Saturday, August 9, 2014
মায়ের লাশ মর্গে দুই সন্তান খুঁজছে আশ্রয় by শর্মী চক্রবর্তী

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কান নিয়েছে চিলে... by তানভীর হাসান
সারওয়ার হাওলাদারকে যে ব্যক্তি প্রথম দেখেন তাঁর নাম মো. সাগর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে মাওয়া ঘাটে পদ্মার পাড়ে দাঁড়িয়ে এক যুবককে কাঁদতে দেখেন তিনি। জিজ্ঞাসা করলে যুবক জানান, তিনি লঞ্চ দুর্ঘটনার পর গত পাঁচ দিন একটি চরে পড়ে ছিলেন। কিছু খাননি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যান সাগর।

>>সারওয়ার হাওলাদারের দাবি, ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রী ছিলেন তিনি। পাঁচ দিন কিছু না খেয়ে চরে পড়ে ছিলেন। নৌবাহিনী তাঁকে নিয়ে লঞ্চ শনাক্তের অভিযানেও নামে। পরে নিশ্চিত হওয়া গেল, তাঁর দাবি সত্যি নয়। গতকাল মাওয়া ঘাট থেকে তোলা ছবি l প্রথম আলো
নৌবাহিনীর যে জাহাজে করে তাঁকে দুর্ঘটনাস্থল চিহ্নিত করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই অভিযানের নেতৃত্ব দেন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন নজরুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তাঁর কথাকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে লঞ্চটি শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। তিনি যেখানে দেখিয়েছেন, তার আশপাশে জরিপ-১০ দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে।’
সারওয়ার হাওলাদারকে নিয়ন্ত্রণকক্ষে আনার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করেন চিকিৎসক নুরুন নাহার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর পালস (নাড়ি) স্বাভাবিক চলছিল। দেখে সুস্থই মনে হচ্ছিল। তবে তিনি বলছিলেন, আমি ক্ষুধার্ত। এই জন্য তাঁকে কিছু খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বে থাকা মুন্সিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ছেলেটির মুখ দেখেই বোঝা যায় আজকে দাড়ি কেটেছে। তাহলে পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকে কী করে। এর মধ্যে ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। সেই ধকলও তাঁর চেহারায় নেই। তার পরও পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নিখোঁজ ১৪৬ জনের নামের তালিকা দেখা হয়েছে। তাঁর নিজের বা তাঁর ভাই ও ভাবির নাম তালিকায় নেই।’
এর মধ্যে নৌবাহিনী সারওয়ারকে ঘাটে নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে আসে।
সেখানে জানতে চাইলে সারওয়ার হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ও তাঁর ভাই মামুন হাওলাদার এবং ভাবি রোকসানা মোল্লা ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রী ছিলেন। তাঁদের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়। লঞ্চডুবির সঙ্গে সঙ্গে তিনি ভেসে উঠলে একটি স্পিডবোট অন্যদের সঙ্গে তাঁকেও উদ্ধার করে পাশের একটি চরে নিয়ে যায়। সেখান থেকে অন্য যাত্রীরা চলে গেলেও তিনি এক দিন ছিলেন। পরের দিন আরেকটি স্পিডবোট গিয়ে তাঁকে কাওড়াকান্দি ঘাটে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি এক বাড়িতে গেলে তারা তাঁকে খেতে দেয়। ওই বাড়িতে দুই দিন থাকেন। তারা তাঁকে দাড়ি কামিয়ে দেয়। গতকাল ভাই ও ভাবির খোঁজেই নিয়ন্ত্রণকক্ষে যোগাযোগ করতে তিনি মাওয়া ঘাটে আসেন।
সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সারওয়ারকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।
গতকাল দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুবককে নিয়ে হেপা সামলাতে হয়েছে পুলিশকে। মাওয়া ঘাট পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক মজিবুর রহমানের কথায়ও তা স্পষ্ট, ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, সবাই চিলের পেছনে ছুটছে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোকের মাসে এরশাদের ঢিলতত্ত্ব by সোহরাব হাসান
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনই দেশ পরিচালনার একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কুচক্রীরা প্রথম বন্দুকের নলে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ওপর জবরদস্তির শাসন চাপিয়ে দেয়, পরবর্তী দেড় দশক হত্যা, অভ্যুত্থান, বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রই হয়ে ওঠে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের প্রধান হাতিয়ার। নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী এরশাদের পতন হলেও তাঁর শাসনামলের সব অনাচারই আবার জেঁকে বসেছে।
আগস্ট একই সঙ্গে আমাদের শোক ও আত্মোপলব্ধির মাস। এই মাসে বাংলাদেশ স্বাধীনতার মহানায়ককে হারিয়েছে। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায়ই জেলখানায় চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। আর এ কারণে আত্মোপলব্ধির প্রয়োজন যে, সেদিন শত্রু-মিত্র চিনতে ভুল করেছিলাম। আমরা ইতিহাসের ট্র্যাজেডি রুখতে পারিনি। এই ব্যর্থতা কেবল আওয়ামী লীগের নয়, যারা আওয়ামী লীগের চেয়ে উন্নত শাসন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল, তাদেরও। পঁচাত্তর-পূর্ব রাজনীতিতে যত সংঘাত-বিরোধই থাকুক না কেন, রাজনীতিটা রাজনীতিকদের হাতে ছিল। কিন্তু পরবর্তী রাজনীতি যে রাজনীতিকদের হাতে নেই, তার প্রমাণ আজকের সংসদ ও আজকের বিরোধী দল।
সহকর্মী সেলিম জাহিদ ঠিক জায়গাটিতেই আঘাত করেছেন। তিনি গত বুধবার প্রথম আলোতে লিখেছিলেন, ‘চতুর্মুখী ঢিল ছুড়ছেন এরশাদ’। আর তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন এই সাবেক স্বৈরশাসক। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ক্ষমতা দখলের নানা তত্ত্ব আছে। বাংলাদেশের নব্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এরশাদ ঢিলতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তিনি ঢিল ছুড়ে একবার ক্ষমতায় এসেছিলেন। বন্দুকের নল থেকে উৎসারিত সেই ঢিল বহু ছাত্র-তরুণের প্রাণ নিয়েছে। বহু রাজনীতিককে কারাগারে পাঠিয়েছে। বহু নারীর জীবনকে করেছে দুর্বিষহ। জিয়াউর রহমানের শুরু করা কেনাবেচার রাজনীতি তাঁর আমলে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর নাম দিয়েছিলেন ‘বিশ্ববেহায়া’। বিশ্ববেহায়া থেকে এখন তিনি বিশ্বদূতে পরিণত হয়েছেন গণতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর বদৌলতে।
নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও এরশাদ সেনাবাহিনীতে ঢিল ছুড়ে ক্ষমতা আরও দীর্ঘস্থায়ী করার কোশেশ করেছিলেন। লে. জেনারেল নূরউদ্দিন খানের অনড় ভূমিকার কারণে তাঁর সেই চেষ্টা সফল হয়নি। এরপর ১৯৯৬ সালে সংসদে কেউ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে ফের তিনি দুই দলের সঙ্গে দর-কষাকষি করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় যেতে সহায়তা করলেও মধুচন্দ্রিমা স্থায়ী হয়নি। পরে এরশাদ বিএনপির সঙ্গে মিলে চারদলীয় জোট করেন। ২০০৭ সালে ফের আমরা তাঁর দ্বিচারী ভূমিকা দেখতে পাই। একবার তিনি বাবর-তারেকের সঙ্গে ডাল-ভাত খান। আরেকবার শেখ হাসিনার প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করেন।
এরশাদ ঢিলতত্ত্বের নিকৃষ্টতর উদাহরণ দেখান ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের আগ মুহূর্তে। তিনি দলের একাংশকে বলেন, ‘নির্বাচন করো,’ অপরাংশকে পরামর্শ দেন ‘নির্বাচন বর্জন’ করার জন্য। কয়েক মাস ঝানু দাবাড়ুর মতো দুই দিকেই চাল দিয়ে যাচ্ছিলেন এই একদা উর্দিধারী রাজনীতিক। শোনা যায়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ের সঙ্গে টাকার অঙ্ক ও আসনসংখ্যা নিয়ে দর-কষাকষির মাঝখানে রাজনৈতিক অসুখে তাঁকে সিএমএইচে ভর্তি হতে হয়। বিনিময়ে নির্বাচন না করেও তাঁর দল ৩৪টি আসনে জয়ী হয় এবং জাতীয় পার্টিতে বিএনপিপন্থী বলে পরিচিত রওশন এরশাদ হন বিরোধী দলের নেতা।
এরশাদ সংসদে ও সংসদের বাইরে নিয়ত পরস্পরবিরোধী কথা বলে চলেছেন। কখনো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার কথা বলেন, কখনো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
কয়েক দিন আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, এই সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকার অধিকার না থাকলেও তাঁর বিশেষ দূত থাকার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এরশাদের।
রাজনৈতিক ভণ্ডামি আর দ্বিচারিতা কাকে বলে?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrabo3@dhaka.net
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শত্রুকে কীভাবে বিশ্বাস করব?’ -খালেদ মেশাল

রোজ: ভয়াবহ পরিণতি সত্ত্বেও গাজার জনগণ কি হামাসের প্রতি সমথর্ন দিয়েই যাবে?
খালেদ মেশাল: গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা বলছে, ‘আমরা ইসরায়েলের অপরাধের কারণে যন্ত্রণা ভোগ করছি।’ এমনকি হত্যাকাণ্ড ও তাদের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া সত্ত্বেও তারা বলছে, ‘খালেদ মেশাল সাহেব, দখলদারি থেকে মুক্তি নিশ্চিত হওয়া না পর্যন্ত আমরা এই যুদ্ধের অবসান চাই না। আমরা তিলে তিলে মারা যাচ্ছিলাম। এফ-সিক্সটিনসহ ইসরায়েলি ও আমেরিকান অন্যান্য প্রযুক্তির কারণে এখন আমরা তাৎক্ষণিকভাবে মরছি।’ ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর অনেক নিপীড়ন হয়েছে। তারা এখন ধীরে ধীরে মৃত্যু ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর মধ্যে তফাত পর্যন্ত খুঁজে পায় না। তারা বলে, ‘আমাদের বাড়িঘর ও পরিবার লক্ষ্য করে হামলা হচ্ছে। তবে, আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাই এবং দখলমুক্ত হতে চাই।
রোজ: কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড বন্ধ হবে? আপনারা কী চান?
মেশাল: মানুষকে আত্মরক্ষা করতে হয়। আমরা যদি অনাহারে মরি, অবরুদ্ধ থাকি; নিজেদের রক্ষা করতে হবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন শান্তি প্রতিষ্ঠার সব ধরনের প্রচেষ্টা বন্ধ করে দেন, বাকি বিশ্ব তখন পশ্চিম তীর ও গাজায় বিস্ফোরণের প্রত্যাশা করে। হামাস কী চায়, সেটা জানতে চাইছেন? শান্তি। কিন্তু আমরা চাই, কোনো ধরনের দখলদারি, বসতি স্থাপন, ইহুদীকরণ ও অবরোধ ছাড়াই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। আমরা আর সব দেশের মানুষের মতো বাঁচতে চাই। আমরা ফিলিস্তিনে বেঁচে থাকতে চাই।
রোজ: আপনি কি চান না ইসরায়েল নির্মূল হোক? নাকি দেশটির সঙ্গে সহাবস্থান চান?
মেশাল: আমি জবরদখল ও বসতি স্থাপনের মতো বিষয়ের পাশাপাশি সহাবস্থানের পক্ষে নই। আপনি কি মনে করেন দখলদারি ও বসতি নির্মাণের কারণে নিপীড়িত ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলকে নির্মূল করতে পারবে? না, এটা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার... আমরা, হামাসের সবাই ইসলামের উদারতায় বিশ্বাসী। আমরা ধর্মান্ধ নই। ধর্মীয় কারণে আমরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে লড়াই করি না। আমরা দখলদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি। আমি ইহুদিদের সঙ্গে, খ্রিষ্টানদের সঙ্গে, আরবদের সঙ্গে, অনারবদের সঙ্গে পাশাপাশি অবস্থানের জন্য প্রস্তুত। আমি অন্যান্য ধর্মের মানুষের সঙ্গে থাকতে রাজি...। যখন আমাদের একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে। এখানে অসামঞ্জস্য রয়েছে, কিন্তু আমাদের দাবিটা বেশি জোরালো। প্রতিটি দখলদারির অবসান ঘটে এবং জনগণই জয়ী হয়।
রোজ: ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কীভাবে আপনি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করবেন?
মেশাল: আপনি মনে করছেন, আস্থার ব্যাপারটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আসলে শত্রুপক্ষ। আর তারা জবরদখলকারী। সমাধানের বিষয়টি তাই আস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পরিপূর্ণ অভিযান হচ্ছে ইসরায়েলি দখলদারির উদ্দেশে বলা, ‘বন্ধ করো। যথেষ্ট হয়েছে।’ তাদের উচিত ইসরায়েলকে দখল ছেড়ে যেতে বাধ্য করা। শত্রুকে কীভাবে বিশ্বাস করব? তাদের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের উত্থান অবশ্যই রুখতে হবে। কেন বিশ্ব সম্প্রদায় শুধু ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবে এবং ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না? একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র পেতে হলে কী কারণে সেই রাষ্ট্রে কোনো সামরিক বাহিনী থাকতে পারবে না? নিরস্ত্র একটি রাষ্ট্রকে কে মেনে নেয়? তখন এটি অন্যের আগ্রাসনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। আমি অন্য কারও অভিভাবকত্ব মেনে নিতে পারব না। যদি আপনি বলেন, ‘আসুন, আপনি ফিলিস্তিনি। আমরা আপনাকে এখানে এক খণ্ড, ওখানে আরেক খণ্ড জায়গা দেব একটু একটু করে’—না। তা হবে না।
রোজ: কোনো চুক্তির ব্যাপারে আপনাদের কি হামাসের সামরিক শাখার অনুমোদন প্রয়োজন পড়ে?
মেশাল: এমন তো নয় যে আমাদের দুই মাথা বা দুই শরীর। আমরা একটিমাত্র লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলন করছি। যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব কোনো বিষয়ে অঙ্গীকার করে, তখন সামরিক শাখাও একই অঙ্গীকার করে। যদি নেতারা কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তখন প্রত্যেকে—সামরিক বা বেসামরিক যে শাখার সদস্যই হোক—তা মেনে নেন।
রোজ: আপনি গাজায় না থেকে কাতারে অবস্থান করছেন কেন?
মেশাল: এটি অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন। আপনি শুধু খালেদ মেশালকেই নন, ভিনদেশে বসবাসরত ৬০ লাখ ফিলিস্তিনিকে এ কথা জিজ্ঞেস করতে পারেন। কেন তারা পশ্চিম তীরে অবস্থান করছে না? কেন তারা গাজায় বসবাস করছে না? কারণ, সেখান থেকে ফিলিস্তিনিদের ১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালে বের করে দিয়েছে ইসরায়েল। আমি পশ্চিম তীর থেকে এসেছি। সেই ১৯৬৭ সাল থেকে আমি বিতাড়িত। জর্ডান ও কুয়েতে থেকেছি, যখন ছাত্র ছিলাম। তারপর সিরিয়ায় চলে যাই এবং এখন কাতারে আছি। আপনি আমেরিকায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে পাবেন। তারা দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনে ফিরে যেতে চায়। মার্কিন নাগরিক হলেও তারা মাতৃভূমি ফিলিস্তিনে ফেরার জন্য গভীর তাগিদ অনুভব করে। আর সে কারণেই আমরা শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন চাই। এটাই আমার ও অন্যদের আকাঙ্ক্ষা। আমার অস্তিত্বের শিকড় পড়ে আছে ফিলিস্তিনে, অথচ আমি এখানে থাকতে বাধ্য হচ্ছি।
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: আশিস আচার্য
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণতন্ত্রের লক্ষ্য বিঘ্নিত হবে by মাহফুজ আনাম
কি কারণে নতুন জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা এত অগ্রাধিকার পেলো?
প্রতি বছর আমাদের দেশে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হাজার হাজার প্রাণহানি হচ্ছে। যদি আমাদের সর্বশেষ এ ট্র্যাজেডি থেকে শুরু করি তাহলে দেখতে পাবো এখনও এ ক্ষেত্রে যথাযথ নীতি, যা লঞ্চ নির্মাণের সময় যথাযথভাবে মানতে হবে, এর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন উদ্যোগ এখনও নেয়া হয়নি। কিচেন মার্কেট থেকে খাদ্যে যে প্রিজার্ভেটিভের নামে বিষ মেশানো হচ্ছে তাতে জনগণ আতঙ্কে বসবাস করছে। এখনও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য কোন নীতি নেই। ভেজাল ওষুধে সয়লাব হচ্ছে বাজার। কিন্তু এখনও ভাল ওষুধ কোম্পানিগুলোকে পুরস্কৃত করা ও ত্রুটিপূর্ণ কোম্পানিগুলোকে শাস্তির কোন নীতি গ্রহণ করা হয় নি। যখন ভেজাল প্যারাসিটামল ব্যবহার করে গত ১০ বছরে কমপক্ষে ২০০০ শিশু মারা গেছে তখন মান্ধাতা আমলের আইন কার্যকর হতে ১৫ বছর সময় নিয়েছে, যার ফলে শাস্তি হয়েছে নাম কা ওয়াস্তে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যে আবার ঘটবে না তা ঠেকানোর কোন কিছুই নেই। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে আমাদের দেশের সড়কগুলোতে। কিন্তু জনগণের জীবনরক্ষা বা প্রতিকারের কোন নীতি নেই। ঢাকাকে ঘিরে আছে যে নদীগুলো তা ভীষণভাবে দূষিত। এতে এখন আর কোন জলজ প্রাণী বেঁচে নেই। দূষণ এখন ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। এতে মিঠাপানির মাছের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়েছে। দশকের পর দশক ধরে ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য ছেড়ে দেয়া হচ্ছে নদীতে। এ ক্ষেত্রে সরকার হয় নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করেছে নয়তো লোকদেখানো পদক্ষেপে সীমাবদ্ধ থেকেছে। এসব দূষণকারী ও ভূমিগ্রাসীর কোন জবাবদিহি নেই। সুতরাং যখন কোন সরকার তার অত্যন্ত মৌলিক দায়িত্বগুলো, নিরাপদ খাদ্য, ওষুধ, পানি ও নাগরিকদের পরিবহন দিতে ব্যর্থ হয় এবং মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণে নেয় তখন আমাদের আর কি বলার আছে? তাহলে কি বলতে হবে কোনটা সত্য তা জানতে চায় না সরকার?
বিড়ম্বনা হলো তথাকথিত ‘খারাপ’ খবরগুলো জনগণের কাছে পৌঁছানো রোধ করা হলে প্রতিকারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য তা কোন কাজে আসবে না। এটা আসবে আইনভঙ্গকারীদের উপকারে। ফলে তারা জনগণ ও সরকারকে ধোঁকা দিয়ে চলবে। ক্ষতি করবে উভয়েরই। এখানে প্রকাশিত গেজেটের ‘ধারা’গুলোর কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হলো আমাদের মন্তব্যসহ।
১. সেনাবাহিনী, বেসামরিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে তা সম্প্রচার করা যাবে না।
এ ধারাটি এমনিতেই বিতর্কিত ও অযৌক্তিক। যদি কোন কিছু হয় ‘পাবলিক ইনফরমেশন’ তাহলে কেন তা সম্প্রচার করা যাবে না? এরপর, কিভাবে বেসামরিক বিভাগের কোন কিছু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সমঝোতা করবে? সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে, মিডিয়া স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত সচেতন। সাধারণত সেনাবাহিনীর কোন গোপনীয় বিষয় কখনও প্রকাশ করা বা সম্প্র্রচার করা হয় না।
২. সেনাবাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা যারা অপরাধীদের অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারেন তাদের অবমাননা হয় এমন কোন কিছু সম্প্রচার করা যাবে না।
এ নীতির অযৌক্তিকতা কল্পনা করুন। এ নীতি যদি কার্যকর থাকতো তাহলে তো আমরা ১০০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ঘাটনের বিষয়ে কিছু লিখতে পারতাম না। যেখানে (অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী) এনএসআই ও ডিজিএফআই-এর কর্মকর্তারা সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এমনকি আমরা ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিষয়েও কিছু লিখতে পারতাম না। ওই হামলা চালানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে, এতে জড়িত সাবেক তিন আইজিপি, এনএসআই-এর সাবেক দুই কর্মকর্তা, সিআইডির সাবেক তিন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনও করা হয়েছে। অনুমোদিত নীতি অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে বা নির্যাতনে মৃত্যু, সেনাবাহিনী, র্যাব, ডিজিএফআই, গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা, যারা শাস্তি দিতে পারেন, তাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে কোন রিপোর্ট লিখতে বা সম্প্রচার করতে পারব না। এ নীতি কার্যকর হলে আমরা নারায়ণগঞ্জে সাম্প্রতিক ৭ খুন অথবা সাম্প্রতিক গার্মেন্টের ঝুট ব্যবসায়ীকে হত্যা (তাকে মিরপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর নির্যাতন করে হত্যা করেছে)- এমন সব ঘটনার খবর লিখতে পারবো না, যেখানে জড়িত র্যাব কর্মকর্তা বা পুলিশ। ক্রসফায়ার, রিমান্ডে নির্যাতন ইত্যাদি এসব নিয়ে আমরা কোন রিপোর্ট লিখতে পারবো না। সম্প্রতি লিমন নামে যে নিরপরাধ ছাত্রটিকে র্যাব বুলেটবিদ্ধ করেছিল, পরে তাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। যদি মিডিয়া র্যাবের কর্মকাণ্ড প্রকাশ না করতো তাহলে কি লিমন ন্যায়বিচার কোন দিনও পেতো?
৩. বিদ্রোহ, বিশৃঙ্খলা, সহিংস ঘটনা... প্রচার করা যাবে না?
আমরা জানি বিদ্রোহ কি এবং এটা কিভাবে প্রচার করা যায় তা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি। (এক্ষেত্রে আমরা মেনে নেবো যে, বিডিআর বিদোহের ঘটনা যেভাবে সম্প্রচার করা হয়েছে তাতে সম্প্রচার মিডিয়া পুরোপুরি পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েছে)। কিন্তু বিশৃঙ্খলা ও সহিংস ঘটনা বলতে কি বোঝানো হয়েছে? এই নীতি অনুযায়ী আমরা সহিংস কোন অস্থিরতা ও এর ফুটেজ দেখতে পারবো না। এই নীতি দেখে মনে হচ্ছে, যখন দুষ্কৃতকারীরা রেললাইন উপড়ে ফেলে, আমাদের কলকারখানায় আগুন দেয় তখন টেলিভিশন স্টেশনগুলো নাচ আর গান সম্প্রচার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত যেভাবে চলন্ত বাসে পেট্রোল বোমা ছুড়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে ব্যাপক আকারে ফুটেজে। ওই সহিংসতা ছিল অন্যায়। এর অর্থ হলো ভবিষ্যতে এমন দৃশ্য সম্প্রচার করা যাবে না? আমাদের কাছে এই নীতির অর্থ হলো- ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সরকার পুলিশি সহিংসতা ব্যবহার করবে আর মিডিয়া তা প্রচার করতে পারবে না, কারণ এতে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা হবে। তোবা গার্মেন্টের শ্রমিকদের ওপর বৃহস্পতিবার যেভাবে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে তা কি বর্তমান নীতির অধীনে সম্প্রচার করা অনুমোদিত?।
৪. বিদেশী কোন রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোন কিছু সম্প্রচার করা নিষিদ্ধ।
২০০৭-০৮ সালে যখন আমাদের নৌসীমা প্রহরায় ছিল আমাদের নৌবাহিনী তখন মিয়ানমার আমাদের নৌবাহিনীকে হুমকি দিয়ে সমুদ্রে যুদ্ধজাহাজ পাঠায়। বিদ্যমান আইনে আমরা এ কথা লিখতে বা সম্প্রচার করতে পারবো না। আমরা লিখতে পারবো না ‘ফেলানি’ হত্যাকাণ্ড অথবা বিএসএফের হাতে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের কথা? তিস্তায় আমাদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে লেখা এবং ভারত তাতে সাড়া না দেয়ায় তাদের সমালোচনা কি অনুমোদন পাবে? নাকি আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্টের নামে তা নিষিদ্ধ? সৌদি আরব, কুয়েত, মালয়েশিয়া অথবা অন্য কোন দেশে আমাদের প্রবাসী শ্রমিকদের হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা অবৈধভাবে আটক করার বিষয়টিও বিদ্যমান একই আইনে প্রচার করা যাবে না। ওই সব দেশে তারা কাজ করেন ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে’র নামে। তাহলে আমাদের যে সব প্রবাসীর পাঠানো রেমিটেন্সে আমাদের বিশাল রিজার্ভের গল্প বলি তাদেরকে কি স্বাগতিক দেশের করুণা এবং আমাদের ভীরু ও দুর্নীতিগ্রস্ত বানিজ্যিক অ্যাটাচিদের ওপর ছেড়ে দেবো?
৫. পরিবেশবান্ধব নয় এমন কোন দৃশ্য প্রকাশ করা যাবে না বিজ্ঞাপনে।
কিন্তু একটি দূষিত নদী, যত্রতত্র পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা, গাছ কাটা যদি বিজ্ঞাপনে দেখানো হয় এবং জনগণকে যদি এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয় তাহলে তাতে অন্যায় কি?
৬. ভুলভাবে ও অসত্য তথ্য এড়িয়ে চলতে হবে অবশ্যই।
অসত্য তথ্য অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। যদি ঘটনাক্রমে যাচাই ছাড়াই তথ্য সম্প্রচার করা হয় তাহলে দীর্ঘদিন ধরে তা অবিলম্বে সংশোধনের প্রক্রিয়া চালু রয়েছে এবং এ জন্য যথাযথ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। ‘ভুল তথ্যের সঙ্গে কি আমরা পার্লামেন্টে বিতর্কের নামে যা চলে তার তুলনা করতে পারি? বেশির ভাগ সময়ই পারি না। সম্প্রচারকারীরা নয়, সরকারই অর্ধসত্য তথ্য ও একেবারেই ভুল তথ্য দিয়ে থাকে। তবে সত্য কথা হলো, এই সম্প্রচার নীতিমালা পাস করেছে মন্ত্রীপরিষদ। এর পিছনে দু’টি লক্ষ্য কাজ করেছে। একটি হলো, আমলাতন্ত্র, যারা কখনই অবাধ মিডিয়ায় স্বস্তি পান না। এখন তারা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি দলীয় হয়ে পড়েছেন এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ বেশি দেখছেন যোগ্যতায় নয় খোসামুদিতে। তারা দমিয়ে রাখা মিডিয়াকেই বেশি পছন্দ করেন। তাদের এই প্রবণতায় আসবে কম অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। অন্যপক্ষ হলো রাজনৈতিক দল, যারা প্রশ্নবিদ্ধ পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসেছে, তারা সবাই সমালোচক সব কণ্ঠকেই শত্রু মনে করে। মুক্ত মিডিয়ার সংস্কৃতিতে নিজেদের তারা সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মনে করে। তাই তারা বোকামি করে মিডিয়ার কণ্ঠরোধের চেষ্টা করে।
নীতিমালায় বর্ণিত মুক্ত গণমাধ্যমের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ইতিহাস ও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্লান্তিহীন মানব উদ্যমের বিপরীত যেটা শুধুমাত্র স্বাধীনতা পূরণ করতে পারে। গণতন্ত্রের অধীনে বিগত তিন দশকে মুক্ত গণমাধ্যম বাংলাদেশের অগ্রগতিতে কি অবদান রেখেছে প্রধানমন্ত্রী সেটা সম্পূর্ণরূপে ভুল বিচার করছেন আর খাটো করে দেখছেন। আমি এখানে অমর্ত্য সেনের লেখার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। যাকে তিনি অনেক পছন্দ করেন। বারবার তাকে আমন্ত্রণ জানানোটাই এর প্রমাণ। স্বাধীনতা (গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত) কিভাবে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করে- সে ব্যপারে তিনি লিখেছেন। ‘স্বাধীনতা ও উন্নয়ন’ (‘ফ্রিডম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’) শীর্ষক তার ক্লাসিক লেখাটি এই নীতিমালা প্রণয়নকারীদের চোখ খুলে দেয়া উচিত।
আমরা এটা বলে শেষ করতে চাই যে, আমরা একটি সম্প্রচার নীতিমালার বিপক্ষে নই। আমরা যেটা চাই সেটা হলো, এমন একটি আইন যা স্বাধীনতাকে লালন করবে। আর আমাদেরকে আরও পরিণত একটি শিল্পে উন্নত হতে সহায়তা করবে যেখানে নৈতিক ও মুক্ত একটি গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ নৈতিক মানদণ্ড সমুন্নত রেখে সর্বোচ্চ জনসেবা দেয়া যাবে।
এমন একটি আইন পেতে হলে আমরা মনে করি সর্বপ্রথম আমাদের একটি স্বতস্ত্র সম্প্রচার কমিশন থাকতে হবে যারা নতুন একটি আইনি কাঠামো দাড় করাবে। যেখানে স্টেকহোল্ডাররা থাকবে অংশীদার হিসেবে, ভিকটিম হিসেবে নয়। এসোসিয়েশন অব ব্রডকাস্টার্স (অ্যাকটো)-ও সেটা মনে করে।
অবিলম্বে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করুন আর নীতিমালা তাদের প্রণয়ন করতে দিন। সরকার ঘোড়ার আগে গাড়ি যুতে দিয়েছে। যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম সেভাবেই শেষ করছি। সরকার এখনকার মতো মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করতে পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে মুক্ত গণমাধ্যম।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই ফের হামলা
![]() |
| গাজায় গতকাল নতুন করে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত শিশু ইব্রাহিম আল-দাওয়াওয়াসার মায়ের শোক। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে মিসরে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ওই বিমান হামলা চালানো হয়। রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন চাক হেগেল
![]() |
| চাক হেগেল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকের আইএস কারা, তাদের লক্ষ্যই বা কী
![]() |
| আইএস প্রধান আবু বকর আল বাগদাদী |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জন্মদিনে ৪ কেজি সোনার শার্ট!
![]() |
| জন্মদিনে ৪ কেজি সোনার শার্ট! |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যশোবন্ত হাসপাতালে
![]() |
| যশোবন্ত সিং |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
August
(332)
-
▼
Aug 09
(10)
- মায়ের লাশ মর্গে দুই সন্তান খুঁজছে আশ্রয় by শর্মী চ...
- কান নিয়েছে চিলে... by তানভীর হাসান
- শোকের মাসে এরশাদের ঢিলতত্ত্ব by সোহরাব হাসান
- ‘শত্রুকে কীভাবে বিশ্বাস করব?’ -খালেদ মেশাল
- গণতন্ত্রের লক্ষ্য বিঘ্নিত হবে by মাহফুজ আনাম
- যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই ফের হামলা
- প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন চাক হেগেল
- ইরাকের আইএস কারা, তাদের লক্ষ্যই বা কী
- জন্মদিনে ৪ কেজি সোনার শার্ট!
- যশোবন্ত হাসপাতালে
-
▼
Aug 09
(10)
-
▼
August
(332)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




