Wednesday, January 15, 2020

কেরমানশাহ: বিস্তুন ও ত্বক বোস্তন

আজকের আসরে আপনাদের নিয়ে যাবো ইরান ভ্রমণে। হ্যাঁ বন্ধুরা! বহুদিন আমরা ভ্রমণ থেকে বঞ্চিত ছিলাম। বিশাল একটি দেশ ইরান। এ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ইতিহাস-ঐতিহ্য, পুরাতত্ত্ব আর সংস্কৃতির বিচিত্র সমৃদ্ধ উপাদান। দেখার দেশ ইরান। ঘুরে বেড়ানোর দেশ ইরান। নতুন এই ধারাবাহিকের নাম দিয়েছি ইরান-ভ্রমণ। আর্যভূমির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়াবো আমরা।
এই আসরটি ইরান ভ্রমণ বিষয়ক আগেকার অনুষ্ঠানগুলো থেকে আলাদা। কারণ এ আসরটি প্রামাণ্য। বিভিন্ন শহরের দর্শনীয় স্থানগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হবার চেষ্টা করবো ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য তথ্যপঞ্জির আলোকে। শুরু করা যাক কেরমানশাহ প্রদেশ ও শহর থেকে।আপনারা নিশ্চয়ই শুনে থাকবেন যে এই কেরমানশাহ প্রদেশে ২০১৭ সালের নভেম্বরে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল।ওই ভূ-কম্পনে প্রদেশের শহরগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। জেনে রাখা ভালো যে কেরমানশাহের শহরগুলো ইরানের ঐতিহাসিক এবং সুন্দরতম শহরগুলোর অন্তর্ভুক্ত। স্বয়ং কেরমানশাহ শহর ইরানের ঐতিহাসিক এবং সুন্দর শহরগুলোর অন্যতম। এতো সুন্দর প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ এই শহর যে শুনলেই যে-কেউ পশ্চিমাঞ্চলীয় এই শহর সফরে আসতে আকর্ষণ বোধ করে।
যখনই কেরমানশাহের নাম উচ্চারিত হয় কিংবা মনে আসে তখন কোন কোন জিনিস স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে? চালের গুঁড়োর রুটি, ত্বক বোস্তন কিংবা বিস্তুনের দৃশ্য? হুমম, কেরমানশাহের কথা উঠলেই প্রথমেই অনেকের মনে পড়ে যায় বিস্তুনের শিলালিপির কথা।এই শিলালিপিটি ফরহাদের প্রস্তরলিপি নামেই বেশি পরিচিত।শুধু তাই নয়,বিশ্বের সর্ববৃহৎ শিলালিপি এটি।বিশাল এই শিল্পকর্মের সামনে দাঁড়ালে আপনি বিস্মিত হয়ে যাবেন। দৃষ্টিতে আপনার বিভ্রম সৃষ্টি হতে পারে, ঝলসানো চোখ দুটো বুঁদ হয়ে উঠতে পারে। বিস্তুনের এই এলাকাটি বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই এলাকায় বহু মূল্যবান কিছু শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এর অবস্থান বিস্তুন পাহাড়ে। বিস্তুন মানে হলো খোদা'দের স্থান। হাখামানেশিয় বাদশাহ দারিয়ুশের আদেশে এখানে শিলালিপির কাজ করা হয়েছে তিনটি বিশেষ ফন্টে। এগুলো হলো প্রাচীন পার্সি, ইলামি এবং আকদিয়ান পেরেকি ফন্ট।
বিস্তুন এলাকায় রয়েছে হেরাক্লিয়াসের ভাস্কর্য। এই ভাস্কর্যের কথাও ভুলে গেলে চলবে না। এই ভাস্কর্যটি পুরো বিস্তুন এলাকার এক বিস্ময়। হেলান দিয়ে বিশ্রাম করছেন হেরাক্লিয়াস-এরকম দৃশ্যের ভাস্কর্য করা হয়েছে নিখুঁতভাবে। সত্যি এটা এক বিস্ময়কর শিল্পকর্ম। আর্মেনিয়ার শাহজাদি শিরিনের প্রতি পাথর খোদাইকারী শিল্পী ফরহাদের প্রেমের সেই ঐতিহাসিক রূপকথার গল্পের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এই ভাস্কর্য। এই বিস্তুন অঞ্চলের অপরাপর সুন্দর ও দর্শনীয় স্থাপনার মধ্যে রয়েছে শাহ আব্বাসিয়া সরাইখানা। এটি বিস্তুনের দিকে মুখ করে বানানো হয়েছিল। সরাইখানাটি তৈরি করা হয়েছিল চার ঝুলবারান্দা স্টাইলে। এভাবে অতীত ক্রিয়ায় বলার কারণ হলো এখন আর সরাইখানাটি আগের অবস্থায় নেই। এখন এটিকে আধুনিক হোটেলে রূপান্তর করা হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ললেহ বিস্তুন হোটেল।
ঐতিহাসিক পাহাড় বিস্তুন ছেড়ে কেরমানশাহ মূল শহরের দিকে যেতে যেতে কয়েক কিলোমিটার পরই পড়বে পর্যটক আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক আরেকটি পাথুরে শিল্প স্থাপনা 'ত্বক বোস্তন'। শিল্প স্থাপনা বলার কারণ হলো এই ত্বক বোস্তনে রয়েছে নজিরবিহীন এক প্রাচীন শিলালিপিকর্ম। ঐতিহাসিক শিল্প এজন্য যে এই শিলালিপিতে রয়েছে তৎকালীন অর্থাৎ সাসানি আমলের রাজার মুকুট পরানোর আনুষ্ঠানিকতার চিত্র। রয়েছে রাজা-বাদশাদের শিকারেরও দৃশ্য। ত্বক ফার্সি শব্দ। এর মানে হলো খিলান। দুটি খিলান রয়েছে এখানে নতুন চন্দ্রাকৃতির। একটি অপরটির চেয়ে একটু ছোট-বড়ো। ত্বকের সামনে রয়েছে ছোট্ট একটি হ্রদ। ওই হ্রদের স্বচ্ছ পানিতে ত্বকের প্রতিচ্ছবি পড়লে অন্যরকম এক দৃশ্যের অবতারণা হয়।  পুরো এলাকায় রয়েছে প্রচুর গাছগাছালি। যার ফলে এলাকাটি হয়ে উঠেছে অবকাশ যাপনেরও অন্যতম উপভোগ্য স্থান। খসরু পারভেজের সময় এই এলাকাটি একটি শিকারের স্থান ছিল।
একটু ভাবুন তো! ত্বক বোস্তনের দিকে প্রবেশ করার সময় আপনার নাকে যদি দান্দে কাবাবের ঘ্রাণ ভেসে আসে তাহলে কেমন লাগবে!দান্দে কাবাব নিশ্চয়ই বুঝতে একটু অসুবিধা হচ্ছে, তাই না! কিছুই না। সিনার মাংসকে হাড্ডি থেকে আলাদা করে নিয়ে ওই মাংশকে শিকে পোড়ালে যে কাবাব হয় সেটাই দান্দে কাবাব।ভাতের সঙ্গে এই কাবাব খেতে কেমন লাগে সেটা আপনার রুচির ওপর নির্ভর করবে।তবে ইরানিরা এই কাবাবের ভীষণ ভক্ত। ইরানে বসবাসকারী ভিনদেশিদের মতো বাঙালিরাও বেশ পছন্দ করে এই কাবাব।কেরমানশাহের বিশেষ খাবার এই দান্দে কাবাব। ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্টগুলো এখানে পর্যটকদের সেবায় সদা প্রস্তুত থাকে।
এই ত্বক বোস্তন এরিয়াতেই রয়েছে পার্বত্য পার্ক। সিঁড়ি ভেঙে একটু উপরে উঠে যেতে হয়। উপরে গেলেই চমৎকার প্রাকৃতিক পার্ক দেখে মন জুড়িয়ে যায়। পুরো এলাকাটাই যেহেতু পার্বত্য। সেজন্য একটু উঁচু-নীচু রয়েছে, একেবারে সমান্তরাল বলা যাবে না। সমান্তরালের সুযোগও আছে কিনা সন্দেহ, কেননা এখানকার পাহাড়গুলো পাথুরে। তাছাড়া পার্বত্য এলাকার সৌন্দর্যই অসমান্তরালে। যাই হোক এই পার্কটি বিনোদনের জন্য বা অবকাশ যাপনের জন্য খুবই উপযোগী একটি জায়গা। দর্শক বা পর্যটকরা এই পার্কে গেলে কিছুটা সময় না কাটিয়ে ফেরেন না।
কেরমানশাহ-তে আরও অনেক দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা রয়েছে। সেগুলো নিয়ে আজ আর কথা বলার মতো সময় কিংবা সুযোগ কোনোটাই নেই। পরবর্তী আসরে আরও কিছু নিদর্শন ও দর্শনীয় স্থানের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

ডিএনএ নমুনা অন্যের হাতে দিলে যে সমস্যা হতে পারে

ডিএনএ পরীক্ষার প্রতি অনেকেই আগ্রহী হচ্ছে
সম্প্রতি আমি একটি পাত্র থুথু ফেলে একটি খামে ভরে সেটি বিশ্লেষণের জন্য পাঠিয়ে দেই।
বহু মানুষ ইদানীংকালে নিজের ইচ্ছায় তাদের ডিএনএ দিয়ে দিচ্ছে। নিজের পূর্বপুরুষ সম্পর্কে জানা এবং নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানার জন্য তারা এ কাজ করছেন।
নিজের সবচেয়ে গোপনীয় তথ্য কেন আমরা অন্যের হাতে তুলে দিচ্ছি? এর বিনিময়ে আমরা কী পাচ্ছি?
যদি আপনি আপনার তথ্য ফেরত চান, তাহলে কী হবে?
সাম্প্রতিক বছরে ডিএনএ টেস্ট করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০১৯ সালের শুরু পর্যন্ত চারটি ডাটাবেস প্রতিষ্ঠানে দুই কোটি ষাট লাখ মানুষ তাদের ডিএনএ অন্তর্ভুক্ত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে - অ্যানসেসট্রি, ২৩এন্ডমি, মাইহেরিটেজ এবং জিন বাই জিন।
২০১৬ সালে টুয়েন্টি থ্রি অ্যান্ড মি নামের প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাছে সংরক্ষিত ডিএনএ তথ্য ১৩টি ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিকে দিয়েছে।
জেনেটিক নামের একটি ঔষধ কোম্পানি ১০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে পারকিনসন্স রোগে ভুগছে এমন ব্যক্তিদের ডিএনএ তথ্য নিয়েছে। অন্যদিকে এই তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করার জন্য গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।
'টুয়েন্টি থ্রি অ্যান্ড মি' বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের গ্রাহকদের ৮০ শতাংশ ডিএনএ দিয়েছে গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য। তারা চাইলে যে কোন সময় সেটি প্রত্যাহার করতে পারে।
অ্যালবার্টা ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্য আইন ইন্সটিটিউটের পরিচালক টিম কলফিল্ড বলেন, মানুষ জেনে-বুঝে তার ডিএনএ দিচ্ছে কিনা সেটি নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
কারণ, ডিএনএ দেবার আগে তারা একটি লম্বা প্রশ্নমালা পূরণ করে। তখন মানুষ বুঝেশুনে এটি করছে কিনা সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
"ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর দিকে মানুষের নজর দেয়া উচিত। কারণ এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় ঔষধ কোম্পানিগুলোর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কাজ করে", বিবিসিকে বলেন কলফিল্ড।
ডিএনএ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গ্রাহক যে কোন সময় চাইলেই তাদের সম্মতি প্রত্যাহার করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা বেশ জটিল।
মুখের লালা থেকে সত্যিই কি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাওয়া যায়?
"এই তথ্যগুলো যখন একত্রিত করা হয়, তখন এগুলো ফিরে পাওয়া বেশ জটিল। যদি প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হয়ে যায় তাহলে কী হবে?" প্রশ্ন তোলেন মি: কলফিল্ড।
দেউলিয়া হয়ে যাওয়াটাই একমাত্র বিষয় নয়।
গত মে মাসে ভাইস নিউজ-এর সাংবাদিক সামন্থা কোল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই তার যোনিপথ সংক্রান্ত পরীক্ষার কিছু কাগজপত্র জব্দ করেছে। ডিএনএ ফার্ম ইউবায়োমি'র কাছে যোনিপথ সংক্রান্ত নমুনা দিয়েছিলেন মিস কোল। এফবিআই যখন এই প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান পরিচালনা করে তখন এসব তথ্য তারা নিয়ে যায়।
এছাড়াও বিভিন্ন সময় মার্কিন পুলিশ ডিএনএ তথ্য সংগ্রহকারী ফার্মগুলোর তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করেছে।
গত এপ্রিল মাসে মার্কিন পুলিশ এমন এক ব্যক্তির ডিএনএ তথ্য আপলোড করেছে যিনি ক্যালিফোর্নিয়াতে একাধিক ধর্ষণ, হত্যা এবং চুরি-ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত। পুলিশ যেখানে এই ডিএনএ তথ্য আপলোড করেছে সেটি একটি ফ্রি অনলাইন তথ্যভাণ্ডার। এখানে যে কোন ব্যক্তি তার জেনেটিক কোড আপলোড করে তার স্বজনদের খুঁজে নিতে পারে।
লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজ-এর ইনফরমেশন সিকিউরিটি রিসার্চ গ্রুপের প্রধান এমিলিয়ানো ক্রিসটোফারো বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান মানুষের ডিএনএ তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলছে, তারা কখনো তথ্য নিরাপদ রাখার নীতি মেনে চলে না। গ্রাহকদের স্বার্থের বিষয়টি তাদের মনে থাকে না।
" আমরা যখন বিভিন্ন কোম্পানিকে সাধারণ কোন তথ্য দিয়ে থাকি, তখন সেটি আমাদের বিষয়। যদি আমি নিজের জন্মগত তথ্য অন্যকে দিই তাহলে সেটি আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কেও প্রভাবিত করবে। আমরা জানিনা এসব তথ্যের ভেতরে কী রয়েছে। প্রতি মাসে আমরা এ ধরণের জন্মগত তথ্য সম্পর্কে নতুন-নতুন বিষয় শিখছি। এই মুহূর্তে বিষয়টি স্পর্শকাতর না হলেও ভবিষ্যতে এটি বেশ স্পর্শকাতর হয়ে উঠবে।"
তিনজন যমজ শিশুর বংশগত পরীক্ষার ফলাফল একই রকম হওয়া উচিত। কিন্তু সেটি সবসময় হয়না
ইউসিএল ইন্সটিটিউট-এর অধ্যাপক জয়েস হারপার বলেন, তিনি দুটো ডিএনএ তথ্য সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করেছেন তার বংশতালিকা খুঁজে বের করার জন্য। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে তথ্য নিরাপদ রাখার নীতি ব্যবহার করা হয় কিনা সেটি নিয়ে তার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
সাধারণ মানুষের জীবন রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং চিকিতসার ক্ষেত্রে উন্নতি করা যাবে। কিন্তু তারপরেও কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
টিম কলফিল্ড মনে করেন, স্বাস্থ্য সম্পর্কে তাকে যে তথ্য দেয়া হয়েছে সেটি খুব একটি সহায়ক নয়।
" আমি যে পরীক্ষা করেছি, সেখানে দেখা গেছে আমার কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে।আমাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে ধূমপান না করতে, বেশি ব্যায়াম করতে এবং মধ্যম মাত্রায় মদ্যপান করতে। এটা জানার জন্য আমার জেনেটিক টেস্ট করা লাগেনি। "
'টোয়েন্টি থ্রি এন্ড মি' বিবিসিকে বলেছে, এ ধরণের পরীক্ষা করার একমাস পর অর্ধেক উত্তরদাতাই তাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করার জন্য চিন্তা করছে, পরিকল্পনা করছে নতুবা পরিবর্তন আনা শুরু করেছে।
মানুষের বংশ সম্পর্কে যে তথ্য দেয়া হয় সেটি কতটা সঠিক তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ২০১৭ সালে তিনজন যমজ ভাইবোন তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করেছিল।
তাতে দেখা গেছে, প্রতিটির ফলাফল ভিন্ন-ভিন্ন হয়েছে। একজনকে বলা হয়েছে, তার বংশ ১১ শতাংশ ফ্রেঞ্চ এবং জার্মান। আরেকজনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে ১৮ শতাংশ এবং আরেকজনের ২২ শতাংশ।
এই প্রতিষ্ঠানটি ডিএনএন টেস্ট-এর জন্য বেশ পরিচিত

গল্প- সাহানা by বুলবন ওসমান

ইউ কে।

সাহানা।

নামার্থ?

রাগ।

রাগিণী!

যথার্থ।

অনুপান ধরন অনেক। বজ্রপান?

ইন্দ্রজাল।

বড়চাচা, মেসেঞ্জার থেকে স্কাইপে আসুন। সুমিত। ভ্রাতুষ্পুত্র। মেলবোর্ন।

অসমর্থ।

অপেক্ষা করুন।

মেসেঞ্জারে স্কাইপ।

প্রতিকৃতি স্পষ্ট। চুশমি-মুখে অরস্ত্ত। পৌত্র।

বড়চাচা, প্যাডটা সামান্য নামিয়ে। ভেবেছিলাম, আপনি ওটা টাচও করবেন না। অনেক অগ্রগতি।

অরস্ত্তর মুখে চুশমি?

মা হাসপাতালে। ওকে স্থির রাখতে।

কিছু কথা বলে?

ভাষা ওর নিজস্ব।

অনেক দীর্ঘ।

তালপাতার সেপাই।

না। ঢ্যাঙ্গা।

আমাদের দিকে যায়নি।

সমত্মানং মাতুললং।

স্কাইপ অনুশীলন করুন।

জিতুল ভরসা।

ফেসবুকে গগোই… গায়ত্রী। অঢেল আলোকচিত্র। বন্ধুদের দুষ্টুমি। কখনো শোভনতা ছাড়িয়ে।

হাই সুদর্শনা। লিমিট ছাড়িয়ো না। অনেস্টি ইজ দ্য বেস্ট  পলিসি। অবশ্য বয়স-ধর্ম। মাফ।

গায়ত্রী মডেল জেসমিন সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ?

চেন। বাক্যালাপহীন।

প্রতিযোগী?

সুন্দরীদের ধর্ম।

মুকুট চাই।

অনেক সম্মান। অর্থ। প্রতিপত্তি।

গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়।

গুয়াহাটি গার্লস।

গুয়াহাটি কল গার্লস?

চমক।

স্বাভাবিক।

আদি ধর্ম।

মন্দিরবালা।

গায়ত্রী, মতামত।

কমার্স।

আর্টসে ছাত্র কম।

কম… এ বেশি।

ডায়লেকটিক।

হেগেল-মার্কস অমর রহে।

জাহিদ মোস্তফা, নির্দেশ।

তিনদিনের মধ্যে রচনা।

বিষয় আমি।

দেশ-প্রসঙ্গ পত্রিকা।

মরমে মরি।

সাযযাদ কাদিরকে পোস্ট।

যন্ত্র মনে করিয়ে দেয়, নেই…

সে নেই… কবি নেই…

কদিন পূর্বে সাযযাদের কথন,

বুলবনভাই, দেখতে দেখতে বুড়ো।

পরদিন সস্ত্রীক ছবি পোস্ট।

কমেন্ট : লেডি ইজ বিউটিফুল, বাট দ্য

জেনটেলম্যান ইজ টু ওল্ড…

দুদিন যায়নি।

দ্য ওল্ডম্যান অ্যান্ড দ্য ইউনিভার্স।

এমন কমেন্ট কেন করলাম!

তওবা তওবা… আর যদি কাউকে করি…

কাকতালীয়। তবু…

সাযযাদের পরিবারের জন্যে সমবেদনা।

মর্মপীড়া।

হারালাম।

সুহৃদ হারালাম।

শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, সাহিত্য… টাঙ্গাইলবাসীর গর্ব।

মন উচাটন।

কোথায় পাব তারে…

ইউটিউব।

মরীচিকা ধরিতে চাই, এ-মরু প্রান্তরে…

সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে…

শোন শোন পিতা…

কহ কানে কানে শুনাও প্রাণে প্রাণে

মঙ্গল বারতা…

যা কিছু পাই হারায়ে যায়

না মানে সান্তবনা…

ফুরায় বেলা ফুরায় খেলা

সন্ধ্যা হয়ে আসে,

কাঁদে তখন আকুল মন,

কাঁপে তরাসে…

ফেসবুক।

আকেমি তানো।

সরি, আই কান্ট স্পিক ইংলিশ…

ডাইমোবুদেশ – নো প্রবেস্নম… ইউ

স্টে ইন ফেসবুক – টেক সাম ওয়ান ফর

ট্রান্সলেশন… কুমিমা সেন, সরি ফর দিস

ট্রাবল। দোমো আরিম্বাতো গোজাইমাস, থ্যাংক

ইউ।

ব্রেকিং নিউজ… সান্তনু কায়সার পরলোকে।

চমকে উঠি। এ কী হলো! এই তো কয়েক বছর আগে বোলপুর স্টেশনে নেমে রিকশা স্ট্যান্ডে যাওয়ার আগেই দেখা।

আরে সান্তনু!

বুলবনভাই!

কেমন নাটক দেখ, ঢাকায় দেখা হয় না। অথচ বিদেশবিভুঁইয়ে…অবশ্য

যদি বিদেশ ধরি। তুমি কি থাকার জায়গা

ঠিক করেছ?

না। আমি তো এখানের কিছুই চিনি

না।

চলো, পূর্বপলস্নীতে ট্রাই করি। ওখানে

থাকাটা সস্তা। বিশ্বভারতীর বিশ্রামাগার।

রিকশা এগিয়ে চলে। প্রথম শান্তিনিকেতনে আসা সান্তনু দুচোখ দিয়ে গিলছে।

ইংলিশ লিটারেচারের অধ্যাপক… বাংলায়

সাহিত্য। ঠাকুরের অঞ্চলে নিশ্চয় সে শত শত

প্রণতি জানিয়ে চলেছে।

পূর্বপলস্নীতে কামরা পাওয়া গেল। তবে একতলাটা বড় অন্ধকার। কেমন একটা বহু যুগের ওপার থেকে আসা ঘ্রাণ, মাথা ঝিমঝিম করে ওঠে।

সান্তনুকে অনুভূতিটা প্রকাশ করি। সেও ভেতরে ভুগছে।

বললে, সত্যি, আমারও ভালো লাগছে না।

চলো, বিকেলে বেরিয়ে পড়ি নতুন আশ্রয়ের খোঁজে। হেথা নয় হোথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোনোখানে…

বিকেলে বেরিয়ে পড়ি।

পার্ক হোটেলের পরিবেশটা বড় আকর্ষণীয়। আমরা গড়ানে।

যুবক কর্মাধ্যক্ষ।

অতিথি বাংলাদেশি শুনে চক্ষুদ্বয় চকচক করে ওঠে।

তার মাতুলালয় নাটোর।

দোতলায় সবচেয়ে সুন্দর কক্ষটি বরাদ্দ। ভাড়াও অর্ধেক।

দ্বৈতস্বরে ধ্বনি দিই : জয় বাংলা।

পূর্বপলস্নী প্রত্যাবর্তন।

একদিনের ভাড়া।

পরিত্যাগ।

রাতে পার্ক হোটেল।

খাবার ব্যবস্থার ঠাকুর নিয়োজিত।

রবিঠাকুরের বংশধর না হয়েও অনেক বাঙালি ও উড়িয়া ঠাকুর মজুদ।

পরদিন সান্তনুর সঙ্গে, পথপ্রদর্শক ভাস্কর জনক ঝংকার নার্জারি। অধ্যাপক শিল্পকলার ইতিহাস। রতনপলস্নীতে ভবন। লোকমুখে জাহাজবাড়ি।

উত্তরায়ণে প্রবেশ।

সুহৃদ ঝংকার আলোকচিত্রীও।

কালোর বাড়ির সামনেও আমি আর সান্তনু। চিত্রধারক ভাস্কর।

পড়ন্ত হেমন্ত। শান্তিনিকেতনে শীতের আভাসে। সান্তনুর সাদা ফুলশার্টের ওপর হাতকাটা ঘিয়ে সোয়েটার। কালো প্যান্ট। বয়সের ছাপহীন অবয়ব।

ঢাকা ফিরে সে তার প্রাপ্তির খতিয়ান নিয়ে একটি রচনা ছাপায়। রতনপলস্নীতে কালোর দোকানে গিয়ে তার কবি-দর্শনের তথ্য তুলে ধরে। কবি নাকি শেষ জীবনে কিছুটা ন্যুব্জ হয়ে গিয়েছিলেন। প্রচ- প্রাণশক্তি প্রকটভাবে খরচ করেছেন, কিছুই অবশিষ্ট রাখেননি। আগেই শরীর ভাঙতে শুরু করে। শোনা যায়, শ্রবণশক্তিও কমে গিয়েছিল। সান্তনুর রচনার শিরোনাম ছিল, ‘আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায়’।

রচনায় আমার উপস্থিতি উলেস্নখ করতে ভোলেনি।

বাংলা একাডেমি শওকত ওসমান জীবনচরিত রচনার ভার দেয় সান্তনুকে। অনেক ফোন। অনেক তথ্য প্রদান। ঠাকুরদার নাম ইয়াহিয়া নয়, শেখ মোহম্মদ এহিয়া। ঠাম্মা, গুলেজান বেগম। বড়দাদা শেখ ইরশাদ আলী, এরশাদ নয়। শওকত ওসমান পূর্ব ও পশ্চিমবাংলার মুসলিম নামায়ণের একটা নিবন্ধন করেছিলেন। পুবে রাজ্জাক, পশ্চিমে রেজাক। তাছাড়া আহমদ আর আহমেদের দ্বৈধতা তো আছেই। মদ এবং মেদ দু-ই শরীরে অউপকারী। এসব ব্যবচ্ছেদ খুব প্রচ- পার্থক্য নির্ণয় করে না। তবে বাংলা ধরা পড়ে চাঁদ মিয়া, সুরুয মিয়া, কালা মিয়া, ধলা মিয়ায়। মানিক মিয়া তো জ্বলজ্বল করছে। অথচ প্রশান্ত মানিক ঠিকই নিজ সম্প্রদায়ে থেকেও ইহলৌকিক। মানিক প–ত কোনো সম্প্রদায়েরই প্রতিনিধিত্ব করে না। প–ত যে-কেউ হতে পারে। যেমন বিশ্বাস, মলিস্নক, মজুমদার ওগায়রাহ। এমন কি খান সাহেব হিন্দু-মুসলিম-ইহুদি সর্বগ্রাসী। তালুকদার, প্রামাণিক সংক্ষেপে প্রাং, মনে পড়ে ভিন ভাষার কথা। ফেসবুকে প্রায় নির্দেশ, যান্ত্রিক ভাষা রপ্ত করুন। ফুল স্টপের পর ক্যাপিটাল লেটার এমনি আসবে, আপনাকে বাটন টিপতে হবে না। অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত করো। আমরা অত লোড নিতে পারব না। করে দেবে কন… যা আসলে না-কন।

চন্দ্রপুরী হুমায়ুন কবীর ঢালির নিউইয়র্ক থেকে পোস্ট : বাংলাদেশ থেকে এসেও বাঙালির হাত থেকে রেহাই পেলাম না।

বাধ্য হয়ে পোস্ট করতে হয় : বাঙালি হলো ঢেঁকি জাতি। সর্বত্র ধান ভানছে। সত্যি তো, বাঙালি ছাড়া তো দুনিয়া অন্ধকার! থেকে থেকে রব ওঠে : হিং টিং ছট… এখন নবদ্বীপ ও গোপালগঞ্জবাসী থেকে থেকে হেঁকে ওঠে : জয় বাংলা।

খানাকুলের মানিক প–তের চিত্র প্রেরণ, গ্রীষ্ম তাড়াতে ভুটানে। আবার নদীতীরে। স্নিগ্ধ চিত্র। চিত্ত স্নিগ্ধতা আনে।

ইউটিউব : হাত বাঁধিবি, পা বাঁধিবি… মন বাঁধিবি কেমনে… লোকগীতিতে এর উত্তর আছে, ইচ্ছা করে মনটারে গামছা দিয়া বাঁধি।

আমি কিছু বাঁধিব না।

আশালতা আশ্রয় : বাঁধনবিহীন সেই যে বাঁধন… অকারণ…

মোর স্টোরিস দেখে থামতে হলো।

কী স্টোরি।

মণিজিঞ্জির স্যান্যাল গল্প পাঠিয়েছে পঠন করেছি কিনা…

আমার আবার নব নামায়ণ : মহারাজ।

যাক উত্তরণ ঘটল। শূদ্র থেকে সর্বোচ্চ পদ। গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতায় যে একজন মহারাজ আছে, ভ্রাতুষ্পুত্র… মণিজিঞ্জির কি বিস্মরিত! যাক অবশ্য ওর যুক্তি আছে… ঢাকার নবাব হতে পারি। মহারাজ আর নবাব সমগোত্রীয়। রাজপুতরা জাত্যভিমান বিস্মরিত হয়ে মোগলদের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার। ক্ষমতার ভাগাভাগি। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবাহবন্ধন। মাতুল মানসিংহের সহায়তায় মহামতি আকবরের মোগল সাম্রাজ্য সুদৃঢ়। বাংলার বারোভূঁইয়া পরাজিত।
কথাসাহিত্যিক মণিজিঞ্জিরের সঙ্গে পূর্বে নামায়ণ কথোপকথন। জিঞ্জির লৌহ শেকল নহে, চক্ষু দ্বারা বন্ধন। শিলিগুড়ি থেকে কামাখ্যা আর কদ্দূর। চক্ষুবন্ধন সহগ।

মাঝে মাঝে কলকাতা। সাহিত্য-আসরের ডাক। সামনে মেয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা তো মায়েরও। আসল জিঞ্জির।

সার্চ। গুগল। সাহানা।

ইন্ডিয়ান বাংলাদেশি। ইন্ডিয়ান বাংলাদেশি! তাহলে তো ঘরের লোক। হাওড়ায় মামাবাড়ি, ঝামটিয়া হলে বলত, ঘরের নোক। যাক একটা ভালো ক্লু পাওয়া গেল। সাহানাকে দেওয়ার।

মুইও ইন্ডিয়ান বাংলাদেশি।

এসেছি ছোটবেলায়।

তুমি ভরবেলায়।

তফাৎ এই।

ফেসবুক।

সাহানা, ইন্ডিয়ান বাংলাদেশি?

হাউ কাম?

অপেক্ষা।

দিন যায়।

যায়।

প্রায় ভুলে যাবার মতো…

হঠাৎ বিদ্যুৎ চমক।

এক মুসলিম নামসহ সাহানা।

নামটা খুব চেনা মনে হলো না।

নামে কী বা আসে যায়।

যাক, দেশি যখন পা পড়বে।

দিন যায়।

নানা দেশের মিলনক্ষেত্র ফেসবুক।

ভ্রাতুষ্পুত্র, আসমার, সুপুত্র… স্কাইপ

শিখিয়ে দেবে?

চলে আসুন, আগামী শুক্রবার।

কথা ধরে কাজ।

আর এক ভ্রাতুষ্পুত্র মেলবোর্নবাসী।

তার সঙ্গে চিত্রালাপ।

সে উৎফুলস্ন।

ট্যাবটি তার উপহার।

বোলপুর। শান্তিনিকেতন। চারুকলার

শিক্ষার্থী বন্দনা।

চিত্র বাইসাইকেল চালিয়ে গমন।

শান্তিনিকেতনে মেয়েদের স্বাধীনতা।

শাড়ি ও সাইকেল।

মেসেঞ্জার।

সুশান্ত। রাজশাহী থেকে ঢাকা আগমন।

সপরিবার।

স্নিগ্ধা শান্তিনিকেতন ফেরত।

রবীন্দ্রসংগীত শোনা যাবে।

আহবান।

শর্তহীন।

স্নিগ্ধার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যাবে

অন্য শিল্পীদের।

মেসেঞ্জার।

অমিত। ভাগ্না।

টরন্টো।

চিত্র। কন্যার।

নামায়ণ লায়লা।

ঠাকুরমা বা দাদির মতো সুশ্রী।

দাদি প্রয়াত। তার নামে নাম।

পৌত্রী দাদির মতো দীর্ঘাঙ্গী হবে। উজ্জ্বলতায় হার মানাতে পারে।

পুতুল। না পুতলি।

চেনো কি এদের?

অনেক থাই সুন্দরী।

ভাষা থাই। মালে বাহাসা হতে পারে।

স্থানীয়।

চিহ্ন করা দুরূহ।

অবয়ব স্মরণ।

মালা থেকে ফুল পৃথক কঠিন।

স্ট্যাটাস দেবো, পিস্নজ ইংরেজি ব্যালাটিন বা ফরাসি বা স্প্যানিশ বা ডয়েস… এমনকি আরবি চলতে পারে। থাইল্যান্ড, ভালোবাসার দেশ, সুন্দরীদের মেলা। মেলামেশা অবাধ। পাতায়া চিত্রময় সৈকত। ভাষা বাধা হওয়া অমানান। পর্যটন পৃথিবীর নাম্বার ওয়ান দেশ। এমন কি ভারতবর্ষও অনেক পেছনে। এহেন দেশে এ-আচার? তাই থাই সুন্দরী ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট থেকে বঞ্চিত।

মন চায়, মসিত্মষ্ক অমায়ক। বন্ধুত্ব মেঙ্গে রফিকা খলিফার চিত্র।

চেহারা গাঢ় শ্যাম। আফ্রিকীয় বা মার্কিনি হতে পারে।

পোস্ট, এত বাঙালি মুসলিম মেয়ের মতো রফিকা, কিন্তু খলিফা? অভিজাত, না দর্জি?

নেপালি দর্জি আবার যা তা নয়। প্রশ্নের জবাব নেই। শুধু ঘোষণা, একটা কথা বলব।

কী কথা?

ব্যাঙের মাথা নয় তো!

না হয় কৃষ্ণসুন্দরীর এত কেন আগ্রহ। উত্তর আপাতত জরুরি মনে হলো না। তবু কৌতূহল জীয়ন্ত।

কটা দিন ট্যাব শায়িত।

ব্যাটারি ব্যাটা ক্ষয় হচ্ছে আপন নিয়ম রক্ষার্থে।

বাহুতে ধারণ।

চক্ষু চড়ক।

সাহানা।

পোস্ট : ইউ আর দ্য বেস্ট। এক দুই তিন বারবার পাঠ। অবিশ্বাস্য।

আমি বেস্ট হতে যাব কেন!

সাধারণ।

অতিসাধারণ একজন সৃষ্টি।

হ্যাঁ, গান ভালোবাসি।

রাধাগান বিশেষ।

আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই,

বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে… প্রিয় গান।

কিন্তু এত উলটোপুরাণ।

সাহানা, অতিসংক্ষেপে ব্যাখ্যাটা পোস্ট করবে কি?