Tuesday, May 7, 2019
সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারলে অর্থনীতিতে স্থবিরতা তৈরি হবে by তামান্না মোমিন খান

আস্থার জায়গা তৈরি করতে হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর যে কর্মকা- সেটা ব্যাংক হোক বা সরকারি অফিস হোক বা অন্যান্য জায়গাগুলোতেও আস্থার পরিবেশটা তৈরি করতে হবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতি আসলে চালাচ্ছেন কোন নীতি নির্ধারকরা। এই জায়গায় একটা বড় অস্পষ্টতা আছে। অর্থনৈতিক পরিচালনার যে জায়গাটা সেখানে নীতির বিষয়টি আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। একসময় সংসদে অর্থমন্ত্রী বলছেন, ঋণ খেলাপিদের মাফ দেয়া হবে। আবার ব্যাংকে যে সার্বিক দুর্ব্যবস্থা সেটি তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। অর্থনৈতিক পরিচালনায় সরকারের আগ্রহ কতটুকু সেটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আছে। তাদের এক ধরনের মেগা প্রকল্প চলছে, প্রচার হচ্ছে সবই হচ্ছে। কিন্তু অর্থনৈতিক পরিচালনায় যে সুস্পষ্ট ঘাটতি আমরা দেখতে পাচ্ছি সেগুলোর বিষয়ে সরকারের নীতি মহল কতটুকু সচেষ্ট। আসলে নীতি পরিচালনা করছে কারা? কাদের নীতির কারণে ব্যাংকগুলোর এই অবস্থা? একেক জন একেকভাবে কথা বলছেন।
বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক দর্শনের মধ্যে আটকে গেছে। মনে হচ্ছে যে অনেক খরচ করলেই উন্নয়ন চলতে থাকবে। খরচ উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে না। আপনি চাইলে রাস্তাঘাটে অনেক খরচ করতে পারবেন। কিন্তু সেই রাস্তা যদি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় তাহলে খরচটাই হলো উন্নয়ন হবে না। হাসপাতাল হলো সেখানে ডাক্তার নেই তাহলে সেবা হবে না। খরচ মানেই উন্নয়ন সরকারকে এই দর্শন থেকে বের হয়ে আসা খুব জরুরি এই বিষয়টি সরকারের প্রয়োজন গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ এক অন্যরকম ফ্যাশন by রুদ্র মিজান

তা আবার বিভিন্ন কায়দায় প্রদর্শন করা হচ্ছে। ফেসবুকে সেলফি দিয়ে, হাত বা পিঠের ট্যাটু আঁকা স্থানটি খোলা রেখে ফ্যাশন করছে তারা। নিরবে-নিভৃতে এই ফ্যাশনের বাণিজ্য করছে ঢাকার অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ট্যাটু স্টুডিও বা পার্লার। বিশেষ কায়দায় সূঁচের মাধ্যমে ট্যাটু আঁকা হয় সেখানে।
জানা গেছে, গুলশান, বনানী, উত্তরা, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, বেইলি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ট্যাটু আঁকার প্রতিষ্ঠান। ট্যাটু ব্যবসায়ীদের অনেকেই জানান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও চায়না থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছেন তারা। কয়েকটি ট্যাটু স্টুডিও ঘুরে দেখা গেছে বিভিন্ন বয়সের তরুণ-তরুণীরা সেখানে ভিড় করছেন। ট্যাটুকে অনেকেই উল্কি বলে থাকেন। ট্যাটু ফ্যাশন বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ২০০৮ সাল থেকে। দিন দিন তা বিস্তৃত হচ্ছে। সম্প্রতি নিউমার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তরিকুল ইসলাম বাদশা নামে একজনকে। তিনি ট্যাটু’র বাদশা হিসেবে পরিচিত। তারপর থেকেই আলোচনায় আসে ট্যাটু। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যারা দেশে প্রথম এটি শুরু করেছিলেন তাদের কেউ কেউ এই পেশায় নেই। সামাজিক কারণেই এটি ছেড়ে অন্য পেশায় ঝুঁকেছেন তারা। তাদের মধ্যে একজন ট্যাটু শিল্পী ফুয়াদ হাসান। মানবজমিনকে ফুয়াদ জানান, ২০০৮ সালে ঢাকার পান্থপথে ‘ভেনম ট্যাটু স্টুডিও’ নামে এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন। ট্যাটুর প্রতি ভালোবাসা থেকেই থাইল্যান্ডে গিয়ে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন ফুয়াদ। প্রায় তিন মাস থাইল্যান্ডে কাজ করে এটি আয়ত্বে নেন। এতে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয় তার। কিন্তু বিষয়টি সমাজে মেনে নিচ্ছিলেন না অনেকেই। নানা অনিভিপ্রেত কথা বলা হচ্ছিলো। বাধ্য হয়েই ২০১৬ সালে স্টুডিওটি বন্ধ করে দেন তিনি।
তবে দিন দিন ট্যাটু স্টুডিও’র সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান তিনি। ট্যাটুতে আগ্রহ বাড়ছে তরুণ-তরুণীদের। গুলশান-২ এলাকার একটি ট্যাটু স্টুডিওতে গিয়ে দেখা গেছে অভ্যর্থনা কক্ষে বসে আছেন তিন জন। দুই তরুণী ও এক তরুণ। তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সহপাঠী। দুই তরুণী জানান, পিঠে এবং হাতে ট্যাটু আঁকাবেন তারা। মৌমিতা নুর নামে তরুণী জানান, বলিউড ‘কুইন’ খ্যাত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের ট্যাটুতে মুগ্ধ তিনি। কঙ্গনার ঘাড়ে আঁকা দুটি ডানা, তলোয়ার ও মুকুট তাকে মুগ্ধ করেছে। সেটাই আঁকাতে চান তিনি। সঙ্গী তরুণ ড্রাগনের ছবি আঁকাবেন হাতে। স্টুডিওতে কাজ করছেন দুই জন। এক-এক করে ভেতরের কক্ষে ডেকে নেয়া হচ্ছিলো তাদের। কথা হয় স্টুডিও’র কর্মী আরমানের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে তিন হাজার থেকে বিভিন্ন রেটে কাজ করা হয়। তরুণীরা পিঠে, বুকে, কোমড়ে ট্যাটু করাতে পছন্দ করেন।
মূলত বিদেশী মডেল, অভিনয় শিল্পী ও খেলোয়ারদের শরীরে আঁকা ট্যাটু দেখেই আকৃষ্ট হন তারা। হুবুহু ওইসব খেলোয়ার, অভিনয় শিল্পীদের মতো ট্যাটু করাতে চান। প্রতি স্কয়ার ইঞ্চি হিসেবে ট্যাটুর দরদাম ঠিক করা হয়। জায়গাভেদে স্কয়ার ইঞ্চির দাম এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। এমনকি পুরো শরীরজুড়ে ট্যাটু করতে গেলে লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। ট্যাটু শিল্পীরা জানান, অনেকেই বলিউডের নায়ক অজয় দেবগনের মতো দেবতা শিবের ছবি, হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলির মতো হাতে জুড়ে বিভিন্ন ট্যাটু আঁকতে চান।
তরুণীরা তাদের স্পর্শকাতর স্থানেও ট্যাটু আঁকাতে পছন্দ করেন। সম্প্রতি নিউমার্কেট এলাকার বনলতা মার্কেটের তৃতীয় তলা থেকে ট্যাটু বাদশাকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে এ সংক্রান্ত নানা তথ্য পেয়েছে সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট। জিজ্ঞাসাবাদে তরিকুল ইসলাম বাদশা জানিয়েছে, একসময় ঢাকায় বাদাম বিক্রি করতো বাদশা। হঠাৎ করেই তার নজর পড়ে ট্যাটুর দিকে। কয়েক বছর আগে চায়না গিয়ে ট্যাটুর কাজ শিখে বাদশা।
তারপর নিউমার্কেট এলাকায় ট্যাটু রিমুভ সেন্টার এন্ড আর্ট নামে পার্লার গড়ে তোলে। তার বেশিরভাগ গ্রাহকই মেয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজের এক শ্রেণির ছাত্রী ও পুরান ঢাকার মেয়েরাই তার পার্লারে বেশি যেতো। পুরনো ট্যাটু রিমুভ, নতুন ট্যাটু আঁকা ছাড়াও কৃত্রিম তিল তৈরি করতো বাদশা। এক হাজার টাকার বিনিময়ে ঠোঁটের নিচে বা উপরে তিল তৈরি করে দিতো। গত ১৩ই এপ্রিল তার পার্লারে যায় পাঁচ-ছয় তরুণী। তাদের একজনের কোমড়ের নিচে প্রজাপতি এঁকে দেয় বাদশা। এসময় ওই তরুণী ও তার সঙ্গী তরুণী ভিডিও ধারণ করছিলো। এক পর্যায়ে তাদের সম্মতি নিয়ে নিজের মোবাইলফোন দিয়ে ভিডিও ধারণ করে বাদশা। পরবর্তীতে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে অল্প সময়েই মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। এভাবে অশ্লীলতা ছড়ানোর দায়ে পর্নোগ্রাফি আইনে বাদশাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ডিভিশনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম।
ট্যাটুতে তরুণদের আগ্রহ নিয়ে শঙ্কিত অনেকেই। পশ্চিমা দেশগুলো যখন ট্যাটুর ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে গবেষণা করে সচেতন হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে, ঠিক ওই সময়ে এ দেশে ট্যাটুর প্রতি বাড়ছে আকর্ষণ। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, ভিন দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে আমাদের তরুণ-তরুণীরা। তারা ভালোর বদলে খারাপটা সহজেই গ্রহণ করছে। সূঁচ দিয়ে শরীরে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ঢুকিয়ে ট্যাটু করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সাবধান না হলে সূঁচের মাধ্যমে রোগ জীবানু ছড়িয়ে পড়তে পারে। ট্যাটু আঁকানো যে ক্ষতিকর তা প্রচার করতে হবে। শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ট্যাটু আঁকা ও তা প্রদর্শন করা আমাদের সংস্কৃতি না। এই অপসংস্কৃতি চর্চা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য রাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কটিয়াদীতে চলন্ত বাসে নার্সকে ধর্ষণের পর হত্যা!

ধর্ষণকারীরা শাহিনুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে পালিয়ে যায়। নিহত শাহিনুর কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে।
জানা যায়, শাহিনুর আক্তার উরুফে তানিয়া ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চাকরী করতেন। সোমবার বিকালে তিনি এয়ারপোর্ট কাউন্টার থেকে টিকেট নিয়ে স্বর্ণলতা পরিবহনে উঠেন। স্বর্ণলতা বাস মহাখালী-থেকে কটিয়াদী হয়ে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত চলাচল করে।
পিরিজপুর থেকে তার বাড়ির দূরত্ব মাত্র ১০ মিনিটের পথ।
শাহিনুর গতকাল বিকালে বাসে ওঠার পর থেকে তার পিতা এবং ভাইদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার কথা বলেন। রাত ৮টার দিকে তিনি যখন মঠখোলা বাজার অতিক্রম করেন তখন তার পিতাকে ফোনে জানান, আধাঘন্টার মধ্যে বাড়ি পৌঁছতে পারবেন। তার পিতা তখন এশা এবং তারাবির নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছিলেন।
এরপর সাড়ে আটটার দিকে বাসটি কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে ভাইয়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। সেসময় তিনি বলেন, আর মাত্র পাঁচ সাত মিনিট লাগবে পিরিজপুর পৌঁছতে।
কিন্তু কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে বাসের সকল যাত্রী নেমে গেলে গাড়ির ড্রাইভার এবং হেলপার কৌশলে তার সঙ্গের চার-পাঁচজনকে যাত্রীবেশে গাড়িতে তোলেন। কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড পার হয়ে দুই কিলোমিটার দূরবর্তী ভৈবর-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের গজারিয়া জামতলী নামক একটি নীরব জায়গায় শাহিনুরকে জোরপূর্বক চলন্ত গাড়িতে ধর্ষণ করে। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে বলে স্বজনদের ধারণা।
এদিকে তার মৃত্যুর পর ধর্ষণকারীরা রাত পৌনে এগারটার দিকে কটিয়াদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে দুর্ঘটনা কথা বলে লাশ ফেলে রেখে যায়।
এদিকে হাসপাতাল রেজিস্ট্রার সূত্রে জানা গেছে, শাহিনুর আক্তারের লাশ নিয়ে আসা ব্যক্তির পরিচয় লেখা রয়েছে, আল আমিন, পিতা ওয়াহিদুজ্জামান, গ্রাম ভেঙ্গারদি, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
এদিকে পাঁচ মিনিটের কথা বলে দীর্ঘ সময় পিরিজপুর বাসস্ট্যান্ডে স্বর্ণলতা বাস না পৌঁছায় তার ভাই মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। গভীররাতে সংবাদ পায় শাহিনুরের লাশ কটিয়াদী হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে রাখা হয়েছে। তার ভাই কফিল উদ্দিন সুমন জানায়, শাহিনুরের সঙ্গে একটি এলইডি ১৯ ইঞ্চি টেলিভিশন, একটি স্যামসং এনড্রয়েট মোবাইল ফোন ও বেতনের ১৫-১৬ হাজার টাকা ছিল।
কটিয়াদীতে থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ড্রাইভার নূরুজ্জামান (৩৯), হেলপার লালন মিয়া (৩৩) কে আটক করা হয়েছে। শাহিনুরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, ব্যাগ, কাপড় চোপড় পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিস্তারিত প্রতিবেদন চাওয়া হবে। তবে তার হাত, মুখ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাথরের মজুত বাড়ছে, বিক্রি কমছে by সামছুর রহমান

• পাথর কম লোড হওয়ার কারণে পরিবহন খরচ প্রায় দ্বিগুণ।
• ভারত থেকে আমদানি করা পাথরের দাম কম পড়ে।
• উত্তোলনের তুলনায় পাথর বিক্রি অর্ধেকের কাছাকাছি।
দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পে উত্তোলিত পাথরের মজুত বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ মেট্রিক টন। প্রকল্পে পাথর উত্তোলন বাড়লেও বিক্রি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে প্রতি মাসেই মজুতের পরিমাণ বাড়ছে। তাই আর্থিকভাবে লোকসানে থাকা সরকারের প্রতিষ্ঠানটি পাথরের দাম কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
খনি কর্তৃপক্ষ, পাথর উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, পাথরের ডিলার এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাথর বিক্রি বাড়াতে খনি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে বিপণনের কোনো ব্যবস্থা করেনি। পাথর পরিবেশকদের (ডিলার) কমিশন কমিয়ে দেওয়ায় তারা পাথর নিতে আগ্রহী হচ্ছে না। এর মধ্যে গত বছর সড়ক বিভাগ পাথর পরিবহনে মোটরযানের ওজন নির্ধারণ (এক্সেল লোড) করে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় পাথর বিক্রি আরও কমে গেছে।
মধ্যপাড়া খনি থেকে পাথর উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। আর খনির উত্তোলিত পাথর বিক্রির দায়িত্বে আছে পেট্রোবাংলার নিয়ন্ত্রণাধীন মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)। এই খনির পাথর সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হয় না। নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে পাথর বিক্রি করা হয়। বর্তমানে ৪৫ জন ডিলার রয়েছেন।
খনি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে পাথরখনিতে প্রায় ৬ লাখ মেট্রিক টন পাথর অবিক্রীত রয়েছে। গত বছর খনি থেকে প্রায় ১১ লাখ ৬৬ পাথর মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। বাকি পাথরগুলো অবিক্রীত থেকে যায়।
চলতি বছরের শুরুর মাস থেকে পাথর উত্তোলনের পরিমাণ আরও বেড়েছে। বছরের প্রথম তিন মাসে খনি থেকে উত্তোলন করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এপ্রিল মাসের শুরু থেকে খনিতে উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। এপ্রিল মাসের ২৭ দিনে বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার মেট্রিক টন। বাকি পাথরগুলো মজুত হয়েছে।
খনির একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে খনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রতিমাসে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদিত হচ্ছে ১ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। কিন্তু বিক্রির পরিমাণ এর অর্ধেকের কাছাকাছি। বিক্রি না বাড়লে মজুত করা পাথর বিক্রিতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে।
খনির কর্মকর্তা ও ডিলাররা বলছেন, আগে ১০ চাকার ট্রাক (ট্রাকের ওজনসহ) ৪২ থেকে ৪৬ মেট্রিক টন ও ৬ চাকার ট্রাক (ট্রাকের ওজনসহ) ৩০ থেকে ৩২ মেট্রিক টন পাথর পরিবহন করত। কিন্তু ২০১৮ সালের মোটরযান এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ বিধি অনুযায়ী ১০ চাকার ট্রাক (ট্রাকের ওজনসহ) ৩২ মেট্রিক টন ও ৬ চাকার ট্রাক (ট্রাকের ওজনসহ) ২২ মেট্রিক টনের বেশি পাথর বহন করতে পারছে না। ফলে পাথর বিক্রি অনেকটা কমেছে।
খনির পুরোনো ডিলারদের একজন মো. মমিনুল হক বলেন, পাথর কম লোড হওয়ার কারণে পরিবহন খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আগে ৫ শতাংশ কমিশন দেওয়া হলেও এখন ৩ শতাংশ দেওয়া হচ্ছে। এই ৩ শতাংশের ওপর আবার ভ্যাট কাটছে ১৫ শতাংশ। ফলে সামগ্রিকভাবে লাভ কমে যাওয়ায় ডিলাররা পাথর বিক্রিতে আগ্রহ হারাচ্ছে।
গত রোববার খনি এলাকা ঘুরে দেখা যায় খনির ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবিক্রীত পাথর স্তূপ করে রাখা। আকৃতি অনুযায়ী পাথরগুলো আলাদা করা হয়েছে। কয়েকটি ট্রাকে পাথর ওঠানোর কাজ চলছে। খনির মূল ফটকের বাইরে ৮–১০টি ট্রাক পাথর তোলার অপেক্ষায় আছে। মূল ফটকের সামনেই ট্রাকের ওজন মাপা হচ্ছে।
ট্রাকে পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিকদের সংগঠন লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাদেকুল ইসলামের ভাষ্য, ভারত থেকে পাথর আমদানির কারণে মধ্যপাড়ায় উত্তোলিত পাথর অবিক্রীত থাকছে। আগে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক পাথর দেশের বিভিন্ন স্থানে যেত। বর্তমানে ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাক পাথর বিক্রি হচ্ছে।
এমজিএমসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. আবু তালেব ফারাজী প্রথম আলোকে বলেন, বিক্রি বাড়াতে পাথরের দাম কমানোর একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে মধ্যপাড়ার পাথর ব্যবহার করতে বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। এটি নিশ্চিত করা গেলে বিক্রি বাড়বে, মজুতের পরিমাণও কমে আসবে।
মধ্যপাড়ায় বর্তমানে ৫ থেকে ২০ মিলিমিটার (মিমি) পাথর প্রতি টন ২ হাজার ৯৩৮ টাকা, ২০ থেকে ৪০ মিমি ২ হাজার ৭৭০ টাকা এবং ৪০ থেকে ৬০ মিমি ২ হাজার ৬৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে প্রতি টন পাথর ট্রাকে তোলার খরচ ৬০ টাকা। চট্টগ্রাম বন্দরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে শুল্কসহ এক টন পাথরের আমদানি খরচ পড়ছে গড়ে ২ হাজার ৫৬৮ টাকা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের রহস্যময় গ্রাম কোদিনহি : যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি যমজ সন্তান জন্ম নিচ্ছে
৪ মে ২০১৯, শনিবার প্রকাশিত এ সাময়িকীর একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, ১১ হাজার অধিবাসীর গ্রামটিতে এক হাজার যমজ রয়েছে আর এ সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
কালিকট থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মাল্লাপুরম থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত গ্রামটি। দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. লরেনা মাদরিগান বলেন, গ্রামটিকে পৃথিবীর বাইরের অঞ্চল বলে মনে হচ্ছে। ভারতে সাধারণ ভাবে প্রতি একশ জনের মধ্যে একটি যমজ সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সে হিসেবে কোদিনহি গ্রামকে বহির্জাগতিক বলে মনে হওয়ায় অবাক হওয়ার কিছু নেই।
২০০৯ সালে প্রথম গ্রামটি বিশ্বের নজরে আসে। কিন্তু এ সত্ত্বেও আজও গ্রামটিতে অধিক হারে যমজ সন্তান জন্ম নেয়ার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় নি। গ্রামটিতে যমজ সন্তান জন্ম নেয়ার পেছনে কোনও জেনেটিক বা পরিবেশগত কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য গ্রামটি সফর করেছেন লরেনা মাদরিগান এবং তার গবেষণা দল।
মাদরিগানের নেতৃত্বাধীন গবেষক দলটি যে সব পরিবারে যমজ সন্তান জন্ম নিয়েছে তাদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। তাদের পরিবার বৃক্ষ বা ফ্যামিলি ট্রি তৈরি করেছেন। এ ভাবে গ্রামের ১৮০০ পরিবারের তথ্য সেই ১৮৬০'এর দশক অবধি সংগ্রহ করেছেন তারা। কিন্তু তারপরও গ্রামটিতে যমজ সন্তান হওয়ার কোনও যুক্তিভিত্তিক কারণ খুঁজে পায় নি গবেষক দলটি।
অবশ্য, তাদের এ সফর বৃথা গেছে সে কথাও পুরোপুরি বলার জো নেই। এ গ্রামে যমজ সন্তানের জন্ম হওয়া নিয়ে প্রচলিত অনেকগুলো বক্তব্যের কোনও ভিত্তি খুঁজে পান নি তারা। আন্ত-পরিবার বিবাহকে এ ভাবে যমজ হওয়ার পেছনে বড় কারণ বলে একটি কথা প্রচলিত ছিল। তার কোনও সত্যতা পান নি গবেষক দল।
এ ছাড়া, অতীতে কোনও মহামারীর প্রকোপ দেখা দিয়েছিল গ্রামটিতে। তা থেকে বংশরক্ষার জন্য এ ভাবে যমজ সন্তান জন্মগ্রহণ করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলেও একটি কথা প্রচলিত আছে। অতীতের সংবাদ মাধ্যমে এ ধরণের কথা উঠেছিল। গবেষক দলটি সে কথারও কোনও সত্যতা খুঁজে পান নি।
গ্রামবাসীরা যে সব স্থানে বসবাস করে তার সঙ্গে যমজ সন্তান জন্মগ্রহণের একটি যোগসাজশ আছে বলেও কেউ কেউ মনে করেন। কিন্তু এ ধারণারও কোনও ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় নি।
গবেষক দলটি দেখতে পেয়েছেন যে ১৯৬০ সালে থেকে এ গ্রামে যমজ সন্তান জন্মগ্রহণের প্রবণতা প্রথম দেখা দেয়। এরপর থেকে এ প্রবণতা ক্রমে বাড়ছেই। এ গবেষক দলটি তাদের গবেষণার ফলাফল ওহিওর ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আমেরিকার এসোসিয়েশন অব ফিজিক্যাল অ্যানথ্রপলজির সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন।
অবশ্য, লরেনা মাদরিগান মনে করেন, অতীতে এ গ্রামের কোনও কোনও অধিবাসী হয়ত বিশেষ কোনও রাসায়নিক উপাদানের সংস্পর্শে এসেছিলেন। এতে তাদের ডিএনএ'তে রদবদল ঘটেছে এবং এই পরিবর্তিত ডিএনএ সন্তানদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। গবেষক দলটি গ্রাম থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছে। এ ধারণার সত্যিই কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কিনা তা ভবিষ্যতে তা অনুসন্ধান করে দেখবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলে চালানো হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করল ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ
আল-কুদস ব্রিগেড এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। এতে বদর-৩ নির্মাণ করতে এবং তা ইসরাইল অধিকৃত আশকেলন নগরীর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে ছুঁড়তে দেখা যায়। ভিডিও ফুটেছে দেখা গেছে, চলতি মাসের ৪ এবং ৫ তারিখে অন্ধকার আকাশে অন্তত চারটি বদর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। এ নগরীটি তেল আবিবের ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। গাজা উপত্যকা এবং ইসরাইলের মধ্যে যে প্রাচীর দেয়া হয়েছে তা এ থেকে এ নগরী মাত্র ১৩ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
এর আগে একই মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র ৪০ কিলোগ্রাম বোমা বা ওয়ারহেড বহন করতে পারলেও বদর-৩ বহন করতে পারে আড়াইশ কিলোগ্রাম বোমা। বোমা বহনের সক্ষমতা এক লাফে বাড়িয়ে তোলার মধ্য দিয়ে আল কুদস ব্রিগেডের প্রযুক্তিগত দক্ষতাই প্রমাণিত হচ্ছে। এদিকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আল-কুদস ব্রিগেড বলেছে যে, এরপর যা আসছে তা হবে আরও অনেক বড় ও শক্তিশালী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ▼ 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...