Wednesday, May 9, 2018
আফ্রিকার জেব্রা যশোরে এলো কীভাবে? by রাফসান জানি
![]() |
| শার্শা থেকে উদ্ধার করা জেব্রা |
গোয়েন্দা পুলিশ ও প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদ্ধার হওয়া জেব্রাগুলো আফ্রিকান প্রজাতির। পাচারের নেপথ্যে বাণিজ্যের পাশাপাশি সৌন্দর্য্য বাড়ানোর জন্যও সৌখিন ব্যক্তিরা অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখার জন্য জেব্রাগুলো সংরক্ষণ করতে পারে।
গত মঙ্গলবার (৮ মে) রাতে জেব্রাগুলো আটকের পর কোন পথে, কীভাবে, কারা এই প্রাণীগুলো যশোরে নিয়ে এসেছে, তা নিয়ে অনুসন্ধানে নেমেছে গোয়েন্দা পুলিশ। যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. মুরাদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে জানতে পারি— কিছু জেব্রা ভারতে পাচারের জন্য পশুর হাটে মজুদ রাখা হয়েছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে ৫-৬ জন পাচারকারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।’
তার্কিশ এয়ারলাইন্সের কার্গো বিমানে করে ৯টি জ্রেবা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। আর সেখান থেকে দুটি খাঁচায় করে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ার সাতমাইল এলাকার একটি গরুর হাটে (খাটাল) এনে রাখা হয়, বলে মনে করছেন এস আই মুরাদ। তার ভাষ্য— ‘আমরা জেব্রাগুলো উদ্ধারের সময় দুটি খাঁচা পেয়েছি। এই খাঁচার ওপরে একটি তার্কিশ সিল ছিল। যা থেকে বোঝা যায়,জেব্রাগুলো তুরস্ক থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। এরপর ঢাকা থেকে খাঁচায় করে এখানে নিয়ে আসা হয়। তবে এই তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।’
উদ্ধার হওয়া ৯টি জেব্রার মধ্যে একটি মৃত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া জেব্রাগুলোর মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। মোট নয়টা জেব্রার মধ্যে একটি জেব্রা মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বাকি আটটি খুলনা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
গরুর হাট থেকে বিদেশি প্রাণী উদ্ধারের ঘটনায় যশোর শার্শা থানায় বুধবার (৯ মে) একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় খাটালের (যেখানে জেব্রাগুলোকে পাওয়া গেছে) মালিক মো. তুতু (৪০), বেনাপোল পোর্টের মো. মুক্তি (৪৫), নরসিংদী পলাশ থানার রানা ভূঁইয়া (২৮), বগুড়ার আদমদিঘীর আমরুজ্জামান বাবুসহ (৩২)পাঁচ থেকে ছয়জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে ৯টি জেব্রার আনুমানিক মূল্য বলা হয়েছে দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা।
উদ্ধার করা জেব্রাগুলোর দাম প্রায় তিন কোটি টাকা হলেও এগুলোর কোনও দৃশ্যত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নেই বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব মোল্লা। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এসব জেব্রা সাধারণত আফ্রিকান অঞ্চলে পাওয়া যায়। আফ্রিকান স্থানীয় কিছু উপজাতি ছাড়া সারাবিশ্বে জেব্রার মাংস কেউ খায় না। এছাড়া, জেব্রার শরীরের কোনও অংশ দিয়ে ওষুধ বা অন্যকিছুই তৈরি হয় না।’
তবে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণের জন্য এই জেব্রাগুলো আনা হতে পারে বলে ধারণা করছেন এই প্রাণিবিদ। তার ভাষ্য— ‘চিড়িয়াখানায় রেখে প্রদর্শন করা বা ব্যক্তিগতভাবে নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য এগুলো আনা হতে পারে। এছাড়া, জেব্রার আর তেমন কোনও ইউটিলিটি নেই।’
একটি মৃতসহ ৯টি জেব্রা খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খুব শিগগিরই গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রাগুলোকে উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মদিনুল আহসান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'অবৈধ বাংলাদেশিদের' ওয়ার্ক পারমিট দেবার প্রস্তাব

আসাম এদের অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করলেও বাংলাদেশ তাদের নিতে প্রস্তুত নয় - আর দুদেশের মধ্যে কোনও প্রত্যাবাসন চুক্তিও নেই।
ফলে এই লক্ষ লক্ষ তথাকথিত অবৈধ বিদেশিকে নিয়ে কী করা হবে, তা নিয়ে দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর গত সপ্তাহেই আলোচনা হয়েছে।
ঐ বৈঠকে একাধিক মুখ্যমন্ত্রী লাখ লাখ 'অবৈধ বাংলাদেশিদের' বৈধভাবে কাজের সুবিধা করে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেছেন।
মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠকে দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে।
"এই ইস্যুটা অ্যাড্রেস করার জন্য একটা মেকানিজম লাগবেই - ফলে আমরা কেউ ইনার লাইন পারমিট, কেউ ওয়ার্ক পারমিটের কথা বলেছি। অবশ্য প্রতিটা প্রস্তাবেরই নানা সুবিধা-অসুবিধা আছে, কিন্তু এটা যে উপেক্ষা করা যাবে না তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।"
এমনকী, বিষয়টা মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা দরকার বলেও মনে করছেন তিনি।
মি সাংমা বলছেন, "ওই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থেই প্রয়োজনে নিয়মকানুনের কিছু পরিবর্তন করেও এই বিপুল সংখ্যক লোককে ওয়ার্ক পারমিট বা ওই জাতীয় কিছু দেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে।"ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোর্ডের সাবেক সদস্য ও বিএসএফের প্রাক্তন মহাপরিচালক প্রকাশ সিংও মনে করছেন, ওয়ার্ক পারমিট হল দুটো চরম রাস্তার মধ্যে একটা মাঝামাঝি সমাধান।
তিনি বলছেন, "একটা রাস্তা হল এই লোকগুলোকে ছুঁড়ে ফেলা, যা অবশ্যই নিষ্ঠুর ও মানবাধিকারের দৃষ্টিতে আপত্তিজনক। আর একটা রাস্তা হল ঠিক আছে তোমরা বিদেশি, থাকছ থাক - আমরা কিছুই করলাম না - যেটা দেশের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস করা।"
"কিন্তু এই দুটোর মাঝে একটা মধ্যপন্থা হতে পারে বিদেশি হিসেবে এদেশে দুবছর বা তিন বছর ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কাজ কর, থাকো আর মেয়াদ ফুরোলে ফিরে যাও!"
কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল, পারমিট ফুরোলে তারা যাবেনটা কোথায়?
আসামের সিভিল সোসাইটি অ্যাক্টিভিস্ট ও অর্থনীতিবিদ জয়দীপ বিশ্বাস এই কারণেই বলছেন প্রস্তাবটা গ্রহণযোগ্য নয়।
অধ্যাপক বিশ্বাস বলছিলেন, "প্রস্তাবটা পুরনো, এক সময় প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীও এই ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এমনিতে মাইগ্র্যান্ট (অভিবাসী) ওয়ার্কারদের জন্য সারা বিশ্বেই ওয়ার্ক পারমিট স্বীকৃত একটি পন্থা - কিন্তু আসামের ব্যাপারটা একেবারেই স্বতন্ত্র!"
"এখানে সাতচল্লিশ বছর ধরেও যিনি এ রাজ্যে আছেন, যার নাম ভোটার তালিকাতেও আছে - আমি রাতারাতি তার নাগরিকত্বের দাবি খারিজ করে দিয়ে হাতে একটা ওয়ার্ক পারমিট ধরিয়ে দিলাম, এটা তো সম্পূর্ণ বেআইনি!
"ধরা যাক নাগরিক তালিকা থেকে পাঁচ লাখ মানুষ বাদ পড়লেন। এখন এই পাঁচ লাখ মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হলে তারা কিন্তু রাষ্ট্রহীন নাগরিকেও পরিণত হবেন। বিশ্বের একটি অন্যতম বৃহৎ ও দায়িত্বশীল গণতন্ত্র হিসেবে ভারত কিছুতেই এতগুলো লোককে রাষ্ট্রহীন বানাতে পারে না ... সেটা অন্যায়, অনৈতিক ও অবৈধ", বলছিলেন জয়দীপ বিশ্বাস। আসামে মুসলিমদের দল হিসেবে পরিচিত এআইইউডিএফের কার্যকরী সভাপতি ড: আদিত্য লাংথাসা অবশ্য বিষয়টাকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন।
তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, "ওয়ার্ক পারমিট তো একটা সমাধান হতেই পারে, কারণ আমেরিকা-ইউরোপের পশ্চিমা দেশগুলোও তো একই জিনিস করে। আর যারা বিদেশি তারা বিদেশি, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার তো কোনও প্রশ্নই আসে না!"
ড: লাংথাসা আরও বলছেন, "এখানে তো বিদেশিদেরও এখন ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা মনে করি, হিন্দু-খ্রিস্টান-মুসলিম সব ধর্মের বিদেশিরাই বিদেশি, তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনও অধিকার নেই। আপনি বলুন তো আমেরিকা-ইউরোপ-অস্ট্রেলিয়া কোন দেশে এভাবে বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেবে? হ্যাঁ, ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে আপনি বড়জোর কাজ করতে পারবেন, সেটুকুই যথেষ্ট।"
কিন্তু এক্ষেত্রে এই ওয়ার্ক পারমিট তাদের না দেবে ভারতের, না দেবে বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার।
ফলে ওয়ার্ক পারমিটের প্রস্তাব গৃহীত হলে আসামের কয়েক লক্ষ তথাকথিত বিদেশি হয়তো কিছু সময়ের জন্য ভারতে কাজ করার সুযোগ পাবেন, কিন্তু একই সঙ্গে তাদের ওপর পাকাপাকিভাবে পড়ে যাবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর ছাপ।
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের এনভিসি কার্ড ইস্যুর বিরোধিতা মিয়ানমারে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসের পাতা থেকে কখনই হারাবে না পারস্য উপসাগরের নাম

ইরানের ফার্সি ক্যালেন্ডার বা বর্ষপঞ্জিতে বহু ঐতিহাসিক দিবস স্থান পেয়েছে। কিন্তু ক্যালেন্ডারের পাতায় 'জাতীয় পারস্য উপসাগর' নামক বিশেষ দিবস স্থান পাওয়ার আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। 'পারস্য উপসাগর' নামটি ইরানসহ গোটা এই অঞ্চলে হাজার হাজার বছর ধরে একটি সুপরিচিত ও ঐতিহাসিক নাম। কিন্তু ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর লক্ষ্য করা গেছে বিদেশিরা ঐতিহাসিক এই নামকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে দেয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ওই ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য ইংরেজি ৩০ এপ্রিল মোতাবেক ফার্সি ১০ উর্দিবেহেশকে 'জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস' হিসেবে নাম করণ করে ইরানের সাংস্কৃতিক বিপ্লবী উচ্চতর পরিষদ। পারস্য উপসাগর চারটি মহাসাগরের অংশ। প্রাচীন গ্রিকরা মনে করতেন, পারস্য উপসাগর সব মহাসাগরের মিলন কেন্দ্র এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ এই উন্মুক্ত পানি পথকে 'ফার্স' নামে চিনতো। বর্তমানে পারস্য উপসাগর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তেল সরবরাহের সবচেয়ে বড় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত।
অতীতের বিভিন্ন দলিল দস্তাবেজ, চুক্তিনামা ও গ্রন্থ ঘাঁটলে দেখা যায় সারা বিশ্বের জাতিগুলোর কাছে এই সাগর "পারস্য উপসাগর" নামেই পরিচিত। পারস্য উপসাগর বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট লেখক মোহাম্মদ আজেম এই সাগর ও এর উপকূলীয় অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, "সেই প্রাচীন কাল থেকেই আর্থ-রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সারা বিশ্বের কাছে পারস্য উপসাগরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।" তিনি বলেন, "আরবি ভাষায় বহু পুরাতন যেসব দলিলপত্র লেখা হয়েছে তাতে পারস্য উপসাগরের নাম লেখা রয়েছে 'খালিজুল ফার্স' অর্থাৎ ফার্সি ভাষায় 'খালিজে ফার্স' বাংলায় যাকে বলা হয় 'পারস্য উপসাগর'। জাতিসংঘের ১১টি সনদেও পারস্য উপসাগরের নাম উল্লেখ রয়েছে।"
প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্যের ইতিহাস ও ভূখণ্ডের সঙ্গে পারস্য উপসাগরের নাম জড়িয়ে আছে। এই নামই এখানকার সভ্যতা ও ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরে। খালিজে ফার্স অর্থাৎ 'পারস্য উপসাগর' ছাড়া অন্য কোনো শব্দের ব্যবহার ইতিহাসকে অস্বীকার করার শামিল এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। বহু প্রাচীন কাল থেকেই পারস্য উপসাগর গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর ও ব্যবসায়ীক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেলেও শত শত বছর ধরে এর ব্যাপক রাজনৈতিক গুরুত্বও ছিল। বর্তমানেও সারা বিশ্বে পানি পথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের বিরাট গুরুত্ব রয়েছে এবং সেইসঙ্গে রাজনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণে বেড়েছে। পারস্য উপসাগরের ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে এটি বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে ১৫০ বছর ধরে পর্তুগিজদের উপনিবেশ বজায় ছিল এবং ১৬২২ সালের ৩০ এপ্রিল তাদের উপনিবেশের অবসান ঘটে। ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্য দলিল-প্রমাণ অনুযায়ী পারস্য উপসাগর সবসময়ই ইরানের অংশ ছিল।
আড়াই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে বর্তমান ইরানে হাখামানেশিয় শাসনামলে এই সাগরকে দরিয়ায়ে পার্সা অথবা দরিয়ায়ে পার্স নামে অভিহিত করা হত। খ্রিস্টপূর্ব গ্রিসের হেরোডেটাস ও গাযানফুনের মতো ইতিহাসবিদরা এই সমুদ্রকে দরিয়ায়ে পার্সে নামে অভিহিত করেছেন। আরব ও মুসলিম গবেষকরাও তাদের বিভিন্ন লেখনীতে এই সাগরকে আল বাহার উল ফার্সি এবং আল খালিজ উল ফার্সি নামে অভিহিত করেছেন। এতোসব ঐতিহাসিক দলিল প্রমাণ থাকা সত্বেও গত প্রায় ৬০ এর দশক থেকে বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল এ অঞ্চলের রাজতন্ত্র শাসিত কোনো কোনো আরব দেশ পারস্য উপসাগরের নাম পরিবর্তন করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। অবশ্য এ চেষ্টার পেছনে বিজাতীয়দের রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি রয়েছে। তারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জাতিগত ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের বিকৃতি ঘটিয়ে এ অঞ্চলের জাতিগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। দুঃখজনকভাবে এ অঞ্চলের কোনো কোনো দেশ বিজাতীয়দের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে তাদের রাজনৈতিক খেলার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
![]() |
| পারস্য উপসাগরের পুরাতন মানচিত্র |
মানচিত্র নির্মাণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের প্রধান মোহাম্মদ রেজা সাহাব বলেছেন, "নির্ভরযোগ্য দলিল প্রমাণ ঘাটলে দেখা যায় প্রাচীন গ্রিক ও আরবরাও শত শত বছর ধরে এই সাগরকে খালিজে ফার্স অর্থাৎ পারস্য উপসাগর কিংবা বাহার ফার্স নামে অভিহিত করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এ অঞ্চলে সৃষ্ট নতুন দেশগুলো পারস্য উপসাগরের নাম পরিবর্তনের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।"
এ অবস্থায় এতোসব দলিল প্রমাণ থাকার পরও ইরান কেন 'জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস' ঘোষণা করেছে তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন রয়েছে। এর উত্তর হচ্ছে, পারস্যের প্রাচীন সভ্যতা ও ঐতিহ্য ধরে রাখা এ দিবস ঘোষণার অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া, ৩০ এপ্রিল উপনিবেশবাদী শক্তি পর্তুগালকে পারস্য উপসাগর থেকে বহিষ্কার করার দিনটিতে জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। এমন একটি দিবস পালনের অর্থ হচ্ছে, সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎ শক্তিগুলোকে এ বার্তা পৌঁছে দেয়া যে, বহু প্রাচীনকাল থেকেই উপনিবেশবাদী শক্তিগুলো পারস্য উপসাগর ও এখানকার প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
অতীত থেকে শুরু করে এখনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো এটা বিশ্বাস করে ভূ-কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পারস্য উপসাগরের ওপর যদি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে বিশ্বব্যাপী নিজেদের লক্ষ্য বাস্তবায়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যাবে। এ কারণে এ অঞ্চলের ওপর সবসময়ই বৃহৎ শক্তিগুলোর লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে। ইরানের জনগণের প্রতিরোধ বহুবার প্রমাণ করেছে বিজাতীয়রা কখনই এ অঞ্চলের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। ইরানের সংসদ স্পিকার আলী লারিজানি বলেছেন, "পারস্য উপসাগর হচ্ছে তার দেশের ঐতিহাসিক সীমারেখা রক্ষায় একটি জাতির শক্তিমত্তা ও গৌরবের প্রতীক। ইরানের মুসলিম জাতি প্রমাণ করেছে, তারা জীবন বাজি রেখে হলেও তাদের জানমাল ও ভৌগোলিক সীমারেখা রক্ষা করবে।" ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়েতি বলেছেন, পারস্য উপসাগরের নাম যা আছে তাই থাকবে এবং কেউ এ নাম পরিবর্তন করতে পরবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারুণ্যের সংকট: দেশ ছাড়ছে লাখো উচ্চশিক্ষিত তরুণ by হাফিজ মুহাম্মদ

বেকারত্বের ভয়াল চিত্র দেশে। হন্যে হয়ে নিজের শিক্ষার সমাঞ্জস্য একটি চাকরির সন্ধান মিলাতে পারছেন না কোনোভাবেই। শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে চাকরি না পাওয়ার সংখ্যাটা অনেক বেশি। একটি কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাওয়া যেন সোনার হরিণ। এ কারণে দেশে চাকরি পাওয়ার কোনো লক্ষণ না দেখে তারা পাড়ি দিচ্ছেন বিদেশে। ভালোভাবে জীবন-যাপনের উদ্দেশ্যে স্ব-ইচ্ছায় তারা দেশ ছাড়ছেন। এখানে আবার দেখা যায় উচ্চশিক্ষিত হয়েও অনেক তরুণ শ্রমিক ভিসায় চলে যাচ্ছেন। কারণ হিসেবে তরুণরা বলেছে দেশে বেকার থেকে পরিবারের জন্য বোঝা না হয়ে বাধ্য হয়েই কাজ করতে তারা চলে যান বিদেশে। দেশের ভেতরে যদি তারা একটি নির্ভরযোগ্য কাজ পেতেন তাহলে আর দেশ ছাড়তে হতো না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চশিক্ষিত তরুণদের জন্য দেশে নতুন কর্মসংস্থান খুব একটা সৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে শিক্ষিত এসব তরুণদের বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। আর চাকরির আর্থিক নিরাপত্তা না থাকায় বেসরকারি সেক্টরেও আগ্রহ কমেছে তরুণদের। তাদের ধরে রাখতে হলে রাষ্ট্রকে তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে অনেক উচ্চশিক্ষিত তরুণ বলছে, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দেয়ার পরেও তাদের চাকরি হয় না। আবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সুযোগ-সুবিধাও কম, চাকরির নিশ্চয়তা তো নেই-ই। এসব কারণেই মূলত উচ্চশিক্ষিতরা বিদেশমুখী হচ্ছেন।
ইউনেস্কোর ‘গ্লোবাল ফ্লো অব টারশিয়ারি লেভেল স্টুডেন্টস’ শীর্ষক এ প্রতিবেদন অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার নামে ২০১৬ সালে ৬০ হাজার ৩৯০ জন এবং ২০১৫ সালে ৩৩ হাজার ১৩৯ জন শিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশে গিয়েছেন। ২০১৫ ও ১৬ সালের যে ৯৩ হাজার ৫৮০ জন শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এ পরিসংখ্যানই অনুসারে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে আগের বছরের চেয়ে দ্বিগুণ শিক্ষার্থী বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের ধারণা এমনই।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, এসব তরুণদের বেশিরভাগ বিদেশ গমনে উচ্চশিক্ষার ভিসায় বিদেশ গেছেন। তবে, এর বাইরে রয়েছে ভিন্ন কারণ। এসব তরুণদের বেশিরভাগ সেখানে গিয়ে পড়াশোনা ছেড়ে নেমে পড়েন উপার্জনে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে বিদেশ যাওয়ার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে কর্মসংস্থান না হওয়া। আবার বিদেশ যেতে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হয়েছে তাকে। অন্যদিকে বিদেশে বাসস্থান এবং খাওয়ার খরচও নিজেকে বহন করতে হয়। এসব তরুণদের সঙ্গে আলাপে উঠে আসে তারা বিদেশে যে বিভিন্ন কাজ করেন তার চিত্র। রেস্টুরেন্ট, হোটেল, হসপিটাল এবং সুপারশপে চাকরি করেন। তবে, যারা মেধাবৃত্তি পেয়ে বিদেশ যান তাদের বিষয়টি ভিন্ন। তবে, এই সংখ্যাটা খুবই অল্প। এসবের বাইরেও ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছেন শিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষিত তরুণরা। ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালেও উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশি তরুণদের শীর্ষ গন্তব্য ছিল মালয়েশিয়া। ২০১৬ সালের প্রতিবেদনে শীর্ষ স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়াই।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে তরুণদের মালয়েশিয়াকে বেছে নেয়ার পেছনে মূল কারণ হিসেবে রয়েছে নিকটতম দূরত্ব, পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ ও তুলনামূলক কম খরচের কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশি তরুণদের বিদেশে পাড়ি জমানোর ক্ষেত্রে অন্য যেসব দেশ এগিয়ে রয়েছে তারমধ্যে হচ্ছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, সৌদি আরব, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পোল্যান্ড, তুরস্ক, আয়ারল্যান্ড ও ভারত। এ ছাড়াও রয়েছে সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও দক্ষিণ কোরিয়া।
এ বিষয়ে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম মানবজমিনকে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে যদি যথেষ্ট কাজের সুযোগ থাকতো তাহলে দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বিদেশে চলে যাওয়া দেশের সম্পদের অপচয় হিসেবেই বিবেচিত হতো। যেহেতু আপনি তাদের জন্য দেশে কাজের সুযোগ করতে পারছেন না, দেশে থাকার ফলে আর্থিক দিক থেকেও তারা বোঝা হয়ে যায়, সামাজিকভাবেও কোনো কোনো সময় বোঝা হয়ে যায়। আবার কখনো সামাজিক সংকটও সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে দেশের চাকরির বাজারে নিজেকে দক্ষ প্রমাণ করেতে না পেরে অনেক উচ্চশিক্ষিত তরুণ বিদেশ চলে যায়। দেশের পরিবর্তে যদি তারা বিদেশে নিজেদের কাজের যোগান দিতে পারে তাহলে এটা বোঝা নয় বরং সম্পদ হিসেবেই ধরা হয়। এটাকে একটা উন্নয়নশীল দেশের জন্য খারাপ চোখে দেখার উপায় নেই। কেননা এসব তরুণরা দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ভূমিকা রাখছে। নিজেদের খাওয়া-দাওয়া ওখান থেকেই করছে। আবার যে টাকা-পয়সা আসছে সেটা দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশে এখনো যেহেতু একটি বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষিত বেকার। সে বিবেচনায় তাদের বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারটাকে আমরা এখনো নেতিবাচক দেখতে পারি না। দেশের ভেতরে যদি তাদের জন্য উপযুক্ত কাজের সৃষ্টি করা যায় তাহলে বিদেশ যাওয়ার এই প্রবণতাটা থাকবে না।
শিক্ষিত তরুণদের সম্পর্কে এ গবেষক বলেন, বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বৈধভাবে যেতে হবে এবং কাজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটা সম্মানজনক কাজ পাওয়া যায় সেদিক লক্ষ্য রাখতে হবে। তরুণ শিক্ষিত অনেক নারীও এখন বিদেশ যাচ্ছেন। তাদের ক্ষেত্রেও একটা সম্মানজনক চাকরি পাওয়া এবং আমাদের বিদেশি লেবার কাউন্সিলরদের এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখা দরকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারনে বিজয়ী হলেও ক্ষমতা ছাড়তে হবে মাহাথির মোহাম্মদকে!

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, দেশজুড়ে মাহাথির মোহাম্মদের অনুগত লোকের সংখ্যা অনেক হলেও সম্প্রতি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের কারণে ক্ষমতাসীন দলের জয়ের সম্ভবনা বেশি। কারণ তাদের সুবিধামতোই এই সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘বেরসিহ’ অনুমান করেছে, নাজিব ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ জনপ্রিয় ভোট পেয়ে জয়লাভ করতে পারবেন।
তবে শেষ দিকে এসে নির্বাচনি জনস্রোত নাজিবের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেছে বলে মনে করছে অনেকে। গবেষণা সংস্থা মারদেকা সেন্টারের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, মাহাথিরের পাকাতান হারাপান জোট ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ জনপ্রিয় ভোট পেয়ে জয়লাভ করবে। আর নাজিবের ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাসিওনাল জোট পাবে ৪০ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট।
যদি বিরোধী দল সত্যি নির্বাচনে জিতে যায় তাহলে ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর দেশটির ইতিহাসে এমন ঘটনা হবে প্রথমবার। তবে যদি নাজিব নির্বাচনে খারাপ করেই তাহলে নির্বাচন পরবর্তী নেত্ত্বৃ সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
তবে জিতলেও বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না মাহাথির মোহাম্মদ। কারণ নির্বাচনের জোট গঠনের চুক্তি অনুসারে মাহাথিরকে দুই বছর পর আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। আনোয়ার মোহাম্মদ সমকামের দায়ে দ্বিতীয় মেয়াদে কারাদ- ভোগ করছেন। তবে এই নেতার দাবি, তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
রাজাকের মতো আনোয়ার ইব্রাহিমও এক সময় মাহাথির মোহাম্মদের শিষ্য ছিলেন। তবে অনেক ক্ষমতাবান ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় ১৯৯৯ মাহাথিরই তাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের বিরোধ মিটিয়ে ফেলেছেন তারা। নির্বাচনে জিতলে আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করে দেবেন মাহাথির। পরে তার কাছেই দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন মাহাথির মোহাম্মদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেধাবী দুই বোনের গল্প

তারা দুই বোন এবার লালবাড়ি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল। তাদের বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ঘৃলাই সরকারপাড়া গ্রামে। তাদের বাবা তারাজুল ইসলাম ঝাল চানাচুর বিক্রিতা ও মা হাফিজা বেগম গৃহিণী।
জানা গেছে, তারাজুল ইসলামের চার মেয়ে। এর মধ্যে তাহেরা প্রথম ও তাছমিন্নাহার দ্বিতীয়। তার তৃতীয় মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে এবং চতুর্থ মেয়ে প্রথম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। তার জমি বলতে রয়েছে আড়াই শতক বসতবাড়ি। সেখানে একটি মাটির ঘরে তাদের বসবাস। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তারাজুল ইসলাম একটি ভাঙা ভ্যানে করে ঝাল চানাচুর বিক্রি করেন। বাবা গরিব হওয়ায় মেয়েরাও কখনো লেখাপড়ার খরচের জন্য বাবাকে চাপ দেয়নি। তারা কখনো টিউশনি করে আবার কখনো বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে লেখাপড়া করেছে।
ভালো ফলাফলের জন্য তাহেরা ও তাছমিন্নাহার স্কুল শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তবে লেখাপড়া শিখে তাহেরা ডাক্তার এবং তাছমিন্নাহার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু দরিদ্রতার কষাঘাতে তাদের এই স্বপ্ন আদৌ কি বাস্তবায়ন হবে!
বাবা তারাজুল ইসলাম বলেন, ‘মুই সারা দিন চানাচুর বিক্রি করে ২-৩শ টাকা আয় করো। তা দিয়ে সংসার চলে না। বেটি দুইটা ভালো ফল করার পর বড় বড় স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু মুই গরিব মানুষ, তাদের কি এই স্বপ্ন পূরণ করতে পারবো। তাদেরকে (মেয়ে) বলছু (বলেছি) মা হামরা (আমরা) গরিব মানুষ, এতো বড় স্বপ্ন হামার দেখা কি ঠিক। তোমরা লেখাপড়া ছেড়ে দেও। মোর এই কথা শুনে তারা শুধু কাঁদছে আর কাঁদছে। তারা বলছে বাবা হামরা গরিব দেখি কি স্বপ্ন দেখতে পারি না। দোয়া করেন আল্লাহ একদিন হামার স্বপ্ন পূরণ করবে।’ তার মা হাফিজা বেগম বলেন, ‘মোর বেটিরা কখনও কোনো জিনিসের জন্য বায়না ধরেনি। তাদের নেকাপড়ার (লেখাপড়া) প্রতি খুব ঝোঁক। খেয়ে না খেয়ে স্কুল করেছে। তারা রেজাল ভালো করায় গ্রামের মানুষ কওচে তোমার বেটিরা সোনা। তাদের লেখাপড়া বন্ধ করেন না। তারা একদিন অনেক বড় জায়গায় যাইবে, গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করবে। কিন্তু টাকা না থাকলে ওদেরকে কিভাবে পড়াইম?’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনা স্মার্টফোনের বাজার বেড়েছে ২৫ শতাংশ, সিম্ফনি শীর্ষে

গবেষণার ফলাফল নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী পরিচালক তরুণ পাঠক বলেন, ‘সামনের মাসগুলোতে ৪জি প্রযুক্তি সম্বলিত স্মার্টফোন বিক্রিতে অফার আসার সম্ভাবনায় অনেক গ্রাহক ডিভাইস কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। এ কারণেই বাংলাদেশের স্মার্টফোন বিক্রির পরিমাণ গত বছরের এই তিন মাসের তুলনায় ১৮ শতাংশ কমেছে। এ বছরের প্রথম তিন মাসে গ্রামিনফোন, রবি ও বাংলালিংকের মতো নেতৃত্বস্থানীয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো ৪জি সেবা চালু করেছে। যতই ৪জি কভারেজ বিস্তৃত হবে, ততই ৪জি প্রযুক্তির মোবাইলের চাহিদা বাড়বে। আমাদের অনুমান, আগের বছরের তুলনায় বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারের আকার এই বছর বৃদ্ধি পাবে ১৬ শতাংশ।’
বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারের প্রতিযোগিতামূলক চিত্র তুলে ধরে কাউন্টারপয়েন্টে রিসার্চের গবেষণা বিশ্লেষক সত্যজিৎ সিনহা বলেন, ‘১০০ ডলারের কম দামে স্মার্টফোন বিক্রির দিক থেকে, চীনা ব্রান্ডগুলো আগ্রাসীভাবে বাজার দখলে নিচ্ছে। কিন্তু তারপরও স্থানীয় ব্রান্ড সিম্ফনি বাজারে এখনও নেতৃত্ব দিচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আরেক স্থানীয় ব্রান্ড ওয়ালটন প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। ফলে এই কোম্পানির স্মার্টফোন বাজারে আসার হার গত বছরের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেড়েছে। সামনের দিনগুলোতে শীর্ষ ৫ ব্রান্ডের মধ্যে শক্ত প্রতিযোগিতা হবে।’
সিনহা আরও বলেন, ‘মূল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী (ওইএম) কোম্পানিগুলোর উচিত স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ জোড়া লাগানোর পেছনে বিনিয়োগ করার বিষয়টি বিবেচনা করা। আমদানি শুল্ক সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ায়, অনেক কোম্পানি যন্ত্রাংশ জোড়া লাগানোর কাজ বাংলাদেশেই করছে। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান ঘরোয়াভাবে যন্ত্রাংশ জোড়া লাগাচ্ছে, তারা দামের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে এই কাজ শুরু করেছিল ওয়াল্টন। পরে সিম্ফনি, লাভা, স্যামসাং ও ট্রানসনের মতো ব্রান্ড যন্ত্রাংশ জোড়া লাগানোর পরিকল্পনা হাতে নেয়।’
সংক্ষেপে বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার
জানুয়ারি থেকে মার্চে বাংলাদেশের স্মার্টফোন শিপমেন্ট গত বছরের চেয়ে ১৮ শতাংশ কমেছে। তবে গত তিন মাসের তুলনায় ৩ শতাংশ বেড়েছে।
দেশটির মোট মোবাইল শিপমেন্টের ২১ শতাংশই স্মার্টফোন। এ থেকে বোঝা যায় স্মার্টফোন ব্যবহারের গতি অল্প করে হলেও বাড়ছে।
বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে এখনও সিম্ফনিই শীর্ষ ব্রান্ড। মোট ২১ শতাংশ বাজার ব্রান্ডটির দখলে। ১৫ শতাংশ জায়গা নিয়ে ওয়াল্টনের স্থান দ্বিতীয়। শীর্ষ ৫ ব্রান্ডের বাকি তিনটি বিদেশী।
ওয়াল্টন স্মার্টফোন বাজারে আসার হার গত বছরের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেড়েছে। এ বছরের প্রথম তিন মাসে ওয়াল্টন যত ফোন বাজারে এনেছে, তার ২৫ শতাংশই স্থানীয়ভাবে তৈরি করা।
২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসে ফোন বাজারে আনার হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আইটেলের। আগের বছরের তুলনায় এই বৃদ্ধি ছিল ৫৬৪ শতাংশ। মোট ১০ শতাংশ বাজার এখন এই ব্রান্ডের দখলে। আক্রমণাত্মক প্রচারণা ও পণ্যের স্বল্পদাম এই ব্রান্ডের ব্যবসায়িক সাফল্যের রহস্য। এই তিন মাসে স্যামসাং ও হুয়াওয়েকে টপকে তৃতীয় স্থান আইটেলের। আইটেলের এস১১ মডেল ছিল জনপ্রিয়।
স্যামসাং মোবাইল ১০ শতাংশ বাজার দখল করেছে। গত বছরের তুলনায় এই হার ৪৬ শতাংশ কম। তবে ৪জি স্মার্টফোন বিক্রির দিক থেকে স্যামসাং শীর্ষে। জে সিরিজ মডেলের বদৌলতে এই ক্যাটাগরির ২১ শতাংশ বাজারই স্যামসাং-এর। এই তিন মাসে মোট যত ৪জি ফোন বাজারে এসেছে, তার ১৭ শতাংশই স্যামসাং-এর জে সিরিজ মডেলের।
বাজারের ৮ শতাংশ হুয়াওয়ের দখলে। হুয়াওয়ের ওয়াই সিরিজের ওয়াই৩ ছিল জনপ্রিয় ৪জি মডেল। এই তিন মাসে যত ৪জি প্রযুক্তির ফোন বাজারে এসেছে তার ২০ শতাংশ ছিল হুয়াওয়ের।
ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ গ্রামিনফোন, রবি এজিয়াটা ও বাংলালিংক ৪জি সেবা চালু করে। তবে এখনও দেসজুড়ে এই সেবা বিস্তৃত হয়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ টাকায় ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে গার্লফ্রেন্ড!

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ এর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যারা গার্লফ্রেন্ড হিসাবে থাকবেন, তারা সবাই মডেল। সেখানেই যে কোনো একজনকে পছন্দ করে তার সঙ্গে ঘোরার সুযোগ থাকবে ২০ মিনিটের জন্য। ২০ মিনিটের জন্য গ্রাহকদের চীনা মুদ্রায় ১ আরএমবি ভাড়া দিতে হবে। যা কম-বেশি ১০ টাকার সমান।
যারা মডেলদের ভাড়া করবেন তাদেরকে বিশেষ বারকোডের মাধ্যমে এই টাকা পে করতে হবে। ২০ মিনিট ঘোরা হয়ে গেলে ওই মডেলকে আগের জায়গায় এনে ছেড়ে দিতে হবে। যদি কোনো গ্রাহক আরও বেশি সময় ওই মহিলার সঙ্গে কাটাতে চান, তাহলে তাকে অতিরিক্ত ২০ মিনিটের জন্য একই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।
তবে মডেলদের গার্লফ্রেন্ড বানানোর জন্য বিশেষ নিয়মকানুনও থাকছে। শপিং মলের বাইরে কোনো ভাবেই তাদের নিয়ে যাওয়া চলবে না। পাশাপাশি ওই ২০ মিনিট তাদের স্পর্শ করতে পারবেন না গ্রাহকরা।
ইতোমধ্যে ওই শপিং মলটি জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে। সবাই বুঝছেন এটা বিপণন কৌশল। আকর্ষণ বাড়ানোর জন্যই ওই শপিং মল এমন অফার দিচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে এমন অফারে হাসি ফুটেছে সেখানকার সিঙ্গলদের মুখে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: তিস্তা জটিলতা সুরাহার সম্ভাবনা নেই

বিবিসির বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফর নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট করেছে বিবিসি বাংলা। নির্বাচনী বছরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন ভারত যাচ্ছেন? শিরোনামে প্রকাশিত ওই রিপোর্টের সূচনাতে বলা হয়েছে- মাত্র বছরখানেকের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এ মাসের শেষের দিকে ভারত সফরে যাচ্ছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে তাঁর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান রয়েছে। একটি উদ্বোধন, অন্যটি সম্মানজনক ডিলিট ডিগ্রি গ্রহণ। সেখানে তার সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দেখা হওয়ারও সম্ভাবনা আছে, যদিও রাজ্য সরকার বিবিসিকে পরিষ্কার জানিয়েছে তিস্তা চুক্তি নিয়ে তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই পটভূমিতে কেন আবার এত কম সময়ের ব্যবধানে শেখ হাসিনার এই ভারত সফর ? এমন প্রশ্ন রেখে বিবিসি বলছে- আসলে লন্ডনে গত মাসে কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের অবকাশে যখন নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার দেখা হয়েছিল, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই ভারত সফরের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়ে গিয়েছিল তখনই। সেই অনুযায়ী ২৫শে মে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতেই শেখ হাসিনা বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন। পরদিন আসানসোলের কাছে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেবেন সাম্মানিক ডিগ্রি। যে পশ্চিমবঙ্গের বাধাতে তিস্তা চুক্তি আটকে আছে, সেই রাজ্যেই তার এই সফরে অবশ্য তিস্তার ছায়া তেমন পড়বে না বলেই বিশ্বাস করেন ঢাকায় দায়িত্বপালনকারী সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী। তার মূল্যায়ন ছিল এরকম- আমার মনে হয় তিস্তা ইস্যু এখন অনেক ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে গেছে। মি. চক্রবর্তীর আরো ধারণা, ‘ক্ষমতায় ফেরার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বলেই শেখ হাসিনা এই সফরে সম্মতি দিয়েছেন। তা ছাড়া, এই সফর প্রধানমন্ত্রী মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেও তার আরো এক দফা আলোচনার সুযোগ করে দেবে।’ কবি নজরুলের জন্মস্থান চুরুলিয়ার কাছে অবস্থিত যে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে ডিগ্রি দিয়ে সম্মান জানাচ্ছে, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এমনকি সরকারেরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। সেখানকার অধ্যাপক অশিস মিস্ত্রি বলছিলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে শেখ হাসিনার সফর প্রথাগত কূটনীতির বাইরেও সম্পর্কের অন্য একটা দিগন্ত দিতে পারে। তার কথায় প্রটোকলের কূটনীতির বাইরেও পাবলিক ডিপ্লোম্যাসির যে একটা পরিসর আছে, কিংবা ট্র্যাক-টু ট্র্যাক-থ্রি যাই বলুন না কেন, সেই দিক থেকে কিন্তু আমাদের এখানে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সফর আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যে তিস্তার মতো ইস্যুর এখনও মীমাংসা হয়নি, এই ধরনের ইনফর্মাল সফর- যেখানে দুই দেশের মানুষের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়- সেখানেই বরফ গলার প্রক্রিয়াটা শুরু হতে পারে বলে তিনি আশাবাদী। তার মতে, দু’দেশের সম্পর্কটা যে শুধু ঢাকা-নতুন দিল্লির মধ্যেই সীমিত নয়, সেখানে পশ্চিমবঙ্গেরও বড় ভূমিকা আছে, তা তো অতীতে বারে বারেই দেখা গেছে। বস্তুত বিশ্বভারতী বা আসানসোলে মমতা ব্যানার্জি ও শেখ হাসিনার মধ্যে একান্ত আলোচনা হতে পারে, সেই সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু মমতা ব্যানার্জির ক্যাবিনেটে সেচমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি বিবিসিকে পরিষ্কার জানাচ্ছেন, তিস্তার এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে জল ভাগাভাগির চুক্তি করার কোনো অবস্থাই নেই। মি. ব্যানার্জি বলছিলেন- এই শুখা মরসুমে তিস্তায় জল নেই বললেই চলে। উজানে যেভাবে সিকিম তিস্তার ওপর একের পর এক বাঁধ দিয়েছে তাতে এককালের ভরা নদী তিস্তা এখন একেবারে শুকিয়ে গেছে, আমাদের চাষের প্রয়োজনই মিটছে না। আমরা মনে করি তিস্তায় জলের প্রবাহ না বাড়িয়ে যদি চুক্তি করা হয় তাহলে তা কারোরই কাজে আসবে না, কাউকেই সন্তুষ্ট করতে পারবে না। ফলে এখন চুক্তি করাটাই তো অর্থহীন। ফলে বাংলাদেশে নির্বাচনী বছরে শেখ হাসিনার এই পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারত সফর তিস্তা নিয়ে জট খুলতে পারবে সেই সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমপিপুত্র রনির জোড়া খুন মামলা: রায় হলো না আবার যুক্তিতর্ক

জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৩ই এপ্রিল রাতে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি থেকে গুলি ছোঁড়েন মহিলা সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে রনি। তার গুলিতে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সিএনজি অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী এবং মধুবাগের রিকশাচালক আব্দুল হাকিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে ২০১৫ সালের ১৫ই এপ্রিল রাতে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পরে মামলাটি তদন্তের পর চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। চার্জ গঠনের পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ১৮ই অক্টোবর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দীপক কুমার দাসকে রনির পক্ষে জেরা করেন আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু। ওই দিন তদন্ত কর্মকতার জেরার মধ্য দিয়ে মামলাটির সাক্ষ্য ও জেরা কার্যক্রম শেষ হয়। গত ২০১৭ সালের ২৯শে অক্টোবর আত্মপক্ষ সর্মথনের মধ্য দিয়ে আদালতের জিজ্ঞাসায় রনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। এরপর গত ১০ই এপ্রিল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিনটি ধার্য্য করে ছিলেন আদালত। সেদিন যুক্তিতর্ক শুনানিতে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আব্দুস সাত্তার দুলাল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়ার দাবি করেন। অপর দিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আসামিকে খালাস দেয়ার দাবি জানান। অবশ্য এর আগে মামলার ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সম্পন্ন হয় জেরাও।
এ মামলায় ২০১৭ সালের ৮ই অক্টোবর রনির ড্রাইভার ইমরান ফকির সাক্ষ্য দেয়। একই বছরের ১লা জুন তিনি আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। রনিকে আদালতে শনাক্তও করেন। আসামি পক্ষে এদিন তাকে জেরাও করা হয়েছে। এ ছাড়া নিহত অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলীর মেয়ে রুনা আক্তার, নিহত অপর রিকশাচালক আবদুল হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম ও নিহত অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলীর স্ত্রী সালমা বেগমসহ ২৪ জন তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। গুলি করার সময় গাড়িতে থাকা রনির দু’বন্ধু কামাল মাহমুদ ও টাইগার কামালকে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে প্রদান করে। সব সাক্ষ্য, জেরা এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পরও অধিকতর যুক্তিতর্কের জন্য আদালত পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরবে বিএনপি by কাফি কামাল

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে তাই প্রথমেই তুলে ধরা হচ্ছে ব্যাংকিং খাতের চিত্র। অন্যান্য খাতের অভ্যন্তরীণ চিত্র প্রকাশের প্রস্তুতিও চলছে সমানে। সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি কল্যাণকামী, দূরদর্শী ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য কিন্তু বাস্তবসম্মত ইশতেহার তৈরি করবে বিএনপি। প্রতিটি খাতের অভ্যন্তরীণ চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ-প্রস্তাবনাও দেবে বিএনপি। অনিয়ম ও বিপর্যয় সম্পর্কে উত্থাপিত চিত্রের ব্যাপারে দেশবাসীর প্রতিক্রিয়া ও বিএনপির পরামর্শ-প্রস্তাবনার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই ইশতেহারে সংশ্লিষ্ট খাতের অংশ চূড়ান্ত হবে। সূত্র জানায়, পুরো প্রস্তুতি চলছে অত্যন্ত গোপনে এবং কৌশলে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ-অভিজ্ঞ ছাড়া দলের অনেক সিনিয়র নেতাকেও এ ব্যাপারে অবহিত করা হচ্ছে না। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চায় না কোনোভাবেই এ ব্যাপারে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিবন্ধকতা তৈরি হোক। বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয় সূত্র জানায়, ব্যাংকিং খাতের অভ্যন্তরীণ সার্বিক চিত্র উত্থাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ব্যাংকিং খাতের নিরপেক্ষ ও শুভাকাঙ্ক্ষী বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে লুটপাট, দুর্নীতি, ব্যাংকিং খাত পরিচালনায় পরিবারতন্ত্র কায়েম, আমদানির আড়ালে অর্থ পাচার, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য, গুণগত প্রবৃদ্ধি না হাওয়া ও বাজেট কাঠামো দুর্বলতা, কর্মসংস্থান ও বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা, সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংস্কারে উদ্যমের অভাব, সমন্বয়হীনতা, ব্যাংকের কুঋণ ও সঞ্চিতির ঘাটতি, ঋণ দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস, অপরিশোধিত ঋণ বৃদ্ধি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দুর্বলতার মতো বিষয়গুলো তথ্য-উপাত্তসহ সবিস্তারে তুলে ধরা হবে। অর্থনৈতিক খাত নিয়ে কাজ করেন বিএনপির এমন এক নেতা বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ তদারকির অভাবে ব্যাংকিং খাত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এতদিন সরকারি ব্যাংকের অবস্থা ভয়াবহ খারাপ থাকলেও এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে বেসরকারি ব্যাংকে। ব্যাংকিং খাতে এখন আতঙ্ক। ব্যাংকে নগদ টাকার সংকটের কারণে আমানত তুলে নেয়ার ঘটনা বাড়ছে। আতঙ্কের কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্যাংকাররা। আর এতে বিনিয়োগকারীরা হয়ে পড়েছেন বিভ্রান্ত। তিনি বলেন, ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা ঘটলেও এমন অনিয়মের কোনো প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার উল্টো ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে সেখানে পরিবারতন্ত্র কায়েম করেছে। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে ব্যাংকিং খাত চরমভাবে বিপর্যয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আরেক নেতা জানান, বেসরকারি খাতের ফারমার্স ব্যাংকে রাখা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না আমানতকারীরা। জলবায়ু তহবিল ৫০৮ কোটি টাকা ফেরত না পাওয়ার কথা আলোচনা হয়েছে খোদ জাতীয় সংসদে।
আস্থা সংকটের কারণে রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পাওয়া নতুন কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে টাকা রাখতে নিরাপদ বোধ করছে না সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। পুরোনো বেসরকারি ব্যাংক থেকেও কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এতে তারল্য সংকটে পড়েছে ব্যাংকগুলো। ব্যাংকিং খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক প্রভাব ও যোগসাজশের মাধ্যমে লাগামহীন জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপির দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের অকার্যকর পদক্ষেপ ও দৃশ্যমান অসহায়ত্বের প্রভাব পড়েছে পুরো অর্থনীতিতে। আগে যে আতঙ্ক শেয়ারবাজারে ছিল, এখন সেটা চলে এসেছে ব্যাংকে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপের দিকে গেছে যে, কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রকাশ্যে অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। খোদ ব্যাংকাররাই অভিযোগ করেছেন, অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে খেলাপি ঋণ অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়েছে। বেসরকারি ৪৮টি ব্যাংকের মধ্যে ১৩টির আর্থিক অবস্থা বেশ খারাপ। সার্বিকভাবে ২০১৭ সালকে ব্যাংকিং খাতের কেলেঙ্কারির বছর হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সকল মহল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গওহর রিজভীর পাকিস্তান সফর, নানা আলোচনা

ঢাকা যখন ওআইসি সম্মেলনে ব্যস্ত, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন পাকিস্তানে। অবশ্য গত মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দু’জন সচিবও পাকিস্তান সফর করেছেন। তাদের সফরের উদ্দেশ্য ছিল ওআইসি’র সহকারী মহাসচিব (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) পদে ভোট চাওয়া। পাকিস্তানসহ ভোটার প্রায় সব রাষ্ট্রেই গেছেন প্রার্থী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও কনস্যুলার) কামরুল আহসানসহ ঢাকার প্রতিনিধিরা। গোপন ব্যালটে ৬ ভোট পেয়ে হেরে গেছেন বাংলাদেশের প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বী কাজাখস্তান ১২ ভোট পেয়ে ওআইসিতে সহকারী মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছে। ঢাকার কূটনীতিকরা বলছেন- প্রায় একযুগের বেশি সময় পর ওআইসি’র নীতি-নির্ধারণী কোনো পদে প্রার্থী দেয় বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়াও প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু ঢাকার অনুরোধে তারা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়। এ অবস্থায় এশিয়ার ১৮টি দেশ নিয়ে গঠিত ‘এশিয়ান’ গ্রুপের ওই নির্বাচনটি ঢাকার জন্য ছিল প্রেস্টিজ লড়াই। ওই নির্বাচন বা ভোট চাওয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার পাকিস্তান সফরের কোনো সম্পর্ক আছে কি-না? তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অনেকে এর সঙ্গে যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি- কূটনীতিতে স্থায়ী শত্রুতা বলে কিছু নেই। তাছাড়া ‘কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’- বঙ্গবন্ধু প্রণীত এমন পররাষ্ট্র নীতির আলোকেই পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে বাংলাদেশ। সে হিসেবে ওআাইসি’র নির্বাচনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক সমর্থন চেয়েছিল বাংলাদেশ। জয়ের জন্য দৌড়ঝাঁপ-লবিং কোনো কিছুরই কমতি করেনি ঢাকা। এমন গুঞ্জনও আছে গোপন ব্যালটে বাংলাদেশ নিজের ভোট ছাড়া যে ৫ দেশের সমর্থন পেয়েছে তার মধ্যে পাকিস্তানও রয়েছে। পাকিস্তান কি সত্যিই বাংলাদেশকে ভোট দিয়েছে? এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন- ‘আমরা ভোট চেয়েছি। কিন্তু তারা ভোট দিলে তো আমাদের ভোট আরও বাড়তো।’
উপদেষ্টার সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইসলামাবাদ ও করাচি মিশনের কর্মকর্তারা যা বললেন- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রিজভীর পাকিস্তান সফর বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাউথ এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কূটনীতিকরা বিস্ময় প্রকাশ করেন। বলেন- সত্যিই আমরা এ বিষয়ে কিছু জানি না। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা সফর করলে আমাদের জানাবেন কেন? তার দপ্তর তো মিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেই সফরটি বাস্তবায়ন করতে পারে। এ নিয়ে জানতে চাইলে ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশের এক কূটনীতিক অবশ্য মানবজমিনকে বলেন- ‘প্রধানমন্ত্রীর মাননীয় উপদেষ্টা পাকিস্তানে এসেছিলেন শুনেছি, কিন্তু বিস্তারিত জানি না। আমাদের মিশনের একজন কর্মকর্তা করাচিতে গিয়েছিলেন সেই সময়ে উপদেষ্টা স্যারের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে। তিনি এটুকুই বলেছেন।’ করাচিস্থ বাংলাদেশের উপ-হাই কমিশনার নূর-ই-হেলাল সাইফুর রহমান গতকাল সন্ধ্যায় মানবজমিনকে বলেন- ‘উপদেষ্টা স্যার এসেছিলেন। তিনি এখানে কয়েকদিন ছিলেন। কিন্তু কোথায় তার কি শিডিউল ছিল আমি বিস্তারিত জানি না। তবে স্যার একদিন আমাদের আমন্ত্রণে ডিনার করেছেন।’ উপদেষ্টা যখন করাচিতে তখন মিশনে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা বিষয়ক একটি সেমিনার ছিল। তাতে উপদেষ্টা অংশ নেননি বলেও জানান উপ-হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘আমি যেটুকু জানি উপদেষ্টা স্যার হাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে এসেছিলেন। এটি ছিল তাদের প্রথম কনভোকেশন। আমি এতে আমন্ত্রিত ছিলাম না বলে বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে এটুকু জানি সমাবর্তনের আগে ট্রাস্টি বোর্ডের মিটিং, লাঞ্চ, ডিনার এবং পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলোতে স্যার অংশ নিয়েছেন। এখানে থাকাকালে অনেকের সঙ্গেই তার দেখা হয়েছে। এখানে তার আত্মীয়-স্বজনও রয়েছেন। কিন্তু কার কার সঙ্গে দেখা হয়েছে তার বিস্তারিত বলতে পারছি না।’ উপ-হাইকমিশনার বলেন, এখানে আমি ৩ বছর ধরে আছি। এ সময় অন্তত ৪-৫বার রিজভী স্যার এসেছেন। মূলত হাবিব বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিকই তিনি থাকেন। বড়জোর আমরা মিশনে একবার লাঞ্চ বা ডিনারে তাকে আমরা পাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রজ্ঞাপনের দাবিতে কর্মসূচি: টালবাহানা ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না
![]() |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের সংবাদ সম্মেলন -মানবজমিনের নিজস্ব ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রজ্ঞাপন জটিলতায় আটকে গেছে নিয়োগ by দীন ইসলাম

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি-মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিয়োগ চূড়ান্ত করা যাচ্ছে না কোটা সংস্কার প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ার কারণে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই এসব নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সরকারি চাকরি নিয়োগের ৮০ শতাংশই হতো কোটায়। তবে, সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী কোটায় পদ ছিল ৫৬ শতাংশ। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, জেলা ও নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটা পাঁচ শতাংশ এবং এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা।
সমপ্রতি কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে। সেখানে কোনো বিশেষ কোটার কথা না বলে সব মিলিয়ে কোটা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি তোলা হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করে। তখন ঢাকার বাইরেও সড়ক বন্ধ করে অচল করে দেয়া হয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এরপর জাতীয় সংসদে কোটা তুলে দেয়ার পক্ষে মত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কার করতে গেলে, কয়দিন পর আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই হবে সংস্কার। আর না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই। এখনো পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।
কোটা নিয়ে প্রজ্ঞাপন চূড়ান্ত বিবেচনাধীন: জনপ্রশাসন সচিব
কোটা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি সরকারের চূড়ান্ত বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কোটার প্রজ্ঞাপন জারির সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোটা বাতিলের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য বা অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন বা নির্দেশ দিয়েছেন সেটার চূড়ান্ত রূপ, যাকে আপনারা বলেন প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার, সে কাজটা একটু বাকি আছে। সেটা কোন পর্যায়ে আসবে সেজন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে এটা কি বলা যায়? এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকারের চূড়ান্ত বিবেচনাধীন আছে। কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সোমবার পর্যন্ত স্থগিত ছিল’- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল বলেন, যখন ছাত্ররা আন্দোলন করছিল, তখন সরকারের প্রতিনিধিরা গেলে তাদেরকে বলা হয় ৭ই মে পর্যন্ত এক মাস আন্দোলন স্থগিত করা হবে। দেখা গেল সেই কথা বলার পরও আন্দোলন থামেনি। তা হলে আমার বিবেচনায় ৭ তারিখ তো আর থাকল না। তারা যদি সেদিন আন্দোলন বন্ধ করতো তাহলে আজকে বলা যেত ৭ তারিখে কেন হলো না। এটা ঠিক কি-না? তিনি বলেন, এই বিষয়টা সরকারের মাথার মধ্যে আছে। সরকারের বিবেচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রী যখনই নির্দেশ দেবেন সেটা বাস্তবায়িত হবে। কোটার বিষয়টি দেখার জন্য কমিটি গঠনের কোনো নির্দেশনা এসেছে কি না- জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা এখনও...চূড়ান্তভাবে না। আমরা যে কোনোভাবে প্রস্তুত- কমিটি লাগলে করব, আমাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হলে করব। সরকার প্রধান যেভাবে বলবেন সেভাবে আমরা ব্যবস্থা নেব। পুরো প্রক্রিয়াটি কী হবে জানতে চাইলে মোজাম্মেল হক খান বলেন, এত তো খোঁচানো যাবে না। আমি এখন একটা বললাম, সেটা থেকে কালকে একটু ব্যত্যয় হলো, পরে আপনি বলবেন, গতকাল এটা বলেছিল আজকে আবার এটা হচ্ছে। এত অ্যাডভান্স কথা বলার সুযোগ নেই। কোটা বাতিল হলেও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হচ্ছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন বাতিলের কথা বলেছেন তার মুখ থেকেই আমরা শুনেছি তিনি সংসদে বলেছেন, যারা নৃ-গোষ্ঠী ও যারা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। ব্যবস্থার রূপরেখা আমরা এখনও সেভাবে প্রকাশ করিনি। সেটি আমাদের মাথায় আছে। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই সেটা চিন্তা করছেন। কোটা নিয়ে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হবে এটা কি বলা যায়- এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা তো আশাবাদী, দ্রুত হওয়াই ভালো। তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিনই এটা নিয়ে কাজ করি। প্রতিদিনই কাজ করি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটে সাংবাদিকদের কাজের গণ্ডি নির্ধারণ করে দিতে চায় ইসি

যে কোনো অনিয়মের বিষয়ে কমিশন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানান সচিব। গণমাধ্যমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভোটের দিন অনিয়মের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন দেখেই ভোট বন্ধ করে দেয়া হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় সেল থাকে। সেক্ষেত্রে ফল প্রচার ও সুব্যবস্থাপনায় একযোগে কীভাবে কাজ করা যায় তাও দেখা হবে। এ সময় ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান, যুগ্ম সচিব মিজানুর রহমান খন্দকার, এসএম আসাদুজ্জামান, ফরহাদ আহাম্মদ খান, উপসচিব ফরহাদ হোসেন ও তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ আশিক রহমান, আশিস সৈকত, জ ই মামুন, মোস্তফা ফিরোজ, জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল, মনজুরুল হক প্রমুখ। এদিকে ভোটের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে ইসি। বৈঠক প্রসঙ্গে ইসির উপসচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় ফেসবুক বন্ধের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আমাদের প্রস্তাবগুলো তাদের দেয়া হয়েছে। ফেসবুক বন্ধ করা যাবে কি যাবে না সে বিষয়ে ইসি মতামত চায়। বিটিআরসি জানিয়েছে, ফেসবুকের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো চুক্তি নেই। ইসি যদি নির্দিষ্ট করে অভিযোগ করে তাহলে আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেব। ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে বিটিআরসি বলেছে, ভোটের সময় তথ্য আদান প্রদান করতে ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া টেলিভিশনগুলো লাইভ সম্প্রচার করে। ফলে ওই সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা সম্ভব না। ফরহাদ হোসেন বলেন, আমরা প্রাথমিক আলোচনা করেছি। কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এই আলোচনা থেকে। গত ২৭শে এপ্রিল সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর আশংকার কথা জানায় ইসি। এ আশংকার ভিত্তিতে ইসি সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। দুই সিটি নির্বাচনের আগে তাই বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয় সাংবিধানিক সংস্থাটি। গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠক শেষে ইসি সচিবভোটেও অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। ওই সময় ইসি সচিব বলেন, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অপপ্রচার ও গুজব কিভাবে বন্ধ করা যায় তা নিয়ে আমরা ভাবছি। সেজন্য কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায় বা গুজব ছড়ানো বন্ধ করা যায় তা নিয়ে এ মতবিনিময় করা হবে। তবে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন বলে মন্ত্তব্য করেন তিনি। ভোটের দিন ভোটকেন্দ্র থেকে সরাসরি সম্প্রচার ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করার বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে বসবেন বলে জানান ইসি সচিব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিটি নির্বাচন: সরব বনাম কৌশলী প্রচারণা হয়রানির অভিযোগ by রোকনুজ্জামান পিয়াস ও রাশিদুল ইসলাম

গতকাল নগরীর দক্ষিণ প্রান্ত রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন ৩১ নং ওয়ার্ডের শিপইয়ার্ড, লবণচরা, মতিয়াখালী, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি ও তার আশপাশ এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে অলিতে গলিতে সর্বত্র টানানো রয়েছে তালুকদার আবদুল খালেকের নৌকা প্রতীকের পোস্টার। প্রচারপত্র বিলি করছে নারী কর্মীদের বহর। একই অবস্থা দেখা যায় নগরীর ২২ নং ওয়ার্ডের নতুনবাজার, অবদা বেড়িবাঁধ, গগন বাবু রোড, ট্যাং রোড এলাকায়। এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডে বসবাসকারী মহানগর বিএনপির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সেকেন্দার জাফর উল্লাহ খান সাচ্চু মানবজমিনকে বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে আওয়ামী লীগের লোকজন বিচলিত হয়ে পড়েছে। তারা এই গণজোয়ার ঠেকাতে অলিগলিতে অবস্থান নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের প্রচার-প্রচাণায় বাধা দিচ্ছে। ধানের শীষে ভোট না দিতে বস্তিতে বস্তিতে গিয়ে সাধারণ ভোটারদেরও হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তবে আমরা সকল বাধা উপেক্ষা করে নীরবে ভোট প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। বিকাল ৩টার দিকে নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের ছোট বয়রা, সোনডাঙ্গার খাঁ পাড়া, বয়রা মেইন রোড, হালদার পাড়া ও মেডিকেল কলেজের আশেপাশে ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। সেখানে আওয়ামী প্রার্থীর পক্ষে জমাট-জমাট প্রচারণা চলছিল। কম সময়ের ব্যবধানে পরপর দুটি ইজিবাইকের প্রচার মাইক দেখা গেছে। কিন্তু ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বিএনপির কোনো কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি। তবে বিকাল ৫টার পর নিউমার্কেটের উত্তর গেটে দেখা গেছে ধানের শীষের একটি প্রচার মাইক। এদিকে জয়-পরাজয় নির্ধারণী ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত খালিশপুর শিল্পাঞ্চল বিগত দিনের মতো ভোট উৎসব নেই। ভোটারদের নিজেদের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে নেই কোনো আলাপ-আলোচনা। এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখানে সন্ধ্যার পর নৌকা মার্কার সমর্থনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা নিয়মিতই আসছেন। তবে মাঝে মাঝে ধানের শীষ ও বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলররা গণসংযোগে আসেন। অন্যদিকে সন্ধ্যার পর ওই এলাকার দলীয় নেতকর্মীরা নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে পারে না বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতা এডভোকেট নুরুল হাসান রুবা বলেন, অকারণেই প্রশাসনের লোকজন তাদের হয়রানি করছে। যার কারণে অনেক নেতাকর্মী নিজ বাড়িতে ও এলাকায় থাকতে পারেন না। রুবা বলেন, গত ২রা মে রাতে খালিশপুর, সোনাডাঙ্গা ও সদর থানা পুলিশ বিনা কারণে মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহানগর যুবদলের সভাপতিসহ ১৯ জনকে আটক করে। এর মধ্যে পূর্বেও কোনো মামলার আসামি না থাকায় খালিশপুর থানার এসআই শাহ আলম বাদী হয়ে পরদিন ২১ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসন্ন খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন বান্চাল করার লক্ষ্যে অন্তর্ঘাতীমূলক কার্যকলাপ ও সরকারি কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করাসহ সরকারকে বেকায়দায় ফেলার পরিকল্পনা নিয়ে আসামিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল।
এজাহারের বর্ণনা উল্লেখ করে এই আইনজীবী আরো বলেন, পুলিশ মামলায় ঘটনার যেভাবে বিবরণ দিয়েছে তাতেই বোঝা যায় নির্বাচনী কর্মকাণ্ড থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের দূরে রাখার মিশন হাতে নিয়েছে। মামলায় আজ্ঞাত আসামি উল্লেখ থাকায় নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে। তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ওই এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশ অবস্থান করে। এ ছাড়া বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্টরাও আতঙ্কে অনেকেই গা-ঢাকা দিয়েছে। ইতিমধ্যে গত ২ তারিখ রাতে বিএনপি সমর্থিত ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ইমতিয়াজ আলম বাবুর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মো. রফিকুল ইসলামকে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করেছে। ওই সময় তিনি প্রার্থীর সঙ্গেই অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রার্থী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এ ছাড়া খুলনায় মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম নুরুল হুদার মতবিনিময় সভায়ও অভিযোগ করে ইমতিয়াজ আলম বাবু। প্রচারণার বাধার ব্যাপারে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম বলেন, পুলিশের হয়রানি, নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি রাতে পুলিশের তল্লাশির কারণে নেতাকর্মীরা আতঙ্কে রয়েছে। গণসংযোগে নামলেও আওয়ামী লীগের লোকজন হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। এসব উপেক্ষা করেও নেতাকর্মীরা কৌশলে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে নির্বাচনী প্রাচারণায় বাধা আছে কিনা জানতে চাইলে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ মানবজমিনকে বলেন, এখনো পর্যন্ত প্রাচার প্রচারণায় কোন ধরনের বাধার সম্মুখীর হয়নি। তবে বিএনপির আচারণ বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত ৫-৬ অভিযোগ রিটার্নিং অফিসার বরাবর দিয়েছি। বিএনপির প্রচারণায় বাধা সম্পর্কে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, তাদের মুখে এমন কথা মানায় না। গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা আটক মাদক মামলার আসামি। তিনি আরো বলেন, হঠাৎ করে তারা প্রচারণা না চালানোর ঘোষণা দিলো। কিন্তু এখন ঠিকই প্রচারণা চালাচ্ছে। এর পেছনে তাদের কোন অসৎ উদ্দেশ্য ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজীবের দুই ভাইকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আদেশের পর রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ক্ষতিপূরণের এক কোটি টাকার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা এক মাসের মধ্যে পরিশোধের জন্য দুই পরিবহনের মালিককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাজীবের খালা জাহানার পারভীন এবং রাজীবের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলের দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের ছেলের কাস্টমস কর্মকর্তা ওমর ফারুকের নামে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। ওই অ্যাকাউন্টে বিআরটিসি এবং স্বজন পরিবহনের মালিককে এক মাসের মধ্যে ২৫ লাখ টাকা করে মোট ৫০ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। আর টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে আগামী ২৫শে জুনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। রুহুল কুদ্দুস কাজল আরো জানান, ক্ষতিপূরণের এই টাকা রাজীবের দুই ভাইয়ের পড়া ও অন্যান্য খরচের জন্য ব্যয় হবে। আর ২৫শে জুন বিষয়টি আবারো আদালতে এলে তখন বাকি ৫০ লাখ টাকার বিষয়ে নির্দেশনা দিতে পারেন আদালত।
গত ৩রা এপ্রিল কাওরান বাজারে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে বিআরটিসির বাসের যাত্রী তিতুমীর কলেজের রাজীবের ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মাথায়ও আঘাত পান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজীবকে পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেও তার বিচ্ছিন্ন হাত জোড়া লাগাতে পারেননি। পরে রাজীবকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৭ই এপ্রিল রাতে মৃত্যুবরণ করেন রাজীব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পা দিয়ে লিখে এসএসসি পাশ

ওমর ফারুক সুমন বলেন, পরীক্ষায় পাশের খবর জানার পর খুবই ভালো লেগেছে। ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি ভীষণ আগ্রহ আমার। অভাবের সংসার হলেও মা-বাবা আমাকে কখনও লেখাপড়া করা থেকে বিরত থাকতে দেননি। তিনি আরো বলেন, আমি কলেজে ভর্তি হব, এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবো। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সরকারি কর্মকর্তা হয়ে বাবা-মার দুঃখকষ্ট দূর করবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝিনাইদহে ৪ মাসে ৩০ জনের ধর্ষণজনিত ডাক্তারী পরীক্ষা

আরএমও অফিসের রেজিষ্টার ক্লার্ক ফেরদৌস জানান, অন্যান্য বছরে সারা বছরেও ৩০টি ডাক্তারী পরীক্ষা হয় না। অথচ ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে ৩রা মে পর্যন্ত ৩০ জনের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে এই চার মাসে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের ঘটনা ঘটে হরিণাকুন্ডু উপজেলার সাবেক বিন্নি গ্রামে। স্থানীয় দশম শ্রেনীর স্কুল ছাত্রী গনধর্ষণের শিকার হয়। গত ২৫শে জানুয়ারী মধ্যরাতে ঘরের দরজা ভেঙ্গে একই গ্রামের নবিছদ্দির ছেলে মিল্টন, ঝান্টুর ছেলে মিন্টু, আনিছুর রহমানের ছেলে সেলিম ও ইমরুলের ছেলে রাজন দশম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে হরিণাকুন্ডু থানায় মামলা হলে এক ধর্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। বাকীরা এখনো পলাতক রয়েছে। পরবর্তীতে ধর্ষিত ওই ছাত্রীকে আবারো অপহরণ করা হয়। সেই মামলায় ৫ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার জামিনের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি: দফায় দফায় উত্তেজনা, হট্টগোল

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী।
গতকাল সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শুনানি শুরু করেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। প্রথমে তিনি এই মামলার পেপারবুক ও খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের আদেশের নথি থেকে কিছু অংশ পড়ে শোনান। আদালতকে তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে তাকে (খালেদা জিয়া) বিচারিক আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। আর সহযোগী আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অথচ খালেদা জিয়া এই মামলার মূল আসামি। তার বয়স, শারীরিক ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে লঘু দণ্ড দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাকে দেয়া এই লঘু দণ্ড জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কারণ হতে পারে না। হাইকোর্ট তাকে ৫টি গ্রাউন্ডে জামিন দিয়েছেন। আমাদের দুঃখ হলো, আমাদের ভুল হতে পারে, কিন্তু হাইকোর্ট তাকে জামিন দিলেও কোনো ফাইন্ডিং দেননি। শুনানিতে খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন দুদকের আইনজীবী। তিনি এই মামলায় বিচারিক আদালতের কয়েকটি আদেশ পড়ে শোনান। দুদকের আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়া আদালতের অনুমতি না নিয়েই লন্ডনে গিয়েছিলেন। কিন্তু চিকিৎসার কোনো সনদ আদালতে তার আইনজীবীরা জমা দেননি। এমনকি হাইকোর্টেও খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে কোনো সনদপত্র জমা দেয়া হয়নি।
এ সময় আদালত খুরশিদ আলমের কাছে প্রশ্ন রাখেন, বয়স ও অসুস্থতা জামিনের ক্ষেত্রে কোনো কারণ হতে পারে কি না? জবাবে খুরশিদ আলম খান আদালতকে বলেন, দণ্ডিত হওয়ার পর বয়স জামিনের কারণ হতে পারে না। এই মামলায় বয়স বিবেচনায় নিয়েই বিচারিক আদালত খালেদা জিয়াকে সাজা কম দিয়েছেন। আর একই কারণ দেখিয়ে তার আইনজীবীরা জামিন চাইছেন। এ সময় দুটো মামলার নজির উল্লেখ করে দুদক আইনজীবী বলেন, অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করেই কোনো কোনো সময় আপিল বিভাগ জামিন বাতিল করেছেন। তিনি আরো বলেন, হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন। কিন্তু এ মামলায় খালেদা জিয়া কত দিন কারাগারে ছিলেন, সে বিষয়টি এখানে বিবেচনায় নেয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত তিনি এই মামলায় চার মাস ২২ দিন সাজা খেটেছেন। ওনি কতদিন কাস্টডিতে ছিলেন এ বিষয়টি সমন্বয় করে যদি হাইকোর্ট আদেশ দিতেন তাহলেও কথা ছিল।
কারাগারে যাওয়ার পর খালেদা জিয়ার শারীরিক সমস্যা নিয়ে তার চিকিৎসকদের বরাতে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন উল্লেখ করে দুদক আইনজীবী বলেন, এগুলো তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের বক্তব্য। আর অসুস্থতার কথা বলে যে পেপারবুক আসামিপক্ষ আদালতে দিয়েছে, সেখানে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের বক্তব্য দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিবেদন তো আসতে হবে।
দুদকের আইনজীবীর বক্তব্যের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টা তিনি শুনানি করেন। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কিছু বক্তব্য রাজনৈতিক- এমন অভিযোগ করে একাধিকবার উঠে দাঁড়িয়ে আপত্তি জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আদালতে হট্টগোল, হৈচৈ হয়। শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল এই মামলার নথি থেকে আদালতকে পড়ে শোনান। তিনি বলেন, এই মামলায় বিচারিক আদালতে ৬৭টি তারিখের মধ্যে খালেদা জিয়া মাত্র আট দিন হাজির ছিলেন। বার বার সময় নিয়েছেন। মামলার পাঁচ বছর পর চার্জ গঠন করা হয়। এরপর তিনি বিভিন্ন বিষয়ে হাইকোর্টে এসেও সময় ব্যাহত করেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি এটা বুঝাতে চাইছি যে তিনি (খালেদা জিয়া) কিভাবে এই মামলার বিচারকাজকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন। এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন উঠে দাঁড়িয়ে আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন মাননীয় আদালত, এখানে আমাদের আপত্তি আছে। অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল। সবার অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি এসব কি পড়ছেন? উনি কি পড়ছেন না পড়ছেন উনার বক্তব্য আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
এ সময় আদালতে বসে থাকা বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা জয়নুল আবেদীনের বক্তব্যকে সমর্থন দিয়ে ‘ইয়েস’ ‘ইয়েস’ ‘ঠিক’ ‘ঠিক’ বলে চিৎকার করেন। এ পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আমরাতো ওনাদের বক্তব্যের সময় কোনো কথা বলিনি। আমি রেকর্ড থেকে বলছি। এ সময় আদালত অ্যাটর্নি জেনারেলকে নথির গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে শোনানোর জন্য বলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল আবারো পড়া শুরু করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা দক্ষিণ কোরিয়া ও ব্রাজিলের সাবেক দুই প্রেসিডেন্টের দুর্নীতি মামলায় সাজার বিষয়টি উল্লেখ করেন। জনতা টাওয়ার মামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাজা পাওয়া এবং দীর্ঘ সময় পর জামিন পাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখানে বলা হচ্ছে তিনি (খালেদা জিয়া) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। কিন্তু তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি তো এখন অন্য আসামিদের মতো না। যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। তিনি তো এখন বিশ্রামে আছেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা। আদালতের এজলাসের সামনে বসে থাকা খালেদা জিয়ার কয়েকজন আইনজীবীও এ বক্তব্যে আপত্তি তোলেন। খালেদা জিয়ার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার বিষয়টি উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাদের কথা হলো এসব পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য উনি (খালেদা জিয়া) ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। কেননা এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আর এসব পরীক্ষা নিরীক্ষা পিজি হাসপাতালেও (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) সম্ভব। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেখানে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে এমন কোনো তথ্য নেই। কিন্তু খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার ব্যথার জন্য ওষুধ লিখেছেন শুধু নাপা। আমি ডাক্তার নই, তাই এ বিষয়ে বলা ঠিক হবে না। কিন্তু যেকোনো মানুষ জানে, যে রোগের চিকিৎসা শুধু নাপা সেটা বড় কোনো সমস্যা হতে পারে না। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে, প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারে, চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ কথাগুলো শুধু উনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলেছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত সরকারি মেডিকেল বোর্ড সেটা বলেনি। তারপরও খালেদা জিয়া যদি নিজের পছন্দ অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে চান, তাহলে যেতে পারেন। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে চিকিৎসার জন্য তিনি দেশের বাইরে যেতে পারেন না। এ ছাড়া, ইউনাইটেড হাসপাতালেও তাঁর চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যখন খালেদা জিয়া বিএসএমএমইউতে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন তখন তাঁকে হুইল চেয়ার দেয়া হলেও তিনি তাতে চড়ে যাননি। পায়ে হেঁটে গিয়েছেন। তিনি কারাগারে সম্পূর্ণ রেস্টে আছেন। একজন অসুস্থ মানুষের রেস্টের প্রয়োজন। জামিনের কী দরকার। তিনি বলেন- এই মামলায় ফেয়ার ট্রায়াল হয়েছে। এর চেয়ে ফেয়ার ট্রায়াল দুনিয়ার কোথাও হয়নি।
শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এই মামলার নথি দেখে বোঝা যায় এমন নিরপেক্ষ বিচার পৃথিবীর আর কোথাও হয়নি। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে আবারো আপত্তি জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এ সময় আদালতে আবারো হট্টগোল শুরু হয়। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, মাননীয় আদালত এখানে পাবলিক পারসেপশনের বিষয় জড়িত। অ্যাটর্নি জেনারেল যেসব কথা বলছেন তা আগামীকাল পত্রিকায় আসবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমি এগুলো এজন্যই বলছি যে এই মামলায় বিচারিক আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে পাঁচজনকে যুক্তিতর্কের শুনানিতে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্কে যা যা বলেছে তার সব কিছুর জবাবই তার আইনজীবীরা দিয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই মামলায় হাইকোর্টে আপিলের পেপারবুক তৈরি হয়ে গেছে। দ্রুত আপিলের শুনানি শুরু হোক। আপিলে তিনি খালাস পেলে পাক। অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, এই মামলায় বিচারিক আদালতে ৯ বছর সময় লেগেছে। এখানে যেন তা না হয়। দীর্ঘ দিনেও আপিলের শুনানি হবে না- এটি হতে পারে না। এ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা এখানে বেইল পিটিশন (জামিনের আবেদন) দিয়েছি, আপিলের পিটিশন দিইনি। আপনি (অ্যাটর্নি জেনারেল) যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন এভাবে তো বেইল পিটিশনের শুনানি হয় না। এ পর্যায়ে আবারো আদালতে হৈচৈ ও হট্টগোল শুরু হয়। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতের দৃষ্টি আকার্ষণ করে বলেন, তারা এমন করলে তো শুনানি করা সম্ভব হবে না। এ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আদালতে এরকম করলে আমরা শুনানি করতে পারবো না। একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল তার বক্তব্য শেষ করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য শেষে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। দুদকের মামলায় অ্যাটর্নি জেনারেলের শুনানির এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদক আইনের বিধি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুদক একটি স্বাধীন সংস্থা। তাদের নিজস্ব আইনজীবী প্যানেল রয়েছে। দুদকের প্রসিকিউটররাই এসব মামলা পরিচালনা করেন। এখানে অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য অপ্রাসঙ্গিক। আইনের তোয়াক্কা না করে তিনি রাজনৈতিক সাবমিশন (বক্তব্য) দিয়েছেন। এ জে মোহাম্মদ আলীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অবশ্যই এ মামলার বিষয়ে কথা বলার অধিকার আমার আছে। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবেন না। আমরা আপনার (এ জে মোহাম্মদ আলী) বক্তব্য শুনবো। কিন্তু আপনার সমর্থকদের বক্তব্য শুনবো না। শুনানিতে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, তিনি (অ্যাটর্নি জেনারেল) রাজনৈতিকভাবে মোটিভেটেড হয়ে এসব কথা বলছেন। শুনানিতে একটি মামলার নজির উল্লেখ করে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, এই মামলায় বিচারিক আদালত আসামিকে ১০ বছরের সাজা দিয়েছিল। হাইকোর্ট বিভাগ আসামিকে জামিন দেয়। কিন্তু আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করেনি। দুপুর সোয়া ১টার দিকে এ জে মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য শেষে আদালত বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী জমির উদ্দিন সরকার, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আব্দুর রেজাক খান, মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবেদীন, মীর মো. নাছিরউদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আবদুস সালাম, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মো. আমিনুল ইসলাম, কায়সার কামাল, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির, মুরাদ রেজা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ, মোতাহার হোসেন সাজু প্রমুখ। বিএনপি নেতাদের মধ্যে- দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মইন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আজ আবারো শুনানি করবেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গতকাল আপিল বিভাগে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট ও তার আশপাশ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের প্রতিটি ফটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 09
(21)
- আফ্রিকার জেব্রা যশোরে এলো কীভাবে? by রাফসান জানি
- 'অবৈধ বাংলাদেশিদের' ওয়ার্ক পারমিট দেবার প্রস্তাব
- রোহিঙ্গাদের এনভিসি কার্ড ইস্যুর বিরোধিতা মিয়ানমারে
- ইতিহাসের পাতা থেকে কখনই হারাবে না পারস্য উপসাগরের নাম
- তারুণ্যের সংকট: দেশ ছাড়ছে লাখো উচ্চশিক্ষিত তরুণ by...
- যে কারনে বিজয়ী হলেও ক্ষমতা ছাড়তে হবে মাহাথির মোহাম...
- মেধাবী দুই বোনের গল্প
- চীনা স্মার্টফোনের বাজার বেড়েছে ২৫ শতাংশ, সিম্ফনি শ...
- ১০ টাকায় ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে গার্লফ্রেন্ড!
- ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: তিস্তা জটিলতা সুরাহার ...
- এমপিপুত্র রনির জোড়া খুন মামলা: রায় হলো না আবার যুক...
- ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরবে বিএনপি by কাফি ...
- গওহর রিজভীর পাকিস্তান সফর, নানা আলোচনা
- প্রজ্ঞাপনের দাবিতে কর্মসূচি: টালবাহানা ছাত্রসমাজ ম...
- প্রজ্ঞাপন জটিলতায় আটকে গেছে নিয়োগ by দীন ইসলাম
- ভোটে সাংবাদিকদের কাজের গণ্ডি নির্ধারণ করে দিতে চায়...
- সিটি নির্বাচন: সরব বনাম কৌশলী প্রচারণা হয়রানির অভি...
- রাজীবের দুই ভাইকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকো...
- পা দিয়ে লিখে এসএসসি পাশ
- ঝিনাইদহে ৪ মাসে ৩০ জনের ধর্ষণজনিত ডাক্তারী পরীক্ষা
- খালেদার জামিনের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি: দফায় দফায় ...
-
▼
May 09
(21)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


