Wednesday, July 22, 2020

থাইরয়েড সমস্যায় ভোগছেন কি-না বুঝবেন কিভাবে?

থাইরয়েড শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি। থাইরয়েডের প্রধান কাজ হলো মেটাবলিজম এবং মস্তিষ্ক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করা। সমস্যার শুরুটা হয় যখন থাইরয়েড গ্রন্থির গোড়ায় ছোট একটি মাংসপিণ্ড বেড়ে ওঠে, যা হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়।
থাইরয়েডে সমস্যার লক্ষণগুলো কিছুটা অস্পষ্ট থাকে। শুরুতে এর লক্ষণগুলো অবহেলা করার কারণে পরবর্তিতে এটি বড় আকার ধারণ করে থাকে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি  ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, রক্তচাপ অনিয়মিত হওয়া ইত্যাদি সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এছাড়া থাইরয়েডের আরও কিছু উপসর্গ আছে যা মানুষ জানেন না কিংবা গুরুত্ব দেন না।
১. হতাশা: থাইরয়েডে সংক্রমণ দেখা দিলে হরমোনের উৎপাদন বেড়েও যেতে পারে। এই হরমোনের তারেতম্যের কারণে মন-মেজাজ এই ভালো তো এই খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়। আর হতাশাগ্রস্ততার প্রথম উপসর্গই এটি। আক্রান্ত ব্যক্তির পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে এই হরমোনের তারতম্য অস্বস্তি এবং মানসিক অশান্তিও তৈরি করতে পারে।
২. ঘাম: গরমে ঘাম যেমন স্বাভাবিক এবং উপকারী তেমনি ঠাণ্ডা পরিবেশে ঘাম হওয়া আশঙ্কাজনক। কর্মশক্তি নিয়ন্ত্রক হরমোন যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না তখন অস্বাভাবিক মাত্রায় এবং অস্বাভাবিক পরিবেশ ঘাম হতে পারে।
৩. শুষ্ক ত্বক: মানুষ ভেদে ত্বক এবং ত্বকের সমস্যার ধরন ভিন্ন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শুষ্ক ত্বকের জন্য মানুষ ঋতু পরিবর্তনকেই দায়ী করে। তবে এখানেও থাইরয়েডের হাত আছে। কারও ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যা হয়ত অতিরিক্ত ঘামের কারণ হতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে ঘাম নিয়ন্ত্রণে সমস্যার কারণে ঘাম হওয়ার মাত্রা কমে যেতে পারে। ঘাম কম হওয়ার কারণে আর্দ্রতার অভাবেও শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দেখ দিতে পারে।
৪. অবসাদ: প্রতিদিনই যদি নিজেকে অবসাদগ্রস্ত মনে হয় তবে এর সঙ্গে থাইরয়েডের সম্পর্ক থাকতে পারে। স্বাভাবিকের চাইতে কম সক্রিয় থাইরয়েড বা ‘হাইপোথাইরয়ডিজম’ পর্যাপ্ত হরমোন উৎপাদনের পথে বাধা দেয়। ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অবসাদগ্রস্ত মনে হয়। এমনকি পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও এবং সারাদিন কোনো কাজ না করলেও নিজেকে ক্লান্ত মনে হয়।
৫. অনিয়মিত ঋতুস্রাব: ঋতুস্রাবের সঙ্গে থাইরয়েডের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তবে হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক চক্র নষ্ট হতে পারে। একজন নারী থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হলে খাওয়ার রুচি কমে যায়। ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়; যা লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা কমায় এবং পরোক্ষভাবে প্রভাবিত হয় ঋতুস্রাব। তাই যেকোনো ধরনের অনিয়মকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য: মলত্যাগের অস্বস্তি বা কোষ্ঠকাঠিন্য মাঝেমধ্যে হওয়া স্বাভাবিক। তবে তা নিয়মিত হয়ে গেলে বুঝতে হবে থাইরয়েডেরও সেখানে প্রভাব আছে।
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান কাজ ‘মেটাবলিজম’ নিয়ন্ত্রণ করা, তাই সেখানে সমস্যা দেখা দিলে বিপাক পক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলবে। হরমোন উৎপাদন কমে গেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। তাই দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে থাকলে থাইরয়েড পরীক্ষা করানো উচিত।
৭. স্বাদ-গ্রন্থির সমস্যা: খাবারের স্বাদ বোঝার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে থাইরয়েড। যে খাবারগুলো একসময় আপনার অত্যন্ত পছন্দ ছিলো সেগুলোতে এখন আপনার অনাগ্রহ তৈরি হওয়ার পেছনে দায়ী হতে পারে থাইরয়েডের সমস্যা। এর ফলে কিছু হরমোন অতিমাত্রায় তৈরি হতে পারে যা খাওয়ার রুচি নষ্ট করে দেয়।

পারমানবিক বোমা মেরে চাঁদকে কেন উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল আমেরিকা: চাঁদ সম্পর্কে ৯টি অজানা তথ্য

রাতের আকাশে চাঁদ
চাঁদকে ঘিরে এখনও অনেক রহস্য। পৃথিবীর এই উপগ্রহটি সম্পর্কে শোনা যায় নানা কথা। অনেক রোমান্টিক নামও আছে তার- ব্লু মুন, ক্রিসেন্ট মুন, ফুল মুন...
রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা এই উপগ্রহটি সম্পর্কে এখানে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:

১. চাঁদ গোলাকার নয়

চাঁদের আকৃতি আসলে ডিমের মতো। আপনি যখন এর দিকে তাকান তখন কিন্তু এর ছোট দুই প্রান্তের কোন একটিকে দেখতে পান। চাঁদের ভরের কেন্দ্র ঠিক এর জ্যামিতিক কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। এটি জ্যামিতিক কেন্দ্র থেকে ১ দশমিক ২ মাইল দূরে।

২. সবসময় আমরা চাঁদের পুরোটা দেখতে পাই না

আমরা যখন চাঁদের দিকে তাকাই তখন এর ৫৯ শতাংশ দেখতে পাই। পৃথিবী থেকে চাঁদের বাকি ৪১ শতাংশ কখনোই দেখা যায় না। আপনি যদি এই তথ্য বিশ্বাস না করেন এবং এটা সত্য কিনা সেটা যাচাই করে দেখতে চাঁদের লুকিয়ে থাকা ওই ৪১ শতাংশের উপরে গিয়ে দাঁড়ান তাহলে কিন্তু সেখান থেকে আপনি এই পৃথিবীকে দেখতে পাবেন না।

৩. ব্লু মুন হয়েছে আগ্নেয়গিরি কারণে

ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাতের পর ১৮৮৩ সালে 'ব্লু মুন' পরিভাষার জন্ম হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সেসময় অগ্নুৎপাতের ফলে বায়ুমণ্ডলে এতো বেশি ধুলো ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল যে মানুষ যখন পৃথিবী থেকে চাঁদের থেকে তাকিয়েছিল তখন তাকে দেখতে নীল মনে হয়েছিল। আর এ থেকেই তৈরি হয়েছে 'ওয়ান্স ইন এ ব্লু মুন' কথাটি। বিরল কোন ঘটনা বলতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।

৪. চাঁদকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্র একবার সত্যিই সত্যিই চাঁদের উপর পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণের কথা চিন্তা করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা। বিশেষ করে রাশিয়াকে ভয় দেখানো। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অত্যন্ত গোপনীয় এই পরিকল্পনার নাম ছিল 'এ স্টাডি অফ লুনার রিসার্চ ফ্লাইটস' অথবা 'প্রজেক্ট এ১১৯।'

৫. ড্রাগনের কারণেই গ্রহণের ঘটনা

সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে পড়লে অথবা সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে দাঁড়ালে তখন সূর্য বা চাঁদের আলো সাময়িকভাবে ম্লান হয়ে যায়। একে বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ কিম্বা সূর্যগ্রহণ। একটি প্রাচীন চীনা বিশ্বাস হচ্ছে- একটি ড্রাগন যখন সূর্যকে গিলে খেয়ে ফেলে তখন সূর্যগ্রহণ হয়। তখন চীনারা তাদের পক্ষে যতোটা সম্ভব আওয়াজ সৃষ্টি করতে থাকে যাতে ড্রাগনটি ভয় পেয়ে দূরে চলে যায়।
চীনারা একসময় আরো বিশ্বাস করতো যে চাঁদের গর্তের ভেতরে একটি বিশাল আকৃতির ব্যাঙ বসবাস করতো। চারশো কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে ছুটে যাওয়া একটি পাথর চাঁদকে আঘাত করলে ওই গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল।

৬. চাঁদের কারণে পৃথিবীর গতি ধীর হয়

চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে, তখন জোয়ারের সৃষ্টি হয়। নতুন কিম্বা ফুল মুনের পরপরই এরকম হয়ে থাকে।
তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন শক্তিও চাঁদ চুরি করে নেয়। আর সেকারণে পৃথিবীর গতিও প্রতি ১০০ বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলি-সেকেন্ড করে শ্লথ হয়ে যাচ্ছে।

৭. চাঁদের আলো

সূর্য একটি পূর্ণ চাঁদের চেয়েও ১৪ গুণ মাত্রায় বেশি উজ্জ্বল। সূর্যের মতো সমান উজ্জ্বলতায় জ্বলতে হলে প্রায় চার লাখ পূর্ণ চাঁদের প্রয়োজন।
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ যখন পৃথিবীর ছায়ার ভেতরে চলে যায় তখন চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেড় ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ৫০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটও কমে যেতে পারে।

৮. লিওনার্দো দা ভিঞ্চি বুঝেছিলেন ক্রিসেন্ট কি জিনিস

চাঁদকে আমরা যখন ক্রিসেন্টের আকারে বা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো দেখি তখন আমরা চাঁদ থেকে ছিটকে আসা সূর্যের আলোকেই দেখতে পাই। চাঁদের বাকি অংশটা খুব অস্পষ্ট দেখা যায়। সেটাও নির্ভর করে আবহাওয়ার উপরে। শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চিই হলেন প্রথম কোন ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করতে পারছিলেন যে চাঁদ আসলে সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হচ্ছে না, বরং এর কিছু অংশ লুকানো থাকে।

৯. চাঁদ পনির দিয়ে তৈরি

চাঁদের আরো অনেক কিছুই আছে যা এখনও আমাদের অজানা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় এনিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গেছে জরিপে অংশ নেওয়া লোকজনের ১৩ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে চাঁদ চীজ বা পনির দিয়ে তৈরি।
ভারত থেকে তোলা চন্দ্রগ্রহণের ছবি

বসনিয়ার কসাইয়ের বিচারের সময় পরিক্রমা by সৈয়দ সাব্বির আহমেদ

নেদারল্যান্ডসের হেগে জাতিসংঘের ট্রাইব্যুনালে রাদকো ম্লাদিচের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের  মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পরে বিচার পেল বসনিয়ার স্রেব্রেনিকা ও সারায়েভোতে গণহত্যার শিকার হওয়া মুসলিমরা। বসনিয়ার কসাই বলে খ্যাত ম্লাদিচের বিচারের সম্মুখীন হওয়ার সময় পরিক্রমাটা সংক্ষেপে পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল-
জুন ১৯৯১, যুগোস্লাভিয়ায় ভাঙন
স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্যে যুগোস্লাভিয়ার ভাঙনের শুরু হয়। সার্ব নেতৃত্বাধীন যুগোস্লাভিয়ান সেনাবাহিনী ১০ দিনের যুদ্ধ শেষে স্লোভেনিয়া ত্যাগ করে, তবে ক্রোয়েশিয়ার যুদ্ধটি ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
এপ্রিল ১৯৯২, বসনিয়ায় যুদ্ধ শুরু
বসনিয়ার দুই তৃতীয়াংশ এলাকার দখল নেয়ায় বসনিয়ায় থাকা সার্বীয়রা এবং রাদকো ম্লাদিচের নেতৃত্বে সারায়েভো অবরোধ শুরু হয়। এর এক মাস পরেই বসনিয়াতে সার্ব বাহিনীর কমান্ডার হন ম্লাদিচ। ৪ বছরব্যাপী অবরোধে ১১ হাজার ৫শ মানুষের মৃত্যু হয়।
জুলাই ১৯৯৫, স্রেব্রেনিকা গণহত্যা
ম্লাদিচের নেতৃত্বে তার সেনাবাহিনী স্রেব্রেনিকা দখল করে। সেখানে ৭ হাজারেরও বেশি মুসলিম পুরুষ ও কিশোরকে স্রেফ হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে সার্ব বাহিনীর উপর বিমান হামলা করে ন্যাটো। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ফরমার যুগোস্লাভিয়া ম্লাদিচ ও সাবেক বসনীয়-সার্ব নেতা রাদোভান কারাদিচের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ গঠন করে।
১ নভেম্বর, ১৯৯৫ ডেটন চুক্তি সাক্ষর
১৯৯৫ সালে ডেটন চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়া যুদ্ধের অবসান হয় এবং সেখানে দুটি রাষ্ট্র সৃষ্ট হয়। একটি বসনীয় ও সার্বদের নিয়ে, আরেকটি মুসলিম ও ক্রোয়েশীয়দের নিয়ে।
১৯৯৭, ম্লাদিচের পলায়ন
ম্লাদিচের সন্ধানে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা এবং ন্যাটোর শান্তিরক্ষী বাহিনীর অভিযান জোরদার হয়। কিন্তু পরিবার ও সার্বিয়ায় তার সমর্থকদের সহায়তায় তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে পলাতক থাকেন ম্লাদিচ। তাকে ফুটবল খেলার মাঠে দেখা যায়, এমনকি সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডের জনপ্রিয় রেস্তোরাতে তোলা তার ছবিও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
২৬ মে, ২০১১ ম্লাদিচ গ্রেফতার
সার্বিয়ার উপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে ম্লাদিচ গ্রেফতার হন। ওই বছরের জুনে জাতিসংঘ ট্রাইবুনালের সম্মুখীন হন তিনি।
১ ডিসেম্বর, ২০১৬ অভিযোগের শুনানির সমাপ্তি
ইউরোপে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ গণহত্যা বিষয়ক অভিযোগের শুনানির শেষ হয়। জাতিসংঘ ট্রাইব্যুনাল ৫৩০ দিনব্যাপী শুনানিতে ৫৯১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে এবং ১০৬টি ভিন্ন অপরাধের ১০ হাজার প্রমাণ যাচাই বাছাই করে।
২২ নভেম্বর, ২০১৭ ম্লাদিচ দোষী সাব্যস্ত
স্রেব্রেনিকা হত্যাকাণ্ডের ২০ বছর পর ৭৪ বছর বয়সী ম্লাদিচকে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
>>>ইত্তেফাক