Saturday, March 17, 2018
জাতীয় সম্পদ আত্মসাৎ করে কেউ টিকতে পারবে না: ড. কামাল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'মোদি সরকার মুসলিমদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে'
তিনি আজ (শনিবার) বেসরকারি এক হিন্দি টিভি চ্যানেলে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেন। মুখতার আব্বাস নাখভি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিজেপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের পরিবেশ ছিল। আমাদের উন্নয়নের খসড়া ভোটের জন্য নয়। আমরা উন্নয়ন ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কারো সঙ্গে বৈষম্য করিনি। কোনও ‘তোষণ’ ছাড়াই আমরা ক্ষমতায়ণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
নাখভি বলেন, ‘যখন মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেছিল তখন সরকারি চাকরিতে ৪.৫ শতাংশ মুসলিম প্রতিনিধিত্ব ছিল। আমরা গত দু’বছর ধরে বিনাব্যয়ে কোচিং শুরু করেছি যার ফলে ১২৬ জনের বেশি শিক্ষার্থী ইউপিএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে যারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছিল।’
তিনি বলেন, ‘মুসলিম নারীদের অবশ্যই নির্বাচনে টিকিট পাওয়া উচিত। আমরা এ জন্য খুশি যে আজ থেকে প্রায় ২০/২৫ বছর আগে বিজেপি’র ব্যাপারে মুসলিমরা ভাবতেন তারা বিজেপিকে ভোট দেবেন না। কিন্তু এখন সেই ধারণা পাল্টে গেছে। এখন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন চিন্তা ভাবনা করার পর মেরিটের ভিত্তিতে ভোট দেন।’
এর আগে একই টিভি চ্যানেলে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে মজলিশ ই ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এমপি বলেন, ‘দেশে কেবল হিন্দু ভোটব্যাংক আছে, মুসলিম ভোটব্যাংক নেই। ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নামে নির্বাচন হচ্ছে। রাজনীতিতে সব সম্প্রদায়ের প্রতি নজর দেয়া উচিত। কিন্তু কংগ্রেস ও বিজেপি মুসলিমদের সমর্থন করেনি।’
আসাদউদ্দিন ওয়াইসি মুসলিমদের (শিক্ষা ও চাকরিতে কোটা) সংরক্ষণ দেয়ার পক্ষে সাফাই দিয়ে বলেন, দেশে দলিতদের উপরে এখনো অত্যাচার হচ্ছে। একইভাবে মুসলিমদের উপরেও অত্যাচার হচ্ছে। সেজন্য মুসলিমদেরও সংরক্ষণ সুবিধা পাওয়া উচিত।
ওই আলোচনা সভায় বিজেপি’র সিনিয়র নেতা সুব্রমনিয়াম স্বামী বলেন, মুসলিমদের সংরক্ষণ নয় বরং ইতিবাচক উৎসাহের প্রয়োজন। তার দাবি মুসলিমরা ৮ শ’ বছর ধরে দেশে রাজত্ব করেছে সেজন্য এ ধরণের সম্প্রদায়কে সংরক্ষণ দেয়া উচিত নয়।
কিন্তু আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, ‘সংবিধানে এর ব্যবস্থাপনা আছে সেজন্য ওই অধিকারকে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করবো।’
এদিকে, মুসলিমদের কর্মসংস্থান, ক্ষমতায়ন ইত্যাদি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাখভি যে দাবি করেছেন তাকে খারিজ করে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ‘উদার আকাশ’ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ।
ফারুক আহমেদ আজ (শনিবার) রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মুসলিমদের কর্মসংস্থানে জোরালো আঘাত দেয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে তিনি বলেন, উত্তর প্রদেশে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে গরু কেনাবেচা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চামড়া শিল্পে আঘাত এসেছে ও গোশত বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বিগত লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে কম মুসলিম প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পেরেছেন। গুজরাট, উত্তর প্রদেশসহবিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি মুসলিমদের প্রার্থী না করে বঞ্চিত করেছে। সুতরাং মুখতার আব্বাস নাকভির মুসলিম উন্নয়নের দাবি ঠিক নয়।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি বিমান দুর্ঘটনা ও একজন জাকির হোসেন by নজরুল ইসলাম খোকন

দুর্ঘটনাতো দুর্ঘটনাই, সেটি বাস-ট্রাক, নসিমন- করিমন, উড়োজাহাজ কিংবা সামুদ্রিক জাহাজ যেটিই হোক না কেন। দুর্ঘটনা মানেই প্রাণহানী, আহতদের আর্তনাদ, স্বজনদের আহাজারি। বাংলাদেশের মহাসড়কগুলোতো বিগত কয়েক বছরে মৃত্যুফাঁদের কুখ্যাতি অর্জন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে কমিটি হয়, ময়না তদন্ত হয় তাতে হতাহত কিংবা তাদের স্বজন পরিজনদের আখেরে খুব একটা লাভ হয় বলে মনে হয় না। বিমান দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের স্বজনরা অবশ্য শান্তনা অনুভব করতে পারেন এই ভেবে যে , বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার কারণে তারা আর যাই হোক অন্তত সরকারের তরফ থেকে একটি রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা পেয়েছেন যেটি বাস ট্রাক কিংবা অন্য দুর্ঘটনায় ইতিপূর্বে অর্ধশতাধিক প্রাণহানির পরও তাদের স্বজনরা পান নি। এমনকি রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে সহ¯্রাধিক মানুষের মৃত্যুও বিমান দুর্ঘটনায় ২৫ জনের প্রাণহানির তুলনায় কিছুই না। বিমান মানেই অনেক টাকা পয়সার ব্যাপার, আভিজাত্যের ব্যাপার। একটি প্লেনের দাম অনেক টাকা, যারা চড়েন তারাও কম-বেশী পয়সাওয়ালা। সমাজে তাদের একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে, শ্রমিক, দিনমজুর যারা পরের দেশ থেকে রেমিটেন্স এনে দেশে অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন তাদের মৃত্যু তাই সামাজিক কিংবা রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে অতটা গুরুত্ব বহন করে না যতটা পরের দেশে টাকা খরচ করনেওয়ালারা পেয়ে থাকেন।
যাই হোক, ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনার দিন সকালেই জাকির হোসেন নামের এক যুবকের কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংবাদ অনলাইন পোর্টালগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদটির খানিকটা প্রথম আলো থেকে তুলে ধরতে চাই, ‘যেদিন গ্রেপ্তার হইল সেদিনও আমার ভাই সুস্থ। তারে তিন দিন রিমান্ডে নিল। এরপর ২ দিনও টিকলো না ভাই আমার। কী এমন করল তারা।’ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গের করিডরে কেঁদেকেটে একটা প্রশ্নই বারবার আউড়ে যাচ্ছিলেন সুলতানা রাজিয়া। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কেউ কোন উত্তর দেয় নি। কয়েক হাত দূরেই সুলতানার বড় ভাই জাকির হোসেনের লাশটা একটা ট্রলির ওপর সাদা চাদরে মোড়ানো অবস্থায় রাখা। কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় সোমবার সকালে মৃত্যু হয় তার। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহসভাপতি ও তেজগাও থানা ছাত্রদলের ভারপাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন ৬ মার্চ বিএনপি’র মানবববন্ধন কর্মসূচী শেষে ফেরার পথে গ্রেপ্তার হন। সেদিনই শাহবাগ থানায় জাকিরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বিশষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে পুলিশ। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে হত্যার চেষ্টা সহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামীদের কাছ থেকে সাতটি বাঁশের লাঠি, ছয়টি ইটের ভাঙ্গা টুকরা ও ২৫ টি কাচের টুকরো পাওয়া যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
মামলার গ্রাউন্ড বেশ জটিল এবং শক্ত বলেই মনে হচ্ছে! আর এমন একটি মামলাতেই ৩ দিনের রিমান্ডের ধকল সামলাতে পারেনি এমন একটি ছেলেকে যে, কে বলেছে রাজনীতি করতে! যে দেশে মানববন্ধনের অপরাধে গ্রেপ্তার এবং রিমান্ডে মৃত্যু বরণ করতে হয়, সে দেশে রাজনীতি করার খায়েশ আশা করি আর কোন জাকির হোসেনের হবে না! কথা সেটা নয়, এই জাকির হোসেনের ২ টি মেয়ে আছে, যাদের একজনের বয়স বছর দুই হবে, অন্যজনের ৭ কি ৮। সকালে অফিসে ঢুকেই মেসেঞ্জারে এক পরম শ্রদ্ধেয় বড় ভাইয়ের পাঠানো একটি ছবি দেখে প্রথমে বুঝতে পারি নি। পরে যখন বুঝতে পারলাম তখন এই লেখাটি লেখার জন্য তাগিদ অনুভব করলাম। যদিও লেখাটি পুরোপুরিই অর্থহীন সেটি আমি জানি। অন্ধের দেশে চশমা বিক্রির এই বৃথা চেষ্টা শুধুই নিজের বিবেকের কাছ থেকে মুক্তির জন্য।
বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক আর একই দিনে রাষ্ট্রীয় হত্যার শিকার জাকিরের জন্য কে লিখবে শোকগাথা? সেই প্রশ্ন নির্লজ্জ এই জাতির বিবেকের কাছে একদিন কি করবে না, বেচারা জাকিরের ছোট বাচ্চা দুটি?? আমরা যারা টেলিভিশনের পর্দায় সারাদিন বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের স্বজনদের আহাজারির দৃশ্য প্রচার করি তাদের কাছে একবারের জন্যও কি মনে হয় নি জাকিরের পরিবার বাদ থাক অন্তত তার নিষ্পাপ বাচ্চা দুটির অবস্থাটি কি সেটি প্রচার করা ?
নজরুল ইসলাম খোকন
ঢাকা
১৫ মার্চ ২০১৮।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে রহস্যের কোনো সমাধান পাননি হকিং

স্টিফেন হকিংয়ের ৭৬ বছর বয়সে দু’জন নারী এসেছিলেন তার জীবনে। তার প্রথম জন হলেন তার প্রথম স্ত্রী জেন ওয়াইল্ড। তার গর্ভেই জন্ম হয়েছে স্টিফেন হকিংয়ের তিন সন্তান রবার্ট, লুসি ও টিমের। এরপরেই ইলেন ম্যাসন নামের একজন নার্স আসেন হকিংয়ের জীবনে। ইলেনের কারণেই হকিংকে ছেড়ে যান জেন। এরপর ইলেনকে বিয়ে করেন হকিং। তিনিও হকিংকে তালাক দেন ২০০৬ সালে। এরপরও তার সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন হকিং দু’বার। তবে বুধবার দিনের প্রথম প্রহরে মারা যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার পাশে ছিলেন তার সেই সাবেক স্ত্রী ৭৩ বছর বয়সী জেন। তার সাবেক এই স্বামীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন ইলেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রিয় স্টিফেনের’ মৃত্যুতে গভীরভাবে আমি শোকাহত। তিনি নিজের বাড়িতে শান্তিতে মারা গেছেন এটা বলতে পেরে আমার ভালো লাগছে। তার জীবন ছিল ব্যতিক্রম ও সাহসী। তার মাধ্যমে তিনি যা অর্জন করেছেন তার জন্যই হয়তো এমনটা শান্তিতে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন তার বেদনা আমরা অনুভব করবো। স্টিফেন হকিং বিশ্বজোড়া মানুষের ভালোবাসার নাম। তার বিদায় অপ্রত্যাশিত ছিল না। কারণ, গত বড়দিন থেকেই তিনি বেশ অসুস্থ। কয়েকবার তো মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে এসেছেন। তাকে বিয়ের মাত্র ১১ মাস পড়ে ২০০৬ সালে তালাক দেয়া দ্বিতীয় স্ত্রী ইলেনের (৬৮) মনেও তাই ক্ষরণ। তিনি হকিংয়ের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে চোখ-মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। গ্লুচেস্টারশায়ারে চিপিং ক্যাম্পডেনে তার বাড়ি থেকে তিনি হকিংয়ের প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ ঘটান এভাবে- হকিং ছিলেন তার জীবনের ভালোবাসা। ইলেন বলেন, তিনি এক চমৎকার মানুষ ছিলেন। তিনি ছিলেন অনেক অনেক বেশি স্পেশাল। আমার চিন্তা-চেতনা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমি হতাশায় ডুবে আছি। তিনি মারা গেছেন, এটা তার জন্যই স্বস্তির বলে আমি মনে করি। তিনি ছিলেন আমার জীবনের ভালোবাসা। আমি তার কাছেই যেতে চেয়েছিলাম। ইলেন আরো বলেন, তাদের বিচ্ছেদের পরে দু’বার তাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন হকিং। কারণ, তাদের বিচ্ছেদের কারণ হকিং ছিলেন না। গত বছর জানুয়ারিতে কেমব্রিজে নিজের বাড়িতে ৭৫তম জন্মদিনের অনুষ্ঠান করেন হকিং। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানকে। ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাদের অনেক বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। তারা আতশবাজি পুড়িয়েছেন। এখন তারাই তার শবযাত্রার আয়োজন করছে। উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালে জেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন হকিং। তাদের বিচ্ছেদ ঘটে ১৯৯৫ সালে। এর পাঁচ বছর আগে নার্স ইলেনের জন্য তাকে ছেড়ে যান হকিং।
পরে জেন তার স্মৃতিকথা লেখেন। এর ওপর ভিত্তি করে ২০১৫ সালে নির্মাণ করা হয় ছবি ‘দ্য থিওরি অব এভরিথিং’। এতে অভিনয় করেন ইডি রেডমায়নে। এতে হকিংয়ের বিকলাঙ্গতা, তার খ্যাতি ও তিন সন্তানের কথা উল্লেখ করেন জেন। তিনি বলেন, ওই বিচ্ছেদ তাকে যেন ফেলে দেয় এক কৃষ্ণ গহ্বরে। হকিংয়ের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন জুডি ফেলা। তিনি বুধবার বলেছেন, সাবেক স্বামীর প্রতি দায়বদ্ধতা কখনো বন্ধ হয় নি জেনের। তিনি শেষ পর্যন্ত তার সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। আপনি বুঝতে পারবেন না, এটা জেনের জন্য কতটা কষ্টের। তাদের বিবাহিত জীবনের একেবারেই প্রথমদিকে তিনটি সন্তানের জন্ম হয়েছিল। হকিংয়ের ৭৫তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন জুডি। সেদিন সম্পর্কে জুডি বলেন, হকিং ও জেন ওইদিনও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাদের তিনটি সন্তানের কারণে।
২০০৭ সালে স্মৃতিকথা লেখেন জেন। এর নাম দেয়া হয় ‘ট্রাভেলিং টু ইনফিনিটি, মাই লাইফ ইউথ স্টিফেন’। ১৯৬৩ সালে তিনি কীভাবে হকিংয়ের দেখা পেয়েছিলেন তার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, আমরা হাঁটছিলাম কয়েক শত গজ। তখনই আমার চোখে অদ্ভুত কিছু ধরা পড়ে। ঠিক উল্টোদিকে আমি দেখতে পাই অদ্ভুত এক মানুষ। মাথা নিচু করে হাঁটছেন তিনি। তার মুখ ঢেকে আছে সরল সোজা লম্বা চুলে। এর কয়েক মাস পরে তাদের দেখা হয় এক পার্টিতে। তখন হকিং জ্যোতির্বিদ্যার রিসার্চ করছেন কেমব্রিজে। এর পরপরই জেন জানতে পারেন হকিং দুরারোগ্য এক ব্যাধিতে আক্রান্ত। এ রোগের কোনো প্রতিকার নেই। বন্ধুরা জেনকে বললেন, হকিং আর হয়তো কয়েকটি মাস বাঁচতে পারেন। এর এক সপ্তাহ পরের কথা। জেন স্বীকার করেন, তখন তিনি হকিংয়ের প্রেমে পড়ে গেছেন। তাই তিনি প্ল্যাটফরমে আবারো সাক্ষাৎ করেন হকিংয়ের সঙ্গে। জেন তাকে বিয়ে করতে চান। কিন্তু হকিংয়ের পরিবার থেকে বলা হয়, তাদের ছেলের জীবন তো সামান্য কয়েকটি দিনের। তিনি বাঁচবেন না। এই সব ভয়ভীতির কথাকে ভালোবাসার কাছে জিম্মি রেখে জেন এগুলেন। তিনি প্রেমে পড়ে গেলেন হকিংয়ের। অবশেষে ১৯৬৫ সালে তাকে বিয়ে করলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে চীনের আধিপত্য by অমিত ভান্ডারি ও চাঁদনি জিন্দাল

যথার্থ তথ্যপ্রমাণ ছাড়া ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে পুরোপুরি বোঝা যাবে না। এ জন্য বছরব্যাপী দৃশ্যমান গবেষণা ও বিশ্লেষণ করেছে গেটওয়ে হাউজ। এ সময়ে তারা প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রতিবেশী ছয়টি দেশে মনোযোগ দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট ও ম্যাপ থেকে গবেষণা চালানো হয়েছে। তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
মূল বিষয়গুলো:
গত এক দশকে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় ১৫০০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছে চীন অথবা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বর্তমানে মালদ্বীপ, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক অর্থ বিনিয়োগকারী দেশ হলো চীন।
ভারতের একেবারে প্রতিবেশী মিয়ানমার ও পাকিস্তান এই দুটি দেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি দিয়েছে চীন। এসব দেশে চীনা বিনিয়োগ সরকারকে শক্তিশালী করছে, যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সন্ত্রাসের অভিযোগে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে হয়ে যাওয়ার মুখে রয়েছে।
ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে গতিশীল। তারাও চীনের ওপর ন্যূনতম হলেও নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
চীনের খেলা পরিষ্কার। তারা প্রথমে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ দেয়। তারপর সেটাকে পরিচর্যা করে। অংশীদার ও স্থানীয় অভিজাতদের নিয়ে সহায়তা দেয় আধুনিক অবকাঠামো খাতে। এক্ষেত্রে অর্থদান কিছুটা বিলম্বিত হয়। নিজেকে অবিচল করে তোলে তারা।
বড় ধরনের অবকাঠামো যেমন বিদ্যুত, সড়ক, রেলওয়ে, ব্রিজ, সমুদ্র বন্দর, বিমানবন্দরের মতো বড় অবকাঠামোয় বিনিয়োগে মনোযোগ দেয় চীন। অনেক ক্ষেত্রেই এসব প্রকল্পের বাস্তনায়নকারী কন্ট্রাক্টরও চীনা। অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রকল্পে যে তহবিল থাকে তাও চায়না।
বড় ধরনের অবকাঠামো ছাড়াও চীন ভূ-অর্থনেতিক বিষয় নিয়েও চিন্তাভাবনা করছে। তারা এসব দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায়ও বিনিয়োগ করছে। ঢাকা ও করাচি স্টক এক্সচেঞ্চে শেয়ার কিনেছে বেইজিং। চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে ইউয়ান বাণিজ্য চর্চা শুরু করেছে। বিআরআই বিষয়ক বিরোধ মেটাতে খেয়ালখুশিমতো তারা চীনভিত্তিক একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করছে। তাই সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, বেইজিং নতুন আইনকানুন সৃষ্টি করছে। এ অঞ্চলে সরকারগুলোর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নতুন করে সাজাচ্ছে। এসব পরিবর্তন করা হচ্ছে যাতে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে তাদের আধিপত্য সৃদৃঢ় হয়।
(অনলাইন গেটহাইজে প্রকাশিত লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ: সুচির বিচার চেয়ে অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীদের আবেদন

এই আবেদনকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে, অর্থাৎ সুচির বিচার দাবির প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হতে হলে অস্ট্রেলিয়ার এটর্নি জেনারেল ক্রিশ্চিয়ান পর্টারের সম্মতি প্রয়োজন হবে। গার্ডিয়ান লিখেছে, এতে ক্রিশ্চিয়ান পর্টার সম্মতি না দেয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এ সপ্তাহান্তে আসিয়ানের বিশেষ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যাওয়ার কথা রয়েছে সুচির। তাকে এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

শুক্রবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সুচিই প্রথম কোনো নোবেল জয়ী যিনি ব্যতিক্রমী এ আদালতে বিচারের সম্মুখীন হলেন এবং সম্ভবত দণ্ডিত হতে যাচ্ছেন।
সোমবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পার্মানেন্ট পিপলস ট্রাইব্যুনাল (পিপিটি) নামে ওই আদালতে শুনানি শুরু হয়। কুয়ালালামপুরের মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে অনুষ্ঠিত এ শুনানিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল অংশ নেয়।
এতে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ মাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোসাইড স্ট্যাডিজ অ্যান্ড প্রিভেনশনের গবেষক অধ্যাপক গ্রেগরি স্ট্যানটন জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী, পুলিশ, অন্যান্য বৌদ্ধ মিলিশিয়া এবং দেশটির বর্তমান বেসামরিক সরকার অভিযুক্ত।
রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা মিয়ানমারের সর্বস্তরে বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার। ওই শুনানিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকও অংশ নেন।
আজ ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমারে মুসলিম নিপীড়ন বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হবে। বিকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সমাপনী বক্তব্য শেষে বিবাদী পক্ষ বক্তব্য রাখবেন।
বৃহস্পতিবার দিনভর বিচারকমণ্ডলীর সদস্যরা তাদের বক্তব্য পেশ করবেন। আট সদস্যের বিচারক প্যানেলে রয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও আইনজীবীরা।
পিপিটি মালয়েশীয় শাখার সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি চন্দ্র মোজাফফর বলেছেন, পাঁচ দিনের অধিবেশনে বিচারকরা প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক, বিশেষজ্ঞ সাক্ষীদের মতামত, ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি বিচার বিশ্লেষণ করবেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় রায় ঘোষণা হবে। বিচারকদের এ রায় জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও গোষ্ঠীর কাছে পাঠানো হবে।
এই ট্রাইব্যুনালে রোহিঙ্গা ও কাচিন সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় অপরাধের বর্ণনা দিয়েছেন। ওয়েবসাইট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি-মার্কিন সামরিক সহযোগিতা বিস্তার: তাতেও কী শেষ রক্ষা হবে রিয়াদের?

সৌদি আরবের উত্তরে আমেরিকার সঙ্গে যখন দেশটির সামরিক মহড়া চলছে ঠিক তখন এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। দু'দেশের মধ্যে প্রায় ১১ হাজার কোটি ডলার মূল্যের সামরিক চুক্তির পর এই সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সৌদি আরব ও আমেরিকার মধ্যে এমন সময় সামরিক সহযোগিতা বেড়েছে যখন সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য খুব শিগগিরি ওয়াশিংটন সফরে যাবেন বলে কথা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাচনে জেতার পর সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান গত বছরের মার্চে ওয়াশিংটনে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রথম বিদেশ সফরে রিয়াদে আসেন এবং দু'দেশের মধ্যে হাজার হাজার কোটি ডলার মূল্যের নজিরবিহীন সামরিক চুক্তি সই হয়। চুক্তি সইয়ের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত অপমানজনক ভাষায় একে গুরুর দুধ দোয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
দৈনিক রাই আর ইয়াওম এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে ওই চুক্তিকে আরব দেশগুলোর কাছ থেকে সুবিধা আদায়ে আমেরিকার বিরাট সাফল্য বলে অভিহিত করেছিল। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, "এখন সময় এসেছে আরব নেতাদের এটা চিন্তা করা যে, আমেরিকা কেন প্রতিনিয়ত তাদেরকে অপমান অপদস্থ করে এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে।"
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে নজিরবিহীন সামরিক চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আঞ্চলিক পরাশক্তিতে পরিণত করার স্বপ্ন দেখিয়ে তেল সমৃদ্ধ আরব এ দেশটির সম্পদ লুট করা। এ ছাড়া, ফিলিস্তিন সংকটকে ভুলিয়ে দেয়া, এ অঞ্চলে ইসরাইলের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং আরব দেশগুলোকে আমেরিকার গোয়েন্দাবৃত্তি ও সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করা আমেরিকার অন্যতম উদ্দেশ্য। ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরবের পরাজয় এবং রিয়াদের মনোবল ভেঙে পড়ার সঙ্গেও সৌদি-মার্কিন সামরিক সহযোগিতা বিস্তারেরও সম্পর্ক রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
আমেরিকা ও সৌদি আরব এমন সময় যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে যখন ওয়াশিংটনের সমর্থন নিয়ে লড়াই শুরু করে সৌদি সরকার ইয়েমেন যুদ্ধের চোরাবালিতে আটকা পড়েছে। ইয়েমেনের সরকার ও জনগণের প্রবল প্রতিরোধের কারণে আমেরিকা ও সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ওই দেশটিতে তাদের কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য ঘটনাবলীতেও আমেরিকা ও সৌদি আরব একের পর এক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে। এমনকি সৌদি আরবের সঙ্গে হাজার হাজার কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র চুক্তি করেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা পালানোর কথা স্বীকার করলো মিয়ানমার

বার্মার সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রথমবারের মতো এতো বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করা হলো।
ইয়াংগন থেকে বিবিসি বার্মিজ বিভাগের সংবাদদাতা স ইয়েন নাইং জানিয়েছেন, রাখাইন রাজ্য সরকারের সচিব শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য উল্লেখ করেন।
মি: নাইং জানান, "রাখাইন রাজ্য সরকারের সচিব বলেছেন, পাঁচ লাখেরও বেশি মুসলিম রিফিউজি বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে। গত বছরের অগাস্ট মাসের শেষ দিকে আরসা (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি)-এর আক্রমণের পর তারা পালিয়ে যায়।"
"কিন্তু কিভাবে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে সেটি বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি," বলছেন বিবিসির এই সাংবাদিক।
রাখাইনের আঞ্চলিক সরকারের সচিব জানিয়েছেন, গত বছরের বছর ২৫শে অগাস্টের আগে রাখাইনে "প্রায় ১০ লাখ পাঁচ হাজার মুসলিম" ছিল।
এখনো রাখাইনে প্রায় চার লক্ষ ৭০ হাজার মুসলিম রয়েছে বলে দাবি করছেন সচিব টিন মং সোয়ে।
কিন্তু জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশ সরকার যে হিসেব দিচ্ছে, তার তুলনায় পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের হিসেব প্রায় দেড় লক্ষ কম। বাংলাদেশ সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আবুল কালাম বিবিসিকে বলেছেন, গত ছয় মাসে বাংলাদেশে কত রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে, সেটি শুধু বাংলাদেশ সরকারই হিসেবে করেনি, বরং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থাও হিসেব করেছে - এবং সবাই ৬,৯২,০০০ জন শরণার্থীর বিষয়ে একমত।
রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে মিয়ানমার সরকারের ওপর গত ছয় মাসে আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েছে।
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এরই মধ্যে একটি চুক্তিও করেছে, কিন্তু প্রত্যাবাসনের মূল কাজটিই এখনও শুরু হয়নি।
ইয়াংগন থেকে বিবিসির সাংবাদিক স ইয়েন নাইং জানান, জাতিসংঘের হিসেবের সাথে মিয়ানমার সরকারের হিসেবে বড় পার্থক্য থাকলেও ঠিক কত মানুষ পালিয়ে গেছে সে বিষয়ে দেশটির সরকার আগে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি।
মি. নাইং বলেন, "জাতিসংঘের সাথে মিয়ানমার সরকারের তথ্যে ব্যবধান রয়েছে। কিন্তু অতীতে মিয়ানমার সরকার সংখ্যাটি সুনির্দিষ্টভাবে কখনোই বলেনি। তারা শুধু বলেছিল কয়েক হাজার পালিয়ে গেছে।"
মিয়ানমার সরকারের কর্মকর্তা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের যে পরিসংখ্যানটি বলছেন, তাকে কিভাবে দেখছেন প্রত্যাবাসনের সাথে জড়িত বাংলাদেশে সরকারের কর্মকর্তারা?
বিষয়টি জিজ্ঞেস করেছিলাম বাংলাদেশ সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আবুল কালামকে।
মি: কালাম বলেন, "সে অর্থে বলা যেতে পারে যে এটা তারা একটা প্রকাশ্য স্বীকৃতি দিলেন। তবে তারা যে হিসেব দিয়েছেন, সেটা শুধু মংডু এলাকার।"আমাদের এখানে মংডু ছাড়াও রাথি-ডং এবং বুথি-ডং থেকেও লোক এসেছে। সেখানকার হিসেব যদি তাদের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া যায়, তাহলে সংখ্যাটি নিঃসন্দেহে বৃদ্ধি পাবে।"
প্রথম ধাপে ফেরত নেয়ার জন্য বাংলাদেশের তরফ থেকে মিয়ানমারকে ৮,০০০-এর বেশী রোহিঙ্গার নাম দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু একদিন আগেই মিয়ানমার সরকারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে ওই তালিকা থেকে তারা মাত্র ৩৭৪ জনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন এবং এদেরই প্রথম ধাপে ফেরত নেয়া হবে।
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে তাদের কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে মিয়ানমার ঠিক কিসের ভিত্তিতে এমন কথা বলেছে, সে সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র তাদের কাছ থেকে এখনও পাওয়া যায়নি।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: মওদুদ

আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত দেশনেত্রীর কারাবাস দীর্ঘায়িত করার সরকারি ষড়যন্ত্র বন্ধ ও সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদী আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এসব নেতারা মুখে বলে গণতন্ত্র আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে করে অন্যটা। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে শত শত মামলা দিয়ে হয় জেলখানায় না হয় ঘরছাড়া করে রেখেছে। আমি এখন ইচ্ছা করেই খুব একটা গ্রামের বাড়ি যাইনা। গেলেই অন্তত আমার ৫০ জন ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। তারা মা বাবার সঙ্গে ঈদ করতে পারেনা। রাতে ঘরে ঘুমোতে পারেনা। এসময় তিনি বলেন, যেসব আওয়ামী লীগ নেতা এখনো গণতন্ত্রের কথা বলেন মেহেরবানি করে তারা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় নিজের মুখটি দেখবেন। এই সরকার এতো নিচে নেমে গেছে যে দেশের মানুষের সঙ্গে এদের কোন সম্পর্ক নেই। বিশ্বময় স্বৈরাচার সরকারের যেভাবে পতন হয়েছে এই সরকারেরও তেমন পত হবে। এটাই ইতিহাসের নিয়ম।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের একজন নেতা ইতিমধ্যে মুখ ফসকে বলেই দিয়েছেন নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের কথা। তিনি বলেছেন, সব কিছু হয়ে গেছে এখন নির্বাচনে বিজয় শুধু আনুষ্ঠানিকতা। এতোদিন আমরা যে সন্দেহ করে আসছিলাম সেটাই আজ স্পষ্ট হয়েছে। তবে তারা যতোই ষড়যন্ত্র করুক না কেন বাংলাদেশের মাটিতে এটা হতে দেয়া হবেনা। আওয়ামী লীগকে এই নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবেনা।
নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব ভিপি ইব্রাহিম, বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো তারকার কাছে দুই কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি ট্রাম্পের আইনজীবীদের

স্টর্মি ডানিয়েলস দাবি করেছেন, ২০০৬ সালে তখনকার ব্যবসায়ী ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সেই সম্পর্ক বেশ কয়েক মাস টিকে ছিল। এ বিষয়ে ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন বলেছেন, তিনি ওই পর্নো তারকার মুখ বন্ধ রাখার জন্য তাকে এক লাখ ৩০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছেন। প্রথমেই যখন এসব কথা সামনে আসে, তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই সম্পর্কের কথা বেমালুম অস্বীকার করেন। উল্লেখ্য, স্টর্মি ডানিয়েলসের প্রকৃত নাম স্টেফানি ক্লিফোর্ড। এ মাসে তার আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাত্তি একটি মামলা করেছেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। তার উদ্দেশ্য ওই চুক্তিকে ভেঙে দেয়া। তার আইনজীবী অ্যাভেনাত্তি বলেছেন, প্রেসিডেন্টের পক্ষে একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের ওই ক্ষতিপূরণ মামলা করাটা অনাকাঙ্খিত। এটা স্টর্মি ডানিয়েলসের প্রতি আরো একটি বিষাক্ত আক্রমণ। ওই মামলাটি রাজ্য থেকে ফেডারেল কোর্টে স্থানান্তরের দাবি জানানো হয়েছে। তবে স্টর্মি ডানিয়েলসের আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাত্তি টুইটে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার আইনজীবী মাইকেল কোহেন দাবি করেছেন, স্টর্মি ডানিয়েলসের সঙ্গে চুক্তিতে ট্রাম্পের অংশগ্রহণ ছিল না এবং তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। তাহলে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কি করে ওই চুক্তির বিপরীতে দুই কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চাইতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ওদিকে স্টর্মি ডানিয়েলস বলেছেন, ২০১৬ সালের ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন নি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার অর্থ হলো ওই চুক্তিটি এখন অকার্যকর। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা প্রথম ২০১১ সলে ‘ইন টাচ’ ম্যাগাজিনের কাছে প্রকাশ করেন স্টর্মি ডানিয়েলস। কিন্তু তা প্রথমে এ বছরের শুরুতে জনগণের চোখের সামনে নিয়ে আসা হয়। এ সময় রিপোর্ট প্রকাশিত হয় যে, ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের সঙ্গে মুখ না খুলতে তাকে অর্থ দেয়া হয়েছে। এরপর ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনিই স্টর্মি ডানিয়েলসকে ব্যক্তিগতভাবে এক লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছেন। তবে এই অর্থ পরিশোধের সঙ্গে ট্রাম্প বা তার কোম্পানি জড়িত নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কল্প গল্প: বলদের আত্মকথা by নাজমুস সাদাত পারভেজ

আমি আছি বেজায় ভালো। বাপ দাদারা রক্ত দিয়ে শোষক তাড়িয়েছে। আর আমি রক্তচোষা ত্রাণকর্তা সবাইকে লুটেপুটে দেশপ্রেমের ডুগডুগি বাজাই। এই উল্টোরথ যাত্রা আমার বড় সুবিধার লাগে। আমার নাম যদিও বলদ, আদতে আমি বড়ই সেয়ানা।
পুনশ্চঃ আমার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, বলদ যদি সেয়ানা হয়, তবে বোকা কে? উত্তরে বলেছিলাম: যারা আমলে আমলে যুগে যুগে খোয়াব দেখে। কিন্তু খোয়াবনামা জানে না। জানতে চায় না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোর্খা নেতা বিমল গুরুংকে গ্রেপ্তার করতে বাধা রইল না

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এফবিআইয়ের উপপ্রধানকে বরখাস্ত, ‘রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিচ্ছে সরকার’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিএনজির ছাদে গার্ডেন
![]() |
রাজধানীর বাসাবোতে এক সিএনজি অটোরিকশাচালক
তার সিএনজিতে শুধু গার্ডেনই করেননি, সিএনজির ভেতরে সাজিয়েছেন করেছেন ফুল
এবং নানান প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে। তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনা এড়াতে অগ্নি নির্বাপক
এবং যাত্রীদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা সিএনজি চালক তপন বাবুর
ব্যতিক্রমী সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়। এছাড়া সিএনজিটিতে আরো আছে তোয়ালে, আয়না,
চিরুনি। রাতে সিএনজিটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে লাগানো হয়েছে রঙ-বেরঙের
হরেক রকম বাতি। আর যাত্রীদের বিনোদনের জন্য আছে একটি গান শোনার স্প্রিকার এবং
একটি মনিটর।
|

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ড্রেসিংরুম ভেঙেছে কে! : প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে

শেষ ওভারে বিশৃংখলা
ম্যাচের শেষ ওভার। বাংলাদেশের একজন রিজার্ভ খেলোয়াড় পানীয় নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেছেন। তাকে ধাক্কা দেন শ্রীলঙ্কান একজন খেলোয়াড়। ওদিকে একটি নো-বল দাবি করে বসেন মাহমুদুল্লাহ। কারণ, শ্রীলঙ্কার ছোড়া কমপক্ষে দুটি বল বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। তিনি এ নিয়ে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এ সময়ই স্কিপার শাকিবকে দেখা যায় বাউন্ডারি লাইনের বাইরে। তার মেজাজ বিগড়ে গেছে। তিনি মাহমুদুল্লাহ ও রুবেল হাসানকে মাঠ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান। তখনও চারটি বল বাকি শেষ ওভারের। শাকিবের এমন আচরণে সচকিত হয়ে পড়েন সবাই। পরে অবশ্য শাকিব স্বীকার করেছেন শেষ ওভারের ওই সময়ে তার শান্ত থাকা উচিত ছিল। তিনি মাথা ঠা-া রাখতে পারেন নি। বলেন, ভবিষ্যতে আরো ভালোভাবে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন তিনি। শাকিব বলেছেন, অনেক কিছুই ঘটে গেছে, যা ঘটা উচিত ছিল না। আমার মাথা ঠান্ডা রাখা দরকার ছিল। আমি বেশি আনন্দ প্রকাশ করেছি। ওই জয়ে এক্সাইটমেন্ট ছিল। আমাকে অবশ্যই জানতে হবে, এরপর কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে। আমি সতর্ক থাকবো। তিনি আরো বলেন, মাঠের ভিতরে যা ঘটেছে তা এর বাইরে ছড়িয়ে পড়া উচিত নয় কখনো। সততার সঙ্গে বলছি, আমরা (বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা) তো বন্ধু। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগৈ আমরা একে অন্যের মুখোমুখি হই। দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে রয়েছে চমৎকার সম্পর্ক। আমরা একে অন্যকে প্রচুর সহায়তা করি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ বিরাট অর্জন’ -প্রধানমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্সে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমাদের জন্য একটা সুখের সংবাদ। জাতির পিতার জন্মদিনেই এই সংবাদটা আমরা পেলাম যে আমাদের এতদিনের প্রচেষ্টার ফলে আজকে বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ ছিল, সেই দেশ জাতিসংঘ কতৃর্ক উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবেশি দেশগুলো যেমন-ভারত, শ্রীলংকা এমনকি পাকিস্তানসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের কাতারেই আজ বাংলাদেশের অবস্থান।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। আজকেই আমরা খবর পেয়েছি আমরা আর পিছিয়ে নেই। এই অঞ্চলের সকল দেশের সঙ্গে সমানতালে তাল মিলিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো। আমরা চলতে পারবো।
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য হয়ে উঠেছে, কারণ এটি এলডিসি ব্লক থেকে বের হওয়ার জন্য প্রথমবারের মতো তিনটি মানদ-ই পূরণ করেছে।
জাতিসংঘের প্যানেল দ্য কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি কমিটি (সিডিপি) শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে এক সভায় বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাল্টাপাল্টি: বৃটিশ ২৩ কূটনীতিককে বহিষ্কার করছে রাশিয়া

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাল নির্বাচন: রাশিয়ায় উত্তেজনা নেই, পুতিনের ভাগ্য যেন নিশ্চিত

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুদেরকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন করলেন শমী কায়সার
![]() |
| বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে দুরন্ত টেলিভিশনে ‘শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী শমী কায়সার। ছবি: সংগৃহীত |
১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস। দিনটি উপলক্ষে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন করবেন শমী কায়সার। গল্পের মাধ্যেমে তিনি বঙ্গবন্ধুর শিশু বান্ধব রূপ তুলে ধরবেন এ প্রজন্মের শিশুদের কাছে। আজ বিকেল পাঁচটা এবং রাত নয়টা পর্যন্ত দুরন্ত টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ‘শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই তিনি বাংলাদেশের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা আলোচনা করবেন।
![]() |
| ‘শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠানে শিশুদের সঙ্গে অভিনেত্রী শমী কায়সার। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ কি রাজশ্রী প্রডাকশনের ছবি!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মুসলিম-মুক্ত’ রাখাইন গড়ার তৎপরতা -এএফপির প্রতিবেদন

রাখাইন রাজ্যের যেসব স্থান থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়িত করা হয়েছে সেখানেই থিতু হচ্ছে নতুন আগত বৌদ্ধ রাখাইনরা। রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করে গ্রামের পর গ্রাম মিশিয়ে দেয়া হয়েছে মাটির সঙ্গে।
রোহিঙ্গাদের এসব গ্রামে আসতে থাকা জাতিগত রাখাইন অভিবাসীদের সংখ্যা আপাতত কম। কিন্তু বড় আশা নিয়ে তারা রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন। এক সময়ের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা বিন্যাস উল্টে দেয়ার যে ‘রাখাইনিকরণ’ পরিকল্পনা রয়েছে তার অংশ হতে পেরে তৃপ্তি পাচ্ছেন তারা। এই পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে দাতাদের অর্থের জোগান।
কোয়ে তান কাউকের একটি কুঁড়েঘরে উঠেছেন ২৮ বছরের চিত সান ইয়ান ও তার স্বামী। মুসলিমদের নির্দেশ করতে মিয়ানমারে ব্যবহৃত অমর্যাদাকর একটি শব্দ ব্যবহার করে চিত এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ওই কালারদের অনেক বেশি ভয় পেতাম। কিন্তু এখন যেহেতু তারা আর এখানে নেই আমরা এখানে বসবাসরত স্বজনদের সঙ্গে আবারো দেখা করার সুযোগ পেয়েছি।’ চিতের নতুন বাড়ি থেকে ক কিলোমিটার দূরেই দেখা যায় রোহিঙ্গা স্থাপনার ধ্বংসস্তূপ।
গত বছরের ২৫শে আগস্ট থেকে শুরু করে উত্তর রাখাইন থেকে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। ‘মুসলিম মিলিট্যান্টদের’ বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে বিতাড়িত করা হয় তাদের।
সত্তরের দশকের শেষের দিকে দক্ষিণ ও মধ্য রাখাইন থেকে আরো ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে সেনা অভিযানে জোরপূর্বক পুশ আউট করা হয়। গেল বছরের
বর্মী সামরিক অভিযানকে জাতি গণ-নিধনযজ্ঞ আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ। আর শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন ‘গণহত্যার যাবতীয় বৈশিষ্ট’ আছে ওই অভিযানে।
মিয়ানমার জোর গলায় এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বলছে, শরণার্থীরা ফিরতে চাইলে স্বাগত। কিন্তু, প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে তাদেরকে দেয়া ৮০০০ শরণার্থীর তালিকার থেকে মাত্র ৩৭৪ জনকে নিতে সম্মত হয়েছে তারা। কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে থাকা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বহু রোহিঙ্গা এখন আর রাখাইনে ফিরতে চান না- যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে অস্থায়ী শিবির আর বৈরীভাবাপন্ন প্রতিবেশী।
রোহিঙ্গাদের অনুপস্থিতিতে নানা উন্নয়ন প্রকল্পের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। চেহারা পাল্টে যাচ্ছে উত্তর রাখাইনের। সরকারি, সেনা পৃষ্ঠপোষকতা বা বেসরকারি অর্থায়নে চলছে এসব প্রকল্পের কাজ।
রোহিঙ্গাদের রেখে যাওয়া খালি জায়গায় জুড়ে বসাটা পুরনো এক খেলা। এটাকে দেখা হয় ইসলাম প্রসারের বিরুদ্ধে বৌদ্ধ প্রধান এ দেশের যে লড়াই তার অগ্রভাগ হিসেবে।
মিয়ানমার্স এনিমি উইদিন: ‘বুদ্ধিস্ট ভায়োলেন্স অ্যান্ড দ্য মেকিং অব দ্য মুসলিম আদার’ বইয়ের লেখক ফ্রান্সিস ওয়েড বলেন, ‘৯০ এর দশকের শুরু থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমিয়ে আনার মাধ্যমে উত্তর রাখাইন রাজ্যের সামাজিক চিত্র পাল্টানোর নকশা করে আসছে সেনাবাহিনী। সংখ্যালঘু মুসলিমরা এখানে নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যাত। তাদের বলা হয় ‘বেঙ্গলিস’, মিয়ানমারে প্রচলিত যুক্তিমতে- বহিরাগত এ জনগোষ্ঠীকে সফলভাবে তাদের জন্মোৎসের দেশে ঠেলে পাঠানো গেছে।
মি. ওয়েড বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলদারি প্রকল্পের মতো একই ধাঁচে বৌদ্ধরা মুসলিমদের উৎখাতের পর জায়গা দখলে নিচ্ছে। উল্টে পাল্টে দিচ্ছে আসল বাস্তবতা। আর ধীরে ধীরে ওই ভূখণ্ডে মুসলিমদের অধিকার ঘষে মেজে নিশ্চিহ্ন করে ফেলছে।
তিনি আরো বলেন, ‘সামনে আরো অনেক বৌদ্ধ এখানে থিতু হবে বলে আমার ধারণা। এবং এরপর আমরা ভুলে যাবো এই এলাকা একসময় আসলে কি ছিল। আর মুছে ফেলার প্রক্রিয়া তখন শেষ হবে।’
রোহিঙ্গা আউট, রাখাইন ইন
রিকন্সট্রাকশন অব দ্য রাখাইন ন্যাশনাল টেরিটরি ইন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টায়ারের (সিআরআর) সহায়ক কমিটির সুবিধাপ্রাপ্ত একজন চিত সান ইয়ান। শরণার্থী সংকট শুরু হওয়ার পর পরই এই বেসরকারি স্কিমটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সেনাবাহিনীর কড়া নজরবন্দি এলাকায় কোনো পুনর্বাসন পরিকল্পনা স্বভাবতই তাদের সম্মতি ছাড়া সম্ভব নয়। জাতিগত রাখাইন দাতাদের অর্থায়নে পরিচালিত সিআরআর-এর লক্ষ্য হলো রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে থেকে মংদু পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকা ‘মুসলিম-মুক্ত’ করা। ওই কমিটির পরামর্শক একজন রাখাইন এমপি ও হলা স এমনটাই বলছেন। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘এই পুরো এলাকায় মুসলিমদের প্রভাব ছিল। সামরিক বাহিনীর অভিযানের পর তাদের পালাতে হয়েছে। কাজেই এই এলাকায় আমাদের রাখাইন জনগণ দিয়ে বসতি গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, সিআরআর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং বসতি গড়তে অর্থায়ন করবে যেন ছোট্ট এ জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়তে পারে।
এখন পর্যন্ত ৬৪টি পরিবারের আনুমানিক ২৫০ জন এখানে এসেছে সিআরআর-এর মাধ্যমে। তাদের অপেক্ষমান তালিকায় আছে আরো ২০০ পরিবার। ৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণ বা সিতওয়ের বহিরাগতদের থেকে তাদের বেছে নেয়া হয়েছে। এদের বেশিরভাগ দিনমজুর।
এই স্কিমের জন্য দুটো গ্রাম বেছে নেয়া হয়েছে। রাথেডাউংয়ের কাছে কোয়ে তান কাউক এবং মংদুর কাছে ইন দিন। নতুন নিবাসীরা স্বপ্ন দেখছেন একদিন এখানকার জমির মালিক হবেন তারা। মিয়ানমারের দ্বিতীয় দরিদ্রতম রাজ্যে এটা আগে কখনই ভাবতে পারেননি তারা।
রাখাইন জাতীয়তাবাদীদের ভাষ্যমতে, সিআরআর হলো ইসলামের বিরুদ্ধে রক্ষাপ্রাচীর। সিআরআর-এর সাধারণ সম্পাদক থান তুন প্রশ্ন রাখেন, ‘রাখাইন রাজ্যে রাখাইন ছাড়া আর কার অগ্রাধিকার থাকা উচিত?’
মিত্র আর সেনা
মিয়ানমার সরকার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রাজ্যের পুনর্নির্মাণে ক্ষমতাধর ব্যবসায়ীদের ভিড়িয়েছে। ওদিকে, সেনাবাহিনী অন্যান্য প্রকল্প চালাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা। দৃশ্যত এসব ব্যবস্থা হলো রোহিঙ্গাদের আসার পথ বন্ধ রাখার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্টে এ সপ্তাহে বিস্তারিত উঠে এসেছে যে, কিভাবে রাস্তাঘাট, হেলিপ্যাড ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলো তৈরি করা হচ্ছে। এসবের অনেককিছুই ভস্ম করে দেয়া রোহিঙ্গা স্থাপনাগুলোর ওপরে। অ্যামনেস্টি এসব কর্মকাণ্ডকে বিরাট ‘জমি দখল’ বলে আখ্যা দিয়েছে। এতে করে নৃশংসতা চালানোর যেসব অভিযোগ রয়েছে সেসবের তথ্যপ্রমাণ মুছে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
সামরিক জান্তা যুগের একই নাগরিকত্ব আইনে ১৯৮২ সালে রোহিঙ্গাদের বৈধ পরিচিতি কেড়ে নেয়া হয়। এখন তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি কেড়ে নেয়া হচ্ছে। আইনপ্রণেতা ও হলা স’র মধ্যে এতে করে তাদের ফেরা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ‘এসব জনগণ চায় রোহিঙ্গা জাতিগত পরিচয় দিয়ে স্বীকৃত হতে। নাগরিকত্ব উপভোগ করতে চায়, নিজেদের আদি জমিতে পুনরায় বসতি গড়তে চায়। এসব দাবি অযৌক্তিক।’
ভয়ংকর এই নতুন পরিবেশেও কোয়ে তান কাউকের নবাগত রাখাইনরা বলছে তারা এখানে থাকতে এসেছে। ৬৯ বছর বয়সী নারী ওসার বলেন, ‘আমার জীবন এখানেই শেষ হবে। আমি অন্য কোথাও যাচ্ছি না।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টার্মিনালে টিকিট গ্যাং by পিয়াস সরকার

মহাখালী বাস টার্মিনালে বাসের টিকিটের জন্য আনাগোনা দেখা যায় অনেক যাত্রীর। কিন্তু বেশিরভাগ যাত্রীকে দেয়া হচ্ছে পেছনের সারির টিকিট। এমতাবস্থায় একজন নারী বিশেষ পেশার একজনকে সাহায্যের আবেদন করে বলেন, আমার শরীরে ব্যথা। পেছনের সিটে যাওয়া সম্ভব নয়। সবাই শেষের সারির টিকিট পেলেও তিনি তার পরিচয়পত্র দেখিয়ে তৃতীয় সারির (সি-৩) পৃষ্ঠা ২ কলাম ৫
একটি টিকিট কিনে দেন। কাউন্টার থেকে সামনের সিট ফাঁকা নাই বললেও, তাকে সামনে দিলেন কীভাবে? উত্তরে এনা পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা বলেন, আমাদের বাসে বিশেষ কিছু ব্যক্তির জন্য টিকিটের ব্যবস্থা থাকে।
সূত্র মতে, যাত্রী সেবায় অনেকেই অনলাইনভিত্তিক টিকিট সিস্টেম চালু করেছে। এরমধ্যে অন্যতম সহজ ডটকম, টিকিট বিডি, বাস বিডি। বেশিরভাগ বাসের টিকিট যাত্রীরা ঘরে বসেই ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাত বা ছুটির দিনের আগের রাতের টিকিট পাওয়া যায় না অনলাইনে। পাওয়া গেলেও বসতে হয় পেছনের সিটে। তবে কি সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায় আগেই? একজন গাড়ির সুপারভাইজার বলেন, এসব দিনের টিকিট কাউন্টারের কর্তব্যরতরা কেটে ফেলে অনলাইনে এবং বাড়তি দামে বিক্রি করে।
এ ব্যাপারে হানিফ, নাবিল, শ্যামলী, দেশ, সাকুরা, গোল্ডেন লাইনের কাউন্টারের কর্তারা কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম লঞ্চ। বাসে বিশেষ দিনের বিশেষ সময়ের টিকিট গ্যাং-এর কথা উঠলেও দূরপাল্লার লঞ্চও এ থেকে মুক্ত নয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান নিলয়ের বাড়ি বরিশাল। প্রায়ই যাতায়াত করেন লঞ্চে। বলেন, লঞ্চে যেদিন একটু ভিড় থাকে সেদিন সুযোগ নেয় তারা। টিকিট কাউন্টারে গেলে টিকিট মেলে না। কিন্তু গ্যাং-এর কাছে ঠিকই পাওয়া যায় টিকিট। দ্বিগুণ দাম হাঁকে এবং উপায় না থাকায় কিনেও ফেলেন যাত্রীরা।
শিক্ষার্থী নিলয়ের কথা অনুযায়ী বরিশালগামী সুন্দরবন-১০ ও পটুয়াখালীগামী সুন্দরবন-৯ এবং কুয়াকাটা-১ লঞ্চে বিকাল চারটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত সরজমিন দেখা যায়, সুন্দরবন-১০ এ ডাবল কেবিন মিললেও মিলছে না সিঙ্গেল কেবিন। কিন্তু টিকিট কাউন্টার থেকে মুখ ফেরাতেই কানে এলো সিঙ্গেল কেবিন লাগবে? হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়াতেই, একটু পাশে নিয়ে গেলেন। দাম চাইলেন ১৮০০ টাকা। দরদামের পর ১৬০০ টাকায় দিতে রাজি হলেন। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে পটুয়াখালীগামী দুটি লঞ্চেও। টিকিট কাউন্টারে এই গ্যাং-এর বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবন-১০ এর টিকিট মাস্টার বলেন, ব্যস্ত আছি পরে আসেন এবং কুয়াকাটা-১ লঞ্চের টিকিট মাস্টার শুনেও না শোনার ভান করে চলে যান। সুন্দরবন-৯ এর মাস্টার বলেন, আমাদের নানান দিকে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই খোঁজ রাখার সময় পাই না। আর যখন টিকিট কাটতে আসেন যতক্ষণ টিকিট থাকে ততক্ষণ আমরা দেই। টিকিট কে নিলো সেটা আমাদের দেখার কথা নয়। টিকিট মাস্টারের সঙ্গে কথোপকথন শেষ করে যাবার সময় একজন কুলি ডেকে বলেন, তারা যাত্রীর চাপ বেশি দেখলে কেবিন রেখে দেয়। আর এই টিকিট গ্যাং-এর মাধ্যমে বিক্রি করে। এতে তারাও লাভবান হয়।
কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টার ঘুরে দেখা যায় একদিন পরের ট্রেন কিংবা রাতের ট্রেনের টিকিট সকালে অনায়াসেই পাচ্ছেন যাত্রীরা। তবে ট্রেন ছাড়ার আগ মুহূর্তে টিকিট শেষ হলে একজন কানের কাছে আস্তে করে বলেন ‘টিকিট লাগবে?’ সামান্য লাভেই বিক্রি করে দিচ্ছেন টিকিট। পূবালী ব্যাংকে কর্মরত আশরাফ খোকন বলেন, হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেই বাড়ি যাবো। তাই আগে থেকে টিকিট কাটতে পারিনি। এখানে এসেই পেয়ে গেলাম। চট্টগ্রাম যেতে শোভন চেয়ারের টিকিট মূল্য ৩৪৫ টাকা; আমি ৪০০ টাকা দিয়ে কিনেছি। সূত্র মতে, প্রতিটি টার্মিনাল এই গ্যাং-এর নিয়ন্ত্রণে। এ সিন্ডিকেটের ইশারায় চলে কাউন্টারগুলো। আর এতে যাত্রীরা হচ্ছেন হয়রানির শিকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেপরোয়া কিশোর গ্যাং, ঝরছে রক্ত by রুদ্র মিজান

‘মারতে চাই নাই, বাট একটারে দুই পার (ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত) দিছিলাম। বাঁইচা গেছে।’ এটা গোপন কথা না। প্রকাশ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা হয়েছে এরকম মন্তব্য। ডিসকো বয়েস নামে পেইজে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধরত অবস্থায় দুই সৈনিকের ছবি শেয়ার করে পোস্ট দিয়ে বলা হয়েছে, ‘মেনশন করুন যাকে আপনি নিজ হাতে মারতে চান।’ ওই ছবিতেই রয়েছে দেড় শতাধিক লাইক ও বিপুল মন্তব্য। সেখানেই সাদ্দাম বিন আমির নামে এক কিশোর এই মন্তব্য করেন। কেউ কেউ সেখানে প্রতিপক্ষ গ্রুপের তালাচাবি রাজু ও নাইন স্টারের সদস্যদের মারার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। একইভাবে নাইন স্টার নামে গ্রুপে পলো খেলার একটি ছবি দেখিয়ে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে, ‘মেনশন করুন যাদের সঙ্গে আপনি এখানে খেলতে চান’। সেখানে কেউ কেউ প্রতিপক্ষ ডিসকো বয়েজের সঙ্গে খেলার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। নাইন স্টার গ্রুপে লেখা রয়েছে, ‘নয়া... গজাইছে... ... মারে পাল। অনেক তো খেলছো, এখন আমার লগে খেলতে পারলে...। কসম খোদার সব মরবি।’
এই দুটি গ্যাংয়ের ‘যুদ্ধ’ চলছে দীর্ঘদিন থেকেই। গত বছরের ৬ই জানুয়ারি উত্তরার ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আদনান কবিরকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে ডিসকো বয়েজ ও বিগ বসের সদস্যরা। বেপরোয়া এসব গ্রুপের কিশোররা নাইন স্টার গ্যাংয়ের আদনানকে হত্যার আগে অস্ত্র হাতে সেলফি দিয়েছিলো। তার আগেও দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছিলো। আদনান হত্যায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হলেও গ্যাংগুলো থেমে থাকেনি। এখনো আগের মতোই হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এসব গ্যাংয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছার ভাষাও ভিন্ন। জিহান নামে একজনের জন্মদিনে তার ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘ডিসকো জিহান, হাইপার কিলার, হ্যাপি বার্থ ডে ভাইয়া’। ডিসকো বয়েজ, পাওয়ার বয়েজ, নাইন এমএম বয়েজ, বিগবস, ইয়ং লীগসহ বিভিন্ন নামে উত্তরা, গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, খিলগাঁও, তালতলা, রামপুরা, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুরসহ রাজধানী জুড়ে রয়েছে এরকম অসংখ্য গ্যাং। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় গড়ে উঠেছে এসব গ্যাং। রাজনৈতিক ছত্রছায়ার কারণে তেমন কোনো বাধার মুখোমুখি হতে হয় না তাদের। রাতের বেলা দ্রুতগতিতে কার ও বাইক চালাতে মেতে উঠে এই গ্যাংয়ের সদস্যরা। ধানমন্ডি, বনানী ও উত্তরার লাউঞ্জ-সিসা বারগুলোতে রয়েছে তাদের আড্ডা। এমনকি এই কিশোরদের একটা অংশ সন্ধ্যার পর জড়ো হয় হাতিরঝিলে, খিলগাঁও তালতলা, উত্তরার দিয়াবাড়ি, বিরুলিয়া বাঁধ এলাকায়। গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে আড্ডা দেয় তারা। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের একটা অংশ রাতে বাসায় থাকলেও বিকালে একসঙ্গে মিলিত হয়। অন্য সময়ে অনলাইনে সক্রিয় থাকে তারা। তেজগাঁওয়ের পূর্ব তেজতুরি বাজারে কথা হয় এরকম একটি গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে। এই কিশোরদের অনেকেই লেখাপড়া করে না। কিন্তু রাজনৈতিক দলের একটি ছাত্র সংগঠনের ইউনিট শাখায় বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছে তারা। তাদের নামে এলাকায় রয়েছে পোস্টার ও ব্যানার। তাদের কোনো সদস্যের সঙ্গে ঝগড়া হলে সবাই একজোট হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। কখনও কখনও বড় ভাইদের নির্দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায়ও যোগ দেয় এই কিশোররা।
উত্তরায় আদনান হত্যার পর ১৫ই জানুয়ারি রূপনগরে গ্যাংয়ের হামলায় খুন হয় কিশোর কামাল হোসেন। ১৮ই জানুয়ারি তেজগাঁওয়ের তেজকুনিপাড়ায় হত্যা করা হয় কিশোর আবদুল আজিজকে। ৬ই অক্টোবর কদমতলীর রায়েরবাগের মুজাহিদনগর এলাকায় হত্যা করা হয় রফিকুল ইসলাম শিপনকে। এভাবেই একের পর এক রক্তের খেলায় বেপরোয়া ঢাকার কিশোর গ্যাং।
ঢাকার বাইরের বিভিন্ন শহরেও গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। প্রায়ই ঘটছে হত্যাকাণ্ড। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় রয়েছে ২০-২৫ কিশোর গ্যাং। এসব কিশোর প্রায়ই হিংস্রতায় মেতে উঠছে। রক্ত ঝরাচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে অন্তত ছয়টি গ্যাং। দিনভর বখাটেপনা, আড্ডাই তাদের কাজ। রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে মিছিল- মিটিংয়ে সক্রিয় থাকে তারা। চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার, ফয়েজ লেক, মেডিকেল হোস্টেল, শিল্পকলা একাডেমি, সিআরবি, খুলশি, ডেবারপার, চান্দগাঁও শমসের পাড়া, ফরিদের পাড়া, আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনি, সিডিএ, ছোটপুল, হালিশহর, বন্দর কলোনিসহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের সরব উপস্থিতি। মাদক, ডিজে পার্টি ও চুরি-ছিনতাই নিয়ে ব্যস্ত থাকে এই কিশোররা। এলাকায় সব সময় নিজেরা আধিত্য বিস্তার করতে থাকে তাদের তৎপরতা। এর জের ধরেই গত জানুয়ারিতে জামাল খান এলাকায় হত্যা করা হয় চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান ইসফারকে। এ ঘটনায় আরো পাঁচ কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সবাই ছাত্রলীগ কর্মী। এ ঘটনার পর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মোস্তাইন হোসাইন সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার দিন দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর অপর পক্ষের ছুরিকাঘাতে খুন হয় আদনান। এ ঘটনায় গ্রেপ্তাররা কিশোর ও সদ্য কৈশোর পার করা। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই কিশোরদের দুই পক্ষের বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানান তিনি।
একইভাবে জানুয়ারিতে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে প্রাণ দিতে হয়েছে খুলনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র শেখ ফাওমিদ তানভীর রাজিমকে। কলেজের অনুষ্ঠানে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে প্রতিপক্ষ কিশোররা। সূত্রে জানা গেছে, খুলনা শহরে কিশোরদের অন্তত সাতটি গ্যাং দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এরমধ্যে ভয়ঙ্কর গ্যাংগুলো হচ্ছে স্টার বয়েজ, হিরো বয়েজ, ডেঞ্জার বয়েজ, গোল্ডেন বয়েজ ও টিপসি। শহরের বয়রা, বৈকালি, মুজগুন্নি, খালিশপুর, আলমনগর মোড়, দৌলতপুরে রয়েছে কিশোরদের সরব উপস্থিতি। বিকট শব্দে বাইক চালানো, সড়ক বন্ধ করে বাইক স্ট্যান্ড করে বেপরোয়া কিশোররা। প্রায়ই রূপসা ব্রিজে বাইকের বহর নিয়ে আড্ডা দিতে দেখা যায় তাদের। মেয়েদের উত্ত্যক্ত থেকে শুরু করে চুরি, ছিনতাই, মাদক সেবন ও বিক্রিতেও জড়িত রয়েছে তারা। তাদের একাংশ বিত্তশালীদের বখে যাওয়া ছেলে।
সিলেট শহরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে কিশোরদের সাত-আটটি গ্যাং। উপ-শহর, টিলাগড়, মদিনা মার্কেট, তালতলা, টুকেরবাজার, দক্ষিণ সুরমার কদমতলি বিয়ানীবাজার এলাকায় রয়েছে তাদের আধিপত্য। গ্যাংয়ের সদস্যদের কারও সঙ্গে ঝগড়া হলে পুরো গ্যাং একত্রিত হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সময়ে। রক্ত ঝরেছে প্রায়ই। এই গ্যাং সদস্যদের একাংশ বিত্তশালী পরিবারের সন্তান। দামি মোটরসাইকেলে করে শহরে ঘুরে বেড়ানো, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, মাদকসেবনসহ নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। একইভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক বিক্রি, মোটরসাইকেল চুরি, বিক্রিতে জড়িত। প্রায়ই রাজনৈতিক দলের হয়ে বিভিন্ন সংঘর্ষে অংশ নেয় তারা। গত ১৩ই মার্চ রাতে উপশহরের তেররতন এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অংশ নেয় কিশোররা। তাদের হাতে ধারালো অস্ত্রের পাশাপাশি ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। সংঘর্ষে বেশ কয়েক জন আহত হয়। এভাবেই গ্যাং কালচার ছড়িয়ে গেছে সর্বত্র। এটি এখন আতঙ্কের নাম। এ থেকে কিশোরদের রক্ষা করতে প্রয়োজন সচেতনতা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও অপরাধ বিজ্ঞানী তৌহিদুল হক মানবজমিনকে বলেন, সমাজে নানা অসঙ্গতি রয়েছে। নিজেদের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে কিশোররা। তাদের আচরণে পরিবর্তন হচ্ছে। রাষ্ট্র এক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়। অভিভাবকসহ সবাই ফলাফল ভালো করা শিক্ষার্থীকে নিয়ে ব্যস্ত। এই সুযোগে অন্যরা তথ্য-প্রযুক্তি ও আড্ডার নেতিবাচক দিকে ধাবিত হচ্ছে। অনেকে তাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। এর দায় আমাদের। ১০ বছর বয়সী শিশুকে আগামী ১০ বছর পর কীভাবে দেখতে চাই সেই পরিকল্পনা নিয়ে অভিভাবক, শিক্ষকসহ সবাইকে কাজ করতে হবে। তাহলেই এই ভিনদেশি গ্যাং কালচার থেকে প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। গ্যাং কালচারের বিষয়টি উত্তরার ঘটনার পর থেকে পুলিশ বিশেষ নজরদারি করছে জানিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি সহেলী ফেরদৌস বলেন, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সন্তানের চলাফেরার বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজখবর রাখতে হবে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা করার সুযোগ দিতে হবে। যাতে বিপথগামী না হয়। তাহলেই কিশোর অপরাধ অনেকটা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে মুসলিম ও দলিতদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে: মায়াবতী
![]() |
| বিএসপি প্রধান মায়াবতী |
তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) দলিত নেতা কাশিরামের জয়ন্তীতে পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে এক জনসমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় ওই মন্তব্য করেন। 'সংবিধান বাঁচাও, সংরক্ষণ বাঁচাও' নামে ওই সমাবেশ থেকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালচনা করেন।
মায়াবতী বলেন, ‘পুঁজিবাদী দলকে ক্ষমতায় আসা রুখে দিতে হবে। (শিক্ষা ও চাকরিতে কোটা) সংরক্ষণ শেষ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। ওবিসিদের (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি) সংরক্ষণ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। মায়াবতী বেসরকারি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ চালুর পক্ষে সাফাই দিয়ে মোদি সরকার একে কার্যকর করছে না বলে মন্তব্য করেন।
মায়াবতী উত্তর প্রদেশে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করা প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিজেপি খুব শিগগিরি লোকসভা নির্বাচন করাতে পারে। আমরা বিজেপিকে শিক্ষা দেয়ার জন্য সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করেছিলাম।’
মায়াবতী কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, কংগ্রেস শাসনামলে মণ্ডল কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা হয়নি। তারা বাবাসাহেব আম্বেদকরকে ‘ভারত রত্ন’ সম্মানও দেয়নি। দীর্ঘকাল বাদে ভি পি সিং সরকার তাকে ‘ভারত রত্ন’ দিয়েছিল। মণ্ডল কমিশনের সুপারিশ কার্যকর না করা এবং আম্বেদকরকে ‘ভারত রত্ন’ সম্মানে ভূষিত না করার জন্য কংগ্রেসকে তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে বলেও মায়াবতী মন্তব্য করেন।
দলিত-মুসলিম নির্যাতন প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ‘সাম্য শান্তি ও সম্প্রীতি মঞ্চ’-এর সভাপতি ও দলিত আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাস আজ রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কতগুলো পরিসংখ্যান বেরিয়েছে। প্রত্যেকটিতে দেখা যাচ্ছে সমস্ত বিজেপিশাসিত রাজ্যে দলিতদের ওপরে আক্রমণ বেড়েছে। খুন, হত্যা, অবিচার এসব বেড়েছে। বিজেপি যেসব রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেব জায়গায় সাম্প্রদায়িক বিশেষ করে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা অনেক বেড়েছে। ছোটোখাটো, বড় সব ধরণের দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে। গোরক্ষার নামে যে হত্যা তাও আমরা দেখেছি। ফলে বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় সেসব জায়গায় দলিত ও মুসলিমদের ওপরে আক্রমণ তীব্রতর হয়েছে।’
আরএসএস একইরকমভাবে দলিত ও মুসলিম বিদ্বেষী হওয়ায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আরএসএস-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হবে বলেও সুকৃতি রঞ্জন বাবু মন্তব্য করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে ইরানের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে শত্রুরা: সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্য
তিনি বিশেষজ্ঞ পরিষদের প্রধান ও সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেছেন। শত্রুদের সর্বাত্মক আগ্রাসন মোকাবেলায় নিরাপত্তা, আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে কঠিন সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, খোদাভীতি, ঐক্য, সামাজিক ন্যায়বিচার, অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ, বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রভৃতি গুণাবলী ইসলামি শাসন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ও আদর্শ এবং এ কারণে শত্রুরা একের পর এক ইরানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও শত্রুতায় লিপ্ত। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্ব অনিবার্য। আর এ ক্ষেত্রে মিথ্যার ওপর সত্যের বিজয়ের বিষয়ে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হবেই।
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দুই মেরুকেন্দ্রীক বিশ্বব্যবস্থার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লব বিজয় লাভ করে। 'না প্রাচ্য না পাশ্চাত্য' এই শ্লোগানের ওপর ভিত্তি করে ইরানে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি শাসন ব্যবস্থা। মজলুম ও নির্যাতিত মানুষের প্রতি সমর্থন এবং জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ইরানের অবস্থানকে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। ইসলামি বিপ্লবের শুরু থেকেই মজলুম ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইরানের অব্যাহত সমর্থন এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। সৎ মনোভাব, দূরদৃষ্টি এবং শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে ইরানের ইসলামি বিপ্লব শত্রুদের সব রকম আগ্রাসন মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিজয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে।
ইরানে ইসলামি বিপ্লব বিজয়ের শুরু থেকেই দেশটি আমেরিকার টার্গেটে পরিণত হয়। তারা ইরানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। এ ব্যাপারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, "ইরানি জনগণের খোদাভীতি ও দৃঢ় ঈমানের কারণে তারা আমেরিকা ও দখলদার ইসরাইলের আর্থ-রাজনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবেলায় আজো টিকে আছে।" বিপ্লবের পরপরই ইরাকের চাপিয়ে দেয়া আট বছরের পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধ এবং ইরাক ও সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানের জনগণের ঈমান, আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার প্রমাণ পাওয়া যায়। সত্যপন্থীদের বিজয়ের বিষয়ে আল্লাহ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এসব যুদ্ধে তা প্রমাণিত হয়েছে এবং বাতিলের ওপর হকের বিজয় হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব বাড়তে থাকায় শত্রুরা আরো বেশি হতাশ হয়ে পড়েছে এবং আট বছরের প্রতিরক্ষা যুদ্ধের পর তারা এ অঞ্চলে ইরানকে মোকাবেলায় ভিন্ন কৌশল বেঁছে নিয়েছে। আর তা হচ্ছে আমেরিকা ও ইসরাইল সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে ইরানসহ এ অঞ্চলের সব প্রতিরোধকামী শক্তিগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু ইরানের শক্ত অবস্থানের কারণে সন্ত্রাসী ও তাদের সমর্থকরা কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি। এ থেকে বোঝা যায় ইরানের বর্তমান প্রজন্মের মানুষও ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 17
(60)
- জাতীয় সম্পদ আত্মসাৎ করে কেউ টিকতে পারবে না: ড. কামাল
- 'মোদি সরকার মুসলিমদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষার ওপর জো...
- একটি বিমান দুর্ঘটনা ও একজন জাকির হোসেন by নজরুল ইস...
- যে রহস্যের কোনো সমাধান পাননি হকিং
- ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে চীনের আধিপত্য by অমিত ভ...
- মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ: সুচির বিচার চেয়ে অস্ট্রেলি...
- সৌদি-মার্কিন সামরিক সহযোগিতা বিস্তার: তাতেও কী শেষ...
- বাংলাদেশে রোহিঙ্গা পালানোর কথা স্বীকার করলো মিয়ানমার
- প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: মওদুদ
- পর্নো তারকার কাছে দুই কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি ট্...
- কল্প গল্প: বলদের আত্মকথা by নাজমুস সাদাত পারভেজ
- গোর্খা নেতা বিমল গুরুংকে গ্রেপ্তার করতে বাধা রইল না
- এফবিআইয়ের উপপ্রধানকে বরখাস্ত, ‘রাজনৈতিক প্রতিশোধ ন...
- সিএনজির ছাদে গার্ডেন
- বাংলাদেশের ড্রেসিংরুম ভেঙেছে কে! : প্রেমাদাসা স্টে...
- ‘উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ বিরাট অর্জ...
- পাল্টাপাল্টি: বৃটিশ ২৩ কূটনীতিককে বহিষ্কার করছে রা...
- কাল নির্বাচন: রাশিয়ায় উত্তেজনা নেই, পুতিনের ভাগ্য ...
- শিশুদেরকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন করলেন শমী...
- এ কি রাজশ্রী প্রডাকশনের ছবি!
- উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ
- ‘মুসলিম-মুক্ত’ রাখাইন গড়ার তৎপরতা -এএফপির প্রতিবেদন
- টার্মিনালে টিকিট গ্যাং by পিয়াস সরকার
- বেপরোয়া কিশোর গ্যাং, ঝরছে রক্ত by রুদ্র মিজান
- ভারতে মুসলিম ও দলিতদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে: মায়াবতী
- যে কারণে ইরানের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে শত্রুরা: সর...
- প্রতারণার নয়া কৌশল by শুভ্র দেব
- নিজেকে হত্যার জন্য ৮ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা!
- সিরিয়ায় ধর্ষণ ‘যুদ্ধাস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে
- বহুমাত্রিক শেখ মুজিব by আলমগীর মহিউদ্দিন
- রাজনীতির অনুশীলনে পুলিশের অনুমতি by তৈমূর আলম খন্দকার
- একই বক্তব্যে অনড় ফয়জুর by ওয়েছ খছরু
- বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনাই দুর্ঘটনার কারণ : নেপালি...
- যুক্তরাষ্ট্রে আরেক কর্মকর্তা বরখাস্ত
- ইরান পারমাণবিক বোমা বানালে আমরাও বানাবো -সৌদি যুবরাজ
- ভয়াল স্মৃতি নিয়ে ফিরলেন ওরা
- কোটা সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে by হাফিজ...
- সৌদি যুবরাজ উদ্ভট-কল্পনাপ্রবণ; কথা বলে জাহেলি যুগে...
- মিরপুরে বস্তিতে আগুন: বেঁচে থাকার লড়াই by আল-আমিন
- কারিগরি ত্রুটির কারণে উদ্বোধনের আগেই ব্রিজ ধস
- বাড়ছে যুদ্ধ ও নিরাপত্তাহীনতা : রমরমা অস্ত্র বাণিজ্...
- ইরাকে মার্কিন সৈন্য : ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার, এখন ৫ হাজার
- সৌদি আরব বানাবে ১৬টি পরমাণু চুল্লি, ব্যয় হবে ৮ হাজ...
- রোহিঙ্গা ঢালে বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন চাপা পড়ত...
- ৩০ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কিনছে কাতার
- আফরিনের ৭০ ভাগই তুরস্কের নিয়ন্ত্রণে
- সুদানে অপুষ্টিতে ভুগছে ২৫ লাখ শিশু
- সিরিয়ার অখণ্ডতা নষ্ট হতে দেবে না ইরান, তুরস্ক ও রা...
- এসএমএস পাঠালেই জরিমানা!
- কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি: মন্ট্রিয়ল চুক্তি সইয়ে বিলম্ব...
- চীনের এই শিক্ষিকাকে নিয়ে কেন এত আলোচনা?
- থাইল্যান্ডে জলাতঙ্ক: ১ কোটি কুকুর-বিড়ালের টিকা
- ইউটিউবে খ্যাতির আশায় বয়ফ্রেন্ডের বুকে গুলি
- ভাইস চেয়ারম্যানদের কষ্টকথা by মিলাদ জয়নুল
- মুসলিম মেয়েদের এই স্কুল ইংল্যান্ডের সেরা
- সমকামী নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষ...
- দেশে নির্বাচনের পরিবেশ নেই
- নির্বাচনে বিজয় আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
- সিরিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর ছেড়ে যাচ্ছে হাজারো অধিবাসী
- রসুন খাওয়ার ২৫ উপকারিতা
-
▼
Mar 17
(60)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



