Wednesday, June 28, 2017
বাংলাদেশে রাতের পার্টি মাতানো ডিজে দুনিয়া কেমন?

বিভিন্ন পার্টিতে গানের মিক্সিং করে তার তালে তালে অতিথিদের মাতানোর কাজটি করেন একজন ডিজে। নারীদের অনেকেই পেশাদার ডিজে হিসেবে কাজ করছেন। কেমন এই ডিজে দুনিয়া?
বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী, বিয়ে বা কর্পোরেট অনুষ্ঠান বাদ নেই ডিজে পার্টি
লাউড স্পিকারে গান বাজছে। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ব্যাচের পুনর্মিলীন অনুষ্ঠান।
মিউজিকের তালে তালে নাচছে শিক্ষার্থীরা। ক্ষণে ক্ষণে পাল্টে যাচ্ছে মিউজক আর গান।
মঞ্চে নিপুন মুন্সিয়ানায় কাজটি করছেন একজন ডিস্ক জকি। যিনি ডিজে নামেই পরিচিত বেশি।
মঞ্চের ওপর যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি ডিজে সুমি।
গানের মিক্সিং এবং সাউন্ড ইফেক্ট এর কল্যাণে জমে উঠেছে পার্টি।
"এমন একটি অনুষ্ঠানে দর্শকরো উঠে দাঁড়িয়ে যখন মিউজিকের সাথে সাথে তাল মেলাতে থাকেন, নাচতে থাকেন তখনই একজন ডিজের সার্থকতা" বলছিলেন ডিজে সুমি। পুরো নাম রাজিয়া সুলতানা সুমি।বাংলাদেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম ডিজে হিসেবে মনে করা হয় যাকে, সেই ডিজে সনিকাকে দেখে আগ্রহী হয়ে ২০০৭ সাল থেকে কাজ শুরু করেন সুলতানা রাজিয়া সুমি ।
শহরাঞ্চলে এখনকার তরুণ-তরুণীদের কাছে ডিজে পার্টি বা ডিজে শো খুব পরিচিত ।
নিউইয়ার পার্টি, থার্টি ফার্স্ট নাইট, বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক অনুষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রি-ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জন্মদিন বিয়ে সবকিছুতেই ডিজে মানে বিশেষ আনন্দ।
'মেয়েদের জন্য এখনও ঝুঁকিপূর্ণ পেশা''
ডিজে দুনিয়ায় 'ডিজে সনিকা' হিসেবে পরিচিত হলেও পুরো নাম মারজিয়া কবীর।
সনিকা শুধু দেশেই নন, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন শোতে নিয়মিত ডিজে হিসেবে কাজ করেন।
ডিজেদের ডাক পড়ে বড় বড় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও। আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১১ ইভেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কিংবা হাতিরঝিলে ডান্স অব ফাউন্টেন এর উদ্বোধনে মিউজিক করার তেমনই অভিজ্ঞতার কথা জানান ডিজে সনিকা।
কিন্তু 'মেয়েদের জন্য এখনো এটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা' বলে মনে করেন তিনি।সনিকা বলেন, আমি একেবারে মিডিয়া থেকে আলাদা ছিলাম। কিন্তু ডিজে রাহাত তার ডিজে স্কুলে বাংলাদেশে প্রথম কোনও ডিজে শিখতে আগ্রহী প্রথম ব্যাচকে বিনামূ্ল্যে শেখাবে। তখন প্রথম আমি জানলাম মেয়ে ডিজে নাই দেশে। আমার তখন মনে হলো এটা করতে হবে"।
তবে সনিকা বলেন, "মূলত লোকজন সন্ধ্যার দিকেই ডিজে করতে পছন্দ করে। খুব কম দিনে হয়। জন্মদিন বা পিকনিক এগুলো দিনে হয়। বাকিটা কিন্তু রাতেই হয়। একটা মেয়ের জন্য রাতে বের হয়ে কাজ করা অনেক বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। সেক্ষেত্রে আমাকে তো সেরকম সিকিউরিটি নিয়ে যেতে হবে। যাতে নিরাপদে গিয়ে নিরাপদে ফিরতে পারি। দুজন মানুষেকে সাথে রাখতে হয়"
আগে ডিস্কের মাধ্যমে গানের ব্যবহার করা হলেও, বর্তমান পেনড্রাইভ এর যুগে কাজটি সেভাবে আর করতে হয়না।
পুরুষদের মধ্যে ডিজে হিসেবে অনেকেই কাজ করছেন বেশ আগে থেকেই এবং তাদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীতে সঙ্গীত পরিচালনা, বিজ্ঞাপনের কাজ ইত্যাদিতেও যুক্ত হয়েছেন।
প্রথমদিকে যারা বাংলাদেশে ডিজে সংষ্কৃতি চালু করেন তাদের মধ্যে ডিজে প্রিন্স, ডিজে রাহাত, ডিজে লিটন, ডিজে মিরাজসহ অনেকে এই নামগুলো উঠে আসে। তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে আরো অনেক তরুণ-তরুণীই কাজ করছেন।
ডিজে মিরাজ ১০ বছর ধরে বিভিণ্ন অনুষ্ঠানে পারফর্ম করছেন। তিনি নিজেই প্রশিক্ষণও দিচ্ছেন উঠতি অনেক ডিজেকে।
পেশা হিসেবে কতটা গ্রহণ করার মত? ডিজে মিরাজ বলেন, " যেহেতু এখন কর্পোরেট ইভেন্ট বা ওয়েডিং ইভেন্ট বর্তমানে অনেক বিস্তার লাভ করেছে। অনেকব বেশি হয় সেক্ষেত্রে আমি বলবো এখন যদি কেউ এটাকে পেশা হিসেবে নিতে চায় ডিজে পেশা অন্য অনেক পেশার চেয়ে তুলনামূলক অনেক ভালো"
রাত গভীর হলেই মূলত শুরু হয় তাদের কাজ।
দিনের বেলাতেও অবশ্য ডাক পড়ে বিভিন্ন আয়োজনে। বাংলাদেশে ডিজে হিসেবে এখন রাতভর কাজ করছে মেয়েরাও। কিন্তু রাতের কাজ হওয়াতে সামাজিক ভাবে বিষয়টি কিভাবে দেখা হয়?
সুমি বলেন, " ডিজেটা শুধু না মিডিয়া বলতেই সাধারণ মানুষ অন্য একটা দেখে। আর আমরা যেহেতু রাতের বেলা কাজটা করি। রাতের বেলাই কাজ শেষে করে ফিরি। সেক্ষেত্রে অনেকে কটূক্তি করে। কিন্তু তারপরও ওই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নাহলে তো আমাদের স্বপ্নটা পূরণ করতে পারবো না"।।
প্রশিক্ষণ নিচ্ছে অনেকেই
ডিজে বা ডিস্ক জকি হওয়ার জন্য এখন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন অনেক তরুণ-তরুণী। প্রতিষ্ঠিত ডিজেরাই খুলেছেন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
রোজগারের সুযোগও রয়েছে প্রচুর।
একটা সময় ঢাকা- চট্টগ্রামের মত বড় শহরে এধরনের আয়োজন করা হলেও এখন ডাক পড়ছে মফস্বলের অন্যান্য এলাকাতেও। ডিজে সনিকা বা সুমির মত ডিজে মারিয়া, ডিজে ফারজানা, ডিজে পরী এবং আরো অনেক মেয়েই মঞ্চ মাতাচ্ছেন।
তবে ডিজেদের সাজ-পোশাক নিয়ে অনেকসময় অনাকাঙ্খিত মন্তব্য এড়াতে সতর্ক থাকতে হয়। সুমি বলেন, বিয়ে ববাড়িতে বা জন্মদিনে যে পোশাক পড়ে যাওয়া যায় সে পোশাক কর্পোরেট কোনও অনুষ্ঠানে পড়া যায় না।
ফলে বাড়তি সতর্কতা রাখতেই হয়, জানান সুমি।
ডিজেদের মধ্যে কেউ কেউ অ্যালবামে মিউজিক করছেন, কেউ কেউ চলচ্চিত্রে সুর দিচ্ছেন। সুযোগ আছে অর্থ ও পরিচিতি দুটোই পাওয়ার।
আবার কেউ কেউ বিজ্ঞাপন বা মিউজিক ভিডিওতে মডিলং করছেন বা অংশ নিচ্ছেন নাটক অথবা নাচের প্রোগ্রামে। তাই আগ্রহী হচ্ছেন অনেক তরুণ।
তবে এখনও এ পেশার প্রতি সামাজিক মনোভাব যথেষ্ট ইতিবাচক হয়ে উঠতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করেন ডিজেরা।
সুত্রঃ বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রচ্ছদে অন্তঃসত্ত্বা সেরেনা, গায়ে সুতোটি নেই

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকীর আগস্ট সংখ্যার প্রচ্ছদকন্যা হয়েছেন সেরেনা। সাময়িকীটির আগস্ট সংস্করণ আগামী ৭ জুলাই থেকে বাজারে পাওয়া যাবে।
৩৫ বছর বয়সী সেরেনার সঙ্গে গত ডিসেম্বরে বাগদান হয় রেডিটের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্সিস ওহানিয়ানের। গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে সন্তান ধারণ করেন সেরেনা। গর্ভে সন্তান নিয়েই জেতেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের পর হাঁটুর চোটের কথা বলে আর কোর্টে নামেননি উন্মুক্ত যুগে সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্লাম একক জেতা এই টেনিস তারকা।
ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকীকে সেরেনা জানিয়েছেন, কোর্টের পাশে অনুশীলনের একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তার আগে গর্ভধারণের বিষয়টি বুঝতেই পারেননি।
সেরেনা বলেন, তিনি কিছু বুঝতে না পারলেও তাঁর বন্ধু ধারণা করেছিলেন যে তিনি (সেরেনা) সম্ভবত অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। সেরেনাকে পরীক্ষা করারও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।
পরে পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল আসে। ফল দেখে বিস্মিত হন সেরেনা। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। পরে বন্ধু জেসিকা পরীক্ষার একাধিক কিট কিনে আনেন। আর প্রতিবারই ইতিবাচক ফল আসে।
ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকীর নিবন্ধে অ্যালেক্সিস ও সেরেনা কীভাবে ২০১৫ সালে প্রেম শুরু করেন, তার বিবরণ আছে।
গত ডিসেম্বরে ইতালির একটি হোটেলে সেরেনাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন অ্যালেক্সিস। আর মজার ব্যাপার হলো, এই হোটেলেই দুজন পরস্পরের সঙ্গে প্রথম কথা বলেছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ায় সরাসরি হামলার মতলব করছে যুক্তরাষ্ট্র? by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া

তাদের এই হুঁশিয়ারি ইরাকের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পতন আর ইরাকের দুর্গতির কথা মনে করিয়ে দেয়। তৎকালীন সাদ্দাম ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্র মজুত রেখেছেন, এই ধোয়া তুলে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাকে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের পর দেখা গেল, সাদ্দামের গণবিধ্বংসী কোনো অস্ত্রই নেই। মাঝখান থেকে ইরাক পরিণত হলো যুদ্ধের ডামাডোলে ভরা এক ধ্বংসের দেশে। যার জের এখনো চলছে।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মার্কিন মাতব্বরির ছড়ি চরকির মতো ঘুরতে ঘুরতে যেদিকেই গেছে, সেখানের জনপদ আর জনমানবের সাড়ে সর্বনাশ করে ছেড়েছে। লিবিয়ায় গাদ্দাফিকে ইঙ্গো-মার্কিন জোট কীভাবে উৎখাত করেছে, দুনিয়ার মানুষ তা দেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য যেসব দেশে শাসকদের বিরুদ্ধে উৎখাত আন্দোলন হয়েছে, সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছে, প্রতিটিতেই কম-বেশি মার্কিন মদদ রয়েছে। তারা গলা ফুলিয়ে রব তুলেছে—এরা স্বৈরাচার, এদের হটাও। কিন্তু অন্তরালে থাকা সুপ্ত বাসনার কথা তারা প্রকাশ করেনি। যদিও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে এখন তাদের অভিলাষ দিবালোকের মতো ফকফকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপের মূলে ছিল তেলসম্পদ বাগানো আর অস্ত্র-বাণিজ্য করা। কাতারকে ঘিরে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটেও যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে।
নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পশ্চিমা মদদে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সারা বিশ্বে একক আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে। ইরান এবং জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে মদদ এবং অর্থসহায়তা দেওয়ার অভিযোগে কাতারকে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো একঘরে করেছে। দেশগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও বাহরাইন। কাতারের সঙ্গে তারা স্থলভাগ, আকাশপথ ও নৌপথে সব ধরনের যোগাযোগ ছিন্ন করেছে। কাতার অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, তাদের সার্বভৌমত্ব আর পররাষ্ট্রনীতিকে খর্ব করতেই এ নিষেধাজ্ঞা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে কাতারকে একঘরে করার বিষয়টিকে সমর্থন করলেও পরে অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন তো বলেই দিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশগুলো যে ১৩টি শর্ত দিয়ে কাতারকে একঘরে করেছে, এর কিছু শর্ত পূরণ করা সতি৵ই কঠিন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাতারের যোগসূত্র থাকার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এটা আসলে তাদের অস্ত্র বিক্রির ধান্দা। সৌদি আরবে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে বলে ঠিক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে এর মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
সিরিয়াকে রাসায়নিক অস্ত্রের প্রস্তুতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারিকে অনেকেই বাঁকা দৃষ্টিতে দেখছে। সিরিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাশিয়া এর মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলছে, রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতির কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র আসলে দামেস্কে হামলা চালাতে চাইছে। বাশার এর মধ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যা বলেছ, তা অতিরঞ্জিত। এর আগে ২০১৩ সালে বাশারের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের জোরালো অভিযোগ ওঠে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় সরাসরি হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়। তখন রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সিরিয়া তার রাসায়নিক অস্ত্রের মজুত জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করে। পরে এসব ধ্বংস করে ফেলা হয়।
গত এপ্রিলেও সিরিয়ার বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তোলে যুক্তরাষ্ট্র। দাবি করা হয়, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বাশারের সেনারা এ অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যে বিমানঘাঁটি থেকে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ প্রকাশ করে, সেখানে তারা ৫৯টি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। সিরিয়ায় এটা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হামলা। রাশিয়া মনে করছে, এবারও যুক্তরাষ্ট্র কোনো ছলছুতো করে সিরিয়ায় হামলা চালাতে চাইছে। ক্রেমলিন এর মধ্যে বলেছে, বাশারের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তারা পাশে আছে তাঁর।
মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়াই একমাত্র দেশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সরকার উৎখাতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তেমন সুবিধা আদায় করতে পারেনি। ২০১১ সালের মার্চে সিরিয়ার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানে এ পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র সেখানে নতুন করে হামলার চেষ্টা চলালে সংঘাত আরও বাড়বে বই কমবে না। কারণ, এখন রাশিয়া আছে সিরিয়ার ক্ষমতাসীন বাশারের পাশে। বাশারকে টিকিয়ে রাখতে তারা যে চেষ্টার ত্রুটি করবে না, তা এর আগে তারা বহুবার জানান দিয়েছে।
শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া: কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক
sharifrari@gmail. com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নখের এই অর্ধচন্দ্রই বলে দিবে আপনি সুস্থ কিনা

এই লুনুলা যদি কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা হলে আপনার নখের বৃদ্ধিই চিরকালের মতো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই লুনুলা দেখতে সাদা লাগলেও আসলে এর রঙ মাংসের মতো। কারণ লুনুলা নখেরই অংশ মনে হলেও বাস্তবে তা নয়। এই অংশের উপরই বসে থাকে নখ। তাই উন্মুক্ত থাকলে লুনুলা অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অংশ।
নখের ঠিক নিচে থাকা চামড়ার একেবারে উপরের এই অংশ রক্তনালীকে ঢেকে রাখে। যদি লুনুলার আবরণ না থাকতো তা হলে অংশে ক্রমাগত যন্ত্রণা হতো। যদি নখ সম্পূর্ণ তুলে ফেলা হয় তা হলেও কিন্তু থেকে যাবে লুনুলা।
প্রত্যেকের নখের নিচেই থাকে লুনুলা। কারো হাতে স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়, আবার কারো হাতে বোঝা যায় না।
এ বার জেনে নিন এই লুনুলা আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে কী বলে। সাধারণত লুনুলা যদি খুব ছোট হয় তা হলে সেই ব্যক্তি রক্তাল্পতা বা অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছে। আবার খুব বেশি হজমের সমস্যা হলেও ছোট হতে পারে লুনুলা। যাদের লুনুলা ছোট হয় তারা অনেক বেশি ক্লান্ত বোধ করেন।
যদি লুনুলা নীলচে হয় তা হলে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। লালচে হলে আপনার হার্টের সমস্যা থাকতে পারে।
আইভরি রঙের লুনুলা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। এ ক্ষেত্রে নখের প্রায় এক পঞ্চমাংশ জুড়ে থাকে লুনুলা। যদি দেখেন আপনার লুনুলা ছোট হয়ে আসছে ও রঙ গাঢ় হচ্ছে তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সূত্র : ইন্টারনেট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটিএমের ৫০ বছর : ব্যাংকিং বদলে দিয়েছে যে যন্ত্র

এই যন্ত্রের উদ্ভাবন হয় আজ থেকে ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে, ব্রিটেনে- ১৯৬৭ সালের জুন মাসে।
উত্তর লন্ডনের এনফিল্ড এলাকায় বার্কলেজ ব্যাংকেরএকটি শাখায় চালু করা হয়েছিল প্রথম এটিএম, যাকে 'ক্যাশ মেশিন'ও বলেন অনেকে । উদ্বোধন করেছিলেন বিখ্যাত কমেডি অভিনেতা রেগ ভার্নি।
প্রথম দিকে এটিএম থেকে টাকা তুলতে হলে ব্যাংকের ভাউচার নিতে হতো। একবারে তোলা যেতো দশটি ১ পাউন্ডের নোট।
১৯৭০-এর দশকে চালু হয় কার্ড,আর চার অংকের 'পিন কোড' দিয়ে টাকা তোলার ব্যবস্থা।
সারা দুনিয়ায় এখন ত্রিশ লক্ষর মতো ক্যাশ মেশিন বা এটিএম আছে। সবশেষ চালু হয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা তোলার ব্যবস্থা।
পৃথিবীর বহু দেশের শহরগুলোয় দোকানপাটের কাছাকাছি কিছু দূরে দূরেই এখন দেখা যায় 'দেয়ালের গায়ে গর্ত' - অনেক সময় পাশাপাশি একাধিক ব্যাংকের এটিএম।
আপনার একাউন্টের টাকা তোলার জন্য আপনাকে এখন আর ব্যাংকে দৌড়োতে হয় না- বরং খুঁজে নিতে হয় কাছাকাছি একটা ক্যাশ মেশিন।
এটিএম এখন পৃথিবীর ব্যাংকিংব্যবস্থার সাথে এমনভাবে সংযুক্ত হয়ে গেছে যে, এক দেশের ব্যাংক কার্ড দিয়ে এখন পৃথিবীর অন্য প্রান্তের কোনো দেশের এটিএম থেকেও টাকা তোলা সম্ভব।
আধুনিক এটিএম থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ব্যাংকের সাথে কথা বলার ব্যবস্থাও আছে।
এমনকি এটিএম-এর পর্দায় আঙুল দিয়ে স্বাক্ষর করে আপনি নতুন একাউন্ট খুলতে পারবেন, নিজের ছবিও তুলতে পারবেন।
সূত্র : বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তামিলনাড়ুতে দান-খয়রাতির প্রতিযোগিতা

ভোটের রাজনীতি। তার জন্য সস্তায় জনপ্রিয়তা খোঁজার চেষ্টা দেখা যায় ভারতের নানা প্রান্তে। কোষাগারের ওপর কতটা চাপ পড়ে তা রাজনৈতিক দলগুলি জানতেও চায় না। এজন্যই উত্তরপ্রদেশে পড়ুয়াদের বিনামূল্যে ল্যাপটপ দেয়া হয়। ২৮ ঘণ্টা অনশন করে ১৪ কোটি রুপি খরচ করে ফেলেন শিবরাজ সিং চৌহানরা। দেশের দক্ষিণ প্রান্তে এই প্রবণতা আরও খারাপ পর্যায়ে। তামিলনাড়ুতে ২০০৬ সালে ডিএমকে বিনামূল্যে টিভি ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। পাঁচ বছর পর ডিএমকের রাস্তায় হেঁটে আরও দরাজ হয় এআইএডিএমকে। ল্যাপটপ, গ্রাইন্ডার, ফ্যান, আরো অনেক কিছুই বিনামূল্যে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন জয়ললিতা। ২০১৬ তে দু’দলই পাইয়ে দেয়ার আরো কদর্য প্রতিযোগিতায় নামে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে এই পাইয়ে দেয়ার রাজনীতির জন্য আর্থিক ঘাটতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তামিলনাড়ুতে। সমাজকল্যাণ প্রকল্পে বিশাল অঙ্কের খরচ করেছে তামিলনাড়ু। যার জেরে ঋণের বোঝা ২.৫৬ লক্ষ কোটি রুপিতে পৌঁছেছে। গত পাঁচ বছরে এই খাতে ৩৩,৮০০ কোটি রুপি বেড়েছে। এডিএমকে এবং ডিএমকের মধ্যে নিয়ে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা চলছে কয়েক বছর ধরে। টিভি, মিক্সি, নগদ, গ্যাস ওভেন, জমি, দু টাকা দরে চাল, সাইকেল, শাড়ি বা ধুতি। খয়রাতির তালিকায় আরো অনেক কিছু আছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে করুণানিধির জন্য এই সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন তামিলরা। যাকে অনুসরণ করেন জয়ললিতা। ভোটব্যাংকের রাজনীতির ফলে পিছনের দিকে হাঁটছে তামিলনাড়ু।
সরকারের দাবি শুধুমাত্র বিনামূল্যে কিছু দেয়ার জন্য এই অবস্থা হয়নি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়কের মতো ক্ষেত্রর জন্য এটা করতে হয়েছে। তামিলনাড়ুর এক পঞ্চমাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে রয়েছেন। এই শ্রেণির ভোটারদের খুশি করতেই রাজনীতিবিদদের এত দৌড়াদৌড়ি। যার ফলে ঋণের ফাঁস আরো চেপে বসেছে। প্রকৃত প্রয়োজন ছেড়ে সস্তায় জনপ্রিয়তার পথ খোঁজা হচ্ছে। এর জন্য গত এক বছরের তুলনায় ঘাটতি বেড়েছে ১৮ শতাংশ। এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পশ্চিমবঙ্গের পর তামিলনাড়ু সবথেকে বেশি ঋণের ভারে রয়েছে তামিলনাড়ু। তবে এই রাজ্যের বৃদ্ধির হার ঈর্ষণীয়। জিডিপিতে দেশের মধ্যে দ্বিতীয়। অটোমোবাইল, রাসায়নিক, পোশাকের মতো ক্ষেত্রে ভারতে সামনের সারিতে তামিলনাড়ু। ওই রাজ্যের বনিকসভার আক্ষেপ প্রশাসনের দান খয়রাতির জন্য অনেক এগিয়ে থেকেও পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র সফর : ভিসা বা ব্যবসা- কোনোটাই পেলেন না মোদি

পাঁচ ঘণ্টার মোলাকাত। তার মধ্যে কুড়ি মিনিট নরেন্দ্র মোদি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প একান্তে। বাকি সময় দু’পক্ষের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক। হোয়াইট হাউসে নৈশভোজ। রোজ গার্ডেনে যৌথ বিবৃতি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির তিন দিনের এই সফর সম্পর্কে প্রবীন কূটনীতিকেরা বলছেন, দু’পক্ষ থেকেই বন্ধুত্বের উষ্ণতার দীর্ঘ ঘোষণা আছে। কিন্তু ট্রাম্প আমলের এইচ ওয়ান বি ভিসানীতি অথবা প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মতো বিষয়গুলো তুলতে ব্যর্থ হলো ভারত।
মোদি-ট্রাম্পের বেশ কয়েকবার আলিঙ্গন অবশ্য দেখা গেছে, হোয়াইট হাউসে অতিথিবৎসল ট্রাম্প দম্পতির সহৃদয় বিদায় জানানোর ফুটেজ দেখা গেছে। কিন্তু এই সফর শেষে মোদি কার্যত শূন্য হাতে দেশে ফিরছেন বলেই মনে করছেন অনেক প্রবীণ কূটনীতিক। সাবেক পররাষ্ট্রসচিব কানওয়াল সিব্বল যেমন মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে ভারত সম্পর্কে মার্কিন মনোভাবে কোনো পরিবর্তনই আসবে না।
মোদির সফরের মুখে হিজবুল প্রধান সৈয়দ সালাউদ্দিনকে বিশেষ সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করল আমেরিকা। যৌথ বিবৃতিতেও তার নাম এলো। কিন্তু সিব্বলের প্রশ্ন, দশ বছর আগেই তো হিজবুল মুজাহিদিনকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। এখন তার নেতাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করাটা কি নাটক নয়? অটলবিহারী বাজপেয়ী ও দেশে যাওয়ার আগেও দাউদ ইব্রাহিমকে বিশ্ব-সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করেছিল আমেরিকা।
সাবেক কূটনীতিকেরা শুধু নন, সাউথ ব্লকের অনেকেই মনে করছেন, মোদি আমেরিকা গিয়ে পাকিস্তানের সন্ত্রাসকে বড় বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলেছেন। চীন যে এলাকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছে, তা নিয়েও ট্রাম্পের কাছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কান্নাকাটি করেছেন মোদি। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদের বক্তব্য, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় স্তরে রাখাটাই দিল্লির লক্ষ্য। তবু আমেরিকার কাছে গিয়ে নালিশ করাটা যেন,‘মা আমাকে ও মারছে’গোছের কাঁদুনি গাওয়া!
এ কথা ঠিক পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে চীনের সিল্ক রুট তৈরি নিয়ে ভারতের উদ্বেগের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন একমত হয়েছে। কিন্তু শিবশঙ্কর মেননের মতো কূটনীতিক মনে করেন, চীনের সঙ্গে রণংদেহি মনোভাব ভারতের পররাষ্ট্রনীতির সাবেকি মূলমন্ত্র নয়। অনেক কূটনীতিক মনে করেন, চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলেই বরং আমেরিকার কাছে দিল্লির গুরুত্ব বাড়ে। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক চীনের উপরে চাপ বাড়ায়। অজিত ডোভাল ও জয়শঙ্কর এখন যেভাবে চীনের সঙ্গে সংঘাতের কৌশল নিয়েছেন, তাতে ভারতের মার্কিন নির্ভরতা বেড়েছে।
দু’দেশের মধ্যে অসামরিক পরমাণু চুক্তির বাস্তবায়ন দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে রয়েছে। তা নিয়ে কথা হয়েছে। তবে তিন পৃষ্ঠার সুদীর্ঘ যৌথ বিবৃতিতে আঞ্চলিক সন্ত্রাসের মোকাবিলা যতটা গুরুত্ব পেয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ততটা পায়নি। আছে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ এলাকায় শান্তিরক্ষার কথা। উত্তর কোরিয়ার লাগাতার হুমকি থেকে শুরু করে আফগানিস্থানে নয়া কলেবরে সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা, নাম না করেও দক্ষিণ চীন সাগর সমস্যার ইঙ্গিত— এই সবই ঠাঁই পেয়েছে বিবৃতিতে।
ভারত সরকারের দাবি, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে মার্কিন কর্তাদের সক্রিয় করে তোলা ও যৌথ বিবৃতি দেয়ানোটাও মোদির সাফল্য। কূটনীতির জগতের অনেকেই কিন্তু বলছেন, বারাক ওবামা এক সময় বিষয়টি নিয়ে খানিকটা উৎসাহ দেখালেও চীন যে এই এলাকাটিকে বাড়ির পুকুর ভাবতে শুরু করেছে, তা নিয়ে জাপান বা ভারতের মাথাব্যথা থাকলেও ট্রাম্পের কোনো উৎসাহ নেই। বিবৃতিটি তাই নাম কা ওয়াস্তে।
রণেন সেন অথবা শ্যাম শরণের মতো কূটনীতিক প্রকাশ্যে কিছু না বললেও, তারা পাকিস্তান সম্পর্কে আমেরিকার নীতি নিয়েও সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা দু’জনেই মার্কিন সেনাবাহিনীর লোক। এই অবস্থায় পাকিস্তানকে মার্কিন সেনার প্রতিরক্ষা সহায়তা কমছে কোথায়? প্রধানমন্ত্রীর এই আমেরিকা সফরের পরে পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, মোদির আসল সমস্যা হলো, তিনি পররাষ্ট্রনীতির দিকে নজর দেয়ার চেয়েও পাকিস্তান ও চীনের বিরোধিতা করে নির্বাচনী রাজনীতির মোক্ষ লাভেই বেশি ব্যস্ত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেলানিয়ার এই হলুদ পোশাকের দাম কত জানেন?

যখন ক্যামেরার পিছনে থাকা ফটোগ্রাফাররা মোদি-ট্রাম্পের দেখা হওয়ার মুহূর্তটি ফ্রেমবন্দি করার জন্যে তৈরি, ঠিক তখনই হলুদ পোশাকে হাজির হয়ে, নিজের দিকে সমস্ত নজর সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মেলানিয়া। সাধারণত, ফিট এবং ফ্লেয়ার ফ্রক বা আভিজাত্যপূর্ণ ইভনিং গাউনেই দেখা যায় মেলানিয়াকে। কিন্তু সকলকে অবাক করে এবার তিনি পরেছিলেন একটি ফ্লোরাল ড্রেস, যার দাম ২, ১৬০ ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার মূল্য এক লাখ ৭৪ হাজার ১৬০ টাকা।
ভোগ সূত্রে খবর, উজ্জ্বল হলুদ রঙের মাটি ছুঁয়ে যাওয়া ফ্লোরাল ক্রেপ গাউনটি এমিলিও পুসির তৈরি। এই পোশাকের নিজস্ব কিছু অভিনবত্বও রয়েছে।
মেলানিয়ার কোমরে যে বেল্টটি ছিল, সেটাও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। আর তার পোশাক ও মেকআপের সঙ্গে যোগ্য সঙ্গতে ছিল গোলাপী রঙের স্টিলেটো সঙ্গে হীরের আঙটি। কার্যত সদা হাস্য স্লোভানিয়ার এই মডেল, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি, তার প্রতিটি স্টাইলেই অনন্য, অদ্বিতীয়।
About: COX VIEW
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিড়িয়াখানায় ‘শেয়াল দেবতা’র আবির্ভাব

দীর্ঘদিন করাচির চিড়িয়াখানায় দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু অর্ধেক মানুষ অর্ধেক শেয়াল এক মহিলা। তার নাম মুমতাজ বেগম। শুধুমাত্র তাকে দেখার জন্যই দূর-দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন হাজার হাজার মানুষ।
চিড়িয়াখানার একটি কাচ ঘেরা জায়গায় বসে থাকেন শেয়াল দেবী। যদিও চিড়িয়াখানাটিতে বাঘ ও সিংহের মতো অন্যান্য জন্তুর অভাব নেই, তবুও তাকে দেখার জন্য শুরু থেকেই মুখিয়ে থাকেন দর্শকরা। তবে কি বিজ্ঞান মিথ্যে? এতদিনের গবেষণা বিফল! জীববিজ্ঞানীরাও কি শেয়াল দেবীর অস্তিত্বই স্বীকার করে নিয়েছেন?
গল্প এখনো শেষ হয়নি। ‘শেয়াল দেবীর’ নেপথ্যে যে সত্যিটা রয়েছে তা জানলে হতবাক হয়ে যাবেন আপনিও। তা কী সেই সত্যি? পাকিস্তানের বিখ্যাত শেয়াল দেবী আসলে মুরাদ খান নামে এক ব্যক্তি। তিনিই ওই ছদ্মবেশে দিনের ১২ ঘন্টা চিড়িয়াখানায় থাকেন। এর জন্য পারিশ্রমিক পান তিনি। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মুরাদ জানিয়েছেন, তার বাবাও ওই চিড়িয়াখানায় শেয়াল দেবীর অভিনয় করতেন।
চিড়িয়াখানাটির ডিরেক্টর মোহাম্মদ ফাহিম খান জানিয়েছেন, শেয়াল দেবীর আবির্ভাবের নেপথ্যে ছিলেন সার্কাসের কয়েকজন ব্যক্তি। প্রায় ৪০ বছর আগে জনতার মন জয় করতে তারাই তৈরি করেন অদ্ভুতদর্শন এই প্রাণীটিকে। অনেকেই নাকি শেয়াল দেবী হওয়ার জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। তবে সাধারণত পুরুষদেরই এই কাজের জন্য রাখা হয়। যোগ্যতা বলতে জানতে হবে বেশ কয়েকটি স্থানীয় ভাষা ও ঠায় বসে থাকার ক্ষমতা।
About: COX VIEW
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 28
(9)
- বাংলাদেশে রাতের পার্টি মাতানো ডিজে দুনিয়া কেমন?
- প্রচ্ছদে অন্তঃসত্ত্বা সেরেনা, গায়ে সুতোটি নেই
- সিরিয়ায় সরাসরি হামলার মতলব করছে যুক্তরাষ্ট্র? by শ...
- নখের এই অর্ধচন্দ্রই বলে দিবে আপনি সুস্থ কিনা
- এটিএমের ৫০ বছর : ব্যাংকিং বদলে দিয়েছে যে যন্ত্র
- তামিলনাড়ুতে দান-খয়রাতির প্রতিযোগিতা
- যুক্তরাষ্ট্র সফর : ভিসা বা ব্যবসা- কোনোটাই পেলেন ন...
- মেলানিয়ার এই হলুদ পোশাকের দাম কত জানেন?
- চিড়িয়াখানায় ‘শেয়াল দেবতা’র আবির্ভাব
-
▼
Jun 28
(9)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...