Monday, March 4, 2019
জয়েশ-ই-মুহাম্মদ নেতা মাসুদ আজহার ‘জীবিত’

মাসুদ আজহারের পরিবারের অজ্ঞাত ঘনিষ্ঠ সূত্রকে উদ্ধৃত করে জিও উর্দু নিউজের খবরে দাবি করা হয়েছে তিনি জীবিত। তবে তার স্বাস্থ্যের বিস্তারিত কিছুই জানানো হয়নি খবরে।
মাসুদ আজহারের বিষয়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, এই বিষয়ে আমি এখন কিছু জানি না।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালপুরের বাসিন্দা মাসুদ আজহার ২০০০ সালে জয়েশ-ই-মুহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন। ৫০ বছরের আজহারকে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন বিজেপি সরকার বন্দিবিনিময়ের আওতায় মুক্তি দিয়েছিল। ২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্ট হামলা, জম্মু-কাশ্মিরের রাজ্য পরিষদ, পাঠানকোট বিমান ঘাঁটিতে হামলা ও সর্বশেষ পুলওয়ামা হামলার জন্য মাসুদ আজহার ও জয়েশ-ই-মোহাম্মদকে দায়ী করে আসছে ভারতীয় সরকার।
মাসুদ আজহার জীবিত না মৃত তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারাও। তারা সামাজিকমাধ্যমে তার নিহতের খবর যাচাই করছেন। সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাসুদ আজহার সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বালাকোটে জয়েশ ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলায় তিনি আহত হয়েছেন। তবে এই বিষয়ে কোনও তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। ঘাঁটি ধ্বংসের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারত সরকার।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি স্বীকার করেছিলেন, জয়েশ প্রধান পাকিস্তানেই আছেন এবং তার অবস্থা খুব ভালো না। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তখনি তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিবে যখন ভারত অকাট্য প্রমাণ দিতে পারবে।
শাহ মেহমুদ কোরেশি বলেছিলেন, আমার কাছে থাকা তথ্য অনুসারে আজহার পাকিস্তানে আছে। তার অবস্থা ভালো না। এতো খারাপ অবস্থা যে তিনি বাড়ি ছেড়ে বের হতে পারছেন না।
গত সপ্তাহে মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নতুন প্রস্তাব আনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। বুধবার ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রস্তাব আনে পরিষদের তিন স্থায়ী সদস্য দেশ। এই তালিকাভুক্ত হলে জয়েশ প্রধানের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এছাড়া তার সম্পত্তিও জব্দ করা যাবে। এই প্রস্তাব বিবেচনা করতে দশ কর্মদিবস সময় পাবে নিরাপত্তা পরিষদ। তবে অতীতে মাসুদ আজহারের বিষয়ে আনা প্রস্তাবে নিজের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে আটকে দিয়েছে চীন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংবাদিক খাসোগিকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে! -আল জাজিরার ডকুমেন্টারি

এতে বলা হয়, এ জন্য কনসুলেট ভবনের বাইরে একটি বড় চুল্লি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেখানে কিভাবে পোড়ানো হয় সে বিষয়টি মনিটরিং করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ।
সেখানে দেখা গেছে কিছু ব্যাগ। ধারণা করা হয়, কনসুলেট ভবনের ভিতরে জামাল খাসোগিকে হত্যার পর তার দেহের বিভিন্ন অংশ এসব ব্যাগে করে ওই চুল্লির কাছে নেয়া হয়েছিল। চুল্লিটি কনসুলেট থেকে কয়েকশত মিটার দূরে।
ওই চুল্লিটি নির্মাণকাজে যুক্ত ছিলেন এমন একজন ব্যক্তির সাক্ষাতকার নিয়েছে আল জাজিরা। ওই ব্যক্তি বলেছেন, চুল্লিটি নির্মাণ করা হয়েছে সৌদি কনসুলের সুনির্ষ্টি নির্দেশনা অনুযায়ী। বলা হয়েছিল, এটি হতে হবে অনেকটা গভীর। আর ভিতরের তাপমাত্রা হতে হবে ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে, যাতে এই তাপে ধাতব পদার্থ পর্যন্ত গুলে যায়।
কর্তৃপক্ষের রিপোর্টে বলা হয়েছে, জামাল খাসোগিকে হত্যার পর তার দেহের অংশবিশেষ ওভেনে দিয়েও জ্বালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে কনসুলেট হত্যাকা-কে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে।
নিরাপত্তা কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও খাসোগির তুর্কি কিছু বন্ধুর সাক্ষাতকারের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছে ওই নতুন ডকুমেন্টারি।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের কড়া সমালোচক ছিলেন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। তিনি এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে গিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে কলাম লেখা শুরু করেন। এরই মধ্যে তুরস্কের হ্যাতিস চেঙ্গিস নামে এক যুবতীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি তাকে বিয়ে করতে চান। এ জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলতে আসেন তুরস্কে। যান সৌদি আরবের কনসুলেটে। সেই যে যাওয়া, সেটাই তার শেষ যাওয়া। এরপর তাকে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে পরিবেশ। জবাবে রিয়াদ থেকে প্রাথমিকবাবে বলা হয়, খাসোগি জীবিত অবস্থায় কনসুলেট ছেড়ে গেছেন। তবে এর পরে বেশ কয়েকবার তারা তাদের বক্তব্য পরিবর্তন করেছে। এক পর্যায়ে স্বীকার করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর তা করেছে দুর্বৃত্তরা।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর রিপোর্টে আঙ্গুল তোলা হয় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দিকে। বলা হয়, তিনিই এই হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করে সৌদি আরব।
ওদিকে এ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে সৌদি আরবে ১১ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলি সেনাকে গাড়িচাপা দিয়েছে ৩ ফিলিস্তিনি

ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রামাল্লাহর কাছে কাফর নিমা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। হামলায় তিন ফিলিস্তিনি জড়িত ছিলেন এবং দুজন গুলিতে শহীদ ও অন্যজন সামান্য আহত হয়েছেন।
২০১৫ ও ২০১৬ সালে ফিলিস্তিনিরা বেশ কয়েকবার ইসরাইলি সেনাদেরকে গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে সম্প্রতি এমন হামলা কমে গেছে। তারপরও ইসরাইলি সেনারা প্রায় সময়ই ফিলিস্তিনিদেরকে গুলি করে হত্যা করছে এবং গাড়ি চাপা দেয়ার অজুহাত দেখাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন। তারা গত বছরের ৩০ মার্চ থেকে ‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলন করে আসছেন যার মূল স্লোগান হচ্ছে মাতৃভূমিতে ফেরা। এ আন্দোলন চালাতে গিয়ে ইসরাইল সেনাদের হাতে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬০ জন ফিলিস্তিনি শহীদ ও ২৬,০০০ আহত হয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিঙ্গাপুরের পথে কাদের

এর আগে প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী প্রসাদ শেঠী তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার পরামর্শ দেন। আজ দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএসএমএমইউতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।
ওবায়দুল কাদেরের বর্তমান শারিরীক অবস্থা জানিয়ে ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান জানান, আজ সকাল ৯টার পর থেকে তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। রোগীর সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো উচ্চ রক্তচাপ। বর্তমান সেটা স্বাভাবিক হয়ে ১১০-১২০ এর মধ্যে রয়েছে।
রক্তের পিএইচ ওঠানামা করছিলো। এখন সেটাও নরমাল রয়েছে। হাসপাতালে যখন আসেন তখন ওবায়দুল কাদেরের হাই ব্লাড সুগার ছিলো। আমরা সেটাও স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন। তবে ব্যাথা যেনো অনুভব না করেন এজন্য ঘুমের ওষুধ দেয়া হয়েছে। রোগীর প্রসাব হচ্ছিলো না, সেটাও হচ্ছে। সবমিলে রোগি আগের চেয়ে ভালো আছেন।
বিএসএমএমইউ ভিসি কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, দেবী শেঠী আমাদের সঙ্গে কথা বলার আগেই তিনি রোগিকে পর্যবেক্ষণ করেন। গতকাল হাসপাতালে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত আমরা যে ব্যবস্থা নিয়েছি সেগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখেছেন। এনজিওগ্রাম, স্ট্যান্টিং, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো দেখেছেন। এরপর তিনি তার মতামত দিয়ে বলেন, সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ভিসি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তিনি বলেছেন, হুয়াট এভার ডান বাই কার্ডিয়াক ডিপার্টমেন্ট ইজ এক্সিলেন্ট। এর চেয়ে বেশি কিছু করা সম্ভব না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেবী শেঠী ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হি ইজ লাকি। ইউরোপ-আমেরিকাতেই এই সমস্যাগগুলোতে এর চেয়ে বেশি কিছু করার নেই। তবে তিনি এও বলেছেন জটিলতা আরো বাড়তে পারে। যেহেতু একটা সমস্যা তৈরী হয়েছে।
ভিসি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের অনিয়মিত ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও নানা সমস্যা ছিলো। আমরা এর আগেও মেডিকেল বোর্ড করে তাকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তখন খুব বেশি গুরুত্ব দেননি।
দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা দেয়ার ব্যাপারে দেবী শেঠী কি পরামর্শ দিয়েছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, তিনি বলেছেন এখানে যথেষ্ঠ ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। তবে উন্নত পরিবেশে চিকিৎসা দেয়ার জন্য তাকে ভালো হাসপাতালে নিতে হবে। বিশেষ করে ইনফেকশনের জন্য। গতকাল তার রক্তে ইনফেশন ছিল ১৮ হাজার যা আজকে হয়েছে ২৬ হাজার। দেবী শেঠী বলেছেন রোগিকে শিফট করার এখনই উপযুক্ত সময়।
এসব কথা বিবেচনায় নিয়ে ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে বিএসএমএমইউ থেকে রওনা দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক ধর্ষকের অনুশোচনা by পিয়াস সরকার

জাতীয় পরিচয়পত্রের হিসাব অনুযায়ী বয়স তার ৫৮ বছর। রাজধানীতে এসেছেন একযুগ আগে। দিয়ে যাচ্ছেন ভুলের খেসারত। অনুশোচনায় কুকড়ে মরছেন প্রতিনিয়ত। তখন থাকতেন বাড়িতে।
করতেন কৃষিকাজ। চার সন্তানের জনক। এখন বিয়ে হয়েছে সবার। স্ত্রী পরলোকগমন করেছেন। এমনকি নিজের ছেলে মেয়ের বিয়েতেও যেতে পারেন নি। আর তিনি পরিবার হারিয়ে রাজধানীতে অনুশোচনায় পার করছেন নিজের জীবন।
১২ বছর আগের কথা। ধান কাটার মৌসুমে গিয়েছিলেন পাবনার চলনবিলে। সঙ্গে ছিল তার এক ছেলে ও প্রতিবেশী অনেকেই। থাকতেন গৃহস্থের বাড়িতে। কাজের ফাঁকে একদিন দুপুর বেলা শরীর খারাপ করে তার। বিশ্রাম নেয়ার উদ্দেশ্যে আসেন থাকার স্থানে। গৃহস্থের দেয়া গোয়াল ঘরের পাশে অস্থায়ী ঘরে শুয়ে পড়েন। লক্ষ্য করেন পুরো বাড়ি ফাঁকা। শুধু সেসময় ছিল তাদের বাড়ির কাজের মেয়ে। বয়স আনুমানিক ১৫। ইদ্রিসের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজের বিবেক-বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেন সে সময়।
ইদ্রিস আলী ও সেই মেয়ের জীবনে শুরু হয় এক ভয়াবহ অধ্যায়। মেয়ের চিৎকারে টের পেয়ে যায় প্রতিবেশীরা। মেয়েটিকে উদ্ধারের পর মেরে রক্তাক্ত করে ফেলেন। ইদ্রিস আলীর ছেলে এই অবস্থায় দেখে খুব কান্নাকাটি করে। তিনি বলেন, ঘটনা জানার পর ছেলে ব্যাগ নিয়ে সেই বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে যায়। অনেক মারধর করার পর নির্যাতিতা মেয়েটির সঙ্গেই বিয়ে দেয় বাড়ির লোকজন। মেয়ের সমবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সেখানেই কাটে আরো চার মাস।
‘বাড়িত বাচ্চা বউ থুয়া কোনো শান্তিই পাইতাম না। মোবাইল করলেও কেউ কতা কয় না। প্রতম বৌও কতা কয় না, পরের বৌ সারাদিন কান্দে।’
এই কথাবলার পর চেহারায় এক অসহায়ত্বের রেখা ফুটে ওঠে। কথা বলতে বলতে জড়িয়ে আসে গলা। একটার পর একটা সিগারেট ধরাতে থাকেন। সেই গৃহস্থের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী কাজ করতে থাকেন। সেখানে শুরু হয় নানা কটূক্তি। সেই সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি থেকে বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
চার মাস পার করে সেই বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন একদিন। বাড়ি ফেরার টাকা ছিল না পকেটে। ট্রেনে কোনো রকমে চলে আসেন বাড়িতে। সেখানে শুরু হয় আরেক যুদ্ধ। পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতেও ঢুকতে দেয়নি। তার স্ত্রী ঘর থেকে বের হয়েও দেখা করেনি। বাড়ির উঠানে চিৎকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। এরপর শরণাপন্ন হন স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে। তার কথায় ঠাঁই মেলে নিজ বাড়িতে। সেখানে আপন ঘরে পরবাসী হয়ে কাটান মাসখানেক। কটূক্তির ভয়ে যেতে পারতেন না বাড়ির বাইরে। বাড়িতেও শান্তি নেই তার। স্ত্রী পুত্র কন্যারা ফিরেও তাকাতেন না।
ফের পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা। একদিন শেষ রাতে কাউকে না জানিয়ে বাড়ি ছাড়া হন তিনি। এবার তার ঢাকা যাত্রা। রাজধানীতে এসে শুরু হয় তার নতুন জীবন। তবে, পুরনো জীবনের কালো অধ্যায় তাড়িয়ে বেরাচ্ছে আজীবন। প্রথম স্ত্রী গত হয়েছে তিন বছর আগে। সেবারই শেষবারের মতো বাড়িতে যাওয়া। বাড়িতে নিজ ঘরে ঢুকতে দেয়নি ছেলে মেয়ে আত্মীয় স্বজনরা। বাধা দেয়া হয়েছিল কবরে মাটি দেয়া নিয়েও। তবে, শেষ পর্যন্ত কবরে মাটি দিতে পেরেছিলেন তিনি। আর তার দ্বিতীয় স্ত্রী কেমন আছে তিনি জানেন না। এমনকি সে জীবিত না মৃত সেই তথ্যও নেই তার কাছে।
জীবনের সব হারিয়ে এখন ধানমণ্ডি লেকে খুঁজে ফেরেন নিজের আহার। চা বিক্রি করে চলে আহার। থাকেন রায়ের বাজার বস্তিতে। শেষ জীবনে কাটছে একাকী জীবন। আগে চালাতেন রিকশা। এখন বয়সের কারণে রিকশা ছেড়েছেন।
শেষ বয়সটা এভাবেই কাটিয়ে দিতে চান নিভৃতে। এখন শুধুই দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে দিন কাটে তার। দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা শুধুই তার পরিবার ও দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাফল্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে ছবি থামিয়ে দিয়েছিল ২০ বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধ

পিছিয়ে যাওয়া যাক আরও দশ বছর।
সময়টা ১৯৬১। ভিয়েতনামের মাটি থেকে জঙ্গল, ফসল আর সব ধরনের সবুজ চিরতরে মুছে দেওয়ার পরিকল্পনায় তখন সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। সেই কাজ মসৃণ করতে রাসায়নিক অস্ত্র তৈরির বরাত দেওয়া হয়েছে বহুজাতিক রাসায়নিক সংস্থা মনস্যান্টো আর ডাউ কেমিক্যালসকে। এই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক আইন মেনেই এবং এর আগেও এই ধরনের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের নজির আছে, এমনটাই যুক্তি ছিল মার্কিন প্রশাসনের। যেমন ভাবা, তেমনই কাজ। জঙ্গলের আড়ালে লুকিয়ে থাকছে গেরিলারা, তাই ধ্বংস করে দিতে হবে সমস্ত রকমের সবুজই। দক্ষিণ ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট গেরিলাদের জব্দ করতে এর পরই ভিয়েতনাম জুড়ে গ্যালন গ্যালন রাসায়নিক ঢালতে শুরু করে মার্কিন সেনারা।
রামধনু রাসায়নিক। কুখ্যাত এই বিষকে এই নামেই ডাকতো মার্কিন বহুজাতিক সংস্থাগুলি। এই নামেই তা পরিচিত ছিল মার্কিন সেনাদের কাছেও। কারণ আমেরিকা থেকে তা ভিয়েতনামে নিয়ে যাওয়া হত গোলাপি, সবুজ, লাল, সাদা, কমলা রঙের বাহারি ড্রামে। ১৯৬১ সালে এই রাসায়নিক ব্যবহারের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর পরের দশ বছরে ভিয়েতনামে ঢালা হয়েছিল এই সাতরঙা বিষের মধ্যে সব থেকে কুখ্যাত ‘এজেন্ট অরেঞ্জ’। সব মিলিয়ে মোট সাড়ে চার কোটি লিটার ‘এজেন্ট অরেঞ্জ’।
রাসায়নিক দিয়ে সবুজ ধ্বংসের পাশাপাশি রাসায়নিক দিয়ে গাছ জ্বালানোর অভিযানেও নেমেছিল আমেরিকা। সেই কাজে তাঁদের হাতিয়ার ছিল নাপাম বোমা। প্লাস্টিক পলিয়েস্টিরিন, হাইড্রোকার্বন বেঞ্জিন আর গ্যাসোলিন দিয়ে তৈরি এই জেলির মতো রাসায়নিক মিশ্রণ ভিয়েতনাম জুড়ে ফেলেছিল মার্কিন সেনারা। কখনও স্প্রে করে, কখনও বা সরাসরি বোমা ফেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হত জঙ্গল, ঘরবাড়ি সব কিছুই। এই রাসায়নিকে আগুন লাগলে তা জ্বলতে থাকে দশ মিনিট ধরে, তাপমাত্রা পৌঁছয় ১০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। নাপাম বোমার সেই জ্বালাই টের পেয়েছিল ৯ বছরের বালিকা কিম ফুক। তাঁর বাড়ি ছিল দক্ষিণ ভিয়েতনামের একটি গ্রামে। ভিয়েতনাম জুড়ে তখন নাপাম বোমা আর কুখ্যাত এজেন্ট অরেঞ্জ ঢালছে মার্কিন সেনা।
স্থানীয় কাওদাই মন্দির চত্বর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে রওনা দিয়েছিল কিম ফুক ও তার গ্রামের লোকজন। বোমারু বিমান রেহাই দেয়নি তাঁদের। ওপর থেকে ফেলতে থাকে নাপাম বোমা। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মারায় যায় কিম ফুকের চার পড়শি। বোমায় জ্বলে যায় তাঁর দেহের একটা অংশ। জ্বলে যাচ্ছে! জ্বলে যাচ্ছে! এই চিৎকার করতে করতেই দৌড়াতে থাকেন কিম। সেই মুহূর্তই লেন্সবন্দি করেছিলেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের চিত্রসাংবাদিক নিক উট, যা প্রকাশিত হয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায়।
এই ছবি এতটাই প্রভাব ফেলেছিল জনমানসে, যে শুধু এই ছবি নিয়েই আলোচনায় বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন। সামনে এসেছিল মার্কিন সেনাপ্রধানের সঙ্গে তাঁর সেই আলাপচারিতার অডিও টেপ। সেখানে নিক্সনকে বলতে শোনা যায়,আমার মনে হচ্ছে এই ছবি সাজানো। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন নিক উট। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, আমার তোলা এই ছবি ভিয়েতনাম যুদ্ধের মতোই সত্য। ভিয়েতনাম যুদ্ধের ভয়াবহতা রেকর্ড করার জন্য কোনও কিছু সাজানোর দরকার নেই।
সেদিন ছবিটা তোলার পরই নয় বছরের কিম ও অন্যান্য শিশুদের নিয়ে হাসপাতালের দিকে দৌড়েছিলেন নিক উট। সাইগনের হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দিয়েছিলেন কিমের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম। কিন্তু হাল ছাড়েননি নিক উট। ১৪ মাস হাসপাতালে রেখে সারিয়ে তুলেছিলেন কিমকে। করতে হয়েছিল মোট ১৭টি অস্ত্রোপচার, তার মধ্যে ছিল পুড়ে যাওয়া ত্বক প্রতিস্থাপনও।
১৯৭৩ সালে সারা পৃথিবীর চিত্রসাংবাদিকদের বিচারে সেরা ফোটো নির্বাচিত হয় এই ছবি। কিমের কথা সামনে আসায় নিন্দার ঝড়ে উঠেছিল সারা বিশ্ব জুড়ে। দেশের মাটিতে ও মার্কিন সরকারের ভিয়েতনাম নীতির বিরুদ্ধে রাস্তান নামেন মার্কিন নাগরিকেরা। যা দেখে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন মার্কিন প্রশাসন ও মার্কিন সেনার কর্তাব্যক্তিরা। দেশের ভাবমূর্তি তলানিতে পৌঁছে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনাম আগ্রাসনের তীব্রতা কমাতে বাধ্য হয় আমেরিকা। কয়েক বছর পর সাইগনের পতন হয়, থামে ২০ বছর ধরে চলতে থাকা কুখ্যাত ভিয়েতনাম যুদ্ধ। এই কুড়ি বছরে অবশ্য ভিয়েতনাম হয়ে গিয়েছে এমন একটা জায়গা, যেখানে পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশি বোমা ফেলা হয়েছে, মাইলের পর মাইল জঙ্গল ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, অধিকাংশ চাষ জমি হয়ে গিয়েছে অনাবাদী, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ লক্ষ সাধারণ মানুষ।

এখন কানাডাতেই থাকেন কিম ফুক
সেদিনের যুদ্ধের মুহূর্তে দেখা হয়েছিল নিক আর কিমের। তাঁদের সেই হঠাৎ যোগাযোগ এখনও অটুট। এখন কানাডায় সেদিনের সেই বালিকা। সারা দুনিয়া এখন তাঁকে চেনে নাপাম গার্ল নামেই। পৃথিবী জুড়ে যুদ্ধে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য খুলে ফেলেছেন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। আর তার এই কাজে এখনও পাশে পান নিককে। দু’জনের মধ্যে কথাও হয় প্রায় প্রতি সপ্তাহেই।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংঘাতের মুখে থাকা লোকজনের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ- ঢাকার অবস্থান প্রশ্নে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে আপনি কি অবহিত? এর সত্যিকারের প্রভাব বা প্রতিক্রিয়াই কী হবে? এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি?” জবাবে মুখপাত্র বলেন, “এ নিয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে কিছু বলেছে কি-না সে বিষয়ে আমি খোঁজ নেবো। আপনারা যেমনটি জানেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি বাংলাদেশ অভাবনীয় সমর্থন এবং উদারতা দেখিয়েছে। আমি যেটা বলতে চাই তা হলো- আপনারা দেখে থাকবেন এক বছরে একটি দেশে প্রায় ৭ লাখ লোক আশ্রয় নিয়েছে।
বাংলাদেশের মহানুভবতার প্রশংসার পরপরই জাতিসংঘ মুখপাত্র কোনো দেশের নাম উচ্চারণ না করে বলেন, এখনো যারা সেখানে সংঘাতের মুখে রয়েছে তাদের একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তারা যেখানেই যাক না কেন।” এদিকে রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জাতিসংঘ।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন বন্ধে বার বার হুঁশিয়ারি দেয়ার পরও তা আমলে না নেয়ায় জাতিসংঘ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রভাবশালী বৃটিশ দৈনিক দি গার্ডিয়ান। জাতিসংঘ সূত্রের বরাতে প্রচারিত ওই খবরে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ চাপ বিশেষত পশ্চিমা দুনিয়ার চাওয়ার প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, নির্দিষ্ট কোনো দল বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিসংঘ তদন্ত করবে না জানিয়ে বলা হয়- গুয়েতেমালার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি গার্ট রোজেনথাল এই তদন্ত দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তার মিয়ানমারে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই।
বিশ্ব সমপ্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা চায় বাংলাদেশ: এদিকে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে সক্রিয় ও সহায়ক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক। রোহিঙ্গা সংকটের ফলে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সচিব বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই আশ্রয় শিবির বাংলাদেশের সংরক্ষিত বন ও বণ্যপ্রাণী ধ্বংস করছে, এর ফলে পরিবেশের বিপর্যয় হচ্ছে। আমাদের একমাত্র সমুদ্র সৈকত সৌন্দর্য্য ও পর্যটক হারাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা আমাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং ওই অঞ্চলের সামাজিক বিন্যাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘে চলমান অভিবাসন সপ্তাহে যোগদান উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক রোহিঙ্গা সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সর্বশেষ অগ্রগতি বিষয়ে ওআইসি’র রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের সভায় ব্রিফিং করেন এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট-এ একটি সংলাপে অংশ নেন। উভয় অনুষ্ঠানেই এ বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
অনুষ্ঠান দুটিতে পররাষ্ট্র সচিব রোহিঙ্গা সংকটের অতীত ও বর্তমান অবস্থা বিস্তারিত তুলে ধরেন। পররাষ্ট্র সচিবের ব্রিফিং-এ উঠে আসে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সৃষ্ট সামপ্রতিক সংঘাত এবং নতুন করে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, এই সংকটের অন্তর্নিহিত কারণ, সহিংসতার দায়বদ্ধতা নিরূপণ, অপরাধ করে পার না পাওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ, এ জাতীয় গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত অসামরিক সেইফ জোন সৃষ্টি, এ সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক মানবিক ও মানবাধিকার আইন এবং বিশ্ব সমপ্রদায়ের উপর সৃষ্ট চ্যালেঞ্জসহ আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের কাছ থেকে প্রত্যাশার বিষয়গুলো। ওআইসি’র সভায় প্রদত্ত ব্রিফিং-এ পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওআইসি’র ৪৫তম ‘কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার’-এর সভায় মিয়ানমারে সৃষ্ট গণহত্যা ও সহিংসতাকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচার করার ব্যবস্থা গ্রহণে গাম্বিয়ার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কথা উল্লেখ করেন। রোহিঙ্গা সংকটের করণীয় বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে শহিদুল হক বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি।
আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা আসিয়ানের সহায়তা চাচ্ছি। ওআইসি এ বিষয়ে কাজ করছে। আর জাতিসংঘ ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ বিষয়টির সমাধানের উপায় খুঁজে বের করা ও আলোচনা অব্যাহত রাখার সকল প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে।’ এসময় রোহিঙ্গা সংকট ও এর সমাধান এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে সক্রিয় ও সহায়ক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক। ওআইসি’র রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের সভাটি সঞ্চালন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট-এর অংশগ্রহণমূলক সংলাপ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সহ-সভাপতি ড. অ্যাডাম লুপেল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে বিএসএমএমইউতে ডা. দেবী শেঠী

আজ (সোমবার) বেলা দেড়টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছান। এর আগে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের প্রিভেনটিভ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডা. শেঠীকে স্বাগত জানান। অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক বলেন, আমরা তাকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। সব দেখে কার্ডিয়াক সার্জন হিসেবে তিনি তার মতামত জানাবেন।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তিনি ইতোমধ্যে কাদেরকে দেখতে আইসিইউতে প্রবেশ করেছেন। তাকে দেখার পর ব্রিফিং করা হবে।
এর আগে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জানিয়েছিলেন, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা পর্যবেক্ষণে ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. দেবী শেঠী।
আজ সকাল ১১ টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কাদেরকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
হানিফ বলেন, হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদল চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে দেবী শেঠীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুপুর ১টার দিকে এ নতুন মেডিকেল বোর্ডের মিটিংয়ে বসার কথা। সেখানেই সব সিদ্ধান্ত হবে। পরবর্তী চিকিৎসা কি হবে সেটাও নির্ধারণ করা হবে সেখানে। তাছাড়া তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে কিনা সেটাও ওই বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, "কাদের ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আগের থেকে এখন তার শারীরিক অবস্থা ভালো। আমি ডাক্তারদের সাথে কথা বলেছি। তারা কাদের ভাই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে মেডিকেল বোর্ড।"
এদিকে, আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া আজ সকালে বলেন, ‘মহান আল্লাহর অশেষ দয়া ও আপনাদের ভালবাসায় প্রিয় নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হচ্ছে। তিনি সম্পূর্ণ চেতনা ফিরে পেয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তার সুস্থতার বিষয়ে সম্পূর্ণ আশাবাদী।’
বিপ্লব বড়ুয়া আরও জানান, সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তবে, যেহেতু এখনো তিনি ক্রিটিক্যাল করোনারি কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন; সে কারণে তাকে সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত বলেননি চিকিৎসকেরা।’
উল্লেখ্য, রোববার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএসএমএমইউ- এর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর এনজিওগ্রাম করা হলে কাদেরের আর্টারিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ার কথা জানান চিকিৎসকরা। যার মধ্যে একটি ব্লক অপসারণের কথাও জানানো হয়েছিল।
গতকাল রাত পৌনে ৮টায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য চার সদস্যের মেডিকেল টিম সিঙ্গাপুর থেকে এসে শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তাদের তত্ত্বাবধানে কাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গার্মেন্ট কর্মী থেকে লেডি মাফিয়া

পরে গার্মেন্ট কর্মী। বায়িং হাউজের কলগার্ল। এখন মাফিয়া ডন। হেরোইন, কোকেনের বিশাল চালানসহ আটক হয়ে এখন শ্রীলঙ্কা কারাগারে। বাংলাদেশি কন্যা সূর্যমনি শ্রীলঙ্কায় আটকের পর দেশ জুড়ে আলোচনা।
সরজমিন সূর্যমনির গ্রামে গিয়ে পাওয়া গেছে অনেক অজানা তথ্য। লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কালীগঞ্জ উপজেলা। যেখান থেকে আরো ৫ কিলোমিটার দূরে তিস্তা নদীর কোল ঘেঁষা চরবৈরাতী হাজিরহাট গ্রাম। ভুট্টাক্ষেত অতিক্রম করে নিভৃত পল্লী চরবৈরাতী। ওই গ্রামে সূর্যমনির বাড়ি। বাড়িতে রয়েছে ২টি টিনের কাঁচা ঘর। ঘরে নেই সেই আসবাবপত্র। তবুও ৫ বছর আগের চেয়ে চাকচিক্য বেড়েছে। সূর্যমনির বাবা আবদুস সাত্তার ৩ বছর আগেও নদী থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মাছ বিক্রি করে যে টাকা পেতেন তা দিয়ে চালাতেন সংসার।
অভাব অনটনের কারণে ১১ বছর বয়সে সূর্যমনি গার্মেন্টে কাজ করার জন্য ঢাকা পাড়ি দেয়। তুষভাণ্ডার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের জন্মনিবন্ধন সনদ মতে সূর্যমনির জন্ম ২০০০ সালে ১৪ই নভেম্বর। সেই সময় জন্মনিবন্ধন মতে তার বয়স ১১ বছর হওয়ায় গার্মেন্টে চাকরি পায়নি সূর্যমনি। তখন ঢাকার এক গার্মেন্ট মালিকের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়। পরে তার ভাই রাশেদুল ইসলাম চাকরি পায় যাত্রাবাড়ী ইয়ার গার্মেন্টে। ওই গার্মেন্টের মালিকের সহায়তায় সূর্যমনির নকল জন্মসনদ তৈরি করে বয়স বাড়ালে চাকরি হয়। ভাই-বোন একসঙ্গে চাকরি করে যাত্রাবাড়ী ইয়ার গার্মেন্টে। ওই গার্মেন্টের সূত্র ধরে উত্তরা ৯নং সেক্টরের আবদুল্লাপুর এলাকায় বায়িং হাউজে কাজ নেয়। সেই বায়িং হাউজের মালিক চয়েজের সঙ্গে ছিল সূর্যমনির সখ্য। মালিকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় কথামতো কাজ করত সূর্যমনি। গ্রামবাসীরা জানায়, প্রথমে ঝি পরে গার্মেন্টে চাকরি করার সময় সূর্যমনি তার বাড়িতে সংসার খরচের জন্য দিতো ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে। সেই সূর্যমনি বায়িং হাউজে চাকরির সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে পাঠাতে শুরু করে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা প্রতি মাসে।
পরে ওই টাকা দিয়ে তার কৃষক বাবা আবদুস সাত্তার জমি ক্রয় ও বন্ধক নেয়া শুরু করে এলাকায়। এলাকাবাসীর তাক লাগে একজন গার্মেন্টকর্মী কিভাবে এত টাকার মালিক হয়। এলাকাবাসী জানায়, সূর্যমনি ঈদে বা বিভিন্ন সময় বাড়িতে আসতো। কিন্তু আসতো ঢাকা থেকে সৈয়দপুর প্লেনে। সৈয়দপুর থেকে বাড়ি আসতো বিলাস বহুল গাড়ি চড়ে। গাড়ির ড্রাইভার ছিল তার রিজার্ভ। ফিরে যেত বিলাসবহুল গাড়িতে চড়েই। সূর্যমনিকে বিয়ের কথা বললে সে পাশ কাটিয়ে যেত বলে জানায় তার মা রাশেদা বেগম। তবে সূর্যমনির রহস্য ফাঁস হয়ে পড়ে সাম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় ধরা পড়ার পর। এখন চরবৈরাতীসহ সারা দেশে এ নিয়ে আলোচনা। সূর্যমনির ভাই রাশেদুল জানান, একসঙ্গে চাকরি করার পর সে বাড়িতে চলে আসে আর তার বোন সেখানে থাকে। এর জন্য দায়ী বায়িং হাউজের মালিক চয়েজ। তার বোনকে ফাঁদে ফেলে এ কাজ করেছে। বাবা সাত্তার জানায়, তার মেয়ে ঢাকায় গার্মেন্টে চাকরি করে তারা এতটুকু জানে। এর চেয়ে বেশি কিছু জানে না। সে মাসে মাসে ১৫ হাজার টাকা বাড়িতে পাঠাতো। পরে শ্রীলঙ্কায় আফিম কোকেনসহ ধরা পড়ার কথা পরে জানতে পারে। এর জন্য তিনি বায়িং হাউজের মালিক চয়েজ তার মেয়েকে দিয়ে এ অবৈধ কাজ করিয়েছে বলে দাবি করেন। এ নিয়ে তার শাস্তি চান সূর্যমনির বাবা।
ওদিকে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের চরবৈরাতীর কন্যা সূর্যমনি আন্তর্জাতিক মাফিয়া মাদক ডন হয়ে শ্রীলঙ্কা কারাগারে আটক নিয়ে তোলপাড় চলে সরকারের ওপর মহলে। পুলিশের ওপর মহল থেকে শুরু করেছে তদন্ত। ঢাকা এসবি প্রধান অফিস থেকে আদেশ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মকবুল হোসেন জানান, ওপর মহলের আদেশে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে তবে তার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় কোনো মামলা নেই। তবে পরিবারের লোকজন নজরদারিতে রয়েছে। পুলিশ সুপার লালমনিরহাট এস,এম রশিদুল হক জানান, ওপর মহলে তদন্ত হচ্ছে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না। তিস্তাপাড়ের নিভৃত পল্লীর দিনমজুরের কন্যা সূর্যমনি ডন হবে তা ভাবতে পারছে না কালীগঞ্জবাসী।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৭ই ডিসেম্বর সূর্যমনি বিপুল পরিমাণ মাদকসহ শ্রীলঙ্কায় পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসলে কত জঙ্গি নিহত?

গত ১৪ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনার জবাব দিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালায়। এই অভিযানে ১২টি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
হামলার বিষয়ে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, এই বিমান হামলায় ৩০০ থেকে ৩৫০ পাকিস্তানি জঙ্গি নিহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে জঙ্গিদের শিবির।
কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই বিমান অভিযানে কত জঙ্গি নিহত হয়েছে, এর কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছে। তারা সরকারের কাছে দাবি তুলেছে, প্রকৃত সংখ্যা জানানো হোক দেশবাসীকে। বিভিন্ন বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, বালাকোটের বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করে সরিয়ে ফেলেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেন, ‘৩০০ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, সে কথা আমরা বলিনি। এটা সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।’
গতকাল রোববার গুজরাটের আহমেদাবাদে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেন, ‘পুলওয়ামায় পাকিস্তানি জঙ্গি হামলার পর সবাই ভেবেছিল এই সময় সার্জিকাল স্ট্রাইক করা যাবে না। কিন্তু ১৩ দিনের মাথায় ভারতীয় বিমানবাহিনী তার জবাব দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, ২৫০–এর বেশি জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।’
বহুজন সমাজপার্টির নেত্রী মায়াবতী বলেছেন, জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনাকে সামনে রেখে বিজেপি তাদের সরকারের ব্যর্থতাকে ঢাকতে চাইছে।
কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং বলেছেন, এবার স্যাটেলাইটের ছবি দেখিয়ে প্রমাণ দিক মোদি সরকার। আমেরিকাও লাদেনকে হত্যা করে গোটা দুনিয়ার কাছে প্রমাণ দিয়েছিল। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারতের বিমানবাহিনীর কাছে স্যাটেলাইট ছবি রয়েছে। যথাসময়ে তা প্রকাশ করা হবে।
এত সমালোচনার মধ্যে মোদির এনডিএ শরিক দলের নেতা রামবিলাস পাসোয়ান বলেছেন, এই সার্জিকাল স্ট্রাইকের পর মোদির ছাতি ৫৬ ইঞ্চি থেকে বেড়ে ১৫৬ ইঞ্চি হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডার্ক চকোলেটের পেছনের অন্ধকার গল্প! by রাজিয়া সুলতানা রোজী

আপনি জানেন কি এতো ইয়াম্মি চকোলেটের গন্ধটাও অনেকের জীবনের জন্য এক অভিশাপ? না, তাদের একদমই ইচ্ছে নেই এই চকোলেটের সংস্পর্শে থাকার। বরং তারাতো পালাতে চায় ঐ তথাকথিত চকোলেটি দুনিয়া থেকে!
আফ্রিকার ১.৮ মিলিয়ন শিশু পালাতে পারে না তাদের বিভৎস শৈশব থেকে! তাদের শৈশবের বলিদানই হলো ডার্ক চকোলেট! আইভরি কোস্ট আর ঘানা। পশ্চিম আফ্রিকার এই দু’টি দেশে পৃথিবীর ৭০ শতাংশ কোকো(ডার্ক চকোলেটের মূল উপাদন) চাষ করা হয়।
প্রতিদিনই মালি, বুরকিনা, ফাসো ইত্যাদি প্রতিবেশি দেশ থেকে হাজার হাজার শিশু পাচার করা হয় আইভরি কোস্ট আর ঘানাতে, চকোলেটের ফার্মে কাজ করার জন্য। কখনো খাবার বা পড়াশোনার লোভ দেখিয়ে এদের কিনে পাচার করা হয়। জানেন কি এদের শৈশবের মূল্য ওদের পরিবারের কাছে মাত্র কয়েক ডলার?
কাজের ধরণ? সকাল ৬ টা থেকে রাত ৯ টা অবধি এই শিশুগুলি অমানুষিক পরিশ্রম করে।
খাদ্য হিসেবে পায় সস্তা সেদ্ধ ভুট্টা আর কলা। রাতে শেকল দিয়ে বেঁধে দরজা জানালাহীন কাঠের আস্তাবলে ফেলে রাখা হয় যাতে পালাতে না পারে। কেউ পালানোর চেষ্টা করলে তার কপালে বেঁধরক মার আর যৌন হয়রানি।
মার খেয়ে বা ধর্ষণে কেউ মরে গেলে তার শরীরটা ছুড়ে দেয়া হয় নদীতে বা কুকুরের মুখে। মায়া ভালোবাসার ছিটেফোটাও নেই এখানে। আছে নৃশংসতা, আছে রক্ত, যেন শুকিয়ে কালো হয়ে আছে পৃথিবীজোড়া ফ্রীজে রাখা ডার্ক চকোলেটে।
কোকো ফিল্ডের পোকা, সাপ, বিচ্ছুর কামড়ে অনেক শিশুই মারা যায়, অবশ্য তাতে মালিকদের কিছু এসে যায় না। দারিদ্র থাকবে, বাচ্চার যোগানও তো থাকবে। ৫-১২ বছর বয়সী বাচ্চাদের তো কোনো মজুরী দেয়া হয় না। বড় কোম্পানিগুলো চুপ থাকবে সস্তায় কোকো পাওয়ার আশায়। ইন্টারন্যাশনাল লেবার ল্য এখানে উপহাস মাত্র।
কোকো ফার্মের ৪০ শতাংশ মেয়ে শিশু। তাদের বয়সন্ধি আসে ফার্মেই। ফার্মের মালিক, শ্রমিক, ঠিকাদার এমনকি পুলিশের যৌন চাহিদা মেটাতে হয় ওদের।যৌন রোগ ওদের আষ্টেপৃষ্টে ধরে। পঁচে গলে যায় শৈশব। স্বপ্নেও পোকা আসে, ভয়ঙ্কর সব পোকা। খুবলে খায় হৃদয়, চকোলেটি হৃদয়!
এই শিশুগুলোর হাতে তুলে দেয়া হয় ম্যাশেটি। ম্যাশেটি এমন এক ছুড়ি যা দিয়ে ১টা শিশুকে কয়েকমিনিটে কিমা করে দেয়া যায়। এই ছুড়িগুলোই শিশুদের হাতে দেয়া হয় কোকোবিন পেড়ে বস্তায় রাখার জন্য। কারো আঙুল কাটে, কারো শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত। ১০০ কেজি বস্তা ওদের পিঠে চাপানো হয়। বিশ্রামের জন্য থামলেই চাবুকের আঘাত।
কি ভাবছেন? মধ্যযুগের কোন বর্বতার কাহিনী এটা?? না। এটা আমাদেরই বিশ্বায়ন, ফেসবুক, ইত্যাদির তথাকতিত আধুনিক পৃথিবীর এক কাহিনী। এই আধুনিক যুগেই এই ক্রীতদাস প্রথা চলছে। এখানে মানবতা দাত বের করে উপহাস করে! আর এই গভীর অন্ধকার থেকেই বের হয় আমার আপনার প্রিয় ডার্ক চকোলেট!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন ব্যবস্থাকে যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে -রাশেদ খান মেনন

এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যদি রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণারোপ করে তাহলে রাজনৈতিক দল কেবল নির্বাচন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে। এটা যেমন আমাদের জন্য প্রযোজ্য, সরকারি দলের জন্যও তা প্রযোজ্য। নির্বাচনকে তাই যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে। উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খান মেনন বলেন, স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকে। কিন্তু স্থানীয় এমপি এবং দলীয় নেতারা যখন ভোটারদের বলেন, ‘ভোট তো দেখেছো, ভোট দিতে যেতে হবে না।’ তখন সেই ভোট সম্পর্কে কী মনোভাব সৃষ্টি হয়? একটি সামগ্রিক অনাস্থার জন্ম হয়। নির্বাচনে প্রার্থী হতে বাধাদান, মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলা,ঊর্ধ্বমহলের ক্লিয়ারেন্স আছে কিনা, সেই নিয়ে প্রার্থীদের পুলিশের প্রশ্ন এবং টাকা ছড়ানোর উদ্বেগজনক খবর আসছে। প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় যেতে নিষেধ করেছেন। বলেছেন কমিশনের আইন মেনে চলতে। কিন্তু সরকার ও দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে নিশ্চয়তা বিধান না করা হয় তাহলে মানুষের মাঝে যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি হয়েছে তা রয়ে যাবে। এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করতে উপজেলা নির্বাচন অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ মুক্ত করতে হবে।
সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়কেই এই নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, জনগণ শেখ হাসিনার ওপর সঠিকভাবে আস্থা রেখেছেন। তার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি নির্বাচনে দিয়েছে। তাকে বাস্তবায়ন করা এগিয়ে নেয়াই এখন আমাদের কাজ। ১৪ দল সেই রাজনৈতিক অবস্থানকেই ধারণ করে। পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান মেনন বলেন, এ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে আমরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা একে অন্যের প্রতি ব্লেম গেমে মেতেছি; এর অবসান হওয়া দরকার। এ ধরনের আগুনের পুনরাবৃত্তি বন্ধ হওয়া দরকার। তিনি বলেন, দেশের উন্নতি হচ্ছে। তবে এই উন্নয়নের সুফল জনগণ পাচ্ছে কিনা, তা দেখার জন্য গবেষণার দরকার নেই। খালি চোখেই আমরা দেখছি। দেখতে পাচ্ছি উন্নয়নের ফলাফলের অসম বণ্টন হচ্ছে। বাংলাদেশে সম্প্রতি অতি ধনীর সংখ্যা চীন থেকেও বেশি বেড়েছে। প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। তবে, এর সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না।
প্রতি বছর আট লাখ মানুষ বেকারের খাতায় নাম লেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকির বিষয়। আর্থিক খাতের সমস্যার কথা তুলে ধরে রাশেদ খান মেনন বলেন, দেশের অর্থনীতির ওপর লুটেরাদের আধিপত্য আরো দৃঢ়ভাবে চেপে ধরেছে। এর পরিণতি হচ্ছে বিনিয়োগ না করে অর্থ বিদেশে পাচার করা, ঋণ খেলাপির সংস্কৃতি, ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য, শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি ইত্যাদি। এসব বিষয় প্রতিবিধানে বিভিন্ন আইন হলেও তা কার্যকর হয়নি। বরং দেখা গেছে, ব্যাংকিং সেক্টরে পারিবারিক মালিকানাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়াই ব্যাংক খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই ব্যক্তি এখন ৬৭ ব্যাংকের মূল শেয়ার হোল্ডার। প্রকৃত উদ্যোক্তাদের পরিবর্তে এসব মালিকেরা নামে-বেনামে ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে যান। দেশে একটি নতুন শ্রেণি গড়ে উঠেছে যারা সেকেন্ড হোম করছেন কানাডায়, থাইল্যান্ডে। আর নিচতলার মানুষগুলো চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখন প্রাইমারি স্কুলের টিচারের দুর্নীতিকে আমলে নেয়, কিন্তু বেসিক ব্যাংকের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয় না। বেসিক ব্যাংকের সেই সাবেক চেয়ারম্যান দুদকের ধরাছোঁয়ার বাইরে। রাশেদ খান মেনন বলেন, নদী দূষণ, শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ এগুলো আমরা ঠেকাতে পারছি না।
বনাঞ্চল ধ্বংস করে আমরা শিল্প স্থাপন করছি। আমরা সুন্দরবনের কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরোধিতা করেছিলাম, কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। এখন ওই স্থানকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণকারী নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠছে। সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বহুদিন পরে আমরা ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ প্রণয়ন করেছিলাম। সেই শিক্ষানীতি ৮ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। এখন শতভাগ পাস, জিপিএ ৫-এর ছড়াছড়ি, এমবিএ-বিবিএকে আমরা শিক্ষার সুফল করে গর্বভরে তুলে ধরি। কিন্তু বিশ্বব্যাংক তার প্রতিবেদনে বলেছে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা জীবনের ১১ বছরের ৪ বছর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারা বাংলাও লিখতে-পড়তে পারে না। অঙ্কও তারা করতে পারে না। তিনি বলেন, আমাদের পাঠ্যক্রমগুলোকে ধর্মীয়করণের প্রচেষ্টা, তেঁতুল হুজুরের আবদারে এটা করা হয়েছে। কুসুম কুমারী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দিজেন্দ্র লালের কবিতা বাদ দেয়া হয়েছে। হয়তো পাকিস্তান আমলের মতো ‘সজীব করিব মহাশ্মশান’-এর স্থলে ‘সজীব করিব গোরস্থান’ আবৃত্তি করতে হবে।
কওমি শিক্ষাকে মূল ধারায় নিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আজকে তেঁতুল হুজুরের দল প্রধানমন্ত্রীকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আমরা সতর্ক না হলে বুঝতে হবে আমরা কোন বিষবৃক্ষ রোপণ করতে যাচ্ছি। তিনি বলেন, জামায়াত নিবীর্য হয়েছে। তাদের নেতারা ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলেছে। কিন্তু জামায়াতের রাজনীতির পরাজয় হয়নি। তারা এখন এরদোয়ানের মতো নতুন করে দলকে সংস্কার করে নতুনভাবে হাজির করতে চাচ্ছে। তারা সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চাচ্ছে। হেফাজতের মোল্লাতন্ত্র দেশে চরম পশ্চাৎপদ ধারণা সৃষ্টি করছে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, আমরা অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম করতে চাই। কিন্তু সেখানে সাম্প্রদায়িক মানসিকতার বিস্তৃতি ঘটছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ যাত্রী ঝুঁকিতে নিরাপত্তা by দীন ইসলাম

আলাদাভাবে পরিবহন করা হয়। আমাদের দেশে এর ভিন্নতা দেখা যায়। এ কারণে চোরাচালানিরা অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের কাছে চোরাচালানকৃত স্বর্ণের বার দিয়ে সুযোগ মতো উড়োজাহাজ ছেড়ে নিজ গন্তব্যে চলে যান। গত রোববার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে উঠে ছিনতাই চেষ্টা করেছেন অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী পলাশ আহমেদ।
ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। চট্টগ্রামে অবতরণের পর কমান্ডো অভিযানে মারা যায় ছিনতাই চেষ্টাকারী পলাশ। এ ঘটনার পর বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলে ফটো আইডি প্রদর্শনের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের পরিবহন করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে আছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড। বর্তমানে আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালিত বিমানের পাঁচটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে এবং সিলেট থেকে ঢাকায় আসার সময় দুটি ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী পরিবহন করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই, ঢাকা-চট্টগ্রাম-আবুধাবী, ঢাকা-চট্টগ্রাম-মাস্কাট, ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-জেদ্দা রুটে পাঁচটি ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী পরিবহন করা হয়। এছাড়া মাস্কাট-সিলেট-ঢাকা ও লন্ডন-সিলেট-ঢাকা রুটের ফ্লাইটেও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী পরিবহন করা হয়। এ কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকে আকাশের পথের পরিবহনটি। বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ জানান, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা তল্লাশি করেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ যাত্রী আনা-নেয়া করা হয়।
এজন্য নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রশ্নই আসে না। এদিকে রিজেন্ট এয়ারলাইন্স আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালিত তিনটি ফ্লাইট অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী পরিবহন করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ব্যাংকক, ঢাকা-চট্টগ্রাম-মাস্কাট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা রুটে যাত্রী পরিবহন করা হয়। এসব ফ্লাইটও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী ৩১শে মার্চ ঢাকা থেকে চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে তিন দিন এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবেন তারা। এ ফ্লাইটটি তারা চট্টগ্রাম হয়ে পরিচালনা করবে। প্রতি সপ্তাহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এবং চট্টগ্রাম থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চেন্নাইয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া চেন্নাই থেকে সপ্তাহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ও মনিটর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম মানবজমিনকে বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ যাত্রী থাকলে উড়োজাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকবে। ঝুঁকি কমাতে হলে দুই ধরনের ফ্লাইটের যাত্রী এক ফ্লাইটে আনা-নেয়া বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন তল্লাশি আরও কঠোর হতে হবে। কারণ মনে রাখতে হবে বিমান খাতের যেকোনো দুর্ঘটনার সঙ্গে দেশের মান সম্মান জড়িত। তাই এ বিষয়টি মাথায় রেখেই সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক জালে ধরা পড়বে শিক্ষার সব অনিয়ম by নূর মোহাম্মদ

পুরো কাজটি করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং’ (এমইডব্লিউ)। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইনের নেত্বত্ব বৈঠকে নতুন এ সেলের অনুমোদন দেয়া হয়।
কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষা প্রশাসনে নাড়া দেয়ার মতো একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরজমিন এবং কখনও তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করবেন কর্মকর্তারা। এ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইটে প্রতিদিন যে তথ্য দেবে তার সঙ্গে গড়মিল পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করবেন কর্মকর্তা। এছাড়া মাউশির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অবস্থা জানতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রকল্প এলাকা তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন, নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের থাকবেন কর্মকর্তারা। তাদের মনিটরিং করা হবে ঢাকায় বসে।
এজন্য এমইডব্লিউ সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি কম সময়ের মধ্যে একটি ওয়েব বেইজড মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হবে। এ ব্যাপারে মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং-এ পরিচালক প্রফেসর মো. সেলিম মিয়া মানবজমিনকে বলেন, এতদিন বিভিন্নভাবে শিক্ষার মান ও উন্নয়ন প্রকল্প মনিটরিং হতো। এখন এক ছাতার নিচেই সব মনিটরিং হবে। এতে শিক্ষা প্রশাসনে দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে সব প্রকল্পগুলোয় জবাবদিহি বাড়বে। এতে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আরো সহজ হবে। সব তথ্য এক জায়গা পাওয়া যাবে।
মনিটরিং উইংয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষার সব দপ্তর, পরিদপ্তর, উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিক্ষা প্রশাসনের সব দুর্নীতি ধরতে নতুন জাল পাতা হবে। নতুন এ নীতিমালার ফলে শিক্ষা প্রশাসনের আর্থিক, প্রশাসনিক ও শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অনিয়ম-দুর্নীতি ধরা অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রশাসনের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জবাবদিহির আওতায় আসবে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও সমন্বয়হীনতা দূর হবে। এছাড়াও অ্যাপসের মাধ্যমে দেশের সব মাল্টিমিডিয়ার ক্লাস রুম মনিটরিং করার জন্য আলাদা একটি প্রকল্প চলমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের সহযোগিতায় এই প্রকল্পটি সারা দেশে কাজ করছে। দেশের ৯টি অঞ্চল, ৬৪টি জেলা, ৫১২টি থানা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা সুপার ভাইজারগণ স্ব স্ব অধীনস্থ দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান সাধারণত সরজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে পরিবীক্ষণ কাজ করে থাকে।
এখন থেকে মাউশির সব উইং, সব উন্নয়ন প্রকল্প, আঞ্চলিক, জেলা, উপজেলা, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, সব সরকারি-বেসরকারি কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, সব সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মনিটরিং একটি উইংয়ের মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। এ পুরো কাজটি হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। প্রত্যেকটি শাখাকে মনিটরিং করা জন্য মহাপরিচালক, পরিচালকদের দায়িত্ব দেয়া হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার আওতাধীন অফিস, প্রকল্প কর্মসূচির পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তার নিকট জমা দেবেন। তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা যাচাই করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠাবেন। এরপর এমইডব্লিউ সব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করে মাউশির মহাপরিচালকের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং তা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।
এমইডব্লিউ তথ্যমতে, নতুন এ মনিটরিং মাধ্যমে প্রতি অর্থবছরের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে বার্ষিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন পেশ করার জন্য নির্দেশনা দেবে। এটি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে মহাপরিচালক হয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এতে সরকার আর্থিক স্বচ্ছতার পাশাপাশি দুর্নীতি-অপচয় রোধ করা যাবে। প্রতি বছর অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে শিক্ষার সব তথ্য প্রকাশ করা হবে। সরকারের সব মন্ত্রণালয় এখান থেকে শিক্ষার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তথ্য সংগ্রহটি এমইডব্লিউ নির্দেশিকা অনুসারে পরিচালিত হবে।
এক্ষেত্রে মাউশির আওতাধীন সব উইং, আঞ্চলিক অফিস, জেলা, উপজেলা, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উন্নয়ন প্রকল্প, কর্মসূচি এবং সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন উইং মূল ভূমিকা পালন করবে। প্রাথমিকভাবে ৫০টি উপজেলার ওপর সমন্বিত অর্ধ-বার্ষিক পরিবীক্ষণ ও বার্ষিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে। তবে পর্যায়ক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা শিক্ষা কার্যালয়, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়, উন্নয়ন প্রকল্প/কর্মসূচি ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব অফিস, প্রতিষ্ঠানকে একটি ওয়েববেইজড ডাটা ম্যানেইজমেন্ট পদ্ধতিতে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী কথা হলো ফখরুলের সঙ্গে: আমি প্রস্তুত ছিলাম, বলা হচ্ছে ঘুমিয়েছিলাম, শরীর ভালো যাচ্ছে না খুব খারাপ: খালেদা

এর জবাবে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। সেখানে উপস্থিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়াকে সালাম দিয়ে কথা বলা শুরু করেন। খালেদা জিয়া তখন মির্জা ফখরুলকে বলতে থাকেন, তার শরীর মোটেও ভালো যাচ্ছে না।
খালেদা জিয়ার কাছে ফখরুল জানতে চান, ‘থেরাপি ঠিকমতো দেয়া হচ্ছে কিনা।’ খালেদা জিয়া তখন মির্জা ফখরুলকে জানান, কারাগারে তাকে দেখতে চিকিৎসক এসেছিলেন। কিন্তু তার শরীর ভালো যাচ্ছে না।’
বেলা ১২টা ৩৭ মিনিটে খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে কারাগার থেকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের অস্থায়ী ঢাকার-৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের এজলাসে আনা হয়।
শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডামের শারীরিক বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। ম্যাডাম ভালো নেই। আমরা উদ্বিগ্ন’।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চিকিৎসকরা তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন না। মাত্র একবার এসে চিকিৎসকরা তাকে দেখে গেছেন। এরপর তার রক্ত নেয়া হয়নি। ডায়বেটিসের রোগী হিসেবে তার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না।’
জামিনের বিষয়ে খালেদা জিয়ার পরামর্শ কী জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পরামর্শ হচ্ছে লিগ্যালি আমরা তো মুভ করছি। সরকার ইলিগ্যালি জামিন দিচ্ছে না।’
বর্তমান রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো আলাপ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোনো আলাপ হয়নি।’
বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এজলাসে উঠলে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রথমে আসামি সাবেক সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন। তিনি ঘটনা ও আইনি যুক্তি তুলে ধরেন। ১৫ মিনিট শুনানির পর তার মক্কেলের অব্যাহতি প্রার্থনা করে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। এরপর সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেনের আইনজীবী শাহ আলম ১৫ মিনিটে অব্যাহতির আবেদনের ওপর শুনানির পর শেষ করেন।
এরপর আসামি সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নিজেই তার পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন। মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। কোনো সাক্ষী, দালিলিক প্রমাণ নেই। আমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে শুধু মতামত দিয়েছি, যা সব সরকারের আমলে দেয়া হয়। খালেদা জিয়াও নিয়ম অনুযায়ী স্বাক্ষর দিয়েছেন। আগের প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি সচিবও এ কাজ করেছেন, যা অভিযোগপত্র দেখে প্রতীয়মান হয়। আপনি (বিচারক) নিজেই বলেছেন, আমি শুধু মতামত দিয়েছি। তাই আমিসহ সকল আসামি অব্যাহতি চাচ্ছি।’
ওই সময় তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিলের, খালেদা জিয়ার পক্ষে এয়ারবাস ক্রয়ে দুর্নীতির মামলা বাতিলের এবং ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর কয়লা আমদানি নিয়ে দুর্নীতির মামলা বাতিলের বিষয়ে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে শুনানি শেষ করেন।
মওদুদ আহমদের শুনানি শেষে বিচারক বলেন, আপনাদের অন্য দরখাস্তের বিষয়ে বলেন। তখন খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়ে একটি আবেদন করেছি। আদালত এ বিষয় কোনো আদেশ এখনো দেননি। গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি পাঁচ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম খালেদা জিয়াকে দেখেন। তারপর দিন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার প্রয়োজন মর্মে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি গ্যাটকো মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য কারাগার থেকে আলিয়া মাদরাসা মাঠ আদালতে গাড়িতে খালেদা জিয়াকে নেয়া হয়। গাড়ি থেকে নামার সময় খালেদা জিয়া পড়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধরেন। এরপর হুইল চেয়ারে করে আদালতে নেয়া হয় তাকে। তাই খালেদার সুচিকিৎসা প্রয়োজন। আগে চিকিৎসা পরে বিচার।
তিনি বলেন, মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আমরা প্রয়োজনীয় কাগজ পাইনি। প্রয়োজনীয় কাগজ পেলে শুনানি করতে পারবো।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদারকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, চিকিৎসার বিষয় তো উচ্চ আদালত একটি আদেশ দিয়ে দিয়েছেন। নিম্ন আদালত এ বিষয় কী করতে পারে? এরপর বিচারক দুদকের কৌঁসুলিকে বলেন, এ বিষয় আপনি কিছু বলেন। তখন দুদকের কৌঁসুলি বলেন, চিকিৎসার বিষয়টি কারা বিধি অনুযায়ী হতে পারে। এ ছাড়া খালেদার পক্ষে আজ শুনানি করলে ভালো হতো।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১৯শে মার্চ দিন ধার্য করেন। আর খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আজ আদেশ দেবেন বলে জানান।
শুনানি চলাকালে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, ব্যারিস্টার ফারহানা রুমিন ও জিয়াউদ্দিন জিয়ার সঙ্গেও কথা বলেন।
আদালতের কার্যক্রম শেষ হয় ১টা ৪৮ মিনিটে। আদালতের পুরো সময় ধরে খালেদা জিয়া হুইল চেয়ারে বসে ছিলেন। শুনানি শেষে ১টা ৫০ মিনিটে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এক এগারোর জরুরি আমলের সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৯ই ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে গ্যাসচুক্তি করায় রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৮ সালের ৫ই মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেনÑ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অঢেল সম্পদ দুই সিবিএ নেতার by আব্দুল আলীম

গত ১০ই ফেব্রুয়ারি দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এ অভিযোগ দায়ের করেন বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের মেডিকেল এটেন্ডেন্ট মো. মুজিবর রহমান। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়েও এ দুই নেতা সরকারি ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন। তাদের দুর্নীতি ও ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিআইডব্লিটি’র একাধিক কর্মচারী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার পাশাপাশি ভুয়া মামলায় আসামিও হয়েছেন। এমনকি বদলি, বরখাস্ত করা হয়েছে বেশ কয়েক কর্মচারীকে। দুই নেতার অনাচার থেকে বাঁচতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও রহস্যজনক কারণে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
উল্টো অভিযোগকারীদের নানাভাবে হয়রানি ও নাজেহালের শিকার হতে হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের (নিবন্ধন নং বি-২১৭৬) সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের টোল কালেক্টর রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, নিজের নামে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার মাসদাইর মৌজায় ৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাড়ি কিনেছেন। গত ১৫ই নভেম্বর ফতুল্লা সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে রেজিস্ট্রি হওয়া দলিলে (নং ১০,৯৪৪) পাকা ভবনসহ জমির মূল্য দেখানো হয়েছে ৮৫ লাখ টাকা। তবে ভবনসহ ওই জমির প্রকৃত বাজারমূল্য ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া তিনি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা মৌজায় পৃথকভাবে ১২, ২৭ ও ৪৭ শতাংশ জমি কিনেছেন। সব মিলিয়ে এসব স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১০ কোটি টাকা। এর বাইরে তিনি ৩২ লাখ টাকা মূল্যের নোয়া গাড়ি (ঢাকা মেট্রো চ-১৯-২৯১৮) ব্যবহার করেন।
রফিকুল ইসলামের গৃহিণী স্ত্রী শাহীদা বেগমের নামে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ৯৬/১০ এসএস শাহ রোডে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ‘মেসার্স ইব্রাহিম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’ নামে একটি ডকইয়ার্ড রয়েছে। এটি স্থাপনের জন্য বিআইডব্লিউটিএ থেকে স্ত্রীর নামে শীতলক্ষ্যা নদীতীরে ২০ কাঠা জমি ইজারা নিয়েছেন। রফিক-শাহীদা দম্পতির নাবালক ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিম হোসাইনের নামে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার গন্ধাকুল এলাকায় আরেকটি ডকইয়ার্ড রয়েছে। যার নাম মেসার্স ইব্রাহিম ইঞ্জিনিয়ারিং ডকইয়ার্ড এন্ড ওয়ার্কশপ। এটি নির্মাণের জন্য ইজারা নেয়া হয়েছে শীতলক্ষ্যা তীরের ৬,০০০ বর্গফুট জমি। অথচ বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা, কর্মচারী বা তাদের নিকটাত্মীয়দের নামে নদীর তীরভূমি ইজারা দেয়ার বিধান নেই। এছাড়া রফিকুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তার করে তার মেঝ ছেলে ওমর ফারুককে বিআইডব্লিউটিতে মার্কম্যান পদে চাকরি দিয়েছেন।
অন্যদিকে বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি আবুল হোসেন প্রভাব খাটিয়ে তার জামাতার (মেয়ের স্বামী) নামে করা লাইসেন্সে (এআরটেল বিডি লিমিটেড) বিআইডব্লিউটিএতে রমরমা ঠিকাদারি ব্যবসা করছেন। এভাবে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি। যদিও বিধি অনুযায়ী বিআইডব্লিউটি’র কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা তাদের নিকটাত্মীয় এই সংস্থার লাভজনক কাজে যুক্ত হতে পারেন না। এছাড়া আবুল হোসেন প্রভাব খাটিয়ে আপন ছোট ভাই চল্লিশোর্ধ বয়সী মেহেদী হাসানকে অষ্টম শ্রেণি পাস দেখিয়ে বিআইডব্লিউটি’তে মার্কম্যান পদে চাকরি দিয়েছেন।
বিষয়টি জানাজনি হলে তাড়াহুড়া করে জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স সংশোধন করা হয়। তবে মেহেদীর এসএসসি পাসের সনদে দেখা যায়, তার বয়স চল্লিশের বেশি। অভিযোগে বলা হয়েছে, আবুল হোসেন ও রফিকুল ইসলামের অবৈধ আয়ের অন্যতম উৎস কর্মচারী নিয়োগ ও বদলি। গত আড়াই বছরে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়, ড্রেজারসহ বিভিন্ন জলযান, নদীবন্দর ও শাখা কার্যালয়গুলোতে বিভিন্ন পদে ৪ শতাধিক কর্মচারী নিয়োগ হয়েছে।
এর মধ্যে অন্তত দেড়শ’ নিয়োগ দেয়া হয়েছে আবুল হোসেন ও রফিকুল ইসলামের তদবিরে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা দু’জন জনপ্রতি পাঁচ লাখ থেকে আট লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া এ দুই সিবিএ নেতা গত আড়াই বছরে কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন পর্যায়ের অন্তত ২০০ কর্মচারীকে বদলি ও বদলিকৃতদের পছন্দের স্থানে পদায়ন করিয়েছেন। এর বিনিময়ে তারা প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এসব অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করায় সংগঠনের কয়েকজন নেতাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের ঢাকার বাইরে বদলি করিয়েছেন। তাদের কয়েকজন হলেন বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ১নং যুগ্ম সম্পাদক সঞ্জীব দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক তুষার কান্তি বণিক, মুজিবর রহমান ও মাযহার হোসেন।
বিআইডব্লিউটিএর একটি সূত্রে জানা গেছে, সিবিএ সভাপতি আবুল হোসেন বিআইডব্লিউটিএর একজন পরিচালকের গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭-৭৪৩৭) ২০১৬ সালের জুলাই থেকে গত ১১ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ব্যবহার করেছেন। শুধু তাই নয়, গাড়ির পেছনে ব্যয় হওয়া প্রায় ৭ লাখ টাকার জ্বালানি এবং চালকের বেতন-ভাতা ৫ লাখ টাকা বহন করেছে কর্তৃপক্ষ। সমপ্রতি দুদক এক অভিযান চালিয়ে পিডিবির দুই সিবিএ নেতার দখলে থাকা দুটি গাড়ি উদ্ধারের পর বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আবুলের গাড়ি প্রত্যাহার করেছে। তবে আবুল হোসেন দীর্ঘদিন বেআইনিভাবে গাড়িটি ব্যবহার করেছেন- এই তথ্য ধামাচাপা দেয়ার জন্য লগবুকসহ দাপ্তরিক আলামতগুলো ধ্বংসের পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।
এদিকে বিআইডব্লিউটিএর সিবিএ সভাপতি ও সেক্রেটারির বিরুদ্ধে করা অভিযোগের অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। ইতিমধ্যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ওই নোটিশে তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ দুই সিবিএ নেতার পরিবারের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ও পরিবারের সদস্যদের সকল সম্পদ, ব্যাংক হিসাবসহ ১২ ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। ২৭শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব তথ্য দিতে নির্দেশ দেয়া হয়। এর আগে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (টিএ) মো. আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আবদুস ছাত্তারকে এ দুই সিবিএ নেতার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, বিআইডব্লিউটিএর সিবিএ নেতাদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সরজমিনে তদন্তপূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হলো।
যোগাযোগ করা হলে বিআইডব্লিউটিএর সিবিএ সভাপতি আবুল হোসেন মানবজমিনকে বলেন, যেহেতু আমার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তাই দুদকের অনুসন্ধানের বিষয় নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে এতটুকু বলতে পারি- যারা অভিযোগ করেছে তারা বিএনপি জামায়াতের লোক। সিবিএ থেকে আমাদের সরানোর চেষ্টা করেছে, না পেরে তারা দুদকে কিছু মনগড়া অভিযোগ করেছে।
সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, দুদকে আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ দেখেছি। এগুলোর কোনো সত্যতা নেই। আমি যে পদে চাকরি করি এই পদে চাকরি করে আমার চেয়ে জুনিয়ররা আমার চেয়ে অনেক সম্পদের মালিক হয়েছে। সেই হিসেবে আমার কিছুই নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে -রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা যেকোনো ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান ও গৌরবের বিষয়। কর্মদক্ষতা, কঠোর অনুশীলন এবং কর্তব্য নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে যে পতাকা আজ আপনারা পেলেন তার মর্যাদা রক্ষার জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে আপনারা সব সময় প্রস্তুত থাকবেন। পতাকা পাওয়ায় আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহিদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সালাম জানান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি। এছাড়া জাতির প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করে কাজ করছেন তাদেরকেও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তার নির্দেশেই ১৯৭২ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে গড়ে তোলা হয় বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমি।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে একটি শান্তিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। তার সুদূরপ্রসারি এ প্রতিরক্ষা নির্দেশনার আলোকেই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও দেশের বাইরে একটি অত্যন্ত সম্মানজনক অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদাতিক বাহিনীর গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাশাপাশি পদাতিক বাহিনীর দ্বিতীয় রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন আমরাই সর্বপ্রথম উপলব্ধি করেছি। ১৯৯৯ সালে আমি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট গঠনের ব্যাপারে ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন প্রদান করি। ২০০১ সালের ২১শে এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের পতাকা উত্তোলন করি। ২০১১ সালে আমি এ রেজিমেন্টকে মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা প্রদান করি। বর্তমানে এই রেজিমেন্টে দুটি প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়নসহ ৪৩টি ইউনিট রয়েছে।
আধুনিক ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে তার সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক বাহিনী গড়ে তুলতে ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীর নতুন নতুন পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা তিনটি নতুন ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রথমবারের মতো প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও সুসংহত করতে সংযোজিত হয়েছে এমএলআরএস ও মিসাইল রেজিমেন্ট। আধুনিক বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র, হেলিকপ্টার, আর্টিলারি গান এবং মডার্ন ইনফ্যান্ট্রি গেজেট সংযোজন করে সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতাকে বৃদ্ধি করেছি। এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনে সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বজলার রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেনীসহ সামরিক- বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে রাজশাহীতে এসে পৌঁছান। বেলা পৌনে ১২টায় তিনি রাজশাহী সেনানিবাসের শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে আসেন। পরে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এরপর সেনাপ্রধানকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক এক করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭, ৮, ৯ এবং ১০ বীর’র ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংকটাপন্ন ওবায়দুল কাদের

সন্ধ্যায় বিএসএমএমইউতে চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। ওই বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম সাংবাদিকদের বলেন, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে তাকে এখানেই চিকিৎসা দেয়া হবে। তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়ার অবস্থা নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
অবস্থার আরো উন্নতি হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এজন্য সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত এয়ার এম্বুলেন্স অপেক্ষায় থাকবে। গতকাল ভোররাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে সকালে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।
সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পর তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ার তথ্য জানান চিকিৎসকরা। পরে একটি ব্লকে তাৎক্ষণিকভাবে রিং পরানো হয়। দিনভর হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে তাকে পর্যবেক্ষণ করেন চিকিৎসকরা। এদিকে ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। হাসপাতালে ভিড় করেন দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে আওয়ামী লীগ।
ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএমইউ’র কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. সৈয়দ আলী আহসান বলেন, আমরা ওনার অবস্থা নিয়ে আশাবাদী। হয়তো তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আবার নাও হতে পারেন। ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা না পেরোলে অবস্থা সঠিকভাবে বলা সম্ভবই না। সকালে যখন তিনি হাসপাতালে আসেন তখন তার হার্টবিট বা হৃদস্পন্দন বন্ধ ছিল। সে সময় থেকে এখন পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তাই আমরা আশাবাদী। বিএসএমএমইউ’র ডা. মিল্টন হলে ওবায়দুল কাদেরের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে ভিসি ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকার কারণে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার এম্বুলেন্সে নেয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সেটা সম্পূণরূপে নির্ভর করছে সিঙ্গাপুর থেকে আসা এয়ার এম্বুলেন্সের রোগী বহনের সুযোগ-সুবিধার উপর। কীভাবে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে সে বর্ণনা দিতে গিয়ে অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসান বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাকে যখন হাসপাতালে আনা হয় তখন তার হৃদস্পন্দন বন্ধ ছিল।
আমাদের একজন চিকিৎসক ফোন পেয়ে তার বাসায়ও গিয়েছিলেন। ৮টার সময় তার হার্টবিট আসলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা শুরু হয়। তখন ভেন্টিলেশন ও ওষুধ দেয়া হয়। এরপর ক্যাথল্যাবে নিয়ে দেখা যায়, তিনটি রক্তনালী একেবারে ব্লক। এরমধ্যে একটি শতভাগ ও অন্য দু’টি ৮০ শতাংশ ও ৯৯ শতাংশ। তখন সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল ব্লক নালীটা খোলার ব্যবস্থা করি। প্রাইমারি পিসিআই (রিং পরানো) করার পর তিনি প্রায় দু’ঘণ্টা ভালো অবস্থায় ছিলেন। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আবার অবস্থা খারাপ হয়। হার্টবিট প্রতি মিনিটে ৩৫ আরপিএম-এ নেমে যায়। আবারো ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য হার্টবিট শূন্য ছিল। তখন প্রেসার ঠিক করার জন্য আইইডিপি (প্রেসার স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা) দেই। এখন হার্টবিট ৯০ থেকে ১১০ আরপিএম-এ আছে।
প্রধানমন্ত্রী আসার পর চোখের পাতা নাড়ানো (ব্লিকিং) এবং প্রেসিডেন্ট আসার পর চোখ মেলে তাকিয়েছেন ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসে তাকে ডাক দেয়ার পর তার ব্লিকিং হচ্ছিলো। এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট এসে তাকে ডাক দিলে তিনি চোখ মেলে তাকিয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এসে ডাক দেয়ার পর তার পা নড়ছিল। এ থেকেই রেসপন্সের মাধ্যমে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি বাহ্যিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে। ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে আসা প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা ছিল কিনা- প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা যদি মনে করেন তাকে বিদেশ নেয়া যাবে, তখনই নেয়া হবে। তারা যদি প্রয়োজন মনে না করেন বা পরিস্থিতি যদি এমন হয় যে তাকে পাঠানোর পরিস্থিতি নেই, তবে পাঠানো হবে না। পরবর্তী চিকিৎসা কি হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চিকিৎসকরা বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় তিনি রিপারফিউশন ইনজুরিতে আছেন। এই অবস্থার রোগীদের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।
রিং পরানোর পর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রোগীকে একই অবস্থায় রাখতে হয়। ওবায়দুল কাদেরের ক্ষেত্রে এরপর দুটো চিকিৎসা হতে পারে। সেগুলো হলো- করোনারি মেডিকেল থেরাপি ও বাইপাস অপারেশন। প্রফেসর অসিত বরণ জানান, আমরা আশাবাদী তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। তবে এ ধরনের রোগী যেমন সুস্থ হন তেমনই হঠাৎ করে তাদের অবস্থা অবনতিশীলও হয়। তারপরেও আমরা আশাবাদী। এ সময় ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা নির্বিঘ্ন করতে ও অন্যান্য রোগীর যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য বিএসএমএমইউ’র ভেতর ভিড় না করতে সাংবাদিকসহ সব মহলের সহযোগিতা কামনা করেন বিএসএমএমইউ ভিসি। এদিকে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় বিএসএমএমইউয়ের হৃদরোগ বিভাগের পক্ষ থেকে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বিএসএমএমইউ কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আলী আহসানের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডে আরো রয়েছেন অধ্যাপক ডা. চৌধুরী মেশকাত আহমেদ চৌধুরী, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভৌমিক, অধ্যাপক ডা. একেএম আক্তারুজ্জামান, কার্ডিও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রেজওয়ানুল হক, অধ্যাপক অসিত বরণ অধিকারী, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান, ডা. তানিয়া সাজ্জাদ, প্রিভেনটিভ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক প্রমুখ।
হাসপাতালে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে যান প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রাজশাহীতে সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার পর ঢাকা ফিরে বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তাকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। তার মিনিট দশেক পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে পৌঁছে ডি ব্লকের দোতলায় কার্ডিওলজি বিভাগে যান প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ। তার পরপরই স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী হাসপাতালে পৌঁছান। ওবায়দুল কাদেরকে দেখে বিকাল পৌনে ৫টায় হাসপাতাল থেকে ফিরে যান প্রেসিডেন্ট। স্পিকারও তার পরপরই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল থেকে বেরিয়ে যান।
ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার বিষয়ে তাদেরকে বিস্তারিত জানান বিএসএমএমইউ’র ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি বলেন, প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসার পর ওবায়দুল কাদেরকে ডাকেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে মিটমিট করে তাকানোর চেষ্টা করেন তিনি। তিনি বলেন, এরপর যখন প্রেসিডেন্ট আসেন তখন পুরোপুরি তাকিয়েছেন। এসময় ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়। এদিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালে যান ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। দুপুর ১টার দিকে তিনি হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের কাছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের বর্তমান শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদের ২০১৬ সালের ২৩শে অক্টোবর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার আগে ছয় বছর তিনি প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন ওবায়দুল কাদের। সেখান থেকেই তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পর পর দুই মেয়াদে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) অধিনায়ক ছিলেন। ওবায়দুল কাদের প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে। নোয়াখালী-৫ আসন থেকে চার বার সংসদ সদস্য হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
২০০২ সালের জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে জরুরি অবস্থার মধ্যে ওবায়দুল কাদের গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় দেড় বছর কারাভোগ করেন। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের দুই মাস আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান। নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে প্রথমে তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর থেকে টানা তৃতীয় মেয়াদে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1337)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
March
(458)
-
▼
Mar 04
(19)
- জয়েশ-ই-মুহাম্মদ নেতা মাসুদ আজহার ‘জীবিত’
- সাংবাদিক খাসোগিকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে! -আল জাজিরার ড...
- ইসরাইলি সেনাকে গাড়িচাপা দিয়েছে ৩ ফিলিস্তিনি
- সিঙ্গাপুরের পথে কাদের
- এক ধর্ষকের অনুশোচনা by পিয়াস সরকার
- পাকিস্তানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাফল্য নিয়ে রাজনৈত...
- যে ছবি থামিয়ে দিয়েছিল ২০ বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধ
- সংঘাতের মুখে থাকা লোকজনের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া গুরুত...
- ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে বিএসএমএমইউতে ডা. দেবী শেঠী
- গার্মেন্ট কর্মী থেকে লেডি মাফিয়া
- আসলে কত জঙ্গি নিহত?
- ডার্ক চকোলেটের পেছনের অন্ধকার গল্প! by রাজিয়া সুলত...
- নির্বাচন ব্যবস্থাকে যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে...
- আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ যাত্রী ঝুঁকিতে নিরা...
- এক জালে ধরা পড়বে শিক্ষার সব অনিয়ম by নূর মোহাম্মদ
- কী কথা হলো ফখরুলের সঙ্গে: আমি প্রস্তুত ছিলাম, বলা ...
- অঢেল সম্পদ দুই সিবিএ নেতার by আব্দুল আলীম
- যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে -রাজশাহী...
- সংকটাপন্ন ওবায়দুল কাদের
-
▼
Mar 04
(19)
-
▼
March
(458)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...