Sunday, January 26, 2014
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ইতিহাসের বন্দি by সঞ্জয় কুমার
এক্ষেত্রে একমাত্র পথ হচ্ছে নতুন নির্বাচন এবং এমন নির্বাচন অনিবার্য, তা ছয় মাসে হোক বা এক বছরে। বর্তমানে যে সরকার ক্ষমতায় আছে তারা বৈধতার সমস্যায় ভুগছে। সহিংসতা ও অব্যাহতভাবে স্বাভাবিক জীবনতযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে মানুষ হতাশ হয়ে উঠেছে। রাস্তায় আপনি যদি একজন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তাহলে তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া হলো- তারা চান শান্তি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। কে হারলো এবং কে জিতলো তাতে তাদের কোন তোয়াক্কা নেই। এমন হতাশা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে না। এতে শুধু সামরিক হস্তক্ষেপের সুযোগই সৃষ্টি হয়। ১৬ কোটি মানুষের এ দেশটি তা থেকে একেবারে নিরাপদ নয়। গণতন্ত্র হলো জনগণ দ্বারা, জনগণ কর্তৃক ও জনগণের জন্য। কিন্তু এ ধারণাটি তখনই সত্যিকার অর্থে ব্যবহার করা যায় যখন সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ থাকে।
সংক্ষেপে বলতে হয়, ২০১৪ সালের এ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক এই চেতনার ঘাটতি রয়েছে।

সঞ্জয় কুমার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক নয়া দিল্লি ভিত্তিক সাংবাদিক। তিনি এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’-এর একজন প্রতিবেদক।
(২৪শে জানুয়ারি দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ইলেকশনস ২০১৪: হোয়ার ডেমোক্রেসি ইজ এ প্রিজনার অব হিস্ট্রি’ শীর্ষক লেখার অনুবাদ)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ইতিহাসের বন্দি by সঞ্জয় কুমার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগের টার্গেট ইমেজ উদ্ধার by লুৎফর রহমান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগের টার্গেট ইমেজ উদ্ধার by লুৎফর রহমান

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুরে দাঁড়াতে বিএনপির কৌশল by কাফি কামাল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুরে দাঁড়াতে বিএনপির কৌশল by কাফি কামাল

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলের অস্তিত্ব নিয়েই চিন্তিত ক্ষমতাহীন এরশাদ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলের অস্তিত্ব নিয়েই চিন্তিত ক্ষমতাহীন এরশাদ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিপিডির পর্যালোচনা- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অস্থিরতা না কাটলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা থেকে যাবে। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান না হলে আস্থার সঙ্কট কাটবে না। আর এটা যদি না হয় তবে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হবে না। তিনি আরও বলেন, জনসমর্থনের অভাব ও আস্থার অভাব থাকলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, আপাতত শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেক বন্ধ ছোটখাটো প্রতিষ্ঠান সচল হচ্ছে। কিন্তু এতে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলে মনে হয় না। বিনিয়োগ বাড়াতে হলে নীতি সঙ্কট দূর করতে হবে, অচলাবস্থার নিরসন করতে হবে। তিনি বলেন, জনপ্রত্যাশার কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমঝোতার মাধ্যমে একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা সিপিডি’র। ড. দেবপ্রিয় বলেন, গত ছয় মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গ্রামীণ অর্থনীতি ও দেশীয় শিল্পখাত ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এ জন্য শুধু রপ্তানিমুখী শিল্পকে নয় বরং সব ধরনের শিল্পকে সমান গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। দেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতি। এর মধ্যে পোল্ট্রি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রণোদনার আওতায় নিয়ে এসে কৃষি ঋণ বৃদ্ধি ও ভাতার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থবছরের প্রথমার্ধে ৪ খাতের আর্থিক ক্ষতির হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন, রেল ও সড়ক যোগাযোগ খাতে ১৬ হাজার ৬৮৯ কোটি, কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পখাতে ১৫ হাজার ৮২৯ কোটি, রপ্তানিমুখী বস্ত্রশিল্পে ১৩ হাজার ৭৫০ কোটি ও পর্যটন খাতে ২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। সিপিডি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে ক্ষতির এই আর্থিক মূল্যায়ন তৈরি করা হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান গবেষণাপত্র উপস্থাপনের শুরুতেই বলেন, জনপ্রত্যাশা ও অর্থনীতির শক্তির ভিত্তিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল, সেটি হারিয়ে গেছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধির সেই সম্ভাবনা ফিরিয়ে আনা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের অর্থনীতিকে মাশুল দিতে হচ্ছে। বর্তমানে অর্থনীতির গতি একেবারে শ্লথ হয়ে পড়েছে। ঘোষিত বাজেটের আয় ও ব্যয় উভয় অনেক কমে গেছে। নানা সঙ্কটের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্যের সহজলভ্য থাকলেও বাংলাদেশের খাদ্য মজুত কমেছে। অপরদিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ব্যাংকিং খাত নাজুক অবস্থা পার করছে। এদিকে অস্থিরতার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আয়েও বড় ধরনের ধসের মধ্যে পড়েছে।
গবেষণাপত্রে বলা হয়, অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে সরকারের রাজস্ব আদায়, বিদেশী বিনিয়োগ, বৈদেশিক অনুদানসহ বিভিন্ন খাতে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় অনেক কম হলেও ব্যয়ের মাত্রা কম থাকায় ঘাটতি নেই। এটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই আয় এবং ব্যয়ের কাঠামোকে পুনর্গঠন করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাজেটবহির্ভূত ব্যয় বাড়ানো দরকার।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্য মজুত সাড়ে ৯ লাখ টন, যা গত বছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম। কৃষি ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হলেও তা শুধু ধান উৎপাদনে। বাকি শস্যের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি অনেক কমেছে। শাকসবজির ক্ষেত্রে উৎপাদনকারীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আবার ভোক্তা বাজার থেকে বেশি মূল্যে তা কিনেছে। পোল্ট্রি ও দুগ্ধ খামারিরা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
সিপিডি’র দাবি, বিশ্বব্যাপী চালের দাম অনেক কম হলেও বাংলাদেশে তা বেশি। এ জন্য মজুত কমেছে। যাতে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতি না হয়, সেজন্য কম দামে বিদেশে বাজার থেকে চাল আমদানির ওপর গুরুত্ব দেয় সিপিডি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, গত কয়েক মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে পড়ায় রাজস্ব আহরণে ঘাটতি হয়েছে। সার্বিকভাবে রাজস্ব খাতে প্রবৃদ্ধি ২৫.৩ শতাংশ ধরা হলেও গত ৫ মাসে এখাতে মাত্র ১৪.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
এনবিআরের হিসাব মতে, ৫ মাসে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ৮৫০০ কোটি টাকা। ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করা, বিভিন্ন খাতকে করসুবিধা ও করহার হ্রাসের কারণে ঘাটতি বেড়েছে। সার্বিকভাবে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলেও রাজস্ব আদায়ে ৩০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। যেটি খুবই দুরুহ কাজ। বছর শেষে রাজস্ব আদায়ে ১৮ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হবে বলে মনে করছে সিপিডি।
ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে সিপিডি বলছে, বেশ কিছু সমস্যার মধ্য দিয়ে চলছে ব্যাংকিং খাত। উচ্চ মাত্রার ঋণ নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণ জালিয়াতির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। নতুন ব্যাংক এলেও চাহিদা অনুযায়ী প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়নি। সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক স্থবিরতা থাকায় ঋণের চাহিদা বাড়েনি। কেউ বিনিয়োগ করছে না। ফলে ঋণ নেয়ার মতো কেউ নেই। এ কারণে ব্যাংকগুলোতে তারল্য বাড়ছে, যা ব্যাংকিং খাতকে বেকায়দায়, এমনকি লোকসানের মুখে ফেলতে পারে। গত ৬ মাসে ব্যাংকগুলোতে তারল্য বেড়েছে ৭৩.৮ শতাংশ। এছাড়া, ১৬ শতাংশের বেশি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ব্যাংকগুলো মাত্র ১১ শতাংশ বিতরণে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে বিদেশী এবং স্থানীয় উভয় বিনিয়োগই অনেক কমে গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর প্রান্তিকে এফডিআই হয়েছে ৫৩৮ মিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের তুলনায় মাত্র ১.৩ শতাংশ বেশি। কিন্তু বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধিত হওয়ার হার হ্রাস পেয়েছে। স্থানীয় কোম্পানির বিনিয়োগ ২৭ শতাংশ এবং বিদেশী মালিকানা কোম্পানির বিনিয়োগ ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও তা শুধু তৈরী পোশাক শিল্পেই বেশি। তৈরী পোশাক শিল্প ছাড়া বাকি সবখাতে মাত্র ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। মার্কিন ও ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তুলনায় ভারত, ভিয়েতনাম ও কম্ব্বোডিয়া তাদের পণ্যের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি তিন গুণ বৃদ্ধি করেছে। আর বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হলেও লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।
পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে বলা হয়, এ সময় পুঁজিবাজারে আইপিও’র সংখ্যা বাড়লেও নতুন উদ্যোক্তা কমেছে ১০ শতাংশ। এছাড়া, গবেষণাপত্রে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিবহন, কৃষি, তৈরী পোশাক ও পর্যটন খাতে ৪৯ হাজার ১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। যা মোট দেশজ উৎপাদনের ৪.৭ শতাংশ। এর মধ্যে পরিবহনে ১৬ হাজার ৬৮৮ কোটি ৬৫ লাখ, কৃষিতে ১৫ হাজার ৮২৯ কোটি, পোশাক খাতে ১৩ হাজার ৭৫০ কোটি এবং পর্যটন খাতে ২৭৫০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অর্থনৈতিক বর্তমান অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে বছরে শেষে ৫.৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে মনে করছে সিপিডি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিপিডির পর্যালোচনা- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেটলাইন ২৯শে ডিসেম্বর- যেভাবে নেমে আসে অন্ধকার by মনির হায়দার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেটলাইন ২৯শে ডিসেম্বর- যেভাবে নেমে আসে অন্ধকার by মনির হায়দার

একদিকে ঘটনার দু’দিন আগেই বিরোধী দলের পুরো পরিকল্পনা পৌঁছে যায় সরকারের হাতে। অন্যদিকে মহানগর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ভয় দেখানো হয়, রাস্তায় নামলেই সরাসরি গুলি করা হবে। চুল পরিমাণ ছাড়ও দেয়া হবে না। আর তাতেই আঁতকে ওঠেন নেতারা। শীর্ষমহলকে কিছু না জানিয়েই যে যার মতো পালিয়ে বাঁচার কৌশল নেন। এমনকি মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়ে চলে যান যোগাযোগের একেবারে বাইরে। এ কারণে ঘটনার দিন কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি কোথাও। কর্মসূচি সফল করার দায়িত্বে থাকা নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি একবারের জন্যও। এছাড়া সরকারের পক্ষে কিছু নেতার ‘ম্যানেজ’ হয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশ ছিল, বিএনপি রাস্তায় না নামলে জামায়াত-শিবিরও নামবে না। শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। বিএনপিকে রাস্তায় দেখা যায়নি। সে কারণে নামেনি জামায়াত-শিবির। স্বাভাবিকভাবেই নামেনি নগরবাসীও। আর এসব কারণেই কার্যত ব্যর্থ হয় ব্যাপক উত্তাপ ছড়ানো ২৯শে ডিসেম্বরের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচি।
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন চলে আসছিল প্রায় তিন বছর ধরে। এ ব্যবস্থা সংবিধান থেকে মুছে দেয়া হয় ২০১১ সালের ৩০শে জুন। এরপর থেকেই ব্যবস্থাটি সংবিধানে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে বিরোধী দল। দাবি আদায়ে দফায় দফায় প্রায় ৭৫ দিন হরতাল পালন করা হয়। হরতালের পর শুরু হয় অবরোধ। নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরুর পর নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত একাধিক দফায় প্রায় ৩৫ দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিরোধী দল। এতে অচল হয়ে পড়ে গোটা দেশ। স্থবির হয়ে যায় জনজীবন। পুরোপুরি ভেঙে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ব্যাপক নাশকতার কারণে প্রথমবারের মতো মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ট্রেন চলাচল। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় শিল্প-কারখানা ও ব্যবসা-বাণিজ্য। অভিজ্ঞজনেরা বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে এতটা কড়া আন্দোলন আর কখনও দেখা যায়নি। কিন্তু তাতেও কাজ হলো না। সরকার পাত্তা দেয়নি কোন কিছুকে। নিজেরা যা ভেবেছে, তা করে গেছে নিঃসংকোচে। মহাজোটের সরকারই খুশিমতো প্রথমে সর্বদলীয় সরকার ঘোষণা করেছে। পরক্ষণেই আবার বলেছে, না এটি সর্বদলীয় নয়, নির্বাচনকালীন সরকার। সরকারের ইচ্ছার সঙ্গে তালমিলিয়ে চলে নির্বাচন কমিশনও। বিরোধী দলগুলোর দাবি-দাওয়ার প্রতি ফিরেও তাকায়নি কাজী রকিবউদ্দিনের কমিশন।
এমন পরিস্থিতিতে হরতাল-অবরোধের বাইরে ভিন্নতর আন্দোলনের পথে হাঁটেন খালেদা জিয়া। ২৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন নতুন কর্মসূচি ‘রোড ফর ডেমোক্রেসি’। একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করতে ২৯শে ডিসেম্বর দলে দলে ঢাকার রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান দেশবাসীর প্রতি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাপ-উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। ঢাকাসহ সারাদেশে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ব্যাপক প্রস্তুতি নেন। অন্যদেকি কর্মসূচি ঠেকাতে সরকারও হয়ে ওঠে মরিয়া। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলে বসলেন, একটি পিঁপড়াও যেন ঢাকায় ঢুকতে না পারে। পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবসহ প্রশাসনের সর্বশক্তি লাগানো হয় কাজে। রাজধানীতে জড়ো করা হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্যকে। বিরোধী দলের অবরোধ ভাঙার চেষ্টা বাদ দিয়ে সরকার নিজেই অবতীর্ণ হয় অবরোধকারীর ভূমিকায়। সব ধরনের পরিবহন-যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয় ২৭শে ডিসেম্বর থেকে। শুরু হয় অঘোষিত সরকারি অবরোধ। কাউকে সন্দেহ হওয়া মাত্রই গ্রেফতার। রাজধানীতে বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের হাজতখানায় তিল ধরণের ঠাঁই ছিল না। নিদারুণ মানবেতর পরিস্থিতি তৈরি হয় প্রতিটি হাজতে। সর্বত্র দেখা দেয় সীমাহীন আতঙ্ক।
অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়ির সামনে চলে আরেক নাটকীয়তা। শ’ শ’ পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় বাড়িটি। সেই সঙ্গে বাড়ির প্রবেশমুখে ফেলে রাখা হয় বালুভর্তি দু’টি ট্রাক। অদ্ভুত এই কাণ্ড নিয়ে ভীতি-আতঙ্কের মধ্যেও সর্বত্র সৃষ্টি হয় হাস্যরস। এই ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানান বিশিষ্টজনরাও। কিন্তু কোন কিছুই বিচলিত কিংবা বিব্রত করেনি সরকারকে।
এমন উত্তাপ-আতঙ্কের মধ্যেই চলে আসে ২৯শে ডিসেম্বর। সর্বত্র টান টান উত্তেজনা। সকাল গড়িয়ে দুপুর। এরপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল। দিনের শেষে এক সময় নেমে আসে রাতের আঁধার। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট আঙিনায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থক আইনজীবী, জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের বিক্ষোভ ছাড়া রাজধানীর আর কোথাও উল্লেখ করার মতো কোন জনস্রোতের খবর পাওয়া যায়নি। অবশ্য মালিবাগ বাজার এলাকায় জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল বের হওয়া মাত্রই পুলিশ গুলি শুরু করে। তাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় এক শিবির কর্মী। তারপর আর কেউ রাস্তায় নামার সাহস পায়নি।
ওয়াকিবহাল সূত্রগুলো জানিয়েছে, ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ সফল করার লক্ষ্যে বিরোধী পক্ষ যে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছিল, সেটি সরকারের হাতে পৌঁছে যায় ২৭ তারিখেই। নগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে কে কোন এলাকায় নেতৃত্ব দেবেন, কোন্ দিক থেকে মিছিল আসবে, পল্টনে যেতে না দেয়া হলে বিকল্প জমায়েত কোথায় হবে - সবকিছুই জেনে যায় সরকার। সেভাবেই নেয়া হয় মোকাবেলার সব রকম ব্যবস্থা। কর্মসূচি সফল করার দায়িত্বে থাকা নেতাদেরকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়া হয়, ২৯ তারিখে রাস্তায় নামলেই সরাসরি গুলি করা হবে। এক চুলও ছাড় দেয়া হবে না। আর তাতেই ভয় পেয়ে যান বিএনপির এসব নেতা। শীর্ষ নেতৃত্বকে কিছু না জানিয়ে আগের রাতেই যে যার মতো সটকে পড়েন। বন্ধ করে দেন মোবাইল ফোন। এ কারণে কর্মসূচির দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাদের কারও সঙ্গেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কোন কোন নেতাকে বিশেষ ব্যবস্থায় ‘ম্যানেজ’ করার খবরও রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ২৯ তারিখে বেগম খালেদা জিয়াকে যে বাড়ি থেকে বের হতে দেয়া হবে না- তা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি। এ কারণে আগের দিনের ভিডিও বার্তায় তিনি সেটার ইঙ্গিতও দেন। কিন্তু তাঁর অনুপস্থিতিতে ময়দানে কর্মসূচি সফল করার মূল নেতৃত্ব কে দেবেন তা ঠিক করা ছিল না। এছাড়া গোটা কর্মসূচির কার্যকর কোন সমন্বয়ও ছিল না। এ কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষ মিছিল নিয়ে বের হওয়ার জন্য নির্দ্দিষ্ট স্থানে জড়ো হলেও তাদের দিক-নির্দেশনা দেবার কেউ ছিল না। একই ভাবে মফস্বলের যে হাজার হাজার মানুষ ২-৩ দিন আগেই রাজধানীতে চলে আসেন, তারা রাস্তায় ঘুরেছেন এতিমের মতো। এলোমেলো ঘুরতে থাকায় সন্দেহবশত তাদের অনেককে পুলিশ গ্রেফতার করে হাজতে নিয়ে যায়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাদের পূর্বনির্ধারিত স্থানগুলোতে জড়ো হন। কিন্তু তাদের অপেক্ষা করাই সার। বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তারা রাস্তায় নামেননি। কেবলমাত্র মালিবাগ বাজার এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল হঠাৎ রাস্তায় নেমে আসে। সঙ্গে সঙ্গেই গুলি শুরু করে দেয় পুলিশ। তাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় এক শিবির কর্মী। আহত হয় অনেকে। এই খবর চাউর হওয়ার পর অন্য কোথাও আর রাস্তায় নামেনি জামায়াত-শিবির। সূত্র জানিয়েছে, জামায়াতের কেন্দ্র থেকে নির্দেশ ছিল, বিএনপি যদি আগে রাস্তায় না নামে, তাহলে জামায়াত-শিবিরও নামবে না। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প কোন কর্মকৌশল বা পরিকল্পনা ছাড়াই বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দেন, ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ চলবে পরদিনও। কিন্তু দেখা গেল একই দৃশ্যপট। অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে গণতন্ত্রের আন্দোলন, সংগ্রাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে
![]() |
| মোহাম্মদ রাফি |
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইফতেখার মাহমুদ ও ফারুক ওয়াসিফ
প্রথম আলো হিন্দু সমাজের ওপর চলমান সহিংসতাকে কেউ বলছেন সাম্প্রদায়িকতা, কেউ বলছেন রাজনৈতিক সহিংসতা। আপনি কী মনে করেন?
মোহাম্মদ রাফি হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্বাচনের আগে ও পরে যে হামলাগুলো হয়ে গেল, একে রাজনৈতিক সহিংসতা বলা যায়। তবে এর মধ্যে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক বিষয় আছে। সব ঘটনা যে কোনো একটি কারণে ঘটেছে, তা বলা যাবে না। একেক সময় একেকটি বিষয় প্রাধান্যে চলে আসে। সাম্প্রতিক সহিংসতার ক্ষেত্রে হয়তো নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে অন্য কারণগুলো যে ছিল না, তা বলা যাবে না। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে হিন্দুরা না থাকলে অনেকে লাভবান হয়।
প্রথম আলো সেটা কেমন? একটু ব্যাখ্যা করেন।
মোহাম্মদ রাফি যেমন, বাংলাদেশের হিন্দুরা তো একটি রাজনৈতিক দলের ভোটব্যাংক হিসেবে কাজ করে। সবাই জানে, তারা আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। ফলে যারা তাদের ভোট পায় না, তারা চায় হিন্দুরা এ দেশ থেকে চলে যাক। ২০০১ সালে আমরা এমনটি দেখেছি। আবার যারা তাদের পক্ষশক্তি, তারা হিন্দুদের পক্ষে আছে, তা দেখাতে চায়। এই দুই পক্ষের রাজনৈতিক লড়াইয়ের বলি হতে পারে হিন্দুরা।
প্রথম আলো অপ্রধান ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর ওপর সাম্প্রদায়িক আচরণ ও চাপ তো সারা বছরই থাকে। কিন্তু নির্বাচনের সময় তা এত তীব্র হয়ে ওঠে কেন?
মোহাম্মদ রাফি যেকোনো রাজনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে সব সময় আরেকটি রাজনৈতিক শক্তি সক্রিয় থাকে। যেমন, যারা হিন্দুদের ওপর হামলা করতে চায়, তারা সক্রিয় হওয়ার পর অপর পক্ষ তো মাঠে থাকে। তারা তা প্রতিরোধ করে থাকে। নির্বাচনের সময় এই পাল্টা সক্রিয়তা কমে গিয়ে শূন্যতা তৈরি হয়। এই সুযোগটি সহিংসতাকারীরা নেয়। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক শক্তিগুলো যদি সক্রিয় থাকত, তাহলে এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনা ঘটত না।
প্রথম আলো ২০০১ সালের পর তো বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তাদের কাছে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমানো বা প্রতিহিংসার বিষয় ছিল। কিন্তু এখন তো সংখ্যালঘুদের পক্ষের শক্তি বলে দাবিদার সরকার ক্ষমতায়। তাহলে এ ঘটনাগুলো কেন ঘটতে পারল?
মোহাম্মদ রাফি সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার সময় দেশে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা চলছিল। আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটি করে ফেলতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই নিশ্চিত ছিল না। নতুন সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন কী দাঁড়ায়, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে যারা এগুলো ঘটিয়েছে, তারা হয়তো এই অনিশ্চয়তার সুযোগ নিয়েছে। যখন নির্বাচন শেষ হয়ে গেল, আন্তর্জাতিক সমর্থন অনুকূলে আসতে শুরু করল, তখন সমান্তরালভাবে সহিংসতা কমে যেতে দেখা গেছে।
প্রথম আলো ২০০১ সালের সাম্প্রদায়িক তাণ্ডবের ওপর আপনি গবেষণা জরিপ পরিচালনা করেছেন। সে সময়ের সঙ্গে তুলনা করে যদি বলতেন। এখন সরকার ভিন্ন, কিন্তু প্রশাসন কেন একই আচরণ করল?
মোহাম্মদ রাফি নির্বাচনের সময় সরকারের পক্ষে সব কেন্দ্রে একই রকম নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হয় না। যারা ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে, তাদের পদ্ধতিটা হয়তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বুঝতে পারেনি। তবে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান না করে কোনো কিছু বলা যাবে না।
প্রথম আলো দেখা যাচ্ছে, পুলিশের তরফে কোনো প্রতিরোধ হয়নি। যদি হতো, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সহিংসতাকারীদের সংঘর্ষ হতো। যেমন, অভয়নগরের সাংসদ, পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তার পরও তাঁরা সহিংসতা বন্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
মোহাম্মদ রাফি যাঁরা প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন, তাঁরা তো নিয়ম ও নির্দেশে পরিচালিত হন। ফলে বিষয়টিকে এভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো বিষয় কাজ করেছে কি না, তা আমার জানা নেই।
প্রথম আলো আপনার বইয়ে বলেছিলেন, অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুর ওপর আক্রমণ সংখ্যাগুরুর মধ্যে ঐক্য তৈরি করতে পারে। ব্যাখ্যা করবেন?
মোহাম্মদ রাফি যেমন, একটি পাড়ার হিন্দুদের উৎখাত করতে পারলে তা সেখানকার মুসলমান ক্ষমতাবানেরা দখল করতে পারে। এ ক্ষেত্রে মুসলমানের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন বা মতাদর্শিক পার্থক্য কাজ না করে বরং ঐক্য তৈরি হতে পারে। যেমন, একটি গ্রামে ২৫ ঘর মুসলমান এবং পাঁচ ঘর হিন্দু থাকলে হিন্দুদের জমি দখল করার জন্য ২৫ ঘর মুসলমানের মধ্যে ঐক্য তৈরি হতে পারে।
প্রথম আলো হিন্দুদের সম্পত্তি দখলে প্রায় সর্বদলীয় ঐক্য দেখা যায়। আবুল বারকাত ও আপনার গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বেশি থাকেন, হিন্দুদের সম্পত্তি দখলের হিস্যাও তাঁদের বেশি।
মোহাম্মদ রাফি হ্যাঁ, ক্ষমতার বিন্যাসের সঙ্গে সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখলের সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৪৭-এর পর থেকে ধরলে মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি—এই তিনটি দল পর্যায়ক্রমে ক্ষমতায় থেকেছে। আওয়ামী লীগ থেকেছে সবচেয়ে কম সময়। ফলে তারা সবচেয়ে কম সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও মুসলিম লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় সমান পরিমাণ অর্থাৎ প্রায় ৪৪ শতাংশ হিন্দু সম্পত্তি দখল করেছে। অন্যদিকে যারা বিরোধীপক্ষ, তারা কম হলেও সম্পত্তি দখল করেছে। এ ব্যাপারে সব দলকেই দেখা গেলেও একটি বিষয় কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামায়াত কি তাহলে রাজনৈতিকভাবে এক হয়ে গেল? তাদের কি কোনো স্বতন্ত্র পরিচিতি
নেই? সেটা অবশ্যই আছে। আওয়ামী লীগ যদি চিন্তা করে কোনটি আমার জন্য লাভজনক, সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করা, নাকি তাদের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান, ঐতিহাসিক দায় ইত্যাদি রক্ষা করা। এই দুটি বিষয়কে যদি আমরা দুই পাল্লায় রাখি, তাহলে কিন্তু তাদের সংখ্যালঘু নির্যাতন ও সম্পত্তি দখল করার কথা নয়।
প্রথম আলো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ক্ষেত্রে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, স্থানীয় সম্পর্কের সংঘাত ও নির্বাচনী রাজনীতি কাজ করে এবং দায়ীরা যে দলেরই হোক, কেউ তাদের শাস্তি দিতে চায় না। এখন পর্যন্ত কি কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার হয়েছে?
মোহাম্মদ রাফি না, বিচার হয়নি। ২০০১-এর ঘটনায় যে তদন্ত কমিটি হয়েছিল, তারা আমার কাছে দুবার এসেছিল। কিন্তু ওই প্রতিবেদন আমরা কেউ দেখিনি। ওই ঘটনার বিচারও হতে শুনিনি। অবশ্যই বিচারহীনতা যেকোনো অপরাধকে বাড়ায়।
প্রথম আলো উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার সূত্রপাতের মুহূর্ত হিসেবে দেশভাগকে অনেকে দায়ী করেন। কিন্তু বর্তমান সাম্প্রদায়িকতার ধরনটা কি বদলায়নি?
মোহাম্মদ রাফি দেশভাগের অনেক আগে থেকে এখানে সাম্প্রদায়িকতা যে ছিল, তার বহু প্রমাণ ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে রয়েছে। যেমন, চর্যাপদে দেখি বৌদ্ধদের ব্যাপারে হিন্দুদের ঘৃণা। এ দেশে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের সময় ব্রাহ্মণেরা কুকুর লেলিয়ে দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়ার অনেক ঘটনা আছে। এরপর এই অঞ্চলে মুসলমান শাসকদের আমলে ধর্মান্তরকরণের ইতিহাস সব সময় শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে, তা তো নয়। অনেকে বলে, এখানে তরবারির জোরে ধর্মান্তর হয়েছে। এ কথা পুরোপুরি যেমন ঠিক না, তেমনি একদম ভুলও নয়।
প্রথম আলো দেখা যাচ্ছে, উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী গ্রামে যেখানে হিন্দুদের বসতি বেশি এবং সেখানেই সাম্প্রদায়িক হামলাগুলো বেশি হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাগুলোর উৎপত্তি বেশির ভাগই শহরে। দুই দেশের সাম্প্রদায়িকতার গড়নে কি কোনো পার্থক্য দেখেন?
মোহাম্মদ রাফি: ১৯৪৭-এর দেশভাগের দিকে তাকালে দেখব, বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা গিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় বসতি গড়েছে। আর ভারত থেকে আসা অবস্থাপন্ন মুসলমানেরা ঢাকাসহ বড় শহরে বসতি গেড়েছে। ভারতের উচ্ছেদ হওয়া মুসলমানেরা শ্রমিক হিসেবে শহরাঞ্চলে জড়ো হয়েছে। এখানে পার্থক্য হচ্ছে, শহরাঞ্চলে বসবাস এবং শ্রমিক হওয়ার কারণে ভারতীয় মুসলমানেরা সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং লড়াই করতে পারছে। বাংলাদেশের হিন্দুদের ক্ষেত্রে তেমনটা আমরা দেখছি না।
প্রথম আলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চোখ দিয়ে দেখলে কে তাদের শত্রু, কে মিত্র?
মোহাম্মদ রাফি আমার মনে হয় না একজন বুদ্ধিমান সংখ্যালঘু বিষয়টিকে এভাবে দেখে। তারা দেখে কে আমার জন্য কম ক্ষতিকারক। সেই হিসাব থেকেই তারা কোনো একটি রাজনৈতিক দল বা শক্তির প্রতি সমর্থন জানায়। কেননা, সব রাজনৈতিক দলই তাদের কমবেশি ক্ষতি করেছে।
প্রথম আলো আপনার আগের গবেষণায় সুপারিশ করেছিলেন, সহিংসতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের একটি যৌথ শক্তিতে পরিণত হতে হবে। সেটা কীভাবে সম্ভব?
মোহাম্মদ রাফি হ্যাঁ, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, হিন্দুরা নিজেরা যদি সংগঠিত হয়, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। অথচ তারা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়লে, সহিংসতার শিকার হলে ভারতে চলে যায়। কিন্তু ভারতের মুসলমানেরা তো সহিংসতার কবলে পড়লে পাকিস্তানে চলে যায় না। তারা লড়াই করে টিকে থাকে। এভাবে অনেক ক্ষেত্রে সফলও হয়েছে তারা। নীরব থেকে আরও বিপন্ন হলে তারা কী করবে, সেটা বিবেচনার বিষয় হয়। কিন্তু তাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। ‘করতে হবে’, ‘দিতে হবে’-জাতীয় কথা তাদের কাছ থেকে কম শুনি। উপকূল বা সীমান্ত এলাকার হিন্দুরা না হয় বড় ধরনের প্রতিবাদী কর্মসূচি নিতে পারেনি। কিন্তু ঢাকা শহরের দেড় কোটি অধিবাসীর মধ্যে যদি কমপক্ষে ১০ লাখও হিন্দু ধর্মাবলম্বী থাকে, তাদের মধ্যে দুই লাখ মানুষও যদি সারা দেশের সাম্প্রদায়িক হামলা-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামত, তাহলে পুরো ঘটনাই অন্য রকম হয়ে যেত।
প্রথম আলো হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ রয়েছে, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী মঞ্চ রয়েছে। তারা তো দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে।
মোহাম্মদ রাফি তাদের আন্দোলন অনেক দুর্বল। এটা দিলে ভালো হয়, এটা করা উচিত না—এমন কণ্ঠে তারা আন্দোলন করছে। সম্মিলিতভাবে জোরালো প্রতিবাদ হলে হামলাকারী পক্ষ বা রাষ্ট্র সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে রাজনীতি করার বিষয়টিকে অন্যভাবে ভাবত। ফলে অবশ্যই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। তাদের পক্ষে যারা আসবে, তাদের সঙ্গে নিতে হবে। কিন্তু তারা নিজেদের যাতে ওই আন্দোলনে প্রাধান্যে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সব মুসলমান তো খারাপ নয়। সংখ্যালঘুরা যদি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মাঠে নামে, তাহলে তাদের পক্ষে অনেক মুসলমানকেও পাওয়া যাবে। তাই এই আন্দোলনে সবার আসার সুযোগও রাখতে হবে, একে নিছক সম্প্রদায়নির্ভর জোট করে রাখলে চলবে না।
প্রথম আলো আপনাকে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ রাফি ধন্যবাদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কংগ্রেসের হাতে ভারতের অবক্ষয়
ইংরেজি থেকে অনূদিত
যশবন্ত সিং: ভারতের অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। জিন্না: ইন্ডিয়া-পার্টিশন—ইনডিপেনডেন্স গ্রন্থের লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী নির্যাতন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনে সংঘর্ষ চলছেই
![]() |
| ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গতকাল শনিবারও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলে। তার আগের রাতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলার সময় একজন বিক্ষোভকারী অগ্নিকুণ্ডে টায়ার ছুড়ে দেন। ছবি: রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার এএপি-মিডিয়া মুখোমুখি?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেতু কেলেঙ্কারির পাঁকে নিউজার্সির গভর্নর
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
January
(1176)
-
▼
Jan 26
(18)
- বাংলাদেশের গণতন্ত্র ইতিহাসের বন্দি by সঞ্জয় কুমার
- বাংলাদেশের গণতন্ত্র ইতিহাসের বন্দি by সঞ্জয় কুমার
- আওয়ামী লীগের টার্গেট ইমেজ উদ্ধার by লুৎফর রহমান
- আওয়ামী লীগের টার্গেট ইমেজ উদ্ধার by লুৎফর রহমান
- ঘুরে দাঁড়াতে বিএনপির কৌশল by কাফি কামাল
- ঘুরে দাঁড়াতে বিএনপির কৌশল by কাফি কামাল
- দলের অস্তিত্ব নিয়েই চিন্তিত ক্ষমতাহীন এরশাদ
- দলের অস্তিত্ব নিয়েই চিন্তিত ক্ষমতাহীন এরশাদ
- সিপিডির পর্যালোচনা- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে অ...
- সিপিডির পর্যালোচনা- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে অ...
- ডেটলাইন ২৯শে ডিসেম্বর- যেভাবে নেমে আসে অন্ধকার by ...
- ডেটলাইন ২৯শে ডিসেম্বর- যেভাবে নেমে আসে অন্ধকার by ...
- সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে
- কংগ্রেসের হাতে ভারতের অবক্ষয়
- নারী নির্যাতন
- ইউক্রেনে সংঘর্ষ চলছেই
- এবার এএপি-মিডিয়া মুখোমুখি?
- সেতু কেলেঙ্কারির পাঁকে নিউজার্সির গভর্নর
-
▼
Jan 26
(18)
-
▼
January
(1176)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

