Sunday, October 25, 2015
দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন নয় by বদিউল আলম মজুমদার
দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে সবচেয়ে জোরালো যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে রাজনীতিতে দলের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে। আরেকটি যুক্তি হলো যে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করলে নির্বাচনটি হবে ‘রাজনৈতিক’, ফলে নির্দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ‘বিরাজনীতিকরণের’ পথ রুদ্ধ হবে। এ ছাড়া আমাদের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সম্প্রতি দাবি করেছেন যে শুধু দলীয়ভাবে নির্বাচনের মাধ্যমেই তৃণমূলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। উপরন্তু, নির্দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও, যেহেতু দলগুলো তা মানে না, তাই দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠানই হবে যুক্তিযুক্ত। যেহেতু দলীয়ভাবেই নির্বাচন হয়ে আসছে, আইন করে তা করতে ক্ষতি কী! আমাদের মতে, এই সব কটি যুক্তিই অসার।
দলীয় শৃঙ্খলার বিষয়ে আসা যাক। বলা হয় যে দলীয়ভাবে নির্বাচন হলে দলের মনোনয়ন নিয়ে জয়ী প্রার্থীদের অবৈধ, অনৈতিক ও অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা যাবে, ফলে তাঁরা দায়িত্বশীল আচরণ করতে বাধ্য হবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিরাজমান দলান্ধতার সংস্কৃতির কারণে আমাদের রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দৃষ্টান্ত নেই বললেই চলে। অর্থাৎ আমাদের দলগুলোর মধ্যে শৃঙ্খলাবোধই অনুপস্থিত।
নির্বাচন—দলভিত্তিক হোক বা নির্দলীয় হোক—এটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। তাই নির্দলীয় নির্বাচন রাজনীতিবিবর্জিত নয়। সুতরাং, যাঁরা যুক্তি দেখান যে নির্দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিরাজনীতিকরণ হয়, তাঁদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কেই ধারণা অস্পষ্ট। আর আমাদের রাজনীতি আজ, মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষায়, ‘ব্যবসায়ীদের পকেটে ঢুকে গিয়েছে,’ যার প্রধান কারণ হলো মনোনয়ন-বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের রাজনীতিতে প্রবেশ। আমাদের দলগুলোর অর্বাচীনতার কারণেই আজ আমাদের সাংসদদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্যবসায়ী।
গণতন্ত্র হলো জনগণের সম্মতির শাসন, আর এ সম্মতি অর্জিত হয় নির্বাচনের মাধ্যমে। তাই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিরা—যাঁরা দলীয় হতে পারেন বা নির্দলীয়ও হতে পারেন—যদি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন, তাহলে স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক শাসনের সূচনা হয়। এর মাধ্যমে একঝাঁক নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির পথও সুগম হয়। অর্থাৎ স্থানীয় পর্যায়ে দলভিত্তিক নির্বাচন আর রাজনীতি যেমন এক কথা নয়, তেমনিভাবে গণতন্ত্রও দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনের ওপর নির্ভর করে না।
অনেকেই বলেন যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্দলীয় নির্বাচনের নিয়মনীতি মেনে চলে না, তাই নিয়মনীতি পরিবর্তন করতে হবে। এই যুক্তিও গ্রহণযোগ্য নয়।
দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনের জন্য গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক দল অপরিহার্য। দলকে কোটরি স্বার্থের ঊর্ধ্বে থাকাও আবশ্যক। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে আমরা যথার্থ রাজনৈতিক দল গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি। আমাদের আশঙ্কা যে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন দলের নামে দলাদলি ও মারামারি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে এটি সুস্পষ্ট যে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনের পক্ষের যুক্তিগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আমরা মনে করি যে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও এ ব্যাপারে সরকারের সামনে অগ্রসর হওয়া ঠিক হবে না। বস্তুত, আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে, যেখানে ন্যূনতম মৌলিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা হয় না, আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নেই। এ অবস্থায় দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
গণতন্ত্রের অন্যতম মূল্যবোধ হলো বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষ ও ভিন্নমতের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শন। কিন্তু বাংলাদেশে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অসহ্যই করে না, তারা সাংঘর্ষিক রাজনীতিতে জড়িত। এ ধরনের পরিবেশ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনুকূলে নয়। সুতরাং, দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার চেয়ে দলতন্ত্র ও দলবাজি তথা দলের প্রতি অন্ধ আনুগত্যকেই উৎসাহিত করবে। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক দল জাতীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র চর্চার জন্য অপরিহার্য হলেও দলতন্ত্র গণতন্ত্রের শত্রু।
দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনের জন্য গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক দল অপরিহার্য। দলকে কোটরি স্বার্থের ঊর্ধ্বে থাকাও আবশ্যক। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে আমরা যথার্থ রাজনৈতিক দল গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি। বহু বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আফসোস করে বলেছিলেন, বাঙালি দলাদলিই করতে পারে, কিন্তু দল গড়ে তুলতে পারে না। আমাদের আশঙ্কা যে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন দলের নামে দলাদলি ও মারামারি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।
তাই দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনের সুফল অর্জনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক আচরণ ও মূল্যবোধের চর্চা নিশ্চিত করার জন্য ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে একটি ব্যাপক ভিত্তিতে সংলাপের আয়োজন আবশ্যক।
প্রস্তাবিত সংলাপের উদ্দেশ্য হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক ও দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করার জন্য রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো, যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ তথা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। একই সঙ্গে মনোনয়নের জন্য গণতান্ত্রিক পন্থার প্রচলন করা। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ আচরণ নিশ্চিত করা। কারণ, এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পক্ষপাতদুষ্টতা প্রহসনের নির্বাচনের পথই সুগম করে।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ও দলের প্রস্তাবিত সংস্কার ব্যতীত দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য হবে ব্যাপক টাকার খেলা ও পেশিশক্তির ব্যবহার, যা প্রার্থীর যোগ্যতাকে নিম্নমুখী করতে বাধ্য। এ ছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শন, মামলা-হামলা দ্বারা বিরোধী দলের প্রার্থীদের হয়রানি করা হতে পারে। এ কাজে দলীয় ক্যাডার ও সরকারি ক্ষমতা ব্যবহৃত হতে পারে। এমনকি এভাবে প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকেও বিরত রাখা হতে পারে।
উল্লেখ্য, কালের কণ্ঠ–এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন (১২ অক্টোবর ২০১৫) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলীয় সশস্ত্র ক্যাডারদের বাধার কারণে ২৫ শতাংশ প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্রই জমা দিতে পারেননি। এটি সবারই জানা যে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গের আমলাতন্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দলতন্ত্রের শিকার নয়।
তাই প্রস্তাবিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ও দলের সংস্কার ছাড়া দলভিত্তিক নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে বলেই আমাদের আশঙ্কা। আর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ক্ষমতাসীন দলের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরওÿ ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ইতিমধ্যে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের কারণে জেলা পরিষদ ক্ষমতাসীন দলের কবজায়। সাংসদেরা উপজেলা পরিষদের ওপরও খবরদারি করে থাকেন। এখন অবশিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেও ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে সব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে তাদের নিয়ন্ত্রণ নিরঙ্কুশ হবে, যা আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। গণতন্ত্র হলো সবাইকে নিয়ে পথচলা এবং সব স্তরে একটি শক্তিশালী বিরোধী প্রতিপক্ষের উপস্থিতি।
স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষমতাসীন দলের নিয়ন্ত্রণ এবং দলতন্ত্রের চর্চা বিরোধী দলের প্রতি অনুগত ব্যক্তিদের, সাধারণ মানুষ, এমনকি সরকারি দলের ভিন্নমতের সমর্থকদেরও গুরুত্বপূর্ণ সেবা থেকে বঞ্চিত করতে পারে। দলীয় প্রতীকের কর্তৃত্ববাদী প্রভাবের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী, যাঁরা অনেক ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভালো, নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন। দলীয়ভাবে নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন দল স্বল্পসংখ্যক নারীকে মনোনয়ন দেবে। ফলে স্থানীয় সরকারে নারীদের নির্বাচিত হওয়ার সুযোগও সংকুচিত হবে। এভাবে দলভিত্তিক নির্বাচন শুধু স্থানীয় প্রতিনিধিদের গুণগত মানেরই অবনতি ঘটবে না, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্বের বিকাশও ব্যাহত করবে।
প্রসঙ্গত, দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন বর্তমান সরকারের অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তগুলোর অন্যতম। ১৯ অক্টোবর রংপুরে এ বিষয়ে একটি আলোচনা সভায় আমার অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়, যাতে ইউনিয়ন পরিষদের দুজন চেয়ারম্যান, বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদসহ সমাজের সব ক্ষেত্রের প্রতিনিধিত্বকারী ৬২ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় ২৮ জন ব্যক্তি অংশ নেন, তার মধ্যে ২০ জন এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে, চারজন এর পক্ষে বক্তব্য দেন এবং চারজন কোনো সুস্পষ্ট অবস্থান নেননি (যার মধ্যে দুজন এই ইস্যুতে জনমত যাচাইয়ের পক্ষে মত দেন)। উল্লেখ্য, দুজন চেয়ারম্যানই এর বিপক্ষে অবস্থান নেন।
বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজশাহীর পদ্মায় ইলিশের রুপালি চমক
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ফলে বঙ্গোপসাগরে ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপুল ইলিশ রাজশাহী অঞ্চলের পদ্মায় চলে এসেছে।
প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞার ইতিবাচক ফল হিসেবে এলাকায় এবার প্রচুর পরিমাণ ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
গোদাগাড়ি উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের জেলে নঈমুদ্দিন জানান, ইলিশ মাছ ধরে আমি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আয় করছি।
রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের প্রাণীবিদ্যার সহকারি অধ্যাপক ড. সরোয়ার জাহান বলেন, ‘আমি আমার চোখকে বিশ্বাস করতে পারিনি। আমি পদ্মায় বিপুল পরিমান ইলিশ মাছ দেখেছি। আমি কোন চিন্তা না করেই এক ডজনেরও বেশি ইলিশ কিনে নিলাম।’
তিনি জানান, ১৯৯০ দশকের শুরু থেকেই রাজশাহী অঞ্চলের পদ্মায় ইলিশের বিচরণ হ্রাস পায়।
জেলা মৎস কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী বাসসকে জানান, ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিন ইলিশ মাছ ধরা ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে ইলিশ প্রজননে সাফল্য দেখা গেছে।
তিনি জানান, গত ১০ অক্টোবর থেকে প্রায় ২ হাজার জেলে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মণের বেশী ইলিশ মাছ ধরছে।
সূত্র : বাসস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুনিয়াজুড়ে দুর্যোগের ঘনঘটা by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
![]() |
| চীন ও তাইওয়ানে গত আগস্টে টাইফুন ‘সুডেলর’ আঘাত হানে। চীনের উপকূল থেকে ছবিটি তোলা |
![]() |
| অক্টোবরে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় হুদহুদ। ভারতের উপকূলীয় এলাকা থেকে ছবিটি তোলা। ছবি: এএফপি |
![]() |
| সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন -এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়। ছবি: প্রথম আলো |
গত শুক্রবার মেক্সিকোর ওপর দিয়ে বয়ে গেছে সামুদ্রিক ঝড় প্যাট্রিসিয়া। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, এর আগে এমন হারিকেন কখনো আঘাত করেনি সে দেশে। শক্তির ধরন অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি সেরকম না হলেও তা একেবারে কম ছিল না।
ইন্দোনেশিয়ায় কৃষিজমি তৈরির জন্য বিশাল এলাকাজুড়ে বনজঙ্গল সাফ করে গাছ পোড়ানো হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ গ্রিন হাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ছড়াচ্ছে। মাস দুয়েক ধরে মানব-সৃষ্ট এই দুর্যোগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে এখন ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার অনেক এলাকায় লোকজন ঠিকমতো শ্বাস টানতে পারছে না। দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন সমস্যা। মালয়েশিয়ায় এর মধ্যে কয়েক দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ব পরিবেশ পর্যবেক্ষকেরা এর মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গ্রিন হাউস গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত নির্গমনে ওজোন স্তর ক্ষয়ে গিয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। গলে যাচ্ছে মেরু অঞ্চল ও সুউচ্চ পর্বতমালায় জমে থাকা হিমবাহ ও বরফের স্তর।
![]() |
| মেক্সিকোতে গত শুক্রবার আঘাত হানে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় (হারিকেন) প্যাট্রিসিয়া। ছবি: রয়টার্স |
আগামী ডিসেম্বরে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক সম্মেলন। এই সম্মেলনে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াও যোগ দেবে। কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ দেশটি বরাবরই পরিবেশবাদীদের কঠোর সমালোচনার মুখে। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী এ কারণে এ ধরনের সম্মেলন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতেন। অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলকে নিয়ে অনেকে আশাবাদী। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি কথা দিয়েছেন। তাঁর মতো উন্নত দেশগুলোর নেতারা কথাকে কাজে পরিণত করলে এই ধরণির উত্তপ্ত হওয়ার পথ কিছুটা হলেও ধীর হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হলে ঘরে ঘরে মারামারি হবে : সাখাওয়াত
আজ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মিউনিসিপ্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব) আয়োজিত ‘দলীয় পরিচয়ে স্থানীয় নির্বাচন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, কোনো নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হয় না। এর মধ্যে আবার সবচেয়ে জটিল হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হলে প্রথমে মনোনয়ন নিয়ে সহিংসতা হবে। তারপর সহিংসতা হবে ভোট নিয়ে। কারণ এখানে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাই, পিতার বিরুদ্ধে সন্তান প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়।
এসময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে জনগণ এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহবান জানান তিনি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হলে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে কবর দেয়ার পর যেটুকু অবশিষ্ট আছে তারও কবর রচিত হবে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার জাতির সাথে প্রতারণা করতে যাচ্ছে। ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যে সরকার বিশ্বরেকর্ড করেছে তার কাছে জনগণ আর প্রতারিত হতে চায় না।
তিনি আরো বলেন, দেশে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে আমরা এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবো। কারণ এক্ষেত্রে সরকার দলীয় প্রার্থী ছাড়া বিরোধী দলের খুব কম সংখ্যক লোক নির্বাচনে অংশ নিলেও তারা কোনো প্রচার প্রচারণা করতে পারবে না।
তিনি দলীয় প্রতীকে নির্বাচনকে ‘অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য’ এবং ‘দেশের বিপর্যয় ডেকে আনা হটকারী সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দেন এবং শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আহবান জানান।
আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব শামীম আল রাজির সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, উন্নয়ন কর্মী রঞ্জন বিশ্বাসসহ বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরগণ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে : তথ্য সচিব
সরকারের সাফল্য, অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা এবং তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ ও নৈতিকতার বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা সকাল ১১টায় শুরু হয়ে শেষ হয় বেলা ১টায়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মরতুজা আহমদ বলেন- ইতিমধ্যে অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া তৈরি হয়েছে। স্টেকহোল্ডারদের মতামত পাওয়া গেলেই এটা চূড়ান্তরূপ পাবে। এছাড়াও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য একটি পৃথক ওয়েজ বোর্ড স্থাপনের চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য সচিব।
তথ্য সচিব বলেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন সারাদেশের সাংবাদিকরা। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে সাংবাদিকের কল্যাণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে।
তিনি বলেন, সরকার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে চান। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার মানসিকতা তারা কাজ করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্য সচিব।
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দীন আহমেদ। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন- জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচলাক জুলিয়া যেসবিন মিলি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখানেও জঙ্গি দেখছে না পুলিশ! by সোহরাব হাসান
![]() |
| পড়ে আছে পানির বোতল, চপ্পল। ছবি: সাজিদ হোসেন |
শুক্রবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে একটি শিয়া মসজিদে বোমা হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা করা হয়। এর আগে বেলুচিস্তানে দুই দফা বোমা হামলায় ২১ জন মারা গেছেন। আর শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটায় ঢাকার হোসনি দালানে শিয়া ধর্মাবলম্বীদের ওপর ছোড়া বোমায় একজন নিহত ও অর্ধ শতাধিক আহত হয়েছেন। শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা সেখানে পবিত্র আশুরার মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পাকিস্তানে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা কঠিন নয়। সেখানে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব বহু পুরোনো। এর পেছনে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি যেমন আছে, তেমনি আছে আঞ্চলিক রাজনীতিও। পাকিস্তানের প্রতিবেশী ইরান শিয়াপন্থী হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তানের বেলুচিস্তানেও শিয়া সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ আছেন, যাদের সুনজরে দেখেন না কট্টরপন্থী সুন্নিরা। আবার পাকিস্তানের এই কট্টরপন্থী সুন্নিদের মদদ দিয়ে থাকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। সেখানে প্রতি বছরই মহররম উপলক্ষে শিয়াদের মিছিল ও সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটে থাকে। এ ছাড়া শিয়া মসজিদে বোমা হামলা চালিয়ে কিংবা গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনাও ঘটে থাকে। পাকিস্তানে আহমদিয়াদের সাংবিধানিকভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে। শিয়াদের মুসলিম হিসেবে স্বীকার করলেও তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব দেশটির কট্টরপন্থীরা মানতে পারছে না।
কিন্তু বাংলাদেশে হঠাৎ এই নিরীহ এবং সংখ্যায় খুবই কম শিয়াদের সমাবেশে কারা হামলা চালাল? পাকিস্তানে জঙ্গিগোষ্ঠী ও কট্টরপন্থীরা এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে। এর সঙ্গে রাজনীতির চেয়েও ধর্মীয় উগ্রপন্থার নিবিড় সম্পর্ক আছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন। সেখানে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের দৌরাত্ম্য চলে আসছে গেল শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে। সে সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে কাদিয়ানি বিরোধী দাঙ্গায় বহু নিরীহ মানুষ নিহত হন। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক হয়ে পড়ে যে পাকিস্তান সরকার লাহোরে সামরিক শাসন জারি করতে বাধ্য হয়।
কিন্তু বাংলাদেশে সেরকম ধর্মীয় সংঘাতের উদাহরণ নেই।
তাহলে কারা ঘটাল হোসনি দালানে সন্ত্রাসী হামলা?
সাড়ে তিন শ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এতিহ্যবাহী ইমামবাড়ায় শিয়া সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে আশুরা পালন করে। আশুরা উপলক্ষে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া আশুরা উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় জমজমাট মেলা বসে, যাতে শিয়া সম্প্রদায় ছাড়াও সব মতের ও ধর্মের মানুষ যোগ দেয়। কিন্তু এবারই সেই সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটল। একজন নিরীহ মানুষ জীবন দিল। আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। পুলিশের আইজি বলেছেন, জঙ্গি গোষ্ঠী নয়, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্তের আগেই তিনি কীভাবে নিশ্চিত হলেন এটি জঙ্গি গোষ্ঠীর কাজ নয়?
এত দিন সরকারের মন্ত্রী-নেতারা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্তাব্যক্তিরা বলে আসছেন, স্বাধীনতা বিরোধী ও জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে কোনো ফারাক নেই। এখন তাঁরা ফারাক করছেন কীভাবে? ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি দেশে জঙ্গি নেই বলে খাল কেটে কুমির এনেছিল। এখন পুলিশ কর্মকর্তারাও দেখছি সেই ভাষায় কথা বলছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, হোসনি দালানের ঘটনায় গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু অতীতে কারা গ্রেনেড ব্যবহার করেছিল, সেটিও নিশ্চয়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অজানা নয়। এত তাড়াতাড়ি তো ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার কথা ভুলে যাওয়ার কথা নয়।
আসলে জঙ্গি ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ আছে কি? এটি কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ ছিল না। ছিল শিয়া সম্প্রদায়ের সমাবেশ। যারা এ ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ ও রীতিতে বেদাত কাজ মনে করে, তাদের দ্বারা হামলার আশঙ্কা কি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায়। ধর্মীয় উগ্রবাদই জঙ্গি তৈরি করে। ঢাকার পুলিশ কমিশনার বলেছেন, এটি পরিকল্পিত ঘটনা। এএসআই ইব্রাহিম মোল্লার হত্যাকারীদের কাছে যে বোমা পাওয়া গেছে, হোসনি দালানেও সেই বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।
তাহলে তারা জঙ্গি সম্পৃক্ততা কীভাবে বাতিল করে দিল? জঙ্গি সম্পৃক্ততা বাতিল করলে আরও অনেক কিছু বাতিল হয়ে যায়। সাম্প্রতিককালে বেশ কিছু নাশকতার ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনোটারই সুরাহা করতে পারেনি। এ ধরনের অঘটন রোধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে তারা, তাও জানা যায় না। অপরাধীদের শক্তি ও কৌশল সম্পর্কেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামগ্রিক ধারণা আছে বলে মনে হয় না। থাকলে এএসআইকে এভাবে জীবন দিতে হতো না। দুই বিদেশি হত্যার পর রাজনৈতিক বাহাস যত বেশি হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে কিংবা অপরাধীদের ধরতে ততটা সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়নি। এই সুযোগে একের পর এক হামলা ও নাশকতার ঘটনা ঘটছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, হোসনি দালানে হামলার ঘটনাটি নাশকতামূলক। এখন প্রশ্ন হলো, সেই নাশকতা ঠেকাতে তারা কি আগাম ব্যবস্থা নিয়েছিল? তারা ঘটনার পেছনেও ছুটতে পারছে না। ঘটনাই তাদের তাড়িয়ে ফিরছে। এখন পর্যন্ত দুই বিদেশি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। এসব কী তাদের ব্যর্থতা নয়?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৈয়দ আশরাফ দেশে ফিরছেন ৩১ অক্টোবর
আজ রোববার দুপুরে সৈয়দ আশরাফের সহকারী একান্ত সচিব এম সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।
সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আগামী শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকার উদ্দেশে সৈয়দ আশরাফের রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। ৩১ অক্টোবর তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। জেল হত্যা দিবস স্মরণে দেশে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য যান সৈয়দ আশরাফ। গত ৪ অক্টোবর তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে দুই দফায় ছুটি বাড়ান তিনি।
লন্ডনে সৈয়দ আশরাফের স্ত্রী, মেয়েসহ নিকটাত্মীয়রা থাকেন। তিনি সেখানে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি বাদশাহ সালমানকে চান না তাঁর আট ছেলে
![]() |
| সৌদি আরবের বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ |
নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করে ওই সৌদি প্রিন্স দাবি করেন, তাঁদের এই পরিবর্তন চাওয়ার পেছনে দেশটির শক্তিশালী উলামা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন রয়েছে। দেশটির বর্তমান বাদশাহ সালমানকে সরিয়ে তাঁরা প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজকে সিংহাসনে বসাতে চান। এর আগে প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজ দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নিজেকে প্রয়াত বাদশাহ ইবনে সৌদের নাতি পরিচয় দিয়ে ওই প্রিন্স বলেন, ‘প্রভাবশালী উলামা পরিষদের সদস্য ও ধার্মিক মানুষেরা প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজকে বাদশাহ হিসেবে দেখতে চান। তবে সবাই যে এ দলে, তা নয়। তবে ৭৫ শতাংশই তাঁকে চান।’
সৌদি আরবে উলামা পরিষদের সমর্থন দেশটির শাসক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ওই প্রিন্স বলেন, ১৯৬৪ সালে বাদশাহ সৌদের আমলে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও উলামা পরিষদ তাঁর প্রতি সমর্থন ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। এত দিন পর হয়তো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে।
ওই প্রিন্স বলেন, ‘বাদশাহ সৌদের মতো যদি বাদশাহ সালমান দেশ ত্যাগ করেন, তাহলে দেশে ও দেশের বাইরে তিনি সম্মানিত ব্যক্তি হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবর্তে যদি প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজ বাদশাহর আসনে অভিষিক্ত হন, তাহলে তিনি শক্ত হাতে দেশ পরিচালনা করবেন। দেশের অর্থনীতি, তেল, সশস্ত্র বাহিনী, জাতীয় নিরাপত্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে সব দায়িত্বই তিনি পালন করবেন। এ ছাড়া জুয়াখেলা, মদ ও নারী সংক্রান্ত কোনো কলঙ্ক নেই তাঁর।’
বাদশাহ সালমান আলঝেইমারে আক্রান্ত। এ অবস্থায় সম্প্রতি মক্কায় পরপর দুবার ঘটা দুর্ঘটনা ও ইয়েমেনের যুদ্ধে সৌদি আরবের ভূমিকায় বাদশাহর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া তেলের দর কমে যাওয়ায় দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। এ কারণে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সৌদি আরবকে হুঁশিয়ারি করে দিয়েছে।
সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল্লাহর মৃত্যুর পর তাঁর সৎভাই সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ (৭৯) দেশটির নতুন বাদশাহ হন। প্রায় ৫০ বছর রিয়াদের গভর্নর ছিলেন সালমান। ১৯৩৫ সালর ৩১ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া সালমান সৌদি আরবে রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ বিন সৌদের ২৫ তম সন্তান। তাঁর মা হাসসা বিন আহমেদ আল সৌদারির সাত সন্তানের অন্যতম সালমান। তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের বাদশাহ হওয়ার পর আবদুল আজিজের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। মাত্র ২০ বছর বয়সে সালমান রিয়াদ প্রদেশের গভর্নর হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০১১ সালে ভাই প্রিন্স সুলতানের মৃত্যুর পর সালমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে রাজ প্রাসাদে তাঁর পূর্বের উত্তরসূরি প্রিন্স নাইফের মৃত্যুর পর তাঁকে পরবর্তী বাদশাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতার অভিনেতা পীযূষ আর নেই
![]() |
| প্রয়াত অভিনেতা পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায় |
দুর্গাপূজার সপ্তমীর সন্ধ্যায় নিজেই গাড়ি চালিয়ে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে হাওড়ার দিকে ফিরছিলেন পীযূষ। গাড়িতে তাঁর পাশের আসনেই ছিলেন নৃত্যশিল্পী মালবিকা সেন। সাঁতরাগাছি সেতুতে একটি লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তাঁদের গাড়িটি একেবারে দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর মালবিকা সেনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটতে থাকে। এ দুর্ঘটনায় পীযুষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডান হাত, ডান পা এবং বুকের ডানদিকের পাঁচটি পাঁজর ভেঙে যায়। মুখের দু’পাশে ও কপালে মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। দুর্ঘটনায় তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং হাড় ভেঙে রক্তে অস্থিমজ্জা মিশে যাওয়ার কারণে পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের রক্তে সংক্রমণ বেড়ে যায়।
গত চার দিন ধরেই পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটজনক। চিকিৎসকেরা শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, পীযূষকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস নেওয়ার যন্ত্রের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সে সময় তাঁরা জানিয়েছিলেন, ভেন্টিলেশনে থাকা সত্ত্বেও তাঁর খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। রক্তচাপ যথেষ্ট কম। সঙ্গে জ্বর। যকৃৎসহ তাঁর শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অঙ্গও ভালোভাবে কাজ করছে না। সার্বিকভাবে চিকিৎসায় খুব একটা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে, আজ রোববার সকালেই ময়নাতদন্তের জন্য পীযুষ গঙ্গোপাধ্যায়ের মরদেহ কলকাতা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রয়াত এই অভিনেতার মরদেহ তাঁর বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা। এরপর সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে।
কলকাতার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, অভিনেতা পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে।
পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ পশ্চিমবঙ্গের টিভি, মঞ্চ আর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও ব্যক্তিত্বরা। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেমের পবিত্র স্থান নিয়ে জর্ডান-ইসরায়েল সমঝোতা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাভারের সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন, পৌর মেয়র রেফাতউল্লাহ গ্রেফতার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের উত্থানে ইরাক যুদ্ধ, ক্ষমা চাইলেন টনি ব্লেয়ার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি বাদশাহ সালমানের উৎখাত চান আট ছেলে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাকিব খান ছাড়া অচল অপু বিশ্বাস!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্লু পাওয়া না গেলেও দোষারোপ শুরু
পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বে কোন অবহেলা ছিল কি-না সেটি জানতে একটি তদন্ত কমিটি করা ছাড়া পুরো তদন্তই একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। যদিও ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মুনতাসীর ইসলাম বলছেন, বিভিন্ন সংস্থা ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
মুনতাসীর ইসলাম বলছেন, “তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তিনজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে অবিস্ফোরিত বোমা এবং বিস্ফোরিত বোমার স্প্রিন্টার সহ আরো কিছু দ্রব্য।”
পুলিশ প্রধান শহীদুল হক অবশ্য ইতোমধ্যেই বলেছেন হোসেনী দালানে ওই হামলার জন্যে তার ভাষায় স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিই দায়ী। এমনকি বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় পুলিশ কর্মকর্তা খুনের সাথেও এর যোগসূত্রের কথা বলেছেন তিনি।
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় শহীদুল হক বলেন, “ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায় তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবার এসআই খুনের সাথেও তারা জড়িত। ওই ঘটনায় যাকে আটক করা হয়েছে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কামরাঙ্গিরচর থেকে যেসব ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে তার সাথে এখানে যেগুলোর বিস্ফোরণ হয়েছে তার মিল রয়েছে।”
দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দূর্গাপুজা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শিয়াদের ওপর ওই হামলার পর প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও।
ঢাকার গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন, “অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে, আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সর্বশক্তি দিয়ে তাদের ধরবো আমরা।”
এদিকে পুলিশ ও র্যাবের কয়েকটি টীম হোসেনী দালান এলাকা থেকে ত্রিশটির মতো সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে। অবিস্ফোরিত বোমা পরীক্ষার পর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে এগুলো হাতে তৈরি বোমা যেগুলোকে হাতে তৈরি গ্রেনেডও বলা হয়ে থাকে।
তবে মামলা কিংবা তদন্ত যে পর্যায়েই থাকুক না কেন কিংবা হামলার কোনো ক্লু পাওয়া না গেলেও রাজনৈতিক দল যথারীতি পরস্পরকে দোষারোপ করতে শুরু করেছে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের প্রতিপক্ষ বিএনপি জামায়াতকে দোষারোপ করছেন। তবে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দোষারোপ বন্ধ করে তার ভাষায় প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করা দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সুষ্ঠু তদন্ত করে মূল দোষীদের বের করা দরকার। না হলে এটা একসময় ফ্রাংকেনস্টাইন হয়ে যাবে, হাতের বাইরে চলে যাবে।”
ওদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স সাইট নামে একটি ওয়েবভিত্তিক নজরদারি প্রতিষ্ঠানকে উদ্ধৃত করে বলছে ঢাকায় শিয়াদের ওপর বোমা হামলার দায়িত্ব ইসলামিক স্টেট।
পুলিশ বলছে তদন্তের সময় এটি খতিয়ে দেখা হবে কিন্তু তাদের বিশ্বাস আইজিপির কথাতেই যেখানে তিনি বলেছিলেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্যে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
সূত্র : বিবিসি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কি বিপদজনক বাঁক নিচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক ডক্টর আলী রীয়াজ বলছেন বাংলাদেশে উগ্র ধর্মীয় মতাদর্শ উৎসারিত সন্ত্রাস, সহিংসতা যেটা আগে অনুপস্থিত ছিল এখন সে পরিস্থিতির একটা পরিবর্তন ঘটছে।
‘‘আগে আহমেদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর কিছু কিছু হামলার ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে সামগ্রিকভাবে সেকটেরিয়ান ভায়োলেন্স বা ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সহিংসতার নজির ছিল না।’’
তিনি মনে করছেন আশুরাকে উপলক্ষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক এই হামলা ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সহিংসতার ক্ষেত্রে একটা নতুন মাত্রা যোগ করল।
বাংলাদেশে শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা তেমন উল্লেখযোগ্য না হলেও এবং রাজনীতিতে তাদের সরব উপস্থিতি না থাকলেও তাদের টার্গেট করার মূল কারণ তার মতে ‘‘ভিন্ন মত যারা অবলম্বন করছে তাদের ওপর হামলার প্রবণতার বাড়ছে।’’
‘‘দুঃখজনক হচ্ছে রাষ্ট্র যখন কাউকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, তখন যারা মনে করে সংখ্যালঘুদের ওপর তারা হামলা চালাতে পারবে, তারা সুযোগটা গ্রহণ করে।’’
তার মতে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের জঙ্গী সংগঠন বা বিভিন্ন রকম গোষ্ঠি আছে যারা এই ধরনের হামলার সুযোগ খোঁজে এবং যখন তারা দেখছে হামলাটা করে পার পাওয়া সম্ভব তখন তারা হামলাটা করছে। তারা এসব ক্ষেত্রে একটা বার্তা দিতে চায় যে ‘‘তারা এটা করতে পারে’’ এবং সেটাই ডঃ আলী রীয়াজের মতে সবচেয়ে উদ্বেগজনক।
তিনি পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে বলছেন পাকিস্তানে শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের ইতিহাস এবং সুন্নি গোষ্ঠিগুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম জঙ্গী গোষ্ঠির উত্থানের পেছনে মূল কারণ ছিল সেসময় রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা ছিলেন তারা নিজেদের ক্ষমতার ভিত শক্ত করতে যখন ব্যস্ত ছিলেন তখন সেই সুযোগে ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সহিংসতার বীজ বপন হয়েছে।
তবে ঢাকার ইনষ্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আবদুর রশিদ মনে করছেন না যে বাংলাদেশে একটা দুটো এধরনের হামলার ঘটনা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে বিপদজনক একটা পথে ঠেলে দিচ্ছে বা রাষ্ট্র মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে ।
ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সহিংসতার বিষয়টি পাকিস্তানের সঙ্গে মিলিয়ে ডঃ রীয়াজের বিশ্লেষণের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে মিঃ রশিদ বলছেন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ঐতিহাসিক।
‘‘এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্যে – তা ভেঙে ফেলার জন্য মূলত যারা কুচক্রী মহল, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল, ধর্ম নিয়ে যারা বাংলাদেশে রাজনীতি করে, সামাজিক বিভাজনের সীমানাতেই তারা কিন্তু আঘাত করে। ’’
তিনি মনে করছেন এভাবেই শিয়া সুন্নি বিভাজনে তারা আঘাত করেছে, হিন্দু মুসলমান বিভাজনে তারাই আঘাত করে – এবং উগ্রবাদী ইসলামের চর্চ্চা করতে চায়। তার কথায় জনগণের ভেতরে এসব ব্যাপারে কোনো বিরোধ নেই।
‘‘আমি এটাকে একটা নাশকতা বলব- তারা নাশকতা চালিয়েছে যাতে এই সম্প্রীতির জায়গাটা ভাঙ্গা যায়।’’
সাইট নামে ওয়েবভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান যারা আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠিগুলোর তৎপরতার ওপর নজর রাখে তারা বলছে শনিবার বাংলাদেশে শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠি। এর আগে সাইট জানিয়েছিল বাংলাদেশে বিদেশিদের হত্যার দায়ও ইসলামিক স্টেট স্বীকার করেছিল।
ডঃ আলী রীয়াজ বলছেন সাইট আন্তর্জাতিক জঙ্গী তৎপরতা সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে যেসব তথ্য দিয়েছে তার কিছু কিছু অতীতে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় বাংলাদেশে এসব ঘটনার সঙ্গে আইএসের জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে একক একটি সূত্রের ওপর নির্ভর করার পক্ষপাতী তিনি নন।
তিনি মনে করেন না যে বাংলাদেশে আইএস বা আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস-এর সাংগঠনিক উপস্থিতি আছে। তেমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ না থাকলেও তিনি বলছেন ‘‘একিউআইএস বা আইএস-এ যোগদানে ইচ্ছুক বা আকাঙ্ক্ষী জঙ্গী বা সন্ত্রাসী বাংলাদেশে থাকাটা বিচিত্র নয়- সেটা আছে বাংলাদেশে।’’
তিনি বলেন বিভিন্ন সময়ে এধরনের সংগঠনের প্রতি কিছু মানুষের আকর্ষণের প্রমাণ তারা পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে স্থানীয় জঙ্গী সংগঠন আছে যাদের কিছু কিছুর আঞ্চলিক পর্যায়ে যোগাযোগের তথ্যও রয়েছে। কাজেই এদের উপস্থিতিএবং আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠিগুলোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ডঃ রীয়াজ আশংকা প্রকাশ করে বলেছেন অদূর ভবিষ্যতে সাংগঠনিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলেও অবাক হওয়ার মত কিছু থাকবে না, কারণ স্থানীয় গোষ্ঠিগুলো সাধারণত সুযোগের অপেক্ষাতে থাকে।
মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আবদুর রশিদও মনে করেন ‘‘বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠনগুলোর জন্ম ও বৃদ্ধি দেশজ এবং তারা বাংলাদেশের ভেতর যেসব আক্রমণ চালিয়েছে তা বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করার জন্যই করেছে।’’
‘‘একিউআইএস বা আইএস-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো গোষ্ঠির উপস্থিতি আমরা এখনও বাংলাদেশে পাই নি, তবে আদর্শিক যোগাযোগের বিষয়টি রয়েছে।’’
তিনি দৃঢ়ভাবে মনে করেন আদর্শগতভাবে এধরনের অনেক জঙ্গী খেলাফত প্রতিষ্ঠার বাসনা নিজেদের মনে লালন করলেও বাংলাদেশে জঙ্গী তৎপরতা মূলত আভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই।
‘‘এদের পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অনেক প্রমাণই আমরা পেয়েছি।’’
ডঃ রীয়াজ মনে করছেন এসব ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির যোগাযোগ রয়েছে এবং মূলধারার রাজনীতি চর্চ্চার সুযোগ বিস্তৃত হলে, সবাই কথা বলার সমান সুযোগ পেলে এধরনের হামলা বন্ধ করা সম্ভব হতে পারে। বিবিসি বাংলা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাহারের দাবি ইউরোপিয় পার্লামেন্টের
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ইসমান জাহানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গত ২৩ অক্টোবর তিনি এ উদ্বেগ জানান।
চিঠিতে বলা হয়, ইউরোপিয় ইউনিয়ন মৃত্যুদণ্ডের সম্পূর্ণ বিরোধী। "আমি এই বিশেষ মামলা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছি কারণ আমরা জানতে পেরেছি এই মামলায় যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা না-ও হতে পারে এবং যেটা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ন্যায় বিচারের বেশ কিছু মানদণ্ডের বিপরীত।"
এতে বলা হয়, ইইউ নীতিমালা অনুযায়ী আমি আন্তর্জাতিক ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের প্রতি মুজাহিদের বর্তমান দণ্ড বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসিতে বিদ্রোহ!
![]() |
| শাহরিয়ার খান |
পাকিস্তান বোর্ডের সঙ্গে সাক্ষরিত মউ-এর শর্ত মেনে ভারত আসন্ন ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে রাজি না হলে পাকিস্তান দলের পক্ষে পরের বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসা সম্ভব না-ও হতে পারে বলে এ দিন প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রাখলেন পাকিস্তান বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান। সঙ্গে চাপ আরো বাড়াতে আইসিসি-র অভ্যন্তরে ‘বিগ থ্রি’ ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের জমি তৈরি হচ্ছে বলেও ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন তিনি।
ভারতীয় বোর্ডের প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহর নিজে তাদের আলোচনায় ডাকার পরেও শিব সেনার হুমকিতে তা ভেস্তে যাওয়া এবং ভারতীয় বোর্ডের সিরিজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করাকে পাকিস্তান যে এ বার মোটেই সহজে মেনে নিচ্ছে না, সেটা শনিবার দুবাইয়ে শাহরিয়ারের কথাতেই পরিষ্কার। ‘‘ভারত যদি এ ভাবে সব দরজা বন্ধ করে দেয়, তা হলে আমাদেরও এ ব্যাপারে একটা নীতি নিতে হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে দল পাঠানো আদৌ উচিত হবে কি না, সে ব্যাপারে আমাদের ইসলামাবাদের পরামর্শ নিতে হবে। এবং যে ধরনের হুমকি রয়েছে তাতে আমার ধারণা, পাকিস্তান সরকার দল না পাঠানোর পরামর্শই দেবে।’’
দিন দু’য়েক আগেও পাকিস্তানে ফিরে একই ভাবে হুমকি দিয়েছিলেন শাহরিয়র।
শিব সেনার নেতৃত্বে মহারাষ্ট্রে যে পাকিস্তান-বিরোধিতা চলছে তার পরিপ্রেক্ষিতে শাহরিয়রের পাক দলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট ভিত্তিও রয়েছে। গুলাম আলির মতো কিংবদন্তি গায়কের অনুষ্ঠান বাতিল করানো, পাকিস্তানি লেখকের বই নিয়ে অনুষ্ঠান ভেস্তে দেওয়ার পর শশাঙ্ক-শাহরিয়র বৈঠক বানচাল করতে ওয়াংখেড়েতে ঢুকে খোদ বোর্ড প্রেসিডেন্টের দফতরে হামলা চালায় শিব সৈনিকরা। যার পর বোর্ড সচিব ও পার্লামেন্ট সদস্য অনুরাগ ঠাকুর বিবৃতি দিয়ে জানান, আপাতত ভারত-পাকিস্তান সিরিজের কোনো সম্ভাবনাই নেই। তবে পাকিস্তান এ ব্যাপারে অনমনীয় দেখে আইপিএল চেয়ারম্যান রাজীব শুল্ক ‘‘বিষয়টি আমরা পুনর্বিবেচনা করব,’’ বলে আশ্বাসবাণী শুনিয়েছেন। কিন্তু তাতে যে চিড়ে ভেজেনি সেটা স্পষ্ট।
উল্টে শাহরিয়ারের মতো দুঁদে কূটনীতিক অন্য চাপ তৈরি করে বলেছেন, ‘‘আট বছরে ভারত আমাদের সঙ্গে ছ’টি সিরিজ খেলবে, এই শর্তেই আমরা আপত্তি থাকা সত্ত্বেও আইসিসি-র গঠনতন্ত্র সংশোধনে সায় দিয়ে ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের প্রাধান্য মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তার এক বছরের মধ্যেই যদি আমাদের এমন বৈষম্যের শিকার হতে হয়, তা হলে গোটা বিষয়টা আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হবে।’’ পাশাপাশি, বিগ থ্রি-র হাতে আইসিসি-র সমস্ত ক্ষমতা ও উপার্জনের সিংহভাগ কেন্দ্রীভূত থাকা নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আরো কয়েকটি দেশও বিক্ষুব্ধ বলে দাবি করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘শুধু পাকিস্তান নয়, আমি জানি আইসিসি-র সদস্য আরও কয়েকটি দেশও আইসিসি-র নতুন গঠনতন্ত্রে খুশি নয়। আইসিসি-র বোর্ডের মধ্যেই ক্ষমতার এই ফারাকটা শুধু বৈষম্যমূলক নয়, অগণতান্ত্রিকও। তবে আমরা যেহেতু নতুন গঠনতন্ত্রে সই করেছি, তাই মেনে নিচ্ছি। কিন্তু মাত্র এক বছরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে আইসিসি-র কাছে সদস্য দেশরা সবাই সমান নয়। ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু যা কিছু হওয়া সম্ভব।’’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতির বাইরে গিয়ে এগিয়ে নিতে হবে -সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় কাঠুরিয়া
![]() |
| সঞ্জয় কাঠুরিয়া |
প্রথম আলো: বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। দেশে কীভাবে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: এটি বাংলাদেশের জন্য একটি মৌলিক প্রশ্ন। একে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ এখন আর একা নয়। প্রতিবছর গড়ে ২০ লাখ তরুণ-তরুণী শ্রমবাজারে প্রবেশ করেন। তাই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজার এখন ভীষণভাবে পারস্পরিকভাবে নির্ভরশীল। বাংলাদেশ কীভাবে এতে অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে? উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক কারখানায় এখন প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪০ লাখ লোক কাজ করেন। পরোক্ষভাবে আরও প্রায় এক কোটি লোকের সংস্থান হয়েছে। রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে পারলে এই কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।
চীন এখন উচ্চপ্রযুক্তির পোশাক তৈরির দিকে ঝুঁকছে। তাই চীনের তৈরি পোশাকের ২০ শতাংশ বাজার যদি বাংলাদেশ দখল করতে পারে, তবে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণ হয়ে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার হবে। প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৫৪ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। আর পরোক্ষভাবে আরও ১ কোটি ৩৫ লোক কাজ পাবেন।
প্রথম আলো: বর্তমান বিশ্বে আঞ্চলিক যোগাযোগ বা কানেক্টিভিটি বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ কীভাবে এই কানেক্টিভিটি থেকে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ থেকে সুফল পেতে পারে?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: দক্ষিণ এশিয়ার পূর্বাঞ্চলে এমন একটি উদ্যোগ রয়েছে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের (বিবিআইএন) মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই চার দেশের মধ্যে যান চলাচল চুক্তি হয়েছে। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। এই সফরে বাণিজ্য, কানেক্টিভিটি, জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সুযোগ সব সময় আসে না। বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে এ ধরনের কানেক্টিভিটি বাংলাদেশের সামনে বড় সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ভারতের নীতির মধ্যেও ‘লুক ইস্ট’ রয়েছে। আর দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
প্রথম আলো: আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে প্রধান বাধা কী?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: আমার অবস্থান থেকে এটা বলা খুব মুশকিল। তবে রাজনীতির বাইরে গিয়ে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগটি এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এখন বিষয় হলো, কীভাবে কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি করব। অবশ্যই অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে, এর সঙ্গে সহায়ক নীতিও দরকার হবে। আমি মনে করি, শুধু সড়কব্যবস্থার উন্নয়ন করে পূর্ণাঙ্গ কানেক্টিভিটি সম্ভব নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তাই নদীভিত্তিক যোগাযোগও তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া নদীভিত্তিক যোগাযোগ অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী। মোটাদাগে, কানেক্টিভিটি হতে হবে বহুমাত্রিক। এ ছাড়া সীমান্তে পণ্য ও যাত্রী চলাচলব্যবস্থা সহজ ও মসৃণ করতে হবে। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সহজেই নেপাল ও ভুটানে যেতে পারবে বাংলাদেশের পণ্য।
আশা করি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সড়ক, নৌ, রেলসহ একটি বহুমাত্রিক কানেক্টিভিটি গড়ে উঠবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর যৌথ ঘোষণায় এ কথা উল্লেখ রয়েছে। সব মিলিয়ে কানেক্টিভিটির সঙ্গে নীতি ইস্যু, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া ও বিনিয়োগ—এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। আশার কথা, এ অঞ্চলে এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে।
প্রথম আলো: আন্তদেশীয় যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য বড় বড় অবকাঠামো তৈরি প্রয়োজন। এর বিনিয়োগ আসবে কীভাবে?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: হয় সরকারি; না হয় বেসরকারি উৎস থেকেই বিনিয়োগ আসতে হবে। তবে বেসরকারি বিনিয়োগ এত সহজ নয়। কেননা, এতে কত সময়ে বিনিয়োগ উঠে আসবে, সেই বিষয়টি বিবেচনায় থাকে। তাই স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগের বিশাল অংশ সরকারি খাত থেকেই আসতে হবে। এর অতিরিক্ত বিনিয়োগ আসতে পারে বেসরকারি খাত থেকে। আমরা জানি, ভারত এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। ভারতের লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) থেকে অনেক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আর ভালো ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প হলে অর্থ আসবেই। শেষ পর্যন্ত এমন প্রকল্পে অর্থায়ন বাধা হবে না। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
প্রথম আলো: বহুলভাবে বলা হয়, আন্তদেশীয় যোগাযোগে বড় অর্থনীতির দেশগুলো বেশি লাভবান হয়। ভারতের মতো বড় দেশকে নিয়ে এ ধরনের যোগাযোগব্যবস্থায় বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হতে পারে?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: দক্ষিণ এশিয়ার আন্তদেশীয় যোগাযোগ নিয়ে আমরা ‘সার্ক নোট’ নামে প্রথম পলিসি নোট প্রকাশ করেছি। ধারাবাহিকভাবে আরও প্রকাশ করব। প্রথম সার্ক নোটে আঞ্চলিক যোগাযোগে ছোট দেশগুলো কীভাবে বেশি লাভবান হতে পারে, সে বিষয়ে নোট দিয়েছি। বড় বিষয় হলো, আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়লে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর বড় বাজারে প্রবেশ করার সুযোগ পায় ছোট অর্থনীতির দেশ। উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে, ভারত প্রতিবছর ৪৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। বাংলাদেশ যদি এর ৫ শতাংশ নিতে পারে, তবে এ দেশের রপ্তানির পরিমাণ বিপুলভাবে বেড়ে যাবে। তবে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তা অর্জন করা যাবে না। কেননা, ভারতও তৈরি পোশাক বানায়। তাই বাংলাদেশকে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, নতুন নতুন পণ্য রপ্তানি করার উদ্যোগ নিতে হবে। রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু এ খাতে বিনিয়োগ আনতে বাংলাদেশ এখনো সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারছে না।
প্রথম আলো: বিদেশি বিনিয়োগ আনতে কী করা উচিত?
সঞ্জয় কাঠুরিয়া: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করতে হবে। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তারা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ফ্যাসিলিটেড করতে পারে। দ্বিতীয়ত, জমির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, জ্বালানির নিশ্চয়তা থাকতে হবে। বিশেষ করে দেশের সমস্যা হোক না কেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কারখানার অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকতে হবে।
সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জাহাঙ্গীর শাহ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও অস্ত্র-বোমাবাজি by নুরুজ্জামান লাবু
গত সোমবার প্রকাশ্য দিবালোকে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে চার সন্ত্রাসী এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ২৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। চলতি মাসের প্রথম বিশ দিনে পুলিশের হিসেবেই রাজধানীতে অন্তত ২০টিরও বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে আরও অনেক বেশি। অনেকেই থানা পুলিশের কাছে যেতে চান না।
ঢাকা মহাগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, অস্ত্রবাজ-ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে এ কথা সত্য নয়। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। আমরা সে বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, অপরাধীদের ঠেকাতে পুলিশ দুইভাবে কাজ করছে। প্রিভেনটিভ ওয়ার্কের অংশ হিসেবে পেট্রল, চেকপোস্টসহ দৃশ্যমান পুলিশিং বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার পর অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলে। আমরা প্রিভেনটিভ ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছি।
গত ১৪ই অক্টেবার রাজধানীর গুলশান থানার উল্টোদিকের এক বাসায় দুই মোটরসাইকেলযোগে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হানা দেয়। সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ির দারোয়ানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি পার্লার ও ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতির বাসায় ঢোকার চেষ্টা করে। কূটনৈতিক পাড়া হিসেবে খ্যাত গুলশানের মতো কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা এলাকায় অস্ত্রবাজির ঘটনায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও পুলিশ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে পারেননি। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলশান থানা ছাত্রলীগের সদস্য বলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনার একদিন আগে ১৩ই অক্টোবর শ্যামপুরে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে মারা যান রাসেল নামে এক যুবক। রাসেল খুলনা থেকে ঢাকার শ্যামপুরে ফুপুর বাসায় যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ১১ই অক্টোবর রাতে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত রজনীগন্ধা সুপার মার্কেটের মেসার্স রুমানা ট্রের্ডাসের কর্মচারী বেলাল ও আলামিন পাওনা টাকা নিয়ে ফিরছিল। বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে তারা। ছিনতাইকারীরা বেলালকে ছুরিকাঘাত করে তার সঙ্গে থাকা এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। ৮ই অক্টোবর ভোরে বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে মাসুম নামে এক যুবক আহত হয়েছেন। ছিনতাইকারীরা তার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। ৪ই অক্টোবর ভোরে যাত্রাবাড়ী এলাকায় টাঙ্গাইল জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লুবনা জাহান ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। ছিনতাইকারীরা তার ব্যাগে থাকা ৭-৮ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ও মূল্যবান কিছু কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
গোয়েন্দা ও অন্যান্য সূত্র জানা গেছে, দৃশ্যমান পুলিশিং ও কড়া নিরাপত্তার কারণে ছিনতাইকারী ও অস্ত্রবাজরা তাদের কৌশল পাল্টিয়েছে। তারা পুলিশের নিরাপত্তা চৌকি রেকি করে বেড়ায়। ছিনতাইকারীদের একটি দল আগে যায়। তারা রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্ট আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করেই পিছনের অস্ত্রধারী দলকে সামনে আগানোর নির্দেশনা দেয়। এ ছাড়া রাজধানীর ফাঁকা কিছু জায়গাকে বেছে নিয়ে ছিনতাই করে থাকে। এ ছাড়া ভোরের দিকে পুলিশ সদস্যরা যখন একটু নিরাপত্তায় শিথিলতা দেখায় সেসময় ছিনতাইয়ে নেমে পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মধ্যে প্রগতি সরণি, রামপুরা, মালিবাগ, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও, শান্তিনগর, কাকরাইল, বিজয়নগর, পল্টন, বাসাবো, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, ফার্মগেট, গাবতলী, মিরপুর, রাজধানীর অর্ধশত এলাকায় প্রতিনিয়ত গুলি করে, অস্ত্র ঠেকিয়ে কিংবা কুপিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। তবে ছোট খাটো অনেক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ না করায় বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের গাড়িচালককে হাত-পা বেঁধে গাড়িটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই বিদেশী হত্যার ঘটনায় রাজধানীতে এত নিরপত্তা জোরদার করার পরও ছিনতাইকারী-অস্ত্রবাজদের দৌরাত্ম্য দেখে তারা রীতিমতো বিস্মিত। পুলিশের এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অনেকেই ‘বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো’ প্রবাদের সঙ্গে তুলনা করছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী গত মাসে রাজধানীতে ২১টি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা হয়েছে। তবে চলতি মাসে প্রথম বিশ দিনেই এই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে চলতি মাসের প্রথম বিশ দিনে কতটি ছিনতাই মামলা হয়েছে তা জানা যায়নি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোসনি দালানে বোমা হামলা নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপাড়
ডয়চে ভেলে লিখেছে, সন্ত্রাসী গ্রুপ আইএস শিয়াদের বার্ষিক র্যালিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে। এ হামলায় কমপক্ষে একজন নিহত হয়েছে। কয়েক ডজন আহত হয়েছে। এসআইটিই ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ জানিয়েছে, এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেনের মৃত্যু স্মরণে বার্ষিক আশুরা মিছিলে এ হামলা হয়। এতে এক কিশোর নিহত ও কমপক্ষে ৮০ জন আহত হয়েছে। পাকিস্তানে একই রকম হামলায় ১৬ জন নিহত হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরই ঢাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে যে, আইএসের মতো সুন্নি জঙ্গি সংগঠন এ অঞ্চলের শিয়া ও অন্য গ্রুপগুলোকে টার্গেট করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশে দৃশ্যত অবস্থান শক্ত করেছে আইএস। তারা সম্প্রতি বিদেশীদের হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তারা হত্যা করেছে ইতালিয়ান এক এনজিওকর্মী ও জাপানের এক খামারিকে। দুটি হত্যার পরই এর দায় স্বীকার করে আইএস সমর্থকরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, পুরান ঢাকায় শনিবার আশুরার সমাবেশে ধারাবাহিক বোমা হামলায় কমপক্ষে একজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অনেকে। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছে, চার সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ হামলায় কোন জঙ্গি (মিলিট্যান্টস) জড়িত নয়। পাকিস্তানে হামলায় ১৬ জন নিহত হওয়ার সঙ্গে এ হামলার যোগসূত্র নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, এটা কোন জঙ্গি হামলা নয় বরং এটা ছিল পরিকল্পিত, ধ্বংসাত্মক হামলা। এর একমাত্র লক্ষ্য হলো দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা। তিনি বলেন, পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলার কয়েক ঘন্টা পরে এ হামলা হলেও আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করি, পরিস্থিতি মোটেও এক রকম নয়। কারণ, আমরা শিয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে শান্তিতে বসবাস করি। কিন্তু ঘটনার পর পরই জঙ্গিদের ওপর নজরদারি গ্রুপ এসআইটিই বলেছে, আইএস হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ‘বাংলাদেশে খেলাফতের সৈনিকরা’ ঢাকায় বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ হামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমেদ বলেছেন, দেশে আইন শৃংখলার অবনতির এটা একটি পরিষ্কার প্রমাণ। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে তিনি বেদনা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দীর্ঘ দিনের রীতি আছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1435)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 25
(25)
- দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন নয় by বদিউল আলম মজুমদার
- রাজশাহীর পদ্মায় ইলিশের রুপালি চমক
- দুনিয়াজুড়ে দুর্যোগের ঘনঘটা by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
- দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হলে ঘরে ঘরে মারামারি...
- অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে : তথ্য সচিব
- এখানেও জঙ্গি দেখছে না পুলিশ! by সোহরাব হাসান
- সৈয়দ আশরাফ দেশে ফিরছেন ৩১ অক্টোবর
- সৌদি বাদশাহ সালমানকে চান না তাঁর আট ছেলে
- কলকাতার অভিনেতা পীযূষ আর নেই
- জেরুজালেমের পবিত্র স্থান নিয়ে জর্ডান-ইসরায়েল সমঝোতা
- সাভারের সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন, পৌর মেয়র রেফাতউল্ল...
- আইএসের উত্থানে ইরাক যুদ্ধ, ক্ষমা চাইলেন টনি ব্লেয়ার
- সৌদি বাদশাহ সালমানের উৎখাত চান আট ছেলে
- শাকিব খান ছাড়া অচল অপু বিশ্বাস!
- ক্লু পাওয়া না গেলেও দোষারোপ শুরু
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কি বিপদজনক বাঁক নিচ্ছে
- মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাহারের দাবি ইউরোপিয় পার...
- ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসিতে বিদ্রোহ!
- রাজনীতির বাইরে গিয়ে এগিয়ে নিতে হবে -সাক্ষাৎকারে ...
- কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও অস্ত্র-বোমাবাজি by নুরুজ্জাম...
- হোসনি দালানে বোমা হামলা নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় তোলপাড়
- তাজিয়া মিছিলে হামলার খবর বিশ্ব গণমাধ্যমে
- ৫ বছরের মধ্যে দেউলিয়া হতে পারে সৌদি আরব
- শোকের মিছিলে আরেক শোক by কাজী আনিছ
- লোহার টুকরাই সাজ্জাদের মৃত্যুর কারণ by কাজী আনিছ
-
▼
Oct 25
(25)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...























