Saturday, January 11, 2025
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের সাক্ষাৎ by আরিফ মাহফুজ
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনার শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বাংলাদেশে একাধিক হত্যা মামলার আসামি। আনোয়ারুজ্জামান শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ মিত্র। স্টারমারের সঙ্গে দেখা করার পরই ৮ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে লন্ডনে হাসিনা-সমর্থিত সমাবেশ করেছিলেন। আনোয়ারুজ্জামান বৃটেনের নগরমন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকেরও ঘনিষ্ঠ। একাধিকবার সেসব ছবি তার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনের পরপরই শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত একটি সমাবেশে টিউলিপ সিদ্দিক দলটির সদস্যদের উদ্দেশে উল্লাস প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলায় বলেছিলেন, ‘আপনারা সাহায্য না করলে আমি কখনই বৃটিশ এমপি হিসেবে দাঁড়াতে পারতাম না’।
২০১৭ সালের নির্বাচনে বিজয়ী বক্তৃতায় টিউলিপ আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে তাকে ‘আনোয়ার মামা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন।
মন্ত্রী, মানবিষয়ক স্বাধীন উপদেষ্টা লরি ম্যাগনাস টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন, যা ডাউনিং স্ট্রিট ব্রিফ করেছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তদন্তের বিষয়ে স্টারমারের চূড়ান্ত রায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। উপদেষ্টা পরামর্শ দেন, সিদ্দিকের উপর যেকোনো নিষেধাজ্ঞা বা পদক্ষেপ তার নিজের সিদ্ধান্ত। এদিকে টিউলিপ সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যায় কাজের অভিযোগ অস্বীকার করে একাধিক বিবৃতিও দিয়েছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে স্টারমারের ব্যক্তিগত সম্পর্ক দ্রুতই উন্মোচিত হচ্ছ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইজেরিয়ার লাগোস: পার্টি আর নির্ঘুম রাতের শহর
শীতকালে বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান হয়ে উঠছে লাগোস। উৎসব, সৈকতে পার্টির পাশাপাশি ফ্যাশন অনুষঙ্গ যুক্ত হয়ে দিন দিন লাগোস হয়ে উঠেছে উদ্যাপনের এক নগরী। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির প্রথমার্ধে পর্যটকদের যেন ঢল নামে সেখানে। এ সময়কাল ‘ডেটি ডিসেম্বর’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
লাগোসে অনুষ্ঠান আর আয়োজন সব সময় লেগেই থাকে। এসব অনুষ্ঠানে আফ্রিকার প্রখ্যাত সংগীতশিল্পীদের পাশাপাশি হামেশাই বিভিন্ন দেশ থেকে শিল্পীরা যোগ দেন। শুধু বদ্ধ জায়গাতেই থেমে থাকে না এ উৎসব-উদ্যাপন। ডিসেম্বর এলেই দেখা যায়, শহরটির সড়কগুলোতে রঙিন পোশাকে গান ও নানা বাদ্যযন্ত্রের তালে হাজারো মানুষ আনন্দ–উল্লাস করছেন।
নাইজেরিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছেন সিনথিয়া এনিওলা। তবে ডিসেম্বর এলেই পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হতে তিনি ছুটে যান লাগোসে। সিনথিয়া বলেন, ‘জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়া আমার কাছে সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডিসেম্বরে। কারণ, এই সময়ে সেখানে প্রত্যেকেই নানা উৎসব আয়োজনে যোগ দেন। এমন কোনো মানুষ পাওয়া যায় না, যাঁরা উৎসবে যুক্ত হন না।’
শুধু পশ্চিমা দেশগুলোর পর্যটক বা প্রবাসী নাইজেরিয়ানরাই নন, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মানুষের একটি অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হয়ে উঠেছে লাগোস। জিনিসপত্রের দাম কম ও থাকা–খাওয়ার খরচ কম হওয়ায় লাগোসে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের আগ্রহও বেশি।
ডেটি ডিসেম্বর এখন আর কোনো মামুলি উৎসবের মৌসুমে আটকে নেই। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে দিনযাপনের সুযোগ করে দিয়েছে লাগোস।
লাগোসের উদ্যাপনের নগরী হয়ে ওঠার নেপথ্যে নাইজেরিয়ার জনমিতির বিষয়টিও আলোচনায় আসছে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) দেওয়া হিসাবে, দেশটির মোট জনসংখ্যার ৩ ভাগের ২ ভাগের বয়স ২৫ বছরের কম। যেসব দেশে তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তার একটি হলো নাইজেরিয়া।
| লাগোসের ঐতিহ্যবাহী কালাবার উৎসব। ছবি : এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিনল্যান্ড কারো হবে না, জানালেন প্রধানমন্ত্রী এগেদে
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ট্রাম্প গত মাসে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ’ পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, যা বিশ্বব্যাপী বিতর্ক সৃষ্টি করে।
প্রধানমন্ত্রী এগেদে আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতা ও নিজস্ব পরিচয়ে গর্ব। আমরা ড্যানিশ বা আমেরিকান হতে চাই না, গ্রিনল্যান্ডিক হতে চাই। তিনি আরও বলেন, ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকবে এবং কোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতার পরিকল্পনা নেই।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান এবং মূল্যবান খনিজসম্পদের কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের প্রতি আগ্রহী। ট্রাম্প এর আগে ২০১৯ সালে গ্রিনল্যান্ড কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে ডেনমার্ক সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
এই বিতর্কের জেরে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষা জোরদারের জন্য সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। দ্বীপটির প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি, দুটি নতুন টহল জাহাজ ও কুকুরের স্লেজগাড়ি ব্যবহার করে সীমান্ত সুরক্ষিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এটি উত্তর মেরুর গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য এ দ্বীপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ট্রাম্পের বারবার দাবি সত্ত্বেও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের স্বাধিকার এবং স্বাধীনতা রক্ষায় তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তথ্য সূত্র : রয়টার্স ও সিবিএস নিউজ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক প্রতিষ্ঠানই পাচার করেছে ২০ বিলিয়ন ডলার : গভর্নর
শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘সেন্টার ফর এনআরবি’ আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ-২০২৫’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এখন আমরা টাস্কফোর্স গঠন করেছি। বিদেশিরা কাজ করছে। আমরা পাচারকারীদের অর্থ দেশ ও দেশের বাইরে থেকে ফিরিয়ে আনব। আমাদের দেশের বাইরের আদালতেও জিততে হবে। এক্ষেত্রে যদি প্রবাসীরা পাচারকারীদের সম্পদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন তাহলে অনুসন্ধানে সুবিধা হবে, অর্থ ফিরিয়ে আনা সহজ হবে।
তিনি বলেন, সৌদি আরবের পুরো রেমিট্যান্স এখন সরাসরি বাংলাদেশে আসছে না। দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আসছে। একটি অসাধু চক্র সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স কিনে মজুদ করছে এবং বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করছে। ফলে সেখানে বসেই বাংলাদেশের ডলার বাজার অস্থির করার চেষ্টা করছে তারা। দায় পরিশোধের চাপে অনেক সময় ব্যাংকগুলো উচ্চমূল্য দিতেও রাজি হয়ে যাচ্ছে। এভাবে দেশের ডলারের দাম বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের সঙ্গে আপনারা (ব্যাংক) এই কাজটি করবেন না। যদি বড় কোনো দায় পরিশোধের প্রয়োজন হয় তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আসুন। আমরা ডলারের ব্যবস্থা করে দিব। তারপরও বিদেশি চক্রের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে ডলার কিনবেন না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা প্যানিকড (আতঙ্কিত) হবেন না। আপনারা সাত দিন ডলার না কিনলে ওরা সোজা হয়ে যাবে। এখন চার মাসেরও বেশি আমদানি দায় মেটানোর মতো রিজার্ভ বাংলাদেশের আছে। সুতরাং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। একতাবদ্ধ থাকুন।
একটি ব্যাংকের উদাহরণ দিয়ে গভর্নর বলেন, এই তো গত মাসে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সকাল বেলা ১২০ টাকায় ডলার কিনেছে। কিন্তু বিকেল বেলা একই উৎস থেকে ১২৭ টাকায় ডলার কিনেছে। কারণ সেদিন ওই ব্যাংকের আমদানি দায় পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত ডলার ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে একই উৎস থেকে সকালের চেয়ে ৭ টাকা বেশি দিয়ে ডলার কিনেছে ব্যাংকটি। কিন্তু সেই সংকট এখন সমাধান হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে বড় পেমেন্টের চাপ থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, গত ৫ মাসে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি মিলে অতিরিক্ত সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে। নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও রেমিট্যান্স বেড়েছে। একই সময়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে। এখানে প্রবাসীদের অনেক বড় অবদান রয়েছে। এতে চলতি হিসাবের যে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল সেটি আর নেই।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে দেশ থেকে অর্থ পাচার কমে গেছে। আগে দুবাই থেকেই ডলার পাচার হয়ে যেত। এটা কমেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে গুড-গভর্ন্যান্স ফিরে আসায় অর্থ পাচার ও ব্যাংকিং খাতে সুশাসন এসেছে। এতে অর্থনীতি মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের সমস্যা অনেক সামর্থ্য কম। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের মাধ্যমে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি (ইমেজ) বেড়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর মাধ্যমেও বেড়েছে। তবে সবক্ষেত্রে বাংলাদেশের ইমেজ পজেটিভ নয়। নেগেটিভও আছে। গত চার-পাঁচ মাসে এ দেশের ইমেজ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় মিডিয়া বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। এর একটি প্রভাব জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্সেও পড়েছে।
এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার বিরুদ্ধে তারা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত রাজনৈতিক রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। এরপর ইমেজ সংকট কেটে যাবে। তখন বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।
![]() |
| ‘সেন্টার ফর এনআরবি’ আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ-২০২৫’। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্নীতির শঙ্কায় টিউলিপের চাচিকে নাগরিকত্ব দেয়নি মাল্টা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবারটির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অর্থপাচার, দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে। মাল্টার কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি আসায় দেশটির পাসপোর্ট পাওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়।
জানা গেছে, তিনি ছিলেন যুক্তরাজ্যের দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী ও লেবার এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের চাচি শাহীন সিদ্দিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের স্ত্রী তিনি।
বর্তমানে বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়েছে। তবে তারিক আহমেদ সিদ্দিক কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে বিভিন্ন সময় দেশের সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।
এদিকে টিউলিপের চাচি শাহীন সিদ্দিক মাল্টার নাগরিকত্বের জন্য চেষ্টা করেছিলেন ২০১৩ সালে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের তখন মাল্টার নাগরিকত্ব প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ কর্মসূচি পরিচালনার একচেটিয়া অধিকার ছিল। সংস্থাটি শাহীন সিদ্দিকের অর্থে দুর্নীতির শঙ্কায় আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এ সংক্রান্ত কিছু নথি হাতে পেয়েছে। তা বলছে, অভিবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানটি শাহীনের মাল্টার পাসপোর্টের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। কারণ তাদের অভিযোগ ছিল, শাহীন এমন একটি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত; যে কোম্পানির বিরুদ্ধে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলো রাজধানী ঢাকায় অবৈধভাবে মূল্যবান সরকারি জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে।
পাসপোর্ট আবেদনের নথিতে তারেকের পরিবারের দুর্নীতির বিশদ বিবরণ রয়েছে। হেনলির সিদ্ধান্তের নথিতে উল্লেখ করা হয়, প্রচ্ছায়া নামের একটি কোম্পানির চেয়ারম্যান শাহীন। ২০১২ সালে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ঢাকার মূল্যবান জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। অথচ ২০১৩ সালেও পাসপোর্ট আবেদনে কোম্পানিটিতে তার পদের কথা উল্লেখ করেছেন শাহীন।
নথিপত্রে দেখা যায়, শাহীন ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে মাল্টার পাসপোর্টের জন্য দুটি আবেদন করেছিলেন। দ্বিতীয়টি ছিল তার লন্ডনে থাকা মেয়ে বুশরার সঙ্গে যৌথ আবেদন। বুশরা যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের চাচাতো বোন। ২০১১ সালের একটি নথিতে বুশরাকে প্রচ্ছায়ার একজন পরিচালক ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৫ সালের মার্চ মাসে যৌথ আবেদনের নথি অনুসারে, মাল্টার নাগরিকত্বের জন্য শাহীনকে ৬৫০০০০ ইউরো এবং বুশরাকে ২৫০০০ ইউরো খরচ করতে হতো। এ ছাড়া হেনলিকে ফি হিসেবে ৭০০০০ ইউরো পরিশোধ করার কথা ছিল।
সেই আবেদনের অংশ হিসেবে শাহীন কুয়ালালামপুরের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তার প্রমাণ হিসেবে সংযুক্ত করেন। ওই অ্যাকাউন্টে ২,৭৬০,৪০৯ ডলার জমা দেখানো হয়, যা ওই সময় গত দুই মাসে ১১টি লেনদেনে নগদ অর্থ জমা করা হয়েছিল। নথিতে অর্থের উৎস নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের মুদ্রা আইন অনুসারে, এক ক্যালেন্ডার বছরে বাংলাদেশিরা ১২,০০০ ডলারের বেশি দেশ থেকে বাইরে নিয়ে যেতে পারে না।
কিন্তু টিউলিপের চাচি কী করে এত বিপুল অর্থ দেশের বাইরে পাচার করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখে মাল্টার নাগরিকত্ব প্রদান সম্পর্কিত সংস্থাটি।
এদিকে শেখ হাসিনার পতনের পর টিউলিপ সিদ্দিকও আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছেন বলে তথ্য প্রকাশ্যে আসে। শেখ হাসিনার আমলে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট নিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সম্প্রতি তার এমন দুটি ফ্ল্যাট ভোগদখলের তথ্য ফাঁস করে।
এমন দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক। দল ও দলের বাইরে থেকে তিনি পদত্যাগের চাপে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে তিনি পদত্যাগ না করলেও তাকে বরখাস্ত করা হতে পারে। হারাতে পারেন মন্ত্রিত্ব।
অপরদিকে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের পর থেকে টিউলিপের চাচা তারিক আহমেদ সিদ্দিক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধেও বাংলাদেশে তদন্ত চলছে।
গত বছরের অক্টোবরে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তার স্ত্রী শাহিন সিদ্দিক, দুই মেয়ে নুরীন তাসমিয়া সিদ্দিক ও বুশরা সিদ্দিকের নামে পরিচালিত ব্যক্তি হিসাব এবং তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত হিসাবের লেনদেন ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং আইনের আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো। এ ছাড়া তাদের নামে কোনো লকার থাকলে তার ব্যবহারও ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, লেনদেন স্থগিতের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার বিধান প্রযোজ্য হবে।
![]() |
| টিউলিপ ও মাল্টার পাসপোর্ট। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক দিন কাজ না পেলে চুলায় ভাত বসে না তাঁদের by পল্লব চক্রবর্তী
আজ এ দৃশ্যের দেখা মেলে নেত্রকোনা শহরের তেরিবাজার এলাকায় প্রধান ডাকঘরের সামনে। শত বছর ধরে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এখানে বসে দিনমজুরদের হাট। এখানে জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ পাশের ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের অনেক উপজেলা থেকে তিন শতাধিক শ্রমিক আসেন সারা দিনের জন্য শ্রম বিক্রি করতে। হাট থেকে মালিকেরা দরদাম মিটিয়ে তাঁদের মধ্য থেকে কাউকে নিয়ে যান। আবার কেউ কাজ না পেয়ে বিষণ্ন মনে খালি হাতে ফিরে যান বাড়িতে।
সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের দুগিয়া গ্রাম থেকে ষাটোর্ধ্ব আবদুল আজিজ এসেছেন শ্রম বিক্রি করতে। সকাল নয়টা পর্যন্ত তিনি কোনো কাজ না পেয়ে বিষণ্ন মনে বসে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাঁর বয়স যখন ২০ বছর ছিল তখন থেকেই এ স্থানে এসে শ্রম বিক্রি করেন। ৪০ বছর ধরে তিনি নিয়মিত শ্রম বিক্রি করছেন। এখন প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় কাজ করেন। কিন্তু যে টাকা পান তাতে সংসার চলে না। সবকিছুর দাম বেশি হওয়ায় এই টাকা চাল-ডাল ও সবজি কিনতেই শেষ হয়ে যায়। সপ্তাহে পাতে মাছ মেলানো ভার। অবশ্য বছর ত্রিশেক আগেও ৫০ থেকে ৮০ টাকা রোজ উপার্জন করলে তা দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যেত বলে জানান তিনি।
আজিজের পাশে থাকা উপজেলার চল্লিশা থেকে শ্রম বিক্রি করতে এসেছেন মো. সাইফুল ইসলাম (৩৭)। আর্থিক অনটনের মধ্যেই তিনি স্নাতক পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। ২০১৪ সালে নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজ থেকে যখন বিএ পরীক্ষা দেন তখন তাঁর বাবা শামছুদ্দিন মারা যান। এর পর থেকে তিনি সংসারের হাল ধরেন। তিনি গাজীপুরে স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি নেন। কিন্তু করোনাকালে চাকরি হারিয়ে বাড়িতে এসে বেকার হন। বিভিন্ন স্থানে ঘুরে কাজের সুযোগ না পেয়ে চার বছর ধরে তিনি নেত্রকোনা তেরিবাজার মোড়ে শ্রম বিক্রি করেন। এই রোজগার দিয়ে চলে তাঁর ছয় সদস্যের সংসার। ঘরে অসুস্থ মা হেলেনা আক্তারের (৬৬) ওষুধ, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া ছোট বোন ঋতুর লেখাপড়ার খরচ, তাঁর ছয় ও তিন বছরের দুই ছেলে এবং স্ত্রীর ভরণপোষণ মেটাতে গিয়ে এখন নাভিশ্বাস অবস্থায় আছেন বলে জানান তিনি।
সাইফুল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই, লেখাপড়া করে কোনো চাকরি পাইলাম না। অনেক জায়গায় ঘুরেছি। অভাবের সংসার, ঘরে ছয়জন মানুষ। তাই মানসম্মান নিয়া বইসা না থাইক্কা কামলার বাজারে আইয়া শ্রম বিক্রি করি। এতে কাজ বুঝে কোনো দিন ৪৫০ টাকা, কোনো দিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পাই। এ দিয়াই কোনোরকমে সংসার চলাই। এক দিন কাম না পাইলে চুলাতে ভাত বসে না। না খেয়ে থাকতে হয়। তাই এক দিনের কামলা যাওয়ার জন্য কত যে মানুষের ব্যাকুলতা, এখানে কেউ না দাঁড়াইলে উপলব্ধি করতে পারত না।’
উলুয়াটি গ্রামের শ্রমিক মো. শামছু মিয়া (৫৯) জানান, তিনি ৪২ বছর ধরে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। দুই ছেলে, এক মেয়েসহ পরিবারে তাঁর সদস্যসংখ্যা সাতজন। এক দিন কাজ না পেলে সংসার চলে না। প্রতিদিন তেরিবাজারে এসে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হন তিনি। আগে কাজের জন্য এত হাহাকার ছিল না। হাটে শ্রমিকের সংখ্যাও কম ছিল, তাই তুলনামূলক দামও বেশি ছিল। করোনার পর থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের শ্রমিক জিল্লুর রহমান (৫৫) জানান, ৩৫ বছর ধরে কামলা দিচ্ছেন। আগে নিজের কিছু জমি ছিল, অভাবের কারণে সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। কামলা দিয়ে তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে স্কুল–মাদ্রাসায় লেখাপড়া করাচ্ছেন। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন তিনি। যেদিন যে কাজ পান, সে কাজই করেন। এক দিন কাজ না পেলে ভাত জোটে না তাঁর ঘরে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘বয়সের কারণে কাম করতে কষ্ট হয়। মানুষও আমারে কামে নিতে চায় না বয়স দেইক্খা।’
বর্তমান বাজারদরে প্রাপ্ত মজুরি দিয়ে জীবন কেমন চলছে, জিল্লুরের সঙ্গে যখন কথা চলছিল তখন পাশ থেকে মালনি এলাকার বরকত মিয়া, পুকুরিয়ার বিল্লাল শেখ, মাহমুদপুরের তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন বলছিলেন, ‘এক দিন কাম না পাইলে উপবাস থাকতে হয়।’
সাতপাই রেলক্রসিং এলাকার শ্রমিক রহিম উদ্দিনকে দুর্ভাগ্যবশত আজ কেউ নেয়নি। তাই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, আমরার শ্রমের মজুরি কিন্তু বাড়ছে না। বরং কাজ কমছে, কামলা বাড়ছে। সপ্তাহে তিন-চার দিন কাম পাই। তা দিয়াই খুব কষ্টে দিন কাটাই। ১১০ টেহার পাঙাশ মাছ অহন ২০০ টেহায় কিনতে হয়। আগে দুপুরে হোটেলে ৪০ টেহা দিয়া ভাত খাওন যাইত। অহন ডিম দিয়া খাইলেও ৬০ টেহা লাগে।’
| এক দিন কাজ না পেলে তাঁদের অনেকের কপালেই খাবার জোটে না। আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা শহরের তেরিবাজার মোড় এলাকায়। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করায় শ্রীলঙ্কার এক সন্ন্যাসীর জেল
২০১৮ সালে, নিখোঁজ কার্টুনিস্টের স্ত্রীকে ভয় দেখানো এবং আদালত অবমাননার অভিযোগে জ্ঞানাসরাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। কিন্তু মাত্র নয় মাস পরেই তাকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা। ২০২২ সালে দেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে চলা বিক্ষোভের পর তার প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর ওই সন্ন্যাসী আবারো ক্ষমতাচ্যুত এবং বিচারের মুখোমুখি হন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাকে রাজপথে নামতে হয়েছিল- খালেদা জিয়া
গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শুরু থেকেই আমাকে রাজপথে নামতে হয়েছিল। বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৩৪২ ধারায় দেয়া বক্তব্য আপিল বিভাগে তুলে ধরেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শুনানির একপর্যায়ে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও আপিল বেঞ্চের বিচারপতিরা রায়ে উল্লেখিত খালেদা জিয়ার সেই বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এ সময় আদালত কক্ষে উপস্থিত অনেক আইনজীবীকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। তখন এজলাস কক্ষে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছিল। ৩৪২ ধারায় দেয়া বক্তব্যে খালেদা জিয়া আরও বলেন, আমি রাজনীতিতে এসেছিলাম শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের পতাকা হাতে নিয়ে। আমার সংগ্রাম শুরু হয়েছিল তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্য নিয়ে। আমি সব সময় চেয়েছি বাংলাদেশ যেন গণতান্ত্রিক পথে পরিচালিত হয়। মানুষের যেন অধিকার থাকে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকে। বিচার বিভাগ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকে। আমি চেয়েছি আমাদের অর্থনীতি যেন শক্তিশালী হয়। বিশ্ব সভায় বাংলাদেশ মর্যাদার আসন পায়। সেই লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্যই আমার রাজনীতি। আমি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দেশ ও জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে নিজের ভাগ্যকে একাকার করে ফেলেছি।
আমার নিজের কোনো পৃথক আশা আকাক্সক্ষা নেই। জনগণের আশা-আকাক্সক্ষাই আমার আশা আকাক্সক্ষায় পরিণত হয়েছে। আমার জীবন পুরোপুরি জড়িয়ে গেছে এদেশের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের সঙ্গে। তাদের সুখ-দুঃখ ও উত্থান-পতনের সঙ্গে। দেশের মানুষের জীবনের চড়াই-উৎরাই ও সমস্যা সংকটের সঙ্গে। তাদের বিজয় এবং সমস্যা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এবং এদেশের মানুষ যখনই দুর্যোগ ও দুর্বিপাকের মুখে পড়েছে তখন আমিও দুর্যোগের মুখে পড়েছি। দেশ জাতি যখন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে, আধিকার হারিয়েছে, বিপন্ন হয়েছে তখন আমিও নানাভাবে আক্রান্ত হয়েছি। আমার পরিবারও পড়েছে নানামুখী সংকটে। বার বারই প্রকাশ হয়েছে যে বাংলাদেশ ও এদেশের জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে আমার নিজের ও আমার পরিবারের ভাগ্য একসূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এই মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার দেয়া ৩৪২ ধারায় বক্তব্য তুলে ধরে সর্বোচ্চ আদালতকে বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই রাজবন্দির জবানবন্দির প্রতিফলন বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যে উঠে এসেছে। আর খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল সংক্রান্ত কোনো অনুদান গ্রহণ বা বিতরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুমন্ত অবস্থায় এআই ব্যবহার করে ১০০০ চাকরিতে আবেদন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
-
▼
2025
(3280)
-
▼
January
(191)
-
▼
Jan 11
(9)
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা আ...
- নাইজেরিয়ার লাগোস: পার্টি আর নির্ঘুম রাতের শহর
- গ্রিনল্যান্ড কারো হবে না, জানালেন প্রধানমন্ত্রী এগেদে
- এক প্রতিষ্ঠানই পাচার করেছে ২০ বিলিয়ন ডলার : গভর্নর
- দুর্নীতির শঙ্কায় টিউলিপের চাচিকে নাগরিকত্ব দেয়নি ম...
- এক দিন কাজ না পেলে চুলায় ভাত বসে না তাঁদের by পল্ল...
- ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করায় শ্রীলঙ্কার এক সন্ন্যাসীর...
- গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাকে রাজপথে ...
- ঘুমন্ত অবস্থায় এআই ব্যবহার করে ১০০০ চাকরিতে আবেদন
-
▼
Jan 11
(9)
-
▼
January
(191)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

