Saturday, February 21, 2026
রমজানের আনন্দ খুঁজে ফিরছে গাজাবাসী
জীর্ণ তাঁবুর ছাদে ঝুলছে সাধারণ কিছু সাজসজ্জা। ক্লান্ত কিন্তু তৃপ্তির হাসি নিয়ে মাইসুন তার নয় বছরের ছেলে হাসানকে বলেন, তোমার জন্য সাজসজ্জা আর একটি ছোট ফানুস এনেছি।
অভাবের সংসার, তবুও সন্তানের মুখে আনন্দ দেখতে চান তিনি। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, আমার সামর্থ্য সীমিত, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হলো বাচ্চারা যেন খুশি থাকে। গত দুই বছরের যুদ্ধ আমাদের জীবনে যে শোক আর দুঃখের আবহ তৈরি করেছে, এই সাজসজ্জা যেন তার মধ্য থেকে একটু বেরিয়ে আসার পথ।
৫২ বছর বয়সী মাইসুন বলেন, আমার বড় ছেলে ১৫ বছরের, ছোটটি নয়। ওরাই আমার সবকিছু। প্রতিদিন তারা নিরাপদে আছে- এটাই কৃতজ্ঞতা আর আনন্দের জন্য যথেষ্ট।
গাজায় চলমান যুদ্ধ দুই বছর ধরে অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। বর্তমান যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি আনলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত নয়। মাইসুন বলেন, যুদ্ধ পুরোপুরি থামেনি। মাঝে মাঝে এখনও গোলাবর্ষণ হয়। তবে আগের মতো তীব্রতা নেই।
বাস্তুচ্যুত হিসেবে এবার নিয়ে টানা তিনটি রমজান শরণার্থী শিবিরে কাটাচ্ছেন মাইসুন। যুদ্ধের শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব গাজায় নিজের বাড়ি হারান তিনি। স্বামী হাসসুনা ও দুই সন্তানকে নিয়ে এক শিবির থেকে আরেক শিবিরে ঘুরে অবশেষে বুরেইজে আশ্রয় নেন।
তবুও শিবিরে এক ধরনের সামাজিক বন্ধন গড়ে উঠেছে। রমজানের প্রথম দিনে ইফতারের আজানের আগে তিনি শরণার্থী শিবির প্রশাসনের কাজে অংশ নেন। তিনি বলেন, আমরা ঘর হারিয়েছি, স্বজন হারিয়েছি। কিন্তু এখানে প্রতিবেশীরা একই কষ্টের ভাগীদার। আমরা একে অপরকে সামাজিকভাবে সমর্থন করতে চাই।
একটু থেমে মাইসুন ভারী কণ্ঠে বলেন, আমরা শূন্য থেকে জীবন আর আনন্দ তৈরি করার চেষ্টা করছি। রমজান আসে, ঈদ আসে, আবার চলে যায়। কিন্তু আমাদের বাস্তবতা একই রয়ে গেছে।
ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ছায়ায় গাজায় রমজান তাই শুধু ইবাদতের মাস নয়, এটি বেঁচে থাকার লড়াইয়ের মাঝেও ছোট ছোট আনন্দ ধরে রাখার এক মানবিক প্রয়াস।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা: হিজবুল্লাহর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নিহত ১০, আহত অর্ধশত
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে এ হামলা চালিয়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে পূর্ব লেবাননে এটি অন্যতম রক্তক্ষয়ী ইসরায়েলি হামলার ঘটনা। এই হামলার ফলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ল। এর আগে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টারগুলোতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে হিজবুল্লাহর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়েছেন। তবে এ হামলার বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত সংঘাত নিরসনে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সক্ষমতা কমিয়ে সংঘাত থামানো। তবে চুক্তির পর থেকেই দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে আসছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হিজবুল্লাহর অস্ত্রভান্ডার নিয়ন্ত্রণে লেবানন সরকারের ওপর অব্যাহত চাপ বাড়াচ্ছেন। তবে লেবাননের রাজনৈতিক নেতারা সতর্ক করেছেন, ইসরায়েলের এ ধরনের ব্যাপক হামলা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত দেশটিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
একই দিনে পৃথক এক অভিযানে দক্ষিণ লেবাননের সিডন শহরের নিকটবর্তী আইন আল-হিলওয়েহ শরণার্থীশিবিরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, সেখানে হামাসের একটি কমান্ড সেন্টার ছিল। তবে হামাস এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, যেখানে হামলা হয়েছে, সেটি শরণার্থী শিবিরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা যৌথ নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দপ্তর।
![]() |
| লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ও লেবানন সেনাবাহিনীর তল্লাশিচৌকি। ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প প্রশাসন এপস্টিন–সংক্রান্ত নথি ‘আড়াল করার’ চেষ্টা করছে: বিবিসির কাছে হিলারির অভিযোগ
জার্মানির বার্লিনে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিলারি বলেন, ‘ফাইলগুলো বের করে আনুন। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটা ঝুলিয়ে রাখছে।’
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জোর দিয়ে বলেছে, এসব নথি প্রকাশ করে ভুক্তভোগীদের জন্য তারা যা করেছে, তেমনটা ডেমোক্র্যাটরা কখনো করেনি
অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরকে কংগ্রেস কমিটির সামনে হাজির হতে হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হিলারি ক্লিনটন বলেন, ‘যাঁকে সাক্ষ্য দিতে বলা হবে, তাঁরই সাক্ষ্য দেওয়া উচিত।’
এপস্টিনের নথিতে কারও নাম থাকার অর্থ অপরাধের প্রমাণ নয়। যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রু সব সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টিন–সম্পর্কিত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস একটি আইন পাস করার পর বিচার বিভাগকে এপস্টিন–সংক্রান্ত তদন্তের তথ্য প্রকাশ করতে বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) বলেছে, ‘দ্য এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী সব নথি তারা প্রকাশ করেছে। তবে আইনপ্রণেতারা বলেছেন, প্রকাশ করা তথ্য যথেষ্ট নয়।
২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্ক কারাগার থেকে এপস্টিনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জানানো হয়, তিনি আত্মহত্যা করছেন। যৌন অপরাধ এবং যৌন কর্মের জন্য নারী ও মেয়েশিশু পাচারের অভিযোগে হওয়া মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিচার শুরুর আগেই তিনি মারা যান।
সেবার গ্রেপ্তার হওয়ার এক দশক আগে শিশু যৌন অপরাধের একটি মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে দণ্ড ভোগ করেছিলেন।
এপস্টিন–সংক্রান্ত নথিতে বেশ কয়েকবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাম ও ছবি এসেছে। এ–সংক্রান্ত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ক্লিনটন দম্পতির কংগ্রেস কমিটির সামনে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। বিল ক্লিনটন ২৭ ফেব্রুয়ারি কমিটির সামনে উপস্থিত হবেন। এর এক দিন আগে হাজির হবেন হিলারি ক্লিনটন।
ক্লিনটন দম্পতি কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে সম্মত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে অবজ্ঞার অভিযোগ আনা নিয়ে যে ভোটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে ১৯৮৩ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড কংগ্রেস কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এরপর বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য হবে প্রথম আরেকজন সাবেক প্রেসিডেন্টের কংগ্রেস কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার ঘটনা।
এপস্টিনের যৌন অপরাধের শিকার ভুক্তভোগীদের কেউ ক্লিনটন দম্পতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তোলেনি। ক্লিনটন দম্পতিও এপস্টিনের যৌন অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছেন।
ক্লিনটন দম্পতি চান, গোপন কক্ষে নয় বরং জনসমক্ষে তাঁদের শুনানি অনুষ্ঠিত হোক।
হিলারি ক্লিনটন বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা হাজির থাকব। আমাদের মনে হয়, এটি জনসম্মক্ষে করাই ভালো হবে।’
রিপাবলিকান কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কমার ক্লিনটন দম্পতির বিরুদ্ধে ‘বিলম্ব’ করার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসকে অবজ্ঞা করা নিয়ে যখন ভোট আয়োজন আসন্ন, তাঁরা তখন বাধ্য হয়ে সাক্ষ্য দিতে সম্মত হয়েছেন।’
জবাবে হিলারি বলেন, ‘আমি শুধু চাই, এটি ন্যায়সংগত হোক। আমি চাই, সবার সঙ্গে একই আচরণ করা হোক। আমাদের লুকোনোর কিছু নেই। আমরা বারবার এসব নথি সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছি। আমাদের মনে হয়, প্রকাশই সর্বোত্তম পরিশোধক।’
ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হিলারি দাবি করেন, ট্রাম্পের থেকে দৃষ্টি সরানোর জন্য তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কেন এমন বলছেন তাঁর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে হিলারি বলেন, ‘সবার দৃষ্টি ঘোরাতে তাঁদের এই পরিকল্পনা। ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমরা ক্লিনটনদের, এমনকি হিলারি ক্লিনটনকেও টেনে আনব”।’
হিলারি কখনো ওই ব্যক্তির (এপস্টিন) সঙ্গে দেখা করেননি বলে দাবি করেন।
এপস্টিনের সঙ্গে দেখা না হলেও তাঁর কথিত বান্ধবী ও সহযোগী গিলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে ‘কয়েকবার দেখা হওয়ার কথা’ স্বীকার করেছেন হিলারি।
এপস্টিনের ফাইলে অসংখ্যবার ট্রাম্পের নাম এসেছে। ট্রাম্পও বারবার কোনো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
![]() |
| সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও তাঁর স্ত্রী সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুরুটা আরও সুন্দর হতে পারত by টিপু সুলতান
কিন্তু শুরুতেই দেখা দিল অনাকাঙ্ক্ষিত টানাপোড়েন।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো প্রথম জটিলতা। বিএনপি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে এ ধরনের শপথের উল্লেখ নেই। শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতেই তারা জানিয়ে দেয়, তারা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না। তাদের যুক্তি—সংবিধানে যেহেতু এর ভিত্তি নেই।
বিএনপির এই অবস্থান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। সকালে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি জানায়, বিএনপি যদি সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়, তবে তারা সংসদ সদস্য ও সংস্কার পরিষদের শপথ না–ও নিতে পারে। এতে দিনের প্রথম ভাগে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দুটি শপথই নেন। তবে দল দুটির কেউ বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেননি, যা অনেকের কাছে রাজনৈতিক দূরত্বের সূক্ষ্ম ইঙ্গিত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পক্ষে জনরায় এসেছে। সেই রায় কার্যকর করার জন্যই সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা। আদেশ অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের একই অনুষ্ঠানে পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেওয়ার বিধান ছিল এবং ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারিত। সূচনালগ্নেই এই প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ার কারণে এর রাজনৈতিক তাৎপর্য বেড়ে গেছে।
১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো, এটা কেবল সরকার পরিবর্তন বা নতুন সরকার গঠন নয়; এটা ছিল রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশার নির্বাচন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের রক্তঝরা পটভূমিতে দেশের তরুণেরা নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার আশা জুগিয়েছিল—সংলাপ, সমঝোতা ও সহযোগিতার সংস্কৃতি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়ী ভাষণে বলা হয়েছিল, এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।
নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে চায়। বিএনপি জাতীয় ঐক্য, সম্প্রীতি ও প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির কথা বলছে জোরেশোরে।
কিন্তু শপথের দিনেই যে দৃশ্য দেখা গেল, তা সেই প্রত্যাশার সঙ্গে অনেকটাই বেমানান।
গণতন্ত্রে মতভেদ অস্বাভাবিক নয়; বরং সেটিই তার প্রাণশক্তি। তবে সূচনালগ্নে প্রতীকী ঐক্যের গুরুত্বও কম নয়। নতুন সরকারের প্রথম দিনটি যদি আরও দৃশ্যমান ঐক্যের বার্তা দিতে পারত, তবে সেটা হতো গণ-অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগের প্রতি গভীরতর শ্রদ্ধা।
এখন দেখার বিষয়, এই প্রাথমিক টানাপোড়েন বৃহত্তর রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেয়, নাকি সংলাপের মধ্য দিয়ে পথ খুঁজে নেয় নতুন বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে বলা যায়, এত ত্যাগের পর যে নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা গড়ে উঠেছে, তার আনুষ্ঠানিক শুরুটা আরও সুন্দর হতে পারত।
* টিপু সুলতান: সাংবাদিক
![]() |
| বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথগ্রহণ কক্ষে শপথবাক্য পাঠ করেন। ছবি: বাসস থেকে নেওয়া |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেক্সিকোতে এক দশকে গুমের ঘটনা বেড়েছে ২০০ শতাংশ
এতে বলা হয়, ২০২২ সালের আগস্টের এক উজ্জ্বল সকালে ৩১ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক অ্যাঞ্জেল মন্টেনেগ্রোকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মেক্সিকোর কুয়াউতলা শহরে সারারাত বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর তিনি কুয়ের্নাভাকায় ফেরার জন্য বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। সকাল ১০টার দিকে একটি সাদা ভ্যান এসে থামে। কয়েকজন ব্যক্তি নেমে তাকে ও তার এক সহকর্মীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। কিছু দূর গিয়ে সহকর্মীকে ছেড়ে দেয়া হলেও মন্টেনেগ্রোকে আর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে তার মা প্যাট্রিসিয়া গার্সিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে পাওয়া যায় শুধু তার ছেলের একটি ক্যাপ ও এক পাটি জুতা। তিন বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ছেলেকে খুঁজে ফিরছেন। গার্সিয়া বলেন, রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যে হতাশা শুরু হয়।
মন্টেনেগ্রো মেক্সিকোর ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি নিখোঁজ বা গুম হওয়া মানুষের একজন। দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরেই গুমের সংকট চলছে। জননীতি বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান গল্কীরপড় ঊাধষúধ–র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে দেশে গুমের ঘটনা ২০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
মেক্সিকো ইভালুর নিরাপত্তা বিশ্লেষক আরমান্দো ভার্গাস বলেন, এটি জাতীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া সমস্যা। তার মতে, গত এক দশকে অপরাধী চক্রগুলোর দেশজুড়ে বিস্তার এবং মাদক পাচারের বাইরে নতুন নতুন অপরাধে জড়িয়ে পড়াই গুম বৃদ্ধির বড় কারণ।
অপরাধী গোষ্ঠীগুলো নতুন সদস্য সংগ্রহে জোরপূর্বক নিয়োগ করছে এবং নতুন এলাকা দখলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের ‘নিশ্চিহ্ন’ করছে। সরাসরি হত্যা করলে নজরদারি বাড়ে বলে অনেক ক্ষেত্রে তারা লাশ গোপন কবরস্থানে পুঁতে ফেলে, পুড়িয়ে ফেলে বা অ্যাসিডে গলিয়ে দেয়। এভাবে লাশ গুম করে সহিংসতাকে ‘অদৃশ্য’ করে ফেলা হয় বলে মন্তব্য করেন ভার্গাস।
এদিকে মেক্সিকো সরকার অপরাধী চক্রগুলোর বিস্তার ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। ২০১৮ সালে সরকার নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে একটি জাতীয় অনুসন্ধান কমিশন গঠন করে এবং একটি উন্মুক্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করে। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়ে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদোর নিখোঁজের তালিকা পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেন এবং সংখ্যা কমিয়ে ১২ হাজার ৩৭৭ দেখান। এতে মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউমকে প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তা খারিজ করে বলেন, আগের প্ল্যাটফর্মে অনেক সমস্যা ছিল এবং সরকার নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, নিবন্ধিত গুমের সংখ্যাও প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় কম হতে পারে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মেক্সিকোতে ৯৬ শতাংশের বেশি অপরাধের কোনো সমাধান হয়নি।
সরকারি উদ্যোগের ঘাটতির কারণে গার্সিয়ার মতো বহু মা নিজেরাই খোঁজে নেমেছেন। তিনি ১২ নারীর একটি দলে যুক্ত হয়ে নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় ধাতব রড দিয়ে মাটি খুঁড়ে সম্ভাব্য গণকবরের সন্ধান করেন। মন্টেনেগ্রোর ফোনের শেষ সিগন্যালের সূত্র ধরে তারা কুয়াউতলার উপকণ্ঠের একটি মাঠে ছয়টি লাশ পান। কিন্তু এখনও তার ছেলের খোঁজ মেলেনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাওরপারে গোঁসাই বাড়ির পলাশগাছের গল্প
খাইঞ্জার হাওর থেকে হঠাৎ চোখে পড়ে হাওরপারের গ্রামের একটি বাড়ির গাছপালার মাথায় যেন স্তূপ হয়ে আছে একগুচ্ছ আগুনের শিখা। হাওয়ায় সেই আগুনের শিখা দুলছে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের ভুজবল গ্রামের এই বাড়ি ‘গোঁসাই বাড়ি’ নামে পরিচিত। বাড়ির পুকুরপাড়ের গাছেই এমন আগুনের শিখার মতো পলাশ ফুল ফুটেছে। ফুল দেখে ‘পিন্দারে পলাশের বন পালাব পালাব মন...’ গানের কথা মনে পড়ে যায়।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খাইঞ্জার হাওর এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখা গেছে, রাস্তার পাশে কেউ খেত থেকে বোরো ধানের চারা তুলছেন, কেউ চারা রোপণ করছেন, কেউ খেতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। স্থানীয় লোকদের কেউ কেউ পতিত মাঠ দেখিয়ে জানালেন, পানির ব্যবস্থা না থাকায় এই খেতে বোরো চাষ সম্ভব হয়নি। খেতের পাশ দিয়েই গেছে কোদালীছড়া। পাড়ে বুনো কিছু গাছের মধ্যে অনেক চিল বসে আছে।
গোঁসাই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পলাশ ফুলের একটি গাছ নয়, ছোট-বড় অনেক গাছ ছড়িয়ে আছে বাড়ির এখানে-সেখানে। বাড়ির পুকুরপাড়ে, রাস্তার পাশে, ঝোপঝাড়ের ভেতর ছড়ানো-ছিটানো অনেক গাছ। ছোট-বড় পাঁচ-ছয়টি গাছে পলাশ ফুল ফুটেছে। এর মধ্যে বেশ কিছু গাছ ২০-৩০ বছর বা তার চেয়ে বেশি পুরোনো। পুকুরপাড়ের দুটি গাছে বেশি ফুল ফুটেছে। গাছগুলোর মাথায় আগুন রঙের ঢেউ খেলছে। ফুল ঝরে পড়ছে গাছের নিচে। গাছতলা অনেকটা নকশা তোলা রঙিন চাদরের মতো হয়ে আছে। ফুলের কাছে শালিক ও কাঠশালিক পাখিই বেশি দেখা গেছে। তারা এক ডাল থেকে অন্য ডালে উড়ে গিয়ে বসছে। বাড়ির লোকজনের ধারণা, গাছগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গজিয়েছে। বাড়ির উত্তরাধিকারীদের কেউই বলতে পারছেন না, পলাশ গাছগুলো কে লাগিয়েছেন। ফুল ফোটা একটি পলাশগাছের পাশে দুটি উদালগাছের ডালে ডালে ঝাঁক বেঁধে সোনালি রঙের ফুল ফুটেছে।
বাড়ির অংশীদারদের একজন নারায়ণ গোস্বামী জানালেন, কীভাবে এখানে পলাশ ফুলের গাছগুলো হয়েছে, তাঁর ধারণা নেই। প্রতিবছর এই সময়ে ফুল ফোটে। আলাদা করে গাছগুলোর পরিচর্যার কোনো প্রয়োজন পড়ে না।
অপর অংশীদার ফণী বাগচি বললেন, প্রায় ২০ বছর আগে একটি গাছ কেটে তিনি ঘরের কাজে লাগিয়েছিলেন। সেই গাছের গোড়া থেকে ডালপালা গজিয়ে এখন ওই গাছটিই অনেক বড় হয়ে গেছে। তিনিও বলতে পারেননি, তাঁদের বাড়িতে এত পলাশগাছ থাকার কারণ।
গাছগুলো কেটে ফেলা না হলে হয়তো ভবিষ্যতে এই বাড়িটি ‘পলাশ বাড়ি’ নামেই পরিচিত হয়ে উঠতে পারে। বসন্তে রঙের আগুন লাগবে তখন বাড়িটিতে। এসব ভাবতে ভাবতেই পশ্চিম আকাশে সূর্য ডুবছে। গোধূলির রঙে তখন প্রকৃতি স্তব্ধ, নির্জন হয়ে গেছে। সেই রঙের সঙ্গে মিশে গেছে পলাশ ফুল। ধীরে সন্ধ্যা এসে পলাশ বাড়িটিকে রাতের আঁধার জড়িয়ে ধরতে শুরু করেছে।
![]() |
| গাছের মাথায় পলাশ ফুল। ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ভুজবল গ্রামে। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্তোষ চৌধুরী হত্যায় মেহেদিকে দিল্লিতে আটক, ফেরত পাঠানো হয়েছে
দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা মেহেদিকে আটক করেন। সূত্র অনুযায়ী, তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। বিমানবন্দর থেকে ধারণ করা এক ভিডিওতে মেহেদি দাবি করেন, আটক অবস্থায় এক পুলিশ সদস্য তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। তিনি বলেন, দেশে ফিরে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেবেন। তিনি ভিডিওতে বলেন, আমি ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে ছিলাম। আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে এবং পুলিশ আমাকে জেলে পাঠাতে চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, যদি আমি কোনো বেআইনি কাজ করে থাকি, তাহলে আমাকে দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হোক। কিন্তু তারা সহযোগিতা করেনি। এখন আমি নিরাপদে আছি। পুলিশ আমার ফোন আনলক করে পরীক্ষা করেছে। দেশে ফিরে আমি ব্যবস্থা নেব।
এর আগে ২০২৪ সালে তিনি এসআই সন্তোষ চৌধুরী হত্যার দায় স্বীকার করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়, যাতে তিনি ইউরোপগামী ফ্লাইটে উঠতে না পারেন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
রিপোর্টে আরও বলা হয়, এসআই সন্তোষ চৌধুরী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বানিয়াচং থানায় সংঘটিত সহিংসতার সময় জনতার হাতে নিহত হন। পরে তার মরদেহ একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। একই দিনে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। বিয়ের মাত্র ১০ মাস পর হত্যা করা হয় সন্তোষ চৌধুরীকে। তার মৃত্যুর তিন মাস পর তার সন্তানের জন্ম হয়। তিনি ছিলেন তার পিতামাতার একমাত্র ছেলে। সেদিন বানিয়াচং এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে পুলিশের গুলিতে আরও নয়জন নিহত হন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1308)
-
▼
February
(244)
-
▼
Feb 21
(7)
- রমজানের আনন্দ খুঁজে ফিরছে গাজাবাসী
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলা: হিজবুল্লাহর ঊর্ধ্বতন কর্ম...
- ট্রাম্প প্রশাসন এপস্টিন–সংক্রান্ত নথি ‘আড়াল করার’ ...
- শুরুটা আরও সুন্দর হতে পারত by টিপু সুলতান
- মেক্সিকোতে এক দশকে গুমের ঘটনা বেড়েছে ২০০ শতাংশ
- হাওরপারে গোঁসাই বাড়ির পলাশগাছের গল্প
- সন্তোষ চৌধুরী হত্যায় মেহেদিকে দিল্লিতে আটক, ফেরত প...
-
▼
Feb 21
(7)
-
▼
February
(244)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



