Monday, April 29, 2019
উবার চালক কেন ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করলেন?

তাদের গ্রেপ্তারের পরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঘটনার দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী লাবণ্য রাইড শেয়ারিং কোম্পানি উবারের চালককে অ্যাপসের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানান। লাবণ্য’র কল পেয়ে তার থেকে পাঁচ মিনিটের দুরত্বে থাকা চালক সুমন তাকে ১০ টা ৩৬ মিনিটে ফোন দেন। লাবণ্য তখন খিলগাঁও ছায়াবীথি মসজিদের সামনে যাওয়ার কথা বলে চালক সুমনকে শ্যামলী তিন নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাসার সামনে আসতে বলেন। লাবণ্যর দেয়া ঠিকানা থেকে তাকে নিয়ে কলেজ গেট দিয়ে খিলগাঁওয়ের উদ্দেশ্য রওনা দেন সুমন। তারপর লাবণ্যকে বাইকে উঠিয়ে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালাতে থাকে সুমন। একপর্যায়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কাছাকাছি আসলে পেছন থেকে বাইকটিকে ধাক্কা দেয় কাভার্ডভ্যান। এসময় বাইক থেকে ছিটকে পড়ে যান লাবণ্য। আর সঙ্গে সঙ্গে ওই কাভার্ডভ্যানটি তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। পরে পথচারি ও চালক সুমন লাবণ্যকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে লাবণ্যকে মৃত ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব সরকার বলেন, উবার চালক সুমন হাসপাতালে যে ঠিকানা দিয়েছিলেন সে ঠিকানা ভুয়া। এমনকি তার যে ঠিকানা দিয়ে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে সেই ঠিকানায় তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া উবার অফিসে যে ঠিকানা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন সেটিও ভুয়া। তিনি বলেন, উবারের অফিসে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে রাইডাররা নিবন্ধন করে সড়কে রাইড শেয়ারিং করার অনুমতি পায়। রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো কোন রকম যাচাই বাছাই ছাড়া চালকদের অনুমতি দিচ্ছে। এসব চালকদের মধ্যে অনেকেই দক্ষ চালক না। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাদক সেবন করে। নারীদের বাইকে তুলে তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অযথা ব্রেক ধরে। আরোহীদের জন্য নিম্নমানের হেলমেট দেয়া হয়। এগুলো মনিটরিং করার মত কেউ নাই। তাই এসব বিষয়ের দ্রুত সমাধান করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, চালক সুমন ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করায় তাকে খুঁজে পেতে পুলিশের অনেক সময় লেগেছে। উবার কর্তৃপক্ষও প্রথম দিকে কোন সহযোগিতা করেনি। পরে প্রযুক্তির সহযোগীতায় ২৬শে এপ্রিল সুমনকে মোহাম্মদপুরের নবীনগর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ঘটনার পর পরই পালিয়ে চলে যায় কাভার্ডভ্যান চালক আনিছুর রহমান। আমরা ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলাম। কিন্তু ফুটেজ ছিল অস্পষ্ট।
কাভার্ডভ্যানটিকে শনাক্ত করা যাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে আরেকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কাভার্ডভ্যানের গায়ে কোম্পানির নাম লেখা ছিল। সেই নাম দেখেই কাভার্ডভ্যান শনাক্ত করে আশুলিয়া থেকে চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। বিপ্লব সরকার বলেন, আমরা রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছি। কোনও দুর্ঘটনায় এসব প্রতিষ্ঠানের কোন গাফিলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উবারের সিনিয়র ম্যানেজার মো. আলী আরমানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকরা তার কাছে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা জানতে চান কোনো ধরণের অনুমতি বা বৈধতা ছাড়াই কিভাবে উবার ব্যবসা করছে। এর জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, এ প্রশ্নের জবাব দেয়ার মতো উপযুক্ত ব্যক্তি তিনি নন।
এদিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক লাবণ্য নিহতের ঘটনায় তাকে বহনকারী উবার চালক সুমন হোসেন ও কাভার্ড ভ্যান চালক আনিছুর রহমানের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরে বাংলা নগর থানার উপ পরিদর্শক নুরুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ সুমনের দুই দিন ও আব্দুর রহমানের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবি শহিদুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে বলেন, ওই ঘটনায় চালক সুমনও আহত হয়েছেন। তার হেলমেটও ভেঙ্গে গেছে। তিনি নিজেও মারা যেতে পারতেন। তাকে রিমান্ডে নেয়ার কোন যুক্তিকতা নাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলঙ্কা হামলার মূলহোতা জাহরানের ১৮ নিকটআত্মীয় নিহত -বোনের দাবি

২১ এপ্রিল তিনটি গির্জা ও তিনটি অভিজাত হোটেলে সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়। এতে কমপক্ষে আড়াইশ মানুষ নিহত হন। প্রথমে নিহত ৩৫৯ বলা হলেও পরে এ সংখ্যা কমিয়ে ২৫৩ বলা হয়। হামলায় আহত হন কমপক্ষে ৫০০ মানুষ।
এর পরই সরকার সারাদেশে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আরো হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে শ্রীলঙ্কা।
হামলার মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মোহাম্মদ জাহরান হাশিমকে। পাঁচ তারকা সাংগ্রি-লা হোটেলে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে সে নিহত হয়েছে। এতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তার দেহের বিভিন্ন অংশ। সেগুলোর ছবি স্থানীয় একটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে রাখা হয়। জাহরান হাশিমের বোন মোহাম্মদ হাশিম মাথানিয়া শনিবার কথা বলেন সিএনএনের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, পুলিশ স্টেশনে তাকে ওইসব ছিন্নভিন্ন অঙ্গগুলোর যে ছবি দেখানো হয়েছে তা তিনি তার ভাইয়ের (জাহরান) বলে সনাক্ত করতে পেরেছেন। তিনি আরো বলেন, ওই হামলার পর আমার পরিবারের ৫ জন সদস্য নিখোঁজ। তারা হলেন আমার তিন ভাই, পিতা ও আমার এক দুলাভাই।
ওদিকে শুক্রবার রাতে শ্রীলঙ্কার পূর্ব উপকূলে সেইন্টামারুথু শহরে জঙ্গি ও পুলিশের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। সেখানে ৬টি শিশু সহ নিহত হন কমপক্ষে ১৫ জন। শনিবার দিনের বেলা সূর্য্যরে আলো ফোটার পর ভয়াবহ ঘটনার প্রকাশ পেতে থাকে। ঘেরাও দেয়া ওই বাড়িতে পুড়ে কয়লা হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় মৃতদেহগুলো। তিনটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল সেখানে। এতে ওই বাসার ছাদ উড়ে যায়। এখানে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে একজনকে মোহাম্মদ নিয়াজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সে বর্তমানে নিষিদ্ধ ন্যাশনাল তাওহিদ জামায়াতের প্রথম সারির সদস্য। একই সঙ্গে সে মাথানিয়ার দেবর বা ভাসুর।
এ সম্পর্কে মাথানিয়া সিএনএনের কাছে বলেছেন, যদি ওই নারী ও পুরুষদের মৃতদেহগুলো না দেখতাম তাহলে আমার হৃদয়ে কম্পন সৃষ্টি হতো না। যখন আমাকে বলা হলো ৬টি শিশু নিহত হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম তারা হয়তো আমার সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন কেউ হবে। ওই বাড়িতে থাকতেন ৫ জন নারী। তারা হলেন আমার তিন ভাইয়ের বউ, আমার ছোটবোন ও মা। সব মিলিয়ে সেখানে ছিল সাতটি শিশু।
মাথানিয়া আরো বলেছেন, তার ভাই জাহরান হাশিমের স্ত্রী ও মেয়ে আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা বলেছে, শুক্রবার একটি বাড়ি ঘেরাও দেয়ার সময় আহত একজন নারী ও একটি শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
শুক্রবারের অভিযানের সময় যখন বন্দুকযুদ্ধ হয় তখন আহত এক সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আরো একজন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী পালিয়ে গেছে বলে আশঙ্কা শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর। কর্তৃপক্ষ শুক্রবার প্রথমদিকে বোমা তৈরির জন্য বিয়ারিংয়ের এক লাখ বল, আইসিসের পোশাক ও পতাকা উদ্ধার করেছে একটি গ্যারেজ থেকে। আইএস শ্রীলঙ্কা হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে এখনও হামলাকারী ও জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের মধ্যে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি প্রমাণিত নয়। সরকার মনে করছে, হামলা চালিয়েছে ন্যাশনাল তাওহিদ জামায়াত। তবে এই গ্রুপটি হামলার দায় স্বীকার করে নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তনে কোন ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি

এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন জলবায়ুভিত্তিক সংস্থা নেটওয়ার্ক ফর গ্রিনিং দ্য ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের (এনজিএফএস) প্রধান। এনজিএফএস ২০১৭ সালে গঠিত ৩৪টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি জোট। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। জলবায়ু পরিবর্তনের আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে গত বুধবার প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই সংস্থা। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।
গত বুধবার ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে ওই চিঠি প্রকাশ করা হয়। এতে কার্নি ও ভিলেরোয় দে গালাউ ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়মূলক প্রভাব’ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এর মধ্যে বিশ্বের ওপর পড়তে শুরু করেছে। যেমন উত্তর আমেরিকার দাবদাহ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঝড়, আফ্রিকায় ও অস্ট্রেলিয়ার খরা। তাঁরা বলছেন, এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অবকাঠামো ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্যে, কমছে উৎপাদনশীলতা এবং ধ্বংস হচ্ছে সম্পদ।
এনজিএফএস এই ঝুঁকিকেই তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে। ‘কল টু অ্যাকশন’ ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ব্যাপক অভিবাসন সংকট, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও যুদ্ধের মতো বিরূপ পরিস্থিতি তৈরি হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কথা চিন্তা করেই ২০১৫ সালে বিশ্বনেতারা প্যারিস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৩ দশমিক ৬ ফারেনহাইট) নিচে রাখতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তাঁরা। তবে প্রতিটি দেশই আলাদা আলাদা ঝুঁকিতে আছে।
তিন ধরনের ঝুঁকির কথা বলছে এনজিএফএস। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি ও সরকারকে এই ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। এক, শারীরিক ক্ষতি—এই ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে আমরা দেখতে পাই। যেমন ঝড়, খরায় ব্যাপক শস্যহানি ঘটে। দুই, অবস্থার পরিবর্তন—যখন কোনো ব্যবসাকে হঠাৎ করে কার্বন ঘনীভূত শিল্প ও প্রযুক্তি থেকে সরিয়ে ফেলা হয় বা নষ্ট করে ফেলা হয়, তখন ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ে ওই প্রতিষ্ঠান। তিন, দায়বদ্ধতা—যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির মুখে পড়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তখন বিমা কোম্পানিগুলোর ওপর ব্যাপক চাপ পড়ে।
কার্নি ও ভিলেরোয় দে গালাউ তাঁদের চিঠিতে আরেকটি বিশেষ ঝুঁকির কথা বলেছেন, সেটি হলো যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই সবুজ অর্থনীতিতে স্থানান্তর হওয়া। তাঁরা বলেন, কার্বন নিঃসরণ ২০১০ সালে যে অবস্থায় আছে, আগামী এক দশকের মধ্যে তার থেকে ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে। তাহলে ২০৫০ সাল নাগাদ এটি শূন্য শতাংশে পৌঁছাবে। আর জন্য মূলধনের পুনঃস্থাপন করতে হবে।
এনজিএফএস বলছে, যখন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হয়, একটি আকস্মিক পরিবর্তন আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির ওপর বিস্তৃত প্রভাব ফেলে।
ঝুঁকি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানেরা পরামর্শও দিয়েছেন। কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিনের কাজ তত্ত্বাবধান করে, আর্থিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষণ এবং আর্থিক ঝুঁকিগুলোর পর্যবেক্ষণ করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন তাঁরা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পাশার’ কিকে ‘ড্রাগন’ কুপোকাত by আনোয়ার পারভেজ

লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় সাদা রঙের পাশা নামের মোরগটি। মোরগের মালিক নয়নের হাতে তুলে দেওয়া হয় ২১ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন। রানার আপ লাল–কালো রঙের ড্রাগন নামের মোরগের মালিক পারভেজ পেলেন সাউন্ডবক্স। ‘বাংলার মুখ’ বগুড়া শাখার উদ্যোগে এই মাঠেই বসে সাত দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। মেলায় প্রতিদিনই লাঠিখেলা, সাপখেলা, বানর খেলাসহ লোকজ ঐতিহ্যের নানা খেলার আয়োজন থাকছে।
মোরগ লড়াইয়ে অংশ নেয় নানা রঙের ২০টি তেজি আসিল মোরগ। গ্রামীণ এই ঐতিহ্যবাহী মোরগ লড়াই দেখতে মেলার মাঠে ভিড় করেন হাজারো দর্শক।
কারাতে, কুংফু ও মার্শাল আর্টের নানা কায়দা-কানুনের মতো এ লড়াইয়ে একেকটি দুর্ধর্ষ লড়াকু মোরগ নিজস্ব স্টাইলের ফ্লাইং কিক করছিল। কয়েক শতকের পুরোনো এই মোরগ লড়াই এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। এই খেলায় পালানোর কোনো পথ নেই। জিততে হলে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হয়।
মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বগুড়ার বৈশাখী মেলায় মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন এখন রীতিমতো ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে। ৩৮ বছর ধরে বৈশাখী মেলায় মোরগ লড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈশাখী মেলায় এই লড়াইকে সামনে রেখে কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয় মোরগকে তেজি করে তোলার তোড়জোড়। লড়াইয়ের জন্য অনেকেই তেজি মোরগ পুষে প্রশিক্ষণ দেন। লড়াকু মোরগকে পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত গোসল এবং চিকিৎসাও দেওয়া হয়।
আয়োজকেরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের দেওয়ান বংশ একসময় ভারত থেকে এই আসিল মোরগ নিয়ে আসে। আগেকার দিনের রাজা-বাদশাহরা এটিকে পুষতেন বলে একে রাজকীয় মোরগও বলা হয়।
শোনা যায়, টিপু সুলতান, সম্রাট আকবরসহ অনেক রাজা এই মোরগ শখ করে পুষতেন। এদের লড়াই দেখাটাকে বিনোদনের অংশ হিসেবে নিতেন। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, জাপানেও এই খেলার প্রচলন রয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, মোরগ লড়াইয়ের জন্য ১২ ফুট বাই ১২ ফুট স্কয়ার জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঝখানে ছয়টি মোরগ নিয়ে বসেছেন তাদের মালিকেরা। লড়াইয়ে এক মোরগকে অন্য মোরগের বিরুদ্ধে ক্রুদ্ধ করে তুলে মল্লযুদ্ধ বাঁধিয়ে দিচ্ছিলেন মালিকেরা। এ পর্যায়ে হার-জিতের মধ্য দিয়ে খেলা শেষ হয়।
লড়াইয়ে কোনো মোরগ যখন কুলিয়ে উঠতে পারছে না, তখন সে দৌড়ে পালায়। এভাবে তিনবার দৌড়ে সীমানার বাইরে চলে গেলে সেই মোরগ পরাজিত ধরা হচ্ছে। কোনো কোনো মোরগ খুব জেদি। লড়াইও করে না, আবার পালিয়েও যায় না। মাঠেই মোরগটি বসে থাকে। নিয়মানুযায়ী, কোনো মোরগ হাঁটু গেড়ে বসলে এবং সেই বসার সময় এক মিনিট অতিক্রম করলে সেই মোরগ পরাজিত বলে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনো মোরগ দৌড় দিচ্ছে না, বসেও পড়ছে না এবং লড়াইও করছে না। ওই মোরগকে প্রতিদ্বন্দ্বী মোরগ আক্রমণ করছে। নিয়মানুযায়ী, আক্রমণের শিকার কোনো মোরগের মাথার ঝুঁটি ১০ সেকেন্ডের বেশি নুয়ে থাকলে, তাকে পরাজিত ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। পরপর তিনবার পরাজিত হলে লড়াইয়ে অন্য মোরগটিকে বিজয়ী বলে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।
বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী এই মোরগ লড়াইয়ের আয়োজক ও বৈশাখী মেলা কমিটির আহ্বায়ক জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, এবার আসিল মোরগ লড়াইয়ে ২০টি মোরগ অংশ নিয়েছে। সব কটি লড়াকু মোরগের জাত ভারতীয়। দাম ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। প্রতিটি রাউন্ডে লড়াই সময় ১৫ মিনিট। ফাঁকে ৫ মিনিট করে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হয়েছে লড়াকুদের। পরে সর্বোচ্চ পয়েন্টের ভিত্তিতে চূড়ান্ত লড়াইয়ে পাশা ও ড্রাগন ফাইনালে ওঠে। খেলা শেষে পাশা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ‘টাইগার’ ও রানার আপ ‘সুলতান’ এবার প্রথম রাউন্ডেই ধরাশায়ী হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন পাশার মালিক নয়ন বলেন, বৈশাখী মেলায় মোরগ লড়াই দেখেই তাঁর লড়াকু মোরগ পোষার ইচ্ছে জাগে। বছরখানেক আগে সাদা জাভা ভারতীয় জাতের এই মোরগ কেনেন। নাম দেন পাশা। এক বছর ধরে দুর্ধর্ষ লড়াইয়ে পারদর্শী করে তোলেন পাশাকে। তাঁর মোরগটির বাজারমূল্য এখন ৩০ হাজার টাকা বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে রানার আপ ড্রাগনের মালিক পারভেজ বলেন, আট হাজার টাকায় এক বছর আগে ড্রাগনকে কেনেন তিনি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে পরাজিত হয়েছে ড্রাগন। এ কারণে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও আফসোস নেই তাঁর।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচার না পেয়ে কেঁদেছি, আর কেউ যেন না কাঁদেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুন, অগ্নিসন্ত্রাস, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা এবং ধর্ষণের মতো মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খুন, অগ্নিসন্ত্রাস, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা, ধর্ষণ ও নানা ধরনের সামাজিক অনাচার চলছে। এগুলোর বিচার যেন খুব দ্রুত হয়, এদের কঠোর শাস্তি হয়। যাতে এর কবল থেকে দেশ ও জাতি রক্ষা পেতে পারে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে এমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, এমন একটি সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে ধনী-দরিদ্রের কোনো বৈষম্য থাকবে না। জনগণ মৌলিক অধিকারসমূহ ভোগ করে নিজেরা নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করতে পারবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই প্রতিটি মানুষ ন্যায়বিচার পাক এবং সেই ব্যবস্থাটা যেন চালু হয়। কারণ, আমরা চাই না ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সের কারণে আমরা যেমন বিচার না পেয়ে কেঁদেছি, আর কাউকে যেন এভাবে কাঁদতে না হয়। সকলে যেন ন্যায়বিচার পেতে পেতে পারে, সেটাই আমরা চাই।’ তিনি বলেন, ‘অনেক মামলার দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে। অনেকে বছরের পর বছর কারাগারে আটকে রয়েছে, কেন যে আটকে রয়েছে, তারা নিজেরাও জানে না। তাদের দোষটা যেমন কেউ কেউ জানে না, তেমনি কীভাবে আইনগত সহায়তা নিতে পারে, তা-ও জানা নেই। সেই বিষয়টা দেখার জন্য আমরা ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আমার মনে হয়, আইন মন্ত্রণালয় এই ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।’
সম্পত্তি আইন অনুযায়ী দাদার সম্পত্তির বিষয়ে বাবা গত হলে তাঁর কন্যা ওয়ারিশরা যেন পুত্রসন্তানের ন্যায় অংশ ভাগ পায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্যও প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি দেওয়ার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিচারপতি এবং বিচারকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ক্ষেত্রে আমাদের সামনে বিচারপতি বা অন্য সকলে রয়েছেন। তাঁদের আমি অনুরোধ করব। হ্যাঁ, আমাদের ইসলাম ধর্ম বা মুসলিম আইন (শরিয়াহ আইন) মানতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু কেবল শরিয়াহ আইনের দোহাই দিয়ে মা-মেয়েকে বঞ্চিত করে বাবার সম্পদ যে তাঁদের কাছ কেড়ে নেওয়া হয়, তার কোনো সুরাহা করা যায় কি না, আপনারা দয়া করে একটু দেখবেন। এটা করা দরকার।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেখানে মেয়ে-ছেলে না লিখে যদি সন্তান লিখে দেওয়া যায়, তাহলে সন্তান ছেলেই হোক আর মেয়েই হোক, তার ভাগটা তো অন্তত সে পাবে। এর জন্য একটা উদ্যোগ নেওয়া দরকার।’ তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেন, এটা বলতে গেলে অনেক ইসলামি চিন্তাবিদ এবং মাওলানা এর বিরোধিতাও করতে পারেন। তবে তিনি এ বিষয়ে অনেক ধর্মীয় নেতার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন; যাঁরা এই মেয়েদের অধিকার সংরক্ষণের বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। দেখা গেছে, তাঁদের অনেকেরই ওয়ারিশ কেবল কন্যাসন্তান বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইনমন্ত্রীসহ সবাইকেই এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁদের ওয়ারিশ হিসেবে কন্যাসন্তান রয়েছে, তাঁরা আমৃত্যু যেন সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন এবং তাঁদের মৃত্যুর পর তাঁদের কন্যারা যেন পৈতৃক সম্পত্তির ওপর নিজের অধিকার পায়।’ তিনি বলেন, ‘যদিও ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যেখানে মা-বাবা মারা গেলে কন্যাসন্তানকে তাদের সম্পত্তির অধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। তারপরও তারা অনেক ক্ষেত্রে বঞ্চিত হয়। কারণ, ভাইয়েরা দিতে চায় না।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার একজন বিচারক। যিনি আইনসিদ্ধভাবে কীভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের সহযোগিতা করেন। এর ফলে বিচারপ্রার্থী জনগণ মামলাজটের কবল থেকে কিছুটা হলেও পরিত্রাণ পাবে।’
‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সংশোধনী) আইন ২০০৯’ পাসের মাধ্যমে বিচার বিভাগ পৃথক্করণের কাজটিকে স্থায়ী রূপ প্রদান করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচারের জন্য সাধারণ মানুষের চাপ সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার বিচার সাধারণ আদালতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি, সাধারণ আদালতে হবে এবং আদালত যে রায় দেবেন, আমরা মেনে নেব। আমরা আদালতের রায় মেনে নিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যমুক্ত আলোকিত সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব, ইনশা আল্লাহ।’
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এ এস এস এম জহুরুল হক এবং জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মানিকগঞ্জ ও কুমিল্লার দুজন উপকারভোগীও অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে বেসরকারি সংস্থা, প্যানেল আইনজীবী এবং লিগ্যাল এইড—এই তিন ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামনে চ্যালেঞ্জ!

এমনকি নাগরিকদের আয়ুষ্কালও বেড়ে যায়। এটা একটা বাস্তবতা। কিন্তু এটাই শেষ নয়।
কারণ প্রশ্ন উঠছে, শান্তি কোথায়? টাকা পয়সা বাড়ছে, শান্তি বাড়ছে কিনা। টাকা দিয়ে প্রতিদিন যত খাবার, ফলমূল, শাকসবজি তারা কিনছে, সেসবে ভেজাল এতটাই ভয়াল ও কুটিল হয়ে উঠছে যে, তা শনাক্ত করা যাচ্ছে না। খাদ্যদ্রব্য সেফ নয়, জেনেও মানুষ তা এড়াতে পারছে না। কারণ তার সামনে কোনো বিকল্প নেই। রমজান আসছে। মানুষ খাদ্যদ্রব্যের বিষয়ে বাড়তি সংবেদনশীল হবেন। যত্ন ও সতর্কতা থাকবে, ভেজালমুক্ত খাবার কেনা ও তা আহারের। কিন্তু তার সামনে বিকল্প সীমিত।
সবশেষ টিআইবি’র নতুন গবেষণা বলছে, ওয়াসার পানি পানে ঢাকার ৬৩ ভাগ মানুষ ডায়রিয়ায় ভোগে। জন্ডিসে ৩৪, চর্মরোগে ৩৭, টাইফয়েডে ১৯ ও কলেরায় আরো ১৩ শতাংশ মানুষ যে ভোগে তারও পেছনে ঢাকা ওয়াসার দূষিত পানি। এরকম একটি ভয়াবহ খবরের পর উন্নত বিশ্ব হলে হুলস্থূল কাণ্ড ঘটে যেত। কিন্তু বাংলাদেশ নীরব থাকে। কারণ তার সামনে কোনো বিকল্প নেই। পানি খেলেও মরণ, না খেলেও মরণ। দুটির মধ্যে তফাৎ হলো, পানি খাওয়া বন্ধ করে দিলে তাৎক্ষণিক মরণ, আর খেলে তিলে তিলে নিঃশব্দে মৃত্যুর দিকেই এগিয়ে যাওয়া।
তাই কে কোথায় নিরাপদ, আর কে অনিরাপদ, সেটা কমবেশি প্রতিটি পরিবারের জিজ্ঞাসা। ঘরে থাকলেও নিস্তার নেই। রাস্তায় বেরুলেই দুর্ঘটনায় কারো অঙ্গহানি, প্রাণহানি ঘটতে পারে। কিন্তু কোথাও যেন কারো কিছুই দেখার নেই। আইনের অভাব নেই। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অভাব নেই। লোক-লস্করের অভাব নেই। তাদের বর্ধিত বেতন-ভাতার অভাব নেই।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত আক্ষেপ করে বলেছেন, এত বেশি বেতন-ভাতা দেয়ার পরেও জনপ্রশাসনের সদস্যরা দুর্নীতি করছেন কেন?
রাস্তায় আবরাররা মরছে। চকবাজারে, এফ আর টাওয়ারে মানুষ পুড়ে মরছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নুসরাতদের আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু কোথাও অতি বড় অপরাধের পরেও দ্রুত বিচারের ধারণা জনপ্রিয় হচ্ছে না। কেউ কেউ মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং অন্যকিছু অপরাধের বিচারের দ্রুততা এবং সেই বিষয়ে জনগণের সামনে প্রতি ঘণ্টায় হালনাগাদ তথ্য প্রদানে রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিবর্গের উৎসাহের দিকটি এ প্রসঙ্গে স্মরণে রাখছেন।
প্রতিদিন রাস্তায় ২০ জনের মতো মানুষ প্রাণ হারায়। কত মানুষের অঙ্গহানি ঘটে, তা জানা যায় না।
সবাই জানেন, বাংলাদেশ এনালগে নেই। আছে ডিজিটালে। কিন্তু কোন কারণে কত মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে, তার পরিষ্কার হিসাব কোথাও কেউ প্রকাশ করে না। কেউ রাখে না। যেমন, পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইট। এখানে ধর্ষণের পরিসংখ্যান নেই। ধর্ষণ করে কত নারীকে প্রতিবছর হত্যা করা হয়, কিংবা কতগুলো গণধর্ষণ ঘটে, তার কোনো পরিসংখ্যান নেই।
বিআরটিএ’র ওয়েবসাইটে সড়কে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পরে ২০১৮ সালের সড়ক আইন পাস হলো। এই আইনে ভয়ঙ্কর বিধান করা হয়েছে যে, মানুষের জীবনের দাম মাত্র তিন লাখ টাকা। অবহেলাজনিত কারণে দুর্ঘটনায় কারো মৃত্যু ঘটলে আদালত ঘাতক চালককে কোনো জেলদণ্ড না দিয়ে শুধু তিন লাখ টাকা জরিমানা করতে পারেন।
অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, সড়কে গড়ে ২০ জন মানুষ হত্যা এবং তাদের জীবনের দাম জাতীয় সংসদ যেদেশে মাত্র তিন লাখ টাকা নির্দিষ্ট করে আইন পাস করতে পারে, সেই দেশের উচ্চ আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে বেশি অঙ্কের ক্ষতিপূরণ নির্দিষ্ট করে দিলেই পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি কিংবা বেপরোয়া মালিক-চালকদের রাশ টানতে তা কার্যকর হতে পারে না। ক্ষতিপূরণ আদায়ের হাতেগোনা কিছু উদাহরণ তৈরি হয়েছে, কিন্তু সড়ক হত্যাকাণ্ডের তুলনায় বিচারের পরিসংখ্যান অত্যন্ত ধূসর। মিশুক মুনির ও তারেক মাসুদ হত্যাকাণ্ডের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। ক্ষতিপূরণের সাড়ে চার কোটি টাকা করে তাদের প্রত্যেকের পরিবার কবে পাবে, তা কারো জানা নেই। সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন মন্টুর পরিবার তো আইনি লড়াইয়ে জিতেও ক্ষতিপূরণের টাকা পেলো না।
কিন্তু ঘরে-বাইরে মৃত্যু ও বিচারহীনতার এত হাতছানির মধ্যেও মানুষ তাই বলে ঘরে বসে থাকে না। থাকতে পারে না। সবাই দেখে, মানুষ ছুটছে। আয় করছে। আয় বাড়ছেও অনেকের। অল্প মানুষের বাড়ছে রকেট গতিতে। স্বীকৃতমতেই চার লাখ কোটি টাকার বেশি পাচার হয়ে গেছে দেশ থেকে। যারা লুটপাট করছেন, তাদের ভরসা নেই বাংলাদেশের জলবায়ুতে। তাই তারা টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন।
সাবেক মন্ত্রী ও মহাজোট সরকারের হেভিওয়েট নেতা রাশেদ খান মেনন সম্প্রতি সংসদে বলেছেন, ‘বাংলাদেশে অতি ধনী চীনের থেকেও বেড়েছে। দেশের শীর্ষ ৫ শতাংশ ধনীর সম্পদ ১২১ গুণ বেড়েছে। অন্যদিকে সব থেকে গরিব ৫ শতাংশের কাছে থাকা মাত্র ১ শতাংশ সম্পদ চার ভাগের এক ভাগের কমে দাঁড়িয়েছে। ক্রমবর্ধমান বৈষম্য ও বছরে ৮ লাখ করে বেকার বাড়া সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতির জন্য বিরাট হুমকি।’
কিন্তু এটাও ঠিক যে, বাংলাদেশের ছবিটি শুধুই মলিন নয়। গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে আস্থাহীনতার মধ্যেও অনেকগুলো ফ্লাইওভার জটের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে। কিন্তু এই প্রকল্প ভবিষ্যতে কতটা কি বর্তমানের অসহনীয় যানজট (গুগলের সাবেক একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলীর নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পাঠক জরিপ বলেছে, বাংলাদেশেই এখন যানজটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন) থেকে দীর্ঘমেয়াদে পরিত্রাণ দেয়, তা অনিশ্চিত।
নীরবে মেট্রোরেলের কাজ এগুচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেই যানজট মিটে যাবে, এমন আশ্বাস হাঁকডাক দিয়ে নাগরিকদের কেউ দিচ্ছে না।
অন্যদিকে আরেক বহুল আলোচিত মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর মূল প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে বাস্তব ব্যয় শনৈ শনৈ বৃদ্ধির মধ্যে এটির নির্মাণ চলছে। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প রাশানদের থেকে ভারতীয় ব্যবস্থাপনায় উতরে গেছে কোনো বিতর্ক ছাড়াই। কক্সবাজার অঞ্চলে ২৫টির বেশি মেগা প্রকল্পে তিন লাখ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে এবং তার বাস্তবায়ন এগিয়ে চলেছে। এবিষয়ে কক্সবাজারের একজন সংসদ সদস্য সম্প্রতি একটি জনসভায় নির্দিষ্টভাবে তথ্য দেন। কিন্তু যখন তার কাছে নির্দিষ্ট ভাবে জানতে চাওয়া হয়, প্রকল্পের মোট খরচের কত অংশ গত ৫ বা ১০ বছরে ব্যয় করা হয়েছে, তখন তিনি ৫ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটা ঠিক দেশে একসঙ্গে মোটামুটি অনেকগুলো বৃহৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলছে। যা বাংলাদেশ আগে দেখেনি।
কিন্তু কেউ কেউ যেটা দেখছে না, সেটা হলো নাগরিকরা শান্তিতে নেই। স্বস্তিতে নেই। একটা ভয়, একটা উদ্বেগ, একটা অশান্তি তাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। অনেকের দাবি, সর্বত্র সুশাসনের ঘাটতি প্রকট হচ্ছে।
সামাজিক নিরাপত্তা তলানিতে। সড়কে, ইমারতে, মাদরাসার ছাদে সর্বত্র মৃত্যুর ভয়াল থাবাগুলো ওত পেতে আছে। ব্যাংকগুলোতে যা ঘটে চলেছে, তাতে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আস্থা কি দিন দিন বাড়ছে নাকি কমছে? এর উত্তর সম্ভবত মুখ ফুটে বলা নিরর্থক। এক লাখ কোটির বেশি টাকা ঋণ খেলাপিদের কব্জায়।
অন্যদিকে নীরবে সমাজে রাজনীতির প্রতি মানুষের নিরাসক্তি বাড়ছে। জনসভার ধারণাই উবে যেতে বসেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা কমছে।
প্রশাসন ও সংসদ সহ সর্বত্রই নিরঙ্কুশ ধারণা জেঁকে বসেছে। গত ৩০শে ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এবং সন্দেহ-সংশয় ছিলই। তেমন কেউ আশা করেনি, বিএনপি সরকার গঠন করে ফেলবে। কিন্তু অনেকেই যা ভাবেন নি, সেটা হলো দেশের প্রধান বিরোধী দল ৩শ’ আসনের মধ্যে ১০টি আসনও পাবে না।
ডাকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হলে কী হতে পারতো সেটা অনেকের কাছেই পরিষ্কার। কিন্তু বাস্তবতা হলো মধ্যরাত পেরোনো ফলটা সবাইকে মানতে হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্ন তুলে কোন লাভ নেই। সেলফ সেন্সরশিপে কাবু মিডিয়া। রিপোটার্স উইদাউট বর্ডারস জানিয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে আর ৪ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। গতবছর থাকা ১৪৬ তম থেকে এ বছর ৪ ধাপ পিছিয়ে ১৫০-এ নেমেছে বাংলাদেশ।
কিন্তু যে কারণে কেউ কেউ বলেন, সামনে ঘোর বিপদ, সেটা দেশের বিরোধী দল তৈরি করবে না। বিরোধী দল নির্মূল করতে গিয়ে কারো মতে রাজনীতি নির্মূল হচ্ছে কিনা। গত উপজেলা নির্বাচনে কোনো উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল না। এখন উৎসবে যোগ দিতে মাইকিং করতে হয়। কিন্তু এটা তো বাংলাদেশের ছবি নয়।
দলের বিদ্রোহের সংজ্ঞা পাল্টাচ্ছে। এখানে আর শুধুই বিদ্রোহ নয়। এখন তা রূপ নিচ্ছে সশস্ত্র সংঘাতে, সশস্ত্র বিদ্রোহে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, গত তিন মাসে দেশে দৃশ্যত রাজনীতি না থাকলেও রাজনৈতিক সংঘাত থেমে নেই। এই তিন মাসে রাজনৈতিক মারামারিতে মারা গেছেন ২৩ জন। হাত-পা ভেঙে কিংবা গুলি খেয়ে হাসপাতালে গেছেন ১ হাজার ২৪ জন। এই সব ‘অংশগ্রহণমূলক কাইজ্যা’ হয়েছে মূলত সরকারপন্থি দলের নেতাকর্মীদের নিজেদের ভেতর।
গত ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনের পরের তিন মাসে কমপক্ষে ৯২টি রাজনৈতিক সংঘাত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে ১৪টি সংঘাত হয়েছে। এতে ১৯০ জন আহত ও ৪ জন নিহত হয়েছেন। যুবলীগের নিজেদের মধ্যে সংঘাত হয়েছে চারটি। এতে ২৭ জন আহত ও ১ জন নিহত হয়েছেন। ছাত্রলীগের নিজেদের মধ্যেও চারটি সংঘাতে ১ জন নিহত ও ২২ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যুবলীগের সঙ্গে পুলিশের সংঘাতে ১ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।
এভাবে বাংলাদেশে একটা সহিংস রূপান্তরকরণ চলছে। কারো মতে এটাই চ্যালেঞ্জ। আইনের শাসন ও সুশাসন বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনে ও সমাজে প্রভাবশালীরা যার যার বলয় তৈরি করে নিচ্ছেন। সর্বশেষ অধ্যক্ষ সিরাজের গ্রেপ্তারের পরে অনেকটা ঘোষণা দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় পরীক্ষার হল থেকে ডেকে নিয়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে পোড়ানোর ঘটনায় অনেকেই শঙ্কিত। তারা বলছেন, এটা একটা অশনিসংকেত। এটিকে এখনো পর্যন্ত একটি সাধারণ যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। ক্ষমতাসীন দল ও পুলিশের প্রকাশ্য ও বেপরোয়া সমর্থনের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আততায়ীরা থানা পুলিশের কেয়ার কম করেছে। কেউ ভয়ে প্রশ্ন তুলছেন, এটা একটা ফেনোমেনার সূচনা কিনা? একটা বিভীষিকাপূর্ণ মডেল কিনা। আততায়ীরা জানতো, সাময়িক ঝামেলা হতে পারে, বিচার হবে না। সামাজিক মিডিয়ায় বিচার না হওয়ার আশংকাই বেশি প্রকাশ পাচ্ছে।
সব থেকে মোক্ষম প্রশ্নটি তুলেছেন মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামাল। বলেছেন, প্রতিটি যৌন নির্যাতনের মামলার আসামিদের বিচার শুধু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হবে কিনা?
কেউ বলেন, এই প্রশ্নের মধ্যেই তিনি প্রকৃতপক্ষে ‘সামনে ঘোর বিপদের’ চিত্র এঁকে দিয়েছেন। কারণ এভাবে তো সমাজ চলতে পারে না।
তদুপরি কেউ কেউ বলছেন, এই সীমাবদ্ধতা, এইসব জ্বলন্ত প্রশ্ন, এইসব বাধা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ থামবে না। তারা বিশ্বাস করেন, তারা আশাবাদী থাকেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চয় এমন একটি বিহীত ব্যবস্থা নেবেন, যাতে নাগরিকগণ শঙ্কামুক্ত হতে পারেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খাশোগি হত্যার বিচারে সৌদি রাজকীয় উপদেষ্টাদের একজন অভিযুক্ত অনুপস্থিত কেন!

এতে বলা হয়েছে, গত বছর অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনসুলেটের ভিতরে ওয়াশিংটন পোস্টের কলামনিস্ট জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে নানা রকম বক্তব্য দেয়ার পর সৌদি আরবের প্রসিকিউটররা বলেছেন, ওই হত্যা মিশন তদারকি করেছেন উপ গোয়েন্দা প্রধান আহমেদ আল আসিরি। তাকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজকীয় আদালতের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাউদ আল কাহতানি। এ দু’জনই ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের একেবারে ঘনিষ্ঠ। খাসোগি হত্যাকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। জানুয়ারি থেকে এ মামলায় পাঁচটি শুনানিতে শুধু আসিরিকে দেখা গেছে আদালতে। এ তথ্য দিয়েছেন পশ্চিমা চার জন কর্মকর্তা।
এর মধ্যে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বিচার চলছে যে ১১ জনের বিরুদ্ধে তার মধ্যে কাহতানি নেই। তার এই অনুপস্থিতির অর্থ কি? সৌদি আরব কি তাকে সুরক্ষা দিতে উদগ্রিব নাকি তার বিষয়টি আলাদাভাবে দেখা হচ্ছে? কেউ জানে না।
১১ অজ্ঞাত সন্দেহভাজনের নামে গত নভেম্বরে অভিযোগ আনে সৌদি আরবের পাবলিক প্রসিকিউটর। এর মধ্যে এমন ৫ জন রয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তাদের মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে। এই বিচার প্রক্রিয়া চলছে। পুরোটাই শুনানি হয় আরবিতে। বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়ার কূটনীতিকদের ও তুরস্কের কূটনীতিকদের আদালতে উপস্থিত থাকতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে তাদেরকে দোভাষী ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়া হয় নি। তা ছাড়া তাদেরকে স্বল্প সময়ের নোটিশে উপস্থিত থাকতে বলা হয়।
খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তার পরিবার সৌদি আরব সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় গিয়েছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তার পরিবার। বিচারকাজ পর্যবেক্ষণের জন্য ওই পরিবারের একজন প্রতিনিধি একটি শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
কর্মকর্তারা বলেছেন, যে ১১ জনের বিরুদ্ধে বিচার চলছে তার মধ্যে রয়েছেন গোয়েন্দা বিষয়ক অপারেটিভ মাহের মুতরেব। তিনি ঘন ঘন ক্রাউন প্রিন্সের বিদেশে সফরসঙ্গী হতেন। আছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সালাহ আল তুবাইগি, সৌদি রয়েল গার্ডের সদস্য ফাহাদ আল বালাবি। এরা মৃত্যুদ-ের মুখোমুখি হতে পারেন। বিচারে বিবাদীদেরকে আইনজীবী নিয়োগের অনুমোতি দেয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে অভিযুক্তদের অনেকেই আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তারা বলেছেন, অপারেশনের মূলহোতা আসিরির নির্দেশ অনুসরণ করেছেন মাত্র। এ বিষয়ে সৌদি আরবের তথ্য মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করে নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকা ও বাহরাইনের কূটনীতিককে ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব!

ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমাদ আল শাহাফ গত শনিবার দেশটির আল সুমারিয়া টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আল হাকিম মার্কিন চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার মন্ত্রণালয়ে তলব করেছেন।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিদ বিন আহমেদ আল খালিফা সম্প্রতি তার টুইটার পেইজে যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তাতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরাক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিদ ইরাকের প্রভাবশালী শিয়া আলেম মুকতাদা আল সদরের প্রতি নোংরা এবং অপমানসূচক মন্তব্য করেন। ইরাকের সাধারণ নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন পেয়ে মুকতাদা আল সদরের নেতৃত্বাধীন সাইরুন দেশটির সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
মুকতাদা আল সদর বাহরাইনের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিদ তার টুইটার পেইজ অভিযোগ করেন। ইরাকের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদকে তিনি 'একজন বোকা এবং তাকে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেছেন।ইরান ইরাককে নিয়ন্ত্রণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এক বিবৃতিতে ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যকে চরম আক্রমণাত্মক হিসেবে আখ্যায়িত করে এর নিন্দা জানায়। পাশাপাশি বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়।এছাড়া, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের ফেইসবুক পেইজে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগে ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে মার্কিন চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুন-ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই প্রতিটি মানুষ ন্যায় বিচার পাক এবং সেই ব্যবস্থাটা যেন চালু হয়।
কারণ, আমরা চাই না ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সের কারণে, আমরা যেমন বিচার না পেয়ে কেঁদেছি আর কাউকে যেন এভাবে কাঁদতে না হয়। সকলে যেন ন্যায় বিচার পেতে পারে সেটাই আমরা চাই । তিনি বলেন, অনেক মামলার দীর্ঘসূত্রিতা রয়েছে। অনেকে বছরের পর বছর কারাগারে আটকে রয়েছে, কেন যে আটকে রয়েছে তারা নিজেরাও জানে না। তাদের দোষটা যেমন কেউ কেউ জানে না তেমনি কিভাবে আইনগত সহায়তা নিতে পারে তাও জানা নেই। সেই বিষয়টা দেখার জন্য আমরা ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আমার মনে হয়, আইন মন্ত্রণালয় এই ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। আইন, বিচার এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এএসএসএম জহুরুল হক এবং জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদানকারি সংস্থার পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
সম্পত্তি আইন অনুযায়ী দাদার সম্পত্তির বিষয়ে বাবা গত হলে তার কন্যা ওয়ারিশরা যেন পুত্র সন্তানের মতো অংশ ভাগ পায় সেটা নিশ্চিত করার জন্যও প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে দৃষ্টি দেয়ার পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিচারপতি এবং বিচারকদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, এইক্ষেত্রে আমাদের সামনে বিচারপতি বা অন্য সকলে রয়েছেন তাদের আমি অনুরোধ করবো। হ্যাঁ, আমাদের ইসলাম ধর্ম বা মুসলিম আইন (শরিয়া আইন) মানতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু কেবল শরিয়া আইনের দোহাই দিয়ে মা-মেয়েকে বঞ্চিত করে বাবার সম্পদ যে তাঁদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয় তাঁর কোন সুরাহা করা যায় কি না- আপনারা দয়া করে একটু দেখবেন। এটা করা দরকার।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেখানে মেয়ে-ছেলে না লিখে যদি সন্তান লিখে দেয়া যায় তাহলে সন্তান ছেলেই হোক আর মেয়েই হোক তাঁর ভাগটাতো অন্তত সে পাবে। এরজন্য একটা উদ্যোগ নেয়া দরকার। মানুষের নিষ্ঠুরতার শিকার মানুষই হয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি আপস-মীমাংসার অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। যাতে করে মৃত পিতার পরিবারের মেয়েরা সম্পদের যথাযথ ভাগ পায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরে জাতির পিতা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদায় উন্নীত করেন। জাতিকে উপহার দিয়েছেন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সাম্য ও ন্যায়বিচারের এক অনন্য দলিল- বাংলাদেশের সংবিধান।
তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯০ জনকে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। একই সময়ে এ কার্যক্রমের আওতায় মোট ১ লাখ ৬৬৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। লিগ্যাল এইড অফিসারের মধ্যস্থতায় আপস মীমাংসার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সর্বমোট ১৮ কোটি ৪৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৩২৬ টাকা আদায় করে দেয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দাবি, প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা

বলেন, কালই আমরা তাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের কথা বলিনি। কিন্তু ওই সংবাদ মাধ্যমগুলো আচমকা খবর দিয়ে দিল ভাসানচর না-কী এখনও প্রস্তুত নয়। আমাদের চিন্তা ছিল কাজ শেষ হওয়ার পর সবাইকে দেখাবো, আলোচনা করবো। এর পর ১ লাখ রোহিঙ্গাকে সেখানে স্থানান্তর করবো।
কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই রিপোর্ট হয়ে গেল। বলা হল ওই চর না-কী ঝুকিপূর্ণ! প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি না জাতিসংঘের কেউ ভাসানচরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। কারণ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যে রিপোর্ট জমা পড়েছে তাতে ভাসানচর নিয়ে নেতিবাচক কিছু নেই। জাতিসংঘ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে আশ্রয়দানের অব্যাহতভাবে প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এই মুহূর্তে পৃথিবীতে অন্য কোনও দেশকে তারা কল্পনাও করতে পারেন না, যারা ১ মিলিয়ন বাস্তুচ্যুতকে আশ্রয় দিতে পারে। প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে সরকার সঠিক পথেই আছে। নিরাপত্তা পরিষদে চীন মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিলেও দেশটি সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে এক ধরণের মধ্যস্থতা করছে সেটিও প্রতিমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট হয়।
তিনি জানান, সদ্য বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দপ্তরের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে নিয়ে বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আয়োজনে একটি বৈঠকও হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসাবে অংশ নেয়া জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টিভেন করলিস বলেন, ‘আমরাও মনে করি রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়াই সংকটের একমাত্র সমাধান।’ তবে ভাসানচর প্রশ্নে জাতিসংঘের ওই প্রতিনিধি নিজেদের অবস্থান খোলাসা করেননি। তিনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনটাই বলেননি। অনেকটা প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, ভাসানচর নিয়ে সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে, আরও আলোচনা হবে।
রাজধানীর ইস্কাটনস্থ বিস অডিটরিয়ামে ডিকাবের ওই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক প্রফেডর ড. ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুটির আন্তর্জাতিকিকরণের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ৩ সচিব এতে উপস্থিত ছিলেন। ডিকাব প্রেসিডেন্ট রাহীদ এজাজ সেমিনারে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন। এ সময় সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে বিমান হামলা : এবার নতুন কথা ভারতীয় বিমান বাহিনীর

ভারতীয় পক্ষ ওই সময় যে দাবি করেছিল, তার পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। এখন তারা তাদের দাবি পরিবর্তন করেছে। শুক্রবার ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হয়, পরিকল্পনা বদলে যাওয়ায় তারা ওই হামলার ভিডিও করতে পারেনি।
কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সবটা পরিকল্পনামাফিক হয়নি। শেষ মুহূর্তে বদল করতে হয়েছিল ছক। আর তাই বালাকোটের 'জঙ্গি' ডেরায় হামলার ভিডিও নেই ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে। বিমানবাহিনীর রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এক সংবাদ সংস্থায়।
ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে জৈশ-ই-মোহাম্মদের ডেরায় আকাশপথে হামলা চালায় বিমানবাহিনী। পুলওয়ামায় 'জঙ্গি' হামলার জবাব দিতেই ওই ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। কিন্তু তার পর থেকে বালাকোট নিয়ে বিতর্ক চলছেই। ‘হামলার প্রমাণ কই’ বলে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। সংবাদ সংস্থাটির দাবি, সম্প্রতি ভারতীয় বিমান বাহিনীর রিপোর্টে তার জবাব দেয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, সে দিন বালাকোটের 'জঙ্গি' শিবির ধ্বংস করতে ‘ক্রিস্টাল মেজ়’ নামে একটি ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র (আকাশ থেকে ভূমি) ছোড়ার কথাও ছিল। হামলার পাশাপাশি গোটা ঘটনা ভিডিও করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি আর ছোড়া সম্ভব হয়নি। আর তাই সেনার হাতে ভিডিও নেই। কেবল উপগ্রহ চিত্র রয়েছে। কিন্তু গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এই মুহূর্তে সেগুলোও প্রকাশ্যে আনা নিষেধ। ভবিষ্যতে আনা হবে কি না, তা-ও স্পষ্ট জানানো হয়নি।
রিপোর্টে বিমানবাহিনীর দাবি, ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটে বিমানবাহিনীর ‘মিরাজ ২০০০’ যুদ্ধবিমান বেশ কিছুটা নিচে নামে। তার পর সুযোগ বুঝে পাঁচটি ‘স্পাইস ২০০০’ পেনিট্রেটর গ্লাইড বোমা ফেলে। চারটি নিশানা ছিল ‘স্পাইস ২০০০’-এর। তিনটিতে গিয়ে আঘাত করে তা। একটিতে ফেলা হয়েছিল তিনটি বোমা। অন্য দু’টিতে একটি করে বোমা ফেলা হয়। কিন্তু ‘ক্রিস্টাল মেজ়’-এর মতো লাইভ ভিডিও করার ক্ষমতা নেই ‘স্পাইস ২০০০’-এর। তাই আকাশপথে' জঙ্গি' ডেরায় হামলা চালানোর ভিডিও নেই বিমানবাহিনীর কাছে।
বিমানবাহিনীর ওই সূত্রটি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছে, সে দিন মেঘ অনেকটা নিচে ছিল। তার জন্যেই পূর্ব নির্ধারিতভাবে ‘স্পাইস ২০০০’-এর সঙ্গে ছ’টি ‘ক্রিস্টাল মেজ়’ উৎক্ষেপণ করা যায়নি। ঠিক ছিল একসঙ্গে হামলা করবে ‘ক্রিস্টাল মেজ়’ ও ‘স্পাইস ২০০০’। শিবিরের উপরের তলায় হামলা চালানোর কথা ছিল ‘ক্রিস্টাল মেজ়’-এর। নিচের তলায় আঘাত হানত অন্যটি। 'জঙ্গি' নিধনের পাশাপাশি শিবিরটিকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয়া যেত তা হলে। জোড়া হামলা না হওয়ায় মিশন সম্পূর্ণ সফল হয়নি।
ও দিকে হামলার পরের দিনই ‘ইউরোপিয়ান স্পেস ইমেজিং’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যাড্রিয়ান জেভেনবার্গেন জৈশ শিবিরের কিছু ছবি প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু তাতে হামলার কোনো চিহ্ন মেলেনি। বিতর্ক আরো ঘনীভূত হয়েছিল তাতে। প্রায় ‘অক্ষত’ শিবিরের জন্যও যে ‘ক্রিস্টাল মেজ়’ উৎক্ষেপণ করতে না পারাই দায়ী, রিপোর্টে সেই ইঙ্গিত।
আরো একটি বিষয় স্বীকার করে নিয়েছে ভারতীয় ভারতীয় বিমানবাহিনীর। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কার্গিল যুদ্ধের পর থেকে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তুলনায় ভারত কিছুটা পিছিয়ে। নিজেদের ঘাটতি দ্রুত সংশোধন করার প্রয়োজন রয়েছে। তারা জানিয়েছে, উপযুক্ত প্রযুক্তি হাতে থাকলে বালাকোটের পরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর হামলার সময়ে তাদের আরো শিক্ষা দেয়া যেত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
April
(369)
-
▼
Apr 29
(11)
- উবার চালক কেন ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করলেন?
- শ্রীলঙ্কা হামলার মূলহোতা জাহরানের ১৮ নিকটআত্মীয় নি...
- জলবায়ু পরিবর্তনে কোন ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতি
- ‘পাশার’ কিকে ‘ড্রাগন’ কুপোকাত by আনোয়ার পারভেজ
- বিচার না পেয়ে কেঁদেছি, আর কেউ যেন না কাঁদেন: প্রধা...
- সামনে চ্যালেঞ্জ!
- খাশোগি হত্যার বিচারে সৌদি রাজকীয় উপদেষ্টাদের একজন ...
- আমেরিকা ও বাহরাইনের কূটনীতিককে ইরাকের পররাষ্ট্র মন...
- খুন-ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ প্রধানমন্...
- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দাবি, প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন ...
- পাকিস্তানে বিমান হামলা : এবার নতুন কথা ভারতীয় বিমা...
-
▼
Apr 29
(11)
-
▼
April
(369)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...