Monday, July 2, 2018
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এভাবে কথা বলা সমীচীন হয়নি

কিন্তু আমাদের এই নির্বাচনগুলো নিয়ে তেমন কোনো বিতর্ক হয়নি। তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনভিপ্রেত। একটা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আরেকটা দেশের রাষ্ট্রদূতের কথা বলা সমীচীন নয়। এটা দৃষ্টিকটু হয়েছে বলে মনে করি। গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলবে কিনা- জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিল ক্লিনটন বিএনপির এক কর্মীর কাছে বলেছেন-ওয়ার্ল্ড পলিটিকস ইজ নাউ ডিফিকাল্ট। কাজেই একটা দেশের রাষ্ট্রদূত কী বললো, সেটা নিয়ে দেশ চলে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন দৃঢ়চেতা নেতা। তার অধীনে আগামী নির্বাচন হবে এবং নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুটি নির্বাচন নিয়ে কিন্তু তেমন কোনো কথাবার্তা হয়নি। গাজীপুরে নির্বাচন যে গ্রহণযোগ্য হয়েছে এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো ভোট কাস্টিং হয়েছে ৫৭ শতাংশ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজারের মতো ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী পেয়েছে ২ লাখের মতো ভোট। ভোটের রেশিও দেখলেই বোঝা যায় যে, নির্বাচনটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য। গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে বিএনপি কিন্তু তত বেশি কোনো বাস্তবসম্মত কথা বলার সুযোগ পায়নি। তাদের যে নেতা লন্ডনে থাকেন তিনিই তো বলেছেন, তাদের এজেন্ট ছিল না। আমাদের দল টাকা দিয়ে তাদের এজেন্ট... যে দলের এজেন্ট টাকা খেয়ে সরে যায়, সেটা কোনো দল হলো। তাদের এজেন্টদের আমাদের দলের লোক টাকা দিতে যাবেই বা কেন? তিনি বলেন, ‘বিএনপি বলেছে, আগামী তিনটি নির্বাচন দেখার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবে। আগামী তিনটা নির্বাচনও অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। আমি মনে করি, বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। কারণ বৃটিশ মন্ত্রীও বলে গেলেন, দুবার যদি তারা নির্বাচন না করে তাদের তো নির্বাচন কমিশনের রেজিস্ট্রেশন থাকবে না। আরেকটি নির্বাচন না করলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলেই আমি মনে করি। আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করছে জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপিরও নির্বাচন নিয়ে কাজ করা উচিত, মানুষের কাছে যাওয়া উচিত।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ নিয়ে চীন ও ভারতের লড়াই by শাকিল বিন মুশতাক

গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরে চীনের তৈরি দুইটি সাবমেরিন মোতায়েন করে বাংলাদেশ। বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি ভারত। চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন কেনা ও বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে গ্রহণ করে ভারতীয়রা। এর পরপরই গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসেন লানবা। নৌ প্রধানের সফরের কয়েকদিনের মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিকরও বাংলাদেশ সফর করেন। এ সময় লানবা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সফর বাংলাদেশে ভারত ও চীনের প্রভাব সম্পর্কে আমাদের কি বার্তা দেয়? ইতিহাসে ফিরে তাকালে এর কিছুটা উত্তর পাওয়া যায়। ভারতের সরাসরি সামরিক সহায়তায় বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিয়েছে। আর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে চলে। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান একদল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হওয়ার পর তারা ক্ষমতা হারায়। ওই বছরের আগস্টের পর নতুন সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসে। তারা ভারতের একচেটিয়া প্রভাব দূর করতে চীনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। ১৯৭৫ সালের সেনাপ্রধান ও পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বগ্রহণকারী জিয়াউর রহমান এই কার্যক্রম শুরু করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতার লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ।
৭৫-পরবর্তী সময় ছিল চীন-বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক সহযোগিতার স্বর্ণযুগ। বৈদেশিক নীতিতেও তা বজায় ছিল। তখন উত্তর-পূর্ব ভারতের বিদ্রোহীরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। আর এতে সমর্থন দিয়েছিল চীন। চীন ও ভারত নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মেরুকরণ ঘটায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বিরাজমান ছিল। এরপর আবারো ভারতের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তবে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনব্যাপী চীনের সামরিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ ভারতের জন্য একটি প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন আবারো ক্ষমতায় ফিরে আসে, ভারতের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে দলটি আরো উদারতা দেখায়। ২০১০ সালে ভারত থেকে সহজ শর্তে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ গ্রহণ করে বাংলাদেশ। এটি ছিল কোনো দেশকে দেয়া ভারতের সবচেয়ে বড় অংকের ঋণ। ২০১৭ সালে ভারত আরো ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ভারত থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য রাখা হয়।
এর পরেও চীন বাংলাদেশের সোনাদিয়া দ্বীপে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করে। ধারণা করা হচ্ছিল, ২০১৪ সালের চীন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। কিন্তু তা কখনোই ঘটেনি। ওই প্রকল্প নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। বলা হচ্ছে, ওই প্রকল্পে বাধা দিয়েছে ভারত।
পরে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে দুইটি সাবমেরিন গ্রহণ করে। খুবই সস্তা দামে এগুলো কিনেছে বাংলাদেশ। তারপরেও এতে খুশি হতে পারেনি ভারত। পরে বাংলাদেশের নৌবাহিনীকে সাবমেরিন প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দেয় ভারত। ওই প্রস্তাবের প্রক্রিয়া কতদুর এগিয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু লানবার সফর ও করপ্যাট নিয়ে ঘোষণা বাংলাদেশ ও এর নৌ-সীমানায় সরাসরি উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের আগ্রহ প্রকাশ পায়।
বাংলাদেশে এ বছরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দৃশ্যপটের অন্তরালে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। নিশ্চিতভাবেই ঢাকার ওপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে দিল্লি ও বেইজিংয়ের লড়াই নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। যদিও বাহ্যিকভাবে মনে হচ্ছে ভারত এগিয়ে রয়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকটে বিশ্ব সম্প্রদায়ের আরো অনেক কাজ বাকি

বাংলাদেশের মানুষকেও অন্য দেশে শরণার্থী হতে হয়েছিল। সেটা কখনো ভোলার নয়। আর এ কারণেই আমরা শরণার্থীদের সাদরে গ্রহণ করেছি। কিন্তু আমরা অবশ্যই চাই, এই শরণার্থীরা নিরাপদে ও আত্মমর্যাদার সঙ্গে তাদের দেশে ফিরে যাক। আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ও আমাদের এই চাওয়ার প্রতি বিপুলভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
এরপর বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। সোমবার তারা কক্সবাজারে গিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
মহাসচিব ও আমি এখানে এসেছি বাংলাদেশের মানুষ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে। কারণ তারা এত বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন। আর তারা এটা করেছেন খুবই মানবিক এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে।
বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসায় কিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেদিকে অগ্রসর হচ্ছে, তার প্রতি বিশ্বব্যাংকের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এ বছর আমরা বাংলাদেশকে রেকর্ড ৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছি, যা বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম। আর এটা হচ্ছে আমাদের আস্থার স্পষ্ট ইঙ্গিত। গুতেরেস যখন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন, তখন তার প্রেরণাতেই বিশ্বব্যাংক গ্রুপ শরণার্থীদের জন্য কাজ করতে শুরু করে বলে জানান কিম। তিনি বলেন, বছর পাঁচেক আগে তিনি আমাকে বলেন, বিশ্বব্যাংকেরও এ কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে। কেননা এসব সমস্যা এত দীর্ঘস্থায়ী হয় যে তখন আর তা শরণার্থী সংকট থাকে না, উন্নয়নের সংকটে পরিণত হয়। তার এই দৃষ্টিভঙ্গিই পাঁচ বছর আগে আমাদের এ কাজে সম্পৃক্ত করেছে। রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংক সমপ্রতি ৪৮ কোটি ডলার সহায়তার যে ঘোষণা দিয়েছে, সে কথাও ব্রিফিংয়ে বলেন আন্তর্জাতিক এ ঋণদাতা সংস্থার প্রেসিডেন্ট। আমরা মনে করি, যেসব দেশ মানবিক কারণে শরণার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে, সেজন্য তাদের ভোগান্তির মুখে ফেলা উচিত নয়। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, দেশের মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেজন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে সহায়তার টাকাটা অনুদানের আকারেই আসে।
মিয়ানমারকে বিশ্বাস করা যায় না, তারা অল রাবিশ: অর্থমন্ত্রী
সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি বলতে পারি, আজকের দিন বাংলাদেশ সরকারের জন্য গুড ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের এই সফর মূলত রোহিঙ্গা সমস্যা সরজমিন দেখার জন্য। এ জন্য আমরা এ দুই সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞ। গুতেরেস ও কিমের সফরের মধ্য দিয়ে বিশ্বকে বোঝানো গেছে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যা কতটা প্রকট। কত বড় দায় আমাদের ঘাড়ে, একথা আমরা বিশ্ববাসীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি তাদের সফরের কারণে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনের আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল।
মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারা একেক সময় একেক কথা বলে। তাদের ওপর বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। তাদের কোনো কথা বিশ্বাস করা যায় না। দে আর অল রাবিশ।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় খুঁজতে শনিবার রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। তারা দুজনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা একটি জাতিকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। আমরা বুঝাতে পারছি, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এখন সচেতন হয়েছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য দিয়ে আমরা গত এক বছর রোহিঙ্গাদের সহায়তা করেছি। আগামী এক বছরও আন্তর্জাতিক সাহায্য দিয়ে সহায়তা করা সম্ভব হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৮০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে। এ অর্থ তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য ও স্যানিটেশনের জন্য ব্যয় করা হবে। আজ থেকে কার্যকর হওয়া ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই দুজনের বাংলাদেশের সফর মিয়ানমারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে। এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মিয়ানমারে সব প্রকল্প স্থগিত করেছে বিশ্বব্যাংক।
অর্থমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি। রোহিঙ্গাদের জন্য যা ব্যয় হয়েছে তার সবই পাওয়া গেছে অনুদান হিসেবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে। রোহিঙ্গাদের জন্য আরো অনুদান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...