনীয় সুবিধা দেওয়ার কথা বলে বাহারি বিজ্ঞাপন ছাপালেও স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি দাম নিয়ে থাকেন। কেউ বা সারা বছরের লোকসানটাও পুষিয়ে নেন ঈদকে উপলক্ষ করে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বে ঠিক উল্টোটাই ঘটে থাকে। সেখানে বড় দিন বা ইস্টার সানডে উপলক্ষে বিক্রেতারা স্বাভাবিক অবস্থার থেকে অনেক কম দামে পণ্য বিক্রি করেন। তাঁরা এই উৎসবকে দেখেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ হিসেবে। আর আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা দেখেন মওকা হিসেবে।
ঈদে আপনার প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্য আপনি এসব নামীদামি উপহার সামগ্রীর সঙ্গে একটি নতুন পণ্য যোগ করতে পারেন—বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার ঈদসংখ্যা। এক সময়ে আমরা শারদীয় দুর্গোৎসবে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দেশ-এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম। একটি পত্রিকায় এতজন লেখক-কবির লেখা থাকতে পারে, ভেবে অবাক হতাম। পাকিস্তান আমলে এখানে বেগম ছাড়া কোনো পত্রিকা ম্যাগাজিন আকারে ঈদসংখ্যা প্রকাশ করত না। স্বাধীনতার পর বিচিত্রা এই রেওয়াজ চালু করে। বিচিত্রার দেখাদেখি আশি ও নব্বইয়ের দশকে অন্যান্য সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন আকারে ঈদসংখ্যা বের করলেও দৈনিক পত্রিকাগুলোর ঈদসংখ্যা হতো ব্রড সেটেই। সম্ভবত ২০০২ সালে যুগান্তর প্রথম ম্যাগাজিন আকারে ঈদসংখ্যা প্রকাশ করে। এর পর সব পত্রিকা। ঈদে এখন ২৪-২৫টি ঢাউস সাইজের ঈদসংখ্যা বের হয়।
হাদিসে আছে, জোটে যদি মোটে একটি পয়সা, খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি/ দুটি যদি জোটে তবে, ফুল কিনে নাও হও অনুরাগী। ঈদের নতুন পোশাকশিল্পকে যদি আমরা খাদ্যের সঙ্গে তুলনা করি, তাহলে ঈদসংখ্যাগুলো হলো ফুল। নতুন পোশাকে আপনি শরীরকে সাজাবেন। মনকে সাজান বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার ঈদসংখ্যা দিয়ে। কেননা এগুলো কেবল হরফের সম্ভার নয়, জীবনেরও অনুষঙ্গ।
এই ঈদে আপনি আপনার প্রিয়জনকে অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গে একটি বা দুটি ঈদসংখ্যা উপহার দিন। আপনি যখন প্রিয়জনের বাড়িতে যাবেন প্রথম আলো ও কিশোর আলো কিংবা অন্য কোনো পত্রিকার একটি ঈদসংখ্যা নিয়ে যেতে ভুলবেন না। সেটি অন্তত আগামী ঈদ পর্যন্ত সঙ্গী হবে। ভালোবাসা ও আনন্দের সঙ্গী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অটোরিকশা বরাদ্দ নিয়ে অবৈধ বাণিজ্য: দাম ৪ লাখ, নিবন্ধন খরচ ১০ লাখ টাকা by আনোয়ার হোসেন
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অটোরিকশা বরাদ্দ পেয়ে অনেকেই প্রতিটি ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ শোরুমে আমদানি করা একটি অটোরিকশার দাম ৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা। এই বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে শুধু একটি ‘নিবন্ধন নম্বর’ যুক্ত করার জন্য। কিন্তু নিবন্ধন নম্বরের জন্য সরকারিভাবে দিতে হয় মাত্র ১৩ হাজার টাকা।
অটোরিকশার নীতিমালা অনুযায়ী, একজনের নামে নিবন্ধন নেওয়ার পর তা বিক্রি করা যায় না। এভাবে হাত বদল হয়ে দাম বাড়ার কারণে ২০০২ সাল থেকে অটোরিকশা খাতে নৈরাজ্য চলছে। সে সময় পৌনে দুই লাখ টাকার অটোরিকশা নিবন্ধন নম্বর যুক্ত হওয়ার পর পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এই বাণিজ্য ঠেকাতে নিবন্ধনের অন্তত দুই বছর আগে হাতবদল নিষিদ্ধ করার শর্ত নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২০০৪ সালে ঢাকায় নতুন অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া বন্ধ করে দেয় বিআরটিএ। এর আগে ২০১৩ সালে ঢাকায় চলাচলকারী মেয়াদোত্তীর্ণ মিশুকের ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের মধ্যে নতুন অটোরিকশা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ যিনি একটি মেয়াদোত্তীর্ণ মিশুকের প্রকৃত মালিক, তিনি একটি নতুন অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন।
অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম ভেঙে হাতবদলের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মালিক নির্ধারণ এবং মিশুকের পরিবর্তে অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়ায়ও মোটরযান বিধির লঙ্ঘন করা হয়েছে। যানবাহন বিক্রি হলে ১৪ দিনের মধ্যে মালিকানা বদলের লক্ষ্যে যাবতীয় ফিসহ দলিলাদি বিআরটিএতে জমা দিতে হয়। ফিটনেস সনদ হালনাগাদ থাকলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মালিকানা বদলি সম্পন্ন হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে নতুন অটোরিকশা দেওয়া হচ্ছে ১৫ বছরের পুরোনো দলিলের ওপর ভিত্তি করে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, নতুন অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া শুরু হয়েছে গত মার্চ থেকে। এ পর্যন্ত প্রথম দফায় প্রায় সাড়ে ৩০০ নিবন্ধন হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই গেছে ঢাকা সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের নামে। বর্তমানে ঢাকায় যে ১১ হাজার অটোরিকশা চলে, সেগুলোর মালিকদের একাধিক সংগঠনের মধ্যে এটি অন্যতম। মগবাজার এলাকার কিছু অটোরিকশার শোরুম মালিকও পেয়েছেন কিছু নতুন অটোরিকশা।
১৯৯৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া এমন মিশুকের সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অটোরিকশা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই করে দেড় হাজার আবেদনকারীর তালিকা তৈরি করে বিআরটিএ। অবশ্য এই তালিকায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ছিলেন মাত্র ৭৭ জন। বাকিরা সবাই ১৫ বছরের পুরোনো দলিলে অ্যাফিডেভিট মূলে মালিকানা দাবি করে আবেদন করেছিলেন।
বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় আরও ৫০২টি অটোরিকশা বরাদ্দের লক্ষ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এভাবে নীতিমালা ভেঙে অটোরিকশা বরাদ্দ এবং তা আইন অমান্য করে বিক্রির মাধ্যমে দেড় হাজার অটোরিকশা থেকে ১৩৫ থেকে ১৫০ কোটি টাকা বাণিজ্যের পরিকল্পনা নিয়েছে চক্রটি। এই চক্রে বিআরটিএর কর্মকর্তা, অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা ও স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা দালাল চক্র জড়িয়ে পড়েছে।
বিআরটিএর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখন যে অটোচালকেরা ইচ্ছেমতো গন্তব্যে যাত্রী বহন ও ভাড়া আদায় করছেন, এর মূল কারণ বরাদ্দ-প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও বেশি দামে হাতবদল। এবার একই পথে চলছে সবকিছু।
সার্বিক বিষয়ে জানার জন্য বিআরটিএর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্যই নতুন অটোরিকশা নামানো হচ্ছে। কিন্তু বেশি দামে হাত বদল করলে তো যাত্রীরা সেই সেবা পাবে না। হাতবদল এবং ঘুষ-দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে কি না, তা তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।
কীভাবে হাতবদল: বিআরটিএতে রক্ষিত দলিল অনুসারে ঢাকা মেট্রো থ-১৩-৫৫৭৫ অটোরিকশার মালিক ভাটারার জসিম উদ্দিন। কিন্তু এখন এটি চালাচ্ছেন মোহাম্মদপুরের জাবেদ নামের এক ব্যক্তি। গত মাসে ১৩ লাখ টাকায় মগবাজারের দিগন্ত অটো নামে একটি শোরুম থেকে তিনি এটি কিনেছেন। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী হিসেবে কাজ করেছে দিগন্ত অটো।
নতুন অটোরিকশা কেনার আগ্রহ দেখিয়ে জাবেদের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, বিক্রেতা মালিকানা বদলির দলিলে সই দিয়ে রেখেছেন। তবে বিআরটিএতে জমা দেওয়ার শর্ত দিয়েছেন দুই বছর পর।
জানতে চাইলে দিগন্ত অটোর মালিক গৌতম দাস বলেন, অন্যের অটোরিকশা বিক্রির মধ্যস্থতা করে তিনি দুই থেকে চার হাজার টাকা পান।
একাধিক ক্রেতা জানান, নতুন অটোরিকশা বিক্রি হচ্ছে দুই পদ্ধতিতে। কিছু মালিক নিজে করছেন। তবে তা পরিচিত জন ও আত্মীয়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আর অপরিচিতদের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে শোরুমের মাধ্যমে।
ঢাকা মেট্রো থ-১৩-৫৫৮০ নম্বরের অটোরিকশাটির নিবন্ধন হয় আবদুল কুদ্দুস মণ্ডলের নামে। গত মাসে সেটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কিনে নেন মোহাম্মদপুরের আবদুল কাদির। এখানেও মালিকানা বদলির দলিলে বিক্রেতার সই রেখে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে আবদুল কাদিরের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, তাঁর পুরোনো ১০টা অটোরিকশা ঢাকার রাস্তায় চলাচল করছে। মগবাজারের হৃদয় অটো থেকে তিনি নতুনটি কিনেছেন। হৃদয় অটোই বিক্রেতার সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
আর হৃদয় অটোর মালিক জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, তিনি এভাবে বিক্রি করেননি। আশায় আছেন, ভবিষ্যতে নিজেই অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন এবং বিক্রি করবেন।
যাত্রাবাড়ী এলাকার শামীম ঢাকা মেট্রো থ-১৩-৫৫৩৮ নম্বরের অটোরিকশা চালাচ্ছেন। অথচ বিআরটিএর নথি বলছে, এটির মালিক জিগাতলার এস এম জিয়া উদ্দিন কায়সার।
পরিচয় গোপন করে জানতে চাইলে শামীম বলেন, পুরোনো অটোরিকশা তাঁরও আছে। রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি বলে নতুন অটোরিকশাটি এক দালালের মাধ্যমে গত মাসে কিনেছেন ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকায়।
মূল সুবিধাভোগী চার পক্ষ: বিআরটিএ সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, মিশুকের বয়স হবে নয় বছর। এই সিদ্ধান্তের কারণে ১৯৯৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় তিন হাজার মিশুকের প্রায় সব কটিই ঢাকার বাইরে চলে যায়। নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করে মিশুক মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নাম দিয়ে নতুন অটোরিকশা দেওয়ার জন্য আন্দোলন শুরু করে একটি পক্ষ। এ পরিস্থিতিতে সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতাসহ অনেকেই ঢাকার বাইরে থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ মিশুক ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করা শুরু করে। নতুন অটোরিকশা পেয়ে বিক্রি করে দেওয়ার মূল সুবিধাভোগী এসব মালিকই।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত নিবন্ধন হওয়া অটোরিকশার মধ্যে মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেনসহ সমিতির নেতা ও তাঁদের মনোনীতরা ১৫০টি অটোরিকশা পেয়েছেন। পরের ধাপে অটোরিকশার নিবন্ধনের যে তালিকা হয়েছে, সেখানেও এই নেতাদের নামেই বেশি।
জানতে চাইলে বরকত উল্লাহ দাবি করেন, তিনি ছয়টি অটোরিকশা পেয়েছেন, সেগুলো রাস্তায় নেমেছে। তবে কেউ কেউ বেচা-বিক্রি করছে। ঘুষ-কমিশন দেওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আংশিক সত্য থাকতে পারে। সবকিছু যদি আইনে চলত, তাহলে দেশ অনেক এগিয়ে থাকত।’
আর মিশুকের বদলে অটোরিকশা বরাদ্দের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে দর-কষাকষিতে ভূমিকা রাখে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। এই সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএতে অনুষ্ঠিত অটোরিকশা বরাদ্দ-সংক্রান্ত একাধিক বৈঠকে ওসমান আলীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এ জন্যই ফেডারেশনকে প্রতিটি অটোরিকশার বিপরীতে ৬০ হাজার টাকা কমিশন দেওয়া হচ্ছে বলে একাধিক মালিক জানান।
জানতে চাইলে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, মিশুকের চালকদের স্বার্থে ফেডারেশন যুক্ত হয়েছিল। অটোরিকশা বরাদ্দ-প্রক্রিয়া নিয়মানুযায়ী হওয়া উচিত। আর ফেডারেশনের আয়ের উৎস শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদা। অটোরিকশা বরাদ্দ থেকে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ নাম ভাঙিয়ে করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মন্ত্রী হওয়ার পর বহু লোক ভুয়া পরিচয় দিয়ে সুযোগ নিতে আসে। কয়েকটা ঘটনা তাঁর কাছে ধরাও পড়েছে। এখানেও এমন কিছু ঘটছে কি না, খতিয়ে দেখা হবে।
ওসমান আলী বলেন, অটোরিকশা খাতে দুর্নীতি হয় না, সেটা বলা যাবে না। তবে তিনি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ফেডারেশনের নাম ভেঙে কেউ কমিশন নিতে পারে। এমন উদাহরণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিআরটিএর কর্মকর্তাদের ঘুষের টাকা দুই ভাগ হচ্ছে। মালিকানা বদলি এবং অটোরিকশার নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের ভাগ ৪০ হাজার। আর মেয়াদোত্তীর্ণ মিশুক কেটে অকেজো করার জন্য বিআরটিএর আরেকটি কমিটি আছে। তাদেরও ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। কারণ, কমিটি পুরোনো মিশুক কেটে অকেজো না করেই প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে।
সূত্র জানায়, শ্রমিক ফেডারেশনের কমিশন এবং বিআরটিএর কর্মকর্তা ও অকেজো করার কমিটির ঘুষের ভাগ সংগ্রহ করেন মিশুক মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি সারোয়ার হোসেন। এই কমিটির নেতারাও কমিশন পান।
জানতে চাইলে সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘সরকারি ফি ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেওয়া হচ্ছে। তবে অদৃশ্য কিছু টাকা বিআরটিএর কর্মকর্তাসহ অন্যদের দিতে হচ্ছে। তবে তা পাঁচ-দশ হাজারের বেশি না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ কেন আইন হাতে তুলে নিচ্ছে? by ইমরান আহম্মেদ
![]() |
| মো. সামিউল আলম ওরফে রাজন (১৩) (বায়ে) ও কিশোর শামছুদ্দিন মিলন (ডানে)। চুরির অভিযোগে সামিউলকে পিটিয়ে ও ডাকাত সন্দেহে মিলনকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা। |
সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে গত বুধবার শেখ মো. সামিউল আলম ওরফে রাজন (১৩) নামের সবজিবিক্রেতা কিশোরকে চোর অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় সামিউলকে নির্যাতনকারীরা তাকে পেটানোর দৃশ্যের ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। সামিউলকে নির্যাতন করার ২৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওচিত্রে সামিউলের আর্তচিৎকার আর নির্যাতনকারীদের মুখে অট্টহাসিসহ নানা কটূক্তি শোনা যায়। পিটিয়ে হত্যার পর মাইক্রোবাসে করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়।
ঘটনা ২.
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গত শনিবার মুঠোফোন চুরির অভিযোগে নাঈম আহম্মেদ (১৮) নামের এক তরুণকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নাঈমের মাকেও হত্যাকারীদের মারধরের শিকার হতে হয়।
ঘটনা ৩.
বরিশালের হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে গতকাল রোববার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে ডাকাত সন্দেহে হানিফ সরদার (২৫), মো. হারুন ব্যাপারী (২৩) ও মিরাজ মোল্লা (২২) নামের তিন ব্যক্তিকে পিটুনি দিয়ে হত্যা করে গ্রামবাসী।
চোর বা ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে এমন হত্যার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সন্দেহভাজন আসামিকে ধরে মানুষ আইনের হাতে তুলে না দিয়ে বরং নিজেই আইন হাতে তুলে নিচ্ছে। কিন্তু মানুষ এভাবে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে কেন?
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, আমাদের দেশের সংবিধান ও প্রচলিত অাইন অনুযায়ী, প্রত্যেকটি মানুষেরই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সে চোরই হোক বা ডাকাতই হোক। বিচার ছাড়া প্রাণহানি একটি গর্হিত অপরাধ। কিন্তু প্রচলিত বিচারব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা চলে যাওয়ার কারণে এমনটা ঘটছে।
এভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়া বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রবণতা রয়েছে, আইন হাতে তুলে নিলেও তাঁকে শাস্তি পেতে হবে না। দেখা যায়, এসব হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে বেরিয়ে আসে। এরপর মামলার বাদীকে আবার তারা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। সাধারণত দুই শ্রেণির লোক এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয়। প্রথমত, সংঘবদ্ধ শ্রেণি আর দ্বিতীয়ত যাঁদের বিচার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
২০১১ সালের ৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিন বাজারের বড়দেশী গ্রামসংলগ্ন কেবলার চরে ঢাকার ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সেই হত্যা মামলার ঘটনার কয়েকজন গ্রেপ্তার করা হলেও বিচার এখনো চলছে।
মানুষের এভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, মোটাদাগে বলতে গেলে এখন আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমে গেছে। আইনের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনুমান তৈরি হয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের প্রতি এক ধরনের আস্থাহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
সন্দেহভাজন আসামিকে ধরে তাকে পুলিশে না দিয়ে আইন হাতে তুলে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে নজরুল ইসলাম আরও বলেন, পুলিশ টাকা খেয়ে আসামি ছেড়ে দেয় বলে মানুষের মধ্যে এক ধরনের ধারণা রয়েছে। এ কারণেও এমনটা হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
![]() |
| ২০১১ সালের ৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিন বাজারের বড়দেশী গ্রামসংলগ্ন কেবলার চরে ঢাকার এই ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ছবিটি সংগৃহীত। |
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, মানুষ আইনের মূল চেতনা থেকে সরে আসছে। মানুষের মানবিক গুণাবলি বিকাশের পরিবেশটা নষ্ট হয়ে গেছে। মানুষের মধ্যে আইনের ভয় নেই বললেই চলে। মানুষের মধ্যে শুধু রাজনৈতিকভাবে কে কী বলল, তাঁকে কীভাবে হেয় করা যায়, এমন প্রবণতাই রয়েছে। এ কারণেই মানুষ নিজে নিজে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অদ্ভুত অরাজকতায় ফুঁসছে by সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত
![]() |
| সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত |
১৯৯৮ সাল থেকে দল গঠনের পর পশ্চিমবঙ্গে যত নির্বাচন হয়েছে সেগুলো পরিচালনা করার দায়িত্ব ছিল মুকুলের ওপর। প্রশাসনকে ঘুষ দিয়ে মমতার দলের কোলে ঝোল টানার দায়িত্বও ছিল তার ওপর। হঠাৎ সারদা কাণ্ডে ফেঁসে যাওয়ায় পর মমতা সেই মুকুলকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে ভ্রাতুষ্পুত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন।
মুকুল ঘনিষ্ঠরা বলছেন, ৫ বছর ক্ষমতা ভোগের পর মমতায় একটা হিসাব-নিকাশ নেয়া দরকার। ঘরের শত্রু বিভীষণ হলে কি পরিণাম হয় তা তো সবারই জানা। মমতা ভাইপোকে নিয়ে কতদিন তার দল চালাতে পারবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাই পশ্চিমবঙ্গের মানুষও চাইছেন ‘দাস ফার অ্যান্ড নো ফারদার।’ এবার মমতাকেও রাজ্য থেকে হটিয়ে বদল আনতে হবে। নিজের দলের বিধায়ক এবং এমপিদের রীতিমতো ব্ল্যাকমেইল করছেন মমতা। অথচ তার মন্ত্রিসভার মন্ত্রী মদন মিত্র প্রায় এক বছর ধরে জেলে কাটাচ্ছেন। জেলে আছেন আরো দুই সাংসদ। মদন বাবু তার আইনজীবীকে দিয়ে আদালতে বলিয়েছেন, তাকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। অভিযোগে মমতার নাম থাকাসত্ত্বেও তাকে কিছু বলা হচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে নতুন দল করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে নেবেন মুকুল রায়। এ ব্যাপারে মুকুলের ঘনিষ্ঠরা বলেছেন, মুকুল তো প্রথমে বাম দলগুলো এবং কংগ্রেসের কাছে গিয়েছিলেন। তারা উৎসাহ না দেখানোয় তিনি বিজেপির সঙ্গে যাচ্ছেন। সংখ্যালঘুদের মধ্যে যাতে ভুল বার্তা না যায় সে জন্য গত সপ্তাহে তিনি ইফতার পার্টিতে প্রায় ৪ হাজার সংখ্যালঘু নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলেন।
মুকুল-মমতা মিলেই সারদা কাণ্ড ঘটিয়েছেন। মুকুল অভিযোগ করেছেন, ‘সারদা থেকে তৃণমূল তহবিলে যে বিপুল অর্থ ঢুকেছে তা আমার মারফতেই। মমতার প্রচারের জন্য ৭-৮টি চ্যানেল, অনেকগুলো কাগজ করে দিয়েছি।’ এখন অবশ্য তার একটাই লক্ষ্য। মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করা। সে জন্য যার সঙ্গে যেতে হয় তিনি যাবেন। তার এক দফা কর্মসূচি মমতা হঠাও।
মুকুলের তৈরি করা পুলিশ বাহিনী কি করবে তা নিয়েও যথেষ্ট তোলপাড় তৈরি হয়েছে। কারণ পুলিশও ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। ইতোমধ্যে ২২ জন পুলিশকর্মী তৃণমূলের হাতে খুন হয়েছেন। তাই পুলিশ মহলের ক্ষোভও আর চাপা নেই। ঈদের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হবে। কারণ বামপন্থি এবং কংগ্রেসও তাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
সম্প্রতি শিক্ষা ক্ষেত্রে চরম অরাজকতার ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছেন ছাত্র, শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও। অবিভক্ত বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা আর নেপালও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ছিল। সেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত অধ্যাপকদের ওপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলন করছিলেন অধ্যাপকরা। সেখানে গিয়ে শিক্ষকদের ওপর চড়াও হয় তারা। হেনস্থার হাত থেকে বাদ যাননি স্বয়ং উপাচার্যও।
এই ঘটনা নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে তোলপাড় চলছে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে। অধ্যাপকদের নিগ্রহের ঘটনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। অধ্যাপকরাই নাকি ছাত্রদের পিটিয়েছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেই সরিয়ে দেয়া হয়েছে। গোটা দেশের মানুষ যেখানে টিভির পর্দায় ওই হামলার ছবি দেখেছে, সেখানে স্বয়ং মন্ত্রী বলছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এই অদ্ভুত অরাজকতার মধ্যে ফুঁসছে গোটা রাজ্য।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 19
(14)
- তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ফুলেল শ্রদ্ধায় হুমায়ূন আহম...
- 'অসাধারণ' স্বচ্ছল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক by আহম...
- সিরাজগঞ্জের সড়কে ঝরছে কেন প্রাণ? by ইমরান আহম্মেদ ...
- দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬
- প্লুটোর সমতল ভূমির সঙ্গে পৃথিবীর মিল
- উপ-আঞ্চলিক জোট ও বাণিজ্য করিডর by আসজাদুল কিবরিয়া
- ঈদের ছুটিতে সাগরসৈকতে পর্যটকের ঢল by আব্দুল কুদ্দুস
- বৃষ্টি থেকে মুক্তি মিলছে না সহজে!
- ‘কত আনন্দ করলি রে, রাতে ক্যান চলে গেলি’ by সুজন ঘোষ
- অনন্য এক জাদুকর by মোশাররফ রুমী
- উপহারের তালিকায় রাখুন ঈদসংখ্যা by সোহরাব হাসান
- অটোরিকশা বরাদ্দ নিয়ে অবৈধ বাণিজ্য: দাম ৪ লাখ, নিব...
- মানুষ কেন আইন হাতে তুলে নিচ্ছে? by ইমরান আহম্মেদ
- অদ্ভুত অরাজকতায় ফুঁসছে by সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত
-
▼
Jul 19
(14)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















