Monday, November 13, 2017
বন্দর শ্রমিকদের সব দাবিকে সমর্থন নাছিরের
সোমবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মীর নওশাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ সমর্থনের কথা জানান।
মেয়র বলেন, ২০১০ সালে বন্দর শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা আদায়ে যে দাবি পূরণের অঙ্গীকার ছিল সুদীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তা আজও পূরণ করা হয়নি। অথচ বন্দর শ্রমিকদের ঘামে ভেজা পরিশ্রম,নিষ্ঠা আর দক্ষতার ওপর ভর করে চট্টগ্রাম বন্দর আজ বিশ্বে ৭১তম বন্দর হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।বন্দরের ল্যাসিং,আনল্যাসিং,ডক শ্রমিকসহ সব শ্রমিকের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ১৪ দফা দাবি আদায়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও মালিক পক্ষকে সমন্বিত ও আন্তরিক ভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।
তিনি শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ১৪ দফা দাবি আদায়ের ব্যাপারে আপনারা আজ (১৩ নভেম্বর) থেকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন।আপনারা ধৈর্য্ ধরুন।এই সময়ের মধ্যে দাবি পূরণের ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগত ভাবে বন্দর চেয়ারম্যান ও মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।মনে রাখবেন আপনাদের দাবি পূরণে আমি আপনাদের সঙ্গে একাত্ম আছি।
শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে নৌমন্ত্রীর নির্দেশনা, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উইন্সম্যানদের বন্দরের শ্রম শাখায় অন্তর্ভুক্তি, কর্মক্ষেত্রে আঘাত পাওয়া শ্রমিক কর্মচারীদের চিকিৎসা সুবিধা ও চিকিৎসাকালীন দৈনিক জীবিকাভাতা প্রদান, গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স বাস্তবায়ন, জেনারেল কার্গো বার্থের শ্রমিকদের জন্য টনেজ ভিত্তিতে মজুরি নির্ধারণ, দুই সেট করে গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীতকালীন পোশাক প্রদান ইত্যাদি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফর আলী।
বক্তব্য দেন সিবিএর সিনিয়র সহসভাপতি মো. হাসান, মো. নুরুল আবছার, নুরুল আমিন ভূঁইয়া, দুলাল মিয়া, আইয়ুব দোভাষ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উৎপল বিশ্বাস, আবু বক্কর চৌধুরী বাপ্পী, আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো.জানে আলম প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ জানাবে বাংলাদেশ
শিল্পোন্নত দেশগুলোকে এমন বার্তা দিতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিতে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের টিম জার্মানির বন-এ এসেছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ২৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল হাই লেভেল সেগমেন্টসহ বিভিন্ন সেশনে অংশ নেবে। প্রতিনিধি দলে আছেন- পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ খন্দকার, পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, পরিবেশ ও বন সচিব ইশতিয়াক আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব নূরুল কাদিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে শুক্রবার হাছান মাহমুদ বনে এসে পৌঁছান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আসছেন বুধবার। পরিবেশ ও বন সচিব সবার আগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের কয়েক কর্মকর্তাকে নিয়ে কপ-২৩তে এসেছেন। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আজ শুরু হওয়া উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বড় টিম গতকাল বন-এ এসে পৌঁছেছেন। ভ্রমণক্লান্তি কাটাতে বিশ্রাম নিয়েছেন তারা। ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও ঝিরিঝিরি বৃষ্টির কারণে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হোটেলের বাইরে বের হননি। দুয়েক জন বাইরে বের হলেও মার্কেট বন্ধ থাকায় আবার হোটেল রুমে ফিরে যান। এদিকে গত বৃহস্পতিবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কপ-২৩তে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে জানানো হয়। ওই সময় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সাংবাদিকদের জানান, এ ধরনের কনফারেন্সে বাংলাদেশের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন। কারণ, আবহাওয়ার পরিবর্তনে যে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ সেই দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই আমরা যাচ্ছি পুরনো কথাগুলোই বলার জন্য এবং কী অগ্রগতি হয়েছে, তা জানতে। তিনি জানান, কপ-২৩ তে আমাদের উদ্বেগ জানালেই একটি বিশেষ দেশের অবস্থান পরিবর্তিত হবে- এটা আমি বিশ্বাস করি না। এই পরিস্থিতিতেও বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকগুলো অর্থ ধার দেবে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় যে টাকাগুলো পেতাম যেমন- বৃটিশদের ডিএফআইডি, তা কিন্তু পাচ্ছি না। তাই আমি বলবো প্যারিস চুক্তির আগেই আমরা ভালো ছিলাম। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সূত্রে জানা গেছে, জলবায়ু সম্মেলনে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ তিনটি বডিতে সদস্য হিসেবে রি-ইলেকটেড হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে অভিযোজন ফান্ড বোর্ড। যেখানে ২২টি সদস্য দেশ রয়েছে। অন্যটি এক্সিকিউটিভ কমিটি অব লস অ্যান্ড ড্যামেজ। এই বডিতে রয়েছে ২০টি সদস্য দেশ। আরেকটি হচ্ছে কনসালটেটিভ গ্রুপ। এ গ্রুপেও ২০টি দেশ রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এক উচ্চ পর্যায়ের সদস্য মানবজমিনকে বলেন, কপ-২৩ তে আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। শিল্পোন্নত দেশগুলোর সদিচ্ছা না থাকলে প্রতি বছর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে অনেক সিদ্ধান্ত হবে কিন্তু বাস্তবায়ন হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিউদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ
আর এমন একজন সুস্থ মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ম্যাক্স হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হওয়ায় ভেঙে পড়েন দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
হাসপাতালের চিকিৎসক জহির উদ্দিন চৌধুরী জানান, মহিউদ্দিন চৌধুরীর দুটি কিডনিতেই সমস্যা। পা দুটো দুর্বল। শরীর উপরের দিকে ভারি এবং নিচের দিকে হালকা হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে হার্টের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন তিনি। অনেকবার তার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। তবুও অনেকটা মনের জোরেই চলছিলেন এ নেতা।
তিনি জানান, শনিবার রাতে গুরুতর অসুস্থাবস্থায় এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাই অথবা সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
তার পারিবারিক সূত্র জানায়, মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তবে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শেখর তদারক করছেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আপাতত তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাকে দেখতে যান আওয়ামী লীগের সাধারণ ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। ওবায়দুল কাদের অসুস্থ মহিউদ্দিন চৌধুরীর চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।
এদিকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার খবর পেয়ে গতকাল সকালে নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ছুটে যান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
মেয়রের একান্ত সচিব রায়হান ইউসুফ জানান, মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন রোববার সকাল সোয়া ১০টা থেকে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় মহিউদ্দিন চৌধুরীর পাশে অবস্থান করেন। মেয়র বলেন, হায়াত-মউত সবার জন্য। আল্লাহ না করুক তিনি ছাড়া চট্টগ্রামের রাজনীতি গতি হারাবে। তাই মহিউদ্দিন ভাইয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে আমি দোয়া প্রার্থনা করছি। যাতে মহিউদ্দিন ভাই চট্টগ্রামের মানুষের জন্য আমাদের মাঝে আরো হাজার বছর বেঁচে থাকেন।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের ঘোরবিরোধী। বিগত সময়ে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, নগরীর আউটার স্টেডিয়ামে সুইমিং পুল নির্মাণসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি আ জ ম নাছির উদ্দিনকে কটাক্ষ ও তুমুল সমালোচনা করেছিলেন। মাঝে মধ্যে গরম কথা বলে অনুসারী নেতাকর্মীদের উত্তপ্ত করে তুলতেন। হাতে লাঠি নিয়ে আ জ ম নাছিরকে যেখানে পান সেখানে প্রতিরোধের ঘোষণাও দেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেনিম রপ্তানিতে এগুচ্ছে দেশ
যার বেশিরভাগ হিস্যা এখন বাংলাদেশের দখলে। পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কমিশনের পরিসংখ্যান বিভাগ ইউরোস্ট্যাটের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেনিম ফ্যাব্রিক্সের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছে বাংলাদেশ। চীন এসব ডেনিম ফ্যাব্রিক্স রপ্তানি করা থেকে সরে আসায় বাংলাদেশ এ অর্ডার পাচ্ছে বলে মনে করেন তারা। এ ছাড়া ঠিকমতো কাজ করতে পারলে বাংলাদেশ খুব সহজেই ডেনিম পণ্যের উৎসস্থলে পরিণত হবে।
তথ্যমতে, ২০১৬ সালে ইইউতে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখন শীর্ষে। আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। মোট ১২৯ কোটি ডলারের ডেনিম রপ্তানি হয়েছে। আগের বছর এর পরিমাণ ছিল ১১৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে চীন ইইউতে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থান হারিয়েছে। দেশটি ডেনিম রপ্তানিতে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে। ইইউতে দেশটির ডেনিম রপ্তানি কমেছে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ।
চলতি বছরের জুন পর্যন্ত হিসেবে ডেনিম পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তুরস্ক। তারা এ পর্যন্ত রপ্তানি করেছে ৫৫১.১৪ মিলিয়ন ডলারের ডেনিম। গত বছরের তুলনায় দেশটির প্রবৃদ্ধি ৫.২৮ শতাংশ।
অন্যদিকে একক প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে এখনো চীনের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো তৃতীয়। যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষ স্থান অক্ষুণ্ন আছে চীনের। তবে, আলোচ্য বছরে চীনেরও রপ্তানি কমেছে ৩৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে মেক্সিকো। গত বছর প্রায় ৫৬ কোটি ডলারের ডেনিম রপ্তানি করেছে দেশটি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি ও জুলাইয়ের মধ্যে ডেনিম পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ ৩৯২.৭১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার বাংলাদেশের আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ৬.৬১ শতাংশ। তবে, মার্কিন বাজারে শীর্ষ রপ্তানিকারক চীনের এবার রপ্তানি ৩.০৩ শতাংশ কমেছে। তাদের এবারের রপ্তানি আয় ৮৮৫.৮২ মিলিয়ন ডলার। যা গত বছরে ছিল ৯১৩.৫৯ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপারেল মার্কেটে বাংলাদেশের যেসব ডেনিম বেশি যাচ্ছে সেগুলো হলো- ব্লু ডেনিম ট্রাউজার্স ডব্লিউজি, ব্লু ডেনিম ট্রাউজার্স এমবি, ব্লু ডেনিম স্কার্ট, ব্লু ডেনিম জ্যাকেট, ব্লু ডেনিম স্যুট টাইপের কোট এমবি, প্লে স্যুট ও সানস্যুট।
সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, বাংলাদেশি ডেনিম পণ্যের চাহিদা বিশ্বে দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে এই ইন্ডাস্ট্রিকে আরো উদ্ভাবনী হতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে ডিজাইনের ক্ষেত্রে আরো ভ্যারিয়েশন আনার পাশাপাশি আমাদের প্রোডাক্টগুলোর দাম বাড়াতে হবে।
ডেনিম রপ্তানি কেন বাড়ছে: জানা গেছে, আমদানি পর্যায়ে সময় ব্যয় না হওয়ায় রপ্তানিতে লিডটাইম (রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পর ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছানোর সময়) কম লাগছে। ফলে ডেনিম রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তুলনামূলক বেশি। ডেনিমের দামও তুলনামূলক বেশি। এ ছাড়া সমপ্রতি পাট থেকে ডেনিম কাপড় তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাট ও তুলার মিশ্রণে তৈরি করা সুতা থেকে বানানো হবে ডেনিম।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) হিসেবে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩২টি ডেনিম মিল রয়েছে। এগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪৪২ মিলিয়ন মিটার। এসব মিলে কাজ করেন ২০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক। আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে আরো ১০টি নতুন ডেনিম মিল কোম্পানি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২১ সালে ডেনিমের চাহিদা ১২০ কোটি গজে পৌঁছবে।
সম্প্রতি ঢাকায় দু’দিনের ডেনিম প্রদর্শনী হয়ে গেলো। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের ডেনিমকে জনপ্রিয় করতে নিরলস কাজ করছে ডেনিম এক্সপার্টের এমডি মোস্তাফিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বড় বাজার ইউরোপ ও আমেরিকা শীতপ্রধান দেশ। ওইসব দেশে ডেনিমের চাহিদাই বেশি। তবে সম্ভাবনা শতভাগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বিশ্বব্যাপী জানান দিতে আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ডিং কর্মসূচি প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই গত কয়েক বছর ধরে ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডেনিম প্রদর্শনী করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারছেন ক্রেতারা। ঢাকার ডেনিম প্রদর্শনী এখন ডেনিমের সবচেয়ে বড় বিশ্ব আসর।
যত চ্যালেঞ্জ: ডেনিমের কাপড় তৈরি করতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কাজ চলাকালে লোডশেডিং হলে ডেনিম কাপড়ের মান নিয়ন্ত্রণ কষ্টকর। এ ছাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লে নতুন করে বিনিয়োগ করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ ছাড়া কাপড়ের জন্য বাইরের উৎসের ওপর নির্ভরশীল না হওয়াটাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এখনো প্রায় ৬০ শতাংশ ডেনিম কাপড় আমদানি করতে হয়। সেজন্য আমাদের গবেষণা, উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনের ওপর আরো জোর দিতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশ্রয় শিবিরে যৌন নির্যাতন সহ নানা হয়রানির শিকার রোহিঙ্গা শিশুরা
বাংলাদেশে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের বেপথে পরিচালনা করা ও পাচার বিষয়ে অনুসন্ধান করে আইওএম। তাদের এ তদন্তকে ‘এক্সক্লুসিভ বেসিস’ বা নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে দেখে রয়টার্স। এতে দেখা গেছে, ১১ বছর বয়সী রোহিঙ্গা মেয়েদের বিয়ে দেয়া হচ্ছে। মিয়ানমারে নৃশংসতার শিকার হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে কমপক্ষে ৬ লাখ রোহিঙ্গা। এর মধ্যে সাড়ে চার লাখই শিশু। মোট রোহিঙ্গার শতকরা ৫৫ ভাগই তারা। এসব শিশু বসবাস করছে নাজুক আশ্রয় শিবিরে। তাদের দিকে চোখ পড়েছে অসাধু চক্রের। কক্সবাজারের এএসপি আফজুরুল হক টুটুল বলেছেন, শিশুরা যাতে বেরিয়ে যেতে না পারে তা ঠেকাতে বসানো হয়েছে ১১টি চেকপয়েন্ট। যদি দেখা যায় কেউ রোহিঙ্গা শিশুদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিককে শাস্তি দেয়া হবে। আই্ওএম রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবিরগুলোতে বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেছে। দীর্ঘদিন এখানে আছেন এবং সম্প্রতি যারা এসেছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা। আলাদাভাবে তাদের সাক্ষাতকার নিয়েছে রয়টার্স। তাতে দেখা গেছে, আশ্রয় শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গা শিশুরা ভাল নেই। আইওএম বলছে, রোহিঙ্গা শিশুদের টার্গেট করছে লেবার এজেন্ট বা শ্রমে নিয়োজিত করানোর দালাল। তারা এসব শিশুকে উৎসাহিত করছে। এক্ষেত্রে তারা বেছে নিচ্ছে শিশুদের পিতামাতাকে। দুর্ভোগে পড়ে এমনিতেই তারা বিপর্যস্ত। তার ওপর অর্থের লোভ দেখানো হয় তাদেরকে। ফলে ওইসব পিতামাতা সহজেই সন্তানকে কাজ করার অনুমতি দেন অথবা বাধ্য করেন। তৃতীয় শ্রেণির পর পড়াশোনার সুযোগ খুবই সীমিত। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৭ বছর বয়সী রোহিঙ্গা ছেলে ও মেয়ে শিশুরা আশ্রয় শিবিরের বাইরে গিয়ে কাজ করছে। ছেলে শিশুরা কাজ করছে বিভিন্ন কৃষিকাজে, খামারে, অবকাঠামো খাতে, মাছ ধরা বোটে, চায়ের দোকানে আবার কখনো রিক্সা চালাচ্ছে। অন্যদিকে মেয়ে শিশুরা গৃহকর্মে অথবা পরিবারের সন্তানদের দেখাশোনার কাজ করছে। তারা পার্শ্ববর্তী কক্সবাজর, চট্টগ্রামে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে এসব কাজ করছে। এক রোহিঙ্গা দম্পতি স্বীকার করেছেন। বলেছেন, তাদের ১৪ বছর বয়সী মেয়ে কাজ করছিল চট্টগ্রামে এক বাসায়। এক পর্যায়ে সে ওই বাসা থেকে পালিয়ে যায়। ফিরে আসে আশ্রয় শিবিরে। তখন তার হাঁটার শক্তি ছিল না। ওই শিশুটির মা বলেছেন, তার মেয়েকে নিয়োগকারীর পরিবার শারীরিক নির্যাতন করেছে। যৌন নির্যাতন করেছে। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যটি ছিল মাদকাসক্ত। রাতের বেলা সে ওই রোহিঙ্গা বালিকার বেডরুমে প্রবেশ করতো। তাকে ধর্ষণ করতো। ৬ থেকে ৭ বার সে এ কাজ করেছে। ‘এর বিনিময়ে ওই নিয়োগকারীরা আমাদেরকে কোন অর্থ দেয় নি। কিচ্ছুই না’। তবে তার এ দাবিকে যাচাই করা যায় নি। তবে এ ঘটনা অন্য ঘটনাগুলোর মতোই, যা রেকর্ড করেছে আইওএম। যাদের সঙ্গে কথা বলে আইওএম ও রয়টার্স তাদের তথ্য উপস্থাপন করেছে, তাদের বেশির ভাগই বলেছেন, রোহিঙ্গা নারীরা এক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হন। তাদেরকে ধর্ষণ করা হয়। তাদেরকে যারা ধর্ষণ করে তাদেরকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। রয়টার্স লিখেছে, তারা অনুসন্ধানে দেখতে পেয়েছে রোহিঙ্গা শিশুরা কর্দমাক্ত রাস্তাঘাটে উদ্দেশ্যহীনভাবে একা একা ঘোরাঘুরি করছে। বসে আছে তাঁবুর বাইরে। রাস্তার পাশে ভিক্ষা করছে বহু শিশু। জাতিসংঘ এজেন্সিগুলো এবং দাতব্য সংস্থাগুলোর জন্য কাজ করে ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ। তারা এ মাসে বলেছে, নিঃসঙ্গ ২৪৬২ টি শিশুকে তারা সনাক্ত করেছে। এসব শিশু আশ্রয় শিবির থেকে আদালাত। তাদের দাবি, এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে। শিশুদেরকে কাজে পাঠিয়েছে এমন সাতটি পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতকার নিয়েছে রয়টার্স। তারা সবাই বলেছেন, ভয়াবহ অমানবিক অবস্থায় তাদের সন্তানদের কাজ করতে হয়। বেতন দেয়া হয় অকল্পনীয়ভাবে কম। শিকার হতে হয় নির্যাতনের। এমনই একটি রোহিঙ্গা শিশুর নাম মুহাম্মদ জুবায়ের। তার পরনে ময়লাযুক্ত ফুটবলের একটি টিÑশার্ট। তাকে দেখে মনে হয় বয়স ১২ বছর। তবে তার মা বলেছেন, তার বয়স ১৪ বছর। জুবায়ের বলেছে, তাকে দিনে আড়াইশ টাকা বেতন দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু সড়ক নির্মাণের একটি কাজে এ প্রস্তাবে ৩৮ দিন কাজ করানোর পর তাকে দেয়া হয়েছে মাত্র ৫০০ টাকা। জুবায়ের ও তার পরিবার থাকেন কুতুপাংয়ের একটি শিবিরে। সে আরো বলেছে, তাকে রাস্তার মেরামত কাজে কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ সময় তাকে মারাত্মকভাবে খারাপ খারাপ গালি শুনতে হয়েছে তার নিয়োগকর্তার মুখ থেকে। এক পর্যায়ে সে বেশি অর্থ দাবি করে। ফলে এমন নির্যাতন বাড়তে থাকে। তাকে কাজ থেকে চলে যেতে বলা হয়। তবে তাকে কারা কাজ দিয়েছিল তা জানাতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর এক মাসের জন্য একটি চায়ের দোকানে কাজ নেয় জুবায়ের। সেখানে দু’শিফটে কাজ করতে হয় তাকে। ভোর ৬টা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে কাজ। মাঝখানে বিকালে চার ঘন্টার বিরতি। তবে তাকে দোকান ছেড়ে যেতে দেয়া হতো না। তাকে দিনে মাত্র একবার তার পিতামাতার সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হতো। জুবায়ের বলে, সেখানেও আমাকে বেতন দেয়া হয় নি। তাই আমি পালিয়ে চলে এসেছি। আমি ভয়ে ছিলাম। মনে করেছিলাম আমার মালিক লোকজন নিয়ে এখানে আশ্রয় শিবিরে চলে আসবে এবং আমাকে আবার নিয়ে যাবে। ওদিকে বেশির ভাগ পিতামাতাই তাদের মেয়ে শিশুদের আগেভাগে বিয়ে করতে বাথ্য করে। তারা মনে করে এতে মেয়ের সুরক্ষা হয়। আর্থিক স্থিতিশীলতা আসে সংসারে। আইওএম দেখতে পেয়েছে, এমন বিবাহের শিকার কনেদের অনেকের বয়স ১১ বছর। তবে এ বয়সেই তাদের অনেকে স্বামীর সংসারে গিয়েছে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে। দ্বিতীয় স্ত্রীকে আবার খুব তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়। তাদেরকে অর্থকড়ি না দিয়ে পরিত্যক্ত ফেলে রাখা হয়। আইওএমের পাচার বিরোধী বিশেষজ্ঞ কাতিরইয়ানা আরদানিয়ান বলেছেন, আশ্রয় শিবিরগুলোতে শোষণ, নিষ্পেষণ একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অন্য মেকানিজম যতটা দ্রুত না পারে তার চেয়ে দ্রুত এ পরিস্থিতির ব্যবহার করে পাচারকারীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্বীনে মেরেছে শিশু আইমানকে?
‘আমার ছেলেকে জ্বীনে মেরে লুকিয়ে রেখেছে।’ সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের মা হওয়ায় তার চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। যদি এই সন্তানেরও একই পরিণতি হয়Ñ এমন শঙ্কা তাড়া করে ফিরছে মাকে।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেন চৌধুরী আবু বলেন, আইমান হক কায়েপের বাবা এজহারুল হকও নিরব, নিথর হয়ে গেছেন। ছেলে তো চলেই গেছে এখন কিছু বলেও আর কি লাভÑ এমন চিন্তা থেকে থানায় অভিযোগ করেন নি তারা। তবে নিখোঁজ হওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরী করেছিলেন। যার সূত্র ধরে পুলিশ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশও বিশ্বাস করতে চাইছেন না, শিশু আইমান হক কায়েপকে জ্বীনে মেরে নিজ বাড়ির রান্নাঘরে লুকিয়ে রেখেছে। বরং প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট এবং আলামতে আইমান হক কায়েপকে হত্যা করা হয়েছে বলেই ধারণা পুলিশের। আর এই হত্যাকান্ডের জন্য শিশু আইমানের পরিবারের দিকেই আঙুল তুলছেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার দাস রানা।
তিনি বলেন, জ্বীন কেন একটা শিশুকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করবে। আর হলেও পুলিশ তা জানতে চায়। ঘটনার আলামত ও সম্ভাব্য তথ্য উপাত্ত সামনে রেখে এ হত্যাকান্ডের তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
ওসি আরও বলেন, আইমান হক কায়েপের লাশ উদ্ধারের সময় তার নাকে রক্তমাখা ছিল। তার মলদ্বার ছিল অস্বাভাবিক। জিহ্বা বাহির হওয়া ছিল। এ থেকে বোঝা যায় তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে।
তাছাড়া যে রান্নাঘরে সবসময় রান্নার কাজ চলে। পরিবারের সবাই যাতায়াত করে সেখানে নিখোঁজ দু‘দিন তার লাশ পাওয়া যায়নি। দু‘দিন পর হঠাৎ লাশ এলো কোথা থেকে। নাকি জ্বীনে রেখে গেছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের বোয়ালখারী পৌরসভার পূর্বগোমদন্ডী দরপপাড়া বদরুছ মেহের চেয়ারম্যান বাড়ীর এজাহারুল হকের বড় ছেলে আইমান হক কায়েপ গত বৃহস্পতিবার নিখোঁজ হয়। তাকে অনেক খোঁজাখুঁঁিজর পর না পেয়ে শুক্রবার সকালে আইমানের চাচাতো ভাই শওকত হোসাইন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
কিন্তু শনিবার দুপুরে নিজ বাড়ির রান্নাঘরের কোণায় লুকানো শিশু আইমান হক কায়েপের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট এবং আলামত সংগ্রহ শেষে রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে মরদেহটি প্রেরণ করে।
ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে বলে জানান থানার উপপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন।
প্রতিবেশিরা জানান, আইমানের বাবা চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয়। আইমানের বড় চাচা পরিবার নিয়ে পৃথক বসবাস করলেও বাকিরা যৌথভাবে থাকেন। আইমানের বাবা এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা করেন ও চাচারা সবাই প্রবাসী। পরিবারে তিন চাচী ও চাচাতো ভাইরা আছেন। আইমানের বাবা এজাহারুল হক গত ৩০শে অক্টোবর দ্বিতীয় সন্তানের জনক হন। এ নিয়ে আনন্দে মেতেছিল পরিবারটি। আইমান নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় ¤¬ান হয়ে যায় সব আনন্দ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দীর্ঘদিন পর সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু
সর্বশেষ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিয়েছেন। টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথের অভিজাত জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদ টেকনাফের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বৈরী আবহাওয়া ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন অজুহাতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় পর্যটক মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় এই রুটে পর্যটকবাহী চলাচলে অনুমতি দিয়েছে নৌ-মন্ত্রণালয়। নৌ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসনও অনুমতি দিয়েছে। এতে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচলে আর কোনো বাধা রইল না।
তিনি আরো জানান, টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট হয়ে নিয়মিত পথেই জাহাজগুলো চলাচল করবে। দীর্ঘদিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় হোটেল-মোটেল কর্মচারী অভাবে দিনাতিপাত করছিল। অবশেষে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচলের সংবাদ পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন সেন্টমার্টিনদ্বীপের বাসিন্দারা। এদিকে দীর্ঘদিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ী ও সেন্টমার্টিন ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হয়েছে। তবুও অবশেষে জাহাজ চলাচল করায় তাদের মধ্যে খুশির আমেজ বইছে। এ রুটে প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে ৬ থেকে ৭ টি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করে থাকে। এবং লাখ লাখ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমন করেন। আজ সোমবার একটি জাহাজ ছেড়ে গেলেও পর্যায়ক্রমে আরও জাহাজ যোগ হবে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় সেন্টমার্টিনবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কেননা সেন্টমার্টিনের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা পর্যটন নির্ভর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জীবনের হুমকিতে মানাস দ্বীপের শরণার্থীরা
কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে, তারে আসলে যাবে কোথায়? এ অবস্থায় আতঙ্ক, বিষাদ গ্রাস করেছে শরণার্থীদের। মূলত নৌপথে অস্ট্রেলিয়ায় অনুপ্রবেশের সময় আটক শরণার্থীদের এই দ্বীপটিতে বন্দী করে রাখা হতো। আটক শরণার্থীদের শিবির পরিচালনা করা হতো অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে। তবে, সাম্প্রতিককালে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। তারা দ্বীপটিতে সব ধরণের শরণার্থী কার্জক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই বহু শরণার্থীকে তিনটি ট্রানজিট সেন্টারে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখনো দ্বীপটিতে চার শতাধিক শরণার্থী অবস্থান করছেন। আশ্রয় শিবিরে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। এমন কি খাবার পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে না। সোমবারের ভেতর তাদেরকে দ্বীপ ত্যাগ করতে বলা হয়। এমন অবস্থায় সেখানে মানবিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে। দুইজন শরণার্থীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে বিবিসি। এই সাক্ষাৎকারে সামনের অনাগত ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা এবং বর্তমানের বেঁচে থাকার লড়াই- দুটোই উঠে এসেছে।
ওয়ালিদ জাজায়ি মানাস দ্বীপে বন্দী রয়েছেন চার বছরেরও বেশি সময়। তিনি আতঙ্কধরা গলায় বলেন, আমরা অত্যন্ত ভীত। জানি না কি হতে যাচ্ছে। জানি না তারা (উচ্ছেদকারি দল) কবে আসবে। হয়তোবা কাল সকালেই। তারা আমাদের বসবাস করা তাঁবুগুলো উঠিয়ে নিয়ে গেছে। আমরা খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছি। রাতের বেলায় ঘুমাতে পারছি না। যখন আমাদের একদল ঘুমায়, অন্য দল পাহারা দেয়। ফলে কয়েক ঘণ্টার বেশি ঘুমানো যায় না। আমরা কেউ-ই জানি না আমাদের জীবনে কি হতে যাচ্ছে। অনিশ্চিত গন্তব্যের কথা ভাবতেই বার বার শরীর শিউরে উঠছে। কারণ অনিশ্চয়তা নিয়ে আমার অনেক নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিছুদিন পূর্বে আমরা একটা নতুন শহরে যাই। সেখানে আমাদেরকে মারধর করা হয়। কেড়ে নেয়া হয় আমাদের সহায়-সম্বল। অথচ, একটু আশ্রয়ের আশায় আমরা সেখানে গিয়েছিলাম! বিলাপরত জাজায়ি আরো বলেন, কয়েক মাসের ব্যবধানে আমার দু’বন্ধুকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। অথচ, আমরা তো বাঁচার উদ্দেশ্যেই এখানে এসেছি। তারা নিজেরা আত্মহত্যা করে নি বলেই আমার ধারণা। তাদেরকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলে আমার সন্দেহ।
ওই দ্বীপের আরেকজন শরণার্থী আব্দুল আজিজ আদম। তিনি সুদান থেকে পালিয়ে এসেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমি অনেকটাই নিশ্চিত যে, আমাদেরকে এখান থেকে হয়তো উৎখাত করা হবেই। অথচ, পাপুয়া নিউগিনির সরকার বিবৃতিতে বলেছিলো তারা আমাদের জোর করে সরিয়ে দেবে না। কিন্তু ঠিক দু’ঘণ্টা পার না হতেই তারা (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) এখানে এসে মাইকে উল্টো ঘোষণা দিয়েছে! তারা বলল- আমরা স্বেচ্ছায় না গেলে জোর করে তাড়িয়ে দেয়া হবে! এই অবস্থায় বেঁচে থাকার জন্য আমরা নিজেদের পক্ষে যা সম্ভব চেষ্টা করছি। আমরা জীবনের আশঙ্কায় দিনপাত করছি। এ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই। আমাদের নিরাপত্তা বলতে কিছুই নেই। ১২ দিন ধরে আমাদের জীবন বাস্তবিকভাবেই নরকে পরিণত হয়েছে। না আছে খাদ্য, না আছে পানি, না আছে বিদ্যুৎ, না আছে ঘর; শুধু জীবনটাই আছে...
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা অক্টোবরে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলো যে, অস্ট্রেলিয়ার শরণার্থী শিবির বন্ধ করে দেবার সিদ্ধান্তে মানাস দ্বীপে মানবিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। আর সেই শঙ্কাই অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এশিয়া সফরে কী বার্তা দিলেন ট্রাম্প?
বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতার বেশ ধারণ করলেন তিনি। সেই দেশের আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বললেন, উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবিলা করাটা আমাদের দায়িত্ব। কারণ, যত বেশি আমরা অপেক্ষা করবো, বিপদ ততই বাড়বে। বিকল্প ততই কমবে।
দুই দিন বাদে ভিয়েতনামের মনোরম শহর ডানাঙে গিয়ে পুরোনো সংরক্ষণবাদী রূপে ফিরে গেলেন ট্রাম্প। বললেন, গৃহের মতো আপন কোনো স্থান নেই। সতর্ক করে দিয়ে জানিয়ে দিলেন, অঞ্চলভিত্তিক আর কোনো বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র কখনও সই করবে না।
ট্রাম্পের এই পরস্পরবিরোধী বার্তায় প্রতীয়মান হয় যে, ট্রাম্প খুচরো লেনদেনের নীতিতে বিশ্বাসী। এই নীতিতে পৃথক পৃথকভাবে জয় অর্জন করা যায় বটে। কিন্তু বিশ্বে আমেরিকার সামগ্রিক অবস্থানের জন্য এই নীতি সুবিধাজনক নয়।
টোকিও থেকে বেইজিং, যেখানেই তিনি গেছেন, বিদেশী নেতাদের কাছে নিজেকে তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার প্রশাসন যেখানে অর্থনৈতিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তিনি সেখানে বিদেশী নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সখ্যতা গড়ে তোলার ওপর নজর দিয়েছেন।
কিন্তু তার এই চারিত্রিক বিপরীতধর্মীতা তার প্রশাসনের এশিয়া নীতির মৌলিক বিশৃঙ্খলাই প্রকাশ করে। ট্রাম্পের কূটনীতিকরা ভূ-রাজনৈতিকভাবে বাস্তববাদী, কিন্তু তার রাজনৈতিক উপদেষ্টারা অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদী। এ দুয়ের মাঝে আটকা পড়েছেন তিনি। এ কারণে আমেরিকার উদ্দেশ্য নিয়ে দেশটির মিত্র ও প্রতিপক্ষ উভয়েই বেশ দ্বিধার মধ্যে পড়ে গেছে। একাধিক বিশেষজ্ঞ বলছেন, আরও ক’টা দিন গেলে ভারসাম্য রক্ষা করাটা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
যেমন, চীনে গিয়েই ট্রাম্প ঝামেলায় পড়েছেন। প্রতিবেশী ও মিত্র উত্তর কোরিয়াকে আরও চাপ দিতে চীনা প্রেসিডেন্টকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। আর তা করতে গিয়ে, ট্রাম্পকে নিজের বাণিজ্য এজেন্ডা নিয়ে নরম আচরণ করতে হয়েছে। বাণিজ্য নিয়ে চীনের প্রতি নিজের ক্ষোভ কখনই গোপন রাখেননি ট্রাম্প। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হয়ে চীন সফরে গিয়ে তাকে নরম হতেই হয়েছে। কারণ, উত্তর কোরিয়াকে নমনীয় করতে চীনের সাহায্য প্রয়োজন তার।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ছোট দেশগুলোর বেলায় অবশ্য ট্রাম্প আপোষ করার অত তাগিদ বোধ করেননি। চীন ও জাপানে যেমন তার বক্তব্যে এক ধরণের আকুতি ছিল, মিনতি ছিল, ভিয়েতনামে তেমনটা ছিল না। ভিয়েতনামে গিয়ে তিনি নিজের পপুলিস্ট বা জনতোষণবাদী বাগাড়ম্বর ঠিকই উগড়ে দিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, বানিজ্যের প্রশ্নে তার ‘একলা চলো’র আহ্বানের ফলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশগুলো চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা জোরদারে উৎসাহিত হতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ইওনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাইনিজ স্টাডিজ-এর সহযোগী অধ্যাপক জন ডেলুরি বলেন, ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া আসলে এই অঞ্চলে আমেরিকার শক্ত অবস্থান দেখতে চায়। শুধু নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই নয়, বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও। কিন্তু ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি অনেকটা এই দেশগুলোকে বিপদের মুখে ফেলে সটকে যাওয়ার শামিল।’
বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তার চীন উপদেষ্টা ছিলেন জেফরি এ. বেডার। তিনি বলেন, ট্রাম্পের কথাবার্তা শুনে এশিয়ান নেতাদের মনে হবে যে, এই অঞ্চলে আমেরিকা এখন অত আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর নয়। তিনি আরও বলেন, ‘তারা সবসময় চীনের মতো উৎপীড়ক রাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কারও ছায়া চায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেই ছায়া হতে পারছে না।’
এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগীতা (এপিইসি) ফোরামের বৈঠকে ট্রাম্পই ছিলেন একমাত্র ব্যতিক্রমী নেতা। অপর ২০ রাষ্ট্রনেতার সবাই উদারনৈতিক বাণিজ্য কাঠামোর পক্ষে কথা বলেছেন। তারা সংরক্ষনবাদীতার নিন্দা করেছেন। শনিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে তারা লিখেছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে বিধিবদ্ধ, মুক্ত, উন্মুক্ত, ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ, অনুমানযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) অবদানকে আমরা স্বীকৃতি দিই।
শুক্রবার, ট্রাম্প ডব্লিউটিও’র বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। আর শনিবার ওই বিবৃতি দেয় এপিইসি। ট্রাম্প অভিযোগ করে বলেছিলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অন্যায় আচরণ করছে। তিনি বলেন, মুক্ত বাণিজ্য নীতি সমুন্নত রাখা নয়, এই সংস্থা আমেরিকানদের শোষণ করতে অবদান রেখেছে। এ কারণে আমেরিকা থেকে হারিয়ে গেছে চাকরি, কারখানা ও বহু শিল্প।
ট্রাম্প অঙ্গিকার করেছেন কোনো আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিতে তিনি আর সই করবেন না। এমনকি আন্তঃপ্রশান্ত মহাসাগরীয় আংশীদারিত্ব চুক্তি থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন ক্ষমতা পাওয়ার পরপর। শনিবার ওই চুক্তির অবশিষ্ট ১১টি সদস্য যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করে।
উত্তরপূর্ব এশিয়ায় ট্রাম্পের সফর যদি হয় উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জোট গঠনের চেষ্টা। তাহলে এটিও বলতে হবে যে, তিনি বেশ হিসাব কষেই মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুগে বৈশ্বিক নেতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের যে অবস্থান তা নিয়ে তিনি অত আগ্রহী নন।
ভিয়েতনামে তার বক্তৃতা এমন ছিল যেন তিনি পেনসিলভানিয়া বা উইসকনসিনে বক্তব্য দিচ্ছেন। তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই বক্তৃতাকে ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ নীতি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দৃশ্যত, এটি ওবামা আমলের ‘এশিয়া পাইভট নীতি’র পাল্টা নীতি। কিন্তু ট্রাম্প বৈশ্বিক অধিকার বা অভিন্ন স্বার্থের বদলে জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা বা স্বার্বভৌমত্বের ওপর।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিভাগের পরিচালক জন সিফটন বলেন, মানবাধিকার মূলত আন্তর্জাতিক চুক্তি। যখন প্রেসিডেন্ট এ ধরণের কথা বলেন, তখন এটি মনে হয় যে, তিনি আসলে বহুমুখী আইনি কাঠামোকে খুব মর্যাদার সঙ্গে দেখেন না। আর তার এই অবস্থান ভীতিঅর।
সিফটন বলছেন, মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে এখন জাপান বা কানাডাতে বেশি যোগাযোগ বাড়াচ্ছে। চীনা নেতারাও মানবাধিকার নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন। কিন্তু শি জিনপিং ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ফেলে যাওয়া জায়গার কিছুটা দখলে নিতে। যেমন, ট্রাম্পের বক্তব্যের পর বক্তৃতা দিতে গিয়ে শি জিনপিং বলেন, ‘উন্মুক্ত করার মাধ্যমেই সমৃদ্ধি আসে। আর যারা দরজা বন্ধ করে, তারা অবধারিতভাবে পেছনে পড়ে যাবে।’ এই বক্তব্যের চেয়ে ভালো কোনো প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র উপস্থাপন করতে পারেনি। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন নিশ্চিতভাবেই নিজের অবস্থান জোরালো করতে সক্ষম হবে।
সিংগাপুরের আইএসইএএস-ইউসোফ ইসহাক ইন্সটিটিউটের এশিয়ান স্টাডিজের প্রধান তাং সিয়ে মুন বলেন, ‘দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় চীন অনেকদূর এগিয়েছে। এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য এটি অত খারাপ কিছু নয়। কিন্তু চীনের সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ধ্বংসাত্মক। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ফেলে যাওয়া স্থানই দখল করছে চীন।’
এই চীন বিশেষজ্ঞের ভাষ্য, ‘দিনের শেষে, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি হয়তো বোঝাবে ঘরে বসে থাকা একাকী আমেরিকা।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ৭০৫৯ জন কর্মচারী নিয়মিত হওয়ার দাবিতে মানববন্ধন
বক্তারা বিগত ৩০/৩৫ বছর যাবৎ অবহেলিত ৭০৫৯জন ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীকে নিয়মিত সংস্থাপনে অধিপ্তরে আত্মীয়করণ না করায় দুঃখ প্রকাশ করেন। অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামোতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের রাজস্ব খাতভুক্ত মঞ্জুরীকৃত পদের সংখ্যা ৭৮৩৬, তৎমধ্যে প্রায় ৭০০০টি পদ দীর্ঘদিন যাবৎ শুন্য রয়েছে। ৭০৫৯জন ওয়ার্কচার্জড কর্মজচারীকে নিয়মিত সংস্থাপনে আনয়নের জন্য বিধি শিথিলপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ৩১/১২/১৪ইং তারিখে সড়ক ভবন ঢাকাস্থ সমাবেশে জনপ্রশাসন কর্তৃক বাছাইকৃত ২৬৬৭জনকে নিয়মিত করার ঘোষণা রয়েছে। এতদ্স্বত্বেও কর্মচারীরা নিয়মিত হতে না পেরে মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোটের শরণাপন্ন হলে কর্মচারীদের পক্ষে রায় আসে। সুতরাং বক্তব্যে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ২৬৬৭জনকে নিয়মিত বাকী ৪৩৯২জনকে কনভার্টেড নিয়মিত না করলে কেন্দ্রীয় সংসদের ঘোষণা অনুযায়ী চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান করা হবে। ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর পূর্ণ দিবস কর্মবিরতী পালন করা হবে। ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চল চল ঢাকা চল কর্মসূচি রয়েছে। ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার/ প্রেসক্লাব/ প্রধান প্রকৌশলী দপ্তরে কাফনের কাপড় মাথায় নিয়ে অবস্থান নেয়া হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্বার আয়োজনে শিল্পকলায় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী সম্পন্ন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যতিত প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয় -সুজন
সভায় প্রফেসর সিকান্দর খান বলেন, আমরা সুশাসন চাই, উন্নয়ন চাই, সত্যিকারের উন্নয়ন চাই। চাপিয়ে দেওয়া উন্নয়ন আমরা চাই না। সুশাসন ও সুষ্টু নির্বাচনের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ, গুম, বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড, যাবতীয় অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। উড়াল সড়ক গুটি কয়েক ব্যক্তির সুবিধার জন্য, উড়াল সড়ক বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অবমূল্যায়ন ছাড়া কিছুই নয়। জনগণের টাকায় জনগণকে প্রজা বানিয়ে উন্নয়ন কখনই স্থায় বা টেকসাই হবে না। সর্বোপরি গণতন্ত্র ও সুশাসন ব্যতিত কাঙ্খিত প্রকৃত টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষার উন্নয়নে সফলভাবে কাজ করছে বর্তমান সরকার
তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সহজে প্রযুক্তির উন্নত ব্যবহার নিশ্চিত করে নিজেদের অধিকতর বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।
শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীডা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শী করতে শিক্ষকদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে সৎ স্বপ্নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত মানুষ হতে পিতা-মাতা, শিক্ষকসহ সবাইকে ভুমিকা রাখতে হবে।
শনিবার (১১ নভেম্বর) সকালে সাতকানিয়া উপজেলার দক্ষিণ ঢেমশা সরকারি প্রাথমিক বিদালয়ের সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আসাদ উজ জামান জনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু সুফিয়ান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দীন, সাতকানিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশীষ চিরন, সমাজসেবক অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দীন, সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল মালেক, সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতি মো. ইউছুফ, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ঢেমশা তদন্ত কেন্দ্রের ওসি (তদন্ত) বাহার মিয়া, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান, বজল চেয়ারম্যান, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, সাবেক প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দীন, জাকারিয়া কোম্পানী, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি জামাল হোসেন, আব্দুল নবী মেম্বার, ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কিশোর কুমার দাশ ও এ কে এম দেলোয়ার হোসেনের পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদায়ী ছাত্র মিসকাত বিনতে হাবিব, মিজান বিন আলম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চিটাগং আইটি ফেয়ার শুরু
চিটাগং চেম্বার ও সোসাইট ফর প্রপোশনাল এর যৌথ আয়োজনে চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান নেকিয়ার পরিচচালক ও সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ ফরিদ বিশেষ অতিথি ছিলেন।মেলার আহবয়ক সৈয়দ জামাল আহম্মদ সহ গন্যমাণ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, টেকনোহাব ও অর্থনৈতিক জোনের প্রধান শর্ত হচ্ছে আইটি নেট সচল থাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
November
(199)
-
▼
Nov 13
(14)
- বন্দর শ্রমিকদের সব দাবিকে সমর্থন নাছিরের
- জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ জানাবে বাংলাদেশ
- মহিউদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ
- ডেনিম রপ্তানিতে এগুচ্ছে দেশ
- আশ্রয় শিবিরে যৌন নির্যাতন সহ নানা হয়রানির শিকার রো...
- জ্বীনে মেরেছে শিশু আইমানকে?
- দীর্ঘদিন পর সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু
- জীবনের হুমকিতে মানাস দ্বীপের শরণার্থীরা
- এশিয়া সফরে কী বার্তা দিলেন ট্রাম্প?
- সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ৭০৫৯ জন কর্মচারী নিয়মিত হওয়া...
- পূর্বার আয়োজনে শিল্পকলায় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও প...
- গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যতিত প্রকৃত উন্নয়ন স...
- শিক্ষার উন্নয়নে সফলভাবে কাজ করছে বর্তমান সরকার
- ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চিটাগং আইটি ফেয়ার শুরু
-
▼
Nov 13
(14)
-
▼
November
(199)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...












