Saturday, November 30, 2024
প্রান্তিক পর্যায়ের অসুস্থ মানুষকে মৃত্যুতে সহায়তা বিষয়ক বিল পাস বৃটেনে
এতে বলা হয়েছে, লেবার দলের এমপি কিম লিডবিটার ঐতিহাসিক এই আইনের প্রস্তাবক। বিবিসি লিখেছে, বিলটি পাস হওয়ার আগে পার্লামেন্টের বাইরে পক্ষ ও বিপক্ষে উভয়ে আলাদা স্থানে সমবেত হতে থাকেন। এমপি লিডবিটারসের বিলের পক্ষে যারা তারা অধিকারকর্মী মিলিসেন্ট ফসেটের মূর্তির কাছে পার্লামেন্ট স্কয়ারের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেন। সেখানে সবার মাথায় ছিল গোলাপি হ্যাট ও জাম্পার। এসব সরবরাহ দিয়েছে ডিগনিটি ইন ডাইং গ্রুপ। তার মধ্যে আমান্ডা অন্যতম। তিনি যোগ দিয়েছেন ব্রাইটন থেকে। ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন বন্ধু সহ যেসব মানুষ জীবনের শেষ প্রান্তে রয়েছেন তাদের দেখাশোনা করেন তিনি। স্মরণ করে, তার বন্ধু তাকে অনুরোধ করেছেন- আর সহ্য করতে পারছিনা। আমাকে এখনই মেরে ফেলো। কোনো প্রিয়জনের কাছ থেকে এমন কথা শোনা যে কারো জন্য খুব কষ্টের। সু নামে আরেকজন নারী মাথায় গোলাপী হ্যাট পরে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে। তার কাছ থেকে অর্ধ মিনিট হাঁটার দূরত্বে এক প্রান্তে দাঁড়ানো বিলের বিরোধীরা। বিধ্বস্ত একজন বিচারকের ১০ ফুট লম্বা পাপেটের পাশে যোগ দিয়েছেন তারা। ওই বিচারকের হাতে একটি বিশাল আকারের সিরিঞ্জ। আকাশের দিকে একটি আঙ্গুল তুলে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে উপস্থিতরা স্লোগান দিচ্ছেন- এই বিলকে বন্ধ করো। অসুস্থ মানুষদের হত্যা করো না। হান্নাহ একটু দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি আশঙ্কা করেন এই বিল পাস হলে বিকলাঙ্গ মানুষগুলোকে আমরা যেভাবে দেখি তার ধারা বদলে যেতে পারে। নিজের পিতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তাকে ৬ মাস সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি চার বছর বেঁচে ছিলেন। এই যে চার বছর বেঁচে ছিলেন এর অর্থ হলো তিনি তার নাতিপুতিদের সঙ্গ দিতে পেরেছেন।
ওই বিক্ষোভে যোগ দেয়া উভয়পক্ষের প্রতিজন মানুষেরই ব্যক্তিগত কাহিনী আছে। তাদের ওয়েস্টমিনস্টারে শুক্রবারে জমায়েত হওয়ার কারণ ছিল। গত বছর পর্যন্ত নিজের মায়ের দেখাশোনা করেছেন জেন। তিনি বলেন, ওই সময়টা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু তা ছিল মূল্যবান সময়। তিনি মনে করেন এই বিল পাস হলে তার মায়ের মতো মানুষদেরকে একটি প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়া হবে। জানতে চাওয়া হবে, তিনি মারা যেতে সহায়তা চান কিনা। তিনি বলেন, আমি জানি এসব সিদ্ধান্তে একজন বিচারকের সংশ্লিষ্টতা থাকবে। কিন্তু কিভাবে কার ভাগ্যে কি আছে তা নির্ধারণ করবেন তারা। কেউ হয়তো মুখে বলতে পারেন যে, তিনি মারা যেতে চান। কিন্তু একজন বিচারক কিভাবে জানবেন যে, ওই ব্যক্তির মাথায় আসলে কি চলছে।
ওদিকে পার্লামেন্টের ভিতরে এ নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা হয়েছে। লেবার দলের এমপি লিডবিটার তার বিলের ওপর বিতর্ক শুরু করেছেন। স্পেন ভ্যালি থেকে নির্বাচিত তিনি। এর আগে এই আসনে প্রতিনিধিত্ব করছিলেন তার বোন জো কক্স। তাকে ২০১৬ সালে হত্যা করা হয়। পার্লামেন্টের পরিবেশ সাধারণ সময়ের মতোই পাল্টাপাল্টি ছিল। তবে তার মধ্যে ছিল চিন্তা ও শ্রদ্ধা। কিন্তু পার্লামেন্টের বাইরে ছিল উত্তেজনা। পক্ষ-বিপক্ষ উভয়েই তাদের নিজেদের এলাকায় অবস্থান নেয়। কেউ অবস্থান নেয় পার্লামেন্ট গেটের কাছে। কেউ কেউ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। মারা যাওয়ায় সহায়তা বিষয়ক এই বিলের পক্ষে থাকা এক নারী তার পিতার ভয়াবহতার ছবি উপরে তুলে ধরেছিলেন। তার পিতা বেঁচে আছেন। তবে তিনি বেদনায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলেন। তিনি পার্লামেন্টের দিকে এবং তারপর ছবির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, পার্লামেন্টে থাকা ব্যক্তিদের কাছে জানতে চাই আমাকে তারা বলুক কেন এটা চলতে থাকবে। পাশেই এই বিলের বিরোধিতা করে একটি প্লাকার্ড তুলে ধরেছেন একজন নারী। তার দিকে প্রথম নারী চিৎকার করে বললেন- আপনি যা দেখাচ্ছেন তা অপরাধ। আপনি কি বলতে চাইছেন আমার পিতার দেখাশোনা করা উচিত নয় আমার।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার অভিযোগ: শান্তি রক্ষার ছদ্মবেশে ইউক্রেন ‘দখলের’ পরিকল্পনা করছে ন্যাটো
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এসভিআরের কাছে থাকা তথ্যমতে, রণক্ষেত্রে রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাজিত করার সম্ভাবনায় স্পষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তাই ন্যাটো ক্রমেই ইউক্রেন সংঘাতকে স্থগিত করার পরিকল্পনার দিকে ঝুঁকছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীগুলোর যুদ্ধ করার সক্ষমতা পুনর্গঠিত এবং কিয়েভকে সম্ভাব্য প্রতিশোধ নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করার সুযোগ হিসেবে দেখছে। ন্যাটো এরই মধ্যে ইউক্রেনে প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করেছে। এসব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে তারা ইউক্রেনের অন্তত ১০ লাখ সেনাকে প্রশিক্ষণ দিতে চায়।’
রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাটি আরও জানাচ্ছে, নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ন্যাটো পশ্চিমা সামরিক-শিল্প সংস্থাগুলোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। উদাহরণ হিসেবে জার্মানির অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানি রাইনমেটালের কথা বলা যায়। ন্যাটো এসব সামরিক-শিল্প সংস্থাগুলোকে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানাচ্ছে। এসব কিছুর পাশাপাশি সামরিক জোটটি ইউক্রেনে বিশেষজ্ঞ ও সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। যুদ্ধবিরতির (স্থগিত) সময়ে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প সংস্থা পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়ার আশা করছে ন্যাটো।
পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে প্রায় এক লাখ শক্তিশালী ‘শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য’ মোতায়েন করতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে এসভিআরের বিবৃতিতে।
এসভিআরের তথ্যমতে, ইউক্রেনের ভূখণ্ডকে কয়েকটি ‘দখলদার’ দেশের মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা করারও প্রস্তাব করেছে ন্যাটো। ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে রোমানিয়ার ‘শান্তিরক্ষীদের’। পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করবে পোল্যান্ড। মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের অংশগুলো হস্তান্তর করা হবে জার্মানির হাতে; আর রাজধানী কিয়েভসহ উত্তর দিকের অঞ্চলগুলো থাকবে যুক্তরাজ্যের হাতে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। তখন থেকে পশ্চিমা দেশগুলো কিয়েভকে বিপুল পরিমাণে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। রাশিয়া বারবার বলে আসছে, পশ্চিমাদের সামরিক অস্ত্র সরবরাহের কারণে ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ব্যাহত হচ্ছে। অস্ত্র সরবরাহ করে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ছে বলেও দাবি করছে মস্কো।
![]() |
| জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের সময়ে একটি জেনারেটরের ওপরে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। কিয়েভে, ২৮ নভেম্বর ২০২৪ ছবি : এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোপালের রাজকন্যা আবিদা সুলতান চালাতেন রোলস রয়েস, শিকার করতেন বাঘ
ভোপালের সাহসী এক পরিবারে জন্ম আবিদার—১৯১৩ সালে। এই পরিবার ১০০ বছরের বেশি সময় ব্রিটিশ-ভারতের ভোপাল রাজ্য শাসন করেছিল। তিনি ছিলেন ভোপালের শেষ নবাব হামিদুল্লাহ খানের বড় মেয়ে। তৎকালীন সমাজে সাধারণ ও মুসলিম নারীদের মধ্যে যে বাঁধাধরা প্রথা ছিল, তা অতিক্রম করে গিয়েছিল এই পরিবার। আবিদাও ব্যতিক্রম ছিলেন না।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে ভোপালের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন আবিদা। এক দশকের বেশি সময় ধরে বাবার মন্ত্রিসভা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দেওয়া খ্যাতনামা সব ব্যক্তির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছিলেন। খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন সাতচল্লিশের দেশভাগের সময়ের সহিংসতা।
২০০৪ সালের আবিদার আত্মজীবনী ‘মোমোয়ারস অব আ রেবেল প্রিন্সেস’ প্রকাশিত হয়। তা থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ভোর চারটায় তাঁকে ঘুম থেকে উঠতে হতো। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করতেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে তাঁর দৈনিক কর্মকাণ্ড শুরু হতো। এর মধ্যে ছিল খেলাধুলা, সংগীতচর্চা, ঘোড়ায় চড়া। পাশাপাশি তাঁকে ঘর মোছা ও গোসলখানা পরিষ্কারও করতে হতো।
এক সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করেছিলেন আবিদা। তখন বলেছিলেন, ‘মেয়ে হওয়ার কারণে আমরা হীন, এমন কোনো অনুভূতি আমাদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়নি। সবকিছুই ছিল সমতাভিত্তিক। একজন ছেলের যে স্বাধীনতা, আমাদেরও তা–ই ছিল। আমরা ঘোড়ায় চড়তে পারতাম, গাছে উঠতে পারতাম, ইচ্ছেমতো যেকোনো খেলাধুলা করতে পারতাম। কোনো বাধা ছিল না।’
১২ বছর বয়সে আবিদার বিয়ে হয়েছিল পার্শ্ববর্তী আরেক রাজ্য কুরওয়াইয়ের রাজপরিবারের সারওয়ার আলী খানের সঙ্গে। সারওয়ার আলী খান ছিলেন আবিদার শৈশবের বন্ধু ও কুরওয়াই রাজ্যের শাসক। আত্মজীবনীতে তিনি এই বিয়ে নিয়ে হাস্যরসাত্মক বর্ণনা দিয়েছেন।
নিজের বিয়ের সম্পর্কে বর্ণনা দিতে গিয়ে আবিদা বলেন, একদিন তিনি চাচাতো ভাইবোনদের সঙ্গে ‘বালিশযুদ্ধ’ করছিলেন। এমন সময় ঘরে আসেন তাঁদের দাদি। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য তিনি আবিদাকে জামা-কাপড় পরতে বলেন। তবে তিনি যে কনে হতে যাচ্ছেন, তখন পর্যন্ত এ কথা তাঁকে জানানো হয়নি।
আবিদার সংসারজীবন বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। এক দশকের কম সময়ের মধ্যে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না। আত্মজীবনীতে আবিদা লিখেছেন, ‘দাম্পত্য জীবন যে এতটা ভয়ংকর ও নিরানন্দ হবে, তা আমি বুঝতে পারিনি।’
বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর আবিদা কুরওয়াই ছেড়ে ভোপালে চলে এসেছিলেন। কিন্তু একমাত্র সন্তান শাহরিয়ার মোহাম্মদ খানকে নিয়ে সাবেক স্বামীর সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছিল। ছেলে কার হেফাজতে থাকবে, তা নিয়ে বাদানুবাদ চরম আকারে পৌঁছেছিল। এসব নিয়ে আবিদা খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তিনি।
১৯৩৫ সালের মার্চের এক রাতে তিন ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে কুরওয়াইতে যান আবিদা। প্রবেশ করেন সাবেক স্বামীর ঘরে। একটি রিভলবার বের করে ছুড়ে দেন তাঁর কোলে। তারপর আবিদা বলেন, ‘আমাকে গুলি করো, না হলে আমি তোমাকে গুলি করব।’
এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ছেলের হেফাজত নিয়ে বিতর্কের অবসান হয়েছিল। সিংহাসন সামলানোর পাশাপাশি তিনি একাই ছেলেকে বড় করেছিলেন। ১৯৩৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত তিনি ভোপালের মন্ত্রিসভা পরিচালনা করেন। দেশভাগের পর ভোপাল ভারতের মধ্য প্রদেশের অংশ হয়ে যায়।
ভারত ভাগের আগে ব্রিটিশ সরকারের আহ্বানে বেশ কয়েকটি গোলটেবিল আলোচনা হয়েছিল। ভারতের ভবিষ্যৎ সরকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ছিল ওই আলোচনার লক্ষ্য। এসব আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন আবিদাও। এ সময় মহাত্মা গান্ধী, মতিলাল নেহরু ও জওহরলাল নেহরুর মতো প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তাঁর। জওহরলাল নেহরু ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।
আত্মজীবনীতে আবিদা বলেন, তাঁর পরিবার কয়েক পুরুষ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোপালে বসবাস করে আসছিল। দেশভাগের পর তিনি সেখানে বৈষম্যের মুখোমুখি হন। তাঁদের সঙ্গে ‘বহিরাগতদের মতো’ আচরণ শুরু হয়। এমন এক পরিস্থিতির মুখে ১৯৫০ সালে সন্তানকে নিয়ে পাকিস্তানে চলে যান তিনি। সেখানে গণতন্ত্র ও নারী অধিকার নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০০২ সালে করাচিতে মারা যান আবিদা।
আবিদা পাকিস্তানে চলে যাওয়ার পর তাঁর বোনকে ভোপালের সিংহাসনে বসিয়েছিল ভারত সরকার। তবে এখনো আবিদাকে ভোপালের মানুষ স্মরণ করেন। সেখানে এখনো তিনি পরিচিত ‘বিয়া হুজুর’ নামে।
![]() |
| আবিদা সুলতান বিবিসির ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটাই বাংলাদেশ! by সাজেদুল হক
একটি জানাজা, জাতীয় ঐক্যের প্রতীক
সাইফুল ইসলাম আলিফ ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টেও। তার সামনে ছিল অনেক পথ পাড়ি দেয়ার হাতছানি। কিন্তু ঘাতকরা দুঃসাহস দেখিয়ে হত্যা করেছে তাকে। শহীদ আলিফের অবুঝ সন্তান জানেও না তার বাবা আর কোনো দিন ফিরবে না। সন্তানের জন্য আহাজারি করতে করতে আলিফের বাবা বার্তা দিয়েছিলেন, সম্প্রীতি রক্ষার। কার সাধ্য আছে তার মাকে সান্ত্বনা দেয়! তবে বাংলাদেশ তার এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে বিদায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সম্মানই দেখিয়েছে। আমাদের ইতিহাসে অল্প কিছু জানাজাই বারবার আলোচনায় আসে। নিশ্চিতভাবেই সে তালিকায় যোগ হলো সাইফুল ইসলাম আলিফের নাম। চট্টগ্রামে তার জানাজায় যোগ দিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। তারা চোখের পানিতে বিদায় জানিয়েছেন আলিফকে। কিন্তু কোথাও সামান্য বিশৃঙ্খলাও করেননি। জানাজায় শরিক হয়েছিলেন ৫ই আগস্টের পটভূমিতে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সব পক্ষের প্রতিনিধি। ছিলেন উপদেষ্টা, ছাত্র আন্দোলনের নেতা, বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং পক্ষের প্রতিনিধিরা।
ভারতীয় মিডিয়ার বিরামহীন অপপ্রচার
৫ই আগস্টের পর থেকে বিরামহীনভাবে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় মিডিয়ার একটি অংশ। ডনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের দিন এমনকি এ খবরও দেয়া হয়েছিল যে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফ্রান্স চলে গেছেন। পাশের বাড়ির মিডিয়ার এ ধরনের প্রচারণা থেমে নেই। সাংবাদিকতার রীতিনীতির বাইরে গিয়ে প্রতিনিয়ত তারা ছড়াচ্ছে নানা গুজব, দিচ্ছে উস্কানি। তবে বাংলাদেশের জনগণ এসব উস্কানির ফাঁদে পা দেয়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ পরম ধৈর্যের সঙ্গে তার প্রতিবেশীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে গেছেন। তবে কিছু বিচ্যুতি যে ঘটেনি তা নয়। যদিও এর প্রায় সবই রাজনীতি সংশ্লিষ্ট। ধর্মীয় কারণে কারও ওপর কিংবা কারও বাড়িঘরে হামলা এমন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
জাতীয় ঐক্যের বার্তা রাজনৈতিক দলের
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এরইমধ্যে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা। আলাদা দিনে বৈঠক করেছেন তারা। বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি এবং জামায়াত দু’টি দলের পক্ষ থেকেই জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হয়েছে। যদিও বিশেষত বিএনপি নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবিও জানিয়ে আসছে।
ছাত্র-জনতাকে অভিবাদন
বর্তমান পরিস্থিতির ভূমিকার জন্য জনগণকে অভিবাদন জানিয়েছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম। মাহফুজ আলম এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, দায়িত্ব ও দরদের নজির দেখিয়ে আপনারা বাংলাদেশকে গর্বিত করেছেন। বাংলাদেশ আর কারও ষড়যন্ত্রের সামনে পরাস্ত হবে না। ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও লিখেছেন, আমাদের ব্যক্তি ও সমষ্টির ‘শক্তি’ সাধনায় দরদি ও দায়িত্ববান হয়ে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হয়ে ওঠা মোক্ষ। আমাদের এ অভ্যন্তরীণ শক্তি যেকোনো বহিঃশত্রুকে পর্যুদস্ত করবে। আমরা আর Colonizable হবো না।
বিশেষ ধন্যবাদ প্রাজ্ঞ আলেম ও মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রাপ্য। আপনারা এ গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে বাঙালি মুসলমানকে দায়িত্বশীল আচরণে অনুপ্রাণিত করেছেন। ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে আপনাদের আজ ও আগামীর প্রাজ্ঞ উদ্যোগ বাংলাদেশ রাষ্ট্রে আপনাদের ইজ্জত ও শরিকানা নিশ্চিত করবে। পোস্টে আরও বলা হয়, হঠকারিতা, নেতিবাচকতা ও ভাঙনের মানসিকতা থেকে বের হয়ে আমাদের সৃজনশীল ও ইতিবাচক মানসিকতায় এ রাষ্ট্রকে গড়তে হবে। এ রাষ্ট্র পরিগঠন করলেই কেবল জুলাই শহীদানসহ শহীদ আলিফের শাহাদাত অর্থবহ হয়ে উঠবে।
অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম লিখেছেন, মঙ্গলবার দেশের মানুষ; রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় ও বিদেশে অবস্থানরত প্রভাবশালী বাংলাদেশিরা অভূতপূর্ব রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি আরও লিখেছেন, ‘এখনো কিছু বিষয়ে উত্তেজনা থাকলেও আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আমরা মাথা উঁচু করে কঠিন এই পরীক্ষায়ও উতরে যাবো। স্বার্থান্বেষী কিছু গোষ্ঠী ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের পাতা ফাঁদে বাংলাদেশের মানুষ কখনো পা দেবে না। দেশের মানুষের বৈপ্লবিক চেতনা যে দারুণভাবে জ্বলজ্বল করছে, সেটা বেশ স্পষ্ট। এটা কয়েক দশক ও শতক ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
সংখ্যালঘু সমপ্রদায় আগের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পাচ্ছে
ভয়েস অফ আমেরিকা (ভিওএ) বাংলার এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা দিতে পারছে। জরিপের ফলাফলে নিরাপত্তা নিয়ে ধারণায় মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।
গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, ৬৪ দশমিক ১ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বেশি নিরাপত্তা দিচ্ছে। মাত্র ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, বর্তমান সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য আগের চেয়ে খারাপ নিরাপত্তা দিচ্ছে। ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, পরিস্থিতি আগের মতোই আছে।
জরিপে এক হাজার উত্তরদাতাকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনের তুলনা করতে বলা হয়। বাংলাদেশের জনতত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জরিপের জন্য এক হাজার উত্তরদাতা বাছাই করা হয়। উত্তরদাতাদের মধ্যে সমানসংখ্যার নারী ও পুরুষ ছিলেন, যাদের মধ্যে ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ মুসলিম। উত্তরদাতাদের মধ্যে অর্ধেকের একটু বেশির বয়স ৩৪ বছর বয়সের নিচে। উত্তরদাতাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শহুরে মানুষ।
শেষ কথা: যুগের পর যুগ ধরে হিন্দু-মুসলমান পাশাপাশি বাস করেছে এ ভূমিতে। মর্মান্তিক ঘটনা যে কখনও ঘটেনি তা নয়। তবে শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে সৌহার্দ্য আর ভালোবাসারই। আরও একবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। মানুষ আগলে রেখেছে মানুষকে। পরাভূত করেছে চক্রান্ত আর প্রচারণাকে। তবে এ লড়াই এখানেই শেষ হবে না। সামনে দীর্ঘ কঠিন পথ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলা: যেভাবে অব্যাহতি পান হাসিনা by মারুফ কিবরিয়া
ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ করে দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পান শেখ হাসিনা। জানা গেছে, ২০০১ সালে ক্ষমতা ছাড়ার দু’দিন আগে তড়িঘড়ি করে বিধি অমান্য করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার প্রকল্পের অনুমোদন দেন শেখ হাসিনা। ১২০ কোটি টাকা মূল্যের সেই প্রকল্প অনুমোদনের সময় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) পূর্ণাঙ্গ কোরাম ছিল না। ফলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সেই কমিটি অনুমোদন দেয়া ও প্রকল্পে পছন্দের ঠিকাদারকে দিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো ২০০২ সালে মামলা করে।
সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পরামর্শক নিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি টাকা লোপাটের খবর পায় ওই সময়ের দুর্নীতি দমন ব্যুরো। এরপর ২০০১ সালে ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক দুই দিন আগে ১৩ সদস্যের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুপস্থিতিতে মাত্র ছয় সদস্যের উপস্থিতিতে নিয়ম লঙ্ঘন করে এই প্রকল্পের বৈধতা দেয় একনেক। ২০০২ সালে শেখ হাসিনাসহ ছয় মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়। অন্য আসামিরা ছিলেন সাবেক মন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, এ এস এইচ কে সাদেক, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী ও মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তাদের তিনজনই এখন মৃত।
মামলা চলাকালে পুরো তথ্য-প্রমাণসহ জমা দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করলে হাইকোর্টে রিট করেন শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘদিন তা থমকে থাকার পর ২০১০ সালে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের হাইকোর্ট বেঞ্চ অভিযোগপত্র দাখিলের আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালত বলেছিলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মামলা করা হয়েছে। তা ছাড়া এতে মামলার গুণগত ভিত্তি নেই। তারপর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে মামলা থেকে সব আসামিকে অব্যাহতি দেয়। শেখ হাসিনাকে অব্যাহতি দেয়ার পেছনে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেন সে সময়ের দায়িত্ব পালন করা দুদকের এক কমিশনার ও একজন বিচারপতি।
দুদক মামলাটিতে শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের অব্যাহতি দিলেও সে সময়ের তদন্তকারী কর্মকর্তার তৈরি করা প্রতিবেদন মানবজমিনের হাতে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাসহ সব আসামির অপরাধের প্রমাণ মিলেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার প্রকল্প বিষয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের কার্যনির্বাহী পরিষদের (একনেক) সিদ্ধান্তকে আমলে নিয়ে তিনটি মামলা করে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। একনেকের সিদ্ধান্তগুলো ছিল-প্রকল্পের পরামর্শকের ব্যয় বৃদ্ধি, ভবন নির্মাণের ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যয় বৃদ্ধি। তিনটি মামলায়ই শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলার পর থেকেই শেখ হাসিনা এবং অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন আইনি লড়াই করেছেন। ব্যুরো থেকে কমিশন হওয়ার পর ২০০৫ সালের ২৪শে আগস্ট বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের কমিশন মামলাগুলোর অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনা আলাদা দু’টি রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের ৪ঠা মার্চ অভিযোগপত্র দাখিলের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন।
অভিযোগ সম্পর্কে আদালত বলেন, অভিযোগগুলো ফৌজদারি আইনের কোনো বিধানের আওতায় পড়ে না। মামলা চললে বিবাদী আরও হয়রানির সম্মুখীন হবেন। আদালত পর্যবেক্ষণে এও বলেন, মামলার নথিপত্র উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। আদালতের ওই সিদ্ধান্তের পর দুদকের ওই তিন মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়নি। পড়েছিল দুদকের অনিষ্পন্ন শাখায়। এখানে পড়ে থাকা ব্যুরোর আমলের মামলাগুলো নিষ্পত্তির উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনটি মামলা পুনঃতদন্তের জন্য উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদকে দুদকের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনটি মামলারই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করেন শেখ হাসিনাসহ এজাহারভুক্ত সব আসামিকে। যাচাই বাছাই শেষে ২২শে জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব মামলা ছিল, সেই মামলাগুলো আদালত মানে হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিলেন। এভাবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সব মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল।
এদিকে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর আমলে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, একনেকের সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নির্মাণ প্রকল্পে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কার্যাদেশ দেয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। নিয়ম ভঙ্গ করে শেখ হাসিনা তার পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে কার্যাদেশ দেয়ার কৌশল অবলম্বন করেন। এতে সরকারের ৪ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে প্রমাণ হয়। এ ছাড়া যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয়েছে বলে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তদন্তে প্রমাণ হয়। এসব বিষয় আমলে নিয়ে ব্যুরো সব রকম প্রমাণাদি ও আলামত সংগ্রহ করে ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অভিযোগপত্র দাখিলের সুপারিশ করেন। কিন্তু পরে আর তা সম্ভব হয়নি। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ফের ক্ষমতায় এসে নিজ ও দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা থেকে কৌশলে অব্যাহতি নেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা উচিত
গতকাল রাজধানীর এফডিসিতে ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী ও নাগরিকের ভূমিকা’ নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বিগত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে যারা নির্বাচনী অপরাধ করেছে তাদের সবাইকেই বিচারের আওতায় আনতে হবে। প্রজাতন্ত্রের যেসব কর্মচারী নির্বাচনী অপরাধ করেছে তাদের বিচারের জন্য সুস্পষ্ট আইন রয়েছে। তবে শপথ ভঙ্গ করে যেসব নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী অপরাধে জড়িত ছিলেন তাদের বিচার কোনো প্রক্রিয়ায় হবে তা নির্ধারণ করা উচিত।’
এ ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের স্বার্থে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধের উপায় বের করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আগামী নির্বাচন রাজনৈতিক চাপমুক্ত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ থাকবে না, তাই কমিশন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবে বলে আশা করা যায়।’
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচন আয়োজন করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব। যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেছেন নির্বাচনের ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে, এটা আর থামবে না। কিন্তু এই ট্রেন শেষ স্টেশনে কখন পৌঁছাবে তা জনগণ জানতে পারলে ভালো হয়।
‘বর্তমান সরকারের বিবেচনায় নেয়া উচিত নির্বাচন বিলম্বিত হলে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার শঙ্কা রয়েছে। এজন্য নির্বাচনী ট্রেনের যাত্রা শুরু হওয়ার পাশাপাশি সরকারকে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।’
পতিত সরকার জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে কিরণ বলেন, ‘বাংলাদেশে শতভাগ ভোট পেয়েও নির্বাচিত হওয়ার নজির রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের ভোট প্রদানের ঘটনাও ঘটেছে। পতিত সরকারের অধীনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাকশালী কায়দায় একতরফা নির্বাচন হয়েছিল। আমি আর ডামি, দিনের ভোট রাতে ও একতরফা নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ এ দেশে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে।’
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের চেয়ে প্রার্থীসহ জনগণের ভূমিকাই বেশি’ শীর্ষক ছায়া সংসদে কবি নজরুল সরকারি কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে তেজগাঁও কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক একরামুল হক সায়েম, সাংবাদিক সাইদুর রহমান ও সাংবাদিক মশিউর রহমান খান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিকশায় চড়লেন, চালালেন আইরিশ নারী ক্রিকেটাররা
ঢাকা শহরের ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম রিকশা। ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এটি। এই বাহন ঢাকার অলিগলিতে যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি বিদেশিদের কাছে কৌতূহলের বিষয়। একদিন আগেই বিসিবি জানিয়েছিল, রিকশায় চড়বেন আইরিশ ক্রিকেটাররা। সে কারণে হয়তো আগের রাতেই এই বাহন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছিলেন গ্যাবি লুইস, লরা ডেলানি, আভা ক্যানিংরা। এছাড়া হোটেল আর স্টেডিয়ামে যাওয়া-আসার পথে হয়তো এই বাহনটি চোখে পড়েছে তাদের। এবার সেটাতে চড়ে নতুন অভিজ্ঞতা হলো তাদের। বিসিবি তাদের জন্য আয়োজন করে একটি বিশেষ রিকশা সফর, যা তাঁদের ঢাকা সফরকে এনে দিল এক ভিন্নমাত্রা।
বিসিবির মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে স্টেডিয়ামের ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত রিকশা ট্যুরের পরিকল্পনা করা হয়। পরে অবশ্য রিকশাগুলো মেয়েদের নিয়ে স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর শুক্রবারের ফাঁকা রাস্তায় ঘুরে বেড়ান তারা। এসময় রিকশাচালকের সঙ্গে অনেককে ছবিও তুলতে দেখা যায়।
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই বাহনে বসার পর আইরিশ ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। লুইস ও হান্টারকে দেখা যায় সেলফি তুলতে আর ভিডিও ধারণ করতে। অনেকে আবার রিকশার ভিন্নধর্মী সজ্জা নিয়ে কৌতূহলী হয়ে সেটি নেড়েচেড়ে দেখছিলেন। একজন সতীর্থকে বসিয়ে প্যাডেল চালিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান তারা। কয়েকজন ক্রিকেটার গণমাধ্যমকর্মীদের দিকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছাও জানান।
আইরিশ ক্রিকেটারদের এই অভিজ্ঞতা একদিকে যেমন ছিল বিনোদনমূলক, অন্যদিকে এটি তাদের স্মৃতিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার এক বিশেষ উপলক্ষ। বাংলাদেশ সফরে এসে রিকশায় চড়ে সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার অনুভূতি গ্যাবি লুইস, অ্যামি হান্টাররা অনেক দিন ধরে মনে রাখবেন।
বিদেশি ক্রিকেটারদের বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে অবশ্য এমন আয়োজন বিসিবির নতুন নয়। এর আগে ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রতিটি দলের অধিনায়ককে রিকশায় করে মাঠে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই স্মরণীয় মুহূর্তে রিকশায় চড়েছিলেন সাকিব আল হাসান, মাহেন্দ্র সিং ধোনি, শহীদ আফ্রিদি, রিকি পন্টিং, এউইন মরগান, কুমার সাঙ্গাকারা, অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসসহ বিশ্ব ক্রিকেটের তারকারা। এরপর ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও লাসিথ মালিঙ্গাকে রিকশায় চড়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা নিয়ে ফটোসেশনে অংশ নিতে দেখা যায়।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথমবার জনসমক্ষে বুশরা বিবি, পাকিস্তানে রাজনীতিতে কীসের ইঙ্গিত?
ইসলামাবাদে আন্দোলনের আগে পিটিআই সমর্থকদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করেছিলেন বুশরা। ইমরান খানকে রক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপর ইসলামাবাদে যখন আন্দোলনকারী ও নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল, তখন হঠাৎই একটি ট্রাকের উপর দেখা যায় তাকে। এরপরই বুশরার দিকে সকলের নজর আসে। ট্রাকের পর থেকে পিটিআই সদস্যদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বুশরা বিবি বলেন, আজ আপনাদের একটি প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। সেটি হলো ইমরান খান এখানে না আসা পর্যন্ত আপনারা চলে যাবেন না। ইসলামাবাদে আন্দোলন ঘিরে সংঘাতের জন্য বুশরার এ বক্তব্যকে দুষছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। তিনি বলেছেন, এর জন্য শুধু বুশরা বিবিই দায়ী। রাজনৈতিক যাত্রাপথে আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনার জন্য বুশরা বিবি’র কাছে গিয়েছিলেন ইমরান খান। সে সূত্রে তারা ঘনিষ্ঠ হন। এরপর ২০১৮ সালে বিয়ে করেন। পাকিস্তানের রাজনীতিকে পরিবারতন্ত্র থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে বছরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন ইমরান খান। ২০২২ সালের এপ্রিলে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান। এরপর চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তার তৃতীয় স্ত্রী বুশরা বিবিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ইসলামী আইন ভঙ্গ করে ইমরান খানকে বিয়ের অভিযোগ আনে পাকিস্তান সরকার। ওয়াশিংটনভিত্তিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে বুশরার সম্পর্কের কারণেই বিক্ষোভকারীদের কাছে তিনি বিশ্বাসযোগ্যতা পেয়েছেন। এই বিক্ষোভকারীরাই সেদিন ইমরানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদে বিক্ষোভ করেছেন। তবে বিক্ষোভে বুশরার ভূমিকার জেরে পিটিআইয়ের মধ্যে বিভেদ দেখা দিতে পারে বলে মনে করেন কুগেলম্যান। তিনি বলেন, বিক্ষোভে বুশরার উপস্থিতি বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। কারণ, দলের অনেক নেতার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব রয়েছে। এরপরও বুশরার এই ভূমিকা দলকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। এটিই এখন দলটির কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এদিকে ইসলামাবাদে বিক্ষোভের আগে কারাগার থেকে নিজের দলের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছিলেন ইমরান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছিলেন, রাজনীতির সঙ্গে বুশরা বিবির কোনো সম্পর্ক নেই। স্ত্রী হিসেবে তিনি শুধু আমার বার্তাগুলো পৌঁছে দেন। ইমরানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আজ পিটিআইয়ের জনসংযোগ বিভাগও বলেছে, তিনি ইমরানের স্ত্রী হিসেবে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দলের কোনো রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়। পাকিস্তানে অনেক নারীই হঠাৎ রাজনীতিতে পা রেখেছেন। যেমন বলা চলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজীর ভুট্টোর কথা। বাবার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের সময় থেকে তিনি রাজনীতি শুরু করেন। রয়েছেন মরিয়ম নওয়াজ শরীফও। তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের ভাতিজি। বাবা নওয়াজ শরীফ কারাবন্দি হওয়ার পর তিনি রাজনীতিতে নাম লেখান। এই দু’জনের সঙ্গে বুশরা বিবিকে মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাকিস্তানের এক বাসিন্দা লিখেছেন, ‘যখন দাবার সৈনিকেরা পরাজিত হয়, তখন (রাজাকে রক্ষা করতে) রানী এগিয়ে আসেন।’ বুশরা বিবির এই এগিয়ে আসাটা হয়তো কাজে লাগছে। বিক্ষোভে ট্রাকের উপর তার ছবিকে প্রশংসা করছেন অনেক পাকিস্তানি। এখন দেখার বিষয়, রাজনীতিতে ভুট্টো ও শরীফ পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলা ইমরান খানও এখন বুশরার ঘাড়ে ভর দিয়ে একই পথে হাঁটেন কিনা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বৈরাচারের কামড় এবং সোহেল তাজ by শামীমুল হক
দেশ এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে একের পর এক দাবি আদায়ের নামে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে। এমনটা কেন হচ্ছে? এ প্রশ্ন সর্বত্র। গত প্রায় ষোল বছরে পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসনসহ সকল ক্ষেত্রে স্বৈরাচারের দোসররা কামড় দিয়ে বসেছে। এ অবস্থায়ই দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আর স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালায় তার দোসরদের রেখে। এখন ভিন দেশে বসে দোসরদের নির্দেশ দিচ্ছে দেশকে কীভাবে ব্যর্থ করা যায়। কীভাবে ধ্বংস করা যায়। বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ফাঁস হওয়া কথাবার্তায় তা স্পষ্ট। সর্বশেষ ইসকনকাণ্ডে তার বিবৃতিও এটাই প্রমাণ করে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী সোহেল তাজ তার ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে সরাসরি তিনি স্বৈরাচারকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন-হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, দুর্নীতি করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে, দেশটাকে শেষ করে ছাত্র-জনতার ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে গিয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। ও কতো বড় নির্লজ্জ বেহায়া দেশটাকে এক মুহূর্তের জন্য শান্তিতে থাকতে দিবে না। প্রথমে ডিজিটাল জুডিশিয়াল ক্যু-এর চেষ্টা, তারপর একের পর এক অপচেষ্টা- আনসার বাহিনী দিয়ে, ব্যাটারি রিকশা, নূর হোসেন দিবসে ট্রাম্পকার্ড, ঋণ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শাহবাগে মানুষের জমায়েত করার চেষ্টা, বিভিন্ন কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা আর এবার ধর্মীয় সমপ্রীতি নষ্ট করে লাশের উপর ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা। সোহেল তাজ লিখেন- দুইটা বই সবাইকে পড়তে অনুরোধ করবো: ১. আমার ফাঁসি চাই। ২. অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী। এই দুইটা বই মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর লেখা। স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ লিখেন-নীতি আদর্শ বিচ্যুত খারাপ মানুষের প্রশংসা আমার প্রয়োজন নাই- আমি আপাদেরকে চিনি।
বি.দ্র.: আওয়ামী লীগের ব্রেইন ওয়াশড নষ্ট পচা নীতি/আদর্শ বিচ্যুত লুটেরা খুনি হত্যা গুম নির্যাতনকারীদের সমর্থক সকলকে বলবো অনতিবিলম্বে আমার এই ফেসবুক পেইজটি আনফলো করতে- আর অনুরোধ থাকবে নিজের বিবেককে জাগিয়ে আত্মোপলব্ধি আত্মসমালোচনা করে অনুশোচনা করার। সোহেল তাজ এক সময় এই দলের এমপি ছিলেন। হয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও। যদিও এই মন্ত্রিত্ব তার কাছে হয়ে উঠেছিল বিষাদময়। তার পিতা ছিলেন মুজিবনগর সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেন। ১২ই জানুয়ারি ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মন্ত্রিসভা কার্যকর ছিল। শেখ হাসিনা যখন ভিন্ন দেশের আশ্রয়ে তখন সোহেল তাজের মা জোহরা তাজউদ্দীন ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট। আওয়ামী লীগের হাল ধরে তিনি দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অনেকদূর। দুঃখের বিষয় হলো-এই তাজউদ্দীনকেই এক সময় বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেয়া হয়। আর শেখ হাসিনার আমলে সোহেল তাজ বাধ্য হয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিতে হয়েছিল। আর কেন ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তার সঙ্গে শেখ হাসিনার আচরণ সবই তিনি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। দেশের প্রতি তার পরিবারের আত্মত্যাগ, তার পরিবারের অবদান শেখ হাসিনাই স্বীকার করেন না। তাইতো শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে হাজারো বার বলেছেন এই দেশটা আমার বাবা স্বাধীন করেছে। এমনভাবে বলতেন যেন তার পিতা একা দেশটা স্বাধীন করেছে। অন্য কারও কোনো ভূমিকা ছিল না। অথচ দেশটাকে স্বাধীন করতে যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে এ যুদ্ধে তার বাবাকে অস্ত্র ধরতে হয়নি। এ যুদ্ধ করতে গিয়ে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। সম্ভ্রম হারিয়েছেন দুই লাখ মা-বোন। আর তার পিতা ছিলেন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করলে দেশ স্বাধীন হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র হয়। কিন্তু এ আত্মসমর্পণ নিয়েও কতো নাটক হয়েছে সবাই জানেন। দেশ স্বাধীনের এক বছরেরও বেশি সময় পর ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ফেরেন। কারাভোগের পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে তিনি ৮ই জানুয়ারি মুক্তি লাভ করেন। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন যান এবং দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন। তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ের লেখা বইয়ে উল্লেখ রয়েছে দেশে ফিরে বিমানবন্দর থেকে একই গাড়িতে বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীন ফিরছিলেন। ওই সময় বঙ্গবন্ধু বলেন, তাজউদ্দীন আমার তো প্রধানমন্ত্রী হতে মন চাইছে। তাজউদ্দীন বললেন, হবেন। তাই হয়েছিলেন। দুইদিন যেতে না যেতেই ১২ই জানুয়ারি তাজউদ্দীনের মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত করে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হয়ে সরকার গঠন করেন। কিন্তু যে উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হলো সে উদ্দেশ্য থেকে বঙ্গবন্ধু সরকার বিচ্যুত হয়ে পড়েন। দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেন। নিজ দল আওয়ামী লীগকে বিলুপ্ত করে গঠন করেন বাকশাল নামে নতুন দল। এই বাকশালে দেশের সকল সরকারি- বেসরকারি মানুষকে সদস্য হতে বাধ্য করেন। দেশে চারটি সংবাদপত্র রেখে বাকি সব বন্ধ করে দেন। ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়ে। যে চারটি পত্রিকা রাখা হয়েছিল সেগুলোও বঙ্গবন্ধুর চাটুকারীতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এরপর ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট দেশের ইতিহাসে নির্মম হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হন। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় তারা বেঁচে যান।
আওয়ামী লীগ সবসময়ই ছিল স্বাধীন মত প্রকাশের বিরোধী। এটা প্রমাণিত সত্য। শেখ হাসিনার গত প্রায় ষোল বছরের শাসনামলে দেশবাসী তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিরোধী দলগুলো কোনো কথা বলবে তাতেও বাধা। একদলীয় শাসন থেকে নিষ্ঠুরতম স্বৈরশাসকে পরিণত হন হাসিনা। পরপর তিনটি নির্বাচন তার আমলে হয়েছে যা ছিল নির্বাচনের নামে তামাশা। নির্বাচনের পরদিন শেখ হাসিনা আবার নির্লজ্জের মতো আওয়ামী লীগকে পুনরায় ভোট দিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেন। তা শুনে মানুষ হাসতেন। গুম, খুন, মামলা, হামলার সংস্কৃতি গড়ে তুলেন দেশে। ছাত্রলীগকে হামলার কারিগর হিসেবে লাইসেন্স দিয়ে দেন। তাই তো প্রকাশ্যে দিনে- দুপুরে ছাত্রলীগ বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করলেও তাদের কিছু হয় না। বিশ্বজিৎকে যখন কোপানো হচ্ছিল তখন ছাত্রলীগ বলছিল সে শিবিরের লোক। অথচ বিশ্বজিৎ চিৎকার করে বলছিলেন আমি শিবির নই। আমি হিন্দু। প্রয়োজনে আমার প্যান্ট খুলে দেখতে পারেন। কিন্তু ছাত্রলীগ কারও কথা শুনেনি। অন্যদিকে এ হত্যাকাণ্ডের পর কোনো হিন্দু নেতাকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিতেও দেখা যায়নি। কিন্তু এখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনা নিজের প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে হিন্দু নেতাদের কেউ কেউ জেগে উঠেছেন। তারা রাজপথে নেমে আসেন হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে বলে। কিন্তু দেশবাসী জানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর কোনো হামলা হয়নি। বরং বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশেই হিন্দু সম্প্রদায় মুসলমান সম্প্রদায়ের চেয়ে বেশি শান্তিতে রয়েছে। তবে দু’একটি হামলার ঘটনা যে ঘটেনি তা কিন্তু নয়। এ হামলা ছিল রাজনৈতিক। অবশ্যই ধর্মীয় নয়। দেশে এখনো স্বৈরাচারের দোসররা রয়েছে। কিন্তু তারা নীরবে নিভৃতে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর কীভাবে তা করছে বৃহস্পতিবার সোহেল তাজ তার ফেসবুক পেইজের স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, প্রথমে ডিজিটাল জুডিশিয়াল ক্যু-এর চেষ্টা করা হয়। তারপর একের পর এক অপচেষ্টা-আনসার বাহিনী দিয়ে, ব্যাটারি রিকশা, নূর হোসেন দিবসে ট্রাম্পকার্ড, ঋণ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শাহবাগে মানুষের জমায়েত করার চেষ্টা, বিভিন্ন কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা আর এবার ধর্মীয় সমপ্রীতি নষ্ট করে লাশের উপর ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সবখানেই ব্যর্থ হয়েছেন হাসিনা। তিনি তারপরও বসে নেই। আবার কোন খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন শেখ হাসিনা একমাত্র তিনিই জানেন। হাসিনার একমাত্র ইচ্ছা দেশটাকে ধ্বংস করা। অন্যথায় তিনি তার নেতাকর্মীদের বলে দিতেন এখন তোমরা চুপ থাকো। সময়মতো মানুষের কাছে যাবে। তাদের হৃদয় জয় করবে। গত ষোল বছরের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে। যদিও এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনাসহ তার দলের কোনো নেতা ষোল বছরের আকামের জন্য অনশোচনা করেছেন কিংবা দুঃখ প্রকাশ করেছেন- এমন কথা শোনা যায়নি। যারা নিজেদের ভুল স্বীকার করতে এত কার্পণ্য করে তাদের দিয়ে আর কিছু হবে বলে মনে হয় না। এ কারণেই হয়তো আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী দল। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশ স্বৈরশাসনের কবলে পড়েছে। শেখ হাসিনা তো নিজে স্বৈরাচার হয়েছে আবার তার সঙ্গে টেনে নিয়েছে আরেক স্বৈরাচার এরশাদের দল জাতীয় পার্টিকে। দুই স্বৈরাচার মিলে দেশটাকে লুটেপুটে খেয়ে ফোকলা করে এখন দেশছাড়া হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের সকল দলকে এক কাতারে এসে সরকারকে সহায়তা করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে দলমত নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। হাতে হাত রেখে দেশ রক্ষার শপথ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে ছাত্র- জনতার রক্তের বদলে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে হারতে দেয়া যাবে না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিতে বাবার মৃত্যু,৭ মাসের শিশুটি অসহায় by ফাহিমা আক্তার সুমি
ওয়াসিম শেখের স্ত্রী রেহানা আক্তার মানবজমিনকে বলেন, আমার স্বামী ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমাদের ৭ মাসের একমাত্র সন্তান রয়েছে। সে জন্মের পর থেকে তাকে কেনা দুধ খাওয়াতে হয়। বাবা ছাড়া সংসার পরিচালনা করা একজন মায়ের জন্য অনেক কষ্টের। ঘটনার দিন বিকাল ৪টায় বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন আমি ও আমার শাশুড়ি খাবার খাচ্ছিলাম সেসময় সে মেয়েকে ঘুমিয়ে রেখে বাইরে চলে যায়। আমাদের বিয়ের ৮ বছর পর মেয়েটি হয়। তার সন্তানকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। তাকে কোথায় ঘুরতে নিবে, কোথায় পড়াবে সেসব চিন্তা করতো সবসময়। মেয়ের ২ মাস ১২ দিন বয়সে ওর বাবা মারা যায়।
তিনি বলেন, আমার চিন্তা এখন মেয়েকে নিয়ে। আমি দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে আর পড়তে পারিনি। এখন মেয়ের কথা চিন্তা করে আমাকে চাকরি করতে হবে, না হলে মেয়েকে নিয়ে কোথায় কার কাছে যাবো। ওর বাবার ইচ্ছা ছিল মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করাবে কিন্তু সেই ইচ্ছা তো আর পূরণ করতে পারেনি। সে তো একদিকে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে, আরেক দিকে আমার সন্তান তার বাবাকে হারিয়েছে। ওর বাবার একমাত্র সন্তান ছিল। এর প্রতি অনেক টান ছিল, মেয়েও তার বাবাকে পেলে আর কাউকে চিনতো না। সারাদিন বাইরে থেকে যখন কাজ শেষে বাসায় আসতো তখন ওর বাবাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না, অনেক রাত পর্যন্ত বাবার সঙ্গে খেলতো। এখন বাবাকে দেখতে না পেয়ে চারিদিকে খুঁজতে থাকে। আমি তো মা আমি বুঝি আমার সন্তান কি চায়। হয়তো সে বলতে পারে না কিন্তু বাবা না থাকার শূন্যতা ঠিকই বুঝতে পারে।
নিহতের মা জোসনা বেগম বলেন, আমি আমার সন্তানরে দুপুরের খাবার খাইয়ে দিলাম। ও বের হওয়ার সময় বলেছিল মা আমি একটু দোকান দেখে আসি যদি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় দোকানটা। এ কথা শুনে আমি তাকে বাধা দেইনি আমি খাবার খাইয়ে দিলাম কিন্তু আমার সন্তান তো আর ফিরে এলো না। এখন আমার ছোট ছেলেটি ব্যবসা চালায়। আমার সন্তান যেভাবে বেচাকেনা করতো এখন সেটি আর হয় না। এখন সবসময় মনে হয় আমার সন্তান যেন কোথায় গিয়েছে। আমাদের গ্রামে কোনো বাড়িঘর নেই, নদীতে ভেঙে গেছে। অনেক আগে আমরা ঢাকায় এসেছি। ওর বাবাও গুলিস্তানে ব্যবসা করতো। সরকার থেকে এখানো কিছু পাইনি, আমার আত্মীয়স্বজনরা কিছু সহযোগিতা করেছে। ছেলে থাকতে আগে তিন রুমের একটি ফ্ল্যাট নিয়ে থাকতাম এখন একটি টিনশেডের বাসায় উঠেছি। তখন ১০ হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিতাম এখন ৫ হাজার টাকা দেই। এত টাকা কীভাবে জোগাড় করবো আমরা।
ওয়াসিমের বোন তামান্না ওইদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গত ১৮ই জুলাই দুপুরে খাবার খেয়ে দোকান দেখার কথা বলে বাইরে যায়। শনির আখড়ায় ভাইয়ের দোকানটি ছিল। এভাবে প্রায়ই সে আন্দোলনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়াতো। আমার ভাই মারা যাওয়ার ৪ মাস আগে আমার বাবা ব্রেন স্ট্রোক করে মারা যায়। বাবা গুলিস্থানে ব্যবসা করতো। ওইদিন বিকাল ৫টায় আমার মোবাইলে কল আসে। তখন তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি জানতে পারি। তাকে উদ্ধার করে শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। এটি শোনার পর আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলে যাই। সেখানে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভাইকে খুঁজতে থাকি। এক ঘণ্টা পরে মর্গে গিয়ে ভাইকে পাই। সেখানে অসংখ্য লাশ ছিল। আমার ভাইয়ের মাথার একপাশের খুলি উড়ে যায় গুলিতে। পরদিন অনেক ঝামেলার মধ্যে গিয়ে আমরা মরদেহ হাতে পাই। কাজলা ব্রিজের সামনে মারা যায়। তিনি বলেন, ফুটপাথে প্যান্টের দোকান ছিল। এই দোকানের আয় দিয়ে পরিবার চলতো। তার পরিবারে মা, তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। আমরা তিন ভাই দুই বোন। এই ভাই মেজো ছিল। একামাত্র সন্তান রেখে ভাই মারা যায়। বাবার মৃত্যুর ৪ মাসের মাথায় ভাই মারা গেল। পরিবারে একজনের শোক কাটাতে না কাটাতে আরেক জনের মৃত্যু হলো। এখন সবচেয়ে ভাইয়ের সন্তানটিকে দেখলে কষ্ট হয় কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই বাবাকে হারালো। ও বাবার অনেক আদরের ছিল। এখন মা, ভাবী ও তার সন্তানের চলতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। মা অসুস্থ, ভাবী তার ছোট সন্তানকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। এখনো পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোনো সহযোগিতা পাইনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে তারাপুর চা বাগানে ভূমি দখলের মহোৎসব by ওয়েছ খছরু
পরবর্তীতে প্রশাসনের তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে বাগানের জমিতে ৭২৩টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এ কারণে বৃটিশ শাসনের সময় থাকা মোট ৫০০ একর ভূমির মধ্যে এখন সেটি ১৩০ একরে ঠেকেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- বাগানের অভ্যন্তরে মেডিকেলের প্রধান ফটকের সামনে প্রায় ৫০ শতক ভূমি দখল করে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ওই দোকানপাটের ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। বাগানের গোয়াবাড়ি সড়কের প্রবেশমুখে প্রায় ৬০ শতক ভূমি দখল করে দোকানপাট সহ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে একটি আবাসিক এলাকাও। হাওলাদারপাড়া, জগদীশটিলা, করেরপাড়ার কয়েক একর ভূমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতা সুদীপ দে প্রায় ৮ শতক ভূমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। পরে আইনি লড়াইয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ জমি পায়। তবে; বর্তমানে মন্দিরের উন্নয়নের কথা বলে ওই ভূমিতে বাগান কর্তৃপক্ষ দোকানপাট নির্মাণ করে বিক্রি করে দিচ্ছে। ভূমি ক্রয়কারী দোকানের মালিকরা জানিয়েছেন- ৮ থেকে ১০ লাখ টাকায় ৮টি দোকান তারা বাগান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিজ নিয়েছেন। দোকানের পজিশন নিয়ে বর্তমানে মালিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। লাখাউড়া এলাকায় প্রায় ৫৩ একর ভূমি বেহাত রয়েছে। পীর মহল্লার শেষাংশে প্রায় ২০ বিঘা ভূমি দখল করে বাসাবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ৫ই আগস্টের পর থেকে বাগানের নিকটবর্তী ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপাড়া এলাকায় অন্তত এক বিঘা ভূমিতে অট্টালিকা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা চলছে। অভিযোগ উঠেছে- স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ বক্সের নেতৃত্বে আলাউদ্দিন বক্স, রুমেল বক্স, সুমন বক্স, রুক্কল বক্স সহ ১৬ জন ব্যক্তি ওই ভূমি দখলে নিয়ে বর্তমানে বাসা নির্মাণ করছেন।
দখলের বিষয়টি বুধবার সরজমিন তদন্ত করেছেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি টিম। তারা সরজমিন ভূমি দখলের সত্যতা পেলেও সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করেননি। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ বক্স ওই ভূমি দখলে তার নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান- কয়েক বছর পূর্বে ওই ভূমিতে অস্থায়ী স্থাপনা ছিল। তখন বাগান কর্তৃপক্ষ কোনো নিষেধ করেনি। স্থাপনা নির্মাণকারী হাজীপাড়া এলাকার রুমেল বক্স মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ২০১৭ সালে ৩৫ শতক ভূমি বাগান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিজ নিয়ে তারা বাড়ি নির্মাণ করছেন। জমি দখলের বিষয়টি সত্য নয়। রুমেলের এই বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন বাগানের ম্যানেজার রিংকু চক্রবর্তী। তিনি জানিয়েছেন- পূর্বের স্থাপনা তিনি নিজেই উচ্ছেদ করেছেন। প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সময় তিনি সহ বাগানের শ্রমিক নেতাদের মামলা হওয়ায় বর্তমানে তেমন পদক্ষেপ নিতে পারছেন না। এ কারণে ভূমি দখলের জন্য স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তিনি সাধারণ ডায়েরি ও সেনাবাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ৭ নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর সাঈদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন- একটি বাগান ধ্বংস করে স্থাপনা নির্মাণ করা অপরাধ। এ কারণে আমাদের দাবি হচ্ছে বাগান এলাকা এবং বসতি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সেটি করা হচ্ছে না। তারাপুর বাগান শুধু হাজীপাড়া অংশই নয়, চতুর্দিকে দখলের মহোৎসব চলছে। এদিকে বাগানের জমি দখলের কথা জানিয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পাঠানটুলা এলাকার মুহিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। পাঠানটুলা এলাকার সালেক আহমদ জানিয়েছেন- বর্তমানে তারাপুর চা বাগানের ভূমি বাগানের ম্যানেজার বাগানের প্যাডে লিখিত করে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এই বিক্রির বৈধতা কতোটুকু প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন- বাগানে ভূমি বেচা-বিক্রির বিষয়টি এখন এলাকায় ওপেন সিক্রেট। ঘোষণা দিয়ে দোকানপাট বিক্রি করা হচ্ছে। এ নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ বিরাজ করছে। তার বাসার গলির উল্টো দিকে এক ব্যক্তির কাছে বালু ব্যবসার জন্য টাকার বিনিময়ে জমি লিজ দেয়া হয়েছে। বাগান ম্যানেজার রিংকু জানিয়েছেন- তিনি কোনো লিজ দিচ্ছেন না। লোকসানে থাকা বাগানের ঘাটতি পূরণে সংশ্লিষ্ট সবার অনুমতি নিয়ে সেটি করা হচ্ছে। এ টাকার একাংশ মন্দিরের উন্নয়নে ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অর্জন বৃথা যেতে দেয়া হবে না
তিনি বলেন, ভারতের পত্র-পত্রিকাগুলোতে, আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে এমনভাবে লেখা হচ্ছে, যেন বাংলাদেশে এখন এই ধরনের সমস্ত নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটছে। আসলে তা না। কারা এগুলো করছে? কেন করছে? আমি এই কথাটা এজন্য বলছি যে, এই আনন্দে আমাদের থাকার অবকাশ নাই যে, আমরা জিতে গেছি, সব হয়ে গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মাথার ওপরে সেই খড়গ এখনো আছে এবং চতুর্দিকে তারা চেষ্টা করছে আবার অন্ধকারে নিয়ে যাওয়ার। এজন্য খুব সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। কোনো রকম হটকারিতা, কোনো রকম বিশৃঙ্খলা যাতে কেউ করতে না পারে, সেটাকে রুখে দিতে হবে।
ছাত্র-সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রেখে তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। কারণ নিঃসন্দেহে তোমরা নতুন স্বপ্ন দেখছো, নতুন পৃথিবী দেখছো। সবচেয়ে বড় বিষয়টা তোমরা চিন্তা করছো, এর পরে কি? হ্যাঁ এটাই তোমাদের চিন্তা করতে হবে। এখন এই বাংলাদেশকে তৈরি করা, এখন এই বাংলাদেশটাকে গড়ে তোলা।
ফখরুল বলেন, শেষ করে দিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। কোথাও কোনো অবশিষ্ট রাখেনি, একেবারে লুটপাট করে- আমি সব সময়ে আমার বক্তৃতার মধ্যে বলতাম মেঠো ভাষায় ফোকলা করে দিয়ে গেছে। অর্থনীতি নাই, ব্যাংক লুট, সব জায়গায় লুট, ঘুষ, দুর্নীতি, সমাজটাকেই শেষ করে দিয়ে গেছে। এ বিষয়গুলোকে আমাদেরকেই বন্ধ করতে হবে, আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জনগণ যদি রুখে দাঁড়ায় কোনো শক্তি নাই, সেটাকে কেউ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আমার অনুরোধ তোমরা ছাত্র, তোমরা আন্দোলনে অংশ নিয়েছো, তোমরা অংশীদার, তোমরা এই বিষয়গুলোর দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবে কেউ যেন আমাদের অর্জিত সম্পদ কেড়ে না নিতে পারে সেইদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনি বলেন, এখন একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছে, দেশের জন্য কিন্তু চারদিকে আবার অন্ধকার আসছে। এটা তোমরা ভালো করে জানো। আমি ভীষণ কষ্ট পাই যখন দেখি যে, আমার ছেলেরা ছেলেরা মারামারি করছে, যখন তুমি এতো বড় একটা বিজয় অর্জন করলে, একটা ফ্যাসিস্টকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিলে, একটা ইতিহাস সৃষ্টি করলে সেই সংঘাত আমাদেরকে দেখতে হবে যে, আমরা সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ ও মোল্লা কলেজের ছাত্ররা মারামারি করে রক্তাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এটা তো কোনো মতেই গ্রহণযোগ নয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা তো একটা নতুন জায়গায় এসেছি, নতুন স্বপ্ন দেখছি, নতুন দিগন্ত দেখছি- সেখানে এই ধরনের ঘটনা আমরা দেখতে চাই না। আমি খুব হতাশ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা লাখ লাখ ছাত্রের মিছিল নিয়ে বেরিয়ে এসেছে যে, আমরা শান্তি চাই, আমরা এই ধরনের ঘটনা দেখতে চাই না, ইতিমধ্যে অনেকে প্রতিবাদ করেছে। আমি বয়স্ক মানুষ, জীবনের প্রায় শেষ সময় এসে গেছি, একটাই অনুরোধ আমরা যেটা অর্জন করেছি, সেটা যেন আমাদের বৃথা না যায়।
আয়োজক সংগঠনের সমন্বয়ক মিলন মাহমুদের সভাপতিত্বে কনভেনশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক শরিফ উদ্দিন আহমেদ, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হোসেন শাহরিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমির হোসেন, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এরফান আলী, অধ্যাপক এসএম মাহবুবুর রহমান, তেজগাঁও সরকারি কলেজের অধ্যাপক সোলায়মান আলী, বিএনপি’র পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য জেড মূর্তজা চৌধুরী তুলা, ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল, যুবদলের কামাল আনোয়ার আহম্মেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, মহানগর বিএনপি’র পাপ্পু সরকারসহ ঠাকুরগাঁওয়ের ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতারা ছিলেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Friday, November 29, 2024
গাজার উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের গভীরে ঢুকেছে ইসরায়েলি ট্যাংক, নিহত ৪২
গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলীয় বেইত লাহিয়া শহরে কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে একটি বাড়িতে দুটি বিমান হামলায় ছয় ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে ইসরায়েলি হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে গতকাল বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে।
পরে পূর্বাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি আশ্রয়শিবিরের কাছে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো ওই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল।
নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে কয়েকটি হামলা চালানো হয়েছে। শিবিরের আল আওদা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এতে একটি বহুতল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন মসজিদের বাইরের সড়কগুলোয় হামলা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা বলেন, আশ্রয়শিবিরের উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা থেকে ইসরায়েলি ট্যাংকগুলো অগ্রসর হওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের বাড়িতে আটকা পড়েছে। ট্যাংক থেকে অনবরত গোলা ছোড়ার কারণে অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।
এদিকে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার মধ্যে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজা উপত্যকায় আটকে পড়া মানুষেরা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন।
জাতিসংঘ বলেছে, ‘খাবার-দাবার দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে এবং দুর্ভিক্ষ আসন্ন। গাজার পানি সরবরাহের বেশির ভাগটাই পানের জন্য অনিরাপদ। কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় পরিবারগুলো পরিত্যক্ত বাড়িতে বা খোলা জায়গায় বসবাস করছে।
গাজার মধ্যাঞ্চল থেকে আল–জাজিরার প্রতিনিধি তারেক আবু আজুম বলেন, পরিবারগুলো শুধু পানি পান করে এবং খেজুর খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকেরাও বলেছেন, ইসরায়েলি বিমান ও গোলা হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষের নিচে তাদের পরিবারের সদস্যরা চাপা পড়েছেন। তাদের উদ্ধার করা যাচ্ছে না।’
গত মঙ্গলবার লেবাননে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি এখন গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন করে তৎপর হবেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মনে করি, অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে।’
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। জবাবে সেদিন থেকেই গাজা উপত্যকায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
![]() |
| গাজা নগরীতে ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত একটি এলাকা। ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্ভল মসজিদ সমীক্ষায় নিম্ন আদালত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবেন না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ মসজিদ কমিটির আবেদন শুনে বলেন, হাইকোর্টের অভিমত না শুনে সমীক্ষার প্রতিবেদন প্রকাশ করা যাবে না। তা সিল করা খামে রাখতে হবে। তাঁরা জানান, তিন কর্মদিবসের মধ্যে (আগামী বুধবার) মসজিদ কমিটিকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
প্রধান বিচারপতির এজলাস সম্ভলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। শান্তিশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে শান্তি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
অযোধ্যার পর কাশীতে (বারানসি) জ্ঞানবাপি মসজিদে সমীক্ষা করা হয়। একই দাবি জানানো হয়েছে মথুরায় শাহি ঈদগাহ মসজিদের ক্ষেত্রেও। এবার উত্তর প্রদেশের সম্ভলে জামা মসজিদের ক্ষেত্রেও নিম্ন আদালত সমীক্ষা করার নির্দেশ দেন। সেই মতো সমীক্ষক দল হাজির হলে ২৪ নভেম্বর সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষ বাধে। গুলিতে চারজন নিহত হন। আহত হন অনেকে।
উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, হরিহর (কৃষ্ণ ও শিব) মন্দির ভেঙে সম্ভলের মসজিদ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে ওই মসজিদের সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশ নিয়েই গোলমাল।
একই ধরনের দাবি জানানো হয়েছে রাজস্থান রাজ্যের আজমির শরিফ দরগাহর ক্ষেত্রেও। নিম্ন আদালতে রুজু করা মামলায় বলা হয়েছে, খাজা মইনুদ্দিন চিশতি দরগাহটি এক শিবমন্দিরের ওপর গড়ে তোলা হয়েছে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে (এএসআই) দিয়ে সমীক্ষা করা হলেই সত্য জানা যাবে।
![]() |
| ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সম্ভলে ধর্মীয় সহিংসতার পর মসজিদে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ২৫ নভেম্বর। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাঁইচে থাকা যে কত কষ্টের, তা আমার মতোন আর কেউ বুঝবে না’ by ইমতিয়াজ উদ্দীন
গত বুধবার দুপুরে প্রচণ্ড রোদে খালের পাড় থেকে কাদামাটি তুলে ঘরের ভিত ঠিক করছিলেন স্বপ্না বেগম (৪২)। এ কাজে তাঁর সহযোগী ৯ বছরের মেয়ে মরিয়ম। নিচু ঘরটির মেঝেতে তখন থালায় ভাত নিয়ে বসে ছিলেন ছোট দুই ছেলে সাত বছরের আরিফুল ও পাঁচ বছরের রকিবুল। ঘরের সামনে অচেনা মানুষ দেখে এগিয়ে আসেন স্বপ্না বেগম। এ প্রতিনিধিকে জানান, তাঁর বড় ছেলে মেহেদী হাসানের (১৪) সামান্য রোজগারে সন্তানদের নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। কোনো দিন অর্ধাহারে, কোনো দিন থাকতে হয় অনাহারে।
জীবনের গল্প শোনাতে গিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে স্বপ্না বেগম বলেন, ‘নিজির গতর খাটায়ে চার ছাওয়াল-মাইয়ের খাবার জোগাড় করতি হয়েছে। কখনো রাস্তার কাজে, কখনো মানুষির বাড়িতে ঝিয়ের কাজ, আবার কখনো গাঙে জাল টানতি হয়। শরিলি আর কুলাই ওঠে না। অসুখবিসুখ লাইগেই আছে। টাকার অভাবে চিকিৎসাও করাতি পারি না। বড় ছেলেটারে নদীতে পাঠাইছি। কয়দিন ধরে তার সামান্য রোজগারেই নুন-ভাত জোটে। বাঁইচে থাকা যে কত কষ্টের, তা আমার মতোন আর কেউ বুঝবে না।’
বলতে বলতে গলা ধরে আসে স্বপ্নার। মায়ের পাশে এসে দাঁড়ায় ছোট ছেলেমেয়েরা। শিশুরা অপলক তাকিয়ে আছে। আঁচলে চোখের পানি মুছে স্বপ্না বলেন, ‘একখান ঘরের জন্যি অনেকের কাছে গেছি। সবাই খালি আশ্বাস দেয়, ঘর দেয় না। চার বছর ধইরে রাস্তার পাশে পইড়ে আছি। আয়রোজগার নাই। ছোট ছাওয়াল দুটো বুঝতি চায় না। খালি এইটা-সেইটা খাইতে চায়। ভালো খাবার ছাওয়াল-মাইয়েগের কপালে নাই। মাঝেমধ্যি মনে হয়, গাঙে ডুইবে যাই। কিন্তু চার ছাওয়াল-মাইয়ের মুখির দিকি তাকায়ে তা করতি পারিনে।’
পাশের শাকবাড়িয়া নদী পার হলেই সুন্দরবন। সেখানে অন্যের ডিঙি নৌকায় করে মাছ ধরতে যান স্বপ্না বেগমের বড় ছেলে মেহেদী। যে বয়সে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা, সে বয়সে মায়ের অসুস্থতার কারণে সব দায়িত্ব পড়েছে তার কাঁধে। নদীর পাড়েই দেখা হয় কিশোর মেহেদীর সঙ্গে। মেহেদী বলে, ‘খুব ভোরে গাঙে আসি। মানুষের সাথে ডিঙি নৌকায় বাদার খালে মাছ-কাঁকড়া ধইরে কোনো দিন দুই শ, কোনো দিন তিন শ টাকা পাই। যেদিন কেউ নৌকায় না নেয়, সেদিন নদীতে জাল টেনে বাগদা চিংড়ির রেণু ধরি। কামাই (রোজগার) একটু কম হয়। সেদিনটা অনেক কষ্টে যায় আমাগের।’
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ছোটবেলায় মা মারা যান স্বপ্নার। তারপর বাবা আরেকটি বিয়ে করলে স্বপ্নার ঠাঁই হয় নানাবাড়িতে। সেখানেই বেড়ে ওঠেন স্বপ্না। ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় আবদুর রউফের সঙ্গে। সন্তানদের জন্মের পর নানাবাড়ি থেকে চলে এসে রাস্তার পাশে ঝুপড়িতে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। স্বপ্নার স্বামী রউফ গাজী আরেকটি বিয়ে করে চলে যান। সেই থেকে সন্তানদের নিয়ে নিদারুণ কষ্টে জীবন যাপন করছেন স্বপ্না।
স্বপ্নার প্রতিবেশী আমেনা খাতুন বলেন, ‘ছোট বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে স্বপ্নার কষ্ট দেখতি না পাইরে মাঝেমধ্যি চাল-ডাল যা পারি, দেই। দুর্মূল্যের বাজারে গ্রামের সব মানষির টানাটানির মধ্যি দিন কাটাতি হয়। এর মধ্যি মন চালিও সব সময় সহযোগিতা করতি পারিনে।’
স্বপ্নার ঝুপড়ি ঘরে থাকার মতো অবস্থা নেই বলে জানান জোড়শিং গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন। তিনি আরও বলেন, স্বপ্নার বাচ্চারা বাড়িতে না খেয়ে থাকলেও খবর নেওয়ার কেউ নেই। সরকারি কিংবা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাঁকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিলে ভালো হতো। ছেলে–মেয়েরা পড়াশোনার নিশ্চয়তা পেত।
স্থানীয় দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, পরিবারটির খাওয়ার কষ্টের সঙ্গে বড় সমস্যা ঘরের। তাঁদের থাকার স্থায়ী ব্যবস্থা করতে একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। অন্যান্য সরকারি সহায়তার পাশাপাশি এবার ভিজিডির একটি কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
![]() |
| তিন সন্তানের সঙ্গে মা স্বপ্না বেগম। বুধবার খুলনার কয়রা উপজেলার জোড়শিং গ্রামে। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবল ঠাণ্ডা ইউক্রেনে, বেছে বেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার
ইউক্রেনের প্রবল শীতই এখন হাতিয়ার রাশিয়ার। বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে এমন জায়গাতেই বেছে বেছে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ ফৌজ। এই আক্রমণকে রাশিয়ার মাটিতে ইউক্রেন কর্তৃক মার্কিন সরবরাহকৃত আটকমস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ‘অবিরাম আক্রমণ’-এর প্রতিক্রিয়া বলে উল্লেখ করেছেন পুতিন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, যেকোনো রাশিয়ান হামলার কঠোর জবাব দেয়া হবে। এই হামলার প্রভাব পড়েছে ইউক্রেনের দক্ষিণ শহর খেরসনে। সেখানকার একাধিক অঞ্চলও এই মুহূর্তে অন্ধকারের গ্রাসে। বিদ্যুৎ না থাকায় সরবরাহ হচ্ছে না পানি। মিসাইল ও সাইরেনের বিকট শব্দে ঘুম ভেঙেছে কাতেরিনা মালোফিয়েভা নামে এক সাংবাদিকের। নিজের অভিজ্ঞতার কথা সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি। যদিও ইউক্রেনীয় সেনার দাবি আছড়ে পড়ার আগে বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেয়া হয়। রাশিয়ার হামলার জেরে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে এটি ইউক্রেনের এক মিলিয়নেরও বেশি লোককে বিদ্যুৎবিহীন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে।
কনকনে ঠাণ্ডায় সমস্যায় পড়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। রাশিয়ার এই আক্রমণের কড়া নিন্দা জানিয়েছে কিয়েভ। পাশাপাশি বেশ কিছু পরমাণু কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে ইউক্রেন।
জেলেনস্কি বলেন, বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ক্লাস্টার অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধে রাশিয়ার অন্যতম অস্ত্র হচ্ছে শীত। এখন কিয়েভে তাপমাত্রা শূন্যের নিচে। ফলে ঘর গরম রাখতে ও পানির পাইপগুলোকে সচল রাখতে বিদ্যুতের প্রয়োজন। সেই দুর্বল জায়গাতেই আঘাত করছে রাশিয়া।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় সাড়ে নয় ঘণ্টা ধরে হামলা চলে। পশ্চিমের তিনটি অঞ্চলসহ ইউক্রেনের অন্তত ১২টি এলাকায় আঘাত হেনেছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী হারমান হালুশচেঙ্কো বলেছেন, জরুরি বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানুষের জীবন ব্যাহত করছে। সূত্র: বিবিসি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়ায় ৭০ শিশুকে যৌন হয়রানির অপরাধে একজনের যাবজ্জীবন
এতে বলা হয়, শিশুদের সঙ্গে হওয়া এই অপরাধের মাত্র ও প্রকৃতিকে ‘ভয়ংকর অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন বিচারক পল স্মিথ। বলেন, এই কাজ সুস্পষ্ট ‘বিশ্বাসের উল্লেখযোগ্য লঙ্ঘন’। এই মামলা ছাড়াও গ্রিফিথের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গরাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ইতালিতে দুই ডজনের বেশি শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ব্রিসবেনের জেলা আদালতের বিচারক স্মিথ শুক্রবার বলেছেন, একজন পেডোফিলিক ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত অপরাধী হিসেবে গ্রিফিথের কথা শুনেছে আদালত। তার মধ্যে পুনরায় এই অপরাধ সংঘটিত করার উচ্চ প্রবণতা ছিল। এতে গ্রিফিথকে কমপক্ষে ২৭ বছরের অজামিনযোগ্য কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
২০২২ সালের আগস্টে গ্রিফিথকে গ্রেপ্তার করে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ। তখন তার বিরুদ্ধে ১৬০০টির বেশি শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। যদিও শেষ পর্যন্ত বেশির ভাগ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তার অপরাধের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করেছে তদন্তকারী পুলিশ। এই ছবি বা ভিডিও নিজেই ধারণ করে ডার্ক ওয়েবে প্রচার করতেন গ্রিফিথ। ভিডিওগুলো থেকে মুখের অবয়ব কেটে তা আপলোড করতেন তিনি। কিন্তু ভিডিওতে দেখানো বিছানার চাদর এবং আশপাশের কিছু চিত্র দেখে গ্রিফিথকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশের তদন্তকারী টিম। তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, এসব ভিডিও কুইন্সল্যান্ডের চাইল্ড কেয়ারে ধারণ করা হয়েছে।
২৮টি ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন গ্রিফিথ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শিশুদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও তাদের নির্যাতনের বেশ কয়েকটি অভিযোগেও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ওই চাইল্ড কেয়ারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশুরা অবস্থান করে। তার মধ্যে পিসা, ইটালির চার শিশুর সাথে অপ্রীতিকর আচরণ করেছেন গ্রিফিথ। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা আরও ৬৫ শিশুকে যৌন হয়রানি করেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরতির পরদিনই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা
বিষয়টি ইসরায়েলও স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তবে তাদের দাবি, ইসরায়েলি বাহিনী এ হামলা করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ, যুদ্ধবিরতির মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ‘সন্দেহভাজন’ ব্যক্তিরা জড়ো হচ্ছিলেন। তাদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে আগেই হামলা করে নেতানিয়াহুর বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েল নয় বরং যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।
এর আগে বুধবার থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় শান্তির আশাবাদ জানিয়েছিলেন।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবানন থেকে নিজেদের সেনা সরিয়ে নিতে ৬০ দিন সময় পাবে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালাতে পারবে না। বৃহস্পতিবার লেবাননে অবস্থান করা বাহিনীই হামলা করে।
এদিকে যুদ্ধবিরতিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন দেশটির বাসিন্দারা, পাশাপাশি নিজেদের ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন তারা। নতুন হামলায় তাদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘরে ফেরার ব্যাপারে সতর্ক করেছে। তবে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ দক্ষিণ লেবাননে পাড়ি দিয়েছে।
লেবাননের স্পিকার নাবিহ বেরি বাসিন্দাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে তিনি বলেন, আমি আপনাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানাচ্ছি।
টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তকে নাবিহ বলেন, ধ্বংসস্তূপের ওপর বসবাস করতে হলেও আপনারা নিজেদের ভূমিতে ফিরে আসুন।
![]() |
| ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত লেবাননের একটি এলাকা। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আয়নাঘর: অভিজ্ঞতা এত ভয়াবহ যে সরকার কথা বলতে বললেও তাঁরা বলেন না: নাহিদ ইসলাম
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে কথাগুলো বলেন নাহিদ ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে ‘বিদ্রূপ ও উপহাসের রাজনীতি: জুলাই বিদ্রোহের সময় কার্টুন ও গ্রাফিতি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের গত ১৫–১৬ বছরের যে এত এত নিপীড়ন এবং মানুষের যে এত এত গল্প, এগুলো মানুষ আর্টওয়ার্কের (শিল্পকর্ম) মধ্য দিয়ে জানছে। মেইনস্ট্রিম (মূলধারার) পত্রিকাগুলোতেও কিন্তু তখন কার্টুন আঁকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।’
এ সময় নিজের আয়নাঘরে থাকার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আয়নাঘর, যেখানে মানুষকে গুম করা হতো, আমারও আয়নাঘরের অভিজ্ঞতা হয়েছিল সেখানে ২৪ ঘণ্টা থাকার। আমি থেকেছি সেই রুমেয় এবং দেখেছি দেয়ালে তাঁদের লেখা, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বন্দী ছিলেন।’
শিল্পীরা যদি তাঁদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে নিপীড়নের বিষয়গুলো নিয়ে আসেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে, মানুষের অভিজ্ঞতা থেকে, তাহলে বিগত রেজিমটা (আওয়ামী লীগের শাসনামল) আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে বলে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনটাও আসলে দেয়াললিখন এবং আর্টওয়ার্কের (শিল্পকর্মের) মাধ্যমে এগিয়েছে। আমরা এখন চিন্তা করছি এগুলো সংরক্ষণ করার। মানুষ আসলে কী বলতে চেয়েছিল এবং মানুষ আসলে কী বলতে চায়, এগুলোর উপাদান আমরা সেখানে পাব।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আয়নাঘর–গুম এসব বিষয় নিয়ে আগে কেউ কথা বলতে পারতেন না। তিনি বলেন, গুম কমিশনে প্রায় এক হাজার ছয় শতাধিক আবেদন করা হয়েছে। এই সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজার হতে পারে। গত ১৫–১৬ বছরে পাঁচ হাজার মানুষের গুমের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তিনি ছাত্র–জনতার আন্দোলনে দেয়াললিখন, ভাষা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার কীভাবে আন্দোলনকে বিস্ফোরিত করেছে, তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘আন্দোলনের সময় কয়েক দিন আগেও যারা আমাদের ছেলেদের মেরেছে লাঠি দিয়ে, আওয়ামী লীগের এমন লোকের প্রমোশনের জন্যও এখন তদবির করে বিএনপির লোক, তদবির করে জামায়াতের লোক।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাভিন মুরশিদ প্রমুখ।
![]() |
| তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়াদিল্লির কি কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করার সময় এসেছে? by জন ড্যানিলোভিজ
অনলাইন হিন্দুত্ববাদী ট্রোলারদের আর বেশি করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আগে আমি ভারত সরকার এবং জনসাধারণকে কিছু পরামর্শ দিতে চাইবো। সহজ কথায়, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সাফল্য এবং তিনি যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার দ্বারা ভারতের সর্বোত্তম স্বার্থ পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউনূসের নেতৃত্ব এমন একটি জনপ্রিয় সরকারের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত করবে যা অতীতের শাসনব্যবস্থার অপকর্মকে বাধা দেবে। একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ যা তার নাগরিকদের অধিকারকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি ভারত এবং তার ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের জন্য কার্যকরী প্রতিপন্ন হবে।
আমি যখন ভারত সরকার, অন্যান্য ভারতীয় নেতা এবং প্রক্সিদের দ্বারা গৃহীত পদক্ষেপগুলো দেখি, তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য প্রচারের পরিবর্তে ভারতীয় নীতিগুলো দুর্বল ও অস্থিতিশীল বলে প্রতীয়মান হয়।কর্তৃত্ববাদী হাসিনার প্রতি সমর্থন তুলে নিয়ে জেনারেল জেডের সাথে সেতু নির্মাণের পরিবর্তে, ভারতের কৌশলগুলো আরও বেশি ভারত-বিরোধী মনোভাবের জন্ম দিচ্ছে। একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করার পরিবর্তে ভারতীয় নীতি হলো- হিন্দু সংখ্যালঘুদের দাবার ঘুঁটির মতো ব্যবহার করে আন্তঃসামপ্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ানো। হতে পারে যে, এই কৌশল মোদি সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণ করে, তবে এটি বাংলাদেশে ভারতের অবস্থানকে উন্নত করার পরিবর্তে আরও কঠিন করে তোলে।
ভারতীয় নীতি ‘সফল হলে’ তার ফলাফল কী হতে পারে এবার সেটা বিবেচনা করা যাক। অন্তর্বর্তী সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে কিছু কার্যকরী বিকল্প আছে। যেমন ভারতের পছন্দের প্রার্থী (শেখ হাসিনা বা তার পরিবারের সদস্য) জুলাই এবং আগস্টে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করার পরও বাংলাদেশ শাসন করতে ফিরে আসতে পারেন। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে এটি ভারতের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব মেটানোর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ শাসনে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। তারা জানে যে, ক্ষমতা কাঁধে নিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বিপন্ন হতে পারে। কিংবা সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণের কাছ থেকে জনসমর্থন পাবে না। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিণতি হবে কোনো সংস্কার ছাড়াই নির্বাচন। বর্তমান পরিবেশে, এটি সম্ভবত একটি কট্টর ভারত-বিরোধী সরকারের জন্ম দেবে। তা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা অন্য কোনো জোট দ্বারা গঠিত হোক না কেন।
সুতরাং, আরও একবার মনে করিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্যেই ভারতের স্বার্থ নিহিত। বর্তমানে আন্তর্জাতিক নেতাদের একটি বিস্তৃত জোট রয়েছে যারা প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এবং তার দলকে সফল করতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ভারত বাংলাদেশের সমস্যার সমাধানের অংশ হতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি শুরু করার জন্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে সরাসরি কথা বলতে হবে- ব্যক্তিগতভাবে।
অতীতে, প্রধানমন্ত্রী হাসিনা যখন ফোন করতেন তখন মোদি তার সময় নিয়ে বদান্যতা দেখিয়েছেন। ইউনূসের সঙ্গেও কথা বলার সময় সেই দৃষ্টিভঙ্গি রাখা উচিত। এই আলোচনার শীর্ষে যে বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে তা হলো- সীমান্তে ভারতীয় দিক থেকে আসা বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রচেষ্টাকে দমন করার প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী কণ্ঠের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চলছে তা বন্ধ করা দরকার, হিন্দু সংখ্যালঘুদের স্বার্থেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। এর অংশ হিসেবে, নতুন দিল্লির সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে অন্তর্বর্তী সরকার আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। প্রশংসনীয়ভাবে, প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এবং তার দল তাদের কর্মের মূল্যায়নের জন্য আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা স্বীকার করেছে যে, তারা নিখুঁত নয় এবং তাদের ভুল সংশোধন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সংখ্যালঘুদের মর্যাদা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের একটি সহজ প্রতিক্রিয়া হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী, সাংবাদিক এবং সরকারগুলোর জন্য দরজা খুলে দেয়া। আমরা জানি সূর্যের আলো সবচেয়ে ভালো জীবাণুনাশক। তাই যে যে সমস্যা আছে, সেগুলো সমাধান করা দরকার।
অনুমান করা হচ্ছে যে, হানিমুন পিরিয়ড শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সামনে সংকট উপস্থিত। যারা একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চান তাদের এখনই একত্রিত হওয়া দরকার যাতে এই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়। বাংলাদেশকে সফল করতে ভারতেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখনই সময়, নয়াদিল্লির কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করার।
লেখক: জন ড্যানিলোভিজ একজন স্বাধীন বৈদেশিক নীতি বিশ্লেষক এবং অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ফরেন সার্ভিস অফিসার।
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে আইসিসি-তে আর্জি ইসরাইলের
সূত্র : এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, কমিশনারের পদত্যাগ দাবি
এডভোকেট নাজিম উদ্দিন বলেন, আমাদের চট্টগ্রামের আদালত অঙ্গন ও আশপাশে এ ধরনের ঘটনা আগে হয়নি। গত পরশু ইসকনের এক সন্ত্রাসী নেতাকে গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে তোলার পর বিজ্ঞ আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন এবং প্রিজনভ্যানে তোলা হলো। আমরা পরবর্তীতে দেখলাম তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম। ভ্যানে তোলার পর ইসকন সমর্থিত সন্ত্রাসীরা ভ্যান ঘেরাও করে আদালত অঙ্গনে উল্লাস করেছে। আমরা পুলিশকে দেখেছিলাম নিষ্ক্রিয়। তারা নিরাপদ স্থানে দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। এটার পেছনে পুলিশের ইন্ধন আছে বলে আমরা মনে করি।’
পুলিশ প্রিজনভ্যান ফেলে সেখান থেকে চলে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, পুলিশ প্রিজনভ্যান ফেলে সেখান থেকে চলে গেছে। আমি পত্রিকায় দেখেছি এই চিন্ময় দাস প্রিজনভ্যান থেকে হ্যান্ডমাইক দিয়ে বক্তব্য দিয়েছে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমি অনুরোধ করবো যতগুলো মামলা হবে এই চিন্ময় দাশকে যেন ১নম্বর আসামি করা হয়। যদি তাকে আসামি না করা হয় আমরা মানবো না। বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আন্দোলনের নামে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। পুলিশ কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘চিন্ময় দাশের হাতে হ্যান্ডমাইক কীভাবে গেল? এর জবাব দিতে হবে। নাহলে পুলিশ কমিশনার চট্টগ্রামে থাকতে পারবেন না। জুলাই ৩৬-এ অনেক রক্ত গিয়েছে। অনেকে শহীদ হয়েছে। তাদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা যাবে না। পুলিশ প্রশাসন এখনো বসে আছে। আপনাদের হুঁশিয়ার করছি, আপনারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করুন। অন্যথায় টেনে-হিঁচড়ে নামানো হবে।
কোন ধারায় চিন্ময়কে ডিভিশন দেয়া হয়েছে জানতে চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি চিন্ময় দাশকে ডিভিশন দেয়া হয়েছে। জেল কোডের নিয়ম এবং আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আপনি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামিকে ডিভিশন দিয়েছেন? জেল সুপার এবং সিনিয়র জেল সুপারকে অনুরোধ করবো আপনি ডিভিশন প্রত্যাহার করবেন। তাকে সাধারণ কয়েদির সঙ্গে রাখবেন। সে এমন কোনো ইম্পর্টেন্ট ব্যক্তি নয়। বিগত সরকারে আমাদের অনেক রাজনৈতিক নেতাকে ডিভিশন না দিয়ে অসম্মান করা হয়েছে।’
এদিকে, আলিফ হত্যার প্রতিবাদে জেলা আইনজীবী সমিতির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবারও বন্ধ রয়েছে আদালতের কার্যক্রম। ঘোষণা অনুযায়ী, সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এর আগে, বুধবার চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আলিফ হত্যার প্রতিবাদে ৬টি সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আদানি ইস্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে হট্টগোল
যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে অভিযুক্ত হওয়ার পর থেকেই ভারতের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ নিয়ে ব্যাখ্যার দাবি করে আসছে বিরোধী দল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি এ বিষয়ে এখনো নিশ্চুপ। বৃহস্পতিবার মুলতবির পর কংগ্রেসের দলীয় এমপি মণিকম ঠাকুর ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, আমরা পার্লামেন্টে এ বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। তিন দিন ধরে আদানি ইস্যুতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা শুনতে চাইছি। তবে এ বিষয়ে এখনো তিনি চুপচাপ আছেন। কংগ্রেসের অভিযোগ হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও তার দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আদানির ঘনিষ্ঠ সমর্থক। যদিও কোনো পক্ষই এ বিষয়টি স্বীকার করে না।
আদানি ইস্যুতে পার্লামেন্টে সবচেয়ে সরব বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তার দাবি আদানিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা উচিত। আদানির বিরুদ্ধে ওঠা বিশাল এই অভিযোগ নিয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি ভারত সরকার। তারা এই ইস্যুতে চুপ থাকার কৌশল বেছে নিয়েছে। বিজেপি’র এক নেতা বলেছে, ভারতের বর্তমান সরকার কখনই শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে নয়, কেননা- এসব শিল্পপতিদের প্রচেষ্টা জাতীয় স্বার্থের অংশ। বিজেপি’র মুখপাত্র গোপাল কৃষ্ণ আগারওয়াল গত মঙ্গলবার বলেছেন, তাদের (আদানি ও তার প্রতিষ্ঠান) নিজেদেরকে আত্মরক্ষা করতে দিতে হবে, কেননা- আইন তার নিজস্ব ধারায় চলমান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লুণ্ঠনকারীদের সম্পদ ফেরাতে না পারলে কীসের বিপ্লব -দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘আর্থিক খাতসহ নানা বিষয়ে সরকারের উদ্যোগ আছে, তবে কেন যেন উদ্বেগটা কাটছে না। এর কারণ ব্যাখ্যা করে সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান বলেন, ‘সরকার যেসব উদ্যোগ নিচ্ছে তার ফল আসছে না, মানুষ অত ধৈর্য রাখতে পারছে না। কিংবা আস্থার সংকট হচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ সরকারে থাকাকালীন ইআরএফের এক অনুষ্ঠানে এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন ‘ডাল মে কুচ কালা হে’। এই উদ্ধৃতি আবারো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী রোববার বলতে পারবো, কোন কোন ডাল পচা, আর কোন কোন ডাল ভালো ছিল। দেশের দুটি ফুসফুস ব্যাংক ও জ্বালানি খাত।’ এই দুই খাতে বড় ধরনের অনিয়মের কথা উল্লেখ করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে বেশি লুটপাট হয়েছে। এসব তুলে ধরা হবে প্রতিবেদনে।’
দেবপ্রিয় বলেন, ‘সাধারণ মানুষের যে ধারণা আছে- তার চেয়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল। এমন একটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো উত্তরাধিকার সরকারের করার কিছু থাকে না। ব্যাংকিং খাতে সমস্যা বেশি ছিল। তা তাৎক্ষণিক দূর করার চেষ্টা চলছে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যতটা উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, তা যদি সরকার দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে না পারে, তবে দেশের মানুষকে ততটাই হতাশ করা হবে। এজন্য বছর শেষে সরকারকে ৫ মাসের মূল্যায়ন উপস্থাপন করতে হবে- সরকারের দিক থেকে কী কী করা হয়েছে। এগুলো একত্রিত করে প্রকাশ করতে হবে। বাজেটের আগে চলমান পরিস্থিতিতে আগামী ছয় মাসের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, সরকারি ব্যয়, রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক খাতের ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তুলে ধরতে হবে। আগামী জানুয়ারিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন ফোরাম গঠন করতে পারলে আগামী বাজেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবে।’ দেবপ্রিয় বলেন, ‘আর্থিক স্বস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সংস্কার করা কঠিন হবে।’
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার এমনভাবে রেখে গেছে-তার খেসারত আমরা গুনছি। বেপরোয়া অনেক নীতি নিয়েছিল। ফলে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন ব্যাংক থেকে টাকা লুটপাট ও চুরি বন্ধ হয়েছে। এর সুফল পাওয়া যাবে। ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ও রপ্তানি বেড়েছে। বর্তমানে নেয়া নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সাড়া দেখতে পাচ্ছি। তবে আর্থিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হবে। কারণ আগামী ছয় মাস অত্যন্ত কঠিন সময় যাবে। এর মধ্যে রিজার্ভ বাড়াতে হবে। রিজার্ভ না বাড়লে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব হবে না।’
জরিপের ফলাফল তুলে ধরে র্যাপিড-এর নির্বাহী পরিচালক আবু ইউসুফ বলেন, ‘সরকারের ব্যয় স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে কিনা জনগণ খুবই কম জানতে পারছে।’ তিনি বলেন, ‘বাজেট ব্যয়ে স্বচ্ছতা ৩৭ শতাংশ। যা যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে আছে। কেবল পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। বাজেটে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ১১ শতাংশ, আর বাজেট বাস্তবায়ন তদারকি হচ্ছে ৩৭ শতাংশ।’
ইআরএফ সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে সরব হচ্ছেন বেবী নাজনীন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাইফুল হত্যা: আরও আট জন গ্রেপ্তার
আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আজ অত্যন্ত শোকাহত এবং ভারাক্রান্ত আমরা। আমরা একটি কঠিন সময়ের মধ্যে আছি। আমাদের চট্টগ্রামের আদালত অঙ্গন ও আশপাশে এ ধরনের ঘটনা আগে হয়নি। গত পরশু ইসকনের এক সন্ত্রাসী নেতাকে গ্রেপ্তার করে তাকে আদালতে তোলার পর বিজ্ঞ আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলেন এবং প্রিজনভ্যানে তোলা হলো। আমরা পরবর্তীতে দেখলাম তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম। ওই প্রিজনভ্যানে তোলার পর ইসকন সমর্থিত সন্ত্রাসীরা ভ্যান ঘেরাও করে আদালত অঙ্গনে উল্লাস করেছে। আমরা পুলিশকে দেখেছিলাম নিষ্ক্রিয়। তারা নিরাপদ স্থানে দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। এটার পেছনে পুলিশের ইন্ধন আছে বলে আমরা মনে করি। পুলিশ প্রিজনভ্যান ফেলে সেখান থেকে চলে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, পুলিশ প্রিজনভ্যান ফেলে সেখান থেকে চলে গেছে। আমি পত্রিকায় দেখেছি এই চিন্ময় দাশ প্রিজন ভ্যান থেকে হ্যান্ডমাইক দিয়ে বক্তব্য দিয়েছে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমি অনুরোধ করবো যতগুলো মামলা হবে এই চিন্ময় দাশকে যেন এক নম্বর আসামি করা হয়। যদি তাকে আসামি না করা হয় আমরা মানবো না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আন্দোলনের নামে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের মধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মারা এখনো রয়েছে। আলিফকে যেদিন হত্যা করা হচ্ছে এই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পর্যাপ্ত পুলিশ, আর্মি, বিজিবি ছিল। তাদের কেন ডাকা হয়নি?
পুলিশ কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘চিন্ময় দাশের হাতে হ্যান্ডমাইক কীভাবে গেল? এর জবাব দিতে হবে। নাহলে পুলিশ কমিশনার চট্টগ্রাম থাকতে পারবেন না। আমরা পুলিশ কমিশনারকে চাই না। জুলাই ৩৬-এ অনেক রক্ত গিয়েছে। অনেকে শহীদ হয়েছে। তাদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা যাবে না। আমরা সব জানি, চিনি। পুলিশ প্রশাসন এখনো বসে আছে। আপনাদের হুঁশিয়ার করছি, আপনারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করুন। আমরা গিয়ে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে ফেলবো না হয়।’
কোন ধারায় চিন্ময়কে ডিভিশন দেয়া হয়েছে জানতে চেয়ে আইনজীবী নেতা নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি চিন্ময় দাশকে ডিভিশন দেয়া হয়েছে। জেল কোডের নিয়ম এবং আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আপনি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামিকে ডিভিশন দিয়েছেন? জেল সুপার এবং সিনিয়র জেল সুপারকে অনুরোধ করবো আপনি ডিভিশন প্রত্যাহার করবেন। তাকে সাধারণ কয়েদির সঙ্গে রাখবেন। সে এমন কোনো ইম্পর্টেন্ট ব্যক্তি নয়। বিগত সরকার আমাদের অনেক রাজনৈতিক নেতাকে ডিভিশন না দিয়ে অসম্মান করেছে।’
এদিকে, আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে জেলা আইনজীবী সমিতির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবারও বন্ধ রয়েছে আদালতের কার্যক্রম। ঘোষণা অনুযায়ী, সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
এর আগে, বুধবার চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে ৬টি সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সিদ্ধান্তসমূহ হলো- সমিতির পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালোব্যাজ ধারণ, বৃহস্পতিবরি চট্টগ্রামের সকল আদালতের কার্যক্রমে কর্মবিরতি, আইনজীবী আলিফের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কোর্ট হিল জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন এবং একইদিনের অবকাশকালীন প্রীতি সমাবেশ বাতিল। এ ছাড়া ১ ডিসেম্বর দুপুর ২টায় আইনজীবী দোয়েল ভবনের সম্মুখ থেকে শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং সমিতির বার্ষিক ইনডোর গেইমস স্থগিত থাকবে।
এদিকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় আরও ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার দায়ে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন, রাজিব ভট্টাচার্য্য, রুমিত দাশ, সুমিত দাশ, গগন দাশ, নয়ন দাশ, বিশাল দাশ, আমান দাশ, মনু, রাজীব প্রকাশ ডান্ডি সুমন, ববি চৌধুরী, কৌশিক চৌধুরী, আবির দে, রবিন দাশ, জুয়েল দাশ ও এডভোকেট আবদুল কাইয়ুম। একইসঙ্গে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত ৩টি মামলায় আটক করা হয়েছে ২৭ জনকে। তবে সাইফুলকে হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বহিষ্কৃত চিন্ময়ের দায় নেবে না ইসকন’
লিখিত বক্তব্যে চারু চন্দ্র দাশ বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইসকন বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছড়ানোর এক ধারাবাহিক প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষত চট্টগ্রামের বিশিষ্ট আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর এ অপচেষ্টা চরমে পৌঁছেছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা এবং চলমান আন্দোলনের সঙ্গে ইসকন বাংলাদেশের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। এই মিথ্যাচার এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সড়ক দুর্ঘটনার মতো বিষয়গুলোকেও ইসকনের চক্রান্ত বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। চারু চন্দ্র দাশ বলেন, গত ৩রা অক্টোবর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে ইসকন’র পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ইসকন বাংলাদেশের মুখপাত্র নন। তাই তার বক্তব্য সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত। ইসকন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে সুনাম ক্ষুণ্নের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, ধর্মীয় সহনশীলতা বজায় রাখা ও দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেকোনো প্রকার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা এবং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান চারু চন্দ্র দাশ।
ইসকন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটি ও শিশু সুরক্ষা দলের সদস্য হৃষীকেশ গৌরাঙ্গ দাশ বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাশের বিরুদ্ধে কয়েকটি শিশু অভিযোগ করেছিল যে তাদের সঙ্গে অসদাচরণ ও খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটা জানার পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চিন্ময়কে চিঠি দেয়া হয়। তখন তদন্তের স্বার্থে তিন মাসের জন্য তাকে সংগঠন ও পুণ্ডরীক ধামের পদ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। তবে তিনি তা মানেননি। সংগঠনের নির্দেশনাও শোনেননি। এ কারণে তাকে ইসকন বাংলাদেশ থেকে স্থায়ীভাবে গত জুলাইয়ে বহিষ্কার করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও রাজ্যের বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসকন একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, ভারত থেকে পরিচালিত নয়। কোনো ব্যক্তি কী বললেন, সেটা তাদের বিষয়। আগামী রোববার ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের সঙ্গে ইসকন বাংলাদেশের একটি বৈঠক রয়েছে। তাতে সাম্প্রতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ৈ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বলেন, ইসকন বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় সংগঠন, যা সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং মানবকল্যাণে নিবেদিত। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসকন বাংলাদেশের কোষাধ্যক্ষ জ্যোতিশ্বর গৌর দাশ ব্রহ্মচারী, কার্যনির্বাহী সদস্য বিমলা প্রসাদ দাশ ও চিন্ময় গদাধর দাশ ব্রহ্মচারী প্রমুখ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 30
(12)
- প্রান্তিক পর্যায়ের অসুস্থ মানুষকে মৃত্যুতে সহায়তা ...
- রাশিয়ার অভিযোগ: শান্তি রক্ষার ছদ্মবেশে ইউক্রেন ‘দখ...
- ভোপালের রাজকন্যা আবিদা সুলতান চালাতেন রোলস রয়েস, ...
- এটাই বাংলাদেশ! by সাজেদুল হক
- নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলা: যেভাবে অব্যাহতি পান হাস...
- রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী রোডম্য...
- রিকশায় চড়লেন, চালালেন আইরিশ নারী ক্রিকেটাররা
- প্রথমবার জনসমক্ষে বুশরা বিবি, পাকিস্তানে রাজনীতিতে...
- স্বৈরাচারের কামড় এবং সোহেল তাজ by শামীমুল হক
- গুলিতে বাবার মৃত্যু,৭ মাসের শিশুটি অসহায় by ফাহিমা...
- সিলেটে তারাপুর চা বাগানে ভূমি দখলের মহোৎসব by ওয়েছ...
- ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অর্জন বৃথা যেতে দেয়া হবে না
-
►
Nov 29
(16)
- গাজার উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের গভীরে ঢুকেছে ইসরায়েলি ট্...
- সম্ভল মসজিদ সমীক্ষায় নিম্ন আদালত কোনো পদক্ষেপ নিতে...
- ‘বাঁইচে থাকা যে কত কষ্টের, তা আমার মতোন আর কেউ বুঝ...
- প্রবল ঠাণ্ডা ইউক্রেনে, বেছে বেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুল...
- অস্ট্রেলিয়ায় ৭০ শিশুকে যৌন হয়রানির অপরাধে একজনের য...
- যুদ্ধবিরতির পরদিনই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা
- আয়নাঘর: অভিজ্ঞতা এত ভয়াবহ যে সরকার কথা বলতে বললেও ...
- নয়াদিল্লির কি কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করার সময় এসেছে? b...
- নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে আইসিসি-তে...
- চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ...
- আদানি ইস্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে হট্টগোল
- লুণ্ঠনকারীদের সম্পদ ফেরাতে না পারলে কীসের বিপ্লব -...
- রাজনীতিতে সরব হচ্ছেন বেবী নাজনীন
- সাইফুল হত্যা: আরও আট জন গ্রেপ্তার
- ‘বহিষ্কৃত চিন্ময়ের দায় নেবে না ইসকন’
-
▼
Nov 30
(12)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






