Saturday, November 28, 2009
ওল্ড ট্রাফোর্ডে বেসিকতাসের ম্যানইউ-বধ
ওই পেনাল্টি পেলেও অবশ্য জয় আসত না। কারণ নিজেদের মাঠে পরশু ম্যানইউ ১-০ গোলে হেরেছে তুরস্কের ক্লাব বেসিকতাসের কাছে। চ্যাম্পিয়ন লিগে নিজেদের মাঠে টানা ২৩ ম্যাচ এবং সাড়ে চার বছর পর তাদের এই পরাজয়। তাতে অবশ্য ক্ষতিবৃদ্ধি হচ্ছে না। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেছে ম্যানইউ। তবে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে তাদের ‘নকআউট’ পর্বে যাওয়াটা নির্ভর করছে ৮ ডিসেম্বর ভলফসবুর্গের মাঠে ম্যাচটির ফলাফলের ওপর।
ওদিকে ‘এ’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেছে বোর্দো, পরশু জুভেন্টাসকে নিজেদের মাঠে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। ঝুলে আছে বায়ার্ন মিউনিখ আর ‘জুভ’দের ভাগ্য। প্রথম চার ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট পাওয়া বায়ার্ন পরশু ম্যাকাবি হাইফাকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে জুভেন্টাস-বায়ার্ন। নিজেদের মাঠে ড্র করলেই দ্বিতীয় রাউন্ডে চলে যাবে জুভরা, জিততেই হবে বায়ার্নকে।
একমাত্র ‘ডি’ গ্রুপ থেকেই দুটো দলের নকআউট পর্ব নিশ্চিত। পরশু আনেলকার একমাত্র গোল নিজেদের মাঠে হারলেও চেলসির সঙ্গী হয়েই নকআউট পর্বে নাম লিখিয়েছে পোর্তো। ‘ডি’ গ্রুপের যেমন দুই দল নিশ্চিত হয়েছে, তেমনি ‘সি’ গ্রুপ থেকে এখনো কারোরই নিশ্চিত হয়নি দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা। তবে এক পা দিয়ে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। পরশু বার্নাব্যুতে গঞ্জালো হিগুয়েইনের একমাত্র গোলে তারা হারিয়েছে এফসি জুরিখকে। এক পা দিয়ে রাখতে পারত এসি মিলানও। কিন্তু পরশু নিজেদের মাঠে অলিম্পিক মার্শেইয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করায় দুটো পয়েন্ট হাতছাড়া হয়ে গেছে সাতবারের চ্যাম্পিয়নদের।
‘সি’ গ্রুপে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল। মিলানের পয়েন্ট ৮। ৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে মার্শেই। দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে ৮ ডিসেম্বর ফ্রান্সে মার্শেইয়ের বিপক্ষে রিয়ালের জয়টাই কাম্য হবে মিলানের জন্য। মার্শেই জিতলে একই দিন জুরিখের বিপক্ষে ড্র করলেও বাদ পড়ে যাবে মিলান।
এক নজরে ফলাফল দেখে বুঝতেই পারছেন, পরশু ইউরোপীয় ফুটবল গোল করার ক্ষেত্রে কার্পণ্যই দেখিয়েছে। ২ গোলের ব্যবধানে জিতেছে কেবল বোর্দো। সেটিও হতো না, যদি ৯৪ মিনিটে, একেবারে শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে গোল না পেতেন মারুয়ানে শামাখ। দুটো গোল করেছে সিএসকেএ মস্কোও। যদিও প্রথমার্ধে এডিন জেকোর গোলে এগিয়ে ছিল (১-০) ভলফসবুর্গ।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে গিয়েছিল ম্যানইউও। এদিন অবশ্য ফার্গুসন তরুণ একটা দল নামিয়েছিলেন। আক্রমণভাগে ফেদেরিকো মাচেদার সঙ্গী ছিলেন ড্যানি ওয়েলব্যাক। ফন ডার সারের বদলে গোলপোস্টের নিচে ছিলেন বেন ফস্টার। ওয়েইন রুনি দলেই ছিলেন না। মাইকেল ওয়েন, মাইকেল ক্যারিক, পল স্কোলস, ড্যারেন ফ্লেচার, নানিদের বসে থাকতে হয়েছে বেঞ্চে। কিন্তু প্রত্যাশার প্রতিদান দিতে পারেনি তরুণেরা।
ফার্গুসন অবশ্য তরুণদের দোষারোপ না করে সব ক্ষোভ উগরে দিলেন রেফারির ওপর, ‘ইউরোপে টানা দুটো ম্যাচে আমরা নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হলাম। এটা খেলাটির চেতনা-বিরুদ্ধ, কিন্তু আমি আর কী করতে পারি? এ ধরনের পেনাল্টিগুলো না দিলে খেলাটাই সমস্যাতে পড়ে যাবে।’
এমন মন্তব্যের পর ফার্গুসন আবারও সমস্যায় পড়ে যান কি না কে জানে। ওদিকে বার্নাব্যুতে কিন্তু রিয়ালকে খুব একটা সমস্যায় ফেলতে পারেনি মিলানকে তাদের মাঠে হারিয়ে আসা জুরিখ। তবে মাত্র একটা গোল নিয়ে নিশ্চয়ই অস্বস্তিতে ছিল সমর্থকেরা। সেই অস্বস্তি তো ঘুচেছেই, সবচেয়ে বেশি স্বস্তির ছিল আট সপ্তাহ পর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মাঠে ফেরা। ৬৯ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারটি। তেমন কোনো কারিশমা দেখাননি। তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন ২৯ ডিসেম্বরের ‘এল ক্লাসিকো’র জন্য তিনি প্রস্তুত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীন কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমাবে -যুক্তরাষ্ট্র ১৭ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব দেবে
গত বুধবার বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাওয়ের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের এক অধিবেশনে জলবায়ু পরির্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জাতীয়কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়। অধিবেশনে ২০২০ সালনাগাদ কার্বন নিঃসরণ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমিয়েআনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটিকে একটি বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে চীনের জাতীয়অর্থনীতি ও সামাজিক বিকাশে মাঝারি এবংদীর্ঘকালীন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এদিকে জলবায়ু-নীতিবিষয়ক ওবামার শীর্ষ সহকারী ক্যারল ব্রাউনার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগামী মাসে কোপেনহেগেনে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি আনতে এ ব্যাপারে প্রস্তাব রাখবেন ওবামা। সম্ভাব্য প্রস্তাবটি হচ্ছে, নিঃসরণ ১৭ শতাংশ কমিয়ে আনা। তবে বিষয়টি মার্কিন সিনেটের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। ওবামা আগামী ৯ ডিসেম্বর কোপেনহেগেন সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। পরের দিনই নরওয়ের অসলোতে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করবেন তিনি।
মার্কিন উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ফ্রোম্যান বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে চীন, ভারত ও অন্য উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি আনার লক্ষ্যে এ ধরনের ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওবামা। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানান, ওবামা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরতে পারেন। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫, ২০৩০ ও ২০৫০ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ২০০৫ সালের তুলনায় যথাক্রমে ৩০, ৪২ ও ৮৩ শতাংশ কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।
ওবামা প্রশাসনের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিরোফুমি হিরানো বলেন, এ বিষয়ে অগ্রগতি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করবে জাপান। ফ্রান্সের পরিবেশ-বিষয়কমন্ত্রী জ্যঁ-লুই বোর্লু ওবামার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘এটা একটি খুবই উত্সাহব্যঞ্জক পদক্ষেপ।’ ওবামা প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিরোধী রিপাবলিকান-দলীয় সিনেটর জেমস ইনহফ জানিয়েছেন, তাঁরা এ ধরনের পরিকল্পনার বিপক্ষে অবস্থান নেবেন। ২০২০ সাল নাগাদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০ শতাংশ এবং জাপান ২৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়েবসাইটে ‘৯/১১ বার্তা’
নিউইয়র্কবাসী সেদিন পরস্পরের মধ্যে লাখ লাখ বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ লাখ ৭৩ হাজার বার্তা প্রকাশ করেছে বিতর্কিত উইকিলিকস ওয়েবসাইট। কিছু বার্তা প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট টুইটারও। এসব বার্তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অসংখ্য সাধারণ মানুষের বার্তাও রয়েছে। ওই দিন গ্রিনিচ মান সময় আটটা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এসব বার্তা পাঠানো হয়।
নিউইয়র্কবাসীর পাঠানো বার্তার সবগুলো সন্ত্রাসী হামলার ব্যাপারে ছিল না। এগুলোর মধ্যে কিছু ছিল একান্ত ব্যক্তিগত, রসিকতাপূর্ণ ও নিত্যনৈমিত্তিক কাজের ব্যাপারে। যেমন কেউ কেউ বার্তা পাঠিয়ে আত্মীয়স্বজন মধ্যাহ্নভোজে কী খেয়েছে তা জানতে চেয়েছিলেন।
টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসীদের হামলার পর বেশির ভাগ লোক পেজারের (সংক্ষিপ্ত বার্তা বা ই-মেইল পাঠানোর যন্ত্র) মাধ্যমে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের অবস্থা জানতে চেয়েছেন। যেমন একটি বার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমি মিরনা বলছি, তুমি বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত আমার স্বস্তি নেই। টুইন টাওয়ারের দ্বিতীয়টি ধসে পড়েছে। দয়া করে তুমি বাড়িতে ফিরে যাও।’ আরেকটি বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রে বোমা হামলা হয়েছে। কোনো প্রয়োজন হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করো।’
ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বার্তাগুলো সঠিক। এখানে কোনো কৃত্রিমতা নেই। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশীয় এয়ারের নতুন সময়সূচি
ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইটে বিলম্ব হয়ে যাতে যাত্রীদের দুর্ভোগ না হয় সে জন্য ওইদিন থেকে নতুন সময় অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা করবে এ বিমান সংস্থা।
মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস প্রতিদিন রাত ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হবে এবং কুয়ালালামপুর সময় রাত তিনটায় সেখানে পৌঁছাবে। কুয়ালালামপুর থেকে সন্ধ্যা ছয়টা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে এবং রাত নয়টায় ঢাকায় অবতরণ করবে। নতুন সময়সূচি ৩১ জানুয়ারি ২০১০ পর্যন্ত বলবত্ থাকবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে ৭.৫% নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে
এতে বলা হয়েছে, সম্পূর্ণ স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত কাঁচা চামড়া থেকে নিজস্ব কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে উত্পাদিত পণ্যকে ‘ফিনিশড লেদার’ বলে গণ্য করা হবে।
এসব পণ্য রপ্তানির পর বৈদেশিক মুদ্রার যথাযথ প্রত্যাবাসনের পর প্রকৃত ‘এফওবি’ মূল্যের ওপর এই ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।
২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে জাহাজীকৃত চামড়াজাত পণ্য এ নগদ সহায়তা সুবিধা পাবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পণ্য উত্পাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে শুল্ক প্রত্যর্পণ সুবিধা গ্রহণ করা হলে এই নগদ সহায়তা প্রযোজ্য হবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এল ক্লাসিকোতে মেসিকে চান হিগুয়েইন
তবে গঞ্জালো হিগুয়েইন কিন্তু চান মেসি সেরে উঠুন দ্রুত। রিয়াল স্ট্রাইকারের এই চাওয়ার পেছনে আর্জেন্টাইন যোগসূত্র খুঁজে লাভ নেই। কারণ স্বদেশির প্রতি টান থেকে নয়, মেসির সুস্থতা কামনা করছেন সুন্দর ফুটবলের স্বার্থে, ‘এই ম্যাচটা সবচেয়ে সুন্দর ম্যাচগুলোর একটি, যদি সেরা খেলোয়াড়েরা মাঠে থাকে। সেও যদি থাকে, তা হলে সেটি দারুণ হবে।’ বলেছেন, ‘আমি যেমন চাই আমাদের দলের সব সেরা খেলোয়াড় এই ম্যাচে খেলুক, তেমনি বার্সেলোনা দলেও থাকুক সেরা খেলোয়াড়েরাই।’
জাতীয় দলে আক্রমণভাগের সঙ্গী মেসির সুস্থতা কামনা করলেও কিন্তু বার্সার প্রতি কোনো শুভকামনা নেই এই ২১ বছর বয়সীর, ‘ন্যু ক্যাম্পে পুরো প্রাণশক্তি নিয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেখানে জিততে পারলে পয়েন্ট টেবিলে একটা বড় ধরনের ধাক্কাই লাগবে। এটা গুরুত্বপূর্ণ হবে এই কারণেও, জিতলে লিগে আমরা ওদের থেকে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে যেতে পারব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শীর্ষে থেকেই বছর শেষ ফেদেরারের
২০০৯ বছরটা ফেদেরারের জন্য অন্য রকম। বহুদিনের বান্ধবী মিরকা ভাবরিনেচকে বিয়ে করেছেন, যমজ মেয়ের বাবা হয়েছেন; ফিরে পেয়েছেন র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর জায়গা। বছর শেষে সেই এক নম্বর জায়গাটা তাঁরই থাকছে। মৌসুমের শুরুতে যেমন চেয়েছিলেন, শেষটা সেই চাওয়ার সঙ্গে মিলে যাওয়ায় আনন্দে উদ্বেল সুইস টেনিস তারকা, ‘এক নম্বরে থেকে বছর শেষ করা আমার অন্যতম লক্ষ্য ছিল এবং আমার কাছে মনে হয়, এটা আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম ভালো পারফরম্যান্স।’
শুধু শীর্ষ থাকার তৃপ্তি নিয়েই নয়, মৌসুমের শেষ টুর্নামেন্টটা জিতেই বছরটা শেষ করতে চান ফেদেরার। সে জন্য অবশ্য আজ আর্জেন্টাইন হুয়ান মার্টিন দেল পোত্রোকে হারিয়ে উঠতে হবে সেমিফাইনালে। ফেদেরার কি পারবেন? গত ইউএস ফাইনালে ফেদেরারকে হারানো তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা, আজকের ম্যাচে আরেকটা বিশেষ অনুপ্রেরণা আছে পোত্রোর।
পোত্রোর এই ম্যাচটি দেখতে লন্ডনের ওটু অ্যারেনায় যাবেন ম্যানচেস্টার সিটির আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার কার্লোস তেভেজ। তাঁকে খুশি করতে ফেদেরারকে হারাতে চান পোত্রো, ‘(কার্লোস) তেভেজের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সে আমাকে এই ম্যাচটি জিততে বলেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু আন্দোলনে ফুটবল-শক্তি
জলবায়ুর পরিবর্তনটা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ হয়তো তেমনভাবে অনুভব এখনো করে না। তবে অসময়ে বৃষ্টিপাত, এক একটি ‘সিডর’ বা ‘আইলা’ ছোবল দিয়ে সতর্কসংকেত দিয়ে যায়। আর বিধ্বস্ত জনপদে মানুষের হাহাকার আগামী দিনের একটি ভয়াল ছবি আঁকে।
উন্নত বিশ্বের মানুষ অবশ্য অনেক আগে থেকেই বিশ্বব্যাপী এই জলবায়ু বিপর্যয় সম্পর্কে অবহিত। এই বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় ওপরের দিকেই থাকবে বাংলাদেশ। সুতরাং এই জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্দোলনে বা জনসচেতনতায় বাংলাদেশের আগ্রহটা একটু বেশিই হওয়ার কথা। আগামী ৭ ডিসেম্বর কোপেনহেগেন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে যে আন্তর্জাতিক সম্মেলন হতে যাচ্ছে জাতিসংঘের উদ্যোগে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাতে জোরালো ভূমিকা রাখবেন বলে খবর।
সেই সম্মেলনের আগে আজ থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে এরই একটি বিশেষ প্রচারণা। মানুষকে খুব কাছাকাছি নেওয়ার বিরাট ক্ষমতা ফুটবলের, তাই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল দিয়েই শুরু হচ্ছে প্রচারণার। বেলা সাড়ে তিনটায় বাফুফে ও কোপেনহেগেন একাদশের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ থেকে জনগণের কাছে আহ্বান জানানো হবে, ‘আসুন, জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনে শামিল হোন। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ওয়েবসাইটে নিজের মন্তব্য লিখুন।’ ওয়েবসাইট ঠিকানা: www. sealthedeal2009.org, www. volunteeringforourplanet.org)।
কোপেনহেগেন একাদশ নামটা শুনে ভাবতে পারেন ডেনমার্কের রাজধানী থেকে কোনো দল আসছে কি না। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। কোপেনহেগেনে জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এমন নামকরণ। যাতে কোপেনহেগেন সম্মেলনের গুরুত্বটা মানুষের কাছে তুলে ধরা যায়।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজটা করছে ঢাকার জাতিসংঘের সহযোগী সংগঠন ইউনাইটেড নেশনস ভলান্টিয়ার (ইউএনভি)। আজকের ম্যাচ তো বটেই, আজ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় নানা কর্মসূচি পালন করবে ইউএনভি। যেটাকে বলা হচ্ছে ‘সিল দি ডিল ক্যাম্পেইন, ২০০৯’। এই প্রচারণায় যারা ওয়েবসাইট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না, তাঁদের জন্য স্বাক্ষর অভিযান থাকবে ৪ ডিসেম্বর সাফ ফুটবলের উদ্বোধনী দিনে।
এই কর্মসূচিগুলোর বিস্তারিত কাল জানালো হলো বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে। ইউএনভির প্রোগ্রাম অফিসার নগোজি ব্লেসিং ওট্টি ঘুরেফিরে এই গুরুত্বই বোঝানোর চেষ্টা করলেন। বললেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ, তাই এ দেশে জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার। আমরা আশা করি, মানুষ এতে সাড়া দেবে।’ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) ধন্যবাদ জানালেন নাইজেরীয় ভদ্রমহিলা, ‘এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবলেরই দেশের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে।’
২৫ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক সপ্তাহ পালন করছে ইউএনভি। এই প্রচারণার অন্য একটা নামও দেওয়া হয়েছে, ‘ভয়েস অব ভিকটিম’। অর্থাত্ আক্রান্তদের কণ্ঠ। যার অন্যতম হলো, ‘গো গ্রিন’। পরিবেশদূষণ কমাতে হাঁটাকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিশেষ দিন রাখা হয়েছে ২৯ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর পালন করা হবে বিশ্ব এইডস দিবস।
ফুটবলকে এই প্রচারণায় নিয়ে আসায় খুশি ফুটবলাররা। কাল সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের একাদশের খেলোয়াড় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ খান জয় বললেন, ‘এটা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করতে দারুণ এক সুযোগ।’ জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক আলফাজের কথা, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এখন সময় এসেছে এর বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করে এগিয়ে যাওয়ার।’ বিদেশি ফুটবলারদের সমন্বয়কারী পুমা বললেন, ‘এই উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে পেরে আমরা খুবই খুশি।’ এ ম্যাচটা দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি সবার প্রতি। প্রীতি ম্যাচ হলেও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়কে দেওয়া হবে পুরস্কার। পদক পাবেন সব খেলোয়াড়ই।
বাফুফে সহসভাপতি শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর, সদস্য ফজলুর রহমান বাবুল প্রমুখ কর্মকর্তাও এর গুরুত্ব নিয়ে কথা বললেন সংবাদ সম্মেলনে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বাইয়ে ২৬/১১ হামলার প্রথম বার্ষিকী আজ
পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তাইয়েবার জঙ্গিরা করাচি থেকে সমুদ্রপথে আরব সাগর হয়ে ভারতের ভূখণ্ডে ঢোকে। এরপর ভারতীয় একটি মাছধরার ট্রলার বন্দুকের মুখে ছিনতাই করে এর ক্রুকে হত্যা করে মুম্বাইয়ের দিকে আসে। মুম্বাই বন্দরের কাছাকাছি এসে তারা ট্রলারে থাকা একটি রাবার বোটে করে মুম্বাই উপকূলে অবতরণ করে। তারপর জঙ্গিরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মুম্বাইয়ের আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালায়। স্থান আটটি হচ্ছে, ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাল বা সিএসটি, ওবেরয় ট্রিডেন্ট হোটেল, হোটেল তাজমহল প্যালেস ও টাওয়ার, লিওপোল্ড কাফে, ক্যামা হসপিটাল, নরিম্যান হাউস এবং মেট্রো সিনেমা। এ ছাড়া তারা বিস্ফোরণ ঘটায় মুম্বাইয়ের বন্দর এলাকার মাঝাগাঁও এবং ভিলে পার্লে ট্যাক্সিতে। ২৬ নভেম্বর এই হামলা শুরু হলেও শেষ হয় ২৯ নভেম্বর। ওই দিন ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) সদস্যরা সর্বশেষ হোটেল তাজমহলকে সন্ত্রাসীমুক্ত করেন। তাঁরাই ওবেরয় থেকে ২৫০, তাজমহল থেকে ৩০০ ও নরিম্যান হাউস থেকে ৬০ জনকে উদ্ধার করেন।
জঙ্গিরা সবচেয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি স্টেশনে। রাত সাড়ে নয়টার দিকে এখানে জঙ্গিরা নিরীহ মানুষের ওপর একটানা গুলি চালিয়ে হত্যা করে ৫২ জনকে। আর জখম করে ১০৯ জনকে। এখানেই জীবিত ধরা পড়ে পাকিস্তানি জঙ্গি মোহাম্মদ আজমল আমির কাসাব। এখন সেই কাসাবের বিচার চলছে। এ ছাড়া সংঘর্ষে মারা যায় নয় পাকিস্তানি জঙ্গি। ওই নয় জঙ্গির মৃতদেহ এখনো পড়ে আছে মুম্বাইয়ের জে জে হাসপাতালের মর্গে।
মুম্বাই হামলা মামলার বিচার চলছে মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ আদালতে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচার করছেন বিশেষ বিচারক এম এল তাহিলিয়ানি। গত বছরের ৮ মে শুরু হয়েছিল বিচারপর্ব। আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে সাক্ষ্যগ্রহণ। শুনানি শেষে রায় দেওয়া হবে।
এ মামলার সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকম গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেছেন, এরই মধ্যে ২৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩০০ সাক্ষী হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিয়েছে। পাকিস্তানি জঙ্গি আজমল কাসাব ছাড়াও এই মামলায় দুই ভারতীয় জঙ্গিকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন, ফাহিম আনসারি ও সাবা উদ্দিন আহমেদ। তাঁরা সবাই এখন মুম্বাইয়ের আর্থা রোড কারাগারে বন্দী।
পাকিস্তানের আদালতে সাতজনকে অভিযুক্ত
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, পাকিস্তানের একটি আদালত মুম্বাই হামলার ঘটনায় সাতজন সন্দেহভাজনকে অভিযুক্ত করেছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।
এঁদের মধ্যে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জাকিউর রেহমান লাকভি ও লস্কর-ই-তাইয়েবার সদস্য জারার শাহ রয়েছেন।
আইনজীবী শাহবাজ রাজপুত বলেন, সন্দেহভাজন সাতজনকেই মুম্বাই হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে অভিযোগের পক্ষে যথাযথ সাক্ষ্যপ্রমাণ না থাকায় অভিযুক্তরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং পাকিস্তান দণ্ডবিধির অধীনে তাঁদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তান যুদ্ধের অবসানের অঙ্গীকার করলেন বারাক ওবামা
যুক্তরাষ্ট্র সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে গত মঙ্গলবার বৈঠকের পর বারাক ওবামা এ কথা বলেন। ওবামা বলেন, ‘আফগানিস্তান যুদ্ধে সফলতার জন্য বিগত আট বছরে আমরা প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত শক্তি সেখানে মোতায়েন করতে পারিনি। এমনকি আমরা সঠিক কৌশলও নিতে পারিনি। আমি এই যুদ্ধের অবসান চাই।’ তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানে আল-কায়েদা ও তালেবান বাহিনীকে পরাস্ত করতে যাচ্ছি আমরা। সেখানে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ ধ্বংস করে দেওয়া হবে। আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা বিশ্বের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আফগানিস্তানে আমরা কী করছি এবং সেখানে কীভাবে সফলতা আসবে, এ বিষয়ে মার্কিনিরা একটা স্পষ্ট বার্তা পেলে তা অবশ্যই আমাদের জন্য সহায়ক হবে।’ তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি গোটা বিশ্বসম্প্রদায়েরই দায়িত্ব রয়েছে। অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণার সময় আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর দায়দায়িত্বের বাধ্যবাধকতার বিষয়টিও তুলে ধরা হবে।
এদিকে বিভিন্ন খবরে দাবি করা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার ওবাবা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ ঘোষণা দেবেন। সেখানে আফগানিস্তানে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার সেনা পাঠানোর ঘোষণা আসতে পারে। তবে এসব খবরের বিষয়ে ওবামার ঘনিষ্ঠ কারও পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আফগানিস্তানে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়ে মার্কিন শীর্ষ কমান্ডার ও জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগীদের সঙ্গে গত সোমবারও বৈঠক করেন ওবামা। এই নিয়ে এ ইস্যুতে তিনি মোট নয় দফা বৈঠক করলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কোপেনহেগেনে বাড়তি নিরাপত্তা by সরাফ আহমেদ
বিশ্বের প্রায় ১৯০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান, পরিবেশবিজ্ঞানী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে বিশ্বের উষ্ণায়ন বৃদ্ধি কীভাবে ঠেকানো যায়, সে ক্ষেত্রে একমত হওয়ার চেষ্টা চালাবেন।
সম্মেলনে প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রচার চালাতে হাজার হাজার পরিবেশবাদী বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য কোপেনহেগেনে পৌঁছাবেন।
ডেনমার্কের রক্ষণশীল সরকারের প্রতিনিধি কিম অ্যান্ডারসন জানিয়েছেন, সম্মেলন চলাকালে বিক্ষোভ করে রাস্তাঘাট বন্ধ বা ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ রুখতে নতুন আইন অনুযায়ী বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত আটক রাখা যাবে বা বিচারে সাজা হলে ৪০ দিন পর্যন্ত জেল দেওয়াসহ ৪০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হবে।
ওই আইনের বিরুদ্ধে সারা ইউরোপের পরিবেশবাদীরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ফর জাস্টিস অ্যাকশন বলেছে, পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভকে অপরাধীদের দৃষ্টিতে দেখা একটি বড় অপরাধ। ডেনমার্ক সরকার ওই আইন করে নিজেরাও অপরাধ করেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিমানে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল
যুদ্ধবিমানে চড়ার জন্য প্রতিভা পাতিল এক মাস ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তাঁর চিরচেনা শাড়ি ছেড়ে বৈমানিকের বিশেষ পোশাক পরে যুদ্ধবিমানে চড়েন তিনি। ভারতের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ‘একাত্মতা প্রকাশের’ লক্ষ্যে তিনি এ পদক্ষেপ নেন।
দুঃসাহসিক এ অভিযানের আগে প্রতিভা পাতিলকে গতকাল উচ্ছল দেখাচ্ছিল। রাশিয়ার তৈরি সুপারসনিক যুদ্ধবিমানটিতে চড়ার আগে উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। এরপর বৈমানিকের পাশের সিটে বসে ৩০ মিনিট আকাশে ভেসে বেড়ান প্রতিভা।
আধঘণ্টা আকাশে বেড়ানোর পর দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট যুদ্ধবিমানটি মহারাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। এ সময় প্রতিভা পাতিল সবাইকে বিজয় চিহ্ন দেখান।
যুদ্ধবিমানে চড়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিভা পাতিল (৭৪) বলেন, এটা ‘অসাধারণ’, ‘চমত্কার’। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিমানে নারী বৈমানিকদেরও নিয়োগ দেওয়া উচিত। ভারতের তিন বাহিনীতেই নারীরা রয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিভা পাতিল বলেন, ‘নারীদের ক্ষমতার ব্যাপারে আমার পূর্ণ আস্থা আছে। আমার বিশ্বাস, নারীরাও যুদ্ধবিমানের বৈমানিক হিসেবে স্বচ্ছন্দে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’
ভারতে সম্প্রতি বিমানবাহিনীর একটি ঘোষণায় নারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। ওই ঘোষণায় বলা হয়, যুদ্ধবিমানে নারী বৈমানিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। তবে এ জন্য নারীদের সন্তান না নেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে।
ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক প্রতিভা পাতিলকে যুদ্ধবিমানে চড়ার প্রস্তুতি হিসেবে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও দিতে হয়েছে।
প্রতিভা পাতিলের আগে ২০০৬ সালে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম একই মডেলের একটি যুদ্ধবিমানে চড়েন। ওই সময় তাঁরও বয়স ছিল ৭৪ বছর।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্ন কোনো চোরাবালি নয় -চারদিক by সুজন সুপান্থ
‘আমি তো এখন সাকিব খানের মতোন হিরো হয়া গেছি। যে শহর চোরাবালি সিনেমায় আমার অভিনয় তো জোস্ হইছে, সবাই সেই কথাই কয়। শুনছি, আমারে নাকি জাপান আর জার্মান দ্যাশের সব সিনেমা হলে দেখাইতাছে। আমি বড় হইয়া হিরোই হমু।’—কথাগুলো ১২ বছর বয়সের শামীম ইয়াসার রাজুর। মাছের ঝোল দিয়ে ভাত খেতে খেতে এভাবেই নিজের হিরো বনে যাওয়ার কথাগুলো বলছিল রাজু। তিন বছর আগেও ছেলেটি টোকাই ছিল। দিনমান রাস্তায় রাস্তায় কাগজ আর পাতা কুড়িয়ে বেড়াত সে। সেই পাতাকুড়ুনির দল থেকে ধরে এনে সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ার জন্য একমাত্রা তাকে আশ্রয় দিয়েছে পল্লবীর এই শিশু আশ্রয়ণকেন্দ্রে। শুধু রাজু নয়, রাজুর মতো আরও অনেক শিশুই এখন থাকে এ আশ্রয়ণকেন্দ্রে।
সর্বমোট ২০ জন ছেলেমেয়ে আর একমাত্রার পরিচালনা পর্ষদ নিয়েই তাদের বর্তমান পরিবার। ২০০৩ সাল থেকে অপরাধে জড়িয়ে পড়া এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘একমাত্রা’ বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পল্লবীর ইস্টার্ন হাউজিংয়ে তারা প্রতিষ্ঠা করে শিশু আশ্রয়ণকেন্দ্র।
এই আশ্রয়ণকেন্দ্রের শিশু-কিশোররা প্রতিদিনই আনন্দ-উল্লাসে মেতে থাকে। কিন্তু গত ২৪ নভেম্বর যেন তাদের মনে একটু বাড়তি আনন্দ এসে জেঁকে বসেছে। আজ তো ওই খুদে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে মাঠে খেলতে খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ জেমি সিডন্স, অধিনায়ক মাশরাফি-বিন-মূর্তজা ও ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল আসবেন। এটা কী তাদের জন্য কম গর্বের কথা!
২৪ নভেম্বরের সেই প্রতীক্ষিত সময়টার অপেক্ষার পালা যেন ফুরোতেই চাচ্ছে না তাদের। তাদের বরণ করে নিতে সারা দিন চলে নানা আয়োজন। কেউ ফুলের মালা বানিয়েছে, কেউ নিজ হাতে এঁকেছে নানা ছবি আর কেউ বা কবিতা আর গান গেয়ে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বরণ করে নেয় জেমি সিডন্স, মাশরাফি আর আশরাফুলকে।
একটু পরেই শুরু হয় আশরাফুল আর মাশরাফির সঙ্গে ছোট ছোট শিশু-কিশোরের ক্রিকেট খেলার আয়োজন। ছোট্ট শিশুদের বলে আশরাফুল যেমন পিটিয়েছে, ঠিক তেমনি শিশুরাও কম নয়। আশরাফুল আর মাশরাফির বলে শিশুরাও পিটিয়ে যাচ্ছে দেদার। আজ যেন কেউ কারও চেয়ে কম নয়, সমানে সমান।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ জেমি সিডন্স বলেন, ‘শিশুদের সঙ্গে আজকের এই খেলা আমার খুবই ভালো লাগছে। একসময়ের টোকাই আর হকার শিশুদের ভেতরও যে অসম্ভব রকম প্রতিভা থাকে তা এদের না দেখলে বোঝা যেত না। এই শিশুদের মধ্যে আমি আসতে পেরে খুবই আনন্দিত।’
শিশুদের এই আনন্দকে আরও একটু বাড়িয়ে দিতে পাশ থেকে ছুটে আসে অগণিত দর্শক। সবাই আগ্রহভরে দেখছিল তাদের খেলা।
‘একমাত্রা’র নির্বাহী পরিচালক শুভাশীষ রায় বলেন, ‘২০০৩ সাল থেকেই এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়া আর সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমরা দেখেছি, যদি পরিপূর্ণ পরিচর্যা করা যায় তাহলে এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা সম্ভব। আমরা এসব শিশুকে নিয়ে যে শহর চোরাবালি নামে একটি সিনেমা করে দেখেছি, তাদের মধ্যে অপার সম্ভাবনা। আমরা তাদের সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই বর্তমানে ময়মনসিংহে একটি শিশু একাডেমী প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা প্রায় শেষ করেছি। ইতিমধ্যেই দেশের সুধীসমাজ ও সহূদয় ব্যক্তিরাও এ কাজে আমাদের সঙ্গে এগিয়ে এসেছেন। এর মাধ্যমে আমরা চাই এসব শিশুর জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা তৈরি করতে। আমাদের বিশ্বাস, সমাজের সহূদয়-সচেতন মানুষেরা নিজ নিজ সাধ্যমতো এ যাত্রার সঙ্গী হলে একমাত্রার এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাটা অসম্ভব হবে না। আর যেকোনো সত্য কাজ করতে আমরা কখনোই পিছপা হব না।’
‘স্বপ্ন যে চোরাবালি নয়, স্বপ্ন সৃষ্টির পূর্বশর্ত’ এ বিশ্বাসকেই ধারণ করে হাঁটিহাঁটি পা পা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ‘একমাত্রা’। তাদের এই স্বপ্ন নিঃসীম মহাসাগরের বুকে ক্ষুদ্র একবিন্দু জলকণার মতো হলেও এই বিন্দু কণা ছাড়া যে মহাসাগরের পূর্ণতা হয় না তা খুব ভালো করেই উপলব্ধি করেছে ‘একমাত্রা’। আজকে যে শিশুদের বোঝা মনে হচ্ছে ‘একমাত্রা’ তাদেরই একদিন সঠিক পরিচর্যা করে জনসম্পদে পরিণত করে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করবে এই দেশ, এই জনপদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বলিভারীয় বিপ্লব ও শান্তি -ভেনেজুয়েলা by ফিদেল কাস্ত্রো
কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিকল্পনা করছেন শেভেজ—মার্কিনীদের এ ধরনের অবমাননাকর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রভাবশালী এক মার্কিন পত্রিকা সম্প্রতি ‘ওয়ার ড্রামস’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সাত দশকের ভেতর কলম্বিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে সবচেয়ে গুরুতর এই হুমকিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। কারণ এ হুমকি আসছে এমন এক দেশ থেকে যার প্রেসিডেন্টের সামরিক বাহিনীতে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে...’ এ ধরনের বক্তব্য ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের জন্য অমর্যাদাকর।
সেই সম্পাদকীয়তে আরও বলা হয়েছে, ‘আঞ্চলিক ও স্থানীয় সরকারে শেভেজের বিরোধীদের তিনি তীব্র আক্রমণ করেন, তাদের সরানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে কারাকাসের মেয়র এমন আচরণের শিকার হয়েছেন...এখন কলম্বিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের যে গভর্নররা তাঁর শাসন মানতে নারাজ তাঁদের বিহিত করতে চান তিনি...কলম্বিয়ার সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বা আধাসামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার ভূমিতে ঢুকে অভিযান চালাতে পারে এমন অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে শেভেজ সরকার সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করে দিতে পারে।’
এসব কথা যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পরিকল্পনা এবং ভেনেজুয়েলার অভিজাত শ্রেণী ও প্রতিবিপ্লবীদের সুস্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতার ন্যায্যতাই শুধু প্রতিপাদন করে।
কাকতালীয়ভাবে, এই সম্পাদকীয় প্রকাশের সময় শেভেজ একটি কলামে বিশ্লেষণ করেন কলম্বিয়া কর্তৃক সাতটি সামরিক ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি।
সেই কলামে বলিভারীয় প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত স্পষ্ট ও সাহসিকতার সঙ্গে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে কলম্বিয়া কাউকে নিরাপত্তা ও সম্মান দিতে পারে না; এমনকি নিজ দেশের নারী-পুরুষদেরও না। যে দেশ নিজের সার্বভৌমত্ব হারিয়ে নতুন ঔপনিবেশিক শক্তির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে তার পক্ষে এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।’
শেভেজ সত্যিকারের বিপ্লবী, সাহসী কর্মী। তিনি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেননি। যে নয়া-উদারনৈতিক সরকারগুলো ভেনেজুয়েলার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সমর্পণ করেছিল এবং জনগণের ওপর নিপীড়ন ও গণহত্যা চাপিয়ে দিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে তিনি বিদ্রোহ করেছিলেন। তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে, ধীরে ধীরে তাঁর চিন্তার বিকাশ ঘটেছে, পরিপক্বতা এসেছে। সামরিক বাহিনীতে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর আছে, কিন্তু তিনি অস্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেননি।
তথাকথিত প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের পরম স্বাধীনতার মধ্য থেকে তিনি সামাজিক বিপ্লবের কঠিন পথে এগিয়েছেন। এই সময় সবচেয়ে শক্তিশালী মিডিয়া অভিজাত ও সাম্রাজ্যের স্বার্থরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। শেভেজের লড়াইয়ের মহত্ব এখানেই।
অভ্যুত্থান ও দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অপপ্রচার সত্ত্বেও মাত্র ১১ বছরে ভেনেজুয়েলা শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতিতে যে অর্জন করেছে তার নজির দুনিয়ার আর কোথাও পাওয়া যাবে না।
নানা জটিল কায়দা ব্যবহার করে সফল না হয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার মতো ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেনি; কারণ বৈদেশিক জ্বালানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তারা বলিভারীয় প্রক্রিয়া এবং ক্যারিবীয় ও মধ্য আমেরিকান দেশগুলোকে ভেনেজুয়েলা উদারভাবে যে জ্বালানি সহায়তা দিচ্ছে এবং দক্ষিণ আমেরিকা, চীন, রাশিয়া এবং এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যে বিপুল বাণিজ্য তার বিরুদ্ধে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিটি মহাদেশের বিপুল পরিমাণ মানুষ বলিভারীয় বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতিশীল। আর সে দেশের সরকারের সঙ্গে কিউবার সম্পর্ক সাম্রাজ্যের জন্য বিচলিত হওয়ার মতো। বলিভারের ভেনেজুয়েলা এবং মার্তির কিউবা যুক্তি ও ন্যায্যতাভিত্তিক নতুন ধরনের সম্পর্কের সূচনা করেছে।
প্রচণ্ড জ্বালানি সংকটের সময়ে ক্যারিবীয় দেশগুলোকে ভেনেজুয়েলা উদারভাবে সহায়তা দিয়েছে। ভেনেজুয়েলা এখন যে সমস্যা মোকাবিলা করছে তা কিউবাতে বিপ্লবের সময়ে আমাদের সমস্যার থেকে একেবারে আলাদা। মাদক পাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সামাজিক সহিংসতা এবং আধাসামরিক বাহিনীর কথা আমাদের সময়ে বলতে গেলে শোনাই যেত না। পুুঁজিবাদী ব্যবস্থা ও ভোগবাদী সমাজ তখনো যুক্তরাষ্ট্রকে বিশাল মাদকের বাজারে পরিণত করেনি। কিউবার বিপ্লবের জন্য তখন মাদক পাচার মোকাবিলা কঠিন ছিল না।
এখন মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এগুলো মস্তবড় আসন গেড়ে বসেছে। বাণিজ্যের অসম শর্ত, সংরক্ষণবাদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লাতিন আমেরিকার সমাজে অনুন্নয়ন, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানহীনতা এবং মাদকের বিশাল বাজার তৈরির ফলে মাদক পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ। মাদক পাচার ও অপব্যবহার রোধে ধনী ও সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর অসামর্থ্য লাতিন আমেরিকাতে মাদক উত্পাদনের কাঁচামাল হিসেবে কিছু উদ্ভিদের চাষের রাস্তা করে দিয়েছে।
সামরিক বাহিনীর অভিজ্ঞতা থাকার কারণেই শেভেজ জানেন যে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক চুক্তির বৈধতা দানের অছিলা হিসেবে ব্যবহার করছে, যে চুক্তি স্নায়ুযুদ্ধোত্তর দুনিয়াব্যাপী প্রাধান্য বিস্তারের মার্কিন যুদ্ধকৌশলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বিমান ঘাঁটি স্থাপন, কার্যক্রম চালানোর অধিকার এবং মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের কলম্বিয়ার ভূমিতে দায়মুক্তি দেওয়ার সঙ্গে মাদক চাষ, উত্পাদন ও পাচারের কোনো সম্পর্ক নেই। বৈশ্বিক এ সমস্যা শুধু দক্ষিণ আমেরিকায়ই ছড়াচ্ছে না, বিস্তার ঘটছে আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলেও। ব্যাপক মার্কিন সেনা উপস্থিতি সত্ত্বেও আফগানিস্তানে এ অবস্থা দেখা যায়।
সামরিক ঘাঁটি তৈরি, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় হামলা, যুদ্ধ ও লুণ্ঠন চালানোর জন্য মাদককে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। যাঁরা ভাবছেন ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার জনগণের মধ্যে বিভক্তি তাঁদের প্রতিবিপ্লবী পরিকল্পনার সাফল্য বয়ে আনবে তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ভালো শ্রমিকদের অনেকে কলম্বিয়ার নাগরিক; বিপ্লব তাদের, তাদের পরিবারকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নাগরিক অধিকার ও অন্যান্য সুবিধাদি দিয়েছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার অধিবাসী এক সাথেতাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করবে, একই সঙ্গে তারা শান্তি ও মুক্তির লক্ষ্যে লড়াই করবে।
ইংরেজি থেকে অনূদিত।
ফিদেল কাস্ত্রো: কিউবার বিপ্লবের নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক -হজ by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ইসলামে হজ একটি দৈহিক ও আর্থিক সংগতিপূর্ণ সার্বিক ইবাদত, যা একজন মুসলমান জিলহজ মাসের ৯-১৩ তারিখ পর্যন্ত বায়তুল্লাহ শরিফে পৌঁছে যথাযথভাবে পালন করে থাকেন এবং যা বিশ্বমানবতা ও তাওহিদী পয়গাম থেকে উত্সারিত স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের এক বাস্তব দৃষ্টান্ত। হজের মর্মকথা হলো যে ব্যক্তি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে দেবেন এবং মুসলিম মিল্লাতের পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.) যে সদিচ্ছা ও বিশ্বাসের দৃঢ়তার সঙ্গে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করেছিলেন আবশ্যিকভাবে জীবনে একবার তা পালন করবেন। এ মর্মে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই মানবজাতির জন্য সর্বপ্রথম যে গৃহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা মক্কায়, এটা বরকতময় ও বিশ্বজগতের দিশারি। এতে রয়েছে মাকামে ইবরাহিমের প্রকৃষ্ট নিদর্শন। যে এর ভেতরে প্রবেশ করে সে নিরাপদ। আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ওই ঘরে হজ করা তার অবশ্যকর্তব্য।’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৬-৯৭)
আল্লাহর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণের মুহুর্মুহু ধ্বনিতে ৯ জিলহজ মক্কা মোয়াজ্জমায় সুবিশাল আরাফাতের ময়দান মুখরিত ও প্রকম্পিত করে বিশ্বের লাখ লাখ মুমিন বান্দা মহাসম্মিলনী পবিত্র হজব্রত পালন করেন। ভাষা, বর্ণ ও লিঙ্গের ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের প্রায় ১৭২টি দেশের প্রায় ৩৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনের লক্ষ্যে মিনা থেকে আরাফাত ময়দানে গমন করেন। তাঁরা পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত হতে আত্মশুদ্ধির শপথ ও আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করার পরম সৌভাগ্য অর্জন করে সৃষ্টিকর্তার দরবারে ঐকান্তিক আবেদন জানান। মক্কা শরিফ থেকে হজের ইহরাম পরিহিত লাখ লাখ নর-নারী ধর্মীয় আবেগাপ্লুত কণ্ঠে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান নিয়ামাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা শারিকা লাকা’ অর্থাত্ আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির, আপনার কোনো শরিক নেই, আপনার মহান দরবারে হাজির, নিশ্চয়ই সব প্রশংসা, নিয়ামত এবং সব রাজত্ব আপনারই, আপনার কোনো শরিক নেই—এ হাজিরী তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনাতে এসে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামাজ আদায় করেন।
বাদ জোহর মিনা থেকে উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করতে করতে আরাফাতের সুবিশাল প্রান্তরে লাখ লাখ মুসলমান উপস্থিত হন। জোহরের নামাজের জামাতের আগে আরাফাত ময়দানের মসজিদে নিমরার মিম্বারে দাঁড়িয়ে হাজিদের উদ্দেশে হজের খুতবা দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি, বিশ্ব শান্তি ও কল্যাণের কথা ব্যক্ত করা হয়। খুতবা শেষে জোহর ও আসরের ওয়াক্তের মধ্যবর্তী সময়ে জোহর ও আসরের কসর নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা হয়। সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সব হজযাত্রী আরাফাত ময়দানেই অবস্থান করে সর্বশক্তিমান আল্লাহর জিকির-আজকারে মশগুল থাকেন। হজের দিনে সারাক্ষণ আরাফাতে অবস্থান করা ফরজ। হজ পালন তথা এদিনে আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের প্রতিদান হলো আল্লাহ সেসব হজযাত্রী মুমিন বান্দাদের নিষ্পাপ ঘোষণা করেন। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য হজ করে, আর কোনো প্রকার কুকর্ম না করে, সে ব্যক্তি যে দিবসে তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল সে দিবসের ন্যায় বে-গুনাহ অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
সূর্যাস্তের পরপরই হাজিগণ মুযদালিফায় এসে এশার ওয়াক্তে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করে উন্মুক্ত আকাশের নিচে খোলা মাঠে অবস্থান করে আল্লাহর ইবাদত করেন। পরের দিন ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিগণ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন এবং সূর্যাস্তের আগেই মিনার উদ্দেশে রওনা হন। মিনাতে পৌঁছে বড় শয়তানকে একে একে ৭টি কঙ্কর মারার পর কোরবানি দিয়ে মাথার চুল কেটে গোসল করে ইহরামমুক্ত হন। মিনাতে হাজিগণ আরও দুই দিন থাকেন। পর্যায়ক্রমে ছোট, মধ্যম ও বড় শয়তানকে চিহ্নিত স্থানসমূহ লক্ষ্য করে প্রতিটিতে ৭টি করে কঙ্কর মারেন। ইতিমধ্যে মক্কায় গিয়ে কাবাগৃহ তাওয়াফ করে আবার মিনায় ফিরে আসেন। এটাকে বলা হয় কাবা শরিফের ফরজ তাওয়াফ।
১২ জিলহজ শেষবারের মতো শয়তানকে নিয়ম অনুযায়ী কঙ্কর মেরে সূর্যাস্তের আগে মক্কায় ফিরে আসেন, আর যদি সূর্যাস্তের আগে ফিরে আসতে ব্যর্থ হন তবে মিনা থেকে ১৩ জিলহজ কঙ্কর মেরে মক্কায় ফেরেন। মক্কায় ফিরে এসে বিদায়ী তাওয়াফ করে হাজিগণ মদিনায় যান। যাঁরা আগে যাননি তাঁরা মদিনার পথে, আর যাঁরা হজের আগে মদিনা সফর করেছেন তাঁরা নিজ নিজ দেশের উদ্দেশে রওনা হন। হজের সফরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নবী করিম (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা। মূল হজ শুরুর আগে মদিনাতে যাওয়া যেতে পারে বা হজের কার্যাবলি শেষ করেও যাওয়া যায়। হজ আল্লাহপ্রেমকে জাগ্রত করে আর নবীজির রওজা মোবারক জিয়ারতের মাধ্যমে সেই প্রেমের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
ইসলামে হজের ধর্মীয় গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। পবিত্র হজ উপলক্ষে অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান নফল রোজা ও ইবাদত বন্দেগি করেন। ৯ জিলহজ হাজিদের আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের পরের দিন ফজরের নামাজ থেকে ১৩ জিলহজ আসরের নামাজ পর্যন্ত প্রত্যেক নামাজের পর উচ্চস্বরে এ তাকবিরে তাশরিফ বলতে হয়, ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ।’
হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত আছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত হজ পালনকারীদের নিকটবর্তী। অতঃপর হজ পালনকারী বান্দাদের সম্পর্কে ফেরেশতাদের কাছে গৌরব করে বলতে থাকেন, এরা কিসের সংকল্প করেছে?’ উত্তরে ফেরেশতারা বলেন, ‘হে আল্লাহ! এরা হজের সংকল্প করেছে।’ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি এদের হজ কবুল করলাম, আর হজের বিনিময়ে একমাত্র জান্নাত দান করব।’ নবী করিম (সা.) আরও বলেছেন, ‘মকবুল হজের বিনিময় একমাত্র জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
সারা বিশ্বে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব, সাম্য, মৈত্রী, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন রচনায় হজের তাত্পর্য অতুলনীয়। প্রতিবছরই হজের সময় মুসলমানদের মহামিলনের সমারোহ ঘটে। হজের দিনে পবিত্র মক্কা ও আরাফাতের ময়দানে বিশ্বের প্রায় ৩০ লাখ হাজি নিবিড়ভাবে বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধ অনুভব করেন। তাওহিদী পতাকাতলে সমবেত হওয়ার এমন নজির অন্য কোনো ধর্মে সাধারণত পরিলক্ষিত হয় না। একই ঐকতান ও একই মহান উদ্দেশ্য লাভের আশায় আল্লাহর প্রতি একাগ্রতার একনিষ্ঠ প্রয়াস সমগ্র বিশ্বকে ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতিতে আলোড়িত করে তোলে। নানা দেশের, নানা বর্ণের এবং নানা ভাষার মানুষের মুখে যখন উচ্চারিত হয়, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ আরাফাতের ময়দানে এহেন ভ্রাতৃপ্রেম খুলে দেয় এক নতুন দিগন্ত। বিভিন্ন বর্ণ ও ভাষার মানুষগুলো মহান সৃষ্টিকর্তা এক আল্লাহর তাঁবেদার হয়ে যায়। গোটা বিশ্বের মুসলমানরা তখন একই মিল্লাতের মানুষ। পবিত্র হজে সব মানুষ এক আদমের সন্তান তথা উম্মতে মুহাম্মদী, এটাই আমাদের শিক্ষা দেয় এবং ইবাদতের পাশাপাশি মহামিলনের মধ্যে ইহকালীন জগতে শান্তিকামী মুসলমানদের বৃহত্তর ঐক্য স্থাপনের অনন্য অতুলনীয় নজির স্থাপন করে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোকচিত্রে তিনি চিনিয়েছেন বিচিত্র রং -রদ্ধাঞ্জলি by নাসির আলী মামুন
নওয়াজেশ আহমদ আমাদের আলোকচিত্রের সাম্রাজ্যকে বহুবর্ণিল করে গেছেন। ১৯৪৮ সালে প্রকৃতি তাঁর আরাধনার বিষয় হয়। মায়াবী এক ক্যামেরা চলে আসে তাঁর নিয়ন্ত্রণে। আমানুল হক ও নাইব উদ্দিন আহমেদ—পূর্বসূরি এই দুজন এবং নওয়াজেশ এ দেশে সূচনা করেন সৃষ্টিশীল আলোক-চিত্রণের ভূখণ্ড। অগ্রজ নাইব উদ্দিনের আলোকচিত্রের বিষয় নদী, নৌকা এবং এর অববাহিকার জনপদ। আমানুল হকের ছবি রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত থেকেও বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠের জনপদ গ্রামকে বিচ্ছিন্ন রাখেনি। লোকায়ত বাংলার এক বিশাল শিল্পময় সত্তা আমানুল হকের আলোকচিত্রে দীপ্যমান। নওয়াজেশ, আমানুল ও নাইব উদ্দিনের ক্যামেরার ফোকাস গ্রামবাংলায় নিবদ্ধ থাকলেও প্রত্যেকেই নিজস্ব ভঙ্গি ও চেহারায় সম্পূর্ণ আলাদা। বিস্তর তফাতের দৃষ্টিকোণ থেকে নওয়াজেশের আলোকচিত্র নিস্তব্ধ, নীরব ও নিঃসঙ্গ। বাংলাদেশের প্রকৃতির মধ্য দিয়ে আজীবন প্রবাহিত হয়েছেন এই শিল্পী।
কেন নওয়াজেশ আহমদের ক্যামেরা এত বর্ণিল বিষয়কে আলিঙ্গন করেও শেষ পর্যন্ত থেকেছে নিশ্চুপ, নিঃসঙ্গ? তিরিশ ও চল্লিশের দশকের দুঃখিত কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার রসায়ন তাঁর আলোকচিত্রে ব্যাপকভাবে প্রবাহিত হয়েছিল। তিনি যখন আমাদের উপহার দিচ্ছেন শীতের শিশিরভেজা কান্নাময় সকাল, ধুধু প্রান্তর, কোথাও কোনো মানব নেই। ছবির ফোরগ্রাউন্ডে গাছের শুকনো ডালে চুপটি বসে থাকা পাখিটি যেন কোনো দিন উড়তে পারে না—এমন দৃশ্য দেখে শুধু মন খারাপ হয় না, আমাদের কাঁদায়ও। তাঁর ব্যক্তিজীবন ও আলোকচিত্রী-সত্তা আলাদা কিছু নয়। অকৃতদার এই মানুষটি বিষণ্ন নাবিকের মতো বিচরণ করেছেন এই বাংলায়। একদিন ধানসিড়ি নদীটির পাশে আলোকচিত্র-গ্রন্থটি তাঁর একাকিত্বের মহিমা জানান দেয়। তিনি হয়ে ওঠেন আরেক জীবনানন্দ দাশ। অক্ষরে নয়, ছবিতায়। রবীন্দ্রনাথের ‘ছিন্নপত্র’ অবলম্বনে তাঁর আলোকচিত্রের সম্ভার দুরূহ এক ব্যতিক্রমী কাজ। রবীন্দ্রসম্পদকে স্থির ক্যামেরার ভাষায় যেভাবে তিনি উপস্থাপন করলেন, একজন আন্তর্জাতিক আলোকচিত্রশিল্পীর জন্য এটি একটি শ্লাঘার বিষয়।
আমাদের দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ আলোকচিত্রী যখন গ্রামবাংলার সৌন্দর্য ও জনপদকে পুঁজি করে চিত্রসাধনায় ব্যস্ত, নওয়াজেশ একই বিষয় অবলম্বন করে তাঁর সৃষ্টিশীল ক্যামেরায় ধারণ করেছেন ভিন্ন এক বাংলা, অন্যদের চেয়ে আলাদা এক পৃথিবী। প্রকৃতি তাঁর ছবিতে ধরা পড়েছে বনলতা সেনের মতো স্বপ্নময় ও প্রেমময় এক অলৌকিক সম্পদে। তাঁর বিজ্ঞানপাঠকে প্রকৃতির রসায়নে ঢেলে সাজিয়েছেন ছবিতে—নর-নারীর অপার্থিব মুখ; যা দেখলে তাঁর সৃজনশীল শক্তির প্রতি বাহবা দিতে হয় আমাদের।
ছবির ভেতর দিয়ে অন্য এক মোহনীয় জগতে নিয়ে চলেন তিনি। আমরা প্রশ্ন করি আর উপভোগ করি নওয়াজেশের বিপন্ন প্রকৃতিকে। বোধ করি, আর কারও নয়, তাঁর ছবিতেই চিত্রকরদের তেলরঙের মতো রঙের বুনট বা টেকচার সমৃদ্ধ করে তাঁর শিল্পকর্মকে। একের ওপর আরেকটা রং বুনে বুনে যেন মোহনীয় রঙের জাল তৈরি করে।
পঞ্চাশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময় সাদা-কালো পোর্ট্রেট করেছিলেন তিনি বেশ কিছু। পরিচিতজন, সহপাঠিনীদের বিষণ্ন মুখ। এই পোর্ট্রেটগুলো দেখা হয়নি আমাদের। নওয়াজেশের অন্তরঙ্গ যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা বলেছেন, প্রকৃতি ও ভিনদেশি মানুষের মুখ তিনি আলাদা কিছু ভাবেননি। মানুষের মুখের যে অবয়ব তিনি নির্মাণ করেছেন তাঁর পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফিতে, তা কেবল রহস্যময় নয়, বনলতা সেনদের মতো স্বপ্নময়।
লিখেছেন বিস্তর। আমাদের জানিয়েছেন বিচিত্র বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতার আর্কাইভ থেকে। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা সাতটি। একসময় নওয়াজেশ গল্প লিখতেন, ছোটগল্প। গল্পগুলো বাংলার প্রকৃতির মতো নির্ভেজাল, ছায়াময়, কিন্তু একা। রং ফেলে তিনি বর্ণময় করেছেন নিজের লেখাকেও। তাঁর গল্পগুলো আর আলোকচিত্রকে আলাদা রাখা যায় না। ক্যামেরা ও কলমে সমান সচল সদ্যপ্রয়াত আন্তর্জাতিক মানের এই শিল্পী, এঁকেছেন-লিখেছেন কত ছবি, কত মুখ। তাঁর বিজ্ঞানবিষয়ক রচনা বা প্রবন্ধ অনেক। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ জার্নালে সেগুলো প্রকাশিত হয়েছে, এ খবর আমরা রাখিনি। ব্যক্তিজীবনে নিজের লেখালেখি সম্পর্কে খুব বেশি আলোচনা করতেন না তিনি। সম্ভবত সে কারণেও তাঁর লেখালেখির মেজাজটা আমাদের অজানা। দুরূহ বিষয়ের ওপর তোলা তাঁর আলোকচিত্রণের কাজের ভবিষ্যত্ নিয়ে ওয়াকিবহাল থাকতে চাইতেন ঘনিষ্ঠজনদের কাছে। মেনে নিতেন তাঁদের পরামর্শ। তরুণ আলোকচিত্রীদের কাজ সম্পর্কে তাঁর আগ্রহের সীমানা ছিল বিস্তৃত।
সম্পূর্ণ এক নতুন ঘরানা নির্মাণ করেছিলেন আমাদের নওয়াজেশ আহমদ। সবার মধ্যে থেকে ছিলেন একেবারেই আলাদা। মাত্র এক মাস আগে ক্যানন জি-১০ ক্যামেরা কিনে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন ডিজিটাল ফটোগ্রাফিতে। বলেছিলেন, অনেক কাজ তাঁর করা হয়নি। এই ক্যামেরাটি দিয়ে নতুন ধরনের আরও অনেক আলোকচিত্র ধারণ করবেন। নিরহংকার নওয়াজেশ আহমদ আমাদের যা উপহার দিয়েছেন, আমরা পেয়েছি অনেক। আলোকচিত্রে তিনি আমাদের বিচিত্র সব রং চিনিয়েছেন। তাঁকে ভুলে থাকা অসম্ভব।
নাসির আলী মামুন: আলোকচিত্রী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাড়ির দুর্ঘটনা ও হার্ট অ্যাটাক -ঘড়ির কাঁটা by ফরিদা আখতার
যা হোক, ধরে নিলাম, সরকার যা করেছে, বিদ্যুত্ সাশ্রয়ের জন্য আন্তরিকভাবেই চেষ্টা করেছে। চেষ্টা করা তো দোষের কিছু নয়। কিন্তু সেই চেষ্টায় যদি কোনো ফল না হয় এবং যদি এর খেসারত দিতে হয় সাধারণ মানুষের, তখন তো একটু নড়েচড়ে বসা লাগে। জনগণ এখন তিক্ত-বিরক্ত হয়ে প্রতিদিন পত্রিকায় তাদের মতামত দিচ্ছে। একটি পত্রিকায় নয়, বেশ কয়েকটি পত্রিকায়। কিন্তু সরকার বলে দিয়েছে, ঘড়ির কাঁটা আবার ফিরিয়ে নেওয়ার নাকি কোনো পরিকল্পনাই নেই। কী জ্বালা! এখন তো দেখছি চেষ্টা নয়, এখন সরকার জেদ করছে। ব্যাপারটা মনে হচ্ছে সরকার ভাবছে, ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিলে যদি বিফলতা স্বীকার করা হয়ে যায়! তাই সেটা আর পেছানো যাবে না। এদিকে সূর্য তো আর সরকারের কথায় ওঠেও না, বসেও না। সে তার সময়মতো উঠছে আর সেটা সরকারের নির্ধারিত ঘড়ির সময়ে হয়ে যাচ্ছে সকাল সাতটা পাঁচ মিনিট। অর্থাত্ সূর্য উঠতে না উঠতেই সবার ছুটতে হয় কাজের উদ্দেশ্যে।
এত ভূমিকা দিচ্ছি ঘড়ির কাঁটা পেছানোর জন্য আরও একটু তদবির করার জন্য শুধু নয়। সেটা তো এখন সবাই বলছে, এখন সরকারের দয়া হলে সবার দাবির প্রতি নজর দেবে। সে কামনাই করি। কিন্তু আজ আমি লিখতে বসেছি ঘড়ির কাঁটা আগে-পিছে করার সঙ্গে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক আছে, এমন গবেষণার খবর পেয়ে তা পাঠকের কাছে তুলে ধরার জন্য। কিছুদিন আগে পেশাগত কাজে কানাডার টরন্টোতে গিয়েছিলাম। সেখানে গরমকালে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নিলেও শীতের সময় আসতেই তা পিছিয়ে নেওয়া হয়। টরন্টোতে নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে শীতকালীন সময় অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা আবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। টেলিভিশনের খবরে দেখলাম আবহাওয়ার খবর বলার সময় ঘড়ির কাঁটা আগানো ও পেছানো সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সুইডেনের একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করা হয়। মন্তব্য করা হয় যে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। ইন্টারনেট থেকে সেই গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করে দেখলাম, এই গবেষণার ফলাফল ২০০৮ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশ করা হয়েছিল, কিন্তু সম্প্রতি The New England Journal of Medicine এই গবেষণাটি প্রকাশ করেছে। সুইডেনের Karolinska Institute-এর Dr. Imre Janszky এবং সুইডেনের National Board of Health and Welfare-এর Dr. Riokard ১৯৮৭ সাল থেকে সংগৃহীত রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, বসন্তকালে অর্থাত্ মার্চ মাসে ডে লাইট সেভিং টাইমের জন্য ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দিলে সপ্তাহের প্রথম তিন দিন (সোমবার বা প্রথম কর্মদিবস থেকে তিন দিন) হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি পাঁচ শতাংশ বেড়ে যায়। আবার হেমন্তকালে (নভেম্বর মাসে) সোমবারে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা একটু কমে আসে। গবেষকদ্বয় বলেছেন, ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দিলে এক ঘণ্টা কম ঘুম হওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে, আবার ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নিলে এক ঘণ্টা বেশি চোখ বন্ধ রাখার সুযোগ তাঁদের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। New England Journal of Medicine-এর কাছে চিঠি লিখে এই দুই গবেষক বলেছেন, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ানোর জন্য আসল ‘কালপ্রিট’ হচ্ছে এক ঘণ্টা ঘুম কম হওয়া। তাঁদের গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এ ঝুঁকির মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারীরাই বেশি পড়ছেন। বয়সের দিক থেকে দেখা গেছে, ৬৫ বছর বয়সের নিচে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরাই এই ঝুঁকির শিকার হচ্ছেন। অর্থাত্ যাঁরা কর্মক্ষম এবং কাজের জন্য যাঁদের নির্দিষ্ট সময় বাইরে যেতে হয়, তাঁদের ঘুম কম হওয়ার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের ব্যাপার জড়িত আছে। অবসর নিয়েছেন এমন মানুষ এই বাড়তি ঝুঁকিতে পড়ছেন না। বর্তমানে যেসব দেশে এই ডে লাইট সেভিং টাইম মেনে চলা হচ্ছে, সেখানে মানুষের সংখ্যা হচ্ছে ১৫০ কোটি। তার মানে, কোটি কোটি মানুষ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন।
ঘুমের ব্যাঘাত মারাত্মক জনস্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, এমন শিরোনামে U. S. National Commission on Sleep Disorders-এর একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৯৮৮ সালে ২৪ হাজার ৩১৮টি গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটেছে ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে। নিদ্রাহীনতার কারণে কর্মক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ দুর্ঘটনার ফলে ১৩ মিলিয়ন কর্মদিবসের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া পরোক্ষ কারণে এই সংখ্যা আরও অনেক বড়। নিদ্রাহীনতা অনেক কারণে ঘটছে; তার মধ্যে যুক্ত হয়েছে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া। কানাডার ট্রাফিক অ্যাকসিডেন্ট রেকর্ড থেকে দেখা গেছে, বসন্তকালে যখন ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া হয় সোমবার ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্টের হার সাত শতাংশ বেড়ে যায়। আবার হেমন্তকালে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নিলে এই হার কমে আসে। আমেরিকার আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডেট্রয়েটে মাসে গড়ে ৮৪০টি গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দেওয়ার পর প্রথম সপ্তাহের প্রথম দিন (সোমবার) দুর্ঘটনার সংখ্যা এক হাজার ৩৯৭, অর্থাত্ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর বিদ্যুত্ খরচের বিষয়টিও গবেষণায় দেখা গেছে, ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়ার ফলে বাসায় বিদ্যুতের ব্যবহার এক শতাংশ বেড়ে গেছে। কাজেই বিদ্যুতের সাশ্রয় হবে এই যুক্তিও খাটে না।
দুঃখের বিষয় হচ্ছে, আমাদের দেশে এই গবেষণাগুলো করা হয়নি, করলে হয়তো বা একই রকম ফলাফল আসবে। কিন্তু মানুষের অভিজ্ঞতা শুনলেই তো মনে হয়, এ সমস্যাগুলো এখানেও প্রকটভাবে দেখা দিচ্ছে। এবার কি তাহলে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করতে পারি যে আর কোনো যুক্তিতে না হোক, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও গাড়ি দুর্ঘটনার কথা বিবেচনা করে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হোক। আমাদের মন্ত্রীদের গাড়িও তো এই ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
ফরিদা আখতার: নারী আন্দোলনের নেত্রী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অকুতোভয় পিতা, নিবেদিতপ্রাণ পুত্র -সময়ের প্রতিবিম্ব by এবিএম মূসা
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার খবরটি শুনেই সিরাজ ভাবিকে টেলিফোন করলাম। জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনার মনের অনুভূতি কী? বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের সর্বশেষ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন শ্রদ্ধেয় আইনজীবী সিরাজুল হক সাহেব, আপনার স্বামী। শেষ করলেন আপনার পুত্র স্নেহভাজন আনিসুল হক। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া সবাই বলেছেন, জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে, দায়মুক্ত হয়েছে। স্বামীর অসমাপ্ত কর্তব্য সম্পাদিত হওয়ায় একজন পরিতৃপ্ত স্ত্রী ও গর্বিত মাতা, আপনার অনুভূতি কী?’ সবাই যা বলেছেন তার বাইরে গিয়ে তিনি অনেক কথা বলেছেন, তার সব এখন বলছি না। সবাই যা বলেছেন সে সম্পর্কে প্রথমেই বলব, দুটি ব্যতিক্রম রয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেছেন, ‘এ রায় ঐতিহাসিক। জাতি এর জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে ছিল।’ তিনি নিজেকেও কি অপেক্ষাকারীদের একজন মনে করেন? জেনারেল জিয়া খুনিদের বিদেশে চাকরি দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তিনি সেই সব চাকরির মেয়াদ বাড়িয়েছেন। কয়েকজনকে পদোন্নতিও দিয়েছিলেন। তা হলে তাঁর অপেক্ষাটির কোনো ব্যাখ্যা তো খুঁজে পাচ্ছি না, বিএনপির দলীয় প্রতিক্রিয়া নেই, কারণ তাদের মনে সংগত কারণে একটি অপরাধবোধ রয়েছে, যা ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও বিচার নিয়ে এত কথা, এত লেখালেখি হয়েছে কিন্তু আরও একটি বিস্মৃত ঘটনা কেউ বলেননি। এরশাদের আমলে বিলেতের প্রবাসী বাঙালিরা বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্ত ও বিচারের সম্ভাবনা যাচাই করার জন্য একজন ব্রিটিশ আইনজ্ঞ পাঠাতে চেয়েছিলেন, সেই আইনজীবীকে ভিসা দেওয়া হয়নি কেন?
ভাবি তথা বেগম জাহানারা হকের প্রসঙ্গে ফিরে আসছি। বিচার পরিচালনায় তিনি পিতা-পুত্র উভয়েরই ছিলেন প্রেরণাদায়িনী। রায় জানার পর টেলিফোনে তাঁর স্মৃতিচারণা করলাম, মনে করলাম অতীতের অনেক কাহিনী। মনে হলো তাঁকে নস্টালজিয়ায় পেয়েছে, পুরোনো দিনের স্মৃতি তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে। প্রথমেই সিরাজুল হকের জীবনকাহিনী, এই মামলার পেছনে তিনি কীভাবে আত্মমগ্ন হয়েছিলেন, কেন এবং কীসের দায়ে? ভাবি আলোচনায় সুদূর অতীতে চলে গেলেন। সেই অতীত সব না হলেও অনেকখানি আমার জানা ছিল। ঢাকায় মোহাম্মদপুরে আমরা দুই পরিবার এক পাড়ায়, বর্তমান ইকবাল রোডের পাশাপাশি দুই রাস্তায় দীর্ঘ ২০ বছর একসঙ্গে ছিলাম। বস্তুত একটি বিরান ভূমিতে ৪৫ বছর আগে আমরা দুজনই সরকার প্রদত্ত জমিটিতে বাড়ি করেছি। সিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অন্তরঙ্গতার সূচনা তখন থেকে। তদুপরি অন্য একটি যোগসূত্রও ছিল। আমার পরম স্নেহভাজন সাংবাদিক আতাউস সামাদ ভাবির ছোট ভাই, সেই সূত্রে তাঁকে আপাও বলতাম। সামাদ সিরাজ ভাইয়ের ছোট ভগ্নিপতিও বটে।
আশপাশে বসতি ছিল না। তাই অবসরে সিরাজ ভাইয়ের বাড়িতে আড্ডা জমাতাম, সেখানে ভাবিও থাকতেন। জেনেছি, সিরাজ ভাইয়ের ছোটবেলা কেটেছে তাঁর পুলিশ কর্মকর্তা পিতার কর্মস্থল খুলনায়। ফরিদপুর জেলা হলেও গোপালগঞ্জ তখন খুলনার আওতাভুক্ত। মধ্যখানে একটি নদী কী যেন নাম, কুমারখালী কি? এপারে শেখ মুজিব ওপারে সিরাজুল হক। বোধহয় একই স্কুলে পড়তেন দুজনই। নদী সাঁতরে বা নৌকায় দুজনই এপার-ওপার করে পরস্পরের গভীর সান্নিধ্যে এলেন। ইনট্রোভার্ট, অন্তর্মুখী সিরাজুল হক আর আড্ডাবাজ মুজিবের মধ্যে প্রগাঢ় বন্ধুত্ব গড়ে উঠল। অতঃপর বন্ধুত্বে দীর্ঘ ছেদ, কলকাতায় আবার দেখা হলো দুজনার। একজন ইসলামিয়ায়, অন্যজন প্রেসিডেন্সিতে; থাকতেন একসঙ্গে বেকার হোস্টেলে। সিরাজুল হক পড়াশোনায় মগ্ন হয়ে রইলেন, শেখ মুজিব অবিভক্ত বাংলায় শহীদ সোহরাওয়ার্দীর হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করলেন। দেশ ভাগ হলো। এক বন্ধু যখন রাজনীতির চূড়ায় অন্য বন্ধু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চপদস্থ কাস্টমস অফিসার। তবে স্বাধীনচেতা সিরাজুল সরকারি চাকরিতে মানিয়ে নিতে পারলেন না। এলেন আইন পাস করে ওকালতি পেশায়। ঢাকায় আবার দেখা হলো দুজনার। বন্ধুত্ব গাঢ়তর হলো, একই সঙ্গে গড়ে উঠল একটি রাজনৈতিক বন্ধন। সেই বন্ধুত্বের মায়ায় আগরতলা মামলায় আসামি পক্ষে বাঘা আইনজীবী আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান, তরুণ ব্যারিস্টার কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমিনুল হকের (জেলখানায় শহীদ সার্জেন্ট জহিরুল হকের ভাই, এখন প্রয়াত) সঙ্গে যোগ দিলেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক। মামলার শুনানির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িয়ে থাকার কারণেই বোধহয় পরবর্তী সময়ে আইনজীবী বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়লেন। সত্তরে আর তিয়াত্তরে আওয়ামী লীগের সাংসদ হলেন।
অতীত বর্ণনায় দুই পরিবারের আত্মার সম্পর্কের আরেকটি হূদয়গ্রাহী কাহিনী বলতে হয়। প্রথম আলোতে ‘প্রেরণাদায়িনী ফজিলাতুন্নেসা’ প্রতিবেদনটিতে এই প্রসঙ্গটি পুরোপুরি উল্লেখ করিনি। তবে প্রশ্ন রেখেছিলাম, ‘শেখ মুজিব যখন জেলে অথবা বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে বেড়াচ্ছেন তখন কীভাবে সংসারের হাল ধরে ছিলেন অসহায় এক মহীয়সী নারী?’ আগরতলা মামলার সামান্যতম খরচ জোগাতেন কী করে, তাঁর স্ত্রী-পুত্র-কন্যার দুই বেলার আহার জুটাত কীভাবে। একই দুশ্চিন্তা ছিল বেগম সিরাজুল হকেরও। নিজের গয়না বেচে মুজিব-সংসারে অতিপরিচিত কয়েকজনের মাধ্যমে অতিসঙ্গোপনে সংসার খরচের টাকা পাঠিয়েছেন। সেই অজানা গোপন কাহিনী আজ বঙ্গবন্ধুর বন্ধুভাগ্য নিয়ে আলোচনায় ভাবির বিনানুমতিতেই ফাঁস করে দিলাম।
আগরতলা মামলা ভেস্তে গেল, জনতা ‘জেলের তালা ভাঙল, শেখ মুজিবকে আনল’। পরের ইতিহাস আইয়ুবের গোলটেবিল বৈঠক, ছয় দফা ঘোষণা, আইয়ুব খানের পতন, ইয়াহিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ। লাহোরে ছয় দফা ঘোষণা করে রাওয়ালপিন্ডি থেকে ঢাকা ফেরত এসে শেখ মুজিব প্রথমেই মোহাম্মদপুরে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে এলেন। সেই দেখা করার সঙ্গে আমার একটি ব্যক্তিগত মধুর স্মৃতি জড়িত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সিরাজ ভাইয়ের বাড়িতে কিছুক্ষণ আলাপচারিতার পর বললেন, ‘পাশেই কোথায় যেন মূসা থাকে। তার বাড়িতে যেতে হবে। তার ছেলেকে দেখব বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।’ প্রতিশ্রুতির পশ্চাত্পটটি বলতে হয়। আগরতলা মামলা চলাকালে আমার ছেলের জন্ম হয়। পাকিস্তান অবজারভার-এর জন্য মামলার রিপোর্ট সংগ্রহে আদালতে অন্যদের মধ্যে রিপোর্টার আবদুর রহিমকেও পাঠাতাম। রহিমকে বললাম, ‘নেতাকে বলো, আমার একটি ছেলে হয়েছে, তিনি যেন দোয়া করেন।’ বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘মূসার ছেলেকে দেখতে যাব।’ বার্তাটি পেয়ে অবাক হয়ে বললাম, ‘কদিন পরে যিনি নিশ্চিত ফাঁসির দড়িতে ঝুলবেন তিনি বলছেন শিগগিরই আমার বাড়িতে আসবেন!’ সেই উপাখ্যান ভুলেই গিয়েছিলাম।
সিরাজ ভাবি টেলিফোনে আমার স্ত্রীকে জানালেন ‘মুজিব ভাই আপনার বাড়িতে যাচ্ছেন।’ তিনি আমার কর্মস্থল পাকিস্তান অবজারভার-এ ফোন করলেন, ‘জলদি আসো, শেখ সাহেব আসছেন।’ অতিদ্রুত বাড়ি এসে পৌঁছালাম। ইতিমধ্যে কিশোর শ্যানন ওরফে আনিসুল হক মুজিব ভাইকে নিয়ে আমার বাড়িতে এলেন। আমার ছেলেকে কোলে নিয়ে একটি সোনার চেইন পরিয়ে বললেন, ‘তোমার ভাবি দিয়েছে।’ একটি বাবাস্যুট আর এক বাক্স মিষ্টি দিলেন আমার স্ত্রীর হাতে। আমাকে দেখেই কৌতুক করে বললেন, ‘কিরে, এলাম তো! যখন আসব বলেছিলাম তখন তো নিশ্চয়ই অবাক হয়েছিলি।’ অবশ্যই অবাক হয়েছিলাম। তাঁর অসামান্য স্মরণশক্তি ছিল কিংবদন্তি, তুচ্ছ বিষয়টি মনে রেখে দিয়েছেন। তিনিই মনে করিয়ে দিলেন, চৌষট্টিতে যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থামাতে ঢাকার তত্কালীন জেলা প্রশাসকসহ (এম কে আনোয়ার, বর্তমানে বিএনপির নেতা) রায়েরবাজার-মোহাম্মদপুরে এসেছিলেন তখনো একবার এই বাড়িতে এসেছিলেন। সূচনা করেছিলাম সিরাজ ভাবিকে দিয়ে। মধ্যিখানে একটি নিজস্ব কাহিনী বর্ণনা হয়তো অবান্তর মনে হতে পারে। তবুও বললাম, গত শুক্রবার প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘অন্তরঙ্গ আলোকে বঙ্গবন্ধু’ উপাখ্যানে বলা হয়নি।
সিরাজ-মুজিব প্রাণের বন্ধন শেখ হাসিনার অজানা ছিল না। তাই বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় তিনিই একমাত্র অকুতোভয় হতে পারবেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে একই সূত্রে বাঁধা ব্যক্তিরা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইনডেমনিটির বাধা সরিয়ে নতুন সরকার মামলা শুরু করলেন। মামলা পরিচালনায় বাঘা বাঘা আইনজীবীর কাউকে নয়, দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে কেন বেছে নিলেন শেখ হাসিনা? শেখ হাসিনা জানতেন, মামলার পরিচালনায় পার হতে হবে অনেক বাধা-বিপত্তি আর আইনি চড়াই-উতরাই। আসবে ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি। এসব ভয়ঙ্কর ও অশুভ শক্তির মোকাবিলা একটিমাত্র নির্ভীক দৃঢ়চেতা ব্যক্তিই করতে পারবেন। তিনি সিরাজুল হক, যিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার কয়েক দিন পর বঙ্গভবনে ফারুক-রশিদ-বেষ্টিত মোশতাককে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘কেন মুজিবকে খুন করেছ?’ তাঁর মুখে শুনেছি, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাচ্যুত মোশতাকের আগামসিহ লেনের বাড়িতে গিয়েও বলেছিলেন, ‘তুমি খুনি!’
আবারও মামলা প্রসঙ্গে আসি। ইনডেমনিটি তথা দায়মুক্তি আইন বাতিল হলো। মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিরাজ ভাই তখন বনানীর নতুন বাসস্থানে। আইনজীবী সিরাজুল হকের কাছে আমি অত্যন্ত গুরুতর একটি প্রশ্ন করেছিলাম। জানতে চেয়েছি, ফৌজদারি কার্যক্রম অনুসরণে সাধারণ হত্যা মামলার বিচার হবে অথবা বিশেষ আদালত ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে? তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘হাসিনাকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের পরামর্শ দিয়েছি, কিন্তু শেখ হাসিনা তাঁর মন্ত্রিসভার সঙ্গে পরামর্শ করে আমাকে বিদ্যমান ফৌজদারি আইনে বিচারপ্রক্রিয়া অনুসরণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।’ শেখ হাসিনার যুক্তি ছিল, ‘জাতি প্রতিশোধ চায় না, বিচার চায়। সেই বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও প্রশ্নাতীত হতে হবে।’
সিরাজ ভাই শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার হলে স্বচ্ছতা ও দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ায় সুবিচার নিয়ে দেশে-বিদেশে অনেক সন্দেহ প্রকাশ করতে পারে। বলা হতো, বিচার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় হয়নি, ধরে-বেঁধে শাস্তি দেওয়া হলো। বিচার শেষ হতে ৩০০ কর্মদিন অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু বিচার যে স্বচ্ছ ও সঠিক হয়েছে, তা আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও স্বীকার করেছেন। তাই তো চূড়ান্ত বিচারকালে তাঁরা কখনো মক্কেলদের নির্দোষ বলেননি। শুধু দণ্ড লাঘব করার আবেদন জানিয়েছেন।
মামলা চলাকালীন বনানীর বাড়িতে এসব আলোচনার সময়ে সদ্য সনদপ্রাপ্ত আনিসুল হকও উপস্থিত থাকতেন। প্রথম থেকেই পুরো বিচারপ্রক্রিয়ায় পিতার সঙ্গে পুত্র জড়িত ছিলেন। আইনের পুস্তক ঘেঁটে সঠিক সূত্রগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করেছেন। পরে ভেবেছি, তখন কি জানতেন, একদিন পিতার বোঝা, অসমাপ্ত দায়িত্ব পালনের কর্তব্যটি তাঁর কাঁধেই চাপবে। তাই তো বিলেতে ব্যারিস্টারি পড়ায় ছেদ ঘটিয়ে পিতার মহতী উদ্যোগে সম্পৃক্ত হতে দেশে ফিরে আইনি ডিগ্রি নিয়ে পিতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বুঝে নিয়েছিলেন পিতার মামলা পরিচালনার কর্মপদ্ধতি। পিতার মনেও কি জানা হয়ে গিয়েছিল, একটি দীর্ঘ বৈচারিক পদ্ধতির শুরু করেছেন, হয়তো শেষটি দেখে যেতে পারবেন না! আমার মনে হয়, তিনি আমাদের বৈচারিক পদ্ধতির দীর্ঘসূত্রতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন বলেই সন্তানকে উপযুক্ত উত্তরাধিকারী তৈরি করেছিলেন। পিতার অসমাপ্ত মহান উদ্যোগটি সফল করার দায়িত্ব নিষ্ঠাবান সন্তানের হাতে অর্পণ করে গিয়েছিলেন। সেই দায়িত্ব পালনে সাফল্যই অনন্য একটি ঐতিহাসিক মামলায় যুদ্ধ বিজয়ের গৌরববোধের চেয়েও অধিকতর তৃপ্তি দিয়েছে।
এবিএম মূসা: সাংবাদিক, কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিডিআর বিদ্রোহের বিচার -সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্বচ্ছভাবে অগ্রসর হোক
এ বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। বাংলাদেশ তো বটেই, সারা বিশ্ব মিলিয়েও সাম্প্রতিক কালে একসঙ্গে এত সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনা একটিও খুঁজে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। বিডিআর বিদ্রোহের বিচার নিশ্চিত করার বিষয়টি তাই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ লক্ষ্যে বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানদের বিচারের জন্য গঠিত ছয়টি বিশেষ আদালতের একটির কাজ শুরু হয়েছে রাঙামাটিতে। এই ছয়টি আদালতের মাধ্যমে বিদ্রোহী দেড় হাজার জওয়ানকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। অপরাধের মাত্রা এবং এতে জড়িত ব্যক্তিদের সংখ্যা থেকে এই বিচারকাজের ব্যাপকতা সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। নিশ্চয়ই বিপুলসংখ্যক বিডিআর সদস্য বিদ্রোহ ও বিদ্রোহের সময়কার হত্যা-নাশকতা-শৃঙ্খলাভঙ্গের মতো কাজে জড়িত ছিলেন। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা খুব সহজ কাজ নয়।
বিডিআরের নিজস্ব আইনে এই বিচারকাজ পরিচালিত হওয়ায় এর স্বচ্ছতার বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রয়োজন আরও বেড়ে যায়। সে কারণেই পুরো বিচার-প্রক্রিয়াটি সতর্কতার সঙ্গে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। অভিযোগের সত্যাসত্য যাচাই করে দোষী সাব্যস্ত করা এবং দোষীদের শাস্তিদান যাতে আইনানুগ হয়, তা নিশ্চিত করার দিকে বিশেষ নজর থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কোনো ভুলত্রুটির সুযোগ নেই। এখানে খেয়াল করার বিষয় যে বিডিআর আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আইনজীবীর পরামর্শ নিতে পারলেও তাঁদের আইনজীবীরা সাধারণ আদালতের মতো যুক্তিতর্কে অংশ নিতে পারবেন না। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সবাই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হওয়ায় এই বিচারে দৃষ্টান্তমূলক স্বচ্ছতা বজায় রাখা খুবই প্রয়োজন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পবিত্র হজ -এই মহামিলন বিশ্বে শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিক
প্রতিবছর হজ পালনের সময় মক্কা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বিশাল আরাফাতের ময়দানে ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি দিতে দিতে খোলা আকাশের নিচে সমবেত হন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। এ সময় হাজিদের হজ আদায়ের অবশ্যপালনীয় নিয়মগুলোর একটি আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা।
বিত্তশালী, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ। হজ পালনের কষ্টগুলো স্বীকার করার মাধ্যমে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি যেমন আনুগত্য প্রকাশ করা হয়, তেমনি তাঁদের মন আল্লাহর প্রতি অনুরক্তও হয়। মুসলমানদের লক্ষ্য আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্যই হজের মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের নিবেদিত করার প্রয়াস পান। মুসলমানদের জন্য এটি একটি পরম পুণ্যের কাজ।
হজ পালনের সময় জাতি, বর্ণ, ভাষা ও ধনী-দরিদ্রনির্বিশেষে সবাইকে সেলাইবিহীন ইহরাম পরিধান করতে হয়। এ সময় আল্লাহর সমীপে নিজেকে সমর্পণ করার মধ্য দিয়ে যে সাম্য ও সৌভ্রাতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে, তা খুবই তাত্পর্যপূর্ণ। মানুষের এই মহামিলন সারা বিশ্বে শান্তির ললিতবাণী ছড়িয়ে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বমানবতাকে ঐক্য ও সংহতির চেতনায় উজ্জীবিত করার মূল আবেদন নিহিত রয়েছে এই বিশাল সমাবেশে।
প্রতিবছরই পবিত্র হজ পালনের জন্য হাজার হাজার মুসলমান বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান। হজযাত্রা যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয় অনেক আগে থেকেই। কিন্তু খুবই দুঃখের বিষয়, এর পরও অনেক হজযাত্রী নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মান আরও উন্নত করতে হবে। ভবিষ্যতে হজযাত্রীরা যেন কোনো রকম বিড়ম্বনা ছাড়াই হজব্রত পালন করতে পারেন, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
November
(551)
-
▼
Nov 28
(20)
- ওল্ড ট্রাফোর্ডে বেসিকতাসের ম্যানইউ-বধ
- চীন কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমাবে -যুক্তরাষ্ট্র ১৭ ...
- ওয়েবসাইটে ‘৯/১১ বার্তা’
- মালয়েশীয় এয়ারের নতুন সময়সূচি
- চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে ৭.৫% নগদ সহায়তা প্রদান করা...
- এল ক্লাসিকোতে মেসিকে চান হিগুয়েইন
- শীর্ষে থেকেই বছর শেষ ফেদেরারের
- জলবায়ু আন্দোলনে ফুটবল-শক্তি
- মুম্বাইয়ে ২৬/১১ হামলার প্রথম বার্ষিকী আজ
- আফগানিস্তান যুদ্ধের অবসানের অঙ্গীকার করলেন বারাক ও...
- জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কোপেনহেগেনে বাড়তি নিরা...
- যুদ্ধবিমানে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল
- স্বপ্ন কোনো চোরাবালি নয় -চারদিক by সুজন সুপান্থ
- বলিভারীয় বিপ্লব ও শান্তি -ভেনেজুয়েলা by ফিদেল কাস্...
- লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক -হজ by মুহাম্মদ আবদ...
- আলোকচিত্রে তিনি চিনিয়েছেন বিচিত্র রং -রদ্ধাঞ্জলি b...
- গাড়ির দুর্ঘটনা ও হার্ট অ্যাটাক -ঘড়ির কাঁটা by ফরিদ...
- অকুতোভয় পিতা, নিবেদিতপ্রাণ পুত্র -সময়ের প্রতিবিম্ব...
- বিডিআর বিদ্রোহের বিচার -সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ...
- পবিত্র হজ -এই মহামিলন বিশ্বে শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিক
-
▼
Nov 28
(20)
-
▼
November
(551)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...