Sunday, February 23, 2025
বইপত্র: যাত্রীভরা ট্রেনে আগুন দিত কারা by মো. মহসীন আলী
অনেক ভূতের গল্প শুনেছি দাদি, নানি, নানার মুখে। দারোগাভূত, গেছোভূত, বাঁশভূত, ব্যাঙভূত, চ্যাংভূত আরও কত নামের ভূত! ছড়া কেটেছি বন্ধুরা তালে তালে, ‘তেঁতুলগাছের তলা/ রাত্রিদুপুর বেলা/ ভূতে মারে ঠেলা।’ কিন্তু ‘নিশি ট্রেনের ভূত’ উপন্যাসের লেখক কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক আমাদের, মানে পাঠকদের জন্য নিয়ে এসেছেন এক প্রাপ্তবয়স্ক ভূতের জীবনভিত্তিক এক তরজমা। লেখকের এই ভূত বাংলা নিয়ে লেখাপড়া করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। জীবনটা শুরু হয়েছিল তার স্বপ্ন বুনে। বিয়ে করে ব্যবসায় থিতু হয়েছিল গল্পপটু এই ভূত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আনুকূল্যে গল্পবন্ধুও জুটে গিয়েছিল মেসেঞ্জারে। তা-ও আবার এই নারীবন্ধুর স্বামী থাকে প্রবাসে। বেশ সময় কাটত মেসেঞ্জারে গল্প বলে অবসরে। বউয়ের সন্দেহের তালিকায়ও নাম উঠেছিল। রাতের ট্রেনের আঁধার কেবিনে বসে এই ভূতপ্রেম, নীতিনৈতিকতা, সন্তানবাৎসল্য, শিশুমনের স্বপ্ন, লড়াকু জীবন আর নেতা নামের নির্মম লেবাসের আড়ালের ক্রূরতার গল্প বলে যায়। নিষ্ঠুরতার আগুন কী করে নিমেষে সব স্বপ্নের যবনিকাপাত ঘটিয়ে দেয়, তার মর্মস্পর্শী বর্ণনা কাঁদিয়ে দেয় সামাজিক বিবেককে। ভূতটি যখন মানুষ ছিল, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিল ব্যবসার কাজে। সেই সঙ্গে আকাঙ্ক্ষাও ছিল মেসেঞ্জার-প্রেমিকার সঙ্গে মধুর সময় কাটানোর। শিশির মোড়ল গল্পের মধ্যে এতটাই লীন হয়ে গিয়েছিলেন যে তাঁর তাড়া ছিল গল্পের যবনিকায় পৌঁছানোর, কিন্তু ভূত নামের আত্মাটি সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে বলে যেতে থাকে পরতের পর পরত তার দেখা মানুষজীবনের গল্প। শিশির মোড়লের তাগাদার পরিপ্রেক্ষিতে ভূতটি ফজলে লোহানী সম্পাদিত ‘অগত্যা’ পত্রিকায় ছাপা হওয়া এক রসাত্মক ধারাবাহিক উপন্যাসের কিয়দংশের অবতারণা করে। ওই অংশ ছিল এমন: ‘নায়ক ও নায়িকা ঘরে ঢুকল। তারা দরজা বন্ধ করল। রাতের বেলা। তারা বাতি বন্ধ করল। বিছানায় গিয়ে বসল দুজন পাশাপাশি।’ তারপর লেখা: ‘বাকি অংশ পরের লেখায়।’ পরের সংখ্যায় লেখা শুরু হলো, ‘নায়িকা গোসল সেরে এসেছে। তার চুল বেয়ে পানি ঝরছে। সে একটি গামছা দিয়ে চুলে বেণি বানাচ্ছে।’ এরপর পাঠকদের কাছ থেকে প্রচুর চিঠি আসতে লাগল, ‘দুই সংখ্যার মধ্যবর্তী সময়ে কী হলো?’ উপায়ান্তর না দেখে সম্পাদক নোট দিলেন, ‘এই দুই সংখ্যার মধ্যবর্তী সময়ে কী ঘটিয়াছে, তাহার জন্য সম্পাদক দায়ী নহেন।’ ভূতের জবানিতে গুরুগম্ভীর একটি লেখা লিখতে গিয়ে পাঠকদের এমন একটি রসাত্মক অনুষঙ্গ উপহার দেওয়া কি সব লেখকের পক্ষে সম্ভব!
যে শিশুর স্বপ্ন ছিল পাইলট কিংবা অ্যাস্ট্রোনট হবে, হিংসার আগুন তাকে মুহূর্তে বোকা বানিয়ে দেয়। যে শিশুটি ট্রেনের দুলুনির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছবি এঁকে চলে, নিমেষে সে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে, ভেবেছিল কি শিশুটি, কিংবা তার মা-বাবা-স্বজন! কষ্ট মোচড় দিয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, শিশুটি মারা গেলেও তার স্কুলব্যাগটি অক্ষত রয়েছে। হয়তো সে পুড়ে মরার আগে ব্যাগটি ছুড়ে ফেলেছিল দূরে।
আসলে ট্রেনে আগুন কারা দেয়? কে তাদের নির্দেশ দেয়? কী লাভ তাদের? যাঁরা আমাদের এই সমাজকে চালান; স্কুলে বা কোনো অনুষ্ঠানে যাঁরা শিশুদের সুন্দর সুন্দর উপদেশ দেন; তাঁরাই যদি রাতের আঁধারে ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী কিংবা দলীয় স্বার্থে অগ্নিসন্ত্রাস চালান বিপথগামী কিছু তরুণকে সামান্য কিছু টাকার লোভ দেখিয়ে, তাহলে দেশ-সমাজ-রাষ্ট্র কে চালায়? মানুষ, নাকি ভূত? কে দেবে এর জবাব? এই প্রশ্নটা দেহ থেকে আত্মা আলাদা হয়ে যাওয়ার আগের ভূতের, নাকি আপনার, আমার—সবার?
আনিসুল হক তাঁর এই ‘নিশি ট্রেনের ভূত’ উপন্যাসটি লেখার শুরুতে জয় গোস্বামীর ‘আজ’ কবিতাটি তুলে ধরে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁর লেখার স্রোতটা কোন দিকে ধাবিত হবে। ‘এখনও, এখনও যদি ঘরে বসে নিজেকে বাঁচাই/ যদি বাধা নাই দিই, তত্ত্ব করি, কী হলো কার দোষে/ যদি না আটকাই, আজও না-যদি ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি/ আমার সমস্ত শিল্প আজ থেকে গণহত্যাকারী!’
লেখক ভূতের মুখ দিয়ে কী সুন্দর করে বলিয়ে নিলেন তাঁর নিজের ও আমাদের কথাগুলো। উপন্যাসটি পাঠকদের জন্য একটি দিকনির্দেশনার সূত্রসূচক। এই ‘নিশি ট্রেনের ভূত’ উপন্যাসটি পাবেন অমর একুশে বইমেলার ‘প্রথমা প্রকাশন’–এর প্যাভিলিয়নে (প্যাভিলিয়ন: ৬)।
নিশি ট্রেনের ভূত
আনিসুল হক
প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, ঢাকা
প্রচ্ছদ: আরাফাত করিম
৬৮ পৃষ্ঠা
দাম: ২৮০ টাকা।
ঘরে বসে বইটি পেতে চাইলে অর্ডার করুন: prothoma.com-এ।
![]() |
| ‘নিশি ট্রেনের ভূত’ উপন্যাসের প্রচ্ছদ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে উগ্র বামপন্থি কমিউনিস্টদের ভোট দিতে ২৯ মিলিয়ন ডলার দেয় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
শনিবার ওয়াশিংটনে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে (সিপিএসি) বক্তৃতা করার সময় এই কথা বলেছেন ট্রাম্প। ওই কনফারেন্সের পুরো ভিডিওটি নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলে শেয়ার করেছে ফক্স নিউজ। এক ঘণ্টা ১৩ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওর ৪০ মিনিটের সময় ট্রাম্পকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও তিনি ভারতের জন্য খরচ করা ১৮ মিলিয়ন ডলারেরও সমালোচনা করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার জন্য এবং তাদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে ২৯ মিলিয়ন ডলার দেয়া হয়েছিল, যাতে তারা ‘উগ্র বামপন্থি কমিউনিস্টদের’ ভোট দিতে পারে। আপনাকে দেখতে হতো, তারা কাকে সমর্থন করছে।
ভারত প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারতের নির্বাচনের জন্য ১৮ মিলিয়ন ডলার দেয়া হয়। কেন? কেন আমরা কেবল কাগজের ব্যালট ব্যবহারে ফিরে যাই না? আমাদের নিজেস্ব নির্বাচনে সহায়তা করা উচিত, তাদের নয়। এছাড়া এশিয়ার শিক্ষার উন্নতির জন্য ৪৭ মিলিয়ন ডলার এবং নেপালের জীববৈচিত্র সংরক্ষণের জন্য ১৯ মিলিয়ন ডলার খরচের কথা উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প।
এর আগে শুক্রবার গভনরর্স ওয়ার্কিং সেশনে বক্তব্য দেয়ার সময় বাংলাদেশকে দেয়া ২৯ মিলিয়ন ডলারের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে দেয়া হয়েছে দুই কোটি ৯০ লাখ ডলার। তা এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে, যার নাম কেউ শোনেনি। তারা পেয়েছে দুই কোটি ৯০ লাখ ডলার। তারা একটি চেক পেয়েছে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন? আপনার সামনে একটি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান আছে। আপনি এখান থেকে ১০ হাজার, ওখান থেকে ১০ হাজার পান। তারপর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে দুই কোটি ৯০ লাখ ডলার পান। ওই প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছেন দু’জন মানুষ। আমি মনে করি তারা খুব খুশি এবং তারা খুব ধনী। মহৎ হওয়ার জন্য খুব তাড়াতাড়ি তারা একটি ভালো ব্যবসা-বিষয়ক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে চলে আসবেন’।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি কারাগারে ৪৫ বছর, কে এই নায়েল বারঘুতি
নায়েল বারঘুতি একজন ফিলিস্তিনি বন্দি ও অধিকার কর্মী, যিনি ইসরায়েলি কারাগারে দীর্ঘ সময় ধরে আটক রয়েছেন। তাকে ফিলিস্তিনি সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭৮ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথমবার ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি।
নায়েল বারঘুতি ১৯৫৭ সালে ফিলিস্তিনের রামাল্লা জেলার কুবার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িত হন এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অংশ নেন। ১৯৭৮ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে, বারঘুতি একজন ইসরায়েলি বাস চালককে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তিনি ইসরায়েলি কারাগারে প্রায় ৪৫ বছর অতিবাহিত করেন। এই দীর্ঘ কারাবাস তাকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকা ব্যক্তিদের একজন করে তোলে।
অবদান ফিলিস্তিনি সংগ্রামের প্রতীক : নায়েল বারঘুতি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের একটি প্রতীক। তার দীর্ঘ কারাবাস এবং অটল মনোবল ফিলিস্তিনি আন্দোলনে অনুপ্রেরণা যোগায়।
বন্দি আন্দোলনে ভূমিকা : বারঘুতি কারাগারে থাকাকালীন ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি বন্দিদের মধ্যে সংগঠিত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান।
ফিলিস্তিনি ঐক্যের প্রতীক : বারঘুতি ফিলিস্তিনি সমাজে ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হন। তার মুক্তির দাবি ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোর মধ্যে একত্রিত হওয়ার একটি কারণ হয়ে ওঠে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ : বারঘুতির মামলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের অবস্থা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনার সূত্রপাত ঘটায়। তার মুক্তির দাবি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমর্থন পায়।
ব্যক্তিগত ত্যাগ ও সংগ্রাম : বারঘুতি তার যৌবনের পুরো সময় কারাগারে কাটিয়েছেন, যা তার ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। তার জীবনী ফিলিস্তিনি তরুণদের মধ্যে স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করার প্রেরণা জোগায়। ইসরায়েল তাকে ১১২ বছর কারাদণ্ড দেয়। ২০০৯ সালে তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম রাজনৈতিক কারাবন্দি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নেন।
![]() |
| নায়েল বারঘুতি। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাড়ায় পাড়ায় কিশোর গ্যাং by শুভ্র দেব
সূত্রমতে, এক যুগ আগে ঢাকার অলিগলিতে শুরু হয় কিশোর গ্রুপিং। এলাকাভিত্তিক ছোটখাটো বিভিন্ন অপরাধ দিয়ে কিশোরদের যাত্রা শুরু হয়। একপর্যায়ে এই গ্রুপগুলোতে সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতিটি গ্রুপের আলাদা আলাদা নাম দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে তাদের বিস্তারও বাড়তে থাকে। এলাকার চোর, ছিনতাইকারী, শ্রমিক, দিনমজুর, বখাটে, মাদকাসক্ত, পথশিশু থেকে শুরু করে এক সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এসব গ্রুপে সদস্য হয়ে গ্যাং তৈরি করে। প্রতিটি এলাকার কাউন্সিলর, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এসব গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতা শুরু করেন। তাদের শেল্টারেই এসব গ্যাং সদস্য বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াতো। থানা পুলিশের ঝক্কিঝামেলা এলে শেল্টারদাতা বা পৃষ্টপোষকরা ম্যানেজ করতেন। মূলত পৃষ্ঠপোষকরা তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য গ্যাং সদস্যদের হাতে রাখতেন। তারা নিজের প্রয়োজনে বিভিন্ন অপরাধে কিশোর অপরাধীদের ব্যবহার করতেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেই কিশোর গ্যাং সদস্যরাই এখন ঢাকার অপরাধ জগতে প্রতাপ সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দেওয়াতে কিশোরদের হাতে চলে গেছে এখন অপরাধের চাবি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা দেশে ২৩৭টির মতো কিশোর গ্যাং গ্রুপ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ১২৭টি। ঢাকায় যেসংখ্যক গ্রুপ থাকার কথা বলা হয়েছে বাস্তবে তার অস্তিত্ব খুব একটা মিলে না। তবে ঢাকায় অপরাধ জগতের সঙ্গে পুরোপুরি সম্পৃক্ত এমন ৫০টির মতো কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা মিলেছে। এরমধ্যে উত্তরা এলাকায় ২৩টি গ্যাং সক্রিয়। এদের মধ্যে, পাওয়ার বয়েজ, ডিসকো বয়েজ, বিগ বস, নাইন স্টার, নাইন এমএম বয়েজ, এনএনএস, এফএইচবি, জিইউ, ক্যাকরা, ডিএইচবি, ব্যাক রোজ, রণো, কেনাইন, ফিফটিন গ্যাং, পোঁটলা বাবু, সুজন ফাইটার, আলতাফ জিরো, ক্যাসল বয়েজ, ভাইপার, তুফান, থ্রি গোল গ্যাং, শাহীন-রিপন গ্যাং ও নাজিম উদ্দিন গ্যাং বেশি সক্রিয়। তেজগাঁও এলাকায় সক্রিয় মাঈনুদ্দিন গ্রুপ। মিরপুর-১১ এবং ১২ নম্বর এলাকায় বিহারি রাসেল গ্যাং, বিচ্ছু বাহিনী, পিচ্চি বাবু ও সাইফুলের গ্যাং, সি-ব্লকে সাব্বির গ্যাং, ডি-ব্লকে বাবু রাজন গ্যাং, চ-ব্লকে রিপন গ্যাং, ধ-ব্লকে মোবারক গ্যাং। কাফরুলের ইব্রাহিমপুরে নয়ন গ্যাং। ধানমণ্ডিতে ৪টি গ্রুপ সক্রিয়। এদেরমধ্যে নাইন এমএম, একে- ৪৭ ও ফাইভ স্টার গ্রুপ, রায়ের বাজারে স্টার বন্ড গ্রুপ। তুরাগে তালাচাবি গ্যাং। মোহাম্মদপুরে গ্রুপ টোয়েন্টি ফাইভ, লাড়া দে, লেভেল হাই, দেখে ল- চিনে ল, কোপাইয়া দে, ঝিরঝির গ্রুপ এবং ভাইব্বা ল গ্রুপ, ‘পাটোয়ারী গ্রুপ’ ‘আতঙ্ক গ্রুপ’ ‘চাপায়-দে আটিপাড়ায়, শান্ত গ্যাং, মেহেদী গ্যাং, খ্রিস্টানপাড়ায় সোলেমান গ্যাং, ট্রান্সমিটার মোড়ের রাসেল ও উজ্জ্বল গ্যাং। হাজারীবাগে বাংলা ও গেণ্ডারিয়ায় লাভলেট। বংশালে জুম্মন গ্যাং। মুগদায়, চান-জাদু, ডেভিল কিং ফুল পার্টি, ভলিয়ম টু ও ভাণ্ডারী গ্যাং। চকবাজারে, টিকটক গ্যাং ও পোঁটলা সিফাত গ্যাং সক্রিয়। শ্যামপুরে ফইন্নী গ্রুপ।
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। গ্যাং লিডারদের বয়স সাধারণ ২০ এর উপরে থাকে। প্রতিটি গ্রুপে ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য রয়েছে। বড় গ্রুপগুলোতে সদস্য আরও বেশি হয়। গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে পাড়া-মহল্লার ছিঁচকে চোর, মাস্তান, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, মাদক বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এমনকি অভিজাত ঘরের সন্তানও রয়েছে। তাদের কেউ কেউ পশ্চিমা কালচারে অনুপ্রাণিত হয়ে আবার কেউ কেউ এলাকাভিত্তিক গ্যাংয়ের প্রভাবে বাধ্য হয়ে গ্যাং এ জড়িয়ে পড়ছে। শুরুটা স্বাভাবিক হলেও একসময় তাদের পোশাক, আচরণ, কর্মকাণ্ডে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। যা দেশীয় সংস্কৃতি ও সভ্য সমাজের সঙ্গে একেবারে মানানসই নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা নিত্য-নতুন ধারার অপরাধের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। বিশেষ করে ঢাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের কর্মকাণ্ড বেশি বেপরোয়া। তারা রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, গভীর রাতে মাদকাসক্ত হয়ে কার ও মোটরসাইকেল রেসিং, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর এজেন্ট, শহরের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই এমনকি ভাড়ায় কিলিং মিশনে অংশ নিচ্ছে। একই এলাকায় একাধিক গ্রুপ হওয়াতে আধিপত্য বিস্তারে তারা মরিয়া হয়ে থাকে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তারা প্রায়ই সংঘাত-সংঘর্ষে জড়ায়। প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য তারা শক্তিশালী অবস্থান নেয়। দেশি- বিদেশি অস্ত্র ব্যবহার করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে হুমকি দেয়। বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর জন্য মারামারির ভিডিও আপলোড করে। কিশোর গ্যাংয়ের নানা সংঘাতে খুন পর্যন্ত গিয়ে গড়িয়েছে- এমন ঘটনাও অহরহ ঘটছে।
সূত্রমতে, ইন্টারনেটের ও স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার কারণে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন, ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াট্সঅ্যাপ, ভাইভার ইমোতে গ্রুপ করে তাদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। কর্মপরিকল্পনা থেকে শুরু করে হুমকি, নির্দেশ সবকিছুই তারা ইন্টারনেটের সুবাধে সেরে নিচ্ছে। ইন্টারনেটই তাদের মূল হাতিয়ার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে এখন আগ্নেয়াস্ত্র প্রায়ই দেখা যায়। এসব অস্ত্র দিয়েই তারা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে। সরকার পতনের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রও কিশোর গ্যাংয়ের হাতে রয়েছে বলে ধারণা করছেন গোয়েন্দারা। এছাড়া আধুনিক ধারালো অস্ত্র যেমন চাপাতি, বেঁকি, বার্মিজ চাকু, কিরিচও রয়েছে। ডিএমপি’র প্রতিটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাং সদস্যরা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করছে। ঢাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রায় ৪০ শতাংশই কিশোর। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় অন্তত ২০ হাজারের মতো কিশোর গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িত।
মাস দুয়েক আগে বিকালে রায়েরবাজার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন টিনশেড বাড়ির ওপর এক কিশোরকে চার-পাঁচ জনের কিশোর গ্রুপ চাপাতি দিয়ে প্রকাশ্যে কোপাতে দেখা যায়। মোহাম্মদপুরের আসাদ এভিনিউয়ের ফুটপাতে গভীর রাতে এক পথচারীর কাছ থেকে ছিনতাই করার সময় চাপাতি বাহিনীর চকচকে চাপাতি প্রদর্শনের দৃশ্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। গত মাসে যাত্রাবাড়ীতে রিকশায় এক দম্পতির কাছ থেকে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয় চাপাতি বাহিনী। এ সময় চাপাতির আঘাতে স্বামী গুরুতর আহত হন। গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আদাবরের মেহেদীবাগ, আদাবর বাজার এলাকায় দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় কিশোর গ্যাং সদস্যরা। এতে বাধা দেওয়ায় এলাকাবাসীর ওপর হামলা করে গ্যাং গ্রুপের কয়েকশ সদস্য। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা আহত হন। পহেলা ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের গুলিবিনিময়ের মধ্যে এক কলা ব্যবসায়ী ও কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে কিশোর গ্যাংয়ের এক সদস্য চাপাতি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আহত হন পুলিশের চার জন সদস্য। হামলার ঘটনার নেপথ্যে রায়েরবাজার বোর্ড ঘাট এলাকার কিশোর গ্যাং ‘পাটালি গ্রুপ’ জড়িত বলে জানায় পুলিশ। নেতৃত্ব দেয় ল্যাংড়া হাসান, ফরহাদ ও চিকু শাকিল। সব মিলিয়ে হামলা চালায় ৩০-৪০ জন। গত সপ্তাহে সোমবার রাতে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডে রিকশা যাত্রী মেহেবুল হাসান ও নাসরিন আক্তার ইপ্তির ওপর চাপাতি বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় মেহেবুলের সামনে নাসরিন দাঁড়িয়ে চাপাতি বাহিনীর হামলা থেকে রক্ষা করে। এই হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে বুধবার রাত ১১টার দিকে মগবাজার ফ্লাইওভারের নিচে সড়কে এক রিকশাযাত্রী দম্পতিকে চাপাতি বাহিনী তাদের চাপাতি দেখিয়ে মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে মোটরসাইকেলে চলে যায়। মোহাম্মদপুর, উত্তরারা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সবাই। কিছুদিন পরপরই তারা গণছিনতাই করে। অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। অস্ত্র ঠেকিয়ে মানুষের সবকিছু লুটে নেয়। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হতে ভয় পান অনেকে। যেকোনো কিছুতে তারা চাঁদাদাবি করেন। না দিলে হুমকি দেন। মহড়া দেওয়ার সময় বাসাবাড়ির জানালার গ্লাস ভাঙচুর, লাইট ভাঙচুর করে গ্যাংয়ের সদস্যরা।
পুলিশের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ঢাকার মধ্যে উত্তরা, আদাবর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি। এ দুটি স্থানে একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের কয়েক হাজার সদস্য রয়েছে। আদাবর এলাকার আলিফ হাউজিং, শ্যামলী হাউজিং, শেখেরটেক ও ঢাকা উদ্যান এলাকার সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে এদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা রোধ করতে রাজনৈতিক চাপ না থাকলেও প্রভাবশালীদের চাপ রয়েছে। যাদের অনেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে কিশোর গ্যাংয়ের গড ফাদাররা আইনের মারপ্যাঁচে সব সময় বেঁচে যান। তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে যখন কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপতৎপরতা বেড়েছে তখনও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা খুব একটা চোখে পড়ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এখনতো হয়তো অদৃশ্য প্রভাবশালীদের চাপে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কিশোরগ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান-ইসরাইল কথার লড়াই
ক্রমশ আইআরজিসি’র ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার সঙ্গে সঙ্গে তাদের এই বাগাড়ম্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি রকেটের জ্বালানি বিষয়ক রাসায়নিকের এক হাজার টনের চালান বুঝে পেয়েছে ইরান। উপরন্তু আইআরজিসি নতুন একটি আন্ডারগ্রাউন্ড ‘মিসাইল সিটি’র কথা প্রকাশ করেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত সমুদ্র এলাকায় টার্গেট ধ্বংস করতে এখানে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়। সম্প্রতি জেরুজালেম পোস্ট সিআইএ’র বর্ষীয়ান কর্মকর্তা এবং আমেরিকান-ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির সাবেক গবেষণা বিষয়ক প্রধান কলিন উইনস্টোন বলেছেন, এখনই সময় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা চালানোর। তিনি আরও বলেন, ইসরাইলের জন্য এখন আর কোনো হুমকি নয় হিজবুল্লাহ ও হামাস। অন্যদিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ বর্তমানে ধ্বংসের পথে রয়েছে। ইরান এবং সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু পারমাণবিক বোমা তৈরির মতো উইপোন গ্রেডের ইউরেনিয়াম আর উৎপাদন করতে পারছে না ইরান। তাই ইরানকে ভেঙে ফেলা এখন বড় কোনো কঠিন কাজ নয়। এজন্য জেরুজালেম এবং ওয়াশিংটনের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উইনস্টোনকে উদ্ধৃত করে জেরুজালেম পোস্ট বলছে, ইরান শতকরা ৬০ ভাগ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়ামের চেয়ে নাটকীয়ভাবে তা কম। তবে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আইএইএ’র হিসাব অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অস্ত্র তৈরিতে সক্ষম এমন মানের ইউরেনিয়াম তৈরিতে সক্ষম ইরান।
এর আগে জানুয়ারিতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, ইসরাইল অথবা যুক্তরাষ্ট্র যে কেউ যদি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করে, তাহলে তা থেকে ওই অঞ্চলে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ানদের চোখে ট্রাম্প হলেন ‘ডার্ক হর্স’
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধে রাশিয়া এখন সেনাবাহিনীতে আরও জনবল নিয়োগের চেষ্টা করছে। রাশিয়ার সাধারণ মানুষ অবশ্য বিশ্বাস করে, তারা বিশেষ কোনো সামরিক মিশনে আছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সর্বক্ষণ এমন বার্তা প্রচারের ফলে জনসাধারণের মধ্যেও ঠিক একইরকম চিন্তা তৈরি হয়েছে। অবশ্য দেশটির অনেক বাসিন্দা চায় দীর্ঘদিনের এ যুদ্ধের ইতি ঘটুক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকও করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্পের কাছ থেকে কতটুকু আশা করা যায়- এ নিয়ে বিস্তর এক প্রশ্ন থেকে যায়। কারণ, ‘কালো ঘোড়া’ হিসেবে ট্রাম্পের বিশেষ পরিচিতি আছে। তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বিশেষ পরিচিতি আছে তার। মিখাইল বলেন, শহরের চারপাশে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আপনি যদি তেভরে বসবাস করেন তাহলে আপনার এটা মনে হবে যে, এখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক। মিখাইলের ভাষায়- স্থানীয় একজন শিক্ষক আমাকে বললেন, একের পর এক গাড়ি যাচ্ছে এবং দোকানপাট সব খোলা আছে। আমরা মোটেও ঘাবড়ে যাইনি। আমরা কোনো সাইরেন বাজার শব্দ শুনতে পাই না। আমরা কোনো আশ্রয়স্থলে দৌড়ে পালাই না। তবে এমন পরিস্থিতি যে স্বাভাবিক না- এমনটা মনে করেন অ্যানা। তার জানা কিছু মানুষ আছেন যারা ইউক্রেন যুদ্ধে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। তিনি আরও বলেন, আশা করি এই যুদ্ধ অতি দ্রুত শেষ হবে। এ বিষয়ে অবশ্য ডনাল্ড ট্রাম্পও একই একমত প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ না জানিয়েই ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। ট্রাম্পকে ‘কালো ঘোড়া’ বলে মন্তব্য করেন অ্যানা। তিনি বলেন, তেভরে বসবাসকারী কিছু মানুষের সঙ্গে আমার কথা হয়। যারা এখনো তিন বছর ধরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শোনা বুলি আওড়াচ্ছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তিন বছর ধরে এই বার্তাই দেয়া হচ্ছে যে, ইউক্রেনের কোনো এলাকা দখল করছে না রাশিয়া। তারা শুধু রাশিয়ান ও ইউক্রেনে বসবাসকারী রাশিয়ার ভাষাভাষীর মানুষদেরকে রক্ষা করছে। রাশিয়ার অনলাইন নিউ টাইমসের কলামিস্ট আঁন্দ্রে কোলেশনিকভ বলেন, একটি সমাজে মানুষ সবসময় মূল ধারায় থাকতে পছন্দ করে। এখন সেই মূলধারা যদি যুদ্ধের পক্ষে হয় আর টেলিভিশনে বলা হয় ‘আমরা পশ্চিমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করছি’ তাহলে গড়পড়তার নাগরিকও ঠিক এমনটাই চিন্তা করবে। এ বিষয়ে তাদের বিস্তারিত চিন্তা না করাটাই স্বাভাবিক। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠের দলকে সমর্থন করাটাই স্বাভাবিক। এদিকে লারিসা ও তার স্বামী ভ্যালেরি উইলিংলি এই ধারণা পোষণ করেন যে, তারা বিশেষ সামরিক অপারেশনে আছেন। লারিসা আমাকে জানান, আমরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি রাশিয়া বিজয়ী হবে।
মিখাইল বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে আমাদের তথ্য পৌঁছে যায়। তাদের কাছে এমন খবর যায় যে, ক্যামেরাসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গেছে। যদিও তারা আন্তরিক ছিল, তবে আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো- আমরা কেন সেখানে গিয়েছি। তারা আমাদের ড্রাইভারের কাছ থেকে তথ্য নিলো। আমাদের গাড়ি চেক করা হলো। আমাদের ভ্রমণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবরণ শোনা হলো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে রাজনীতি শক্তিশালী করতে মার্কিন বরাদ্দ: কঠোর সমালোচনায় ডনাল্ড ট্রাম্প
এরপরই বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। অনলাইন ফক্স নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের একঘণ্টা ২২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের ভিডিও রয়েছে। উল্লেখ্য, ডনাল্ড ট্রাম্প এবার ক্ষমতায় আসার পরই যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল খরচ কমানোর জন্য গঠন করেছেন ডজ। এর প্রধান করা হয়েছে বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ককে। বিভিন্ন দেশে ইউএসএইড’র মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যে অর্থ খরচ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করে ডজ। উল্লেখ্য, এর আগে ডজ যেসব দেশের জন্য বরাদ্দ বাতিল করে তার মধ্যে ভারতে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ১০ লাখ ডলার। নেপালে ফেডারেলিজম এবং জীববৈচিত্র্য বিষয়ক প্রজেক্টে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। দক্ষিণ আফ্রিকায় অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ২৫ লাখ ডলার। মালিতে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। এমনিতরো বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাক্সদাতাদের অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এক্সে ডজ জানিয়েছে এসব বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছে কম্বোডিয়া, সার্বিয়া, মালি, লাইবেরিয়া, মোজাম্বিক, মিশর সহ বিভিন্ন দেশ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ: ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে
বিজেপি’র সমালোচনার জবাবে কংগ্রেস অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা ট্রাম্পের দাবিকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছে। দাবি সমর্থনের পক্ষে কোনো রকম তথ্য-প্রমাণ দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। ওদিকে শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ট্রাম্পের দাবিকে গভীর হতাশাজনক বলে দেখতে পেয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, এই পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেয়া অপরিপক্ব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে। উল্লেখ্য, ২০শে জানুয়ারি ক্ষমতায় ফেরার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে উন্নত করার অঙ্গীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি ইলন মাস্ককে প্রধান করে গঠন করেছেন ডজ। এর উদ্দেশ্য ফেডারেল ব্যয় ও কর্মসংস্থান কমানো। ইলন মাস্ক বলেছেন, ডজের উদ্দেশ্য হলো ট্যাক্সদাতাদের দেয়া অর্থের সাশ্রয় করা এবং জাতীয় বাজেট কমিয়ে আনা।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের অন্যতম হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রায়দিনই বিশ্বজুড়ে তা সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে। ১৯৬০-এর দশক থেকে বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা তদারকি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি ইউএসএইড। এবার তাদের বিরুদ্ধে দমননীতি গ্রহণ করেছে ট্রাম্প সরকার। তবে এই ইউএসএইডকে ইলন মাস্ক অভিহিত করেছেন একটি ‘ক্রিমিনাল সংগঠন’ হিসেবে। গত রোববার এ ঘোষণা দিয়ে তিনি এর অধীনে বেশ কিছু প্রকল্প বাতিল করে দেন। এর মধ্যে আছে- ‘কনসোর্টিয়াম ফর ইলেকশন্স অ্যান্ড পলিটিক্যাল প্রোসেস স্ট্রেঙ্গদেনিং’ প্রকল্পে ৪৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ভারতে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো খাতের বরাদ্দ দুই কোটি ১০ লাখ ডলার। মলদোভাতে অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে দুই কোটি ২০ লাখ ডলার। ডজের এই তহবিল বরাদ্দ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারতের তো প্রচুর অর্থ আছে। তারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ট্যাক্সদাতা জাতির অন্যতম। অন্যদিকে তিনি ভারতে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে দুই কোটি ১০ লাখ ডলার ব্যয় করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক সপ্তাহ আগে প্রথমবার ওয়াশিংটন সফর করেছেন। তারপরই এমন মন্তব্য করলেন ট্রাম্প। উল্লেখ্য, মোদির ওই সফরে সামরিক বিক্রয় বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। বৃদ্ধি করা হয়েছে জ্বালানি রপ্তানি। একটি বাণিজ্যিক চুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং নতুন একটি প্রতিরক্ষা কাঠামো নিয়ে কথা হয়েছে। ভারতকে সহায়তা হিসেবে দেয়া অর্থের বিষয়ে নানা রকম সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। মিয়ামিতে গভর্নরদের এক সামিটে ট্রাম্প বলেছেন, আমার মনে হয় তারা কাউকে নির্বাচিত করার চেষ্টা করেছেন। ভারত সরকারকে এটা বলতে হবে আমাদের।
২০২৪ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে লন্ডনে একটি ইভেন্টে বক্তব্য রাখেন- কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তার একটি ক্লিপ ট্রাম্পের বক্তব্য দেয়ার একই দিনে শেয়ার করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালভাইয়া। ওই ক্লিপে রাহুলকে বলতে শোনা যায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মতো বড় গণতান্ত্রিক দেশগুলোর কাছে অস্পষ্ট ছিল যে, গণতান্ত্রিক মডেলের জন্য বিপুল অংশ ভারতের জন্য বাতিল করা হয়েছে। রাহুলের এ বক্তব্য নিয়ে এক্সে পোস্ট দিয়েছেন অমিত মালভাইয়া। তিনি বলেছেন, লন্ডনে গিয়ে রাহুল গান্ধী যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে বিদেশি শক্তিগুলোকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। জবাবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়কালে গত এক দশকে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইউএসএইড’র সহায়তার রিপোর্ট প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি সরকারের প্রতি।
রিপোর্টে আরও বলা হয়, ব্যাপকভাবে এ বিষয়ে রিপোর্ট হলেও ডজ বা ট্রাম্প কেউই তথ্য-প্রমাণ দেননি যে, ভারতে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য দুই কোটি ১০ লাখ ডলার দিয়েছে ইউএসএইড। এ বিষয়ে ভারতের পোল প্যানেল কোনো উত্তর দেয়নি। তবে সাবেক প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা এসওয়াই কুরেশি তার সময়কালে অর্থাৎ ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এমন কোনো তহবিল পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। এর আগে অমিত মালভাইয়া অভিযোগ করেন, এসওয়াই কুরেশির অধীনে ২০১২ সালে নির্বাচন প্যানেল জর্জ সরোস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত একটি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। তাদেরকে প্রাথমিকভাবে অর্থ সহায়তা দেয় ইউএসএইড। এটা করা হয়েছিল ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর প্রচারণায়। তবে এ তথ্যকে মিথ্যা দাবি করে তা উড়িয়ে দিয়েছেন কুরেশি। বলেছেন, ওই চুক্তিকে কোনো আর্থিক বা আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না কোনো পক্ষ থেকে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ স্বনামে একই নেতৃত্বে ফিরতে পারবে না: শিশির মনির

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
গত বছর কনজার্ভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ট্রাম্প ইরানে জেনারেল কেইনের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তার সম্পর্কে তিনি দর্শকদের বলেন, যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে তাকে বেশ উন্নত বলে মনে হয়। ওদিকে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরখাস্তের ঘোষণা দেয়ার দুই ঘন্টা আগে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে সেনাদের পরিদর্শন করছিলেন জেনারেল ব্রাউন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1334)
-
▼
2025
(3280)
-
▼
February
(308)
-
▼
Feb 23
(10)
- বইপত্র: যাত্রীভরা ট্রেনে আগুন দিত কারা by মো. মহসী...
- বাংলাদেশে উগ্র বামপন্থি কমিউনিস্টদের ভোট দিতে ২৯ ম...
- ইসরায়েলি কারাগারে ৪৫ বছর, কে এই নায়েল বারঘুতি
- পাড়ায় পাড়ায় কিশোর গ্যাং by শুভ্র দেব
- ইরান-ইসরাইল কথার লড়াই
- রাশিয়ানদের চোখে ট্রাম্প হলেন ‘ডার্ক হর্স’
- বাংলাদেশে রাজনীতি শক্তিশালী করতে মার্কিন বরাদ্দ: ক...
- যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ: ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ...
- আওয়ামী লীগ স্বনামে একই নেতৃত্বে ফিরতে পারবে না: শি...
- জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করলেন ট...
-
▼
Feb 23
(10)
-
▼
February
(308)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

