Showing posts with label নরওয়ে. Show all posts
Showing posts with label নরওয়ে. Show all posts

Tuesday, May 13, 2025

ইসরাইল থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে নরওয়ে

দখল করে নেয়া পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের  জ্বালানি সরবরাহ দেয়ার অবকাঠামোর মালিক এবং তা অপারেট করে বলে ইসরাইলের পাজ রিটেইল অ্যান্ড এনার্জি’তে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে নরওয়ের সার্বভৌম সম্পদ বিষয়ক তহবিল। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তহবিলের এথিকস ওয়াচডগ বলে পরিচিত কাউন্সিল অন এথিকস ব্যবসার মানদণ্ড বজায় রাখা নিয়ে কঠোরতা অবলম্বন করে গত আগস্টে। তারপর রোববারের এই অর্থ প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘটনা দ্বিতীয়। ফিলিস্তিনের দখল করে নেয়া ভূখণ্ডে ইসরাইল যেসব অপারেশন চালাচ্ছে তার প্রতিবাদে এভাবে অর্থ বা বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে দেশটি। প্রথমে তারা গত ডিসেম্বরে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেয় ইসরাইলি টেলিযোগাযোগ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান বেজেক থেকে। ওই তহবিলের বিশ্বজুড়ে নয় হাজার কোম্পানিতে শেয়ার আছে। তার মধ্যে তারা শতকরা ১.৫ ভাগের মালিক। নরওয়ের পার্লামেন্টের নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা এই ব্যবসা পরিচালনা করে। একই সঙ্গে নিজেদেরকে পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসনের ক্ষেত্রে নিজেদেরকে নেতৃস্থানীয় হিসেবে দেখে তারা। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইল থেক যেসব কোম্পানি তাদের সম্পর্ক কর্তন করেছে তার মধ্যে ইউরোপিয়ান এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি অন্যতম। উল্লেখ্য, ইসরাইলে গ্যাস স্টেশন বিষয়ক সবচেয়ে বড় অপারেটর পাজ রিটেইল। দখল করে নেয়া পশ্চিম তীরে আছে তাদের নয়টি স্টেশন। সর্বশেষ বিনিয়োগ প্রত্যাহারের সুপারিশের বিষয়ে কাউন্সিল অন এথিকস বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিতে জ্বালানি সরবরাহ করে এমন অবকাঠামো পরিচালনায় জড়িত পাজ রিটেইলার। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এসব বসতি স্থাপন করা হয়েছে। তাছাড়া তাদেরকে টিকিয়ে রাখার মধ্য দিয়েও আন্তর্জাতিক আইন অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, অবৈধভাবে ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে আছে ইসরাইল এবং সেখানে তারা বসতি নির্মাণ করেছে। এসব বসতি যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত। তবে আদালতের সেই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে তেল আবিব। তারা এ রায়কে ভুল এবং পক্ষপাতী বলে অভিযোগ করেছে।
mzamin

Monday, March 3, 2025

‘আমেরিকাকে এক ফোঁটাও জ্বালানি তেল দেব না’

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীকে জ্বালানি দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিল নরওয়ের বৃহৎ জ্বালানি তেল কোম্পানি হাল্টবাক বাংকার্স। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির উত্তপ্ত বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি। ভরা বৈঠকে যেভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে অপদস্ত করার ছবিটা প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে আমেরিকার নিন্দায় মুখর ইউরোপের বহু দেশ। তারা সকলেই জেলেনস্কির পাশে দাঁড়িয়েছেন। ওভাল অফিসে জেলেনস্কির এই হেনস্তা সহ্য করতে না পেরে এবার  নরওয়ের বড় তেল সংস্থা কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল।

হাল্টবাক বাংকার্স নামে নরওয়ের একটি সংস্থা মার্কিন সেনাকে বছরে ৩০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহ করে। ফেসবুকে বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, ‘আজ বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য একটা শো হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে আমরা দেখলাম। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে আমরা কুর্নিশ জানাই। এতক্ষণ বসে বসে অসভ্যতা সহ্য করার জন্য। এসব আমাদের ক্লান্ত করেছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অবিলম্বে আমেরিকাকে তেল সরবরাহ বন্ধ করব। যতক্ষণ না ট্রাম্প জমানার পতন ঘটছে, ততক্ষণ একফোঁটা তেলও দেব না। এমনকি এখন থেকে মার্কিন জাহাজ নরওয়ের তীরে ভিড়তেও পারবে না।’

কোম্পানিটির মালিক গুনার গ্রান নরওয়ের সংবাদমাধ্যমকে জানান, ট্রাম্প যতদিন ক্ষমতায় আছেন, আমেরিকানদের এক ফোঁটাও জ্বালানি দেব না। আমরা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আমাদের গ্রাহক বেছে নেওয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুতিনের আগ্রাসনের পর আমরা রাশিয়ানদের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করেছিলাম। এতে আমাদের প্রতিযোগীরা বাড়তি লাভের সুযোগ পেয়েছিল। আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, কিন্তু আমাদের নৈতিক অবস্থান অটুট রয়েছে। এখন ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের কারণে আমেরিকানদের জন্যও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকর হবে।  হাল্টবাক বাংকার্স বিবৃতিতে ইউরোপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

mzamin