Saturday, December 22, 2018
নির্বাচনে জামায়াতের কোনো প্রার্থী নেই: নজরুল ইসলাম খান

আজ শনিবার নির্বাচন ভবনে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, তারা শুধু ধানের শীষের প্রতীক নয়, তারা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষে নির্বাচন করছেন তারা। বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ তাদের দেয়া হয়েছে। জামায়াত তাদের মনোনীত করেনি। বিএনপি মনোনীত করেছে।
বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া জামায়াত নেতাদের পদ-পদবি তাদের দলীয় ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন বলেন, ওয়েব সাইটে পদ-পদবি থাকুক। আপনারাও যদি আমাদের কাছে মনোনয়ন চান, আমরা দিতে পারি।
কোনো ওয়েবসাইটে আপনার নাম কীভাবে আছে সেটা পরের ব্যাপার। আমরা আইনের মাধ্যমে দিতে পারি কি-না সেটা হলো বিষয়। জামায়াত কোনো নিবন্ধিত দল নয়। কারা কারা জামায়াত করে সেই তালিকাও আমাদের কাছে নাই।
আমরা যাদের মনোনয়ন দিয়েছি, তারা আমাদের দলের প্রতীক ধানের শীষ পেয়েছে। এটা যদি অবৈধ হতো তাহলে নির্বাচন কমিশন আগেই বলত- তাদের প্রার্থিতা অবৈধ। তাদের যদি প্রতীক দেয়া বেআইনি হতো, যখন প্রতীক বরাদ্দ করা হয় তখন নির্বাচন কমিশন কেন প্রতীক বরাদ্দ করল। আওয়ামী লীগ সব সময় বলে নির্বাচন কমিশন যা করে তাই আমরা মেনে নিব, বাধা সৃষ্টি করব না। এখন কেন আওয়ামী লীগ ইসির কাজে পদে পদে বাধা সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আদালত ১২-১৪ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব আসনের নির্বাচন স্থগিত রেখে আবার নির্বাচনের দাবি করছি। অথবা এসব আসনে আমাদের প্রার্থী পরিবর্তনের সুযোগ দেয়া হোক। নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বৈধতা দেয়ার কারণেই তাদেরকে আমরা মনোনীত করেছি। কমিশন যদি সেই সময় অবৈধ ঘোষণা করত আমরা অন্য প্রার্থী দিতাম।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনকালে ইসি অসীম ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু তারা কেন সে ক্ষমতা প্রয়োগ করছে না, নিশ্চয় জনগণ সেটা জানতে চাইবে। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে দেয়া হোক। কারণ এটা আমাদের মৌলিক অধিকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালি, বিজনকান্তি সরকার, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখন দেশে ভয়ের পরিস্থিতি রয়েছে: শহীদুল আলম

শহিদুল আলম বলেন, প্রত্যেকেই মনে করছে কী হয়, কী হবে, প্রশাসন তাদের হাতে এত রকমের ক্ষমতা যেখানে সেখানে জনগণের হাতে যে সবচেয়ে বড় ক্ষমতা তা বোঝানোর দরকার। জবাবদিহি যে একটি প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেকোনো সরকারই থাকুক না কেন সে জানবে, তার ওপর খবরদারি, নজর আছে এবং যা খুশি করে পার পেয়ে যাবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমাদের ছবি তোলা, রিপোর্টিংয়ের ব্যাপারে অনেকগুলো নিষেধাজ্ঞা আছে, সরকারের যদি ভয়ই না থাকে তাহলে নিষেধাজ্ঞা দেবে কেন। সুষ্ঠুভাবে, অবাধভাবে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে সকলে রিপোর্ট করবে, ছবি তুলবে। নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ভয়টি ইঙ্গিত করে। আমাদের জোরালোভাবে দাবি তোলা দরকার সাংবাদিক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি এবং জনগণকে জানানোর সুযোগ থেকে আমি যেন বঞ্চিত না হই।
সংবাদ সম্মেলনে ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ, আইনজীবী, শিল্পী, শিক্ষকসহ নাগরিক সমাজের ২৯জন প্রতিনিধির পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৯৯৬ সালে কাতারে ব্যর্থ অভ্যুত্থান নিয়ে নয়া তথ্য

আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পল ব্যারিল নামে ওই সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, এতে সমর্থন ছিল সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের। এই তিন দেশ ও মিশর ২০১৭ সালের ৫ই জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। তাদের অভিযোগ, কাতার সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেয়। তবে কাতার ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ব্যর্থ ওই সামরিক অভ্যুত্থানের নাম দেয়া হয়েছিল ‘অপারেশন আবু আলি’। ১৯৯৬ সালের রমজান মাসে, অর্থাৎ তৎকালীন আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ক্ষমতায় আসার এক বছর বাদে তাকে উৎখাতে এই চেষ্টা চালানো হয়।
আমিরের কাজিন ও তৎকালীন পুলিশ প্রধান শেখ হামাদ বিন জসিম বিন হামাদ আল থানির সহযোগিতায় পরিকল্পনা করা হয়।
ব্যারিল জানান, পুরো প্রচেষ্টায় আরব আমিরাত তাকে ব্যাপক সহায়তা দিয়েছে। পুরো অভিযান সফল করতে তার সঙ্গে ছিল ৪০ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত সেনা। পুরো দলকে রাখা হয়েছিল আবু ধাবির ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে। সেখানেই অনেক অস্ত্র রাখা হয়েছিল। পুরো দলকে ইউএই’র পাসপোর্ট দেন আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ জায়েদ আল-নাহিয়ান, যিনি তখন আরব আমিরাতের সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন। ব্যারিল বলেন, অস্ত্রের যোগান এসেছিল মূলত মিশর থেকে। যে সামরিক দল অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল তাদের মধ্যে নির্বাসিত কাতারি কর্মকর্তারাও ছিলেন।
পাশাপাশি সৌদি আরবও উপজাতীয় যোদ্ধাদের প্রস্তুত রেখেছিল। বাহরাইন ছিল ব্যারিল ও তার যোগাযোগ দলের অবস্থানস্থল। তারা সেখান থেকে আড়িপাতার মাধ্যমে কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান ঘটনাপ্রবাহ জানবেন, এমনটাই কথা ছিল।
তিনি আরও জানান, ১৯৯৬ সালের শুরুর দিকে ওই অভিযান সফল করতে তিনি একা গোপনে সাগরপথে দোহায় যান। তার উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর ছবি নেয়া। এর মধ্যে শেখ হামাদের বাসভবন, স্থানীয় টিভি স্টেশন ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ভবন অন্তর্ভূক্ত ছিল। রোববার ব্যারিলের তোলা ওই ছবি প্রথমবারের মতো আল জাজিরা প্রকাশ করে।
অভিযানে অংশ নিতে তিনি আফ্রিকার দেশ চাদ থেকে ৩ হাজার সেনা নিয়ে আসেন। বিনিময়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবিকে ২ কোটি ডলার পরিশোধ করেন। পুরো অভিযানের খরচ ছিল প্রায় ১০ কোটি ডলারের কাছাকাছি।
যেভাবে ব্যর্থ হয় অভিযান
ব্যারিল জানান, অভিযান ব্যর্থ হওয়ার একটি কারণ ছিল, তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট জ্যাকস শিরাক নিজে ব্যক্তিগতভাবে তাকে ফোন দিয়ে অভিযান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে অভিযান এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত রদ করেছিলেন কাতারের জাতির পিতা শেখ খলিফা বিন হামাদ আল থানি, যিনি ছিলেন তৎকালীন আমিরের পিতা। শেখ খলিফা যখন জানতে পারেন যে, তার ছেলের বিরুদ্ধে ওই অভিযান চালানো হলে প্রায় ১ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে, তখন তিনি ক্ষান্তি দেন।
ব্যারিল বলেন, ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ‘হত্যাযজ্ঞ’ সম্পন্ন করতে হতো। কারণ, তার দলের অন্যতম দায়িত্ব ছিল আমির শেখ হামাদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহ শাসক পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে আটক করা।
এদিকে জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল জানান, ২০১৭ সালের জুনের দিকে যখন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ওই চার প্রতিবেশী দেশ, তখন দেশটি সামরিক বহিঃআক্রমণের দ্বারপ্রান্তে ছিল।
আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই জার্মান রাজনীতিক জানান, তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন এই আক্রমণ প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তার হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ভেবেছিলেন যে তিনি এতে আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন পাবেন।
তখন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা গ্যাব্রিয়েল সতর্ক করে বলেছিলেন যে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি’তে ফাটল ধরলে তাতে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন একপক্ষীয় অবস্থা দেখিনি -নূরে আলম সিদ্দিকী

নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি কেমন দেখছেন এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা, জনগণের সংশ্লিষ্টতা সবকিছু মিলে একটি হতাশাব্যঞ্জক পরিস্থিতি আমি অবলোকন করছি, উপলব্ধি করছি এবং অনুভব করছি। বাস্তবে পরিবেশটি ছিমছাম এবং সরকারদলীয় প্রার্থীদের নির্বাচন প্রচারণার ডামাডোলে আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে নির্বাচন উৎসবমুখর হচ্ছে। কিন্তু একটি নির্বাচনের নিয়ামক শক্তি যারাÑ দেশের সাধারণ জনগণ, নির্বাচন নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো উদ্দীপনাতো নয়ই ন্যূনতম আশার ও উৎসাহের সঞ্চার করতে পারেনি। সমগ্র জনতার মনে একটা গা-ছাড়া ভাব। তারা ধরেই নিয়েছে নির্ধারিত ফলাফলের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীনদের বেঁধে দেয়া গতানুগতিক রাস্তায় নির্বাচনটি হবে। আরো ৫ বছরের জন্য ক্ষমতাকে পোক্ত করার একটি নিমিত্ত ছাড়া এ নির্বাচনের আর কোনো উদ্দেশ্য নেই।
এই অবস্থাটির প্রতিবাদ করারও বাস্তব পরিস্থিতি বিরাজ করছে না। দেশে প্রার্থীদের বাদ্য বাজনা যতই বাজুক একটা গুমোট থমথমে ভাব সমাজের সর্বস্তরে বিরাজ করছে। একটা অসহিষ্ণু অস্থিরতা নির্বাচনের সমস্ত সৌন্দর্য ও স্বাবলীলতাকে গ্রাস করে ফেলেছে। এর মধ্যে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ঐক্যফ্রন্ট একটা প্রতিবাদের পাদটিকা তৈরি করতে পারবে বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু কালের কশাঘাতে সে সম্ভাবনাও মলিন ও বিবর্ণ হয়ে গেল। অন্যদিকে বিরোধী দল বলতে যাদের বোঝায় সেই বিএনপি ছন্নছাড়া একটা দলে রূপ নিয়েছে। দলটি বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেবে কিভাবে? কারণ, দলটি আজ বলতে গেলে নেতৃত্ব শূন্য। যদিও কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ঐক্যফ্রন্টটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা প্রদানের একটি দৃশ্যমান পরিবেশ সৃষ্টি করতে চলেছিল তা অভিযাত্রার প্রারম্ভেই দুমড়ে-মুচড়ে দেয়া হলো।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সর্বত্র আলোচনা। আপনি কিভাবে দেখছেন?
একটা নির্বাচন যে নিরপেক্ষতা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড একান্ত জরুরি সেটা অনেকটাই অনুপস্থিত। প্রশাসনতো একচেটিয়াভাবে সরকারি দলের পক্ষে মাঠে নেমে গেছে। পুলিশ প্রশাসন এখন আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ক্যাডার। অনেক থানার ওসি পায়জামা, পাঞ্জাবি পরে, বঙ্গবন্ধু কোট গায়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার মতো বক্তৃতা করছেন। দিনে বক্তৃতা করছেন, রাতে বিএনপি কর্মীদের দৌড়ের ওপর রাখছেন এবং বিএনপির নেতা-কর্মীরাও অনেকটা হাল ছেড়ে দেয়ার মতো অবস্থা। নির্বাচন হচ্ছে হোক তারাই এখন এটাকে গতানুগতিকভাবে নিয়েছেন তখন সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই নির্বাচনে একটা সুদৃঢ় ভূমিকা পালন করার সুযোগ কোথায়?
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য না হলে কি পরিস্থিতি হবে বলে মনে করেন?
শাসনতন্ত্র পরিবর্তনে ক্ষমতা অর্জনের জন্য ২০০ সংসদের আসন তারা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মনে হচ্ছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কি নাগরিক, কি নির্বাচন কমিশন, কি রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কেউ যেন এটাকে প্রতিরোধ করার কোনো ভূমিকাতো রাখছেনই না, বরং তারাও পরম উৎসাহে তালে তাল দিচ্ছেন। আমার পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন একপক্ষীয় ও বেহাল অবস্থা কখনও দেখিনি।
বাষট্টি থেকে আইয়ুবের আমলে নির্বাচন দেখে আসছি, মৌলিক গণতন্ত্রী ধরনের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের যে বিস্তীর্ণ সুযোগ ছিল তা যে তারা ব্যবহার করেননি তা নয় কিন্তু প্রশাসন প্রকাশ্যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে আজকের মতো আস্ফালন করেননি। দেশের এই ভয়াবহতা প্রশাসনের সরকারি পক্ষে উলঙ্গ অংশগ্রহণ এবং বিচারিক ব্যবস্থার এই নীরব নিথর নিস্তব্ধ ভূমিকা দেশকে; নির্বাচনকে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব

এগুলো নিঃসন্দেহে নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে। দেশের অনেক স্থানে বিরোধী দলের নেতাকর্মী বা প্রার্থীরা ঘর ছাড়া হয়েছেন। কোনো কোনো স্থানে তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন বা আদালতের যে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার কথা ছিল সেটি তারা করছেন না। এটি আমাদের নির্বাচনের পরিস্থিতিতে একটি শঙ্কা ছড়িয়ে দিচ্ছে। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন হলো জনগণের সম্মতি শাসন প্রতিষ্ঠা করার একটি মাধ্যম, জনগণ যদি ভোট দিতে না পারে, ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারে তবে জনগণের সত্যিকার অর্থের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে না। যেটি গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় হবে। গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আমরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যেতে পারি। ২০১৪ সালের নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত একতরফা নির্বাচন, আরেকটি একতরফা বিতর্কিত নির্বাচন আমাদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।
এর আগে জেলা সুজন সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নেন, রংপুরের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবাধ নির্বাচন নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাগিদ

এরমধ্যে রয়েছে, বিক্ষোভকারী ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বারংবার গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনা এবং ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র ও যুব শাখা দ্বারা সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শন। রিপোর্টে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে প্রার্থীদের নিবন্ধন নিয়ে আপত্তির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, বিরোধীদলীয় সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে দৃশ্যত হাজার হাজার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফৌজদারি অভিযোগ আনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে টম টুগেনধাত লিখেছেন, ‘আমি নিশ্চিত এসব অভিযোগের বিষয়ে আমার সাথে একমত হবেন আপনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উত্থাপন করা এসব অভিযোগকে ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস স্বীকৃতি দিয়েছে কি না, যদি ব্যাখ্যা করেন, তাহলে কৃতজ্ঞ হব। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এসব ইস্যুতে শেখ হাসিনা ওয়াজেদ সরকারের কাছে বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু তুলে ধরেছে কি না টুগেনধাত তাও জানতে চান ওই চিঠিতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণ ভোট দিতে না পারলে মহাসংকটের সৃষ্টি হবে -সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও নেতাকর্মীদের হয়রানির লিখিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে এ লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক। পরে ড. কামাল বলেন, যে তথ্যগুলো দেয়া হয়েছে- তা নজিরবিহীন। আমি ৪০/৫০ বছর ধরে বাংলাদেশের নির্বাচন দেখছি। কিন্তু কোনো দিন এমন চিত্র দেখিনি। পুলিশ কারো আদেশিত হয়ে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন মানে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেখানে সরকারি দলের লোক থাকে। বিরোধী দলের লোক থাকে। যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তাদের ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে যেতে হয়।
আবেদন করতে হয়। কিন্তু আর ৭ দিন পর ভোটের কি অবস্থা হবে তা আপনারা বুঝতেই পারেন। আমাদের যারা প্রার্থী তাদের পুলিশের বিরুদ্ধে কি ধরনের প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে তা নজিরবিহীন। তিনি বলেন, ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা বলছে, এভাবে পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া। যারা ভোট চাইতে যাচ্ছে তাদের ওপর পুলিশ ও সরকারি দল মিলে আক্রমণ করছে। এটা আগে কখনো হয়নি। এমন আর দেখিনি। যেভাবে নির্বাচনী পরিবেশকে ধ্বংস করা হয়েছে এটা কল্পনাও করা যায় না। এটা যেন অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। না হলে সংবিধান লঙ্ঘন করার অপরাধ হবে। সংবিধানকে ভঙ্গ করার অপরাধ হবে। তিনি বলেন, হামলা দেখে বোঝা যায়, কেন্দ্রীয় আদেশ-নির্দেশের ভিত্তিতে এগুলো করা হচ্ছে। এটা সংবিধানকে সম্পূর্ণভাবে লঙ্ঘন।
আমি ধরেই নিয়েছিলাম নির্বাচনের আগে কিছু তো হবেই, তবে এই অবস্থা দেখতে হবে তা কখনও ভাবিনি। ড. কামাল বলেন, নির্বাচনের আরো ৭ দিন আছে। এগুলো যেন অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই যেন সরকার এগুলো বন্ধ করে। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাথা ঠিক করেন। মাথা ঠান্ডা করেন। মাথা সুস্থ করেন। ইলেকশনে জিততে হবে। তাই বলে এভাবে ভাঁওতাবাজি করে না। এটাকে জেতা বলে না। মানুষের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করা, মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা, সংবিধান লঙ্ঘন লঙ্ঘন করা। এই নির্বাচনে যেটা করা হচ্ছে তা ইতিপূর্বের সকল স্বৈরাচারী সরকারকে ছাড়িয়ে গেছে। তাই আপনাদেরকে ভালোভাবে বলছি, আর মাত্র সাত দিন আছে। এসব বন্ধ করুন। বন্ধ না হলে জনগণ নির্বাচন মেনে নেবে না।
এ সময় তিনি বলেন, ভোটবাক্স দখল করে নির্বাচনে জয়লাভ করলে জনগণ সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না। স্বীকৃতি না দিলে এই বিজয়ের কোনো অর্থ হয় না। অর্থহীন বিজয়ের চেয়ে বিজয় না হওয়া অনেক ভালো। আমি অনুরোধ করবো- নির্বাচন হতে দেন। ড. কামাল বলেন, এদেশের মানুষ সচেতন। তারা চায় অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন। এই দেশের মানুষ বহু মূল্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সুতরাং স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এটা আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ৪৭ বছর পরে সংবাদ সম্মেলনে আজ কথা বলতে হবে এর চেয়ে আমার দুঃখের বিষয় নেই। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ড. কামাল বলেন, পুলিশের কর্মকাণ্ডে আমি অবাক হয়েছি। সংবিধান লেখার সময় পুলিশের ভূমিকা লেখা হয়েছিল ‘নিরপেক্ষ’। পুলিশ কোনো দলের কিংবা রাষ্ট্রের হবে না। তবে এখনকার পুলিশ কাউকে বিরোধীদলীয় মনে করলেই ধরে ফেলে, অর্থাৎ সংবিধানে যে নিরপেক্ষ শব্দটি লেখা আছে, তার ষোল আনা পরিপন্থি কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি কোনো ভোট হয়নি। এটা একটা আয়োজন ছিল। তারা বলেছিল, দ্রুত নির্বাচন দেবে। তবে সেই দ্রুত সময় আর আসেনি। যেটা হয়েছে তা হলো- নতুন করে ‘দ্রুত’ শব্দের অর্থ তৈরি করতে হবে। ‘দ্রুত’ মানে ৫ বছর। এ সময় তিনি বলেন, প্রহসন বন্ধ করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন- তা না হলে দেশে সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হবে। তিনি বলেন, তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে জয়ী হয়ে দাবি করবেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। দয়া করে মিথ্যাচারের এ খেলা বন্ধ করুন। এটা স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থি। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া এবং পুলিশের সঙ্গে সরকারি দল মিলে ভোট চাওয়ার ঘটনা আমার ৫০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখিনি। বিরোধী প্রার্থীরা যারা ভোট চাইতে যাচ্ছে তাদের ওপর এরকম আক্রমণ আগে কখনো হয়নি। এবার যেভাবে ভোটের পরিবেশকে ধ্বংস করা হয়েছে এটা কল্পনা করাও যায় না। এগুলো যেন অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। না হলে সংবিধান লঙ্ঘন করার অপরাধ হবে। সংবিধানকে ভঙ্গ করার অপরাধ হবে। যদি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুযোগ না দেয়া হয় তাহলে এই নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত দাবি করবে তাদের কোনোভাবেই নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া যাবে না। তখন মহা সংকট সৃষ্টি হবে। জনগণ দেশের ক্ষমতার মালিক। তাদের ভোট দিতে না দেয়া স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এই আঘাত মেনে নেয়া যায় না।
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে সারা দেশে ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা প্রতিনিয়ত বাধা ও মারধরের সম্মুখীন হচ্ছেন। ঐকফ্রন্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দল ও প্রশাসন বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় গ্রেপ্তার করা হয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ মো. শাহাদত হোসাইনকে। এ পর্যন্ত ধানের শীষ প্রতীকের ১৬ জন প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুতুড়ে মামলায় আরো ২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড চাওয়া হয়। ইতিমধ্যে আফরোজা আব্বাস, রোমানা মাহমুদ টুকু, সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, কনক চাঁপাসহ ৫ জন নারী প্রার্থীর ওপর নগ্ন হামলা করা হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩টি নির্বাচনী এলাকায় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থিতা শূন্য হয়ে গেছে। ২০শে ডিসেম্বরও ১১ জনের প্রার্থিতা স্থগিত করেছেন কোর্ট। ১৬জন প্রার্থী কারাগারে। নির্বাচন কমিশন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক আইন করে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রদের ক্ষেত্রে পদত্যাগ করে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিধান করেছে। অন্যদিকে উচ্চ আদালত একে একে তাদের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে চলেছেন। এতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনের পূর্বেই নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে যেতে হচ্ছে এবং এর সুবিধা নিচ্ছেন ক্ষমতাসীনরা। প্রায় প্রতিদিন নানাভাবে ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে।
যা ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচনের বাইরে ঠেলে দেয়ার শামিল। প্রাধান নির্বাচন কমিশনার যতই বলছেন, নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, মাঠে কিন্তু এর প্রমাণ মিলছে না। বরং মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। মাঠে ঐক্যফ্রন্টকে দাঁড়াতেই দেয়া হচ্ছে না। প্রশাসনও বৈরী আচরণ করছে। নানা জটিলতায় অর্ধশতাধিক আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী নেই। যেসব নির্বাচনী এলাকায় জাতীয় ঐকফ্রন্টের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, সেসব নির্বাচনী এলাকায় পুনঃতফসিলের দাবি জানাচ্ছি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- বিএনপি নাকি ব্যালট পেপার ছাপিয়েছে, এটা উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা নয়তো? অন্যদিকে শুরু থেকেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের প্রচার কাজে প্রকাশ্যে বাধা দিচ্ছে সরকারি দলের সন্ত্রাসী বাহিনী। প্রার্থীসহ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর সশস্ত্র হামলা থামছেই না। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে অবাধে গুলিবিদ্ধ করে আহত করা হচ্ছে তাদের। আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী গত বুধ ও বৃহস্পতিবার গায়েবি মামলা হয়েছে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।
নির্বাচনী প্রচারে বাধা, হামলা, ভাঙচুরের মতো সহিংসতা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। পুলিশসহ প্রশাসনের ভূমিকা দেশবাসীকেও রীতিমতো অবাক করছে। তিনি বলেন, ঘটে যাওয়া চলমান পরিস্থিতি অকাট্য প্রমাণ করছে যে সবার জন্য সমান সুযোগ আজও তৈরি হয়নি। সৃষ্টি হয়নি বহু কাঙ্ক্ষিত ও প্রত্যাশিত অবাধ, সুষ্ঠু ও বাধাহীন ভোটদানের নিরাপদ পরিবেশ। বরং চলমান সহিংসতা বলে দিচ্ছে- সরকার, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন জনপ্রত্যাশিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির পথে নিজেরাই অন্তরায়। বিবেকের দায় থেকে ইতিমধ্যে একজন নির্বাচন কমিশনার সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ার বিষয়টি একাধিকার দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট করেছেন। এতে আমাদের এতদিনের বক্তব্যের সত্যতা শতভাগ মিলে গেছে। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যা হবে আত্মঘাতী। এটা ভোট কেন্দ্রে কোনো প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা রিটার্নিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ, কিংবা নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচরে দ্রুত ও সহজে আনার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই বাধার সৃষ্টি করবে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী এখন পুলিশ। যেসব নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তারা হামলা, মামলা ও গ্রেপ্তার করে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়া করেছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে তাদের প্রত্যাহার করে সেখানে নিরপেক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এপিং ফরেস্ট নিয়ে রহস্য by ইশরাক পারভীন খুশি

এক মিনিট লেট হলে লাল কালি। তিনদিন লেট একটা কাউন্সিলিং, তিনটি কাউন্সিলিং জব চলে যাবার নোটিস।
তবু লন্ডনে কাজে অনেক সুবিধা আছে। বাৎসরিক পেইড হলি ডে পাওয়া যায় দু’এক সপ্তাহ, তিনদিন পর্যন্ত সিক কল দেয়া যায়, ম্যাটারনিটি ছুটি নয় মাস পেইড ও তিন মাস আনপেইড। তারমানে পুরো এক বছর। প্যাটারনিটি ছুটি দু’সপ্তাহ আর বিনা নোটিসে ওরা চাকরিচ্যুত করে না। কিন্তু আমেরিকায় বিপরীত। লন্ডনে সরকার কর্তৃক মিনিমাম পে-বলে একটা বাধা পারিশ্রমিক আছে যার নিচে কোনো মালিক কাজ করাতে পারবে না। যে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোর কাজের চুক্তি তার একমিনিটও বেশি তারা তোকে কাজ করাবে না। প্রয়োজন হলে অনুরোধ করতে পারে। দিন শেষে তুই যা বেতন পাবি সরকার সেখানে ট্যাক্স বসাবে। যদি এক হাজার টাকা উপার্জন হয় তাহলে তিনশ’ টাকা ট্যাক্স। শুধু উপার্জনের ক্ষেত্রে এটি এমন নয়, যা কিনবি একটা কুকিজ হলেও তার সঙ্গে একটা ট্যাক্স জুড়ে দেয়া আছে। আর যে কয় ঘণ্টা কাজ তার পুরো সময় দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে। এমন কি ম্যানেজারদেরও একই অবস্থা। জানিস তো এসব দেশে পিয়ন বলে কিছু নেই। ডাক্তাররাও নিজেই চেয়ার ছেড়ে উঠে রুগিকে ডেকে নিয়ে আসেন।
একটা নতুন জায়গায় বেড়াতে যাওয়া মানে শুধু জায়গাটা দেখা নয়, সে জায়গাটির পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে উপযুক্ত গাছটির বেড়ে উঠাতেও আছে চমক। আর একটা অচিন দেশে যেখানে শুরুতে খাপ খাইয়ে নেয়াটা সহজ নয় সেখানে পরিচিত অপরিচিত কথা নয় দেশের মানুষের দেখা মিললে যেন হাতে চাঁদ পাওয়া হয়। হাজারটা ভিন্ন দেশি মানুষের মাঝে দেশের মানুষকে দেখলে মন আকুপাকু করে উঠে। আরে মিয়া বাংলা না বলতে পেরে ক’দিন মনটা কি যে ছটফট করছে। মানুষহীন কোনো জায়গাই সৌন্দর্যের পরিপূর্ণতা পায় না। লন্ডনে চলার পথে এমন কিছু দেশি মানুষের সাহচার্য পাবার সৌভাগ্য হয়েছে তাদের কথা না বললেই নয়। বিদেশ বিভূঁইয়ে শতবর্ণের শতভাষার মানুষের মাঝে দেশের মানুষের দেখা পেলে এক অন্যরকম অনুভূতি হয়। তখন নোয়াখালী কুমিল্লা বলে কোন তফাৎ থাকে না। তখন বাংলাদেশের সব আঞ্চলিক ভাষা এক হয়ে, হয়ে যায় বাংলা।

ফ্রেনচার্চ স্ট্রিট স্টেশনে বার্গার কিং ফাস্ট ফুডের দোকানে গেলে অবাক দৃশ্য চোখে পরে।
একদল বাঙালি ছেলেমেয়ের বাংলা কথায় মুখর বার্গার কিং-এর রান্নাঘর। বাংলা গানও বাজছে মৃদু স্বরে। ঝটপট গরম গরম বার্গার তৈরি হচ্ছে। বিশাল লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষের খাবার অর্ডার নেয়া হচ্ছে। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই মচমচে হচ্ছে অন্যদিকে। লাইলা, ইসলাম, সাইদ, আফসানা, ফাতেমা, সনি, লোপা, শফিক, বাদল আরো অনেকেই যেন একেকটা নাম নয়, যেন বাংলাদেশের এক এক অঞ্চল থেকে আসা একেকজন প্রতিনিধি যারা এখানে নতুন একটা পরিবার তৈরি করেছে। মানুষকে ভালোবাসার, আগলে রাখার অমায়িক আঁধার।
এই মানুষগুলোর প্রত্যেকের ভিন্ন দেশে এসে টিকে থাকার, স্বপ্ন পূরণ করার আলাদা আলাদা সংগ্রামের গল্প আছে। আছে নিজস্ব পাওয়া না পাওয়ার হিসাব। তবু এরা পরিবার না হয়েও, রক্তের সম্পর্কের কেউ না হয়েও এক বাংলাদেশের পরিবার হয়ে একে অন্যকে যেভাবে আগলে রাখে তা সারাজীবনেও ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। রুনা-সৌমেন, সামি-মাসুদ, হিমন-নার্গিস, তনু-বাসার, শুভ-আছিয়া, চৈতি, সাগর, স্বাগত, জুননুন, কামরুল-জেসমিন, ইশতিয়াক আরো অনেকেই এরা সবাই এক পরিবারের অংশÑ যে পরিবারের নাম বাংলাদেশ।

পপলার সিটির লুবক হাইজের নাম হয়ে গেল স্পতবাসান যেখানে বাংলাদেশের সাতটি অঞ্চলের সাতটি ছেলে একটা পরিবার গড়ে তুলেছে। ওরা সারাদিন কাজ, স্কুল ও পড়াশোনা শেষে রুটিন করে সাতজনেই ভাগাভাগি করে ঘরের কাজ করে। একেকজন একেক দিন রান্না করে। বিপদে-আপদে, অসুখে-বিসুখে কাঁধে কাঁধ মিলায়। রাজিব, সনি, আজম, কানন, রসি, আদনান, সুব্রত এই সাতে স্পতবাসান কোলাহলে মুখর। কারো জন্মদিন হলে কেক মাখামাখি চলে, ঈদে পাতিল ভরে বিরিয়ানী রান্না হয়। দিনের মাঝে কাজের ফাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেশে প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলেই মনকে শান্ত করে ওরা। একজন বিয়ে করে স্পতবাসান ছাড়লে আরেকজন ওই শূন্যস্থান পূরণ করে। আমি আমার এই ভ্রমণকালীন সময়ে এ পর্যন্ত নোয়াখালী কুমিল্লা বরিশাল শুধু নয় সব এলাকার মানুষের দেখা পেয়েছি।
একদিন মুনমুন মস্কো থেকে তার পরিবার নিয়ে এলো লন্ডন ঘুরতে, একদিন বিশ্বজিৎ স্যার, আকাশ স্যার এলেন লন্ডন ঘুরতে। দিনগুলো পাখির ডানায় ভর করে উড়ে গেল স্মৃতির খাঁচায় জমা হতে। একদিন আকরাম এলো বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে সেমিনারে অংশ নিতে। দেশের গর্ব আমাদের প্রাণের উচ্ছ্বাস। আকরামকে নিয়ে এপিং ফরেস্টে ঘুরতে গেলাম। গেলাম কিউ গার্ডেনে। কিউ গার্ডেন অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা। প্রতিটি মহাদেশীয় গাছপালা ফুল ফল নিয়ে তৈরি করেছে অঞ্চলভিত্তিক সংগ্রহশালা। কত ধরনের ক্যাকটাস যে আছে। কত ছোট আর কত বিশাল আকৃতির ক্যাকটাস যে দেখলাম। দেখলাম গ্রিনহাউসের মধ্য সব মহাদেশীয় বৃক্ষরাজি। এশিয়ার অংশে পেলাম নারকেল আম কলাসহ আরও অনেক বৃক্ষমালা। ফুল ফল লতা এমন কি মানুষখেকো গাছ। শাপলা, পদ্ম, বিশালাকৃতির পদ্ম পাতাও। সাজানো গোছানো সবুজ, সবুজের মাঝে রংবেরঙের সমাহার।
আকরামকে নিয়ে আরো গেলাম এপিং ফরেস্টে। সবুজ ঘন বন। হাঁটতে হাঁটতে ঢুকে পড়লাম বনের ভেতর। গা ছমছমে ভাব। তার ওপর আসার আগে লোকমুখে শুনেছিলাম এপিং ফরেস্টের একটা রাস্তাই গাড়ি পার্ক করে রাখলে সেটা নাকি একা একাই চলতে থাকে। আমরা অবশ্য পাতাল রেলেই গিয়েছিলাম। গাড়ি রাখবার ঝামেলা ছিল না। আমার আবার পাহাড়ে গেলে, বনে বা খোলা প্রান্তরে গেলেই দু’হাত ছড়িয়ে প্রাণ খুলে চিৎকার দিতে ভালো লাগে। এত সবুজ আর নির্জন বনের মধ্য ঢুকে প্রাণ খুলে দিলাম এক চিৎকার। সে চিৎকার বনের নীরবতা ভঙ্গ করে প্রতিধ্বনিত হয়ে ঝঙ্কার দিয়ে উঠল। আমরা তিনজন হাঁটতে থাকলাম। হাঁটতে হাঁটতে এক ভদ্রমহিলার সঙ্গে দেখা হলো সে মুখটা কাঁচমাঁচু করে ভয় পাওয়া স্বরে আমাদের জিজ্ঞাসা করল তোমরা কি কিছুক্ষণ আগে একটা চিৎকার শুনেছো? আমরা একে অন্যের মুখ চাওয়া চাওয়ি করে বললাম কই না তো। সে আরো ভয় পেয়ে বলল আগেই শুনেছিলাম এখানে এমন চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়, এখন দেখছি এটা সত্যি। দ্রুত পায়ে সে প্রস্থান করতেই আমরা হাসিতে ফেটে পড়লাম।
(লেখকঃ টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
December
(211)
-
▼
Dec 22
(8)
- নির্বাচনে জামায়াতের কোনো প্রার্থী নেই: নজরুল ইসলাম...
- এখন দেশে ভয়ের পরিস্থিতি রয়েছে: শহীদুল আলম
- ১৯৯৬ সালে কাতারে ব্যর্থ অভ্যুত্থান নিয়ে নয়া তথ্য
- পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন একপক্ষীয় অবস্থা দে...
- দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব
- অবাধ নির্বাচন নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে বৃটিশ পররাষ্ট্...
- জনগণ ভোট দিতে না পারলে মহাসংকটের সৃষ্টি হবে -সংবাদ...
- এপিং ফরেস্ট নিয়ে রহস্য by ইশরাক পারভীন খুশি
-
▼
Dec 22
(8)
-
▼
December
(211)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...