Saturday, January 15, 2022
গল্প- ফাগুনবউ by পাপড়ি রহমান

এইরকম
দিনগুলিতে রোদ্দুর বরাবরই চড়তা থাকে। যদিও মাথার ওপরে ধূমল মেঘের চাঙারি
বৃষ্টি নিয়ে ভেসে বেড়ায়। ভাসতে ভাসতে উড়ে চলে যায় বহুদূর। হয়তোবা দূরের
কোনো আকাশে বা সুদূরের কোনো গাঁয়ে।
রোদ্দুরের তীব্র উত্তাপের মাঝে মেঘেদের এমন মতিচ্ছন্নতার কারণ ধরতে পারে না ভরত। প্রখর সূর্যের নিচে কেনইবা তারা জমে ওঠে? কেনই-বা খামোকাই ভেসে বেড়ায়? আবার কেনই-বা উড়ে চলে যায়? এই মেঘ-রোদ্দুরের খেলা নিয়ে বেশিক্ষণ ভাবনার সুযোগ হয় না ভরতের। বা সে নিজেও এসব নিয়ে ভাবতে চায় না; কিন্তু টোটোর ছাদ গলিয়ে চৈত্রের তীব্র উত্তাপ তার বকুল-বিচি-রঙা ত্বকে জ্বলুনি ধরিয়ে দেয়। ফলে ভরতকে রোদ বা মেঘের তামাশা নিয়ে ভাবতে হয়। শুধু রোদ বা মেঘ নিয়ে ভাবাভাবিতে সব সাঙ্গ হলে ভরত খুশিই হতো। কিন্তু তা হবার নয়। ভরতকে আরো নানান কিছু ভেবেচিন্তে চলতে হয়। সূর্য-চন্দ্রের দিকে কড়া নজরদারি করতে হয়। বিশেষ করে বসন্ত ঋতু যখন বীরভূমের মাটিকে একেবারে বশ করে ফেলে। আর চারদিকে লেগে যায় রঙের মচ্ছব। দোলের রং ছড়ানোর আগেই এখানকার প্রকৃতি রাঙা হয়ে ওঠে। পলাশের ডালে ডালে ধিকিধিকি আগুন জ্বলে প্রচণ্ড দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। আর নীলমণিলতার আবছা নীলরং লতিয়ে ওঠে বাড়িঘরের সৌখিন ফটকে। কিছু পর্তুলিকা আর দোপাটি উঁচু ঘাসের জমিনে ডুবতে ডুবতে ফটফট করে তাকিয়ে থাকে। ফাগুনবউ আর টিকোমা পাল্লা দিয়ে ফুটতে শুরু করে। দুজনের চেহারাসুরতে এতটাই সাদৃশ্য যে, ধন্ধে পড়তে হয়। ফাগুনবউয়ের হলদে ফুলের আঁচল বিছিয়ে থাকে গাছের তলায়। পাতাহীন ফুল ভরন্ত বৃক্ষদের দিকে তাকিয়ে ভরত বড় উদাস হয়ে ওঠে। টোটোর হ্যান্ডেল সামলে বিড়বিড় করে বলে –
এছব বাহার কুথা থাকি চলি আছলো রে? এতুদিন তু দেখা পাই নাই তুদের?
ভরতের এই কথা একেবারে উড়িয়ে দেবার মতো নয়। আদতেই বোলপুরের বসন্ত বড় হুলেস্নাড় তুলে আসে। বসন্ত আসে গাছলতাকে নানান রঙে সাজাতে সাজাতে। আর মানুষের ঢল নামে। মানুষের শরীরে যত না আবির পড়ে, ফুল আর পাতায় পাতায় প্রকৃতির আবির পড়ে তার চাইতেও ঢেরগুণ বেশি। কোকিল ডেকে যায় মুহুর্মুহু। বীরভূমের মরার কোকিল এমনই ডাকে যে, যে-কোনো আগন্তুক বিভ্রমে পড়ে যাবে। পড়বেই। যেন এই তল্লাটে কোকিল ছাড়া আর কোনো পক্ষী নাই। অথচ ভরত জানে, আসল ঘটনা। নিত্য ভোরেই ঘুঘু আর দোয়েল অবিশ্রাম ডেকে যায়। ভরত দেখে লেজঝোলা ফিঙে আর চড়াইদের ইতংবিতং। তবে এটা সত্য, সারাদিনই লাগাতার ডেকে যায় কোকিল। কোকিলেরা সুখে ডাকে, না দুঃখে ডাকে, ঠিক ধরতে পারে না ভরত।
যেদিন লছমি একটু বেশি আশকারা দেয় – দারুর ঘন নেশায় আর লছমির ঢলোঢলো কালো দেহের ঘামগন্ধে ফুরিয়ে যায় রাত – ভরতের কাছে সেদিন সকালে দেখা প্রতিটা পাখিকেই সুখী মনে হয়। যেনবা তারা সুখের ওম পেয়ে পালক ফুলিয়ে হেঁটে বেড়ায়। কোকিলের একটানা ডাক বড় মধুর হয়ে কানে বাজে। আর ভরত একটা বাংলাগান গুনগুনিয়ে ওঠে –
ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে
আমায় উদাসী করিয়া গেল মরার কোকিলে
ধুস্! বাংলা বা হিন্দিগানের কলি গুনগুনালেই কি পেটে ভাত জুটবে? টোটোর স্পিড বাড়ায় ভরত। শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের চাকা বোলপুরের মাটি ছুঁলো বলে! আগেভাগে রেলস্টেশনে না পৌঁছালে দুই-চারটা খেপ মারা যাবে না। এই ট্রেনটা আবার খুব সময় মেনে চলে। কালেভদ্রে এক-আধ ঘণ্টা এদিক-ওদিক হয় হয়তো। কিন্তু সময়জ্ঞান তার বরাবরই পাক্কা। অবশ্য দুই নাম্বার পস্নাটফরমে স্টপেজ হলে কিছুটা সময় হাতে পাওয়া যায়। যাত্রীরা এক্সেলেটর চেপে ওভারব্রিজ ডিঙিয়ে টোটো ধরতে আসে।
ভরতের অনুসন্ধানী-চক্ষু দ্রুত ঘোরে – কিছুটা আলাভোলা যাত্রী পেলে ৩০-৪০ রুপি তাপ্পি মারা যায়। এই তাপ্পি মানে আসল ভাড়ার চাইতে বাড়তি আদায়। অবশ্য প্যাসেঞ্জার চালাকচতুর হলে এই তাপ্পির ধান্ধাটা ছেড়ে দিতে হয়। নতুন কাপড়ের ওপর খামোকা তাপ্পি যেমন সৌষ্ঠব বাড়ায়, তেমনি এই বাড়তি রুপি সৌষ্ঠব হয়ে ঝুলতে থাকে দারুর বোতলে।
আর দারু না পিলে কেমনে কী? সারাদিন টোটো নিয়ে টো টো করে গায়ে-গতরে যে-বিষবেদনা জমে তা তাড়াতে দারু পিনা চাই। ভরতের অবশ্য আরেকটা উপায় জানা আছে – মালিশ! তেলমালিশ! লছমির মসৃণ-কালো আর কোমল হাতের জাদুকরী ডলাডলি। কিন্তু লছমির আজকাল আর মালিশমুলিশে মন নাই। এক যুগ একই বিছানায় চিৎ-কাত হয়ে শুয়ে থাকলে আওরতদের মন ঘুরে যায়। ফিকে হয়ে আসে প্রেমের একদার গাঢ় রং। তখন উলটা কারবার শুরু হয়। আওরতের ঠ্যাং-পিঠ-ঊরুর বিষবেদনা তাড়াতে খসমই নিজেকে উজাড় করে দেয়। তা এতে আপত্তির কিছু নাই। ভরত বরং লছমিকে মালিশমুলিশের জন্য মুখিয়েই থাকে। কিন্তু মালিশমুলিশের পরে ভরতের যদি ইচ্ছা জাগে, যদি তার হাতের চাপ ঘন হয়ে ওঠে – তাহলেই যত ভজঘট ঘটে যায়। লছমি ততক্ষণে ঘুমের তাড়নায় মরাকাঠ হয়ে আছে। ঘুম-লাগা ভারি কণ্ঠে হিসহিসানি তুলে বলে –
আ আমার মরদ! মরদ! রুজ রাইতেই কি তুর ঘুড়ারে লাগাম দিতে হইবেক? সর, মিনসে সরে শো। ছাওয়ালগো কাইল ইশ্কুলের দৌড় আছে।
লছমির কথা মিছে নয়। ভরত কিই-বা দেখে এই সোমসারের? দিনমান টোটোতে প্যাসেঞ্জার চড়ায় আর নামায়। আর সন্ধ্যা ঘনালো কি দারুখানার হাতছানিতে ভরত একেবারে বেহাল হয়ে ওঠে! দারুর বোতল ছাড়া ভরতের আপন আর কে আছে?
সোমসার-পিরথিমি যা কিছু সবই তো লছমি সামলায়। সারাদিন পরিশ্রমের পর লছমি যখন শুতে আসে, ভরত ততক্ষণে তিন পাইট মেরে দিয়েছে। আর মালিশমুলিশের বাহানা নিয়ে লছমিকে তেমন করে পেতে রাত্তির দ্বিতীয় পহর উতরে যায়। লছমির মেজাজ তখন বিগড়ে গেছে।
মরদগুলা দারু টেনে মাতাল না হলে বউয়ের ঘোড়ার লাগাম দিতে পারে না নাকি? ছালা, আমি কি তুর নেশার চক্ষে দীপিকাজি? দূরে থাক নিমরদ মিনসে।
লছমিকে বেশিক্ষণ ঘাঁটানোর সাহস পায় না ভরত। এমনিতে সারাবছরই লছমির মাথায় চৈত্র মাসের ভাঁপ ওঠে। ভরত পান থেকে চুন খসালো কি লছমি ঝটাঝট বাপের বাড়ির দেয়াল তুলে দেবে। তখন ভরতের নিজের মন্দির একেবারে শূন্য। রাতের পর রাত একা একা দারু পিয়ো। পাইটের পর পাইট মেরে যাও। খালি বিছানায় রাতভর তড়পাও আর বাংলা মদের বোতলের দিকে নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকো – দিপীকাজি না হয় প্রিয়াংকা চোপড়ার কাঁচুলি বাঁধা পিঠ দেখার আশায়।
-----দুই-----
চান-সুরুযের হিসাব ভরত নির্ভুল রাখে। বিশেষ করে চৈত্রের শেষ পূর্ণিমার খবর শুধু ভরত নয়, বীরভূমের সবাই-ই কমবেশি
রাখে। এই শেষ পূর্ণিমাতেই জমে ওঠে দোলের উৎসব। শুরু হয় বসন্ত-কীর্তন। আর ম্যালা মানুষের ঢল নামে শান্তিনিকেতনের চত্বরে। আবির-ছড়ানো হাওয়া রঙিন হয়ে ওঠে। ভ্যানের ওপর রং ছড়িয়ে বসে বিক্রেতা। কেনো ভাই কেনো, রং কেনো। রং ছিটিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাও জীবনের জরা যত। আর চারদিকে তাকিয়ে দেখো, বসন্ত সমীরণে মেতেছে সবাই। ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে – দেখো, এন্তার ফুটে চলেছে পলাশ, ফাগুনবউ, নীলমণিলতা। কিছু পর্তুলিকা তাকিয়ে রয়েছে ঘাসের জমিনে।
ভরত ধাই করে টোটোর স্পিড বাড়ায়। এতক্ষণে শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস এসে গেছে। লোকজন ঢেউ হয়ে ভাসিয়ে দিতে এসেছে গত এক বছরের মালিন্য আর ক্লান্তি।
যাত্রীরা সব ঝটাঝট উঠে পড়েছে তাদের মনপছন্দ টোটোতে। ভরতের মনে শংকা ভর করে – আজ হয়তো খুব বেশি তাপ্পির রুপি জোটানো যাবে না। তার চোখ লাটিমের মতো চক্কর খায় – কোনো আলাভোলা প্যাসেঞ্জার ধরা যায় কিনা? যারা প্রথমবারের মতো আসে, তাদের এক লহমায় চিনতে পারে ভরত। তাদের ঠোঁটের কোণ আর কপালের ভাঁজ দেখেই চেনা যায়। ভরতের লক্ষ্য এরাই। এদের প্যাসেঞ্জার হিসেবে পেলে কিছু কাঁচা পয়সা আতকা জুটে যায়। আর দোলের দিনগুলিতে পকেট ভারী না থাকলে চলে কী করে? ভরপেট দারু না পিলে দোলের রং কেমন ফিকে দেখায়!
বোলপুর রেলস্টেশনে এসে ভরতের মুখ শুকিয়ে আমচুর হয়ে ওঠে। ট্রেন এসে পৌঁছেছে মিনিট বিশেক আগেই। এখন টোটোর লাইনে সে কিছুতেই ঢুকতে পারবে না। বেলাইনে গিয়ে টোটোর ঝাঁকে মিশে যাবে সে-উপায়ও আর নেই। ভরত আমচুর মুখ নিয়েই রাস্তার পাশে টোটো দাঁড় করায়। তখুনি দুই আওরত লাগেজ টানতে টানতে এগিয়ে আসে –
‘এই তুমি যাবে?’
‘কই যাবে?’
‘ব্রহ্মপলস্নী।’
‘ছাতাছ দিয়া ঢুকবে তো?’
আওরত দুইজন মুখ চাওয়াচাওয়ি করে বলে –
‘হবে হয়তো।’
‘হা হা বুঝতে পেরেছি উঠুন উঠুন।’
‘কত নেবে?’
‘একছ বিছ দিয়েন।’
‘না না এত নয়। আশি।’
ভরত আজ খুব বেশি দরকষাকষিতে যেতে চায় না। বলা যায় না, আম আর ছালা দুটোই খোয়া যেতে পারে।
‘আচ্ছা ওঠো তো, অই ছ দিও।’
রেলস্টেশনের ভিড় সাঁতরে বড় রাস্তায় উঠে হাঁপ ছাড়ে ভরত। যাক বাবা, আজ আর টোটোর লাইন স্টিটেমে পড়তে হয় নাই। বনস্পতি, পলাশ আর আমগাছের ছায়ার ভেতর দিয়ে যেতে যেতে ভরত হঠাৎ শোনে
ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে …
ভরত বলতে চায় কি চায় না, অথবা অবচেতন মনেই বলে –
‘বাহরে, গলা তো বহুত খুব আছে।’
চমকে উঠে গান থেমে যায়। আদতে তারা এই অনাহূত কথামালার জন্য প্রস্ত্তত ছিল না।
তারা আপনমনে বিভোর ছিল। চমকানো মুখ খলখল করে হেসে ওঠে –
‘আচ্ছা, আচ্ছা আমাদের গান তুমি বুঝতে পারছ?’
‘হাহাহা ওই বললাম না কণ্ঠ ভারি সোন্দর।’
‘তোমার নাম কী?’
‘ভরত।’
‘কী?’
‘বুঝতে পারছ না? ভরত, ভরত।’
‘ও।’
ফের গান ধ্বনিত হয়। ফের সুর আর কথা –
এই পথ যদি না শেষ হয়
তবে ক্যামন হতো তুমি বলো তো?
ভরত বড় সাবধানে আজ টোটোর স্টিয়ারিং ধরে রাখে। খামোকা ঝাঁকুনিতে গানের সুর কেঁপে উঠতে পারে।
আহা! কেন এরা এমন হাসে? আর এত গায়? আর এত খলখলিয়ে হেসে ওঠে? লছমি যদি এদের মতো করে একটু হাসতো? দুই-একটা গানের কলি ঠোঁটের কোনায় জমিয়ে রাখতো? ব্রহ্মপলস্নীতে থেমে থাকা নির্জনতা চুরমার করে দিয়ে ভরতের টোটো এগোয়।
জোর হাওয়াতে সুর উড়ে উড়ে আসে। আজ ভরতের টোটোর যেন ডানা গজিয়েছে। শূন্যে ভেসে চলেছে ভরত। যেন-বা কিছু মেঘ ঢুকে পড়েছে টোটোর ভেতর। চৈত্রের এমন অসহনীয় উত্তাপ শুষে নিতে পরবাসী মেঘ চলে এসেছে শান্তিনিকেতনের আঙিনায়।
ভরতের মাথায় অন্য চিন্তার ঘূর্ণি – আওরত দুইজনের বয়স কত? আজকাল আর মুখ দেখে কারো বয়স আন্দাজ করা যায় না। একজনের মুখের আদল জুহিজির মতন। আর অন্যজন যেন সাক্ষাৎ জিনাত আমান। আহা সেই কোনকালে দেখা সত্যম শিবম সুন্দরম! কী মোলায়েম এদের শরীর? আচ্ছা, লছমির শরীরটা অমন মোলায়েম নয় কেন? ভরত ভাবে জিজ্ঞেস করবে, তুমরা কি মাখো শরীরে?
ধুস্ – ভরত এসব ভাবছে কেন? খানিক বাদেই খেলা সাঙ্গ হয়ে যাবে। এরা নেমে যাবে গন্তব্যে। আর হারিয়ে যাবে চিরকালের মতো। কিন্তু আজ ভরতের কী যেন হয়? যাত্রী নেমে যাওয়ার প্রাক্কালে বলে ওঠে –
‘কুথায় যাইতে হলে আমারে কল করলে আমি চলে আছব।’
‘ওহো তাই নাকি? তাহলে তোমার মোবাইল নাম্বারটা আমাদের দিয়ে যাও।’
‘আর হ্যাঁ, আমরা বেরুবো। তুমি চারটে নাগাদ এইখানেই চলে এসো।’
------তিন-----
খোয়াই পার হয়ে কোপাই নদীর দিকে যেতে যেতে ভরতের টোটো আজ যেন ময়ূরপঙ্খি হয়ে ওঠে। স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে ভরতের মনে হয়, সে যেন আজ সত্যি সত্যি তরতরিয়ে ভেসে চলেছে। হাওয়ার পরতে পরতে সুর মাখামাখি হয়ে আছে। চৈত্রের খরা আজ কি একটু কমতির দিকে? যদিও প্রচ- গরমের হলকা নাকমুখ ঝলসে দিয়ে যাচ্ছে। তবু ভরতের বড় আরাম লাগে। যাত্রীদ্বয়ের কণ্ঠের সুর তার মনপ্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে।
কোপাইয়ের জল এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তীরে দাঁড়ালে উষ্ণ ভাঁপ টের পাওয়া যায়। বাদলার কালে কোপাইয়ের এই শীর্ণ যৌবন নড়েচড়ে ওঠে। তখন চারপাশেও কেমন হিমভাব ছড়ানো থাকে।
কোপাই ফেলে খানিক দূর এগোতেই টোটোর দম যায় যায় অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। এমন বেকায়দায় অনেকদিন পড়ে নাই ভরত। ব্যাটারি ডাউন! অথচ গত রাতেই সে কিনা ব্যাটারি বদলে ফুলচার্জ লাগিয়েছিল। এখন করণীয় কী? শিকার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভরত তটস্থ হয়ে ওঠে। স্টিয়ারিং বারকয়েক অন-অফ করেও সুবিধা কিছু হয় না।
অগত্যা অন্য টোটোওয়ালাকে হাত দেখাতে হয়। ভরত জানে, জুহিজি আর জিনাত আমানের সঙ্গে আর মোলাকাতের সম্ভাবনা নেই। বাড়তি ভাড়া নেবার জারিজুরি তারা ইতোমধ্যেই জেনে যাবে। ভরতের মনে তবু ক্ষীণ আশা, ফস্কে যাওয়া শিকার যদি আরেকবার খাঁচায় ফিরে আসে, যদি আসে!
সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে সে-আশা প্রলম্বিত হতে শুরু করেছিল, কিন্তু বিধি বাম!
ফোনের অপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসে –
‘ভরত শোনো, আগামীকাল আসার দরকার নাই। আমরা রিজার্ভ টোটো নেব না। সময় নিয়ে ঘুরে ঘুরে সব দেখতে চাই।’
‘আচ্ছা। আচ্ছা। দেখো তবে।’
ভরতের গলার কাছটায় কী যেন বাধো বাধো ঠেকে। তার মন বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। আহা! একনজর দেখা হলেও বড় প্রশান্ত থাকা যেত। লছমির ছ্যাঙ-ছ্যাঙ-স্বভাব বিস্মৃত হওয়া যেত। আর জুহিজির মুখটা বড় প্রলুব্ধকর। বারংবার তাকালেও আশ মিটতে চায় না। কী যে মিষ্টি কণ্ঠ দুইজনার! কী পরিপাটি বেশভূষা! জুহিজির আসল নামটা জানা হলো না। ভরত জিজ্ঞেস করতে গিয়েও সংকোচে বিরত থেকেছে। কী না কী আবার ভেবে বসে? ওই আওরতের বড় দয়ার শরীর। চা খাওয়ার সময় ভরতকে পাশে বসতে দিয়েছিল। আর ভরতের মন মুহূর্তে ফুরফুুরে হয়ে গিয়েছিল।
-----চার-----
দোলের পূর্ব রাত্তিরে ফোন পেয়েছিল ভরত।
‘ভরত আগামীকাল ভোরে আসতে পারবে?’
ভরত জানে খুব বেশি ভাড়া আর তাদের কাছ থেকে হাতানো যাবে না। ফলে কী দরকার খামোকা গিয়ে? নিজের লাভ না হলে ভরত কিছুতে আগাতে চায় না। যাক গে। মরুক গে। তাতে ভরতের কী? যতই ডাকুক ভরত আর যাবে না। সে তো চেয়েছিল এই কয়দিন টোটোর সার্ভিস তাদেরই দিতে। কিন্তু তারাও তো ভরতের কথা মনে রাখে নাই। এইসব ফালতু আবেগ প্রশ্রয় দিলে ভরতের চলে না। কোনো বিদেশিনী এসেছে দুইদিনের জন্য, ফের উড়েও যাবে নিজের আকাশে। চলার পথে কত পাখি দেখে ভরত। কত ফুল। কাউকে ভালো লাগে। কাউকে লাগে না। যাকে ভালো লাগলো তার জন্য সন্ন্যাস নেওয়ার মতো হাঁদারাম ভরত নয়।
দোলের রাত্তিরে লছমিকে আবির মাখানোর প্রাক্কালে যদিও জুহিজির মুখটা বারকয়েক ভেসেছিল। ভরত জানে, এসবই দারুর কারসাজি। এই দারুই তো লছমিকে কোনো কোনো রাতে দীপিকাজি বানিয়ে দেয়। তা বানাক। ভরতকে পেটের ভাত জোগাড়ের ধান্ধায় চলতে হয়। মনের ভাবালুতা যতই পীড়ন করুক সেসবকে নিয়ে পড়ে থাকলে ভরতদের চলে নাকি?
দোলের পরদিনও ঢেউয়ের মতো মানুষ বোলপুরে। ভরত তড়িঘড়ি টোটো নিয়ে দৌড়ায়। যাত্রী নামিয়ে ফিরতি যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করে। বিকেল চারটায় কাঞ্চনজঙ্ঘার কিছু প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাবে।
ভরত হঠাৎ বিস্মিত হয়ে দেখে সেই দুই আওরত! তারা তাকে দেখে কি দেখে না বা দেখলেও চেনে না। ভরতই ডাক দেয় –
‘অ্যাঁই অ্যাঁই জি।’
জুহিজি চমকে তাকায়, কিন্তু চিনতে পারে না তাকে। জিনাত আমান কিন্তু তাকে ঠিকই চিনতে পারে!
‘আরে ভরত! তুমি এইখানে?’
জুহিজির ফর্সা মুখে অভিমান না রাগ ঘনায়, ধরতে পারে না ভরত!
‘ভরত তুমি খুব খারাপ।’
‘ক্যান আছি নাই বলে?’
‘না তা নয়। তুমি কী করে জানলে যে আমরা এই সময়ে যাব?’
‘জানি না তো। মন বুলছিল।’
‘মন?’
‘হা মন বুলছিল ফির দেখা হবে।’
‘যদি দেখা না হতো?’
‘উহু এই যে দেখা হলো।’
ভরত আজ জিন্স-টি শার্ট পরে বেরিয়েছিল। ক্লিন শেভড! কপালে আবিরের তিলক আঁকা।
সব সংকোচ ঝেড়ে ফেলে জুহিজির দিকে ডানহাত বাড়িয়ে দেয় ভরত। আহা! ম্যালাদিন বাদে এক ফুল তাকে উন্মনা করেছিল – ফাগুনবউ! সারা শরীর জুড়ে হলদে রঙের মিছিল! যখন ফুল ফোটে গাছে কোনো পাতার চিহ্ন থাকে না! এমন নয়নকাড়া পুষ্পকে একবার অন্তত স্পর্শ করা দরকার!
জুহিজি ইতস্তত করে নিজের হাত বাড়িয়ে দেয়।
ভরতের বকুল-বিচিরঙা চেহারায় কী এক অপার্থিব আলো খেলে যায় …
রোদ্দুরের তীব্র উত্তাপের মাঝে মেঘেদের এমন মতিচ্ছন্নতার কারণ ধরতে পারে না ভরত। প্রখর সূর্যের নিচে কেনইবা তারা জমে ওঠে? কেনই-বা খামোকাই ভেসে বেড়ায়? আবার কেনই-বা উড়ে চলে যায়? এই মেঘ-রোদ্দুরের খেলা নিয়ে বেশিক্ষণ ভাবনার সুযোগ হয় না ভরতের। বা সে নিজেও এসব নিয়ে ভাবতে চায় না; কিন্তু টোটোর ছাদ গলিয়ে চৈত্রের তীব্র উত্তাপ তার বকুল-বিচি-রঙা ত্বকে জ্বলুনি ধরিয়ে দেয়। ফলে ভরতকে রোদ বা মেঘের তামাশা নিয়ে ভাবতে হয়। শুধু রোদ বা মেঘ নিয়ে ভাবাভাবিতে সব সাঙ্গ হলে ভরত খুশিই হতো। কিন্তু তা হবার নয়। ভরতকে আরো নানান কিছু ভেবেচিন্তে চলতে হয়। সূর্য-চন্দ্রের দিকে কড়া নজরদারি করতে হয়। বিশেষ করে বসন্ত ঋতু যখন বীরভূমের মাটিকে একেবারে বশ করে ফেলে। আর চারদিকে লেগে যায় রঙের মচ্ছব। দোলের রং ছড়ানোর আগেই এখানকার প্রকৃতি রাঙা হয়ে ওঠে। পলাশের ডালে ডালে ধিকিধিকি আগুন জ্বলে প্রচণ্ড দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। আর নীলমণিলতার আবছা নীলরং লতিয়ে ওঠে বাড়িঘরের সৌখিন ফটকে। কিছু পর্তুলিকা আর দোপাটি উঁচু ঘাসের জমিনে ডুবতে ডুবতে ফটফট করে তাকিয়ে থাকে। ফাগুনবউ আর টিকোমা পাল্লা দিয়ে ফুটতে শুরু করে। দুজনের চেহারাসুরতে এতটাই সাদৃশ্য যে, ধন্ধে পড়তে হয়। ফাগুনবউয়ের হলদে ফুলের আঁচল বিছিয়ে থাকে গাছের তলায়। পাতাহীন ফুল ভরন্ত বৃক্ষদের দিকে তাকিয়ে ভরত বড় উদাস হয়ে ওঠে। টোটোর হ্যান্ডেল সামলে বিড়বিড় করে বলে –
এছব বাহার কুথা থাকি চলি আছলো রে? এতুদিন তু দেখা পাই নাই তুদের?
ভরতের এই কথা একেবারে উড়িয়ে দেবার মতো নয়। আদতেই বোলপুরের বসন্ত বড় হুলেস্নাড় তুলে আসে। বসন্ত আসে গাছলতাকে নানান রঙে সাজাতে সাজাতে। আর মানুষের ঢল নামে। মানুষের শরীরে যত না আবির পড়ে, ফুল আর পাতায় পাতায় প্রকৃতির আবির পড়ে তার চাইতেও ঢেরগুণ বেশি। কোকিল ডেকে যায় মুহুর্মুহু। বীরভূমের মরার কোকিল এমনই ডাকে যে, যে-কোনো আগন্তুক বিভ্রমে পড়ে যাবে। পড়বেই। যেন এই তল্লাটে কোকিল ছাড়া আর কোনো পক্ষী নাই। অথচ ভরত জানে, আসল ঘটনা। নিত্য ভোরেই ঘুঘু আর দোয়েল অবিশ্রাম ডেকে যায়। ভরত দেখে লেজঝোলা ফিঙে আর চড়াইদের ইতংবিতং। তবে এটা সত্য, সারাদিনই লাগাতার ডেকে যায় কোকিল। কোকিলেরা সুখে ডাকে, না দুঃখে ডাকে, ঠিক ধরতে পারে না ভরত।
যেদিন লছমি একটু বেশি আশকারা দেয় – দারুর ঘন নেশায় আর লছমির ঢলোঢলো কালো দেহের ঘামগন্ধে ফুরিয়ে যায় রাত – ভরতের কাছে সেদিন সকালে দেখা প্রতিটা পাখিকেই সুখী মনে হয়। যেনবা তারা সুখের ওম পেয়ে পালক ফুলিয়ে হেঁটে বেড়ায়। কোকিলের একটানা ডাক বড় মধুর হয়ে কানে বাজে। আর ভরত একটা বাংলাগান গুনগুনিয়ে ওঠে –
ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে
আমায় উদাসী করিয়া গেল মরার কোকিলে
ধুস্! বাংলা বা হিন্দিগানের কলি গুনগুনালেই কি পেটে ভাত জুটবে? টোটোর স্পিড বাড়ায় ভরত। শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের চাকা বোলপুরের মাটি ছুঁলো বলে! আগেভাগে রেলস্টেশনে না পৌঁছালে দুই-চারটা খেপ মারা যাবে না। এই ট্রেনটা আবার খুব সময় মেনে চলে। কালেভদ্রে এক-আধ ঘণ্টা এদিক-ওদিক হয় হয়তো। কিন্তু সময়জ্ঞান তার বরাবরই পাক্কা। অবশ্য দুই নাম্বার পস্নাটফরমে স্টপেজ হলে কিছুটা সময় হাতে পাওয়া যায়। যাত্রীরা এক্সেলেটর চেপে ওভারব্রিজ ডিঙিয়ে টোটো ধরতে আসে।
ভরতের অনুসন্ধানী-চক্ষু দ্রুত ঘোরে – কিছুটা আলাভোলা যাত্রী পেলে ৩০-৪০ রুপি তাপ্পি মারা যায়। এই তাপ্পি মানে আসল ভাড়ার চাইতে বাড়তি আদায়। অবশ্য প্যাসেঞ্জার চালাকচতুর হলে এই তাপ্পির ধান্ধাটা ছেড়ে দিতে হয়। নতুন কাপড়ের ওপর খামোকা তাপ্পি যেমন সৌষ্ঠব বাড়ায়, তেমনি এই বাড়তি রুপি সৌষ্ঠব হয়ে ঝুলতে থাকে দারুর বোতলে।
আর দারু না পিলে কেমনে কী? সারাদিন টোটো নিয়ে টো টো করে গায়ে-গতরে যে-বিষবেদনা জমে তা তাড়াতে দারু পিনা চাই। ভরতের অবশ্য আরেকটা উপায় জানা আছে – মালিশ! তেলমালিশ! লছমির মসৃণ-কালো আর কোমল হাতের জাদুকরী ডলাডলি। কিন্তু লছমির আজকাল আর মালিশমুলিশে মন নাই। এক যুগ একই বিছানায় চিৎ-কাত হয়ে শুয়ে থাকলে আওরতদের মন ঘুরে যায়। ফিকে হয়ে আসে প্রেমের একদার গাঢ় রং। তখন উলটা কারবার শুরু হয়। আওরতের ঠ্যাং-পিঠ-ঊরুর বিষবেদনা তাড়াতে খসমই নিজেকে উজাড় করে দেয়। তা এতে আপত্তির কিছু নাই। ভরত বরং লছমিকে মালিশমুলিশের জন্য মুখিয়েই থাকে। কিন্তু মালিশমুলিশের পরে ভরতের যদি ইচ্ছা জাগে, যদি তার হাতের চাপ ঘন হয়ে ওঠে – তাহলেই যত ভজঘট ঘটে যায়। লছমি ততক্ষণে ঘুমের তাড়নায় মরাকাঠ হয়ে আছে। ঘুম-লাগা ভারি কণ্ঠে হিসহিসানি তুলে বলে –
আ আমার মরদ! মরদ! রুজ রাইতেই কি তুর ঘুড়ারে লাগাম দিতে হইবেক? সর, মিনসে সরে শো। ছাওয়ালগো কাইল ইশ্কুলের দৌড় আছে।
লছমির কথা মিছে নয়। ভরত কিই-বা দেখে এই সোমসারের? দিনমান টোটোতে প্যাসেঞ্জার চড়ায় আর নামায়। আর সন্ধ্যা ঘনালো কি দারুখানার হাতছানিতে ভরত একেবারে বেহাল হয়ে ওঠে! দারুর বোতল ছাড়া ভরতের আপন আর কে আছে?
সোমসার-পিরথিমি যা কিছু সবই তো লছমি সামলায়। সারাদিন পরিশ্রমের পর লছমি যখন শুতে আসে, ভরত ততক্ষণে তিন পাইট মেরে দিয়েছে। আর মালিশমুলিশের বাহানা নিয়ে লছমিকে তেমন করে পেতে রাত্তির দ্বিতীয় পহর উতরে যায়। লছমির মেজাজ তখন বিগড়ে গেছে।
মরদগুলা দারু টেনে মাতাল না হলে বউয়ের ঘোড়ার লাগাম দিতে পারে না নাকি? ছালা, আমি কি তুর নেশার চক্ষে দীপিকাজি? দূরে থাক নিমরদ মিনসে।
লছমিকে বেশিক্ষণ ঘাঁটানোর সাহস পায় না ভরত। এমনিতে সারাবছরই লছমির মাথায় চৈত্র মাসের ভাঁপ ওঠে। ভরত পান থেকে চুন খসালো কি লছমি ঝটাঝট বাপের বাড়ির দেয়াল তুলে দেবে। তখন ভরতের নিজের মন্দির একেবারে শূন্য। রাতের পর রাত একা একা দারু পিয়ো। পাইটের পর পাইট মেরে যাও। খালি বিছানায় রাতভর তড়পাও আর বাংলা মদের বোতলের দিকে নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকো – দিপীকাজি না হয় প্রিয়াংকা চোপড়ার কাঁচুলি বাঁধা পিঠ দেখার আশায়।
-----দুই-----
চান-সুরুযের হিসাব ভরত নির্ভুল রাখে। বিশেষ করে চৈত্রের শেষ পূর্ণিমার খবর শুধু ভরত নয়, বীরভূমের সবাই-ই কমবেশি
রাখে। এই শেষ পূর্ণিমাতেই জমে ওঠে দোলের উৎসব। শুরু হয় বসন্ত-কীর্তন। আর ম্যালা মানুষের ঢল নামে শান্তিনিকেতনের চত্বরে। আবির-ছড়ানো হাওয়া রঙিন হয়ে ওঠে। ভ্যানের ওপর রং ছড়িয়ে বসে বিক্রেতা। কেনো ভাই কেনো, রং কেনো। রং ছিটিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাও জীবনের জরা যত। আর চারদিকে তাকিয়ে দেখো, বসন্ত সমীরণে মেতেছে সবাই। ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে – দেখো, এন্তার ফুটে চলেছে পলাশ, ফাগুনবউ, নীলমণিলতা। কিছু পর্তুলিকা তাকিয়ে রয়েছে ঘাসের জমিনে।
ভরত ধাই করে টোটোর স্পিড বাড়ায়। এতক্ষণে শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস এসে গেছে। লোকজন ঢেউ হয়ে ভাসিয়ে দিতে এসেছে গত এক বছরের মালিন্য আর ক্লান্তি।
যাত্রীরা সব ঝটাঝট উঠে পড়েছে তাদের মনপছন্দ টোটোতে। ভরতের মনে শংকা ভর করে – আজ হয়তো খুব বেশি তাপ্পির রুপি জোটানো যাবে না। তার চোখ লাটিমের মতো চক্কর খায় – কোনো আলাভোলা প্যাসেঞ্জার ধরা যায় কিনা? যারা প্রথমবারের মতো আসে, তাদের এক লহমায় চিনতে পারে ভরত। তাদের ঠোঁটের কোণ আর কপালের ভাঁজ দেখেই চেনা যায়। ভরতের লক্ষ্য এরাই। এদের প্যাসেঞ্জার হিসেবে পেলে কিছু কাঁচা পয়সা আতকা জুটে যায়। আর দোলের দিনগুলিতে পকেট ভারী না থাকলে চলে কী করে? ভরপেট দারু না পিলে দোলের রং কেমন ফিকে দেখায়!
বোলপুর রেলস্টেশনে এসে ভরতের মুখ শুকিয়ে আমচুর হয়ে ওঠে। ট্রেন এসে পৌঁছেছে মিনিট বিশেক আগেই। এখন টোটোর লাইনে সে কিছুতেই ঢুকতে পারবে না। বেলাইনে গিয়ে টোটোর ঝাঁকে মিশে যাবে সে-উপায়ও আর নেই। ভরত আমচুর মুখ নিয়েই রাস্তার পাশে টোটো দাঁড় করায়। তখুনি দুই আওরত লাগেজ টানতে টানতে এগিয়ে আসে –
‘এই তুমি যাবে?’
‘কই যাবে?’
‘ব্রহ্মপলস্নী।’
‘ছাতাছ দিয়া ঢুকবে তো?’
আওরত দুইজন মুখ চাওয়াচাওয়ি করে বলে –
‘হবে হয়তো।’
‘হা হা বুঝতে পেরেছি উঠুন উঠুন।’
‘কত নেবে?’
‘একছ বিছ দিয়েন।’
‘না না এত নয়। আশি।’
ভরত আজ খুব বেশি দরকষাকষিতে যেতে চায় না। বলা যায় না, আম আর ছালা দুটোই খোয়া যেতে পারে।
‘আচ্ছা ওঠো তো, অই ছ দিও।’
রেলস্টেশনের ভিড় সাঁতরে বড় রাস্তায় উঠে হাঁপ ছাড়ে ভরত। যাক বাবা, আজ আর টোটোর লাইন স্টিটেমে পড়তে হয় নাই। বনস্পতি, পলাশ আর আমগাছের ছায়ার ভেতর দিয়ে যেতে যেতে ভরত হঠাৎ শোনে
ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে …
ভরত বলতে চায় কি চায় না, অথবা অবচেতন মনেই বলে –
‘বাহরে, গলা তো বহুত খুব আছে।’
চমকে উঠে গান থেমে যায়। আদতে তারা এই অনাহূত কথামালার জন্য প্রস্ত্তত ছিল না।
তারা আপনমনে বিভোর ছিল। চমকানো মুখ খলখল করে হেসে ওঠে –
‘আচ্ছা, আচ্ছা আমাদের গান তুমি বুঝতে পারছ?’
‘হাহাহা ওই বললাম না কণ্ঠ ভারি সোন্দর।’
‘তোমার নাম কী?’
‘ভরত।’
‘কী?’
‘বুঝতে পারছ না? ভরত, ভরত।’
‘ও।’
ফের গান ধ্বনিত হয়। ফের সুর আর কথা –
এই পথ যদি না শেষ হয়
তবে ক্যামন হতো তুমি বলো তো?
ভরত বড় সাবধানে আজ টোটোর স্টিয়ারিং ধরে রাখে। খামোকা ঝাঁকুনিতে গানের সুর কেঁপে উঠতে পারে।
আহা! কেন এরা এমন হাসে? আর এত গায়? আর এত খলখলিয়ে হেসে ওঠে? লছমি যদি এদের মতো করে একটু হাসতো? দুই-একটা গানের কলি ঠোঁটের কোনায় জমিয়ে রাখতো? ব্রহ্মপলস্নীতে থেমে থাকা নির্জনতা চুরমার করে দিয়ে ভরতের টোটো এগোয়।
জোর হাওয়াতে সুর উড়ে উড়ে আসে। আজ ভরতের টোটোর যেন ডানা গজিয়েছে। শূন্যে ভেসে চলেছে ভরত। যেন-বা কিছু মেঘ ঢুকে পড়েছে টোটোর ভেতর। চৈত্রের এমন অসহনীয় উত্তাপ শুষে নিতে পরবাসী মেঘ চলে এসেছে শান্তিনিকেতনের আঙিনায়।
ভরতের মাথায় অন্য চিন্তার ঘূর্ণি – আওরত দুইজনের বয়স কত? আজকাল আর মুখ দেখে কারো বয়স আন্দাজ করা যায় না। একজনের মুখের আদল জুহিজির মতন। আর অন্যজন যেন সাক্ষাৎ জিনাত আমান। আহা সেই কোনকালে দেখা সত্যম শিবম সুন্দরম! কী মোলায়েম এদের শরীর? আচ্ছা, লছমির শরীরটা অমন মোলায়েম নয় কেন? ভরত ভাবে জিজ্ঞেস করবে, তুমরা কি মাখো শরীরে?
ধুস্ – ভরত এসব ভাবছে কেন? খানিক বাদেই খেলা সাঙ্গ হয়ে যাবে। এরা নেমে যাবে গন্তব্যে। আর হারিয়ে যাবে চিরকালের মতো। কিন্তু আজ ভরতের কী যেন হয়? যাত্রী নেমে যাওয়ার প্রাক্কালে বলে ওঠে –
‘কুথায় যাইতে হলে আমারে কল করলে আমি চলে আছব।’
‘ওহো তাই নাকি? তাহলে তোমার মোবাইল নাম্বারটা আমাদের দিয়ে যাও।’
‘আর হ্যাঁ, আমরা বেরুবো। তুমি চারটে নাগাদ এইখানেই চলে এসো।’
------তিন-----
খোয়াই পার হয়ে কোপাই নদীর দিকে যেতে যেতে ভরতের টোটো আজ যেন ময়ূরপঙ্খি হয়ে ওঠে। স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে ভরতের মনে হয়, সে যেন আজ সত্যি সত্যি তরতরিয়ে ভেসে চলেছে। হাওয়ার পরতে পরতে সুর মাখামাখি হয়ে আছে। চৈত্রের খরা আজ কি একটু কমতির দিকে? যদিও প্রচ- গরমের হলকা নাকমুখ ঝলসে দিয়ে যাচ্ছে। তবু ভরতের বড় আরাম লাগে। যাত্রীদ্বয়ের কণ্ঠের সুর তার মনপ্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে।
কোপাইয়ের জল এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তীরে দাঁড়ালে উষ্ণ ভাঁপ টের পাওয়া যায়। বাদলার কালে কোপাইয়ের এই শীর্ণ যৌবন নড়েচড়ে ওঠে। তখন চারপাশেও কেমন হিমভাব ছড়ানো থাকে।
কোপাই ফেলে খানিক দূর এগোতেই টোটোর দম যায় যায় অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। এমন বেকায়দায় অনেকদিন পড়ে নাই ভরত। ব্যাটারি ডাউন! অথচ গত রাতেই সে কিনা ব্যাটারি বদলে ফুলচার্জ লাগিয়েছিল। এখন করণীয় কী? শিকার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভরত তটস্থ হয়ে ওঠে। স্টিয়ারিং বারকয়েক অন-অফ করেও সুবিধা কিছু হয় না।
অগত্যা অন্য টোটোওয়ালাকে হাত দেখাতে হয়। ভরত জানে, জুহিজি আর জিনাত আমানের সঙ্গে আর মোলাকাতের সম্ভাবনা নেই। বাড়তি ভাড়া নেবার জারিজুরি তারা ইতোমধ্যেই জেনে যাবে। ভরতের মনে তবু ক্ষীণ আশা, ফস্কে যাওয়া শিকার যদি আরেকবার খাঁচায় ফিরে আসে, যদি আসে!
সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে সে-আশা প্রলম্বিত হতে শুরু করেছিল, কিন্তু বিধি বাম!
ফোনের অপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসে –
‘ভরত শোনো, আগামীকাল আসার দরকার নাই। আমরা রিজার্ভ টোটো নেব না। সময় নিয়ে ঘুরে ঘুরে সব দেখতে চাই।’
‘আচ্ছা। আচ্ছা। দেখো তবে।’
ভরতের গলার কাছটায় কী যেন বাধো বাধো ঠেকে। তার মন বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। আহা! একনজর দেখা হলেও বড় প্রশান্ত থাকা যেত। লছমির ছ্যাঙ-ছ্যাঙ-স্বভাব বিস্মৃত হওয়া যেত। আর জুহিজির মুখটা বড় প্রলুব্ধকর। বারংবার তাকালেও আশ মিটতে চায় না। কী যে মিষ্টি কণ্ঠ দুইজনার! কী পরিপাটি বেশভূষা! জুহিজির আসল নামটা জানা হলো না। ভরত জিজ্ঞেস করতে গিয়েও সংকোচে বিরত থেকেছে। কী না কী আবার ভেবে বসে? ওই আওরতের বড় দয়ার শরীর। চা খাওয়ার সময় ভরতকে পাশে বসতে দিয়েছিল। আর ভরতের মন মুহূর্তে ফুরফুুরে হয়ে গিয়েছিল।
-----চার-----
দোলের পূর্ব রাত্তিরে ফোন পেয়েছিল ভরত।
‘ভরত আগামীকাল ভোরে আসতে পারবে?’
ভরত জানে খুব বেশি ভাড়া আর তাদের কাছ থেকে হাতানো যাবে না। ফলে কী দরকার খামোকা গিয়ে? নিজের লাভ না হলে ভরত কিছুতে আগাতে চায় না। যাক গে। মরুক গে। তাতে ভরতের কী? যতই ডাকুক ভরত আর যাবে না। সে তো চেয়েছিল এই কয়দিন টোটোর সার্ভিস তাদেরই দিতে। কিন্তু তারাও তো ভরতের কথা মনে রাখে নাই। এইসব ফালতু আবেগ প্রশ্রয় দিলে ভরতের চলে না। কোনো বিদেশিনী এসেছে দুইদিনের জন্য, ফের উড়েও যাবে নিজের আকাশে। চলার পথে কত পাখি দেখে ভরত। কত ফুল। কাউকে ভালো লাগে। কাউকে লাগে না। যাকে ভালো লাগলো তার জন্য সন্ন্যাস নেওয়ার মতো হাঁদারাম ভরত নয়।
দোলের রাত্তিরে লছমিকে আবির মাখানোর প্রাক্কালে যদিও জুহিজির মুখটা বারকয়েক ভেসেছিল। ভরত জানে, এসবই দারুর কারসাজি। এই দারুই তো লছমিকে কোনো কোনো রাতে দীপিকাজি বানিয়ে দেয়। তা বানাক। ভরতকে পেটের ভাত জোগাড়ের ধান্ধায় চলতে হয়। মনের ভাবালুতা যতই পীড়ন করুক সেসবকে নিয়ে পড়ে থাকলে ভরতদের চলে নাকি?
দোলের পরদিনও ঢেউয়ের মতো মানুষ বোলপুরে। ভরত তড়িঘড়ি টোটো নিয়ে দৌড়ায়। যাত্রী নামিয়ে ফিরতি যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করে। বিকেল চারটায় কাঞ্চনজঙ্ঘার কিছু প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাবে।
ভরত হঠাৎ বিস্মিত হয়ে দেখে সেই দুই আওরত! তারা তাকে দেখে কি দেখে না বা দেখলেও চেনে না। ভরতই ডাক দেয় –
‘অ্যাঁই অ্যাঁই জি।’
জুহিজি চমকে তাকায়, কিন্তু চিনতে পারে না তাকে। জিনাত আমান কিন্তু তাকে ঠিকই চিনতে পারে!
‘আরে ভরত! তুমি এইখানে?’
জুহিজির ফর্সা মুখে অভিমান না রাগ ঘনায়, ধরতে পারে না ভরত!
‘ভরত তুমি খুব খারাপ।’
‘ক্যান আছি নাই বলে?’
‘না তা নয়। তুমি কী করে জানলে যে আমরা এই সময়ে যাব?’
‘জানি না তো। মন বুলছিল।’
‘মন?’
‘হা মন বুলছিল ফির দেখা হবে।’
‘যদি দেখা না হতো?’
‘উহু এই যে দেখা হলো।’
ভরত আজ জিন্স-টি শার্ট পরে বেরিয়েছিল। ক্লিন শেভড! কপালে আবিরের তিলক আঁকা।
সব সংকোচ ঝেড়ে ফেলে জুহিজির দিকে ডানহাত বাড়িয়ে দেয় ভরত। আহা! ম্যালাদিন বাদে এক ফুল তাকে উন্মনা করেছিল – ফাগুনবউ! সারা শরীর জুড়ে হলদে রঙের মিছিল! যখন ফুল ফোটে গাছে কোনো পাতার চিহ্ন থাকে না! এমন নয়নকাড়া পুষ্পকে একবার অন্তত স্পর্শ করা দরকার!
জুহিজি ইতস্তত করে নিজের হাত বাড়িয়ে দেয়।
ভরতের বকুল-বিচিরঙা চেহারায় কী এক অপার্থিব আলো খেলে যায় …
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Posts (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট