Wednesday, January 31, 2018
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করবে by জ্যোতির্ময় বড়ুয়া

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপরাধের সংজ্ঞার পরিসর অনেক বড় by তানজীব উল আলম

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ আছে, নাম নেই

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুদ্রানীতির প্রভাব শেয়ারবাজারে

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেপুটি গভর্নর পদে ছয় প্রার্থী

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুবিনা, শফিক ও এক জোড়া নীল জুতা

তাহমিনা হক: শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
dina.haque@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গরিব’ বিদ্যালয়ের কৃতিত্ব

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশ সংস্কারের খসড়া আইন কার্যকর হোক

শহীদুল হক: সেটি কার্যকর হওয়া উচিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাইয়ে কমিটি করেছিল, তার রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। হ্যাঁ, সেটা বাস্তবায়িত হলে একটা পর্যায়ে আসবে। দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যক্তি অফিসারের মানসিকতার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। আমার চাকরিজীবনে দলীয় প্রভাবে বেআইনি কিছু করাতে পারেনি। বিএনপি আমলে সিরাজগঞ্জে এসপি ছিলাম। রাঁধুনীবাড়ি ক্যাম্পে পুলিশের চার সদস্যকে হত্যা করে ক্যাম্প লুট হলো। ওই মামলায় একটি রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতাকে জড়াতে চাপ দিলে আমি তা অগ্রাহ্য করেছিলাম। এটা বিবেকের বিষয়, কারও তা করা উচিত নয়।
প্রথম আলো: আপনি বলেছিলেন কারা পেট্রলবোমা মেরেছে, তা সূর্যের মতো স্বচ্ছ, কিন্তু আমরা তো অমাবস্যায় আছি।
শহীদুল হক: একটি দলের আন্দোলনের অংশ হিসেবে এটা ঘটেছিল, তাদের নেতা-কর্মীরাই করেছে। বস্তুনিষ্ঠ সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তদন্তেও তা প্রমাণিত।
প্রথম আলো: আপনার এই মৌখিক উক্তির বাইরে বিষয়টির বিচারিক প্রক্রিয়া কী বলে?
শহীদুল হক: বোমাসহ কেউ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হলেই তো চিহ্নিত হয়ে যায়, অধিকাংশই মামলাতেই অভিযোগপত্র হয়ে গেছে। কোনো বিচার শেষ বা রায় হয়েছে কি না, সে তথ্য এখন নেই, জানতে হবে।
প্রথম আলো: জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশের ৩০ জন সদস্যকে হত্যার দায়ে কারও দণ্ড হয়েছে কি?
শহীদুল হক: সবটাতেই অভিযোগপত্র দিয়েছি, কোনোটিতেই বিচারকার্য শেষ হয়নি।
প্রথম আলো: ৩২ বছরের চাকরিজীবনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে পুলিশের যে অপব্যবহার, আপনি এখন কীভাবে দেখেন?
শহীদুল হক: অভিযোগ পুরোনো। অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানিতে ব্যবহার করা উচিত নয়। আমরা সরকারি দল, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী-সবার কাছ থেকেই তদবির পাই, আইনি প্রক্রিয়ায় তার সুরাহা করি, বাইরে সম্ভব নয়, কর্তৃপক্ষকেও আদালতে জবাবদিহি করতে হয়।
প্রথম আলো: এখন আর দলীয় বিবেচনায় পুলিশ নিয়োগ হয় না, নাকি আরও অবনতি ঘটেছে? জনসংখ্যা ও লোকবলের আনুপাতিক হার সন্তোষজনক?
শহীদুল হক: আমরা কনস্টেবল নিয়োগ দিই। ২০০৯ সালে ১ হাজার ১০০ জনে ১ জন ছিল, সেটা কমিয়ে ৮৫০ জনে ১ জন করা হয়েছে। জাতিসংঘের মতে, ৪০০ জনে ১ জন থাকবে। একটা বড় অংশ প্রটোকলে থাকে, তাতে থানার কাজ ব্যাহত হয়, তাই আমরা গার্ড অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রস্তাব করেছি। আর প্রভাবশালীরা তাঁদের গ্রুপের লোক ঢোকাতে চাইবেন। আমি আইজিপি হওয়ার পর নিশ্চিত করি যে লিখিত পরীক্ষায় পাস না করলে কোনো তদবির আমার কাছে আসবে না। ভাইভায় অনেকে তদবির করতে পারে। বন্ধুবান্ধব, আপনাদের সাংবাদিকেরা অনেক সময় তদবির করেন। রিটেনে ভালো করলে হয়তো ভাইভায় একটু কমবেশি দেওয়া হয়, এর চেয়ে বেশি কিছু করিনি।
প্রথম আলো: নিয়োগ কীভাবে আরও স্বচ্ছ করা যায়?
শহীদুল হক: শতভাগ স্বচ্ছতায় পুলিশ সার্জেন্ট ও এসআই নিয়োগ হেডকোয়ার্টার করে, কারও কোনো অভিযোগ নেই। গত তিন বছরে আমি প্রায় তিন হাজার নিয়েছি।
প্রথম আলো: চাকরি পেতে কারও ঘুষ দিতে হয়নি?
শহীদুল হক: না, হয়নি।
প্রথম আলো: আপনার অজ্ঞাতসারে টাকাপয়সার লেনদেন হতে পারে।
শহীদুল হক: আমার অজ্ঞাতসারে বলতে পারব না। কিন্তু এ রকম কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। শুধু কনস্টেবল নিয়ে অভিযোগ আসছে, যা জেলা এসপিরা করে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, রিটেনে শতভাগ স্বচ্ছ হতে হবে, রিটেনে পাস করতে হবে। স্থানীয় নিয়োগ বোর্ডের ডিসক্রিশন থাকে, কিন্তু ভাইভায় তেমন মার্কও থাকে না। আর সরকার রাজি হলে হেডকোয়ার্টারের সরাসরি তদারকিতে নিয়োগ হতে পারে, কিন্তু দুই শ বছর ধরে স্থানীয় এসপি যেটা করছেন, সেটা খর্ব হলে তাঁরা আহত বোধ করতে পারেন।
প্রথম আলো: সাধারণ মানুষ প্রথমেই থানায় যান, কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণু আচরণের অভিযোগ আছে।
শহীদুল হক: এটা আছে, এর অপনোদনে তাদের প্রশিক্ষণ ও মাইন্ডসেট পরিবর্তনে আমরা বহুমুখী চেষ্টা করেছি। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থায় কিন্তু জনগণের কাছে একটা জবাবদিহি থাকছে।
প্রথম আলো: দুই ইতালীয়কে হত্যার পর ঘটনা ঘটতেই থাকল, এখন বন্ধ, এর মানে জঙ্গিবাদ কার্যকরভাবে দমন হয়েছে? আমরা আইএসের হুমকিমুক্ত?
শহীদুল হক: এটা বৈশ্বিক সমস্যা। আল-কায়েদার পর আইএস এসেছে, যে সমস্যা আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইরাকে বেশি হয়েছে। ওরা ওদের মতাদর্শ ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে, সেটা দেখে তরুণেরা স্বপ্রণোদিত হয়েছে। ৯০ ভাগ মুসলিম দেশের কিছু তরুণ ইন্টারনেটে ওসব পড়ে প্রণোদিত হয়েছে। ৬৩ জেলায় বোমাবাজি করা জেএমবির বিচারের ফলে তারা অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়েছিল, পরে তারা ইন্টারনেটে পুনরায় উদ্দীপ্ত হয় এবং অনুসারী বাড়িয়ে সংগঠিত হয়ে অপারেশন শুরু করেছিল। তারা অনেকগুলো সুইসাইড স্কোয়াড করেছিল। হোলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ার পর পুলিশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। আলেম-ওলামাসহ সর্বস্তরের মানুষও রাস্তায় নেমেছিলেন। গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আমরা ওদের নেটওয়ার্ক ও আস্তানা চিহ্নিত এবং তাতে প্রায় ৪০টি অভিযান চালাই। তারা এখন অবশ্যই দুর্বল হয়ে গেছে। আইএস সরাসরি কোনো লিংক স্থাপন করতে পারেনি, তাদের কোনো নেতা এখানে কারও সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ করেছে, তার প্রমাণ এখনো পাইনি।
প্রথম আলো: এই মুহূর্তে ইন্টারপোল বা বিদেশি রাষ্ট্রের কোনো অনুরোধে কিছু তদন্ত করছেন?
শহীদুল হক: না। জঙ্গি বিষয়ে কোনো দেশ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু পাইনি।
প্রথম আলো: পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারসসহ আমরা বিদেশে টাকা পাচারের কিছু অভিযোগ শুনি। কোনো তদন্ত চলমান?
শহীদুল হক: না। কেউ এ বিষয়ে আমাদের সাহায্য চায়নি।
প্রথম আলো: দেশে গুম কারা করছে?
শহীদুল হক: গুম বলে তো আইনে কিছু নেই, এটা অপহরণ।
প্রথম আলো: রাষ্ট্র যেখানে পদ্ধতিগতভাবে মানুষ নিধন করে, সেটা আন্তর্জাতিক আইনে গুম বা এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স। আপনার তিন বছরে শতাধিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গুম হয়েছে। কোনো একটি ক্ষেত্রেও কি আপনি পুলিশের জড়িত থাকা তদন্ত করেছেন? এনকাউন্টারের পর প্রেস রিলিজ পেতাম, তা বন্ধ করলেন কেন?
শহীদুল হক: কিছু ফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স ঘটেছে। কাউকে জোর করে নিলে পুলিশের দায়িত্ব আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া। আমরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলি না, এনকাউন্টার হয়। না, আমরা পুলিশ জড়িত থাকাসংক্রান্ত কোনো তদন্ত করিনি। প্রতিটি এনকাউন্টার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করেন, এতে কাউকে দায়ী করা হয়নি। আর প্রেস রিলিজ পুলিশের দেওয়ার কথা, অনেক সময় দেওয়া হয় না। যারা মারা যায়, তারা বেশির ভাগ সন্ত্রাসী, খারাপ লোক।
প্রথম আলো: আপনার মন্তব্য সংবিধানবিরোধী। কারণ, খুনিরও মানবাধিকার আছে। আর এমন যুক্তি দিয়েই অপারেশন ক্লিন হার্ট শুরু করেছিল বিএনপি। বিচার বিভাগে প্রতিকার নেই, তাই এভাবে রাষ্ট্র নিষ্ফল প্রতিকার খুঁজছে।
শহীদুল হক: না, পুলিশপ্রধান হিসেবে আমি এটা বলতে পারি না। এটা মানুষের ধারণা, সেটাই বলেছি মাত্র। এরা দুর্ধর্ষ ক্রিমিনাল, বারবার তারা গ্রেপ্তার হয়েছে। বিচার হচ্ছে না। জেলে রাখা যাচ্ছে না। কাজেই এগুলো সমাজ ও মানুষের জন্য হুমকি। একসময় চুয়াত্তরের স্পেশাল অ্যাক্টে এ ধরনের লোকদের আমরা ডিটেনশন দিতাম। কিন্তু বিভিন্ন সময় হাইকোর্টের নির্দেশনার কারণে অনেকে ডিটেনশন দিতে ভয় পান। এল ক্লিন হার্ট, এরপর পাবলিক ক্রসফায়ার আবিষ্কার করল। দুর্ধর্ষ অপরাধীরা পুলিশকে পরোয়া করে না, তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে এগুলো করে।
প্রথম আলো: ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা কতটা কার্যকর?
শহীদুল হক: তিন বছরে অনেক জঙ্গি ধরা পড়েছে, অনেকে জামিনে বেরিয়ে গেছে, এটা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক।
প্রথম আলো: ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদির দায়ে আপনি গত তিন বছরে কতজন বড় অফিসারকে চাকরিচ্যুত করেছেন, সংখ্যায় তাঁরা কত?
শহীদুল হক: (হেসে) আমরা জিরো টলারেন্স রাখি।
প্রথম আলো: জিরো টলারেন্সের নমুনা দেখান। পুলিশের ভালো কাজ আছে, আবার ব্যাপক অভিযোগ আছে, তারা মাদক ব্যবসাসহ বিরাট অপরাধের সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুষ ছাড়া পুলিশি সেবা মেলে না।
শহীদুল হক: ঢালাও অভিযোগের বাইরে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ আছে, তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে শাস্তি হয়। ফৌজদারি অপরাধে জড়ালে কোনো খাতির করি না। নিয়মিত মামলা হয়। এসব পত্রিকায় যতটা ব্যাপক, বাস্তবে ততটা নয়।
প্রথম আলো: তিন বছরে একটি দৃষ্টান্ত দিন, যা আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে খুব বিচলিত করেছে।
শহীদুল হক: কক্সবাজার থেকে ফিরছিলাম। একজন সাব-ইন্সপেক্টরের কাছে সাত লাখ ইয়াবা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, পুলিশের জন্য এটা লজ্জার।
প্রথম আলো: আপনার চাকরিজীবনের ৩২ বছরে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত?
শহীদুল হক: ১৯৯৩ সালে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত এসপি হিসেবে ২২টি পরোয়ানা জারি থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীপ্রধান শিবির ক্যাডার নাছিরের আস্তানায় সফল অভিযান চালাই, পরে তাকে গ্রেপ্তার করি। ওই বছরই হাটহাজারীতে সাড়ে তিন ঘণ্টা আটকে রেখে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর গাড়ি থেকে অস্ত্রসহ এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করি, ছোট এক অফিসার হয়ে তাঁকে এভাবে আটকে রাখা অকল্পনীয় ছিল।
প্রথম আলো: এবার একটু তুলনামূলক মন্তব্য করুন। আপনি ১৯৮৬ সালের পরের সব ঘটনারই সাক্ষী।’ ৯৩-এ বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, আর তার ক্ষমতাবান মিত্র সাকা চৌধুরী। এই ২০১৮ সালের বাংলাদেশে কোনো অতিরিক্ত অফিসারের পক্ষে এমন অভিযান চালানোর বাস্তবতা আছে? ছাত্রলীগের জেলা নেতা ধরতেও পুলিশ দ্বিধান্বিত।
শহীদুল হক: বাস্তবতা অবশ্যই আছে। দ্বিধান্বিত যেটা বলছেন, সেটা কোনো ব্যক্তি কর্মকর্তার সীমাবদ্ধতা হতে পারে। সার্বিকভাবে আইনপ্রয়োগে দলনির্বিশেষে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। সাকা চৌধুরীর মতো সন্ত্রাসী গডফাদার আওয়ামী লীগে নেই। তা ছাড়া চট্টগ্রাম বিএনপির কেউ তাঁকে পছন্দ করতেন না। আর অতীতে, ইমদুর সঙ্গে সরকারপ্রধানের ছবি, কালীগঞ্জের ঘটনা দেখেছি। এরশাদের আমলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার ছিল না, তখন ছিল প্রশাসন ঠিক তো ক্ষমতা ঠিক।
প্রথম আলো: পুলিশের বদলি ও পদোন্নতিতে বিএনপিপন্থী, আওয়ামী লীগপন্থী, এসব কেমন চলছে? আপনি বিএনপি আমলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন?
শহীদুল হক: আমার বহু কাজের স্বীকৃতি দিতে বিভাগীয় প্রস্তাব ছিল, আমাকে আওয়ামী ঘরানার বিবেচনায় বিএনপি সেসব নাকচ করেছে। দলীয় ভালো লোক, পরিচয়নির্বিশেষে তাদের নিয়ে আমরা কমিউনিটি পুলিশিং চালু করেছি।
প্রথম আলো: সরকার চায়নি, কিন্তু পুলিশপ্রধান হিসেবে আপনার স্বাধীন সিদ্ধান্তে বিএনপিকে সভা করতে দেওয়ার একটি নজিরও আছে কি?
শহীদুল হক: সরকার চায়নি, এ রকম কম হয়েছে। জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ দেখতে হয়।
প্রথম আলো: জনমনে ধারণা হলো আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা চাইলেই সভা করতে পারে, গত ৫ জানুয়ারিতে এক অখ্যাত সংগঠনের করা দরখাস্তের যুক্তি দেবেন, কিন্তু মানুষ এসব বোঝে না? আপনাদের প্রতি এতে জন-আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয় না?
শহীদুল হক: যাঁরা আগে আসবেন, তাঁরা অগ্রাধিকার পাবেন। এখানে জনগণ ভুল বুঝলে আমাদের কিছু করার নেই।
প্রথম আলো: ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলেছে, এর আগের নয় মাসেই পুলিশি হেফাজতে অন্তত ১৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। খালেদা জিয়া এক টুইটে প্রায় সাড়ে সাত শ কর্মী গুমের অভিযোগ করেছেন, এর সত্যতা চ্যালেঞ্জ করবেন না?
শহীদুল হক: পুলিশের নিরাপত্তা হেফাজতে গত তিন বছরে কোনো নির্যাতন বা হত্যা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আগে যেটা থার্ড ডিগ্রি হতো বলে কথা ছিল, সেটা আমরা করি না। এখন ডিজিটালসহ নানা কৌশল আছে। কাউকে চ্যালেঞ্জ করতে চাই না। চেষ্টা করব তথ্যটা তাদের (বিএনপি) কাছ থেকে আনতে। প্রতিটি অভিযোগই আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
প্রথম আলো: আপনাদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, খুন বছরে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার ছিল, যা ২০১৩ সালের পর গড়ে সাড়ে চার হাজারের দিকে যাচ্ছে। কেন?
শহীদুল হক: এই পরিসংখ্যানের ভিত্তি কী, আমি জানি না। তবে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৪ সাল থেকে ক্রমাগত অপরাধ কমেছে।
প্রথম আলো: তোফায়েল আহমেদ ও মির্জা ফখরুল ইসলামের নামে যথাক্রমে ৫৯টি ও ৮৬টি মামলা হয়েছিল। এটা কি ইঙ্গিতবহ যে মিথ্যা মামলা করার একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি আছে?
শহীদুল হক: কিছু কালচার তো বাংলাদেশের আছে। তোফায়েল আহমেদের মতো ব্যক্তির নামে যদি এতগুলো মামলা নিয়ে থাকে, তিনি তো এত কিছু করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এটাই বাস্তবতা। এটা কমাতে হলে সবার চেষ্টা লাগবে। পুলিশ রাজনীতিসংশ্লিষ্টতার বাইরে, অপরাধ দমনে যা করে, তাতে হস্তক্ষেপ নেই, আর তার যতটা রাজনীতিসংশ্লিষ্ট, তা দূর করতে হলে রাজনৈতিক ঐকমত্য লাগবে।
প্রথম আলো: আপনার অর্জন কী? বাহিনীর মূল চ্যালেঞ্জ কী?
শহীদুল হক: আমার বড় অর্জন জঙ্গি দমনে, বিদেশিরা চলে যাচ্ছিল, জঙ্গি আতঙ্ক দূর করে বাংলাদেশকে একটি মোটামুটি নিরাপদ দেশে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছি। ক্রমাগতভাবে বহু আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়া তার সাক্ষ্য দেবে। ২২টি দেশের পুলিশপ্রধানরা এলেন। আমরা প্রতিটি মামলা চিহ্নিত করে ব্লগার ও মুক্তমনাদের হত্যা বন্ধ করেছি। আরেকটি হলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কমিউনিটিভিত্তিক অর্থাৎ গণমুখী পুলিশিং চালু করা। দেশি-বিদেশি সবাই বলে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। জঙ্গিবাদ দমনে ইন্টারপোল বিশেষজ্ঞরা আমার বক্তব্য জেনেছেন। ৯৯৯ যে বাংলাদেশে চালু করা যায়, তা অনেকে ভাবতেই পারেননি, এটা যুগান্তকারী। মূল চ্যালেঞ্জ বলতে পুলিশের মনোবল টিকিয়ে রাখা ও পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধি। পরিবহন ও লোকবল বাড়ানো। তিন শতাংশের কম পুলিশ আবাসন সুবিধা পায়, এ সমস্যা দূর করতে হবে। ডিজিটাল সরঞ্জাম যা দরকার, তা সেভাবে আমাদের নেই। পুলিশকেও তার মাইন্ডসেট, আচার-আচরণে পরিবর্তন আনতে হবে। জনগণের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে হবে, তাদের মূল্যায়ন করতে হবে, তাহলে কোনো চ্যালেঞ্জই আর চ্যালেঞ্জ থাকবে না।
প্রথম আলো: গুলশানের হোলি আর্টিজানের ঘটনার অপ্রকাশিত কোনো দিক? ফারাজের আত্মত্যাগকে পুলিশ কীভাবে দেখেছে?
শহীদুল হক: এর সবকিছুই প্রকাশ পেয়েছে। সব আসামি ধরা পড়েছে। এর অভিযোগপত্র ফেব্রুয়ারির মধ্যেই হবে। ফারাজ সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। বন্ধুকে ছাড়া তিনি যাবেন না, এই ছিল তাঁর প্রতিজ্ঞা। অত বড় বিপদের মধ্যেও তিনি যে মহত্তম ভূমিকা রেখেছেন, সেটা তো সবাই নিতে পারেন না।
প্রথম আলো: বেগম খালেদা জিয়াকে লক্ষ করে আপনি বলেছিলেন, জঙ্গিবাদের জন্য একটি দল দায়ী। বলেছিলেন, রাজনীতিবিদদের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত, আপনার সমালোচনা হলো, রাজনীতিকরা অসত্য মন্তব্য করলেও সে বিষয়ে বলা পুলিশপ্রধানের কাজ নয়, এটা আপনার পদমর্যাদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
শহীদুল হক: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গি দমন করেছে পুলিশ। তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুললে, অহেতুক তার কর্মকাণ্ড বিতর্কিত করলে তার উত্তর দেওয়া আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমি সেটাই করেছিলাম। আমি বেগম জিয়ার কোনো রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিইনি।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
শহীদুল হক: ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পেশাজীবীদের আন্দোলনের বছর! by সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান: কবি ও সাংবাদিক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামবিদ্বেষীর ধর্মান্তর ও জার্মান রাজনীতি by মারুফ মল্লিক

ড. মারুফ মল্লিক, রিসার্চ ফেলো, সেন্টার ফর কনটেমপোরারি কনসার্নস, জর্মানি।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন বিমান রুখে দিল রুশ এসইউ-২৭

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮ মাসের এক শিশু ধর্ষণ: যৌনাঙ্গে আঘাত ভয়াবহ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান-আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ : বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে ট্রাম্প

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রেল ইঞ্জিন সংকট

এর ফলে রেলওয়ের অস্তিত্বই এখন হুমকির সম্মুখীন। জনবল সংকটের কারণে অনেক রেলস্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় সারা দেশের রেলপথ হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশ্বের নানা জায়গায় যখন ঘণ্টায় ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলছে, তখন আমরা ১০০ তো দূরের কথা, গতিবেগ ৬০ কিলোমিটারের উপরে তুলতে পারছি না। দেখা যাচ্ছে, প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক ইঞ্জিনও রেলওয়ের ভাণ্ডারে নেই। যেগুলো আছে, সেগুলোর অধিকাংশের অবস্থা এত সঙ্গিন যে, চলতে চলতে কখন তার চলৎশক্তি থেমে যাবে তা কেউ জানে না। জোড়াতালি দিয়ে ট্রেন চলাচলের ধারাবাহিকতা ঠিক রাখা সম্ভব নয়। প্রশ্ন হল, এভাবে আর কতদিন? স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেছে। এখন অবস্থার পরিবর্তন জরুরি। রেলের ইঞ্জিন সমস্যার সমাধান করে প্রায় অচল রেলকে সচল করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না, এর সঙ্গে জনস্বার্থের প্রশ্ন জড়িত।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যমজ হাতির বাচ্চার মৃতদেহ উদ্ধার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেউ যদি আমার জীবন ফিরিয়ে দিত...

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা হোয়াইট হাউজে

মতাদর্শগত পরিবর্তন
হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের গবেষক ড্যান হামেল ওয়াশিংটন পোস্টে লিখেছেন, ‘পেন্সের এই বক্তব্য ইসরাইলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুরোদস্তুর পরিবর্তনেরই স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।’ এই মৌলিক পরিবর্তন খ্রিষ্টান ইহুদিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ইসরাইলের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর প্রতিষ্ঠিত এই ‘খ্রিষ্টান ইহুদিবাদ’ অনুযায়ী, বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর স্পষ্ট নিদর্শন আধুনিক ইসরাইল রাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কও এই ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারেই। পেন্সকে হামেল ব্যাখ্যা করেছেন ‘অতিউৎসাহী খ্রিষ্টান ইহুদিবাদী’ হিসেবে, যিনি ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী দ্ব্যর্থহীনভাবে ইসরাইলকে সমর্থন করেছেন। ওই সম্মেলনে তার উপস্থিতি ছিল ‘হোয়াইট হাউজে খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের প্রভাব প্রতিপত্তির নতুন যুগের সূচনা’। বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবায়নে খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা ট্রাম্পকে দিয়ে যা করিয়ে নিতে চায়, সেই প্রচেষ্টায় পেন্স একা নন। ট্রাম্প প্রশাসন এবং অতিউৎসাহী খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের নিয়ন্ত্রণ করছেন আরকানসাসের সাবেক গভর্নর মাইক হুকাবি, তার মেয়ে ও হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ হুকাবি স্যান্ডার্স এবং সারাহ পলিন। এই দলে আলাবামার রয় মুরও আছেন, যাকে সিনেট নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প।
খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের শেষ লড়াই
ইসরাইল রাষ্ট্রের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রায় দুই কোটি খ্রিষ্টান ইহুদিবাদী কয়েক দশকে কোটি কোটি ডলার খরচ করেছে। রাশিয়া, ইথিওপিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে ইহুদিদের অভিবাসনে তারা অর্থ সহায়তাও দিয়েছে। ফিলিস্তিনের দখল করা ভূমিতে বাড়িঘর তৈরিতে কোটি কোটি ডলার বিলিয়ে দিয়েছে। হ্যাগি উল্লেখ করেছেন, ‘জেরুসালেমে দূতাবাস স্থানান্তর প্রমাণ করেছে, আমাদের প্রেসিডেন্ট কথা রেখেছেন।’ বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের মতের বিরুদ্ধে জেরুসালেমে দূতাবাস স্থানান্তর আর তালেবানের মতের বিরুদ্ধে যাওয়া একই কথা।’ এগুলো হ্যাগি বলেছেন তার নিজস্ব বিশ্বাস থেকে এবং সম্ভাবত সিইউএফআইয়ের ৩০ লাখ অনুসারীও একই বিশ্বাস লালন করেন। খ্রিষ্টান ধর্ম প্রচার আন্দোলনে চার কোটি অংশগ্রহণকারীও সম্ভাবত একই বিশ্বাস বা কমপক্ষে আংশিকভাবে এই বিশ্বাস লালন করেন। চিন্তার বিষয় হলো, প্রেসিডেন্ট কিংবা আরো অনেকেই হয়তো একই বিশ্বাস পোষণ করেন। সিইউএফআইয়ের সাবেক প্রধান ফলওয়েলসের ইসলামবিরোধী মতামতের মতোই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও হয়তো ইসলাম সম্পর্কে একই ঘোরের মধ্যেই আছেন।
সত্যের পক্ষে আর কেউ নেই
গত ৬ ডিসেম্বর দুই রাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাব ট্রাম্প স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, ‘দুই দশক ধরে চেষ্টা চালানোর পরও ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে টেকসই শান্তিচুক্তি সম্ভব হয়নি। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জেরুসালেমকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার সময় এখনই। একই চিন্তার পুনরাবৃত্তি আলাদা বা আরো ভালো কোনো সমাধান বের করবেÑ এমন ধারণা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ জেরুসালেমকে ইসরাইলের প্রকৃত রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার অর্থ অনেক বেশি কিছু। বাস্তবে এর মাধ্যমে দুই রাষ্ট্র সমাধানভিত্তিক শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিশ্রুতিকেই অস্বীকার করা হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছেন। ফিলিস্তিনিরাও বুঝে গেছে, যুক্তরাষ্ট্র এই শান্তি প্রক্রিয়ার সৎ বা পক্ষপাতহীন মধ্যস্থতাকারী নয়। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র কোনো দিনই নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী ছিল না। ইসরাইলের অপরিসীম প্রভাবেই যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না এবং তার এই প্রতারণা সুস্পষ্ট। আব্বাস এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাত নিরসনের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র অযোগ্য। তার এই উক্তি কয়েক দশক ধরে দাবি করা, মার্কিন সুনামের জন্য এক বিরাট নীতিগত পরিবর্তন। আব্বাসের এই ঘোষণা আসে জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায়। মুসলিম নেতাদের ওই সম্মেলনে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার ঘোষণার তীব্র সমালোচনা করে পূর্ব জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায়ের দাবি তোলা হয়। ২১ ডিসেম্বর জাতিসঙ্ঘের মার্কিন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানানো হয়। অর্থ সহায়তা বন্ধের মার্কিন হুমকির পরও জাতিসঙ্ঘের প্রায় সব সদস্য দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানায়। ইসরাইলের চাহিদার কাছে ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ আত্মসমর্পণের জন্য ট্রাম্পের জামাতা ও জ্যেষ্ঠ পরামর্শক জ্যারেড কুশনারের সফল প্রচেষ্টার পরই শান্তি প্রক্রিয়া হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। কুশনারের পরিবারের সদস্যরা এবং তিনি নিজেও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি নির্মাণ কার্যক্রমে লাখ লাখ ডলার খরচ করেছেন। কোনোই সন্দেহ নেই যে, ট্রাম্প কুশনারকে একচ্ছত্র ক্ষমতা দিয়েছেন এবং সে কারণেই ফিলিস্তিনিরা তাদের কোনো অভিযোগেরই প্রতিকার পাবে না।
যিশুখ্রিষ্টের প্রত্যাবর্তন
কট্টর ইহুদিবাদী ও তাদের খ্রিষ্টান মিত্রদের জন্য এক জটিল বিষয় হলো আল আকসা মসজিদের সীমানা ঘেঁষে অবস্থান করা প্রথম ও দ্বিতীয় গির্জার ধ্বংসাবশেষ। তৃতীয়টি ইসলাম ধর্মের জন্যও পবিত্রতার প্রতীক। খ্রিষ্টান ইহুদিবাদী মতবাদের একটা মৌলিক বিষয় হলো, নতুন গির্জাটি তৈরি করতে হবে ঠিক ওই ধ্বংসাবশেষের জায়গাতেই। ফিলিস্তিনিরা বিশ্বাস করে যে, আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডের ঠিক পাশেই খোঁড়াখুঁড়িতে মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা তাদের বাইবেলীয় ভবিষ্যদ্বাণী পূরণের ব্যাপারে কট্টর। তারা বিশ্বাস করে, কোনো একসময় নতুন গির্জা নির্মাণের মাধ্যমে কোনো একসময় যিশুখ্রিষ্টের প্রত্যাবর্তন পূর্ণ হবে। ফিলিস্তিনিদের জন্য একমাত্র আশা, পশ্চিম তীর ও গাজার বাসিন্দাদের ক্রমান্বয়ে এক জাতি হিসেবে ইসরাইলে অন্তর্ভুক্তি। অবশ্যই এটি খুবই অপ্রিয় পরিণতি। ইসরাইলিরা কখনোই ফিলিস্তিনি মুসলিম কিংবা খ্রিষ্টান কাউকেই নাগরিক হিসেবে বিনা আপত্তিতে মেনে নেবে না এবং ভোটের অধিকারও দিতে চাইবে না। নেতানিয়াহু ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের জন্য এখন একই কথা বলে বেড়াচ্ছেন। এমনো মনে করা হয়, ইহুদি জনগোষ্ঠীকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তিনি সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে নির্ধারিত! সাবেক একজন শীর্ষ রাজনৈতিক পরামর্শক আয়াল আরাদ বলেছেন, ‘মসিহ’র সাথে প্রধানমন্ত্রীর এক ধরনের মিল আছে, যিনিই একমাত্র হলোকাস্টের মতো ঘটনা থেকে ইহুদিদের রক্ষা করতে পারেন।’ তাকে সব কিছু দ্রুতই করতে হবে। কেননা দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চতুর্থবারের মতো তদন্ত শুরু হয়েছে। স্রষ্টার আহ্বানে পেন্সও সমানভাবে অনুরক্ত। তার প্রিয় বাইবেলীয় বর্ণনা, যা থেকে তিনি প্রায়ই উদ্ধৃতি দেন এভাবে- ‘আমি জানি, আপনাদের জন্য আমার করণীয় কী। ঈশ্বরের কসম, আমার চিন্তা শুধু আপনাদের কল্যাণ, ক্ষতি নয়; আপনাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশা জাগানো।’ গ্রহণযোগ্যতার অভাব এবং গভর্নর হিসেবে রাজনৈতিক ব্যর্থতার পরও পেন্স খুবই উচ্চাকাক্সক্ষী। রিপাবলিকান দলের জাতীয় কমিটিকে পেন্স খুবই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন যে, ২০১৬ সালের অক্টোবরে হলিউডের ভিডিও টেপ প্রকাশ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থিতার ব্যাপারে দল যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে তিনি ট্রাম্পের জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত।
আধ্যাত্মিক প্রেসিডেন্ট?
নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে, মাইক পেন্স প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পেন্স অবশ্য এ সংবাদের কড়া প্রতিবাদ জানান। পেন্স বুঝতে পেরেছিলেন, ট্রাম্পের আরো একটি কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশের পর বৃহৎ এ দলটি সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে এবং ট্রাম্পের পর হয়তো তিনিই উঠে আসবেন। মূলধারার খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা বাইবেলের বর্ণনাকে নিয়েছেন ‘রূপক’ অর্থে। কিন্তু খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা এর শাস্তিমূলক ব্যাখ্যাকে বিবেচনা করে আক্ষরিক হিসেবে। খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীর বাইবেল অনুযায়ী অলীক কল্পনার ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় শত শত বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ১৬০০ সালে রাজা প্রথম জেমস যান, একদিন এটি ফিলিস্তিনে প্রতিষ্ঠা পাবেই। এখনকার খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের মতো তিনিও বিশ্বাস করতেন যে, হিব্রু উপজাতি একদিন সব জায়গা থেকে এখানে এসে জড়ো হবে এবং শয়তান ও যিশুখ্রিষ্টের অনুসারীদের মধ্যে শেষ লড়াই হবে।
আরেকটি ‘ব্যালফোর ঘোষণা’
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড ব্যালফোর এবং প্রধানমন্ত্রী ডেভিড লয়েড জর্জ খ্রিষ্টান ইহুদিবাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। জাতিসঙ্ঘ ফিলিস্তিনের ব্যাপারে ব্রিটেনকে কর্তৃত্ব দেয়ার তিন বছর আগে, ১৯১৭ সালে ইহুদিদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ব্যাংক ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য ও ইহুদিবাদের অন্যতম প্রবক্তা লর্ড রথচাইল্ডকে পত্র পাঠান ব্যালফোর। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় বাসভূমি প্রতিষ্ঠায় সরকারের সমর্থন আছে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তাদের সব প্রচেষ্টায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’ ব্যালফোর ঘোষণা ছাড়া ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতো না। জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে যখন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দিলো, তখন আংশিকভাবে হলেও আমরাও যিশুকে ডাকতে পারি এবং ভালো-খারাপের যে যুদ্ধ হওয়ার কথা তার প্রস্তুতি নেয়াও শুরু করতে পারি। খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা এটাই তাই বিশ্বাস করে এবং শাসন করার সে দাবিও ক্রমাগতভাবে তারা করেই যাচ্ছে।‘ মুসলমান, ইহুদি, বৌদ্ধ, হিন্দু, সর্বপ্রাণবাদী, ক্যারিবীয় অঞ্চলের ভুদু ধর্মের মানুষ, ক্যাথলিক, অজ্ঞেয়বাদী, নাস্তিক এবং আরো যারা আছে তাদের সবাই খ্রিষ্টান ইহুদিবাদে দীক্ষিত হয়ে স্রষ্টার দলে অন্তর্ভুক্ত হবে। আমাদের অনিষ্টকারী সব শয়তানকে বশীভূত করে যিশুখ্রিষ্ট বিজয়ী হবেন। তিনি রাশিয়াসহ খ্রিষ্টানবিরোধী ও তাদের দোসরদের ধ্বংস করবেন এবং হাজার বছরের শান্তি ও প্রাচুর্যপূর্ণ রাজ্যের রাজা হিসেবে অধিষ্ঠিত হবেন।’ তবে বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, যিশুর এই প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রথমেই ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার ব্যালফোর ব্রিটেনের ইহুদি নেতা লর্ড রথচাইল্ডকে এক পত্র লিখেছিলেন। ৬৭ শব্দের ওই চিঠিতে ব্যালফোর যে ঘোষণাটি দেন, তা প্রথমবারের মতো কোনো ক্ষমতাশালী কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনে ইহুদিদের আলাদা দেশ গঠনের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছিল। ১৯১৭ সালে সেখানকার ৯০ ভাগ জনসংখ্যাই ছিল ফিলিস্তিনি। তারা ইহুদিবাদীদের আগ্রাসন ও তাদের ভূমি ইহুদিদের কাছে তুলে দেয়ার জন্য এই ঘোষণাকেই দায়ী করে, যা ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। ওই চিঠি এখনো ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
বাইবেলীয় ইসরাইল
খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, দ্বিতীয় যে ব্যালফোর ঘোষণা আসছে তা ইহুদিদের জন্য মোটেও শুভ ইঙ্গিত নয়। এই অলৌকিক ঘটনা ঘটলে ইসরাইল রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ইহুদিরা যিশুখ্রিষ্টকে মসিহ হিসেবে মান্য না করায় তিনি ক্ষুব্ধ এবং খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ না করলে কিংবা আরো স্পষ্টভাবে বললে, খ্রিষ্টান ইহুদিবাদে বিশ্বাস না করলে তিনি সব ইহুদিকে হত্যা করবেন। সম্ভাবত পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর জাতি খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা হোয়াইট হাউজে অবস্থান করা মাইক পেন্স ও তার সহকর্মীদের মতো ক্ষমতার লোকদের দিয়ে সব করায়ত্ত করতে পারে। তারা বিশ্বাস করে ওই অলৌকিক ঘটনা ঘটলেই কেবল পৃথিবীকে শুদ্ধ করা যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র হবে ঈশ্বরের ক্রোধ প্রশমনের হাতিয়ার। এই ঘটনা ঘটানোর ঐশ্বরিক পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় সম্পদ সম্ভাবত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। অন্ধ আনুগত্যের কারণেই এ দলের জন্য ট্রাম্প সব কিছুই করবেন। অর্থ ও ভোট উভয়ের জন্যই রিপাবলিকান পার্টি ওদের প্রতি অত্যাধিক ঝুঁকে পড়েছে। শুধু দল পরিচালনার ক্ষেত্রেই নয় বরং এই দলটির মধ্যে এখন রাজনীতির চেয়েও ধর্মকেন্দ্রিক চিন্তা যে বেশি কাজ করছে, সে ব্যাপারেও আছে খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীদের গভীর প্রভাব। দুই কোটির বেশি খ্রিষ্টান ইহুদিবাদী ভোট দেয়ার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহী এবং অর্থ খরচ করতে পছন্দ করে। রিপাবলিকান ধর্মতত্ত্বের তারাই মূলভিত্তি। তারা ফিলিস্তিনিদের জন্য শান্তি চায় না। বাইবেলীয় ইসরাইলে ফিলিস্তিনিদের কোনো জায়গা নেই। খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা তাদের বিতাড়িত করে ইসরাইলের ‘পবিত্র ও চিরকালীন স্বর্গীয় শান্তি’ নিশ্চিত করতে চায়।
লেখক : মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস বিষয়ের সাবেক অধ্যাপক
মিডল ইস্ট আই থেকে ভাষান্তর করেছেন মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংক ডাকাতির নতুন পদ্ধতি by আলফাজ আনাম

alfazanambd@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পানি, ট্যানারি এবং সুপ্রিম কোর্টে বিরল ঘটনা

পানি নিয়ে আলোচনা: কিন্তু কেন?
প্রায় ছয় সপ্তাহ আগে দিনাজপুর গিয়েছিলাম, স্থানীয় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সম্মেলন উপলক্ষে। সেই সময় পুরনো বিষয় নতুন করে উপলব্ধি করলাম। ঢাকার কাছে সাভারে প্রায়ই যাই। যাওয়ার পথে ছোট ছোট নদীর ওপর দিয়ে যে ব্রিজগুলো, সেগুলো পার হতে হয়। নদীগুলোর ১২ মাসে যে চারটি রূপ হয় সেটি বহু বছর ধরেই আমার মনে দাগ কাটে। সাত-আট দিন আগে সড়ক পথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসছিলাম। কুমিল্লা এবং ঢাকার মাঝখানে তিনটি বড় ব্রিজ আছে, যথা দাউদকান্দি ব্রিজ, মেঘনা ব্রিজ এবং কাঁচপুর ব্রিজ। দাউদকান্দি ব্রিজ পার হওয়ার সময় আমার গাড়ির (দীর্ঘ দিনের পুরনো) ড্রাইভার জিজ্ঞেস করলেন আমাকে, আসল নদী কোনটা চেনা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে; আপনি যেহেতু যাতায়াত করতে করতে পরিচিত, আপনি চিনবেন কোনটা নদীর মূল স্রোত। ঢাকা কুমিল্লা ইত্যাদি অঞ্চল, বাংলাদেশের পূর্ব অংশে পড়ে। কিন্তু আমি বাংলাদেশের অন্য অংশের নদী নিয়ে আলোচনা করব; যদিও ক্ষুদ্র পরিসরে।
ভারত-বাংলাদেশ ও নদীর পানি বণ্টন
বাংলাদেশের সুবৃহৎ প্রতিবেশীর বদৌলতে বাংলাদেশের নদী-নালাগুলো শুকিয়ে মৃতপ্রায়। বাংলাদেশকে যদি চারটি ভৌগোলিক ভাগে ভাগ করি, তাহলে একটি অংশ হতে পারে উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশ তথা উত্তরবঙ্গ; যার পরিচয় নিম্নরূপ: সাধারণভাবে পদ্মা নদীর উত্তরে এবং যমুনা নদীর পশ্চিমে ও ভারত সীমান্ত দিয়ে বেষ্টিত; অর্থাৎ বর্তমানের রংপুর বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগ। পদ্মা নদীর দক্ষিণে এবং যমুনার পশ্চিমে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশ বলা যেতে পারে; অর্থাৎ খুলনা বিভাগ। যমুনা নদীর পূর্ব দিকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সিলেট ঢাকা কুমিল্লা ইত্যাদি নিয়ে বাংলাদেশের মধ্য ও পূর্ব অংশ; অর্থাৎ ঢাকা বিভাগের উত্তর অংশ, নতুন ঘোষিত ময়মনসিংহ বিভাগ, সিলেট বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর অংশ তথা কুমিল্লা ও নোয়াখালী। দক্ষিণ বাংলা বা দক্ষিণ বঙ্গ বলতে বোঝায় ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলা এবং পুরো বরিশাল বিভাগ। অনেকে খুলনাকেও দক্ষিণ বঙ্গ হিসেবে গণ্য করে; আবার অনেকে ফরিদপুরকে দক্ষিণবঙ্গের অংশ হিসেবে মানতে চান না। এটা বড় কোনো বিতর্কের বিষয় নয়। বাংলাদেশের উত্তর অংশে বা দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, অর্থাৎ রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে, রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে, এবং খুলনা বিভাগের উত্তর অংশে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও বৃহত্তর যশোর জেলায়, বাংলাদেশের অন্য অংশগুলোর তুলনায় নদীনালা কম এবং যা-ও আছে সেগুলো শুকিয়ে যায় দ্রুত। এর কারণ হচ্ছে, এই অঞ্চলগুলোর নদীগুলোর উজানের অংশ ভারতের মাটিতে। আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী কর্তৃক পদ্মার উজানে ফারাক্কার বাঁধ নির্মাণ এবং তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ করে পানি নিয়ন্ত্রণ করায়, আমাদের নদীগুলোতে, শুকনা মৌসুমে যথেষ্ট পানি আসে না কিন্তু, বর্ষা মৌসুমে অঢেল পানি এসে বন্যা ঘটায়। ভারত পানির সরবরাহ বা গতি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই বাংলাদেশের নদীগুলোর প্রবাহ ভারতের শুভেচ্ছা বা আন্তরিকতার ওপর নির্ভরশীল। অপর পক্ষে বাংলাদেশের কৃষি এবং গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনযাত্রা আমাদের নদীগুলোর পানির ওপর নির্ভরশীল। আমার আলোচনার উদ্দেশ্য, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শুধু ভারতকে দোষারোপ ও কটাক্ষ করা নয়; বরং আমার উদ্দেশ্য হলো, আমাদেরকে বিষয়টি সমাধানের জন্য আরো যে সচেষ্ট হতে হবে, সেই বিষয়টি তুলে ধরা। নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ার কারণে নদীর উভয় তীরে জবরদখল ব্যাপক হয়েছে। ফলে বর্ষাকালে পানির স্রোত বাধা পায়।
পানি নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক
দুইটি রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বের অন্যতম শর্তই হলো, এই বন্ধুত্ব উভয় পক্ষের জন্য উপকারী হতে হবে। দুই রাষ্ট্রের মধ্যে যত প্রকারের বিষয় জড়িত, সবগুলো বিষয়েই যে উভয় রাষ্ট্রের স্বার্থ সমানভাবে রক্ষিত হবে-এমন কোনো গ্যারান্টি নেই। অর্থাৎ একটি বিষয়ে একটি রাষ্ট্র বেশি ত্যাগ স্বীকার করবে এবং অপর একটি বিষয়ে অন্য রাষ্ট্র বেশি ত্যাগ স্বীকার করবে। ইংরেজি পরিভাষায় বলতে পারি, গিভ অ্যান্ড টেক। কিন্তু বাংলাদেশ আর ভারতের সম্পর্কের মধ্যে পানি বণ্টনের বিষয়টি যেন একটি গলার কাঁটা। এখানে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ থিওরি কাজ করে না। তবে একটি চিন্তার খোরাক উপস্থাপন করে রাখি। আগামী সম্ভাব্য পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে একটি চুক্তি হওয়া খুবই সম্ভাবনাময়। ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক সরকার, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সরকারকে, আগামী নির্বাচনে সুবিধা দেয়ার জন্য এই কাজটি করতে পারে। অর্থাৎ তখন বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বলবে, আমরাই পারি সমস্যার সমাধান করতে; আমরাই পারি আমাদের অধিকার আদায় করতে। নিবেদন করে রাখছি যে, তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের জন্য ভারত বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়া মানেই, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ভিন্ন নদীগুলোর পানি সমস্যার সমাধান নয়। কিন্তু টেলিভিশন প্রচারণার সুযোগ নিয়ে, মিষ্টি মিষ্টি ভাষণ ব্যবহার করে বাংলাদেশের মানুষের ভাবনা ও চিন্তাকে আবেগাপ্লুত করে রাখার সম্ভাবনা প্রচুর। বৃষ্টির পানি যখন মাটিতে পড়ে, সেই পানি খাল, বিল, নদী দিয়ে বয়ে যায়; পানি একটু একটু করে চুইয়ে পৃথিবীর ভেতরে প্রবেশ করে। হাজার-কোটি বছর ধরে এরূপ হতে হতে এবং পৃথিবীর জন্মলগ্নের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় যেরূপ হয়েছিল সেই মতে, ভূগর্ভে পানির আধার আছে; যার কারণে আমরা চাষাবাদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করতে পারি। কিন্তু বাংলাদেশের সর্বত্র, বিশেষত উত্তর-পশ্চিম অংশে তথা উত্তরবঙ্গে, এবং দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অতি দ্রুত নেমে যাচ্ছে। কারণ, সেচের জন্য ও অন্যান্য কারণে আমরা যে পরিমাণ পানি উত্তোলন করি, তত পানি ভেতরে প্রবেশ করছে না। কারণ মাটির ওপরের অংশে তথা নদী-নালা-খালে-বিলে-পুকুরে পানি থাকছে না। দীর্ঘ মেয়াদে এটা আমাদের জন্য মারণফাঁদ। বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিম অংশ বা মধ্যম পশ্চিম অংশে মরুকরণের লক্ষণ ব্যাপক। এর জন্য দায়ী, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া। সম্মানিত পাঠক সম্প্রদায়ের মধ্যে এ প্রসঙ্গে সচেতনতা যেন বজায় থাকে, সেই আবেদন করছি।
পলিউশন তথা ট্যানারি দূষণ
পুরনো ঢাকার নাগরিকদের জন্য একটি বড় ধরনের সঙ্কট হিসেবে পরিচিত ছিল হাজারীবাগের ট্যানারি। ট্যানারি মানে চামড়া শিল্প। ট্যানারি এবং তার থেকে উদ্ভূত বিশেষ দুর্গন্ধের সাথে আমি ছোটকাল থেকে পরিচিত। কারণ, গ্রামের বাড়ি থেকে আমরা চট্টগ্রাম শহরে আসার জন্য যে মহাসড়ক ব্যবহার করতাম এবং এখনো করি, সেটার নাম কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়ক; সাধারণ ভাষায় কাপ্তাই রোড। কাপ্তাই থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের মোহরা অংশে এসে রাস্তাটি কালুরঘাট রোডের সাথে মিলিত হয়। স্থানীয় মানুষের কাছে এ মিলন স্থানটির নাম কাপ্তাই-রাস্তার মাথা। এখানে একটি বড় ট্যানারি ছিল দীর্ঘ দিন ধরে। ছোটকালে এই ট্যানারির বদৌলতে, চামড়া শিল্পের এবং চামড়ার দুর্গন্ধের সাথে পরিচয়। ঢাকা মহানগরে থাকি অনেক দিন এবং হাজারীবাগের সঙ্গে পরিচয় অনেক দিনের। হাজারীবাগ বলি বা অন্য জায়গার কথা বলি, বাংলাদেশে ট্যানারি ছিল এবং থাকবে। চামড়া শিল্প থাকতেই হবে। চামড়া শিল্প বাংলাদেশের রফতানি আয়ের অন্যতম বড় মাধ্যম। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতেও চামড়া শিল্প আছে। কোনো কোনো বছর আমাদের দেশ থেকে কাঁচা চামড়া বেশি চোরাচালান হয়ে ভারতে ঢোকে, কোনো বছর কম ঢোকে। চামড়া চোরাচালান কেন কম বা বেশি হয় ওই প্রসঙ্গে এখানে আলোচনায় যাবো না। ট্যানারির দুর্গন্ধের প্রভাব থেকে এবং এই শিল্প থেকে বের হওয়া দূষিত তরল পদার্থের প্রভাব থেকে, মানুষের জীবনকে বাঁচানোই হলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা মহানগরের হাজারীবাগে যখন ট্যানারি শিল্প ছিল, তখন সে এলাকায় প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছিল এবং ট্যানারি থেকে দূষিত তরল পদার্থ বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ত। এর বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে মিডিয়ায় লেখালেখি হয়েছে, টেলিভিশন টকশোতে বলাবলি হয়েছে, পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে। একপর্যায়ে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি পল্লীকে সরিয়ে ফেলা হবে। অনেক জরিপ করার পর, ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোরা ইউনিয়নে, নতুন জায়গা নির্ধারণ করা হয়। প্রাইভেট সেক্টরের বিভিন্ন অসুবিধা ছিল, ঢাকা মহানগর থকে সরে যাওয়ায় অনীহা ছিল, সরকারের পক্ষ থেকে মনিটরিং ও তদারকি কম ছিল। ফলে সাভার ট্যানারি পল্লীতে, অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং শিল্পগুলো স্থানান্তর করায় বহুদিন বিলম্ব ঘটে। ২০১৬ সালের শেষের দিক এবং ২০১৭ সালের শুরুর দিক থেকে বর্তমান রাজনৈতিক সরকার এ বিষয়ে কঠোরভাবে মনোযোগী হয়। সরকার ট্যানারি শিল্প মালিকদের ওপর কঠোর চাপ প্রয়োগ করে যাতে তারা দ্রুত ট্যানারি স্থানান্তর করে। শিল্প মালিকরাও হঠাৎ চাপ প্রয়োগের পরিপ্রেক্ষিতে কী করবেন এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। একপর্যায়ে হাইকোর্টে মামলা হয়। হাইকোর্টের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত রায় বের হয় এ মর্মে যে, একটা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে অবশ্যই যেন হাজারীবাগ থেকে সব চামড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান সাভারে সরিয়ে নেয়া হয়। সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হলে, হাজারীবাগের শিল্পগুলোতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। যতটুকু জানি, সাভারে যাওয়ায় বিলম্ব যে ঘটেছে তার অন্যতম কারণ সেখানে সরকারি উদ্যোগে অবকাঠামো গড়ে তোলার ব্যর্থতা বা বিলম্ব এবং ট্যানারি থেকে বের হবে এমন বর্জ্য পদার্থগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব। ট্যানারি মালিকদের দুঃখের কথা কেউ শুনেছেন কেউ শুনেননি। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাভার ট্যানারি পল্লী এখন কর্মচঞ্চল। হাজার হাজার মানুষ সেখানে শ্রম দিচ্ছেন; শ্রমিকদের আবাসনের জন্য নানা প্রকারের অস্থায়ী-স্থায়ী ঘর-বাড়ি নির্মিত হচ্ছে। রিকশা, ভ্যানগাড়ি ও ছোট মালবাহী মোটরগাড়ি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন নতুন বিল্ডিং হয়েছে ট্যানারি শিল্পের। আশেপাশে জমির দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। সাথে একটি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, ট্যানারি শিল্পগুলো থেকে দূষিত তরল পদার্থ বের হয়ে ধলেশ্বরী নদীতে যাচ্ছে। হাজারীবাগে দূষিত পদার্থ সংশোধনের ব্যবস্থা ছিল না; সাভারের তেঁতুলঝোরা ট্যানারি পল্লীতে দূষিত বর্জ্য সংশোধনের প্রকল্প এখনো অসম্পূর্ণ বা অপ্রতুল। কারিগরি বা ব্যবসায়িক ভাষায় এগুলোকে ‘এফফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ বলে। সাভারের ট্যানারি পল্লীর চতুর্দিকের গ্রামের মানুষগুলো এখন দূষণের প্রভাবে, চামড়া শিল্পের তরল ছাড়াও অন্যান্য বর্জ্যরে গন্ধে জর্জরিত। আমার প্রশ্ন বা আমার নিবেদন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এটুকু সমন্বয় করতে ব্যর্থ হলো কেন? হাইকোর্ট সরকারের জন্য কোনো ধরনের সতর্কবাণী তাদের গুরুত্বপূর্ণ রায়ে রেখেছিলেন কি না সেটাও একটা প্রশ্ন। যে দূষণের কারণে বুড়িগঙ্গা নষ্ট হচ্ছিল, সেই দূষণের কারণে এখন ধলেশ্বরী নষ্ট হচ্ছে। চূড়ান্তপর্যায়ে ধলেশ্বরীর পানি বুড়িগঙ্গার সাথে এসে মিশে বুড়িগঙ্গার পানিতেই পড়ে; অর্থাৎ ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা যমজ বোনের মতো। যেকোনো সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সরকারের কাজ কর্মে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সমন্বয়ের অভাব পরিলক্ষিত। এক্ষেত্রে প্রকট আরেকটি উদাহরণ হলো, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পেছনের কারণগুলো; সেখানেও সমন্বয়ের অভাবই প্রধানত দায়ী; তবে আজ এ নিয়ে আলোচনা করছিনা।
দু’টি সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে মিল বা অমিল
ব্রিটিশ আমলে একটি কথা প্রচলিত ছিল: যেটা বঙ্গ আজকে চিন্তা করে, সেটা অবশিষ্ট ভারতবর্ষ আগামীকাল চিন্তা করে। ইংরেজি পরিভাষায় কথাটা অনেকটা এরকম ছিল: হোয়াট বেঙ্গল থিংক্স টুডে, রেস্ট অব ইন্ডিয়া থিংকস টুমোরো। এই কথা মনে এসে গেল। কারণ, বাংলাদেশের বিচার বিভাগে গত তিন-চার মাসের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে গেছে। পত্রপত্রিকায় যেরূপ সংবাদ বা সংবাদ ভাষ্য বা মূল্যায়ন উঠে এসেছে সেই মোতাবেক আমার বক্তব্য। প্রথম কাজটি বা ঘটনাটি সম্বন্ধে প্রায় সবাই অবহিত। তা হলো, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে ‘বিবিধ পরিস্থিতি’ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রথমে ছুটিতে যেতে এবং পরে অবসরে যেতে বাধ্য করা। এ রূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং তাঁকে বাধ্য করার কাজটি কে বা কারা করেছে এবং কেন করেছে তা নিয়ে এখানে আলোচনা করছি না। দ্বিতীয় ঘটনাটি হলো, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক কথিত অথবা বাস্তব পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার আগের একটি ঘটনা। তা হলো এ রূপ: মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের বঙ্গভবনে দাওয়াত দিয়েছিলেন আলোচনা বা মতবিনিময়ের জন্য বা অবহিতকরণের জন্য। বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, বিচারপতিদের হাতে কিছু তথ্য ও প্রামান্য কাগজ তুলে দেন। প্রশ্ন: কিসের তথ্য ও কিসের কাগজ? উত্তর: বিচারপতি সিনহা দুর্নীতি করেছেন-এ রূপ অভিযোগের সপক্ষে তথ্য ও প্রামান্য কাগজ। প্রকাশিত খবর মোতাবেক বা খবরের মূল্যায়ন করে আমরা বুঝতে পারি, বিচারপতিরা ওইরূপ পরিস্থিতিতে কনভিন্সড বা আশ্বস্ত হয়েছেন যে, বিচারপতি সিনহা দুর্নীতি করেছেন। অতএব বিচারপতিরা সিদ্ধান্ত নেন, তারা সিনহার সাথে একসাথে বসে আর কোনো বিচারকার্য পরিচালনা করবেন না। এ সিদ্ধান্ত তারা মিডিয়াকে জানালেন। দায়িত্ব বা কর্তব্য পালনরত অবস্থায় কোনো বিচারপতি কর্তৃক বা বিচারপতিদের মাধ্যমে মিডিয়াকে এরূপ প্রত্যক্ষভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানোর উদাহরণ বা প্রিসিডেন্স দুষ্প্রাপ্য। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের গৃহীত পদক্ষেপটি ভালো না মন্দ, তা নিয়ে আলোচনা করছি না। আমার আলোচনার ফোকাস অন্যত্র; এখন সে বিষয়ে বলতে চাই। ১২-১৪ দিন আগে প্রতিবেশী বৃহৎ রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্র হিসেবে অধিকতর পুরনো ও অধিকতর ঐতিহ্যবাহী ভারতের রাজধানী দিল্লিতে, বাংলাদেশের মতো একটি ঘটনা ঘটেছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মধ্যে বর্তমান প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে পরবর্তী চারজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি একজোট বা একমত হন। ওই চারজন বিচারপতির মধ্যে চতুর্থজন আগামী অক্টোবরে নিজেই প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেবেন। কারণ বর্তমান প্রধান বিচারপতি তখন অবসরে যাবেন। এই চারজন এমন একটি কাজ করেছেন যা ভারতের সচেতন বোদ্ধা মহলের কিছু অংশের নিকট অভিনন্দিত এবং কিছু অংশের নিকট অতি পরিত্যাজ্য। প্রশ্ন: কাজটি কী ছিল? উত্তর: এটি ছিল একটি সংবাদ সম্মেলন। ওই চারজন বিচারপতি, প্রেস কনফারেন্স ডাকেন এবং সাংবাদিকদের সামনে সুপ্রিম কোর্ট পরিচালনায় বিশেষত মামলা বণ্টনের কর্মে, প্রধান বিচারপতির কিছু নীতির সমালোচনা ও সংশোধন কামনা করেন। তারা জানান যে, তারা চেষ্টা করেছেন প্রধান বিচারপতি মহোদয়কে আশ্বস্ত করতে যে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। ওই চারজনের মতে, যেহেতু প্রধান বিচারপতি তাদের আহ্বানে সাড়া দেননি, তাদের ইতিবাচক সমালোচনায় সাড়া দেননি, সেহেতু তারা বাধ্য হয়েছেন মিডিয়ার সামনে আসতে। মিডিয়ার মাধ্যমে তারা ভারতবাসীকে সচেতন করতে চাচ্ছেন, যদি ত্রুটিগুলো বা ভুলগুলো সংশোধন করা না হয়, তাহলে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তথা ঊর্ধ্বতন বিচার ব্যবস্থা বিপদে পড়বে। খবরটি যখন পত্রিকায় পড়লাম, বিস্তারিত যখন ইন্ডিয়া টুডে ম্যাগাজিনে পড়লাম, তখন মুচকি হাসলাম। মনে মনে বললাম, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা দিল্লিকে অনুসরণ করি; এই একটা বিষয়ে মনে হয়, দিল্লি আমাদের অনুসরণ করল। এখন সিরিয়াস প্রশ্ন হলো, বিচার বিভাগের ঊর্ধ্বতন অংশ এবং মিডিয়ার মধ্যে সম্পর্ক কী হতে পারে? সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য কি শুধু প্রদান করা হবে, নাকি বক্তব্য আদান-প্রদান হবে? প্রিসিডেন্সবিহীন বা ‘রেয়ার’ ঘটনা ঢাকা ও দিল্লির সুপ্রিম কোর্টের অঙ্গনে যেমন ঘটেছে, তেমন কোনো কিছু অন্য কোথাও যেন না ঘটে এটাই কামনা। অর্থাৎ স্বাভাবিকতা, ধারাবাহিকতা ও যৌক্তিকতা কাম্য।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব.); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
January
(1086)
-
▼
Jan 31
(32)
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করবে by জ্যোতির্ময় বড়ুয়া
- অপরাধের সংজ্ঞার পরিসর অনেক বড় by তানজীব উল আলম
- মানুষ আছে, নাম নেই
- মুদ্রানীতির প্রভাব শেয়ারবাজারে
- ডেপুটি গভর্নর পদে ছয় প্রার্থী
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
- রুবিনা, শফিক ও এক জোড়া নীল জুতা
- ‘গরিব’ বিদ্যালয়ের কৃতিত্ব
- পুলিশ সংস্কারের খসড়া আইন কার্যকর হোক
- পেশাজীবীদের আন্দোলনের বছর! by সোহরাব হাসান
- ইসলামবিদ্বেষীর ধর্মান্তর ও জার্মান রাজনীতি by মারু...
- মার্কিন বিমান রুখে দিল রুশ এসইউ-২৭
- ৮ মাসের এক শিশু ধর্ষণ: যৌনাঙ্গে আঘাত ভয়াবহ
- ইরান-আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ : বিশ্বাসযোগ্যতা হা...
- রেল ইঞ্জিন সংকট
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
- যমজ হাতির বাচ্চার মৃতদেহ উদ্ধার
- কেউ যদি আমার জীবন ফিরিয়ে দিত...
- খ্রিষ্টান ইহুদিবাদীরা হোয়াইট হাউজে
- ব্যাংক ডাকাতির নতুন পদ্ধতি by আলফাজ আনাম
- পানি, ট্যানারি এবং সুপ্রিম কোর্টে বিরল ঘটনা
- ‘উত্তর কোরিয়ার নাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে’
- আসামি ছিনতাই করতে এসেও সেলফি!
- মৃত্যুর খবর জানিয়ে দেবে সফটওয়্যার!
- যে গ্রামে শুধু নারীদের বাস
- শিল্পীর তুলিতে দোলনা থেকে চিতা
- ডায়াবেটিসের বিকল্প চিকিৎসা
- লাশকাটা ঘরের অজানা কথা
- শীত, কুয়াশা আর ধোঁয়াশা
- অধিকাংশ সুপারিশ উপেক্ষিত
- খেলাপি ঋণ আদায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুশিয়ারি
- শেষ মুহূর্তে গৃহস্থালির টুকিটাকি কিনতে নারীদের ভিড়
-
▼
Jan 31
(32)
-
▼
January
(1086)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...