Saturday, June 24, 2017
দৃশ্যমান হচ্ছে সৌদি-ইসরাইল সম্পর্ক by আলফাজ আনাম

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাতার সঙ্কট ও আলজাজিরার পথপরিক্রমা by মো: বজলুর রশীদ

About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অগ্নিগর্ভ কাশ্মীর by এ জি নুরানি


About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যানবাহনের ছাদ বোঝাই যাত্রী : দেখার কেউ নেই

বাস-ট্রেনের ছাদে কিংবা পণ্যবাহী যানবাহনে চড়ে চলাচলের প্রবণতা নতুন নয়। বিশেষ করে ঈদের মতো উৎসবের মৌসুমে যখন বিভিন্ন গন্তব্যে মানুষের চলাচল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তখন এই প্রবণতাটা বেড়ে যায়, যার ফলাফল হিসেবে প্রায় প্রতিবছরই দেখা যায় ঈদের মৌসুমে এমন প্রাণঘাতী সব সড়ক দুর্ঘটনা।
রংপুরের পীরগঞ্জ থানার পুলিশ বলছে, শনিবার ভোর পাঁচটার দিকে ঢাকা রংপুর মহাসড়কের কলাবাগান নামক স্থানে সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ট্রাকের মালামালের উপর ২৫ থেকে ৩০ জন মানুষ বসে ছিল দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে, ট্রাক উল্টে গেলে এই মানুষগুলো সিমেন্টের বস্তায় চাপা পড়ে এবং ঘটনাস্থলে ১১ জন প্রাণ হারায়, হাসাপাতালে নেয়ার পর মারা যায় আরো পাঁচজন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলছিলেন, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ট্রাকের আরো আটজন যাত্রী এখন ভর্তি রয়েছেন।
ঈদের মতো লম্বা ছুটির সময়টায় পরিবহন স্বল্পতার কারণে দূরপাল্লার যাত্রীদের পণ্যবাহী যানবাহনে ওঠানোর প্রবণতা নিয়মিতই দেখা যায়। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরাঞ্চল অভিমূখে যাওয়া প্রতিটি বাস ট্রেনেরই ছাদে বোঝাই যাত্রী থাকছে।
দেশে ঈদসহ বিভিন্ন বড় উৎসবের সময় যখন ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা বেড়ে যায় তখন পরিবহণ খাতে এই অনিয়মগুলো প্রকট হয়ে দেখা দেয়। এমনকি দেখা যায় সরকারের পরিচালিত যানবাহণগুলোও অনিয়মটাকে প্রশ্রয় দেয়।
আজও বেশ কটি জাতীয় দৈনিকে এমন ছবি ছাপা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালিত ট্রেনগুলোতে পর্যন্ত ছাদে যাত্রী বোঝাই করে নেয়া হচ্ছে।
সড়ক পরিবহণমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অবশ্য আজ টেলিভিশনে দেয়া এক বক্তব্যে জনগণকে বাস ট্রেন বা লঞ্চের ছাদে না চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। একই আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পুলিশ প্রধানও।
রংপুরের ওই দুর্ঘটনা কবলিত মালবাহী ট্রাকটিতে কেন যাত্রী তোলা হয়েছিল এবং দীর্ঘ যাত্রার মধ্যেও সেটা কেন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ল না- তা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব কুদস দিবস: ইহুদিবাদের আতঙ্ক

তাদের এই ন্যক্কারজনক আগ্রাসনের প্রতি অকুণ্ঠ পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমা শক্তিগুলো। তা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের মজলুম জনতা তাদের দেশের ভূখণ্ডকে স্বাধীন করার তথা ইহুদিবাদী দখলমুক্ত করার দৃঢ় ইচ্ছা বাস্তবায়নে বিন্দুমাত্রও হাল ছাড়ে নি। ইরানের জনগণ সেই বিপ্লব বিজয়ের আগে থেকেই ফিলিস্তিনের মজলুম জনগোষ্ঠীকে সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে।
এই পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের ঘটনা স্বৈরাচারী শাহ বিরোধী বিপ্লবী গণ-আন্দোলনের সময় এবং ইসলামী বিপ্লব বিজয় পরবর্তীকালে ইসলামী সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পর ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। ইরানের ইসলামী বিপ্লব বিজয় ছিল ইহুদিবাদী ইসরাইলের গালে মারাত্মক চপেটাঘাত। কেননা ইসলামী বিপ্লব বিজয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ইসরাইলী স্বার্থে মারাত্মক আঘাত আসে বলে সে সময় বলা হয়েছিল। বিপ্লব বিজয় পরবর্তীকালের ঘটনাপঞ্জী এর সত্যতা ও যথার্থতা প্রমাণ করেছে। কেননা ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহ) কেবল ইরানের জনগণকেই নয় বরং বিশ্বের সকল মুসলমান ও স্বাধীনচেতা মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনদের সাহায্যে এগিয়ে আসার।
ইরানে ইসলামী বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ) ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের বুকে বিষাক্ত টিউমার বা ক্যান্সার বলে অভিহিত করেছেন। ফিলিস্তিনের সংগ্রামী জনগণের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের অধিকারের প্রতি সাহায্য-সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার জন্যে রমযানের শেষ শুক্রবারে বিচিত্র কর্মসূচি, অনুষ্ঠান ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনীদের প্রতি পরিপূর্ণ সমর্থন ঘোষণার আহ্বান জানান।
বিশ্ববাসী বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব তাঁর এই আহ্বানে ব্যাপক সাড়া দেয় এবং এই দিনকে কুদস দিবস হিসেবে পালন করতে থাকে। প্রায় তিন দশক হতে চললো বিশ্বের মুসলমানরা রমযান মাসের শেষ শুক্রবারে মিছিল, মিটিং, সেমিনার-সিম্পোজিয়ামসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনীদের প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে আসছে। একই দিনে বিশ্বজুড়ে জনগণের এই ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ফিলিস্তিনীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জাগ্রত রাখা এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি বিশ্ব মুসলমানের ঘৃণা প্রকাশের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানকারী শক্তিগুলো ভালো করেই জানে যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুদস দিবস পালনের ঘটনা প্রমাণ করে ফিলিস্তিনী জনগণের অধিকারের প্রতি বিশ্ব মুসলমানের সমর্থন আছে এবং ইসরাইলের প্রতি রয়েছে তাদের তীব্র ঘৃণা। বিশ্ব মুসলমানের এই সমর্থন ফিলিস্তিনীদের প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা আন্দোলনকে উজ্জীবিত ও প্রাণিত করে। তবে কোনো কোনো আরব এবং মুসলিম দেশ কুদস দিবস পালনের ব্যাপারে তেমন একটা সন্তুষ্ট নয়। এমনকি কোনো কোনো দেশ তো কুদস দিবসের কর্মসূচি পালনে বাধাই দেয়। মনে হয় কুদস দিবস পালনে বাধাদানকারী দেশগুলো এ বিষয়ে অসন্তুষ্ট যে,ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ফিলিস্তিনী জনগণের সমর্থনে বিশ্বব্যাপী এই গণসচেতনতা সৃষ্টিকারী ও গণজাগরণমূলক পদক্ষেপ বা আন্দোলনের ঝাণ্ডা উত্তোলনকারী। কোনো কোনো আরব দেশ মনে করে ফিলিস্তিন সমস্যাটি একান্তই আরবদের ব্যাপার। তাই ফিলিস্তিনী জনগণের সমর্থনে ইরানের এই উদ্যোগকে তারা মেনে নিচ্ছে না। কিন্তু এই দেশগুলো যদি সত্যি সত্যিই ফিলিস্তিনী জনগণের মুক্তির চিন্তা করতো তাহলে তাদের উচিত ছিল ফিলিস্তিনীদের সমর্থনে এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে-কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হোক না কেন,সেই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো এবং সেইসব কর্মসূচিকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তোলার চেষ্টা করা।
অবশ্য কোনো কোনো আরব দেশের কুদস দিবস পালনের বিরোধিতার আরো একটি কারণ আছে তাহলো ইসরাইলের সাথে তাদের গোপন ও প্রকাশ্য যোগসাজশ। তারা মনে করে, ইসরাইলকে কিছুটা সুবিধা বা ছাড় দিলে দখলদার ইসরাইল ফিলিস্তিন ভূখণ্ড থেকে পিছু হটে যাবে এবং ফিলিস্তিনের ওপর তারা তাদের দমন অভিযান বন্ধ করে দেবে। কিন্তু ইসরাইলী আধিপত্যবাদীদের বিগত দিনের স্বভাব বা আচরণ প্রমাণ করেছে, তারা যে কেবল ফিলিস্তিনী জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেই নারাজ তাই নয়,বরং তারা চায় ফিলিস্তিনে বিভিন্ন প্রকার ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে বংশনিধন করতে। এছাড়াও ইসরাইলী নেতারা বিভিন্ন আরব দেশ এবং ফিলিস্তিনী স্বাধীনতাকামী দলগুলোর সাথে যেসব চুক্তি করেছে সেগুলোকে ঠাণ্ডামাথায় পদদলিত করেছে।
আসলে ইসরাইল আন্তর্জাতিক কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কাই করে না। অসলো চুক্তি অনুযায়ী ফিলিস্তিন সরকারের অস্তিত্বকেই ইসরাইল আজ পর্যন্ত স্বীকার করে নি। এমনকি যেসব ফিলিস্তিনী ইসরাইলীদের অত্যাচারে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে অন্য কোনো দেশে শরণার্থী হিসেবে জীবনযাপন করছে,তাদেরকে পর্যন্ত তাদের স্বদেশ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন করতে দিচ্ছে না। উল্টো তারা অধিকৃত ভূখণ্ডে আরো বেশি ইহুদিবাদী বসতি গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইহুদিবাদী ইসরাইলের নির্যাতনের ইতিহাসের কালো পাতাগুলো উল্টালে দেখা যাবে যে, আলোচনার মাধ্যমে তাদেরকে কখনোই দমানো যায় নি,বরং কুদস দিবস পালন কিংবা মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ চাপের মাধ্যমে তাদেরকে কিছুটা দমানো সম্ভব হয়েছে।
মাসজিদুল আকসা হলো মুসলমানদের পবিত্রতম স্থানগুলোর একটি। কারণ এটি ছিল মুসলমানদের প্রথম কেবলা। অথচ ইহুদিবাদী ইসরাইল বেশ কবছর ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে মাসজিদুল আকসাকে ধ্বংস করে দিয়ে ঐ ধ্বংসাবশেষের ওপর তাদের উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করতে। সম্প্রতি মসজিদুল আকসা ধ্বংসের এ কার্যক্রম অনেক বেড়ে গেছে। পর্যটন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করাসহ বিভিন্ন অজুহাতে তারা মাসজিদুল আকসার নীচে দিয়ে টানেল তৈরির জন্যে খননকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ইহুদিবাদীরা কুদসকে তাদের রাজধানী মনে করে। তাই তারা সেখান থেকে যে-কোনো উপায়ে ফিলিস্তিনী মুসলমানদের বিতাড়িত করে ইহুদিবাদীদেরকে স্থলাভিষিক্ত করাতে চাচ্ছে। এরিমাঝে বায়তুল মুকাদ্দাসের সাংস্কৃতিক পরিচয় পরিবর্তনের লক্ষ্যে সেখানকার মুসলমানদের কবরগুলো ধ্বংস করতে শুরু করেছে । বর্ণবাদী প্রাচীর নির্মাণের কাজও দ্রুততার সাথে চলছে।
এতোসব ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম সত্ত্বেও কোনো কোনো আরব দেশ আধিপত্যবাদী ইসরাইলের সাথে সমঝোতাকে সম্ভব বলে মনে করে এবং চেষ্টা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাথে সম্পর্ককে স্বাভাবিক করতে। অথচ বাস্তবতা হলো ইসরাইল, আরব কিংবা ফিলিস্তিনীদের সাথে কোনো চুক্তিই এখন পর্যন্ত রক্ষা করে নি। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ইসরাইলীদের সাথে চুক্তির ফলে ফিলিস্তিনীদের জন্যে আজ পর্যন্ত কোনো কিছুই অর্জিত হয় নি। তাই যথার্থ উপায় হলো অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনীদের সুদৃঢ় উত্থান এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে কুদস দিবসের মতো বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মুহূর্মুহু প্রতিবাদ জ্ঞাপন। এরকম প্রতিবাদের ফলে বিশ্বব্যাপী জনমত সৃষ্টি হবে এবং জনমতের চাপের মুখে ইসরাইলের অবস্থান আগের চেয়ে দুর্বল হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাতারকে তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে চায় সৌদি আরব: নাসির আল-ওমারি
![]() |
| সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান |
রাজনৈতিক ভাষ্যকার ওমারি বলেছেন, 'কাতারের ওপর সৌদি আরবের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই রিয়াদ এবং তার মিত্রদেশগুলো দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কাতারকে তার স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব ত্যাগ করতে বলা হচ্ছে। তাদেরকে তাদের অত্যন্ত প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বন্ধের জন্য নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। কোন্ কোন্ দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যাবে এবং কোন্ কোন্ দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যাবে না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার সৌদি আরবের ওপর ছেড়ে দিতে রিয়াদ সরকার দোহার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।'
ওমারি বলেন, কাতারি জনগণ সৌদি আরব এবং তার মিত্রদেশগুলোর অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করলে তা মোটেও আশ্বর্চজনক হবে না এবং এর ফলে আরব দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, সৌদি আরবের নগ্ন হস্তক্ষেপে উদ্বিগ্ন হয়ে কাতার আরব অঞ্চলে তার মিত্র খোঁজার চেষ্টা করছে। তাই রিয়াদকে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে দোহা মুসলিম ব্রাদারহুড এবং তুরস্কের সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে।কারণ কাতার ভাল করেই জানে যে, মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব বিস্তার লাভ করুক রিয়াদ তা মোটেই চায় না।
অন্যদিকে, রিয়াদ এবং দোহার মধ্য সম্পর্কের মারাত্মক অবনতির জন্য প্রখ্যাত এ রাজনৈতিক ভাষ্যকার সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান জটিলতা ও সংকট মোকাবেলার জন্য প্রিন্সের কোনো অভিজ্ঞতা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝাড়খন্ডে মুসলিম যুবককে ঘর থেকে বের করে গুলি করে হত্যা, ৫ পুলিশ সাসপেন্ড

সালমানের বাবা আব্দুল জব্বার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কয়লা খাদানে শ্রমিকের কাজ করত সালমান। শুক্রবার রাতেই সে পারিশ্রমিক পেয়েছিল। ঈদ উপলক্ষে এদিনই সে নিজের জন্য নতুন পোশাক, বেল্ট, জুতো ইতাদি কিনেছিল।
আব্দুল জব্বার বলেন, ‘রমজানের শেষ জুমার পর সকলেই ঈদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু পুলিশ তার ছেলেকে ঘর থেকে টেনে বের করে বুকে তিনটি গুলি চালিয়েছে। তারা সালমানের অপরাধ কী জানতে চাইলেও পুলিশ কিছুই জানায়নি। তাকে ঘর থেকে প্রায় ৫০ মিটার টেনে নিয়ে যাওয়া হয়।’
আব্দুল জব্বার বলেন, ‘গুলির আওয়াজ শুনতেই আমরা সকলেই ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার ছেলে সালমান রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।’
মুহাম্মদ আসলাম নামে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘বিশ্বাস করুন পুলিশ অপরাধীর মত ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। কোনো মামলাও দায়ের করেনি। গুলি চালানোর পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিপে করে পালিয়ে গেছে।’
ওই ঘটনার পরে আজ (শনিবার) নিহত সালমানের লাশ নিয়ে গ্রামবাসীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের ট্রিগারে হাত লেগে গুলি ছিটকে সালমানের বুকে লাগে বলে পুলিশ সাফাই দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু গ্রামবাসীদের দাবি যদি তাই হয় তাহলে আহত সালমানকে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে পুলিশ পালিয়ে গেল কেন?
চাতরার পুলিশ সুপার মদন মোহনলাল আজ ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তারা কোনো কথায় রাজি হয়নি। তাদের দাবি- আগে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে তারপরেই কথা হবে। পরে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে সালমানের লাশ সড়ক থেকে সরাতে সক্ষম হন।
জেলা পুলিশ কর্মকর্তা ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পিপারওয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অন্যত্র বদলি এবং এক উপ-পরিদর্শকসহ ৫ পুলিশ কর্মীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছেন। তদন্তে প্রকাশ, পুলিশের উপ-পরিদর্শক প্রেম চন্দ্র মিশ্র ওই এলাকায় এক অপরাধমূলক ঘটনার তদন্তে গিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় সালমান ওরফে রাজাকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশের মুখপাত্র ও আইজি আশীস কোনোভাবেই দোষী পুলিশ কর্মীদের রেহাই দেয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প–মোদি বৈঠক: নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত? by আলী রীয়াজ

প্রায় ছয় মাস ধরে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তার পররাষ্ট্রনীতির কাঠামো বা ফ্রেমওয়ার্ক সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেনি বা এই বিষয়ে আগ্রহী হয়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যে তারা একধরনের অ্যাডহক বা সাময়িক পদক্ষেপ দিয়েই আপাতত পররাষ্ট্র সম্পর্ক বহাল রাখবে। বড় আকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়ে যেগুলো ঘোষিত হয়েছে, তা হচ্ছে ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (টিটিপি) এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি (প্যারিস চুক্তি) থেকে প্রত্যাহার, যা ‘একলা চলো’ নীতির প্রতিফলন ঘটায়। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের উদ্যোগে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর সামরিক জোট গঠনে উৎসাহ প্রদান ও কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপে সমর্থন থেকে ইঙ্গিত মেলে যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ও কূটনৈতিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেয়ে শক্তি প্রদর্শনকেই ট্রাম্প প্রশাসন যথাযথ মনে করে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসন যতটা সুস্পষ্টভাবে ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অন্য দেশগুলোকে উসকানি দিচ্ছে, সেটা নিঃসন্দেহে সহজেই দৃষ্টিগ্রাহ্য। কিন্তু এ ধরনের পদক্ষেপে যে তাঁর প্রশাসনের সবার সমর্থন আছে, তা মনে হয় না। কাতার প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের বক্তব্য এবং হোয়াইট হাউসের অবস্থানের মধ্যে দূরত্ব সহজেই প্রকাশিত হয়েছে, কাতারে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগও একই ধারণা দেয়। ইতিমধ্যেই আমরা এ-ও দেখেছি যে ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্পের দূরত্ব বেড়েছে বৈ কমেনি, ন্যাটোর ব্যাপারে প্রশাসনের পরস্পরবিরোধী অবস্থানও দেখা গেছে। বিশ্বরাজনীতির বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের অবস্থানের পটভূমিকায়ই মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হবে।
এটা আলাদা করে বলার দরকার হয় না যে ভারত এখন নিজেকে আর কেবল দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় দেশ বলেই বিবেচনা করে না, আচরণের দিক থেকে নিজেকে সে এশিয়ার একটি প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে এবং আকাঙ্ক্ষার দিক থেকে সে নিজেকে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবেই দেখতে চায়। ফলে এশিয়া, বিশেষত দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার প্রতিযোগিতা ও সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। সহযোগিতার দিকটি প্রধানত এই অঞ্চলে চীনের প্রভাব-বলয় বিস্তারের চেষ্টা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কারণেই। এই সহযোগিতা গত দশকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এশিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সে কারণেই ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি প্রধান পটভূমি।
এশিয়ার ব্যাপারেও আমরা ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই ধরনের পদক্ষেপ দেখতে পাই। নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় চীনের ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ সমালোচনার ধারই যে এখন কমে এসেছে তা নয়, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবি করা বিভিন্ন দ্বীপের কাছে যে নৌ মহড়া চালানো হয়, সেটি নিয়ে মে মাসে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। ‘ফ্রিডম অব নেভিগেশন’ (ফোনপোস) নামের এই মহড়া নতুন কিছু নয়, কিন্তু বারাক ওবামার প্রশাসন ঘোষণা দিয়েই এই মহড়া চালাত, যাতে করে অন্যান্য মিত্র বুঝতে পারে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে আছে। কিন্তু মে মাসের পর মার্কিন নৌবাহিনী এই মহড়ার বিষয়ে ‘লো-কি’ বা কম প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
চীনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের পাশাপাশি মনে রাখা দরকার যে টিটিপি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের ফলে গোটা এশিয়ায় চীনের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর অন্যতম প্রভাব পড়বে ভারতের ওপর। প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার কারণে এই চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন ও ভারত বায়ুমণ্ডলে কার্বন গ্যাস নিঃসরণের ক্ষেত্রে যারা প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এশিয়ায় চীনের সঙ্গে ভারতের প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই আরও বেশি জোরদার হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি নিশ্চয় বুঝতে চাইবেন ট্রাম্প প্রশাসন চীনের ব্যাপারে নমনীয় অবস্থান নেবে কি না। ভারত যেমন চাইবে ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিক, তেমনি চাইবে না যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরে বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তার সামরিক উপস্থিতিটি বাড়াক বা এমন পদক্ষেপ নিক, যাতে এখানে উত্তেজনা বাড়ে।
চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ অবকাঠামোগত প্রকল্পে ভারত যোগ দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র অতীতে এই বিষয়ে যথেষ্ট আপত্তি দেখালেও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে যুক্তরাষ্ট্র একটি ছোট প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল। এই প্রকল্পের আপাত লক্ষ্য যদিও অর্থনৈতিক, এটা বুঝতে কারোরই কষ্ট হয় না যে, এ হচ্ছে চীনের প্রভাব বিস্তারের কৌশল। কিন্তু ভারত তা থেকে সরে থেকে লাভবান হবে এমন মনে করার কারণ নেই। চীনের এই প্রকল্পের সূত্রেই ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে আরও বেশি টানাপোড়েনের সূচনা হয়েছে। চীন শিনজিয়াং থেকে পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দরে যুক্ত হওয়ার পথ হিসেবে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ‘চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর’ (সিপ্যাক) স্থাপনের কাজ করছে এবং ভারত তাকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবেই দেখছে। কেননা এর একটি অংশ যাবে কাশ্মীরের এমন এক অংশের মধ্য দিয়ে, যা ভারত নিজের বলে দাবি করে।
এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কোনো রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে পাকিস্তান প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সব সময়েই ভারতের কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র এবং আফগানিস্তানে মার্কিন উপস্থিতির কারণে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিবাদে জড়াতে রাজি নয়। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের এক শুনানিতে কংগ্রেসের সদস্য টেড পো দাবি করেছেন, এ–যাবৎ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে ৩৩ বিলিয়ন ডলার সাহায্য দিয়েছে। ওবামা প্রশাসনের আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কে অনেক রকম টানাপোড়েন দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে সাহায্য অব্যাহত রাখলেও এই সম্পর্ক আগের মতো ঘনিষ্ঠ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশীয় নীতিতে পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতের কার্যত অবসান ঘটেছে জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলেই। সেই সময়ে ভারতের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা স্বাক্ষরিত হয়। তবে ওবামার আমলে তা ধীরগতিতে এগিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে তা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। বিভিন্ন জটিলতার কারণে এটা আরও দেরি হবে বলেই মনে হচ্ছে। তবে এটা ঠিক যে ওবামার আমলে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সহযোগিতায় ভাটা নামার কারণ এখনো তৈরি হয়নি।
দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে ভারতের আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে আফগানিস্তান নীতি। ভারত মনে করে যে পাকিস্তান আফগানিস্তানে অস্থিতিশীলতার কারণ। পাকিস্তানে তালেবানের হাক্কানি নেটওয়ার্কের উপস্থিতি এবং পাকিস্তানের সরকারের মধ্যে তাদের প্রতি সমর্থন ভারতের উদ্বেগের উৎস। যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের কোনো কোনো সদস্য এই মতের সঙ্গে একমত। সম্প্রতি সিনেটের আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক শুনানিতে নিরাপত্তাবিষয়ক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আফগানিস্তানে ভারতের প্রভাব ক্রমাগতভাবে বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তান উদ্বিগ্ন। এ–যাবৎ যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে ভারত খুব খুশি নয়, ট্রাম্প প্রশাসন এই বিষয়ে আর কী পদক্ষেপ নেবে, সেটা নিশ্চয় ভারত জানতে চাইবে বলে ধারণা করা যায়। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান ছাড়াও অন্যান্য প্রতিবেশীর সম্পর্কে যে টানাপোড়েন আছে, সেই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। চীনের প্রভাববলয়ের মোকাবিলার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দেওয়ার ফলে ভারত তার প্রতিবেশীদের ব্যাপারে কী দৃষ্টিভঙ্গি নিচ্ছে, সেটা গুরুত্ব পাচ্ছেন না বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। এই বিশ্লেষকেরা এই দিকটি বিবেচনায় নেওয়া দরকার বলে মনে করেন এই কারণে যে এতে করে অনেক দেশ ভবিষ্যতে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও সম্প্রতি কিছু বিষয়ে ভারত মোটেই খুশি নয়। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন যে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য ভারত উন্নত দেশগুলো থেকে হাজার হাজার কোটি ডলার নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ভারত কেবল তার প্রতিবাদই করেনি, দেখিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের পাওয়া সাহায্যের পরিমাণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ভারতের কেনা কাজুবাদামের চেয়েও কম। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, সাম্প্রতিককালে চাকরি–সংক্রান্ত মার্কিন ভিসার (এইচ১-বি) ক্ষেত্রে পরিবর্তন। এই ভিসার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপের ফলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চাকরিতে ভারতীয় নাগরিকেরা যেসব সুবিধা পেতেন, তা সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ের পাশাপাশি ট্রাম্প-মোদি আলোচনায় সন্ত্রাসবাদের কথা আলোচিত হবে। ভারতের নেতারা মনে করেন, ভারত যত বেশি ‘সন্ত্রাসী’ হামলার শিকার হয়, সেই তুলনায় তা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। এই প্রশ্নকে ভারত স্থানে আনতে চায় এই কারণেও যে তাতে করে এর দায় অনেকটাই তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের ওপর চাপানো যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে আরও দূরত্ব তৈরি করা যাবে।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই প্রধান শিক্ষক হেলালের আরো যত অপকীর্তি by মহিউদ্দিন অদুল

ওই খণ্ডকালীন শিক্ষিকা মানবজমিনকে বলেন, আমার বাবার বয়সী একজন প্রধান শিক্ষক নানা অশ্লীল কু-প্রস্তাবের পাশপাশি নিবিড়ভাবে আমার শরীর স্পর্শ করেন। রাস্তায় প্রকাশ্যে বিকৃত যৌন নিপীড়ন করেন। আমার সঙ্গে যোগ দেয়া অপর দু’নারী শিক্ষকের প্রতিও ছিল কু-দৃষ্টি। বাদ যায়নি ছাত্রীরাও।
প্রধান শিক্ষক হওয়ার আগে তিনি একই স্কুলে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। পরে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হন। কর্মরত রয়েছেন প্রায় দেড় যুগ। তখন থেকেই চলে আসছে শিক্ষিকা, কর্মচারী, বহিরাগত ও ছাত্রীর প্রতি তার বিকৃত রুচির যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি। বিকৃত রুচির ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অঙ্গভঙ্গি ও দেহ সৌষ্ঠব প্রত্যক্ষ করার জন্য প্রায় ছাত্রদের বাদ দিয়ে শুধু ছাত্রীদের দিয়ে নাচ, গানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করানোর অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। ২০১৫ সালে ব্যবহারিক শিক্ষার ক্লাসে তিনি এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রীদের ওড়না খুলে বুক ডাউন ও ডিগবাজি দিতে বাধ্য করেছিলেন। এতে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে গেলে ওই বছরের ৩০শে মার্চ তৎকালীন প্রধান শিক্ষকের কাছে ছাত্রীরা লিখিত অভিযোগ করে। এর আগে ২০১১ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ছাত্রদের পিতৃ পরিচয় তুলে অশালীন কথা বলার জন্য ওই ক্লাসের ১৩ শিক্ষার্থীও তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক এই হেলাল উদ্দিনের কাছে কৈফিয়ত তলব করেন। তাতে উল্লেখ করা হয় ‘আপনাকে বার বার মৌখিক সাবধান করার পরও ষষ্ঠ শ্রেণিতে অশালীন আলোচনা করেন...’। এ ঘটনায় পরবর্তী ১৯শে সেপ্টেম্বর ক্ষমা চেয়ে পার পান তিনি। একই বছরের সেপ্টেম্বরে অপর এক ছাত্রের সঙ্গেও অশালীন আচরণ করেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্র ১৭ই সেপ্টেম্বর আরো একটি লিখিত অভিযোগ করেছিল। এ ছাড়া গত ১৪ জুন ওই শিক্ষিকার মামলার পর স্কুলটির ২০ ছাত্র-ছাত্রীও বিভিন্ন সময় নানাভাবে অশ্লীল আচার-আচরণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে খিলগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এ ছাড়া কারণে-অকারণে ছাত্রীদের গায়ে হাত দেয়া, স্কুলের সিসি ক্যামেরায় শিক্ষিকা ও ছাত্রীদের ছবি জুম করে দেখা ও যৌন ক্রিয়া-প্রসব বিষয়সহ অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলাপচারিতা তার প্রতিদিনের আচরণ।
শুধু যৌন নিপীড়নই নয়। স্বেচ্ছাচারিতা, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলাভঙ্গ তার নিত্য দিনের ঘটনা। অর্থ লুটের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০০৮ সালে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি পাওয়া প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে তিনি বিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে ৩৮ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে নোটিশ করেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। এ ছাড়া সম্প্রতি এক শিক্ষকের কাছ থেকে নিয়োগের নামে বড় অংকের টাকা উৎকোচ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
তার অসদাচরণ ও শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বিব্রত শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ দিন বিনা অনুমতি বা ছুটিতে স্কুলে অনুপস্থিত থাকাসহ বিদ্যালয়ের স্বার্থ পরিপন্থি কাজ ও অসদাচরণের অভিযোগে পরিচালনা কমিটি তাকে ২০০৮ সালের ১৮ ও ২৯শে নভেম্বর এবং ২০০৯ সালের ১২ই জানুয়ারি কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যু করেছিল। কোনোটার জবাব না দেয়ায় ২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত নোটিশ ইস্যু। তারও জবাব না দিলে পরিচালনা কমিটির ১২ মার্চের সভায় তাকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ২০১০ সালের ২৮শে জুলাই আর কোনো অপরাধ না করার অঙ্গীকার করে তিনি বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন। সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ২৫শে অক্টোবরের সভায় কমিটি তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। তারপরও থামেনি তার দৌরাত্ম্য। অপরাধের মাত্রা। ২০১২ সালে আবার শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তাকে নোটিশ করা হয়। জবাবে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ওই বছরের ২১শে এপ্রিলের সভায় তাকে আবার ক্ষমা দেয় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি।
২০১৫ সালের ২৭শে জানুয়ারি তাকে প্রায় সময় কাউকে না জানিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগের জন্য কৈফিয়ত তলব করা হয়। জবাবে ৩১শে জানুয়ারি দুঃখ প্রকাশ করে পার পান। বিদ্যালয় বা কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্য তাকে নোটিশ করা হয় একই বছরের ২১শে জুলাই। তাছাড়া বিদ্যালয়ে আসা ও যাওয়ায় মিথ্যা সময় লেখা, ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা, নোটিশ গ্রহণ না করাসহ কয়েকটি অপরাধের জন্য ২০০৮ সালের ২৯শে নভেম্বর তাকে আরো একবার কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যু করা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছাত্র ছায়ায় থেকে এতসব অপরাধের পরও তিনি বার বার পার পেয়ে গেছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা না থাকলেও তিনি কমিটির যোগসাজশে নানা অপকৌশলে ও প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের পদে আসীন হন। গত বছরের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দেন। এখানেও রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। এর আগে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থী ছিলেন ৪০ শিক্ষক। আর স্কুল থেকে প্রার্থী ছিলেন সরদার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ১৬ নম্বর। ৪০ জনের মধ্যে হন ৩৭ তম। তারপরও কমিটি ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়। ৬৭ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রার্থী শহীদুল ইসলামকে টপকে অসদুপায়ে কৌশলে প্রথম করিয়ে দেয়া হলো হেলাল উদ্দিনকেই। এরপর সহকারী শারীরিক শিক্ষক থেকে তিনি স্কুলটির প্রধান শিক্ষক। আর নিয়োগ পরীক্ষার খারাপ ফলের প্রমাণ লোপাট করতে খাতাপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রগুলো স্কুল থেকেই সরিয়ে ফেলা হয়। প্রধান শিক্ষক হলেও সেই দায়িত্বপূর্ণ পদ তার মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারেনি। লোপ পায়নি চারিত্রিক নোংরামিও। বরং তা আরো বেপরোয়া আকার ধারণ করে।
ওই বিদ্যালয়ের সপ্তম ও দশম শ্রেণির ৮জন ছাত্রী মানবজমিনকে বলে, কারণে-অকারণে যখন তখন গায়ে হাত দেয়া, অশ্লীল ব্যবহার, অশালীন কথা-বার্তা, গালিগালাজ, সিসি ক্যামেরায় ছাত্রীদের ছবি জুম করে দেখা এসব তার প্রতিদিনের কাজ।
ওই বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষক বলেন একই কথা। শিক্ষকের কোন গুণ নেই তার মধ্যে। তার বিকৃত রুচি ও অসদাচরণের কারণে সবাই অতিষ্ঠ। শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা তাকে চায় না। তবু তিনি প্রধান শিক্ষক। ‘গাঁয় না মানে আপনি মোড়ল’। তার অন্যায় আচরণ ও ব্যবহারের জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা বহুবার তাকে মারতে উদ্ধত হয়েছে। তা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য কক্ষের আগের ফটকে প্রায় সময় তালা দিয়ে রাখতে হয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলমগীর চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, আগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তেমন কোনো অভিযোগ আমাদের কানে আসেনি। এখন বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির পর তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাবা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে সৌদি আরব

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈরী আবহাওয়ায় চা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা by ইমাদ উদ দীন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমারীত্বের জন্য অস্ত্রোপচার!

হাইমেন হলো একধরনের পর্দা, যা নারী-অঙ্গ আংশিকভাবে বন্ধ রাখে। এর উপস্থিতিকে তিউনিসীয় সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে কুমারীত্বের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তিউনিসিয়ার একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চারতলায় বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে বসেছিলেন ইয়াসমিন (ছদ্মনাম)। তিনি তাঁর নখ কামড়াচ্ছিলেন এবং ক্রমাগত মুঠোফোন চেক করছিলেন। তিনি বিবিসির প্রতিবেদকের প্রতি আস্থা রাখেন। মেয়েটি ওই প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন যে তিনি এখানে এসেছেন হাইমেনোপ্ল্যাস্টি অস্ত্রোপচার করার জন্য।
২৮ বছর বয়সী ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি একে প্রতারণা বলে মনে করি এবং সত্যিকার অর্থেই চিন্তিত।’ তিনি জানান, দুই মাসের মধ্যে তাঁর বিয়ে হবে। তিনি কুমারী নন—বিষয়টি তাঁর হবু স্বামী ধরে ফেলবেন, এটা ভেবে তিনি চিন্তিত। তাই এখানে তিনি কুমারীত্ব ফিরে পেতে এসেছেন। তবে এটা ভেবেও তিনি উদ্বিগ্ন যে ভবিষ্যতের কোনো একসময়ে যদি সত্য বের হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই হয়তো আমার হবু স্বামীকে অসাবধানতাবশত সত্য বলে বসব।’
তিউনিসিয়ায় কুমারীত্ব নিয়ে স্বামীর সন্দেহের কারণে বিয়ের পরপরই বিচ্ছেদের ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটে থাকে।
উদারপন্থী একটি পরিবারে ইয়াসমিনের জন্ম। তিনি বেশ কয়েক বছর বিদেশে কাটিয়েছেন। ইয়াসমিনের বিবাহপূর্ব সংসর্গের কথা জানতে পারলে তাঁর হবু স্বামী বিয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করবেন—এ আশঙ্কায় তিনি উদ্বিগ্ন। ইয়াসমিন বলেন, ‘এক ছেলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। ওই সময় আমি কল্পনাও করতে পারেনি এই সম্পর্কের কারণে আমাদের সমাজে কী পরিমাণ চাপ ভোগ করতে হবে। কাজেই আমি ভীত। আমি যদি এসব কথা আমার হবু স্বামীকে বলে দিই, তবে আমি নিশ্চিত এ বিয়ে বাতিল হবে।’
হাইমেনোপ্লাস্টি অস্ত্রোপচারের জন্য ইয়াসমিনকে এখন প্রায় ৪০০ ডলার গুনতে হবে। এই অস্ত্রোপচারে সময় লাগে প্রায় আধা ঘণ্টা। পরিবারের অগোচরে কয়েক মাস ধরে তিনি ওই অর্থ জমিয়েছেন। ইয়াসমিনের এই অস্ত্রোপচার করবেন চিকিৎসক রশিদ (ছদ্মনাম)। তিনি প্রতি সপ্তাহে গড়ে দুটি করে এই অস্ত্রোপচার করেন।
চিকিৎসক রশিদ বলেন, তাঁর ৯৯ শতাংশ রোগীই তাঁদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের কাছে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়ার হাত থেকে বাঁচতে এই অস্ত্রোপচার করে থাকেন। ইয়াসমিনের মতো বহু নারী তাঁদের কুমারীত্ব হারানোর বিষয়টিকে আড়াল করতে চান। তবে শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও অন্য অনেক কারণে সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যেতে পারে। আর এখানে সেটা হলেও নারীরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কারণ, বিয়ের আগেই তাঁদের যৌন সম্পর্ক হয়েছে বলে মিথ্যা ধারণা তৈরি হয়।
রশিদ বলেন, ‘গাইনি চিকিৎসকেরা সতীচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে থাকেন। অনেক চিকিৎসক এটা করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে আমি এটা করি। কারণ, যাঁরা কুমারীত্বকে পবিত্র জ্ঞান করে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে আমি একমত নই। তবে আমি এতে বিরক্ত। কিছু ধর্মীয় নৈতিকতায় আবদ্ধ পুরুষশাসিত সমাজের কারণে এ ঘটনা ঘটছে।’
উত্তর আফ্রিকায় নারী অধিকারের দিক থেকে তিউনিসিয়াকে শীর্ষস্থানীয় দেশ বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। তবে ধর্ম এবং ঐতিহ্য অনুযায়ী এখানকার তরুণীদের বিয়ের আগ পর্যন্ত কুমারী থাকতে হবে। বিয়ের পর কোনো নারী কুমারী নন—এটা প্রমাণিত হলে তিউনিসীয় আইন অনুযায়ী ওই নারীর স্বামী তাঁকে তালাক দিতে পারেন।
সমাজবিজ্ঞানী সামিয়া এলুমি বলেন, ‘এই তিউনিসীয় সমাজে আমরা দিন দিন ভণ্ডামি শিখছি। এখানে একধরনের সামাজিক রক্ষণশীলতা রয়েছে। এরপরও আমরা দাবি করি, আমরা আধুনিক সমাজে বাস করছি। তবে নারীর যৌনতা ও স্বাধীনতার কথা যখন আসে, তখন এখানে খুব একটা আধুনিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না।’
বিবিসির এই প্রতিবেদক কথা বলেন দেশটির সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিচেমের সঙ্গে। হিচেম আগামী বছর বিয়ে করবেন। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁর হবু স্ত্রীর কুমারীত্বের বিষয়টিকে তিনি কীভাবে দেখেন। এর জবাবে হিচেম বলেন, ‘আমার কাছে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ের পর আমি যদি দেখি আমার স্ত্রী কুমারী নন, তবে আমি তাঁকে আর বিশ্বাস করব না। আমি এটাকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে বিবেচনা করব এবং আমি হাইমেনোপ্লাস্টি অস্ত্রোপচারে বিশ্বাস করি না। এই অস্ত্রোপচারে কাজ হয় বলে আমি মনে করি না।
হিচেমের পাশেই বসা ছিলেন আরেক ছাত্র রাধুয়াম। তিনি বলেন, ‘তিউনিসীয় সমাজ নারীদের জন্য অত্যন্ত কঠোর। আমার কাছে এটা পরিপূর্ণ ভণ্ডামি। এখানকার তরুণেরা বিয়ের আগেই যৌন-সংসর্গ গড়ে তুলতে পারেন। কাজেই যে দোষ আমরা নিজেরাই করি সেই দোষ কেন শুধু নারীদের ওপর চাপাই?’
সূত্র: বিবিসি। ভাষান্তর: কৌশিক আহমেদ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর দিন গুনতে থাকা শিশুটির শেষ ইচ্ছে
![]() |
| স্কটল্যান্ডের অ্যাবারডিনে গত রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে হ্যারিসন ও অ্যালেইয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়। ছবিটি টুইটার থেকে নেওয়া। |
তবে এই বিয়ের পেছনের গল্পটি মধুর নয়। বরং তাতে আছে দুরারোগ্য মরণব্যাধির বিষাক্ত ছোবল। কনের নাম অ্যালেই প্যাটারসন। বয়স তার মোটে পাঁচ বছর। বর তার চেয়ে এক বছরের বড়। নাম তার হ্যারিসন গ্রিয়ার। বর-কনে একে-অপরের ‘সেরা বন্ধু’।
জন্মের কিছুদিন পরই নিউরোব্লাস্টোমা নামের দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয় অ্যালেই। এটি একধরনের ক্যানসার। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, অ্যালেইয়ের রোগ নিরাময়ের অবস্থায় নেই। এরপরই নিজের ইচ্ছের তালিকা বানাতে বসে সে। মৃত্যুর আগেই এসব ইচ্ছে পূরণ করতে চায় অ্যালেই। তালিকার প্রথমেই ছিল সেরা বন্ধু হ্যারিসনকে বিয়ে করার ইচ্ছে।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গত রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে হ্যারিসন ও অ্যালেইয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়। স্কটল্যান্ডের অ্যাবারডিনে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। এতে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত বন্ধু ও পরিজনেরা।
মেয়ের জীবন নিয়ে এখন একটি রূপকথার গল্প লিখছেন অ্যালেইয়ের মা গেইল প্যাটারসন। তাতে ক্যানসার রোগটিকে দেখানো হয়েছে ‘অশুভ জন্তু’ হিসেবে। আর অ্যালেইয়ের চরিত্রটি হলো রাজকন্যার।
গেইল প্যাটারসন বলেন, ‘অ্যালেই ও হ্যারিসনের মধ্যে একটি জাদুকরী বন্ধন রয়েছে। হ্যারি সব সময়ই বলে যে সে অ্যালেইকে খুবই ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। আর অ্যালেই হাসপাতালের সেবিকাদের বলত, তার একজন প্রেমিক আছে। শিগগিরই বিয়ে করবে তারা।’
বরের বাবা বিলি গ্রিয়ার বলেন, ‘হ্যারিসন আগে কখনো বিয়েতে আসেনি। সুতরাং এ সবই তার কাছে নতুন। কিন্তু আমার মনে হয়, অনুষ্ঠানটি কি নিয়ে তা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে সে। বেশ উপভোগও করেছে।’
অথচ বিয়ের আগের দিনই অ্যালেইকে রক্ত দিতে হয়েছে। ওই সময়ে কিছু শারীরিক জটিলতাও হয়েছিল তার। কিন্তু গেইল জানান, বিয়ের অনুষ্ঠানে সেই ক্লান্তির ছাপ ছিল না অ্যালেইয়ের মুখে। বরং নেচে-গেয়ে মাতিয়ে তুলেছিল অনুষ্ঠানটি। বিয়ের পর বর-কনে নেচেছিল সাইয়ের গ্যাংনাম স্টাইল গানের সঙ্গে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অশান্ত দার্জিলিং ছাড়ছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা

গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা গতকাল বৃহস্পতিবার এক নির্দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হোস্টেল ছেড়ে যেতে বলেছে।
রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যালয় পর্যায়ে বাধ্যতামূলকভাবে বাংলা ভাষা পড়ানোর নির্দেশ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ১২ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের বন্ধ পালন করছে।
জনমুক্তি মোর্চার পক্ষ থেকে আজ শুক্রবারের মধ্যে জিটিএ বা গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ৪৫ জন সদস্যকে পদত্যাগ করতে ঘোষণা দেয়। এমনকি এই পদত্যাগপত্র আজই লালকুঠিতে জিটিএর সদর দপ্তরে প্রধান সচিবের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী রোববার পদত্যাগ করবেন জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল গুরুং।
২০১১ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুলাই মাসে দার্জিলিং সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে দার্জিলিং চুক্তি করেছিলেন। এই চুক্তিবলে গড়েছিলেন এই জিটিএ। পরে জিটিএর নির্বাচনে জয়ী হয়ে এই স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চেয়ারম্যান হন বিমল গুরুং। এবার সেই জিটিএ থেকে বিমল গুরুং তাঁর দলবল নিয়ে সরে যাচ্ছেন।
কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে দার্জিলিংয়ে আর বাড়তি কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী নিয়োগ করা হবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আরও ৪ কোম্পানি বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিল। বর্তমানে এখানে ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এক প্রতিবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে আরও বাহিনী নিয়োগ করলে দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। এই রিপোর্টের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে রাজ্য প্রশাসনের জারিকৃত নির্দেশে দার্জিলিংয়ে ২৭ জুন পর্যন্ত ইন্টারনেট ও কেব্ল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে পুলিশ নিহত

পুলিশ জানায়, ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট (ডিএসপি) আইয়ুব পণ্ডিত বৃহস্পতিবার জামিয়া মসজিদ এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে উত্তেজিত জনতা তাঁকে ঘিরে ধরে। তিনি একপর্যায়ে জীবন বাঁচাতে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি ছোড়েন। এতে তিন ব্যক্তি আহত হয়।
ডিএসপি আইয়ুবের আগ্নেয়াস্ত্রটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
ঘটনার সময় পুলিশ কর্মকর্তা আইয়ুব সাদাপোশাকে ছিলেন। এ কারণে তাঁর পরিচয় প্রথমে শনাক্ত করা যায়নি। কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের সদস্যরা মুঠোফোনে কল করলে তাঁর পরিচয় জানা যায়। ঘটনার সময় আইয়ুবের সঙ্গে অন্য কোনো পুলিশ সদস্য ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জামিয়া মসজিদ থেকে তিন কিলোমিটার দূরে পরিবার নিয়ে বাস করতেন আইয়ুব। ওই এলাকায় তিনি ও তাঁর পরিবার বেশ পরিচিত।
শ্রীনগর পুলিশ লাইনে গতকাল শুক্রবার সকালে ডিএসপি আইয়ুব পণ্ডিতকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা করার মতো লজ্জাজনক কাজ আর কিছু হতে পারে না।’
একই দিন কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় আরও একজন ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে শিষ্টাচার by শামীমুল হক

১৯৭৩ সালের ঘটনা। ভাসানী ন্যাপ-এর সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তখন বঙ্গবন্ধুর কট্টর সমালোচক। সরকারের বিরুদ্ধে তখন তিনি রাজপথে অনশন করেন। সেই অনশনও ভাঙান বঙ্গবন্ধু নিজেই। ভাসানীর মুখে শরবত তুলে দিয়ে সেদিনের অনশন ভাঙানোর কথা সবাই জানেন। আরেক ঘটনা। ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক তখন কাজী জাফর আহমদ। সামনে ঈদ। কাজী জাফর বহু খোঁজাখুঁজি করে মওলানা ভাসানীর জন্য তার পছন্দের পোশাক কিনেন। সঙ্গে ভাসানী পত্নীর জন্যও। ঈদের আগের দিন ভাসানীর বাড়িতে সেই পোশাক নিয়ে যান কাজী জাফর নিজে। পোশাক দেখে খুশি হন ভাসানী। আর মুখে বলেন, তোমার দেয়া পোশাক ঈদের দিন বিকালে পরব। কথা শোনে কাজী জাফরতো থ মেরে যান। এত খোঁজাখুঁজি করে আনা পোশাক মওলানা ভাসানী পরবেন বিকালে তা তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। জাফরের ইচ্ছা এই পোশাক পরে মওলানা ভাসানী ঈদের জামাতে যাবেন। একপর্যায়ে ভাসানীর কাছে বিকালে এই পোশাক পরার কারণ জানতে চান। ভাসানী তাকে জানান, ঈদের জামাতে যাব মজিবরের পোশাক পরে। রাতেই মজিবরের পোশাক পেয়ে যাব। তাজ্জব বনে যান কাজী জাফর। বলেন, বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আপনি রাজপথে আন্দোলন করছেন। তার সরকারের সমালোচনা করছেন। আর তার দেয়া পোশাক পরে আপনি ঈদের জামাতে যাবেন? মওলানা ভাসানী তখন কাজী জাফরকে বলেন, শোন জাফর, শুধু কালকের ঈদই নয়, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মজিবরের দেয়া পোশাক পরে আমি ঈদের নামাজ পড়ি। পাকিস্তান আমলে মজিবর জেলে থাকলেও তার স্ত্রী ঈদের পারিবারিক বাজারের সঙ্গে আমার পোশাক কিনতে ভুলতো না। যথারীতি ঈদের আগের রাতে সেই পোশাক আমার কাছে পাঠিয়ে দিতো সে। ১৯৯২ সালে ঢাকা ক্রীড়া সংস্থার মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে দেশের রাজনৈতিক নেতাদের শিষ্টাচার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কাজী জাফর নিজে এসব কথা তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
অপরদিকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি আ স ম আব্দুর রব নিজে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলেছেন, ১৯৭৪ সালের দিকে আমরা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। আন্দোলনে পুলিশি হামলায় আহত হয়ে পিজি হাসপাতালে ভর্তি হই আমি। হঠাৎ রাতে দেখি বঙ্গবন্ধু এসে হাজির। আমাকে দেখে বঙ্গবন্ধু বললেন, কি হইছে তোর। আমি বিষয়টি দেখতেছি।
এমন কথাও প্রচলিত আছে, ফজলুল কাদের চৌধুরী ছিলেন মুসলিম লীগের নেতা। স্বাধীনতার পর তিনি কারান্তরীণ হন। বঙ্গবন্ধু তাকে জেলে চিঠি লিখতেন। টেলিফোন করে কথা বলতেন। খোঁজ-খবর রাখতেন। অন্যদিকে জেলে থাকা অবস্থায় মুসলিম লীগ নেতা সবুর খানের পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়মিত রাখতেন বঙ্গবন্ধু। সেই সংস্কৃতি এখন আর নেই। এখন কে কার সম্পর্কে কত কটূক্তি করতে পারেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। নবম সংসদের দিকে তাকালে লজ্জায় মুখ লুকাতে ইচ্ছে করে। মহান জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের মুখের ভাষা শুনে জাতি লজ্জিত হয়েছে। কিন্তু এমপিরা করেছেন উল্লাস। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। এক এগারো থেকে শিক্ষা নিয়ে গঠিত সংসদেই ঘটেছে এসব ঘটনা। কিন্তু এক এগারোর পর বৃহত্তম দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে উভয় দলের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েছিলেন। যা জাতির মনে আশার সঞ্চার করেছিল। আমাদের রাজনৈতিক নেতারা তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। যার খেসারত দিতে হচ্ছে দেশবাসীকে। এখনও মাঝে মাঝে খবর হয়, ঈদ, নববর্ষে এক নেত্রী আরেক নেত্রীকে দাওয়াত দেয়ার। এটা শুধু দাওয়াত কার্ড বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃতুর খবর শোনে ছুটে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়াসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। পক্ষান্তরে খালেদা জিয়ার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর সংবাদ শোনে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু সেদিন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের গেট খোলা হয়নি। বন্ধ গেটের বাইরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হয়েছিল। সার্বিক দিক বিবেচনায় দেখা যায় কোথায় যেন এক বাধা। সেই বাধাতো ভাঙতে হবে রাজনীতিবিদদেরই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশের প্রলোভনে নারী শিকারের জাল by রুদ্র মিজান

সূত্রমতে, প্রলোভনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি নারীদের পাচার করা হচ্ছে। বাসায় কাজের নামে তাদের অনেককেই যৌনকর্মী হিসেবে ব্যবহার করে। এমনকি একই পরিবারের বাবা, ছেলে, ভাইসহ সকল পুরুষ সদস্যদের কাছেই নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে নারীকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পতিতার দালালদের কাছে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। আবাসিক হোটেলে রেখে যৌনকর্ম করানো হয় এই নারীদের দিয়ে। অনুসন্ধানে এরকম কয়েক নারীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজন দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। বাড়ি মাদারীপুরে। গত ১৪ই মার্চ সৌদি আরবে পাঠানো হয় তাকে। বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই বাসার কর্তা শুরুতেই তার দিকে অবাক দৃৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন। তাকে গোসল করে বিশ্রাম নিতে বলা হয়। নতুন কাপড় দেয়া হয়। রাত নামতেই এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। তার আগমন উপলক্ষে বাসায় জমে উঠে আড্ডা। একে একে ধর্ষণ করে পাঁচ জন। বাধা দিলে বেদম প্রহার করা হয়। অসুস্থ হয়ে যান তিনি। এভাবে একেক রাতে একেক বাসায়, হোটেলে পাঠানো হয় তাকে। বাধা দিলে তারা জানায়, ‘টাকার বিনিময়ে কেনা হয়েছে তোমাকে। আমরা যা বলি তাই করতে হবে।’ গত ৩০শে মে বড় বোনের কাছে ফোনে নির্যাতনের এই করুণ কাহিনী জানান তিনি।
দেশের দালালরা গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি পাঠানোর নামে বিক্রি করে দিয়েছে নারী শিকারি চক্রের কাছে। তাকে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন স্বজনরা। কিন্তু দালালর দাবি করছে, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকা দিতে পারলে তাকে ফিরিয়ে দেবে তারা। এ বিষয়ে গত ১৩ই জুন তার বড় বোন বাদী হয়ে আদালতে মানবপাচার আইনে পিটিশন মামলা করেছেন।
ওই নারীর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শিকারির মতো জাল ফেলেছিল চক্রের সদস্য মাদারীপুর সদরের খোয়াজপুরের জসিম। ওই নারীর মা, বাবা অসুস্থ। সংসারের হাল ধরতে চান তিনি। এর মধ্যেই প্রস্তাবটি দেয় জসিম। ‘দেশে এতো কষ্ট করার চেয়ে বিদেশে গেলে অনেক ভালো আয় করতে পারবে। বিদেশে যেতে বেশি টাকার দরকার হবে না। রাজি থাকলে অল্প টাকাতেই বিদেশে পাঠানো যাবে। অ্যারাবিয়ানের বাসায় কাজ। মাস শেষে শুধু টাকা আর টাকা। অল্প দিনেই বাড়িতে ঘর-বাড়ি হবে।’ প্রলোভনে পা দেন তিনি। জসিম, ফিরোজপুরের মঠবাড়ির ফুলবাড়িয়ার হুমায়ূন ও যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচার ফরিদ ওই তরুণীকে ঢাকায় নিয়ে আসে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলারপাড়ের বশির আহমেদের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়। ওই সময়ে বিমানের ভাড়া হিসেবে তার বড় বোনের কাছ থেকে আরো ৩৫ হাজার টাকা নেয় তারা। মতিঝিলের বিডিএক্স ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিটি নিয়ে সৌদি আরবে পাঠানো হয় তাকে।
একইভাবে প্রলোভনে পা দিয়ে ওমানে গিয়েছিলেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার শান্তিনগরের এক নারী। শেষ পর্যন্ত লাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। কুমিল্লার দাউদকান্দির আবদুল কাদিরের মাধ্যমে ওমানে গিয়েছিলেন তিনি। গত বছরের ২৪শে ডিসেম্বর ফোনে তার বোন হোসনে আরাকে বলেছিলেন, ‘ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। প্রতি রাতেই আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন করে। এক, দু’জন না। একের পর এক ওরা অনেকে...। আমি মরে যাব। আমাকে বাঁচাও বুবু।’ পরদিন ২৫শে ডিসেম্বর তার লাশ উদ্ধার করে ওমান পুলিশ।
২০১৪ সালের ২১শে অক্টোবর আট নারীকে বিদেশে পাচার করে শরিয়তপুরের সিরাজ শিকদার। লেবাননে পাঠানোর কথা বলে পাঠানো হয় সিরিয়ায়। মামুদ ও আবু আহমদ নামে চক্রের দুই সদস্য তাদের নিয়ে যায় একটি অফিসে। ওই অফিসে আরো ১৫ বাংলাদেশি নারী ছিল। ওই অফিসেই তাদের যৌনকাজে লিপ্ত হতে চাপ দেয়া হয়। হুমকি দিয়ে বলা হয়, তোমাদের টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে। কাজ না করলে প্রাণে মারা হবে। নির্যাতিতারা জানান, সুন্দরী ও কম বয়সীদের বেশি চাহিদা সেখানে। সুন্দরীদের পতিতালয়ে আর একটু বেশি বয়সীদের কৃতদাসী হিসেবে বিক্রি করে দেয়া হয় ছয় মাস ও এক বছরের জন্য। নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে গত বছরের ১১ই অক্টোবর দেশে ফিরেন এক নারী। পরে তিনি এই চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তিনি জানান, যৌনকাজে লিপ্ত হতে না চাইলে মারধর করা হতো, ইলেকট্রিক শক দেয়া হতো। লোহার রড গরম করে ছ্যাঁকা দেয়া হতো। প্রতিরাতেই একেক নারীকে পাঠানো হয় একেক স্থানে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি সহেলি ফেরদৌস বলেন, নানা প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা নারীদের পাচার করে। সাধারণত প্রতারিত হওয়ার পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। এক্ষেত্রে অপরাধীরা যদি দেশে থাকে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু বিদেশে থাকলে তা দুষ্কর হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে বিদেশে যাওয়ার আগে বিদেশগামী নারীকে সচেতনভাবে খোঁজ নিতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান তাকে পাঠাচ্ছে তা সরকার অনুমোদিত কি-না। কোথায়, কিভাবে পাঠাচ্ছে তা জেনে বিদেশে যাওয়া উচিত। কোনো প্রকার সন্দেহ করলে পুলিশের সহযোগিতা নেয়া উচিত। এক্ষেত্রে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে বলে জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 24
(22)
- দৃশ্যমান হচ্ছে সৌদি-ইসরাইল সম্পর্ক by আলফাজ আনাম
- কাতার সঙ্কট ও আলজাজিরার পথপরিক্রমা by মো: বজলুর রশীদ
- অগ্নিগর্ভ কাশ্মীর by এ জি নুরানি
- যানবাহনের ছাদ বোঝাই যাত্রী : দেখার কেউ নেই
- বিশ্ব কুদস দিবস: ইহুদিবাদের আতঙ্ক
- কাতারকে তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে চায় সৌদি আরব: নাসির...
- ঝাড়খন্ডে মুসলিম যুবককে ঘর থেকে বের করে গুলি করে হত...
- ট্রাম্প–মোদি বৈঠক: নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত? by আলী র...
- সেই প্রধান শিক্ষক হেলালের আরো যত অপকীর্তি by মহিউদ...
- কাবা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে...
- বৈরী আবহাওয়ায় চা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা by ইমা...
- কুমারীত্বের জন্য অস্ত্রোপচার!
- মৃত্যুর দিন গুনতে থাকা শিশুটির শেষ ইচ্ছে
- অশান্ত দার্জিলিং ছাড়ছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা
- কাশ্মীরে উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে পুলিশ নিহত
- রাজনীতিতে শিষ্টাচার by শামীমুল হক
- বিদেশের প্রলোভনে নারী শিকারের জাল by রুদ্র মিজান
- চাপে বাংলাদেশের মুক্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা by প্যা...
- বিপদের বন্ধু সবচেয়ে বড় বন্ধু by ব্যারিস্টার আন্দাল...
- চরম অব্যবস্থাপনায় ঘরমুখো মানুষের অসহীয় দুর্ভোগ by ...
- চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের জরুরি বৈঠকে তথ্যমন্ত্রীর পদত্য...
- ‘টলিউডে আমায় টেক্কা দেবে?.. বাংলাদেশে এমন নায়িকা ন...
-
▼
Jun 24
(22)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







