Monday, April 20, 2015
খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা পূর্বপরিকল্পিত : মওদুদ
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় কাওরান বাজারে বিএনপি চেয়ারপারসনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়িবহরে ভাঙচুর ও সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে সরকারের লোকজন। তারা অ্যাম্বুলেন্সও ভাঙচুর করেছে। এটি সরকারের ফ্যাসিবাদী ও অগণতান্ত্রিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
বাধা সত্ত্বেও খালেদা জিয়া সিটি নির্বাচনে প্রচারভিযান অব্যাহত রেখেছেন মন্তব্য করেন মওদুদ আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহায়তায় বেগম জিয়ার প্রচারাভিযানের প্রতিটি স্থানে বাধা দেয়া সত্ত্বেও তিনি তার প্রচারভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) বাসার সামনে থেকে পুলিশি পাহারা প্রত্যাহার এবং তার গাড়িবহর থেকে পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা থেকেই বুঝা যায় চেয়ারপারসনের ওপর হামলা সরকারের পূর্ব পরিকল্পনার অংশ।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সিটি নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সরকার এ ধরনের ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী তাণ্ডবের আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এটি সরকারের দুর্বলতারই প্রতিফলন।
দলের স্থায়ী কমিটির এই প্রবীণ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা অতি সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসনকে নির্বাচনী প্রচারণায় বের হলে প্রতিহত করার যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাই তাদের সশস্ত্র গুণ্ডাদের আজকের সন্ত্রাসী হামলায় উসকানি দিয়েছে। পুলিশের আইজিপিও নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় তার বক্তব্যে ম্যাডাম খালেদা জিয়াকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের জন্য খোলাখুলি বক্তব্য দিয়েছেন। এ সবই উসকানি দিয়েছে আওয়ামী গুণ্ডা বাহিনীকে খালেদা জিয়ার ওপর হামলার জন্য।
বিএনপি চেয়ারপারসনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন মওদুদ আহমদ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামীকাল সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং পরের দিন বুধবার সারাদেশে সকাল সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতাল। তবে সিটি নির্বাচনের কারণে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মহানগরী কর্মসূচিরর আওতামুক্ত থাকবে।
মওদুদ আহমদ আরো বলেন, শত বাধা সত্ত্বেও খালেদা জিয়া প্রচারণা চালাবেন। তার প্রচারণা চলছে। ঢাকার দুই সিটিতেই তিনি প্রচারণা চালাবেন। সরকার যতই ঘটনা ঘটাবে তাদের ভোট কমবে। ২৮ এপ্রিল জনগণ ভোটের মাধ্যমে নীরব বিপ্লব ঘটাবে এবং বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হবে বলে প্রত্যাশা করেন ব্যারিস্টার মওদুদ।
রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
‘খালেদা জিয়ার গাড়িতে গুলি করা হয়েছিল’
কাওরান বাজারে গাড়ি বহরে হামলার সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় নিয়োজিত ‘সিএসএফ’ এর প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। সোমবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গাড়ি বুলেট প্রুফ থাকায় আল্লাহর রহমতে তিনি বেঁচে গেছেন। বিকালে তৃতীয় দিনে মত কাওরান বাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মীরা। হামলায় খালেদা জিয়ার গাড়ির কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে রাতে হামলার ঘটনায় আহত সিএসএফ সদস্যদের দেখতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘটনা ঘটেই চলেছে, প্রতিকার কোথায় by মালেকা বানু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারীর ওপর যৌন হামলা, নিপীড়ন বা নির্যাতনের ঘটনা এবারই প্রথম ঘটেছে, তা নয়। ঘটনা ঘটেই চলেছে। তবে তার প্রতিকার পাওয়া যায়নি। যে গুটিকয়েক তরুণ এবারের ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল, তাদের কাছে ভরসার জায়গা ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ভরসার জায়গায় গিয়ে তাদের হতাশ হতে হয়েছে। কেননা তারা সহায়তার হাত বাড়ায়নি। তারাও পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব থেকে মনে করেছে কি-ই বা এমন ঘটেছে। ভিড়ের মধ্যে একটু-আধটু এমন ঘটনা ঘটেই থাকে। নারীর প্রতি যে দৃষ্টিভঙ্গি তারই প্রতিফলন ঘটেছে এখানে। তাই যত আইন, বিধি, নীতিই থাকুক না কেন, কোনো লাভ হবে না। তথ্য প্রযুক্তির যুগে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, সেই ছেলেদের ছবি, অঙ্গভঙ্গি দেখা সম্ভব হচ্ছে। যাঁদের ছেলেরা এ ধরনের কাজ করছে, সেই অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। সন্তানের বিষয়ে কঠোর হতে হবে। অভিভাবকেরা সন্তানকে না ঠেকালে বা উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি কঠিন হবে।
সরকার নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মাল্টিসেক্টরাল প্রকল্প শীর্ষক একটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এটি। প্রশ্ন জাগে, এ কার্যক্রমের ফলাফল কী? ফলাফল হচ্ছে, নববর্ষের দিন নারীর ওপর যৌন হামলা। নববর্ষের দিন রাষ্ট্রের টাকা খরচ করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো দেখার দায়িত্ব ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। তবু ভালো যে এই ফুটেজগুলো ছিল। তা না হলে এ বাহিনীর সদস্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেত। সব ঘটনা হজম করে দিত।
যারা ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেই নানান অভিযোগ তোলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টিকে আমলেই নেওয়া হচ্ছে না। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রিকশা থেকে টেনে নামানো হচ্ছে, কয়েকজন মিলে ঘিরে ধরে নারীর ওপর যৌন হামলা চালাচ্ছে। তারপরও তাদের কাছে এ ধরনের আচরণ যৌন হামলার পর্যায়ে পড়ছে না। তারা নারীকে বিবস্ত্র করে ফেলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাইছে। ঘটনার পর হাইকোর্টের রায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে ফোকাস করতে বাধ্য করেছে।
এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। যাদের দায়িত্বে অবহেলার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। যারা ঘটনাটিকে ছোট করে দেখতে চাইছে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন এই নিষ্ক্রিয়তা, সমবেদনাহীনতা? by আলী রীয়াজ
আমরা কি একে দায়িত্ব পালনে অবহেলা বলব? একে কী আমরা নিষ্ক্রিয়তা বলব? বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, আমি একে গাফিলতি বলতে নারাজ। পুলিশের কোনো গাফিলতি হয়নি, কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা হয়নি। আপনি আমার সঙ্গে একমত না হলে অভিজিৎ রায়ের হত্যার ঘটনার পর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন পড়ে দেখতে পারেন। পুলিশের প্রতিবেদনে আছে পুলিশের গাফিলতি হয়নি। অভিজিতের হত্যার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদৌ কোনো তদন্ত করেছিল বলে শুনিনি। করলেও তাদের ফলাফল ভিন্ন হতো বলে মনে হয় না। বিশেষ করে এই খবর জানার পর যে ‘প্রক্টরের কার্যালয়ে গিয়ে [ছাত্ররা] দেখেন, তিনি কম্পিউটারে গেমস খেলছেন’। কম্পিউটার বা কম্পিউটারের বাইরের ‘গেমস’ খেলায় ব্যস্ত মানুষেরা কেবল তদন্তের কারণে দায়িত্ব নেবেন, এমন মনে করার মতো কারণ ঘটেনি।
![]() |
| প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলায় আহত লিটন নন্দী |
![]() |
| ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পাশে (গোল চিহ্নত) পয়লা বৈশাখে যৌন হয়রানির ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা নিশাত ইমতিয়াজ বিজয়। |
![]() |
| আগের ঘটনার বিচার কি হয়েছিল? এবারের ঘটনার বিচার ও কি হবে? বস্ত্রহরণরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগ নেতা রাসেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের ছাত্র ছাত্রলীগ নেতা আলম |
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
![]() |
| তাবিথ আউয়ালের নির্বাচনী প্রচারে নেমে হামলার মুখে পড়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহর। হামলায় একটি গাড়ি এভাবেই ভাঙচুর করা হয়েছে |
![]() |
| তাবিথ আউয়ালের নির্বাচনী প্রচারে নেমে হামলার মুখে পড়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহর |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেতার নয়, হারানোর নির্বাচন by সোহরাব হাসান
গত তিন দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান ঘুরে যে জিনিসটি লক্ষ করলাম, তা হলো নির্বাচন নিয়ে নগরবাসীর একধরনের নিস্পৃহতা। অফিসে, রেস্তোরাঁয় কিংবা পেশাজীবীদের আড্ডায় নির্বাচন নিয়ে যাঁদের সঙ্গেই আলাপ করেছি, তাঁরা হতাশা ব্যক্ত করেছেন। অনেকে বলেছেন, ইতিমধ্যে যেসব আলামত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটি সুষ্ঠু হবে কি না, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সংশয় আছে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও চট্টগ্রামবাসী তার সুবিধা পাবে কি না? অতীতের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। কেউ সিটি নির্বাচনের বিজয়কে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করতেও দ্বিধা করেননি। কেউ ‘দুই কুল’ রক্ষা করতে গিয়ে সিটি করপোরেশনকেই অথর্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। চট্টগ্রামবাসী নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
১৫ এপ্রিল সকালে বিএনপি জোটের ‘অবরোধ’ আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে যখন চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছায়, চারদিকের পরিবেশ ছিল নিরুত্তাপ, থমথমে। ১৩ এপ্রিল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার বলেছেন, ‘দেশের কোথাও অবরোধ নেই। আমরা এখন নির্বাচনে আছি।’ পরদিন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবেই তাঁরা সিটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
সে ক্ষেত্রে আমরা ধরে নিতে পারি, বিএনপি আন্দোলনেও আছে, নির্বাচনেও আছে। যেকোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আন্দোলনে থাকাটা অন্যায় নয়। অন্যায় হলো সেই আন্দোলনকে ঘিরে যদি মহাপ্রলয় ঘটে, যদি জনগণের জানমালের ক্ষতি হয়। আমাদের অতি বিজ্ঞ নেতা-নেত্রীরা আন্দোলন করতে গিয়ে সম্ভবত দেশের ও জনগণের ক্ষতির কথাটি ভাবেন না। সে কারণেই একজন হরতালে রেকর্ড সৃষ্টি করেন, আরেকজন অবরোধে।
বিএনপি শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন না করলেও স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর নির্বাচনে ঠিকই অংশ নিচ্ছে এবং এর আগে অনুষ্ঠিত বেশির ভাগ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে তারা জয়ী হয়েছে। এটি ভালো দিক। তবে এটাও অস্বীকার করার জো নেই যে বাংলাদেশে পূর্বাপর সরকারের আমলে জাতীয় নির্বাচনগুলো যতটা ‘কলঙ্কিত’ হয়েছে, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো ততটা কলঙ্কিত হয়নি। তাই চট্টগ্রামবাসীর উদ্বেগের বিপরীতে আশার কথা হলো, এই নির্বাচনে যেহেতু ক্ষমতার পালাবদলের সুযোগ নেই, সেহেতু যেকোনো মূল্যে ক্ষমতাসীনেরা নিজেদের প্রার্থীকে জয়ী করতে মরিয়া হয়ে না-ও উঠতে পারেন। সিটি নির্বাচনে হারের চেয়ে জোর করে জয়ী হতে গেলে সরকারের বিপদ বেশি। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে কোনো রকম অনিয়ম না করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানালেন চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ প্রতিপালিত হবে কি না, সেটি দেখার জন্য আমাদের আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে। দুই পক্ষই জয়ের বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত এবং দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দেবে বলে আগাম ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। এসব আগাম ঘোষণা নির্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
বুধবার ভোরে দামপাড়া বাস টার্মিনাল থেকে যে রিকশায় আমি প্রবর্তকের মোড় হয়ে চট্টগ্রাম প্রথম আলো অফিসে যাই, তার চালককে জিজ্ঞেস করি, আগামী ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন হচ্ছে। কাকে ভোট দেবেন? তিনি বললেন, নির্বাচন হচ্ছে, কিন্তু আমি এখানকার ভোটার নই। আমার বাড়ি নোয়াখালী।
চট্টগ্রাম শহরে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনীর প্রচুর লোক থাকেন। তাঁদের কাছে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চেয়ে আকর্ষণীয় হলো জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু গত জাতীয় নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। আরেকটি জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে গত তিন মাসে ১৩৪ জন মানুষ জীবন দিয়েছেন, সে খবর হয়তো এই রিকশাচালকের মতো আরও অনেকে জানেন না। আমাদের বৈরী ও বিদ্বেষক্লিষ্ট রাজনীতি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য সাধারণ মানুষকে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করলেও নির্বাচনের পর তাঁদের কথা ভুলে যান। ক্ষমতার স্বাদ যে রাজনীতিকেরাই পুরোপুরি ভোগ করেন, সেটি আরও একবার প্রমাণিত হলো মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সম্পদের হিসাবে। প্রায় সব প্রার্থীর অঢেল সম্পদের সঙ্গে সঙ্গে ধারদেনার অঙ্কটাও বেড়ে গেছে। ফলে আয়কর ফাঁকির এও এক কৌশল বটে। চট্টগ্রামে প্রার্থীদের সুলুকসন্ধানে দেখা গেছে, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জন স্কুলের গণ্ডিই পার হননি। সংরক্ষিত ১৪টি নারী কাউন্সিলর পদে যে ৬২ জন লড়ছেন, তাঁদের অর্ধেক এসএসসি পাস করেননি। এই পরিসংখ্যান এটাই ইঙ্গিত দেয় যে জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য জ্ঞানার্জন জরুরি নয়, জরুরি হলো দলীয় আনুগত্য ও ধনসম্পদ।
চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন আগ্রহ না দেখালেও দুই দলের শীর্ষ নেতারা এটিকে নিয়েছেন বাঁচা-মরার লড়াই হিসেবে। তাই উভয় শিবিরে কমবেশি উত্তেজনা ও অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অরাজনৈতিক নির্বাচনটি শতভাগ দলীয় কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে। মোহাম্মদ মনজুর আলম চট্টগ্রাম উন্নয়ন এবং আ জ ম নাছির নাগরিক কমিটির প্রার্থী হলেও দলীয় নেতৃত্ব কোনোটির কর্তৃত্ব অদলীয় ব্যক্তিদের হাতে ছেড়ে দেয়নি। বিএনপি-সমর্থিত উন্নয়ন কমিটির প্রধান হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান এবং সদস্যসচিব আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আর আওয়ামী লীগ-সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রধান হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া ও সদস্যসচিব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এই নির্বাচনে যে নগরবাসীর সমস্যা ও সম্ভাবনার চেয়ে জাতীয় রাজনীতি গুরুত্ব পেয়েছে, তার আরেক প্রমাণ দলীয় নেতাদের নিয়ে নাগরিক কমিটি গঠন। দুই দল দুই সপ্তাহ ধরে নির্বাচনী প্রচার চালালেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেনি। কেন করেনি? এই প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রামের এক সাংবাদিক বন্ধু বললেন, এদের প্রতি ভোটাররা ভরসা পাচ্ছেন না বলেই ইশতেহার দেননি।
আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছিরের সাফ কথা, মনজুর আলম পাঁচ বছরে সিটি করপোরেশনের মান একেবারে নিচে নামিয়ে দিয়েছেন। তিনি নগরবাসীর জন্য কোনো কাজ করেননি। অতএব তাঁকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আর বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী পাল্টা আক্রমণ না করলেও তাঁর প্রধান নির্বাচনী প্রচারকেরা বলেছেন, যে ব্যক্তির নাম শুনলে মানুষ ভয় পায়, নগরবাসী কখনোই তাঁকে মেয়র পদে বসাতে পারেন না। স্থানীয় সরকার নিয়ে কাজ করেন, এ রকম নাগরিক সমাজের একজন প্রতিনিধি বললেন, নির্বাচনে তিনিই জয়ী হবেন, যিনি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা, ব্যর্থতা ও দোষের বিষয়টি জনগণের সামনে বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরতে পারবেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ কেউ এখন চট্টগ্রামে। মন্ত্রীরা আসছেন ‘অনির্বাচনী’ কাজে, তাঁদের এই আসা-যাওয়া নিয়ে বিরোধীপক্ষ আপত্তি তুলেছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারের শুরুতে পূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন এসে এক কর্মিসভায় বক্তব্য রেখে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন। এরপর মন্ত্রীরা সতর্ক। চট্টগ্রামে এলেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন না। কেন্দ্রীয় নেতারা দফায় দফায় এসে ‘পরামর্শ’ দিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির নেতারা চাইছেন, খালেদা জিয়াও নির্বাচনী প্রচারে চট্টগ্রামে আসুন। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাঁর আসাকে কীভাবে নেয়, সেটাও ভাবার বিষয়। এ সময়ে তাঁর চট্টগ্রাম সফর নিয়ে কোনো অঘটন ঘটলে সেই দায় বিএনপির ওপরই বর্তাতে পারে।
প্রধান দুই মেয়র প্রার্থী নাগরিক কমিটির আ জ ম নাছির ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মোহাম্মদ মনজুর আলম এখন সারা শহর চষে বেড়াচ্ছেন, তাঁরা নগর নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনার চেয়েও বেশি বলছেন প্রতিপক্ষের ত্রুটি ও দুর্বলতার কথা। ভোটাররা বিভ্রান্ত। তাঁরা মনে করেন, এই নির্বাচনে প্রার্থীর গুণাগুণ বিচার হবে না, বরং দুই দলের জনপ্রিয়তা যাচাই হবে। তাই প্রার্থীর চেয়ে তাঁদের নেপথ্যের নায়কদেরই মাথাব্যথা বেশি। দুই দলই বলছে, এটা কেবল সিটি করপোরেশন নির্বাচন নয়, তার চেয়ে বেশি কিছু। আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি: এই নির্বাচনে বিরোধীপক্ষের প্রার্থীরা জয়ী হলে স্বাধীনতার চেতনা ভূলুণ্ঠিত হবে। জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটবে। আন্দোলনের নামে ফের পেট্রলবোমার রাজনীতি শুরু হবে। বিএনপির নেতাদের ভাষ্য হলো: সিটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থীরা জয়ী হলে দেশ থেকে গণতন্ত্র চিরদিনের জন্য নির্বাসিত হবে।
কিন্তু চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ স্থানীয় সরকার সংস্থার এই নির্বাচনে স্থানীয় ইস্যুকেই সামনে রাখতে কিংবা দেখতে চান। যে প্রার্থী নগরের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন, যিনি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবেন, তাঁকেই তাঁরা ভোট দিতে চান। তাঁরা এমন মেয়র চান না, যিনি নির্বাচিত হয়ে নাগরিক এজেন্ডা বাদ দিয়ে দলীয় এজেন্ডা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন কিংবা নির্বাচিত হয়ে নগরবাসীর সুযোগ–সুবিধার কথা বেমালুম ভুলে যাবেন।
চাঁদের যেমন নিজস্ব আলো নেই, তেমনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিজ গুণে জয়ের সম্ভাবনাও ক্ষীণ। এ কারণেই চট্টগ্রামের সাধারণ ভোটাররা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতি আস্থা রাখতে পারছেন না। এমনকি দলের কর্মী-সমর্থকেরাও মনে করেন, প্রার্থীদের কেউ নিজ গুণে জিতবেন না। তাঁরা জিতবেন প্রতিদ্বন্দ্বীর অদক্ষতা কিংবা নেতিবাচক ভাবমূর্তির জন্য। নাগরিক সমাজের একজন প্রতিনিধি জোর দিয়ে বললেন, প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যেই তিনিই জয়ী হবেন, যিনি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা ও ত্রুটিগুলো বেশি বেশি তুলে ধরতে পারবেন। কেননা, দলের সমর্থন ছাড়া তাঁদের ব্যক্তিগত পুঁজি সামান্যই।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab০3@dhaka.net
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনা মোতায়েনে সরকারের ভয় কেন : আফরোজা আব্বাস
আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলতে নির্বাচনী ইশতেহারে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। ইশতেহারের প্রধান ব্ক্তব্যগুলি এখানে তুলে ধরা হলো :
নাগরিক সেবা
১. ঢাকাবাসীর ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়ে সবার জন্য বাসযোগ্য মহানগর গড়ে তোলা।
২. নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে ঢাকাবাসীর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা।
নাগরিক বিনোদন
১. বুড়িগঙ্গা দুষণমুক্ত করা ও নদীতীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ। এবং একে ঘিরে বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা।
২. সিটি কর্পোরেশনের অধীন বিদ্যমান বিনোদনকেন্দ্রগুলোর আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন।
যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন
১. ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটের সংস্কার ও প্রয়োজনীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
২. রাস্তাপারের প্রতিটি ফুটওভার ব্রিজে পর্যায়ক্রমে এসকেলেটর স্থাপন এবং সার্বক্ষণিক প্রহরাসহ নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করা।
স্বাস্থ্যসেবা
১. পথচারী ও বাসযাত্রীদের জন্য নারী-পুরুষ সকলের জন্য আধুনিক টয়লেট স্থাপন।
২. প্রতিটি পার্কে একটি করে অত্যাধুনিক প্রাইমারি হেলথ চেকআপ সেন্টার স্থাপন।
শিক্ষাখাত
১. বিভিন্ন স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারে নৈশকালীন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক শতভাগ স্বাক্ষরতা কার্যক্রম চালু করা।
২. সিটি কর্পোরেশনের অধীন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসাসমূহের আধুনিকায়ন ও সুষ্ঠূ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
পরিবেশ উন্নয়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
১. আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্যানিটারি ল্যান্ডফেরি গড়ে তোলা।
২. আধুনিক নগরীর মতো ডোর-টু-ডোর ওয়েস্ট কালেকশন পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ।
প্রযুক্তির ঢাকা
১. পাবলিক প্লেসে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা প্রদানের মাধ্যমে সেবা বর্ধিতকরণ।
২. সকল ধরণের ট্যাক্স অনলাইনে প্রদানের ব্যবস্থা করা।
সমাজসেবা
১. সরকার ও মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল ও গার্মেন্টস অধ্যুষিত এলাকায় ডর্মিটরি তৈরির ব্যবস্থা করা।
২. উন্নত নাগরিক সেবা প্রদানে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা।
জননিরাপত্তা
১. পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সড়ক ও লেন সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা।
২. ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধপ্রবণ জায়গাসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং সব ধরণের অপরাধ দমনে কর্যকর পদ্ক্ষেপ গ্রহণ করা।
নগর পরিকল্পনা ও প্রশাসন
১. ওয়ার্ডভিত্তিক বাজেট প্রণয়ন ও বাজেট প্রণয়নে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদগণের মতামত গ্রহণ।
২. নগরের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদে ১৮০ দিনের কর্মসূচী গ্রহণ করা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার সামনে যে চ্যালেঞ্জ by ইনাম আহমেদ চৌধুরী
দুর্ভাগ্যবশত, এযাবৎ যেসব চিহ্ন, সংকেত বা পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে, তা মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালের অতীব প্রশ্নবিদ্ধ সাধারণ নির্বাচন, যেখানে অধিকাংশ সাংসদই অনির্বাচিত এবং অন্যদেরও ভোট প্রাপ্তি ছিল খুবই কম, জন্ম দিয়েছে প্রতিবাদী রাজনৈতিক আন্দোলনের। এই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সরকারের দমন-পীড়ন নীতি এবং বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির সুযোগে সন্ত্রাসীরা যে কীভাবে সক্রিয় ও বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে, তা আমরা লক্ষ করেছি।
দেখেছি, বাস্তবসম্মত ও সত্যিকার অর্থে সন্ত্রাস দমনে এবং রাজনৈতিকভাবে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে সরকার ও সরকারি দলের অনীহা, অপারগতা বা অসামর্থ্য। সরকারি দলের (এখানে আমি ক্ষমতাসীন জাতীয় পার্টি ও জাসদকেও অন্তর্ভুক্ত ধরছি) একটিমাত্র ইচ্ছাই প্রবল, কী করে আর কতকাল ছলে-বলে-কৌশলে ক্ষমতাধর হিসেবে থাকা যায়। তাই সমস্যা সমাধানের একটিমাত্র পন্থা ‘সংলাপ’ শব্দটিতেও তাদের এতটা ঘোর আপত্তি। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন তাদের সেই সুযোগ দিচ্ছে—সংলাপ ছাড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন–প্রক্রিয়ায় বিএনপি ও তার সহযোগী বিরোধী দলগুলোর মোকাবিলা করা। কিন্তু এই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নির্বাচন কমিশন বা সরকার কোনো আলাপ-আলোচনা, অন্ততপক্ষে ঘর গোছানোর ন্যূনতম সময় দেওয়ার ব্যবস্থা রেখে নির্ধারিত করেনি। বরং পুলিশপ্রধানের সুপারিশ মোতাবেকই হয়েছে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ। গোড়াতেই গলদ।
বিএনপি বিগত সব সিটি নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী জিতেছেন। সুতরাং নীতিগতভাবে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিএনপির জন্য একটি স্বাভাবিক কার্যক্রম। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রদানের বদলে সরকার বিএনপি এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের ভীত, আতঙ্কিত, সন্ত্রস্ত করারই চেষ্টা করছে, যাতে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন। মিছে অজুহাত এবং অকারণে বিএনপির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ হয়েছেন গুম। উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ। তাঁর এবং আরও অনেকের গাড়ি পোড়ানো, কার্যালয় তালাবদ্ধ, মহাসচিবসহ প্রায় সব সক্রিয় নেতা-কর্মী কারারুদ্ধ বা হুলিয়াপ্রাপ্ত। দলীয় নেত্রী নিজেই নিগৃহীত ও অবরুদ্ধ। পারস্পরিক যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাস্তব অর্থে প্রায় নিষিদ্ধ। এমতাবস্থায়ও বিএনপি সিটি নির্বাচনে বাছাই করা প্রার্থীকে ঘোষিত সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক। সরকারি দল প্রাজ্ঞ ও সুবিবেচক হলে তো এই সুযোগ পুরোপুরি গ্রহণ করা উচিত এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে একটি হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে গ্রহণযোগ্য ও প্রশ্নাতীত হতে পারে, তার নিশ্চয়তা বিধানে সচেষ্ট থাকা উচিত। সরকারি দলগুলোর নেতাদের, মন্ত্রীদের, এমনকি কতিপয় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে তা মোটেই মনে হচ্ছে না। বরং সেগুলো হচ্ছে বিপরীতধর্মী।
নির্বাচনে যে প্রথম থেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে, তা অনস্বীকার্য। প্রার্থীরা শহর দুটির বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করেছেন অসংখ্য বিলবোর্ড। নির্দেশ সত্ত্বেও অনেকগুলো এখনো অপসারিত হয়নি। মন্ত্রীদের অনেকেই তো প্রকাশ্যে এবং প্রচার করেই নির্বাচনী কর্মকাণ্ড ও তৎপরতায় অংশ নিচ্ছেন। জনৈক মন্ত্রী তো ঘোষণাই করেছেন, ‘যেকোনো উপায়েই হোক না কেন, আমাদের নির্বাচনে জিততেই হবে।’ তাঁরা কেউ কি কর্মীদের এমনকি ভোটারদের নিয়েও সভা-সমিতি করেছেন? এমতাবস্থায়, এমনকি একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিবেদন দেওয়া সত্ত্বেও, নির্বাচন কমিশন একদম নিশ্চুপ। তারা কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই নিচ্ছে না, শাস্তিমূলক তো দূরের কথা। এগুলো শুধু গর্হিত নয়, শাস্তিযোগ্য নির্বাচন আইন ভঙ্গের অপরাধ। তবু কেনো প্রতিকার নেই।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থেকে আবার ঘোষণা করা হয়েছে, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুলিয়া থাকলে এবং তিনি দৃষ্টিগোচর হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে। বিএনপির প্রায় সব সক্রিয় নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধেই তো আজেবাজে কারণে জারি আছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। সক্রিয় হলে আরও জারি হবে। এমতাবস্থায় শুধু মেয়র পদপ্রার্থী নয়, অধিকাংশ প্রার্থীর তো মাঠে নামাই অসম্ভব। তা ছাড়া নির্বাচনে সহায়তাকারী, পোলিং এজেন্ট পাওয়া তো হয়ে দাঁড়াবে দুষ্কর। কোথায় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’, শুধু ‘ফিল্ড’ই তো পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।
প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে যেনতেন প্রকারে যদি আওয়ামী লীগ তাদের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় ঘোষণা করাতে সমর্থ হয় এবং এ প্রক্রিয়ায় যদি বর্তমানের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কমিশন তাদের যথারীতি সহযোগিতা করে যায়, তাহলে নির্বাচনটি শুধু যে অফলপ্রসূ হবে তা নয়, সরকারের অধীন নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে যে বিরূপ ও অগ্রহণযোগ্য মনোভাব দেশে-বিদেশে রয়েছে, তা দৃঢ়তর হবে। তাহলে তো সরকারি দলের কোনো ফায়দাই হচ্ছে না। উপরন্তু সরকারি সংস্থাগুলো ও নির্বাচন কমিশন জনশত্রুতে পরিণত হতে পারে। মোগলরা সারা ভারতবর্ষ সফলভাবে শাসন করে গেছেন কয়েক শতাব্দী। বলা হয়ে থাকে, একক ভৌগোলিক ইউনিট হিসেবে ভারতের প্রতিষ্ঠা এবং এর সমাজ-সংস্কৃতির ভিত রচনা মোগল সম্রাটদের এবং তাঁদের প্রশাসনের অনবদ্য ও অমর কীর্তি। এই মহান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর লিখিত আত্মজীবনী ‘বাবরনামা’য় উল্লেখ আছে, তাঁর উত্তরাধিকারী প্রিয় পুত্র হুমায়ুনের প্রতি তাঁর প্রদত্ত একটি উপদেশ। তিনি বলেছিলেন, ‘প্রিয় পুত্র, তুমি যদি দীর্ঘকাল এ দেশে ফলপ্রসূ রাজত্ব করতে চাও, তাহলে পরাজিত শত্রুর সঙ্গে তিক্ত বিরোধিতায় লিপ্ত না হয়ে তার সঙ্গে সদ্ভাব সৃষ্টি কোরো।’
রাষ্ট্রক্ষমতা এখন আওয়ামী লীগের করায়ত্ত। সুতরাং একটি বশংবদ নির্বাচনী কমিশনের পদলেহিতায় তাদের পক্ষে প্রতিপক্ষকে বিভিন্ন দিকে ঘায়েল করে বিজয়ের ঘোষণা অর্জন যে সম্ভব হতে পারে, তা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তাই এবারও যদি তা-ই হয়, তাহলে নির্বাচনই যে আসলে অগ্রহণযোগ্য হবে তা নয়, দেশে-বিদেশে কেউ একে সুস্থ মস্তিষ্কে মেনে নেবেন না। আজ তাই প্রশ্ন, সরকারি দল কি এটা অনুধাবন ও উপলব্ধি করতে পারবে?
এই মহাপরীক্ষার দিনে যে সংস্থাটির নিজ ভূমিকা যথার্থরূপে পালন করার কথা এবং যার কর্তব্যপরায়ণতা ও সক্ষমতার ওপর সাফল্য-ব্যর্থতা বহুলাংশে নির্ভরশীল, সেই নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় ও দায়িত্ববান হয়ে উঠতে হবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি অকেজো, অথর্ব, অপটু এবং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা হিসেবে দুর্নাম কুড়িয়েছে। এটাকে পরিবর্তন করতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু তা তো এখন সম্ভব নয়। আমরা আশা করব, দেশ-জাতি এমনকি নিজেদের আপন স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের বোধোদয় হবে।
আমরা পার্শ্ববর্তী দেশগুলো, ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা, এমনকি নেপাল-ভুটানেও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করতে দেখেছি। পাকিস্তানের বিগত নির্বাচন সফল করতে পেরেছিল নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্য ভূমিকা। ভারতে গণতন্ত্রের সাফল্যের জন্য যে সংস্থা এবং যার কার্যক্রম বহুলাংশে কৃতিত্বের দাবিদার, তা হচ্ছে নিরপেক্ষ কর্মক্ষম দুর্নীতিমুক্ত নির্বাচন কমিশন এবং নিরপেক্ষ প্রশাসন। আমাদের নির্বাচন কমিশনের ওপর অনেক দায়িত্ব রয়েছে, তাদের ওপর অনেক ক্ষমতাও অর্পিত রয়েছে। তারা যদি তাদের নিরপেক্ষতা বা কর্মক্ষমতা কিছুটাও দেখাতে পারত এবং হাস্যকরভাবে একটি পদলেহী বশংবদের ভূমিকা পালন না করতে চাইত, তাহলে আমার কাছে মনে হয় সারা দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং জটিল সমস্যার অবসান বা সমাধান হতে পারত। অথচ একটি সাংবিধানিক স্বাধীন কমিশন হিসেবে কোনো কাজেই তারা সেই প্রবণতা দেখাচ্ছে না। বিএনপি দলের অনেক নেতাই এ বিষয়ে সোচ্চার হয়েছেন।
নির্বাচনে যখন বিএনপি অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে, দলটাকেও সুসংহত এবং যথাসম্ভব সক্রিয় হতে হবে। এ ব্যাপারে যখন অন্যায় প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা বা বিরোধিতার সৃষ্টি সরকারি দল করবে, কিংবা কারচুপি এবং বিধিবহির্ভূত অন্যায় কর্মকাণ্ডের আশ্রয় গ্রহণ করবে, তা জাগ্রত ও সচেতন জনসমাজের চোখে ধরা পড়বে। তাহলে সরকারিভাবে যে ফলাফলই ঘোষণা করা হোক না কেন, ওইজাতীয় কর্মকাণ্ডজনিত তথাকথিত বিজয় সম্পূর্ণ নিরর্থক হয়ে দাঁড়াবে। সে অবস্থায় পরাজিত হলেও সত্যিকারভাবে তা নৈতিক ও রাজনৈতিক বিজয় হয়ে দাঁড়াবে।
সন্ত্রাস ও সহিংস কর্মকাণ্ড সর্বদাই পরিত্যাজ্য। উসকানির মুখেও তা পরিহার করতে কিংবা সে রকম কিছু করার সুযোগ না দিতে সচেতন থাকতে হবে। সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। জাতির জন্য তা সম্পূর্ণ ধ্বংসাত্মক। সব দলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসবিরোধী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। আগামী পৌর নির্বাচন জাতিকে একটি মহাসুযোগ দিচ্ছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার মূল দায়িত্ব ক্ষমতাসীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। আমরা আশা করব, তারা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে।
ইনাম আহমেদ চৌধুরী: অর্থনীতিবিদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমরা কি মধ্যযুগে ফিরে যাচ্ছি? by রাশেদা কে চৌধূরী
রাস্তায়, কর্মক্ষেত্র কোনো জায়গাতেই নারীরা নিরাপদ নয়। আমাদের সংস্কৃতির গৌরবের জায়গা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বৈশাখী উৎসবেও নারী নিরাপদ নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কেউ কেউ বলতে চাচ্ছেন নারী বা মেয়েদের রাত নয়টার পরে বাইরে থাকার প্রয়োজনটা কী। তাই বলা যায় দেশের নারীরা এগিয়েছে, তবে ক্ষমতায়ন হয়নি। শুধু উন্নয়ন দিয়ে ক্ষমতায়ন হবে না। ক্ষমতায়ন হবে তখনই যখন নারী নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারবে।
বলা হচ্ছে যে নারীরা নিপীড়নের শিকার, তারা অভিযোগ করছে না। সেই নারীকেই কেন অভিযোগ জানাতে হবে? যে নারী কাপড় ঠিক করার জন্য রোকেয়া হলে ঢুকতে বাধ্য হয়েছে, সে নারীই বুক ফুলিয়ে অভিযোগ করবে, এ ধরনের পরিবেশও তৈরি হয়নি। সবার ঘরেই মা, মেয়ে বা বোন আছে। অর্থাৎ সবার ঘরেই নারী আছে। নীতিনির্ধারকেরা কেন এ দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে না? যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। যে বা যারা এ অপরাধ করেছে, অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
![]() |
| প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলায় আহত লিটন নন্দী |
রমনার বটমূলে বোমা হামলা সংস্কৃতিমনা বাঙালিদের রুখতে পারেনি। তবে এবার যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে বৈশাখী উৎসবসহ এ ধরনের উৎসবে সন্তানকে যেতে দেওয়ার আগে তিনবার ভাবতে বাধ্য হবেন অভিভাবকেরা। এ ধরনের নারী নির্যাতনকারীরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠলেও দল সেভাবে বিব্রতবোধ করছে বলে মনে হচ্ছে না। এ ধরনের পরিবেশে যে বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই, তা দেখতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না। পরিকল্পিত ও দলবদ্ধভাবে নির্যাতনের যে চিত্র আমরা সিসিটিভির ফুটেজে দেখেছি, তাতে করে বলা যায় সামাজিক বিপর্যয় ঘটেছে।
তাই সোচ্চার দাবি তুলতে হবে, রাষ্ট্রকে নাগরিকের নিরাপত্তা দিতেই হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তরুণ প্রজন্মও বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার। এটি একটি ইতিবাচক দিক। গণমাধ্যমকেও এ ঘটনার ফলোআপ করতে হবে, যাতে অপরাধীরা কোনোভাবেই পার পেতে না পারে।
রাশেদা কে চৌধূরী: গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে আইএসের প্রথম বড় ধরনের হামলা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে পাকসেনাদের জিহাদকে সমর্থন করে জামাত-উদ-দাওয়া
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জে চীনের রানওয়ে
করা। বিবিসি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষানবিশকালেই চুরি ও আত্মসাৎ by আলী ইমাম মজুমদার
অতিসম্প্রতি কোনো কোনো পত্রিকায় দুটো খবর এসেছে। খবরগুলোর গুরুত্ব হয়তো সবার কাছে তেমন নেই। তবে সচেতন মহলের ভাবনার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। একটি খবরে আছে, গত ফেব্রুয়ারিতে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে আমাদের এক তরুণ শিক্ষানবিশ কূটনীতিক একটি ইলেকট্রনিক দোকান থেকে মুঠোফোন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। ডাচ পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল। কূটনৈতিক দায়মুক্তির জোরে ছাড়া পেয়েছেন। তবে তাঁকে ৩৫০ ইউরো জরিমানা দিতে হয়েছে। ঘটনার পরপরই ডাচ কর্তৃপক্ষ কূটনৈতিক চ্যানেলে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানায়। তারা দাবি করে, সেই তরুণ কূটনীতিক ডাচ পুলিশের কাছে বলেছেন, তাঁর কয়েকজন সহকর্মীর পথ অনুসরণ করেই তিনি এমনটা করেছেন। ডাচ কর্তৃপক্ষ এ ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে আমাদের সরকারকে অনুরোধ করে। সংবাদপত্রের সূত্রে আরও জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার দায়ভার অস্বীকার করেছেন এবং তাঁকে সহায়তা করতে জোর লবিং চলছে।
অন্য ঘটনাটিও সাম্প্রতিক কালের। যমুনার অন্য পারের এক জেলার। গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, একজন শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনার কয়েকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন পেশকারকে না নিয়ে। বিচার করে দণ্ডিত করেছেন কিছু ব্যক্তিকে। জরিমানার টাকা তিনি নিজেই গ্রহণ করেছেন। আর রসিদে করেছেন কারচুপি। জরিমানাদাতাকে দেওয়া রসিদে পরিমাণ সঠিক লেখা হলেও সরকারি অংশে অনেক কম লিখে প্রায় দুই লাখ টাকা করেছেন আত্মসাৎ। এখন তিনি ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণে আছেন। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন বলেও খবরে উল্লেখ রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী সেই বিচারকের বিচার এখন সরকারের হাতে।
উভয় ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুজন কর্মকর্তাই এখনো চাকরিতে স্থায়ী হননি। শিক্ষানবিশকাল চলছে। নিয়োগের শর্তানুসারে এ সময়কালে অসন্তোষজনক কাজের জন্য তাঁদের বরখাস্ত করার মতো সর্বোচ্চ দণ্ড দিতেও তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতার আবশ্যকতা থাকে না। একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ডাচ সরকার। তিনি ঘটনাস্থলেই জরিমানা দিয়েছেন। অপরাধ স্বীকার করেছেন তাদের কাছে। অন্যজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাঠিয়েছেন জেলা প্রশাসক স্বয়ং। তিনি প্রাথমিক তদন্ত করে নিজে সন্তুষ্ট না হয়ে একজন তরুণ সহকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাঠানোর কথা নয়। আর দণ্ডিত ব্যক্তিদের দেওয়া রসিদ আর এর সরকারি অংশ পরীক্ষা করলেই সত্য প্রমাণিত হয়। নিশ্চয়ই সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট কোনো একটি ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। লবিং হবে তাঁর পক্ষেও। আর চলমান সংস্কৃতিতে এটাই তো স্বাভাবিক।
এখন কথা থাকে, সরকার তাঁদের চাকরিতে রাখবে কেন? বলা হবে, এ ধরনের ঘটনার চেয়ে অনেক বড় কিছু করেও তো অনেকেই পার পেয়ে যান। কিছু হয় না তাঁদের। হয়তোবা তা-ই। তাঁদেরও সম্ভব হলে শনাক্ত করা এবং অযৌক্তিক অজুহাত আমলে না নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়াই তো সংগত। যে তরুণ কূটনীতিক এমনটা ঘটালেন, তিনি একবারও ভাবলেন না দেশের ভাবমূর্তির কথা। এমনকি নিজের অর্জিত মর্যাদা কিংবা গৌরবময় ভবিষ্যতের হাতছানিকেও তিনি দেখলেন না। কূটনৈতিক দায়মুক্তির সুযোগে তিনি কারাবাস হয়তো এড়াতে পেরেছেন। কিন্তু তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখানোর কি কোনো বিন্দুমাত্র সুযোগ আছে? তরুণ কর্মকর্তা কাজ করতে গিয়ে বিধিবিধান সম্পর্কে ভুল করে বসলে ঊর্ধ্বতনেরা সে বিষয়টা হয়তো গৌণভাবে দেখেন। মৃদু তিরস্কারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এ ধরনের ঘটনার। তবে আলোচিত ঘটনায় তা হওয়ার জো নেই। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কর্মকর্তার স্থায়ীকরণ প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। তবে এটাই যথেষ্ট নয়। একটি মুঠোফোনের মতো সামান্য বিষয়ে যিনি লোভ সামলাতে পারেন না, তিনি লবিংয়ের জোরে পার পেয়ে গেলে ভবিষ্যতে সংশোধন হয়ে যাবেন, এমনটা বিশ্বাস করার মতো কারণ নেই।
এরপর আসে সেই সহকারী কমিশনারের কথা। এটাও তো সরাসরি অর্থ আত্মসাৎ। এতে তো চাকরিচ্যুতির মতো গুরুদণ্ডেরই বিধান রয়েছে। তদুপরি তিনি শিক্ষানবিশ। কাজটি করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গিয়ে। এ ক্ষেত্রে তাঁর প্রসঙ্গ আলোচিত হতে থাকলে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ধার্যকৃত জরিমানা সরকারি কোষাগারে যথাযথভাবে জমা হয় কি না, এটা নিয়েও অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠবে। হয়তোবা সর্বত্রই তা নয়। খুব কম ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটতে পারে। তবে তা যে ঘটে, এটা তো দেখাই গেল। ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া। শাসনব্যবস্থার সহায়ক হিসেবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে এটা পরিচালনা করা হয়। আইনত বাধা না থাকলেও শিক্ষানবিশ ম্যাজিস্ট্রেটদের এ কাজের দায়িত্ব বিশেষ প্রয়োজন না হলে না দেওয়াই সংগত। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন বলে আশা রইল। তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারক করা আবশ্যক।
উল্লেখ্য, বাল্যবিবাহ রোধ, ইভ টিজিং, পরিবেশ বিপর্যয় রোধ, ভেজাল প্রতিরোধ, বিদ্যুৎ ও গ্যাস চুরিসহ বেশ কিছু অপরাধ দমনেও ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো অনেক ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কও রয়েছে। এই আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ খুবই সীমিত। তাই দণ্ড বিধান কিংবা এর মাত্রা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যথেষ্ট সংযম আশা করা অসংগত হবে না। অপরাধ তাঁদের সামনে সংঘটিত বা উদ্ঘাটিত হতে হবে। আর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে করতে হবে দোষ স্বীকার। এ দুটো বিষয়ে নিশ্চিত করেই ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ড বিধান করতে পারেন।
নচেৎ সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে তঁাকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সোপর্দ করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিতে হবে। সে জন্যই এ ধরনের বিচারকাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কিছুটা পরিপক্বতা আবশ্যক। এ বিবেচনাতেই শিক্ষানবিশ ম্যাজিস্ট্রেটদের এ দায়িত্ব দেওয়া যথাসম্ভব পরিহার করা সংগত। ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে উপরিউক্ত আলোচনা প্রাসঙ্গিক। তবে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত জরিমানা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বয়ং আত্মসাৎ যেকোনো বিবেচনায় গুরুতর অপরাধ। এটা তঁার অসদাচরণের শামিল। আগেই আলোচিত হয়েছে শিক্ষানবিশকালে কোনো কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করতে দীর্ঘ কোনো প্রক্রিয়ার আবশ্যকতা থাকে না। ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে অতি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে তা করা যায়। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নিশ্চয়ই অবগত আছে। তারা সুবিবেচনাপ্রসূত ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেবে, এমন প্রত্যাশা সংগত। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনও বিবেচনায় নিতে পারে। উল্লেখ্য, অধীনস্থ কর্মকর্তাদের অকারণ হয়রানি থেকে রক্ষা করা যেমন শীর্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব, তেমনি তাঁদের অপরাধমূলক কাজের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করাও তাঁদের দায়িত্ব।
বেসামরিক চাকরিগুলোর প্রায় সব ক্ষেত্রেই আজ যে দুর্বলতা বিরাজ করছে, তার কারণ নানাবিধ। তবে এ ধরনের প্রমাণিত দুর্নীতিবাজদের কোনো না কোনো ফাঁকে দায়মুক্তি পাওয়া সেসব কারণের গুরুত্বপূর্ণ একটি, এমনটি বললে ভুল হবে না। এগুলো করতে করতে আমরা দেশের শাসনব্যবস্থাকে ক্রমান্বয়ে দুর্বল করে ফেলেছি। যারা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের মর্যাদা আর সরকার ও ক্ষেত্রবিশেষে দেশের ভাবমূর্তি সম্পর্কে নিরাসক্ত থাকে, তাদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য দেখানো কেবল অযৌক্তিক নয়, অন্যায্যও বটে।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালো পতাকা, গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে খালেদার গতিরোধের চেষ্টাঃ কোন বাধাকে ভয় পাই না -খালেদা জিয়া
![]() |
| বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ রোববার বিকেলে উত্তরায় তাবিথ আউয়ালের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে নিউজিল্যান্ডের গুপ্তচরবৃত্তি- তথ্য পায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ, ভারত
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারহীনতা ও নৈতিকতার অভাবে নারী লাঞ্ছনা ঘটছে -বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে অভিমত
![]() |
| আগের ঘটনার বিচার কি হয়েছিল? এবারের ঘটনার বিচার ও কি হবে? বস্ত্রহরণরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগ নেতা রাসেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের ছাত্র ছাত্রলীগ নেতা আলম |
অনুষ্ঠানে এক দর্শক প্রশ্ন তোলেন- পয়লা বৈশাখে বাংলা নববর্ষের দিনে প্রকাশ্যে নারীদের লাঞ্ছনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার কি হবে?
এমন প্রশ্নের জবাবে গওহর রিজভী বলেন, এখানে সরকার কোনো ছাড় দেবে না। এ ধরনের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। এদের আইনের সামনে আনতে তথ্য প্রমাণ করতে হয়। এ জন্য কিছু সময় লাগবে। এর পাশাপাশি আমাদের নাগরিকদেরও কিছু করার আছে। আমরা যদি এর প্রতিবাদে সক্রিয় অংশ না নেই, তবে এ ধরনের ঘটনা সব সময়ই ঘটতে থাকবে। এ ঘটনায় পুলিশ যদি সত্যিই নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নেয় তবে সে বিচারও করতে হবে বলেন তিনি। এ নিয়ে ধৈর্য্য ধরতে বলেন তিনি।
এ সময় এক দর্শক মন্তব্য করেন- অতীতে থার্টি ফার্স্ট নাইটে বাঁধন নামে এক নারীর বস্ত্রহরণ হয়েছিল। ওই ঘটনার বিচার হয়নি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এক নেতা ধর্ষণের সেঞ্চুরি করেছিলেন। তারও বিচার হয়নি। এসব ঘটনার জন্য প্রশাসনই দায়ী।
ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, নারী লাঞ্ছনার বিষয়টি অত্যন্ত গর্হিত কাজ এবং জঘন্য অপরাধ। এ নিয়ে পুলিশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য দু:খজনক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জড়িতরা কোমরের জোরে দোষ করে পার পেয়ে যায়।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বিচারের ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য সংবেদনশীল। বিচার না হতে পারে, তবে বিচারের দাবি থেকে সরে আসা যাবে না।
আরেক দর্শক প্রশ্ন করেন- যৌন হয়রানীর জন্য নারীর পোশাককে দায়ী করার সংস্কৃতির শেষ কোথায়? জবাবে নাসিম ফিরদৌস বলেন, নারী কিন্তু নিজেই শালীনতা বজায় রাখতে চায়। তবে নারীদের পোশাককে দায়ী করা বন্ধ করার জন্য ঘরে থেকে পুরুষদের বুঝাতে হবে। নারীর পোশাক নিয়ে কথা বলা হচ্ছে নারীর ওপর আঘাত।
ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, নারীর পোষাককে দায়ী করা মানে ঘটনাকে এড়িয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা। অস্থির রাজনীতি ও নৈতিকতার অভাবে এসব ঘটনা ঘটছে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকে নারীর পোষাককে দায়ী করা হচ্ছে। কে কী পোশাক পড়বে তা না শিখে, পুরুষ কিভাবে দৃষ্টি দিবে তা শিক্ষার দরকার। মূলত বিচারহীনতা এবং নৈতিকতার অভাবে নারী লাঞ্ছনা ঘটছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তৃতীয় প্রশ্ন ছিলো- মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিতদের ফাঁসির রায় কার্যকর না করতে জাতিসংঘসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশ আহবান জানিয়েছে। বাংলাদেশের কি উচিত এসব পরামর্শ বিবেচনা করা?
জবাবে নাসিম ফিরদৌস বলে, সবচেয়ে উচ্চ আদালত ফাঁসির রায় দিয়েছে। বাইরে থেকে যেসব প্রতিক্রিয়া আসে সেটা শোনা ছাড়া আর কিছু করার নেই। দেশের নাগরিক কি চায় তা বুঝতে হবে।
ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, তারা তাদের মতামত ব্যক্ত করেছে। আমাদের দেশের আইন আমরা পালন করবে। আইন যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে কি না তা ভাবতে হবে। তবে বহির্বিশ্বের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া এলে, আইন আমরা রাখবো কিনা সেটা দেখতে হবে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোনো সংগঠন বলতেই পারে, বিবেচনায়ও নেয়া যেতে পারে, তবে আমাদের দেশের আইন আমরা পালন করবো।
গওহর রিজভী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, আমাদের আইন আমরা পালন করবো। এখানে কিছুটা হিপোক্রেসি আছে। যারা নিজেরা ফাঁসি দেয় আর অন্যদেরকে বলে ফাঁসি না দিতে তাদের কথা গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই।
অনুষ্ঠানে চতুর্থ প্রশ্ন ছিলো- ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন কি সবার জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে পারছে?
ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, কিছু প্রার্থী অভিযোগ করছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। ভয়-ভীতি শঙ্কার উর্দ্ধে উঠে, নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে যে, সবাই যেন নির্বিঘ্নে অংশ নিতে পারে।
নাসিম ফিরদৌস বলেন, সমান সুবিধা নেই এমন কথা গণমাধ্যমের মাধ্যমে বলে লাভ নেই। অভিযোগ করার একটি পদ্ধতি আছে। সেভাবে করতে হবে। তবে এবারে সত্যিকারের নির্বাচন হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগের স্তূপের কথা শোনা যাচ্ছে। আইন আচমকা জোরে চলা শুরু করলে একটু সমস্যা হয়। কিছু বিষয় যেগুলো নির্বাচন কমিশন বলবে, সেগুলো মন্ত্রীদের কাছ থেকে শুনতে পাই। যেমন নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে কি না?
গওহর রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সরকার থেকে পৃথক করতে হবে। নির্বাচন কমিশন নিজে তার ক্ষমতা ব্যবহার না করলে সেটা দেখার দায়িত্ব সরকারের না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবিধান সমুন্নত রাখতে হবে by কুলদীপ নায়ার
![]() |
| জোর করে হোক আর সম্পত্তি কেড়ে নিয়ে হোক পূণরায় হিন্দু বানানো হবে: RSS নেতা মোহন ভগবত |
কুরিয়ান জোসেফ যা বলেছেন, তার কোনো ব্যতিক্রম হতে পারে না: ‘ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব আমাদের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে প্রাণ সঞ্চার করেছে। সারা বিশ্ব ঈর্ষাভরে আমাদের দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি এবং সাংস্কৃতিক ঐক্য ও অখণ্ডতার দিকে তাকিয়ে থাকে। এই কঠিন সময়ে ভারতকে অবশ্যই তার এই সদ্গুণগুলো রক্ষা করতে হবে, অন্য জাতির মডেল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’
যদিও আমি মনে করি, বিচারকদের সম্মেলনের দিনক্ষণ পরিবর্তন করে গুড ফ্রাইডের দিন ফেলায় কুরিয়ান জোসেফ কিছুটা অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। ভারতের প্রধান বিচারপতি এইচ এল দত্ত অত্যন্ত সততার সঙ্গেই বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় তিনি এই দীর্ঘ ছুটিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। ফলে গুড ফ্রাইডের দিন বিভিন্ন রাজ্যের উচ্চ আদালতের বিচারকদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি খ্রিষ্টান বিচারক ও সম্প্রদায়ের সংবেদনশীলতা তিনি ঠিকঠাক ঠাহর করতে পারেননি।
আর ব্যাপারটা এমনও নয় যে গুড ফ্রাইডের দিন এই প্রথম বিচারকদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। কিন্তু তখন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মনে বৈষম্যের অনুভূতি এতটা প্রখর ছিল না। কিন্তু বিজেপি যেভাবে খোলাখুলি হিন্দুত্বের প্রচারণায় নেমেছে, তাতে বহুত্ববাদের আবহ অনেকাংশেই বিঘ্নিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই যে হাওয়ায় আমরা নিশ্বাস নিচ্ছি।
ভারতের জনগণ লোকসভায় বিজেপিকে চূড়ান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে, এটা সত্য। এতে বোঝা যায়, জনগণের চিন্তাধারায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। এই জনগণই কিছুদিন আগেও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে ভোট দিয়েছে। তবে এটা মনে রাখতে হবে, সংবিধানের মৌল কাঠামো সর্বোচ্চ আদালত নির্ধারণ করেছেন, এটা পরিবর্তন করা যাবে না। এই কাঠামোর একটি অংশ হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা, এই বৈশিষ্ট্য আমাদের সংবিধানকে প্রাণ দিয়েছে।
চরমপন্থীরা আমাদের জাতিসত্তার মৌল বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে, বিচার বিভাগের কাছে এটাই সবচেয়ে অস্বস্তিকর ব্যাপার হওয়া উচিত। ঘর ওয়াপসি (পুনরায় হিন্দু হওয়া) স্লোগানটি বানানোই হয়েছে বহুত্ববাদের গোড়ায় কুড়াল মারার জন্য। আবার হরিয়ানার স্কুলের কারিকুলামে গীতা যুক্ত করা হয়েছে।
![]() |
| লক্ষাধিক মুসলিম ও খ্রিস্টানকে ধর্মান্তরিত করবে আরএসএস |
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর অবস্থা আরও করুণ, কারণ সেগুলো জাতীয় পরিসরে আলোচনার বিষয়বস্তু নয়, এদের সম্বন্ধে মানুষের আকর্ষণও কম। যেকোনোভাবেই হোক, এসব রাজ্য হিন্দুত্ববাদী সংকীর্ণতার দ্বীপে পরিণত হয়েছে। অনেক মুসলিমকেই আমি বলতে শুনেছি, তারা জান আউর মাল (জীবন ও সম্পদ) সম্পর্কে ভীত।
আরএসএস নেতারা দিব্যি বহাল তবিয়তেই আছেন। এমনকি বিজেপির উদার মানুষেরাও নীরব আছেন। বিজেপি হয়তো চায় হিন্দুত্ববাদের জয়জয়কার হোক। কিন্তু এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে তারা মুসলমানদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করতে চায়, এটা সংবিধানের মৌলিক বিচ্যুতি। সংবিধানমতে, আইনের চোখে সবাই সমান, এক মানুষের এক ভোট।
![]() |
| রাষ্ট্রীয় স্ময়ং সেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত |
ভারতের প্রধান বিচারপতি এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সঠিকভাবেই বলেছেন, বিচার বিভাগ ও সংসদ ভাইবোনের মতো। ‘প্রকৃত অর্থে কার্যকর বিচার প্রশাসন’ নিশ্চিত করতে তাদের একত্রে কাজ করতে হবে। বিচার বিভাগ ও সংসদ উভয়েই গণতন্ত্রের সন্তান। ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে তাদের হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে। একজন ভুল করলে আরেকজনকে তা শুধরে দিতে হবে।
কিন্তু কর্মীদের চাপে আদালতের রায় প্রভাবিত হয়—এমন ধারণা দূর করা দরকার। ন্যাশনাল জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কমিটি বিচারক নিয়োগের কলেজিয়াম ব্যবস্থা দূর করবে, এমনটা আশা করা হচ্ছে, যাতে বিচারক নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় নির্বাহী বিভাগ আরও অধিকহারে যুক্ত হয়। একসময় তা ছিলও বটে। কিন্তু দেখা গেল যে বিচারক নিয়োগ ও বদলির প্রক্রিয়ায় সরকারের হস্তক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ফলে ব্যাপারটা পুরোপুরি বিচারকদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
![]() |
ভারত হিন্দু রাষ্ট্র, হিন্দুত্বই পরিচয়, ফের ঝড় তুললেন ভাগবত
|
উদাহরণস্বরূপ, যেকোনো সিদ্ধান্তের কারণ জানার ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটা দাপ্তরিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এনেছে, গণতন্ত্রকে গভীরতর করেছে। সত্য প্রকাশিত হলে সরকার হয়তো বিব্রত হতে পারে। কিন্তু একটি উন্মুক্ত সমাজের দাবির প্রসঙ্গে আপস হতে পারে না।
এ পর্যন্ত বিবেচনা করলে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিরীক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁকে বুঝতে হবে, সরকারি কর্মচারীরা তাদের কাজ করে। অনেক দুর্নীতির তদন্তের প্রতিবেদনই আলোর মুখ দেখত, যদি সেগুলোয় দাপ্তরিক সিদ্ধান্তকে প্রশ্ন করা না হতো।
মোদি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপ করতে না পারে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগকেও নির্বাহী বিভাগের অধিকার সম্বন্ধে সচেতন থাকতে হবে। সময়-সময় নানা নীতি প্রণয়ন করা তাদের অধিকার। শেষ বিচারে উভয়কেই সংবিধানের সীমা অনুসারে কাজ করতে হবে।
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
কুলদীপ নায়ার: ভারতের সাংবাদিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 20
(31)
- খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা পূর্বপরিকল্পিত : মওদুদ
- ঘটনা ঘটেই চলেছে, প্রতিকার কোথায় by মালেকা বানু
- কেন এই নিষ্ক্রিয়তা, সমবেদনাহীনতা? by আলী রীয়াজ
- খালেদা জিয়ার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
- জেতার নয়, হারানোর নির্বাচন by সোহরাব হাসান
- সেনা মোতায়েনে সরকারের ভয় কেন : আফরোজা আব্বাস
- সবার সামনে যে চ্যালেঞ্জ by ইনাম আহমেদ চৌধুরী
- আমরা কি মধ্যযুগে ফিরে যাচ্ছি? by রাশেদা কে চৌধূরী
- আফগানিস্তানে আইএসের প্রথম বড় ধরনের হামলা
- কাশ্মীরে পাকসেনাদের জিহাদকে সমর্থন করে জামাত-উদ-দাওয়া
- বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জে চীনের রানওয়ে
- শিক্ষানবিশকালেই চুরি ও আত্মসাৎ by আলী ইমাম মজুমদার
- কালো পতাকা, গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে খালেদার গতিরো...
- বাংলাদেশে নিউজিল্যান্ডের গুপ্তচরবৃত্তি- তথ্য পায় য...
- বিচারহীনতা ও নৈতিকতার অভাবে নারী লাঞ্ছনা ঘটছে -বিব...
- সংবিধান সমুন্নত রাখতে হবে by কুলদীপ নায়ার
- ব্যালটের বিচার by সাজেদুল হক
- সৌভাগ্যবতী নীলা by সিরাজুস সালেকিন
- সীমান্তের ওপারে ৬২ ফেনসিডিল কারখানা by তোহুর আহমদ
- যৌন হয়রানির দৃশ্য পাচ্ছে না পুলিশ!
- কুমিল্লা সীমান্তে বাংলাদেশীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ভ...
- টিএসসিতে যৌন হয়রানি- পাঁচ বখাটের চেহারা শনাক্ত
- কণ্ঠরোধের আইন খারিজ -দেশ’র সম্পাদকীয়
- শাবি পরিস্থিতি- ভিসি থাকছেন নেপথ্যে দুই শিক্ষকের ব...
- গ্রেপ্তার আতঙ্ক কাটছে না বিরোধী প্রার্থীদের by কাফ...
- সড়কে মৃত্যুর মিছিল by নূর মোহাম্মদ
- দিনে ৬০ কোটি টাকার রিচার্জ by কাজী সোহাগ
- কি পরিবর্তন আনবে ভোট?
- ‘প্রচারণায় কে নামলো তা বিষয় নয়’ -মেয়রপ্রার্থী আনিস...
- এরশাদকে প্রচারণা না চালাতে ইসির নির্দেশ
- শ্লীলতাহানি তো পুরুষেরও হতে পারে: তসলিমা নাসরিন by...
-
▼
Apr 20
(31)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8+%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%A8+%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A4.jpg)


