Showing posts with label রণজিৎ বিশ্বাস. Show all posts
Showing posts with label রণজিৎ বিশ্বাস. Show all posts

Friday, July 3, 2015

অত্র নিয়ে যত্রতত্র প্রসঙ্গ নিয়ে প্রাসঙ্গিক by রণজিৎ বিশ্বাস

‘অত্র’ নিয়ে শুরু করবো তারপর ‘প্রসঙ্গ’ নিয়ে কথা বলবো। ধীরে ধীরে লতিকার মতো আরো অনেক কথা আসবে। কিছু কিছু বিষয় আছে খুব কৌতুককর।
‘অত্র অফিস’ লিখে কিংবা বলে আপনি বোঝাতে চাচ্ছেন এ অফিস বা এ কার্যালয়। কিন্তু বুঝিয়ে ফেলছেন এখানে অফিস।
‘অত্র অফিসের কাজকর্ম ভালো চলছে না’ অথবা ‘অত্র অফিস রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে’ বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছি ও তা কেমন হাস্যকর হচ্ছে অনুমান করার বিষয়।
প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন অফিসে ১৯৮১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চৌত্রিশ বছর দু’ মাস ছাব্বিশ দিন কাজ করার সময় ভ্রমের বিভিন্ন কণ্টক আমি বড় মনোযোগে সংগ্রহ করেছি, করতে গিয়ে বহুবার স্নায়ুর পরীক্ষা দিয়েছি ও স্থানিক এবং অবস্থানিক সুবিধার কিছু মানুষের কাছে অপ্রিয় হয়েছি। কারো কাছে অনাদৃত ও কারো কাছে সমালোচিত। কৌতুকের সঙ্গে আরো একটি বিষয়ও লক্ষ্য করেছি। এমনটি অবধারিতভাবে ধরে নেয়ার কারণ নেই যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র বাংলায় ভালো, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র তার বিষয়ে চমৎকার।
এর কারণও আমি নিজের মতো করে বুঝে নিয়েছি। আনন্দের শিক্ষা, শৃঙ্খলার শিক্ষা ও বাধ্যতার শিক্ষা এক রকম নয়। তিনের মধ্যে গুণগত তফাৎ আছে। শিক্ষায় শৃঙ্খলা থাকতেই পারে। কিন্তু তাতে বিকল্পহীন বাধ্যতার জোয়াল চাপিয়ে দিলে তা আনন্দটা কেড়ে নেয় ও শুষে নিয়ে ছোবড়া বানায়। বাধ্যতার শিক্ষা পাস করায়, আনন্দের শিক্ষা জ্ঞান দেয়। সংলাপে সংলাপে আলাপে-আলাপে আড্ডায়-আড্ডায় কথা এগোনোর প্রস্তাবে আগ্রহী এক সহকর্মীকে অবশ্য আগ্রহী লোকের আকাল বড়, একদিন বললাম বলুন না। আপনার প্রয়োজন আমি কতটুকু মেটাতে পারবো জানি না। তবে, আপনার সঙ্গে আমি অংশগ্রহণ করতে পারবো। সে অংশগ্রহণ অনেকক্ষণের জন্যও হতে পারে।
প্রথম বিষয়টা হচ্ছে অত্র অফিস, কেউ কেউ আরো উৎসাহী হয়ে লিখছেন ‘অত্রাফিস’। এগুলো কেমন ব্যবহার?
ভুল ব্যবহার। বেজায় ভুল। মারাত্মক ভুল ও ‘মাল্টিপল’ ভুল। একাধিক ভুল এখানে জড়িয়ে প্যাঁচিয়ে আছে। আছে বড় সোহাগী বন্ধনে। অত্র শব্দটির অর্থ হচ্ছে এখানে অথবা এ স্থানে। এর যত্রতত্র ব্যবহার যে সমীচীন হচ্ছে না, আমাদের কেউ বোঝাতে পারছে না। যাদের এটুকু বোঝার আগ্রহ ও প্রস্তুতি নেই, তাদের জন্য সন্ধিযুক্ত ‘অত্রাফিস’-এর ভ্রমসন্ধান একটি বাড়তি বোঝার মতো। অত্র বঙ্গভাষিক শব্দ, অফিস ইন্দভাষিক; এ দুয়ে সন্ধিবদ্ধ হওয়ার যুক্তি ও চুক্তি নেই, এদের মুক্তি পৃথক পৃথক। সেপারেট-সেপারেট।
ঝাড়া চৌত্রিশ বছর হেলাফেলায় শ্রম শূন্যতায় আর কর্মবিমুখতায় এবং বেতন-বোনাসে-ভোজনে, কখনো কখনো রোদনেবঞ্জনে পার করে দেয়ার পর ৩০ এপ্রিল ’১৫ বিদায় নেয়ার দিনও সহকর্মীদের বলে এলাম সময় বড় জোরে ধায়, এর পাখনা বড় দ্রুত ওড়ায়। সে আজিকে হলো কত কাল/তবু মনে হয় যেন সেদিন সকাল!
মনে তেমন হওয়ারই কথা। সচিবালয়ের কোন টিনশেডের কোন রুমে কেমন টেবিলের সামনে বসে যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করলাম, ভাষিক শুদ্ধতায় সামান্য আগ্রহের জন্য কোন কোন কার কার বকা খেলাম, সবই মনে আছে সব যতিচিহ্নসহ।
প্রথম বকাটি যার কাছে খেলাম, তিনি পরে আমাকে ভালোও বেসেছিলেন। একটা সময় এলোগেলো, ঘণ্টার আধা চলে যায় কিন্তু কথা তার হারায় না, কথা তার ফুরায় না। খুব ভালো ছাত্র ছিলেন, রাজশাহী বোর্ড থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় স্ট্যান্ড করেছিলেন, প্রথম তিনের মধ্যে নাম ছিল। পরে ঢাকা থেকে ইকোনমিক্সে অনার্স-মাস্টার্স। স্মৃতির জোর ছিল সাংঘাতিক। আইনকানুন ও দাফতরিক অনেক বিষয়ে তিনি ছিলেন ‘চলাতফিরতি’ এক জ্ঞানকোষ। এখন অজানালোকের বাসিন্দা তিনি।
তাকে বোঝাতে গিয়ে বারবার আমি উচ্চ সাফল্যে ব্যর্থ হয়েছি কেন চিঠিপত্রের বিষয়ের ঘরে ‘প্রসঙ্গ’ শব্দটি বসবে না। ‘অর্কের বিদেশগণ প্রসঙ্গে’ ‘ঊশ্রীর মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রসঙ্গে’, ‘যুদ্ধাপরাধীদের যথাপ্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়া প্রসঙ্গে’ ‘মানবতাবিরোধীদের হুঙ্কার হিস্রতা ও কেলানো দাতের আস্ফালন প্রসঙ্গে’ এ জাতীয় গঠনের বাক্য কেন বিষয় হিসেবে আসবে না, কাউকে কাউকে এখন বয়স, অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তিত বর্ণের চুলের আশ্রয়ে বোঝাতে পারি, তখন একেবারেই পারতাম না। নরম নরম ভয়ে ভয়ে কিন্তু মজবুত মজবুত যুক্তিতে বলেছি বিষয় হচ্ছে মানুষের নামের মতো, নামবাচক বিশেষ্যর মতো, প্রপার নাউন’-এর মতো। তাই বিষয়গুলোর অবয়ব হবে ‘অমুকের বেতন ভাতা’, ‘তমুকের শাস্তি বিধান’ ও ‘সমুকের পুরস্কার’ জাতীয়।
‘প্রসঙ্গ’ হচ্ছে বিষয়, ‘প্রসঙ্গ’ হচ্ছে কোনো কিছু সম্পর্কে। এ কারণেই বিষয়ের সঙ্গে ‘প্রসঙ্গে’ নামের নেজটি যুক্ত হবে না। কোনো রকম একটি সমঝোতা কিংবা আপসরফা হতে পারে এ-কার বাদ দিয়ে। প্রসঙ্গ শব্দটি যেভাবেই হোক ব্যবহার না করলে যদি কারো পেটের ভাত চাল হয়ে যায়, তিনি লিখতে পারেন ‘অমুকের বেতন ভাতা প্রসঙ্গ’ জাতীয় কিছু। নিরুপায় হয়ে কমপ্রোমাইজ ফর্মুলা মেনে নেয়ার মতো।
আমার যুক্তিবর্ম, বিশেষ প্রকৃতির শ্রমজীবনের প্রথম সপ্তাহে, অগ্রবর্তী ওই মেধাবী সহকর্মীর সামনে কোনো কাজ করেনি। বারবার তা ভোঁতা হয়ে ফিরে এসেছে। সঙ্গে নিয়ে এসেছে এক দুষ্পাচ্য ও যুক্তিরহিত বক্তব্য। ‘এসব তোমার সাহিত্যের ভাষা নয়। যা দিয়েছি, তাই যাবে, তাই থাকবে, সাহিত্য সব জায়গায় চলে না।’
সাহিত্যের সঙ্গে আমার ছোটখাটো হার্দিক সম্পর্কের কথা ওই ক’দিনেই তিনি জেনে গিয়েছিলেন পাক’-এ গুরু এমন কঠিন মন্তব্য। আমি যতবার বুঝতে গেছি, ততবারই হয়রান হয়েছি এখানে সাহিত্যের অপরাধটা কোথায়! বুঝতে পারিনি সাহিত্যের ভাষা ও দাফতরিক ভাষার সঙ্গে শুদ্ধতার বিরোধ এবং অসহযোগটা কোন জায়গায়? পারি না, এখনো বুঝতে পারি না।
লেখক : কথাসাহিত্যিক ও রম্য লেখক

Monday, July 15, 2013

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-সংসারের সর্বপরিতৃপ্ত শ্রমিক by রণজিৎ বিশ্বাস

: শ্রমজীবনে আপনার উত্তরণ অনুবর্তী যাদের পরে হয়েছে, তাদের ধারেকাছেও আপনি পৌঁছুতে পারতেন না। তেমন কোনো ক্ষমতাক্ষেমতা আর যোগ্যতাই আপনার নেই।

Wednesday, July 3, 2013

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-সময়ের সবচেয়ে বড় কর্মপরিকল্পনা by রণজিৎ বিশ্বাস

ঢাকায় বিজয়ের মাসের প্রান্তিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাবি উচ্চারণ হয়েছিল- 'আমরা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি।' সে উচ্চারণ এখনো বড় কষ্ট দিচ্ছে, এখনো বড় ভোগাচ্ছে।

Sunday, January 27, 2013

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-খাওয়ার শব্দ ও গায়ে জড়াবার শব্দ by রণজিৎ বিশ্বাস

গণ-অভ্যুত্থান শব্দটির সঙ্গে আপনি কি পরিচিত? : কী যে বলেন না-বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে কেন পরিচিত হব না আমি! এর সঙ্গে থাকবই না কেন পরিচিত আমি। আমরা তো গণ-অভ্যুত্থানের দেশের মানুষ। গণ-অভ্যুত্থানের সোপান পেরিয়ে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি দেশের মানুষ।

Saturday, January 19, 2013

সংসারে মানুষ দুই প্রকার by রণজিৎ বিশ্বাস

যুক্তির সাপোর্ট নিয়ে জোরের সঙ্গেই আমরা বলতে পারবো_ সংসারে মানুষ সকল প্রকারে দু'প্রকার। সিরিয়ালি ও সিস্টেম্যাটিক্যালি বলার উপায় হয়তো বা'র করা যাবে। কিন্তু সে পথে আমরা হাঁটবো না। কয়েক জীবন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু পথের শেষ মিলবে না। তাই খাবলা খাবলা বলবো।

Monday, December 31, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-সুযোগ পেলে দেখে নেব by রণজিৎ বিশ্বাস

: বারবার একই রকম হচ্ছে। আমরা খেই হারাচ্ছি ও কথা বলতে বলতে কথা হারাচ্ছি। যে পয়েন্টে আমরা শুরু করেছিলাম, সেখানে আমরা নেই। আপনার সঙ্গে কথা বলতে এলে প্রায়ই এমন হয়। আপনি এক ডাল থেকে আরেক ডালে নিয়ে যান। ভালো নয় ব্যাপারটি।

Sunday, December 23, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-আমরাও লড়েছি একাত্তরে পথে ও প্রান্তরে by রণজিৎ বিশ্বাস

আপনাকে আমি ও আমরা পছন্দ করি না। আমাদের পথ আলগ-আলগ। প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি বুঝে বেজায় এক স্টাইলে ডিজাইনে আপনাদের মাথার মালা ফাটিয়ে দিলাম মহাজোরের এক মুগুরপেটায়- ইত্যাদি অভিযোগ আমাদের বিরুদ্ধে আছে।

Sunday, December 2, 2012

আসন্ন হলো কি তাঁর সন্ন্যাসযাত্রা by রণজিৎ বিশ্বাস

বহু পুরোনো কথা। তুমি তখন রিটায়ার করবে, যখন মানুষ আফসোস করে বলবে—খেলতে তো পারত সে আরও, দিয়ে তো যাচ্ছিল সে ভালোই, দলকে দেওয়ার তো ছিল তার আরও কিছু; তত দিন তুমি দলে জায়গা জুড়ে থাকবে না, যখন মানুষ বিরক্ত হয়ে বলবে—যায় না কেন এখনো সে!

Monday, November 26, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-যুক্তির জোর বনাম জোরের যুক্তি by রণজিৎ বিশ্বাস

আসুন আজ দেশের সবচেয়ে বড় অপরাধ নিয়ে কথা বলি। : কী অপরাধ? : যুদ্ধাপরাধ। : শুধু অপরাধ নিয়ে বলবেন? অপরাধীদের নিয়ে বলবেন না!
: দুটো নিয়েই বলব, কান টানলে মাথা আসবে। : হঠাৎ যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে কেন আপনি মাথা ঘামাতে শুরু করলেন?

Wednesday, November 21, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-রবি যখন কল্পশিক্ষক।। রবি যখন ভাবশিক্ষক by রণজিৎ বিশ্বাস

: আপনাকে আমি আজ আমার এক ভাবশিক্ষকের কথা শোনাব। আপনার ভালো লাগতে পারে। : আগে তো শুনি। : শুনবেন তো অবশ্যই। বেশির ভাগই আমার সবচেয়ে বড় ভাবশিক্ষক ও কল্পশিক্ষক রবীন্দ্রনাথের কথা। যেমন- 'হাউই কহিল, আসি- কী সাহস ভাই!/তারকার মুখে আমি দিয়ে আসি ছাই।/কবি কহে- তার গায়ে লাগে নাকো কিছু/সেই চাই ফিরে আসে তোরই পিছু পিছু।'

Thursday, November 8, 2012

জীবন-সার্থকতা মৃত্যুর সৌন্দর্যে by রণজিৎ বিশ্বাস

মৃত্যু সম্পর্কে ধারণা খুব সিম্পল থাকাই ভালো। এটি এমন এক ঠিকানা অথবা গন্তব্য কিংবা স্টেশন, যেখানে প্রাণের সব গাড়ি এক সময় পেঁৗছবে ও থেমে পড়বে। গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে। কিছুতেই তা আর চালু করা যাবে না। প্রাণের সব গাড়ি বলতে বোঝানোর চেষ্টা হচ্ছে_ যাদের দেহ আছে ও দেহের ভেতর প্রাণ আছে, তাদের সবার জীবনগাড়ি।

Tuesday, October 30, 2012

যায়দিন ভালো দিন by রণজিৎ বিশ্বাস

আমাদের চারপাশে যে ক'টি কথা আমরা বড় বেশি শুনি, তার একটি হচ্ছে_ যায়দিন ভালো। এর অনুসিদ্ধান্ত হচ্ছে_ আসে দিন মন্দদিন। যায়দিন ভালো অর্থ চলে দিন খারাপ এবং আসে দিন আরও খারাপ।

Friday, October 26, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-নিত্যদিন শিখি আমি শিখি নিত্যদিন by রণজিৎ বিশ্বাস

: সত্যের সঙ্গে আপনার পরিচয় আছে?
: আছে। : সত্য কী রকম?
: সত্য সত্যের মতো। সত্য মিথ্যার বিপরীত।

Wednesday, October 17, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-শিল্পী যোদ্ধা ডিম্ব ও জাঁহাবাজকথা by রণজিৎ বিশ্বাস

: আজ নিয়ম ভাঙব। : নিয়ম ভেঙে কী করবেন? : নিয়ম ভেঙে ভর্তা বানাব। এক কথার মধ্যে আরেক কথা ঢোকাব এবং উল্টোপাল্টা অনেক প্রশ্ন করব। যেমন- শিল্পী, যোদ্ধা, ডিম্ব ও বাজ সম্পর্কে আপনার সাধারণ জ্ঞানের গভীরতা পরখ করব।

Thursday, October 11, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-নমি তোমায় বন্ধু আমার by রণজিৎ বিশ্বাস

: আপনি যা লেখেন, তা কি সব সময় ছাপা হয়? : হয় না। ইদানীং হচ্ছে না, ছাপবার ছবি পাল্টে গেছে। অবাক হচ্ছি, কেন পাল্টে গেল! : পাল্টে গিয়ে কেমন হয়েছে? কোন ছবিতে তা রূপ নিয়েছে? : যুদ্ধাপরাধীদের প্রাপ্য চেয়ে লেখাগুলো কেউ কেউ ছাপাতে চাচ্ছে না।

Sunday, October 7, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-কালপ্রিটস কালপ্রিট-এর রক্তবীজ by রণজিৎ বিশ্বাস

মানুষ আসলে কিসের জোরে হাসেখেলে, কিসের জোরে ঠেলেঠুলে- আপনি জানেন? অথবা আপনি কি জানেন, তারা কিসের জোরে নড়েচড়ে ও নাচেকোঁদে?: জানি। মানুষ ঠেলাঠুলি ও নাচনকোঁদনের প্রশ্নে দুগ্ধ ও আমিষপ্রদায়ী একটি চতুষ্পদ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর মতো।

Wednesday, September 26, 2012

জীবন কথন- চোখবাঁধা বিদেশীর ‘ঢাকাবিষ্কার’ by রণজিৎ বিশ্বাস

মনে করুন একজন বিদেশী ঢাকায় এসে নামলেন। প্রথমবারের মত। চোখ বেঁধে তাকে ঢাকায় নামিয়ে দেয়া হলো। তাকে কিছু বলা হলো না, কোন শহরে তাকে নামানো হয়েছে।: বিশ্বাস করি না।

Wednesday, September 19, 2012

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-হারাতে কিছুই নয় পেতে হবে ... by রণজিৎ বিশ্বাস

আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি আপনাকে, 'ছাগল নাচে খুঁটির জোরে'_কথাটি কি আপনি কখনো শুনেছেন?
: শুনেছি। বহুবার শুনেছি। আমি প্রচণ্ডভাবে কথাটি বিশ্বাসও করি।: ভালো। তাহলে আপনাকে কথাটি বলা যায়। এখন যুদ্ধাপরাধে আটক এক আলবদর লিডার কয়েক বছর আগে এক মুক্তিযোদ্ধার গায়ের কাপড় ধরে দাঁতে দাঁত পিষে

Friday, September 14, 2012

ব্যথিতই হই শুধু লাঞ্ছিতই হই লাঞ্ছিতই হই শুধু লজ্জিত হই by রণজিৎ বিশ্বাস

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ওরা, ওই কুলাঙ্গাররা দেশের শুধু নয়, বিশ্বের ইতিহাসকে মসিলিপ্ত করার আগে যার মুখে শুনেছিল-তোমরা জুনিয়ররা যদি পারো, করে ফেলো, আমার আপত্তি নেই এবং যার হাতে পরে তারা সম্মান পুনর্বাসিত হয়ে একটি অকৃতজ্ঞ দেশ ও জাতির প্রতিনিধিত্ব করেছিল পরমানন্দে ও চরম পরিতৃপ্তিতে; যে মানুষটি দেশের পবিত্র

Thursday, September 13, 2012

রম্য-বলুন তো আমি কোন রাজাকার by রণজিৎ বিশ্বাস

টেলিভিশনের যে অনুষ্ঠানে আমি ধর্মার্দ্র মানুষের সওয়ালের জবাব দিতাম এবং তাদের জন্য দ্বীন-দুনিয়ার আলোর দিশা রাখতাম, সেখানেও আমি, উপস্থাপক সাহেবের মতো, ফটরফটর দু'এক বাক্য ইংরেজি বাতাসে ছেড়ে দিতাম
আমাকে অনেকে চেনে, কিন্তু আমার আসল রূপটি দীর্ঘদিন ধরে আমি ঢেকে রাখতে পেরেছিলাম। লেবাস দিয়ে তো বটেই, আরও অনেক কিছু দিয়ে।