Tuesday, November 5, 2019
বেলা থর্ন: ডিজনি তারকা থেকে পর্ন পরিচালক যিনি নিজেই ভূয়া ভিডিওর শিকার

১০০ নারী

বিতর্ক

ইন্টারনেটে ভুয়া ছবি ও ভিডিও
![]() |
| প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি নির্মাণ করে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি |
পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রচলিত রীতির বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করছেন যারা

কিন্তু আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কারের একদল নারী এই সমস্যা মোকাবেলায় তৈরি করেছেন নতুন এক নজির।
একদল নারী যারা নিজেরাই ফিস্টুলায় আক্রান্ত, তারা নিজের ও নিজেদের জীবনের কষ্টকর অভিজ্ঞতা আর দুর্ভোগের গল্প ছড়িয়ে দিচ্ছেন অন্য আরও অনেক নারীদের মাঝে যাদের চিকিৎসা প্রয়োজন।
তাদেরকে মনে করা হচ্ছে 'পেশেন্ট অ্যাম্বাসেডর'। গতবছর এই প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর থেকে অনেকেরই জীবনরক্ষাকারী অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
ফেলিসিয়ার গল্প
১৪ বছর আগের কথা।
ফেলিসিয়া ভোনিয়ারিসোয়া মিয়াডানাহারিভেলোর প্রথম সন্তান প্রসবের সময় প্রচন্ড জটিলতার সৃষ্টি হয়।
"আমি একদিন বাড়িতে চেষ্টার পর কাছাকাছি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি তিন দিন ব্যথা সহ্য করেছি এবং তখনো প্রসব হয়নি।"
তার সন্তান প্রসবের আগেই মারা যায়। এবং ফেলিসিয়ার প্রসব-জনিত ফিস্টুলার সমস্যা শুরু হয়।
বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত প্রসব এবং যথাযথ চিকিৎসা সুবিধা না থাকার কারণে প্রসবজনিত ফিস্টুলার সমস্যার শুরু হয়।
যোনিপথ, মূত্রাশয় ও মলদ্বারের মাঝখানে কোনো অস্বাভাবিক ছিদ্র তৈরি হলে একে প্রসবজনিত ফিস্টুলা বলে।
এর ফলে কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই প্রস্রাব-পায়খানা বের হয়ে যায়। বিব্রতকর গন্ধ এবং সার্বক্ষণিক ভেজা-ভাব স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা হয়ে দাড়ায়।
এর ফলে আরও অনেক ফিস্টুলা সমস্যায় আক্রান্ত নারীর ভাগ্যে যা ঘটে থাকে, তাই ঘটেছিল ফেলিসিয়ার ভাগ্যেও। তার জীবনসঙ্গী তাকে ত্যাগ করে এবং এই নারীকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।
এমনকি তার পরিবারের অনেক লোকজনও তাকে মেনে নিতে চায়না। "লোকজন এমন আচরণ করতে লাগলো যেন আমি কোন মানুষই নই, এবং এই বিষয়টি আমাকে খুবই কষ্ট দিয়েছিল", বলেন ফেলিসিয়া।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুসারে মাদাগাস্কারে প্রতিবছর প্রায় ২০০০ নারী সন্তান জন্মদানের সময় প্রসব-জনিত ফিস্টুলার শিকার হয়।
কারণ তারা সময়মত সিজারিয়ান সি-সেকশন বা অস্ত্রোপচার কিংবা চিকিৎসা সহায়তা পাননা।
আর একবার তাদের ফিস্টুলা দেখা দিলে খুব সামান্য শতাংশ নারী তা সমাধানের জন্য সার্জারির সুযোগ পায়।
একদশকের বেশি সময় তাই ফিস্টুলা নিয়ে কাটাতে হয় ফেলিসিয়াকে। এরপর তার সুযোগ মেলে তামাতাভে শহরে ফ্রিডম ফ্রম ফিস্টুলার বিনা বেতনে পরিচালিত ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়ার।
সেখানেই তার চিন্তা আসে কিভাবে সে অন্যদের সহায়তা করতে পারে।
"আমি যখন সুস্থ হলাম তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম রোগীদের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবো। কারণ আমি জানতাম যে, আমার এলাকায় বহু নারী আছে যারা আমার মত একই রোগে ভুগছে এবং সমাজ থেকে তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে।"
চিকিৎসা শেষে নিজের গ্রামে ফিরে গেলেন ফেলিসিয়া এবং তার জীবন একটি সার্জারির পর কীভাবে বদলে গেছে সে-কথাই অন্য নারীদের কাছে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিলেন।
যেভাবে শুরু করলেন সেবা দেয়
ফেলিসিয়া ছোট্ট একটি দোকানে কফি এবং কেক বিক্রি করেন। যে রাস্তা ধরে বহু লোক এক গ্রাম থকে আরেক গ্রামে যাতায়াত করে। দোকানে আসা লোকজনের সাথে ফিস্টুলা নিয়ে কথাবার্তা বলে সে।
লোকজনের কাছে নিজের ফোন-নম্বর দিয়ে সে অনুরোধ করে নতুন কোনও ফিস্টুলা রোগীর কথা জানতে পারলে তাকে খবর দিতে।
মানুষের দরজায় দরজায় ঘুরে ঘুরেও ফিস্টুলার কথা জানায় সে। অনেকেই যে সমস্ত বিষয় নিয়ে খোলাখুলি কোনও প্রশ্ন তুলে ধরতে সংকোচ বোধ করে, সেসব প্রশ্ন তুলে ধরে; উত্তর দেয় সে নিজেই।
ফিস্টুলা রোগীদের নিয়ে এখনো সামাজিক অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে। অনেক মানুষই ফিস্টুলা শব্দের সাথেও পরিচিত নয়।
তারা হয়তো বিষয়টি সম্পর্কে বলে থাকে "যে নারীর গায়ে দুর্গন্ধ" কিংবা "শিশুর জন্মদানের পর ফুটো।"
"তাদের সঙ্গে একত্রে বসবাস করা কঠিন কারণ তাদের গা থেকে সবসময় প্রস্রাবের গন্ধ। তাদের অনেককে সমাজ থেকে বিতাড়িত করো হয় এবং তাদের ওপর লোকজন ক্ষুব্ধ থাকে"-বলছিলেন একজন নারী।
তবে ফেলিসিয়া এখন সবার কাছে খুব ভালোভাবে পরিচিত। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখে ও তাকে তারা বিশ্বাস করে। তবে কাজটি মোটেই সহজসাধ্য নয়। লোকজনকে চিকিৎসা সেবা নেবার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে তাকে কখনো কখনো একাধিকবারও তাদের কাছে যেতে হয়।
"লোকজন যেতে চায়না তার মূল কারণ হচ্ছে তারা ভয় পায়। অস্ত্রোপচার নিয়ে তাদের ভীতি রয়েছে। অঙ্গ চুরি হয়ে যেতে পারে এমন গুজব প্রচলিত আছে । রোগীদের পরিবারগুলো মনে করে হাসপাতালে তারা মারা যাবে তাই সেখানে পাঠাতে চায়না তারা"।
এইসব এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র উপায় হাঁটাপথ। কলাগাছ ও কফিগাছ দ্বারা ঘেরা খাড়া পাহাড় বেয়ে যেতে হল। কোনও রাস্তা না থাকয় জঙ্গলের ভেতর পথ বেছে নিতে হয়।
মারিয়ান্নের বয়স ২১ বছর। কিন্তু তাকে দেখতে মনে হয় আরও অনেক ছোট। প্রসবের সময় তার নবজাতক সন্তানটি দুই সপ্তাহ আগে মারা গেছে সময়মত সে হাসপাতালে যেতে পারেনি বলে। ফিস্টুলার শিকার হওয়ায় তার স্বামী তাকে ত্যাগ করেছে এবং বাবা ও সৎ মায়ের কাছে ফিরে আসতে সে বাধ্য হয়েছে।
"আমি খুব লজ্জা ও বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ছিলাম এবং সবসময় লুকিয়ে থাকতাম। শরীর থেকে বাজে গন্ধ বের হওয়ার কারণে গ্রামে বের হওয়ার মত বা কোনও মানুষের কাছে যাওয়ার সাহস ছিলনা।"
প্রতিদিন মারিয়ান্নেকে কাপড়চোপড় ধুতে হতো প্রস্রাবের গন্ধের কারণে। সে বলে "বাচ্চাকে হারানোর কারণে আমার খুব খারাপ লাগে। আমার জীবনটাই পুরো পাল্টে গেছে এ কারণে।"
মারিয়ান্নেকে শহরে নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার ব্যাপারে তার পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেছে ফেলিসিয়া। নিজের জীবনের কথাও তাদের সামনে তুলে ধরেছে সে। তাদের নানা প্রশ্নের জবাব এবং মারিয়ান্নেকে যথাসময়ে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিতে হয় তাকে। এরপর মারিয়ান্নে নিজেও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
সে বলে, "ফেলিসিয়া নিজে হাসপাতালে গিয়েছিল এবং অস্ত্রোপচার করেছিল। আমার মনে হয় এটা সে না হয়ে অন্য কেউ হলে আমি হয়তো তাকে বিশ্বাস করতাম না কারণ আমরা অনেক ধরনের গুজব শুনেছি এবং এর আগে কখনো এই এলাকা ছাড়িনি।"
"এখন আমি জানি যে প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসা পেতে পারলে এবং সুস্থ হয়ে উঠতে পারবো। আমি আমার আগের জীবন ফিরে পেতে চাই।"
দাতব্য সংস্থা ফ্রিডম ফ্রম ফিস্টুলা এইসব নারীদের ভ্রমণের খরচ বহন করছে। যদিও ফেলিসিয়া যে সময় দিচ্ছে সেজন্য তারা তাকে অর্থ দিচ্ছেনা।
কিন্তু গতবছর নিজের সার্জারির পর থেকে সে অন্য মহিলাদের সহায়তা করার জন্য শক্তভাবে পাশে দাঁড়ায় ফেলিসিয়া। এই যাত্রায় বেশ কয়েকদিন লাগে এবং বেশিরভাগই পায়ে হেটে এবং গণ-পরিবহনে আসা-যাওয়া করতে হয়।
দ্য ফ্রিডম ফ্রম ফিস্টুলা ক্লিনিকে ৬টি ওয়ার্ড এবং ৪২টি শয্যা রয়েছে। সেখানে সার্জারির জন্য আসা একজন রোগী যাফেলিয়েনে, যার বয়স ৩৮। সে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এসেছে কিন্তু সে ভীত নয় বলে জানায়।
প্রসবকালীন ফিস্টুলা বিশেষজ্ঞ মিশেল ব্রিন তার অস্ত্রোপচার করবেন।
এই অস্ত্রোপচারের জন্য প্রথমে ব্লাডার এবং পরে যোনিপথ এর সার্জারি করা হবে। অস্ত্রোপচারের জন্য ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে।
"এটা তাদেরকে সম্পূর্ণ নতুন এক জীবন এনে দেবে। অন্যতম প্রধান সমস্যা তাদের রাতের বেলা অনবরত প্রস্রাব বেরোনো । তো অস্ত্রোপচারের পর প্রথম যে জিনিসটি তারা উপলব্ধি করবে তা হলো, শেষপর্যন্ত তারা রাতের নির্বিঘ্ন ঘুম পেতে যাচ্ছে" বলছিলেন চিকিৎসক মি ব্রিন।
এই দাতব্য সংস্থার পরিচালক এলো ওটোবো বলেন, "নিজ সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে ফেরত যাওয়ার আগে তাদের শারিরীক সুস্থতার পাশাপাশি এইসব নারীদের জন্য প্রচুর মানসিক যত্ন প্রয়োজন । সে কারণে তাদের কাউন্সিলর দিয়ে কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা রয়েছে।"
পরিচালক ওটেবো বেলন, "এইসব নারীরা শুধুমাত্র শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নয়, তারা যেন প্রকৃত অর্থে নিজ কমিউনিটির মধ্যে নেতৃস্থানীয় হয়ে উঠতে পারে সেজন্য তাদের ক্ষমতায়নের কাজ করা হচ্ছে।"
এখানে যে শুধু সুস্থ করার কাজটিতেই গুরুত্ব দেয়া হয় তেমনটি নয়। বরং সুস্থতার পর একেকজন রোগী কি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিন পার করেছে সে গল্প শেয়ার করার এবং তা নিয়ে কোন ধরনের সংকোচের বদলে গর্ব করার প্রেরণাও দেয়া হয় এই সংস্থাটি থেকে।
যেমনটা বলছেন ডিরেক্টর ওটোবো-"অনেক ফিস্টুলা রোগী ১৫, ২০ বছর ধরে এই দুর্ভোগ সহ্য করে আসছে এবং এখন তারা আমাদের ক্লিনিকে আসে আমরা তাদের সমাজে ফিরে গিয়ে নিজেদের গল্পগুলো তুলে ধরতে, এবং গর্বের সাথে কথা বলা শেখাই। এবং সামগ্রিক আরোগ্যলাভের প্রক্রিয়ায় এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।"
এখানেই শেষ নয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় সর্বশেষ ধাপে একটি বিদায়ী পার্টির মধ্য দিয়ে। নিজেদের অভিজ্ঞার গল্প বলার অনুশীলনের সুযোগ এটি। নতুন পোশাক এবং উজ্জ্বল গোলাপি রং এর লিপস্টিক-এ সজ্জিত এই নারীরা সেদিন আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্ছ্বসিত। চলে প্রত্যেকের নিজেদের গল্প বলা এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া। এমনকি তাদের দেয়া হয় সার্টিফিকেটও।
অনেক দেশ সি-সেকশন সার্জারি, মাতৃ-স্বাস্থ্য সেবা এবং প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফদের মাধ্যমে ফিস্টুলা সার্বিকভাবে নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে।
কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সব জায়গায় সেই পর্যায়ের সেবা না পৌঁছচ্ছে মাদাগাস্কারের এসমস্ত নারীরা অন্তত নিজেরাই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তার হাত বাড়াচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য মানুষকে বোঝানো যে ফিস্টুলা রোগীরাও মানুষ এবং তাদের সমাজ থেকে প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়।
>>>মানবজমিন,
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেসভস দ্বীপের শরণার্থী শিবিরে by মেহেদী মাহমুদ চৌধুরী
![]() |
| মরিয়া ক্যাম্প |
লেসভস দ্বীপ সে সময়ে ছিল তুরস্ক থেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আসা শরণার্থীদের প্রধান গন্তব্য। লেসভস থেকে তারা গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছে ইউরোপের অন্য দেশে পাড়ি জমানো শুরু করে। ২০১৫ সালের মতো না হলেও দ্বীপটাতে এখনো শরণার্থী আসা বন্ধ হয়নি। বর্তমানে সেখানে মরিয়া (Moria) ও কারা টেপে (Kara Tepe) নামে দুটো শরণার্থী ক্যাম্প আছে। আমার সুযোগ হয়েছিল ক্যাম্প দুটি দেখার এবং এ নিয়ে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে মতবিনিময়ের।
উল্লেখ্য, গবেষণার জন্য এর আগে আমার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে যাওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া সুযোগ হয়েছিল জার্মানিতে একজন শরণার্থী ক্যাম্প পরিচালকের কর্মস্থল পরিদর্শনের। মরিয়া ও কারা টেপে ক্যাম্প পরিদর্শন আমার শরণার্থী ক্যাম্পবিষয়ক অভিজ্ঞতাকে অনেক বাড়িয়েছে সন্দেহ নেই।
বলে রাখা ভালো, জনসংখ্যার দিক থেকে কুতুপালং ক্যাম্প পৃথিবীর বৃহত্তম ক্যাম্প, যেখানে এখন প্রায় আট লাখের মতো শরণার্থী বসবাস করছে। মরিয়া ও কারা টেপে সে তুলনায় অনেক ছোট। শরণার্থীর সংখ্যা সেখানে যথাক্রমে মাত্র ৫ হাজার ও ২ হাজার। এই দুটো ক্যাম্প হলো, যাকে বলা যায় ট্রানজিট ক্যাম্প। এই ক্যাম্পগুলো থেকে শরণার্থীদের যাচাই–বাছাইয়ের কাজ করা হয়। সন্তোষজনক হলে তাদের অনুমতি দেওয়া হয় গ্রিসে মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের। না হলে তাদের মাসের পর মাস ক্যাম্পে পড়ে থাকতে হয় অথবা ফিরে যেতে হয় নিজ দেশে।
আকারে ছোট হলেও মরিয়া ক্যাম্পের দুর্নাম আছে ইউরোপের নিকৃষ্টতম শরণার্থী শিবির হিসেবে। এর কারণ ক্যাম্পে বসবাসরত শরণার্থীদের নিজেদের মধ্যে প্রায়ই মারামারির ঘটনা। এ ছাড়া অব্যবস্থাপনা তো আছেই। বর্তমানে ৫ হাজারের মতো শরণার্থী থাকলেও এর প্রকৃত ধারণক্ষমতা ৩ হাজারের মতো। ক্যাম্পের মূল অংশ উঁচু দেয়াল ও কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা। তাই বাইরে থেকে অনেকখানি বন্দিশিবিরের মতো মনে হয়।
একসময় মরিয়ার জনসংখ্যা ১০ হাজারের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত হওয়ার কারণে অনেকেই ক্যাম্পের বাউন্ডারির বাইরে তাঁবু টানিয়ে থাকা শুরু করেন। সে তাঁবুগুলো এখনো আছে এবং অনেকে সেখানেই থাকা পছন্দ করেন। ২০১৫ সালের দিকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল সিরিয়ান। বর্তমানে বেশির ভাগ শরণার্থী আফগান। আফগান মানে এই না, তারা সবাই আফগানিস্তান থেকে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধের কারণে আফগানরা আগে পাকিস্তান, ইরানসহ মধ্য এশিয়ার অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছিল। আমি ক্যাম্পে কর্মরত একজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, এই আফগানরা আসছে মূলত ইরান থেকে। আফগান ছাড়াও ক্যাম্পে আছে আফ্রিকা থেকে আসা শরণার্থীরা। ক্যাম্পে দু-একজন বাংলাদেশিও আছে শুনেছি, তবে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি। শরণার্থীদের অনেকেই যুবক বয়সের। তবে আমি ক্যাম্পে অনেক শিশুকেও খেলা করতে দেখেছি।
মরিয়ার তুলনায় কারা টেপে বেশ চমৎকার ও পরিচ্ছন্ন। কারা টেপেকে শিশু ও পরিবার নিয়ে বসবাসের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে আছে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ। আমার স্বচক্ষে সেখানে একটা বাদ্যযন্ত্র প্রশিক্ষণের ক্লাস দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল।
মরিয়া ও কারা টেপে থেকে শরণার্থীরা অনুমতি নিয়ে বাইরে যেতে পারে। তবে তাদের দ্বীপ ত্যাগের অনুমতি নেই। লেসভসের রাজধানী মিটিলিনি থেকে মরিয়ার দূরত্ব গাড়িতে করে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো। কারা টেপের দূরত্ব প্রায় ২০ মিনিট। দুটো ক্যাম্প থেকেই বাসে করে শরণার্থীরা রাজধানীতে আসতে ও ফিরে যেতে পারে। এই দুটো ক্যাম্প ছাড়াও লেসভসে আরও কয়েকটা ছোট ছোট শিবির আছে। এ ছাড়া অনেক শরণার্থী মিটিলিনিতেই থাকে। আমি পুরো মিটিলিনি শহরজুড়েই শরণার্থীদের পরিবার ও শিশু নিয়ে ঘুরতে দেখেছি।
লেসভস মন কেড়ে নেওয়ার মতো সুন্দর একটা দ্বীপ। দ্বীপের অর্থনীতি মূলত নির্ভর করে জলপাই তেলের বাণিজ্যের ওপর। এ ছাড়া আছে পর্যটন ও মাছ ধরা। জলপাই বাগানের দেখা মেলে পুরো দ্বীপজুড়ে। এ ছাড়া আছে লেবু আর কমলাগাছের সমাহার। প্রত্যেক বাসার বাগানে ফলগুলোকে থোকায় থোকায় ঝুলতে দেখা যায়। লেসভসের মানুষ উদার ও অতিথিবৎসল। আপন মনে করে কাউকে কিছু দিতে তাদের আপত্তি নেই। প্রথম প্রথম যখন শরণার্থীদের আগমন শুরু হয়েছিল তখন তাদের অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। শরণার্থীদের আগমনের মূল স্থান দ্বীপের উত্তরে, যেখানে থেকে সমুদ্রপথে তুরস্কের দূরত্ব সবচেয়ে কম। সেখানে পৌঁছে মরিয়া ক্যাম্প পর্যন্ত পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটতে প্রায় এক দিনের মতো লেগে যায়। সে যাত্রার সময় অনেক স্থানীয় লোকই খাবার ও পানি দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু এখন অনেকেই শরণার্থীদের নিয়ে শঙ্কিত। সম্প্রতি শরণার্থীদের বিপক্ষে মিটিলিনিতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ছে অসন্তোষ পুরো গ্রিসজুড়েই।
এই পরিবর্তনের সঙ্গে মিল আছে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশিদের প্রতিক্রিয়ার সঙ্গেও। রোহিঙ্গা সংকটের শুরুর দিকে বাংলাদেশিদের অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশেষ করে অগ্রগণ্য ছিলেন কক্সবাজারের স্থানীয় লোকজন। কিন্তু এখন অনেকেই শঙ্কিত নিজেদের জীবন ও জীবিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে।
আসলে এ দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে শরণার্থী সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণে। শরণার্থী শিবিরে থাকা মানুষদের কাজের কোনো সুযোগ নেই। কাজেই তাদের মধ্যে অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়া অস্বাভাবিক নয়। লেসভসে বেশ কয়েকজন আমাকে শরণার্থীরা চুরিসহ অন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া শরণার্থীদের মধ্যে স্থানীয়দের চাওয়া–পাওয়া ও সংস্কৃতি বোধ উপেক্ষা করার অভিযোগ আছে।
শরণার্থী শিবিরে যাঁরা মানবিক সহায়তা দেওয়ার কাজ করেন তাঁরা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন শরণার্থীদেরই। স্থানীয়দের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়। মাঝেমধ্যে স্থানীয়দের ওপর বর্ণবাদী ও অহেতুক বিদেশি আতঙ্কে ভুগছে জাতীয় তকমা লাগিয়ে দেয়। এতে যাঁরা সত্যিকার অর্থেই উদার মনোভাবাপন্ন তাঁরা দূরে সরে যান। এ জন্য আমি মনে করি যে শরণার্থী শিবিরের কর্ম পরিচালনার কেন্দ্রে থাকতে হবে স্থানীয় লোকজনের মতামত প্রকাশ ও অংশগ্রহণের সুযোগ। শরণার্থীদের মধ্যে সৃষ্টি করা দরকার আশ্রয়দানকারী দেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রকাশের মনোবৃত্তি।
ইউরোপে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত আছে, এই শরণার্থীরা মূলত অর্থনৈতিক অভিবাসী মানে তারা সত্যিকার অর্থে শরণার্থী নয়। এ কথা যারা বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে লেসভসে আমি যাদের দেখেছি তাদের বেশির ভাগকেই এই দলে ফেলব না, কারণ শরণার্থীদের মধ্যে অনেকেই যুবক বয়সের হলেও শিশুসহ পরিবারের সংখ্যাও কম নয়।
ভেবে দেখুন, আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান হয়ে লেসভসে আসতে তাদের কতটা দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়েছে? বাধ্য না হলে কি কেউ পরিবার–পরিজন নিয়ে এ রকম ঝুঁকিপূর্ণ দূরত্ব পাড়ি দেয়? একই কথা প্রযোজ্য যারা যুবক বয়সী তাদের ক্ষেত্রেও। যুবকদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিবার নিয়ে থাকে। পুরো পরিবার শরণার্থী হওয়ার আগে প্রথমে সবচেয়ে সমর্থ যুবকদের পাঠানো হয় আশ্রয়স্থল খুঁজে পাওয়ার জন্য। এরপর পাড়ি জমায় পরিবারের বাকিরা। রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে অবশ্য এর বিপরীত ঘটেছে। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে দলে দলে এসেছে নারী-শিশু মিলে, শুধু প্রাণটা বাঁচানোর তাগিদে। পরিকল্পনা করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের শরণ গ্রহণ ঘটেনি।
লেসভসে আমার আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। শরণার্থী সংকটের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য মিটিলিনিতে ইউনিভার্সিটি অব অ্যাজিয়ানের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রিফুজি অবজারভেটরি। এই অবজারভেটরি গবেষণার পাশাপাশি আজিয়ান সাগরে শরণার্থীদের গতিবিধি, গবেষণা ও সংবাদের তথ্যকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এই অবজারভেটরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকায় একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে থাকে। গ্রিসসহ ইউরোপের অন্য দেশগুলো ও মানবিক সাহায্য প্রদানকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজন মতো এদের কাছ থেকে পরামর্শ ও তথ্য নিতে পারে।
আমি যত দূর জানি রোহিঙ্গা সংকট পর্যবেক্ষণে এ রকম কোনো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত নয়। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে পরামর্শ ও তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ থাকে না। তাই বঙ্গোপসাগরে শরণার্থী সংকট পর্যবেক্ষণে একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োজিত করা প্রয়োজন, যার কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনে তথ্য ও পরামর্শ নিতে পারবে।
সব মিলিয়ে লেসভস দ্বীপের ক্যাম্প পরিদর্শন বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটকে গ্রিসের শরণার্থী সংকটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের যাঁরা রোহিঙ্গা সংকটের ওপরে কাজ করছেন তাঁদের বাংলাদেশের সংকটকে বৈশ্বিক শরণার্থী সংকটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার প্রচেষ্টা করতে হবে। শরণার্থী সংকট বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংকট। এই সংকটকে জানা ও বোঝার চেষ্টা জরুরি। জরুরি শরণার্থীরা যেখানে আশ্রয় নিচ্ছে সেখানকার মানুষের চাহিদাকে জানার ও বোঝার চেষ্টার। এতে যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তা নয়, কিন্তু কিছুটা হলেও শরণার্থী সংকটকে ঘিরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে রাজনৈতিক সংকট দেখে দিচ্ছে আশা করি তার কিছুটা নিরসন ঘটবে।
>>>ড. মেহেদী মাহমুদ চৌধুরী: যুক্তরাজ্যের বোর্নমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শালবন বিহারে একদিন by শাহরিয়ার নোবেল
![]() |
| কুমিল্লা শালবন বৌদ্ধ বিহার |
ময়নামতিতে খনন করে এর অস্তিত্ব মেলে। কোটবাড়িতে বার্ডের কাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এর অবস্থান। এখানকার আশপাশে একসময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল। এজন্যই এর নামকরণ হয়েছে শালবন বৌদ্ধ বিহার।
ধারণা করা হয়, সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। এর ছয়টি নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ পর্বের কথা জানা যায়। অষ্টম শতাব্দীর মধ্যে তৃতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় মন্দিরটি নির্মাণ ও বিহারটির সার্বিক সংস্কার হয়েছিল বলে ধারণা রয়েছে। চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ও সংস্কার সম্পন্ন হয় নবম-দশম শতাব্দীতে।
শালবন বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৫৫টি কক্ষ আছে। এর সামনে ৮ দশমিক ৫ ফুট চওড়া বারান্দা ও শেষ প্রান্তে অনুচ্চ দেয়াল। প্রতিটি কক্ষের দেয়ালে তিনটি করে কুলুঙ্গি রয়েছে। কুলুঙ্গিতে দেবদেবীর মূর্তি ও তেলের প্রদীপ রাখা হতো। কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা থাকতেন। সেখানে বিদ্যা ও ধর্মচর্চা হতো।
প্রবেশদ্বারের পাশে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে একটি হলঘর রয়েছে। চারদিকের দেয়াল ও সামনে চারটি বিশাল গোলাকার স্তম্ভের ওপর নির্মিত এটি। হলঘরটি ভিক্ষুদের খাবারঘর ছিল বলে ধারণা করা হয়। এর চারদিকে ইটের চওড়া রাস্তা রয়েছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে শালবন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রোঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।
শালবন বৌদ্ধ বিহারের মূল মন্দিরকে ঘিরে চারপাশে ছোট ছোট ৯টি মন্দির ও ৬টি স্তূপ পাওয়া গেছে। এছাড়া মূল মন্দিরের বাইরে আরও দুটি মন্দির ও চারটি স্তূপ আবিষ্কৃত হয়।
গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে মূল বৌদ্ধ বিহারের (মন্দিরের) উত্তর-পূর্ব কোণে পাঁচ বর্গমিটার আয়তনের ২১টি বর্গাকৃতি স্থানে খননকাজ শুরু হয়। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর একটি স্থানে ইট ও কাদামাটির তৈরি কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন গোলাকার কূপটির ব্যাসার্ধ ১১ ফুট চার ইঞ্চি।
বৌদ্ধ বিহারে রয়েছে হরেক রকমের ফুল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কসমস, ডালিয়া, জিনিয়া, মৌচান্দা, সেলভিয়া, বোতাম, গোলাপ, সিলভিয়া, কেলানডোলা ইত্যাদি। বছরজুড়ে ঋতুভিত্তিক নানান প্রজাতির ফুল গাছের চারা রোপণ করা হয়।
ঐতিহাসিক নিদর্শন শালবন বৌদ্ধ বিহার দেশ-বিদেশের পর্যটকদের মধ্যে আকর্ষণীয়। প্রতিদিনই তাদের সমাগম দেখা যায় এখানে। শিক্ষার্থী আর গবেষকদের কাছে এটি সমান গুরুত্বপূর্ণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'থানার বাইরে থেকেই ভাইয়ের কান্না আর চিৎকার শুনতে পাইতেছিলাম। পুলিশ আমার ভাইরে মারতেছিলো।' by তাফসীর বাবু

কিন্তু এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকার কী করছে?
| গত পাঁচ বছরে নিরাপত্তা হেফাজতে মারা গেছেন তিন শতাধিক ব্যক্তি। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ▼ 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


