Tuesday, May 21, 2019
২৪ বার এভারেস্টে উঠে বিশ্ব রেকর্ড
![]() |
| নেপালের পর্বত আরোহীদের গাইড কামি রিতা শেরপা। ছবি: রয়টার্স |
সেভেন সামিট ট্রেকসের মিংমা শেরপা বলছিলেন, ‘এটা ঐতিহাসিক ঘটনা। আজ সকালে এক নতুন রেকর্ড করলেন কামি রিতা। ভারতীয় পুলিশের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পৌঁছান পর্বতে।’
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্বত আরোহীদের গাইড হিসেবে কাজ করেন কামি রিতা। প্রথম ১৯৯৪ সালে আট হাজার ৮৪৮ মিটারের (২৯ হাজার ২৯ ফুট) উচ্চতার বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছান তিনি।
গত ২৫ বছরে পাঁচটি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে ৩৫ বার উঠেছেন। এর মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ পাকিস্তানের কেটুও আছে। গত বছর ২২ বারের মতো এভারেস্টে পৌঁছে এর আগের সর্বোচ্চ ২১ বার এ শৃঙ্গে ওঠার রেকর্ড ভাঙেন। এর আগে দুজন শেরপা এই রেকর্ড করেছিলেন। তাঁদের দুজনই এখন অবসরে আছেন। গত সপ্তাহে ২৩ বার ওঠার পর যখন বেসক্যাম্পে পৌঁছান তখন কামিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেদিনই তিনি বলেছিলেন, তিনি এ মৌসুমেই আবার এভারেস্টে পৌঁছাতে চান। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘আমি খুব আনন্দিত ও গর্বিত। আমার মনে হয়, আমি আবার পর্বতে যাব।’
এর আগে অনেকবারই কামি বলেছেন, তিনি রেকর্ড করার জন্য পর্বতে চড়েন না। কেবল পর্বতারোহীদের গাইড হিসেবে সঙ্গে থাকার হিসাবগুলো করেন। কামির কথা, ‘আমি রেকর্ড করার জন্য উঠি না। আমি শুধু কাজ করি।
নেপালের শেরপা সম্প্রদায়ের পর্বতারোহণে এক অসামান্য ক্ষমতা আছে। কম অক্সিজেনে, অতিরিক্ত উচ্চতায় থেকে কাজ করার অভিনব এক দক্ষতা আছে। আর এরাই নেপালের পর্বত আরোহণ শিল্পের মেরুদণ্ড।
১৯৫৩ সালে এডমুন্ড হিলারি এবং তেনজিং নরগে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন। এরপর থেকে এভারেস্টে আরোহণ অত্যন্ত বড় ব্যবসায় হয়ে উঠেছে।
এ মৌসুমে নেপাল রেকর্ডসংখ্যক ৩৮১টি আরোহণের অনুরোধ অনুমোদন করেছে। প্রতিটি আরোহণের জন্য ফি ১১ হাজার মার্কিন ডলার। এভারেস্ট জয় প্রত্যাশী প্রতিটি পর্বতারোহী নেপালি গাইড নেন। এবার ৭৫০ জন আরোহী নেপালের পথে এভারেস্টে উঠবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর তিব্বতের পথ ধরে ১৪০ জন আরোহী এভারেস্টে উঠতে চেষ্টা করছেন। গত বছর ৮০৭ জন এভারেস্টে উঠেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে।
এভারেস্টসহ হিমালয়ের শৃঙ্গগুলোতে ওঠার উপযুক্ত সময় এই এপ্রিল ও মে মাসের সময়টা। এ সময়কার আবহাওয়া পর্বত আরোহণে বেশ উপযোগী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দোনেশিয়ায় পুনরায় প্রেসিডেন্ট হলেন উইদোদো
![]() |
| দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জোকো উইদোদো। ছবি: রয়টার্স |
আজ এএফপি, বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, প্রাবোয়ো (৬৭) নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত করেননি। এর আগে তিনি ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ করেছিলেন এবং সড়কে বিক্ষোভের হুমকি দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে উইদোদোর কাছে পরাজয়ের পর তিনি আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। তবে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেননি।
ধর্ম ইস্যুটি এবারের নির্বাচনে মূল ভূমিকা পালন করে। তবে পর্যবেক্ষকেরা জানিয়েছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উইদোদো—যাঁকে জোকোয়ি নামেও ডাকা হয়—পেয়েছেন ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, প্রাবোয়ো পেয়েছেন ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। গত ১৭ এপ্রিল ভোট হয়। ভোটাররা ২০ হাজার স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের আইনপ্রণেতা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
ফলাফল ঘোষণার পর ফলাফলের কাগজে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান প্রাবোয়োর নির্বাচনী দলের সদস্য আজিস সুবেকতি। তিনি বলেন, ‘এই অবিচার, প্রতারণা, মিথ্যা এবং গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এই কর্মকাণ্ডের মুখোমুখি হয়ে আমরা তা ছেড়ে দিতে পারি না।’
উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কাঁটাতারের ব্যারিকেড ও জলকামান নিয়ে তারা অবস্থান নিয়েছে।
গত শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছিল, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক সমাবেশে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল তারা।
এদিন রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ এড়াতে নিজ দেশের নাগরিকদের ইন্দোনেশিয়া সফরে সতর্ক করেছিল মার্কিন দূতাবাস।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটো পক্ষ অর্থনীতি, অবকাঠামো ও দুর্নীতির ওপর আলোকপাত করেছিল। ধর্ম ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ইন্দোনেশিয়ার সংবিধান অনুসারে দেশটিতে রাষ্ট্রধর্ম নেই এবং অন্য ধর্মের বিশ্বাসীদের অবাধে ধর্ম পালনের সুযোগ রয়েছে। তবে দেশটিতে ৮০ শতাংশ মুসলিম। গত কয়েক বছরে রক্ষণশীল কট্টর মুসলিম গোষ্ঠীগুলো সরব হয়েছে দেশটিতে। ২০১৬ সালে জাকার্তার চীনা বংশোদ্ভূত খ্রিষ্টান গভর্নর বাসুকি তিজাহাজা পুরনামা—আহোক নামেই যিনি পরিচিত—কট্টরপন্থী ইসলামি গোষ্ঠীর রোষানলের শিকার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। গত দুই বছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট পদে দুই প্রার্থীই ইসলাম ধর্মের প্রতি তাঁদের আনুগত্যের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। উইদোদো উদারপন্থী হলেও তাঁর রানিংমেট হিসেবে বেছে নিয়েছেন ক্ষমতাধর ধর্মীয় নেতা মারুফ আমিনকে। ৫৭ বছর বয়সী উইদোদো ২০১৪ সাল থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট। তিনি ‘জনতার মানুষ’ হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তোলেন এবং নির্বাচনী প্রচারে এই বিষয়টিতেই আলোকপাত করা হয়েছে। ২০১২ সালে জাকার্তার গভর্নর নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি প্রথম আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়েন। ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ইন্দোনেশিয়ায় সাবেক স্বৈরশাসক সুহার্তোর জামাতা প্রাবোয়ো ইসলামি নেতাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং ধর্মীয় স্কুল বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
![]() |
| ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ করেছেন সাবেক জেনারেল প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তো। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুজবে কান দেবেন না -বুথফেরত জরিপ নিয়ে প্রিয়াংকা

এনডিটিভিতে প্রচারিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, এমন নির্দেশনা দিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে অডিও ক্লিপ প্রচার করেছেন প্রিয়াংকা। তাতে তিনি বলেছেন, কংগ্রেসের আমার ভাই ও বোন নেতাকর্মীরা। গুজবে কান দেবেন না। বুথফেরত জরিপ আপনাদেরকে অনুৎসাহিত করছে। আপনাদের মনোবলকে ভাঙার জন্যই শুধু এটা করা হচ্ছে। এসব সত্ত্বেও আপনাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে- এটাই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনুগ্রহ করে স্ট্রং রুম এবং ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে সতর্ক নজরদারি অব্যাহত রাখুন। আমরা আশাবাদী আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।
বুথফেরত জরিপ প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রায় একই রকম প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি টুইটে সরাসরি বলেছেন, আমি বুথফেরত জরিপ নামক গুজবে মোটেও বিশ্বাস করি না। এমন গুজব ছড়িয়ে দিয়ে ভোট জালিয়াতির একটি গেম সাজানো হয়েছে। তাই আমি সব বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী ও বলিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান জানাই। আসুন আমরা সবাই মিলে এই লড়াইয়ে নামি।
বুথফেরত জরিপ নিয়ে লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিহারে ক্ষমতাসীন বিজেপি-জনতা দল (ইউনাইটেপ) এর চেয়ে পিছনে রয়েছে আরজেডি। এ নিয়ে দলটি রোববার সন্ধ্যায় টুইটে বলেছে, বুথফেরত জরিপ এসে গেছে। এটা হলো বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলের ‘বিজনেস ডিসিশন’। তাদের টার্গেট করা শ্রোতারা যে দলকে পছন্দ করে তারা তাদের পক্ষে কথা বলে। তারা চায় না, তাদের দর্শকদের হতাশ করতে। কারণ, তাতে তাদের টিআরপি (টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট) কমে যাবে।
উল্লেখ্য, রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এরপরই আসতে থাকে বুথফেরত জরিপের ফল। তাতে পূর্বাভাষ দেয়া হয় লোকসভার ৫৪৩ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৩০০ আসনে বিজয়ী হতে চলেছে এনডিএ। অন্যদিকে কংগ্রেস ও তার মিত্ররা ১২০ টির মতো আসন পেতে পারে।
এতে আরো দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গে অভাবনীয় ফল করতে পারে বিজেপি। এ রাজ্যে মোট আসন আছে ৪২টি। তার মধ্যে ১৩টি আসনে জিতে যেতে পারে বিজেপি। গত বছর দলটি বিধানসভা নির্বাচনে হেরেছিল মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশড়ে। তা সত্ত্বেও এ রাজ্যগুলোতে লোকসভা নির্বাচনে বড় অর্জনের পথে থাকতে পারে বিজেপি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতি চনমনে, রাজনীতি টগবগে by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বুথ-ফেরত সমীক্ষা অর্থনীতির পাশাপাশি রাজনীতিকেও টগবগে করে তুলেছে। প্রকৃত ফল বেরোনোর দুদিন বাকি থাকলেও মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারকে ফেলে দিতে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী নেতা গোপাল ভার্গব রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, সরকার তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। তাই দ্রুত বিধানসভা ডেকে সরকারকে গরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে বলা হোক। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ২৩০। গত বছরের ভোটে কংগ্রেস জেতে ১১৪ আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৬ সদস্যের সমর্থন। বহুজন সমাজ পার্টির দুই এবং সমাজবাদী পার্টির একজন সদস্য কংগ্রেসকে সমর্থন দিচ্ছেন। অর্থাৎ সরকারের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে এক সুতোয়।
সমীক্ষা অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদি আরও একবার প্রধানমন্ত্রী হলে কর্ণাটক সরকারের স্থিতিশীলতাও প্রশ্নের মুখে পড়বে। ওই রাজ্যে একক গরিষ্ঠ দল বিজেপি হলেও ধর্মনিরপেক্ষ জনতা দলকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে কংগ্রেস সরকার গড়েছে। কিন্তু জোট নিয়ে দুই দলেই বিস্তর সমস্যা। এক্সিট পোল সত্যি হলে এটাই স্পষ্ট হবে, দুই দল জোটবদ্ধ হয়েও বিজেপির মোকাবিলায় ব্যর্থ।
আপাতত দুই শিবিরই ২৩ মের প্রকৃত ফলের অপেক্ষায়। ফল বেরোনোর দিনই বিজেপির শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন ঠিক করেছেন। তার আগে আজ মঙ্গলবার সব শরিক দলের নেতাকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। বিরোধী শিবিরও তৎপর। তেলেগু দেশম নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু তিন দিন ধরে বিরোধী শিবিরের বড় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সোমবার তিনি কলকাতা যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে। রোববার জানা গিয়েছিল, বহুজন নেত্রী সোমবার দিল্লি এসে সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে সোমবার তাঁর দলের পক্ষে জানানো হয়, এমন কোনো কর্মসূচি আপাতত নেই। আজ বিরোধী নেতারা দল বেঁধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন ইভিএম নিরাপদ রাখা ও কারচুপি হতে না দেওয়ার দাবিতে।
বুথ-ফেরত সমীক্ষায় উৎফুল্ল শাসক দল বিজেপি। বিভিন্ন নেতা ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছেন, এই ভোট ছিল মোদি সরকারের পক্ষে। বিরোধী মহল ভোটের ফলে বিস্মিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বলেছেন, অর্থবাজারকে চাঙা করা এবং ইভিএমে কারচুপি করতেই এই ফল দেখানো হয়েছে। কংগ্রেস এবং অন্য বিরোধী নেতারাও বুথ-ফেরত সমীক্ষার ফল নস্যাৎ করেছেন। সমীক্ষার কার্যকারিতা নিয়েই তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।
প্রশ্ন হলো, এক্সিট পোল কতটা ঠিক হয়, কতটাই-বা ভুল। যে পদ্ধতিতে এই সমীক্ষা চালানো হয়, তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর, তা নিয়েও বারবার প্রশ্ন উঠেছে। এবারও সেই প্রশ্ন প্রবলভাবে উঠে এল।
এ ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক সমীক্ষার জনক জর্জ গ্যালপ। জনমত সমীক্ষক হিসেবে তাঁর প্রথম সাফল্য ১৯৩৬ সালে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানিয়েছিলেন, ভোটে জিতবেন ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট। রুজভেল্টের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আলফ্রেড ল্যান্ডন। তখনো পর্যন্ত সমীক্ষকেরা সাধারণত টেলিফোন গাইড ঘেঁটে এবং গাড়ির মালিকদের তালিকা নিয়ে ফোন করে জানতে চাইতেন নেতা হিসেবে কাকে তাঁরা পছন্দ করছেন। গ্যালপ প্রথম বিজ্ঞানভিত্তিক সমীক্ষা শুরু করেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জর্জরিত মানুষদের চাহিদা, তাদের আর্থসামাজিক অবস্থানকে গুরুত্ব দিলেন। বিভিন্ন শ্রেণির এই মানুষদের মনোভাবকে গুরুত্ব দিয়ে গ্যালপ নির্দিষ্টভাবে জানিয়ে দেন, রুজভেল্টই দায়িত্ব পেতে চলেছেন। তাঁর সেই ঘোষণা সবাইকে অবাক করলেও সেটাই হয়েছিল ঠিক।
জনমত সমীক্ষার নবতম রূপ এক্সিট পোল। ভোটের আগে মানুষের মন বোঝার তুলনায় ভোটের পর মনোভাব জানা সহজতর বলে দিন দিন ভারতে বুথ-ফেরত সমীক্ষা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু কোন সংস্থা কত মানুষকে ‘স্যাম্পল’ হিসেবে ব্যবহার করছে এবং কোন মডেলে সমীক্ষা করছে, তা সাধারণত জানাতে চায় না। এর ফলে সমীক্ষা কতটা নির্ভুল হচ্ছে, তা বোঝার উপায় থাকে না। তা ছাড়া সামাজিক বিন্যাস, অর্থনৈতিক অসাম্য, গ্রাম ও শহরের প্রভেদ, পুরুষ ও নারীর ভিন্ন রকমের চাহিদা, নীরব ভোটার এবং অসত্য তথ্য দেওয়া সমীক্ষকদের ‘মেথড’কে প্রায়শই ভুল প্রতিপন্ন করে। ২০০৪ সালে অটল বিহারি বাজপেয়ির সরকার যে দ্বিতীয়বার সুযোগ পাবে না, সেই আন্দাজ কোনো সমীক্ষক সংস্থাই ধরতে পারেনি। বরং তাঁর সরকারের প্রকল্পগুলো, যা কিনা ‘ইন্ডিয়া শাইনিং’ বলে পরিচিতি লাভ করে, তাঁকে আরও একবার ক্ষমতাসীন করবে, এই ধারণা সবাই ছড়িয়ে দেয়। ভোটের ফল বেরোলে দেখা যায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জিতেছে। পাঁচ বছর পর ২০০৯ সালে সবাই যখন ইউপিএ সরকারের অবসানের ছবি এঁকে দিয়েছে, তখন দেখা যায় মনমোহন সিংয়ের ওপর মানুষ আরও একবার আস্থা রেখেছেন। ২০১৪ সালে জনমত সমীক্ষা ও বুথ-ফেরত ফল আবার নির্ভুল হয়। কিন্তু বিজেপি যে ২৮২ আসন পেয়ে একক ক্ষমতায় সরকার গড়ার মতো অবস্থায় আসবে এবং কংগ্রেস যে হাফ সেঞ্চুরিও করতে পারবে না, নির্দিষ্ট করে কেউ তা জানাতে পারেনি।
জর্জ গ্যালপ যদি আধুনিক জনমত সমীক্ষার জনক হন, এক্সিট পোলের জনক কে, নেদারল্যান্ডসের সমাজতত্ত্ববিদ মারসেল ভ্যান ড্যাম, না যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারেন মিটোফস্কি, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। দুজনেই ১৯৬৭ সালে নিজের দেশের নির্বাচনে তাঁদের মতো করে এক্সিট পোল চালু করেছিলেন।
শুধু ভারতই নয়, বিশ্বের অন্যত্রও বহুবার এক্সিট পোল ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ১৯৯২ সালে ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনের পর দুটো সংস্থার বুথ-ফেরত সমীক্ষা প্রধানমন্ত্রী জন মেজরকে হারিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ফল বেরোলে দেখা যায়, হাউস অব কমনসে সদস্যসংখ্যা কমলেও কনজারভেটিভ পার্টিকে তিনি জয়ী করেছেন। ২০১৬ সালে অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও বুথ-ফেরত সমীক্ষার ফল ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একেবারে হালে অস্ট্রেলিয়ায় এক্সিট পোলকে ভুল প্রমাণ করে জয়ী হন স্কট মরিসন।
ভারতে কী হবে—সেই জল্পনা চলবে আরও দুদিন। ভিন্ন ভিন্ন ‘স্যাম্পল সাইজ’, ভিন্ন ধরনের মডেল ও আর্থসামাজিক বিভিন্নতার দরুন কি না জানা নেই, রোববার যতগুলো সংস্থা ভারতের লোকসভা ভোটের বুথ-ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছে, তাদের মধ্যেও ফারাক বিস্তর। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ আরও একবার সরকার গড়ছে, এই এক জায়গায় সবাই ঠিক। সব পরিষ্কার হবে ২৩ মে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদিকে থামাও -অখিলেশকে কেজরিওয়ালের ফোন

কেজরিওয়াল ও অখিলেশের মধ্যে ওই ফোনালাপ নিয়ে পরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আপ দলের এমপি সঞ্জয় সিং। তিনি বলেছেন, আপ দলের শীর্ষ অগ্রাধিকার হলো বিজেপিকে ক্ষমতায় যাওয়া থামাও। দু’দিন পরেই ফল ঘোষণা হবে। তার পরের কৌশল কি হবে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এক্ষেত্রে প্রথম অগ্রাধিকার হলো বিজেপি থামাও। নরেন্দ্র মোদি-অতিশ শাহ এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলোকে থামাও। আর এই ফোনকলটি ছিল সৌজন্য।
বুথফেরত বেশির ভাগ জরিপ বলছে, উত্তর প্রদেশে বেশির ভাগ আসনে বিজয়ী হতে পারে বিজেপি। এ নিয়ে সঞ্জয় সিং বলেন, বিজেপি নয়। ওই রাজ্যে ৮০টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৬০টি আসন পাবে সমাজবাদী পার্টি-বহুজন সমাজপার্টি জোট। আমি মনে করি এই গাঁটবন্ধন ৬০টিরও বেশি আসন পাবে। সারাদেশ থেকে উৎখাত হবে বিজেপি।
এ সময় তিনি বুথফেরত জরিপের ফলকে রাবিশ বলে আখ্যায়িত করেন। বলেন, বুথফেরত জরিপ পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হবে, যেমনটা এর আগেও হয়েছে। বিরোধীরা কেন্দ্রে শক্তিশালী সরকার গঠন করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদ যেন একদলীয় করে তোলা না হয় by কাফি কামাল

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, জীবনে প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছি। আমার প্রত্যাশা থাকবে সেখানে ন্যায্য কথা বলার সুযোগ পাবো। সেখানে যেন আমাদের ৬জন হিসেবে দেখা না হয়। সংসদের বাকি সদস্যরাও যেন আমাদের নায্য কথাগুলো শুনেন। যদি আমাদের কথাগুলো যৌক্তিক হয়, দেশের ও দেশের মানুষের জন্য কল্যানকর হয় তবে তা যেন গ্রহণ করা হয়। আশা করি, সংসদে আমাদের পর্যাপ্ত সময় দেয়া হবে। সংসদকে একদলীয় সংসদে পরিণত করা হবে না।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনয়ন পাওয়ায় সংসদে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটা আমার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও বেদনার। আনন্দের এই জন্য যে, জীবনে প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছি। সংসদে দাঁড়িয়ে দল, দেশ ও জাতির জন্য কথা বলতে পারবো। অন্যদিকে বেদনার এই জন্য যে, এমন একটি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছি যেটা দেশের মানুষসহ সারা দুনিয়ার কাছে গণধিকৃত একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। সে নির্বাচনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন করতে দেয়া হয়নি। যে সংসদে আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া নেই। অথচ তিনি তার জীবনে কোন নির্বাচনে হারেননি। যে নির্বাচনে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জেতার কথা ছিল কিন্তু বিজয় পেয়েছেন মাত্র ৬জন। যা ভোটের রাজনীতিতে হাস্যকর।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, প্রশ্ন আসতে পারে- আমি কেন এই সংসদে যাচ্ছি। আমি যাচ্ছি এই কারণে যে, আমাদের রাজনীতি করার গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সমস্ত অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। অনুমতির নামে আমাদের কোথাও কোন সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন অনুমতি জটিলতার কারণে সমাবেশও করতে পারে না। তিনি বলেন, দেশের মানুষের পক্ষে, জনগণের পক্ষে কথা বলার জন্য সংসদে যাচ্ছি। তরুণ এই আইনজীবী বলেন, আপনারা খেয়াল করেছেন শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যই নয়- দেশের সুশীল সমাজের বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের মতো অরাজনৈতিক মুভমেন্টগুলোও সরকার নিষ্ঠুরতার সঙ্গে দমন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সংসদে আমাদের কথা বলার একটুখানি সুযোগ আছে, সেটাকে আমরা কাজে লাগাতে যাচ্ছি। রুমিন বলেন, সংসদে আমরা কথা বলতে চাই। কিন্তু সরকার আমাদের কথা শুনবে কিনা সেটা সরকারের ওপর নির্ভর করে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদে কথা বলার যেটুকু সুযোগ পাবো তাতে আমি আমার বক্তব্যে ও কাজে কয়েকটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো। আমার প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনীপথে জামিনে কারামুক্তির দাবিটি জোরদার করে তোলা। কারণ তিনি আইনগতভাবে জামিন পাওয়ার যোগ্য এবং আইনগত বিষয়ে তার হকের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরবো। দ্বিতীয়ত, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার সুযোগ পাওয়ার পক্ষে কথা বলবো। এছাড়া আমাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাভোগ করছে দিনের পর দিন। এইসব মিথ্যা মামলা নিয়ে কথা বলবো। গণতন্ত্র বিরোধী ৫৭ ধারা নিয়ে কথা বলবো। বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কথা বলব। নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলব। বিশেষ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেয়ার বিরুদ্ধে কথা বলব।
বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি মেগাপ্রজেক্টের দুর্নীতি নিয়ে, বালিশ কেনা ও ভবনে বালিশ তোলার মজুরি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মূলধারার গণমাধ্যমে রীতিমতো ট্রল হচ্ছে। আসলে এটাই বর্তমানের বাংলাদেশ। সরকার মেগাপ্রজেক্ট নিয়ে দেশের মানুষকে ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখছে। কিন্তু এক একটি প্রজেক্টের ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ১০-১৫বার। আর প্রতিটি প্রকল্পে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। সংসদ তো রেসকোর্স ময়দান নয়, কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়- সেখানে তথ্য-উপাত্তসহ সুনির্দিষ্টভাবে দুর্নীতির ক্ষেত্র ও চিত্রগুলো তুলে ধরবো।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদে আমার কাজ কি হবে? আমি বা আমরা কয়েকজন তো আর সরকারকে হঠাতে পারবো না। আমাদের কাজ হবে জনসচেতনতা তৈরি করা। যেখানেই সরকারের দুর্নীতি দেখব, যেখানেই অনিয়ম দেখব- সেখানেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেব। কোন আইনপ্রণয়ন করা হলে তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগনকে অবহিত করবো। সর্বোপরি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করব।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আমি জনপ্রতিনিধিত্ব করার যে সুযোগ পাচ্ছি তার জন্য প্রথমেই আমি পরম করুনাময় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ প্রকাশ করছি। আমাকে এমন একটি সুযোগ করে দেয়ার জন্য আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি- যারা এই সংসদে গিয়ে আমি ভূমিকা রাখতে পারবো এমন বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। আমার নাম বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করেছেন, গণমাধ্যমে রিপোর্ট করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন। আমি তাদের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে বিরোধীদের মধ্যে অস্থিরতা!

প্রায় সকল বুথ ফেরত জরিপ হিসেবেই উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। কিন্তু বিরোধীরা এই জরিপকে মেনে নিতে নারাজ। কেউ কেউ জরিপগুলোকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু জরিপ প্রকাশের একদিনের মাথায়ই তাদের মধ্যে দেখা গেছে একজোট হওয়ার প্রবণতা। সমাজবাদি পার্টির (এসপি) নেতা অখিলেশ যাদব সোমবার (২০ মে) বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) প্রধান মায়াবতীর সঙ্গে তার বাসভবনে দেখা করেছেন। অন্যদিকে, অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগু দেশাম পার্টির (টিডিএম) নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু দেখা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এটা নিশ্চিত তারা ভোট পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। যদি ২০০৪ সালের মতো বুথফেরত জরিপের ফল উল্টে যায় তাহলে কে সরকার গঠন করবে, কারা কারা থাকবে তাতে- এমন বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।
বুথ ফেরত জরিপে এনডিএ’র জয় নিশ্চিত হলেও, নাইডু এখনো একটি মোদিবিরোধী জোট গড়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদি কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন না পায় সেক্ষেত্রে তারা জোট হিসেবে জয়ী হওয়ার দাবি করতে পারে। এদিকে, লক্ষেèৗতে মায়াবতীর বাসভবনে হওয়া বৈঠকে দুই দল প্রধানের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে সে বিষয়ে কিছুই প্রকাশ করা হয়নি। তবে নিজের টুইটার একাউন্টে মায়াবতীর সঙ্গে একটি ছবি আপলোড দিয়েছেন যাদব। তাতে তিনি ক্যাপশনে হিসেবে লিখেছেন- এখন পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি।
সূত্র জানিয়েছে, দুই নেতা-নেত্রি অন্যান্য বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন।
এদিকে, কলকাতায় নাইডু ও মমতার মধ্যে একটি ৪৫ মিনিট বৈঠক হয়েছে সোমবার। তবে তাদের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে সে বিষয়য়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা বলেছেন, বৃহ¯পতিবার ফল প্রকাশের পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেসব বিষয়ে তারা আলোচনা করেছেন।
মমতার সঙ্গে আলোচনার কয়েকদিন আগে কংগ্রেসের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ওই বৈঠক সম্বন্ধে মমতাকে জানিয়ে থাকতে পারেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুটিকে দত্তক পেতে চতুর্মুখী লড়াই by মরিয়ম চম্পা

শিশু হাসপাতালের শৌচাগারে কে বা কারা তাকে ফেলে যায়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে। এখন তার ঠাঁই হয়েছে ছোটমণি নিবাসে। কিন্তু ছোট্ট এই শিশুকে নিয়ে শুরু হয়েছে রীতিমতো লড়াই। তাকে দত্তক পেতে চান অনেকে। প্রভাবশালী থেকে সাধারণ এ লাইন দীর্ঘ। তারা এরই মধ্যে আবেদন করেছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। হাসপাতালে থাকতেই শিশুটিকে নেয়ার জন্য আসে শ’ শ’ ফোন। বড় অঙ্কের টাকা দিতে চেয়েছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার নিজের ফ্ল্যাটও লিখে দিতে চেয়েছেন তার নামে। ছোট্ট শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ‘গহীন’। রোববার দুপুরে রাজধানীর আজিমপুরের ছোটমনি নিবাসে গিয়ে দেখা যায়, মিডিয়াকর্মী এবং অভিভাবকদের ভিড়। শিশুটির নিরাপত্তার স্বার্থে একপর্যায়ে সকল মিডিয়া এবং দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশ নিষেধ করে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ। এসময় শিশুটিকে দত্তক নিতে আসা সিলেটের প্রবাসী মো. সাইফুল আলম বলেন, আমরা বিয়ে করেছি প্রায় ১৪ বছর। আমাদের কোনো ছেলে মেয়ে নেই। আমরা ইতোমধ্যে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছি। তাকে সন্তান হিসেবে পাওয়ার জন্য যা কিছু করতে হয় করবো। আমেরিকাতে আমার নিজের ব্যবসা আছে। পাশাপাশি আমি চাকরি করি। আমরা তাকে পেলে সরাসরি আমেরিকাতে নিয়ে যাবো।
তাকে পেতে আদালতের যে কোনো শর্ত মেনে নিতে আমরা প্রস্তুত। ঢাকা শিশু হাসপাতালের ওয়ার্ডমাস্টার রাসেল মাহমুদ বলেন, বাচ্চা কি আছে? বাচ্চা নাই। বাচ্চা নিয়ে গেছে। ছোটমনিতে যারা নেয়ার তারা নিয়ে গেছে। একটি বাচ্চার প্রতি যদি প্রভাবশালী মহল যুক্ত হয় সে বাচ্চা কি ছোটমনিতে রাখা সম্ভব। আমার স্ত্রী পলি আক্তার শিশুটিকে ছোটমনি নিবাসের কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। শিশুটির দুঃশ্চিন্তায় তার রক্তের উচ্চচাপ অধিক মাত্রায় বেড়ে গেছে। সে শিশুটিকে নেয়ার জন্য পাগল। পলি সুস্থ্য হলেই শিশুটিকে পেতে আমরা আইনি লড়াইয়ে যাবো। শিশুটিকে পেলে আমার পেনশন পুরোটাই ওর নামে লিখে দিবো। ছোটমনির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আপনাদের থেকে অনেক হাই প্রোফাইলের লোকজনের আবেদন এসেছে। এতো বড় লেভেলের মানুষ যেহেতু বাচ্চাটিকে চাইছে তাই আমরা সাধারণ আবেদনকারীরা হয়তো বাচ্চাটিকে পাবো না। শিশুটির চেহারার মাঝে এমন মায়া ও আকর্ষণ রয়েছে যেটা দেখে প্রথম থেকেই আমি আকর্ষিত হয়ে গেছি। দ্বিতীয়ত ৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে আমাদের কোনো ছেলে মেয়ে হয়নি। আগে পরে এরকম আরো বাচ্চা পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এই বাচ্চাটির ভেতরে আলাদা একটি টান রয়েছে।
শেরেবাংলা নগর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদা আক্তার মিতা বলেন, আমার দুই ছেলে মেয়ে আছে। ওরা বড় হয়ে গেছে। ছেলে বিকেএসপিতে পড়ে। মেয়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসইতে পড়ে। অনেক আগে থেকেই শখ যে আমার দুটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে থাকবে। কিন্তু ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমরা আর বাচ্চা নিতে পারবো না। ফলে অনেক আগে থেকেই আমার ভাবনা ছিল আমি যেহেতু বাচ্চা নিতে পারবো না তাই একটি কন্যা শিশু দত্তক নিবো। আমার খুব ইচ্ছা এই বাচ্চাটিকে যদি পাই তাহলে ওকে আমি মানুষের মতো মানুষ করবো। একটাই শঙ্কা শিশুটিকে পেতে এতো এতো প্রতিযোগীতা ‘যদি আমি না পাই’। রীতিমত আমার বুকের মাঝে ব্যথা শুরু হয়েছে। যদি আমি না পাই তাহলে নিজেকে কি সামলাতে পারবো? ওকে পাওয়ার জন্য ইতোমধ্যে আমি আমার আইনজীবী নিয়োগ করেছি। আমার তরফ থেকে শিশুটিকে পেতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। নামাজ পড়েও আল্লাহর কাছে দোয়া করছি যেন বাচ্চাটিকে আমি পাই। মনে হয় যেন ও আমার নিজেরই সন্তান। ওর নামও আমি ঠিক করে ফেলছি। এই মেয়েকে রোজার মধ্যে পেলে আমি ওর নাম রাখবো ‘রোজা’। এবং অনেক বড় করে আকিকা দিয়ে ওর নাম রাখবো। এবং আমার যা কিছু সহায় সম্পত্তি আছে সব তিন সন্তানের নামে সমান সমান থাকবে।
সিলেটের দ্য প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট হবিগঞ্জের অফিস কোর্ডিনেটর বোরহান উদ্দিন বলেন, ৭ বছর আগে আমি বিয়ে করেছি। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে আমি নি:স্বন্তান। ফেসবুকে শিশুটির ছবি দেখে আমি খুবই ইমোশনাল হয়ে গিয়েছি। তৎক্ষণাত আমি ফেসবুকে কমেন্ট করেছি, ‘এই মেয়েটি যদি আমাকে দেওয়া হতো, তাহলে আমি ওকে আমার রাজকন্যা বানিয়ে রাখতাম’। তখন আমি বুঝতে পারিনি যে এই মেয়েটার জন্য সারা বাংলাদেশ এরকম পাগল হয়ে যাবে। আমি মনেকরি এই মেয়েটি খুব ভাগ্য নিয়ে দুনিয়াতে এসেছে। এতো মানুষের আগ্রহ দেখে আমি অনেকটা আশাহত হয়ে গেছি। সত্যিই আমি ওকে পাবো তো? চাকরির সুবাদে সিলেট থেকে আমি হয়তো ওভাবে আইনি লড়াই চালাতে পারবো না।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি মানবজমিনকে বলেন, একটি শিশুর প্রতি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কৌতূহল থাকবে এটাই সহজাত এবং স্বাভাবিক। আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিশুটির সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। ওর খাওয়া, ঘুম, স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে সর্বোচ্চ সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শিশুটির সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছেন। এবং আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তার বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশা করছি শিশুটি যেখানেই থাকুক না কেন যেন ভালো থাকে।
শিশু হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের কমন শৌচাগারের ভেতর থেকে সাত থেকে আট দিন বয়সী জীবিত এই নবজাতককে উদ্ধার করা হয়। শিশুটির দায়িত্ব নিতে সমাজের অনেকেই ছুটে এসেছেন। এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের অধীনে হস্তান্তরকৃত শিশুটিকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ আইন মেনেই দত্তক নিতে পারবেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নূরুল কবির বলেন, ও (শিশুটি) ভালো আছে। শিশু দত্তক নেয়ার একটি বিধি বিধান আছে। ছোটমনি নিবাস থেকে দত্তক নিতে হলে আদালতে পারিবারিক আইনে একটি মামলা করতে হবে। এর প্রেক্ষিতে আদালত যিনি দত্তক নিবেন তার আর্র্থসামাজিক অবস্থা, পারিবারিক অবস্থা কেমন সেটা যাচাই বাচাই করবে। এবং কতটুকু সামর্থ আছে বাচ্চাকে রাখতে বা মানুষ করতে পারবে কি না। তার অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কিনা এই সকল বিষয় বিবেচনা করে আদালত একটি রায় দেবেন। সেই রায়ের ওপর ভিত্তি করে আমরা শিশু নিবাস থেকে বাচ্চাটিকে দত্তক দিবো। এবং নির্দিষ্ট পরিমানে অর্থ শিশুর নামে লিখে দিতে হবে। আইনের চোখে যিনি সবচেয়ে যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন আদালত তাকেই শিশুটির দায়িত্ব দেবেন।
ছোটমনি নিবাসের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট জুবলি বেগম রানু বলেন, শিশুটি ভালো আছে। স্বাভাবিক নিয়মেই খাচ্ছে, ঘুমাচ্ছে, কান্না করছে। ও আমাদের কাছে বিশেষ কেউ নয়। কারণ আমাদের ছোটমনি নিবাসে এমন অনেক শিশু আছে। তার কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। নিরাপত্তার স্বার্থে এখন কোনো গণমাধ্যম কিংবা দত্তক প্রার্থীকে শিশুটিকে দেখতে দেয়া হচ্ছে না। শিশুটির সাথে দেখা করতে হলে অবশ্যই সমাজসেবা অধিদপ্তরের ডিজি বরাবর লিখিত আবেদন করে অনুমতি নিয়ে তারপর সংবাদ কাভার এবং প্রার্থীরা দেখতে পারবেন। শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি মানবজমিনকে বলেন, আগে পরে অনেক বাচ্চা পাওয়া গেছে কিন্তু দত্তক নেয়ার জন্য এতো প্রার্থী হয়নি। এই বাচ্চার দত্তক প্রার্থী খুব বেশি হয়েছে। এর প্রথম কারণ হচ্ছে মেয়েটি দেখতে খুবই সুন্দর। সে মায়াবি চোখে তাকিয়ে ছিল। এবং তার মায়াবী ভঙ্গি যেটা দেখে বেশি লোকজন আকৃষ্ট হয়েছে। এছাড়া আমরা ফেসবুকে পোস্ট করেছিলাম তার সত্যিকার বাবা মাকে আকৃষ্ট করার জন্য। যার জন্য সারা বাংলাদেশের মানুষের বিবেক নড়ে গেছে। কিন্তু ওর প্রকৃত মায়ের বিবেক এতোটুকুও নড়েনি।
তিনি বলেন, শিশুটির বাবা মাকে খুঁজে পেতে আমরা বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে তদন্ত করছি। অনুসন্ধান করছি। এবং আমরা আশাবাদি যে কিছু একটা করতে পারবো। আমার মনে হয় এখানে ইনভেস্টিগেশন অফিসার শুধু আমরা না। সারা বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর মানুষ ভিডিওটা দেখছে। কেউ না কেউ শিশুর বাবা মাকে চেনে। বাচ্চাটিকে দেখে মনে হয়েছে, সে নরমাল ডেলিভারিয়ান নয়। সিজারিয়ান বেবি। এর সাথে যুক্ত বাবা-মা, পরিবারের সদস্য এবং ডাক্তার এরা কেউ না কেউ নিশ্চয় ভিডিও এবং শিশুটির খবর দেখেছে। আমরা আসলে এর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত মায়ের কাছে তাকে ফেরত দিতে চাইছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল করিম বলেন, শিশুটির মায়ের নিশ্চয়ই কোনো ধরনের অসুবিধা ছিল। অন্যথায় কোনো মা তো তার সন্তানকে এভাবে ফেলে রেখে যায় না। বোধহয় সন্তানটিকে নিয়ে তার মা বিপদে পড়েছে। ভালো এবং ইতিবাচক দিক হচ্ছে এই যে, সমাজের উচুস্তর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত সব শ্রেণীর মানুষ তাকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তার মানে আমাদের মধ্যে মানবতাবোধ এখনো জাগ্রত আছে। যে কারণে একটি শিশুকে সবাই দত্তক নিতে চাইছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় বালিশ প্রতিবাদ

এই সুযোগে মহালুটপাটে মেতে উঠেছে সরকার। মানুষের ঘৃনা তাদের চোখে পড়ে না। তিনি বলেন, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যখন দেখি বুয়ার বেতন, গাড়ী চালকের বেতন, প্রকল্প পরিচালকের বেতন, সর্বশেষ বালিশের দাম ও তোলার মজুরী আকাশচুম্বি, তখন জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত হই। তিনি বলেন, যখন দেখি কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ধানক্ষেতে আগুন দেয়, বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার পর বিচার হয় না, যখন ফেলানির লাশ কাটা তারে ঝুলে থাকে। বিচার কার কাছে চাইবো কূল পাই না। বাংলাদেশ গণঐক্য সভাপতি আরমান হোসেন পলাশ বলেন, দেশে দুর্নীতির সঙ্গে বাড়ছে বেকারের সংখ্যা। ধানের ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষকের মধ্যে আজ হাহাকার। রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে হরিলুট তা ইতিহাসের সেরা। দুর্নীতির কালো মেঘ বাংলাদেশকে ঘিরে ফেলেছে। এই মহামারির বিরুদ্ধে এক সঙ্গে সবাইকে সোচ্চার ও প্রতিবাদী হতে হবে। বাংলাদেশ গণঐক্য সভাপতি আরমান হোসেন পলাশের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার, জাতীয় বিপ্লবী পার্টির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, গণঐক্যের প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বালিশ বিক্ষোভে অংশ নেয়া কর্মীদের হাতে থাকা প্লাকার্ডে লেখা ছিল- ‘কে দেখবে এই দুর্নীতি? কে থামাবে এই মহামারি?’, ‘কৃষক পায়না ফসলের দাম, চারিদিকে লুটপাটের জয়গান।’সহ বিভিন্ন ধরণের শ্লোগান।
এর আগে পাবনায় নির্মাণাধীন রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় আসবাবপত্র কেনাকাটা এবং সেগুলোর বহন খরচ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। একটি দৈনিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়- পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর জন্য ১,৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। যার প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ছয় হাজার টাকা। একই সঙ্গে প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে উপরে বহন করার খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। তবে এই দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরণের পাওনা বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ণ ম্যান্ডেটে জিতলে ৪৮ বছরের রেকর্ড ভাঙবেন মোদি

মোদি সঠিক কথাই বলেছেন। লোকসভা ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, বিজেপি যদি এবার ক্ষমতায় আসে এবং পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তাহলে তা দলটির জন্য ২০১৪ সালের থেকেও বড় সফলতা হবে। ২৩শে মে যদি মোদি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আবারো ক্ষমতায় বসেন তাহলে গত ৪৮ বছরের মধ্যে এমন সফলতা পাওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি। এর আগে ১৯৭১ সালে সর্বশেষ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে থাকা কংগ্রেস এমন সফলতা পেয়েছিল।
স্বাধীনতার পর ভারতে ১৬টি লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে ১৭তম লোকসভা নির্বাচন চলছে। ভারতের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫১-৫২ সালে। স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান ও জহরলাল নেহরুর প্রতি ভারতীয়দের থাকা সম্মান কংগ্রেসকে পরপর তিনবার (১৯৫২, ১৯৫৭ ও ১৯৬২) বড় জয় এনে দিয়েছিল। তারপর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তার আকস্মিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় জহর লাল নেহরুর কন্যা ইন্দিরা গান্ধী ১৯৬৭, ১৯৭১ ও ১৯৮০ সালে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন। ১৯৮৪ সালেও কংগ্রেস পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তবে তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রাজিব গান্ধী।
১৯৯৯ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে যথাক্রমে বিজেপি ও কংগ্রেস জয়ী হয়। কিন্তু কোনো সরকারই পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য যে আসন দরকার তা অর্জন করতে সমর্থ হয়নি।
১ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৫১-৫২: নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস লোকসভার ৫৪৩ আসনের ৩৯৮ আসন জিতে।
২য় লোকসভা নির্বাচন, ১৯৫৭: নেহরুর নেতৃত্বে আবারো ৫৩৭ আসনের ৩৯৫ আসন জয় করে কংগ্রেস।
৩য় লোকসভা নির্বাচন, ১৯৬২: এবারও নেহরু ৫৪০ আসনের ৩৯৪ আসনে কংগ্রেসের জয় নিশ্চিত করেন।
৪র্থ লোকসভা নির্বাচন, ১৯৬৭: নেহরু ও লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ৫৫৩ আসনের ৩০৩ আসনে জয় পায় কংগ্রেস।
৫ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৭১: এবারও ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ৫৫৩ আসনের ৩৭২ আসনে জয় পায় কংগ্রেস। এটাই ছিল সর্বশেষ পরপর একই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কোনো দলের পরপর পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসা।
৬ষ্ঠ লোকসভা নির্বাচন, ১৯৭৭: এ নির্বাচনে কংগ্রেসকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসে জনতা পার্টি। ৫৫৭ আসনের ৩০২টিই দখল করে নেয় তারা। তবে এ সরকার বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।
৭ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৮০: কংগ্রেস ঝড়ে আবারো ক্ষমতায় ফেরে ইন্দিরা গান্ধী। এবার ৫৬৬ আসনের ৩৭৭টিতেই জয় পায় দলটি।
৮ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৮৪: ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাসে ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করা হয়। ফলে সহানুভূতি ভোটে রেকর্ড ৪২৬ সিটে জয় পায় কংগ্রেস। এবার প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা গান্ধীর ছেলে রাজিব গান্ধী।
৯ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৮৯: ৫৩৪ আসনের মধ্যে ১৯৫ আসন পায় কংগ্রেস। ফলে এককভাবে সরকার গঠনে ব্যর্থ হয় দলটি। বাধ্য হয়ে জোট সরকার গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী করা হয় ভিপি সিংকে।
১০ম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৯১: নির্বাচনের মাঝামাঝি সময়েই রাজিব গান্ধীকে হত্যা করা হয়। এ নির্বাচনে কংগ্রেস ২৫২ আসন পায়। পিভি নরসিমা রাওয়ের নেতৃত্বে জোট সরকার গঠিত হয় এবং সফলভাবে ৫ বছর পার করে।
১১তম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৯৬: এ বছর অটল বিহারি বাজপেয়ীর বিজেপি পায় ১৬৩ আসন ও কংগ্রেস পায় ১৪০ আসন। তবে এবার ২ বছরের মধ্যেই মধ্যবর্তী নির্বাচন দেয়া হয়।
১২তম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৯৮: বিজেপি ১৮৩ আসন পায় ও বাজপেয়ীর নেতৃত্বে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করে। কিন্তু ১৯৯৯ সালে জয়ললিতা সরে দাঁড়ালে আবারো নির্বাচন আয়োজিত হয়।
১৩তম লোকসভা নির্বাচন, ১৯৯৯: এবার ১৮৯ আসনে জয় পায় বিজেপি। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয় দলটি। তবে নির্বাচনের পূর্বে দলটির মিত্রদের সঙ্গে মিলে সরকার গঠন করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন বাজপেয়ী।
১৪তম লোকসভা নির্বাচন, ২০০৪: ১৫৯ আসনে জিতে সব থেকে বেশি আসনে বিজয়ী হয় কংগ্রেস। সরকার গঠনে দলটিকে সাহায্য করে এর মিত্র দলগুলো। প্রধানমন্ত্রী হন মনমোহন সিং।
১৫তম লোকসভা নির্বাচন, ২০০৯: কংগ্রেসের হয়ে এবারও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ছিলেন মনমোহন সিং। এবার ২০০৪ সালের থেকে সমর্থন বেশি পায় কংগ্রেস। ২১১ আসনে জিতে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করে কংগ্রেস।
১৬তম লোকসভা নির্বাচন, ২০১৪: নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২৮২ আসনে জয় লাভ করে বিজেপি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। ১৯৮৪ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এ নির্বাচনে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

জাপানের রাষ্ট্রদূত সোমবার (২০ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
এই সাক্ষাতের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, জাপানের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, তার আসন্ন জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে আড়াই বিলিয়ন ডলারের ৪০তম অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স (ওডিএ) সই হবে, যা গত বছরের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
প্রসঙ্গত, টোকিওতে আগামী ৩০ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য ‘ফিউচার অব এশিয়া’ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, বিগত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে হিরোইয়াসু ইজুমি বলেন, আগামী ৫ বছর বাংলাদেশ ও দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই সময়ে উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে।
জাপানি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে জানান, জাপানের সহায়তার নির্মাণাধীন কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আগ্রগতিতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবেকে তার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তিনিও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের বিভিন্ন অবদনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের এক মহান বন্ধু। তিনি এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশে রূপসা সেতু নির্মাণে জাপানের সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তালেবানের ‘ভ্রমণ খরচা’ দিতে চায় পেন্টাগন

পেন্টাগন সূত্র নিশ্চিত করেছে, তারা শান্তি আলোচনা সহজতর করতে কর্তৃপক্ষকে তহবিল ব্যবহার করার অনুরোধ করেছে। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান প্রতিনিধিরা মোট ছয় দফায় আলোচনায় বসেছেন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিনদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজতে কাতারের রাজধানী দোহায় এ বৈঠক হয়।
যে তহবিলের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে, এর কিছুটা বিবরণ দিয়েছেন ইন্ডিয়ানার প্রতিনিধি পিটার ভিসক্লোস্কির মুখপাত্র কেভিন স্পাইসার পেন্টাগন। সেখানে তালেবান নেতাদের আলোচনায় অংশ নেওয়া, খাবার, বাসস্থান ও যাতায়াত ব্যবস্থার যাবতীয় খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্পাইসার বলেন, ২০২০ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তালেবান সদস্যদের বিভিন্ন সমন্বয় কার্যক্রমসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদির সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে কমিটির কাছে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে ২০১৯ অর্থবছরের তহবিল থেকেও ওই একই খাতে অর্থ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
গত বুধবার ভিসক্লোস্কির সভাপতিত্বে হাউস অনুমোদন প্রতিরক্ষা উপকমিটি তালেবানদের খরচ বাবদ প্রায় ৬৯০ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দেয়।
আইনসভায় বলা হয়, প্রস্তাবে তহবিলের কোনো বরাদ্দ তালেবান সদস্যরা যদি এমন কোনো বৈঠকে অংশ নেয়, যা আফগান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় অথবা নারীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করে, এ জন্য খরচ করা হবে না। কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্য বস্তুগত সমর্থন না দেওয়ার আইন লঙ্ঘিত হতে পারে ভেবে ভিসক্লোস্কি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র রেবেকা রেবারিচ বলেন, ‘২০১৮ সালের জুনে আফগানিস্তানে যুদ্ধবিরতির পর দেশটিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর অধিনায়ক তালেবানদের সঙ্গে শান্তি বৈঠক অর্থায়নের অনুরোধ জানান। আফগানিস্তানে সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে আনতে জঙ্গি সংগঠনটিকে নিজেদের দাবিদাওয়া পেশ করার সুযোগ দেওয়া জরুরি ছিল। আর সে সুযোগ তৈরি করতেই আর্থিক সহায়তার কথা চিন্তা করা হচ্ছে।’
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২০ অর্থবছরের জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব আইনসভায় পেশ করেছে বলে জানিয়েছেন রেবেকা। ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাব্য উপায় হিসেবে এই শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে দুর্নীতি: হাইকোর্টে রিটসহ বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

এ সংক্রান্ত দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর হাইকোট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ঈদের ছুটির এক সপ্তাহ পর এ বিষয়ে ফের শুনানি করবেন আদালত। এর আগ পর্যন্ত রিটটি মুলতবি রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি রূপপুরের ওই আবাসন পল্লীর জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা ও তা ভবনে তোলায় অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হবার পর এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান চেয়ে গতকাল হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়্যেদুল হক সুমন। আজ আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন।
এ প্রসঙ্গে রূপপুর এলাকার অধিবাসী বিএনপি’র ঊপদেষ্টা হাবিবুর রহমান রেডিও তেহনাকে বলেন, শুধু বালিশ নিয়ে দুর্নীতি নয়, গোটা প্রক্ল্প নিয়ে তদন্ত করলে দুর্নীতির সমূদ্র ধরা পড়বে । এদিকে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোনো তৎপরতা নেই। তারা ব্যস্ত সরকারবিরোধী নেতাদের দমন করার কাজে।
'গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিতে জবাবদিহির টেকসই নীতি নেই বলেই লুটপাটের নীতিই প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এ জন্য ঋণখেলাপিদের আরও ঋণ দেয়া হচ্ছে, আর মধ্যরাতের ভোটের সহায়তাকারীদের বিনা সুদে গাড়ি বাড়ি কেনার ঋণ দেয়া হচ্ছে। তাই মহাদুর্নীতির মাধ্যমে পকেট ভারী করাই হচ্ছে মিডনাইট সরকারের উন্নয়নের আসল কাহিনি' ।
ওদিকে, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে দুর্নীতির প্রতিবাদে আজ সোমবার বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বালিশ হাতে এক অভিনব প্রতিবাদী মানববন্ধন আয়োজন করেছে বাংলাদেশ গণঐক্য সংগঠন। এ সময় বক্তারা বলেন, ইতিহাসে এমন মহাদুর্নীতি কেউ করেছি কি-না সন্দেহ।’ ‘উন্নয়নের অন্তরালে লুটপাটের যে মহোৎসব চলছে। তারই একটি উদাহরণ এ বালিশ দুর্নীতি।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, ‘যখন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আয়ার বেতন, গাড়িচালকের বেতন, প্রকল্প পরিচালকের বেতন, সর্বশেষ বালিশের দাম ও তা ফ্লাটে তোলার দাম আকাশচুম্বী, তখন জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত হই।’
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের গ্রিন সিটি আবাসন পল্লীর ফ্লাটের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা ও তা ভবনের ফ্লাটে তোলার বিষয়ে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে গত ১৬ মে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।
এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের থাকার জন্য গ্রিন সিটি আবাসন পল্লীতে ২০ তলা ১১টি ও ১৬ তলা ৮টি ভবন হচ্ছে। এরই মধ্যে ২০ তলা আটটি ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ২০ তলা ফ্ল্যাটের জন্য প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর ভবনে বালিশ ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। প্রতিটি রেফ্রিজারেটর কেনার খরচ দেখানো হয়েছে ৯৪ হাজার ২৫০ টাকা। রেফ্রিজারেটর ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৫২১ টাকা। একেকটি খাট কেনা দেখানো হয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৭ টাকা। আর খাট উপরে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ টাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটের বশিরকে খুঁজছে নিখোঁজ জিল্লুরের পরিবার by ওয়েছ খছরু

পরে যে দালালের মাধ্যমে জিল্লুর ইউরোপের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন, সেই বশির আহমদ লিলু মিয়ার কাছে যান তারা। বশির বিকে. এয়ার সার্ভিস এবং সিদ্দিকিয়া হজ ট্রাভেল্স-এর স্বত্বাধিকারী। সিলেট নগরীর শিবগঞ্জে মোহিনী ১১২-এ নিশি মঞ্জিলে থাকেন বশির। লেচু মিয়া অভিযোগ করেন, বশির আহমদের কাছে গিয়ে জিল্লুরের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এমনকি নানা ভয়ভীতিও দেখান। তিনি জানান, বিকে এয়ার সার্ভিস, সিদ্দিকিয়া হজ ট্রাভেল্স-এর স্বত্বাধিকারী বশির আহমদ লিলু মিয়ার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে জিল্লুরকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন তার পরিবার।
প্রথমে ৮ লাখ টাকায় মৌখিক চুক্তি হলেও পরে লিবিয়া থেকে বিমানযোগে ইতালি পাঠানোর কথা বলে আরো ৪ লাখ টাকা নেন বশির আহমদ। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করেন লেচু মিয়া। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত নভেম্বর মাসের শেষের দিকে জিল্লুরকে লিবিয়া পাঠান দালাল বশির। কথা ছিল লিবিয়া পৌঁছার পর এক মাসের মধ্যে সেখান থেকে ইতালি পৌঁছাবেন জিল্লুর। ৮ লাখ টাকা আদায়ের পর ‘গেম ঘর’ নামক একটি তালাবদ্ধ ঘরে বেশকিছু যুবকের সঙ্গে রাখা হয় জিল্লুর রহমানকে। ঘরটিতে একটি টয়লেট থাকায় অনেক কষ্ট হয় তাদের। দিনের পর দিন অল্প পরিমাণ খাবার আর গোসল ছাড়াই পরনের কাপড় পরে থাকতে হয় তাদেরকে। ঘটনার পর থেকে বিকে. এয়ার সার্ভিস এবং সিদ্দিকিয়া হজ ট্রাভেল্স-এর স্বত্বাধিকারী বশির আহমদ লিলু মিয়া আত্মগোপন করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আদম পাচারে জড়িত। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। জিল্লু রহমানের বাবা-মা অবিলম্বে দালাল বশিরকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। বশিরদের মতো দালাল যেন আর কাউকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ঠকাতে না পারে, সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বর্তমান নাম ‘কামাল ট্যাক্স এন্ড এসোসিয়েটস’ : সিলেটের কামাল আহমদের মালিকানাধীন ট্রাভেলস ওয়ার্ল্ডের নাম পরিবর্তন করে ‘কামাল ট্যাক্স এন্ড এসোসিয়েটস’ করা হয়েছে। ট্রাভেলস ব্যবসার সময় তিনি কখনো মানব পাচার করেননি বলে জানান কামাল আহমদ। গতকাল তিনি এক লিখিতপত্রে মানবজমিনকে জানিয়েছেন, ‘আমি একজন আয়কর আইনজীবী এবং সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির একজন সদস্য। বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠানের নাম ‘কামাল ট্যাক্স এন্ড এসোসিয়েটস’। পূর্বে সখের বশবর্তী হয়ে ট্রাভেলস ওয়ার্ল্ড নাম দিয়েছিলাম। পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করতে আমার বিলম্ব হয়েছে। ট্রাভেলস ব্যবসার সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না।’
অনুপমা ট্রাভেলস ও আকাশ ভ্রমণ ইন্টারন্যাশনাল বৈধ ট্রাভেলস এজেন্সি : সিলেটের ইদ্রিস মার্কেটের অনুপমা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি একটি বৈধ ট্রাভেলস এজেন্সি।
প্রতিষ্ঠানের মালিক নীপেন্দ্র কুমার দাশ মানবজমিনকে জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়েই তিনি ব্যবসা করছেন। পাশাপাশি তিনি ট্রাভেলস মালিকদের সংগঠন আটাবেরও সদস্য। কয়েকদিন আগে তার প্রতিষ্ঠানে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাতে গিয়েও সব ধরনের বৈধতা পেয়েছেন। নীপেন্দ্র জানান, তিনি মানব পাচারে সম্পৃক্ত নন। কিংবা তার প্রতিষ্ঠান থেকে কখনো এ ধরনের ঘৃণ্যতম ঘটনা ঘটানো হয়নি। একই কথা জানিয়েছেন ইদ্রিস মার্কেটের আরেক ব্যবসায়ী আকাশ ভ্রমণ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. তৌফিকুল আলম বাবলু। তিনি বলেন, তিনি সব নিয়ম মেনে বৈধভাবে ব্যবসা করছেন। কখনো তার প্রতিষ্ঠান মানব পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। বর্তমানেও নেই। অবৈধভাবে তিনি ব্যবসা করছেন না। অথচ একটি মহল তার প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ আখ্যায়িত করে ব্যবসায়িক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। তিনি মন্ত্রণালয় ও আটাবের অনুমতি নিয়েই ব্যবসা করছেন বলে জানান।
বৈধতা পেয়েছে শাহপরাণ এভিয়েশন: সিলেটের রংমহল টাওয়ারের শাহপরাণ এভিয়েশন প্রায় ৫ মাস আগে বৈধতা পেয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর এখন তারা আটাবের সদস্য হতে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন শাহপরাণ এভিয়েশনের মালিক এসএম মিজানুর রহমান। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনেই ব্যবসা করছে। এছাড়া মানব পাচারের মতো জঘন্য ঘটনার সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানে জড়িত নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি: ‘গেম’ সাগরে ভাসিয়ে বিদায় জানায় ‘গুডলাক ভাই’ by জিয়া চৌধুরী

অবৈধ পথে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে ভয়াবহ তথ্য। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে থাকা ‘গুডলাক ভাই’ নামে কথিত এক বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর হয়ে অবৈধ পথে ইউরোপে মানব পাচার চক্রটির মূলহোতা বলে জানা গেছে। লিবিয়া ও বাংলাদেশ থেকে চক্রটি তাদের কাজ চালায়। মূলত তিন ধাপে তাদের ইউরোপ পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। প্রথম দুই ধাপে সরাসরি যুক্ত থাকে বাংলাদেশি চক্রটি। তৃতীয় ও শেষ ধাপে লিবিয়ার লোকজন নৌকায় করে তাদের ভূমধ্যসাগর পার করানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশ ও লিবিয়া দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ১০০ জন এই চক্রের হয়ে কাজ করে বলেও র্যাব ও গোয়েন্দা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কোটি কোটি টাকার অবৈধ এই ব্যবসায় ঢাকা ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকে চক্রটির এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। তবে ইউরোপে মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকা তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর এই চক্রের মূলহোতা ‘গুডলাক ভাই’ সম্বন্ধে জানতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই চক্রের বাকিদের ধরতে এর মধ্যে ঢাকা ও বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মানবপাচারকারী চক্রটি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ লোক পাঠাতে তিনটি রুট ব্যবহার করে। প্রথমে, ঢাকা থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে লিবিয়াতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইস্তাম্বুলে পাঠানো সম্ভব না হলে আকাশ বা সড়কপথে ভারতে নিয়ে পরে সেখানে পাঠায়। সবশেষ ধাপটি তুলনামূলক ব্যয়বহুল। প্রথম দুটি রুটে কাজ করা না গেলে, তৃতীয় রুটে লোক পাঠায় মানবপাচারে চক্রটি। এই রুটে প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপগামীদের পাঠানো হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। দুবাই থেকে আকাশ পথে যেতে হয় জর্ডান। মূলত সেখান থেকে আকাশ বা সড়কপথে ইউরোপগামীদের পাঠানো হয় লিবিয়ায়। বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যেতে ইচ্ছুক এসব মানুষদের লিবিয়া পৌঁছানোকে প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করে মানব পাচার চক্র। লিবিয়ার ত্রিপোলিতে পৌঁছানোর পর তাদের দেখভাল করে কথিত বাংলাদেশি ‘গুডলাক ভাই’।
এই গুডলাক ভাইয়ের আসল নাম নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশের নোয়াখালীতে তার গ্রামের বাড়ি বলে জানতে পেরেছে গোয়েন্দারা। নাসির উদ্দিনের ছোট দুই ভাই মনজু ও রিপন এই চক্রের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করে। নাসির উদ্দিন ওরফে গুডলাক ভাই দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে বসেই চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তার দুই ভাই মনজু ও রিপন কখনো লিবিয়া আবার কখনো বাংলাদেশে বসে পুরো প্রক্রিয়া দেখভাল করে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, লিবিয়া পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু করে ‘গুডলাক ভাই’র গ্যাং। ত্রিপোলি থেকে এসব ইউরোপগামীদের নিয়ে যাওয়া হয় লিবিয়ার উপকূলীয় এলাকায়। ভূমধ্যসাগরের পাড়ের নিরাপদ এলাকা থেকে নৌযানে করে তাদের পাঠানোর চেষ্টা করা হয় ইতালি ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে। তবে ভূমধ্যসাগর উপকূলে আরেক চক্রের হাতে এসব বাংলাদেশিদের তুলে দেয় ‘গুডলাক ভাই’। এখানে শুরু হয় তাদের কথিত ‘গেইম’ ট্র্যাপ।
চক্রটি ভয়ঙ্কর ভূমধ্যসাগরের জলপথ পাড়ি দেয়ার এই জীবন-মরণ খেলার নাম দিয়েছে ‘গেইম ট্র্যাপ’। মূলত লিবিয়ার উপকূলীয় এলাকায় ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক মানুষদের ‘গেইম ট্র্যাপে’ বিদায় জানায় বাংলাদেশি নাসির উদ্দিন। এমন বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া থেকে নাসির উদ্দিনের নাম হয়ে যায় ‘গুডলাক ভাই’। পাশাপাশি এই নামেই পরিচিত হয় চক্রটি। লিবিয়ার উপকূল থেকে ইউরোপ পৌঁছাতে দায়িত্ব দেয়া হয় লিবিয়ার আরেক চক্রকে। তাদের দায়িত্ব ইউরোপগামীদের ইতালি ও আশপাশের দেশে প্রবেশে সহায়তা করা। তবে, এমন ভয়ঙ্কর চেষ্টায় অনেকে সাগরেই মারা যায় বলে এই পথে যাত্রার নাম গেইম ট্র্যাপ। পুরো প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে আট থেকে দশ লাখ টাকা দিতে হয় ‘গুডলাক ভাই’ চক্রকে। তবে লিবিয়ায় বসে নিয়ন্ত্রণ করলেও দেশের নানা প্রান্তে পাচারকারীদের এজেন্ট ছড়িয়ে আছে বলে জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব এজেন্ট জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বিদেশ যেতে আগ্রহীদের টোপ ফেলে। ইউরোপ যেতে ইচ্ছুকদের সঙ্গে পাচার চক্রের সদস্যদের সাথে দেখা করিয়ে দেয় লোকাল এজেন্টরা। ইউরোপগামীদের পাচার চক্রের হাতে তুলে দিলে এজেন্টদের পকেটে আসে অর্থ, জনপ্রতি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা।
তবে, লিবিয়ায় বসে নিয়ন্ত্রণ করলেও গুডলাক ভাই চক্রের বাংলাদেশি সদস্যদের ধরতে এর মধ্যে র্যাব নজরদারি শুরু করেছে বলে জানা গেছে। মানবপাচার চক্রের বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম মানবজমিনকে বলেন, এই চক্রের নেটওয়ার্ক অনেক বিস্তৃত। আমরা পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে সবাইকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছি। র্যাব জানায়, পৃথক আরেকটি চক্রের হোতা মিরাজ হাওলাদার। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা মিরাজ লিবিয়ায় বসে চক্রটির মাধ্যমে ইউরোপ পাঠানোর নামে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া সেখানে আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মিরাজের চক্র। এই চক্রের বিরুদ্ধে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসে অসংখ্য ভুক্তভোগী অভিযোগ দিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব বিষয়ে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান গতকাল রাতে মানবজমিনকে বলেন, চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে কার্যক্রম চলছে। সিলেটে ও শরীয়তপুরে মানবপাচার আইনে দুটি আইনে মামলা হয়েছে। যাদেরই জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।
উল্লেখ্য গত ৯ই মে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে অন্তত ৪০ বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছেন। একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ৪০ জনের সবাই পানিতে ডুবে মারা গেছেন। দুটি নৌকায় করে ১৩০ বাংলাদেশী ইতালি যাত্রা করেছিলেন লিবিয়ার ত্রিপলী উপকূল থেকে। একটি নৌকা ইতালি উপকূলে পৌঁছতে পারলেও অন্যটি ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযোগ: উত্তেজনা জিইয়ে রাখতে চায় আমেরিকা-ইসরাইল
তিনি বরাবরের মতোই আরব দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরানের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে দাবি করেছেন, রিয়াদ এ অঞ্চলে কোনো যুদ্ধ চায় না। সৌদি আরব শান্তি চায় দাবি করে তিনি আরো বলেন, তারা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে এ অঞ্চলে ইরানের সামরিক তৎপরতার ওপর নজর রাখছে। তিনি অভিযোগ করেন ইরান এ অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
এদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে সুর মিলিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে আমিরাতের সমুদ্র বন্দরে সৌদি আরব, আমিরাত ও নরওয়ের চারটি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে। সৌদি আরব ও পাশ্চাত্যের গণমাধ্যমগুলো তেলবাহী জাহাজে হামলা এবং সৌদি তেল সরবরাহ লাইনে ইয়েমেনি যোদ্ধাদের ড্রোন হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান বিরোধী আবহ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ছাড়া, সৌদি আরব ও নরওয়ের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত জাহাজে হামলার ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দিয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব তৎপরতা থেকে বোঝা যায় আমেরিকা, দখলদার ইসরাইল ও সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা দুটি লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে। প্রথমত, তারা নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্র সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এর আগেও তারা ইয়েমেনকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ তুলে এবং নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকার বানোয়াট দলিল প্রমাণ উত্থাপনের মাধ্যমে ইরান বিরোধী নাটক মঞ্চস্থ করার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়। কারণ ইরানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। এবারো সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আদেল আল জুবায়ের ইরানের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
আমেরিকা, সৌদি আরব ও ইসরাইলের দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছে, ইরান ইস্যু টেনে এনে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসীদের প্রতি রিয়াদের সমর্থনের বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়া। পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক খ্যাতনামা ব্রিটিশ সাংবাদিক প্যাট্রিক ককবার্ণ ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি-মার্কিন নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এ অঞ্চলে যেকোনো উত্তেজনা সৃষ্টির দায় রিয়াদ কর্তৃপক্ষ সবসময়ই ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে যা নতুন কিছু নয়। তিনি আরো বলেছেন, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যারা যুদ্ধ বাধাতে চায় এটা তাদের উস্কানিমূলক তৎপরতা।
এদিকে, আমিরাতের বন্দরে তেলবাহী জাহাজে হামলার ব্যাপারে সৌদি সরকার আগামী ৩০ মে মক্কায় আরব দেশগুলোর জরুরি বৈঠক ডেকেছে। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ বলেছিলেন, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন আমেরিকাকে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টা করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির কাছে নির্বাচন কমিশন আত্মসমর্পণ করেছে : রাহুল

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এবারেরর লোকসভা নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদের বড় অভিযোগ ছিল, নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে বারবার নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়া। তা নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা। তিনি কমিটির বৈঠক থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সোমবার বলেন, ‘নির্বাচনী বন্ড, ইভিএম, ভোট গ্রহণের দিনক্ষণ, নমো টিভি, মোদির সেনা, কেদারনাথের নাটকের মতো ঘটনা থেকে শ্রী মোদি ও তার দলের সামনে নির্বাচন কমিশনের আত্মসমর্পণ সমস্ত ভারতীয়ের কাছে স্পষ্ট। নির্বাচন কমিশনকে সাধারণত ভয় ও সম্মান করা হত। এখন আর তা করা হয় না।’
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুও চিঠি লিখে লাভাসার কথায় কান না দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দুষেছেন। তার অভিযোগ, ‘অশোক লাভাসার মত সংখ্যালঘু হলেও তাকে গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিল। নাইডুর যুক্তি এবয় সংখ্যালঘু মতকে গুরুত্ব না দেয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের মতো সংস্থাকে মানায় না। এ থেকেই স্পষ্ট, প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে।
কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের কটাক্ষ করে বলেন, ‘গত দুদিনে প্রধানমন্ত্রী তার তীর্থযাত্রায় ভোটারদের প্রভাবিত করতে ধর্ম ও ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করেছেন। এতদিন আমাদের অভিযোগ ছিল, কমিশন ঘুমিয়ে রয়েছে। এবার আমরা বলতে পারি, কমিশন পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করেছে। যা খুবই লজ্জাজনক।’
গত রোববার শেষ দফার ভোট গ্রহণে বিরোধীদের অভিযোগ, আচরণবিধি মেনে প্রচার শেষ হওয়ার পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেদারনাথ মন্দিরে গিয়ে ধ্যানে বসে মূলদ ভোটের প্রচারই করেছেন। তা সত্ত্বেও চোখ বুজে থেকেছে নির্বাচন কমিশন।
ভোট শেষ হওয়ার পর মোদি আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাকে মন্দিরে পূজা এবং ধ্যানের অনুমতি দেয়ার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর দফতর কমিশনের অনুমতি চেয়েছিল। কমিশন অনুমতি দিলেও আদর্শ আচরণবিধি এখনও বলবৎ রয়েছে বলে মনে করিয়ে দিয়েছিল।
দেশটির বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মোদি কেদারনাথ মন্দিরে থাকলেও পুরোটা সময় জুড়ে টিভিতে উপস্থিত ছিলেন। গোটা দেশে তো বটেই, তিনি যে কেন্দ্র থেকে কালকের ভোটে লড়েছেন উত্তর প্রদেশের সেই বারাণসীর জন্য ভোটের প্রচার চালিয়েছেন।
বিজেপি নেতাদের পাল্টা যুক্তি, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর কমিশনকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতৃত্ব আসলে নিজের হতাশা প্রকাশ করছেন। ভোটে হার স্পষ্ট বুঝে কমিশনের ঘাড়ে দোষ চাপাতে চাইছেন তারা।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নির্বাচন হিসেবে ভারতের সাত দফার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয় গত ১১ এপ্রিল। গতকাল রোববার সপ্তম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় দেড় মাসের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হয়। আগামী ২৩ মে বৃহস্পতিবার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
ইন্ডিয়া ট্যুডের বুথ ফেরত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, লোকসভার মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ৩৩৯ থেকে ৩৬৫টি এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) ৭০ থেকে ১০৮টি আসন পেতে পারে। সরকার গঠনে প্রয়োজন ২৭২টি আসন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির রাজনৈতিক ধ্যান! সৃষ্টিকর্তার কাছে কী চাইলেন মোদি?

শেষ ধাপের নির্বাচনের আগের দিন ১৮ মে শনিবার উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দির পরিদর্শনে যান মোদি। এদিন হিমালয়ের কেদারনাথ মন্দিরের কাছের একটি গুহায় রাতভর ধ্যান করেন তিনি।
রবিবার গুহা থেকে বের হয়ে আসার পর সাংবাদিকদের মোদি জানান, প্রার্থনা করার সময় তিনি ঈশ্বরের কাছে কিছু চাননি, এটি তার স্বভাবজাত নয়। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঈশ্বর আমাদের প্রদান করার সক্ষমতা দিয়েছেন, দাবি করার নয়।’ মোদি আরও বলেন, শুধু ভারতই ঈশ্বরের আশীর্বাদপুষ্ট না হোক, বরং গোটা মানবজাতির ওপর সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক। ‘বিভিন্ন উৎসবে এ মন্দির পরিদর্শন করতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’
সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান কেদারনাথ মন্দিরে তিনি কী করলেন? উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছিলাম। এতদিন কী কী করলাম তা ফিরে দেখার চেষ্টা করেছি।' নিজের দলেরও জয় চাননি কি? এই প্রশ্নের জবাবে এ বিজেপি নেতা বলেন, 'না। কিছুই চাইনি। আমি বিশ্বাস করি, ঈশ্বর আমাদের সকলকে যোগ্য করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমরা আমাদের যোগ্যতা দিয়েই পৃথিবীর কাজে যোগদান করতে পারি। তবে হ্যাঁ, আমি সব সময় প্রার্থনা করি যাতে আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষকে ঈশ্বর আশীর্বাদ করেন।'
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে দেখা যায়, ভিড়ের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলছেন, ‘হার হার মহাদেব।' সমর্থকরাও তার সুরে সুর মিলিয়ে বলতে থাকে হার হার মহাদেব।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর শনিবার সকালে চতুর্থবারের মতো কেদারনাথ পরিদর্শনে যান মোদি। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার মন্দির এলাকায় অবতরণ করে। শনিবার টুইটারে দেওয়া পোস্টে কেদারনাথকে সুমহান পর্বতমালা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। নির্বাচন কমিশন বার বার বলেছে যে, ভোট লাভের হাতিয়ার হিসেবে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু ভোটের আগে টিভি চ্যানেলগুলোতে মোদিকে কেদারনাথ মন্দিরে ধর্মীয় কার্যকলাপের দৃশ্যে দেখা গেছে। এর মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা বন্ধ হওয়ার পরও আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। নির্বাচন কমিশন সব দেখেও ঘুমের মধ্যে রয়েছে!
রবিবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে শেষ দফায় ভোটাভুটির আগের দিন শনিবার ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত কেদারনাথ মন্দিরে ধ্যানে বসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংবাদমাধ্যমের ছবিতে এ সময় তার পরনে যে পোশাক দেখা যায় তা মূলত নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পছন্দের পোশাক। আর তার মাথায় ছিল হিমাচলের ঐতিহ্যবাহী কিন্নরী টুপি। এই হিমাচল প্রদেশের চারটি আসনে মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত পশ্চিমবঙ্গ এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর। যেখানে কদিন আগেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙ্গে সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল বিজেপি।
ভারতের বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, রবিবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে শুক্রবার থেকেই বন্ধ রয়েছে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা। কিন্তু কেদারনাথ মন্দির সংলগ্ন গুহায় ধ্যানকে হাতিয়ার করে এ সময়ে টিভি পর্দায় হাজির হয়েছে মোদি। এর মধ্য দিয়ে তিনি ভোটারদের একটা ভিন্ন বার্তা দিতে চেয়েছেন। ধ্যান শুরুর আগেই ধ্যানের দৃশ্য ধারণে সেখানে ক্যামেরা সেট করেছেন তিনি। আর সেটাই টিভি পর্দায় দেখিয়ে নিজেকে ধার্মিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করেছেন তিনি। আর এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচনি প্রচারণার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও কৌশলে নিজের প্রচার চালিয়ে গেছেন তিনি।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর শনিবার সকালে চতুর্থবারের মতো কেদারনাথ পরিদর্শনে যান মোদি। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার মন্দির এলাকায় অবতরণ করে। শনিবার টুইটারে দেওয়া পোস্টে কেদারনাথকে সুমহান পর্বতমালা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
কেদারনাথ মন্দিরে পূজা দেওয়ার পর প্রায় দুই কিলোমিটার পর্বোতাহরণ করে সেখানকার গুহায় পৌঁছান মোদি। পাহাড়ি পথ বেয়ে ছাতা ও লাঠি নিয়ে ওপরে উঠতে থাকা মোদির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই গুহায় রাতভর ধ্যানমগ্ন থাকার পর রবিবার সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।
রবিবার ভারতে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে সপ্তম ও শেষ দফায় ভোট দেওয়া শুরু করেছেন ১০ কোটি ১৭ লাখেরও বেশি ভোটার। আটটি রাজ্যের ৫৯ আসনে মোট ৯১৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন তারা। রবিবারের নির্বাচনে উত্তর প্রদেশের বারানসি আসন থেকে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার জন্য লড়ছেন মোদি। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিকশাচালকের বিরুদ্ধে ২৭ লাখ টাকার চেক মামলা

স্থানীয়রা আরো বলেন, রুবেলের চাচাতো ভাই কুদ্দুস মিয়া রুজিনার ছোট বোনের জামাই। সেই সুবাদে রুজিনা ও কুদ্দুস দু’জনেই পরিকল্পিত ভাবে হতদরিদ্র রিকশাচালক রুবেলের ভিটেমাটি দখলের ষড়যন্ত্র করেই এ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। রুবেলের অ্যাকাউন্টে এ পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। কিন্তু তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার মামলা।
হতদরিদ্র রিকশাচালক রুবেল জানান, গতপ্রায় ২ বছর আগে আমি রিকশা কেনার সময় ‘সাজেদা ফাউন্ডেশন’ থেকে ঋণ নেই। সেই সময় রোজিনা আক্তার তার চেক দিয়ে আমার ঋণের জামিনদার হয়। গত দুই মাস পূর্বে রুজিনা আক্তার ব্যাংক থেকে ঋণ তুলতে আমাকে জামিনদার হওয়ার কথা বলে এবং আমার কাছে দু’টি খালি চেক দাবি করেন। প্রথমে চেক দিতে অপারগতা জানালেও পূর্বে আমাকে সহযোগিতার কথা চিন্তা করে তাকে খালি দু’টি চেকের পাতা স্বাক্ষর করে দেই। সেই সময় এলাকার এক বড় ভাই রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষী রফিকুল ইসলাম জানান, রিকশাচালক রুবেলের কাছে রুজিনা আক্তার খালি দুইটি চেক চাইলে প্রথমে তা দিতে অস্বীকার করে রুবেল। পরে আমার সামনেই রুবেল দু’টি খালি চেকে স্বাক্ষর করে রুজিনা আক্তারকে দেন। এর কয়েক দিন পরই শুনি রুজিনা আক্তার মামলা করেছে রুবেলের বিরুদ্ধে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মরিচাকান্দা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মমিন উদ্দিন ভূঁইয়া, যুবলীগ নেতা নাসিম, স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান, মো. নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া, বিল্লাল হোসেন ওমানী, হাবিব সরকার, মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া, কানাই দাস, সাইফুল ইসলাম, রেনু মেম্বার ও আবদুল জলিল প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাফিন বাঁচবে কি করে? by জিয়া চৌধুরী

গত বৃহস্পতিবারও মায়ের সঙ্গে পশ্চিম আগারগাঁও এলাকার কর্ডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে যায় শাফিন। ওই দিনই পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বাসায় গ্যাস থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ হন শাফিনের বাবা মুক্তার হোসেন (৩৮) ও মা সালমা (২৮)। দুজনই এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা চলছে তাদের। দুজনের শরীরই প্রায় ৯৫ ও ৯৭ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের বিছানায় সালমার আকুতি, তোমরা আমরা পোলাডারে দেইখা রাইখো। পাশের বিছানায় স্বামী মুক্তার হোসেন শুয়ে থাকলেও তার মুখে কোন শব্দ নেই। শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। শাফিন জানে না তার বাবা-মা কোথায়? তাকে শুধু বলা হয়েছে, তারা বেড়াতে গেছে। গত শুক্রবার দুপুরে শাফিনদের পশ্চিম আগারগাঁওয়ের বাসায় গিয়ে দেখা গেছে বাসাটি বাইরে থেকে তালা দেয়া। আগুন লাগার পর শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বাসায় তালা মেরে দিয়ে চলে গেছে।
বাবা মুক্তার হোসেনের এক বন্ধুর বাসায় ঠাঁয় হয়েছে শাফিনের। তার মামা গোলাম হোসেন তাকে নানা কাজে ব্যস্ত রাখছে। শাফিন শুধু আজ শনিবার মায়ের হাত ধরে স্কুলে যেতে চায়। সেখানে নাজিম, মাহির ও সামিয়ার সঙ্গে দেখা হবে তার। এরা শাফিনের বন্ধু। এদের সঙ্গে সে স্কুলের বিরতিতে সময় কাটায়। বৃহস্পতিবারও স্কুল থেকে শাফিন মায়ের সঙ্গে বাসায় গিয়েছিল। বিকালে পাশের একটি কোচিংয়ে ক্লাস করতো সে। সেদিনও মা সালমা শাফিনকে নিয়ে কোচিংয়ে দিয়ে আসেন। বাসায় ফিরে ইফতারি বানাতে গ্যাসের চুলা ধরান। এরপর তো এক বিভীষিকা। পুরো ঘরে আগুন লেগে যায়। ঘরে ঘুমিয়ে থাকা শাফিনের বাবা মুক্তারও বেশ দগ্ধ হন। স্থানীয় আহসান হাবীবসহ কয়েকজন মিলে শাফিনের বাবা-মাকে নিয়ে যান শেরেবাংলা নগরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকরা সেখান থেকে পাঠিয়ে দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে। এখন সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীকে। ঘটনা শুনে মুক্তারের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছুটে এসেছেন। পালা করে হাসপাতাল ও শাফিনকে সময় দিচ্ছেন।
শাফিনের বাবা-মায়ের এমন পরিণতি নিয়ে পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া। মাইনুল ইসলাম রাসেল নামে একজন জানান, মুক্তার ছিল আমাদের এলাকার সবচেয়ে সজ্জন ব্যক্তি। তাকে পছন্দ করতো না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাদের এমন অবস্থায় ছেলেটার কি হবে সেটাই এখন চিন্তার বিষয়। কিন্তু বাবা-মায়ের এমন কষ্ট এখনো শাফিনকে ছুঁতে পারেনি। পছন্দের স্মার্টফোনে সে এখনো আনমনে ভিডিও গেমস খেলে চলেছে। বড় হয়ে কি হতে চাও এমন প্রশ্নে শাফিন জানায় সে পুলিশ হতে চায়। কেন? এমন প্রশ্নে শুধুই হাসি। শাফিনের এই হাসিটা যেন কোনভাবে মিইয়ে না যায় এ প্রার্থনা স্বজন ও প্রতিবেশির।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলেকজান্ডার, চেঙ্গিস খান পারেনি ট্রাম্পও পারবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও লিখেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'বি' টিমের সদস্যদের উসকানিতে এমন কিছু অর্জনের স্বপ্ন দেখছেন যা এর আগে কোনো আগ্রাসীই অর্জন করতে পারে নি।
জারিফের ভাষায় বি টিমে রয়েছে চার সদস্য। আর এই চার সদস্য হচ্ছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সৌদি যুবরাজ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ বিন জায়েদ।
মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান হাজার হাজার বছর ধরে টিকে আছে, কিন্তু আগ্রাসীরা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। এ সময় তিনি আমেরিকার অর্থনেতিক সন্ত্রাসবাদের কঠোর সমালোচনা করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার এক টুইটে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়েছেন। ইরানিরা ট্রাম্পের এ ধরণের বক্তব্যকে তার নিয়মিত বাগাড়ম্বরের অংশ বলে মনে করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
May
(416)
-
▼
May 21
(21)
- ২৪ বার এভারেস্টে উঠে বিশ্ব রেকর্ড
- ইন্দোনেশিয়ায় পুনরায় প্রেসিডেন্ট হলেন উইদোদো
- গুজবে কান দেবেন না -বুথফেরত জরিপ নিয়ে প্রিয়াংকা
- অর্থনীতি চনমনে, রাজনীতি টগবগে by সৌম্য বন্দ্যোপা...
- মোদিকে থামাও -অখিলেশকে কেজরিওয়ালের ফোন
- সংসদ যেন একদলীয় করে তোলা না হয় by কাফি কামাল
- ভারতে বিরোধীদের মধ্যে অস্থিরতা!
- শিশুটিকে দত্তক পেতে চতুর্মুখী লড়াই by মরিয়ম চম্পা
- ঢাকায় বালিশ প্রতিবাদ
- পূর্ণ ম্যান্ডেটে জিতলে ৪৮ বছরের রেকর্ড ভাঙবেন মোদি
- বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে
- তালেবানের ‘ভ্রমণ খরচা’ দিতে চায় পেন্টাগন
- রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে দুর্নীতি: হাইকোর্টে রিটস...
- সিলেটের বশিরকে খুঁজছে নিখোঁজ জিল্লুরের পরিবার by ও...
- ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি: ‘গেম’ সাগরে ভাসিয়ে বিদায় জা...
- ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযোগ: উত্তেজনা জিইয়ে রাখতে ...
- মোদির কাছে নির্বাচন কমিশন আত্মসমর্পণ করেছে : রাহুল
- মোদির রাজনৈতিক ধ্যান! সৃষ্টিকর্তার কাছে কী চাইলেন ...
- রিকশাচালকের বিরুদ্ধে ২৭ লাখ টাকার চেক মামলা
- শাফিন বাঁচবে কি করে? by জিয়া চৌধুরী
- আলেকজান্ডার, চেঙ্গিস খান পারেনি ট্রাম্পও পারবে না:...
-
▼
May 21
(21)
-
▼
May
(416)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


