Tuesday, August 17, 2010
মাহে রমজানের পবিত্রতা -সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ইসলাম তার অনুসারীদের সামগ্রিকভাবে সৌন্দর্যমণ্ডিত দেখতে চায়। তাই ধর্মপরায়ণ রোজাদার ব্যক্তির শরীর-মন, পোশাক-পরিচ্ছদ পরিচ্ছন্ন রাখার প্রয়োজন অত্যাবশ্যক। আরবিতে পরিচ্ছন্নতার প্রতিশব্দ হচ্ছে ‘তাহারাত’, ‘নাজাফাত’ বা ‘জাকাত’-এর অর্থ পবিত্রতা, পরিষ্কার-পরিপাটি ও দুর্গন্ধমুক্ত নির্মল অবস্থা। ইসলামের পরিভাষায় বিশেষ পদ্ধতিতে অর্জিত দেহ, মন, পোশাক, স্থান বা পরিবেশের পবিত্রতা ও নির্মলতাকে পরিচ্ছন্নতা বলা হয়। হাদিস শরিফে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অর্ধেক বলা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেছেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।’
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মাহে রমজানে সুস্থ-সবল দেহ-মন নিয়ে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করা ও তা কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে শরীর, মন, পোশাক-পরিচ্ছদ ও পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন তথা পবিত্র রাখা। পোশাক পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা নির্দেশ জারি করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা প্রতি নামাজের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করবে।’ (সূরা আল-আরাফ, আয়াত-৩১)
রমজান মাসে পোশাক-পরিচ্ছদ পবিত্র রাখা ইবাদতের ক্ষেত্রে ফরজ। দৈহিক রোগব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে হলে শরীরকে সব সময় পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়, দৈনন্দিন জীবনে রোজাদারদের কাপড়চোপড় ধৌত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হয় এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পাত্র থেকে খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। নবী করিম (সা.)-এর অন্যতম সুন্নত হচ্ছে রমজান মাসে সেহির ও ইফতার তথা সব সময় পানাহারের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নেওয়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘তোমাদের কেউ ঘুম থেকে উঠে হাত তিনবার না ধুয়ে যেন কোনো পাত্রে হাত না ঢোকায়।’ (বুখারি ও মুসলিম) তিনি আরও বলেছেন, ‘নখ কাটা ফিতরাত তথা নবীদের সুন্নত।’ (আবু দাউদ)
আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা সম্বন্ধে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিকে সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত বলে প্রমাণ করে। পরিচ্ছন্নতার প্রথম পর্যায় শারীরিক পবিত্রতা। শরীর অপবিত্র-অপরিচ্ছন্ন থাকলে নানা ধরনের রোগ হয়। প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ বা মিসওয়াক না করলে দাঁতের মাড়িতে রোগ হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যায়। প্রস্রাব-পায়খানা ভালোভাবে না হলে এবং নখ বড় রাখলে রোজাদারদের পেটের অসুখসহ বিভিন্ন রকম পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। রমজান মাসসহ সর্বাবস্থায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে দেহ-মন ভালো থাকে, ধর্মীয় কাজে উদ্দীপনা আসে।
ইসলামের সব গুরুত্বপূর্ণ অত্যাবশ্যকীয় ইবাদত যেমন—নামাজ, রোজা, হজ, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি কাজে শরীর, পোশাক ও স্থান পরিষ্কার ও পবিত্র হওয়া অপরিহার্য। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য প্রতিদিন পাঁচবার ওজু করতে ১৫ বার হাত, পা, নাক, মুখ, চোখ ও মাথা ধুতে হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) শরীর পরিষ্কার রাখতে ধর্মভীরুদের জোরালো তাগিদ দিয়ে বলেছেন, ‘আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টদায়ক না মনে করতাম তাহলে প্রতি নামাজের ওজুর সঙ্গে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।’ (বুখারি) চুল, নখ ইত্যাদি বড় হলে দৃষ্টিকটু লাগে। তাই দৈহিক সৌন্দর্য রক্ষার জন্য এগুলো থেকে পরিচ্ছন্নতা অর্জন করতে হয়। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে একদা এলোমেলো চুলের অধিকারী এক ব্যক্তিকে দেখে নবী করিম (সা.) বললেন, ‘যার মাথার চুল আছে, সে যেন তার পরিচর্যা করে।’ (আবু দাউদ)
রোজাদারদের নামাজ কবুল হওয়ার জন্য পোশাক-পরিচ্ছদকে অবশ্যই পবিত্র রাখতে হবে। শরীর পাক, কাপড় পাক, জায়গা পাক—এগুলো হচ্ছে নামাজের পূর্বশর্ত। তা ছাড়া মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মের প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত সমাজে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকের সঙ্গে ওঠাবসা, চলাফেরা ও মেলামেশা করতে হয়। বিভিন্ন রকম শারীরিক পরিশ্রম করতে মানুষের হাত-পা, দেহ ময়লা হয়ে যায়। পোশাক-পরিচ্ছদ অপরিষ্কার ও আবর্জনাযুক্ত থাকলে সমাজের কেউ তাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে চায় না। তাই সামাজিক জীবনে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে হলে দেহ-মন, পোশাক-পরিচ্ছদ পরিচ্ছন্ন রাখা একান্ত জরুরি। যে রোজাদার ব্যক্তি ভেতরে-বাইরে পবিত্রতা অর্জন করে সে অবশ্যই সাফল্য লাভ করে। আর যারা পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন এবং যারা পবিত্র থাকে তাদেরও ভালোবাসেন।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত-২২২)
সমাজ জীবনে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে বেঁচে থাকার জন্য চাই সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। যেখানে সেখানে উন্মুক্ত স্থ্থানে ময়লা-আবর্জনা, কফ, থুথু ও মলত্যাগে পরিবেশ দূষিত হয়ে জনস্বাস্থ্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে। এ জন্য বসতভিটা, রাস্তাঘাট, খোলা মাঠ, বাড়ির আঙিনা প্রভৃতি পরিবেশদূষণ ও আবর্জনামুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন। এসব পারিপার্শ্বিক এলাকা অপরিচ্ছন্ন থাকলে মানবজীবন দুবির্ষহ হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে এগুলো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন থাকলে রোজাদার ব্যক্তির সানন্দে কাজ করতে, চলতে-ফিরতে মনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ আসে ও ইবাদত-বন্দেগিতে পরিতৃপ্তি লাভ করা যায়। এ মর্মে মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ সুন্দর এবং সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন।’ (মুসলিম)
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইহকাল ও পরকালে সফলতা লাভের সহায়ক। মাহে রমজানে ধর্মপ্রাণ মানুষের শরীর, মন, পোশাক-পরিচ্ছদ ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টি, ইহলৌকিক কল্যাণ তথা সুস্থতা-সৌন্দর্য ও পারলৌকিক মুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রকৃত রোজাদার মুসলমান হিসেবে ইসলামের যথার্থ দিকনির্দেশনার আলোকে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সদা সচেতন থাকা আমাদের মানবিক, সামাজিক ও ঈমানি দায়িত্ব এবং অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। তাই পূত-পবিত্র পরিচ্ছন্ন দেহ-মন নিয়ে মহিমান্বিত রমজান মাসে আল্লাহ তাআলার ইবাদত করে সমাজে একে অপরের প্রতি সাহায্য-সহযোগিতা ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করা উচিত।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেয়ারবাজার, সূচক এবং কালো মেঘ by হানিফ মাহমুদ
কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বরাবরই প্রচার করা হচ্ছে, বাজার আগের চেয়ে অনেক পরিণতি লাভ করেছে। বড় ধরনের বিপর্যের কোনো আশঙ্কা নেই। কিন্তু একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলেই দেখা যাবে, বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশ্বাসের মধ্যে অনেক ফাঁকি আছে। সূচক থেকে শুরু করে বাজারে নজরদারি—সবকিছুতেই নানা মাত্রার ত্রুটি রয়েছে।
অনেকেরই মত, জুয়াড়ি চক্রই নিয়ন্ত্রণ করছে দেশের পুঁজিবাজারকে। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্রোকারেজ হাউসের মালিক ও প্রতিনিধি, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির শীর্ষ কর্তাব্যক্তি এবং বেশ কিছু বড় ব্যবসায়ী এই চক্রের সদস্য। এঁদের মধ্যে আবার কেউ কেউ ছিয়ানব্বইয়ের শেয়ার কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে। তাঁরা কী ছক আঁকছেন, এর ওপর নির্ভর করে সে সপ্তাহে শেয়ারবাজার কেমন যাবে। অভিজাত ক্লাব ও পাঁচতারা হোটেলে নানা ধরনের কারসাজি প্রস্তুত করার জন্য গোপন বৈঠকও হয় নিয়মিত। অর্থ মন্ত্রণালয়, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের কিছু সদস্য এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থারও কেউ কেউ এঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে থাকেন। গণমাধ্যমের কিছু কর্মীও এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকের গোপন তথ্য তাঁরা আদান-প্রদান করছেন সংবাদটি বাজারে আসার আগেই।
পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০০৫-০৬ থেকে ২০০৮-০৯—এই চার বছরে সংস্থা ২৩৬টি সন্দেহজনক অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে। আর তদন্ত হয়েছে মাত্র ৩৭টি ঘটনার। শাস্তি দেওয়া হয়েছে আরও কমসংখ্যক ঘটনায়। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, এসইসির দুর্বলতার কারণেই শেয়ারবাজারের এসব দুষ্টচক্র কোনো শাস্তি পাচ্ছে না।
ছিয়ানব্বইয়ের কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অনেকেই বর্তমান বাজারে আবারও সক্রিয় রয়েছেন—এমন তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। কিন্তু তাঁদের থামানোর ব্যাপারে কোনো জোরালো উদ্যোগ নেই।
তবে এসবের চেয়ে জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এসইসির শক্ত নজরদারির ব্যবস্থা। সংস্থাটির বয়স ১৭ বছর অতিক্রম করতে চলেছে, কিন্তু বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষা এবং বাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিজস্ব কোনো সার্ভেইলেন্স সফটওয়্যার নেই। এ ধরনের একটি সফটওয়্যারের ব্যয় তিন লাখ ডলার বা দুই কোটি টাকা। এর জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) কারিগরি সহায়তা ও অর্থ দিতেও রাজি আছে। তবে এ ব্যাপারে কমিশন ধীরে চলছে।
বর্তমানে এসইসি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সফটওয়্যার ব্যবহার করে নজরদারি করে থাকে। মাত্র দুজন লোক দিয়ে প্রতিদিনের বাজার নজরদারি করা হয়। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরেই শেয়ারবাজারে সুশাসন আনতে নজরদারি ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার কথা বলে আসছেন। এডিবির পক্ষ থেকেও দীর্ঘদিন ধরে কমিশনকে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। নজরদারিব্যবস্থার দুর্বলতার বিষয়টি উল্লেখ করে এর আগে কয়েক দফা সরকারের শীর্ষ মহলকে অবহিত করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেয়ার কেনাবেচার পদ্ধতি কম্পিউটার ভিত্তিক হয়েছে। কিন্তু এর জন্য কোনো ডিজিটাল নজরদারিব্যবস্থা স্থাপন করা হয়নি।
সম্প্রতি আরও একটি ঘটনা বিনিয়োগকারীদের ভাবিয়ে তুলেছে। যে সূচকটির ভিত্তিতে প্রতিদিনের বাজারের প্রবণতা উঠে আসে, সেটি দীর্ঘদিন ধরে ভুলভাবে পরিমাপ হয়ে আসছে। ভুল পদ্ধতিতে সূচক গণনার জন্য সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সিদ্ধান্তটি নেওয়ার পর এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, সূচক নির্ণয়ের ব্যাপারে স্টক এক্সচেঞ্জের কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল। এসব বিচ্যুতি অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তাই ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্যই এ জরিমানা করা হয়েছে।
বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, এ রকম একটি ভুল সূচকের ওপর ভিত্তি করেই প্রতিদিন বাজারে হাজার কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সূচক হিসাবের দাবি করলেও ডিএসই সচেতনভাবে ভুল সূচক পরিমাপ করে আসছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনস (আইএসকো) নির্ধারিত পদ্ধতি বা সূত্র অনুসারে সূচক হিসাবের ক্ষেত্রে যেকোনো নতুন শেয়ার বাজারে এলে প্রথম দিনেই এর মূল্যের ওঠানামাকে বিবেচনা না করে দ্বিতীয় দিনের বাজার প্রারম্ভিক দামকে সূচকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিমাপ করতে হয়। কিন্তু ১৯৯৮ সালে সূচক পরিমাপের ক্ষেত্রে আইএসকো সূত্র অনুসরণের ঘোষণা দিলেও ডিএসই এই বিধি মেনে সূচক পরিমাপ করে না। বরং নতুন শেয়ারের বাজারে লেনদেন শুরুর প্রারম্ভিক দামকে বিবেচনা করে সূচক পরিমাপ করে আসছে। আর এ কারণেই গ্রামীণফোনের লেনদেন যেদিন শুরু হয়, সেদিন ডিএসইর সাধারণ সূচক ৭০৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
ডিএসই আন্তর্জাতিক রীতিনীতি না মানার পাশাপাশি অনেক স্বেচ্ছাচারিতা করেছে বিভিন্ন সময়। এসইসি থেকে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত যমুনা অয়েল কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় ২০০৮ সালের ৯ জানুয়ারি। কিন্তু এর তিন দিন পর ১৩ জানুয়ারি কোম্পানিটির লেনদেনের তথ্য সূচকে যুক্ত হয়। একই ঘটনা ঘটে সরাসারি তালিকাভুক্ত বেসরকারি খাতের দুই কোম্পানি এসিআই লিমিটেড ও শাইনপুকুর সিরামিকসের ক্ষেত্রে। এ দুই কোম্পানি সূচকে যুক্ত হয় চতুর্থ লেনদেন দিবসে। অথচ মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও নাভানা সিএনজি লেনদেনের প্রথম দিনেই সূচকে যুক্ত হয়। কিন্তু এ ধরনের বিকৃত সূচক ব্যবস্থাকে দ্রুত সংশোধনের ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা স্টক এক্সচেঞ্জ কারোরই কোনো উদ্যোগ নেই।
তা ছাড়া, বেসরকারি খাতের বেশ কিছু ব্যাংক নিয়ম ভেঙে শেয়ারবাজারের ফটকা বিনিয়োগে বড় আকারে জড়িয়ে পড়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইনে পরিষ্কারভাবে বলা আছে, কোনো ব্যাংকের ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ সমষ্টিগতভাবে ব্যাংকের মোট দায়ের ১০ ভাগের বেশি হতে পারবে না। কিন্তু এই সীমা না মানার কারণে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েকটি ব্যাংককে সতর্ক করে দিয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বেঁধে দেওয়া সীমার তোয়াক্কা না করে রীতিমতো বড় আকারে বিনিয়োগ করে বসে আছে সাতটি ব্যাংক। এগুলোর মধ্যে শীর্ষ তালিকায় আছে আল-আরাফাহ ব্যাংক। বেসরকারি এই ব্যাংকটি মোট দায়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ অর্থ শেয়ারে বিনিয়োগ করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংক সাড়ে ২৪ শতাংশ, ট্রাস্ট ব্যাংক প্রায় ২৩ শতাংশ, সিটি ব্যাংক ২২ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক প্রায় ২২ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ২১ শতাংশ এবং আইএফআইসি ব্যাংক প্রায় ১৯ শতাংশ।
এ ধরনের প্রবণতা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদের মত হলো, কোনোভাবেই ১০ শতাংশের বেশি ব্যাংকের অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে না। কারণ এই বাজার একটি ফটকা বাজার। আমানতকারীর জামানতের টাকা এ ধরনের বাজারে সীমার বাইরে বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত কঠোরভাবে তদারকি করা।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) এ বিষয়ে আগে কয়েক দফা সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও নীতিনির্ধারকদের। তাদের পর্যবেক্ষণ, প্রথাগত ব্যাংক কার্যক্রমের বাইরে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো তাদের কর্মকাণ্ড ও সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছে, যা দেশের ব্যাংক খাতের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে। এ রকম পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারের পতন ঘটলে তা কোনো কোনো ব্যাংকের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
শেয়ারবাজারের তেজিভাব নিশ্চয়ই বিনিয়োগকারীদের খুশির কারণ; কিন্তু যেসব দুর্বলতা ও ঝুঁকি রয়েছে, তাতে শঙ্কার কালো মেঘ যে পুরোপুরি কেটেছে, তা জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। তাই সময় থাকতে সতর্ক না হলে আমাদের অর্থনীতির পালে এর জোর ধাক্কা লাগতে বাধ্য।
হানিফ মাহমুদ: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাছ শিকারে কীটনাশক -আত্মবিনাশী এই অপকর্ম এখনই বন্ধ করুন
প্রথম আলোয় রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেল, ইলিশ ধরার মৌসুমে এখন সেই মারাত্মক মচ্ছবই চলছে সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদ-নদীতে। জোয়ার আসার কিছু সময় আগে জেলেরা চিঁড়া, ভাত ইত্যাদির সঙ্গে বিষাক্ত কীটনাশক মিশিয়ে তা ছিটিয়ে দেন নদ-নদী ও খালগুলোর পানিতে। তার কিছু সময় পরে পুরো এলাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে ওঠে। জেলেরা ‘কম পরিশ্রমে’ সেসব মাছ সংগ্রহ করে বাজারে সরবরাহ করেন। কী মারাত্মক বিপর্যয়কর ক্রিয়াকলাপ!
বিষ প্রয়োগের ফলে শুধু মাছই মরে না, নির্বিচারে মারা পড়ে সব জলজীব। সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশে মারাত্মক দূষণ ঘটে। ফলে শুধু জলজীব ও অণুজীবগুলো নয়, ডাঙার প্রাণী তথা সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। আর বিষ প্রয়োগের ফলে মরা মাছ মানবস্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মানুষ এতটা আত্মঘাতী হতে পারে কী করে, তা ভেবে বিস্মিত হতে হয়।
দরিদ্র জেলেরা বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের এই সহজ পন্থা অনুসরণ করেন কম পরিশ্রমে অধিক মুনাফা লাভের আশায়। সুন্দরবনের ভেতর বিভিন্ন খাল ও নদী-নালায় মাছ ধরতে বন বিভাগের অনুমতিসংবলিত ‘পাস’ নিতে হয়। এ রকম পাস নিয়ে বা না নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনের ভেতরে ঢুকে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার করেন। বন বিভাগের কিছু লোক যে এ বিষয়ে কিছু জানেন না, তা মোটেই নয়। তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে তাঁরা উৎকোচ নেন। স্থানীয় কিছু আড়তদার, দাদন ব্যবসায়ী এমনকি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতাও বিষ প্রয়োগে মাছশিকারি জেলেদের নানাভাবে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ আছে। সব মিলিয়ে বিষয়টি দাঁড়াচ্ছে এমন—সবাই মিলে মেতে উঠেছে এই চরম অদূরদর্শী ও আত্মঘাতী অপকর্মে।
কিন্তু এভাবে এটা চলতে দেওয়া যায় না। প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর, চরম আত্মবিনাশী এই অপকর্ম বন্ধ করতে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশন -কথা ও কাজে মিল থাকা চাই
যদিও কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এই সংখ্যা ৬৮তে নামিয়ে আনার ‘বাস্তবতা’ মেনেছিলেন। কিন্তু সে প্রস্তাব সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে ৩৮-এ দাঁড়ায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর পর তা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশি বাস্তবতার শিকার হয়। তারা মোট ২৮ জন লোকবল বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে ১১ জন হলেন সহায়ক কর্মী। কাজের কাজ করতে হারাধনের রইল বাকি ১৭। মানবাধিকার আইনে বিভাগ ও জেলা সদরে স্বতন্ত্র দপ্তর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা স্বীকৃত। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এ মুহূর্তে এ ধরনের কোনো চিন্তাভাবনা আছে বলে মনে হয় না। বোঝাই যাচ্ছে, পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে একটি ছোটখাটো তদন্ত দল করার চেয়ে বেশি কিছু করা সম্ভব নয়।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জন্ম নেওয়া এই প্রতিষ্ঠানকে বহুদিন কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকার কমিশন পুনর্গঠন করেছে। কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানের সুবচনও দেশবাসী জানতে পারছে গণমাধ্যমের কল্যাণে। ৭ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে মানবাধিকার ও পুলিশ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে তিনি একটি অপ্রিয় সত্য উচ্চারণ করেন যে স্বাধীনতার পর সব সরকার পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। তিনি আরও বলেন, কোনো অজুহাতেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যাবে না। সমস্যাটা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির। তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘এনকাউন্টার’ প্রশ্রয় পাওয়ার বিষয়টিও সর্বজনবিদিত। এখন সরকারকেই এটা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। মানবাধিকার কমিশনকে দিয়ে এটা রোধ করা যাবে না। ‘পুলিশকে রাজনৈতিক কিংবা দলীয়’ কাজে ব্যবহারের সমস্যাও মূলগতভাবে রাজনৈতিক। সরকারের উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দলীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। এই খবরটা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পরিষ্কার থাকতে হবে। কিন্তু তার পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা যে ঘটবে না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। সে ক্ষেত্রে একটি সচল ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন পারে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে।
আশা করব, মানবাধিকার কমিশনকে যেন একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত না করা হয়। কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান বক্তৃতা-বিবৃতিতে যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তার সিকি ভাগ বাস্তবায়ন করতে হলে এটিকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে। দুদক ও তথ্য অধিকার কমিশনকে দুর্বল করায় গণতন্ত্রের ভিত শক্ত হচ্ছে না। ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সরদার না করে মানবাধিকার কমিশনকে প্রয়োজনীয় লোকবল দিতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসজিদ নির্মাণ নিয়ে নিজের বক্তব্যের সমর্থনে ওবামা
গত শনিবার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বিল বার্টন বলেন, শুক্রবারের ওই বক্তব্য থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামা সরে আসেননি। তিনি বলেন, ‘গত রাতে (শুক্রবার রাতে) প্রেসিডেন্ট যা বলেছেন, আজও (শনিবার) তা-ই বলেছেন। তাঁর বক্তব্য হলো, ওই এলাকায় যদি গির্জা, সিনাগগ (ইহুদিদের উপাসনালয়) অথবা হিন্দু মন্দির বানাতে কোনো অসুবিধা না থাকে তাহলে সেখানে কেউ মসজিদ নির্মাণ করতে চাইলে আপনারা তাদের বাধা দিতে পারেন না।’
নিউইয়র্কের মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ প্রেসিডেন্ট ওবামার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। ফ্লোরিডার গভর্নর চার্লি ক্রিস্টও ওবামাকে তাঁর ওই বক্তব্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।
গত শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউজে রমজান শুরু উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে ওবামা বলেন, ‘একজন নাগরিক এবং একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে দেশের অন্য ধর্মাবলম্বীদের মতো মুসলিমদেরও সমান অধিকার রয়েছে।’
গ্রাউন্ড জিরোতে এই মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক চলছে। মার্কিন নাগরিকদের একটি অংশ এই মসজিদ নির্মাণ পরিকল্পনার বিরোধী। মসজিদ নির্মাণে বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিন, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকান দলীয় সাবেক স্পিকার নেওট জিংরিচের মতো রাজনীতিকেরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দারফুরে দুই শান্তিরক্ষীকে অপহরণ
বিবৃতিতে বলা হয়, অপহূত দুই পুলিশ কর্মকর্তা জর্দানের নাগরিক। তাঁদের গত শনিবার দক্ষিণ দারফুরের রাজধানী নায়ালা থেকে অপহরণ করা হয়।
জর্দান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আলি আয়াদ জানিয়েছেন, কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি শনিবার সকালের দিকে শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত তাঁদের দুই সদস্যকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গেছে। এ পর্যন্ত তাঁরা যে খবর পেয়েছেন, তাতে অপহূত ব্যক্তিরা এখনো অক্ষত অবস্থায় আছেন।
মন্ত্রী জানান, দুই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের ভালো খাবার-দাবার দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা সুস্থ আছেন। তাঁদের পরিবারের লোকজনকেও এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জর্দান সরকার তাঁদের নিরাপত্তা ও মুক্তির ব্যাপারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আলি আয়াদ আরও জানান, অপহরণকারীদের সঙ্গেও তাঁদের যোগাযোগ হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, জর্দান সরকারের সঙ্গে তাঁদের কোনো বিরোধ নেই। জাতিসংঘ তাঁদের দাবি মেনে নিলেই অপহূত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হবে। অবশ্য অপহরণকারী ব্যক্তিদের দাবির ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।
২০০৯ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত তিনবার দারফুরে জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের অপহরণ করা হলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনে ভূমিধসে নিহতদের স্মরণে জাতীয় শোক দিবস পালন
সরকারি টেলিভিশনে বলা হয়, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত গানসু প্রদেশের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা ঝউকুর হাজারো বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মী তল্লাশিকাজ বন্ধ রেখে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ সময় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে তিন মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনেক উদ্ধারকর্মী শাবল হাতে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
গত সপ্তাহান্তের ওই ভূমিধসে কয়েকটি গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে যায়। সরকারি হিসাবে ওই ঘটনায় এক হাজার ২৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছে। ৫০৫ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, স্মরণানুষ্ঠানের পরপরই উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসাকর্মীরা আবার নিজ নিজ কাজে ফিরে যান। নদী থেকে ধ্বংসাবশেষ সরানো, ধ্বংস্তূপের নিচে আটকে পড়া মৃতদেহ উদ্ধার ও রোগজীবাণু বিস্তার রোধে সংক্রামক রোগজীবাণুনাশক ছিটানোর কাজ শুরু করেন তাঁরা।
খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওসহ অন্য শীর্ষ নেতারাও নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। দেশজুড়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চীনা দূতাবাসেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। সিনেমা ও অনলাইন গেমসের মতো সব ধরনের নাগরিক বিনোদন বন্ধ রাখা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার খাদ্যশস্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা
রাশিয়া গম, বার্লি ও রাই উৎপাদনকারী শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। খাদ্যশস্য রপ্তানির ওপর রাশিয়ার এই নিষেধাজ্ঞার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মতো কয়েকটি জায়গায় রুটির দাম বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশের অভ্যন্তরে খাদ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যশস্য রপ্তানির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটি।
তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা গেছে, চলতি বছরের খাদ্যশস্যে অভ্যন্তরীণ চাহিদাও পূরণ হবে না।
রাশিয়া থেকে বিশ্বের অনেক দেশে খাদ্যশস্য রপ্তানি করা হয়। কিন্তু কয়েক মাসের অনাবৃষ্টিতে ফসলের খেত শুকিয়ে গেছে। দাবানলে পুড়ে গেছে খেতের ফসল। আর খাদ্যশস্যের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় কমে গেছে কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ।
ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আটার দাম অনেক বেড়ে গেছে। মস্কোতে রুটির দাম বেড়ে গেছে ২০ শতাংশ।
ঠিক কখন খাদ্যশস্য রপ্তানির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে, তা নিশ্চিত করে জানাননি রুশ নেতারা।
প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ পূর্বাভাস দিয়েছেন চলতি বছরের শেষের দিকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০১১ সালেও এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকতে পারে।
পুতিন বলেন, চলতি বছর খাদশস্যের উৎপাদন ৬০ মিলিয়ন টনে নেমে আসতে পারে। গত বছর দেশটিতে ৯৭ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য রাশিয়ার প্রায় ৮০ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্যের প্রয়োজন। খাদ্যশস্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য দেশটির আরও ২০ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্যের দরকার হতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার বিতর্কিত স্মৃতিসৌধে যাননি জাপানের মন্ত্রীরা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের শীর্ষ ১৪ যুদ্ধাপরাধীসহ নিহত প্রায় ২৫ লাখ জাপানির স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে ইয়াসুকুনি স্মৃতিসৌধ।
কার্যত একটানা প্রায় অর্ধশতাব্দী শাসনের পর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (এলডিপি) ক্ষমতা থেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাওতো কানের মধ্য-বামপন্থী ডেমোক্রেটিক পার্টি ক্ষমতায় আসার পর এটাই প্রথম আত্মসমর্পণের বার্ষিকী পালন।
প্রধানমন্ত্রী কান এবং সম্রাট আকিহিতো টোকিওতে একটি স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এখান থেকে ৬৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেছিলেন সম্রাট আকিহিতোর বাবা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কান বলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের কারণে অনেক মানুষকে, বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোতে লোকজন অনেক কষ্ট পেয়েছে এবং অনেক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। এজন্য আমি গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করছি এবং হতাহত মানুষ ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
সম্রাট আকিহিতো বলেন, ‘আজ এখানে দাঁড়িয়ে আমি ইতিহাসকে স্মরণ করছি এবং আন্তরিকভাবে আশা করছি, যুদ্ধের ভয়াবহতার আর কখনো যেন পুনরাবৃত্তি না হয়।’
অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে একটি সমাধিক্ষেত্রে যান প্রধানমন্ত্রী কান। তিনি সেখানে ফুল দিয়ে বিদেশে রণাঙ্গনে নিহত জাপানি সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তবে কান বা মন্ত্রিপরিষদের কোনো সদস্য ইয়াসুকুনি স্মৃতিসৌধে যাননি। কিন্তু এলডিপি ক্ষমতায় থাকতে নিয়মিত তারা এটা করত। আর এতে করে ক্ষুব্ধ হতো চীন ও দুই কোরিয়া, যেখানে যুদ্ধের সময় জাপানের নৃশংসতা মানুষ এখনো ভোলেনি।
জাপানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালের পর এই প্রথম ইয়াসুকুনি স্মৃতিসৌধে কোনো মন্ত্রীর পরিদর্শন ছাড়াই দিবসটি পালিত হলো।
টাইমস স্কয়ারে অনুষ্ঠান: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির ৬৫তম বার্ষিকী উদ্যাপনের জন্য গত শনিবার টাইমস স্কয়ারে জড়ো হয়েছিলেন শত শত যুগল। মাথায় নাবিক ও সেবিকার টুপি পরা যুগলেরা পরস্পরকে চুমু খেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির বার্ষিকী উদ্যাপন করেন।
গতকাল রোববার ছিল ভি-জে ডে, মিত্র বাহিনী ও জাপানের মধ্যকার যুদ্ধের সমাপ্তির দিন। জাপান অবশ্য ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে একজন নাবিক এক সেবিকাকে আবেগসহকারে চুমু খাচ্ছেন—বিখ্যাত লাইফ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ছবির ওই দৃশ্যটি ফুটিয়ে তোলেন টাইমস স্কয়ারে সমবেত যুগলেরা। উদ্যাপন উপলক্ষে সমাবেশস্থলে ২৬ ফুট উঁচু একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের ৮ শতাংশ শিশুই অবৈধ অভিবাসীর সন্তান
এই গবেষণার ফলাফল সাম্প্রতিক সময়ের একটি উত্তপ্ত রাজনৈতিক বিতর্কের ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছে। এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের বৈধতা অর্জনের পথ রুদ্ধ করতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিধান পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর।
পিউ হিসপ্যানিক সেন্টারের হিসাবে ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালগুলোতে জন্ম নেওয়া ৪৩ লাখ নবজাতকের মধ্যে তিন লাখ ৪০ হাজার শিশুই অবৈধ অভিবাসীদের সন্তান। গবেষণা অনুযায়ী, জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া ৪০ লাখ শিশু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে, যাদের মা-বাবা অবৈধ অভিবাসী।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের ওপর এটাই সবচেয়ে বড় গবেষণাকর্ম। এই গবেষণাকর্ম জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন রসদ জুগিয়েছে। এর আগে প্রতিবছরে অবৈধ অভিবাসীদের কতজন সন্তান জন্মগ্রহণ করে, এ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হিসাব খুব কম ছিল।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনের সমালোচকেরা অবৈধ অভিবাসীর দ্রুত বিকাশমান সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অনলাইন বুকিং কার্যক্রম পাঁচ মাস ধরে বন্ধ
অনলাইন বুকিং বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। তারা মনে করছে, যড়যন্ত্রমূলকভাবে পশ্চিমাঞ্চলের রেলওয়ের অনলাইন বুকিং বন্ধ রাখা হয়েছে।
রাজশাহী রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মাঝামাঝি পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রাজশাহী, ঈশ্বরদী, যশোর ও খুলনা স্টেশনে অনলাইন বুকিং চালু করা হয়। এ জন্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রেলওয়ের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী অনলাইনে প্রতিটি বুকিংয়ের জন্য রেলের কাছ থেকে সিএনএস দুই টাকা ৩৭ পয়সা হারে কমিশন পাবে।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন বুকিং থেকে প্রতি মাসে শুধু রাজশাহী স্টেশনে গড়ে ২০ হাজার টাকা আয় হয়েছে, যা কখনো কখনো বেড়ে ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে।
কিন্তু প্রায় আট মাস চলার পর রাজশাহীতে অনলাইন বুকিং ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সিএনএসের জোন ব্যবস্থাপক নাজমূল হাসান বলেন, ‘চুক্তির সময় কথা ছিল রেলওয়ে তাদের ইথারনেটটি ব্যবহার করার সুযোগ দেবে। কিন্তু রেলওয়ের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ গ্রামীণফোন রেলওয়ের ইথারনেট ব্যবহার করেই ব্যবসা করছে।’
নাজমূল হাসান আরও জানান, অনেক চেষ্টা করে গ্রামীণফোন, রেলওয়ে ও সিএনএস ত্রিপক্ষীয় একটি বৈঠক করে ‘ইথারনেট-ওয়ান’ (ই-১) লাইনটা অনলাইন বুকিংয়ের জন্য কার্যকর করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু দিন পর তা আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন এই লাইনের কোথায় ত্রুটি তা নির্ণয়ে তাঁরা কারও কাছ থেকেই কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
রেলওয়ের বড় কর্মকর্তারা গ্রামীণফোন থেকে সুবিধা পেয়ে থাকেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র শুভাশীষ শুভ জানান, রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম যেতে হলে ঢাকায় গিয়ে ট্রেন পাল্টাতে হয়। কিন্তু আগে থেকে টিকিট কাটা না থাকলে ঢাকায় গিয়ে বাসে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। তাই তাঁরা রাজশাহীতে রওনা দেওয়ার আগেই অনলাইনে টিকিট জোগাড় করে নিতে পারতেন।
রাজশাহী কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাব খোকন অভিযোগ করে বলেন, বাসমালিকদের সুবিধা দেখতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রেলওয়ে অনলাইন বুকিং বিকল করে রেখেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সব কিছুই যখন ডিজিটাল হচ্ছে, তখন অনলাইন বুকিং বন্ধ করে দেওয়া ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।
যোগাযোগ করা হলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক আনহার মাহমুদ বলেন, কারিগরি একটা ত্রুটির কারণে এটা হয়েছে। তিনি প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলতে বলেন।
বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আবদুল আওয়াল ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সিএনএসের ব্যবস্থাপকের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রামীণফোন চুক্তি অনুযায়ী রেলওয়ের কর্মকর্তাদের মোবাইলের সুবিধা দিয়ে থাকে। এটা তাদের দয়া নয়। তিনি আরও বলেন, ই-১ লাইনটা অনলাইনের কাজের জন্য না দিয়ে গ্রামীণফোন ব্যবসা করছে—এ অভিযোগ যদি ঠিক হয়, তাহলে সিএনএস যেন চিঠি দিয়ে জানায়। তখন তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
তাছাড়া বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন টেলিযোগাযোগ বিভাগকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন এডিপিতে অননুমোদিত ও বরাদ্দবিহীন ১১০০ প্রকল্প
চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের নতুন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দবিহীন প্রায় এক হাজার ১০০ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০০ অননুমোদিত এবং ২৯২টি বিদেশি সাহায্য পেলে বাস্তবায়িত হবে। এসব প্রকল্প চলতি অর্থবছর থেকেই বাস্তবায়ন করার কথা বলা আছে।
এর বাইরে এডিপিতে বরাদ্দ পাওয়া নতুন প্রকল্প হচ্ছে মাত্র ৯৪টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৬৮টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১২টি এবং জাপানি ঋণ মওকুফ কর্মসূচির (জেডিসিএফ) আওতায় নেওয়া হয়েছে আরও ১৪টি প্রকল্প।
জানা গেছে, মূল এডিপি দলিলে নতুন প্রকল্প কম দেখানো হলেও অর্থবছরের শুরু থেকেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে (একনেক) প্রায় সপ্তাহেই গড়ে পাঁচটির বেশি প্রকল্প অনুমোদন পাচ্ছে। অনেক প্রকল্প অর্থও বরাদ্দ পাচ্ছে। ফলে এডিপিতে নতুন প্রকল্প কম নেওয়ার ঘোষণা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এ ঘোষণা আর ঠিক থাকছে না।
যেমন, সদ্য সমাপ্ত ২০০৯-১০ অর্থবছরের মূল এডিপি দলিলে প্রকল্প রাখা হয়েছিল ৮৮৬টি। এর মধ্যে নতুন বরাদ্দ পাওয়া প্রকল্প ছিল মাত্র ৩৫টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৭৯৫টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ২০১টি এবং জেডিসিএফের আওতায় ৬৬টি। অথচ সংশোধিত এডিপিতে পুরো চিত্রই পাল্টে গেছে।
সংশোধিত ২০০৯-১০ অর্থবছরের এডিপি অনুযায়ী অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রকল্পের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬২টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৭৯৫, কারিগরি ২০১ ও জেডিসিএফের আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ৬৬টি। গত অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দবিহীন নতুন প্রকল্প রাখা ছিল ৪৯২টি এবং বৈদেশিক সাহায্যপ্রাপ্তির সুবিধার্থে রাখা ছিল আরও ২২৭টি প্রকল্প।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে বিদেশি সাহায্য পাওয়ার সুবিধার্থে রাখা প্রকল্পের সংখ্যা খুব বেশি না বাড়লে অননুমোদিত এবং বরাদ্দবিহীন প্রকল্পের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। তবে নতুন এডিপিতে প্রথমবারের মতো এসব প্রকল্পের জন্য এক হাজার ২৫১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। একনেকে অনুমোদন পেলে এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত এসব প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
চলতি অর্থবছরের জন্য তৈরি এডিপির পরিমাণ সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রা বরাদ্দের পরিমাণ ২৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। আর মূল এডিপিতে বরাদ্দ পাওয়া প্রকল্পের সংখ্যা রাখা হয়েছে ৯১৬টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৬৮৭টি, কারিগরি প্রকল্প ১৫৫টি এবং জেডিসিএফের আওতায় রাখা আছে ৭৪টি প্রকল্প।
সূত্র জানায়, মূলত দলের নেতা-কর্মীদের প্রকল্প গ্রহণের চাহিদা পূরণ করতে গিয়েই এডিপিতে অনুমোদনহীন প্রায় এক হাজার ১০০ প্রকল্প রাখা হয়েছে। সাধারণত, রাস্তা এবং ব্রিজ ও কালভার্ট তৈরির চাহিদাই থাকে বেশি। আর এ কারণেই নতুন এডিপিতে এ ধরনের প্রকল্পের সংখ্যাই বেশি। যেমন, বরাদ্দ ও অনুমোদনবিহীন প্রকল্পের মধ্যে ১২৩টিই রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প। এ ছাড়া বিদেশি সাহায্য পেলে তৈরি হবে আরও ২৯টি সড়ক খাতের প্রকল্প। আবার মূল এডিপিতে বাস্তবায়নাধীন সড়ক খাতের প্রকল্প রয়েছে ৯৬টি।
সূত্র জানায়, আগের রাজনৈতিক সরকারগুলোর মতোই নতুন এডিপিতে রাখা হয়েছে রাস্তা-সেতু-কালভার্ট বানানোর অসংখ্য প্রকল্প। এ ছাড়া রয়েছে কয়েকটি গুচ্ছ প্রকল্প। এসব গুচ্ছ প্রকল্প সুনির্দিষ্ট থাকে না। এ কারণে রাজনৈতিক তদবিরের অনেক প্রকল্প ঢুকে পড়ে এসব গুচ্ছ প্রকল্পে। এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি, পল্লী প্রগতি প্রকল্প, রুরাল লাইভলিহুড প্রকল্প, উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ইত্যাদি।
চলতি অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ ও অনুমোদনহীন নতুন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রকল্প হলো সারা দেশে দুই লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন দুটি খাদ্যগুদাম নির্মাণ, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শেখ রাসেল এভিয়ারি ও ইকো স্থাপন, উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন সম্প্রসারণ প্রকল্প, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন ও সংরক্ষণ প্রকল্প, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প, বরিশাল বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প, মংলা বন্দরের জন্য কনটেইনার হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ভোমরা স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, খুলনা জেলা কারাগার স্থাপন, ১১টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ, ইন্দিরা রোড থেকে পান্থপথ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে যানজট নিরসনে বিকল্প সড়ক নির্মাণ (সোনারগাঁও রেলক্রসিং থেকে মহাখালী রেলক্রসিং পর্যন্ত), বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি প্রকল্প ইত্যাদি।
বিদেশি সাহায্য পাওয়া গেলে বাস্তবায়ন করা হবে এমন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চর জীবিকায়ন কর্মসূচি দ্বিতীয় পর্যায়, আদর্শ গ্রাম-৩, কুষ্টিয়া ও জিলবাংলা সুগার মিলের বিএমআর, আশুগঞ্চে ৪৫০ ও ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী নদীতে ট্যানেল নির্মাণ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ জাহাঙ্গীর গেট থেকে আগারগাঁও রোকেয়া সরণি পর্যন্ত ট্যানেল নির্মাণ, পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে লিংক নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপন, পাগলা/কেরানীগঞ্জ পানি শোধনাগার নির্মাণ, ঢাকার বছিলায় মোহাম্মদপুর এলাকায় জেনেভা ক্যাম্পের এক হাজার অবাঙালি পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য এক হাজার আটটি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প ইত্যাদি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেয়ারবাজারে আজ সাধারণ সূচক ৫০.৪৪ পয়েন্ট কমেছে
আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। লেনদেন হওয়া মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৪টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
লেনদেনে শীর্ষে থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, সামিট পাওয়ার ও বেক্সিমকো।
দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো রিপাবলিক ইনস্যুরেন্স, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, ইস্টার্ন হাউজিং ও রহিম টেক্সটাইল।
দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি হলো আরএন স্পিনিং, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ষষ্ঠ আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচুয়াল ফান্ড ও আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় সিমেন্ট রপ্তানি বাড়ছে
উৎপাদকেরা জানিয়েছেন, ত্রিপুরার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ঘটলে রপ্তানির পরিমাণ আরও অনেক বাড়বে। এমনকি ওই রাজ্যের পুরো সিমেন্টের চাহিদা বাংলাদেশ থেকেই মেটানো সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রিপুরার সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলোর সমন্বিত তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের ক্রাউন সিমেন্ট, সেভেন রিং সিমেন্ট, এমিরেটস সিমেন্ট, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, আরামিট সিমেন্ট, হোলসিম সিমেন্ট, শাহ সিমেন্ট, ফ্রেশ সিমেন্ট ও কনফিডেন্স সিমেন্ট ত্রিপুরা রাজ্যে রপ্তানি হচ্ছে।
আর এসব সিমেন্ট আখাউড়া, বিবিবাজার, বিলোনিয়া, নাকুগাঁ, রৌমারী, শিউলা ও চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন দিয়ে রপ্তানি হয়ে থাকে। তবে এর মধ্যে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়েই বেশি সিমেন্ট রপ্তানি হয়ে থাকে।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে এসব বন্দর ও স্টেশন দিয়ে প্রায় এক লাখ সাড়ে ২৬ হাজার টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে। এর আগে ২০০৭ সালে ৫০ হাজার এবং ২০০৮ সালে সাড়ে ৭৪ হাজার টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে।
কিন্তু ২০১০ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে আখাউড়া দিয়ে ৭০ হাজার টনের বেশি সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে। এ ছাড়া বিবিবাজার দিয়ে ১৫ হাজার ৬৮০ টন, বিলোনিয়া দিয়ে ১৫ হাজার ৬৪৫ টন, নাকুগাঁ দিয়ে চার হাজার টন, রৌমারী দিয়ে পাঁচ হাজার ৮০০ টন, শিউলা দিয়ে নয় হাজার টন ও চাতলাপুর দিয়ে চার হাজার ৭০০ টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে।
২০০৯ সালে যে এক লাখ ২৬ হাজার ৬৫২ টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়, তার মধ্যে আখাউড়া বন্দর দিয়েই ৮০ হাজার ৪৩৭ টন রপ্তানি হয়েছে। এ ছাড়া বিবিবাজার দিয়ে ২৪ হাজার ৮০৫ টন, বিলোনিয়া দিয়ে পাঁচ হাজার ১০ টন, নাকুগাঁ দিয়ে চার হাজার ১০০ টন, রৌমারী দিয়ে ৭০০ টন, শিউলা দিয়ে ছয় হাজার ৬০০ টন ও চাতলাপুর দিয়ে পাঁচ হাজার টন সিমেন্ট রপ্তানি হয়েছে।
বাংলাদেশ সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সমিতির (বিসিএমএ) সহসভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের পরিচালক মো. আলমগীর কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ত্রিপুরার বাজারে বাংলাদেশি সিমেন্টের প্রচুর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশি সিমেন্টগুলো বাজারের বড় অংশই দখল করে ফেলেছে। বর্তমানে ত্রিপুরায় প্রতিবছর সাত লাখ সিমেন্টের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ওই রাজ্যে মাত্র একটি কারখানা রয়েছে। সেটির উৎপাদনক্ষমতা খুবই কম। ফলে ত্রিপুরার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে এবং রেল যোগাযোগ ঘটানো গেলে ওই রাজ্যের পুরো সিমেন্টের চাহিদা বাংলাদেশ থেকেই পূরণ করা সম্ভব হবে।
আলমগীর কবীর আরও বলেন, বাংলাদেশে সর্বমোট ৫৬টি সিমেন্ট কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি কারখানা চালু। এসব চালু কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা এক কোটি ৫৫ লাখ টন। কিন্তু দেশে সিমেন্টের বার্ষিক চাহিদা এক কোটি ৩০ লাখ টন। ফলে উৎপাদন ক্ষমতার তুলনায় চাহিদা কম হওয়ায় অনেক কারখানা পুরোমাত্রার উৎপাদন করতে পারছে না।
আলমগীর কবীর মনে করেন, ত্রিপুরার সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত হলে শুধু ওই রাজ্যেরই নয়, বরং ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্য উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতেও সিমেন্ট রপ্তানি করা সম্ভব হবে। এর ফলে দেশের সিমেন্ট কারখানাগুলো পুরোমাত্রায় উৎপাদন করতে পারবে। অন্যদিকে ভারতের বাজারে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি ব্যাগ সিমেন্ট ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু একই ওজনের এক ব্যাগ সিমেন্ট ত্রিপুরার বাজারে ৪৫০ রুপিতে বিক্রি হয়। ফলে তা রপ্তানিকারকদের কাছে বেশ লাভজনক হয়ে উঠছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে দল পাঠাতে চায় ক্যারম ফেডারেশন
ফেডারেশনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাদের বিশ্বাস জানালেন, ‘আমরা অগ্রণী, জনতা ও সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করছি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও আমাদের আশ্বাস দিয়েছে। আশা করি এই টুর্নামেন্টে আমরা দল পাঠাতে পারব।’
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে চারজন করে পুরুষ ও মহিলা খেলোয়াড়, একজন দলনেতা, একজন কোচ ও দুজন আম্পায়ার অথবা কর্মকর্তার আমন্ত্রণও এসেছে বলে জানিয়েছেন কাদের বিশ্বাস। দল নির্বাচনে ট্রায়াল নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গেই এই সফর হবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসএ গেমসের হিসাব মেলেনি এখনো
এর মধ্যে নিরাপত্তাবিষয়ক উপকমিটির হিসাব নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। জটিলতার সৃষ্টি মতবিরোধ থেকে। কমিটির সদস্যসচিব মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ হিসাব জমা দেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) কাছে। কিন্তু ওই হিসাব অনুমোদন করেননি কমিটির সভাপতি ও বিওএর সহসভাপতি মেজর জেনারেল আসহাব উদদীন এনডিসি পিএসসি। তিনি বিওএকে চিঠি দিয়ে আপত্তি জানান।
বিষয়টা ঝুলে ছিল বেশ কিছুদিন। শেষে সমস্যার সমাধান করতে বিওএর সভাপতি দায়িত্ব দেন বিওএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) ওয়ালিউল্লাহকে। মেজর জেনারেল আসহ্াব উদদীন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে চট্টগ্রামে বদলি হয়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহে সেখানে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন কর্নেল (অব.) ওয়ালিউল্লাহ ও মেজর (অব.) ইমরোজ। এর পরই বিষয়টি সমাধানের দিকে গেছে।
কর্নেল ওয়ালিউল্লাহ জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা কমিটির হিসাবের ব্যাপারে ওনার (মেজর জেনারেল আসহ্াব) কিছু অনুসন্ধান ছিল। সেগুলোর ব্যাপারে ইমরোজ কাগজপত্র দিয়ে বুঝিয়ে দিতে পেরেছেন সফলভাবে। সবকিছু মিলিয়ে দেখেছেন তিনি। বিষয়টির সমাধান হয়ে গেছে। উনি সেটা অনুমোদন করে পাঠিয়ে দেবেন বলেছেন।’
মেজর জেনারেল আসহ্াব উদদীন ফোনে এই প্রতিনিধিকে বলেন, ‘এটা এমন কিছু নয়। ছোটখাটো কিছু বিষয় ছিল। আগে কিছু বিল দেওয়া হয়নি। সে জন্য ওনাদের ডেকে পাঠিয়েছিলাম। এখন সব নিজে দেখেছি এবং সবই ঠিক আছে। এই কমিটির বাজেট ছিল দুই কোটি টাকার ওপর। এক কোটি ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।’
খরচ যা-ই হোক, গত ২৩ জুন বিওএ ভবনে গিয়ে ওই কমিটির স্বেচ্ছাসেবক পরিচয় দিয়ে কিছু তরুণ ভাঙচুর চালায়। টাকা পায়নি বলে দাবি তাদের। এ ব্যাপারে তদন্তের দাবি তুলেছেন বিওএর একাধিক সদস্য।
ওদিকে বারবার তাগিদ দিলেও অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন পূর্ণাঙ্গ হিসাব দেয়নি। না দেওয়ার ব্যাখ্যা এভাবে দিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, ‘আমরা সব হিসাব প্রায় দিয়ে দিয়েছি। বাকি আছে শুধু পরিবহন খাতের হিসাব। এই কমিটির আহ্বায়ক তোফাজ্জল সাহেব (ফেডারেশন কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন)। তাঁকে চিঠি দিয়েছি দ্রুত হিসাব দেওয়ার জন্য।’
ছয় মাস পরও চিঠি দেওয়া হচ্ছে হিসাব দেওয়ার জন্য! বিওএ সূত্রের খবর, গত জুলাইয়ের শেষ দিকে অ্যাথলেটিকসের কিছু চেক আটকে দেওয়া হয়েছিল। তখন অনেক চেষ্টা-তদবির করে আংশিক টাকা ছাড় করিয়েছেন কর্মকর্তারা। এখন নাকি পরিবহন ভাড়ার ভাউচার পাওয়া যাচ্ছে না! তোফাজ্জল হোসেনের মন্তব্য জানা যায়নি অনেক চেষ্টা করেও।
মিডিয়া কমিটির হিসাবও পূর্ণাঙ্গ নয় বলে জানা গেছে, এই কমিটির দেওয়া হিসাবে কমিটির আহ্বায়কের স্বাক্ষর নেই! সদস্যসচিবের স্বাক্ষর আছে কি না, সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। নিয়ম অনুযায়ী কমিটির সভা ডেকে হিসাব অনুমোদন করতে হয়। সেটা করা হয়নি—এমন দাবি বিওএর সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার। তাঁর দেওয়া তথ্য, কিছু ভাউচার নাকি বাকি আছে।
পুরো ব্যাপারটাকে বিশ্লেষণ করলেন মিডিয়া কমিটির সদস্যসচিব মঞ্জুরুল হক, ‘হিসাব দেওয়া হয়েছে। তবে কখনো কমিটির আহ্বায়ককে পাওয়া যায়নি। কখনো আমার ব্যস্ততা ছিল। এ কারণে পূর্ণাঙ্গ মিটিং করা সম্ভব হয়নি। তবে বিওএ হিসাব গ্রহণ করে বলেছিল, অডিটে আপত্তি উঠলে জবাব দিতে হবে কমিটিকে। শিগগির আমরা আনুষ্ঠানিক মিটিং করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করব।’
পরিবহন কমিটির পুরো হিসাবও পাওয়া যায়নি। বিওএর এক কর্মকর্তার কথা, ‘ফোন করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, সব প্রস্তুত, শুধু সভা করে অনুমোদন নেওয়া বাকি। বিওএ অনুরোধ করতে পারে। তারা হিসাব না দিলে কী করার আছে!’ বিওএকে এই ভোগান্তির মধ্যে ফেলেছিল হকি-সাইক্লিংও।
হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনূর বলছেন, ‘এবার অলিম্পিক যেভাবে আর্থিক ব্যাপারটা দেখাশোনা করেছে, তাতে হিসাব না দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আর হিসাব দিতে বড়জোর মাসখানেক লাগতে পারে। এত দিন লাগার কথা নয়।’
আপ্যায়ন কমিটি তাদের হিসাব দিয়ে দিয়েছে। এই কমিটি অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার সহায়তা নিয়েছিল। ভ্যাট, সার্ভিস চার্জসহ নানা রকম খরচ হয়েছে এতে। জানা গেছে, আপ্যায়ন কমিটি গেমসের সময় ৮০ হাজার প্যাকেট সরবরাহ করেছে বলে জানিয়েছে। তাদের খরচ দেড় কোটি টাকার মতো।
কমিটির সদস্যসচিব মাহফুজা আক্তারের (কিরণ) কথা, ‘খরচ বেশি হয়নি আমাদের। কত প্যাকেটের হিসাব দিয়েছি মনে নেই। আমাদের খাওয়া ছিল আনলিমিটেড। শুধু আপ্যায়ন নয়, সেনাকুঞ্জে ডিনার, শ্রীলঙ্কা থেকে আনা সাংস্কৃতিক দলের থাকা-খাওয়ার খরচও এর অন্তর্ভুক্ত।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেকহামের পাশে সাবেক গুরু
চোটগ্রস্ত বেকহামের ক্যারিয়ারে যতি বসিয়ে দেওয়ার ক্যাপেলোর পদ্ধতিটা মোটেও পছন্দ হয়নি এরিকসনের। বেকহামের দরদি হয়ে এরিকসন তাই বলছেন, ক্যাপেলোর উচিত ছিল অন্য পন্থায় ডেভিডের ক্যারিয়ার শেষ করা। সেই অন্য পন্থাটা কী? এরিকসন বলছেন, বেকহামের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করে বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে পারতেন ক্যাপেলো। এবং সেটাই হতো ১১৫টি ম্যাচ খেলা বেকহামের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন।
বেকহামকে অবহিত না করেই দিন কয়েক আগে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তাঁর সমালোচনা করে ক্যাপেলো বলেছিলেন, ‘ওর বয়সটা মনে হয় একটু বেশি-ই।’ চার বছর আগে ইংল্যান্ডের দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়া এরিকসন বিবিসি রেডিও ফাইভকে বলেছেন, ‘আপনি তাই করবেন, যেটা সম্মানজনক।’ গত বুধবার হাঙ্গেরির বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। ক্যাপেলোর সিদ্ধান্তে জয় পাওয়া ওই ম্যাচের আগেই শেষ হয়ে গেছে বেকহামের ক্যারিয়ার। তবে লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সি তারকার এজেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বেকহাম ইংল্যান্ডের জার্সি পরে খেলে যাওয়ার ইচ্ছেটা এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন।
তা বেকহাম আবারও জাতীয় দলে ফিরুক কিংবা ক্যারিয়ার এখানেই শেষ হয়ে যাক, তা নিয়ে এরিকসনের মাথাব্যথা নেই। তিনি বিশ্বাস করেন, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে খেলা একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনা করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, ‘যদি কোনো খেলোয়াড় ২০ থেকে ৫০ কিংবা তারও বেশি ম্যাচ খেলে, তখন সিদ্ধান্ত নিতে অবশ্যই তার সঙ্গে কথা বলা উচিত। এটা আমি অনেক সময়েই করেছি। ডেভিড সিম্যান তাদের অন্যতম। আমার দিক থেকে বলতে পারি, আমি এটা করতাম। কারণ আমি খেলোয়াড়দের সম্মান দেখাতে চাই। বিশেষ করে সে (বেকহাম) এমন একজন, যে ইংল্যান্ডের হয়ে অতীতে অনেক ভালো কিছু করেছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিয়ালেই যেতে চান ওজিল
রিয়াল মাদ্রিদের ক্রীড়া পরিচালক হোর্হে ভালদানো স্বীকার করেছেন, তাঁরা ভেরডার ব্রেমেনের কাছে ওজিলের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু প্রস্তাবটা আলোচনায় বসার যোগ্য নয় বলে তা প্রত্যাখ্যান করেন জার্মান ক্লাবটির কর্মকর্তা ক্লাউস অ্যালোফস। গত শুক্রবার রাতে টেলিভিশনের মাধ্যমে এটা জেনেছেন ওজিল। কিন্তু ব্রেমেন রিয়ালের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ওজিল এখন হতাশ, ‘বিষয়টা শুনে আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি। এবং আমি অ্যালোফসকে সেটা জানিয়েছিও।’
ব্রেমেনে যখন ওজিলকে ছাড়ার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে, রিয়াল মাদ্রিদের নতুন কোচ হোসে মরিনহোও খুঁজছেন নতুন খেলোয়াড়। দুইয়ে দুইয়ে চার মেলার মতো অবস্থা। ওজিল তাহলে রিয়ালেই যাচ্ছেন? কিন্তু মরিনহো বলে দিয়েছেন, তিনি চাইলেই হবে না, চাইতে হবে ক্লাব কর্তৃপক্ষকেও, ‘কোনো কোচই নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার ব্যাপারে না বলতে পারে না। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে ক্লাবের হাতে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনে মাত্র ৫ ইউরো
আগামী ২৫ অথবা ২৬ আগস্ট প্রায় ১ মাসের জন্য আবারও জার্মানি যাবেন বাংলাদেশের ১৮ জন হকি খেলোয়াড়। এবারের ইউরোপ সফরের আগে আবারও ঘুরেফিরে সেই প্রসঙ্গ আসছে রাসেল মাহমুদ (জিমি), জাহিদ হোসেনদের মুখে। এবারও কি কোচের সঙ্গ না পেয়ে অসহায় বোধ করবেন তাঁরা? আবারও কি ক্লাবের পারিশ্রমিক নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেবে?
এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই কোচ পিটার রেগে গেলেন, ‘কে এসব কথা ছড়াচ্ছে তা আমি জানি না। যেই বলুক না কেন, এগুলো বলা মোটেও ঠিক কাজ নয়। আমার ছেলেরা শুধু খেলতেই যাবে জার্মানিতে। আমি তাদের সেই সুযোগ করে দিচ্ছি এটাই বড় কথা।’
কিন্তু নামমাত্র পারিশ্রমিকে খেলতে যেতে আপত্তি জিমির, ‘আমরা আগে দেখি জার্মানির ওই ক্লাবগুলো আমাদের কত টাকা দেবে। আমাদের আর্থিক সুবিধার বিষয়গুলো এবার স্পষ্ট করে নিতে চাই যাওয়ার আগে।’
ফেডারেশন সূত্রে জানা গেছে, এবার যে ১৮ জন খেলোয়াড় জার্মানি যাচ্ছেন তাঁদের বেশির ভাগই খেলবেন দ্বিতীয় বিভাগের দলে। তাঁদের ভিসা ও বিমার টাকাটাই শুধু ক্লাব দেবে। আর প্রতিদিনের হাতখরচ হিসেবে দেওয়া হবে ৫ ইউরো করে। কিন্তু সত্যিই যদি এই সামান্য টাকা দেওয়া হয় তাতে মোটেই সন্তুষ্ট হতে পারবেন না জাতীয় দলের স্ট্রাইকার রাসেল মাহমুদ, ‘এত অল্প টাকায় কী হয় বলুন? আমাদের আরও বেশি সম্মানী দেওয়া উচিত।’
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার জামিলউদ্দিন জানালেন কাউকে অন্ধকারে রেখে কোনো চুক্তিই করা হবে না, ‘গেরহার্ডকে এবার আমি বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছি। খেলোয়াড়েরা কোথায় থাকবে, কেমন সম্মানী পাবে, কোন ক্লাবে তাদের খেলানো হবে সেগুলো স্পষ্টভাবে না জেনে তাদের ইউরোপ পাঠাব না। গেরহার্ডকেও জার্মানিতে পুরোটা সময় খেলোয়াড়দের সঙ্গেই থাকতে হবে।’
‘জার্মানি যাওয়ার আগে খেলোয়াড়দের ইউরোপ সফরের চুক্তির শর্তগুলো পড়ে শোনানো হবে। যদি তাদের কেউ কোনো কারণে অসম্মতি জানায় তাহলে তাকে জোর করা হবে না’—আরও বলেছেন জামিলউদ্দিন।
পিটারের সঙ্গে চুক্তির খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে কাল। আপাতত চুক্তি হবে চার মাস। বেতন পাবেন মাসে তিন হাজার ডলার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
August
(731)
-
▼
Aug 17
(19)
- মাহে রমজানের পবিত্রতা -সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম by মু...
- শেয়ারবাজার, সূচক এবং কালো মেঘ by হানিফ মাহমুদ
- মাছ শিকারে কীটনাশক -আত্মবিনাশী এই অপকর্ম এখনই বন্ধ...
- পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশন -কথা ও কাজে মিল থাকা চাই
- মসজিদ নির্মাণ নিয়ে নিজের বক্তব্যের সমর্থনে ওবামা
- দারফুরে দুই শান্তিরক্ষীকে অপহরণ
- চীনে ভূমিধসে নিহতদের স্মরণে জাতীয় শোক দিবস পালন
- রাশিয়ার খাদ্যশস্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা
- এবার বিতর্কিত স্মৃতিসৌধে যাননি জাপানের মন্ত্রীরা
- যুক্তরাষ্ট্রের ৮ শতাংশ শিশুই অবৈধ অভিবাসীর সন্তান
- পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অনলাইন বুকিং কার্যক্রম পাঁচ মা...
- নতুন এডিপিতে অননুমোদিত ও বরাদ্দবিহীন ১১০০ প্রকল্প
- শেয়ারবাজারে আজ সাধারণ সূচক ৫০.৪৪ পয়েন্ট কমেছে
- বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় সিমেন্ট রপ্তানি বাড়ছে
- যুক্তরাষ্ট্রে দল পাঠাতে চায় ক্যারম ফেডারেশন
- এসএ গেমসের হিসাব মেলেনি এখনো
- বেকহামের পাশে সাবেক গুরু
- রিয়ালেই যেতে চান ওজিল
- দিনে মাত্র ৫ ইউরো
-
▼
Aug 17
(19)
-
▼
August
(731)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...