Showing posts with label অমিতোষ পাল. Show all posts
Showing posts with label অমিতোষ পাল. Show all posts
Wednesday, August 7, 2019
মশক নিবারণী দপ্তর মশাদের দখলে: পরিচালক বিদেশে, কর্মীদের কাজ নেই by অমিতোষ পাল

নাম
'ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তর', কিন্তু মশা নিবারণের কোনো কার্যক্রমই নেই
তাদের। উল্টো পুরো দপ্তরই যেন পরিণত হয়েছে মশা উৎপাদনের কারখানায়। অথচ সাত
দশক আগে প্রতিষ্ঠার পর কী কর্মচঞ্চলই না ছিল এটির কার্যালয়! ডেঙ্গু এখন
মূর্তিমান ত্রাস হয়ে উঠেছে সারাদেশে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক দুই
সপ্তাহ ধরে দেশের বাইরে রয়েছেন। অন্য কর্মচারীরাও সময় পার করছেন হেলেদুলে।
'নিস্কর্মা' এই মশক নিবারণী দপ্তরের অবস্থান রাজধানীর অরফানেজ রোড সংলগ্ন ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ঠিক বিপরীতে। গত সোমবার সরেজমিনে দপ্তরটিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটক বন্ধ। কিছু সময় ধরে ডাকাডাকির পর একজন নিরাপত্তাকর্মী এসে ফটক খোলেন। ভেতরে ঢুকেই চোখে পড়ে মশার ওষুধের শত শত খালি ড্রাম। বলা যায়, পুরো প্রাঙ্গণই খালি ড্রামে পূর্ণ। কারও কোনো কাজ নেই বলে অফিসে তাদের উপস্থিতিও কম।
নিরাপত্তাকর্মী নাম-পরিচয় না দিয়ে জানালেন, এখানে ২৮১ জন কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে সুপারভাইজার ৩৪ জন। বাকিরা একেবারেই নিম্ন শ্রেণির কর্মচারী। সিটি করপোরেশন ডাকলে তারা মশা মারায় সহযোগিতা করেন। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা আ ন ম ফয়জুল হক; একজন উপসচিব। কিন্তু মন্ত্রণালয়েই বেশিরভাগ সময় কাটান তিনি। খুব প্রয়োজন হলে এক-আধঘণ্টার জন্য দপ্তরে এসে ফের চলে যান। গত ২৬ জুলাই থেকে তিনি বিদেশে আছেন। কবে ফিরবেন, তা কেউ বলতে পারলেন না। অবশ্য নাম প্রকাশ না করে একজন জানালেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পুষ্টি সেবা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ সফরে গেছেন এই উপসচিব।
কয়েকজন কর্মী জানান, পরিচালক না থাকলে স্টোরকিপার গিয়াস উদ্দিনই সব নির্দেশনা দেন। কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) একটি মিটিং থাকায় তিনি সেখানে গেছেন। তার ফোন নম্বরও দিতে পারলেন না কেউ। অফিসের কেউই পরিচয় দিয়ে কথা বলতে আগ্রহ দেখালেন না।
কয়েকজন জানান, এক সময় ঢাকায় খুব ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ছিল। এ জন্য ১৯৪৮ সালে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। সে সময় ম্যালেরিয়া মোকাবেলায় পুরো ভূমিকাই রাখত এই দপ্তর। অনেকেই কাজ করতেন। মশা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৭২ সালে দপ্তরটির ৩৩৮ জনবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয় সরকার। ১৯৮১-৮২ সালে এ বিভাগকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়। পরে ঢাকা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। এভাবে সংস্থাটি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলতে শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, তাদের কাজ মশা নিধন করা। অথচ তাদের কোনো ক্ষমতাই নেই। পুরো দপ্তর এখন স্রেফ মশার ওষুধ রাখার গোডাউনে পরিণত হয়েছে। সিটি করপোরেশন কী পরিমাণ ওষুধ রাখল, কতটা নিয়ে গেল, তার হিসাব রাখা ও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী মশা মারার ওষুধ বিভিন্ন জোনে বিতরণ করাই এখন তাদের কাজ।
কয়েকজন কর্মচারী জানান, তাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বেতন দেওয়া হয়। এতে তারা সন্তুষ্ট নন। কারণ মাঝেমধ্যেই তাদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হয়। সিটি করপোরেশন তাদের কার্যক্রম মনিটর করলেও জোরালো কোনো নজর নেই। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও এ দপ্তরের ব্যাপারে উদাসীন। অনেকটা অভিভাবকহীনই বলা যায় এ দপ্তরকে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়ে সারি সারি খালি ড্রাম (ব্যারেল)। উঁচুতে টিলার মতো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কোনোটা মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে, কোনোটা ফেটে গেছে। কোনোটির ভেতরে-বাইরে পানিও জমে আছে। সব মিলিয়ে ড্রামগুলোয় মশার বংশবিস্তারের বেশ অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কর্মচারীরা বললেন, অনেক খালি ড্রাম জমার পর সিটি করপোরেশন নিলাম ডেকে ব্যারেলগুলো বিক্রি করে দেয়। গত চার বছর ধরে নিলাম না হওয়ায় ড্রামগুলো খোলা জায়গায় পড়ে আছে। সেখানে গজিয়ে উঠেছে লতাগুল্ম, ঘাস, গাছপালা, ঝোপঝাড়।
কর্মচারীরা জানান, ভেতরে একটা স্টোর রুম আছে। সেখানে কিছু ড্রামে মশার ওষুধ রাখা আছে। সিটি করপোরেশন চাইলে সেখান থেকে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। পুরনো ড্রামগুলো তাদের কয়েকবার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তাতে সাড়া মেলেনি।
'নিস্কর্মা' এই মশক নিবারণী দপ্তরের অবস্থান রাজধানীর অরফানেজ রোড সংলগ্ন ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ঠিক বিপরীতে। গত সোমবার সরেজমিনে দপ্তরটিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটক বন্ধ। কিছু সময় ধরে ডাকাডাকির পর একজন নিরাপত্তাকর্মী এসে ফটক খোলেন। ভেতরে ঢুকেই চোখে পড়ে মশার ওষুধের শত শত খালি ড্রাম। বলা যায়, পুরো প্রাঙ্গণই খালি ড্রামে পূর্ণ। কারও কোনো কাজ নেই বলে অফিসে তাদের উপস্থিতিও কম।
নিরাপত্তাকর্মী নাম-পরিচয় না দিয়ে জানালেন, এখানে ২৮১ জন কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে সুপারভাইজার ৩৪ জন। বাকিরা একেবারেই নিম্ন শ্রেণির কর্মচারী। সিটি করপোরেশন ডাকলে তারা মশা মারায় সহযোগিতা করেন। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা আ ন ম ফয়জুল হক; একজন উপসচিব। কিন্তু মন্ত্রণালয়েই বেশিরভাগ সময় কাটান তিনি। খুব প্রয়োজন হলে এক-আধঘণ্টার জন্য দপ্তরে এসে ফের চলে যান। গত ২৬ জুলাই থেকে তিনি বিদেশে আছেন। কবে ফিরবেন, তা কেউ বলতে পারলেন না। অবশ্য নাম প্রকাশ না করে একজন জানালেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পুষ্টি সেবা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ সফরে গেছেন এই উপসচিব।
কয়েকজন কর্মী জানান, পরিচালক না থাকলে স্টোরকিপার গিয়াস উদ্দিনই সব নির্দেশনা দেন। কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) একটি মিটিং থাকায় তিনি সেখানে গেছেন। তার ফোন নম্বরও দিতে পারলেন না কেউ। অফিসের কেউই পরিচয় দিয়ে কথা বলতে আগ্রহ দেখালেন না।
কয়েকজন জানান, এক সময় ঢাকায় খুব ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ছিল। এ জন্য ১৯৪৮ সালে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। সে সময় ম্যালেরিয়া মোকাবেলায় পুরো ভূমিকাই রাখত এই দপ্তর। অনেকেই কাজ করতেন। মশা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৭২ সালে দপ্তরটির ৩৩৮ জনবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয় সরকার। ১৯৮১-৮২ সালে এ বিভাগকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়। পরে ঢাকা সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। এভাবে সংস্থাটি গুরুত্ব হারিয়ে ফেলতে শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, তাদের কাজ মশা নিধন করা। অথচ তাদের কোনো ক্ষমতাই নেই। পুরো দপ্তর এখন স্রেফ মশার ওষুধ রাখার গোডাউনে পরিণত হয়েছে। সিটি করপোরেশন কী পরিমাণ ওষুধ রাখল, কতটা নিয়ে গেল, তার হিসাব রাখা ও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী মশা মারার ওষুধ বিভিন্ন জোনে বিতরণ করাই এখন তাদের কাজ।
কয়েকজন কর্মচারী জানান, তাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বেতন দেওয়া হয়। এতে তারা সন্তুষ্ট নন। কারণ মাঝেমধ্যেই তাদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হয়। সিটি করপোরেশন তাদের কার্যক্রম মনিটর করলেও জোরালো কোনো নজর নেই। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও এ দপ্তরের ব্যাপারে উদাসীন। অনেকটা অভিভাবকহীনই বলা যায় এ দপ্তরকে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়ে সারি সারি খালি ড্রাম (ব্যারেল)। উঁচুতে টিলার মতো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কোনোটা মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে, কোনোটা ফেটে গেছে। কোনোটির ভেতরে-বাইরে পানিও জমে আছে। সব মিলিয়ে ড্রামগুলোয় মশার বংশবিস্তারের বেশ অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কর্মচারীরা বললেন, অনেক খালি ড্রাম জমার পর সিটি করপোরেশন নিলাম ডেকে ব্যারেলগুলো বিক্রি করে দেয়। গত চার বছর ধরে নিলাম না হওয়ায় ড্রামগুলো খোলা জায়গায় পড়ে আছে। সেখানে গজিয়ে উঠেছে লতাগুল্ম, ঘাস, গাছপালা, ঝোপঝাড়।
কর্মচারীরা জানান, ভেতরে একটা স্টোর রুম আছে। সেখানে কিছু ড্রামে মশার ওষুধ রাখা আছে। সিটি করপোরেশন চাইলে সেখান থেকে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। পুরনো ড্রামগুলো তাদের কয়েকবার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তাতে সাড়া মেলেনি।
কোরবানির পশুর সংকট হবে না: লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা by অমিতোষ পাল
![]() |
| জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট |
আসন্ন
পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য পশুর সংকট হবে না বলে মনে করছেন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, পাশের দেশগুলো থেকে পশু
আমদানি না হলেও হাটে গরু-ছাগলের অভাব হবে না। দামও হবে সহনীয়। কারণ দেশেই
কোরবানিযোগ্য প্রায় সোয়া কোটি পশু রয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে
সাম্প্রতিক বন্যার কারণেও হাটগুলোতে পশু আমদানি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে এবার পশুসংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে ধারণা করছেন হাটের
ইজারাদার, পশু ব্যবসায়ী ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। তারা মনে করছেন দামও খুব
একটা বেশি হবে না। এ কারণে খামারিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে লোকসানের শঙ্কা।
রাজধানীর সবচেয়ে বড় ও স্থায়ী গাবতলী পশুহাটের পরিচালনা কমিটির সদস্য সানোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, বন্যার কারণে অনেক দুর্গত এলাকার মানুষ তাদের পশু বিক্রি করে ফেলছে। ফড়িয়ারা সেসব পশু তুলনামূলক কম দামে কিনে রাখছেন। এমনকি বন্যাকবলিত এলাকার অনেকেই কোরবানির হাটের জন্য অপেক্ষায় আছেন। কোরবানির সপ্তাহখানেক আগেই এসব পশু হাটে আসা শুরু হবে।
এবার দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রায় সব জেলায় কমবেশি বন্যা হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেরও বেশ কয়েকটি জেলা প্লাবিত হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের পশু রাখার মতো সুব্যবস্থা নেই। তারা বাধ্য হয়ে পশুগুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন। এদিকে ভারত থেকেও অল্পস্বল্প পশু চোরাই পথে আসছে। দেশীয় পশুতে মাংসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পশু উৎপাদনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় গত কয়েক বছর পশু উৎপাদন বেড়েছে। ফলে ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, ভুটানসহ অন্যান্য দেশ থেকে পশু আমদানির তেমন প্রয়োজন হয়নি। গত কয়েক বছর বাংলাদেশ নিজেদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই কোরবানির চাহিদা মেটাচ্ছে। এমনকি বিদেশে মাংস রফতানিও শুরু করেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে পশু সংকটের কোনো পরিস্থিতিই এবার নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গত বছর কোরবানিতে পশু জবাই হয়েছিল এক কোটি ১৫ লাখ। এর মধ্যে ছাগল-ভেড়া ছিল ৭১ লাখ এবং গরু ছিল ৪৪ লাখ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে এবার দেশের খামারগুলোতে পশু রয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি। এর মধ্যে গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩ এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭২ লাখ। সরকারি আটটি খামারে উট-দুম্বাসহ কোরবানির পশু আছে আরও সাত হাজার। গত বছরের চেয়ে বেশিসংখ্যক পশু থাকায় এবার চোরাই পথে বাইরে থেকে কোনো পশু না এলেও কোরবানিতে পশু সংকট হবে না বলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত বছরের চেয়ে এ বছর গরুর উৎপাদন বেড়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার। আর ছাগল-ভেড়ার উৎপাদন বেড়েছে এক লাখ। গত এক বছরে পশু উৎপাদন বেড়েছে প্রায় তিন লাখ। সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে গরু ও ছাগল উৎপাদনে। দেশে সারা বছর মাংসের জোগান ও কোরবানির চাহিদা মেটানোর পর বিদেশেও রফতানি হচ্ছে গরু-ছাগলের মাংস। গবাদি পশু উৎপাদনে নীরব বিপ্লব ঘটেছে দেশে। অথচ পাঁচ বছর আগেও কোরবানির ঈদে বৈধ-অবৈধ পথে ভারত, নেপাল ও মিয়ানমার থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ গরু আমদানি করে দেশের চাহিদা পূরণ করতে হতো। সারা বছরের হিসাবে এই সংখ্যা দাঁড়াত ৪০ লাখ। ঈদুল আজহার আগে সবাই ভারতীয় গরু আসার সংবাদে মুখিয়ে থাকতেন।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, এবারের কোরবানিতে পশুর চাহিদা যতই হোক না কেন, তাতে পশু সংকট তৈরি হবে না। কেননা দেশের খামারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগের ফলে দেশে গবাদি পশুর উৎপাদন বেড়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠেছে বড় বড় খামার। এসব খামারির যাতে কোনো লোকসান না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে সরকারকে। এজন্য ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ রাখতে হবে। ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ হলে আগামীতে দেশে পশু উৎপাদন আরও বাড়বে, নইলে পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না।
অবশ্য গাবতলীর মাংস ব্যবসায়ী ও সাফায়েত মাংস বিতানের স্বত্বাধিকারী মো. সাফায়েত হোসেন বলেন, ভারতীয় গরুর দাম সস্তা। দেশি গরু, ছাগল, মহিষের দাম অনেক চড়া। ভারত থেকে কিছু গরু না এলে এবার কোরবানিতে গরুর দাম চড়াও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, এরই মধ্যে ভারত থেকে অনেক গরু এসেছে এবং চোরাই পথে আরও আসছে; এটা অব্যাহত থাকলে পর্যাপ্ত গরু উঠবে হাটগুলোতে। দামও থাকবে সহনীয়।
গাবতলী বেড়িবাঁধের খামারি ইশারফ বলেন, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা খাবার সংকটের কারণে তাদের গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ কারণেও কোরবানির পশুর দাম কিছুটা কম হতে পারে। এতে করে তার মতো সাধারণ খামারিরা লোকসানে পড়তে পারেন। কারণ পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে খামারিদের সব সময়ই লোকসানের ঝুঁকিতে থাকতে হয়।
পশুর বর্তমান দাম: গাবতলী পশুহাট ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ছোট আকৃতির গরু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মাঝারি ধরনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৮০ হাজার এবং বড় গরু বিক্রি হচ্ছে ৮৫ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। তবে দুই লাখ, তিন লাখ এবং সাড়ে তিন লাখ টাকা দামের কিছু গরুও আছে। অবশ্য এ রকম গরুর সংখ্যা গাবতলী হাটে একেবারেই হাতেগোনা। ছোট আকৃতির মহিষ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। মাঝারি আকৃতির মহিষ ৮৫ হাজার থেকে দেড় লাখ এবং বড় মহিষ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা। হাটে ছোট খাসি বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা। মাঝারি আকৃতির খাসি ১১ থেকে ২০ হাজার এবং বড় আকৃতির খাসি বিক্রি হচ্ছে ২১ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। গাবতলী হাটে কিছু উট-দুম্বাও দেখা গেছে। উটের দাম চাওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা। হাটে থাকা ১৫-২০টি দুম্বার প্রতিটির দাম চাওয়া হচ্ছে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।
রাজধানীর সবচেয়ে বড় ও স্থায়ী গাবতলী পশুহাটের পরিচালনা কমিটির সদস্য সানোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, বন্যার কারণে অনেক দুর্গত এলাকার মানুষ তাদের পশু বিক্রি করে ফেলছে। ফড়িয়ারা সেসব পশু তুলনামূলক কম দামে কিনে রাখছেন। এমনকি বন্যাকবলিত এলাকার অনেকেই কোরবানির হাটের জন্য অপেক্ষায় আছেন। কোরবানির সপ্তাহখানেক আগেই এসব পশু হাটে আসা শুরু হবে।
এবার দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রায় সব জেলায় কমবেশি বন্যা হয়েছে। এ ছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেরও বেশ কয়েকটি জেলা প্লাবিত হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের পশু রাখার মতো সুব্যবস্থা নেই। তারা বাধ্য হয়ে পশুগুলো বিক্রি করে দিচ্ছেন। এদিকে ভারত থেকেও অল্পস্বল্প পশু চোরাই পথে আসছে। দেশীয় পশুতে মাংসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পশু উৎপাদনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় গত কয়েক বছর পশু উৎপাদন বেড়েছে। ফলে ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, ভুটানসহ অন্যান্য দেশ থেকে পশু আমদানির তেমন প্রয়োজন হয়নি। গত কয়েক বছর বাংলাদেশ নিজেদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই কোরবানির চাহিদা মেটাচ্ছে। এমনকি বিদেশে মাংস রফতানিও শুরু করেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে পশু সংকটের কোনো পরিস্থিতিই এবার নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গত বছর কোরবানিতে পশু জবাই হয়েছিল এক কোটি ১৫ লাখ। এর মধ্যে ছাগল-ভেড়া ছিল ৭১ লাখ এবং গরু ছিল ৪৪ লাখ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে এবার দেশের খামারগুলোতে পশু রয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি। এর মধ্যে গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩ এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭২ লাখ। সরকারি আটটি খামারে উট-দুম্বাসহ কোরবানির পশু আছে আরও সাত হাজার। গত বছরের চেয়ে বেশিসংখ্যক পশু থাকায় এবার চোরাই পথে বাইরে থেকে কোনো পশু না এলেও কোরবানিতে পশু সংকট হবে না বলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত বছরের চেয়ে এ বছর গরুর উৎপাদন বেড়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার। আর ছাগল-ভেড়ার উৎপাদন বেড়েছে এক লাখ। গত এক বছরে পশু উৎপাদন বেড়েছে প্রায় তিন লাখ। সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে গরু ও ছাগল উৎপাদনে। দেশে সারা বছর মাংসের জোগান ও কোরবানির চাহিদা মেটানোর পর বিদেশেও রফতানি হচ্ছে গরু-ছাগলের মাংস। গবাদি পশু উৎপাদনে নীরব বিপ্লব ঘটেছে দেশে। অথচ পাঁচ বছর আগেও কোরবানির ঈদে বৈধ-অবৈধ পথে ভারত, নেপাল ও মিয়ানমার থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ গরু আমদানি করে দেশের চাহিদা পূরণ করতে হতো। সারা বছরের হিসাবে এই সংখ্যা দাঁড়াত ৪০ লাখ। ঈদুল আজহার আগে সবাই ভারতীয় গরু আসার সংবাদে মুখিয়ে থাকতেন।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, এবারের কোরবানিতে পশুর চাহিদা যতই হোক না কেন, তাতে পশু সংকট তৈরি হবে না। কেননা দেশের খামারগুলোতে পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগের ফলে দেশে গবাদি পশুর উৎপাদন বেড়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠেছে বড় বড় খামার। এসব খামারির যাতে কোনো লোকসান না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে সরকারকে। এজন্য ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ রাখতে হবে। ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ হলে আগামীতে দেশে পশু উৎপাদন আরও বাড়বে, নইলে পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না।
অবশ্য গাবতলীর মাংস ব্যবসায়ী ও সাফায়েত মাংস বিতানের স্বত্বাধিকারী মো. সাফায়েত হোসেন বলেন, ভারতীয় গরুর দাম সস্তা। দেশি গরু, ছাগল, মহিষের দাম অনেক চড়া। ভারত থেকে কিছু গরু না এলে এবার কোরবানিতে গরুর দাম চড়াও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, এরই মধ্যে ভারত থেকে অনেক গরু এসেছে এবং চোরাই পথে আরও আসছে; এটা অব্যাহত থাকলে পর্যাপ্ত গরু উঠবে হাটগুলোতে। দামও থাকবে সহনীয়।
গাবতলী বেড়িবাঁধের খামারি ইশারফ বলেন, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা খাবার সংকটের কারণে তাদের গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ কারণেও কোরবানির পশুর দাম কিছুটা কম হতে পারে। এতে করে তার মতো সাধারণ খামারিরা লোকসানে পড়তে পারেন। কারণ পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে খামারিদের সব সময়ই লোকসানের ঝুঁকিতে থাকতে হয়।
পশুর বর্তমান দাম: গাবতলী পশুহাট ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ছোট আকৃতির গরু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মাঝারি ধরনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৮০ হাজার এবং বড় গরু বিক্রি হচ্ছে ৮৫ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। তবে দুই লাখ, তিন লাখ এবং সাড়ে তিন লাখ টাকা দামের কিছু গরুও আছে। অবশ্য এ রকম গরুর সংখ্যা গাবতলী হাটে একেবারেই হাতেগোনা। ছোট আকৃতির মহিষ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। মাঝারি আকৃতির মহিষ ৮৫ হাজার থেকে দেড় লাখ এবং বড় মহিষ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা। হাটে ছোট খাসি বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা। মাঝারি আকৃতির খাসি ১১ থেকে ২০ হাজার এবং বড় আকৃতির খাসি বিক্রি হচ্ছে ২১ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। গাবতলী হাটে কিছু উট-দুম্বাও দেখা গেছে। উটের দাম চাওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা। হাটে থাকা ১৫-২০টি দুম্বার প্রতিটির দাম চাওয়া হচ্ছে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।
Monday, February 23, 2015
রাজধানীতে আকাশছোঁয়া অট্টালিকা অলিগলিতে by অমিতোষ পাল
একটি
বহুতল ভবনের নকশার অনুমোদন দেওয়ার জন্য যেসব নিয়ম অনুসরণের বিধান ইমারত
নির্মাণ বিধিমালায় রয়েছে, সেসব অমান্য করে একের পর এক বহুতল ভবনের নকশা
অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। যে স্থানে ছয়তলা
ভবনের অনুমোদন দেওয়া যায়, রাজউক সেখানে ১৮ তলা ভবনেরও অনুমোদন দিচ্ছে।
রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ভবন মালিককে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে
তারা ফুলে-ফেঁপে উঠছেন। যে কারণে রাজধানীতে অপরিকল্পিত নগরায়নে তৈরি হচ্ছে
তীব্র যানজট আর বাড়ছে নগরবাসীর ভোগান্তি। দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে
পড়ছে রাজধানী ঢাকা। রাজউকের এক কর্মকর্তা সমকালকে
বলেন, একটি ভবনের নকশার অনুমোদন দিতে হলে অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়।
রাস্তা প্রশস্ত কম হলে সেখানে বেশি তলার নকশার অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারে
বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সরু রাস্তার পাশে ১৫
থেকে ২০ তলা ভবনের নকশায় অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে রাজউক। অথচ ইমারত
বিধিমালা-১৯৯৬ অনুসারে ১৬ থেকে ১৮ তলা উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ওই
ভবনের সামনে কমপক্ষে ৬০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু
১৫-২০ ফুট প্রশস্ত রাস্তার পাশেও এ ধরনের বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন করেছে
রাজউক। এমনকি এসব ক্ষেত্রে ফার (ফ্লোর এরিয়া র্যাসিও) অনুযায়ী ভূমি
মালিকের যে পরিমাণ জায়গা ছাড়ার নিয়ম, সেটাও ভূমি মালিকরা ছাড়েননি। রাজউকের
অসাধু কর্মকর্তারা ভূমি মালিকদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এ সুযোগ করে
দিচ্ছেন। সেসব বহুতল ভবন তৈরির পর ওইসব এলাকায় তৈরি হচ্ছে নানাবিধ সামাজিক
সমস্যা।সমকালের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পুরানা পল্টন মৌজার এসএ ৯৪, ৯৫ ও ৯৬
দাগের ৬১ শতাংশ জমির ওপর রাজউক নয়তলা ভবনের অনুমোদন দিতে পারে। কিন্তু
সেখানে ১৮ তলা ভবনের অনুমোদন দিয়েছে। ভবনটির পাশে রাস্তার প্রশস্ততা মাত্র ৯
মিটার। রাস্তার জন্য ওই ভবন মালিককে কোনো জায়গাও ছাড়তে হয়নি। অতিরিক্ত নয়
তলা নির্মাণের সুযোগ দিয়ে ভূমি মালিককে ২৩ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার
আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে রাজউকের চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে তৈরি এক
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিমত, এ ক্ষেত্রে ইমারত বিধিমালা
অমান্য করার পাশাপাশি রাস্তায় সৃষ্ট যানজটের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি
হচ্ছে।২৯, সিদ্ধেশ্বরী রোডের সিএস ৭৭৩, ৭৯৭, ৮০৫, ৮০৬ ও ৯৭৪ নম্বর দাগের
মোট তিন বিঘা ১০ শতাংশ জমির পাশে মাত্র ৪ দশমিক ৮৬ মিটার প্রশস্ত রাস্তা
রয়েছে। রাস্তার প্রকৃতি অনুযায়ী ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে ওই
জমিতে ছয় তলা ভবনের নকশার অনুমোদন দিতে পারে রাজউক। কিন্তু সেখানে ১৬ তলা
ভবনের নকশা অনুমোদন করা হয়েছে। জমির মালিক মো. ইলিয়াসের দাখিল করা নকশাটি
২০০৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজউকের বোর্ড সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এ অনুমোদনের
ফলে ভূমি মালিক ৮৯ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সমপরিমাণ অর্থের সুবিধা
পেয়েছেন।
৯৮, বড় মগবাজার এলাকায় ৮ কাঠা জমির ওপর রাজউক ১৮ তলা ভবনের অনুমোদন দিয়েছে। রাস্তার প্রশস্ততা ২৫ ফুট। সেখানে ছয় তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিতে পারে রাজউক। কিন্তু দেওয়া হয়েছে একটি বেজমেন্টসহ ১৮ তলার বহুতল ভবনের অনুমোদন। এর পাশেই ৯৮/১, বড় মগবাজার এলাকায় প্রায় সাড়ে ৮ কাঠা জমিতেও দেওয়া হয়েছে ছয় তলার জায়গায় বেজমেন্টসহ ১৬ তলা ভবনের নকশার অনুমোদন। সরেজমিন দেখা গেছে, এ ভবনটি তৈরি করেছে ইস্টার্ন হাউজিং নামে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান। সেটার নাম দেওয়া হয়েছে ইস্টার্ন রমনা ভিউ। জমির মালিক ফ্ল্যাটগুলো বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। একই অবস্থা ৯৮, বড় মগবাজারের জমির ক্ষেত্রেও। সেটিও তৈরি করেছে ইস্টার্ন হাউজিং। সেটার নাম দেওয়া হয়েছে ইস্টার্ন রোকেয়া টাওয়ার। এ ভবনের ফ্ল্যাটগুলোও সাধারণের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
রাজউকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক, অথরাইজড অফিসার ও পরিচালকের (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ভূমিকা বেশি থাকে। তাদের সরেজমিন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের পারস্পরিক যোগসাজশে এমন অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। এভাবে ভবন মালিক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে ১৪৩ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার সমপরিমাণ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।রাজউকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, রাজউক যেসব নকশা অনুমোদন করে, সেগুলোর অনেকটার ক্ষেত্রেই এমন কাহিনী আছে। ২০০৬ সালে ইমারত নির্মাণ বিধিমালার বিভিন্ন ধারা সংশোধন করা হলেও এর তেমন বাস্তবায়ন হয়নি।
৯৮, বড় মগবাজার এলাকায় ৮ কাঠা জমির ওপর রাজউক ১৮ তলা ভবনের অনুমোদন দিয়েছে। রাস্তার প্রশস্ততা ২৫ ফুট। সেখানে ছয় তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিতে পারে রাজউক। কিন্তু দেওয়া হয়েছে একটি বেজমেন্টসহ ১৮ তলার বহুতল ভবনের অনুমোদন। এর পাশেই ৯৮/১, বড় মগবাজার এলাকায় প্রায় সাড়ে ৮ কাঠা জমিতেও দেওয়া হয়েছে ছয় তলার জায়গায় বেজমেন্টসহ ১৬ তলা ভবনের নকশার অনুমোদন। সরেজমিন দেখা গেছে, এ ভবনটি তৈরি করেছে ইস্টার্ন হাউজিং নামে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান। সেটার নাম দেওয়া হয়েছে ইস্টার্ন রমনা ভিউ। জমির মালিক ফ্ল্যাটগুলো বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। একই অবস্থা ৯৮, বড় মগবাজারের জমির ক্ষেত্রেও। সেটিও তৈরি করেছে ইস্টার্ন হাউজিং। সেটার নাম দেওয়া হয়েছে ইস্টার্ন রোকেয়া টাওয়ার। এ ভবনের ফ্ল্যাটগুলোও সাধারণের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
রাজউকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজউকের ইমারত পরিদর্শক, অথরাইজড অফিসার ও পরিচালকের (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ভূমিকা বেশি থাকে। তাদের সরেজমিন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের পারস্পরিক যোগসাজশে এমন অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। এভাবে ভবন মালিক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে ১৪৩ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার সমপরিমাণ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।রাজউকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, রাজউক যেসব নকশা অনুমোদন করে, সেগুলোর অনেকটার ক্ষেত্রেই এমন কাহিনী আছে। ২০০৬ সালে ইমারত নির্মাণ বিধিমালার বিভিন্ন ধারা সংশোধন করা হলেও এর তেমন বাস্তবায়ন হয়নি।
Saturday, February 14, 2015
নির্মাণ হচ্ছে আরেকটি টুইন 'রানা প্লাজা' by অমিতোষ পাল
এ
যেন টুইন রানা প্লাজা! দুটি ১৫ তলাবিশিষ্ট মার্কেটের মধ্যে একটির চতুর্থ ও
আরেকটির পঞ্চমতলা পর্যন্ত উঠে যাওয়ার পর ধরা পড়েছে ভবন দুটির নির্মাণকাজ
খুবই নিম্নমানের। এভাবে তৈরি হলে ভবিষ্যতে সাভারের রানা প্লাজার মতো আরেকটি
ভয়াবহ ভবনধস হতে পারে। নিম্নমান ধরা পড়ার পর ভবন দুটির নির্মাণকাজ বন্ধ
করে দেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। পরে নমুনা সংগ্রহ করে
পাঠানো হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট)। বুয়েটের রিপোর্টে উঠে
আসে নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও সামগ্রী ব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র। কলামে
কংক্রিট প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় ৭৯ শতাংশ পিএসআই কম। পিএসআই বলতে বোঝায়
কংক্রিটের শক্তির একক বা পাউন্ড পার স্কয়ার ইঞ্চি। যেখানে কলামে কংক্রিট
নূ্যনতম ৩ হাজার ৬২৫ পিএসআই থাকার কথা, সেখানে আছে মাত্র ৭৯০। এই মানের
কলামে কোনোভাবেই কোনো বহুতল ভবন টিকে থাকতে পারে না। ইতিমধ্যে তৈরি হওয়া
অংশটুকুও রাখা যাবে কি-না তা নিশ্চিত হতে ভবনের নিচের মাটি খুঁড়ে
ফাউন্ডেশনের পুরুত্ব পরীক্ষার সুপারিশ করেছে বুয়েট। এ ন্যক্কারজনক ও মানহীন
নির্মাণকাজ হয়েছে ডিএসসিসির ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের 'এ' ও 'বি' বহুতল
শপিং কমপ্লেক্সে। সাভারের রানা প্লাজা ভবন নির্মাণেও এরকম ত্রুটি ছিল। খুবই
নিম্নমানের নির্মাণকাজের কারণে ভবনটি ধসে মারা যান সহস্রাধিক মানুষ। এর
আগে সূত্রাপুরের দয়াগঞ্জে ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) পরিচ্ছন্ন
কর্মীদের বাসস্থানের জন্য নির্মিত ছয়তলা একটি ভবনে বসবাস শুরুর আগেই ২০০৭
সালের ২৫ মে তা ধসে পড়ে। নির্মাণকাজ ও নির্মাণসামগ্রীর মানহীনতাই ছিল ভবনটি
ধসে পড়ার প্রধান কারণ। কিন্তু ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা
নেয়নি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দয়াগঞ্জের চেয়ে আরও নিম্নমানের কাজ
হচ্ছিল ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের এ দুটি ভবন নির্মাণে।কয়েক বছর আগে
ডিএসসিসির ফুলবাড়িয়া নগর ভবনের দক্ষিণ পাশে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-০২
প্রকল্পের অধীনে দুটি ১৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে করপোরেশন। ভবন
দুটির প্রত্যেকটি তলার আয়তন ধরা হয় ৩৫ হাজার বর্গফুট। দোকান বানিয়ে
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে এবং উন্মুক্তভাবে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত
হয়। সে অনুযায়ী দুটি ভবনের বিপরীতে প্রায় দুই হাজার দোকান বরাদ্দও সম্পন্ন
হয়েছে। নিচতলা ও দোতলায় কিছু দোকানি ব্যবসাও চালু করেছেন। দেলোয়ার হোসেন
দেলু নামে এক ঠিকাদার ভবন দুটির নির্মাণকাজ করছিলেন। গত ২৮ জানুয়ারি
ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান কয়েকজন প্রকৌশলী নিয়ে
নির্মাণকাজ দেখতে যান। ঢালাই ও কলাম দেখে তার সন্দেহ হয়, এই সব কলাম
কোনোভাবেই ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের ভার বহনে সক্ষম হবে না। ২৯ জানুয়ারি
তিনি কোর কাটার দিয়ে দুই ভবনের সাতটি কলামের নমুনা সংগ্রহ করে বুয়েটে
পাঠান। গত ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি বুয়েট নমুনা ও ভবনের কলামগুলোর চাপ শক্তি
পরীক্ষা (কমপ্রেসিভ স্ট্রেন্থ টেস্ট) করে। এতে দেখা যায়, 'এ' নম্বর ভবনে
কলাম-১-এর কংক্রিটের পিএসআই ৮৩০, যেখানে থাকার কথা নূ্যনতম ৩ হাজার ৬২৫।
অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় ৭৭ দশমিক ১০ শতাংশ কম। একইভাবে কলাম-২-এর কংক্রিটে
আছে ১ হাজার ৩৪০ পিএসআই। কলাম-৩-এ ২ হাজার ২০০ পিএসআই। 'বি' নম্বর ভবনের
কলাম-১-এ আছে ১ হাজার ৪০ পিএসআই। কলাম-২-এ ৭৯০, কলাম-৩-এ ২ হাজার ১১০ ও
কলাম-৪-এ ৩ হাজার ৩৭০ পিএসআই। কোনো কলামের কংক্রিটেই প্রয়োজনীয় ৩ হাজার ৬২৫
পিএসআই নেই।বুয়েটের প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায়
কংক্রিটের কমপ্রেসিভ স্ট্রেন্থ অনেক কম এবং কংক্রিট অনেক নিম্নমানের। এসব
কলামের ওপর ভবন দুটি ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করলে রানা প্লাজার চেয়েও ভয়াবহ
দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
নিম্নমানের নির্মাণকাজ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবন দুটির কাজে আলাদা করে কোনো সুপারভিশন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারের তরফ থেকে কোনো দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নেই। ঢালাইয়ের সময় সিমেন্ট-বালু-পাথরকুচির অনুপাত ঠিক রাখা হয়নি। স্লাম্প টেস্ট করা হয়নি। কংক্রিটে বেশি পানি ঢেলে ঢালাই করা হয়েছে। শাটারিংয়ের ছিদ্র দিয়ে সিমেন্ট-পানি বের হয়ে যাওয়ায় হানিকম্ব তৈরি হয়েছে। ঢালাইয়ে সিলেট স্যান্ডস বা মোটা বালি ব্যবহার করা হয়নি। ঢালাইয়ের পর কলামগুলো চট দিয়ে ঢেকে পানি দেওয়া হয়নি। স্লাব সমান হলো কি-না তা লেভেল মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়নি। সাইটে কোনো সাইট অর্ডার বই নেই। ফাউন্ডেশন করার আগে সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) করা হয়নি। সুপারভিশনের জন্য ডিএসসিসির প্রয়োজনীয় জনবল ছিল না। নির্মাণকাজ চলাকালে ডিএসসিসির জনবল দিয়ে সার্বক্ষণিক যে তদারকি করার কথা ছিল, তা করা হয়নি।প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, মাটি খুঁড়ে কোর কাটার দিয়ে ভবন দুটির ফাউন্ডেশনের নমুনা সংগ্রহ করে এর মান পরীক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে ফাউন্ডেশনের পুরুত্ব যা আছে তা কত তলার ভার বহন করতে পারবে। ভবনগুলোর পাশের দুই-তিনটি পয়েন্টের মাটি পরীক্ষা করতে হবে। নিয়োগ দিতে হবে দক্ষ প্রকৌশলী। এসব পরীক্ষার পর রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবন দুটির রেট্রোফিটিং বা সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ডিএসসিসি সূত্র জানায়, ভবন দুটির নির্মাণের ক্ষেত্রেও নানা অনিয়ম রয়েছে। যে কারণে এই কাজের জন্য কোনো দরপত্র আহ্বান না করে দেলোয়ার হোসেন দেলুকে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। প্রকৌশল বিভাগের পরিবর্তে ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগ ও প্রশাসকের দপ্তর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলে এখন নিম্নমানের কাজের দায়িত্ব প্রকৌশল বিভাগ নিতে চাইছে না। তারা প্রকাশ্যে এ নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চাইছে না। তবে প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান সমকালকে বলেন, 'এটা নিয়ে এখনও কথা বলার সময় আসেনি। এর আগেও অনেক লোক এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা কেউ এখানে হাত দেননি। আমি ধরতে পারার পর অনেক চাপ আসছে। বেশি কথা বললে হয়তো দেখা যাবে আমার চাকরিই নেই।'
এ প্রসঙ্গে ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন দেলুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে জানা যায়, তিনি এখন দেশের বাইরে। সরেজমিন দেখা যায়, ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন জাকের মার্কেটের পশ্চিমে হানিফ ফ্লাইওভারের দক্ষিণ পাশঘেঁষে প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর পাশাপাশি ভবন দুটির অবস্থান। পূর্ব পাশে 'এ' নম্বর ভবন। পশ্চিমে 'বি' নম্বর ভবন। 'এ' নম্বর ভবনের চারতলা পর্যন্ত উঠেছে তার ওপরে আরও কয়েকটি কলামের কিছু অংশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। 'বি' নম্বর ভবনের পাঁচতলা পর্যন্ত ওঠার পরও একটি স্লাবের রড ও কলামের খাঁচা তৈরি করে রাখা হয়েছে। আর নিচতলায় মার্কেটের বিভিন্ন দোকান চালু হয়ে গেছে।
নিম্নমানের নির্মাণকাজ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবন দুটির কাজে আলাদা করে কোনো সুপারভিশন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারের তরফ থেকে কোনো দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নেই। ঢালাইয়ের সময় সিমেন্ট-বালু-পাথরকুচির অনুপাত ঠিক রাখা হয়নি। স্লাম্প টেস্ট করা হয়নি। কংক্রিটে বেশি পানি ঢেলে ঢালাই করা হয়েছে। শাটারিংয়ের ছিদ্র দিয়ে সিমেন্ট-পানি বের হয়ে যাওয়ায় হানিকম্ব তৈরি হয়েছে। ঢালাইয়ে সিলেট স্যান্ডস বা মোটা বালি ব্যবহার করা হয়নি। ঢালাইয়ের পর কলামগুলো চট দিয়ে ঢেকে পানি দেওয়া হয়নি। স্লাব সমান হলো কি-না তা লেভেল মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়নি। সাইটে কোনো সাইট অর্ডার বই নেই। ফাউন্ডেশন করার আগে সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) করা হয়নি। সুপারভিশনের জন্য ডিএসসিসির প্রয়োজনীয় জনবল ছিল না। নির্মাণকাজ চলাকালে ডিএসসিসির জনবল দিয়ে সার্বক্ষণিক যে তদারকি করার কথা ছিল, তা করা হয়নি।প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, মাটি খুঁড়ে কোর কাটার দিয়ে ভবন দুটির ফাউন্ডেশনের নমুনা সংগ্রহ করে এর মান পরীক্ষা করতে হবে। দেখতে হবে ফাউন্ডেশনের পুরুত্ব যা আছে তা কত তলার ভার বহন করতে পারবে। ভবনগুলোর পাশের দুই-তিনটি পয়েন্টের মাটি পরীক্ষা করতে হবে। নিয়োগ দিতে হবে দক্ষ প্রকৌশলী। এসব পরীক্ষার পর রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবন দুটির রেট্রোফিটিং বা সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ডিএসসিসি সূত্র জানায়, ভবন দুটির নির্মাণের ক্ষেত্রেও নানা অনিয়ম রয়েছে। যে কারণে এই কাজের জন্য কোনো দরপত্র আহ্বান না করে দেলোয়ার হোসেন দেলুকে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। প্রকৌশল বিভাগের পরিবর্তে ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগ ও প্রশাসকের দপ্তর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলে এখন নিম্নমানের কাজের দায়িত্ব প্রকৌশল বিভাগ নিতে চাইছে না। তারা প্রকাশ্যে এ নিয়ে কোনো মন্তব্যও করতে চাইছে না। তবে প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান সমকালকে বলেন, 'এটা নিয়ে এখনও কথা বলার সময় আসেনি। এর আগেও অনেক লোক এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা কেউ এখানে হাত দেননি। আমি ধরতে পারার পর অনেক চাপ আসছে। বেশি কথা বললে হয়তো দেখা যাবে আমার চাকরিই নেই।'
এ প্রসঙ্গে ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন দেলুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে জানা যায়, তিনি এখন দেশের বাইরে। সরেজমিন দেখা যায়, ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন জাকের মার্কেটের পশ্চিমে হানিফ ফ্লাইওভারের দক্ষিণ পাশঘেঁষে প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর পাশাপাশি ভবন দুটির অবস্থান। পূর্ব পাশে 'এ' নম্বর ভবন। পশ্চিমে 'বি' নম্বর ভবন। 'এ' নম্বর ভবনের চারতলা পর্যন্ত উঠেছে তার ওপরে আরও কয়েকটি কলামের কিছু অংশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। 'বি' নম্বর ভবনের পাঁচতলা পর্যন্ত ওঠার পরও একটি স্লাবের রড ও কলামের খাঁচা তৈরি করে রাখা হয়েছে। আর নিচতলায় মার্কেটের বিভিন্ন দোকান চালু হয়ে গেছে।
Sunday, July 7, 2013
আ. লীগের 'দ্বিতীয় দুর্গ'ও বিএনপির by অমিতোষ পাল ও শরীফ আহমেদ শামীম
বড় বড় নাটকীয়তা, সংঘাতের আশঙ্কা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশের
সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরের প্রথম নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র
পদপ্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান জয়লাভ করেছেন।
আ. লীগের 'দ্বিতীয় দুর্গ'ও বিএনপির by অমিতোষ পাল ও শরীফ আহমেদ শামীম
বড় বড় নাটকীয়তা, সংঘাতের আশঙ্কা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশের
সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরের প্রথম নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র
পদপ্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান জয়লাভ করেছেন।
আ. লীগের 'দ্বিতীয় দুর্গ'ও বিএনপির by অমিতোষ পাল ও শরীফ আহমেদ শামীম
বড় বড় নাটকীয়তা, সংঘাতের আশঙ্কা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশের
সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন গাজীপুরের প্রথম নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র
পদপ্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান জয়লাভ করেছেন।
Sunday, January 27, 2013
দুই এলাকার আলোর নিচে ১৩ এলাকার আঁধার by অমিতোষ পাল
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে সংসদীয় এলাকার সংখ্যা ১৫। এর মধ্যে ১৩টি এলাকার রাস্তাঘাটে মহাজোট সরকারের গত চার বছরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এসব এলাকার রাস্তাঘাটের চেহারা চার বছর আগে যেমন ছিল, এখন তার চেয়ে খারাপ।
Saturday, January 5, 2013
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে by অমিতোষ পাল
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পূরণের দিকে নজর দেয়নি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গত চার বছরে কুমিল্লা ও রংপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা ছাড়া আর তেমন কিছুই করা হয়নি।
Monday, December 31, 2012
৩০০ ফুটের জন্য জমি নিয়ে ৬৪ ফুট রাস্তা!-আরো ২০০ ফুট অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রাজউকের by অমিতোষ পাল
৩০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তার জন্য সাধারণ মানুষের স্বর্ণতুল্য জমি পানির দামে অধিগ্রহণ করে মাত্র ৬৪ ফুট প্রশস্ত রাস্তা বানাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
Saturday, December 8, 2012
সনদ দিচ্ছেন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা by অমিতোষ পাল
ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ ভাগের বাসিন্দাদের নাগরিকত্বসহ সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সনদ দিচ্ছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা। এত দিন কেবল কাউন্সিলর ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের এসব সনদ দেওয়ার এখতিয়ার ছিল।
Sunday, December 2, 2012
অনুসন্ধান-কার গাড়ি কে চড়ে-এলজিইডির ৩৮টি দামি গাড়ি প্রভাবশালীদের 'উপঢৌকন'! by অমিতোষ পাল
গত ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৪৪০৫ নম্বরের পাজেরো ভি সিক্স গাড়ি থেকে নেমে গোপালগঞ্জ পৌর ভবনে ঢুকতে দেখা যায় পৌর মেয়র রেজাউল হক শিকদার রাজুকে। জানা যায়, গাড়িটি মেয়রের নিজের নয়। আবার কোনো সরকারি গাড়িও বরাদ্দ পান না পৌর মেয়ররা।
Saturday, November 24, 2012
সরেজমিন-ঢাকা যেন ডাস্টবিন by অমিতোষ পাল
শাহবাগ মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রবেশপথে শাহবাগ থানার পাশেই মূল সড়কের ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। পাশের ডাস্টবিন থেকে ময়লা উপচে পড়েছে রাস্তায়। ফুটপাতের ওপর ছড়িয়ে থাকা আবর্জনার দুর্গন্ধে এই পথ দিয়ে চলাফেরা করা রীতিমতো 'শ্বাসরুদ্ধকর'।
Tuesday, September 18, 2012
হোল্ডিং ট্যাক্স বেড়েছে রাজধানীবাসী ক্ষুব্ধ by অমিতোষ পাল
কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা ছাড়াই ১০ শতাংশ হারে বাড়তি হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। আগের বছরের হিসাব অনুযায়ী টাকাপয়সা নিয়ে নগর ভবনে হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দিতে গিয়েই বিপদে পড়ছে নগরবাসী। এ নিয়ে ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নগরবাসীর ভুল বোঝাবুঝি থেকে
Sunday, September 2, 2012
ধানমণ্ডির ৩৪১ ভবন খাতায় আবাসিক, বাস্তবে বাণিজ্যিক by অমিতোষ পাল
রাজধানীর বনেদি আবাসিক এলাকার ১১ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়ি। ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর হিসেবে সুপরিচিত ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধুর বাড়ির পশ্চিমে কয়েকটি ভবনের পরেই বাড়িটির অবস্থান। বাড়িজুড়ে নানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড। নিচতলায় গলপিয়া বার্গার নামের একটি ফাস্টফুডের দোকান।
Monday, August 27, 2012
দোকান বরাদ্দে ডিএসসিসির মহাদুর্নীতি-প্রতি বর্গফুট ২০ টাকা! by অমিতোষ পাল
যে জায়গার প্রতি বর্গফুটের দাম চার হাজার ৫০০ টাকা, সেই জায়গা মাত্র ২০ টাকা বর্গফুট হিসাবে বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এভাবে সংস্থাটি এক লাখ ৩৬ হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে অন্তত ৬০ কোটি টাকা কমে।
Sunday, August 26, 2012
দোকান বরাদ্দে ডিএসসিসির মহাদুর্নীতি-প্রতি বর্গফুট ২০ টাকা! by অমিতোষ পাল
যে জায়গার প্রতি বর্গফুটের দাম চার হাজার ৫০০ টাকা, সেই জায়গা মাত্র ২০ টাকা বর্গফুট হিসাবে বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এভাবে সংস্থাটি এক লাখ ৩৬ হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে অন্তত ৬০ কোটি টাকা কমে।
Tuesday, August 7, 2012
চাকরির তিন বছরে এক বছরই বিদেশে-ঢাকা ওয়াসার এমডির ভ্রমণপ্রীতি by অমিতোষ পাল
চাকরিজীবনের দুই বছর ১০ মাসের মধ্যে এক বছরই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে কাটিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. তাকসিম এ খান। এই সময়ে দাপ্তরিক কাজে ১৩টি দেশে এক বা একাধিকবার সফর করলেও প্রতিটি সফরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্ত করে নিয়েছেন তিনি। কারণ তাঁর স্ত্রী-সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
Monday, August 6, 2012
তেজগাঁওয়ে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম-ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া খুঁজছে সরকার by অমিতোষ পাল
রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তা থেকে মহাখালী যাওয়ার পথে পূর্ব পাশের লাভ লেন ধরে শ দুয়েক গজ এগোলে রাস্তাটি বাঁয়ে মোড় নিয়েছে। সেই মোড় থেকে সামান্য এগিয়ে ডান দিকে একটি রাস্তা হাতিরঝিল সংযোগ সেতুর মাধ্যমে মধুবাগ হয়ে মগবাজার সড়কে মিলিত হওয়ার কথা ছিল। স্থাপত্য অধিদপ্তরে নকশায় সে রকমই উল্লেখ আছে।
Thursday, August 2, 2012
সীমাহীন চুরি!-ডিসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন by অমিতোষ পাল
প্রায় সোয়া ১২ কোটি টাকা ব্যয় করার পর ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) একটি প্রকল্পের আওতায় নির্মীয়মাণ ৯টি ভবনই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ডিসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসনের জন্য ৯টি বহুতল ভবন নির্মাণের এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1756)
-
▼
August
(303)
-
▼
Aug 27
(10)
- দৈনন্দিন খাবারে সিসার ঝুঁকি থেকে কীভাবে মুক্ত হবেন...
- ফিলিস্তিনে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে ইউএনআরডব্লিউএ
- ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ ...
- ইয়েমেনের আল-মাখা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- মার্কিন শক্তি প্রদর্শনের মিশনে ব্যর্থ রণতরী আব্রাহ...
- ফিলিস্তিনি শরণার্থী ইস্যু ‘মুছে ফেলতে’ চায় ইসরাইল ...
- ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া শান্তি আসবে না: জা...
- ভারতে হিজাব পরায় বাধা, ক্ষুব্ধ ওয়াইসি বললেন ‘এটি ই...
- ব্রিটেনে ইসলামি প্রজাতন্ত্র গড়ছেন না মুসলিমরা—এটি ...
- পুরুষের সমস্যা ভেরিকোসিল কেন হয়, চিকিৎসা কী? by অধ...
-
▼
Aug 27
(10)
-
▼
August
(303)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
মুসলিম
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
ইউরোপ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
স্বাস্থ্য
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
লেবানন
ঐতিহ্য
কুমিল্লা
জীবনযাপন
মুক্তমত
শিল্প
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
Exclusive
মেহেদী হাসান
কলকাতা
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
ইয়েমেন
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
জলবায়ু ও পরিবেশ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উচ্চশিক্ষা
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
জনস্বাস্থ্য
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কাতার
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
লিবিয়া
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
ইসলাম
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
জোহরান মামদানি
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জলবায়ু পরিবর্তন
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট


