Thursday, September 3, 2026
ডায়াবেটিস মেলা কেন জরুরি
ডায়াবেটিস পরীক্ষার পাশাপাশি রেটিনা পরীক্ষা প্রয়োজন
![]() |
| ডা. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ভিট্রিও-রেটিনা সোসাইটি এবং কনসালট্যান্ট, ভিট্রিও-রেটিনা ভিশন আই হসপিটাল। ছবি: দিপু মালাকার |
* ডা. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ভিট্রিও-রেটিনা সোসাইটি এবং কনসালট্যান্ট, ভিট্রিও-রেটিনা ভিশন আই হসপিটাল
সাধারণ জনগণকে আমরা অনেক দিন ধরে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। সেই বার্তা হলো, আমাদের দেশে ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতনতা আছে। আমাদের দেশের ডায়াবেটিস রোগীরা অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো সেবা পান। কারণ, বিভিন্ন জায়গায় ডায়াবেটিক সেন্টার আছে, ডায়াবেটিক সমিতি আছে। প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীর হাতে একটি বই থাকে, যেখানে লেখা থাকে প্রতি মাসে একবার দেখাতে হবে। তাঁদের নিয়মিত চেকআপের মধ্যে থাকে ক্রিয়েটিনিন, লিপিড প্রোফাইলসহ নানা পরীক্ষা। কিন্তু যে জিনিসটি হয় না, সেটি হলো চোখের পরীক্ষা। বইয়ে চোখের ডাক্তার দেখানোর কলাম থাকলেও, বাস্তবে তাঁরা চোখের ডাক্তার দেখাচ্ছেন আর ডাক্তার চশমা দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন। রেটিনার পরীক্ষা হচ্ছে না।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে প্রায় ২ হাজার রেজিস্টার্ড চক্ষুবিশেষজ্ঞ থাকলেও তাঁদের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ রেটিনা পরীক্ষা করার মতো ক্লিনিক্যালি এক্সপার্ট। ফলে সঠিক রেফারাল না হওয়ায় অনেক রোগী দেরিতে আসেন। আরেকটি সমস্যা হলো সমন্বয়ের অভাব। একজন রোগী যখন দৃষ্টিহীনতার কারণে আমার কাছে আসেন, আমি যদি দেখি তিনি ডায়াবেটিক, তখন আমার উচিত তাঁর কিডনি পরীক্ষা হয়েছে কি না জেনে নেওয়া বা করিয়ে দেওয়া। কিন্তু আমরা অনেক সময় তা করি না। একইভাবে যিনি কিডনির চিকিৎসক, তাঁরও উচিত রোগীকে রেটিনা পরীক্ষা করতে বলা। এভাবে চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয় দরকার। আমরা রোগীদের নানা মাধ্যমে বার্তা দিচ্ছি। নিয়মিত ডায়াবেটিস চেকআপের পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার রেটিনা পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এখন অনেকে এই বার্তার কারণে চিকিৎসা নিতে আসছেন।
আমরা চিকিৎসকদের মধ্যেও আন্তসম্পর্ক বাড়ানোর কিছু প্রস্তাব রেখেছি। আগামী বছর রেটিনা সোসাইটির কনফারেন্সে আমরা একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন রাখব, যেখানে নেফ্রোলজিস্টসহ বিভিন্ন সাবস্পেশালিটির চিকিৎসকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। যেমন কোন ক্ষেত্রে এনজিওগ্রাম করা যাবে বা যাবে না, চোখের ইনজেকশন কিডনিতে কী প্রভাব ফেলে—এসব বিষয়ে পরস্পরের মতবিনিময় হবে। এতে সচেতনতা ও যোগাযোগ বাড়বে। আরেকটি উদ্যোগ হতে পারে ডায়াবেটিক সোসাইটি ও রেটিনা সোসাইটি মিলে সচেতনতামূলক একটি পোস্টার তৈরি করা, যা সব ডায়াবেটিক সেন্টার ও রোগীর অপেক্ষমাণ কক্ষগুলোতে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। রোগীরা অন্তত পড়ে জানতে পারবেন যে চোখের রেটিনা পরীক্ষাও অত্যন্ত জরুরি।
আরেকটি বাস্তবসম্মত প্রস্তাব হলো, প্রতিটি হাসপাতাল বা ইনস্টিটিউটে একটি ফান্ডাস ক্যামেরা রাখা। সাত-আট লাখ টাকায় একটি ক্যামেরা কেনা যায়। এটি দিয়ে ছবি তুলে সহজেই বোঝা যায় রেটিনায় সমস্যা আছে কি না। টেকনিশিয়ানও পরিচালনা করতে পারেন। চিকিৎসক শুধু রিপোর্ট দেখে প্রয়োজন হলে রেফার করবেন। এতে রোগীদের কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। যেসব এলাকায় চক্ষুবিশেষজ্ঞ নেই, সেখানে ছবিগুলো অনলাইনে সেন্ট্রাল সিস্টেমে পাঠিয়ে স্ক্রিনিং করানো সম্ভব। সারা বিশ্বেই এখন এমনভাবে স্ক্রিনিং হচ্ছে। একজন বিশেষজ্ঞ শত শত ছবি দেখে বের করে দিতে পারেন, কোন রোগীদের রেফার করা দরকার। এটি করা সম্ভব হলে দেশের সর্বত্র রেটিনা স্ক্রিনিং সহজ হয়ে যাবে।
সচেতনতাই ডায়াবেটিস কমিয়ে আনতে পারে
![]() |
| ইফতেখারুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা ও সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, ডায়াবেটিস মেলা। ছবি: দিপু মালাকার |
* ইফতেখারুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা ও সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, ডায়াবেটিস মেলা
অনেকেই ইতিমধ্যে আলোচনা করেছেন। শুরুতেই বলে রাখা ভালো, আমি দীর্ঘদিন ওষুধশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং এখনো ব্যবস্থাপনা পরামর্শক হিসেবে কাজ করছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই, ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ওষুধের প্রাপ্যতা নিয়ে আমি কোনো অভিযোগ শুনিনি। এর কৃতিত্ব আমার বহু সহকর্মীর, যাঁরা ৩০ বছর ধরে ওষুধশিল্পে কাজ করছেন। বাংলাদেশে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার ওষুধ বা ইনসুলিনের কোনো সংকট নেই। এটা নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। এর সুফল রোগীরা পাচ্ছেন, চিকিৎসকেরাও পাচ্ছেন।
সচেতনতা তৈরির যে প্রয়োজন, সেটি নিয়ে সবাই একমত। সূচনা বক্তব্যে আমরা শুনেছি ডায়াবেটিস বহুলাংশে প্রতিরোধযোগ্য, তবু এটি বাড়ছে। যা ইঙ্গিত করে, এ বিষয়ে শিক্ষা ও সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। সচেতনতা গড়ে ওঠে দুটি পর্যায়ে, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পর্যায়ে, আরেকটি সামাজিক পর্যায়ে। সমাজে আমাকে যে প্রভাবিত করতে পারে, তার ওপর নির্ভর করে সচেতনতা কতটা কার্যকর হবে।
এখানে একটি সমস্যা অনেক দিন ধরে তৈরি হয়েছে, আমাদের রোল মডেলরা ক্রমেই আড়ালে চলে যাচ্ছেন। আমরা কাউকে সহজে বিশ্বাস করি না। গণমাধ্যমে একসময় কিছু ছাপা হলে সেটিকে আমরা আস্থার সঙ্গে গ্রহণ করতাম, এখন কি আমরা তা করি? পরিস্থিতি যদি এমন হয়, তাহলে সচেতনতা তৈরি করব কীভাবে? এই ভঙ্গুর ও সন্দেহপ্রবণ সমাজকে প্রভাবিত করতে হলে, আরও শক্তিশালী মাধ্যম ও উৎস প্রয়োজন। আস্থাভাজন মানুষ আমাদের গড়ে তুলতে হবে।
কোন কোন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার, তা আপনারা বলেছেন। স্বাস্থ্য, ওজন, জীবনযাপন, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যাভ্যাস, বিশ্রাম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রি–ডায়াবেটিক মানুষের ক্ষেত্রে সচেতনতা ও সতর্কতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ; কারণ তাতে আমরা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারি। এতে চিকিৎসার চাপও কমবে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ বা ওবেসিটির বিষয়ে সমাজে পরিভাষাগত জটিলতা তৈরি হয়েছে। বডি শেমিংয়ের মতো প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলা কঠিন। কাউকে কিছু গ্রহণ করানোও কঠিন। তাই সাধারণ সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। আমার শেষ কথা, সচেতনতার পাশাপাশি আমাদের আস্থাভাজন মানুষ ও গণমাধ্যম তৈরি করতে হবে। আবার পরামর্শ শোনার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে।
ডায়াবেটিস মেলায় দরকারি তথ্য মেলে
![]() |
| ডা. মো. ফজলে রাব্বী খান, প্রধান সমন্বয়ক, ডায়াবেটিস মেলা, সেক্রেটারি জেনারেল, হেলদি লিভিং ট্রাস্ট। ছবি: দিপু মালাকার |
* ডা. মো. ফজলে রাব্বী খান, প্রধান সমন্বয়ক, ডায়াবেটিস মেলা, সেক্রেটারি জেনারেল, হেলদি লিভিং ট্রাস্ট
আমাদের সমাজে ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সের মধ্যে দুটি ধারা দেখা যায়। এক. যাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস রোগের এক বা একাধিক ঝুঁকি সৃষ্টিকারী কারণ আছে। (স্থূলতা, বংশে কারও না কারও এই রোগ থাকা কিংবা প্রয়োজনীয় কায়িক শ্রম না করা। তাঁরা মনে করেন, আমার তো এভাবেই বেশ চলছে, আমার ডায়াবেটিস হবে না। তাঁরা আসলে ততক্ষণে প্রি-ডায়াবেটিস অবস্থায় আছেন। তাঁদের সংখ্যা আমাদের সমাজে পুরুষদের মধ্যে শতকরা ১৭ ভাগ আর নারীদের মধ্যে ২৩ ভাগ। শুধু সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন না মানার জন্য তাঁদের কারও কারও হঠাৎ করেই ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। আর এই সংখ্যাটাও কম নয়, এই প্রি-ডায়াবেটিসের শতকরা ১৫ থেকে ৩০ ভাগ ডায়াবেটিসে আত্রান্ত হন।
দুই. এই দলে পড়বেন তাঁরা, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। প্রথম দিকে অল্প ডায়াবেটিস, পরে অনিয়ন্ত্রিত। তাঁদের সংখ্যাও কিন্তু কম না, পুরো জনগোষ্ঠীর প্রতি ৮ জনে ১ জন। তাঁরা মনে করেন, ভালোই তো আছি, এভাবেই তো চলছে। হঠাৎ করেই এই দলের নানা জটিলতা শুরু হয়ে যায়। একদম ভূমিকম্পের মতো, কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই আঘাত করে।
এই দুই ধরনের মানুষের যদি আমরা সময়মতো কার্যকর ও সঠিক পরামর্শ সহায়তা দিতে পারি, তবে ভালো ফল মিলতে পারে। বিশেষ করে প্রথম দলে থাকা মানুষদের ডায়াবেটিস হওয়া কিছুটা বিলম্বিত করা যাবে, এমনকি অনেককে রক্ষাও করা যাবে। আর দ্বিতীয় দলের মানুষদের তাঁর চোখ ও কিডনি বিকল হওয়া থেকে, হৃদ্রোগ বা স্ট্রোকের মতো নানা জটিলতা থেকেও রক্ষা করা যাবে।
কাজেই শুরুতে প্রয়োজন, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ও আক্রান্ত হতে পারে, এমন মানুষদের চিহ্নিত করা। তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য সহায়তা দেওয়া ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতন করা। যেন রোগী বা হবু ডায়াবেটিস রোগী নিজেরাই নিজের ব্যবস্থাপনা ঠিকমতো করতে পারেন। চিকিৎসক শুধু আপনাকে গাইড করবেন, নিয়মিতভাবে আপনার রক্তের সুগার আপনাকেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
এ রকম একটা উপলব্ধি থেকেই আমরা ২০১৯ সাল থেকে ডায়াবেটিস মেলা আয়োজন করছি। বইমেলায় বই মেলে, বাণিজ্যমেলায় মেলে বাহারি জিনিসপত্র। তবে ডায়াবেটিস মেলায় ডায়াবেটিস পাওয়া যাবে না, পাওয়া যাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের নানা তথ্য। এই রোগকে অযথা ভয় না পেয়ে, আতঙ্কিত না হয়ে এই প্ল্যাটফর্মে মানুষ আসেন ডায়াবেটিস–সংশ্লিষ্ট প্রথিতযশা চিকিৎসকদের মুখ থেকে কথা শুনতে। নিজেদের সমৃদ্ধ করতে।
আমরা চেস্টা করছি, ডায়াবেটিসের যত্ন ও সেবাদানকারী সব প্রতিষ্ঠানকে একই ছাতার নিচে আনতে। আর ডায়াবেটিস রোগীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে। যেখানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা, বিভিন্ন কর্মশালা ও বক্তৃতা ছাড়াও হাতে–কলমে ডায়াবেটিসের যত্ন ও নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেওয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যকে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান শি জিনপিংয়ের
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান শি জিনপিং। এক দশক পর প্রথমবারের মতো কায়রো সফরে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করলেন। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে বেইজিং।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, আল-সিসির সঙ্গে বৈঠকে শি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই এই নীতি মেনে চলতে হবে যে মধ্যপ্রাচ্যের জনগণই তাদের নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক। বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করতে হবে এবং শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে সংলাপ জোরদারে আঞ্চলিক দেশগুলোকে সমর্থন করতে হবে।’
মিসরের রাজধানী কায়রোর ইত্তিহাদিয়া প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে শি জিনপিংকে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। এ সময় শিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
এরপর দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বৈঠকে বসেন।
চার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেলেন শি। কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতে বাণিজ্য ব্যাহত, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত এবং ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর অঞ্চলটির মার্কিন মিত্ররা নিজেদের কৌশলগত সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করছে।
মিসর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা অংশীদার। দেশটি ওয়াশিংটনের কাছ থেকে বছরে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পায়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বাড়িয়েছে কায়রো।
শি আরও বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে মিলে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সংঘাতের কারণে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতা নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সন্ত্রাসবিরোধী সমন্বয় আরও জোরদারে সম্মত হয়েছেন। যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ ডেটা সেন্টার, সেমিকন্ডাক্টর ও গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর সরবরাহ শৃঙ্খলে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে পরস্পরের মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছে।
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা মিসরের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বহুমুখী করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। শির সফরের আগে প্রকাশিত এক নিবন্ধে প্রেসিডেন্ট সিসি বলেন, বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ার সময়ে মিসর ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ নীতি অনুসরণ করছে।
সাবেক মিসরীয় কূটনীতিক আয়মান জেইনেলদিন রয়টার্সকে বলেন, ‘চীনসহ বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের পরিধি বাড়াতে চায় মিসর। ফলে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গি এক জায়গায় এসে মিলছে।’
অন্যদিকে চীনের জন্য মিসরের আঞ্চলিক প্রভাব ও কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক ভূমিকা বাড়ানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমানোর প্রচেষ্টায় কায়রোকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে বেইজিং।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক এইচ এ হেলিয়ার বলেন, ‘বেইজিংয়ের কাছে মিসরের গুরুত্ব অনেক। দেশটির বড় অভ্যন্তরীণ বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন ইস্যুসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়ে মিসরের যথেষ্ট কূটনৈতিক প্রভাব রয়েছে। আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও দেশটি গুরুত্বপূর্ণ।’
গত মাসে চীন ও মিসরের যৌথ সামরিক মহড়ায় দুই দেশের বাড়তে থাকা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ‘ঈগলস অব সিভিলাইজেশন’ নামের ওই মহড়ায় চীনের তৈরি জে-১৬ যুদ্ধবিমান এবং ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমানের মধ্যে বিরল বিমানযুদ্ধের মহড়াও অনুষ্ঠিত হয়।
শির সফর ঘিরে কয়েক দিন ধরেই মিসরের রাজধানী কায়রোতে ব্যাপক প্রস্তুতি দেখা যায়। শহরের বিভিন্ন সড়ক চীনের পতাকা এবং মিসরের স্ফিংস ও চীনের গ্রেট ওয়ালের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনার ছবি দিয়ে সাজানো হয়।
সুয়েজ খাল ও ১১ কোটির বেশি জনসংখ্যার মিসর চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্য আমদানি করেছে দেশটি।
২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট সিসির চীন সফর এবং দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে মিসরে চীনের বিনিয়োগ দ্রুত বেড়েছে। চীনা কোম্পানিগুলো কনটেইনার বন্দর, সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্প এবং লোহার পাইপ, গাড়ির টায়ার ও স্যাটেলাইট তৈরির কারখানায় কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
মিসরের মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, সুয়েজ খাল অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বুধবার মিসরীয় কর্তৃপক্ষ ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের উন্নয়ন করা একটি শিল্পাঞ্চল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। একই দিনে চীনের জেডসি রাবার গ্রুপ ৫০ কোটি ডলারের একটি টায়ার উৎপাদন কমপ্লেক্স নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি প্রাথমিক চুক্তি সই করেছে।
সূত্র : রয়টার্স
![]() |
| চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে নভেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পক্ষে না ট্রাম্পের সহযোগীরা
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামরিক অভিযান জোরদারের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে ফেরার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা এসব তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা এবং ওই অঞ্চলে নৌযান চলাচলে আক্রমণের জবাবে সর্বশেষ হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, আপাতত ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আলোচনায় ইরানের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করা হবে। কয়েক মাসের সামরিক অভিযানেও যে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি, অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে সেটি অর্জনের চেষ্টা চলছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখছি। তবে নভেম্বরের নির্বাচন আমাদের অগ্রাধিকার।’
সূত্রগুলোর মতে, নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধকে মূলত সীমিত পর্যায়ে রাখা গেলে সংঘাতটি সংবাদমাধ্যমের প্রধান আলোচ্য হয়ে ওঠা ঠেকানো সম্ভব হবে। এতে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে নিজেদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থীরা কিছুটা সুবিধা পাবেন।
আগস্টের শেষ দিকে রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে সমর্থন করছেন। বিপরীতে ৬৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করছেন। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ রয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে কমিয়ে রাখলে মার্কিন সামরিক বাহিনীও সময় পাবে। এতে ব্যাপকভাবে কমে যাওয়া গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করা সম্ভব হবে।
তবে ‘শান্ত’ থাকার এই কৌশল বাস্তবায়ন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বসন্তকাল কিংবা গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ের সংঘাতের তুলনায় বর্তমানে যুদ্ধের তীব্রতা কম হলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালিতে কয়েক মাস ধরে নৌ চলাচল ব্যাহত করা এবং দেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে না পড়ায় ইরানের নেতৃত্ব আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। ফলে দেশটি মার্কিন ও তাদের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি, জাহাজ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় অন্তত মাঝেমধ্যে হামলা চালিয়ে যেতে পারে।
এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা হামলা চালানোর চাপ বাড়বে। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ধাপে ধাপে বেড়ে আবারও পূর্ণমাত্রার বিমানযুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
চলতি সপ্তাহের শেষে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালির আশপাশে ইরানের আরও কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জুলাইয়ের পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাত। ওই হামলায় ইরানে সামরিক সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বারবারা লিফ বলেন, ‘শান্তি’ নষ্ট করার জন্য ইরানের নেতৃত্বের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ প্রশাসন স্পষ্টভাবেই ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে।
ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় অনিশ্চয়তার নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। রয়টার্স/ইপসোসের জরিপ অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর ট্রাম্পের অনুমোদনযোগ্যতার হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই মুহূর্তে ট্রাম্প যুদ্ধ আরও বাড়াতে আগ্রহী নন। তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য তার পরিচিত প্রবণতার কারণে পরিস্থিতি বদলে গেলে তিনি অবস্থানও পরিবর্তন করতে পারেন।
মঙ্গলবার ইরান সর্বশেষ মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব দিলে সংঘাত আরও বাড়ানোর হুমকি দেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি বলেন, ইরান পাল্টা হামলা চালালে দেশটিকে আরও কঠোর ও বড় মাত্রার হামলার মুখোমুখি হতে হবে।
তবে বুধবার ট্রাম্প বলেন, নতুন করে শুরু হওয়া সামরিক অভিযান দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না। একই সঙ্গে তিনি আবারও দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচন ইরান বিষয়ে তার কৌশল নির্ধারণে কোনো ভূমিকা রাখছে না।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না। আমার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং আমি তাদের সহায়তা করব। তবে আমি মনে করি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার বিষয়টি আমার দল সমর্থন করে।’
যুদ্ধ সপ্তম মাসে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন ক্রমেই সামরিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার চাপে পড়ছে।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘সময়সূচি বদলে গেছে।’ আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ক্যালেন্ডারই ইরানকে চালাচ্ছে।’
আগস্টে রয়টার্স জানিয়েছিল, মার্কিন সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট কিছু অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় পুরোপুরি ব্যবহার করে ফেলেছে। রোববার ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানেরা প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধান পিট হেগসেথকে লিখিত মূল্যায়নে জানিয়েছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা টেকসই হবে না। এতে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তবে পেন্টাগনের দাবি, অভিযান পরিচালনার জন্য সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছেন এবং ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌ অবরোধ ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে দেশটির অবশিষ্ট অর্থনীতিকেও দুর্বল করে দিচ্ছেন। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট মার্কিন স্বার্থ এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী পদক্ষেপের পক্ষে থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোর কয়েকটি সাম্প্রতিক হামলার পর এখন সংঘাত কমানোর আহ্বান জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক কূটনীতিকরা।
হোয়াইট হাউসের দুই কর্মকর্তা জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ট্রাম্পের কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী নভেম্বর পর্যন্ত ইরান সংঘাতকে তুলনামূলকভাবে ‘শান্ত’ রাখার কৌশলের পক্ষে রয়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার ওপর জোর দিয়েছে। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধও অব্যাহত রয়েছে।
তবে বিশ্লেষক ও কর্মকর্তারা বলছেন, এই বাণিজ্যনির্ভর কৌশলেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকার পরও ইরানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটির নেতৃত্বকে নীতির পরিবর্তনে বাধ্য করা যায়নি।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট রোববার সতর্ক করে বলেন, অর্থনৈতিক চাপ ইরানকে সামরিকভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করতে পারে। ফলে অর্থনৈতিক চাপের কৌশলই শেষ পর্যন্ত সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে।
এ ছাড়া চীনের মতো কয়েকটি বড় শক্তি ওয়াশিংটনের ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টায় যোগ দেয়নি। ফলে মার্কিন কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স প্লিটসাস বলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালির অবরোধের ফলে তৈরি অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে আরও চাপ যোগ করে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। তবে চীন ইতোমধ্যে এতে অংশ নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
সূত্র : রয়টার্স
![]() |
| জেনারেল ড্যান কেইন, পিট হেগসেথ, জেডি ভ্যান্স ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পাতাললোক’ থেকে ‘ফ্যামিলি ম্যান’ এবার অভিযান নাগাল্যান্ডে by লতিফুল হক
# একনজরে
* সিরিজ: ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩’
- নির্মাতা: রাজ ও ডিকে
- ধরন: স্পাই-থ্রিলার
- অভিনয়ে: মনোজ বাজপেয়ী, প্রিয়ামণি, শারিব হাশমি, শ্রেয়া ধন্বন্তরী, নিমরত কৌর ও জয়দীপ আহালওয়াত।
- স্ট্রিমিং: অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও
- পর্ব সংখ্যা: ৭
- রানটাইম: ৫০-৫৪ মিনিট
দিল্লি ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের ঐতিহাসিক বৈঠক ঘিরে তৈরি হচ্ছে উত্তেজনা। এই ‘মূল ভূখণ্ড’ ও ‘প্রান্তিক অঞ্চল’-এর মুখ হয়ে উঠেছে নাগাল্যান্ড। এই অঞ্চলে বহু বিভাজন—একদিকে সরকারকে অবিশ্বাস করা বিদ্রোহী গোষ্ঠী, অন্যদিকে শান্তির পক্ষে থাকা প্রবীণ রাজনীতিকেরা। বৈঠকে যাওয়ার জন্য এক গাড়িতে রওনা হন শ্রীকান্ত তিওয়ারি (মনোজ বাজপেয়ী), গৌতম কুলকার্নি (দীলিপ তাহিল) ও ডেভিড খুজা (সুনীল থাপা)।
এই শান্তিচুক্তি থামাতে মরিয়া লন্ডনে থাকা রহস্যময় এক নারী মীরা এস্ট (নিমরাত কৌর)। কারণ, এতে এক বিলিয়নিয়ারের সঙ্গে লাভজনক অস্ত্রচুক্তি আটকে যায়, মন্ত্রিসভা অসন্তুষ্ট হয়। মীরা আইএসআই এজেন্ট মেজর সামীরের (দর্শন কুমার) সাহায্যে বৈঠক থামাতে দায়িত্ব দেন নাগাল্যান্ডের মাদক সর্দার রুকমাকে (জয়দীপ আহালওয়াত)। রুকমার অভিযানে সবাই মারা যান, কেবল শ্রীকান্ত কাকতালীয়ভাবে বেঁচে যান।
প্রধানমন্ত্রী বাসু (সীমা বিশ্বাস) নড়েচড়ে বসেন। কী হবে এবার? এদিকে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এই হামলায় জড়িত খোদ শ্রীকান্ত তিওয়ারি; তাঁর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। অবস্থা বেগতিক বুঝে স্ত্রী শুচি (প্রিয়ামণি), দুই সন্তান অথর্ব ও ধৃতি এবং জেকে (শারিব হাশমি) নিয়ে পালান তিনি। গন্তব্য নাগাল্যান্ড, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে তো বটেই, সঙ্গে বাঁচাতে হবে দেশকে আর নিতে হবে কুলকার্নি স্যারের মৃত্যুর প্রতিশোধ। রাজনৈতিক টানাপোড়েন, স্থানীয় বিভাজন, মাদক ব্যবসায়ী, বিদেশি শক্তি, গোপন বাণিজ্যিক স্বার্থ, ঐতিহাসিক ক্ষত, বিশ্বাসঘাতকতা মিলিয়ে এগিয়ে যায় গল্প।
ওপর থেকে দেখলে আসলে ‘পাতাললোক’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের কথাই বেশি মনে করিয়ে দেয়। চার বছর পর আসা ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩’ যেন অদ্ভুতভাবে একই প্ল্যাটফর্মের আরেকটি সিরিজ ‘পাতাললোক ২’-এর ইউনিভার্সে ঢুকে গেছে। কাকতালীয়ভাবে দুই সিরিজেই আছেন জয়দীপ, একটিতে তিনি ত্রাতা; অন্যটিতে আততায়ী। তবে খেয়াল করলে দেখা যাবে, এই সময়ের হিন্দি সিনেমা ও সিরিজে ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চলের প্রতি আগ্রহ কোনো কাকতাল নয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চল এখন হয়ে উঠেছে সরকারবিরোধী ক্ষোভ, আইটি সেল আর নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের গল্প বলার নতুন বাহন। কাশ্মীর নিয়ে গল্প বলা এখন জটিল হয়ে উঠেছে বলেই সম্ভবত এই প্রবণতা।
কিন্তু উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কেবল ‘বিকল্প’ হিসেবে দেখলে সেখানে নিপীড়নের বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করা হয়। ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ ২০১৯ থেকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েছে—প্রথম মৌসুমে ইসলামোফোবিয়া ও উগ্রবাদ, দ্বিতীয় মৌসুমে এলটিটিই বিদ্রোহ; ফলে তৃতীয় মৌসুমে পূর্বমুখী হওয়াটা স্বাভাবিক, তবে প্রেক্ষাপট এখন আর নতুন মনে হয় না।
নির্মাতা দ্বয় রাজ ও ডিকে তাঁদের ওয়ান টেক শটের জন্য পরিচিত; এবারের মৌসুম শুরুই একেকটা দীর্ঘ ওয়ান টেক শট দিয়ে। ক্যামেরা ঘুরে বেড়ায় নাগাল্যান্ডের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভেতর, ভিড়ের মধ্যে বোমা পুঁতে রাখা হয়। আগের দুই মৌসুমেও এমন দৃশ্য ছিল, তবে সেগুলো ছিল সিরিজের মাঝপথে এবং অবশ্যই অ্যাকশন দৃশ্য। এবার শুরুতেই দর্শককে চমকে দেওয়ার চেষ্টা। কিন্তু এই চমক পরে আর ধরে রাখতে পারেননি নির্মাতারা। ধীরে ধীরে সিরিজটি চেনা ফর্মুলার ফাঁদে পড়ে।
এবার মৌসুমটি এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে দুর্বল, তবে স্পাই-থ্রিলার হিসেবে এখনো চলনসই। শ্রীর গালাগালি, মিথ্যা বলা, জেকের সঙ্গে তাঁর খুনসুটি, অবহেলিত স্ত্রী সূচিকে (প্রিয়ামণি) দেওয়া অজুহাত—সব মিলিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের চেনা ছবি। আগের চেয়ে চরিত্র নির্মাণ দুর্বল হলেও ‘মিডল ক্লাস ম্যান, ওয়ার্ল্ড ক্লাস স্পাই’ হিসেবে শ্রীকান্ত উতরে যান। চলন্ত ট্রেনে মেয়ের প্রশ্নে শ্রীকান্ত যখন বলেন, ‘আমাদের মতো এজেন্টদেরও কি স্ত্রী-সন্তান পাওয়ার অধিকার নেই?’ তখন সিরিজের মূল সুরটি স্পষ্ট হয়। ক্ষোভ, হতাশা, অসহায়ত্ব আর মজার দৃশ্যগুলোতে আগের মতোই দুর্দান্ত মনোজ, তবে তাঁকে ঠিক অ্যাকশনে খুব বেশি দেখা গেল না, এটাই বড় আফসোস।
খল চরিত্রে রুকমা বহুমাত্রিক—গ্যাংস্টার, ঠিকাদার ও হতাশ দেশপ্রেমিক। তাঁরও ইচ্ছা হয় বিয়ে করে পারিবারিক মানুষ হয়ে উঠতে। এই চরিত্রে মনে রাখার মতো কাজ করেছেন জয়দীপ। সাবেক নাগামিজ সৈনিক হিসেবে অনবদ্য। তিনি একদিকে কঠিন অপরাধী, আবার একধরনের নীতিবোধসম্পন্ন নরম মানুষ। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তিনি বহিরাগত হয়েও সম্মান আদায় করে নেন, মূল ভূখণ্ডের প্রতি স্থানীয় লোকজনের বিরাগ থাকা সত্ত্বেও। তবে কেন তিনি ‘বিপথগামী’ হলেন, কোথাও সেটা দেখানোর প্রয়োজন মনে করেননি নির্মাতা।
সিরিজটি আসলে এমন একজন মধ্যবিত্ত মানুষের গল্প, যিনি রাষ্ট্রের চাকরিতে এতটাই ‘প্রতারক’ হতে বাধ্য হন যে তাঁর দাম্পত্য দাঁড়িয়ে থাকে অবিশ্বাসের ওপর। রুকমার ক্ষেত্রে সেটা আরও করুণ—তিন সেই সুযোগটুকুও পান না। মীরা, ইয়াতিশসহ (হারমান সিং) অন্য চরিত্ররাও ধূসর। এখানে কেউ পুরোপুরি খারাপ নন, সবাই পুরোপুরি ভালোও নন—এই সিরিজের আগের মৌসুমে যেমনটা দেখা গেছে।
জেকে শারিব হাশমি এখনো বেশ ভালো, তবে এবারের মৌসুমে শ্রীকান্তের সঙ্গে তাঁর রসায়ন সেভাবে জমেনি। তাঁদের মজার মুহূর্তগুলো ছিল আগের মৌসুমগুলোর বড় প্রাপ্তি। এবারও তাঁরা অনেক কথা বললেন, কিন্তু সেভাবে হাসি পেল কই? শুচি চরিত্রে প্রিয়ামণির তেমন কিছু করার ছিল না। মীরা চরিত্রে নিমরাত কৌর কেবল লন্ডনের রাস্তায় ফোন হাতে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
জোয়া চরিত্রে আবার ফিরেছেন শ্রেয়া ধন্বন্তরী; তাঁর কাজ চলনসই। তবে নতুন এজেন্ট চরিত্রে হতাশ করেছেন হারমান সিং। তাঁর অ্যাকশন, আবেগের বা রোমান্টিক দৃশ্য কোনোটাই মনে দাগ কাটে না। এ ছাড়া রাজ আর ডিকের ইউনিভার্সের সুপরিচিত দুই চরিত্র আছেন, কিন্তু তাঁদের দেখে ঠিক হাততালি দিতে ইচ্ছা করে না।
এই মৌসুমে হাজারো সমস্যা। চিত্রনাট্য দুর্বল, সেই দুর্বলতা ঢাকতে গল্প কেবল এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়ায়। জটিলতার মূলে রাজনৈতিক-প্রশাসনিক ব্যাপার, কিন্তু সেটার উপস্থাপনা বড্ড ক্লিশে। আগের মৌসুমগুলোতে বিভিন্ন তথ্য বিনোদনের মোড়কে দৃশ্যের ভেতরে গেঁথে দেওয়া হতো। এবার সংলাপভিত্তিক ব্যাখ্যা বেড়েছে, ঠিক নির্মাতাদ্বয়ের আরেকটি সিরিজ ‘সিটাডেল: হানি বানি’-এর মতো। যেন দর্শককে গুলিয়ে খাইয়ে না দিলে তাঁরা কিছুই বুঝবেন না।
রাজনৈতিক ভাষ্যও দ্বিধাগ্রস্ত। প্রধানমন্ত্রী নারী হওয়ায় সহানুভূতি, পুরুষ সহকারীদের দোষ—ফোকাস চলে যায় আদর্শগত বিষয় থেকে লিঙ্গ প্রসঙ্গে। মিডিয়া সংস্কৃতি এখানে এক বিকল্প বাস্তবতায় কাজ করে, যেখানে টিভির সঞ্চালকেরা সরকারকে আক্রমণ করেন। টুইস্টগুলোও আগে থেকেই আন্দাজ করা যায়।
সবচেয়ে হতাশার শেষ ক্লিফহ্যাঙ্গার—অসম্পূর্ণ মনে হয়। চলতি মাসে নেটফ্লিক্সের আসা ‘দিল্লি ক্রাইম ৩’–এর ক্লাইমেক্সের মতো হতাশ না করলেও আগের দুই মৌসুমের তুলনায় জমেনি। বড় আকর্ষণ হতে পারত ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’-এর বাবা-ছেলে জুটিকে (মনোজ বাজপেয়ী ও জয়দীপ আহলাওয়াত) মুখোমুখি দেখা; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর জমল কই!
আগের দুই মৌসুম মনে রাখলে তাই ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩’ অনেক পিছিয়ে। তবে দারুণ নির্মাণ, হাস্যরস, রোমাঞ্চ, মনোজ বাজপেয়ী আর জয়দীপের অভিনয় মিলিয়ে স্পাই-থ্রিলার হিসেবে একেবারে ফেলে দেওয়ার মতোও নয়।
![]() |
| ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩’–তে দেখা গেছে নিমরাত কৌর, মনোজ বাজপেয়ী ও জয়দীপ আহালওয়াতকে। কোলাজ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (1808)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





