Wednesday, December 10, 2025
ভেনেজুয়েলা সরকারের হুমকির মধ্যেও নোবেল নিতে যাবেন মাচাদো
মাচাদো বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে আছেন। তাঁকে নিয়ে নোবেল ইনস্টিটিউটের প্রধান ক্রিস্টিয়ান ব্রেগ হার্পভিকেন গত শনিবার এএফপিকে বলেন, ‘(শুক্রবার) রাতে মাচাদোর সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি অসলোয় আসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তিনি কবে বা কীভাবে আসবেন, তা বলতে পারছি না।’
গত ১০ অক্টোবর শান্তিতে নোবেল পান মাচাদো। পরের মাসে ভেনেজুয়েলার অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, মাচাদো যদি নোবেল পুরস্কার নিতে নরওয়েতে যান, তাহলে তিনি ‘ফেরারি’ হিসেবে গণ্য হবেন। মাচাদোর নোবেল পুরস্কারের সমালোচনা করে সে সময় হোয়াইট হাউসও বলেছিল, ‘শান্তির ওপরে রাজনীতিকে’ স্থান দিয়েছে নরওয়ের নোবেল কমিটি।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন নিকোলা মাদুরো। তাঁর বিরুদ্ধে তখন নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনেছিলেন মাচাদো। তাঁকে নির্বাচনে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছিলেন। নির্বাচনের ফলের প্রতিবাদ জানানোয় সে সময় প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন মাচাদো।
মাচাদোর প্রতি সমর্থন
এদিকে নোবেল পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আগে শনিবার বিভিন্ন দেশে মাচাদোর সমর্থনে সমাবেশ হয়েছে। মাদ্রিদ, বুয়েনস এইরেস, লিমা, ব্রিসবেনসহ বিভিন্ন শহরে রাস্তায় নামেন হাজারো মানুষ। পেরুর রাজধানী লিমায় মাচাদোর ছবি নিয়ে সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের ‘ভেনেজুয়েলা মুক্ত করো’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। ছিল ভেনেজুয়েলার জাতীয় পতাকাও।
কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতায় মাচাদোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে একত্র হন ভেনেজুয়েলার একদল নাগরিক। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে দেশটির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে দেখা যায় প্রায় ৫০০ ব্যক্তিকে। তাঁদের একজন ৬০ বছর বয়সী ন্যান্সি হোয়ার বলেন, মাচাদোর নোবেল পুরস্কারের কারণে প্রবাসী ভেনেজুয়েলানদের মুখে আজ হাসি ফুটেছে।
এমন সময় মাচাদোর নোবেল পুরস্কারের বিষয়টি আবার সামনে এল, যখন ভেনেজুয়েলা ঘিরে ক্যারিবীয় সাগরে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ভেনেজুয়েলায় হামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এমন তৎপরতার পেছনে অবৈধ মাদক চোরাচালান বন্ধের কথা বলা হলেও মাদুরোর দাবি, তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরাতেই এসব করা হচ্ছে।
![]() |
| মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের চাপের মুখেও কেন ইসরায়েল প্রশ্নে সৌদি যুবরাজের ‘না’ by জাসিম আল-আজ্জাবি
আঞ্চলিক গোয়েন্দা সূত্রের ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক বারাক রাভিদের বরাতে জানা যায়, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে হোয়াইট হাউসে ডেকে পাঠানো হয় এবং ক্যামেরার সামনে যাওয়ার আগেই সতর্ক করা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁকে প্রকাশ্যে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে চাপ দেবেন।
এরপর যা ঘটেছে, তা কূটনীতি নয়, বরং চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, একধরনের ‘আচমকা হামলা’, যার মাধ্যমে সৌদি আরবের শাসককে অপমানজনক স্বীকারোক্তিতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল; যদিও সালমান তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরিকল্পনাটিও বাজেভাবে ব্যর্থ হয়।
রাভিদের তথ্যমতে, ব্যক্তিগত আলোচনায় সালমান দুটি সত্য তুলে ধরেন। প্রথমত, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া সৌদি জনমত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের বিপক্ষে। দ্বিতীয়ত, সৌদির শর্ত দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার—ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তাকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব নয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের উত্তরও ছিল স্পষ্ট—এ ধরনের শর্ত পূরণ করা হবে না।
পরে প্রকাশ্য বৈঠকে সালমান ব্যক্তিগত আলোচনার সেই একই অবস্থান হুবহু পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। গোপন চাপ প্রয়োগের সেই পরিকল্পনা সবার সামনে ভেস্তে যায়, যা ট্রাম্পের জন্য ছিল বিরক্তি ও বিস্ময়ের কারণ।
ফিলিস্তিন ইস্যুকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জোরালো প্রচেষ্টা ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের। সাংবাদিক বারাক রাভিদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-কে শান্তিচুক্তি হিসেবে নয়, বরং একধরনের ভূরাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখেছিল; যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের আধিপত্য স্থায়ী করে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনের দাবিগুলোকে আরও ধামাচাপা দেওয়া।
এদিকে যেকোনো মার্কিন-সৌদি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিকে ইসরায়েল গভীর সন্দেহের চোখে দেখছিল। কারণ, তা নাকি তাদের আঞ্চলিক সামরিক একচেটিয়া ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। রাভিদ উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সৌদি আরবকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। কারণ, ‘ইসরায়েলের গুণগত সামরিক সুবিধা বজায় রাখতে হবে’। এমনকি সেই সৌদিদের বিরুদ্ধেও, যাদের সঙ্গে ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছিল। এই দ্বৈত অবস্থান ছিল প্রকাশ্যেই, একদিকে ইসরায়েল সৌদি আরবের সঙ্গে শান্তি চায়, কিন্তু তাদের সমমানের সামরিক সক্ষমতা দিতে চায় না।
হোয়াইট হাউসের হিসাব-নিকাশ আরও নির্মম মনে হয়েছিল। ট্রাম্পের দল ধরে নিয়েছিল যে জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বৈশ্বিক ক্ষোভের চাপে সালমান নতিস্বীকার করবেন। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে নিহত ওয়াশিংটন পোস্টের এই সাংবাদিকের হত্যায় সৌদি রাজপরিবারের জড়িত থাকার বিষয়ে সিআইএর তথ্য-উপাত্ত ট্রাম্প প্রকাশ্যে খারিজ করে দেন।
ওয়াশিংটন ধরে নিয়েছিল, দুর্বলতা মানেই নমনীয়তা। তবে তাদের ধারণা ছিল ভুল।
ওয়াশিংটন মনে করেছিল দুর্বলতা মানে নরম হয়ে যাওয়া। ওভাল অফিসে তখন অহংকারই শাসন করছিল। ধারণাটি ভুল ছিল।
সালমানকে ক্যামেরার সামনে অপমান বা নতিস্বীকার—এ দুইয়ের একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা দাঁড়িয়েছিল পুরোনো সাম্রাজ্যবাদী ধারণার ওপর। এ ধারণা অনুযায়ী, চাপ দিলে দুর্বলতা প্রকাশ পায় এবং দুর্বলতা নতিস্বীকার ডেকে আনে। কিন্তু নভেম্বরের দিনটিতে এই যুক্তি ভেঙে পড়েছিল। সালমান ভীত হননি। তিনি মাথানতও করেননি। তিনি দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থানে ছিলেন।
এ ঘটনা সৌদি কূটনীতি নিয়ে প্রচলিত একটি মিথ ভেঙে দেয়। অনেকে ভাবত, রিয়াদ কেবল আমেরিকান শক্তির অনুগত একটি অংশ। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে বাস্তবতা ভিন্ন। সৌদি আলোচনা করতে পারে। তারা আপস করতে পারে। দর-কষাকষি করতে পারে। কিন্তু তারা এমন চাপের কাছে নত হবে না, যা ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের অবস্থানকে মুছে দিতে চায়।
ওয়াশিংটনের এই কৌশল তাদের আসল উদ্দেশ্যও প্রকাশ করে। ইসরায়েল-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল না, ছিল রাজনৈতিক প্রদর্শনীর জন্য। ট্রাম্প চাইছিলেন একটি দৃশ্যমান সাফল্য। তিনি চাইছিলেন, একজন আরব নেতা যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবেন। এটি তাঁর টেলিভিশননির্ভর ঐতিহাসিক সাফল্যের মুকুট হয়ে উঠত। ফিলিস্তিনিরা হতো এই প্রদর্শনীর গৌণ শিকার।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২০ সালে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন প্রশ্নকে পাশ কাটানোর সুযোগ দেবে। এতে ইসরায়েলকে এই ইস্যু সরাসরি মোকাবিলা করতে হবে না।
সালমান এখনো একটি বিতর্কিত চরিত্র। তবু ঘটনাটি একটি স্পষ্ট সীমানা টেনে দিয়েছে। তাঁর শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে যা–ই মত হোক, ফিলিস্তিন প্রশ্নে তাঁর অবস্থান দীর্ঘদিনের আরব জনমতের সঙ্গে মিলে যায়: রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া স্বাভাবিকীকরণ মানে আত্মসমর্পণ।
সৌদির এই অবস্থান হঠাৎ তাদের দেশীয় রাজনৈতিক দমন বা আঞ্চলিক ভূমিকার দায়মুক্তি এনে দেয় না। কিন্তু হোয়াইট হাউসের ঘটনাটা একটি ভুল ধারণা ভেঙে দিয়েছে যে আরব নেতারা নাকি যথেষ্ট হুমকি বা লোভ দেখালে সব সময়ই মাথা নত করেন।
‘জোরজবরদস্তি মানেই নিয়ন্ত্রণ’—এ ধারণা এখনো সাম্রাজ্যবাদী অহংকারের অতীত চিন্তার অংশ। ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বকূটনীতিকে রিয়েল এস্টেট দর-কষাকষির মতো দেখেছিল। ধরে নিয়েছিল, চাপ প্রয়োগ করলেই সম্পদ হাতবদল হবে। কিন্তু দেশগুলো কোনো সম্পত্তি নয়, আর নেতারাও যতই বিতর্কিত হোক, তাঁরা ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মঞ্চের কর্মচারী নন।
এই ‘আচমকা চাপ প্রয়াস’ ব্যর্থ হয়েছিল। কারণ, তারা মূল বিষয়টি ভুল বুঝেছিল—কোনো আরব নেতা ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্ব পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলকে বৈধতা দিতে পারেন না। এটি করলে দেশে এমন প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে, যা কোনো অস্ত্রচুক্তি দিয়েই ঠেকানো সম্ভব হবে না। সৌদি আরব ইসলামের পবিত্রতম স্থানের অভিভাবক, তারা ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রহীনতাকে স্থায়ী করার স্বাক্ষরদাতা হতে পারে না।
হোয়াইট হাউসের ওই ঘটনা সালমানকে কোনো নায়ক বানায়নি, বরং দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চরম দম্ভের যুগেও সব চাপ প্রয়োগ সফল হয় না।
* জাসিম আল-আজ্জাবি, সাংবাদিক ও মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক
- মিডল ইস্ট মনিটর থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে। জাপানে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনে, ২৮ জুন ২০১৯ ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেনকে যুদ্ধে সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প জুনিয়র
ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে দীর্ঘ এক ক্ষুব্ধ বক্তব্যে ট্রাম্প জুনিয়র বলেন, ইউক্রেনের দুর্নীতিগ্রস্ত ধনীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন আর যুদ্ধ করার জন্য তাদেরই ফেলে গেছেন, যাদের ‘তারা চাষাভুষা বলে মনে করেন’।
ট্রাম্প জুনিয়রের তাঁর বাবার প্রশাসনে কোনো আনুষ্ঠানিক পদ নেই। কিন্তু তিনি মাগা (মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন) মুভমেন্টের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তার এই মন্তব্য ইউক্রেনীয় সরকারের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরের কিছু মানুষের অনীহাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। এ ছাড়া ট্রাম্প জুনিয়র এমন সময় এ মন্তব্য করেছেন, যখন ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকারী দল কিয়েভকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।
ট্রাম্প জুনিয়র বলেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছেন। কারণ তিনি জানেন, যুদ্ধ শেষ হলে তিনি কখনোই কোনো নির্বাচনে জিততে পারবেন না। তিনি বলেন, জেলেনস্কি বামদের কাছে প্রায় দেবতার মতো। কিন্তু ট্রাম্প জুনিয়র বলেন, রাশিয়ার চেয়ে ইউক্রেন অনেক বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি–বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসেরও কড়া সমালোচনা করেন ট্রাম্প জুনিয়র। তিনি বলেন, ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞাগুলো কাজ করছে না। কারণ এটি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, যা থেকে রাশিয়া যুদ্ধের খরচ চালাতে পারছে। তিনি ইউরোপীয় পরিকল্পনাটিকে এভাবে বর্ণনা করেন, ‘আমরা রাশিয়ার দেউলিয়া হওয়ার জন্য অপেক্ষা করব—এটা কোনো পরিকল্পনা হতে পারে না।’
ট্রাম্প জুনিয়র বলেন, ২০২২ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের কাছে যাওয়ার সময় তিনি মাত্র তিনজন লোকের দেখা পেয়েছেন, যাঁরা ইউক্রেন যুদ্ধকে গুরুত্বপূর্ণ ১০ ইস্যুর একটি বলে মনে করতেন। তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলার নৌকার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল নামক মাদক প্রবেশের ঝুঁকি বাড়ছে। ইউক্রেন বা রাশিয়ায় যা কিছু ঘটছে, তার চেয়েও এটি অনেক বেশি সুস্পষ্ট এবং দোরগোড়ায় হাজির হওয়া বিপদ।
তথ্যপ্রমাণ না দিয়েই ট্রাম্প জুনিয়র দাবি করেন, তিনি এই গ্রীষ্মে মোনাকোতে এক দিনেই দেখেছেন বুগাটি ও ফেরারির মতো বিলাসী গাড়িগুলোতে ৫০ শতাংশই ইউক্রেনীয় নম্বর প্লেট। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আপনি কি মনে করেন যে ইউক্রেনে আয় করা অর্থে এসব হয়েছে?’
ট্রাম্প জুনিয়রের বাবা ইউক্রেনে শান্তি আনতে পারবেন দাবি করে নির্বাচনে লড়েছিলেন। তাঁর পক্ষে এখান থেকে সহজেই সরে যাওয়া সম্ভব কি না, জানতে চাইলে ট্রাম্প জুনিয়র বলেন, হয়তো তিনি তা করবেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বাবা এমন একজন রাজনীতিক, যাঁর বিষয়ে আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। তিনি অঙ্গীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রকে আর ‘চেকবুক হাতে বোকা সেজে থাকতে দেবেন না’।
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতককে রাতভর পাহারা দিল কুকুর
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায়। সেখানে ভোরের ঠিক আগের নিস্তব্ধ সময়টাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিল ঠিক তখন এক নবজাতককে পড়ে থাকতে দেখা যায় রেলওয়ে কর্মীদের কলোনির বাথরুমের বাইরের ঠান্ডা মাটিতে। আর তাকে ঘিরে আছে কয়েকটি কুকুর।
শিশুটির বয়স মাত্র কয়েক ঘণ্টা। জন্মের রক্ত তখনো শুকায়নি। গায়ে কোনো চাদর নেই, কোনো চিরকুট নেই, কাছাকাছি কেউ নেই। প্রতিদিন যাদের লোকজন ধাওয়া করে তাড়ায়, সেই ভবঘুরে বেওয়ারিশ কুকুরগুলো একেবারে নিখুঁত একটি বৃত্ত তৈরি করে নবজাতকটিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তখন রাতভর কুকুরগুলো কাউকেই শিশুটির কাছে যেতে দেয়নি। কেবল ভোরের আলো ফুটলেই কুকুরগুলো সরে যায়।
আরেক বাসিন্দা বলেন, তিনি ভেবেছিলেন আশপাশের কোনো বাড়িতে অসুস্থ বাচ্চা আছে। ভাবনতেও পারেননি বাইরে মাটিতে এক নবজাতক পড়ে আছে, আর তার চারপাশে কুকুরেরা পাহারা দিচ্ছে।
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েল ৬০ দিনে ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, ৩৭৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর বলেছে, এটা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিরতির শর্ত এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মানবিক বিধানগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় একের পর এক হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে কয়েক শ ফিলিস্তিনিকে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৭৭ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ৯৮৭ জন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গত ১০ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, হামাসের কাছে বন্দী জীবিত ২০ জনের সবাইকে ইসরায়েলের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন বাদে মৃত ২৭ বন্দীর সবার মরদেহও ফেরত পেয়েছে তারা।
বিনিময়ে ইসরায়েল থেকে মুক্তি পেয়েছেন কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি। গাজায় নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত সেনাসদস্যদেরও পিছিয়ে এনেছে ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের একটি শর্ত ছিল উপত্যকাটিতে হামলা বন্ধ করবে ইসরায়েল। সেটা এখনো হয়নি। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী গাজায় হামলা এখনো পুরোপুরি থামায়নি ইসরায়েল।
এর মাঝেই গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরুর জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের।
![]() |
| ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ দাফনের জন্য হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গাজার আল–আহিল আরব হাসপাতালের সামনে। ফাইল ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতা না টাকা বানানোর জাদুর কাঠি? by বদিউল আলম মজুমদার
আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। দৃষ্টান্ত হিসেবে একটি পুরোনো অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা যাক। অনেক পাঠকের মনে থাকার কথা যে ২০০৮ সালের জুন মাসে চারটি পুরোনো সিটি করপোরেশনের—বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট—নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এসব নির্বাচনে প্রথমবারের মতো হলফনামার মাধ্যমে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়ের উৎস, অতীত ও বর্তমান মামলার বিবরণী, প্রার্থীর নিজের এবং প্রার্থীর ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদ ও দায়দেনার তথ্য হলফনামার মাধ্যমে তাঁদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়ার বিধান কার্যকর করা হয়।
‘সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফলে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে প্রার্থীদের এসব তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়। এসব তথ্য প্রদানের এবং প্রকাশের উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের তথ্য দিয়ে ক্ষমতায়িত করা, যাতে তাঁরা জেনে-শুনে-বুঝে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
এসব নির্বাচনের সব কটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেন—বরিশালে শওকত হোসেন হিরণ, খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক, রাজশাহীতে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং সিলেটে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান জয়লাভ করেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা এগুলোতে পরাজিত হন। বরিশালে পরাজিত হন আহসান হাবীব কামাল, খুলনায় মো. মনিরুজ্জামান, রাজশাহীতে মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন ও সিলেটে পরাজিত হন সালাউদ্দিন রিমন।
পাঁচ বছর পর ২০১৩ সালের ১৫ জুন তারিখে এসব সিটি করপোরেশনে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ২০০৮ সালে মনোনীত সব প্রার্থীই ২০১৩ সালেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যদিও সিলেটে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আরিফুল হক চৌধুরী। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সব প্রার্থী জয়ী হন। এবারও প্রার্থীদের হলফনামার মাধ্যমে সাত ধরনের তথ্য জমা দিতে হয়।
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, দুই নির্বাচনে জয়ী-পরাজিত আটজন মেয়র পদপ্রার্থীর সবাই ছিলেন ব্যবসায়ী। তবে তালুকদার আবদুল খালেক নির্বাচিত হওয়ার পর ব্যবসায়ী হয়েছেন—তিনি ২০০৮ সালে প্রদত্ত হলফনামায় পেশা হিসেবে ‘বর্তমানে কোনো ব্যবসা নেই’ বলে উল্লেখ করেছেন।
হলফনামার তথ্য থেকে আরও লক্ষণীয় যে চারজন বিদায়ী মেয়রের প্রত্যেকেরই নিজের এবং নির্ভরশীলদের আয় তাঁদের ক্ষমতায় থাকার সময় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুলনার তালুকদার আবদুল খালেকের ও তাঁর নির্ভরশীলদের আয় বেড়েছে ৩,৬২,০০০ টাকা থেকে ৫,৩২,৬৬,৯৭৭ টাকা বা ১৪,৬১৫ শতাংশ। বরিশালের শওকত হোসেন হিরণ এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয় বেড়েছে ৫,৮০,২৫০ টাকা থেকে ৩,৪৯,১১,০৩০ টাকা বা ৫,৯১৬ শতাংশ। রাজশাহীর এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও তাঁর নির্ভরশীলদের আয় বেড়েছে ২,৪৪,০০০ টাকা থেকে ৫৭,৭৫,৭৭২ টাকা বা ২,৩০৮ শতাংশ। সিলেটের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয় বেড়েছে ২,১০,০০০ টাকা থেকে ১৫,৪৯,৯৮৮ টাকা বা ৬৩৮ শতাংশ—‘সম্মানী’ হিসেবে প্রাপ্ত নিজের আয় হলফনামায় দেখানো হয়নি বলে এটি অপেক্ষাকৃত কম। সর্বসাকল্যে চারজন মেয়র ও তাঁদের নির্ভরশীলদের গড় আয় বেড়েছে ৩,৪৯,০৬৩ টাকা থেকে ২,৩৯,০০,৯৮১ টাকা বা ৬,৭৪৭ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজিত তিন প্রধান প্রার্থীর মধ্যে দুজন এবং তাঁদের ওপর নির্ভরশীলদের আয় বেড়েছে এবং একজনের কমেছে। বরিশালের আহসান হাবীব কামালের আয় বেড়েছে ২০০৮ সালের ৭,০৮,০০০ টাকা থেকে ২০১৩ সালে ৯,৩০,০০০ টাকা বা ৩১ শতাংশ। খুলনায় মো. মনিরুজ্জামানের আয় কমেছে ৮,৩৬,০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা বা ৭৬ শতাংশ। রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেনের আয় বেড়েছে ১,৬৮,০০০ টাকা থেকে ১,৯২,০০০ টাকা বা ১৪ শতাংশ। এই তিন মেয়র প্রার্থীর পাঁচ বছরে আয় কমেছে ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের সঙ্গে আয় বৃদ্ধির একটি যোগসূত্র রয়েছে।
২০০৮ সালের নির্বাচিত মেয়র ও পরাজিত মেয়র পদপ্রার্থীদের সম্পদের দিকে তাকালেও একই প্রবণতা দেখা যায়। বরিশালের মেয়র শওকত হোসেন হিরণ ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাঁচ বছরে বেড়েছে ২০,৮৫,৩২৬ টাকা থেকে ১০,৯৪,৩৯,১৫০ টাকা বা ৫,১৪৮ শতাংশ। খুলনার তালুকদার আবদুল খালেকের বেড়েছে ১,৮৫,৯৭,৫৫০ টাকা থেকে ১০,০৮,৪১,২৯২ টাকা বা ৪৪২ শতাংশ। রাজশাহীর খায়রুজ্জামান লিটনের বেড়েছে ৯৬,৭৫,০০০ টাকা থেকে ১,৯৪,৪৭,১৯৮ টাকা বা ১৩৩ শতাংশ। সিলেটের কামরানের বেড়েছে ২,১৪,৭৮,২৯০ টাকা থেকে ৫,০০,৬২,৬২৪ টাকা বা ১৩৩ শতাংশ। চারজন বিদায়ী মেয়র ও তাঁদের নির্ভরশীলদের মোট সম্পদ বেড়েছে ১,২৯,৫৯,০৪১ টাকা থেকে ৬,৯৯,৪৭,৫৬৬ টাকা বা ৪৪০ শতাংশ। উল্লেখ্য, চারজন বিদায়ী মেয়রের দায়দেনা ছিল কম, তাই তাঁদের নিট সম্পদ বৃদ্ধির পরিমাণও ছিল বেশি।
হলফনামার তথ্য থেকে দেখা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজিত তিন প্রধান প্রার্থীর মধ্যে দুজন ও তাঁদের ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদ বেড়েছে এবং একজনের কমেছে। বরিশালের আহসান হাবীব কামালের কমেছে ২০০৮ সালের ১,০৪,১১,৬৫০ টাকা থেকে ২০১৩ সালে ২৭,৭৩,০০০ টাকা বা ৭৩ শতাংশ। খুলনার মনিরুজ্জামানের বেড়েছে ১৬,১৩,১০০ টাকা থেকে ৩০,৫৫,৫৩৭ টাকা বা ৮৯ শতাংশ। রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেনের বেড়েছে ১,৬৮,০০০ টাকা থেকে ১৯২,০০০ টাকা বা ১৪ শতাংশ। তবে ২০০৭ সালের নির্বাচনে পরাজিত খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী—এই তিন মহানগরের মেয়র পদপ্রার্থী ও তাঁদের ওপর নির্ভরশীলদের পাঁচ বছরে মোট সম্পদ কমেছে ৪১ শতাংশ। অর্থাৎ সম্পদশালী হওয়া না-হওয়া নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ওপর নির্ভরশীল। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৫ জুনের নির্বাচনে বিদায়ী মেয়রদের সবাই পরাজিত হয়েছেন এবং ২০০৮ সালে পরাজিত এ তিনজন মেয়র পদপ্রার্থী জয়ী হয়েছেন। আরও জয়ী হয়েছেন সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী।
উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে এটি সুস্পষ্ট যে ক্ষমতার সঙ্গে আয় ও সম্পদের মালিকানার গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে, যদিও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রদত্ত তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন বিদ্যমান। নির্বাচনে জয়ী হয়ে মেয়ররা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন এবং এ ক্ষমতা তাঁদের ও তাঁদের ওপর নির্ভরশীলদের আয় ও সম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে জাদুর কাঠির মতো কাজ করেছে। তবে নির্বাচনে পরাজিতদের প্রতি ভাগ্যদেবীর প্রসন্নতা তেমন দৃশ্যমান নয়। তাই সংগতভাবেই প্রশ্ন করা যায়—আমাদের রাজনীতি, যার লক্ষ্য ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া—লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে কি না। রাজনীতি জনসেবার পরিবর্তে ব্যক্তির অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে কি না।
প্রসঙ্গত, আরও সাম্প্রতিক সময়ের সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রদত্ত হলফনামার তথ্য থেকে ক্ষমতার সঙ্গে জাদুর কাঠির সম্পর্ক আরও সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান, যা পরবর্তী লেখায় তুলে ধরা হবে। তাই আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য নতুন ধরনের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার কাঠামো সৃষ্টি করা আজ জরুরি হয়ে পড়েছে।
একই সঙ্গে জরুরি হয়ে পড়েছে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার, বিশেষত তাদের গণতন্ত্রায়ণ ও প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং মনোনয়ন–বাণিজ্য তথা টাকার অযাচিত প্রভাবের অবসান। আরও জরুরি হয়ে পড়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের প্রদত্ত হলফনামার ছকে পরিবর্তন এবং এতে প্রদত্ত তথ্যের পরিপূর্ণতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা কঠোরভাবে যাচাই করার। হলফনামার ছকে ইতিমধ্যে পরিবর্তন এসেছে।
* ড. বদিউল আলম মজুমদার, সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক
- মতামত লেখকের নিজস্ব

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তরে ইসরায়েলের অভিযান, টানানো হলো ইসরায়েলি পতাকা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউএনআরডব্লিউএর কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, গতকাল সোমবার ভোরে ইসরায়েলি পুলিশ পৌরসভার কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শেখ জারাহ এলাকায় সংস্থার প্রাঙ্গণে জোর করে ঢুকে পড়ে।
লাজারিনি বলেন, ‘পুলিশ মোটরসাইকেল, ট্রাক আর ফর্কলিফট নিয়ে আসে। এ সময় পুরো এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আসবাবপত্র, তথ্যপ্রযুক্তির সরঞ্জামসহ নানা জিনিসপত্র জব্দ করে তারা।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের পতাকা নামিয়ে সেটির জায়গায় ইসরায়েলের পতাকা তুলে দেওয়া হয়।’
এ বছরের শুরুর দিক থেকেই ভবনটি ব্যবহার করতে পারছে না ইউএনআরডব্লিউএ। ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ দেশটির অভ্যন্তরে সংস্থাটির সব অফিস খালি ও কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়।
লাজারিনি বলেন, এ অভিযান কয়েক মাস ধরে চলা হয়রানির অংশ। ২০২৪ সালে ইউএনআরডব্লিউএর কার্যালয়ে আগুন লাগানো, বিদ্বেষমূলক বিক্ষোভ, ভয় দেখানো, ইউএনআরডব্লিউএ–বিরোধী অপপ্রচার ও ইসরায়েলি পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এ–সংক্রান্ত আইন পাস—এসবের ধারাবাহিকতায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েল দাবি করে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে দক্ষিণ ইসরায়েলে হওয়া হামলায় ওই সংস্থার কিছু কর্মী যুক্ত ছিলেন। এ অভিযোগ তুলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সংস্থাটির সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। তবে সংস্থাটি অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং গত অক্টোবরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) জানান, ইসরায়েলি অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
তবু ইসরায়েলের অভিযোগের জেরে ইউএনআরডব্লিউএর সবচেয়ে বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থায়ন স্থগিত করে দেয়।
এ অবস্থায় গাজা ও দখলকৃত পশ্চিম তীর থেকে আন্তর্জাতিক কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ইউএনআরডব্লিউএ। এতে গাজায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের যুদ্ধে খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের ভয়ানক সংকটে ভুগছেন ফিলিস্তিনিরা।
অক্টোবরে আইসিজে তাঁর পরামর্শমূলক মতামতে জানান, গাজায় ইউএনআরডব্লিউএর তৎপরতাসহ জাতিসংঘের ত্রাণ কার্যক্রম সমর্থন করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। দখলকৃত অঞ্চলে কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতেও ইসরায়েল বাধ্য।
‘একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’
লাজারিনি বলেন, ইউএনআরডব্লিউএর ওপর সাম্প্রতিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সরাসরি উদাহরণ। এটি দেখায় যে সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘের স্থাপনার নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষার যে বাধ্যবাধকতা ইসরায়েলের আছে, তাকে তারা প্রকাশ্যে উপেক্ষা করেছে।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইসরায়েল ওই কম্পাউন্ডের জাতিসংঘ–স্ট্যাটাস বাতিল করার চেষ্টা করলেও এর কোনো আইনি বৈধতা নেই।
লাজারিনি বলেন, ‘ইসরায়েল নিজে থেকে যে সিদ্ধান্তই নিক, কম্পাউন্ডটি জাতিসংঘের স্থাপনা হিসেবেই থাকবে এবং এতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা বৈধ নয়।’ ইসরায়েল জাতিসংঘের ‘প্রিভিলেজ ও ইমিউনিটিজ’ কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হওয়ার বিষয়ও মনে করিয়ে দেন তিনি।
গাজা ও পশ্চিম তীরে কাজ করা সবচেয়ে বড় মানবিক সংস্থা হলো ইউএনআরডব্লিউএ। এটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত লাখো ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সহায়তা ও আশ্রয় দিয়ে থাকে।
এসব ফিলিস্তিনি শরণার্থীর কাছে এই সংস্থা তাঁদের নিজভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকারের প্রতীক। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র সৃষ্টির সময় যেসব ঘরবাড়ি থেকে তাঁদের বা তাঁদের পরিবারকে উৎখাত করা হয়েছিল, সেই ঘরে ফেরার আন্তর্জাতিক স্বীকৃত অধিকারকে তাঁরা সংস্থাটির অস্তিত্বের সঙ্গে যুক্ত মনে করেন।
গাজায় ইসরায়েলের চলমান জাতিগত হত্যার মধ্যেই এ অভিযান চালানো হলো। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসেবে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৩৬৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৮ জন।
![]() |
| দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর কার্যালয়ের বাইরে ইসরায়েলি পুলিশ সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা জেন-জিরা এখন রাজনীতির মাঠে সমর্থন পাওয়ার চ্যালেঞ্জে
ছাত্র নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা দশকের পর দশক ধরে চলা স্বজনপ্রীতি এবং দুই দলের আধিপত্য থেকে দেশকে মুক্ত করবে। তবে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে দলটি।
এনসিপিপ্রধান নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সংগঠন দুর্বল; কারণ, আমরা এটিকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সময় পাইনি। আমরা এটা জানি। তবে এখনো চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি।’
গত বছর সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাহিদ ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি স্বল্প মেয়াদে নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকার একটি বহুতল ভবনে দলীয় কার্যালয় থেকে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেন ২৭ বছর বয়সী নাহিদ। ঘরটির একদিকের দেয়ালে আঁকা রয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের শামিল জনতার ছবি।
জরিপে দলটির অবস্থান তৃতীয়
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের সব কটিতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় এনসিপি। চলতি ডিসেম্বরে একটি জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)। জরিপটি বলছে, সমর্থনের দিক থেকে এনসিপি তৃতীয় অবস্থানে আছে। দলটিকে সমর্থন করছে মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৩০ শতাংশ জনসমর্থনের অনেকটাই পেছনে।
এ জরিপ অনুযায়ী, কট্টরপন্থী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলমীও এনসিপির চেয়ে এগিয়ে আছে। জনসমর্থনের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে (২৬ শতাংশ) আছে দলটি।
গত বছর ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সক্রিয় প্রাপ্তি তাপসী রয়টার্সকে বলেন, ‘তারা যখন যাত্রা শুরু করে, তখন অন্যদের মতো করে আমিও তাদের মধ্যে আশা দেখেছিলাম।’
২৫ বছর বয়সী প্রাপ্তি আশা করেছিলেন নতুনেরা দুই প্রধান দলের বহু বছরের শাসন ভেঙে দেবে। তবে পরে তিনি হতাশ হন।
প্রাপ্তি বলেন, ‘তারা বলে যে তারা মধ্যপন্থী, কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তা মেলে না।’
নারীবাদী এই অধিকারকর্মী আরও বলেন, সংখ্যালঘুদের অধিকারই হোক বা নারীর অধিকারের প্রশ্ন হোক, তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিধায় ভোগে। আর যখন তারা অবস্থান নেয়, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।’
এনসিপিকে নিয়ে মানুষের হতাশা বাড়ার আরেকটি নমুনা হচ্ছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু)। ওই নির্বাচনে এনসিপি একটি পদেও জিততে পারেনি। এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই ছিল ২৪-এর অভুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু।
রাজনৈতিক জোট গঠনের আলোচনা
নেতা সীমিত সাংগঠনিক কাঠামো, তহবিলের স্বল্পতা এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে অনিশ্চিত হিসেবে চিহ্নিত অবস্থানের মতো বাধার কথা বলছেন। তাঁঞরা বলছেন, এনসিপি এখন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।
এনসিপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা ঝুঁকিগুলো আমলে নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা যদি স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি, তাহলে হয়তো একটি আসনও জিততে পারব না।’
এদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, জোট গঠন করলে দলটির ‘বিপ্লবী’ ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।
লেখক ও রাজনীতি-বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, ‘যদি তারা জোট করে, তখন জনগণ আর তাদের আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে বিবেচনা করবে না।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এবং একজন এনসিটি নেতা আরেকটি কথাও বললেন। শিক্ষার্থীরা হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য স্বল্প সময়ের জন্য দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হলেও তাদের বেশির ভাগই পরে নিজ নিজ দলে ফিরে যায়। এনসিপি গঠনের জন্য হাতে থাকে মাত্র কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী ।
এখন এনসিপিকে এমন সব প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হতে হচ্ছে, যাদের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং সুসংগঠিত কাঠামো রয়েছে।
তহবিল সংগ্রহ একটি বড় বাধা
নাহিদ ইসলাম বলেন, অর্থের বিষয়টিও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। কারণ, দলের সদস্যরা মূলত পূর্ণকালীন চাকরির বেতন, ছোট ছোট অনুদান ও ক্রাউডফান্ডিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কেউ কেউ গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে গিয়ে সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তেমনই একজন ২৮ বছর বয়সী হাসনাত আবদুল্লাহ।
রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে বলি যে আমার টাকাপয়সা নেই। আমি তাঁদের বলেছি, একজন নেতার মূল কাজ ভোটারকে অর্থ দেওয়া নয়, বরং সরকারি তহবিলের সঠিক বণ্টন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা’
তবে কিছু এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় দলের ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব পড়ছে। যদিও দলটি নেতাদের দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলটির দাবি, তারা দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।
‘নতুন কিছু দেওয়া’
তবু কিছু তরুণ এখনো এনসিপিকে সমর্থন করছেন। কারণ, তাঁরা আশা করছেন, দলটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অর্থ, শক্তি ও পরিবারকেন্দ্রিক ক্ষমতার সংস্কৃতিতে বদল নিয়ে আসবে এবং সমতা প্রতিষ্ঠা করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনজিলা রহমান বলেন, ‘তারা তরুণ, তারা বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিল। আমি আশা করি, তারা পরিবর্তন আনতে পারবে—যদি তারা নিজেরাই স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে না ওঠে।’
এনসিপি গত নভেম্বর মাসে অভিনবভাবে প্রার্থী খোঁজার অভিযান চালায়। দুই দিনের মধ্যে তারা দেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে ১ হাজারের বেশি মনোনয়নপ্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেয়। তরুণ দলীয় নেতারা ঘুরে ঘুরে সম্ভাবনাময় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। এর মধ্যে এক রিকশাচালক আছেন, বিক্ষোভের সময় পুলিশের ছোড়া ছররা গুলিতে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারানো ২৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীও আছেন।
৩২ বছর বয়সী রিকশাচালক মোহাম্মদ সুজন খান বলেন, ‘কেউ হয়তো ভাবতে পারেন যে রিকশাচালকের তো সংসদে কিছু দেওয়ার নেই। আমাকে একবার সুযোগ দিন, দেখুন আমি দেশে পরিবর্তন আনতে কী করি।’
এ ধরনের একটি ভবিষ্যতের সম্ভাবনা চিকিৎসক তাসনিম জারাকে দলটির প্রতি আকৃষ্ট করেছে। তিনি কেমব্রিজে সফল ক্যারিয়ার ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি দলকে মূল থেকে গড়ে তুলতে চান।
তাসনিম জারা বলেন, ‘আমরা রাজনীতিকে উন্মুক্ত করতে চাই, শক্তিশালী পরিবারগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। ক্ষমতাকে সাধারণ মানুষের হাতে ফিরিয়ে দিতে চাই।’
বিএনপি ও জামায়াত নেতারাও এ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তরুণেরাই ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আধিপত্য করবে, তাই আমরা যদি তাদের সংসদে জায়গা করে দিতে পারি তবে তা ভালো হবে।’
এনসিপি নেতারা বলছেন, তাঁরা আসন্ন ভোট ছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিষ্ঠানগত ও কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে ভাবছেন।
এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘হার-জিত যা–ই হোক, শুধু নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আমরা নতুন কিছু দিচ্ছি।’
![]() |
| জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। মঞ্চে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পেছনে ডিজিটাল পর্দায় দেখা যায় জমায়েতের একাংশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাক যুদ্ধে ভূমিকার কারণে গাজা ‘পিস বোর্ডে’ রাখা হচ্ছে না টনি ব্লেয়ারকে
গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী—যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে উপত্যকাটি অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর তদারকি করবে ‘বোর্ড অব পিস’ নামের একটি কমিটি। ট্রাম্পের পছন্দেই এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার কথা ছিল ৭২ বছর বয়সী ব্লেয়ারের।
তবে এ নিয়ে আপত্তি তোলে কয়েকটি আরব দেশ। কারণ, ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল যুক্তরাজ্যও। তখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ব্লেয়ার। এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন সূত্রের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী বোর্ড অব পিসে টনি ব্লেয়ার থাকছেন। তবে তিনি অন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলও বোর্ড অব পিসে ব্লেয়ারকে চায়। তবে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর আপত্তি রয়েছে। ওই দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেনি সূত্র। তবে চলতি বছরের শুরুর দিকে মিসরে ব্লেয়ারের সফরের কথা উঠলে ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন দেশটির সাধারণ মানুষজন ও রাজনীতিকেরা।
মিসরের সাবেক মন্ত্রী কামাল আবু এইতা সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরবকে বলেন, ‘ঔপনিবেশিক ঐতিহ্যের সঙ্গে শক্তভাবে জড়িয়ে আছেন এমন একজন ব্যক্তি—টনি ব্লেয়ারকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা বিশ্বাস করি না। গাজায় যেকোনো ধরনের দখলদারির বিরুদ্ধে মিসরীয়রা। এই ভূখণ্ড শুধু স্থানীয় মানুষদের মাধ্যমেই শাসিত হবে।’
ইরাক থেকে সাদ্দাম হোসেনকে সরানোর অভিযানে যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ২০০৩ সালে মিসরের রাজধানী কায়রো, জর্ডানের রাজধানী আম্মান ও লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনেও প্রতিবাদ জানাতে সড়কে নেমেছিল মানুষ। এর জেরে সে সময় ব্লেয়ারের জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধস নেমেছিল।
২০০৭ সালে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান টনি ব্লেয়ার। এরপর ‘কোয়ারটেট’ নামে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হন তিনি। ওই গোষ্ঠী ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তিপ্রক্রিয়া নজরদারির দায়িত্বে রয়েছে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত কোয়ারটেটের প্রতিনিধি ছিলেন ব্লেয়ার। এই কাজে তিনি ইসরায়েলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন বলে অভিযোগ এনেছিলেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
![]() |
| যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিসে অভিবাসীদের বহনকারী নৌযান থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার
এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ওই মুখপাত্র জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘নৌযানটিতে পানি উঠে ভেসে যাওয়ার কারণ না জানা যাওয়ায় মৃত ব্যক্তিদের ময়নাতদন্ত করা হবে।’
গ্রিসের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল ইআরটি জানিয়েছে, নৌযানটির ভেতর থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
ক্রিট দ্বীপের ইয়েরাপেত্রা বন্দরের মেয়র মানোলিস ফ্রাঙ্গুলিস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তিদের সবাই কম বয়সী ছিলেন।
ইআরটি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, পানিশূন্যতায় অভিবাসীদের মৃত্যু হয়েছে।
ক্রিট দ্বীপ থেকে ২৬ নটিক্যাল মাইল (৪৮ কিলোমিটার) দক্ষিণ–পশ্চিমে নৌযানটি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গ্রিসের কর্মকর্তারা।
![]() |
| জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন অনেকেই। এএফপির ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
December
(274)
-
▼
Dec 10
(10)
- ভেনেজুয়েলা সরকারের হুমকির মধ্যেও নোবেল নিতে যাবেন ...
- ট্রাম্পের চাপের মুখেও কেন ইসরায়েল প্রশ্নে সৌদি যুব...
- ইউক্রেনকে যুদ্ধে সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারে যুক্তরা...
- রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতককে রাতভর পাহারা দিল কুকুর
- ইসরায়েল ৬০ দিনে ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, ৩৭...
- ক্ষমতা না টাকা বানানোর জাদুর কাঠি? by বদিউল আলম মজ...
- পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তরে ইসরায়ে...
- হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা জেন-জিরা এখন রাজনীতির মাঠ...
- ইরাক যুদ্ধে ভূমিকার কারণে গাজা ‘পিস বোর্ডে’ রাখা হ...
- গ্রিসে অভিবাসীদের বহনকারী নৌযান থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার
-
▼
Dec 10
(10)
-
▼
December
(274)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








