Thursday, December 6, 2018

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তরুণ-নারী ভোটাররাই নিয়ামক শক্তি

বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে এবার নারী ভোটাররা অনেক বেশি নিয়ামক ভূমিকা পালন করবে বলে পর্যবেক্ষরা মনে করছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারদেরই বেশি সংখ্যায় ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত দেখা গেছে। তাই কোনো কারণে নারী ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে না গেলে কোনো কোনো প্রার্থীর জন্য সেটা হতাশার কারণ হতে পারে।
উল্লেখ্য, এবারের সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৬। নারী ভোটারের চেয়ে পুরুষ ভোটার বেশি রয়েছেন ৮ লাখ ৮১ হাজার ৮২৯ জন।
ভোটারের হিসাবে এবার প্রায় আড়াই কোটি তরুণ ভোটার রয়েছে। গত দশ বছরে নতুন ভোটার বেড়েছে দুই কোটি ৩২ লাখ। এর মধ্যে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ। দেশের মোট ভোটারের প্রায় ১৫ শতাংশ তরুণ। এর মধ্যে তরুণী অনেক বেশি রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন এই ভোটারদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন মাত্রার। শিক্ষিত ও বয়সে তরুণ এই নারীরা ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তুলনামূলক সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদেরই ভোট দেবেন। বিষয়টি সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোও নারী ভোটারদের নির্বাচনে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর উন্নয়নের বিষয়টি পেতে যাচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব। অবশ্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নারী ভোটারদের গুরুত্ব দিয়েই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে অর্ধেক নারী ভোটার কার্যত এবারই প্রথম ভোট দিয়ে  আইনসভার জন্য নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে।
সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন ইস্যুতে অনেক তরুণ-তরুণী নিগ্রহ, হয়রানি ও মামলার শিকার হয়েছেন। বিষয়টির কোনো সুষ্ঠু সমাধান এখনো হয় নি। এ বিষয়টিও এবারের নির্বাচনে তরুণদের সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন তরুণ ভোটাররা।
এ প্রসঙ্গে বিপ্লবী নারী ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আমেনা আখতার রেডিও তেহরানকে বলেন, নারীরা সমাজে নিগ্রহেরর শিকার এবং ন্যায় বিচার থেকেও বঞ্চিত। তাই তারা তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য এগিয়ে আসছেন। এ ক্ষেত্রে তারা যেন ন্যায্যভাবে এবং শাস্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকেই।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম গণমাধ্যমকে বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রায় অর্ধেক নারী ভোটার। তাই নির্বাচনকালীন সময়ে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকবে নির্বাচন কমিশন। নারীরা যাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইয়েমেন শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব ইথিওপিয়ার

ইয়েমেনে চলমান সহিংসতা নিরসনে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে ইথিওপিয়া। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বলেছেন, ইয়েমেনি ভাইদের মধ্যে সংঘাত বন্ধে এবং তাদের পুনর্মিলনে তিনি মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত রয়েছেন। ইয়েমেনের জনগণ এবং সংঘাতরত পক্ষগুলোর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে তিনি নিজের এমন অবস্থান তুলে ধরেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর।
ইয়েমেনের সংঘাতরত পক্ষগুলোকে তাদের নিজ দেশের সক্ষমতা নষ্ট না করার আহ্বান জানান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী। সংঘাত বন্ধে আলোচনার টেবিলে বসার ওপর জোর দেন তিনি।
আবি আহমেদ বলেন, যুদ্ধে কোনও বিজয়ী পক্ষ নেই। এটি মাতৃভূমি, এর সক্ষমতা ও সভ্যতাকে ধ্বংস করে দেয়।
তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে সংঘাতে লিপ্ত সব পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ কেবল ধ্বংস, ক্ষয়ক্ষতি, ঘৃণা ও দাঙ্গা ডেকে আনে।
এদিকে ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করতে বুধবার সুইডেনের উদ্দেশে রওনা করেছে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের প্রতিনিধি দল।
২০১৫ সালে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদিকে উচ্ছেদ করে রাজধানী দখলে নেয় ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি রাজধানী রিয়াদে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন হাদি। হুথিদের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই হাদির অনুগত সেনাবাহিনীর একাংশ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। ২০১৫ সালের মার্চে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে মিত্রদের নিয়ে ‘অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সৌদি জোটের অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে।
২৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সুইডেনে শান্তি আলোচনায় বসতে সম্মতি জানায় হুথি বিদ্রোহীরা। এ সপ্তাহেই আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত ইয়েমেন সরকার আগেই বলে রেখেছে তারা আলোচনায় যেতে রাজি।
রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে ইয়েমেনের মনসুর হাদি সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী দলটি বুধবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে সুইডেনের উদ্দেশে রওনা করেছে।
এ আলোচনাকে সামনে রেখে (৩ ডিসেম্বর) সানা থেকে আহত ৫০ হুথি বিদ্রোহী, তিন ইয়েমেনি চিকিৎসক ও জাতিসংঘের এক চিকিৎসককে ওমানের মাস্কটে সরিয়ে নিয়েছে জাতিসংঘ।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় আয়োজিত প্রথম দফার আলোচনা ব্যর্থ হয়েছিল। হুথি বিদ্রোহীরা জেনেভায় যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল তখন। বিদ্রোহীদের অভিযোগ ছিল, জাতিসংঘ তাদের প্রতিনিধিদের সানায় ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। আহত বিদ্রোহীদের নিরাপদে ওমানে সরিয়ে নেওয়ারও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

কাতারের আমিরকে দাওয়াত দিলেন সৌদি রাজা

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানি
পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা পিজিসিসি’র শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানিকে লিখিত দাওয়াত দিয়েছেন সৌদি রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ। আগামী ৯ ডিসেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এ সম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
কাতারের সরকারি বার্তা সংস্থা দাওয়াতের খবরটি নিশ্চিত করেছে। তবে শেখ তামিম সৌদি আরবে অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে যোগ দেবেন কিনা তা পরিষ্কার করে নি বার্তা সংস্থাটি। কাতারের ওপর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন প্রায় দেড় বছর ধরে সর্বাত্মক অবরোধ দিয়ে রেখেছে।
গত সপ্তাহে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে আরবি ভাষার অন লাইন পত্রিকা আল-আন জানিয়েছিল যে, পিজিসিসি’র মহাসচিব আবদুল লতিফ বিন রাশিদ আলে জায়ানি কাতারে সফরে যাচ্ছেন এবং তিনি কাতারের আমির শেখ তামিমকে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়ার দাওয়াত দেবেন।
গত মাসে কুয়েতের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদ আল-জারাল্লাহ নিশ্চিত করেছিলেন যে, এবারের শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য ছয়টি দেশই যোগ দেবে। তিনি এও বলেছিলেন যে, এবারের সম্মেলন পারস্য উপসাগরীয় এলাকার সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরিয়েই ছাড়ব: রাহুল গান্ধী

ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, 'আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েই ছাড়ব।' তিনি বুধবার তেলেঙ্গানাতে এক নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময় ওই মন্তব্য করেন।
রাহুল তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সমালোচনা করে বলেন, ‘আপনার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধনীদের ঋণ মওকুফ করেছেন কিন্তু আপনারা উভয়ের কেউই কৃষকদের জন্য কিছুই করেননি। রাজ্যে যদি কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসে তাহলে তাঁদের প্রথম কাজ হবে কৃষকদের ঋণ মওকুফ করা। কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম দেয়ার পাশাপাশি বেকারদের জন্য ভাতা দেয়া হবে। প্রত্যেক পরিবারকে ঘর তৈরি করার জন্য পাঁচ লাখ টাকা করে সাহায্য দেয়া হবে।’
রাহুল বলেন, ‘নোট বাতিলের মধ্য দিয়ে নরেন্দ্র মোদি দেশের ক্ষতি করেছেন এবং গব্বর সিং ট্যাক্স (জিএসটি-পণ্য ও পরিসেবা কর) বসানোয় মানুষের ক্ষতি হয়েছে। আমরা নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েই ছাড়ব।’
তেলেঙ্গানা সরকারের সমালোচনা করে রাহুল বলেন, রাজ্যে চার হাজারের বেশি কৃষক আত্মহত্যা করেছে। পঁয়ত্রিশ লাখ মানুষ বেকার অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
রাহুল রাজ্যে ক্ষমতাসীন টিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর) প্রসঙ্গে বলেন, কেসিআর ও নরেন্দ্র মোদির অংশীদারিত্ব রয়েছে। টিআরএসকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, টিআরএস দলের আসল নাম টি-আরএসএস, এরা মোদিকে সাহায্য করছে। রাজ্যটিতে আগামী ৭ ডিসেম্বর বিধানসভা নির্বাচন হবে। ফল ঘোষণা হবে ১১ ডিসেম্বর।

কালো নয়, স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাই- মাহবুব তালুকদার

প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এজন্য নির্বাচন আইনানুগ না হলে সে নির্বাচন কালো নির্বাচন। আমরা কালো নির্বাচন নয়, স্বচ্ছ, সাদা নির্বাচন করতে চাই। বুধবার নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আগাওগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এমনটাই বলেন। তিনি আরো বলেন, সবার প্রতি সমআচরণ করতে হবে। আইনের চোখে যেন সবাই সমান থাকে। সবাই সমান অধিকার ভোগ করছে কিনা সেটাই বিবেচনার বিষয়।
সকল আইন প্রয়োগ হচ্ছে কিনা আপনারা সেটা খেয়াল রাখবেন। নির্বাচনের অনিয়ম রোধে ও আইনসিদ্ধ করার ব্যাপারে বিচারকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিতে গেলে সতর্কতা থাকতে হবে।
সর্বোচ্চ সাজার বিষয়ে লিগ্যাল মাইন্ডকে প্রাধান্য দিয়ে বিবেচনায় রাখতে হবে, কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন সাজা না পায়। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবার সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান মাহবুব তালুকদার। আমরা ভাগ্যবান যে, আমরা একটি অংশমূলক নির্বাচন করতে যাচ্ছি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সাধারণত নির্বাচন প্রতিদ্বন্দিতামূলক হয়। প্রতিদ্বন্দিতামূলক নির্বাচনে এক পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা সফল হয় না। আমি মনে করি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে পক্ষে-বিপক্ষে ভারসাম্য থাকে। কমিশন ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সোনালী ইতিহাস রচিত হতে যাচ্ছে। নিরপেক্ষ, পক্ষপাতমুক্ত নির্বাচন গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গণতন্ত্র নিত্যদিনের অনুপ্রেরণা। মাঠ পর্যায়ের অনিয়ম ও আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে এবং নির্বাচর্নী কর্তব্য পালনে সদা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
মাহবুব তালুকদার বলেন, আপনারা বিচারকরা আমাদের নির্বাচন কমিশনের শপথের অংশীদার। কমিশনারদের শপথ আপনাদের মাঝে সঞ্চারিত হয়েছে। পুরো জাতির প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান। মুক্তিযুদ্ধ চেতনা ও ৩০ লাখ শহীদের কথা স্মরণ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুখী ও সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সবার প্রতি সবার প্রতি সমান প্রয়োগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধে বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানান মাহবুব তালুকদার।
প্রশিক্ষণে আরেক কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা একটি আইনানুগ নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদের সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে কাজটি সহজ করে দেবে।
কমিশনার কবিতা খানম বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু ও আস্থার পরিবেশ তৈরিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন শুধু নয়, নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। দৃশ্যমানভাবে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন। সব ধরনের রাগ অনুরাগের উর্ধ্বে উঠে, বিচারিক দায়িত্ব পালনের মতো করেই সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান আপনাদের দায়িত্ব।
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, এবারের নির্বাচন বৈচিত্রপূর্ণ নির্বাচন। সংসদ বহাল রেখে, সরকার অপরিবর্তনীয় আছে এমন অবস্থায়ই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যেহেতু এ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে হতে যাচ্ছে, আগের যেকোন সময়ের নির্বাচনের চেয়ে আইনের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ১০ই ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হবে। ওই দিন থেকে নির্বাচনী তদন্ত কমিটির সদস্যদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি। ইভিএমের বিষয়ে বিশদ ধারণা নিতে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা বিচারকদের পরামর্শ দেন নির্বাচন কমিশন সচিব। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির প্রশিক্ষণ শেষে ১০-১১ই ডিসেম্বর ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

যুবকদের মাঝে পরিবার-পরিকল্পনার তথ্য পৌঁছানো দরকার -যুব সম্মেলনে বক্তারা

পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা ও কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য যুবকদের মধ্যে বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবার পরিকল্পনার উপর আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় যুব সম্মেলনের বক্তারা।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে ‘সিরাক-বাংলাদেশ ও আইওয়াইএএফপি’ এর দুই দিন ব্যাপী তৃতীয় বার্ষিক সম্মেলনে বক্তরা এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান ডা. সাথইয়া দোরাইসওয়ামি বলেন, আমরা অনেক দেশে কাজ করি। যুবকদের নিয়ে এত সুন্দর আন্তরিক কনফারেন্স খুব কম দেখেছি। যুবকদের জন্য পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা খুবই দরকার। এই কনফারেন্সের মাধ্যমে আমরা যোগ্য তরুণদেরকে খুঁজে পেতে পারি, যারা এই সম্পর্কে উন্নয়নে ভূমিকা পালন করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। বাল্য বিবাহ ও অল্প বয়সে মা হওয়া থেকে বিরত রাখতে যুবকদেরকে রোল মডেল হতে হবে বলেও অংশগ্রহনকারীদেরকে আহ্বান জানান তিনি।
পরিবার পরিকল্পনা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ডা. এএফএম মতিউর রহমান বলেন, পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ক প্রচারণা শুরু হয়েছিলো গুটি কয়েক ডাক্তারের সমন্বয়ে। আজ এ বিষয়ে সরকার, সরকারি বিভিন্ন সংস্থাসহ বেসরকারি সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনার বিষয়গুলো সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচার ও বিস্তৃত করতে যুবকদের অংশগ্রহণ অনস্বীকার্য বলেও জানান তিনি।
অভিনেতা নিরব হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে বা পরিবার থেকে যৌন বা প্রজনন বিষয়ক কোনো তথ্য বা সহযোগিতা পায়নি। পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে যুব সমাজকে যুক্ত করার মাধ্যমে সামাজিক বাঁধাগুলো দূর হবে বলে মনে করেন তিনি। পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক যে কোনো কর্মকান্ডে সর্বক্ষণিক থাকবেন বলেও জানান নিরব।
এসএমসির মহাব্যবস্থাপক তসলিম উদ্দিন খান বলেন, আঠারো বছরের পূর্বে বিয়ে নয়, বিশ বছরের পূর্বে এবং পয়ত্রিশ বছরের পরে সন্তান নয় এবং একটি সন্তান হতে অপর সন্তান জন্মের মাঝে কমপক্ষে তিন বছর সময় রাখতে হবে। এগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য যুবদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
এই কনফারেন্সের ধারাবাহিকতা থাকবে এবং দিনে দিনে যুবদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এই কনফারেন্সের সেক্রেটারী জেনারেল ও সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত। সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে অংশগ্রহণকারী সার্টিফিকেট তুলে দেন এস এম সৈকত।
দুই দিনব্যাপী জাতীয় কনফারেন্সে সারা দেশ হতে প্রায় তিন শতাধিক অংশগ্রহণকারীদের জন্য  ছয়টি প্ল্যানারি সেশন, সাতটি প্যারালাল ট্রেনিং সেশনসহ বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন ছিলো। সিরাক-বাংলাদেশ এর সাথে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন আরএইচআরএন, আইপাস বাংলাদেশ, হেলথ২১, আইওয়াইএএফপি, জেপাইগো, ডিজিএফপি, মেরী স্টোপস বাংলাদেশ, ইউএনএফপিএ এসব সেশন আয়োজনে ছিলেন। কনফারেন্সে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিরাক-বাংলাদেশের পরিচালক(প্রোগ্রাম) শাহিনা আক্তার, উপ-পরিচালক((প্রোগ্রাম) আব্দুল ওয়াদুদ, প্রোগ্রাম অফিসার সাদিয়া রহমান, কমিউনিকেশন অফিসার সাকিল আহমাদ, প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট অফিসার তাসনিয়া আহমেদ, অ্যাসেসিয়েট প্রোগ্রাম অফিসার নুসরাত জাহান প্রমুখ।

বিন সালমানের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করতে চায় তুরস্ক

সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুই সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন ইস্তাম্বুলের চিফ প্রসিকিউটর। তারা দুজনই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে।
ইস্তাম্বুলের চিফ প্রসিকিউটরের দফতর বুধবার জানিয়েছে, আল আসিরি এবং সৌদ আল কাহাতানি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে জামাল খাশোগিকে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।
তুরস্কের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চিফ প্রসিকিউটরের এ পদক্ষেপের মাধ্যমে আঙ্কারারা এই মনোভাব ফুটে উঠেছে যে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না। এছাড়া, আরো বহু ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন আসতে পারে বলেও তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
জামাল খাশোগিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সৌদি আরব যে পাঁচ জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে আটক করেছে তাদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা শাখার উপপ্রধান আহমেদ আল আসিরি এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিডিয়া উপদেষ্টা কাহাতানি রয়েছেন। এদিকে, খাশোগির বন্ধুরা জানিয়েছেন, কাহাতানি এর আগে খাশোগিকে স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে নানাভাবে প্রলোভিত করার চেষ্টা করেছিল এবং এমনকি তাকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চাকুরি দেয়ার লোভ দেখিয়ে সৌদি আরবে ফেরত নিতে চেয়েছিল। তবে আমেরিকার ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাশোগি কাহাতানির এসব প্রস্তাবকে নিজের জন্য ফাঁদ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াতে চায় ইরান: কমান্ডার

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলার পাল্লা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং এ ক্ষেত্রে ভালো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইরানের বিমান বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ একথা বলেছেন।
গত মঙ্গলবার ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের হাতে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাগুলির পাল্লা বাড়ানো। আমরা ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাগুলির পাল্লা বাড়ানোর চেষ্টা করছি যার কোনো সীমা-পরিসীমা থাকবে না কারণ অন্য বাহিনীর পাশাপাশি বিমানবাহিনীকে দেশের জন্য প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করতে হবে।”
ইরানের এ কমান্ডার জোর দিয়ে বলেন, বিমান বাহিনীর হাতে খুবই বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে যার আওতায় দীর্ঘ পাল্লার ও স্মার্ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হবে। এছাড়া, জঙ্গিবিমানের জন্য রাডার সিস্টেমকেও শক্তিশালী করার কর্মসূচি রয়েছে যাতে তারা দ্রুত এবং আরো নিখুঁতভাবে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
জেনারেল নাসিরজাদেহ বলেন, ইরানের হাতে রয়েছে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এবং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে যা সারা বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের হাতে রয়েছে। এর আগে, গত রোববার ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, গত ৪০ বছর ধরে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইরান এখন বিশ্বের শীর্ষ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশের অন্যতম।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ

অরিত্রির আত্মহত্যা: অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষক বরখাস্ত, রোববার থেকে ক্লাস শুরু

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডি। পাশাপাশি রোববার থেকে স্বাভাবিকভাবে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান গোলাম আশরাফ তালুকদার বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গভর্নিং বডির জরুরি সভায় বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি সবাইকে চিঠি দিয়ে জানানো হবে।
এরআগে অরিত্রির আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী হিসেবে তদন্তে ‘প্রমাণিত’ হওয়ায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব ও পুলিশকে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার র‌্যাবের মহাপরিচালক ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কাছে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার শিফট ইনচার্জ জিনাত আক্তার ও প্রভাতী শাখার শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। বুধবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ ও এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
অপরদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে পাঠানো অপর চিঠিতে অরিত্রীর আত্মহত্যার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে বরখাস্তসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে পাঠানো আরেক চিঠিতে তিন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষার্থী আত্মহত্যার ঘটনা তদন্তে ৩ ডিসেম্বর রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের ঢাকা আঞ্চলিক অফিসের পরিচালক অধ্যাপক মো. ইউসুফকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কমিটিতে তিনদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।