Wednesday, July 30, 2025
ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় গাজায়: নিহত ৬০,০০০ ছাড়িয়েছে
আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’-এর প্রতিনিধি ডাক্তার তানিয়া হাজ হাসান বলেন, খাদ্য এলেই সমস্যার সমাধান হয় না। অপুষ্টি দেহের প্রতিটি অঙ্গকে প্রভাবিত করে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, অপুষ্টির ফলে অন্ত্রে কোষ মারা যায়। ফলে পুষ্টি শোষণে সমস্যা হয়। হৃদযন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পুনরায় খাদ্য গ্রহণ শুরু করলেও হৃদপিণ্ড ব্যর্থ হয়। এতে শিশুর মৃত্যু হতে পারে। দখলদার ইসরাইলি বাহিনী গাজার বিতর্কিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের আশপাশে সহায়তা নিতে যাওয়া মানুষের ওপর গুলি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক হিন্দ খৌদারি। একইদিনে গাজায় প্রথমবারের মতো আকাশপথে সাহায্য পাঠায় বৃটেন। এর মূল্য প্রায় পাঁচ লাখ পাউন্ড।
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেছেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইসরাইল যদি যুদ্ধ বন্ধ না করে ও শান্তির অগ্রগতি না ঘটায়, তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বৃটেন। ফ্রান্সও জর্ডানের সঙ্গে সমন্বয়ে ৪০ টন সহায়তা গাজায় ফেলার ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সতর্ক করেছে, আকাশপথে সহায়তা পাঠানো কার্যকর বা নিরাপদ নয়, বরং স্থলপথে বাণিজ্যিক ও মানবিক প্রবাহ পুনরায় চালু করাই জরুরি। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জিএইচএফের তথ্যের ভিত্তিতে বলেন, গাজাবাসী এক মহাবিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এটা কোনো আশঙ্কা নয়, এটা চোখের সামনে ঘটে যাওয়া বাস্তবতা। তিনি বলেন খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং জ্বালানি সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আসতে হবে- বাধাহীনভাবে। এই দুঃস্বপ্নের অবসান চাই। গুতেরেস একটি তৎক্ষণাৎ ও স্থায়ী মানবিক যুদ্ধবিরতি, সব বন্দির মুক্তি এবং সমগ্র গাজা ভূখণ্ডে মানবিক সংস্থাগুলোর পূর্ণ প্রবেশাধিকারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে আল-জাজিরা জানায়, ইসরাইল দিয়ের আল-বালাহে ট্যাংক, ড্রোন ও ফাঁদ পাতা রোবট ব্যবহার করেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে রক্তাক্ত রাত বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইসরাইলের এই যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়েছে এবং পূর্ব জেরুজালেমসহ দখলকৃত অঞ্চল থেকে ফিলিস্তিনি জনগণের সম্পূর্ণ মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।
এছাড়া ইসরাইলি নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান মেনে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে একটি সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, বিশেষ করে পূর্ব জেরুজালেমে, ভূমি দখল ও সংযুক্তিকরণ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। ঘোষণায় আরও বলা হয়, গাজায় যুদ্ধের অবসান, সব বন্দিকে মুক্তি, দখলদারিত্বের অবসান, সহিংসতা ও সন্ত্রাস প্রত্যাখ্যান, একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, আরব ভূমির দখলমুক্তকরণ এবং ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের জন্য দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান- এই শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল অঞ্চলের জনগণ ও রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক ও সহাবস্থান সম্ভব হবে।
একই দিনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার হামাসের নৃশংস সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করছেন এবং ভুক্তভোগীদের শাস্তি দিচ্ছেন। নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ইসরাইলের সীমান্তে একটি জিহাদি রাষ্ট্র গঠন হলে তা বৃটেনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, স্কটল্যান্ড সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে সাংবাদিকদের তিনি বলেন যে, কিয়ের স্টারমারের সঙ্গে বৈঠকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র স্বীকৃতির পরিকল্পনা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। ট্রাম্প ইসরাইলের মতোই মন্তব্য করে বলেন, আমি মনে করি না তাদের (ফিলিস্তিনিদের) পুরস্কৃত করা উচিত। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়া মূলত হামাসকে পুরস্কৃত করার সমান। তবে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলারের খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে এবং তিনি নিশ্চিত করতে চান যে, এই সাহায্য যথাযথভাবে ও সঠিকভাবে ব্যয় হয় এবং খাদ্য যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রত্যয়: জাতিসংঘে ‘নিউইয়র্ক ডিক্লারেশন’ গৃহীত by কাউসার মুমিন
ঘোষণায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরাইলি দখল শেষ করা এবং ‘দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান’ বাস্তবায়নই হচ্ছে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিদের বৈধ আকাঙ্ক্ষা পূরণের একমাত্র উপায়। এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো একটি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এবং অপরিবর্তনীয় শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণে অঙ্গীকার করেছে- যার মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
‘নিউ ইয়র্ক ডিক্লারেশন অন দ্য পিসফুল সেটেলমেন্ট অব দ্য কোয়েশ্চন অফ প্যালেস্টাইন’ নামে পরিচিত এই ঘোষণাকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিশ্বব্যাপী অভূতপূর্ব ঐক্যমত্যের নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করেছে সম্মেলনের যৌথ আয়োজক ফ্রান্স ও সৌদি আরব। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক এই উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন শুরু থেকেই বয়কট করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
সম্মেলনে জাতীয় অভিজ্ঞতার আলোকে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জাতিসংঘের এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান আমাদেরকে ‘অত্যাচারের শিকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার সমর্থনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে।’ তিনি আরও বলেন, আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গত বছরের জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ সবসময়ই আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের চেষ্টা করেছে। আমাদের এই ঐতিহ্য ‘ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের ন্যায়সঙ্গত আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমাদের সহমর্মিতা ও স্থায়ী সংহতি গড়ে তুলেছে’ উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘দ্বিরাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের বাস্তবায়ন এখনই শুরু করতে হবে।’ তিনি স্বীকার করেন যে, ‘শুধু কথায় ফিলিস্তিনি জনগণের যন্ত্রণা উপশম হবে না।’ তাই তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজায় অবিলম্বে ও নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন এবং খাদ্য ও জরুরি সেবার নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এই সম্মেলন থেকে আমরা আর আগের অবস্থানে ফিরে যেতে পারি না।’
যৌথ ঘোষণায় মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ধাপে ধাপে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে, যা শত্রুতা অবিলম্বে বন্ধ, বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিতকরণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহার নিশ্চিত করবে। এছাড়া, গাজা ও পশ্চিম তীরকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পুনঃএকত্রীকরণের প্রস্তাব রয়েছে এবং হামাসকে গাজায় ক্ষমতা ছাড়তে ও অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছে। ঘোষণায় ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জন্য বৈশ্বিক সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে পূর্ব জেরুজালেম ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হবে। এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক সমাধানই শান্তি বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।’
ঘোষণায় ইসরাইলকে সমস্ত বসতি নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করতে, বসতি-দাসত্ব বিরোধী সহিংসতা থামাতে এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে প্রকাশ্য পুনঃপ্রতিশ্রুতি দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে সতর্ক করা হয়েছে যে, উভয় পক্ষের একতরফা পদক্ষেপ শান্তির পথে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে, এবং এমন কার্যক্রম ‘শেষ বাঁচা শান্তির পথ ধ্বংসের হুমকি’ দেয়। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং উন্নত শাসনের পরিকল্পনাগুলোকে এই ঘোষণায় স্বাগত জানানো হয়েছে। ঘোষণায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যা আসিয়ান বা ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার মতো হবে। ভবিষ্যতে একটি ‘শান্তি দিবস’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে, যা সংঘাতের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতি, শক্তি ও অবকাঠামো সমন্বয়ের সূচনা হিসেবে পালন করা হবে।
সম্মেলনের যৌথ সভাপতি সৌদি আরব ও ফ্রান্স আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ঘোষণার অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে এবং দ্বিরাষ্ট্রিক সমাধান বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের আওতায় একটি অনুসরণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। ঘোষণার শেষদিকে বলা হয়েছে, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ, সংঘাত শেষ করার, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এবং উভয় জনগোষ্ঠীর জন্য শান্তি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য এখনই সময়।’ এ প্রসঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা আপনাদের অনুরোধ করছি, ৭৯তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে নিউ ইয়র্কে সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মিশনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে এই ঘোষণাকে সমর্থন করুন।’ এ উদ্যোগের মাধ্যমে সৌদি আরব ও ফ্রান্স বিশ্ব সম্প্রদায়কে একটি নতুন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সূচনা করার আহ্বান জানিয়েছে, যা বিশ্বের দীর্ঘতম এই সংঘর্ষের একটি স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি করবে।
এদিকে মার্কিন কংগ্রেসে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেইলর গ্রিন প্রথম রিপাবলিকান হিসেবে গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিজ দলের অবস্থান থেকে স্পষ্টভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘৭ অক্টোবরের হামলা ছিল ভয়াবহ এবং সকল জিম্মিকে অবশ্যই মুক্ত করতে হবে, কিন্তু গাজায় যে গণহত্যা, মানবিক সংকট ও অনাহার চলছে সেটাও সত্য।’ তাঁর এই মন্তব্য রিপাবলিকান দলে ইসরাইলপন্থী অবস্থানের বিপরীতে ডানপন্থীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংশয়ের ইঙ্গিত দেয়। অপরদিকে, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, যদি ইসরাইল শান্তির পথে বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়- যেমন গাজায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, পশ্চিম তীরে দখল বন্ধ এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে প্রতিশ্রুতি- তাহলে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বৃটেন। তিনি জানান, এই স্বীকৃতি কেবল প্রতীকী নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি রোডম্যাপের অংশ হবে- যা আগের বৃটিশ নীতির তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্যাম্প ডেভিড বৈঠকের ২৫ বছর, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি কতদূর! by জোনাথন লেসওয়্যার
জেরুজালেম ছিল সবচেয়ে বড় বাধা
ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করলেও, ইসরাইল কেবল হারাম আল-শরীফ (আল-আকসা মসজিদ এলাকা) নিয়ে সীমিত ‘কাস্টডিয়ানশিপ’ প্রস্তাব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রও শুরু থেকেই ইসরাইলি অবস্থানকেই সমর্থন করে, যা ফিলিস্তিনিদের কাছে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওয়াশিংটনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে নষ্ট করে। আলোচনায় কোনো লিখিত খসড়া তৈরি না হওয়ায়, আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই হয়নি। মার্কিন আলোচক রবার্ট ম্যালি পরে বলেন, এহুদ বারাকের পদ্ধতির কারণে আসলে কোনো আনুষ্ঠানিক ইসরাইলি প্রস্তাব ছিল না।
অসলো প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা ও সন্দেহ
১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির পর ফিলিস্তিনিরা আশা করে দখলদারিত্ব কমবে। কিন্তু ২০০০ সালের মধ্যে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি বাড়ে, সামরিক দমননীতি তীব্র হয়, আর শান্তি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে যায়। ফলে আরাফাত বিশ্বাস করেন, ক্যাম্প ডেভিড ছিল ফাঁদ- যেখানে তাকে অতিরিক্ত ছাড় দিতে বাধ্য করা হবে। ফিলিস্তিনি পরামর্শক আক্রাম হানিয়েহ তার ‘ক্যাম্প ডেভিড পেপারস’-এ লিখেছেন, ‘এই বৈঠক তাড়াহুড়ো করে ডাকা হয়; ফিলিস্তিনিরা বারবার সতর্ক করে পরিস্থিতি এখনো উপযুক্ত নয়।’
ভুল প্রস্তুতি ও ব্যর্থতার পরিণতি
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক ইওসি মেকেলবার্গ বলেন, সম্মেলনটির জন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি নেয়া হয়নি। বড় সমঝোতা করার আগে ছোট ছোট বিষয়ে পূর্বসম্মতি প্রয়োজন ছিল। মার্কিন আলোচক অ্যারন ডেভিড মিলারও পরে লিখেছেন, ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলন আদৌ হওয়া উচিত ছিল না। মার্কিন দলও বহু ভুল করেছে, যা যেকোনো সমঝোতাকে আটকে দেয়। ক্যাম্প ডেভিডের ব্যর্থতার পরও ২০০০ সালের শেষ দিকে কিছু অগ্রগতি হয়। ক্লিনটন প্যারামিটার নামে পরিচিত এক কাঠামোয় উভয় পক্ষ সম্মত হয় (সংরক্ষণসহ), যা জানুয়ারি ২০০১-এর তাবা সম্মেলনে এগোয়। কিন্তু ইসরাইলি নির্বাচন ও যুক্তরাষ্ট্রে তখনকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের ক্ষমতায় আসা প্রক্রিয়াটিকে থামিয়ে দেয়। পরবর্তী চার বছর তীব্র দ্বিতীয় ইন্তিফাদা চলে।
আজকের শিক্ষণীয় বিষয়
ফিলিস্তিনি-আমেরিকান লেখক রামজি বারুদ বলেন, ক্যাম্প ডেভিড ছিল মূলত ব্যর্থ হওয়ার জন্য সাজানো। অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, দমননীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞা- সব মিলিয়ে এটি ছিল একপক্ষীয় আলোচনার মঞ্চ। তার মতে, গাজায় চলমান যুদ্ধ ও ভবিষ্যৎ শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষা হলো- আন্তর্জাতিক ও মানবিক আইনের ভিত্তিতে শক্তিশালী কাঠামো ছাড়া, ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করে টেকসই শান্তি সম্ভব নয়। আগামী দিনে জাতিসংঘে সৌদি আরব ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিয়ে নতুন আলোচনা হতে যাচ্ছে। হয়তো এই উদ্যোগই সেই আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়তে সাহায্য করতে পারে, যা জুলাই ২০০০-এ অনুপস্থিত ছিল।
(অনলাইন আরব নিউজ থেকে সংক্ষিপ্ত অনুবাদ)
![]() |
| ২৭ জুলাই ২০২৫ অব্যাহত বোমা হামলা। সরাসরি গুলি। ক্ষুধা। হাহাকার। আর লাশের স্তূপ গাজায়। অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মরছে নিরীহ মানুষ। এর অর্থ গাজায় দুর্ভিক্ষ চলছে। গত বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে সতর্ক করা হয়েছে, গাজা দুর্ভিক্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখনও সেটাই বলা হচ্ছে। কিন্তু আসলে পরিস্থিতি যা বলে, তাতে গাজায় চরম আকারে দুর্ভিক্ষ চলছে। অসংখ্য মানুষ আছেন দুই তিনদিন ধরে কিছু খান না। কারণ, খাবার পাচ্ছেন না। শিশুরা অনাহারে থাকতে থাকতে, তাদের গায়ের চামড়া হাড়ের সঙ্গে লেগে গেছে। তাদের জন্য নেই কোনো খাদ্য, শিশুখাদ্য। মায়েদের বুকের দুধ শুকিয়ে গেছে। তারাই মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। কোথাও কিছু নেই। চারদিকে শুধু হাহাকার। একে দুর্ভিক্ষ ছাড়া কি বলা যায়! তারপরও সেখানে অব্যাহতভাবে বোমা হামলা করছে ইসরাইল। ওদিকে, গাজায় খাদ্য সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, মে মাসে বিতর্কিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) চালু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি বাহিনী ও মার্কিন ভাড়াটে সেনাদের হাতে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তারা খাদ্য সংগ্রহে গিয়েছিলেন। কেবল শনিবারই খাদ্যের জন্য লাইন ধরার সময় ৪২ জন নিহত হন। গাজাবাসীর দিকে ইসরাইলি সেনারা এমনভাবে গুলি ছুড়ছে, দেখে মনে হতে পারে তারা পাখি শিকার করছে। কিন্তু তারা এ কাজ করে উল্টো সুরে কথা বলছে। তারা বলছে, যারা নিহত হয়েছেন তারা খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের বাইরে মারা গেছেন। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চারুশিল্প- রশীদ আমিনের রং-রাগ by শামসেত তাবরেজী
সাধারণত আমরা যখন গ্যালারিতে ছবি দেখি, আমাদের চোখের ডগায় মগজ বেঁধে নিতে হয়, কিছুটা বুদ্ধি খরচের ক্লেশ হয়, যদিও তার স্বাদ আরেক মাত্রার। আমিনের ‘মেঘমল্লার’ শিরোনামের এই সিরিজের ছবিগুলোতে বুদ্ধি-ব্যায়াম না করে শুধু নজরভ্রমণ করেই বর্ষাযাত্রার আনন্দ উপভোগ করা যায়। তবে মেঘমল্লার রাগের মিড়, ঘাটগুলো মনের অজানায় চালান করে দেওয়ার জন্য একটু দাঁড়িয়ে থাকার দাবি রাখে। ছবিগুলো যেমন শান্ত, তেমনি দর্শকও যদি শান্ত হয়ে ছবিগুলো দেখেন, তা আরও বেশি উপভোগ্য হবে।
আমি যতবার ছবিগুলো দেখেছি, ততবারই তীব্র এক নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়েছি। জলরঙের ছবিগুলোর উৎসভূমি আমিনের জীবনেরই অংশ—টাঙ্গাইলে তাঁর বাড়িটি। এ বাড়ির সঙ্গে সংগত কারণে আমার পরিচয় রয়েছে। ঘন বাঁশবন, ভেতর দিয়ে নানা মাত্রার জ্যামিতি করা বোঝা যায়, বোঝা যায় না এমতো ফাঁকফোকর, অথচ পটভূমির অধিকাংশ জায়গাজুড়েই ঘনবদ্ধ পীতাভ সবুজ, কখনো আবার হঠাৎ হলুদ লাগা নরম আলো, নীল ঢেউয়ের সহজ গতির উচ্ছ্বাস।
আরেকটি ব্যাপার লক্ষণীয়, আর্দ্রতাঘন জমিনের সারল্যকে সহজ রেখা দিয়ে বিভেদরঞ্জিত করেছেন আমিন। ছবির জমিনের ওপর মূল রেখাগুলোর বেশির ভাগ রেখাই এঁকেছেন উল্লম্ব। এতে বর্ষার প্রকৃতি আরও গাঢ় হয়ে ধরা পড়েছে। যখন আমরা দেখি এই উল্লম্বতা ভেঙে ছবিকে ছন্দ দিতে এবং দৃশ্যব্যঞ্জনাময় করার তাগিদে মোটা তুলিতে দৈগন্তিক রেখা টেনে ছবির জ্যামিতিকে সুবিন্যস্ত করেছেন, তখন আনন্দ আরও বিশেষ হয়ে ওঠে। বৃষ্টিসিক্ত বাংলার এই প্রকৃতিরূপ দেখার সৌভাগ্য হলো অনেক দিন পর।
প্রিন্ট মাধ্যমটি মনে হয় এই আর্দ্রতাস্বভাবকে খুব গ্রাহ্য করে না, কিন্তু শিল্পীর দক্ষতায় সবুজের সঙ্গে মিল খাওয়া অন্যান্য রং বা রঙের স্তরপরম্পরার এই ছবিগুলোও বর্ষাকে ধারণ করে রোমান্টিকতায়, যদিও তা অত পেলব নয়, বরং দার্ঢ্য, যেন বেশ কয়েক দিন বিরামহীন বৃষ্টির পর সামান্য সময়ের বিরতি পেয়েছে। জলরঙের ছবিগুলো ঠিক যে কথা বলতে চায়, প্রিন্টগুলো ঠিক তা-ই বলে না। ফলে, আমরা বর্ষার বৈচিত্র্য বা দ্বন্দ্বও খানিকটা ছুঁয়ে ফেলতে পারি। এই দ্বন্দ্ব ঠিক বিরোধ নয়, বরং সহোদরার মতো, দুই বোনের চেহারা নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে আলাদা। এখন এই বিষয়টা নির্ভর করবে গ্যালারিতে একাধিক মাধ্যমের ছবিগুলো কীভাবে দর্শকের সামনে উপস্থাপিত হবে বা হয়েছে, তার ওপর।
আমিন তাঁর ছবিতে বহুবিচিত্র রং ব্যবহার করেননি। গাঢ় বঙ্গীয় সবুজ, কদম-আভাষিত হলুদ, নরম রোদের কমলা, স্মৃতিকাতর নীল—মোটামুটি এই তাঁর রংবাহার। সেসব রং প্রযুক্ত হয়েছে খুব যে নিপুণ ড্রয়িংয়ে, তা নয়, আমার বিবেচনায় বর্ষার শুদ্ধ মূর্ততাকে তিনি হাজির করেননি ইচ্ছা করেই। বরং রোমান্টিক থরথরতা, বিনয়ী অপটুতা বরং ছবিগুলোকে এবং বর্ষাকে অধিকতর প্রকাশসম্ভব করে তুলেছেন এক বিরল বিমূর্ত শর্তে। দরকার শুধু দর্শকের চিদ্মুহূর্তের জন্য ছবির সামনে দাঁড়িয়ে সামান্য সময় দেওয়া। অনেকটা আলোকচিত্রী কার্তিয়ার ব্রেসঁ যেমন বলেন ‘নির্ধারক মুহূর্ত’, তার জন্য অপেক্ষা করা। কেননা, নিবিড় সময়-বিরতিই রতিসংক্রমণের মুহূর্তটি এনে দেয়, যেহেতু আমিনের ছবি শুধু দেখার নয়, শোনারও। যেন ভীমসেন জোসির কম্বুকণ্ঠে মেঘমল্লারের সুর: গরজে ঘটা ঘন কারে রি...।
![]() |
| ‘মেঘমল্লার ১’,শিল্পী: রশীদ আমিন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বিরাষ্ট্রিক সমাধানে গুরুত্বারোপ: ফিলিস্তিন প্রশ্নে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন শুরু by কাউসার মুমিন
ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফিলিস্তিন প্রশ্নের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ও দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে গতকাল গুতেরেস বলেন, “দশকের পর দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতি প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যস্ত থেকেছে, কিন্তু শান্তি অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শব্দ, বক্তৃতা, ঘোষণার বাস্তব জীবনে কোনো অর্থ নেই- কারণ মানুষ এগুলো বহুবার শুনেছে, কিন্তু একইসঙ্গে দেখেছে ধ্বংস ও দখলদারিত্ব এগিয়ে চলছে।”
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দুইটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র- ইসরাইল ও ফিলিস্তিন পারস্পরিক শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে পাশাপাশি অবস্থান করবে, যার রাজধানী হবে জেরুজালেম এবং যা ১৯৬৭-র আগের সীমানা ও আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
দুই-রাষ্ট্র সমাধানের বিরোধীদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে গুতেরেস প্রশ্ন করেন, “বিকল্প কী? এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা যেখানে ফিলিস্তিনিদের সমান অধিকার অস্বীকার করা হবে এবং তারা স্থায়ী দখলের অধীনে বাস করতে বাধ্য হবে? এটাই কি শান্তি? এটাই কি ন্যায়বিচার? এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের শুরুতেই গুতেরেস বলেন, এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট কূটনীতি, আন্তর্জাতিক আইন ও অসংখ্য প্রস্তাবকে উপেক্ষা করে টিকে আছে, তবে এটিকে নিরসন করা সম্ভব। এটি অনিবার্য নয়। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে এটি সমাধানযোগ্য।
তিনি আহ্বান জানান, এই সম্মেলন যেন কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপের সূচনা করে, দখলদারিত্ব শেষ করে দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত করে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত দুটি প্রস্তাব অনুযায়ী এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে সদস্য রাষ্ট্র, পর্যবেক্ষক ও আঞ্চলিক অংশীদাররা অংশ নিচ্ছেন। এতে প্লিনারি অধিবেশন ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক গোলটেবিল বৈঠকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মানবিক সহায়তা, পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে গুতেরেস বলেন, ৭ই অক্টোবর ২০২৩-এ হামাসের হামলাকে তিনি তীব্রভাবে নিন্দা করলেও, ইসরাইলের প্রতিক্রিয়ায় যে ব্যাপক ধ্বংস ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। “গাজা একের পর এক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ নিহত, প্রায় পুরো জনসংখ্যা বারবার বাস্তুচ্যুত এবং অনাহারের ছায়া সকলের উপর ভর করে আছে।”
তিনি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, অবৈধভাবে আটক সকল ব্যক্তির নিঃশর্ত মুক্তি এবং মানবিক সহায়তার পূর্ণ প্রবেশাধিকার দাবি করেন। তিনি বলেন, “এসব শান্তির পূর্বশর্ত নয়-এসবই শান্তির ভিত্তি।”
শেষ বক্তব্যে গুতেরেস বলেন, “এই সংঘাত আর পরিচালনা করে রাখা যাবে না-এটি সমাধান করতে হবে। আমরা পারফেক্ট পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করতে পারি না, আমাদের সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। শান্তি স্বপ্ন নয়, বাস্তব হোক- ফিলিস্তিনিদের জন্য, ইসরাইলিদের জন্য, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য, বিশ্বের জন্য।”
উদ্বোধনী অধিবেশনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ফিলেমন ইয়াংও গাজা যুদ্ধ এবং বৃহত্তর সংকট নিয়ে উদ্বেগ জানান। তিনি বলেন, “এইভাবে আর চলতে পারে না। এখনই সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়, আর কোনো বিলম্ব বা অজুহাত চলবে না।”
এদিকে ফ্রান্স আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে, ফলে চীন ও রাশিয়ার পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে তারা তৃতীয় দেশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরফলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হবে একমাত্র দুটি স্থায়ী সদস্য যারা এখনো ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, যা এই ইস্যুতে তাদের আরও একঘরে করে তুলবে।
যদিও এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না, তবে এটি বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিভাজনকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের সিদ্ধান্তকে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “ওর কথার কোনো গুরুত্ব নেই। এতে কিছুই বদলাবে না।”
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার গাজার মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তবে তিনি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির বিষয়টি একটি যুদ্ধবিরতির সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রত্ব ফিলিস্তিনিদের একটি অখণ্ড অধিকার। একটি যুদ্ধবিরতি আমাদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।”

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজার ছাড়াল
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। আজ মঙ্গলবার উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর ৬৬২ দিনে ৬০ হাজার ৩৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সে হিসাবে প্রতিদিন নিহত হয়েছেন ৯০ জনের বেশি। হামলা শুরুর পর থেকে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭০ ফিলিস্তিনি।
আজও গাজাজুড়ে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদিন সকাল থেকে শুরু করে বিকেল সাড়ে ছয়টায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় নিহত হয়েছেন ১৯ জন। আর আগের ২৪ ঘণ্টায় আহত হয়েছেন মোট ৬৩৭ জন ফিলিস্তিনি। গাজার মোট জনসংখ্যা ২১ লাখ।
গাজায় নিজেদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসকে নির্মূল করা বলে দাবি ইসরায়েলের। তবে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত প্রায় সবাই নারী, শিশুসহ বেসামরিক ফিলিস্তিনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপত্যকাটিতে ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। সোমবার ইসরায়েলভিত্তিক দুটি মানবাধিকার সংস্থাও একই কথা বলেছে।
গাজায় যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ত্রাণ
আন্তর্জাতিক চাপের মুখে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের ওপর বিধিনিষেধ আগের তুলনায় শিথিল করেছে ইসরায়েল। উপত্যকাটির কিছু এলাকায় প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এ ছাড়া উড়োজাহাজ থেকে ত্রাণ ফেলছে কয়েকটি দেশ। তবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ডব্লিউএফপি) অভিযোগ, গাজায় প্রয়োজনীয় পরিমাণ ত্রাণ যাচ্ছে না।
ডব্লিউএফপির পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকা আঞ্চলিক ব্যুরোর জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক প্রকল্প উপদেষ্টা রস স্মিথ বলেন, ‘আমরা যে পরিমাণ ত্রাণের জন্য অনুমতি চেয়েছিলাম, তা পাইনি। এই শতাব্দীতে এর আগে এমন কিছু দেখা যায়নি।’ ডব্লিউএফপির তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতিতে রয়েছেন। অপুষ্টিতে ভোগা ৯০ হাজার নারী-শিশুর বিশেষ চিকিৎসা প্রয়োজন।
ডব্লিউএফপির মতো একই ভাষ্য ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের (আইপিসি)। তারা বলছে, গাজায় প্রতি মাসে ৬২ হাজার টন খাবার প্রয়োজন। তবে ইসরায়েলের ত্রাণ সমন্বয়কারী সংস্থা সিওজিএটির তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে উপত্যকাটিতে মাত্র ১৯ হাজার ৯০০ টন খাবার প্রবেশ করেছে। আর জুনে করেছে ৩৭ হাজার ৮০০ টন।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় প্রতিদিনই অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে ইসরায়েলের গাজা অবরোধ শুরুর পর থেকে অনাহারে অন্তত ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮ জনই শিশু। বেশির ভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বিগত কয়েক সপ্তাহে।
‘দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের বিকল্প নেই’
গাজায় ইসরায়েলের নৃশংসতার মধ্যে গতকাল সোমবার ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘের সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ফ্রান্স ও সৌদি আরব। সম্মেলনে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ নোয়েল-ব্যারট বলেছেন, ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বেঁচে থাকার যে বৈধ আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তাতে সহায়তা করতে পারে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান।
সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, গাজায় ইসরায়েল যে নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, তা অসহনীয়। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে অবৈধভাবে পশ্চিম তীরকে বিচ্ছিন্ন করছে দেশটি। ইসরায়েলে এই দুই পদক্ষেপই বন্ধ করতে হবে।
এরই মধ্যে সোমবার এক চিঠিতে নেদারল্যান্ডস সরকার জানিয়েছে, গাজা পরিস্থিতির নিন্দা জানাতে দেশটিতে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হবে। এ ছাড়া ইসরায়েলি মন্ত্রী বেন-গভির ও বেজালাল স্মতরিচের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি।
![]() |
| ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার গাজা নগরীতে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
July
(186)
-
▼
Jul 30
(6)
- ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় গাজায়: নিহত ৬০,০০...
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রত্যয়: জাতিসংঘে ‘নিউ...
- ক্যাম্প ডেভিড বৈঠকের ২৫ বছর, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ক...
- চারুশিল্প- রশীদ আমিনের রং-রাগ by শামসেত তাবরেজী
- দ্বিরাষ্ট্রিক সমাধানে গুরুত্বারোপ: ফিলিস্তিন প্রশ্...
- গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ হাজার ছাড়াল
-
▼
Jul 30
(6)
-
▼
July
(186)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


