Thursday, September 25, 2014
বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা ভারতের by ফাতিমা ফেরদৌসী আশা

ভারতীয় দৈনিক দা ইকোনমিক টাইমস বৃহস্পতিবার এ খবর দিয়েছে।
ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, একাজে মদত যোগাচ্ছে ‘চরমপন্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে যে জামায়াতে ইসলামী শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে, যা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে, ওবামা প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ হুমকি মোকাবিলার কৌশলের বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থনও চাওয়া হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালের অপরাধের অভিযোগ এবং পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন লস্কই-ই-তৈয়বাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্য জামায়াতের বিরুদ্ধে দমনাভিযান চালাচ্ছেন। গত বছর জামায়াতকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করেছে বিচার বিভাগ।
আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মোদি যখন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং অন্যান্য মার্কিন নেতাদের সাথে বৈঠক করবেন তখন তিনি হাসিনার ওপর ‘হুমকি’ এবং বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ওবামার সাথে বৈঠকে মোদি বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সাম্প্রতিক আল-কায়েদার হুমকির বিষয়টিও উত্থাপন করতে পারেন বলে দাবি করছে সূত্র।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওবামার সাথে বৈঠকের আগেই মোদি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ২৭ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন।
ওই বৈঠকে মোদি শেখ হাসিনার ওপর হুমকির বিষয়টি জানাবেন বলে জানিয়েছে ইকোনমিক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলীর সাথে বৈঠকে মোদি বলেন, ‘বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন শেখ মুজিব এবং বাংলাদেশকে রক্ষা করছে শেখ হাসিনা।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাসড়কে মহা ভোগান্তি by মনির হোসেন

ইতোমধ্যে সড়ক-মহাসড়কগুলোর বেহাল দশা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-আমলা ও সড়ক বিভাগের লোকজনের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। প্রতি ঈদের আগেই তারা এটি করে থাকেন। কারো কারো মতে এটি লোক দেখানো। তবে অপর পক্ষের বক্তব্য শত কোটি টাকা লুটের প্যাকেজ এটি। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এমনও সড়ক রয়েছে যেগুলোতে গত আট বছরেও মেরামতের ছোঁয়া লাগেনি। ফলে ভাঙাচোরা, খানাখন্দে ভরা সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতি নিয়ত ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। সম্প্রতি দুর্ঘটনায় পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত হওয়া ছাড়াও বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। দেশের অনেক বিভাগ ও জেলা সড়কের রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি, হরতাল পর্যন্ত করেছে ুব্ধ জনগণ। কিন্তু পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, ঘরমুখো লাখো মানুষের দুশ্চিন্তা ততই বাড়ছে। যানজটের কারণে এবারো মহা ভোগান্তি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, রাস্তা নিয়ে মন্ত্রীর হাঁকডাক এবারো শুরু হয়েছে। তিনি (ওবায়দুল কাদের) ঈদের আগেই দেশের ভাঙাচোরা সব রাস্তা মেরামত করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের। কিন্তু প্রকৌশলীরা বলছেন, ‘ওই পর্যন্তই’। মন্ত্রী টাকা না দিয়েই ঠিকাদারদের কাজ করতে বলছেন। প্রকৌশলীরা চাকরি বাঁচাতে ঠিকাদারদের হাত-পা ধরে টুকটাক কাজ করাচ্ছেন। কিন্তু এখন ঠিকাদাররাও বকেয়া বিল পরিশোধ না করা পর্যন্ত আর কাজ করতে চাচ্ছেন না। প্রকৌশলীরা নাম প্রকাশ না করে বলেন, মূলত মন্ত্রীকে দেখানোর জন্যই এই মুহূর্তে দেশের অধিকাংশ এলাকায় দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলীরা রাস্তায় তৎপরতা দেখাচ্ছেন। বাস্তবে আগামী নভেম্বরের আগে সড়কের বেহাল দশা কাটিয়ে ওঠার কোনো সম্ভাবনা নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের সাতটি বিভাগ ও জেলা সড়কগুলোর বেশির ভাগ রাস্তাঘাট ভেঙে, বড় বড় গর্ত হয়ে মারণফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে জোড়াতালি দিয়ে সড়কগুলো সংস্কার করা হয়। নি¤œমানের কাজ ও সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে বেশির ভাগ রাস্তার পিচ-সুরকি উঠে গেছে। ফলে অনেক রাস্তায় যানচলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গতকাল সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সারা দেশের সড়কের বেহাল দশার পুরো চিত্র না জানিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে সিলেট ও ময়মনসিংহের রাস্তাঘাটগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। আর যেভাবে প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে তাতে আসন্ন ঈদের আগে সড়ক-মহাসড়কের অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকবে। সাধারণ মানুষকে এই দুর্ভোগ থেকে কিভাবে উত্তরণ করা যায় সে নিয়েই মন্ত্রীর সাথে আমরা দিনরাত বৈঠক করছি আর রাস্তায় সময় পার করছি। বলতে পারেন মন্ত্রী ও আমাদের এখন ঘুম নেই। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঠিকাদারদের সাথে আমার বসে তো কোনো লাভ হবে না। কারণ সড়ক সংস্কারে এই মুহূর্তে ফান্ড নেই। মন্ত্রণালয় যদি আমাদের অর্থ বরাদ্দ দেয় তাহলেই আমরা ভাঙাচোরা রাস্তা দ্রুত মেরামত করতে পারব।
সরেজমিন জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অধিকাংশ স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কুমিল্লা বিশ্বরোড থেকে চৌদ্দগ্রাম-ফেনী পর্যন্ত রাস্তা দেবে মাঝেমধ্যে আইল্যান্ডের মতো হয়ে গেছে। এতে এই সড়ক দিয়ে চলাচল দুরূহ হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা বিরাজ করছে রাজশাহী, যশোর, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের অধিকাংশ সড়কে।
আমাদের যশোর অফিস থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক শাহাদত হোসেন কাবিল জানান, প্রধানত যশোর-খুলনা রোডের ৩৩ কিলোমিটার রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে। এই কাজ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১১বার পরিদর্শন করেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছ্ইু হয়নি। মন্ত্রী গত ২২ ফেব্রুয়ারি পরিদর্শনে এসে ঠিকাদারদের বলে গেছেন ৭০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। সর্বশেষ আবার ২৩ জুলাই মন্ত্রী এসে সড়কের অবস্থা দেখেন। রাস্তাগুলোতে ভাঙাচোরা ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এই মহাসড়ক দিয়ে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এবারো কোনো কাজ হয়নি। পরে মন্ত্রী ুব্ধ হয়ে খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। দায়িত্ব দেয়া হয় সাতক্ষীরা ও কুষ্টিয়া জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীকে। মন্ত্রী এবার তাদের বলেন, তিন দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। অদ্যাবধি এসব সড়কের অগ্রগতি হয়নি। আমাদের প্রতিবেদক জানান, যশোর-নোয়াপাড়া শহর থেকে রাজঘাট শেষ সীমানা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে যানবাহন কোনোরকমে চলাচল করছে। এ ছাড়া যশোর থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত ২২ কিমি রাস্তার কাজ এখনো শেষ হয়নি। যেসব জায়গায় গর্ত ছিল সেগুলো ইট বসিয়ে জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। তা-ও উঠে যাচ্ছে।
আমাদের খুলনা অফিস থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক এরশাদ আলী জানান, ১৮ মাইল পর্যন্ত ভালো। কিন্তু সেখান থেকে পাইকগাছা পর্যন্ত রাস্তা খুব খারাপ। এখানে কপোতাক্ষ নদের পানি উঠে পুরো রাস্তা বিলীন হয়ে গেছে। ১০ কিমি রাস্তা ভাঙাচোরা। গত ঈদের মতো এবারো এই সড়ক ব্যবহারকারী যাত্রীদের ভোগান্তি হবে। এ ছাড়া খুলনা মহাসড়কের রূপদিয়ায় বড় বড় গর্ত হয়ে রাস্তা কাঁচা হয়ে গেছে। এখানকার দায়িত্বশীলরা জানান, প্রয়োজনীয় তহবিল পাওয়া যাচ্ছে না, যে কারণে সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে না।
মিরেরসরাই প্রতিনিধি এম মাঈন উদ্দিন জানান, গত ঈদে যে সড়ক মেরামত করা হয়েছিল সেগুলো বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে। হালকা কংক্রিট আর ব্রিকফিল্ডের ভাঙা ইট-সুরকি দিয়ে মেরামত করায় সড়কগুলো স্থায়ী হয়নি। বৃষ্টি হলে দুর্ভোগ বাড়ে। সীতাকুণ্ড ধুমঘাট থেকে চট্টগ্রামের সিটি গেট পর্যন্ত ৬৫ কিমি বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দক হয়ে গেছে। এ সড়কের কাজগুলো যারা করছেন তারা ঠিকমতো সংস্কার না করায় এবারো ঈদে মানুষের মহা ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
রাজধাহী ব্যুরো প্রধান নাজিব ওয়াদুদ জানান, এই মুহূর্তে এখানকার রাস্তাঘাটের ফিজিক্যাল কন্ডিশন ভালো। ভাঙাচোরা নেই। তবে পথে পথে চাঁদাবাজি হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সড়ক মোটামুটি ভালো। তবে দু-একটা জায়গায় সমস্যা রয়েছে। কাটাখালী বাজারের ৫০-৬০ গজ ও বানেশ্বর বাজারের ১০০ গজ রাস্তা খুবই ভাঙা।
সিলেট ব্যুরো চিফ এনামুল হক জুবের জানান, সিলেট, জাফলংসহ অন্যান্য সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল। গোয়াইনঘাট এবং জৈন্তাপুর উপজেলার দুু’টি সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পিচ উঠে বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। এসব সড়ক ব্যবহারকারী যানবাহন ও পর্যটকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক মেরামত ও উন্নয়নের কাজ না হওয়ায় এখানকার মানুষ মানববন্ধন করেছে। জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে। তাতেও সাড়া মেলেনি। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়কটি দীর্ঘ দিনেও সংস্কার হয়নি। বিশেষ করে সালটিকর থেকে ভোলাগঞ্জ অংশে যানবাহন চলাচল বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এই সড়কটি সংস্কারের দাবিতে পরিবহন মালিকরা ধর্মঘট ও হরতাল করেছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। সিলেট-গোয়াইনঘাট সড়কটি বন্ধ হওয়ায় বিকল্প রাস্তা শারিঘাট হয়ে লোকজন সিলেট আসছে। এ ছাড়া সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কেরও বেহাল দশা। ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সরকারের আমলে সংস্কার নেই বললেই চলে। নতুন রাস্তা নির্মাণ হয়নি। পুরনো যেগুলো ছিল সেগুলো ভেঙে গর্ত হয়ে একাকার হয়ে গেছে। সিলেট বিভাগের লোকজন ুব্ধ বর্তমান সরকারের ওপর। যোগাযোগ উন্নয়নে তারা ব্যর্থ।
রংপুর ব্যুরো প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নান জানান, রংপুর থেকে গাইবান্ধা ধাতেরহাট পর্যন্ত রাস্তা ভালো ছিল। সেটি আরো ভালো করতে গিয়ে উঁচু-নিচু হয়ে গেছে। পিচ উঠে গেছে। মিঠাপুকুর এলাকায় উঁচু-নিচু গর্তে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী নিহত হন ক’দিন আগে। তিনি বলেন, শেরপুরের পর বগুড়া মাঝিরা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বনবনা মোড় পর্যন্ত পিচ উঠে গেছে। এই রাস্তা ঠিক করা হয়নি। ঈদে ঘরমুখোদের চরম ভোগান্তি হবে। রংপুর থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত সড়কের সৈয়দপুরের পর দিনাজপুরের দশ মাইল এলাকার রাস্তা খারাপ। এ ছাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক রংপুর হয়ে কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
ফেনী জেলা নিজস্ব প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ভোর ৫টায় যে গাড়ি ফেনীর উদ্দেশে ছেড়েছে সেটি স্বাভাবিকভাবে ৯টায় পৌঁছার কথা। কিন্তু ওই গাড়ি পৌঁছেছে বেলা ১টায়। ব্যাপক যানজটের কারণে এমনটি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ফেনীর রাস্তাঘাটের অবস্থা তুলনামূলক অন্যান্য জেলা থেকে ভালো। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঈদের সময় সার্কিট হাউজে থাকেন। তাই এখানকার প্রকৌশলীরা টুকটাক কাজ থাকলেই সেটি মেরামত করে ফেলছেন। তবে যেসব রাস্তার কাজ হচ্ছে সেগুলো নি¤œমানের। তিনি বলেন, এরপরও ফেনীর বাইপাস অংশ জগন্নাথদীঘিরপাড় থেকে মহুরীগঞ্জ এই এলাকার সড়কে গর্ত রয়েছে।
বরিশাল ব্যুরো থেকে খালিদ সাইফুল্লাহ জানান, বরিশাল মহানগরীর ব্যস্ততম সড়ক পোর্ট রোড। সেখানে রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা থাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটার পাশাপাশি পথচারীদের দুর্ভোগ হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি জমে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে এই সড়কের সংস্কার হয় না। কিছু অংশ সংস্কার করা হলেও এখনো ৫০০ গজ রাস্তার কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
গতকাল ফেনী থেকে ঢাকায় আসা ভুক্তভোগী যাত্রীরা এ প্রতিবেদককে বলেন, কুমিল্লা থেকে ফেনী পর্যন্ত সড়কের অবস্থা এমন হয়েছে যে, ভেঙেচুরে সড়কগুলো চিকন হয়ে গেছে। গর্তের কারণে যেকোনো সময় পড়ে যেতে পারে এমন আতঙ্ক নিয়ে চালকেরা গাড়ি চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে স্টার লাইন সার্ভিসে উঠে বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেন। সাড়ে ৩ ঘণ্টা রাস্তা পার হতে এখন লাগছে ৭ ঘণ্টা।
সড়কের বেহাল দশার কারণ জানতে চাইলে গতকাল সড়ক ও জনপথ ঠিকাদার সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদুল হক নয়া দিগন্তকে বলেন, এবারের আসন্ন ঈদে ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষের যানবাহনে ভোগান্তি বাড়বে। ঢাকা সার্কেলের প্রত্যেকটি রাস্তায় বড় বড় গর্ত রয়েছে। এসব রাস্তা টুকটাক মেরামত হয়। রাস্তা মেরামত করতে যে পরিমাণ টাকা দরকার সেই পরিমাণ টাকা দেয়া হচ্ছে না। যার কারণে গাড়ি চলাচলে অচল হয়ে পড়ছে। যেমন ঢাকা ডিভিশনে ছয়টি বিভাগ রয়েছে। এরমধ্যে মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ অন্যান্য জায়গায় পানি জমে রাস্তা ধসে যাচ্ছে। মানিকগঞ্জের বেশ কিছু রাস্তা ধসে গেছে। এসব জেলার প্রকৌশলীদের যে পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তা গত ঈদেই শেষ হয়ে গেছে। আগের বকেয়া ১০০ কোটি টাকাই নির্বাহী প্রকৌশলীরা পরিশোধ করছেন না। নতুন কাজ করে কবে টাকা পাবো তার তো কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছি না। তা ছাড়া ইমার্জেন্সি সময়ে কোন পদ্ধতিতে কাজ করব। এসব ব্যাপারে মন্ত্রীর সাথে আমরা দেখা করতে ধরনা দিচ্ছি। কিন্তু তিনি আমাদের সময় দিচ্ছেন না। মন্ত্রী লোকজনের মাধ্যমে বলছেন টাকার ব্যাপারে প্রধান প্রকৌশলীর সাথে বসার জন্য। কিন্তু প্রধান প্রকৌশলীর সাথে বসলে এর সমাধান হচ্ছে না। তিনি বলেন, আমাদের বকেয়া টাকা উঠাতে হলে আন্দোলন করতে হবে, এ ছাড়া সম্ভব নয়।
এ দিকে গতকাল মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গাবতলী ব্রিজসংলগ্ন ইউ-লুপ সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, আসন্ন দুর্গাপূজা ও ঈদ উপলক্ষে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ও ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও মহাসড়কের সংস্কার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এবারো ঘরমুখো যাত্রীরা স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লজ্জিত নন ওলগা লিউলচ্যাক

প্রসঙ্গত, সাবেক বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যামিপয়ন ভিটালি ক্লিসচকোর দলের প্রার্থী লিউলচ্যাক। কাকতালীয়ভাবে, ভিটালির ভাইয়ের বাগদত্তা মার্কিন অভিনেত্রী হেইডেন পয়ানেত্তিয়ারের বিবস্ত্র ছবিও ফাঁস হয়েছিল কয়েকদিন আগে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক- দুর্ভোগ চরমে by ইকবাল আহমদ সরকার

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর অংশ ঘুরে দেখা গেছে, গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে মাওনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার জুড়ে পুরানো সড়কে বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ওই মহাসড়কের তেলিপাড়া, সালনা, পোড়াবাড়ি, ন্যাশনাল পার্ক, মাস্টারবাড়ি, বাঘের বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দ। এছাড়া মহাসড়কের অনেক স্থানেই দুইপাশেই জমে আছে পানি। এসব কারণে লেগেই থাকছে দীর্ঘ যানজট। গত রোজার ঈদের আগে জোড়াতালি দিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের যেসব স্থানের গর্ত, খানাখন্দ বালি আর খোয়া দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছিল, সেসব স্থানের আবরণ গত ক’দিনের বৃষ্টিতে উঠে গিয়ে পুরনো চেহারা ভেসে ওঠেছে। চার লেনের নির্মাণ কাজ চলতে থাকায়ও টানা বৃষ্টিতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাদা-পানি জমে বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লেগে যাচ্ছে কয়েক ঘণ্টা। বৃষ্টিতে মহাসড়কের অনেক অংশেই যানবাহন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যানজটে আটকে থাকে কয়েক হাজার যাত্রীসহ বাস। অবশ্য যান চলাচলের উপযোগী করার জন্য সেনাবাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃষ্টি আর যানবাহনের চাপের কারণে স্বাভাবিক গতিতে মেরামত কাজ অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে মাওনা চৌরাস্তা পর্যন্ত চার লেনের কাজ করছে সেনাবাহিনী। তারা সড়কের পুরাতন কার্পেটিং তুলে সেখানে নতুন করে কাজ করছে। সড়কের এক পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা রেখে অন্য লেনে নির্মাণ কাজ চলছে। পোড়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, হরতাল উপেক্ষা করে অনেকেই ফাঁকা সড়কে তাড়াতাড়ি গন্তব্যে যাবার আশায় গাড়ি নিয়ে বের হয়েছে। কিন্তু সড়কের নাজুক অবস্থায় কারনে গন্তব্যে যেতে সময় লেগে যাচ্ছে। লেগুনা সার্ভিসের চালক হামিদ জানান, গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তার পথ এক ঘন্টার। গাজীপুরের ভাওরাইদ এলাকা থেকে ওই মহাসড়কে নিয়মিত আসা যাওয়া করে অফিস করেন শ্রীপুর উপজেলার গড়গড়িয়া মাষ্টারবাড়ি এলাকার এসএম নিটওয়্যার কারখানার ডিজিএম আলী হোসেন। তিনি জানান, সড়কে বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন অফিসে আসা যাওয়ার পথে ভোগান্তি থাকলেও গত ক’দিন ধরে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। সময় লাগছে ৩ ঘণ্টা। ওই মহাসড়কে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার থেকে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত গত ক’দিন ধরে লেগে থাকছে যানজট। পরিবহন শ্রমিকরা জানিয়েছে, মহাসড়কে মাওনা চৌরাস্তায় নির্মাণ হচ্ছে উড়াল সড়ক। আর উড়াল সড়কের দুই পাশের সরু ভাঙাচুরা সড়ক দিয়ে চলতে হচ্ছে দূরপাল্লার যানবাহন। এ কারণে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে যাচ্ছে।
গাজীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিবুল হক জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কটির জয়দেবপুরের অংশ ২০১২ সালে ফোর লেন প্রকল্পের জন্য সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই এ মহাসড়কের খানাখন্দ হলে বা অন্য কোন সমস্যার দায় গাজীপুর সড়ক বিভাগের নয়। গাজীপুরের নাওজোড় হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল পাশা জানান, বৃষ্টির কারণে গর্তে পানি জমে যাওয়ায় এবং সৃষ্ট খানাখন্দে গাড়ি আটকে গিয়ে গাড়ি চলছে ধীরগতিতে। তবে যানবাহন একেবারে থেমে থাকেনি। চাকা ঘুরেছে। এদিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ৮৮ কিলোমিটার সড়ক তিনটি প্যাকেজের মাধ্যমে ১৮শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে মাওনার নয়নপুর পর্যন্ত অংশের ৩৫ কিলোমিটার সড়কের প্রথম অংশের কাজ করছে সেনাবাহিনী। চার লেনের প্রথম প্যাকেজের কাজের ৫০ ভাগেরও বেশি কাজ শেষ হয়ে এসেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওমানের হাসপাতালে ‘বন্দি’ নুরুল

ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা টাইমস অব ওমানকে বলেছেন, ‘‘ওই সড়ক দুর্ঘটনায় তার দেহের অনেক হাড় ভেঙে যায়। তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। তবে কয়েক দিন পরে তার অবস্থার উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু তিনি সেরে উঠেছেন তা আমরা এখনও বলতে পারছি না।”
ওই কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, ‘২৭ বছর বয়সী নুরুল ইতিমধ্যে এতটা স্থিতিশীল হয়েছেন যে, এখন তার পক্ষে বিমানে চড়ে দেশে ফেরা সম্ভব। সেখানে তার ফলোআপ চিকিৎসা চলবে। ফিজিওথেরাপিস্টের সহায়তায় তার পক্ষে পুরোপুরি সেরে ওঠা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট এবং তার প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত কিছু আইনগত বিষয় তার দেশে ফেরাকে অনিশ্চিত করে রেখেছে।’
ওই কর্মকর্তা বলেন, দুই বছর আগে নুরুল তার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় পলায়নের একটি মামলা রয়েছে। বর্তমানে তার কাছে কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। ওমানের বাংলাদেশ মিশন এবং ঢাকায় জনশক্তি ব্যুরো দপ্তরে তার ওমানে কর্মসংস্থান বিষয়ে তথ্য রয়েছে। তবে তার পালিয়ে যাওয়ার পরের তথ্য তাদের কাছে নেই। এখন তিনি বৈধ কাগজপত্রবিহীন একজন বাংলাদেশী শ্রমিক। তবে এই সমস্যা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারবো। তবে হাসপাতালের বিল পরিশোধ না করতে পারাই এখন বড় বাধা।
পত্রিকাটি জানায়, বাংলাদেশ দূতাবাস দুর্ঘটনার জন্য দায়ী গাড়িটিকে শনাক্ত করতে পেরেছে। ‘নুরুল হয়তো ক্ষতিপূরণ পাবেন কিন্তু সেটা পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। তাকে হাসপাতালে ফেলে রাখাটা ভাল দেখাচ্ছে না,’ দূতাবাস কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।
এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নুরুলকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করার পর থেকে দূতাবাস বিব্রত।
ওই কর্মকর্তাটি বলেন, ‘নতুন রোগী ভর্তি করানোর চাপ মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বদা হিমশিম খেতে হয়। নুরুলের জীবন বাঁচাতে তারা সবচেয়ে ভাল সেবা দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো তাকে সেখান থেকে সরিয়ে আনা।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরু আমদানি কম by আসলাম-উদ-দৌলা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্নপুরুষের অপেক্ষায় নিশি -ডেইলি মেইল-এর প্রতিবেদন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল নিয়ে নানা নাটক by দীন ইসলাম

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কামার সমপ্রদায়ের ব্যস্ত সময় এখন by নজরুল ইসলাম

তারা বলেন, বেড়েছে লোহার দাম। লোহা ও কয়লার দাম বেড়ে চললেও সেই তুলনায় চাপাতি, ছুরি, দাঁ-বটি সহ কামার শিল্পের পণ্যের দাম বাড়েনি। ফলে কামার সমপ্রদায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে পৈতৃক পেশা পরিবর্তন করছে। কোটচাঁদপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার সাবদারপুর, এলাঙ্গী, বলুহর, কুশনা ও দোড়া ইউনিয়নে প্রায় দুই শতাধিক কামার পরিবারের বসবাস। আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে তাদের পেশায় এসেছে ব্যস্ততা। তাদের হাঁপর হাঁতুড়ি পেটার টুং-টাং শব্দে মুখর কামারশালাগুলো। কামার সমপ্রদায়ের কারিগরদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। অথচ তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। পৌর এলাকার সরকারি কলেজ রোডের স্বপন কর্মকার জানান, তার স্বর্গীয় পিতা জিতেন কর্মকারের হাত ধরেই তার এ পেশায় আসা। তবে তার দুই সন্তান এ পেশায় আসুক তা তিনি চান না। এ পেশার প্রতি তার এ অবজ্ঞা থেকে ছেলে দুটিকে তিনি লেখাপড়া করাচ্ছেন। ফুলবাড়ি গ্রামের সন্তোষ কর্মকার জানান, কামার শিল্পের অতি প্রয়োজনীয় কয়লা, লোহা ও ফাইলের দাম দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। অথচ তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম আগের মতোই রয়ে গেছে। এতে তারা আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে এ শিল্পকে টেকসই করে গড়ে তোলা সম্ভব বলে তারা মনে করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গঠনমূলক সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান বান কি-মুনের

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্তানের বেডরুমে মহাকাশযান!

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা-ওবামা শুভেচ্ছা বিনিময়

কার্বন হ্রাসের অঙ্গীকার জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: ওদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষায় স্বেচ্ছায় কার্বন হ্রাসের অঙ্গীকার জোরদার করার জন্য বৃহৎ কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কার্বন হ্রাস এবং জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলায় সামর্থ্য অর্জনের মহাসড়ক ধরে বাংলাদেশ অগ্রসর হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তিনি। কার্বন নির্গমনকারী বৃহৎ দেশগুলোর অনুরূপ প্রচেষ্টা চালানো উচিত বলেও মনে করেন তিনি। আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ কখনও উন্নয়নশীল বিশ্বের গড় মাথাপিছু নির্গমনের সীমা অতিক্রম করবে না বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলন-২০১৪ এর অধিবেশনে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন অ্যান্ড এম্বিশন অ্যানাউন্সমেন্ট’ শীর্ষক অধিবেশনে দেয়া বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অভিযোজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট অবনতিশীল পরিস্থিতির দিকে আমাদের ঠেলে দেয়া উচিত নয়। আমাদের মতো দেশগুলোর জন্য উন্নত দেশগুলোকে অবশ্যই জোরালো অঙ্গীকার ও প্রচেষ্টা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্যও ‘অভিযোজন’ এবং ‘ক্ষয়ক্ষতি’ ইস্যু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোজন ও প্রশমনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সক্ষমতা উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘ইন্টেন্ডেড ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনের (আইএনডিসি) ব্যাপারে প্রতিটি দেশকে পরিষ্কার ঘোষণা দিতে হবে এবং এই ঘোষণা প্রমাণযোগ্যভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে- এমন তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আইএনডিসি’র ব্যাপারে বাংলাদেশ সম্ভাব্য সব কাজ করে যাচ্ছে। তবে তা বাস্তবায়নে নতুন ও অতিরিক্ত সম্পদের প্রয়োজন হবে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজি) সভাপতি সাম কুটিয়ার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বলিভিয়া, ব্রাজিল, তুরস্ক, কোস্টারিকা, ভেনেজুয়েলা, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও উগান্ডার প্রেসিডেন্ট বক্তব্য রাখেন। শেখ হাসিনা বলেন, অভিযোজন পরিকল্পনা ও এর বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা জরুরি। প্রশমনের ক্ষেত্রে বেসরকারি আর্থিক সহায়তা শুধু সম্পূরক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সামপ্রতিক বছরগুলোতে সবুজ অর্থনীতির জন্য বাংলাদেশের অবিরাম প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩.২ মিলিয়ন সোলার হোম সিস্টেম (এসএইচএস) এবং ১.৫ মিলিয়ন ইমপ্রুভড কুক স্টোভ (আইসিএস) রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১০ বছর মেয়াদি একটি ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান’ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দুর্যোগ সহনীয় বিভিন্ন ধরনের শস্য উদ্ভাবন করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অসহায় ও স্বল্পোন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ পর্যন্ত অভিযোজন ও প্রশমনের জন্য নিজস্ব সম্পদ থেকে ৩৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। তিনি বলেন, অব্যাহত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের দেশে লাখ লাখ মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ত পানির প্রবেশ আমাদের উপকূলীয় এলাকাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের গম ও ধান (বোরো) উৎপাদন হুমকির সম্মুখীন। বহু মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারণ পদ্ধতি পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে জিডিপি ২ থেকে ৩ শতাংশ কম হচ্ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন-২০১৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইপিসিসি চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র কে. পাচাউরি এবং সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর- সার্কিট হাউস ব্যবহারের অনুমতি মেলে ৪ দিন পর by জাবেদ রহিম বিজন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন লোধা এবং ক্রসফায়ার by সাজেদুল হক
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে রুলের নিষ্পত্তি নেই: পুলিশি হেফাজতে কথিত সন্ত্রাসী টুন্ডা ইসমাইলের নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০০৬ সালের ২৫শে মে রিট করা হয় হাইকোর্টে। সে সময় হাইকোর্ট রুলও জারি করেছিল। আট বছরের বেশি সময় পার হয়েছে। এখনও এ রুলের শুনানি শুরু হয়নি। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে এমন আরও তিনটি রুল শুনানি ছাড়াই পড়ে আছে। এর মধ্যে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছিল স্বপ্রণোদিত হয়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ২০০৬ সালের আগস্টে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিল মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি মামনুন রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারি করেছিল। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জীবনের নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত করা হবে না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরেকটি রিট আবেদন করা হয় ২০০৯ সালের ২৯শে জুন। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও কর্মজীবী নারী যৌথভাবে রিট আবেদনটি করে। ক্রসফায়ার কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিল। এ রুলেরও এখন পর্যন্ত শুনানি শুরু হয়নি। ২০০৯ সালের ১৭ই নভেম্বর বিচারপতি এএফএম আবদুর রহমান ও বিচারপতি মো. ইমদাদুল হক আজাদের বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে আরেকটি রুল জারি করে। রুলের জবাব দিতে র্যাবের মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র সচিব ও র্যাব ৮-এর তখনকার অধিনায়ককে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল আদালত। ২০১০ সালের ১৪ই নভেম্বর এই রুলের শুনানি শুরুর কথা ছিল। নির্ধারিত দিনে আদালতের কাছে সময় চান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ক্রসফায়ার বন্ধ রাখার মৌখিক নির্দেশ দিয়ে ২০১০ সালের ৩রা জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে আদালত। এরই মধ্যে বিচারপতি এএফএম আবদুর রহমান ও বিচারপতি মো. ইমদাদুল হক আজাদের বেঞ্চের এখতিয়ার পরিবর্তন হয়ে যায়। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ছাড়াও গুম নিয়ে দু’টি রুল হাইকোর্টে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১২ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে রাত সোয়া ১২টায় আশুলিয়ার নবীনগরে হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে নিখোঁজ হন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির নেতা আল মুকাদ্দাস ও মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ। তাদেরকে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে দাবি করে তাদের পরিবারের সদস্যরা হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস রিট দায়ের করেন। গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি আদালত এ নিয়ে রুল জারি করেছিল। বিচারপতি মো. আবদুল আউয়াল এবং বিচারপতি আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চে রুলটির শুনানি শুরু হয়। র্যাবের মহাপরিচালক হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে জানান, সংস্থাটি মুকাদ্দাস ও ওয়ালিউল্লাহকে আটক করেনি। তবে র্যাব মহাপরিচালকের এ জবাবে হাইকোর্ট সন্তুষ্ট হয়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্ট তলব করেছিল। তদন্ত কর্মকর্তার জবাবও হাইকোর্টকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। পরে আইজিপিকে তলব করে আদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই আদেশে বলা হয়, ‘আদালতের আদেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিসহ আদালতে হাজির হয়েছিলেন। কেস ডায়েরি দেখে তদন্ত সম্পর্কে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু পাওয়া যায়নি। রিটের শুনানিতে উঠে এসেছে যে, অভিযোগে বর্ণিত র্যাব সদস্যদের দ্বারা দুই ব্যক্তিকে অপহরণের কিছু সময় আগে তারা মোবাইল ফোনে অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। মোবাইল ফোন কোম্পানিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল তারা কাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তাদের নাম-ঠিকানা দেয়ার জন্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তদন্ত কর্মকর্তা ওই ব্যক্তিদের যাচাই করেননি এবং কি বিষয়ে তারা কথা বলেছেন, তা-ও জানার চেষ্টা করেননি। রিট আবেদনকারীদের অভিযোগ, র্যাব সদস্যরা তাদের দুই স্বজনকে আটক করে রেখেছে। আমরা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তিনি তাদের উদ্ধারে র্যাব ক্যাম্পে গিয়েছেন কিনা। তদন্ত কর্মকর্তা এ প্রশ্নে চুপ ছিলেন। তদন্তের অগ্রগতি শোচনীয়। এ অবস্থায় তদন্তের পুরো প্রক্রিয়া জানার জন্য আইজিপির হাজির হওয়া প্রয়োজন।’ কিন্তু পরে হাইকোর্টের এ আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি স্থগিত করে দেন। এ কারণে আইজিপিকে আর হাজির হতে হয়নি। এখনও এ রুলটিরও নিষ্পত্তি হয়নি। সর্বশেষ ২০১২ সালের ১৯শে এপ্রিল বিএনপির নিখোঁজ সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে হাজির করা নিয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। ইলিয়াসের স্ত্রীর দায়ের করা এক হেবিয়াস কর্পাস রিটে হাইকোর্ট ওই রুল জারি করেছিল। এ রুলটিও এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভর্তি পরীক্ষায় ‘মেধাবীদের’ ফেলের রেকর্ড by নুর মোহাম্মদ ও ফররুখ মাহমুদ
শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষার অগ্রগগির ব্যাপারে সরকার মুখে যা বলছে বাস্তবতার চিত্র কিন্তু উল্টো। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ তিনটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় মোট এক লাখ ৬৬ হাজার ৯১৫ জন পরীক্ষার্থী। যাদের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৩০ হাজার ৬২০ জন। শতকরা হিসেবে যা ১৭.১৮ শতাংশ। এবার উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েও অনেক শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক ও ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘ক’ ইউনিটে পাস করেছে ২১.৫০, ‘খ’ ইউনিটে ৯.৫৫ শতাংশ এবং ‘গ’ ইউনিটে ২০.৬১ শতাংশ। আর এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায়ই জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। সবেচেয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে মঙ্গলবার প্রকাশিত ঢাবির ‘বি’ ইউনিটে ফল। সেখানে পাসের হার ৯.৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাস করতে পারেনি ৯১ ভাগ শিক্ষার্থী। শিক্ষার মান উদ্বেগজনক জানিয়ে শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, সরকার মান নয়, পাসের দিকে ঝোঁকার কারণেই এ অবস্থা।
একই চিত্র ছিল ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষাতেও। সে বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৬ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী পাস নম্বর তুলতে ব্যর্থ হয়। এর আগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ৫৫ ভাগ এবং ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ৫৩ ভাগ জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়।
২০১৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৭৮.৩৩ ভাগ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। আর এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৯৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ২২ হাজার ৩১৩? অথচ ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ইউনিটের প্রকাশ ফলাফলে পাসের হার গড়ে ১৭.১৮ শতাংশ। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটে পাস করেছে ২১.৫০, ‘খ’ ইউনিটে ৯.৫৫ শতাংশ এবং ‘গ’ ইউনিটে ২০.৬১ শতাংশ। পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার সবাই জিপিএ-৩.৫ থেকে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ ধারী। ২০১৩ সালে এইচএসসি ও সমমানের পাসের হার ছিল ৭৪.৩০ শতাংশ আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫৮ হাজার ১৯৭ জন। আর এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮৯.৭২ শতাংশ। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির পাঁচটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ২ লাখ ১৭ হাজার ছাত্রছাত্রী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৪১ হাজার ৮৯১ জন। পাস নম্বর তুলতে ব্যর্থ হন এক লাখ ৭৫ হাজার। পাসের হার ছিল ১৯ শতাংশ। এর মধ্যে ‘চ’ ইউনিটে ৯৫ ভাগ, ‘গ’ ইউনিটের ৯১ ভাগ, ‘খ’ ইউনিটের ৮৬ ভাগ, ‘ঘ’ ইউনিটের ৯১ ভাগ এবং ‘এ’ ইউনিটে ৫৮ ভাগ শিক্ষার্থী পাস নম্বর তুলতে ব্যর্থ হয়। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ৮৩ ভাগ এবং ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ৮১ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করতে ব্যর্থ হন। ঢাবি কেন্দ্রীয় ভর্তি কেন্দ্রর তথ্যের অনুযায়ী, পাঁচটি ইউনিটে ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত ১২০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪৮ (৪০% হিসাবে)। এর মধ্যে ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটে বাংলায় ৮ (পূর্ণ নম্বর ৩০), ইংরেজি ৮ (পূর্ণ নম্বর ৩০) ও সাধারণ জ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞানে ১৭ (পূর্ণ নম্বর ৬০) নম্বর করে পেলে তিন বিষয়ে পাস হিসেবে ধরা হয়। আর ‘গ’ ইউনিটে ইংরেজিতে পাস নম্বর ১২।
ভর্তির ফলে একই চিত্র দেখা গেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ভতি পরীক্ষায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ৪৬ হাজার ৯শ’ ৮৯ জন ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৯ হাজার ৭শ’ ৬৭ জন। পসের হার ১৬.২৪ শতাংশ। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছে মাত্র ৪.৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, যে সংখ্যক শিক্ষার্থী পাস করেছে তাতে ওই ইউনিটের আসন পূরণ করতে কোন সমস্যা হবে না। বেশি পাস দেখিয়ে পরীক্ষা ভর্তি হতে না পারলে শিক্ষার্থীদের মনে কষ্ট থাকে বলেও তিনি জানান।
শুধু ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হারেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ধারিত নম্বর না পাওয়ায় অনেক বিভাগে আসনই পূর্ণ করতে পারছে না কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে ইংরেজিতে নির্ধারিত নম্বর রয়েছে যেসব বিষয়ের ক্ষেত্রে ওইসব বিষয়ে আসন খালি থাকছে। সার্বিক ভর্তি ফলের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মানে গুণগত কোন পরিবর্তন আসেনি এটি তারই প্রমাণ। পাস নয় শিক্ষার মানের দিকে তাকাতে সরকারকে পরামর্শ দেন এ শিক্ষাবিদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে সর্বোচ্চ ভাল ফল করেও এত বেশি সংখ্যক ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে না পারা উদ্বেগ ও আশঙ্কাজনক। এর সমাধানে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম ফায়েজ বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নম্বর দিয়ে সাহস দেয়া যায়। তবে নম্বর পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা দেয়ার পক্ষে নই আমি। এতে শিক্ষার্থীরা সহজে ভাল নম্বর পাওয়ায় পরবর্তীতে পড়ালেখায় একটু ঢিলেমি দিয়ে দেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে এমন বিপর্যয় হচ্ছে। কলা অনুষদের ডিন ও ‘খ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক সদরুল আমিন বলেন, পাঠ্যবই থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে প্রশ্ন করা হয়। তারপরও শিক্ষার্থীরা ভাল করতে পারে না। তিনি বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় খাতা যথাযথ মূল্যায়ন না করা, স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষকের অভাবের কারণে এ সমস্যাগুলো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত সংখ্যক আসন রয়েছে। তাই এই পরীক্ষা নেয়া হয় বাদ দেয়ার জন্য। এখানে পাস ফেলে কোন সমস্যা না। এবার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে ঢাবিতে ‘খ’ ইউনিটে পাস করতে পারেনি এক শিক্ষার্থী। ফেল করার কারণ মূল্যায়ন করতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থী জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে যা পড়ানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন তার ধারে-কাছেও নেই। তিনি বলেন, এইচএসসির পড়াশোনার সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার কোন মিল নেই।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের পক্ষে সাফাই, হ-য-ব-র-ল শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা না ফিরিয়ে পাসের দিকে বেশি নজর দেয়া, শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ না করিয়ে অপরিকল্পিত সৃজনশীল পদ্ধতি চালু, সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কোচিং-এর প্রভাব, শ্রেণীকক্ষে সঠিক পাঠদানের ঘাটতি, অনুপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পাস করার প্রবণতা তৈরি করে দেয়া, ক্লাসরুমে পাঠ্যবইয়ে মনোযোগ না দেয়ার কারণে উচ্চশিক্ষার ভর্তিযুদ্ধে শিক্ষার্থীরা হোঁচট খাচ্ছে। মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনরা বলেন, জোর করে পাসের হার বাড়ানো হচ্ছে। ফলে এর প্রভাব পড়ছে উচ্চশিক্ষায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে পারছে না সর্বোচ্চ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা মান বেড়েছে এমন দাবিতে অনড় শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য এসব অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এসএসসি-এইচএসসির ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করানো হয় না কেন? এক ঘণ্টার এমসিকিউ পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার সার্বিক মান যাচাই করা যায় না বলেও দাবি তার।
ঢাবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তিযোগ্য ২ জন
২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগে ভর্তির হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। অথচ এই বিভাগে আসন সংখ্যা ১২৫টি। ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ২০ নম্বর পাওয়ার পাশাপাশি ইলেক্টিভ ইংলিশে ১৫ নম্বর পেতে হয়। মঙ্গলবার প্রকাশ হওয়া ‘বি’ ইউনিটের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী ইংরেজিতে সমসংখ্যক নম্বর পেয়েছেন। ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৫টি অংশ ছিল। এগুলো হলো- সাধারণ ইংরেজি, বাংলা, ইলেক্টিভ ইংলিশ, সাধারণ জ্ঞান ‘এ’ ও সাধারণ জ্ঞান ‘বি’। শিক্ষার্থীদের ৫টির মধ্যে ৪টি অংশ নিজেদের যোগ্যতাসাপেক্ষে নির্বাচন করার নির্দেশ দেয়া হয়। প্রত্যেক বিষয়ে মোট ২৫টি প্রশ্নে ৩০ নম্বর ছিল। ১ ঘণ্টায় মোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়, ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় পাসসহ সাধারণ ইংরেজিতে ২০ নম্বর পেতে হবে। তবে ভর্তি পরীক্ষার তিন দিন আগে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর পরীক্ষায় উত্তরপত্রের বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ প্রসঙ্গে ঢাবির কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক সদরুল আমিন বলেন, ইংরেজি বিভাগে আসন সংখ্যা ১২৫টি। এ বছর এ বিভাগে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তির যোগ্যতা অর্জনের বিষয়টি আমিও শুনেছি। শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা না করায় এমনটা ঘটেছে। শিক্ষার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বিষয়টা আমিও শুনেছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আঞ্চলিক যুদ্ধে জয়ী হতে হবে
![]() |
| শি জিনপিং |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রত্যাশা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫৩–তে প্রথম নিজকে স্বাধীন মনে হয় হিলারির!
![]() |
| হিলারি ক্লিনটন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিপন্ন ও আক্রান্ত উচ্চশিক্ষা by ড. মাহফুজ পারভেজ
কিন্তু দুষ্কর্মের মূল হোতাদের আড়াল করতে দলীয়করণের রাজনীতি বসে নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও একতরফা আচরণ করছে। যদিও ঘটনার সত্যতা আর মূল হোতাদের এভাবে আড়াল করা যাচ্ছে না। প্রতিপক্ষের ওপর দোষ চাপিয়েও খালাস হচ্ছে না অপকর্মের হোতারা। কারণ, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে নস্যাৎকারী দৈত্য সম্পর্কে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাই জনগণ চোখের সামনে দেখছে। দেখছে অস্ত্র হাতে তাদের সচিত্র প্রতিবেদন। অতএব, শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাচ্ছে না। উগ্র আবেগ ও তীব্র উন্মাদনা দিয়েও সত্য গোপন করা সম্ভব হচ্ছে না। আসল সত্য স্বরূপে বের হয়েই এসেছে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে? এক সময় টেন্ডারবাজি, অন্তর্কলহে যে উগ্র ছাত্র সংগঠন খোদ প্রধান দলকেই বিপদে ফেলেছিল, তাদেরকে সামলানো যাচ্ছে না কেন? কেন এখন তারা সমগ্র দেশেই আতঙ্কের জাল বিস্তার করছে? নাকি এদেরকে দিয়ে প্রতিপক্ষের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও তৎপরতাকে শক্তির পথে দমনেরই পথ বেছে নেয়া হয়েছে? সংশ্লিষ্টরাই এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। ব্যক্তি ও সমাজের মতোই যদি প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে তাহলে কার লাভ? বিশেষ করে, যদি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়, বন্ধ থাকে, সন্ত্রাসকবলিত হয়, তাহলে লাভ কার? জাতির তো কোন লাভ হবে না। ছাত্র বা শিক্ষকেরও ক্ষতি ছাড়া লাভ নেই এতে। তবে কারা করছে উচ্চশিক্ষা ধ্বংসকারী শক্তি প্রয়োগ এবং সন্ত্রাস? ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর হামলা করছে? সত্যনিষ্ঠ হয়ে এর কারণ বের করতে হবে। ক্ষমতা ও রাজনীতির কালো চশমা দিয়ে নয়, বাস্তব সত্যের মুখোমুখি হয়েই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। জানি, এতটা রাজনৈতিক সততা দেখিয়ে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার মতো উদারতা ও বড়ত্ব অনেক রাজনৈতিক দলের মধ্যেই নেই। তবু মানুষ ও সমাজ, ছাত্র ও শিক্ষক, সর্বোপরি দেশের উচ্চশিক্ষাকে বাঁচানোর স্বার্থে তাদের শুভবোধের উদয় হবে বলেই সকলে আশা করছে। এ কথাও মনে রাখা দরকার, যদি দলীয়-দানবদের এখনই প্রতিহত না করা হয়, তবে সেই সব দানবিক অপশক্তিই নিজ নিজ প্রভুদেরকেও একদা আক্রান্ত করবে। এটাই সন্ত্রাসাশ্রিত রাজনীতির সবচেয়ে বড় কুফল। অতএব, এদের দাপটে খুশি হওয়ার কিছু নেই। যাদের পক্ষে এরা দাপট দেখাচ্ছে, তাদের জন্যও এরা বিপদের কারণ হবে। তাই, সন্ত্রাসের ঘৃণ্য ও বিপজ্জনক পথে নয়, বরং শান্তি ও সৌহার্দ্যের পথ ও পন্থা অনুসরণ করাই সকলের জন্য মঙ্গলজনক। সন্ত্রাসের পথে মানুষকে বিপদে ফেলে, মানুষের নিন্দা ও ঘৃণা কুড়িয়ে রাজনৈতিক সাফল্য পাওয়া যায় না, এ সত্যটিও এক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন। সরকার ও বিরোধী, সকলেই কথাটি মনে রাখলেই শুভবোধের বিজয় হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
September
(447)
-
▼
Sep 25
(19)
- বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা ভারতের by ফাতিম...
- মহাসড়কে মহা ভোগান্তি by মনির হোসেন
- লজ্জিত নন ওলগা লিউলচ্যাক
- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক- দুর্ভোগ চরমে by ইকবাল আহমদ স...
- ওমানের হাসপাতালে ‘বন্দি’ নুরুল
- গরু আমদানি কম by আসলাম-উদ-দৌলা
- স্বপ্নপুরুষের অপেক্ষায় নিশি -ডেইলি মেইল-এর প্রতিবেদন
- ৫ সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল নিয়ে নানা নাটক by ...
- কামার সমপ্রদায়ের ব্যস্ত সময় এখন by নজরুল ইসলাম
- গঠনমূলক সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান বান কি-মুনের
- সন্তানের বেডরুমে মহাকাশযান!
- হাসিনা-ওবামা শুভেচ্ছা বিনিময়
- খালেদার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর- সার্কিট হাউস ব্যবহারের...
- একজন লোধা এবং ক্রসফায়ার by সাজেদুল হক
- ভর্তি পরীক্ষায় ‘মেধাবীদের’ ফেলের রেকর্ড by নুর মোহ...
- আঞ্চলিক যুদ্ধে জয়ী হতে হবে
- রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রত্যাশা
- ৫৩–তে প্রথম নিজকে স্বাধীন মনে হয় হিলারির!
- বিপন্ন ও আক্রান্ত উচ্চশিক্ষা by ড. মাহফুজ পারভেজ
-
▼
Sep 25
(19)
-
▼
September
(447)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


