Wednesday, October 23, 2019
ব্রিটেনে এক লরিতে ৩৯ জনের লাশ; জানা নেই নাম-পরিচয়
![]() |
| এই লরির ভেতরের ছিল ৩৯ মৃতদেহ |
তারপরই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস থেকে পুলিশ ডাকা হয়। নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে লরির ২৫ বছর বয়সী চালককে আটক করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা। এসেক্স পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছে যে তাদের মধ্যে ৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন কিশোর।
ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, লরিটি বুলগেরিয়া থেকে আয়ারল্যান্ড হয়ে এসেছে এবং শনিবার হলিহেড দিয়ে ব্রিটেনে প্রবেশ করেছে। নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে পুলিশ এখন মৃতদেহগুলোকে সনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পার্লামেন্টে বলেছে, "এটি অকল্পনীয় এক মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা।" তিনি জানান, ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে সেটি খুঁজে বের করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
ব্রিটেনের ট্রাক পরিবহন সংক্রান্ত একটি সমিতির প্রধান বলেছেন, এ ঘটনায় বোঝা যায় বিভিন্ন অপরাধী চক্র অভিবাসীদের পাচারের জন্য কনটেইনার লরিকে কাজে লাগাচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া যে তা কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তা এই ঘটনার মধ্যদিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়েছে।
বুলগেরিয়া থেকে লরিটি যাত্রা শুরু করেছিল বলে ব্রিটেন দাবি করলেও বুলগেরিয়ার সরকার এ বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েল: দেশটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
![]() |
| ঈশ্বরের কাছে চিঠি
ইসরায়েলের
মানুষ সত্যি সত্যিই ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে প্রচুর চিঠি লিখে৷ প্রতি বছর
জেরুসালেমের ডাক বিভাগ এমন অন্তত হাজার খানেক চিঠি পায় যেখানে প্রাপকের
জায়গায় লেখা থাকে ‘ঈশ্বর’!
|
![]() |
| জেরুসালেম যা যা সয়েছে
ইতিহাস
বলছে, প্যালেস্টাইনের রাজধানী জেরুসালেমে এ পর্যন্ত ২৩ বার ভয়াবহ আগুন
লেগেছে আর বহিঃশক্তির আক্রমণের শিকার হয়েছে ৫২ বার৷ জেরুসলেম দখল এবং
পুনরুদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে ৪৪ বার৷
|
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করব? by গোলাম মোর্তোজা

গত প্রায় ২৫ বছর এভাবেই কাজ করছি, কথা বলছি, লিখছি। ক্ষমতায় যেই থাকুক, আমার কলমের ভাষা একই রকম থেকেছে। তা গোপনীয় কিছু নয়, সবই দৃশ্যমান। প্রিন্ট মিডিয়াতে হাতে খড়ি। পরবর্তীতে নানা আঙ্গিকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জড়ালেও এখন পর্যন্ত সনাতন গণমাধ্যমই আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজের জায়গা।
যে কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলনামূলক অনেক দেরিতে নাম লেখানো। যে মাধ্যমে রাতারাতি মানুষ তারকা বনে যায়, সে মাধ্যমে ভরসা করতে একটু সময় নিয়েছি। কিন্তু এক পর্যায়ে শুধু যোগাযোগের সহজতম মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক ব্যবহার করতে শুরু করি ২০১৩’র মাঝামাঝি সময় থেকে। অল্পদিনেই ফলোয়ারের সংখ্যা যখন লাখ খানেক ছাড়িয়ে গেল, বুঝলাম সনাতন মিডিয়ায় কাজের কারণে এতোদিনে যে পাঠক শ্রেণী তৈরি হয়েছে, তাদের মতামত জানার দ্বিপাক্ষিক প্লাটফরমটা দুই পক্ষের জন্যই উপযোগী। আস্তে আস্তে একটা অভ্যস্ততায় পরিণত হলো ফেসবুক।
অথচ আমার এই ফেসবুক ব্যবহার কখনোই খুব স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক ছিলো না। ব্যবহার শুরুর পর থেকেই নানাবিধ সমস্যায় পড়ছিলাম। রিপোর্ট করে আইডি ডিজেবল করে দেয়ার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে চলছিল। গত প্রায় ৫ মাস যাবৎ আমার ফেসবুক ব্যবহার একেবারেই বন্ধ।
এর আগে ২০১৮ সালে আইডি টানা প্রায় দুই মাস বন্ধ ছিল। প্রথমে আইডি হ্যাকড করা হয়েছে, তারপর ফেসবুক ডিজেবল করে দিয়েছে। পরিচিতজন, শুভানুধ্যায়ীরা এগিয়ে এসেছেন। তাদের সহায়তায় ফেসবুকের হেড কোয়ার্টারের এক বড় কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ হলো। আনঅফিসিয়ালি জানলাম যা লিখি তা যাদের পছন্দ নয়, তাদের চাওয়ায় আইডি ব্লক করে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ফেসবুক নির্দিষ্ট করে কোনো কারণ দেখাতে পারেনি, যার প্রেক্ষিতে তারা আইডি ব্লক করে দিয়েছিল। আইডি আবার খুলে দিল। ছোটখাটো ঝামেলার মধ্য দিয়ে চলছিল। গত মে মাসের ২০ তারিখে আইডি আবার ডিজেবল করে দিল ফেসবুক। এবারও ডিজেবল করার ক্ষেত্রে কোনো কারণ দেখায়নি। শুধু ইমেল দিয়ে জানিয়েছে, আইডি যে আমারই- ফেক নয়, তা প্রমাণ করতে হবে।
পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, সাংবাদিকতার অফিসিয়াল পরিচয়পত্রসহ ফেসবুককে চার থেকে পাঁচ বার ইমেল করে প্রমাণ দিলাম। ফেসবুক একবারও জবাব দিল না। এরপর ইউরোপের একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আমার হয়ে ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ফেসবুক তাদের জানায়, এই আইডিটি আর খুলে দেয়া সম্ভব নয়। সম্ভবত: ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আমার আইডি ডিলিট করে দিয়েছে। ফেসবুক আমাকে কোনো কারণ জানায়নি। ফেসবুককে বারবার চ্যালেঞ্জ করে লিখেছি, নিয়মবহির্ভূত একটি শব্দও কখনো পোস্ট করিনি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ব্যক্তির আইডি ও পেজ ডিলিট করে দিয়েছিল, গুজব ও অসত্য প্রপাগান্ডা চালানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে। যাদের আইডি ও পেজ ডিলিট করে দিয়েছিল, তারা ফেসবুককে চ্যালেঞ্জ করা তো দূরে থাকুক প্রকাশ্যে বলতেও পারেনি যে, তাদের আইডি ডিলিট করে দিয়েছে। কারণ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ শতভাগ সত্য ছিল, তথ্য-প্রমাণ ছিল। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সত্য বা অর্ধসত্য বা অসত্য কোনো তথ্য-প্রমাণ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। কারণ আমি অসত্য বা প্রপাগান্ডামূলক কর্মকাণ্ড কখনো ফেসবুকে পোস্ট করিনি।
বর্তমান পৃথিবীতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফেসবুক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। ফেসবুক আইডি না থাকায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছিলাম। এমন অবস্থায় কয়েকদিন আগে একজন শুভাকাক্ষীর বুদ্ধি ও পরামর্শে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেছি। নতুন একটি আইডিও খুলতে হয়েছিল পেজে প্রবেশের জন্যে। নতুন আইডিতে কোনো লেখা পোস্ট করিনি। আইডিটি সবার দেখার জন্যে উন্মুক্ত ছিল না। শুধু পেজে চার পাঁচটি লেখা পোস্ট করেছি। হঠাৎ করে দেখলাম ফেসবুক আমার নতুন আইডিও ডিজেবল করে দিয়েছে। কোনো কিছুই লিখলাম না! তবুও আইডি ডিজেবল? ক্লান্ত লাগছে। ফেসবুককে আর কিছু লিখিনি।
এখন প্রশ্ন হলো, আমি কেন ফেসবুক ব্যবহার করতে পারব না? কেন আমি মতপ্রকাশ করতে পারব না? এর জন্যে কাকে দায়ী করব?
‘সরকার কারও ফেসবুক আইডি বন্ধ করতে পারে না’- জোর প্রচারণা বা প্রপাগান্ডা চলছে। আবার সরকারের মন্ত্রীরা বারবার বলেছেন, ‘ফেসবুক এখন আমাদের কথা শুনতে শুরু করেছে।’
গত ২৯শে জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছিলেন, ‘চলতি বছরের শেষ দিকে এসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হবে বাংলাদেশ৷’ (ডয়চে ভেলে, ১৮ই অক্টোবর ২০১৯)।
সেই নিয়ন্ত্রণ কি ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে?
সরকার আইডি বন্ধ করিয়েছে, এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে নেই। সুতরাং সরকারকে দায়ী করতে পারছি না। ‘ফেসবুক সরকারের কথা শুনছে’- কী কথা শুনছে? কারও আইডি বন্ধ বা ডিলিট করে দিতে বললে, ফেসবুক কি সে ‘কথা শুনছে’? জানিনা, মন্ত্রীর ওই বক্তব্য ছাড়া কোনো প্রমাণ হাতে নেই।
আমার লেখা অন্য যে কারও কাছে গুরুত্বহীন হতে পারে। কিন্তু আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সালের মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত ফেসবুকে যা লিখেছি, সবকিছু ডিলিট করে দিয়েছে ফেসবুক। কোনো কারণ জানায়নি। লেখা ও বহু ছবি সংগ্রহে নেই। ছিল শুধু ফেসবুকে।
এখন করণীয় কী? আমি কি আইনের আশ্রয় নিতে পারি? ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি? পারলে কোথায় করতে পারি, দেশে না বিদেশে? দেশে বা বিদেশে আইন ব্যবসার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত আছেন, তাদের কেউ কি বুদ্ধি বা পরামর্শ দিতে পারেন? করতে পারেন সক্রিয় কোনো সহায়তা?
কয়েকদিন আগে নিউইয়র্কে কথা হচ্ছিল একজন সংবাদকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্টের সঙ্গে। তার আইডি বারবার ব্লক করে দেয়ায় তিনি ফেসবুকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তারপর অতি অল্প সময়ের মধ্যে ফেসবুক তার আইডি খুলে দেয়। যার কথা বলছি, তিনি একজন বাংলাদেশি আমেরিকান। তার ক্ষেত্রে ফেসবুক যা করেছে, আমার ক্ষেত্রেও কি তা করবে? আমার নামের আগে তো ‘আমেরিকান’ শব্দটি নেই। আমি তো বাংলাদেশের অতি সাধারণ একজন সংবাদকর্মী। আমার গায়ের রঙ কালো, আমি বাংলাদেশের নাগরিক, এ কারণেই কি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এসব নির্দয়-অগ্রহণযোগ্য ও বৈষম্যমূলক আচরণ করতে পারছে?
মুক্তচিন্তা-বাক স্বাধীনতা-মতপ্রকাশ, কত কথাই না বলে ফেসবুক! অথচ আমার মতপ্রকাশে বাধা তৈরি করছে। যারা মুক্তচিন্তা ও বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়, ফেসবুক তাদের সহায়তা করছে?
একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কি কোনো অধিকার আছে এ ধরণের বৈষম্যমূলক আচরণ করার?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীমান্ত থেকে কুর্দি গেরিলাদের সরিয়ে নিতে সম্মত হলেন পুতিন-এরদোগান
![]() |
| রাশিয়ার সোচি শহরে দুই নেতার সাক্ষাৎ |
সমঝোতায় পুতিন ও এরদোগান সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। সেইসঙ্গে তারা বলেছেন, সিরিয়ায় যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলবে। সমঝোতা অনুযায়ী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় মানবিজ ও তাল-রাফয়াত শহর থেকে কুর্দি গেরিলারা সরে যাবে।
এতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার ২৩ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে রাশিয়ার মিলিটারি পুলিশ ও সিরিয়ার সীমান্তরক্ষী বাহিনী উত্তর সিরিয়ার সেসব এলাকায় প্রবেশ করবে যেসব এলাকায় তুর্কি সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে না। কুর্দি গেরিলারা যাতে সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে সরে যেতে পারে সে বিষয়টি তদারকি করা হবে এ পদক্ষেপের লক্ষ্য। এই প্রক্রিয়া ১৫০ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া, আস্তানা আলোচনার ভিত্তিতে রাজনৈতিক উপায়ে সিরিয়া সংকট সমাধানের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতেও দুই নেতা সম্মত হয়েছেন।
ইরানের উদ্যোগে এবং রাশিয়া ও তুরস্কের সহযোগিতায় ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় সিরিয়া বিষয়ক শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছিল যা দেশটির সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
তুরস্কের সেনাবাহিনী গত ৯ অক্টোবর থেকে ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ’ ও ‘তুর্কি-সিরিয়া সীমান্ত থেকে কুর্দি গেরিলাদের মূলোৎপাটনের’ অজুহাতে সিরিয়া সীমান্তে হামলা চালায়। অবশ্য ১৭ অক্টোবর থেকে পাঁচদিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় তুরস্কের এরদোগান সরকার। যুদ্ধবিরতির ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তুর্কি ও রুশ প্রেসিডেন্টের মধ্যে এ সমঝোতা হলো।
উত্তর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত নিয়ে তুরস্ক সিরিয়ায় হামলা চালায়। তুর্কি বাহিনী গত তিন বছরে বহুবার সিরিয়ার সীমান্তে আগ্রাসন চালিয়েছে।
![]() |
| সিরিয়ায় তুর্কি আগ্রাসনে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন প্রায় এক লাখা ৮০ হাজার মানুষ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামার কারণে সিরিয়া হাতছাড়া ও দশ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে: ট্রাম্প

ইউক্রেন-গেট কেলেঙ্কারি ও সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার নীতির প্রেক্ষাপটে যখন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডোমোক্রেট দলের চাপ ও অনাস্থা প্রস্তাবের উদ্যোগ জোরদার হয়ে উঠছে তখন এই বক্তব্য দিলেন ট্রাম্প। তিনি এক টুইট বার্তায় সিরিয়ার অবস্থা পর্যালোচনা ও যাচাইয়ের জন্য জর্দান সফররত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সী পেলোসির এই সফরের বিরুদ্ধেও কথা বলেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘অসৎ অ্যাডাম শিফসহ নয় সদস্যের এক প্রতিনিধিদল নিয়ে এখন জর্দান সফর করছেন পেলোসি। তার উচিত এটা বের করা যে কেনো ওবামা (সিরিয়ার) বালু বা মরুভূমিতে লাল-সীমানা এঁকে দিয়েছিলেন? এবং এরপর কেনো কিছুই করেননি? ফলে হারাতে হয়েছে সিরিয়াকে ও মার্কিন সরকার হারিয়েছে সম্মান। আমি তাও কিছু করেছি, ৫৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছি। ওবামার ভুলের কারণে এক মিলিয়ন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।’
ট্রাম্পের নির্দেশে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে সিরিয়ার একটি বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ৫৮ বা ৫৯টি টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল মার্কিন বাহিনী। সিরিয়ার সরকারি সেনারা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে এমন অভিযোগের অজুহাতে ওই হামলা চালানো হয়েছিল।
সিরিয়ার কুর্দিদের সহায়তা দেয়া বন্ধ করে দেয়ার কারণে সম্প্রতি ট্রাম্প ডেমোক্রেটদের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিন্দার শিকার হয়েছেন। কুর্দিরা ও তাদের সমর্থকরা ট্রাম্পের এই আচরণকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করছে।
সম্প্রতি তুরস্ক উত্তর সিরিয়া থেকে বেশিরভাগ মার্কিন সেনা সরে যাওয়ার সুযোগে কুর্দি গেরিলাদের দমনের নামে সিরিয়ার এই অঞ্চলে সেনা পাঠিয়ে কথিত নিরাপদ-অঞ্চল সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়ায় দায়েশ সন্ত্রাসীরা আবারও মাথা চাড়া দেয়ার সুযোগ পাবে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার ও সরিয়ে আনার ট্রাম্পের এই উদ্যোগের ফলে রাশিয়া, ইরান, সিরিয়ার আসাদ সরকার ও সন্ত্রাসী দায়েশ গোষ্ঠীর জন্য সুবিধা হতে পারে বলে মার্কিন ডেমোক্রেটরা আশঙ্কা করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রিকেটারদের ধর্মঘট ষড়যন্ত্রের অংশ :-পাপন by ইশতিয়াক পারভেজ

আমি ওদের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানও করি। তাহলে আমাদের সঙ্গে না আলোচনা করে, কোনো দাবি আমাদের না জানিয়ে কীভাবে ওরা ক্রিকেট খেলবে না বললো? আমাদের সুযোগ দিতো, দেখতো দাবি মানি কি না? আমাদের সুযোগ না দিয়ে এভাবে ধর্মঘট ডাকা, তাও ঠিক ভারত সফরের আগে, আমার মনে হয় অন্য কোনো ষড়যন্ত্র আছে। আমি তা খুঁজে বের করবোই। কারা জড়িত তা আপনারাও জানতে পারবেন দ্রুত।’
ক্রিকেটারদের দেয়া ১১ দাবির অনেকগুলো আগেই পূরণ করা হয়েছে বলেও জানান পাপন। বাকি যে দাবি আছে সেগুলো আলোচনার মাধ্যমেও পূরণ হতে পারতো বলে দাবি করেন তিনি। পাপন সরাসরি বলেন, ‘ওরা চেয়েছে কিন্তু পায়নি এমন কোনো কিছু কি আছে? ক্রিকেটের কথা বাদ দিন। ব্যক্তিগতভাবে ওদের যেকোনো দরকারে আমি এগিয়ে গেছি। এই কিছু দিন আগেও ইমরুলের বাচ্চাকে নিয়ে সিঙ্গাপুর হাসপাতালে যাবে। ভিসা নেই। তা আমি করিয়ে দিয়েছি। মুশফিকের বাবা থেকে শুরু করে মিরাজের খালা সবার প্রয়োজনে আমি পাশে থেকেছি। ওরা কি আমার কাছে দাবি নিয়ে আসতে পারতো না! আমি মনে করি না, যে দাবি ওরা করে তা না মানার কিছু আছে। তাই আমি বলছি, নিশ্চয়ই কোন ষড়যন্ত্র আছে। আমাদের ক্রিকেটাররা সবাই তা করছে তা নয়, হয়তো দু-একজন আছে। আর বাইরে থেকে কারা করছে তাও আমি জানি। ওদের আমি চিনি।’
ধর্মঘটের বিষয়টিকে কেন ষড়যন্ত্র মনে হচ্ছে, তার আরো কিছু কারণও তুলে ধরেন নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই খেলা বন্ধ। এমন এক সময়ে বন্ধ করলো- যখন ফিটনেস এবং ক্যাম্প শুরু করার কথা রয়েছে। নতুন কোচ এসেছে, সামনে ভেট্টরিও (স্পিন বোলিং কোচ) আসবে। আমার মনে হয়, ওদের বিদেশি কোচ পছন্দ নয়। তারা তো এমনও বলেছে, কোচই চাই না। এখন চায় দেশি কোচ। কিন্তু তাদের মতো করে তো আমরা কোচ নিয়োগ দিতে পারি না।’
ধর্মঘটকে পরিকল্পিত বলেও দাবি করেন বিসিবি সভাপতি। তার মতে বিসিবির পরিচালকদের টার্গেট করেই এমনটি করছে কোনো মহল। বিশেষ করে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে লোকমান হোসেন ভূঁইয়া গ্রেফতারের পর থেকেই এমনটি হচ্ছে বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, ‘আমাদের এক ডাইরেক্টর অ্যারেস্ট (লোকমান হোসেন) হওয়ার পর থেকেই সবার টার্গেটে পরিণত হয়েছি আমি নিজে এবং আমার বোর্ড। তারা প্রথমে চেষ্টা করেছে নানাভাবে আমাদের ক্ষতি করার। আমাদের আক্রমণ করে যদি বাইরে পাঠানো যায়, বোর্ডকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। ওটাতে তারা সফল হয়নি। এখন সেকেন্ড স্টেপ চলছে। যদি কোনোভাবে ভারত সফরটা মিস করা যায়, তাহলে বড় ধরনের একটা সমস্যায় পড়তে পারি।’
ভারত সিরিজের আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এমন অবস্থানের পেছনে কারো ‘ইন্ধন’ আছে বলেও মনে করেন নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর থেকে ভারতে গিয়ে এখনও কোনো পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। এখন যখন প্রথম সিরিজ খেলতে যাবে ক্রিকেটাররা, তার আগ মুহূর্তে এ আন্দোলন কেন? ভারতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজে এই প্রথম যাচ্ছে। এত কষ্ট করে একটি ফুল সিরিজ ভারত থেকে আসলো। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে এবং প্রথম খেলাটাই ভারতের সঙ্গে। অথচ তার আগেই তারা বলে দিলো, আমরা খেলবো না। কী কারণ এর পেছনে?’
বিসিবি সভাপতি মনে করেন, এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হলেও বেশির ভাগ ক্রিকেটারই তা জানেন না। পাপনের ধারণা ক্রিকেটাররা সবাই জেনে-বুঝে এ আন্দোলনে যোগ দেয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না বেশির ভাগ ক্রিকেটার জেনে বুঝে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। এর পেছনের উদ্দেশ্য কি তা হয়তো জানেন দু-একজন। তবে আমি মনে করি, যারা আছে তাদের বেশিরভাগই ক্রিকেটকে ভালোবাসে এবং দেশকে ভালোবাসে। আমার বিশ্বাস, অধিকাংশ খেলোয়াড়ই জেনে-বুঝে যোগ দেয়নি। আমার আশা তারা ভারত সফরে খেলবে।’ সেই সঙ্গে কড়া কন্ঠে ‘শেষ দেখা’র কথাও জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘দেখি কে কে ২৫ তারিখ থেকে অনুশীলন ক্যাম্প বর্জন করে? আর কে কে ভারত সফরে না গিয়ে পারে? আমি শুধু দেখতে চাই তারা কারা? এই ধর্মঘট করে লাভটা কার হচ্ছে? বাংলাদেশ ক্রিকেটের নাকি তাদের?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যানবাহনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে :- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অথচ, আমাদের দেশে দেখা যায় অধিক মুনাফার আশায় আসন বৃদ্ধির জন্য বা অতিরিক্ত মালামাল পরিবহনের জন্য ক্ষেত্র বিশেষে এক্সট্রা ক্লাম দিয়ে দু’পাশে বেআইনিভাবে গাড়ির আকার বাড়িয়ে নিচ্ছে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। অতীতে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে তৈরি করা এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গৃহীত হলেও পরবর্তীতে তা থেমে যাওয়ায় আবার তা শুরু হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নির্বাহী সভাপতি শাজাহান খান এমপি, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান একাব্বর হোসেন এমপি, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন। সড়কে যানবাহন এবং পথচারিদের চলাচলের ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দুর্ঘটনার হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ২২শে অক্টোবর থেকে এই দিনটি সারাদেশে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। শোভাযাত্রা, পোস্টার ও হ্যান্ডবিল বিতরণ, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভিডিও চিত্র প্রদর্শন এবং আলোচনা সভাসহ নানামুখি কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে-‘জীবনের আগে জীবিকা নয়, সড়ক দুর্ঘটনা আর নয়।’ ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে তার সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সড়ক নিরাপদ করতে গেলে সব থেকে বেশি যেটার প্রয়োজন সেটা হচ্ছে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষের একটা প্রবনতা হচ্ছে দুর্ঘটনা ঘটলে চালককে সবথেকে বেশি গালমন্দ করা। তিনি চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাবে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে তাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েই বলেন, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কিন্তু কেবল চালক নয় পথচারীরাও অনেকাংশে দায়ী। কারণ, ফুটওভার ব্রীজ, আন্ডারপাস, ওভার পাস থাকার পরেও দেখা যায় যে পথচারীরা রাস্তার মাঝখান দিয়ে পারাপার হচ্ছে, ফুটপাত ব্যবহার করছে না। একটি চলন্ত গাড়িকে কেবল হাত দেখিয়ে দৌড় দিয়ে বা মোবাইলে কথা বলতে বলতেই তারা রাস্তা পার হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, গড়িটাতো একটা যন্ত্র। কাজেই ব্রেক করলেওতো থামতে এর কিছুটা সময় লাগে। কাজেই এই বোধটা বা জ্ঞানতো তাদের থাকতে হবে। সেইসাথে সড়ক চলাচলের যে আইন রয়েছে তাওতো মেনে চলতে হয়। এসব বিষয়ে সচেতনাও সৃষ্টি করা হয় না। প্রধানমন্ত্রী দেশের স্কুল পর্যায়ে ট্রাফিক আইন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, এজন্য স্কুল-কলেজ এবং যেসব প্রতিষ্ঠানে অধিক জনবল কাজ করে তাদের মাঝে ট্রাফিক আইন বা ট্রাফিক রুল বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা দেয়াটা একান্তভাবে প্রয়োজন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কীভাবে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন সম্রাট? by আল-আমিন

রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট নিজেই এমন তথ্য দিয়েছেন। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক সূত্র সম্রাটের বিদেশ যাওয়ার তথ্য সরবরাহ করেছে। মানবজমিন এর হাতে আসা এ তথ্য অনুযায়ী সম্রাট প্রতি মাসের শেষের দিকে সিঙ্গাপুর যেতেন।
তদন্ত সূত্র জানায়, ভিআইপি লাউঞ্জের কর্মকর্তারারা তাকে লাউঞ্জে আসতে নিষেধ করলে তাদেরই তিনি ধমকাতেন। দেখে নেয়ার হুমকি দিতেন। চাকুরীচ্যুত করার কথা বলতেন। উপরের মহলের সঙ্গে মোবাইল ফোন দিয়ে লাউড স্পিকারে ওই কর্মকর্তার নাম জানাতেন। তার ওই কর্মকাণ্ডে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ত্যক্ত-বিরক্ত হলেও তাদের করার কিছু ছিল না। ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সময় তার দেহ ও ল্যাগেজ তল্লাশী করার কেউ সাহস পেতো না। সম্রাট সর্বশেষ সিঙ্গাপুরে গেছেন চলতি বছরের ২৬শে আগষ্ট। সেপ্টেম্বর মাসে অভিযান শুরু হলে তিনি গ্রেপ্তার আতঙ্কে সিঙ্গাপুরে যেতে পারেননি। চলতি বছর এ পর্যন্ত ৮ বার সিঙ্গাপুরে গেছেন। আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সবসময় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ব্যবহার করতেন।
তাকে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের দুইজন নেতা মদত দিতেন বলে জানা গেছে। তাদের নামও জানতে পেরেছে র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল। বিষয়টি তারা তদন্ত করছেন। গত ১৫ই অক্টোবর অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। ওই মামলার তদন্তভার পড়েছে র্যাবের হাতে। গতকাল তার রিমান্ডের সপ্তমদিন অতিবাহিত হয়েছে।
সম্রাটের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের বিষয়টি জানতে চাইলে বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও মিডিয়া) মো. আলমগীর হোসেন গতকাল মানবজমিনকে জানান, ‘রাষ্ট্রের ভিআইপিরাই মূলত বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন। অন্য কেউ ব্যবহার করার এখতিয়ার নেই। তিনি আরও জানান, শাহাজালাল বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ মূলত ৪ টি। সেগুলো হলো, রজনীগন্ধা, বকুল, দোলনচাপা ও চ্যামেলী। রজনীগন্ধা রাষ্ট্রের সর্ব্বোচ্চ ভিআইপিরা ব্যবহার করে থাকেন। বকুল ব্যবহার করেন এডিশানাল সেক্রেটারি পদদারি ও সমমর্যাদার ব্যক্তিরা। দোলনচাপা ব্যবহার করেন সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা। চ্যামেলী ব্যবহার করেন একুশে পদক পাওয়া ব্যক্তি, সংবাদপত্রের এডিটর ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজে বিদেশ ভ্রমণরত বেসরকারি কর্মকর্তাগণ। এর বাইরে কারও ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের অনুমতি নেই। কেউ যদি করে থাকে তাহলে সেটি অবৈধ।
গতকাল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সম্রাট সর্বশেষ আগষ্ট মাসের ২৬ তারিখে সকাল সাড়ে ১১ টায় শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরে গেছেন। ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে গত ২৫শে জুলাই রাত সাড়ে ১০টায় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে তিনি সিঙ্গাপুরে গেছেন। এছাড়াও তিনি সিঙ্গাপুরে গেছেন ২৯শে জুন রাত সাড়ে ১১ টার রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে।
সূত্র জানায়, গত ২৯শে মে ভোর সাড়ে ৪ টার ইউএসবাংলার একটি ফ্লাইটে তিনি সিঙ্গাপুরে যান। ২৪শে এপ্রিল রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিঙ্গাপুরে যান। ২৮শে মার্চ সকাল সাড়ে ১১ টায় রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে, ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিঙ্গাপুরে যান। এছাড়াও ২৯শে জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১ টায় সিঙ্গাপুরে এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে সিঙ্গাপুর যান সম্রাট। প্রতিবারই তিনি ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন। র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে জানান, সম্রাট তার দলবল নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরের চ্যামেলী ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন। তিনি যখন সিঙ্গাপুরে ক্যাসিনো খেলতে যেতেন তখন তাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেয়ার জন্য তার সঙ্গে আরও দুইটি গাড়ি যেতো। সেই গাড়িতে অন্তত ১০জন যেতেন। সম্রাটের দাপটে তারা বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের পাত্তা দিতেন না। গত জুন মাসে সম্রাট সিঙ্গাপুরে যাওয়ার সময় এক নিরাপত্তা কর্মীকে লাঞ্ছিত করেন। ওই নিরাপত্তা কর্মী তার পরিচয় জানতে চাওয়ার কারণে ওই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে ঊর্ধতন কর্মকর্তারা এসে বিষয়টি সমাধান করেন। সূত্র জানায়, ভিআইপি হলে বিমানবন্দরে লাগেজ তল্লাশীর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়। অনেক জনের দেহ তল্লাশী করা হয় না। সম্রাট তার লাগেজে করে ডলারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রহস্যের শহর মিসর by মাহবুব পারভেজ
![]() |
| মিসরে উটের ওপর লেখক |
নীলনদের ৩০০ মিটারের মধ্যে কেউ প্রাকৃতিক কাজ সম্পন্ন করলে তিন মাসের কারাদণ্ডের নিয়ম রেখেছে মিসর সরকার। ‘রাজকন্যা’তুল্য বলেই সমগ্র আফ্রিকা এই নদীর রক্ষণাবেক্ষণ করে।
জাতিসংঘের সদস্য দেশ মিসর ২৯টি অঙ্গরাজ্যে বিভক্ত। ভূমধ্যসাগর ও নীলনদকে ঘিরে ৯ কোটি জনগণের প্রধান বসতিপূর্ণ শহরগুলো হলো কায়রো, আলেকজান্দ্রিয়া, আসওয়ান ও পোর্টসাইড। ১ লাখ ২ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটারের মিসরে মাত্র ৭ শতাংশে মানুষের বসবাস, বাকিটা মরুভূমি। বিপুল মরুভূমিকে আবাদযোগ্য করার জন্য দেশটির মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা ও পরিশ্রম চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রতিবছর মাত্র ৩০০ একর জমি আবাদযোগ্য করা সম্ভব হয়। বালি সরিয়ে ও নদ থেকে পলি এনে নিরলসভাবে ফসল ফলান তারা।
কায়রো থেকে আলেকজান্দ্রিয়া যাওয়ার পথে সবুজ দেখে চোখ জুড়িয়ে দেয়। দু’পাশেই সবুজ। কমলা, কলা, খেজুর, মরিচসহ লাল-সবুজ-হলুদ রঙের ক্যাপসিকাম দেখা যায়। সবজি উৎপাদনে মিসর প্রায় স্বনির্ভর, অন্তত যেসব সবজি খেয়েছি সবই তাদের নিজেদের।
প্রাচীন মিসরের ইতিহাস আজও রহস্যে আবৃত। এখনও কোনও দেশ নতুন একটি নিখুঁত পিরামিড তৈরি করতে পারেনি। কেউ এগুলোকে প্রাচীন রাজাদের সমাধিস্থল মনে করেন। অনেকের মতে, এসব হলো বিদ্যুৎ তৈরির কারখানা। ছোটবড় মিলিয়ে মোট ১১২টি পিরামিডের কথা শোনা যায়। এগুলোকে ঘিরে রয়েছে রহস্যের বেড়াজাল।
![]() |
| পিরামিডের সামনে উটের ওপর লেখক |
দ্বিতীয় বৃহত্তম পিরামিড তৈরি করেন কিউপিসের ছেলে সাফ্রেন (কাফ্রি)। যদিও এর উচ্চতা ১৪০ মিটার, কিন্তু এটি কিউপিসের পিরামিডের চেয়ে উঁচু! এর কারণ উঁচু জায়গায় তৈরি হয়েছে এই পিরামিড। তৃতীয় পিরামিডটি রাজা ফারাওয়ের তৈরি। প্রাচীন মিসরের ঐতিহ্যের আরেকটি আকর্ষণ হলো স্ফিংস, যা প্রায় ২০ মিটার লম্বা। ধারণা করা হয়, স্ফিংস ছিল প্রাচীন মিসরবাসীর রক্ষক।
মধ্যযুগীয় মিসরে ক্ষমতা ছিল রোমানদের। তখন ভার্জিন মেরী অপরাধী ঘোষিত হওয়ার নীলনদের অববাহিকা ধরে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন কায়রোতে। তার নামে একটি গির্জা এখনও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এমনকি যে কুয়া থেকে তিনি পানি পান করতেন তাও আছে অবিকল!
![]() |
| প্রাচীন মিসরের নিদর্শন |
প্রাচীন মধ্যযুগীয় ও আধুনিক মিসর ঐতিহ্যের সব নিদর্শন ধরে রেখেছে। সেজন্যই প্রতিবছর ১ কোটি ২০ লাখ পর্যটক দেশটিতে বেড়াতে যায়। এর মাধ্যমে রাজস্ব আসে প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার। ফলে মিসরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটনের ভূমিকা ব্যাপক।
মিসরের খাবার সুস্বাদু। এর মধ্যে অপরিহার্য হলো রুটি। গোলরুটি, চ্যাপ্টা রুটি, লম্বা রুটি, শক্ত রুটি, নরম রুটি, রুটির বল, আরও কত কী! এর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের রাইতা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মিসরে সব খাবারই গ্রিল (চিকেন গ্রিল, ফিশ গ্রিল ইত্যাদি) হয়। নয়তো ফ্রাই। গ্রেভি খাবার খুবই বিরল।
![]() |
| মিসরে বিভিন্ন দেশের পর্যটক সমাগম চোখে পড়ার মতো |
মিসর ভ্রমণ করতে চাইলে দেখেশুনে খাওয়া ও কেনাকাটা করা ভালো। কেননা যেকোনও খাবারের সঙ্গে পানি বা অন্যান্য পানীয়ের আলাদা দাম ধরা হয়। এমনকি হোটেলেও পানি কিনতে হয় অনেক দামে। আলাদাভাবে রুমে কোনও পানির ব্যবস্থা নেই। তা যে মাপেরই হোটেল হোক।
>>>লেখক: ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক
![]() |
| মিসরের খাবার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উনি এখন আশুলিয়ার রাজা by কাজী সোহাগ

তার আশীর্বাদ ছাড়া আশুলিয়ায় শিল্প-ব্যবসা চালানো দুরূহ।
তার কোপানলে পড়ে এখন অনেক ব্যবসায়ী এলাকা ছাড়া। আশুলিয়ায় বাড়ি থাকলেও তাদের কেউ কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকেন ঢাকায়। নিরাপত্তার স্বার্থে সবকিছু গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা। ব্যবসা হারিয়ে আবার অনেকে হয়েছেন ঋণগ্রস্ত। এর বাইরেও রয়েছে মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে চাঁদা আদায় থেকে শুরু করে জমি দখল, ডিশ ব্যবসা দখল, সরকারি খালের জমি দখল করে বিক্রি করে দেয়ার এন্তার অভিযোগ। চেয়ারম্যান হলেও একা কখনও চলাফেরা করেন না তিনি। বাড়ির বাইরে বের হলেই সঙ্গে থাকে ক্যাডার বাহিনী। সামনে পেছনে মোটরসাইকেল বহর। সরজমিন আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। নামে ইউনিয়ন পরিষদ হলেও আশুলিয়ায় রয়েছে শহুরে পরিবেশ। ৩ লাখ ৮ হাজার জনসংখ্যার এ ইউনিয়নে রয়েছে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড), পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ক্যাডেট কোর প্রশিক্ষণ একাডেমি, বাংলাদেশ বিমান পোল্ট্রি ফার্ম, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এ ছাড়া রয়েছে ২৬টি গ্রাম।
ক্যাডার পদে সিনিয়র-জুনিয়র: সরজমিন অনুসন্ধানে জানা যায় ৩০ জন সশস্ত্র ক্যাডার রয়েছে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের। স্থানীয় কোনো যুবক এ দলে নেই। ক্যাডাররা সবাই বিভিন্ন জেলা থেকে আসা। প্রত্যেকেই বেতনভুক্ত। রয়েছে সিনিয়র-জুনিয়র পোস্ট। ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন তাদের। পাশাপাশি কাজ হাসিলের পর থাকে বকশিশ। বেশি বিশ্বাসভাজন হলে বেতনের পাশাপাশি দেয়া হয় ছোটখাটো ব্যবসার সুযোগ। সেটাও আবার গার্মেন্ট কেন্দ্রিক। পোশাক শ্রমিকদের টিফিন সাপ্লাইয়ের ব্যবসা দেয়া হয় তাদের। আস্থা হারালে আবার কেড়েও নেয়া হয়। ক্যাডারদের কয়েকজন চেয়ারম্যানের সঙ্গ ছাড়তে চাইলেও ছাড়তে পারছেন না। নানা জালে আটকে রাখা হয়েছে তাদের। স্থানীয় না হওয়ায় প্রতিবাদের সুযোগও নেই। তাই বাধ্য হয়ে সাইফুল চেয়ারম্যানের হুকুম তামিল করতে হচ্ছে। সাইফুল চেয়ারম্যানের ক্যাডারের তালিকায় আছেন-মাহবুব, রিয়াজ, রিয়াদ মোল্লা, গাউছ, দাউদ, সুলতান, পান্নু, তমাল, ফরহাদ, সবুজ, ওয়াসিম গাজী, রতন, কামরুল, ফাহিম, মিলন, রোমেল, আজাদ, কালাম, ছোট মাহবুব, সেকেন্দার, নজরুল, সোহেল, সুমন, জাকির, আব্দুল আল কাদির, রানা, কুদ্দুস, নজরুল ও সাফি। এ ছাড়া বেতন ছাড়া চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অবৈধ কাজ করে দেয়ার বিনিময়ে সুবিধা পাওয়ার মধ্যে রয়েছেন ওয়েলকাম মিন্টু, চান মিয়া, সজীব, সুমন, তুষার, আল-আমিন সরকার। এদের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র ক্যাডার হিসেবে পরিচিত মাহবুব। তার বেতন ৩৫ হাজার টাকা। সাইফুল চেয়ারম্যানের হয়ে কাজ করার কথা স্বীকার করলেও বেতন নেয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি। মানবজমিনকে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ভাই হচ্ছেন এই এলাকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। রাজনীতি করার কারণে তিনি মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও ভালোবাসা পান তিনি। কথা হয় আরেক ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ফরহাদের সঙ্গে। তিনি ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বাড়ি খুলনায়। সাইফুল চেয়ারম্যানই তাকে এ পদটি দিয়েছেন। মানবজমিনকে ফরহাদ জানান, খুলনা থেকে আশুলিয়ায় আসি গার্মেন্টে কাজ করতে। পরে ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। কাজ ছেড়ে দিয়ে এখন তার সঙ্গেই আছি। বাইরে থেকে এসেছি তাই তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। এসব আপনি ভালো করেই জানেন। ক্যাডার হিসেবে কাজ কি প্রশ্নে তিনি জানান, চেয়ারম্যানের নানারকম কাজ করে দেয়া। তবে আমি চাঁদাবাজি, মারামারি এসব করি না। চেয়ারম্যানের অনুষ্ঠানে লোক দেয়ার দায়িত্ব থাকে আমার ওপর। যুবলীগের পদ পেতে ভাই আমাকে ব্যাপক সহায়তা করেছেন। এখন একটি ফাক্টরিতে টিফিন সাপ্লাই দেয়ার চেষ্টা করছি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিমাসের প্রথম সপ্তাহে সন্ধ্যার দিকে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার লাবণী রেস্টুরেন্টে বসে চেয়ারম্যান ক্যাডার বাহিনীর সদস্যদের মাসিক বেতন দেন। এদের মধ্যে রিয়াজ, সবুজ, গাউছ, সুলতান, পান্নু, ফরহাদের বেতন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে থাকেন। এ ছাড়াও তার বাহিনীর মধ্যে সবুজ ও ফাহিম পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগে ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল। আমিন মডেল টাউন এলাকায় বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাবেক এক সেনা কর্মকর্তা (সার্জেন্ট) আরিফ বিল্লাহ। চাঁদা না দেয়ার কারণে ওই সেনা সদস্যকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে এনে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে সাইফুল চেয়ারম্যানের ক্যাডারদের বিরুদ্ধে। আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় গেদুরাজের ছেলে শাহিনের ডিশ ব্যবসা দখল করতে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরিবহন শ্রমিক লীগের আশুলিয়া থানা শাখার সেক্রেটারি রাজা মোল্লার বাইপাইল এলাকায় তার কাউন্টার থেকে চাঁদা না দেয়ায় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। সরজমিন জানা যায়, নবীনগর-চন্দ্রা ও আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় করে চেয়ারম্যানের লোকজন। এর মধ্যে ওয়েলকাম ও মৌমিতা পরিবহনের প্রায় ১৫০টি বাস থেকে ৩০ টাকা, আশুলিয়া ক্লাসিকের প্রায় ১১০টি বাস থেকে ২৪০ টাকা ও প্রায় ৫০টি মিনিবাস থেকে ১২০ টাকা করে চাঁদা নেয়া হয়। ওয়েলকাম ও মৌমিতা পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের দায়িত্বে রয়েছে ওয়েলকাম মিন্টু ও তার সহযোগী চান মিয়া। এমনকি তাদের হাত থেকে বাদ যায়নি স্থানীয় সড়ক দিয়ে চলাচলরত অটোরিকশা। পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার আমিন মডেল টাউন স্কুলের সড়ক দিয়ে প্রায় ২৫টি অটোরিকশা চলাচল করে। প্রতিদিন এসব অটোরিকশা থেকে ৭০ টাকা করে আদায় করা হয়।
ইপিজেড ও গার্মেন্টে একচ্ছত্র আধিপত্য: ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় অবস্থিত ইপিজেড ও গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোতে সাইফুল চেয়ারম্যানের রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য। ইপিজেডের ১০ থেকে ১৫টি ফ্যাক্টরির ঝুট ব্যবসা নিজের দখলে নিয়েছেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরপরই। আগে যারা এসব ব্যবসা করতেন তাদের মারধর ও হুমকি-ধামকি দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে। এসব ফ্যাক্টরির অন্যতম হচ্ছে হপলন, ওয়ের ফার্ম, এসবি উইকাস, ওয়াইকেকে, রিংসাইন। এসব থেকে সাইফুল চেয়ারম্যানের মাসে আয় ১ কোটি টাকার বেশি। ইপিজেডের বাইরে আরো ৩০ থেকে ৩৫টি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির ঝুট ব্যবসা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন সাইফুল চেয়ারম্যান। আগে ঝুট ব্যবসা করতেন এমন দুইজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে মানবজমিনকে বলেন, ব্যবসা দখল করে নিয়েছে সাইফুল চেয়ারম্যান। তাই আয়-রোজগার নেই বললেই চলে। ব্যবসা গেছে, তবে বেঁচে আছি- এটাই বড় কথা। তারা জানান, সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে আমাদের ব্যবসা দখল করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান। ঝুটের জন্য কোনো গাড়ি ও শ্রমিকদের ইপিজেডে ঢুকতে দিতো না তারা। শ্রমিকদের ভয় দেখিয়ে বলতো তারা যদি ইপিজেডের ভেতরে জীবিত প্রবেশ করে তাহলে লাশ হয়ে বাইরে বের হবে। আবার অনেক ব্যবসায়ীকে ক্যাডার দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে বলেও জানান তারা। পরে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। সাইফুল চেয়ারম্যানের পক্ষে তার ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করেন তার বড় ভাই রহিম। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাইফুলের আগে থেকে আমি এ এলাকায় ব্যবসা করি। তার ব্যবসা দেখাশোনার প্রশ্নই আসে না। এসব বিষয়ে আপনি সাইফুলের কাছে জিজ্ঞেস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইফুল চেয়ারম্যানের রয়েছে দামি একটি ল্যান্ড ক্রুজার, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ চারটি গাড়ি। এরমধ্যে অবৈধভাবে সরকারের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে কেনা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়িটি তিনি সচরাচর বের করেন না। সেটি বাড়ির ভেতরে গ্যারেজে রেখে দেন। ওই গাড়ির একটি ছবি রয়েছে মানবজমিনের হাতে। এ ছাড়া চেয়ারম্যান আশুলিয়ার বাইপাইলে ২৫ শতাংশ জমি দখল করে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করছেন ১৬ তলা বহুতল ভবন। ইতিমধ্যে ৪ তলার কাজ শেষ করেছেন। নয়ারহাটের কাছে বেলতলা এলাকায় ৮ বিঘা জমিসহ পেট্রোল পাম্প নামমাত্র মূল্যে কিনেছেন। আশুলিয়ার বাঁশবাড়ি মৌজায় ১৫ বিঘা জমির উপর নির্মাণ করেছেন বাগানবাড়ি। মানবজমিন-এর পক্ষ থেকে এলাকায় অনুসন্ধান চালানোর সময়ই বিভিন্ন শ্রেণির লোকদের দিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান সাইফুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা জানান, তিনি বাইরে রয়েছেন। পরে টেলিফোন করা হলে সাইফুল ইসলাম প্রথমে অভিযোগের বিষয় শোনেন। পরে তিনি বলেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। কথা বলতে কষ্ট হয়। সামনা-সামনি আসেন কথা বলবো। টেলিফোনে এসব বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাই না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে কোটিপতি ‘পলিথিন তবারক’ by আক্তার আহমদ শাহেদ

সর্বত্র প্রশ্ন কি করে সম্ভব এমনটা। কি এমন আলাদীনের চেরাগ পেয়েছেন তিনি? সবই খোলাসা হয়ে যায় সবার কাছে। মাদক কারবারিই বদলে দিয়েছে তার জীবন।
উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পাঠাকইন গ্রামের মৃত আলকাছ আলীর ছেলে তবারক আলী। পলিথিন বিক্রি ছেড়ে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আজাদ তার মাইক্রোবাসের সাহায্যকারী হিসেবে রাখেন তবারককে। এরপরই উচ্চাভিলাষী তবারক জড়িয়ে পড়েন গাড়ি চুরি ও ছিনতাইয়ে। চুরি-ছিনতাই মামলায় একাধিকবার জেলও খাটেন তিনি। জেল থেকে বেরিয়েই ফের অপরাধ জগতে সক্রিয় হন তবারক। এক পর্যায়ে জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসায়। মাদকে নাম লিখিয়েই অল্পদিনে ‘মাদক সম্রাট’ বনে যান। নিজের নাম গোপন করে মাদকের জগতে পরিচিত পান ‘ইয়াবা সুমন’ হিসেবে। অপরাধ জগৎ পাল্টে দেয় তবারকের জীবনযাত্রা। এক সময়ের ‘চোর’ তবারক হয়ে যান কোটিপতি ‘দানবীর তবারক’। বর্তমানে সে ও তার স্ত্রী সাবিনা বেগম ও স্বজনদের নামে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক সঞ্চয় রয়েছে বলে জানা গেছে। রয়েছে তার মালিকানায় ৪টি মাইক্রোবাস, ৩টি এলিয়ন কার, ১০-১২ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ১টি ট্রাক। নিজ গ্রামে কিনেছেন ১৫০০ শতক ধানি জমি। ৩৮ ডিসিমিল জায়গার ওপর করেছেন ডুপলেক্স দ্বিতল ভবন। এ ছাড়াও বিশ্বনাথ সদরে কাজ চলমান রয়েছে ১৫ ডিসিমিল জায়গা নিয়ে তার হাউজিং বিল্ডিংয়ের। সদরের অভিজাত শপিংমলে মালিকানা রয়েছে ২-৩টি দোকান ঘরের।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ২৪শে নভেম্বর তবারককে একটি চুরির মামলায় দুইদিনের রিমান্ডে আনে পুলিশ। পরের দিন ২৫শে নভেম্বর থানা হাজত থেকে পালিয়ে যায় ধূর্ত তবারক। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে তাকে ফের পাকড়াও করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় একাধিক ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে। তার মধ্যে বিশ্বনাথ থানায় এফ আই আর নং ২, তারিখ ১লা এপ্রিল ২০১০। বিশ্বনাথ থানায় এফ আই আর নং ২৩, তারিখ ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০১০। বিশ্বনাথ থানায় এফ আই আর নং ১৯, তারিখ ২৫শে আগস্ট ২০১১। বিশ্বনাথ থানায় এফ আই আর নং ২৫, তারিখ ২৫শে নভেম্বর ২০১১। বিশ্বনাথ থানায় এফ আই আর নং ৩, তারিখ ৩রা নভেম্বর ২০১২। বিশ্বনাথ থানায় জিডি নং ৫৮, তারিখ ২রা ডিসেম্বর ২০১৪। বিশ্বনাথ থানার এফ আই আর নং ১৩, তারিখ ১৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১৫। বিশ্বনাথ থানায় জিডি নং ৯৯৫ তারিখ ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০১৫। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার এফ আই আর নং ৭, তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৪। এদিকে চলতি বছরের ২৬শে আগস্ট দুপুরে বিশ্বনাথ-লামাকাজী সড়কের আধা কেজি গাঁজাসহ তবারক আলীর স্ত্রী সাবিনা বেগমের মালিকানাধীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা (সুনামগঞ্জ-থ ১১-২০৬৭) জব্দের ঘটনায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করে পুলিশ। এ ঘটনায় তবারক আলীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা (মামলা নং ২৪) দেয়া হয়।
বর্তমানে তবারক তার অপকর্ম ঢাকতে এলাকায় গঠন করেছে নিজস্ব বাহিনী। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই হামলা-নির্যাতন চালায় এ বাহিনী। সম্প্রতি এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়। এতে স্বাক্ষর করায় গত ১৭ই অক্টোবর চুনু মিয়া নামের একজনকে ছুরিকাঘাতে আহত করে তবারক বাহিনী। এ ঘটনায় তবারক গংদের বিরুদ্ধে মামলা (মামলা নং-১২, তাং ১৮.১০.২০১৯) দিয়েছেন চুনু মিয়া।
তবারক বাহিনীর হামলার শিকার চুনু মিয়া বলেন, পলিথিন ও চানাচুর বিক্রেতা চোর তবারক আলী এখন মাদক সম্রাট। এখন সে অঢেল সম্পদের মালিক। মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্মারকলিপি দেয়ায় তার বাহিনী হামলার শিকার হয়েছি আমি।
এ নিয়ে কথা বলতে তবারকের একাধিক মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ শামীম মুসা বলেন, তবারকের বিরুদ্ধে ৫-৬টি মামলা রয়েছে। কিছু মামলা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেলেও অন্যান্য মামলায় সে জামিনে আছে। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেউই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না: জারিফ
![]() |
| মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ |
তেহরানে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বহুপাক্ষিক বা বহু মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার প্রতি সমর্থন জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সমাজ কেন বহুপাক্ষিক বিশ্বব্যবস্থার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে এবং একপাক্ষিক ব্যবস্থা কি ধরণের ক্ষতি বয়ে এনেছে সেটাই এখন প্রশ্ন। সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, কোনো দেশের সরকারই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তিনি বলেন, "বিশ্বের দেশগুলো এটা বুঝতে পেরেছে এককভাবে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয় এবং অন্য দেশের আইনভঙ্গের বিরুদ্ধেও এককভাবে রুখে দাঁড়ানো যায় না। আর এ কারণেই বহু মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার প্রতি সবার আগ্রহ রয়েছে।"
বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন ঘটায় তেহরান সম্মেলনে দেয়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানিও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণে এক মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে মূল্যবান বক্তব্য দিয়েছিলেন। ইরানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক সাইয়্যেদ মোহাম্মদ বাকের নুর বাক্স এক মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিশ্বজনমতের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ইরান সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং এ অঞ্চলের সব দেশকে সঙ্গে নিয়ে হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
বাস্তবতা হচ্ছে, বিশ্ববাসীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রতিশ্রুতি মেনে চলা, পারস্পরিক আস্থা অর্জন ও সংলাপ। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ তেহরান সম্মেলনে এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ওয়াশিংটনে ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারা এ অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মার্কিন সরকার ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারেও ভুল পদক্ষেপ নিয়েছে। ফ্রান্স টুয়েন্টি ফোর নিউজ চ্যানেলের সম্পাদক আরমান গোরগেন বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে আমেরিকা নিজেই একঘরে হয়ে পড়েছে এবং সরল রাস্তা থেকে ছিটকে পড়েছে। জাতিসঙ্ঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার একতরফা নীতি লজ্জাজনক যা কিনা বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
যাইহোক, বিশ্বে মার্কিন একক আধিপত্য ও স্বেচ্ছাচারী নীতি কিভাবে মোকাবেলা করা যায় সেটাই এখন প্রশ্ন। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরের সহযোগিতার মাধ্যমে মার্কিন নেতৃত্বে এক মেরুকেন্দ্রিক ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারে। ইরাক ও সিরিয়ায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে ইরানের ভূমিকা ও সাফল্য মার্কিন একক আধিপত্য মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে এক মেরুকেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এতো সহজ কাজ নয়। কারণ আমেরিকার মতো বৃহৎ শক্তি সে সুযোগ কাউকে দেবে না। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে আমেরিকার একের পর এক পরাজয় প্রমাণ করে সম্মিলিতভাবে মার্কিন একক আধিপত্য মোকাবেলা করা সম্ভব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু, দশকের পর দশক কেমন সেই অভিজ্ঞতা by সোয়ামিনাথন নটরাজন
![]() |
| কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের কিছু সেনা চৌকির মধ্যে ব্যবধান ৫০ মিটারেরও কম |
লড়াই
![]() |
| কর্নেল মুরুগানানথাম নয় বছর কাশ্মীরে ছিলেন |
কড়া নজর
![]() |
| দুই পক্ষই উঁচু জায়গাটি দখলের চেষ্টা করে |
শত্রুর মুখোমুখি
![]() |
| ভারি গোলাগুলির সময় গ্রামবাসীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় |
![]() |
| গোলাগুলির পরিণতি ভোগ করতে হয় সীমান্তের গ্রামবাসীদেরও |
বৈরি আবহাওয়া
![]() |
| প্রচণ্ড ঠাণ্ডা সৈন্যদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। |
বজ্রপাত
![]() |
| উঁচু দুর্গম চৌকিতে সরঞ্জাম পৌঁছানো দুরূহ কাজ |
সাহায্য
![]() |
| সীমান্তে দু-পক্ষ এক অন্যের ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখে |
বাঙ্কার
![]() |
| কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রহিত করার পর ভারত সেখানে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করেছে। |
![]() |
| অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়ন্ত্রণ রেখার বিভিন্ন অংশে কাঁটাতারের বেড়া বসিয়েছে ভারত |
![]() |
| গত ৩০ বছরে কাশ্মীর সীমান্তে দু পক্ষেরই শত শত সৈন্য নিহত হয়েছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে মাদকে জড়ায় শিক্ষার্থীরা by রুদ্র মিজান

একসময়ে ইয়াবা কেনার টাকার জন্য নিজেই ইয়াবা আমদানি ও বিক্রি শুরু করেন। ইয়াবাসহ ডা. রাকিবকে গ্রেপ্তারের পর জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের প্রায় প্রতিটি মেডিকেলে কলেজেই প্রবেশ করছে মাদক। আসক্ত হচ্ছেন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। হতাশা, কৌতূহল, সঙ্গদোষ, ভুল ধারণা থেকেই তারা মাদকাসক্ত হচ্ছেন। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন মেডিকেলে কিছু ডাক্তার রয়েছেন যারা নিজ কক্ষে বসেই ইয়াবা সেবন করেন। বিশেষ করে রাতে ডিউটিকালীন এমনটি ঘটে। তাদের কাছে ইয়াবা পৌঁছে দেন হাসপাতালের কর্মচারী, আনসার ও মাদক বিক্রেতারা।
রাকিবুল হাসান একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। এরমধ্যেই সহপাঠীকে বিয়ে করেন তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায়। মাদকাসক্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানান, মেডিকেলে লেখাপড়া করে ডাক্তার হয়ে আয় করা খুব সহজ না বলেই মনে করেন তিনি। এমবিবিএস পাস করলেই একজন ছাত্র চিকিৎসা প্রদানের লাইসেন্স পায় না। তাকে এক বছর ইন্টার্ণশিপ করতে হয়। ইন্টার্ণশিপ শেষ মানে ডাক্তার জীবনের শুরু। তখন স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের প্রতিযোগিতায় নামতে হয়। এজন্য আরও বিপুল টাকার প্রয়োজন হয়। এমবিবিএস পাস করার পর নামমাত্র বেতনে কিছুদিন একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন রাকিব। কিন্তু এই টাকা দিয়ে সংসার চালানো দুষ্কর। ভালো চাকরিও পাচ্ছিলেন না। রাকিব মাদকাসক্তদের চিকিৎসা করতেন একটি নিরাময় কেন্দ্রে। কিন্তু তিনি নিজেই একসময় আসক্ত হয়ে যান। শুরুতে নিজের হতাশা-কষ্ট ভুলে থাকার জন্য ইয়াবা সেবন শুরু করেন। ভালোই লাগছিলো। প্রায়ই ওই নিরাময় কেন্দ্রের নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ এক বন্ধুকে নিয়ে ইয়াবা সেবন করতেন। এভাবেই একসময় নেশা হয়ে যায়। ইয়াবা ছাড়া চলে না। বুঁদ হয়ে থাকেন নেশায়।
নেশাগ্রস্ত ডাক্তারকে প্রতিষ্ঠানে রাখতে চান না কর্তৃপক্ষ। চাকরি চলে যায়। চাকরি নেই, টাকাও নেই। কিন্তু ইয়াবা ছাড়া তার চলে না। ইয়াবা সেবনের জন্য অন্তত তার টাকা চাই। গত বছরের ঘটনা। শুরু করেন ইয়াবা বিক্রি। চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তার কাছে ইয়াবা দিয়ে যায়। তিনি বিক্রি করেন। গড়ে তোলেন একটি সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট গুলশান, বাড্ডা, বনানী ও বারিধারা এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করতো। সেইসঙ্গে রাকিবের মাধ্যমে ইয়াবা বিক্রি করা হতো বিভিন্ন মেডিকেলের ডাক্তারদের কাছে। মধ্য বাড্ডার নিজ বাসায় ইয়াবা রাখা হতো। গত বছরের শেষের দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয় ডাক্তার রাকিবসহ এই সিন্ডিকেটের চার জনকে। মোহাম্মদ খোরশিদ আলম জানান, চাকরি না পেয়ে হতাশা থেকেই ইয়াবা সেবন ও বিক্রি শুরু করেছিলেন এই ডাক্তার। হতাশা থেকেই মেডিকেলের শিক্ষার্থী বা ডাক্তাররা এই মরণ নেশায় আসক্ত হচ্ছেন বলে জানান তিনি।
প্রায়ই মাদকসহ ডাক্তাররা গ্রেপ্তার হচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে। গত বছরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক মোস্তাফা কামালকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। টেকনাফ থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার বাগুর বাস স্টেশন এলাকায় চান্দিনা থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। কয়েকদিন আগেও চট্টগ্রামে একজন ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুরের একটি নিরাময় কেন্দ্রে কথা হয় মাদকাসক্ত মেডিকেলের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। তেজগাঁও এলাকার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী তিনি। তার মাদকাসক্তের কারণ সম্পর্কে জানান, প্রায়ই বন্ধুদের সঙ্গে শিসাবারে যেতেন। বন্ধুদের মধ্যে কয়েক জন ইয়াবা সেবন করতো। তিনি শিসা টানলেও ইয়াবার প্রতি কোনো আসক্তি ছিলো না। লেখাপড়ার প্রচন্ড চাপ ছিলো। বন্ধুরা ইয়াবা সেবন করে রাত জেগে লেখাপড়া করতো। রাত জেগে পড়ার জন্যই একপর্যায়ে তিনিও আগ্রহী হন। ইয়াবা সেবন শুরু করেন। সারা রাত জেগে লেখাপড়া করতে পারেন। লেখাপড়া হচ্ছিলো বেশ। কিন্তু মাঝে-মধ্যে ইয়াবা সেবন না করলেই সমস্যা। অস্বস্তি লাগে। কিছু একটার তীব্র অভাব বোধ করেন। তিনি জানান, অবস্থাটা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে ইয়াবা ছাড়া তার চলছিলো না। নিজ রুমে বসেই ইয়াবা সেবন করতেন তিনি। বিষয়টি জানাজানির পর মা-বাবার উদ্যোগে তাকে ভর্তি করা হয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে।
মেডিকেলে মাদকের বিস্তার নিয়ে তদন্ত করেছে কয়েক গোয়েন্দা সংস্থা। সূত্রমতে, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, ইণ্টার্ণি ডাক্তারদের মাধ্যমে মেডিকেলে মাদক বিস্তার লাভ করছে। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এই অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল-২’র ছাদ, নার্সিং হোস্টেল এলাকায় কর্মচারীরা ও ডিউটি কক্ষে ইণ্টার্ণি ডাক্তাররা রাতে ইয়াবা সেবন করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই মাদক বিক্রেতা বা মাদক সরবরাহকারীরা গ্রেপ্তার হয়। কিন্তু মেডিকেলের ডাক্তার, কর্মকর্তারা রয়ে যান আড়ালে। ইতিমধ্যে একাধিকবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, স্বপন, আলম, বিল্লাল, শামীম, সোহেল, আয়েশা, রনি, লিটন, সুবির বিশ্বাস ও শামীমসহ আরও অনেককে।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বলেন, হতাশা, সঙ্গদোষ, কৌতূহল ও ভুল ধারণা থেকেই ডাক্তার বা মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন চরম হতাশা বিরাজ করছে। লেখাপড়া ও চাকরির ক্ষেত্রে তাদের তীব্র প্রতিযোগীতা করতে হচ্ছে। প্রতিবছর হাজার-হাজার ডাক্তার পাস করে বের হলেও বেশিরভাগই চাকরি পাচ্ছেন না। এছাড়াও ইয়াবা সেবনে ঘুম চলে যায়, লেখাপড়া বেশি করা যায়- এরকম ভ্রান্ত ধারণা থেকেই অনেকেই আসক্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে, বেকারদের মধ্যে চিকিৎসক-প্রকৌশলীদের হার ১৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। এরমধ্যে নারী চিকিৎসক-প্রকৌশলীদের বেকারত্বের হার প্রায় ৩১ শতাংশ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালেই দেশে চাহিদার তুলনায় ১১ হাজার ৫২৯ জন ডাক্তার অতিরিক্ত ছিল। ওই বছর দেশে ১৬ কোটি মানুষের বিপরীতে ডাক্তারের চাহিদা ছিল ৬৩ হাজার ৩৯৫ জন। জোগান ছিল ৭৪ হাজার ৯২৪। ২০২১ সালে ৬৭ হাজার ২৬৫ জন ডাক্তারের চাহিদার বিপরীতে জোগান দাঁড়াবে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ১০ হাজারের বেশি ডাক্তার স্বাস্থ্যখাতে যুক্ত হচ্ছেন। সেই তুলনায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। অবসরে যাচ্ছেন মাত্র দুই থেকে আড়াইশ’ ডাক্তার। যা গড়ে ৩ শতাংশ। বিএমডিসি সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চিকিৎসকের সংখ্যা ৯৩ হাজার ৭৬৩ জন। তাদের মধ্যে এমবিবিএস ৮৫ হাজার ৬৩৩ জন এবং বিডিএস (ডেন্টাল) ৮ হাজার ১৩০ জন। সরকারি চাকরিত আছেন প্রায় ৫০ হাজার ডাক্তার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 23
(22)
- ব্রিটেনে এক লরিতে ৩৯ জনের লাশ; জানা নেই নাম-পরিচয়
- ইসরায়েল: দেশটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
- ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করব? by গোলাম মোর্তোজা
- সীমান্ত থেকে কুর্দি গেরিলাদের সরিয়ে নিতে সম্মত হলে...
- ওবামার কারণে সিরিয়া হাতছাড়া ও দশ লাখ মানুষ নিহত হয়...
- ক্রিকেটারদের ধর্মঘট ষড়যন্ত্রের অংশ :-পাপন by ইশতিয়...
- যানবাহনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে :- প্রধ...
- কীভাবে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন সম্রাট? by আল-আমিন
- রহস্যের শহর মিসর by মাহবুব পারভেজ
- উনি এখন আশুলিয়ার রাজা by কাজী সোহাগ
- যেভাবে কোটিপতি ‘পলিথিন তবারক’ by আক্তার আহমদ শাহেদ
- কেউই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে এককভাবে সিদ্ধান্ত...
- কাশ্মীর: মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু, দশকের পর দশক...
- যেভাবে মাদকে জড়ায় শিক্ষার্থীরা by রুদ্র মিজান
- ভাসমান কন্যাদের দুর্বিষহ যন্ত্রণা বোবাকান্না by মো...
- তিন লেখকের টার্গেটে গুপ্তচর 'মাসুদ রানা' by সায়েদ...
- সাঁঝের মায়া by আনিস মাহমুদ
- দেশে বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা?
- বায়ু দূষণে বাড়ে হার্ট অ্যাটাক, অ্যাজমা :-বৃটিশ গবে...
- মরুর বুকে চট্টগ্রামের শত প্রবাসীর স্বপ্নভঙ্গ by ইব...
- যৌনতার সঙ্গে আবেগ থাকা জরুরি -ইলিয়ানা ডি ক্রুজ
- শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজে অনিয়ম দুর্নীতি লুটপাট অভিযো...
-
▼
Oct 23
(22)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



























